Tag: bangla news

bangla news

  • Suvendu Adhikari: নিহত মৎস্যজীবীদের পরিবারের পাশে শুভেন্দু, নিলেন ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার দায়িত্ব

    Suvendu Adhikari: নিহত মৎস্যজীবীদের পরিবারের পাশে শুভেন্দু, নিলেন ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার দায়িত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে নিহত ৯ মৎস্যজীবী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপে নিহত মৎস্যজীবীদের বাড়িতে গিয়ে তিনি পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন।

    নিহত মৎস্যজীবীদের পাশে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    জানা গিয়েছে, ২০ সেপ্টেম্বর এফবি বাবা গোবিন্দ নামক একটি ট্রলার দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ট্রলারে মোট ১৭ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। ৮ জন বেঁচে ফিরলেও বাকি ৯ জনের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। আর সেই মৃত মৎস্যজীবীদের পরিবারদের পাশে দাঁড়ালেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি (Suvendu Adhikari) মৃত মৎস্যজীবী পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, “মৃত মৎস্যজীবীর পরিবারের সমস্ত ছেলে মেয়ের পড়াশুনার দায়িত্ব ভারতীয় জনতা পার্টি নেবে। বেশ কিছু মৎস্যজীবী পরিবার এখনও পর্যন্ত বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন না বলে আমি জানতে পারলাম। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।” তিনি আরও বলেন, “বার্ধক্য ভাতার বেশিরভাগ টাকাই পাঠায় কেন্দ্রীয় সরকার, তারপরেও রাজ্য সরকার নিজেদের নাম দিয়ে মানুষের কাছে মিথ্যে প্রচার করে। আমি এখানে এসেছি কোনও রাজনীতি করতে নয়, কোনও পতাকা নিয়ে আসিনি। রাজ্যের যেখানেই মানুষ বিপদে পড়েছে, আমি বিরোধী দলনেতা হিসেবে তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।”

    তৃণমূলকে তুলোধনা

    এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) মৃত মৎস্যজীবীদের বাড়িতে আসার সময় স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করেন। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “ওই ব্যক্তি স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী। আমি চিনি তাঁকে। আমি বলেছি আগে পঞ্চায়েতে জলের ব্যবস্থা করতে তারপর বড় বড় কথা বলতে। আসলে তৃণমূল কংগ্রেস এই মৃত মৎস্যজীবীদের নিয়ে প্রথম থেকেই রাজনীতি করেছে। কিন্তু কোনওদিনই তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করেনি। সব সময় মথুরাপুরের বিজেপি নেতৃত্বদের মিথ্যে মামলা দিয়ে তাদেরকে দমানোর চেষ্টা করেছে। গুন্ডাবাহিনী আর পুলিশ প্রশাসনকে দিয়ে মানুষকে হেনস্থা ছাড়া তৃণমূল আর কিছুই করতে পারে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Stock Market: শেয়ার বাজার থেকে গায়েব ১১ লাখ কোটি, প্রভাব ফেলছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি!

    Stock Market: শেয়ার বাজার থেকে গায়েব ১১ লাখ কোটি, প্রভাব ফেলছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবরাত্রির প্রথম দিনেই ভয়ঙ্করভাবে পড়ল সেনসেক্স ও নিফটির গ্রাফ। এর ফলে লগ্নিকারীদের মাথায় হাত। প্রসঙ্গত, এ দিন শেয়ার সূচকের (Stock Market) পতনের জেরে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাজার থেকে উড়ে যায় প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকা! লোকসান সামলে কত দিনের মধ্যে সেনসেক্স ও নিফটি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্রসঙ্গত চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ইজরায়েলে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় তেহেরান। অন্য দিকে ইরান সমর্থিক জঙ্গি গোষ্ঠী হিজবুল্লাকে নিকেশ করতে লেবাননেও গ্রাউন্ড অপারেশন শুরু করেছে ইজরায়েল। এই যুদ্ধের সরাসরি প্রভাবে ভারতের শেয়ার বাজারে (Stock Market) পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বেড়েই চলেছে অপরিশোধিত তেলের দাম

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইজরায়েলি বায়ুসেনা ইরানের তেলের ভাণ্ডারকে নিশানা করলে অপরিশোধিত তেলের (Stock Market Crash) দর আকাশ ছোঁবে। সে ক্ষেত্রে ভারতের মতো তেল আমদানিকারী দেশের অর্থনীতির ওপর তা প্রভাব ফেলতে পারে। লগ্নিকারীরা তাই পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে বাজার থেকে টাকা সরিয়ে নিচ্ছেন। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বেড়েই চলেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। ইতিমধ্যেই ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দর ব্যারেল প্রতি ৭৫ ডলার ছাপিয়ে গিয়েছে। গত তিন দিনে খনিজ তেলের দাম ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    সেনসেক্স ও নিফটির পতন (Stock Market) 

    আজ বৃহস্পতিবার, বাজার (Stock Market) বন্ধ হওয়ার পর দেখা যায়, বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (বিএসই) শেয়ারের গ্রাফ পড়েছে ১,৭৬৯.১৯ পয়েন্ট। অর্থাৎ নামতে নামতে ৮২,৪৯৭.১০ পয়েন্টে গিয়ে থেমেছে সেনসেক্স। এর গ্রাফ ২.১০ শতাংশ পতন দেখা গিয়েছে। অন্য দিকে, আজ বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে (এনএসই) ৫৪৬.৮০ পয়েন্ট পতন হয়েছে। বাজার বন্ধ হওয়ার সময়ে এর শেয়ার সূচক নিফটি-৫০ দাঁড়িয়ে যায় ২৫,২৫০.১০ পয়েন্টে। অর্থাৎ এর গ্রাফের (Stock Market Crash) পতনের পরিমাণ ২.১২ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CJI Chandrachud: ‘‘এত সাহস হয় কী করে?’’ আদালত কক্ষে প্রধান বিচারপতির ধমক আইনজীবীকে

    CJI Chandrachud: ‘‘এত সাহস হয় কী করে?’’ আদালত কক্ষে প্রধান বিচারপতির ধমক আইনজীবীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) এক আইনজীবী প্রধান বিচারপতির (CJI Chandrachud) রোষের মুখে পড়লেন। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, ‘‘আইনজীবীদের মনে হয় সব বুদ্ধি লোপ পেয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার এক আইনজীবী প্রধান বিচারপতিকে জানান যে একটি মামলায় শীর্ষ আদালতের রায় তিনি ক্রস চেক করেছেন অর্থাৎ মিলিয়ে দেখে নিয়েছেন কোর্ট মাস্টারের কাছে। এ কথা শুনে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন প্রধান বিচারপতি (CJI Chandrachud) এবং আদালত কক্ষে আইনজীবীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘অল্প সময়ের জন্য হলেও আমি এখন আদালতের ইনচার্জ। এইসব কাজ আমার সঙ্গে করার চেষ্টা করবেন না। আমি এসব বরদাস্ত করব না।’’

    আমি এসব বরদাস্ত করব না (CJI Chandrachud) 

    এর পাশাপাশি প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ওই আইনজীবীকে আরও মনে করিয়ে দেন যে সময় কম হলেও দায়িত্বে তিনি এখনও রয়েছেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনও আচরণ যাতে ওই আইনজীবী না করেন, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক করে দেন। প্রধান বিচারপতির ভাষায়, ‘‘অল্প সময়ের জন্য হলেও আমি এখন আদালতের ইনচার্জ। এইসব কাজ আমার সঙ্গে করার চেষ্টা করবেন না। আমি এসব বরদাস্ত করব না।’’

    এত সাহস হয় কী করে? মন্তব্য প্রধান বিচারপতির (CJI Chandrachud)

    আদালত কক্ষে আইনজীবীর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘এত সাহস হয় কী করে? আমি কী নির্দেশ দিয়েছি, তা কোর্ট মাস্টারকে জিজ্ঞেস করলেন কী করে? কাল তো আমার বাড়িতে চলে আসবেন, আর আমার ব্যক্তিগত সচিব (পার্সোনাল সেক্রেটারি)-কে জিজ্ঞেস করবেন, আমি কী করছি!’’ আইনজীবীকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আইনজীবীরা কি সব বুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছেন!’

    ১০ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নেওয়ার কথা ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের

    প্রসঙ্গত, আগামী ১০ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নেওয়ার কথা ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের। সুতরাং আর ২ মাসের কম সময়ের জন্যই তিনি সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতির পদে রয়েছেন। দিন কয়েক আগেই কোনও এক জনস্বার্থ মামলায় প্রধান বিচারপতির মন্তব্য শুনে এক আইনজীবী বলেন ওঠেন, ‘ইয়া…ইয়া’। তা শুনেই প্রধান বিচারপতি আইনজীবীকে কার্যত ধমক দিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ‘‘আপনি কি এটাকে কফি শপ ভেবে নিয়েছেন? ইয়া…ইয়া আবার কী? ইয়া…ইয়া শব্দের ওপর আমার অ্যালার্জি আছে। এসব চলতে দেওয়া হবে না।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC MLA: হুমায়ুনের কুশপুতুলে ঝাঁটা-জুতো পেটা দলীয় কর্মীদের, ‘গদ্দার’, ‘চোর বিধায়ক’ বলে স্লোগান

    TMC MLA: হুমায়ুনের কুশপুতুলে ঝাঁটা-জুতো পেটা দলীয় কর্মীদের, ‘গদ্দার’, ‘চোর বিধায়ক’ বলে স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের বিধায়ক (TMC MLA) হুমায়ুন কবীরের খাসতালুকে বিধায়কের বিরুদ্ধেই তৃণমূলের মিছিল বের হল। ‘তৃণমূল বিধায়ক চোর’, ‘গদ্দার’ বলে আক্রমণ করলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। শাসক দলের বিধায়কের এই অবস্থা দেখে সাধারণ মানুষ হাসাহাসি করেন। শাসক দলের বিধায়কের জনভিত্তি যে একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে, এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ, এমনই অভিযোগ বিরোধীদের।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC MLA)

    বুধবার ভরতপুরে বিধায়কের বিরুদ্ধে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা যে মিছিল বের করেন, তাতে প্রচুর (TMC MLA) মহিলা ছিলেন। তাঁদের হাতে ছিল ঝাঁটা। আর পুরুষদের হাতে ছিল চটি। তৃণমূল বিধায়কের কুশপুত্তলিকা তৈরি করে প্রকাশ্য রাস্তায় ঝাঁটা পেটা-জুতো পেটা করা হয়। তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, বিধায়ক একজন চোর। তোলাবাজি করেন। সরকারি প্রকল্পের বাড়ি তৃণমূল কর্মীদের দেয় না। তাতে তিনি দুর্নীতি করেন। বিধায়ক হয়ে এলাকায় উন্নয়ন করা তাঁর লক্ষ্য নয়, টাকা আত্মসাৎ করাই প্রধান লক্ষ্য। তাই এই দুর্নীতিগ্রস্ত চোর বিধায়ককে আমাদের দরকার নেই। মিছিলে দলের বহু জনপ্রতিনিধি ছিলেন। সকলেই এই বিধায়কের বিরুদ্ধে সরব হন। জানা গিয়েছে, স্থানীয় ব্লক সভাপতির উদ্যোগে এই মিছিল করা হয়েছে। যদিও মিছিলে তিনি ছিলেন না।অন্যদিকে এই ঘটনার পর বিধায়কের নির্দেশে বৃহস্পতিবার পাল্টা ভরতপুরে মিছিলের ডাক দেওয়া হয়। সেই মিছিলকে কেন্দ্র করে দলেরই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    আরও পড়ুন: টালিগঞ্জে ‘রাত দখল’ কর্মসূচিতে তৃণমূলের হামলা, জল গড়াল হাইকোর্টে

    তৃণমূল বিধায়ক কী বললেন?

    জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকারের উস্কানিতেই এসব হচ্ছে বলে দাবি করেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। তিনি (TMC MLA) বলেন, “ব্লক সভাপতি কী প্রোগ্রাম করেছেন, কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছেন বা আমরা বিরুদ্ধে বলেছেন, এ নিয়ে আমি কিছু বলব না। আমি ওই লেভেলের লোক না। আমি তাঁকে ব্লক সভাপতিও মানি না। আগামী কাল থেকে আমি অপূর্ব সরকারকে জেলা সভাপতিও মানব না, সেটা ঘোষণা করব। আমার ভরতপুরেই ঘোষণা করবেন আমার লোকেরা। আমি কলকাতা যাব।” যদিও জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, “কোথায় বিক্ষোভ হয়েছে তা-ই জানি না। আমি মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বোধন, ফ্লাড রিলিফ নিয়ে ব্যস্ত। এগুলো সম্পর্কে আমার কাছে কোনও খবর নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: নবমী মানেই বাঙালির হেঁশেলে মটন চাই! খেয়াল রাখবেন শরীরটারও

    Durga Puja 2024: নবমী মানেই বাঙালির হেঁশেলে মটন চাই! খেয়াল রাখবেন শরীরটারও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবমী মানেই বাতাসে বিদায়ের সুর। আর তো একটা দিন, তার পর আবার এক বছরের অপেক্ষা। তাই মন খারাপের অনুভূতি। তবে এর থেকে ভুলতে ভুরিভোজেই (Durga Puja 2024) মেতে ওঠে বাঙালি। নবমী মানে বাঙালি ঘরে মটন চাই। কচি পাঁঠার ঝোল বা কষা খাসির মাংস-দুটোই সমান জনপ্রিয়। তবে যে যে বাড়িতে পুজো হয় বা যাঁরা নবরাত্রি পালন করেন তাঁরা নবমীর (Navami) মটনটা অন্যদিন চেখে নেন। তবে একথাও ভুলে গেলে চলবে না যে, নবমীতে জমিয়ে ভুরিভোজ করার পর ফেঁপে যেতে পারে পেট। শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই খাওয়ার আগে একটু সচেতন হলেই হল।

    কারা সতর্ক হবেন

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মটনের যে কোনও পদ সহজপাচ্য হয় না। এটি চর্বিযুক্ত মাংস। তাই কিছু ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। হৃদরোগীদের মটন খাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কারণ, মটনে থাকে অতিরিক্ত ফ্যাট আর এই প্রাণীজ প্রোটিন, যা হজম করাও বেশ কঠিন। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। পাশপাশি যাদের কোলেস্টেরল আছে, তাদের ক্ষেত্রেও মটন খাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকছে (Durga Puja Food)। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মটন খেলে কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি আরও তৈরি হয়। তাই মটনে না হোক, হাই কোলেস্টেরলে আক্রান্তদের সতর্ক হতেই হবে। রক্তচাপ যাদের বেশি তাদের একেবারেই মটন খাওয়া যাবে না বলে সাফ জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।  মটনের অতিরিক্ত চর্বি রক্তচাপ বাড়ায়।

    আরও পড়ুন: এবার দেবী দুর্গার আগমন দোলায়, গমন গজে, এর ফল কী হতে পারে জানেন?

    খেতে হলে অল্প খান

    বছরের বিশেষ দিনে (Durga Puja 2024) অনেক সময়ই নিয়মের বাইরে খাওয়া চলে। নবমীর (Navami) দিন একেবারেই মটন মেনু থেকে বাদ দেওয়াও হয়তো কঠিন। কিন্তু কিছু সতর্কতা অবশ্যই মেনে চলতে হবে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।  হৃদরোগ কিংবা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তরা কখনই দুই পিসের বেশি মটন খাবেন না। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, পরিমিত খাবার খুব জরুরি। তাই খুব সামান্য পরিমাণে খেলে অনেক ক্ষেত্রে বিপদের আশঙ্কা কমে। নবমীতে ভারী খাবার খাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে পুজোর অন্য দিনগুলোতে সহজপাচ্য, কম ফ্যাট জাতীয় খাবারের পরিকল্পনা করা জরুরি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Plastic Waste: তাক লাগিয়ে দিল ভারত! প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে ৪০ হাজার কিমি গ্রামীণ রাস্তা

    Plastic Waste: তাক লাগিয়ে দিল ভারত! প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে ৪০ হাজার কিমি গ্রামীণ রাস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্লাস্টিক। আধুনিক বিশ্বে আপাতত এটাই সব চেয়ে বেশি মাথাব্যথার কারণ বিজ্ঞানীদের। সেই প্লাস্টিককেই কাজে লাগিয়ে তাক লাগিয়ে দিল ভারত। প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে তৈরি হচ্ছে গ্রামীণ রাস্তা (Plastic Waste)।

    ৪০ হাজার কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ (Plastic Waste)

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার অধীনে (India) প্রায় ৪০ হাজার কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে এই প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে। পানীয় জল ও স্যানিটেশন বিভাগের সচিব ভিনি মহাজন জানান, গত দু’বছরে এই টেকসই পদ্ধতি ব্যবহার করে ১৩ হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মহাজন বলেন, “এই উদ্ভাবনগুলো আমাদের টেকসইতা এবং ভারতের স্যানিটেশন ব্যবস্থার ভবিষ্যতের প্রতি প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করে।” তিনি জানান, গ্রে-ওয়াটার ও প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

    “স্বচ্ছতা একটি সামাজিক বিষয়” 

    তিনি বলেন, “৫৫ শতাংশের বেশি গ্রামকে ওডিএফ প্লাস মডেল ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানে সারা দেশে পাঁচ লাখ বর্জ্য সংগ্রহের গাড়ি চালু রয়েছে।” এই অগ্রগতির জন্য তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সমষ্টিগত সহযোগিতাকে কৃতিত্ব দিয়েছেন, বিশেষত স্বচ্ছতা হি সেবা ২০২৪ প্রচারের ক্ষেত্রে। পানীয় জল ও স্যানিটেশন বিভাগের সচিব বলেন (Plastic Waste), “স্বচ্ছতা একটি সামাজিক বিষয় যা আমাদের সবাইকে একত্রিত করে। যা সর্বোচ্চ স্তর থেকে স্থানীয় সম্প্রদায় পর্যন্ত একটি সুসংহত নেতৃত্ব দ্বারা পরিচালিত হয়।”

    আরও পড়ুন: ‘স্বাস্থ্যব্যবস্থা মানুষ মারার ও লুট করার যন্ত্রে পরিণত হয়েছে’, তোপ সুকান্তর

    এদিকে, কেন্দ্রীয় পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গডকরি বলেন, “হাইওয়ে নির্মাণে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবহার এখন বাধ্যতামূলক।” তিনি জানান, এখনও পর্যন্ত ৮০ লাখ টন বর্জ্য পুনর্ব্যবহৃত করে জাতীয় মহাসড়ক নির্মাণের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে দিল্লি থেকে মুম্বইয়ের মহাসড়কও রয়েছে (India)। মন্ত্রী বলেন, “বর্জ্য পুনর্ব্যবহার কেবল দূষণ কমাতে সাহায্য করে না, এটি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করে।” বর্জ্য থেকে জ্বালানি তৈরির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে গডকরি বলেন, “ভারতীয় তেল ও অন্যান্য কোম্পানির সঙ্গে বর্জ্য থেকে বায়ো-সিএনজি উৎপাদনের প্রকল্প চলছে (Plastic Waste)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: কাল অষ্টমীতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে অসুরেরও! না হলে দেবী বধ করবেন কাকে?

    Durga Puja 2024: কাল অষ্টমীতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে অসুরেরও! না হলে দেবী বধ করবেন কাকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেবীর অধিবাস, বোধন পেরিয়ে বাংলায় মহাষ্টমীতেই হয় অসুর পুজো। মহিষাসুরকেও এই সময়ে প্রণাম করা বিধেয়, ‘ওঁ মহিষ ত্বং মহাবীর ইন্দ্রাদিদেবমর্দকঃ।’ মহাষ্টমীর (Mahastomi) দিন অসুরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা না করলে দুর্গাপুজো সম্পন্ন হয় না। প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর চলে অসুর পুজো। তারপর মহিষাসুর বধ।

    কেন হয় অসুরের পুজো

    ষষ্ঠ্যাদি কল্পে যাঁদের পরিবারে দুর্গাপুজো (Durgapujo) হয়, তাঁদের পুজোর তৃতীয় দিন মহাষ্টমী। যে কল্পে সচরাচর পুজো হয়, সেটি হল ষষ্ঠ্যাদি কল্প। যেসব পরিবারে এই কল্পে পুজো হয়, তাঁদের পুজো শুরু ষষ্ঠীর দিন। এদিন দেবতার সঙ্গে সঙ্গে পুজো হয় দানবেরও। এদিন প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয় অসুরের। তার পরেই পুজো হয় অসুরের, তাঁকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করা হয়। শাস্ত্রকারদের মতে, দেবী দুর্গা যেদিন মহিষাসুরকে বধ করেছিলেন, সেদিন ছিল অষ্টমী তিথি। মহিষাসুর বধের সময় হয় অষ্টমী-নবমীর সন্ধিক্ষণ। সপ্তমীতে দেবীর প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়ে যায়। লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ এবং নবপত্রিকার প্রাণ প্রতিষ্ঠাও হয় এদিনই। বাকি অসুরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয় অষ্টমীতে। কারণ মহিষাসুরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা না হলে দেবী কাকে বধ করবেন? এই কারণেই অষ্টমীপুজোর দিন পুরোহিতের অন্যতম প্রধান কাজ হল অসুরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা। 

    আরও পড়ুন: এবার দেবী দুর্গার আগমন দোলায়, গমন গজে, এর ফল কী হতে পারে জানেন?

    এদিন অস্ত্রপুজোও হয় এই কারণেই। দেবী অস্ত্র দিয়েই অসুর বধ করবেন। তাই পুজো হবে অস্ত্রেরও। দেবীর বাহন সিংহের প্রাণ প্রতিষ্ঠাও হবে এই দিনেই। অন্যান্য দেবীর বাহনের পুজোও হবে এদিন। অষ্টমীর শেষ চব্বিশ মিনিট ও নবমীর প্রথম চব্বিশ মিনিট এই মোট আটচল্লিশ মিনিটে হবে সন্ধিপুজো। বধ হবেন মহিষাসুর। শুক্লাষ্টমীর বিশেষ মাহেন্দ্রক্ষণে দেবী দুর্গার সন্ধিপুজো হয়। ১০৮ লাল পদ্ম উত্‍সর্গ করা হয় দুর্গার পায়ে। জ্বলে ওঠে ১০৮ প্রদীপ। অষ্টমী আর নবমী তিথির শুভ সন্ধিক্ষণে এই পুজো হয়ে থাকে। মন্ত্রের অণুরণনে মুখরিত হয়ে ওঠে বাতাস। পটকা, দামামা, শঙ্খধ্বনি, ঢাকের বাদ্যি, উলুধ্বনি, ঘন্টা সব মিলিয়ে শব্দের স্রোত যেন ভাসিয়ে নিয়ে যায় চারপাশ। মন্ত্রোচ্চারণ আর ১০৮ প্রদীপের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে দুর্গার ঘামতেলযুক্ত মুখমণ্ডল। অষ্টমীতিথির বিদায় আর নবমীর আগমনে এই সন্ধিপুজো চলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: তত্তপানি হট ওয়াটার স্প্রিং, রুদ ফরেস্ট..লাতেহার জুড়ে প্রকৃতির অজস্র হাতছানি

    Jharkhand: তত্তপানি হট ওয়াটার স্প্রিং, রুদ ফরেস্ট..লাতেহার জুড়ে প্রকৃতির অজস্র হাতছানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের লাতেহার জেলার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বহু অসামান্য সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান, যেগুলির খবর আমরা অনেকেই রাখি না। এর মধ্যে অন্যতম হল তপ্তপানি হট ওয়াটার স্প্রিং (Jharkhand)। স্থানীয় ভাষায় তত্তপানি কথার অর্থ গরম জল। অনেকেই মনে করেন, বিভিন্ন খনিজ পদার্থ মিশ্রিত থাকার কারণে এই জলে স্নান করলে বহু রোগব্যাধির নিরাময় হয়। বেতলা অরণ্যের খুব কাছেই এই ওয়াটার স্প্রিং। বেতলা থেকে ৩০-৩৫ কিমি দূরে বারেসাদের পথে মারোমার হয়ে ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়ে পথ গিয়েছে কোয়েল নদীর দিকে। এই পথেই পড়বে আর একটি অপূর্ব সুন্দর স্থান “আকশি” (Tourist attractions)। একটু এগিয়ে কোয়েল নদীর তীরে রয়েছে উলফ স্যাংচুয়ারি। সম্পূর্ণ অঞ্চলটাই শাল, পলাশ, পিয়াল, মহুয়া গাছের অরণ্যে ঘেরা।

    ঘন জঙ্গলে ঢাকা স্থান কেঁড় (Jharkhand)

    এখানকার আর একটি অপরূপ সুন্দর স্থান হল কেঁড়। বেতলা থেকে মহুয়াডার হয়ে নেতারহাট যাওয়ার পথেই চারদিকে ঘন জঙ্গলে ঢাকা স্থান এই কেঁড়। কেঁড়ের খুব কাছেই আরও একটি অপূর্ব সুন্দর স্থান “পরেশ টোলা”। এখান থেকে আবার খুব কাছেই রয়েছে এমন একটি অপূর্ব সুন্দর অরণ্য, যার খবর আমরা অনেকেই রাখি না। এই অরণ্যর নাম “রুদ ফরেস্ট”। বেতলা থেকে প্রায় ৩০-৩৫ কিমি দূরে গাড়ু। গাড়ু থেকে আরও প্রায় ২৫-৩০ কিমি দূরে এই রুদ ফরেস্ট। চতুর্দিকে ঢেউ খেলানো পাহাড়ের শ্রেণি, নিবিড় অরণ্য, নদী, ছোট ছোট ঝর্ণা, অনাবিল সবুজে ঢাকা পরিবেশ, আর আদিবাসী মানুষজনের অকৃত্রিম সারল্য যে কোনও পর্যটককে মুগ্ধ করবেই।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন?

    লাতেহারের (Jharkhand) এইসব স্পটগুলিতে আসতে হলে প্রথমে আসতে হবে ডাল্টনগঞ্জ অথবা তার আগের স্টেশন বারাওডি। হাওড়া থেকে আসছে শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেস, ভূপাল এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন।ডাল্টনগঞ্জ থেকে বেতলার দূরত্ব প্রায় ২৪ এবং বারাওডি প্রায় ১৬ কিমি। এটুকু পথ যেতে হবে গাড়িতে। বর্তমানে এই স্থানগুলিতে গড়ে তোলা হয়েছে বনবাংলো। বুকিং-এর জন্য প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ডিএফও, ডাল্টনগঞ্জ সাউথ ফরেস্ট ডিভিশন, পালামৌ-৮২২১০১, অথবা ফোন করতে পারেন ০৬২০৬২২০৩১৪ নম্বরে। আর জঙ্গল সাফারি, গাড়ি প্রভৃতির জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ০৯৯৫৫৫২৭৩৭১ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘স্বাস্থ্যব্যবস্থা মানুষ মারার ও লুট করার যন্ত্রে পরিণত হয়েছে’, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘স্বাস্থ্যব্যবস্থা মানুষ মারার ও লুট করার যন্ত্রে পরিণত হয়েছে’, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থা মানুষ মারার ও লুট করার যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বালুরঘাটে দলীয় কর্মসূচিতে গিয়ে একথা বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। একইসঙ্গে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন তিনি।

    স্বাস্থ্যব্যবস্থা লুটের আখড়া (Sukanta Majumdar)

    মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে ময়না তদন্ত করতে গেলে টাকা দাবি করা হয়। এনিয়ে কয়েকদিন আগে ওই হাসপাতালে গন্ডগোল হয়। এই প্রসঙ্গে এদিন সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “শুধু মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ নয়, পশ্চিমবঙ্গ বঙ্গের সমস্ত মেডিক্যাল কলেজে এক অবস্থা। কোনও রোগী মারা গেলে ময়নাতদন্ত করতে গেলে বলে দশ -পনেরো হাজার টাকা দিতে হবে তাহলে বডি সেলাই করবে না। এই তৃণমূল সরকারের (Trinamool Congress) আমলে স্বাস্থ্যব্যবস্থা একটা লুটের আখড়ায় পরিণত হয়ে গিয়েছে। এই সরকারের আমলে মানুষ হাসপাতালে গেলে মানুষের প্রাণ যাচ্ছে। হাসপাতালে ডাক্তাদের ধর্ষণ করা হচ্ছে। তৃণমূল তো এই রাজ্যটাকে মানুষ খুনের যন্ত্র বানিয়ে দিয়েছে। মানুষ হাসপাতালে গেলে বাঁচবে, না মরবে তার কোনও ভরসা নেই।”

    আরও পড়ুন: পুজোর আগে ফের নিম্নচাপ! ভিজবে দক্ষিণবঙ্গ, উত্তরেও বৃষ্টির সম্ভাবনা!

    মৃত বিজেপি নেত্রীর পরিবারের পাশে সুকান্ত

    এদিন দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বালুরঘাট হাসপাতালের চিকিৎসায় গাফিলতিতে মৃত বিজেপি নেত্রী তথা প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য মামনি বর্মনের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন সুকান্ত মজুমদার। মৃত বিজেপি নেত্রীর নাবালিকা মেয়ের হাতে এক লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন। পাশাপাশি মৃত মামনি বর্মনের নাবালক ছেলেকেও এক লক্ষ টাকার চেক দেবেন বলে জানালেন। মৃত বিজেপি নেত্রীর নাবালক ছেলে এবং মেয়ের পড়াশুনা এবং ভবিষ্যতের কথা ভেবেই মোট দুই লক্ষ টাকা দেওয়া হয় বলে জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার কারণে বিজেপি নেত্রী মামনি বর্মনের মৃত্যু হয়েছে দিন কয়েক আগে। ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর কারণে তার পরিবার থেকে সেদিনই বালুরঘাট থানায় অভিযোগ করা হয়। কিন্তু, সেই মামলায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। পুলিশ উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে দলের পক্ষ থেকে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja Sweets: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য দশমীর ‘স্পেশাল’ মিষ্টি’ কতখানি বিপজ্জনক? 

    Durga Puja Sweets: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য দশমীর ‘স্পেশাল’ মিষ্টি’ কতখানি বিপজ্জনক? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দশমী মানেই মিষ্টিমুখ। বাঙালির দুর্গোৎসবের এই শেষ দিনে একদিকে মাকে বিদায় জানানোর পালা, আরেকদিকে মিষ্টিমুখ করে পাশের মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্য-সম্পর্ক আরও মজবুত করাই রেওয়াজ (Durga Puja Sweets)। মিষ্টি বাঙালির উৎসবের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে। আনন্দে, বিষাদে, উদযাপনে মিষ্টি ছাড়া চলে না। কিন্তু মিষ্টি যে ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য বড়ই বিপজ্জনক। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের দশমীর দিন উদযাপনে অনেক সময়েই মিষ্টি সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু অনেক সময়েই ডায়বেটিস রোগীরা নিজেরাই বিকল্প খুঁজে নেন। দশমীতে অনেক জায়গাতেই পাওয়া যায়, ‘ডায়বেটিস স্পেশাল’ মিষ্টি। আর এই মিষ্টিগুলো বেশিরভাগ তৈরি হয় কৃত্রিম চিনিতে। কিন্তু এই কৃত্রিম চিনি আরও বিপজ্জনক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই দশমীর দিনে কৃত্রিম চিনিতে একেবারেই মিষ্টিমুখ করা যাবে না বলেই সাফ জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন কৃত্রিম চিনি ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য বিপজ্জনক? (Durga Puja Sweets)

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, কৃত্রিম চিনি স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। এক নির্দেশিকায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়, কৃত্রিম চিনিতে কোনও পুষ্টিগুণ নেই। বরং এর কিছু উপাদান শরীরের জন্য বিপজ্জনক। তাই কৃত্রিম চিনিকে কখনই প্রাকৃতিক মিষ্টির তুলনায় ভালো উপকরণ মনে করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কৃত্রিম চিনিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে সুক্রোজ, অ্যাসপার্টেম, স্যাকারিন, স্টিভিয়ার মতো একাধিক উপকরণ। রাসায়নিক একাধিক উপকরণে তৈরি এই কৃত্রিম চিনি তাই শরীরে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরের শর্করা নিয়ন্ত্রণে কৃত্রিম চিনির কোনও ভূমিকাই নেই। বরং এই ধরনের রাসায়নিক কিডনির উপরে মারাত্মক প্রভাব ফেলে।

    কিডনি রোগের ঝুঁকি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস রোগীদের কিডনির রোগের ঝুঁকি বেশি থাকে। তার উপরে কৃত্রিম চিনির (Artificial sugar) তৈরি খাবার খেলে সেই ঝুঁকি আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এছাড়াও কৃত্রিম চিনির রাসায়নিক স্নায়ুর উপরেও চাপ বাড়ায়। তাই স্নায়ু ঘটিত অসুখের ঝুঁকি বেড়ে যায়। মাইগ্রেনের মতো সমস্যাও বাড়াতে পারে কৃত্রিম চিনি। এমনকী কৃত্রিম চিনির রাসায়নিক পদার্থ ক্যান্সারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়িয়ে দেয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কৃত্রিম চিনির তৈরি মিষ্টি খাওয়ার তুলনায় প্রাকৃতিক চিনিতে তৈরি মিষ্টি শরীরের জন্য কম ক্ষতিকারক। তবে ডায়বেটিস আক্রান্তদের মিষ্টি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ (Durga Puja Sweets)। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share