Tag: bangla news

bangla news

  • S Jaishankar: সুষমার পরে এবার জয়শঙ্কর, ৯ বছর পরে পাকিস্তানে যাচ্ছেন ভারতের কোনও বিদেশমন্ত্রী

    S Jaishankar: সুষমার পরে এবার জয়শঙ্কর, ৯ বছর পরে পাকিস্তানে যাচ্ছেন ভারতের কোনও বিদেশমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরফ গলছে ভারত-পাক সম্পর্কের! ন’বছর আগে সে দেশে গিয়েছিলেন ভারতের তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। আর এবার যাচ্ছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। শুক্রবার বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, অক্টোবরে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে যোগ দিতে পাকিস্তানে যাচ্ছেন তিনি।

    কী বলছে বিদেশমন্ত্রক

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “১৫ ও ১৬ অক্টোবর পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এসসিও-র বৈঠক রয়েছে। সেখানে আমাদের প্রতিনিধিদের নেতৃত্ব দেবেন বিদেশমন্ত্রী।” ওই বৈঠকে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। যদিও তিনি যাচ্ছেন না, যাচ্ছেন জয়শঙ্কর। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানে শুধু সম্মেলনেই যোগ দেবে প্রতিনিধি দল। প্রতিবেশী দেশের সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক কোনও বৈঠকে বসার সম্ভাবনাই নেই ভারতের।

    সুষমার পরে এবার জয়শঙ্কর

    আফগানিস্তান নিয়ে একটি সম্মেলনে যোগ দিতে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন সুষমা। তার পর ভারতের আর কোনও বিদেশমন্ত্রী পাকিস্তানমুখো হননি। কূটনীতিকদের মতে, এই সম্মেলনে বিদেশমন্ত্রীকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় বার্তা দিল নয়াদিল্লি। এসসিও আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতায় বড় ভূমিকা নেয়। সম্মেলনে বিদেশমন্ত্রীকে পাঠিয়ে নয়াদিল্লি বুঝিয়ে দিল, এই সম্মেলনকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয় ভারত।

    ভারত (S Jaishankar) ছাড়াও এসসিও-র সদস্য হল চিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, কিরঘিজস্তান, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান এবং তাজিকিস্তান। সংগঠনের জন্ম ২০০১ সালে, সাংহাইতে এক সম্মেলনের মাধ্যমে। এই সম্মেলনে ভারত যোগ দেয়নি। ২০০৫ সালে প্রথমবার ভারত যোগ দেয় এসসিও সম্মেলনে। ২০১৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান একই সঙ্গে এই সংগঠনের স্থায়ী সদস্যপদ লাভ করে। ২০২৩ সালে সম্মেলনের আয়োজন করে ভারত। সেবার অবশ্য ভার্চুয়াল মাধ্যমে হয়েছিল বৈঠক।

    আরও পড়ুন: বড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে গুলির লড়াইয়ে খতম ৩০ মাওবাদী

    ভারতের পর এবার সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে পাকিস্তান। সেই সম্মেলনেই যোগ দিতে ইসলামাবাদ যাচ্ছেন জয়শঙ্কর। সীমান্ত সন্ত্রাস ছড়ানোয় গত সপ্তাহেই রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় পাকিস্তানকে একহাত নিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। ওই মঞ্চেই পাকিস্তানকে তুলোধনা করেছিলেন ভারতের তরফে ফার্স্ট সেক্রেটারি ভাবিকা মঙ্গলানন্দন। তিনি বলেছিলেন, “যে দেশ তার জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য, মাদকদ্রব্য পাচার এবং আন্তর্জাতিক অপরাধের জন্য বিখ্যাত, সেই দেশই পৃথিবীর সব চেয়ে বড় গণতন্ত্রকে আক্রমণের ঔদ্ধত্য দেখায়।” এহেন আবহেই পাকিস্তানে যাচ্ছেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sukanta Majumdar: দাড়িভিটে নিহত দুই ছাত্রকে বাংলা ‘ভাষা শহিদ’ ঘোষণার দাবি সুকান্তর, চিঠি মমতাকে

    Sukanta Majumdar: দাড়িভিটে নিহত দুই ছাত্রকে বাংলা ‘ভাষা শহিদ’ ঘোষণার দাবি সুকান্তর, চিঠি মমতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা ভাষাকে ভারতীয় ধ্রুপদী ভাষার স্বীকৃতি দিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। অবশ্য বাংলা ভাষার এই মর্যাদার জন্য নানা মহল থেকে অনেক দিন ধরেই দবি উঠছিল। এবার কেন্দ্রীয় সরকার সেই সম্মান জানিয়েছে। বাংলার মুকুটে আরেক পালক যুক্ত হয়েছে। কিন্তু এই পরিস্থিতির মধ্যে বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আরও এক নতুন দাবি রাখলেন। ২০১৮ সালে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর দাড়িভিটে দুই স্কুল পড়ুয়াকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হয়েছিল। তাঁদের একটাই দাবি ছিল— স্কুলে উর্দু নয়, বাংলার শিক্ষক চাই। তাই এই দুই আত্মবলিদানকারী ছাত্রদের ‘ভাষা শহিদ’ (Bhasha Shahid) হিসেবে সম্মান জানানোর কথা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।

    বুকে এবং পেটে গুলি লাগে (Sukanta Majumdar)?

    ঘটনা ঘটেছিল ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বরে। স্কুলে কোনও উর্দু পড়ুয়া না থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার উর্দু শিক্ষক জোর করে নিয়োগ করতে চেয়েছিল। কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের দাবি ছিল বাংলা, ইংরেজি, সংস্কৃত এবং বিজ্ঞানের শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। প্রতিবাদে স্কুলের মধ্যে বিক্ষোভ-আন্দোলন চলে। এরপর ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস এবং লাঠি চালানো হয়। এরপর পুলিশ প্রকাশ্যে গুলি করে। গুলি গিয়ে লাগে রাজেশ সরকার এবং তাপস বর্মণের বুকে এবং পেটে। ঘটনায় বিপ্লব সরকার নামে আরও এক ছাত্রের পায়ে গুলি লেগেছিল। কিন্তু অত্যধিক রক্তক্ষরণের কারণে রাজেশ-তাপসের (Bhasha Shahid) মৃত্যু হয়। একই ভাবে পুলিশের লাঠির আঘাতে আরও অনেক ছাত্র আহত হয়েছিলেন। এরপর থেকে ওই গ্রামে ‘বাংলা মাতৃভাষা দিবস’ রূপে ২০ সেপ্টেম্বর পালন করা হয়। উল্লেখ্য কারা গুলি চালিয়েছিল, এখনও পর্যন্ত সন্ধান করে নাম প্রকাশ্যে আনতে পারেনি পুলিশ বা সিআইডি। এবার স্বীকৃতির দাবিতে মমতাকে চিঠি লিখলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)।

    আরও পড়ুনঃ নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ করে খুন’, নিষ্ক্রিয় পুলিশকে ঝাঁটাপেটা, ফাঁড়িতে আগুন, অগ্নিগর্ভ জয়নগর

    দাড়িভিটে তৈরি করা হোক দুই শহিদ স্মারক

    এখন এই মৃত্যুর কারণ স্বরূপ সুকান্ত (Sukanta Majumdar), মমতাকে চিঠিতে লিখেছেন, “ওই স্কুলে প্রয়োজন ছাড়াই উর্দু শিক্ষকের নিয়োগকে কেন্দ্র করে একটি ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। কারণ ওই এলাকায় উর্দুভাষী মানুষের সংখ্যা নিতান্তই কম। জোর করে উর্দু শিক্ষক চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে সরব হওয়া পড়ুয়াদের উপরে লাঠি, গুলি চালায় পুলিশ। দুই ছাত্র তাপস বর্মণ ও রাজেশ সরকারের মৃত্যু হয়। বাংলা ভাষার ধ্রুপদী স্বীকৃতি মেলার পরে রাজ্য সরকার ওই দুই ছাত্রকে ভাষা শহিদ হিসেবে ঘোষণা করুক। দাড়িভিটে তৈরি করা হোক দুই শহিদ স্মারক (Bhasha Shahid)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: জয়নগরে নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ করে খুন’, নিষ্ক্রিয় পুলিশকে ঝাঁটাপেটা, ফাঁড়িতে আগুন

    South 24 Parganas: জয়নগরে নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ করে খুন’, নিষ্ক্রিয় পুলিশকে ঝাঁটাপেটা, ফাঁড়িতে আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন’বছরের বালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগকে ঘিরে রণক্ষেত্র দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) জয়নগর। পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে শনিবার মহিষমারি এলাকায় ধুন্ধুমারকাণ্ড বাঁধে। রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। ঝাঁটাহাতে পুলিশকে ধাওয়া থেকে, পুলিশকে ঝাঁটাপেটা করার ঘটনা ঘটে। মহিষমারি পুলিশ ফাঁড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ নথি। এমন পরিস্থিতিতে প্রাণভয়ে লুকিয়ে পড়েন পুলিশ কর্মীরা। ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয় এলাকায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে র‍্যাফ নামানো হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জয়নগর থানা থেকে বিশাল পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পাল্টা লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে কোচিং সেন্টারে পড়তে গিয়েছিল এক নাবালিকা। চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী মেয়েটি কোচিং থেকে আর বাড়ি ফেরেনি। এদিকে, মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে মহিষমারি পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন পরিবারের সদস্যেরা। অভিযোগ, তাঁদের কথায় প্রথমে গুরুত্ব দেয়নি পুলিশ। তাঁদের বলা হয়েছিল, জয়নগর থানায় অভিযোগ জানাতে হবে। পরিবারের দাবি, অভিযোগের কথা শুনেই পুলিশ তৎপর হয়ে উঠলে মেয়েকে হয়তো বাঁচানো যেত। বাড়ি থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যেই মহিষমারি (South 24 Parganas) এলাকায় পুকুর থেকে শিশুর দেহ খুঁজে পায় পুলিশ। তার পর এদিন সকালে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। দোষীর কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে পরিবার। সেই সঙ্গে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ উগরে দিয়েছে তারা।

    আরও পড়ুন: কর্মবিরতি উঠল, বৃহত্তর আন্দোলন চলবে বলে জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, পরিবারের লোকজন (South 24 Parganas) মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে পুলিশের (Police) কাছে সহযোগিতা চেয়েছিলেন। কিন্তু, পুলিশ কোনও সহযোগিতা করেনি। উল্টে হেনস্থা করেছে। তাই, পরিবারের ক্ষোভ পুলিশের ওপর গিয়েছে পড়েছে। এলাকার মানুষও তাতে সামিল হন। আর সেই কারণে এদিন ঝাঁটা, লাঠি, বাঁশ নিয়ে মহিষমারি পুলিশ ফাঁড়িতে চড়াও হন মানুষ। এখন মানুষের রোষের মুখে পড়ে পুলিশ তৎপর হয়েছে। পাশাপাশি, এলাকার মানুষকে বুঝিয়ে শান্ত করার চেষ্টাও চলছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রূপান্তর গোস্বামী বলেন, “অভিযুক্তকে আমরা গ্রেফতার করেছি। এখনও পর্যন্ত এক জনই গ্রেফতার। তদন্তের মাধ্যমে আরও কেউ জড়িত কি না, দেখা হবে। আপাতত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। সেটাই আমাদের অগ্রাধিকার।”

    মমতাকে তীব্র আক্রমণ সুকান্তর 

    এই ঘটনায় ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিলি লিখেছেন, ‘‘স্তম্ভিত! শিহরিত! কুলতলী থানা এলাকার কৃপাখালী এলাকায় টিউশন পড়ে ফেরার পথে বলপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে নৃশংসভাবে খুন করা হলো চতুর্থ শ্রেণীর একজন নাবালিকা ছাত্রীকে। পরে নদীর চর থেকে গ্রামবাসীরা উদ্ধার করলেন ছোট্ট মেয়েটির নিথর দেহ। মহিলাদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ বাংলার অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমার প্রশ্ন, দেবীপক্ষের সূচনাতেও নিস্তার নেই বাংলার মেয়েদের! আপনার অপশাসনে আর কতগুলি বাংলার মেয়ের এই পরিণতি হবে!! ছিঃ’’

    ঘটনায় তৃণমূলকে আক্রমণ করেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “মহিলাদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে। একজনও সাজা পায় না। শাসক দলের ঝাণ্ডার নীচে থাকলে এই অপরাধ কোনওদিনই বন্ধ হবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: বড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে গুলির লড়াইয়ে খতম ৩০ মাওবাদী

    Chhattisgarh: বড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে গুলির লড়াইয়ে খতম ৩০ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদী দমন (Maoists) অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) নারায়ণপুর-দান্তেওয়াড়া সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে খতম হয়েছে ৩০ মাওবাদী। এরপরে ওই এলাকা থেকে একে-৪৭ সহ একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে প্রশাসন। ছত্তিশগড় পুলিশের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক এনিয়ে বলেন, ‘‘ঠিক কত পরিমাণে অস্ত্র ও গোলা, বারুদ উদ্ধার করা হয়েছে, সেটা এখনই বিস্তারিতভাবে বলা সম্ভব নয়। শনিবার নিহত মাওবাদীদের পরিচয় জানার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।’’

    গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই অঞ্চলে অভিযানে নামে নিরাপত্তা বাহিনী

    জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই অঞ্চলে অভিযানে নামে নিরাপত্তা বাহিনী। সেই মতো ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) বৃহস্পতিবার মাওবাদী অভিযান শুরু করে। গোভেল, নিন্দুর থুলথুলি প্রভৃতি গ্রামে (Chhattisgarh) অভিযান চালানো হয়। এই সময়ে জঙ্গলে শুরু হয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের গুলির লড়াই। সেখানে নিরাপত্তা বাহিনী নিকাশ করতে সম্ভব হয় ৩০ মাওবাদীকে। তবে আরও বেশ কয়েকজন মাওবাদী (Maoists) গভীর জঙ্গলে চলে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তাদের খোঁজে প্রশাসনও অভিযান জারি রেখেছে।

    এই জঙ্গল (Chhattisgarh) পরিচিত অবুঝমাড়ের জঙ্গল নামে

    প্রসঙ্গত, এই জঙ্গল (Chhattisgarh) পরিচিত অবুঝমাড়ের জঙ্গল নামে। ছত্তিশগড় এবং মহারাষ্ট্রের মধ্যে বিস্তৃত এই জঙ্গল। এই এলাকাকে অনেকেই ‘অপরিচিত পাহাড়’ বলে অবিহিত করেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ব্রিটিশ আমল থেকেই এখানকার প্রায় ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা কেউ কখনও জরিপ করেনি। ঠিক এই কারণেই এই ঘন জঙ্গল মাওবাদীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। বহু মাওবাদী নেতা এই জঙ্গলে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    সাম্প্রতিককালে মাওবাদী দমন অভিযানে এটা অনেক বড় সাফল্য বলে জানিয়েছে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) পুলিশ। নিরাপত্তা বাহিনীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন ছত্তীসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘‘জওয়ানদের এই সাফল্য প্রশংসনীয়। তাঁদের অদম্য সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানাই। ছত্তিশগড় থেকে নকশালবাদ শেষ করাই আমাদের লক্ষ্য। নকশালবাদ শেষ করেই আমাদের লড়াই থামবে। এর জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ আমাদের ডবল ইঞ্জিন সরকার।’’ প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৪ অগাস্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বড় চ্যালেঞ্জ হল মাওবাদীরা। ২০২৬ সালের মার্চের পর এদেশে মাওবাদী থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের পরেই এমন সাফল্য এল মাওবাদী দমনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Haryana: হরিয়ানায় চলছে ভোটগ্রহণ, এক দফাতেই ৯০ বিধানসভা আসনে নির্বাচন

    Haryana: হরিয়ানায় চলছে ভোটগ্রহণ, এক দফাতেই ৯০ বিধানসভা আসনে নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কড়া নিরাপত্তায় ভোট গ্রহণ চলছে হরিয়ানায় (Haryana)। সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়া, চলবে সন্ধ্যে ছ’টা পর্যন্ত। প্রসঙ্গত সম্প্রতি ভোট গ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরেও। আজ শনিবার হরিয়ানার ভোট পর্ব মিটলেই দুই রাজ্যের বুথ ফেরত সমীক্ষা সামনে আসবে। প্রসঙ্গত, হরিয়ানাতে বিধানসভার আসন রয়েছে ৯০টি। সে রাজ্যে এক দফাতে ভোট করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, হরিয়ানাতে (Haryana) পাল্লা ভারী রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। বিজেপির ইস্তাহারে মহিলাদের প্রতি মাসে একুশশো টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের নাম রাখা হয়েছে ‘লাডো লক্ষ্মী যোজনা’। এর পাশাপাশি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেরাজ্যে একাধিক শিল্প শহর গড়া হবে বলেও জানিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন: কর্মবিরতি উঠল, বৃহত্তর আন্দোলন চলবে বলে জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    ৯০ কেন্দ্রে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১,০২৭ জন (Haryana) 

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিয়ানাতে (Haryana) মোট ভোটারের সংখ্যা ২ কোটিরও বেশি। ৯০ কেন্দ্রে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১,০২৭ জন। জানা গিয়েছে, হরিয়ানাতে ভোট করতে মোতায়েন করা হয়েছে ৩০ হাজারেরও বেশি পুলিশ কর্মী ও ২২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রতিটি বুথেই ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। এখনও পর্যন্ত যা খবর মিলেছে, তাতে ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে (Assembly Elections)।

    উল্লেখযোগ্য প্রার্থী কারা?

    হরিয়ানার (Haryana) বিধানসভা নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনি (বিজেপি, লডওয়া), প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা ভূপেন্দ্র সিংহ হুডা (কংগ্রেস, গারহি সাম্পলা-কিলোই), প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী দুষ্মন্ত চৌতালা (জেজেপি, উচানা কালান) প্রমুখ। নির্বাচনের (Assembly Elections) মুখে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক মহিলা কুস্তিগির বিনেশ ফোগাট। কংগ্রেস তাঁকে জুলানা থেকে প্রার্থী করেছে। তাঁর কেন্দ্রের ফলাফলের দিকেও আলাদা করে নজর থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctors: কর্মবিরতি উঠল, বৃহত্তর আন্দোলন চলবে বলে জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    Junior Doctors: কর্মবিরতি উঠল, বৃহত্তর আন্দোলন চলবে বলে জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজেদের কর্মবিরতি তুলে নিলেন আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctors)। ধর্মতলার মহাসমাবেশ থেকে গতকাল শুক্রবার রাতেই তাঁরা একথা ঘোষণা করেন। তবে পাশাপাশি তাঁরা জানিয়ে রেখেছেন যে ধর্মতলায় বিক্ষোভ তাঁরা চালিয়ে যাবেন। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য রাজ্য সরকারকে তাঁরা বার্তা দিতে চান, তাঁরা যেমন কাজে ফিরছেন, তেমন রাস্তায় থেকে বুঝিয়ে দিচ্ছেন তাঁরা আন্দোলনে রয়েছেন। আন্দোলনকারীরা ধর্নামঞ্চে তাঁরা একটি বড় ঘড়ি টাঙিয়ে দেন। সেই ঘড়িকে সামনে রেখে রাজ্য সরকারকে সময় বেঁধে দিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরকার তাঁদের দাবি না মানে তবে আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ১০ ঘণ্টা জুনিয়র ডাক্তারদের জেনারেল বডির বৈঠকেই ঠিক হয়ে যায় পরবর্তী কর্মসূচির রূপরেখা। তার পরে সিদ্ধান্ত ঘোষণা হয় রাতে।

    জনগণ আমাদের পাশেই, দাবি ডাক্তারদের (Junior Doctors) 

    ধর্মতলার (Dharmatala) অবস্থান থেকেই দেবাশিস হালদার (Junior Doctors) ঘোষণা করেন, ‘‘গণআন্দোলন বজায় রেখেই রোগীদের কথা মাথায় রেখে আমরা আজ থেকে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করছি। জিবি মিটিংয়ে এটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে এটা যদি মনে হয় রাজ্য সরকার ভয় দেখাচ্ছে, ভাবছে জনগণ আমাদের পাশে নেই, ভয় পেয়ে কর্মবিরতি তুলে নিচ্ছি, তাহলে ভুল ভাববে রাজ্য সরকার। আসলে জনগণ আমাদের পাশে রয়েছেই। একটাই পক্ষ।’’ তবে কর্মবিরতি তুললেও, আন্দোলন যে আরও তীব্রতর হতে চলেছে, তার আভাসও দিতে শোনা যায় দেবাশিসকে। তিনি বলেন, ‘‘পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে লাগাতর অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দিচ্ছি। আমরা কাজে ফিরছি। আর এখানে বসে থেকে বুঝিয়েও দিচ্ছি, আমরা ন্যায় বিচারের দাবিতে রাস্তাতেও আছি।’’ 

    এই লড়াই থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে

    প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগেই সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসক হেনস্থার অভিযোগ ওঠার পর দশ দফা দাবিতে কর্মবিরতিতে সামিল হন জুনিয়র চিকিৎসকরা (Junior Doctors)। শুক্রবার রাতে তারই ব্যাখ্যা দেন দেবাশিস। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের দশ দফা দাবি আসলে দুটো দাবি। প্রথম দাবি, ন্যায়বিচার। বাকি সব দাবি জড়িয়ে রয়েছে, আর একটাও যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে, তার জন্য।’’ তাঁদের কথায়, ‘এই লড়াই থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে। নিরাপত্তার স্বার্থে।’ আন্দোলনকারী চিকিৎসক অনিকেত মাহাতো বলেন, ‘‘কর্মবিরতি যদি আমাদের দাবি পূরণের অন্তরায় হয়, তাহলে কর্মবিরতি তুলে নিলাম। কাল রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত সময়। সেই সময়ের মধ্যে দাবি না মানলে আমরণ অনশন। এই ঘটনার মোটিভকে সামনে আনতে হবে।’’ আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা সাফ জানিয়েছেন, অনশন‌ও আন্দোলনের শেষ নয়। দাবি না মানা পর্যন্ত রাজপথেই থাকবেন তাঁরা। তাঁদের এই দাবি যে কথার কথা নয়, তা প্রমাণ করতে একটা বড় দেওয়ালঘড়ি সঙ্গে নিয়ে এসে ধর্নাস্থেলে টাঙিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। বলেন, ‘‘আমরা এই ঘড়ি নিয়ে এসেছি। প্রতি মিনিট, ঘণ্টার হিসাব হবে। তাই এই ঘড়ি অবস্থান মঞ্চে থাকবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় যদি সরকার আমাদের দাবি না মানে, তবে আমরা জীবনের বাজি রেখে আমরণ অনশন শুরু করব।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 05 october 2024: প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 05 october 2024: প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) গুরুজনদের সদুপদেশে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) নিজের ভুল সংশোধন করার ফলে ব্যবসায় উন্নতি ও বিপুল অর্থপ্রাপ্তির যোগ।

    ২) গুরুজনের শরীর নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মিথুন

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) বন্ধুর সহায়তায় ব্যবসায় উন্নতি।

    ৩) বিরোধীদের থেকে সাবধান থাকুন।

    কর্কট

    ১) সহকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করায় মানসিক চাপ বাড়বে।

    ২) প্রেমে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    সিংহ

    ১) সব কাজেই সুনাম পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীদের দ্বারা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কন্যা

    ১) স্ত্রীর কারণে মন চঞ্চল হতে পারে।

    ২) কোনও ঝুঁকিপ্রবণ কাজ করতে হতে পারে।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    তুলা

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে।

    ২) গরিব মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    বৃশ্চিক

    ১) শত্রুভয় কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

    ২) ব্যবসায় ফল নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

    ধনু

    ১) কাজের ক্ষেত্রে প্রচুর চিন্তা থাকবে।

    ২) ব্যবসার ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকুন, বুদ্ধিভ্রংশ হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) বাড়িতে অশান্তির সম্ভাবনা ও সেই কারণে আপনার মানহানি হতে পারে।

    ২) আপনার বক্তব্য সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) নম্র স্বভাবের জন্য কর্মস্থলে পদন্নোতি।

    ২) বাসস্থান পরিবর্তন নিয়ে খরচ বৃদ্ধি।

    ৩) ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভালো হবে।

    ২) ভ্রমণে সমস্যা বাড়তে পারে, একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে আরও বেশি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Junior Doctor: পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ, প্রতিবাদে ধর্মতলায় রাস্তায় বসে পড়লেন জুনিয়র ডাক্তাররা 

    Junior Doctor: পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ, প্রতিবাদে ধর্মতলায় রাস্তায় বসে পড়লেন জুনিয়র ডাক্তাররা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুনিয়র চিকিৎসকদের (Junior Doctor) কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ধর্মতলায় (Dharmatala)। আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের মিছিল শেষে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক বচসার পরিস্থিতি তৈরি হয়। জানা গিয়েছে, ধর্মতলার মঞ্চ তৈরি নিয়েই এই বচসার সূত্রপাত হয় প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের। এরপরেই রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন আন্দোলনকারীরা (Junior Doctor)। প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে জুনিয়র চিকিৎসকরা দাবি করছেন, কর্মসূচির অনুমতি তাঁদের আগেই দেওয়া হয়েছিল। তবু চিকিৎসকদের প্রতিনিধি দলের কয়েকজন ধর্মতলায় পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে তাঁদেরকে জোর করে সরিয়ে দেয় পুলিশ। শুধু তাই নয়, পুলিশের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন জুনিয়ার ডাক্তাররা, তাঁদের দাবি, আন্দোলনকারীদের মারধরও করেছে পুলিশ।

    উত্তপ্ত ধর্মতলা (Junior Doctor)

    প্রতিবাদে ধর্মতলায় (Dharmatala) অবস্থানে বসে পড়েন চিকিৎসকরা। এরপরে বেশ কিছু পুলিশ কর্তাকে দেখা যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছেন। তখন পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রশাসনের সঙ্গে বাদানুবাদ শুরু হয়ে যায়। চলতে থাকে স্লোগান। প্রসঙ্গত, আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। সেই আন্দোলনে শামিল হতে দেখা গিয়েছে, সমাজের সর্বস্তরের মানুষজনকে। জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের মাঝেই রাজ্যের একাধিক জায়গার হাসপাতালগুলিতে হামলার খবর সামনে আসে। চিকিৎসক নিগ্রহ, স্বাস্থ্যকর্মী নিগ্রহের মতো একাধিক ঘটনা সম্প্রতি সামনে এসেছে।

    কী বলছেন আন্দোলনকারী (Junior Doctor) চিকিৎসক? 

    দিন কয়েক আগেই সাগর দত্ত হাসপাতালে ফের ডাক্তারদের ওপর হামলা হয়। এর প্রতিবাদের জুনিয়র ডাক্তাররা কর্মবিরতি শুরু করেন। নতুন করে আন্দোলনে নামেন চিকিৎসকরা। আন্দোলনকারী চিকিৎসক অনুষ্টুপ এনিয়ে বলেন, ‘‘আমরা তো শান্তিপূর্ণ মিছিল করছিলাম। আমরা সমাবেশের প্ল্যান করেছিলাম। কিন্তু আমরা এখানে এসে পৌঁছানোর আগেই এক জুনিয়র ডাক্তারকে টেনে হিঁচড়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা কলকাতা পুলিশকে ধিক্কার জানাচ্ছি।’’ শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনও বিক্ষোভ চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: দুর্গাপুজোর মুখে বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মস্থানে হামলা অব্যাহত, ৬ দিনে ১৬টি মূর্তি ভাঙচুর

    Bangladesh: দুর্গাপুজোর মুখে বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মস্থানে হামলা অব্যাহত, ৬ দিনে ১৬টি মূর্তি ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর থেকেই বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর ব্যাপক আক্রমণ নেমে আসে। সে দেশের সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলন পরিণত হয় সাম্প্রদায়িক হিংসায়। দিকে দিকে হিন্দুদের ধর্মস্থানগুলিতে হামলা চলতে থাকে। এই আবহে দুর্গাপুজো কতটা শান্তিতে হবে, সেই প্রশ্ন তখনই উঠতে শুরু করে। জামাত-বিএনপি কলকাঠি নাড়ছে যেখানে, সেই ইউনূস সরকারের আমলে দুর্গাপুজো (Durga Puja) যে শান্তিতে হবে না, তার প্রমাণ ইতিমধ্যেই মিলতে শুরু করেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, গত ৬ দিনে বাংলাদেশে মোট ১৬টি হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে এবং তিনটি মন্দিরে হামলা চালানো হয়েছে।

    মন্দিরে হামলা (Bangladesh)  

    গত ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের (Bangladesh) ঋষিপাড়া বারোয়ারি পুজোমণ্ডপে হামলা চালায় জেহাদিরা। এরপরে ১ অক্টোবর মানিকাদি পালপাড়া বারোয়ারি পুজোমণ্ডপে একই ধরনের হামলা চালানো হয়। এই দুই জায়গাতেই দুর্গাপ্রতিমা সহ দেবদেবীর মূর্তি ভাঙচুর করা হয়। জানা গিয়েছে, এই দুটি পুজোমণ্ডপই বাংলাদেশের পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলাতে অবস্থিত। ঋষিপাড়া বারোয়ারি পুজোমণ্ডপে মোট চারটি প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়। অন্যদিকে মানিকাদি পালপাড়া পুজোমণ্ডপে (Durga Puja) পাঁচটি মূর্তি ধ্বংস করা হয়। এই ঘটনার পরেই হিন্দুরা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হিন্দুদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল ও বাংলাদেশের সেনা অধিকর্তারা ওই দুই মন্দিরই পরিদর্শন করেছেন, বলে জানা গিয়েছে।

    মন্দিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয়দের নিয়ে কমিটি 

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরে দুর্গাপুজো ৯ অক্টোবর শুরু হচ্ছে। সুজানগর উপজেলায় ৫১টি মন্দিরে দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মানিকাদি পালপাড়া বারোয়ারি পুজোমণ্ডপের সভাপতি বিজন পাল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গত ১ অক্টোবর রাতে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময়ও তিনি প্রতিমাগুলিকে ঠিকঠাক অবস্থায় দেখেছিলেন। পরের দিন সকালে মন্দিরে এসে দেখেন, মূর্তিগুলি ভাঙা হয়েছে। অন্যদিকে সুজানগর উপজেলার প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তারা দোষীদের খুঁজে বের করে আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রচেষ্টা করছে। এর পাশাপাশি প্রতিটি মন্দিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় লোকেদের নিয়ে একটি কমিটিও তৈরি করা হয়েছে।

    হাসিনার পদত্য়াগের পর থেকে হিন্দুদের ওপর হামলা ২০৫টি

    ঠিক এই আবহে গত বৃহস্পতিবার ৩ অক্টোবর গোপীনাথ জিউ-র পুজোমণ্ডপে হিন্দুদের প্রতিমা ভাঙচুর করার খবর মিলেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের (Bangladesh) কিশোরগঞ্জে। জানা গিয়েছে, মন্দিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত রক্ষীরা যখন ঘুমাচ্ছিলেন, তখনই গভীর রাতে এই ভাঙচুর চালানো হয়। পরবর্তীকালে প্রশাসন স্থানীয় হিন্দু সমাজের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসে এবং যারা এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের শাস্তির প্রতিশ্রুতি দেয়। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর থেকেই (Bangladesh) হিন্দু মন্দির, হিন্দুদের দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ২০৫টি হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। গত সেপ্টেম্বর মাসের ৬ তারিখে চট্টগ্রামে কদম মোবারক এলাকায় গণেশ উৎসবের সময় মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ২৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর শহরেও দেবী দুর্গা ও অন্যান্য হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা সামনে এসেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ঘটনার দিন বার বার কাকে ফোন? সিবিআই-এর হাতে সন্দীপ ঘোষের কল লিস্ট

    RG Kar Incident: ঘটনার দিন বার বার কাকে ফোন? সিবিআই-এর হাতে সন্দীপ ঘোষের কল লিস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের দিন একাধিকজনকে বার বার ফোন করেছিলেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। তদন্তে এমনই দাবি করেছে সিবিআই। বার বার ফোনে বার্তালাপ করেন টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলও, দাবি সিবিআই-এর। সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh) কল লিস্ট হাতে পেয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই রিপোর্ট থেকেই এই বিষয়টি জানা গিয়েছে বলে খবর। 

    কল ডিটেইলস থেকে কী জানার চেষ্টা?

    শুরু থেকেই এই ঘটনায় বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে আরজি কর (RG Kar Incident) কর্তৃপক্ষ তথা তদানীন্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা। প্রশ্ন উঠেছে কলকাতা পুলিশের তদন্ত নিয়েও। পরবর্তীতে গ্রেফতারও হয়েছেন টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল। প্রথমে দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হলেও পরে সন্দীপ ঘোষকেও খুন-ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার করা হয়। সিবিআই সূত্রে খবর, ঘটনার দিন খুন ও ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ৯ তারিখ সকাল থেকেই একাধিক ফোন করেছিলেন সন্দীপ ও অভিজিৎ। কাদের কাদের ফোন করা হয়েছিল, তার প্রেক্ষিতেই এবার এগোবে তদন্তের গতিপ্রকৃতি। এছাড়া ঘটনার দিন হাসপাতালে বেশ কিছু বহিরাগতের প্রবেশ ঘটেছিল বলেও জানা গিয়েছে। তাদের মধ্যে কাউকে সন্দীপ বা অভিজিৎ ফোন করেছিলেন কিনা, তা জানার চেষ্টা করছে সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: শরীরে অন্তত ২৪টি আঘাত! গণপ্রহারের মতোই মারা হয়েছিল আরজি করের নির্যাতিতাকে

    সন্দীপ-আশিস যোগ

    তদন্তে বিভ্রান্তি তৈরি এবং দুর্নীতির অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে আশিস পাণ্ডেকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। ধৃতকে আদালতে তোলা হলে ৩ দিনের সিবিআই হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। বিচারক তা মঞ্জুর করেছেন। সিবিআই আদালতে জানিয়েছে, আরজি করের থ্রেট কালচার ও দুর্নীতির মূলে যারা ছিল, আশিস তাদেরই অন্যতম। কাকে রাখা হবে, কাকে বদলি করা হবে, সেই দায়িত্বও নাকি সন্দীপের হয়ে দেখতেন প্রভাবশালী এই তৃণমূল নেতা। বৃহস্পতিবার আশিসকে গ্রেফতারের সময় তাঁর ফোনও বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share