Tag: bangla news

bangla news

  • Suvendu Adhikari: ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের! উলুবেড়িয়ায় সভা করবেন শুভেন্দু, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Suvendu Adhikari: ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের! উলুবেড়িয়ায় সভা করবেন শুভেন্দু, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির অভিযোগ ছিল, শাসকদল তৃণমূলের অঙ্গুলি হেলনে পুলিশ-প্রশাসন বিজেপির সভা করতে বাধা দিচ্ছে। তাই সভার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অবশেষে উলুবেড়িয়ায় (Uluberia) তাঁকে সভা করার অনুমতি দিল হাইকোর্ট। জানা গিয়েছে, সভা হবে ২১ অক্টোবর তরুণ সঙ্ঘ ক্লাবের মাঠে। ফলে ফের একবার আদালতে মুখ পুড়ল মমতার পুলিশ-প্রশাসনের। উল্লেখ্য, দশমীতে হাওড়ার শ্যামপুরে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল। দুষ্কৃতীদের আক্রমণে মূর্তি ভাঙা নিয়ে শুভেন্দু কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন সামাজিক মাধ্যমে। এবার হবে এই জেলায় বিজেপির রাজনৈতিক সভা।

    দুপুর ২টো থেকে ৬টার মধ্যে সভা (Suvendu Adhikari)

    শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিভাস পট্টনায়ক আগামী সোমবার, হাওড়ায় শুভেন্দুকে সভা করার অনুমতি দিয়েছেন। তবে এই সভা করার জন্য একাধিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বিচারপতি বলেন, “আগামী ২১ অক্টোবর দুপুর ২টো থেকে ৬টার মধ্যে সভা করতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে জনসভার জন্য যেন পার্কিং ও রাস্তায় কোনও প্রভাব না পড়ে। জনসভায় দু’হাজার লোকের বেশি জমায়েত হওয়া চলবে না।”
    আরও পড়ুনঃ রাজ্যে নারী নিরাপত্তা তলানিতে, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিলেন সুকান্ত

    আগে রাজাপুর থানা অনুমতি দিয়েছিল!

    কলকাতা হাইকোর্টে শুনানি চলাকালীন শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আইনজীবী বলেন, “উলুবেড়িয়ার নেতাজি ক্লাব প্রথমে জনসভা করার অনুমতি দিয়েছিল। পরে চাপের মুখে তা প্রত্যাহার করে। এরপর তরুণ সঙ্ঘের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়। পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মাঠটি ক্লাবের নয়। পিডবলুডি-র মাঠ। অথচ এর আগে রাজাপুর থানার অধীনে ওই মাঠে সভার অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্ট।” পাল্টা সরকার পক্ষের আইনজীবী স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যে কোনও ব্যক্তির সভা করার অনুমতি রয়েছে। ক্লাবের কোনও অধিকার নেই অনুমতি দেওয়ার। ন্যাশনাল হাইওয়ে ১৬ রয়েছে ক্লাবের (Uluberia) পাশেই। মামলাকারীর নিরাপত্তা এবং ট্রাফিককের অসুবিধা হবে।”

    বিজেপির অবশ্য বক্তব্য, তৃণমূলের আমলে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই রাজ্যে। শাসকের বিরুদ্ধে প্রশ্ন করলে কোনও রকম সভার অনুমতি দেওয়া হয় না বিজেপিকে। আরজি কর-কাণ্ডে শ্যামবাজার, হাজরা মোড়ে হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে সভা করতে হয়েছিল। একই ভাবে সন্দেশখালি-সহ একাধিক জায়গায় সভা করতে গেলে কোর্টের অনুমতি নিয়ে সভা করতে হয়েছিল। ফলে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছে মমতার প্রশাসন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India vs New Zealand: শেষ বলে আউট কোহলি, বেঙ্গালুরুতে ম্যাচ বাঁচানোর বিরাট বোঝা ভারতের সামনে

    India vs New Zealand: শেষ বলে আউট কোহলি, বেঙ্গালুরুতে ম্যাচ বাঁচানোর বিরাট বোঝা ভারতের সামনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষে বেঙ্গালুরুর মেঘলা আকাশের মতোই ভারতীয় শিবিরে আশা-আশঙ্কার দোলাচল। ম্যাচের এখনও দুই দিন বাকি। প্রথম ইনিংসে এখনও ভারত পিছিয়ে ১২৫ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুটা মন্দের ভালো হলেও ইতিমধ্যেই ৩ উইকেট পড়ে গিয়েছে। ফিরে গিয়েছেন রোহিত-যশস্বী-কোহলি। ক্রিজে রয়েছেন সরফরাজ। ম্যাচ বাঁচাতে গেলে চতুর্থ দিন টানা ব্যাট করতে হবে ভারতকে। যা এক কথায় বেশ কঠিন।

    নিউজিল্যান্ডের রেকর্ড

    প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ার পর বোলিংয়েও হতাশ করেন যশপ্রীত বুমরাহরা। ভারতের বোলিং অ্যাটাককে নির্বিষ করে দিয়ে চারশোর উপর রান তুলে ফেলে নিউজিল্যান্ড। উল্লেখ্য, মেন ইন ব্লুর বিরুদ্ধে ভারতের মাটিতে এর আগে কোনওদিন প্রথম ইনিংসে ৩০০ রানের লিড নিতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ড ব্যাটারদের মধ্যে সর্বাধিক রান করেন রাচিন রবীন্দ্র। তিনি ১৫৭ বলে ১৩৪ রান করে আউট হন। ২০১২ সালে ভারতের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ড ২০৭ রানে লিড নিয়েছিল। ইডেনে সেই ম্যাচের পর থেকে ভারতের বিরুদ্ধে ভারতের মাটিতে কোনও দল ২০০ রানের উপরে লিড নিতে পারেনি। ১২ বছর পর নিউজিল্যান্ড সেই কাজটাই করে দেখাল। ভারতের বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ড ৩৫৬ রানে লিড নেয়। 

    লড়ছে ভারত

    ম্যাচের প্রথম দিন বৃষ্টির জন্য পুরো ভেস্তে যায়। দ্বিতীয় দিনের তিনটি সেশনেই দাপট দেখায় নিউজিল্যান্ড। এমনকী তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনেও ভারত ছিল ব্যাকফুটে। ৪০২ স্কোর তুলে প্রথম ইনিংসে ৩৫৬ রানের লিড নেয় কিউয়িরা। কার্যত কঠিন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের স্কোর ৩ উইকেটে ২৩১। এদিন শুরুটা ভালো করেছিলেন রোহিত ও যশস্বী। কিন্তু বাজে শট খেলে আউট হন যশস্বী। রোহিত অর্ধশতরান পূরণ করলেও বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি। তারপর ভারতীয় ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন বিরাট কোহলি এবং সরফরাজ খান। দুই ব্যাটারই অর্ধশতরান পূরণ করেন। প্রথম সরফরাজ খান এবং পরে বিরাট কোহলি হাফ সেঞ্চুরি করলেন। শতরানের পার্টনারশিপ গড়ে ভারতীয় দলকে আপাতত লড়াইয়ে ফেরান এই জুটি। দিনেৱ শেষ বলটা খেলে নিতে পারলে অপরাজিত অবস্থায় মাঠ ছাড়তে পারতেন কোহলি, কিন্তু সেটা হল না। উইল ও’রোর্ক-র বলে আউট হলেন বিরাট। ডিআরএস নিয়েও বাঁচতে পারলেন না। দিনের শেষে সরফরাজ ৭০ রানে অপরাজিত আছেন। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সর্বাধিক তিনটি করে উইকেট পেয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা এবং কুলদীপ যাদব। জোড়া উইকেট পেয়েছেন মহম্মদ সিরাজ। একটি করে উইকেট রবিচন্দ্রন অশ্বিন এবং বুমরাহ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: অন্য তরুণীর সঙ্গে সিনেমা হলে নির্যাতিতার প্রেমিক, কৃষ্ণনগরকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Nadia: অন্য তরুণীর সঙ্গে সিনেমা হলে নির্যাতিতার প্রেমিক, কৃষ্ণনগরকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে তরুণীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। সিসিটিভি ক্যামেরা সূত্রে পাওয়া তথ্য, অভিযুক্তের দাবি, পরিবারের দাবি-সব মিলিয়ে নানারকম তথ্য আসছে, যার প্রত্যেকটিই চাঞ্চল্যকর। প্রেমিকের সঙ্গে অন্য তরুণীর সম্পর্কের জেরেই কি মৃত্যু হয়েছে কৃষ্ণনগরের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর? শুক্রবার দেহ উদ্ধারের ৩ দিন পর উঠে আসছে এমনই তথ্য। চিকিৎসকদের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা নির্যাতিতার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে এদিন কথা বলেন।

    অন্য তরুণীর সঙ্গে সিনেমা হলে নির্যাতিতার প্রেমিক! (Nadia)

    তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, ধৃত যুবক রাহুলের সঙ্গে নিহত তরুণীর (Nadia) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সম্পর্কে অবনতি হয়। অন্য এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান রাহুল। তার জেরেই কি মৃত্যু হয়েছে তরুণীর? উঠছে প্রশ্ন। কৃষ্ণনগরে তরুণীর দগ্ধ, বিবস্ত্র দেহ উদ্ধারের ঘটনায় বৃহস্পতিবারই সিট গঠন করেছে রাজ্য পুলিশ। শুক্রবার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবক রাহুল বসুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল নিহত তরুণীর। রাহুলকে নিজের স্বামী বলে তিনি পরিচয় দিতেন বন্ধুমহলে। এমনকী তরুণীর ফোনেও রাহুলের নম্বর হাজব্যান্ড লিখে সেভ করা রয়েছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সম্প্রতি তরুণীর সঙ্গে রাহুলের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছিল। তলানিতে পৌঁছেছিল সেই সম্পর্ক। এর পর তরুণীরই এক বান্ধবীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান রাহুল। মঙ্গলবার ২ জন রানাঘাটে একটি প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলেন। বিকেল পর্যন্ত সেখানেই ছিলেন। পরে কৃষ্ণনগর ফেরেন। রাহুলই আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছিলেন কিনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে নারী নিরাপত্তা তলানিতে, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিলেন সুকান্ত

    মৃত্যুর আগের দিন ঠিক কী হয়েছিল?

    পুলিশের দাবি, মৃত্যুর আগের দিন কৃষ্ণনগর (Nadia) শহরের একাধিক রাস্তায় একা ঘুরে বেড়িয়েছিলেন তরুণী। ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরে কলেজ মাঠের কাছে রাত সাড়ে নটার পর থেকে তরুণীর গতিবিধি পাওয়া গিয়েছে। ধৃত রাহুলের উপস্থিতিও পাওয়া গিয়েছে কলেজ মাঠে। অথচ পুলিশের কাছে রাহুল দাবি করেছেন, তাঁদের সেদিন দেখা হয়নি। রাহুলের দাবি, ‘আমি খুন করিনি। ফোনে কথা হয়েছিল আমি কোথায়, আমার সঙ্গে সম্পর্ক রাখিস না, এইটুকু।’ কিন্তু দেখা গিয়েছে, রাত সাড়ে ৯ টা নাগাদ তরুণী ও রাহুল উভয়েরই মোবাইল টাওয়ার লোকেশন একই অঞ্চলেই ছিল।

    ময়না তদন্তে কী মিলল?

    বৃহস্পতিবার তরুণীর (Nadia) দেহের ময়নাতদন্তের পর জানা যায়, ধর্ষণের কোনও স্পষ্ট প্রমাণ মেলেনি। তবে মৃত্যুর আগেই তরুণীর গায়ে আগুন ধরানো হয়েছিল। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্ভবত সেই আগুনেই তরুণীর দেহের পোশাক পুড়ে গিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ১টি বোতল ও ২টি দেশলাই বাক্স। তার মধ্যে ১টি খোলা অবস্থায় ছিল। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ মনে করছে, প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন তরুণী। কিন্তু সমস্ত সম্ভাবনা খোলা রেখে তদন্ত চালিয়ে যেতে চায় তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cow Milk: গরুর দুগ্ধে কী কী গুণ আছে, স্বাস্থ্যের উপকারিতায় কতটা গুরুত্বপূর্ণ জানেন?

    Cow Milk: গরুর দুগ্ধে কী কী গুণ আছে, স্বাস্থ্যের উপকারিতায় কতটা গুরুত্বপূর্ণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুর দুধ (Cow Milk) অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টিকর খাবার। দুধ উৎস গুণে একটি সমৃদ্ধকারী খাবার। বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যকর (Health Benefits) খাদ্যের তালিকায় একটি নির্ভরযোগ্য খবার হল গরুর দুধ। ভারতের মতো দেশে মাতৃদুগ্ধের ঠিক পরেই খাবার হিসেব বিবেচিত হয় গরুর দুধকে। সেই জন্য গরুকে গোমাতা হিসেব পুজো করা হয়। তাঁকে দেওয়া হয়েছে দেবতার স্থান। এই খাবারে বিভিন্ন সুবিধাজনক দিক রয়েছে। যেমন-হাড়ের স্বাস্থ্য থেকে পেশী পুনরুদ্ধার পর্যন্ত সবকিছুকে সতেজ রাখার জন্য প্রথম সারির খাবর হল গরুর দুধ।

    গরুর দুধ দীর্ঘদিন ধরে প্রকৃতির অন্যতম পুষ্টিকর পানীয় হিসেবে গ্রহণ করা হয়। অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং এর ব্যবহারে বহুমুখী উপকারিতা রয়েছে এই প্রোটিন যুক্ত খাবারে। বিভিন্ন রন্ধনসম্পদের মূল উপাদান থেকে শুরু করে শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পুষ্টির প্রাথমিক উৎস হিসাবে পরিবেশন করা হয় গরুর দুধকে। সুস্বাস্থের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং চিত্তাকর্ষক পানীয় খাবার দুধ। গরুর দুধ উপকারিতা আসুন জেনে নিই।

    পুষ্টিসমৃদ্ধতা (Cow Milk)

    গরুর দুধ (Cow Milk) অত্যাবশ্যক পুষ্টিগুণে ভরপুর খাবার। পুষ্টির (Health Benefits) একটি চমৎকার উপাদান রয়েছে দুধে। এক কাপ সম্পূর্ণ গরুর দুধে সাধারণত নিম্নলিখিত উপাদান থাকে। যেমন-ক্যালসিয়াম- শরীরের হাড়কে স্বাস্থ্যকর  এবং শক্ত সবল করে। সেই সঙ্গে দাঁতের জন্য অপরিহার্য। প্রোটিন-পেশীর শক্তি বৃদ্ধি এবং মেরামতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দুধ। একই ভাবে থাকে ভিটামিন-ভিটামিন এ, ডি, এবং বি ১২। এসবের গুণে বিভিন্ন শারীরিক ক্রিয়াকলাপকে সতেজ রাখে। খনিজের মধ্যে থাকে যেমন-পটাসিয়াম এবং ফসফরাস, যা হার্টের স্বাস্থ্য এবং শক্তি উৎপাদনের জন্য অত্যাবশ্যক। দেহে পুষ্টির ক্ষেত্রে গরুর দুধ, বড় থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষের জন্য একটি অপরিহার্য খাবার।

    হাড়ের সুস্বাস্থ্য

    গরুর দুধের (Cow Milk) অন্যতম উল্লেখযোগ্য উপকারিতা হল মজবুত হাড় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উচ্চ ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি কন্টেন্ট হাড়ের ঘনত্বকে মজবুত করে। একই ভাবে বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে সাহায্য করে। গরুর দুধের নিয়মিত সেবনে মজবুত হাড় বজায় রাখে এবং ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি কমায়।

    পেশীর উন্নয়ন এবং পুনরুদ্ধার

    ক্রীড়াবিদ এবং কর্মঠ ব্যক্তিদের জন্য গরুর দুধ একটি চমৎকার খাবার। কারণ কাজের পর অর্থাৎ পোস্ট ওয়ার্কআউট পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যাবশ্যক পানীয়। দুধের প্রোটিন পেশী মেরামত এবং বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। একই ভাবে কার্বোহাইড্রেট শক্তি সঞ্চয়গুলি পূরণ করতে সহায়তা করে। দুধে (Cow Milk) প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটের ভারসাম্য বজায় থাকে শরীরে।

    হার্টের স্বাস্থ্য

    গরুর দুধে ব্যাপক পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে। যা খাদ্যে সোডিয়ামের প্রভাবকে ভারসাম্য বজায় রেখে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে গরুর দুধ সহ দুগ্ধজাত দ্রব্য খাবার হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। শরীরে মেদ বা চর্বির উপস্থিতি থাকলে, দুধ পরিমিত পরিমাণে খাওয়া হলে কার্ডিওভাসকুলারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।

    হজম বৃদ্ধি করে

    সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে গেলে পাচক বা হজমের কার্যকারিতা একান্ত প্রয়োজন। গরুর দুধ (Cow Milk) হল প্রোবায়োটিকের উৎস। দুধ থেকে উৎপন্ন দই বা বাটার মিল্ক হজমের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। দইয়ে ল্যাকটোজ থাকে, যা পেট ঠাণ্ডা এবং খাবারকে পাচিত করতে সাহায্য করে। এই উপকারী (Health Benefits) ব্যাকটেরিয়া একটি সুষম মাইক্রোবায়োম প্রচার করে অন্ত্রের স্বাস্থ্যকেও সতেজ এবং সুস্থ্য রাখে।

    হাইড্রেশন

    গরমে দুধ (Cow Milk) সামগ্রি দিয়ে তৈরি ঘোল ভীষণ ভাবে উপকারী। শরীরে হাইড্রেশনের মাত্রা ঠিক রাখে। এটি তৃষ্ণা নিবারণের জন্য একটি চমৎকার পছন্দ এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহকারী খাবার। এটি একটি বিকল্প সতেজ পানীয় হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

    ত্বকের স্বাস্থ্য

    গরুর দুধের পুষ্টিগুণ ত্বকের জন্যও ভীষণ ভাবে উপকারী।দুধে পাওয়া ল্যাকটিক অ্যাসিড প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েন্ট হিসেবে কাজ করে ত্বকে। মৃত কোষ অপসারণ করে এবং স্বাস্থ্যকর উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে দুধ। অনেকে স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টে দুধকে এর ময়শ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্যের জন্য অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য একটি মূল্যবান উপাদান হল দুধ।

    পুষ্টির পাওয়ার হাউস হল দুধ

    গরুর দুধ (Cow Milk) হল একটি পুষ্টির পাওয়ার হাউস, যা বিস্তৃত পরিসরের স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রদান করে থাকে নানা ভাবে। হাড়ের স্বাস্থ্যকে থেকে শুরু করে পেশী পুনরুদ্ধারে সহায়তা করা এবং হজম (Health Benefits) সহ-একাধিক সুবিধাগুলি পাওয়া যায়। আবার দৈনন্দিন খাবারের রুটিনে গরুর দুধ অন্তর্ভুক্ত করলে সামগ্রিক ভাবে সুস্থতাকে বৃদ্ধি করা যায়। দুধ থেকে তৈরি মাখন, ঘি, ছানা, পনির, মিষ্টি, সন্দেশ, পায়েস ইত্যাদি বেশ পুষ্টিকর খবার হিসেব ব্যবহার হয়। তাই দুধের গুণ অপরিহার্য।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand Assembly Election: ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনে এনডিএ-র আসন রফা চূড়ান্ত, বিজেপি লড়বে ৬৮ আসনে

    Jharkhand Assembly Election: ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনে এনডিএ-র আসন রফা চূড়ান্ত, বিজেপি লড়বে ৬৮ আসনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আসনরফা চূড়ান্ত করেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। শুক্রবার তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঝাড়খণ্ড বিধানসভার মোট ৮১টি আসনের মধ্যে সিংহভাগ কেন্দ্রেই লড়বেন বিজেপি প্রার্থীরা। ভোট যুদ্ধে সংগ্রামের জন্য বিজেপির আসন সংখ্য়া ৬৮। তবে, প্রাথমিকভাবে এদিন প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করে দেওয়া হলেও তাতে প্রয়োজনে বদল আনা হতে পারে।

    কে কত আসনে লড়বে

    বিজেপির তরফে যে আসনরফা ঘোষণা করা হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, আগের বারের তুলনায় এবার গেরুয়া শিবির ১১টি কম আসনে লড়বে। ৮১ আসনের মধ্যে বিজেপি প্রার্থী দেবে ৬৮টিতে। ১০টি আসন ছাড়া হচ্ছে জোট সঙ্গী অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্ট ইউনিয়ন অর্থাৎ আজসুর জন্য। বিহার লাগোয়া ঝাড়খণ্ডে বিহারের দুই জোটসঙ্গী জেডিইউ এবং এলজেপি রামবিলাসকেও জায়গা দিয়েছে গেরুয়া শিবির। নীতীশ কুমারের দল লড়বে দুই আসনে। একটি আসনে লড়বে চিরাগ পাসওয়ানের এলজেপি (রামবিলাস)। গত মঙ্গলবারই ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই অনুসারে, দুই দফায় এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দফার ভোট গ্রহণ হবে আগামী ১৩ নভেম্বর। আর, দ্বিতীয় দফার ভোট হবে আগামী ২০ নভেম্বর।

    আসন-রফা নিয়ে সহমত জোট শরিকেরা

    এদিন আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা উপলক্ষে রাঁচিতে অবস্থিত রাজ্য বিজেপির সদর কার্যালয়ে একটি যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। সেই বৈঠকে বিজেপির পাশাপাশি আজসুর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দেন বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা তথা অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি বলেন, ‘‘আমরা আসন ভাগাভাগি নিয়ে সকলে সহমত হয়েছি। সেই অনুসারে, স্থির করা হয়েছে, আজসু ১০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। জেডিইউ লড়াই করবে দু’টি আসন থেকে। আর এলজিপি প্রার্থী দেবে একটি আসনে। বাকি সবক’টি আসনেই বিজেপি প্রার্থীরা ভোটে লড়বেন।’’ প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ডে বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের অন্যতম হলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর পাশেই ছিলেন আজসু প্রধান সুদেশ মাহাত। সেইসঙ্গে, ঝাড়খণ্ডে এনডিএ-র অন্য়ান্য শরিকদলের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Shakib Al Hasan: দেশের মাটিতে অবসরের আশা শেষ! শাকিব বিরোধী স্লোগানে উত্তাল ঢাকা

    Shakib Al Hasan: দেশের মাটিতে অবসরের আশা শেষ! শাকিব বিরোধী স্লোগানে উত্তাল ঢাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বাইশ গজকে একদা বিশ্বের দরবারে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এখন বাংলাদেশেই ব্রাত্য শাকিব আল হাসান (Shakib Al Hasan)। দেশের মাটিতে খেলে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া হচ্ছে না বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়কের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের দলে শাকিবকে রাখা হলেও তিনি ম্যাচ খেলার জন্য দেশে ফিরতে পারছেন না। মনে করা হচ্ছে, ভারতের বিরুদ্ধেই জাতীয় দলের জার্সি গায়ে শেষ টেস্ট খেলে ফেলেছেন শাকিব।

    ব্রাত্য শাকিব

    ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ খেলে শাকিব (Shakib Al Hasan) নিউ ইয়র্কের বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে খেলার জন্য তিনি বুধবার দুবাইয়ে পৌঁছন। বৃহস্পতিবার তাঁর ঢাকায় পৌঁছনোর কথা ছিল। কিন্তু ঢাকার বিমান ধরার আগেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মাধ্যমে তাঁকে দুবাইয়ে অপেক্ষা করার বার্তা দেওয়া হয়। শাকিব বলেছেন, ‘‘আমি জানি না এর পর কোথায় যাব। তবে এটা প্রায় নিশ্চিত আমি বাড়ি ফিরতে পারব না।’’ অন্য দিকে, বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, ‘‘কোনও রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আমি শাকিবকে বাংলাদেশে না আসার পরামর্শ দিয়েছি। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’ 

    আরও পড়ুন: উচ্ছ্বাস ইজরায়েলে, হামাস প্রধান সিনওয়ারের মৃত্যু নিশ্চিত ডিএনএ পরীক্ষায়

    চলছে বিক্ষোভ

    ইতিমধ্যেই শাকিবের (Shakib Al Hasan) বিপক্ষে প্রবল বিক্ষোভ শুরু হয়েছে মিরপুর (Mirpur Stadium) শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের সামনে। বিক্ষোভকারীরা শাকিবের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছেন। এমনকী ক্রিকেটারের কুশপুত্তলিকাও দাহ করা হয়েছে। তাই নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণেই বাংলাদেশে ফিরতে বারণ করা হয়েছে শাকিবকে। দুবাই থেকে তিনি আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাবেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। বাংলাদেশের তদারকি সরকার প্রশাসনিক ভাবে ব্যক্তি শাকিবকে নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দেয়নি। প্রসঙ্গত, শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের ফটকের সামনে যেখানে বিক্ষোভ হয়েছে, অ্যাকাডেমির মাঠ সেখান থেকে খুব দূরে নয়। ঘটনাচক্রে যখন এই বিক্ষোভ চলছে, তখন ভিতরে অনুশীলন করছিল দক্ষিণ আফ্রিকা দল। বিসিবি জানিয়েছে, বিক্ষোভের বিষয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা দল কোনও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। তবে এ ঘটনার পর দক্ষিণ আফ্রিকা দলের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mount Everest: অবাককাণ্ড! প্রতি বছর উচ্চতা বাড়ছে মাউন্ট এভারেস্ট-মাকালু শৃঙ্গের, দায়ী নদী?

    Mount Everest: অবাককাণ্ড! প্রতি বছর উচ্চতা বাড়ছে মাউন্ট এভারেস্ট-মাকালু শৃঙ্গের, দায়ী নদী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাউন্ট এভারেস্টের (Mount Everest) উচ্চতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮.৮৫ কিলোমিটার উঁচুতে অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ এই শৃঙ্গ। এর উচ্চতা ধীরে ধীরে আরও বাড়ছে জানিয়ে চমৎকৃত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ‘নেচার জিওসায়েন্স’ জার্নাল। গত ৩০ সেপ্টেম্বর জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে বিষয়টি এই উঠে এসেছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই বিশ্বজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    প্রতি বছর লম্বায় বাড়ছে এভারেস্ট! (Mount Everest)

    ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের ভূবিজ্ঞান বিভাগের গবেষক অ্যাডাম স্মিথ, চিনের ইউনিভার্সিটি অফ জিওসায়েন্সের ভূবিজ্ঞানী জিং-জেন দাই এই গবেষণায় যুক্ত। গবেষকদের দাবি, প্রতি বছর মাউন্ট এভারেস্টের (Mount Everest) উচ্চতা যত বৃদ্ধি পায়, তার ১০ শতাংশই ঘটে এই আইসোস্ট্যাটিক রিবাউন্ডের জেরে। প্রতি বছর ০.০১-০.০২ ইঞ্চি করে উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে মাউন্ট এভারেস্টের। বর্তমান দিনে ঝোড়ো হাওয়া, ভারী বৃষ্টিপাত এবং নদীর জলস্রোতের ধাক্কায় ভূমিক্ষয় ঘটছে এবং সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে উঠে আসছে ভূগর্ভের মাটি, যা মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা বৃদ্ধি করছে। ইন্ডিয়ান এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে গত ৫ কোটি বছর ধরেই উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে হিমালয় পর্বতমালার। কিন্তু মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা বৃদ্ধির গতি তার চেয়ে অনেক বেশি বলে উঠে এসেছে নয়া গবেষণায়। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতি বছর ০.০৮ ইঞ্চি করে উচ্চতা বাড়ছে এভারেস্টের, যা প্রত্যাশার চেয়ে অনেকটাই বেশি। এর জন্য অরুণ নদীকে দায়ী করা হচ্ছে। অরুণ নদীর গতিপথও অদ্ভুত বলে মত গবেষকদের। তাঁদের মতে, সাধারণত গাছের মতো শাখাপ্রশাখা থাকে নদীর। অরুণ নদীটি পূর্ব থেকে পশ্চিমে এসে হঠাৎই ইংরেজি হরফ এল-এর মতো আকার নিয়েছে। একেবারে ৯০ ডিগ্রি কোণে হিমালয় পর্বতমালার দক্ষিণে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্য একটি নদী এসে মেশাতেই এমনটা ঘটেছে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

    আরও পড়ুন: ইএসআই হাসপাতালে আগুন, ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু ১ রোগীর

    এভারেস্ট ছাড়াও অন্য পর্বতশৃঙ্গও বাড়ছে

    গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, আজ থেকে প্রায় ৮৯ হাজার বছর আগে কোশী নদী মিশে যায় অরুণ নদীর (River) সঙ্গে। সেই থেকে এভারেস্টের (Mount Everest) উচ্চতা ৪৯ থেকে ১৬৪ ফুট বেড়ে গিয়েছে। কোশী নদী এবং অরুণ নদী পরস্পরের সঙ্গে মিশে যাওয়ার পর ওই অঞ্চলে ব্যাপক ভূমিক্ষয় হয়। প্রচুর পরিমাণ পাথর, মাটি সরে দিয়ে শূন্যতা সৃষ্টি হয়। ওজন কমে যায় ভূত্বকের। ওই শূন্যস্থান পূরণে নীচের অংশের মাটি উপরের দিকে উঠে আসে, ঠিক যেমন মালপত্র সরিয়ে নিলে নৌকা জলের উপরে উঠে আসে। শুধুমাত্র মাউন্ট এভারেস্ট নয়, ৭ লোৎসে, ৭ মাকালু পর্বতশৃঙ্গেরও উচ্চতা লাগাতার বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। মাকালু অরুণ নদীর কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। মাউন্ট এভারেস্টের তুলনায় উচ্চতা সামান্য বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। মাউন্ট এভারেস্ট-সহ আশেপাশের সব পর্বতশৃঙ্গেরই উচ্চতা বৃদ্ধি হয়েছে।

    গবেষকরা কী বললেন?

    এই গবেষণার অন্যতম অধ্যাপক লন্ডন কলেজের পড়ুয়া অ্যাডাম স্মিথ বলেন, জিপিএস থেকে জানা গিয়েছে কত দ্রুতহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এভারেস্টের উচ্চতা। ভূমিক্ষয় হওয়ায় আইসোস্ট্যাটিক পদ্ধতিতে উচ্চতা বাড়তেই থাকবে। এই গবেষণা প্রমাণ করছে পৃথিবীতে মাউন্ট এভারেস্টের মতো শৃঙ্গও জিওলজিক্যাল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবর্তনশীল। পৃথিবী ক্রমশ পরিবর্তন ঘটাচ্ছে এটা তার জ্বলন্ত উদাহরণ বলেই মনে করছেন গবেষকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: গভীর ষড়যন্ত্র? ওসি অভিজিতের পলিগ্রাফ ও সন্দীপের নারকো টেস্ট করতে চায় সিবিআই

    RG Kar: গভীর ষড়যন্ত্র? ওসি অভিজিতের পলিগ্রাফ ও সন্দীপের নারকো টেস্ট করতে চায় সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডের সময় টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের পলিগ্রাফ ও হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) নারকো টেস্ট করাতে উদগ্রীব হয়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। এদিনই শিয়ালদা আদালতে এই মর্মে আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, গুজরাটের গান্ধীনগরে সন্দীপ ঘোষের নারকো অ্যানালাইসিস টেস্ট করাতে চায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। আদালতে এর আগেই সিবিআই জানিয়েছিল কোনও অপরাধের ক্ষেত্রে গভীর ষড়যন্ত্র থাকলে নারকো টেস্টের মাধ্যমে রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হয়। সিবিআই ইতিমধ্যে জানিয়েছে, এর আগে সন্দীপ ঘোষের পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়েছে এবং দিল্লির সিএফএসএল-র রিপোর্ট অনুযায়ী বেশ কিছু অসঙ্গতি (RG Kar) পাওয়া গিয়েছে, আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষের বয়ানে। এবার তাঁর নারকো অ্যনালাইসিস টেস্ট করাতে চাইছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। 

    সন্দীপের আর্জিতে আমল দিল না উচ্চ আদালত

    এদিকে, আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar)  জেল বন্দি প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের মামলা জরুরি ভিত্তিতে শোনার আর্জিতে আমলই দিল না কলকাতা হাইকোর্ট। সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) দাবি ছিল, তাঁর পরিবারে অনটন চলছে, তাই ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙে তিনি কিছু টাকা তুলতে চান। এই আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন তিনি। শুক্রবার সেই মামলা শোনার কথা ছিল আদালতে। কিন্তু সেই আর্জিতে কোনও আমলই দিল না কলকাতা হাইকোর্ট।

    ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসককে (RG Kar) ফের তলব

    অন্যদিকে, আরজিকর কাণ্ডে নিহত মহিলা চিকিৎসকের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাসকে ফের একবার তলব করল সিবিআই। শুক্রবারে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন ওই ডাক্তার। প্রসঙ্গত, আরজি করের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক হলেন অপূর্ব বিশ্বাস। তিনিই নিহত চিকিৎসকের দেহের ময়নাতদন্ত করেছিলেন বলে জানা যায়। তাঁকে এর আগে একাধিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এর আগেই অপূর্ব বিশ্বাস দাবি করেছিলেন, নিহত চিকিৎসকের দেহের ময়নাতদন্ত দ্রুত করার জন্য তাঁকে চাপ দেওয়া হয়েছিল। সংবাদ মাধ্যমকে অপূর্ব বিশ্বাস জানিয়েছিলেন, ঘটনার পরেই মৃতার কাকা পরিচয় দিয়ে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে জানা যায়, ওই কাকা আসলে সঞ্জীব নামের এক ব্যক্তি। যাঁকে নির্যাতিতা, কাকু বলে সম্মোধন করতেন। সঞ্জীব অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: এবার গ্রামে গ্রামে ‘গণস্বাক্ষর’ কর্মসূচি জুনিয়র ডাক্তারদের, ভাবনায় ব্রিগেড সমাবেশও?

    RG Kar Case: এবার গ্রামে গ্রামে ‘গণস্বাক্ষর’ কর্মসূচি জুনিয়র ডাক্তারদের, ভাবনায় ব্রিগেড সমাবেশও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Case) হাসপাতলে নির্যাতিতার ন্যায়বিচার সহ মোট ১০ দফা দাবিতে, জুনিয়র ডাক্তাররা আন্দোলনকে আরও বৃহৎ করতে গ্রামে গ্রামে গিয়ে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ (Mass Signature Campaign) করার ডাক দিয়েছেন। একই ভাবে দ্রোহের কার্নিভালের পর আপামর মানুষের কাছে আন্দোলনের তীব্রতাকে আরও মারাত্মক করতে ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দেওয়ার ভাবনাচিন্তাও চলছে বলে জানা গিয়েছে। অভয়ার নির্যাতনের পর থেকেই রাজ্যে গত দুই মাসে, জয়নগর, ভূপতিনগর, মালদা, বর্ধমান, পুরুলিয়া সহ একাধিক জেলায় এখনও ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা ঘটে চলেছে। ফলে রাজ্যের শাসক দল এবং পুলিশ প্রশাসন নারী সুরক্ষা প্রসঙ্গে অত্যন্ত চাপের মুখে যে রয়েছে, সে কথা ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন। একই ভাবে রাজ্যের বিরোধী দলগুলিও মমতার পদত্যাগের দাবিতে এখনও অনড়। 

    শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত নিতে অভিযান (RG Kar Case)

    গত ৯ অগাস্ট থেকে অভয়ার (RG Kar Case) ন্যায় বিচারের দাবিতে কলকাতার রাজপথ উত্তাল। মমতা সরকার, পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলন চলছে। জুনিয়র ডাক্তাররা ধর্মতলায় অনশনে বসে আছেন। তাঁদের পাশে থেকে আন্দোলনে সামিল হয়েছেন সাধারণ মানুষ। একটাই দাবি তিলোত্তমার সুবিচার চাই। এই পরিস্থিতিতে শহরের পর এবার আন্দোলনকারী ডাক্তাররা গ্রামে গ্রামে গিয়ে ‘গণস্বাক্ষর’ (Mass Signature Campaign)—এর অভিযান করবেন বলে জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার শহরের চার জায়গায় এই স্বাক্ষর অভিযান চালানো হয়েছিল। তাতে ব্যাপক সাড়া মিলেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। আন্দোলনকে আরও ব্যাপক মাত্রা দিতে শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত নিয়ে যেতে এই অভিযান (Mass Signature Campaign)। উল্লেখ্য, আগামী মাসে রাজ্যের ৬টি বিধানসভার উপনির্বাচন। ফলে এই আন্দোলন এখন গ্রামীণ এলাকায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে কতটা প্রভাব ফেলে, তাই এখন দেখার।

    আরও পড়ুনঃ রাজ্যে নারী নিরাপত্তা তলানিতে, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিলেন সুকান্ত

    বড় পদক্ষেপ ব্রিগেড সমাবেশ?

    দ্রোহের কার্নিভালের (RG Kar Case) পর এবার জুনিয়র ডাক্তারদের বড় পদক্ষেপ হতে পারে ব্রিগেড সমাবেশ। গত অগাস্ট থেকে অক্টোবরের চলতি সময় পর্যন্ত ধর্না, আন্দোলন, অবস্থান বিক্ষোভ, লালবাজার অভিযান, স্বাস্থ্য ভবন অভিযান এবং আমরণ অনশন কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন ডাক্তাররা। তাতে সকল রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক এবং প্রবুদ্ধ নাগরিক সমাজ অংশগ্রহণ করেছেন। জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টর্স-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, “আসল কার্নিভাল হবে সব দাবি পূরণের পর। সেই দিন আর কথা নয়, সকল মানুষ ব্রিগেড গ্রাউন্ড দখল নেবে আমাদের বিশ্বাস।” ফলে এই বক্তব্যের পর থেকে গুঞ্জন উঠেছে পরবর্তী বড় বিক্ষোভ সমাবেশ কি তাহলে ব্রিগেড সমাবেশে হচ্ছে? তবে আমরণ অনশনের পাশাপাশি লিফলেট বিলি, পথ চলতি মানুষের স্বাক্ষর গ্রহণ করে অভিনব প্রতিবাদ করছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Flights: চারদিনে দেশের ২০ বিমানে বোমাতঙ্ক, মিলল লন্ডন-জার্মানি যোগ! কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

    Flights: চারদিনে দেশের ২০ বিমানে বোমাতঙ্ক, মিলল লন্ডন-জার্মানি যোগ! কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝ আকাশে বোমাতঙ্ক ছড়ানোয় তৎপরতার সঙ্গে অবতরণ করতে হচ্ছে, এমন ঘটনা নতুন নয়। ভারতের একাধিক বিমানবন্দরে (Flights) এভাবে বিমান অবতরণ করতে দেখা গিয়েছে। এই ধরনের ঘটনায় বারবার হয়রানির শিকার হতে হয় যাত্রীদের। ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) ব্যবহার করেই গত চার দিনে ২০টি বিমানে হুমকিবার্তা (Bomb Scare) পাঠানো হয়েছে। আর সে কারণেই ওই বার্তা প্রেরকদের দ্রুত চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক সূত্রে অন্তত তেমন দাবিই করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Flights)

    গত সোমবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে দেশের ২০টি বিমানে (Flights) হুমকিবার্তা পাঠানো হয়। তার মধ্যে আন্তর্দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বিমানও ছিল। সোমবার তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। মঙ্গলবার আরও ১০টি বিমানে, বুধ এবং বৃহস্পতি মিলিয়ে আরও সাতটি বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। কিন্তু প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে সেগুলি ভুয়ো। লাগাতার চার দিন ধরে বিমানে বোমাতঙ্কের ঘটনায় একটি সন্দেহভাজন এক্স হ্যান্ডলকে চিহ্নিত করেছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, ‘স্কিজ়োবম্বার ৭৭৭’ নামে ওই অ্যাকাউন্টটি এই ঘটনার কয়েক দিন আগেই বানানো হয়েছিল। ওই অ্যাকাউন্ট থেকে সাতটি হুমকিবার্তা পাঠানো হয়। তার পরই সেটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাদের যাতে কোনও ভাবে চিহ্নিত করতে না পারা যায়, তার জন্য অবস্থান গোপন করতে ভিপিএন ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। মোট ১৪টি বিমানসংস্থায় থ্রেট মেসেজ এসেছে শুধুমাত্র শুক্রবারই। গত এক সপ্তাহে বোমাতঙ্কের ভুয়ো মেসেজের সংখ্যা ৩৪।

    আরও পড়ুন: ইএসআই হাসপাতালে আগুন, ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু ১ রোগীর

    ইউকে-জার্মানির আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার

    সূত্রের খবর, প্রাথমিক তদন্তে বার্তা প্রেরকদের আইপি অ্যাড্রেস চিহ্নিত করা হয়েছে। দেখা গিয়েছে, হুমকিবার্তা (Flights) পাঠাতে যে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলি লন্ডন এবং জার্মানির। কিন্তু ভিপিএন ব্যবহার করায় বার্তাপ্রেরকদের চিহ্নিত করতে বেগ পেতে হচ্ছে। সূত্রের খবর, তাই তদন্তকারী সংস্থাগুলি এই সব হুমকি ফোনের উৎস খুঁজতে ভিপিএন পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলির সাহায্য চেয়েছে। যে এক্স হ্যান্ডলগুলি থেকে এই হুমকিবার্তা পাঠানো হচ্ছে সেগুলি চিহ্নিত করতে ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার (১৪সি), ইন্ডিয়ান কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (সার্ট ইন) একযোগে কাজ করছে।

    আইনি পদক্ষেপের উদ্যোগ

    বিমানে (Flights) বোমাতঙ্ক ছড়ালে আজীবন বিমানযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রেক্ষিতে এবার এই বিষয়ে আইন সংশোধনীর পথে হাঁটছে অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক। আইনে নতুন শাস্তির রূপরেখা ঠিক কী হবে, তা ঠিক করতে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, আইন মন্ত্রক এবং অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক এই বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। এতদিন পর্যন্ত বিমানের অভ্যন্তরে অভব্য আচরণ এবং বিমানে থাকাকালীন বোমাতঙ্ক ছড়ালে নো ফ্লাই লিস্ট- এ নাম অন্তর্ভুক্তি হত। এবার বাইরে থেকে ফোন কল, সোশ্যাল মিডিয়া, বা ইমেলের মাধ্যমে বোমাতঙ্ক ছড়ালেও বিমানযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি হবে, এমন আইন সংশোধনীর পথেই হাঁটছে সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share