Tag: bangla news

bangla news

  • Parliament Winter Session: সংসদে শুরু হচ্ছে শীতকালীন অধিবেশন, কোন কোন বিল পেশ করতে পারে সরকার?

    Parliament Winter Session: সংসদে শুরু হচ্ছে শীতকালীন অধিবেশন, কোন কোন বিল পেশ করতে পারে সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Winter Session) শুরু হচ্ছে আজ, সোমবার। ১৯ দিনের এই অধিবেশনে ১৫ বার সভা বসার কথা। জাতীয় মহাসড়ক সংশোধনী বিল , পারমাণবিক শক্তি সংক্রান্ত বিল, বীমা আইন সংশোধনী বিল এবং ভারতের উচ্চ শিক্ষা কমিশন ২০২৫ এর মতো মোট ১৩টি বিল এই অধিবেশনে উত্থাপিত হবে। ধূমপায়ী ও তামাক সেবনকারীদের জন্য খারাপ খবর আসতে চলেছে এই অধিবেশনে। বাড়তে চলেছে নেশার খরচ। তামাক ও তামাকজাত পণ্যের উপরে কেন্দ্রীয় আবগারি শুল্ক বা এক্সাইজ ডিউটি (Excise Duty) বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। দাম বাড়তে চলেছে সিগারেট ও অন্য তামাকজাত পণ্যের। দাম বাড়তে চলেছে পানমশলারও।

    কতদিন চলবে অধিবেশন

    সোমবার শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Winter Session)। চলবে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ছুটির দিনগুলি বাদ দিলে মোট ১৫ দিন অধিবেশন চলবে। গান্ধীদের বিরুদ্ধে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা ও দেশজুড়ে চলা এসআইআর নিয়ে আলোচনা হতে পারে। আপাতত শাসক ও বিরোধী দুই শিবিরই এই দুই বিষয় নিয়ে মাঠে নামতে চলেছে। কেন্দ্র ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ বিল আনতে চলেছে, যার মধ্যে রয়েছে নিউক্লিয়ার এনার্জি রিফর্ম (Nuclear Energy Reform), হায়ার এডুকেশন কমিশন বিল (Higher Education Commission), কোম্পানি আইন সংশোধন (Corporate Law Reform) এবং সিকিউরিটিজ মার্কেট সংশোধন (Securities Market Reform)। এই পরিস্থিতিতে ২৬ নভেম্বর প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বাড়িতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। অধিবেশন মসৃণভাবে চালাতে সর্বদলীয় বৈঠকও ডাকেন সংসদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।

    নতুন আবগারি বিল

    শীতকালীন অধিবেশনের (Parliament Winter Session) প্রথম দিনেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নতুন আবগারি বিল পেশ করতে পারেন। এই বিলে পান মশলা ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্যের উপরে অতিরিক্ত সেস বসানোর কথা বলা হয়েছে। শুল্ক থেকে আয় হওয়া টাকা খরচ করা হবে জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের খাতে। ওয়াকিবহাল সূত্রের খবর, এই বিলে পান মশলার উপরে সেস বসতে পারে। এছাড়া অন্যান্য ‘সিন গুডস’ (Sin Goods) অর্থাৎ সিগারেট ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্যের উপরেও অতিরিক্ত সেস বসতে পারে। তবে ছাড় দেওয়া হবে বিড়িতে। এই বিলে এমন বিধানও রয়েছে যে জনস্বার্থে সরকার পরবর্তী সময়ে ‘সিন গুডসে’র তালিকায় আরও সংযোজন করতে পারে। বিল সংসদের দুই কক্ষে পাশ হয়ে আইনে পরিণত হলেই, তা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

    কত দাম বাড়বে

    নতুন আবগারি বিলে সরকার ৭৫ এমএম দৈর্ঘ্যের বেশি ফিল্টার সিগারেটের প্রতি এক হাজার স্টিকে ১১ হাজার টাকা সেসের প্রস্তাব দিয়েছে। আগে এই শুল্ক ছিল মাত্র ৭৩৫ টাকা। নন ফিল্টার সিগারেট (৬৫-৭০এমএম) ক্ষেত্রে প্রতি এক হাজার স্টিকে ৪৫০০ টাকা শুল্কের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা আগে ছিল ২৫০ টাকা। অর্থাৎ ১৮ গুণ বেশি সেস বসবে। এছাড়া পাইপ ও সিগারেটে ভরা স্মোকিং মিক্সচারে আগে যে ৬০ শতাংশ সেস ছিল, তা বাড়িয়ে ৩২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ২০১৭ সালে জিএসটি চালু হওয়ার পর থেকে আবগারি শুল্ক তুলনামূলকভাবে কম রাখা হয়েছিল, যাতে সেস বসলেও দামে বিশেষ প্রভাব না পড়ে। এবার সেই শুল্কে বড়সড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। এই বিলে বিভিন্ন নির্দিষ্ট পণ্যের উৎপাদনের ক্ষমতার উপরেও সেস বসবে। অর্থাৎ ধরা যাক, যদি কোনও মেশিনে প্রতি মিনিটে ২.৫ গ্রামের পান মশলার ৫০০ প্যাকেট তৈরি হয়। তাহলে প্রতি মেশিন পিছু প্রত্যেক মাসে ১০০ টাকা করে সেস বসবে। যদি উৎপাদন আরও বাড়ে, পণ্যের ওজন বাড়ে, তাহলে সেসও বাড়বে।

    অ্যাটমিক এনার্জি বিল

    প্রথামাফিক অধিবেশন শুরুর আগে, রবিবার সংসদে সর্বদল বৈঠক ডেকেছিল কেন্দ্র। ওই বৈঠকে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ছাড়াও দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়েও আলোচনার দাবি জানিয়েছে বিরোধী দলগুলি। বিরোধী দলগুলির সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, দিল্লি এবং দেশের নানা প্রান্তে ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানানো হবে। শীতকালীন অধিবেশনে ১৩টি বিল পেশ করতে পারে কেন্দ্র। তার মধ্যে উল্লেখ্য হল ‘অ্যাটমিক এনার্জি বিল, ২০২৫’। এই বিলে দেশের পরমাণু শক্তি ক্ষেত্রও বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পরমাণু শক্তি আইন, ১৯৬২ মেনে এত দিন পরমাণু শক্তি ক্ষেত্র পুরোপুরি সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল। সবটাই দেখত পরমাণু শক্তি দফতর (ডিএই)।

    কোন কোন বিল আসতে পারে

    দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে স্বশাসিত করতে ‘হায়ার এডুকেশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া বিল, ২০২৫ পেশ করতে পারে কেন্দ্র। তালিকায় রয়েছে কর্পোরেট আইন (সংশোধনী) বিল, মণিপুর জিএসটি (দ্বিতীয় সংশোধনী) বিল। রবিবারের সর্বদল বৈঠকে ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, সংসদ বিষয়কমন্ত্রী কিরেন রিজিজু, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা, সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল। কেন্দ্রের তরফে অধিবেশন সুষ্ঠু ভাবে চালানোর জন্য বিরোধী দলগুলির সাহায্য চাওয়া হয়েছে। সংসদ বিষয়কমন্ত্রী রিজিজু বলেন, “সংসদের কাজ থমকে দেওয়া উচিত নয়। সরকার সভার কাজ সুষ্ঠু ভাবে চালাতে সব দলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে।”

     

     

     

     

     

     

  • Gita Jayanti 2025: ভগবদ গীতা হল মানব সভ্যতার জীবন্ত দলিল, এক ঐতিহাসিক আদর্শ মানবজীবন দর্শন

    Gita Jayanti 2025: ভগবদ গীতা হল মানব সভ্যতার জীবন্ত দলিল, এক ঐতিহাসিক আদর্শ মানবজীবন দর্শন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গীতা জয়ন্তীর (Gita Jayanti 2025) মূল উদ্দেশ্য হল ভগবদ গীতাকে (Bhagavad Gita) সম্মান জানানো। একটি পরিপূর্ণ এবং নৈতিক সুমার্জিত মানব জীবনের জন্য গীতার দর্শন ও আধ্যাত্মবোধের একান্ত ভাবে প্রয়োজনীয়। গীতায় মূলত ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরম মিত্র অর্জুনের উদ্দেশে বাণী দিয়েছেন। কুরুক্ষেত্রের ধর্ম যুদ্ধে অর্জুনের মনে তৈরি হওয়া দ্বিধাকে দূর করে, ফলের আশা না করে কর্মকেই প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলেছেন। ফলে তাতে গভীরভাবে মানব জীবনের কর্তব্যবোধ, বিশ্বদর্শন এবং মানবতাবাদকে প্রতিফলিত হয়েছে। তবে এই গীতার তত্ত্ব এবং দর্শন (Human Life Philosophy) ভারতীয় জীবন পরম্পরা এবং মূল্যবোধকে গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।

    জীবনের সুখ কীভাবে পরিমাপ হবে?

    গীতায় (Gita Jayanti 2025) সুখের সাধনা কীভাবে করতে হয় এবং যথার্থ মানবজীবনের তৃপ্তি কীভাবে অর্জন করতে হয় এই তত্ত্বকথা রয়েছে। মানব জীবনের নানা অভিজ্ঞতা এবং অন্তর্ভাব থেকে উদ্ভূত হয়। আত্মসচেতনতা থেকে জীবনের উচ্চ পর্যায়ে উত্তরণ করে গীতার বাণী। পরিবর্তিত সময়ে জীবনকে নানা মাত্রায় প্রবাহিত করার মাধ্যমে এই সুখের সত্যতা অনুভব হয়। তাই ভগবদ গীতার ভগবৎ তত্ত্ব হল সম্পূর্ণ মানব জীবনের প্রকাশ মাত্র। তাই গীতা স্থান, পাত্র, কাল, বর্ণ, ধর্ম, জাতি নির্বিশেষে সকলের জন্য প্রযোজ্য।

    কেবল মাত্র ধর্মশাস্ত্র নয় গীতা

    গীতা কেবল মাত্র ধর্মশাস্ত্র নয়, এটি এমন একটি দার্শনিক গ্রন্থ যে সর্বজনীন ভাবে প্রযুক্ত। গীতা, রক্ত মাংসে গড়া মানব জীবনের নীতি কথা। কোনটা ভুল, কোনটা ঠিক, কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা এই সব বিষয়ে জানতে সাহায্য করে। মানুষের আবেগ, চ্যালেঞ্জ এবং নানা আকাঙ্খাগুলিকে পথ দেখায়। তাই একে কেবল মাত্র ধর্মীয় ভাবনায় ভাবলে হবে না। মানব জীবনের রাগ, লোভ, দ্বেষ, ক্ষোভ, প্রেম, তৃপ্তি এবং জ্ঞান বিষয়েও নৈতিকতার পাঠ দেয়। কাকে দমন করে কাকে সম্প্রসারণ করতে হবে সেই শিক্ষাও দেয় গীতা (Gita Jayanti 2025)। তাই শুধু মাত্র হিন্দুশাস্ত্র হিসেবে বিচার করলে গীতাকে একটি সামান্য সীমায় বেঁধে রাখা হবে। গীতার ব্যাপ্তি বিশ্বচরাচর।

    জগতের নানা প্রকার জীবের মধ্যে মানবজাতি তুলনায় অনেক বেশি জটিল জীব। মানুষের শরীর, মন, বুদ্ধি, চেতনা, অহংকার থাকে। সেই জন্য আর বাকি দশটা জীবের তুলনায় মানুষের চলন অন্যরকম। মানুষের অভিপ্রায়গুলি যদি ত্রুটি যুক্ত হয় তাহলে জীবনকে দুঃখ বা নেগেটিভ শক্তির দিকে নিয়ে যায়। তাই জীবনকে সঠিক ভাবে পরিচালনার জন্য গীতার দেখানো পথকে অবলম্বন করতে হবে। গীতা সবসময় রাগ, ক্রোধ, ভয়, বিস্ময়-সহ রিপুগুলিকে নিয়ন্ত্রণ এবং দমনের উপদেশ দেয়। গীতা (Bhagavad Gita) শান্ত, ধৈর্য, উদার, বিনয়ের কথা বলে। মানুষকে পূর্ণমানব তথা ঈশ্বরজ্ঞানের দর্শন করাতে চায়। প্রেম, করুণা, প্রজ্ঞা এবং ত্যাগ ভাব দিয়ে জীবনকে সিদ্ধান্ত নিতে শেখায় গীতা।

    সভ্যতার জীবন্ত দলিল গীতা

    গীতাকে (Gita Jayanti 2025) বলা হয়েছে, গীতা হল সভ্যতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। গীতায় তোলা অর্জুনের প্রশ্ন এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উপদেশ বিশ্বমানব সভ্যতার একটা দলিল। শুধুমাত্র মুখ নিঃসৃত বাণী নয়। সভ্যতার বিকাশে রাজরাজাদের গল্প, রাজত্ব-সাম্রাজ্য, যুদ্ধ, আধিপত্য, প্রজাদের প্রতি কর্তব্য, অধিকার, নীতি-নৈতিকতার পাঠ, দুর্বলকে কীভাবে সবল করতে হবে সেই দিকের ইঙ্গিত স্পষ্ট ভাবে রয়েছে। তাই গীতাকে কোনও সময়েই অপ্রাসঙ্গিক বলা যায় না। অন্যায়কে পরাজয় করতে শেষ শক্তি দিয়ে কীভাবে বিজয় প্রাপ্ত হতে হয় এই কথা কৌরব-পাণ্ডবের যুদ্ধে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে।

    গীতা জয়ন্তীর উদ্দেশ্য

    গীতা জয়ন্তীর (Gita Jayanti 2025) মূল উদ্দেশ্য হল বিশ্ববাসীর সামনে গীতার মাহাত্মকে আরও বেশি করে প্রচার প্রসার করা। এখানে দেওয়া উপদেশগুলির সূক্ষ্ম বিচার বিবেচনা করে জীবনের প্রতি পদে পদে ব্যবহারিক প্রয়োগ করা। গীতার (Bhagavad Gita) জ্ঞানকে মন্থন করে ব্যক্তিগত জীবনে প্রতিফলন ঘটানোই একমাত্র উদ্দেশ্য। সুখ দুঃখের সঙ্গে ক্ষণস্থায়ী আনন্দকে চিরন্তন করতে কর্ম এবং ত্যাগের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। মানবজীবনের উন্নত পথ প্রদর্শক। এটি হল ভারতের একটি জ্বলন্ত প্রদীপের শিখা। যার আলোতে বিশ্বকে আলোকিত করে যাচ্ছে। মানবজীবনে মূল উদ্দেশ্যকে প্রতিফলিত করছে।

  • Daily Horoscope 01 December 2025: বিবাদ এড়িয়ে যেতে হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 01 December 2025: বিবাদ এড়িয়ে যেতে হবে এই রাশির জাতকদের

    মেষ

    ১) সন্তান সংক্রান্ত সুসংবাদ পেতে পারেন।

    ২) ধর্মীয় কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ৩) নতুন কিছু শুরুর জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    বৃষ

    ১) পারিবারিক বিষয়ের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) গৃহস্থ জীবনে অবসাদ থাকবে।

    ৩) আর্থিক পরিস্থিতির কারণে চিন্তিত হবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি পারিবারিক জীবনের জন্য সমস্যায় ভরপুর।

    ২) পরিবারে কিছু সমস্যা হতে পারে।

    ৩) সম্মান বাড়বে।

    কর্কট

    ১) মানসিক দিক দিয়ে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) সন্তানের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন।

    ৩) প্রেম জীবন সুখের হবে।

    সিংহ

    ১) আর্থিক জীবনে ব্যয় বাড়বে।

    ২) নতুন ব্যবসা শুরুর জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    ৩) ভাগ্য আপনার সঙ্গে থাকবে।

    কন্যা

    ১) শুভ কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ২) মনের মধ্যে শান্তি থাকবে।

    ৩) পারিবারিক জীবনে জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা পাবেন।

    তুলা

    ১) অসুস্থতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ কাজ আটকে যেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে ভালো সুযোগ পাবেন।

    ৩) জীবনসঙ্গীর জন্য কোনও উপহার কিনতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও কারণে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ২) ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার চেষ্টা করুন।

    ৩) জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা পাবেন।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ থাকবে।

    ২) আধিকারিকদের পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ৩) সন্তানের জন্য কোনও উপহার কিনতে পারেন।

    মকর

    ১) ধৈর্য ও কঠিন পরিশ্রমের জোরে লক্ষ্য লাভে সফল হবেন।

    ২) পারিবারিক মনোমালিন্য দূর হতে পারে।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) বিবাদ এড়িয়ে যেতে হবে আপনাকে।

    ২) ব্যবসায় লোকসান।

    ৩) বাড়িতে বন্ধুর আগমন।

    মীন

    ১) স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে।

    ২) খাওয়া-দাওয়ার বিশেষ যত্ন নিন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না

  • Daily Horoscope 01 January 2026: এই রাশির জাতকদের গৃহে অতিথির আগমন হবে

    Daily Horoscope 01 January 2026: এই রাশির জাতকদের গৃহে অতিথির আগমন হবে

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) শুধু শরীর সম্পর্কে আজ আপনাকে একটু সতর্ক থাকতে হবে।

    ২) রোজগার অনেকটাই বাড়বে, নিশ্চিত থাকুন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ অনুকূল থাকছে।
    বৃষ
    ১) অর্থলাভের পক্ষে দিনটি আপনার ভালোই কাটতে চলেছে।
    ২) অপ্রত্যাশিত অর্থলাভের যোগও দেখা যাচ্ছে আজকে।
    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে দিনটি আনন্দে কাটাবেন।
    মিথুন
    ১) শারীরিক ও মানসিক উৎকণ্ঠা আজ আপনাকে পোহাতে হবে।
    ২) কর্মক্ষেত্রেও থাকবে ঝঞ্ঝাট ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ।
    ৩) অর্থলাভের ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হবেন, অন্যদিকে ব্যয়ও বাড়বে।
    কর্কট
    ১) গৃহে বা বন্ধু স্থানীয় কোনও ব্যক্তির সঙ্গে মনোমালিন্যের সম্ভাবনা প্রবল রয়েছে।
    ২)  কোনও গুণের জন্য সমাজের কাছে সমাদর পাবেন।
    ৩) মানসিক অশান্তি ও দুশ্চিন্তা বৃদ্ধি হবে আজ।
    সিংহ
    ১) উল্টোপাল্টা ঝামেলায় জড়িয়ে পড়বেন, এর ফলে মানসিক শান্তি নষ্ট হতে পারে।
    ২) শারীরিক দিক থেকেও দিনটি ভালো যাবে না, অস্বস্তি বোধ করবেন কোনও কারণে।
    ৩) সতর্ক থাকুন, কারও সাথে অযথা বাদানুবাদ সৃষ্টি হতে পারে।
    কন্যা
    ১) দিনটা খারাপ ভালো মিশিয়েই কাটবে।
    ২) শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে অস্বস্তি আজ আপনাকে বয়ে চলতে হবে।
    ৩) পূর্ব পরিচিত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে দীর্ঘদিন পরে সাক্ষাৎলাভ হবে।
    তুলা
    ১) ছোটখাট ঘটনায় সাময়িক উদ্বেগ হবে, তবে তা ক্ষণস্থায়ী, বাকি দিনটা আনন্দেই কাটবে।
    ২) অপ্রত্যাশিতভাবে অর্থলাভের যোগ রয়েছে আজ।
    ৩) গৃহে অতিথির আগমন হবে, এর ফলে ব্যয় বৃদ্ধি হবে।
    বৃশ্চিক
    ১) আর্থিক দিক থেকে দিনটি শুভ।
    ২) সতর্ক থাকতে হবে, কর্মক্ষেত্রে হঠাৎ কোনও ঝামেলা ও নতুন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
    ৩) শারীরিক সুখ নষ্ট হবে, কোনও রোগের কারণে।
    ধনু
    ১) কোনও শুভ প্রচেষ্টার পক্ষে দিনটি মোটেও ভালো নয়, তাই বিরত থাকুন।
    ২) আয় ও আর্থিক ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই আজকে।
    ৩) বাহ্যিক আনন্দ প্রকাশ পাবে, তবে পুরনো কোনও কারণে মনের দিক থেকে চাপা গুমোট ভাব থাকবে।
    মকর
    ১) কর্মক্ষেত্রে হঠাৎ কোনও ঝামেলা আজকে আপনাকে মোকাবিলা করতে হবে।
    ২) শরীর আপনাকে বিপাকে ফেলতে পারে। তবে আয়ের ক্ষেত্রে শুভ দিন।
    ৩) তুলনামূলকভাবে ব্যবসায়ীদের আয় বাড়বে।
    কুম্ভ
    ১) অযথা অর্থ ব্যয় হবে আজকে।
    ২) কোনও পূর্ব পরিকল্পনা করে থাকলে তা হঠাৎ বানচাল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা।
    ৩) নিজ ভুলে অর্থহানির যোগ রয়েছে।
    মীন
    ১) পূর্বের কোনও ঘটনার জেরে ফের মানসিক আঘাত পেতে পারেন।
    ২) আইন সংক্রান্ত যে কোনও ঝামেলা এড়িয়ে চলুন।
    ৩) কর্মক্ষেত্র ও আর্থিক ব্যাপারে আজকের দিনটা ভালোই কাটবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 521: “তুমি সর্বঘটে অর্ঘপুটে, সাকার আকার নিরাকারা, তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা”

    Ramakrishna 521: “তুমি সর্বঘটে অর্ঘপুটে, সাকার আকার নিরাকারা, তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৪ই জুলাই

    নরেন্দ্রের গান—ঠাকুরের ভাবাবেশে নৃত্য

    রথাগ্রে কীর্তন ও নৃত্যের পর ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ঘরে আসিয়া বসিয়াছেন। মণি প্রভৃতি ভক্তেরা তাঁহার পদসেবা করিতেছেন।

    নরেন্দ্র ভাবে পূর্ণ হইয়া তানপুরা লইয়া আবার গান গাহিতেছেন:

    (১)     এসো মা এসো মা, ও হৃদয়-রমা, পরাণ-পুতলী গো,
    হৃদয়-আসনে, হও মা আসীন, নিরখি তোমারে গো।

    (২)     মা ত্বং হি তারা, তুমি ত্রিগুণধরা পরাৎপরা।
    আমি জানি গো ও দীন-দয়াময়ী, তুমি দুর্গমেতে দুখহারা ॥
    তুমি সন্ধ্যা তুমি গায়ত্রী, তুমি জগদ্ধাত্রী গো মা।
    তুমি অকূলের ত্রাণকর্ত্রী, সদাশিবের মনোরমা ॥
    তুমি জলে, তুমি স্থলে, তুমি আদ্যমূলে গো মা।
    তুমি সর্বঘটে অর্ঘপুটে, সাকার আকার নিরাকারা ॥

    (৩)     তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা।
    এ-সমুদ্রে আর কভু হব নাকো পথহারা ॥

    একজন ভক্ত নরেন্দ্রকে বলিতেছেন, তুমি ওই গানটা গাইবে?—

    অন্তরে জাগিছো গো মা অন্তরযামিনী!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — দূর! এখন ও-সব গান কি! এখন আনন্দের গান — ‘শ্যামা সুধা-তরঙ্গিণী।’

    নরেন্দ্র গাইতেছেন:

    কখন কি রঙ্গে থাক মা, শ্যামা, সুধা-তরঙ্গিনী!
    তুমি রঙ্গে ভঙ্গে অপাঙ্গে অনঙ্গে ভঙ্গ দাও জননী ॥

    ভাবোন্মত্ত হইয়া নরেন্দ্র বারবার গাইতে লাগিলেন (Kathamrita):

    কভু কমলে কমলে থাকো মা পূর্ণব্রহ্মসনাতনী।

    ঠাকুর প্রেমোন্মত্ত হইয়া নৃত্য করিতেছেন, — ও গাইতেছেন, ওমা পূর্ণব্রহ্মসনাতনী! অনেকক্ষণ নৃত্যের পর ঠাকুর আবার আসন গ্রহণ করিলেন। নরেন্দ্র ভাবাবিষ্ট হইয়া সাশ্রুনয়নে গান গাহিতেছেন দেখিয়া ঠাকুর অত্যন্ত আনন্দিত হইলেন।

    রাত্রি প্রায় নয়টা হইবে, এখনও ভক্তসঙ্গে ঠাকুর বসিয়া আছেন।

    আবার বৈষ্ণবচরণের গান শুনিতেছেন।

    (১)     শ্রীগৌরাঙ্গ সুন্দর নটবর তপত কাঞ্চন কায়।

    (২)     চিনিব কেমনে হে তোমায় (হরি)।
    ওহে বঙ্কুরায়, ভুলে আছ মথুরায় ॥
    হাতিচড়া জোড়াপরা, ভুলেছ কি ধেনুচরা
    ব্রজের মাখন চুরি করা, মনে কিছু হয়।

    রাত্রি দশটা-এগারটা। ভক্তেরা প্রণাম করিয়া বিদায় লইতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আচ্ছা, আর সব্বাই বাড়ি যাও—(নরেন্দ্র ও ছোট নরেনকে দেখাইয়া) এরা দুইজন থাকলেই হল! (গিরিশের প্রতি) তুমি কি বাড়ি গিয়ে খাবে? থাকো তো খানিক থাক। তামাক্‌! — ওহ বলরামের চাকরও তেমনি। ডেকে দেখ না—দেবে না। (সকলের হাস্য) কিন্তু তুমি তামাক খেয়ে যেও।

    শ্রীযুক্ত গিরিশের সঙ্গে একটি চশমাপরা বন্ধু আসিয়াছেন। তিনি সমস্ত দেখিয়া শুনিয়া চলিয়া গেলেন। ঠাকুর গিরিশকে বলিতেছেন, — “তোমাকে আর হরে প্যালাকে বলি, জোর করে কারুকে নিয়ে এসো না,—সময় না হলে হয় না।”

    একটি ভক্ত প্রণাম করিলেন। সঙ্গে একটি ছেলে। ঠাকুর সস্নেহে কহিতেছেন (Kathamrita)— “তবে তুমি এসো—আবার উটি সঙ্গে।” নরেন্দ্র, ছোট নরেন, আর দু-একটি ভক্ত, আর একটু থাকিয়া বাটী ফিরিলেন।

  • SIR: দ্রুত সমস্যার সমাধান করে এসআইআর সম্পাদনে সুব্রত গুপ্তকে নিয়োগ কমিশনের

    SIR: দ্রুত সমস্যার সমাধান করে এসআইআর সম্পাদনে সুব্রত গুপ্তকে নিয়োগ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরের (SIR) বিরোধিতায় তৃণমূলের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংঘাত চরমে। এই অবস্থায় কমিশন নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে পশ্চিমবঙ্গের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল। যাঁকে এই পদে বসানো হয়েছে, তিনি অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার সুব্রত গুপ্ত। ক্রমাগত মৃত্যু এবং কাজে বাধার মতো ইস্যুকে পর্যবেক্ষণ করতে শনিবার গুপ্তকে নিয়োগ করা হয়েছে। অন্য দিকে রবিবার নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ঘোষণা করেছে ১২টি রাজ্যে এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনের কাজের সময়সীমা এক সপ্তাহ বাড়িয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছে।

    পর্যবেক্ষক নিয়োগে কাজ দ্রুত এগোবে (SIR)

    বারবার নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) এসআইআর (SIR) ইস্যুতে আক্রমণ করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সমর্থক বিএলওরা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে অবস্থান বিক্ষোভও করেছেন। এরপর কমিশন তৃণমূলের সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তৃণমূলের করা অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এসআইআর একটি নির্দিষ্ট ক্রম এবং নিয়ম মেনে সংবিধানিকভাবেই করা হচ্ছে। ভোটার তালিকা সংশোধন, আপডেট এবং ত্রুটি মুক্ত করার জন্য এটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। একইভাবে বিএলওদের যারা হুমকি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকে আবেদন করে বলা হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি যেন অপপ্রচার ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি না করে। এসআইআর প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে করতে সুব্রত গুপ্ত এবং ১২ জন আইএএস পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

    খসড়ার সময়সীমা বৃদ্ধি

    রবিবার নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তরফে বলা হয়, ভোটারদের খসড়া তালিকা প্রকাশের জন্য নির্বাচন কর্মীদের আরও এক সপ্তাহ সময় বাড়়ানো হয়েছে। জমা নেওয়া এবং খতিয়ে দেখার সময়সীমা ১১ ডিসেম্বর শেষ হবে। তবে এই সময়সীমা আগে ৪ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছিল। এবার তা বাড়ানো হল। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল, এবার সেই খসড়া ভোটার তালিকা ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হবে। বাংলায় তিন পর্যায়ে এসআইআর কাজের প্রথম পর্যায় শেষ হতে চলেছে। নির্বাচন কমিশন ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যা পর্যন্ত বর্তমান ভোটার তালিকায় মৃত ভোটারদের সংখ্যা ১৮.৭০ লাখ বলে জানিয়েছে। খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে এমন ভোটারের সংখ্যা ৩৫ লাখ হতে পারে বলে। তবে ৩৫ লাখের এই সংখ্যার মধ্যে ১৮.৭০ লাখ ভোটার রয়েছেন যাঁরা মারা গিয়েছেন। এদিকে, বাকিদের একই নাম একাধিক তালিকায় থাকা, ঠিকানা পরিবর্তন এবং জাল ভোটার হিসেবে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছেই। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ২৩ থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত এই সপ্তাহে কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ এবং বিদেশে।

    উত্তরাখণ্ডে নারীর ধর্মান্তর (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে বাংলাদেশের নাগরিক মামুন হাসানকে অবৈধভাবে অবস্থান, নথি জালিয়াতি এবং রীনা চৌহান নামে এক নারীর ধর্মান্তর ও পরবর্তী বিবাহের পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।   উত্তরপ্রদেশে জুনাইদ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে আর্যন রাজপুত নামে ভুয়ো পরিচয়ে একটি ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল তৈরি করে এক হিন্দু নাবালিকাকে প্রলোভন দেখায়, যৌন নির্যাতনও করে। এডাপাডাভুরে স্কুটারে থাকা চারজন যুবকের একটি দল সোমবার সন্ধ্যায় ২২ বছর বয়সী অখিলেশের ওপরে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দারা একজনকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন, পরে গ্রেফতার করা হয় আরও একজনকে।

    ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে হিন্দু মেয়েকে প্রলোভন

    ইউপির সীতাপুর জেলার খৈরাবাদ এলাকার পণ্ডিত পুরওয়ার বাসিন্দা নাজিম। সে পেশায় ট্রাক চালক। অভিযোগ, সে অজয় নামে ভুয়ো ইনস্টাগ্রাম পরিচয় ব্যবহার করে নিজের প্রকৃত ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে এক হিন্দু মেয়েকে প্রলোভন দেখায়। পরে তাকে নিয়ে পালিয়েও যায়। বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের ধর্মান্তর বিরোধী আইনের অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে (Roundup Week)। ২৫ নভেম্বর অযোধ্যায় রাম মন্দিরে ধ্বজারোহন উপলক্ষে (Hindus Under Attack) এক বিরাট অনুষ্ঠান হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্দিরের চূড়ায় গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করেন। প্রত্যাশিতভাবেই, পাকিস্তান, কিছু ইসলামপন্থী গোষ্ঠী এবং ভারতের ‘ওয়োক’ মহলের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানের বিরোধিতা ও সমালোচনা করা হয়েছে। কালাবুরগী শহরের রামনগর এলাকায় রিং রোডে ঘটে যাওয়া এক উদ্বেগজনক ঘটনায় রোহিত এবং অনিল নামে দুই ব্যক্তি একটি লরি থামিয়ে তাতে অবৈধভাবে গবাদি পশু বহনের সন্দেহে নথি পরীক্ষা করতে চান। অভিযোগ, তাঁরা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তাঁদের ওপর সহিংস হামলা চালানো হয়।

    বাংলাদেশের ছবিটাও বিশেষ বদলায়নি। এখানে প্রায় ১৫০ বছরের পুরানো ‘সুন্দরী মিত্র বাড়ি দুর্গা মন্দির’, যা সরকারি অনুদানের ওপর নির্ভরশীল ছিল, রাতারাতি ভেঙে ফেলা হয়েছে। অভিযোগ, এটি বেআইনি জমি দখল করতেই করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

  • SIR: বিএলওদের সুরক্ষা দেবে বিজেপি, কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয় কমিটি গড়ল পদ্ম-পার্টি

    SIR: বিএলওদের সুরক্ষা দেবে বিজেপি, কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয় কমিটি গড়ল পদ্ম-পার্টি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটার লিস্টে নিবিড় তালিকা সংশোধন (SIR) করতে বিএলওদের সুরক্ষা দিতে বিশেষ সমন্বয় কমিটি (BJP National Coordination Committee) গঠন করেছে বিজেপি। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ফর্ম বিলি, ফর্ম জমা এবং ডিজিটাইজেশেনের কাজে সমস্যা তৈরি হওয়ায় কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে বিএলওরা অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন। এবার সমস্যা সমাধান এবং রাজ্যে এসআইআরের কাজকে আরও শুদ্ধ করতে বিজেপি সমন্বয় কমিটি গঠন করেছে। অন্য দিকে তৃণমূল নেতাদের তোপের মুখে পড়তে হয়েছে বিএলওদেরও। তাই বিজেপি এবার সুরক্ষা দেবে বিএলওদের।

    বিজেপির সমন্বয় কমিটিতে কে কে আছেন (BJP National Coordination Committee)?

    নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ সহ মোট ১৩টি রাজ্যে এসআইআরের কাজ করছে। তবে শাসকদল তৃণমূলের হুমকির মুখে বার বার হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে বিএলওদের। আর এই অবস্থায় কমিশনের কাজকে দ্রুত কার্যকর করতে এবং বিএলওদের (SIR) কাজের সুবিধা দিতে বিজেপি সমন্বয় কমিটি (BJP National Coordination Committee) করেছে। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশন অসমে বিশেষ সংশোধন করার কাজে সহযোগিতা করার জন্য একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করেছে। তবে কাজের পরিচালনার জন্য কমিশন ইতিমধ্যে রাজ্যে বিশেষ পরিদর্শন করার কাজ করছে।

    বিজেপির এই এসআইআর বিষয়ক সমন্বয় কমিটিতে ৭ জন সদস্যকে নিযুক্ত করেছে। গোটা কমিটিকে নেতৃত্ব দেবেন বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘ। এছাড়াও কমিটিতে রয়েছেন ডক্টর কে লক্ষ্মণ, কে আন্নামালাই, ওম প্রকাশ ধনখড়, অলকা গুর্জর, ডক্টর অনির্বাণ গাঙ্গুলি এবং জাময়াং সেরিং নামগিলাও। একইভাবে রাজ্যগুলির মধ্যে আন্দামান ও নিকোবর, ছত্তিশগড়, গোয়া, গুজরাট, কেরালা, লাক্ষাদ্বীপ, মধ্যপ্রদেশ, পদুচেরি, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমেও আলাদা আলাদা সমন্বয় কমিটি গঠন হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রতি রাজ্যের কমিটিতে ৪-৫ জন করে সদস্য রাখা হবে।

    ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শন

    এসআইআর সমন্বয় কমিটির সদস্য (BJP National Coordination Committee) অনির্বাণ গাঙ্গুলি রবিবার নদিয়া জেলায় এসআইআর (SIR) কাজের পর্যালোচনা করেছেন। আগামী ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় পরিদর্শনও করবেন তিনি। তৃণমূলকে তোপ দেগে বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা বিএলওদের হুমকি দিচ্ছে। কাজ করতে রাজনৈতিকভাবে চাপ তৈরি করা হচ্ছে। বিএলওদের ঘিরে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।”

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত ৯৯.৪৩ শতাংশের বেশি ফর্ম গণনা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৫০ কোটির বেশি ভোটারদের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

  • Bangladesh: অসুস্থ খালেদার প্রতি সংবেদনশীল নন ইউনূস! তারেকের দেশে ফেরা অনিশ্চিত

    Bangladesh: অসুস্থ খালেদার প্রতি সংবেদনশীল নন ইউনূস! তারেকের দেশে ফেরা অনিশ্চিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মা খালেদা জিয়া (Begum Khleda Zia) অসুস্থ, কিন্তু ছেলে তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারছেন না। অসুস্থ মায়ের প্রতি সংবেদনশীল নন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভরপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জিয়াউর রহমানের ছেলে তারেক রহমান। তিনি গত ১৭ বছর ধরে লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন। এদিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরস্থিতি ভীষণ ভাবে অস্থির। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে বিতারিত করার পর দেশের মূলধারার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হতে চান খলেদা পুত্র। সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তারেক জানিয়েছেন, দ্রুত বাংলাদেশে (Bangladesh) ফিরবেন। কিন্তু দেশের আভ্যন্তরীণ জটিল সমীকরণের জন্য কতটা সম্ভব, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

    ইচ্ছে নিজের উপর নির্ভর করবে না (Bangladesh)

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শরীরিক অবস্থা এখন ভীষণ সঙ্কটজনক। আর তাই মাকে দেখার জন্য বাংলাদেশে (Bangladesh) ফেরার কথা জানিয়েছিলেন তারেক। কিন্তু তিনি এটাও জানান, “আমার ফেরার ইচ্ছে নিজের উপর নির্ভর করবে না। সকল শিশুর মতো আমি আমার সঙ্কটের সময় মাকে কাছে পেয়ে মায়ের স্পর্শ পেতে চাই। কিন্তু বাকি সকলের মতো নিজের সিদ্ধান্ত নিজের উপর নির্ভর করবে না। সিদ্ধান্ত এবং ইচ্ছে আলাদা বিষয়। অপর দিকের নিয়ন্ত্রণ এবং পরিস্থিতিও নির্ভর করছে।” তারেক রহমানের একটি ফেসবুক পোস্টেও এই আক্ষেপের কথা শোনা গিয়েছে। যে দেশে হাসিনার আমলে প্রধান বিরোধী দল ছিল বিএনপি, আজ সেই দলের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে নিরাপত্তার কারণে দেশে ফিরতে পারছেন না। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গণতন্ত্র ঠিক কোন স্তরে পৌঁছে গিয়েছে তা খুব অনুমেয়।

    নিরাপত্তার অভিযোগ!

    বিএনপির পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে বলা হয়েছে, “দেশের সরকার নিরাপত্তার অভিযোগ তুলে দেশে আসার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বাধা সৃষ্টি করছে। তারেক রহমান দেশে ফিরলে বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজনীতির বিরাট পরিবর্তন হবে।” অপর দিকে প্রেস সচিব সফিকুল আলমকে জিজ্ঞাসা করলে উত্তর দেন, “তারেক রহমানের বিষয়ে সরকার কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করেনি।”

    খালেদা (Begum Khleda Zia) গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মেডিক্যাল বোর্ডের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীণ রয়েছেন। ৮০ বছর বয়সী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে অত্যন্ত সংকটপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন। যদিও তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা ভেবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল খালেদাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। তবে কেন ছেলে তারেক রহমানকে দেশের মাটিতে আসতে দেওয়া হচ্ছে না তা নিয়ে কোন মন্তব্য করেননি।

  • National Herald Case: ন্যাশনাল হেরাল্ডে গান্ধি পরিবার সহ ছয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আরও এক নতুন এফআইআর

    National Herald Case: ন্যাশনাল হেরাল্ডে গান্ধি পরিবার সহ ছয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আরও এক নতুন এফআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল হেরাল্ড মানি লন্ডারিং (National Herald Case) মামলায় কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা রাহুল গান্ধি এবং সোনিয়া গান্ধির (Rahul Gandhi-Sonia Gandhi) বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের আরও একবার অভিযোগ আনা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের আর্থিক অপরাধ দুর্নীতি শাখা গান্ধি পরিবার সহ ছয়জনের বিরুদ্ধে নতুন করে এফআইআর দায়ের করেছে। এফআইআরে স্যাম পিত্রোদা, সুমন দুবে, সুনীল ভান্ডারি এবং একজন অজ্ঞাত ব্যক্তির পাশাপাশি তিনটি কোম্পানি-অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড (এজেএল), ইয়ং ইন্ডিয়ান এবং ডোটেক্স মার্চেন্ডাইজ প্রাইভেট লিমিটেডের নামও রয়েছে। ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্রের মূল কোম্পানি অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড (এজেএল)-এর সঙ্গে প্রতারণা এবং অপরাধমূলক একটি ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে।

    ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ন্যাশনাল হেরাল্ডে আর্থিক দুর্নীতির পুরো তালিকা তুলে ধরা হয়েছে। এই নিয়ে বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “কংগ্রেসের এই পরিবার (গান্ধি পরিবার) সবথেকে দুর্নীতিগ্রস্ত। এরা দুর্নীতি করে, আর যখনই তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়, তখন ভিকটিম কার্ড খেলে।” তবে শতবর্ষের পুরাতন রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে এই ভাবে আর্থিক তছরূপের ঘটনা সত্যই অসম্মান জনক।

    ইয়ং ইন্ডিয়ানকে ১ কোটি টাকা প্রদান (National Herald Case)

    কলকাতা-ভিত্তিক শেল কোম্পানি, ডোটেক্স মার্চেন্ডাইজ, ইয়ং ইন্ডিয়ানকে ১ কোটি টাকা দিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এই  ইয়ং ইন্ডিয়ান কোম্পানিতে দুজন কংগ্রেস নেতার ৭৬ শতাংশ শেয়ার ছিল। অভিযোগ করা হয়েছে, ইয়ং ইন্ডিয়ান কংগ্রেস দলকে ৫০ লক্ষ টাকা প্রদান করে এজেএলের দখল নেয়। এজেএলের সম্পত্তির মূল্য প্রায় ২০০০ কোটি টাকা, এই টাকায় বিরাট হেরফের হয়েছে। গত ৩ অক্টোবর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এই সংক্রান্ত মামলায় একটি অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর করেছে। সেই সঙ্গে দিল্লি পুলিশও ইডিকে তদন্ত করতে সহযোগিতা করছে। আর্থিক দুর্নীতি (National Herald Case) প্রতিরোধ আইনের (PMLA) ধারা ৬৬ (২) এর অধীনে ইডি তদন্ত করছে বলে জানা গিয়েছে।

    মামলা করেছিল বিজেপি

    দিল্লির আদালত ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলার রায় ঘোষণা ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করার একদিন পরই এই এফআইআর তথ্য প্রকাশিত করা হয়েছে। ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলাটি ২০১২ সালে শুরু হয়, আর তখন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী স্থানীয় আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতারণা এবং বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ এনেছিলেন তিনি। উল্লেখ্য ১৯৩৮ সালে জওহরলাল নেহেরু এবং অন্যান্য স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্র ন্যাশনাল হেরাল্ড শুরু হয়েছিল। আর এই বিষয়ে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় (National Herald Case) এখন অভিযুক্ত খোদ গান্ধি পরিবারই।

    কংগ্রেসই দুর্নীতির মূলে

    কংগ্রেস জানিয়েছে, আর্থিক সংকটের (National Herald Case) কারণে ২০০৮ সালে ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকাটি ছাপা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই সময় অবশ্য মূল কোম্পানির ৯০ কোটি টাকার ঋণ অপরিশোধিত ছিল। সংকট কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করার জন্য, কংগ্রেস দল ১০ বছর ধরে প্রায় ১০০টি কিস্তিতে ৯০ কোটি টাকার ঋণ দেয়। কিন্তু কংগ্রেসের মতে, ন্যাশনাল হেরাল্ড বা এজেএল কেউই ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি, তাই এটিকে ইক্যুইটি শেয়ারে রূপান্তরিত করা হয়েছিল। যেহেতু একটি দল ইক্যুইটি শেয়ারের মালিক হতে পারে না, তাই সেগুলি ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি অলাভজনক কোম্পানি ইয়ং ইন্ডিয়ানকে বরাদ্দ করা হয়েছিল।

    রাহুল-সোনিয়া কি জেলে যাবেন?

    গান্ধি পরিবারের এই কোম্পানিতে (National Herald Case) ৩৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে এবং বাকি শেয়ারগুলি মতিলাল ভোরা, অস্কার ফার্নান্দেজ, স্যাম পিত্রোদা এবং সুমন দুবের হাতে রয়েছে। আর এভাবেই ইয়ং ইন্ডিয়ান এজিএল (AJL)-এর সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ারহোল্ডার হয়ে ওঠে, যার পরিচালক ছিলেন স্বয়ং রাহুল-সোনিয়া। আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যে রাহুল গান্ধি এবং সোনিয়া গান্ধি (Rahul Gandhi-Sonia Gandhi) জামিনে মুক্ত রয়েছেন। তবে মামলায় দুর্নীতি প্রমাণিত হলে জেলে যাওয়াটা খুব নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহালের একাংশ।

LinkedIn
Share