Tag: bangla news

bangla news

  • PM Modi: একটানা ৯৮ মিনিট! স্বাধীনতা দিবসের দীর্ঘতম ভাষণ দিয়ে রেকর্ড গড়লেন মোদি

    PM Modi: একটানা ৯৮ মিনিট! স্বাধীনতা দিবসের দীর্ঘতম ভাষণ দিয়ে রেকর্ড গড়লেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সাল থেকে এই নিয়ে টানা ১১ বার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লায় ভাষণ দিলেন মোদি (PM Modi)। আর এই দিনই প্রধানমন্ত্রী হিসাবে লালকেল্লা থেকে স্বাধীনতার দিবস উপলক্ষে দীর্ঘতম ভাষণ (Independence Day Speech) দিয়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে একটানা ৯৮ মিনিট ভাষণ দেন মোদি। এর আগে ২০১৬ সালে মোদি টানা ৯৬ মিনিট ভাষণ দিয়েছিলেন। এতদিন সেটাই ছিল দীর্ঘতম ভাষণের রেকর্ড। ফলে, অতীতে নিজের গড়া নজির এদিন নিজেই ভেঙে নয়া নজির গড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। অন্যদিকে, ২০১৭ সালে তিনি ৫৬ মিনিট বক্তৃতা দিয়েছিলেন। এটাই তাঁর সংক্ষিপ্ততম ভাষণ। গড়ে, মোদি ৮২ মিনিট বক্তব্য রাখেন— এটিও দেশের যে কোনও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রে দীর্ঘতম।

    সংখ্যার নিরিখে তৃতীয় স্থানে মোদি (PM Modi)

    সবচেয়ে বেশিবার ভাষণ দেওয়া প্রধানমন্ত্রীদের নিরিখে মোদি এখন তৃতীয় স্থানে। কারণ ২০১৪ সাল থেকে টানা ১১ বার লালকেল্লায় ভাষণ দিয়েছেন মোদি। তাঁর আগে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সবচেয়ে বেশিবার লালকেল্লায় ভাষণ দিয়েছেন জওহরলাল নেহরু। লালকেল্লায় মোট ১৭ বার ভাষণ দিয়েছেন তিনি। স্বাধীন দেশের প্রথম ভাষণও দেন নেহরুই। আর তাঁর পর ইন্দিরা গান্ধী ১৯৬৬ থেকে ১৯৭৭ এবং পরে ১৯৮০ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। সে সময় ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোট ১৬ বার পতাকা উত্তোলনের পর দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ (Independence Day Speech)  দেন। তাঁদের পরে এতদিন তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্থান পেয়েছিলেন মনমোহন সিং। তিনি ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ১০ বার স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন। তবে এবার টানা ১১ বার স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দিয়ে মনমোহনকে ছাপিয়ে গেলেন নরেন্দ্র মোদি। ফলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্বাধীনতা দিবসে ভাষণের নিরিখে তৃতীয় স্থানে উঠে গেলেন নরেন্দ্র মোদি।  

    আরও পড়ুন: “কারণ ছাড়াই টার্গেট করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশ নিয়ে বললেন মোহন ভাগবত

    উল্লেখ্য, এবারের স্বাধীনতা দিবসে  সরকারের মূল লক্ষ্যগুলিকে নতুন মোড়কে তুলে ধরলেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে  তুললেন ‘বিকশিত ভারতে’র কথা। স্বপ্ন দেখালেন ভারতকে ‘বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ’ হিসাবে গড়ে তোলার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 106: “ঈশ্বরের পথে যত এগুবে ততই কর্ম কমবে, শেষে কর্মত্যাগ আর সমাধি”

    Ramakrishna 106: “ঈশ্বরের পথে যত এগুবে ততই কর্ম কমবে, শেষে কর্মত্যাগ আর সমাধি”

    সিঁথি ব্রাহ্মসমাজ-দর্শন ও শ্রীযুক্ত শিবনাথ প্রভৃতি ব্রাহ্মভক্তদিগের সহিত কথোপকথন ও আনন্দ

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    যস্ত্বাত্মরতিরেব স্যাদাত্মতৃপ্তশ্চ মানবঃ।

    আত্মন্যেব চ সন্তুষ্টস্তস্য কার্যং ন বিদ্যতে।। গীতা—৩/১৭/

    ঈশ্বরলাভের লক্ষণ—সপ্তভূমি ও ব্রহ্মজ্ঞান

    আমার এই অবস্থার পর গঙ্গাজলে তর্পণ করতে গিয়ে দেখি যে, হাতের আঙুলের ভিতর দিয়ে জলে গলে পড়ে যাচ্ছে। তখন হলধারীকে কাঁদতে কাঁদতে জিজ্ঞাসা (Kathamrita) করলাম, দাদা, একি হল! হলধারী বললে একে গলিতহস্ত বলে। ঈশ্বরদর্শনের (Ramakrishna) পর তর্পণাদি কর্ম থাকে না।

    সংকীর্তনে প্রথমে বলে নিতাই আমার মাতা হাতি! নিতাই আমার মাতা হাতি! ভাব গাঢ় হলে শুধু বলে হাতি! হাতি তারপর কেবল হাতি এই কথাটি মুখে থাকে। শেষে হা বলতে বলতে ভাবসমাধি হয়। তখন সে ব্যক্তি, এতক্ষণ কীর্তন করছিল, চুপ হয়ে যায়।

    যেমন ব্রাহ্মণভোজনে—প্রথমে খুব হৈ-চৈ। যখন সকলে পাতা সম্মুখে করে বসলে, তখন অনেক হৈ-চৈ কমে গেল, কেবল লুচি আন লুচি আন শব্দ হতে থাকে। তারপর যখন লুচি তরকারি খেতে আরম্ভ করে, তখন আনা শব্দ কমে গেছে। যখন দই এল তখন সুপসুপ (সকলের হাস্য)—শব্দ নাই বললেও হয়। খাবার পর নিদ্রা। তখন সব চুপ।

    তাই বলছি (Kathamrita), প্রথম প্রথম কর্মের খুব হৈ-চৈ থাকে। ঈশ্বরের (Ramakrishna) পথে যত এগুবে ততই কর্ম  কমবে। শেষে কর্মত্যাগ আর সমাধি।

    গৃহস্থের বউ অন্তঃসত্ত্বা হলে শাশুড়ি কর্ম কমিয়ে দেয়, দশমাসে কর্ম প্রায় করতে হয় না। ছেলে হলে একেবারে কর্মত্যাগ। মা ছেলেটি নিয়ে কেবল নাড়াচাড়া করে। ঘরকন্নার কাজ শাশুড়ী, ননদ, জা—এরা সব করে।

     

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 105: “সমাধি হলে সব কর্ম ত্যাগ হয়ে যায়, পূজা-জপাদি কর্ম, বিষয়কর্ম সব ত্যাগ হয়”

    Ramakrishna 105: “সমাধি হলে সব কর্ম ত্যাগ হয়ে যায়, পূজা-জপাদি কর্ম, বিষয়কর্ম সব ত্যাগ হয়”

    সিঁথি ব্রাহ্মসমাজ-দর্শন ও শ্রীযুক্ত শিবনাথ প্রভৃতি ব্রাহ্মভক্তদিগের সহিত কথোপকথন ও আনন্দ

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    যস্ত্বাত্মরতিরেব স্যাদাত্মতৃপ্তশ্চ মানবঃ।

    আত্মন্যেব চ সন্তুষ্টস্তস্য কার্যং ন বিদ্যতে।। গীতা—৩/১৭/

    ঈশ্বরলাভের লক্ষণ—সপ্তভূমি ও ব্রহ্মজ্ঞান

    মনের পঞ্চভূমি—কণ্ঠ। মন যার কণ্ঠে উঠছে, তার অবিদ্যা অজ্ঞান সব দিয়ে, ঈশ্বরীয় (Ramakrishna) কথা বই অন্য কোন কথা শুনতে বা বলতে ভাল লাগে না। যদি কেউ অন্য কথা বলে, সেখান থেকে উঠে যায়।

    মনের ষষ্ঠভূমি—কপাল। মন সেখানে গেলে অহর্নিশ ঈশ্বরীয় দর্শন হয়। তখনও একটু আমি থাকে। সে ব্যক্তি সেই নিরুপম রূপদর্শন করে, উন্মত্ত হয়ে সেই রূপকে স্পর্শ আর আলিঙ্গন করতে যায়, কিন্তু পারে না। যেমন লণ্ঠনের ভিতর আলো আছে, মনে হয় এই আলো ছুঁলাম ছুঁলাম, কিন্তু কাচ ব্যবধান আছে বলে (Kathamrita) ছুঁতে পাড়া যায় না।

    শিরোদেশ—সপ্তভূমি—সেখানে মন গেলে সমাধি হয় ও ব্রহ্মের (Ramakrishna) প্রত্যক্ষ দর্শন হয়। কিন্তু সে-অবস্থায় শরীর অধিক দিন থাকে না। সর্বদা বেহুঁশ, কিছু খেতে পারে না, মুখে দুধ দিলে গড়িয়ে যায়। এই ভূমিতে একুশ দিনে মৃত্যু। এই ব্রহ্মজ্ঞানীর অবস্থা। তোমাদের ভক্তিপথ। ভক্তিপথ খুব ভাল আর সহজ।

    সমাধি হলে কর্মত্যাগ-পূর্বকথা-ঠাকুরের তর্পণাদি কর্মত্যাগ

    আমায় একজন বলেছিলেন (Kathamrita), মহাশয়! আমাকে সমাধিটা শিখিয়ে দিতে পারেন? (সকলের হাস্য)

    সমাধি হলে সব কর্ম ত্যাগ হয়ে যায়। পূজা-জপাদি কর্ম, বিষয়কর্ম সব ত্যাগ হয়। প্রথমে কর্মের বড় হৈ-চৈ থাকে। যত ঈশ্বরের (Ramakrishna) দিকে এগুবে ততই কর্মের আড়ম্বর কমে। এমন কি তাঁর নামগুণগান পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায়। (শিবনাথের প্রতি) যতক্ষণ তুমি সভায় আসনি তোমার নাম, গুণকথা অনেক হয়েছে। যাই তুমি এসে পড়েছ, অমনি সে-সব কথা বন্ধ হয়ে গেল। তখন তোমার দর্শনেতেই আনন্দ। তখন লোকে বলে, এই যে শিবনাথ বাবু এসেছেন। তোমার বিষয়ে অন্য সব কথা বন্ধ হয়ে যায়।  

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘‘এক মেয়ে হারিয়ে কোটি কোটি মেয়েকে পেয়েছি’’, আন্দোলনের প্রশংসা নির্যাতিতার বাবার

    RG Kar: ‘‘এক মেয়ে হারিয়ে কোটি কোটি মেয়েকে পেয়েছি’’, আন্দোলনের প্রশংসা নির্যাতিতার বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি এক মেয়ে হারিয়েছেন। কিন্তু, পাশে পেয়ে গিয়েছেন কোটি কোটি মেয়েকে। আন্দোলনকারীদের এভাবেই সমর্থন জানালেন নিহত ডাক্তার তরুণীর বাবা। 

    স্বাধীনতার মধ্যরাতে ‘রাত দখলে মেয়েরা’ নেমে এসেছিলেন রাস্তায়। আরজি কর (RG Kar) ইস্যুতে কলকাতা শহরের দিকে দিকে তো বটেই, জেলা এমনকী অন্য রাজ্যতেও রাতের রাস্তায় ঢল নামে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের। বাংলার অন্যান্য প্রান্তের মতো আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষিতা, নিহত চিকিৎসকের বাড়ির এলাকাতেও মধ্যরাতে নাগরিক জমায়েতে কার্যত জনজোয়ার তৈরি হয়েছিল। যার জেরে রাত সাড়ে ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল বিটি রোড। সোদপুরে লোকসংস্কৃতি মঞ্চের সামনের জনপ্লাবন থেকে ওঠে রাজনৈতিক স্লোগানও। যদিও তাতে জমায়েতে কোনও ভাটা পড়েনি।

     মধ্যরাতে সোদপুর ট্রাফিক মোড় জনপ্লাবন (RG Kar)

    নিহত চিকিৎসকের (RG Kar) বাড়ি সোদপুরে। বুধবার রাত ৯টায় সোদপুরের নাটাগড় কদমতলা এলাকার দুর্গা মণ্ডপের চাতালে জমায়েত হয়েছিলেন একেবারে পাড়ার লোকেরা। সেই জমায়েতই ছিল কয়েকশো মানুষের। রাত বাড়তেই সেই জমায়েত এইচবি টাউন মোড়, সোদপুর উড়ালপুল হয়ে এগিয়ে যেতে থাকে বিটি রোডের দিকে। অমরাবতী, ঘোলা, মহিষপোতা, কর্ণমাধবপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শয়ে শয়ে মানুষের মিছিল এগোতে থাকে বিটি রোডের দিকে। যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় সোদপুর-মধ্যগ্রাম রোডেও। রাত ১১টা নাগাদ বিটি রোডের সোদপুর ট্রাফিক মোড় মিনি-ব্রিগেড হয়ে ওঠে। নাটাগড়ের বাসিন্দা স্বাতী সরকার ভৌমিক বলেন, ‘‘এটা একটা রাজনৈতিক হত্যা। রাজনৈতিক অপদার্থতার কারণেই আমাদের পাড়ার মেয়েকে অকালে চলে যেতে হয়েছে, তাই মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ধিক্কার জানিয়ে স্লোগান দিয়েছি।’’ ঘোলার বাসিন্দা অম্লান দত্তের কথায়, ‘‘এত মানুষ রাস্তায় নামবেন ভাবতেও পারিনি। এমন হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রণ করেছেন যাঁদের হয়তো এটাই জীবনের প্রথম মিছিল।’’  

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আন্দোলন থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর ছক?

    ‘‘কোটি কোটি মেয়েকে পাশে পেয়েছি’’

    রাজ্যজুড়ে রাস্তায় নেমে এই আন্দোলন (Agitation) নিয়ে নির্যাতিতার বাবা বলেন,  ‘‘ সবাইকে একটাই কথা বলতে চাই, একটা মেয়েকে (RG Kar) হারিয়ে কোটি কোটি মেয়েকে পাশে পেয়েছি। এই কোটি কোটি মেয়ে, আজ বলে নয়, আমার তো মনে হচ্ছে, ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমার পাশে থাকবেন। এঁরা সবাই আমার মেয়ের মতো। যে পুরুষরা রাস্তায় নেমেছিলেন, তাঁরা আমার ছেলের মতো। এঁদের ধন্যবাদ দিলে খুব অন্যায় করব আমি। কারণ আমার মেয়েকে তো কখনও ধন্যবাদ দিইনি! এঁদের প্রতি সম্পূর্ণ সমর্থন আছে আমার। আমার মেয়েকে আগলে রাখতে পারিনি, আশা করি এঁদের আগলে রাখতে পারব, যদি এভাবেই এঁরা আমার পাশে থাকেন।’’

    দুষ্কৃতী তাণ্ডব

    প্রসঙ্গত, মধ্যরাতে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় আর জি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। পুলিশের সামনেই ব্যারিকেড ভেঙে ভাঙচুর চালানো হয় হাসপাতালে। তাই প্রশ্ন উঠছে, প্রতিবাদ থেকে নজর ঘোরাতেই কি ময়দানে নামানো হল দুষ্কৃতীদের? শুরুতেই কেন ভাঙচুর আটকাল না পুলিশ?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: “কারণ ছাড়াই টার্গেট করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশ নিয়ে বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “কারণ ছাড়াই টার্গেট করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশ নিয়ে বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও কারণ ছাড়াই টার্গেট করা হচ্ছে হিন্দুদের।” বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। তিনি বলেন, “তাঁরা যাতে কোনও (Bangladesh Crisis) অবিচার ও নৃশংসতার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার দায় রয়েছে আমাদের দেশেরও।”

    হিন্দুরাই টার্গেট (Mohan Bhagwat)

    এদিন স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল নাগপুরের মহল এলাকায়, আরএসএসের সদর দফতরে। সেখানেই তিনি বলেন, “আগামী প্রজন্মের কর্তব্য হল ‘স্বতন্ত্রে’র (স্বাধীনতা) ‘স্ব’ (নিজের)-কে রক্ষা করা। কারণ পৃথিবীতে এমন অনেক লোক আছে, যারা সব সময় অন্য দেশকে ডমিনেট করতে চায়। এ ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, যত্নবান হতে হবে। তাদের হাত থেকে আমাদের নিজেদের রক্ষা করতে হবে।” সরসঙ্ঘচালক বলেন, “পরিস্থিতি যে সব সময় একই রকম থাকবে, তা নয়। কখনও কখনও এটা ভালো, অন্যের পক্ষে সেটা ভালো নাও হতে পারে। এই উত্থান-পতন চলতেই থাকবে।” ভাগবত বলেন, “আমরা এখন এই পরিস্থিতিই দেখতে পাচ্ছি। প্রতিবেশী দেশে প্রচুর হিংসার ঘটনা ঘটছে। সেখানে যেসব হিন্দু বাস করেন, কোনও কারণ ছাড়াই তাঁদের টার্গেট করা হচ্ছে।” ভাগবত (Mohan Bhagwat) এক বারের জন্যও বাংলাদেশের নাম না নিলেও, তাঁর আক্রমণের অভিমুখ যে বাংলাদেশের দিকেই, তা স্পষ্ট।

    ভারতের ঐতিহ্য

    আরএসএস প্রধান বলেন, “অন্যদের সাহায্য করার ঐতিহ্য রয়েছে ভারতের। আমরা গত কয়েক বছরে দেখেছি, ভারত কখনও কাউকে আক্রমণ করেনি। তারা আমাদের সঙ্গে যেমনই আচরণ করুক না কেন, তাদের সাহায্য করেছে। এই পরিস্থিতিতেও আমরা দেখেছি, আমাদের দেশ নিরাপদেই রয়েছে। একই সঙ্গে অন্য দেশকে সাহায্য করছে।” এর পরেই সরসঙ্ঘচালক বলেন, “আমাদের দেশের দায়িত্ব রয়েছে তাদের বাঁচানোর, যাঁরা ভিন দেশে নৃশংসতার শিকার হচ্ছেন।” তিনি বলেন, “কিছু ক্ষেত্রে সরকারকে তার নিজের লেভেলে দেখতে হয়। তবে এটি তখনই শক্তি পায় যখন সমাজ তার দায়িত্ব পালন করে। দেশের প্রতি অঙ্গীকার প্রদর্শন করে।”

    আরও পড়ুন: “বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের অবশ্যই বাঁচাতে হবে”, স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে মোদি

    প্রসঙ্গত, সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। অশান্তির আঁচ থেকে বাঁচতে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এর আগে-পরে বাংলাদেশে ব্যাপক অত্যাচার হয় হিন্দুদের ওপর। সেই প্রসঙ্গেই এদিন (Bangladesh Crisis) ভাগবতের এহেন মন্তব্য বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Mohan Bhagwat)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।      

  • Sheikh Hasina: শেখ হাসিনার ওপর এবার গণহত্যার দায় চাপিয়ে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের

    Sheikh Hasina: শেখ হাসিনার ওপর এবার গণহত্যার দায় চাপিয়ে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) ওপর এবার গণহত্যার দায় চাপিয়ে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের হল। মূল অভিযোগে বলা হয়েছে, কোটা সংস্কার-বিরোধী আন্দোলন দমন করা ও গণহত্যায় প্রত্যক্ষ মদত ছিল হাসিনা এবং আওয়ামি লিগের। একথাই বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলো’ প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করেছে। এছাড়াও বুধবার অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকেও হাসিনার বিরুদ্ধে কয়েকটি হত্যা এবং অপহরণের মামলা দায়ের করা হয়। এসবই হাসিনার ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল চলছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

    ‘প্রথম আলো’ সূত্রে খবর (Sheikh Hasina)

    বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলো’ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের বৈষম্য-বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নিহত নেতা আরিফ আহমেদ সিয়ামের বাবা মহম্মদ বুলবুল কবীরের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গাজি এমএইচ তামিম বুধবার মামলা দায়ের করেন। ঢাকায় ট্রাইব্যুনালের আঞ্চলিক দফতরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন আইনুযায়ী তদন্ত করে উপযুক্ত পদক্ষেপের আবেদন জানান তিনি। তবে এই আবেদনে ঘটনাস্থল হিসেবে সারা বাংলাদেশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ১৫ জুলাই থেকে ৫ অগাস্ট পর্যন্ত সময়ে আন্দোলনকারীদের হত্যা করা হয়েছিল। এই অভিযোগে হাসিনার (Sheikh Hasina) সঙ্গে তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্য, উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক এবং আওয়ামি লিগ ও তার ছাত্র-যুব শাখার নেতাদের অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার উপ-পরিচালক আতাউর রহমানও বলেন, “এদিন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, গাজি এমএইচ তামিম এই সংক্রান্ত মামলা রুজু করেছেন।”

    আরও পড়ুনঃ বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি মুছতে চায় বাংলাদেশ! জাতীয় শোক দিবসের ছুটি বাতিল

    হাসিনা ছাড়া আর কাদের বিরুদ্ধে মামলা?

    ১৪ অগাস্ট রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং প্রাক্তন আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে এই মামলায় হাসিনা ছাড়াও উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও রাজনৈতিক নেতাদের আসামি হিসেবে নাম যুক্ত করা রয়েছে। তাঁরা হলেন, প্রাক্তন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রাক্তন তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, প্রাক্তন তথ্যমন্ত্রী এমএ আরাফাত, প্রাক্তন আইজিপি চৌধুরি আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রাক্তন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান ও প্রাক্তন ডিবিপ্রধান হারুন অর রশিদ। এছাড়াও আওয়ামি লিগ, যুব লিগ, ছাত্র লিগ-সহ অন্যান্য শাখা সংগঠনগুলির বিরুদ্ধেও খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডের জের, কন্যাশ্রী দিবস বয়কট ছাত্রীদের, প্রশ্ন করল নিরাপত্তা নিয়ে

    RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডের জের, কন্যাশ্রী দিবস বয়কট ছাত্রীদের, প্রশ্ন করল নিরাপত্তা নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) উত্তাল রাজ্য। বুধবার রাতে কলকাতার রাজপথ সহ রাজ্যের অধিকাংশ শহরের রাস্তায় বেরিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন মহিলারা। এই আবহের মধ্যে বুধবার ছিল কন্যাশ্রী দিবস। কন্যাশ্রী (Kanyashree) দিবস নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে ছাত্রীরা। তাদের প্রশ্ন, যে রাজ্যে মহিলারা সুরক্ষিত নয়, সেখানে কন্যাশ্রী নিয়ে কী হবে? আর পূর্ব বর্ধমানের মালডাঙা স্কুলের ছাত্রীরা প্রকাশ্যে কন্যাশ্রী দিবস বয়কট করে তাদের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে। ফলে, স্কুলের ছাত্রীরাও এই ঘটনায় রীতিমতো রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।

    কন্যাশ্রী দিবস বয়কট! (Kanyashree)

    পূর্ব বর্ধমানের মালডাঙা রাজেন্দ্র স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ে বুধবার কন্যাশ্রী দিবস (Kanyashree) বয়কট করে আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদ জানাল ছাত্রীরা। নিরাপত্তা ও সুরক্ষার দাবিতে এদিন সরব হল তারা। এই ঘটনা কার্যত সরকারের কাছে চূড়ান্ত বার্তা পৌঁছে দিল বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল। পরে অবশ্য শিক্ষকদের অনুরোধে কন্যাশ্রী ক্লাবের মেয়েরা এই অবস্থান বিক্ষোভ থেকে বিরত হয়। জানা গিয়েছে, মালডাঙা রাজেন্দ্র স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের কন্যাশ্রী ক্লাবের ছাত্রীরা বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মেয়েদের ওপর অত্যাচারের কথা হাতে লেখা বিভিন্ন পোস্টার নিয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি র‍্যালির আয়োজন করে। পরে বিদ্যালয়ের গেটে অবস্থান বিক্ষোভ দেখিয়ে কন্যাশ্রী দিবস বয়কট করে। এই বিষয়ে কন্যাশ্রী ক্লাবের ছাত্রীদের বক্তব্য, ‘‘আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে যেভাবে অত্যাচার করে ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছে তাতে দোষীদের অবিলম্বে চিহ্নিতকরণ করতে হবে। পাশাপাশি, কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আজ পরিস্থিতি এমনই যে দেশের সঙ্গে এই রাজ্যেও মেয়েরা আজ নিরাপদে নেই। মেয়েরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। যেখানে মেয়েদেরই নিরাপত্তা নেই, সেখানে কন্যাশ্রী অনুষ্ঠান করার কোনও মানে হয় না। তাই আমরা মেয়েদের ওপর এই অত্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়ে অবস্থান-বিক্ষোভ করে কন্যাশ্রী দিবস বয়কট করেছি।’’ 

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আন্দোলন থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর ছক?

    এত আয়োজন, কন্যাদের নিরাপত্তা কোথায়?

    রাজ্যের কন্যাশ্রী (Kanyashree) দিবসের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধনধান্যে স্টেডিয়ামে এসেছিল স্কুল ছাত্রীরা। সেখানেই আরজি কর কাণ্ড নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করতে দেখা গেল তাঁদের। ছাত্রীরা বলেছে, ‘‘রাজ্যে কন্যাশ্রীদের জন্য এত এত আয়োজন। কন্যাদের নিরাপত্তা কোথায়? নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হয়েছে কি? প্রশাসনের গোটা ঘটনা খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। এখানে কন্যাশ্রী দিবসের অনুষ্ঠান হচ্ছে আবার রাজ্যে এরকম একটা ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। কোনওটাই মেনে নেওয়া যায় না। মা-বাবারাও চিন্তায় রয়েছেন।’’  আর এক ছাত্রী বলে, ‘‘সমাজে একজন ডাক্তার নিরাপদ নয়। এটা কী করে সম্ভব? আবার এই ঘটনা ঘটেছে আরজি করের (RG Kar Incident) মতো জায়গায়। একই সুর আরও এক ছাত্রীর গলাতেও। ক্ষোভের সঙ্গেই তাকে বলতে শোনা গেল, ‘‘আমরা কোনও জায়গাতেই সেফ নই। কাজের জায়গাতেও নিরাপদ নই।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের অবশ্যই বাঁচাতে হবে”, স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে মোদি

    PM Modi: “বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের অবশ্যই বাঁচাতে হবে”, স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘু হিন্দুদের অবশ্যই বাঁচাতে হবে।” স্বাধীনতা দিবসে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার ৭৮তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    সেই সময়ই তিনি বলেন, “একটি প্রতিবেশী দেশ হিসেবে, আমি বাংলাদেশে যা কিছু ঘটেছে, তা নিয়ে উদ্বেগ বুঝতে পারি। আমি আশা করি, সেখানকার পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে। সেখানে হিন্দু ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৪০ কোটি দেশবাসীর উদ্বেগ – ভারত সব সময় চায় আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলি সমৃদ্ধি ও শান্তির পথে হাঁটুক।” তিনি বলেন, “আমরা শান্তির প্রতি দায়বদ্ধ। আগামী দিনে বাংলাদেশের বিকাশ যাত্রার শুভ কামনা করি আমরা। কারণ আমরা মানবতার কল্যাণ কামনা করি।”

    ইউনূসকে কী বলেছিলেন মোদি

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের জেরে অশান্ত হয়েছিল বাংলাদেশ। শুরু হয় হিন্দু নিধন যজ্ঞ। আন্দোলনের তীব্রতার জেরে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তার পরেই পদ্মাপারের দেশে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের প্রধান নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনূস। ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেছিলেন, “আমরা আশা করি, দ্রুত স্বাভাবিকতা ফিরবে। হিন্দুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করবেন। অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়েরও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।”

    আরও পড়ুন: রাতের রাজপথে জনজাগরণ, তৃণমূলের বুকে ধরল কাঁপন

    এদিকে, বুধবার লখনউতে দেশভাগের ভয়াবহ স্মরণ দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেছিলেন, “তারিখ এবং মুখগুলো হয়তো বদলে গিয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃতি ১৯৪৭ সালের মতোই। এটা এখনও ঘটছে পাকিস্তানে। বাংলাদেশেও হচ্ছে।” উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সেই সময় ১০ লাখ হিন্দু ও শিখকে হত্যা করা হয়েছিল। আজও আমরা একইভাবে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও মেয়ে-বোনদের হয়রান হতে দেখছি।” তাঁর প্রশ্ন, “অতীতের ভুল থেকে আমরা কবে শিক্ষা নেব?” তিনি বলেন, “বাংলাদেশে তাদের সম্মান বাঁচাতে দেড় কোটিরও বেশি হিন্দু কাঁদছে।” আদিত্যনাথ বলেন, “ভারতের তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষরা একটি শব্দও উচ্চারণ করছে না। দুর্বলদের জন্য আওয়াজ (Bangladesh Crisis) তুললে পাছে তাদের ভোটব্যাঙ্কে ধস নামে, তাই। তারা কেবল ভোটব্যাঙ্ক নিয়েই চিন্তিত (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Sri Aurobindo: ‘বিপ্লবী’ থেকে ‘ঋষি’, অরবিন্দর জীবন কেমন ছিল জানেন?

    Sri Aurobindo: ‘বিপ্লবী’ থেকে ‘ঋষি’, অরবিন্দর জীবন কেমন ছিল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ১৫ অগাস্ট দেশের স্বাধীনতার ৭৮ তম দিন। দেশ জুড়ে প্রবল উৎসাহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হচ্ছে। আর আজকের দিনেই ১৮৭২ সালে জন্ম নিয়েছিলেন বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং আধ্যাত্মিক গুরু (Revolutionary) শ্রীঅরবিন্দ (Sri Aurobindo)। তিনি ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের পুরোধা ছিলেন। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে শুধু রাজনৈতিক স্বাধীনতা চাননি, চেয়েছিলেন সাংস্কৃতিক, আধ্যাত্মিক, ধর্মীয় এবং আর্থিক পরিসরে ভারত মাতার পুনর্জাগরন। দেশের ‘স্ব’কে নির্মাণ করাই ছিল তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য। আলিপুর বোমা মামলায় তাঁকে ব্রিটিশ পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত করে জেলে বন্দি করেছিল। সরকারের নির্মম অত্যাচারের শিকার হয়েছিলেন তিনি। তিনি শুধু স্বাধীনতা সংগ্রামী বা বিপ্লবী ছিলেন না, একাধারে ‘বন্দেমাতরম্‌’ পত্রিকার সম্পাদক আবার লেখক, দার্শনিক ও সংগঠক ছিলেন। তাঁর কথা ইতিহাসের পাতায় অবিস্মরণীয়।

    পড়াশুনা ও বিপ্লবী কর্মজীবন (Sri Aurobindo)

    বিপ্লবী (Revolutionary) অরবিন্দ ঘোষের (Sri Aurobindo) বাবা চিকিৎসক কৃষ্ণধন ঘোষ ও মাতা স্বর্ণলতা দেবী। মাতামহ ছিলেন রাজনারায়ণ বসু। শৈশব বয়স থেকে অরবিন্দ দার্জিলিংয়ের ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলে পড়াশুনা শুরু করেছিলেন। এরপর ইংল্যান্ডে বাকি পড়াশুনা করেন। সেখানে থাকার সময়ে ইতালি, আয়ারল্যান্ডের রাজনৈতিক ঘটনাবলি দ্বারা দারুণ প্রভাবিত হয়েছিলেন। ভারতে এসে তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে কংগ্রেসের আবেদন-নিবেদন নীতির চরম বিরোধী ছিলেন। তিনি তাঁর লেখা দিয়ে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে ভীষণ ভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। দেশমাতৃকার মুক্তি ছিল তাঁর জীবনের প্রধান লক্ষ্য। তিনি ভারতীয় ইতিহাস, পুরাণ, রামায়ণ, মহাভারত, বেদ, উপনিষদ দ্বারা প্রভাবিত হন এবং ভারত আত্মার মুক্তির কথা যুব সমাজের কাছে তুলে ধরেছিলেন। তবে বিশেষ করে গীতার ‘নিষ্কাম কর্ম’ এবং ‘আত্মত্যাগ’-এর কথা দ্বারা ভারত মায়ের মুক্তির কথাকে বেশি করে নিজের লেখায় উপস্থাপন করতেন। তাঁর লেখা নিয়ে ব্রিটিশ সরকার যে চাপের মধ্যে থাকত, তা বলাই বাহুল্য। তিনি বঙ্কিমচন্দ্রের ‘আনন্দমঠ’ দ্বারা ব্যাপক ভাবে প্রভাবিত হন। অনুশীলন সমিতির মতো গুপ্ত সমিতির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। তাঁর ভবানী মন্দিরে বঙ্গজননী ভারত মায়ের মুক্তির কথা প্রচার করে বিপ্লবীদের অনুপ্রেরণা যোগাতেন। ১৯০৬ সালে ব্রিটিশ সরকারের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বঙ্গীয় জাতীয় শিক্ষা পরিষদ গড়ে তোলেন। বরোদার ৭০০ টাকার বেতন ত্যাগ করে আজকের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম প্রিন্সিপাল হিসেবে যোগদান করেছিলেন। স্বদেশী শিক্ষা ব্যবস্থার কথা বলে রাইটার্সের গোলদীঘির গোলামখানার বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ সংগ্রাম করেছিলেন তিনি।

    আলিপুর বোমা মামলা

    অরবিন্দকে (Sri Aurobindo) ১৯০৮ সালে আলিপুর বোমা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। এই মামলা চলে ১ বছর। টানা এক বছরের জেল জীবন কাটান। জেলের বন্দি জীবন নিয়ে ‘কারা কাহিনী’ লেখেন। ব্রিটিশ সরকার কতটা নির্মম ছিল সেই কথা বলে গিয়েছেন তাঁর লেখায়। ভারতবাসীর মুক্তির জন্য জেলে বসেই নরের মধ্যে নারায়ণকে দর্শন করেন। বিপ্লবী বিপিন চন্দ্র পালকে স্মরণ করেছিলেন। ১৯০৯ সালে মামলা থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। এরপর থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড মতাদর্শ-ভাবাদর্শকে আধ্যাত্মিক আন্দোলনে রূপান্তর করে নিজেকে পরিবর্তন করেন। ১৯১০ সালে পন্ডিচেরিতে চলে যান। এরপর ধর্ম এবং আধ্যাত্মিকতা নিয়ে কাজে মনোনিবেশ করেন। এভাবেই অরবিন্দ ‘ঋষি’ অরবিন্দে পরিণত হন। ১৯৫০ সালের ৫ ডিসেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়েছিল।

    আরও পড়ুনঃ “যদি আমার একঘটি জলে তৃষ্ণা যায়, পুকুরে কত জল আছে, মাপবার কি দরকার?”

    তাঁর কিছু বাণী

    অরবিন্দের (Sri Aurobindo) কিছু বাণী সাধারণ মানুষের মনকে আজও প্রভাবিত এবং অনুপ্রাণিত করে।

    ১> “দেশকে ভালোবাসা যদি অপরাধ হয়, তবে আমি অপরাধী”

    ২> “কোনও দেশ বা জাতিই এখন বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকতে পারে না।“

    ৩> “যেমন সারা সংসারের পরিবর্তন হচ্ছে, তেমনই ভারতকেও পরিবর্তিত হতে হবে।“ 

    ৪> “ভারত বৈষয়িক সমৃদ্ধিহীন। কিন্তু আধ্যাত্মিকতার উচ্ছ্বাস তার জীর্ণ দেহে বাস করে।“

    ৫> “পড়াশোনা কর, লেখ, এগিয়ে যাও, কাজ করো, একমাত্র মাতৃভূমির জন্য, মায়ের সেবার জন্য।”

    ৬> “ভারত যদি পাশ্চাত্য সভ্যতার ভালো দিকগুলি গ্রহণ করে এবং নিজের ক্ষমতা ধ্বংস হতে না দেয়, তাহলে এর সংমিশ্রণে এখানে যে সংস্কৃতি বেরিয়ে আসবে, তা সমগ্র বিশ্বের জন্য উপকারী হবে। সেই সংস্কৃতি হয়ে উঠবে বিশ্বের পরবর্তী সংস্কৃতি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘কন্যা না বাঁচলে কন্যাশ্রীর টাকা কাকে দেবেন?’’ মমতাকে খোঁচা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘কন্যা না বাঁচলে কন্যাশ্রীর টাকা কাকে দেবেন?’’ মমতাকে খোঁচা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালের ঘটনা নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। শহরের বুকে একজন ডাক্তারকে অন ডিউটি থাকাকালীন (গণ)ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে, এরকম ঘটনা গত ১০-১৫ বছরের মধ্যে আর আছে? প্রশ্ন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের। এখানে আইন-শৃঙ্খলা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এই ঘটনার পিছনে তৃণমূলের এক সাংসদও জড়িত রয়েছে বলে তিনি সরব হন। একই সঙ্গে আরজি কর হাসপাতালে ঘটনা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি।

    হাসপাতালে মাদক-যৌন চক্র! (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “আরজি কর হাসপাতালের মধ্যে মাদক চক্র, যৌন চক্র চলত। ডাক্তার টিমে তাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এই জাতীয় অনেক বিষয় উঠে এসেছে, এর কিছু স্ক্রিনশটও আমাদের কাছে পৌঁছেছে। একজন তৃণমূল সাংসদ এবং তাঁর ভাইপোর নাম বারবার উঠে আসছে, আমি জানি না কী হয়েছে, তবে যেটাই হোক সেটা ভুল হয়েছে। তৃণমূলে এত মহিলা সাংসদ থাকা সত্ত্বেও একজন মহিলা সাংসদও এই বিষয়ে তেমন কিছু বলেননি। এমনকী, তৃণমূলের ১ জন সাংসদ, ৩ জন বিধায়ক, ২ জন একই মেডিক্যাল কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছেন, কিন্তু তাঁদের মুখেও সেলোটেপ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য বিজেপি কয়েকজন হাসপাতালের চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল, তাঁরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন যে মৃত স্নাতকোত্তর চিকিৎসকের ময়নাতদন্ত রাতে বেআইনিভাবে করা হয়েছিল।”

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আন্দোলন থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর ছক?

    ক্ষোভে ফুঁসছে বাংলার মানুষ

    সুকান্ত মজুমদার বলেন, “প্রতিবাদের রূপ একেক রকম হয়। যে যেভাবে প্রতিবাদ করবে। সেটা মোমবাতিও হতে পারে, মশালও হতে পারে। তবে, প্রতিবাদ হওয়াটা জরুরি। আমরা দেখেছি মা সীতাকে অপমান করার জন্য লঙ্কা আগুনে পুড়ে ছাড়খার হয়েছিল। সেইরকম এই সরকারও মানুষের ক্রোধাগ্নিতে পুড়ে যাবে। যখন দেখেছে বাংলার মহিলারা জেগে উঠেছে, এর প্রতিবাদ করছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো তৃণমূলের নেতারা এখন গ্যালারি শো করতে নেমেছেন। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে বাংলার মানুষ।”

    নাটক করতেই পদত্যাগ!

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ সম্পর্কে বলেন, “অধ্যক্ষ এই ঘটনায় ১০০ শতাংশ যুক্ত। পুলিশকেও ইনস্ট্রাকশন দেওয়া ছিল ঘটনাটাকে ধামাচাপা দেওয়ার। কিন্তু যখন ধামাচাপা দেওয়া যায়নি তখন মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্যরা বিষয়টিতে মুখ খুলেছে। তার আগে পর্যন্ত সবটাতেই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য অধ্যক্ষকে দিয়ে পদত্যাগের নাটক করানো হয়।”

    কন্যা না বাঁচলে কন্যাশ্রীর টাকা কাকে দেবেন?

    বুধবার ছিল কন্যাশ্রী দিবস, ওইদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “কন্যাশ্রীর টাকা দিচ্ছেন ভালো কথা, কিন্তু তার আগে বলব কন্যাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করুন। আমার ঘরের কন্যাই যদি না বাঁচে তাহলে কন্যাশ্রীর টাকা কাকে দেবেন? আজ যে মহিলা নিজের একমাত্র মেয়েকে মেডিক্যাল কলেজে এমডি পড়াতে গিয়ে হারালেন তাঁকে যদি মাসে মাসে কন্যাশ্রীও দেন, সেই মায়ের কোলে কি মেয়ে ফেরত আসবে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share