Tag: bangla news

bangla news

  • Ram Mandir Rakhi: এ বছর বাজারে ‘ট্রেন্ডিং’ রাম দরবার-রাম মন্দির রাখি, দাম কত জানেন?

    Ram Mandir Rakhi: এ বছর বাজারে ‘ট্রেন্ডিং’ রাম দরবার-রাম মন্দির রাখি, দাম কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাখি পূর্ণিমার এখনও কয়েকদিন বাকি রয়েছে। তবুও, বাজারের দোকানগুলিতে রাখি বিক্রি চলছে রমরমিয়ে। প্রতি বছর রাখির বাজারের বেশ কিছু ট্রেন্ডিং রাখি দেখতে পাওয়া যায়। যেই রাখিগুলি সকলের নজর আকর্ষণ করে থাকে। এ বছর বাজার কাঁপাচ্ছে রাম দরবার এবং রাম মন্দির (Ram Mandir Rakhi) নামে দুটি রাখি। কোচবিহার (Cooch Behar) জেলার একাধিক বাজারেই মিলছে এই ট্রেন্ডিং রাখি। বেশি দাম হলেও বাজারে এই দুটি রাখির চাহিদা তুঙ্গে।

    রাম দরবার-রাম মন্দির রাখির দাম কত? (Ram Mandir Rakhi)

    জেলা কোচবিহারের (Cooch Behar) সদর শহরের এই বাজারে বেশ কিছু পাইকারি বিক্রেতা রয়েছেন। এই বিক্রেতারা এই ট্রেন্ডিং রাখি প্রচুর পরিমাণে অর্ডার পাচ্ছেন। জেলার বিভিন্ন এলাকার খুচরো বিক্রেতারা প্রতিনিয়ত এই রাখি নিচ্ছেন অনেকটা পরিমাণে। আর ক্রেতারা ভিড় করছেন রাখির দোকানে। কোচবিহার ভবানীগঞ্জ বাজারের রাখি বিক্রেতা বিশ্বজিৎ বণিক বলেন, সাধারণভাবে রাখির দাম শুরু হয় ১০ টাকা থেকে। সর্বোচ্চ দামের রাখি হল ১২০ টাকার, যেটা এবার ট্রেন্ডিং রাখি। বাজারে এবার দুটি ট্রেন্ডিং রাখি বিক্রি হচ্ছে। একটি রাখির নাম ‘রাম দরবার’। যা ভাই ও বোনের একসঙ্গে দুটি রাখির একটি সেট। এই রাখি ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকা দামের মধ্যে যাচ্ছে। আর অন্যটির নাম ‘রাম মন্দির’। তার দাম ১২০ টাকা।

    আরও পড়ুন: আরজি কর থেকে ভাতার! মমতা প্রশাসনের মদতেই কি সিভিক ভলান্টিয়ারদের দাপট?

    ক্রেতারা কী বললেন?

    বাজারে রাখি কিনতে আসা এমন এক ক্রেতা বলেন, ‘‘রাখি পূর্ণিমার বেশ কিছুটা সময় আগে থেকেই রকমারি রাখি উঠতে শুরু করেছে। আর সেগুলির মধ্যেই জেলার মানুষের কোনও এক রাখি দারুণ পছন্দের হয়। তখন সেই রাখি ট্রেন্ডিং হয়ে পড়ে। তবে আরও বেশ কিছু রাখি রয়েছে যা দীর্ঘ সময় ধরে পছন্দ করে বহু মানুষ। ব্রেসলেট রাখি, বাচ্চাদের বিভিন্ন কার্টুনের রাখি সব সময়ের জন্য বাজারে ভালো পরিমাণ বিক্রি হয়ে থাকে। তবে, ট্রেন্ডিং রাখিগুলি নতুনের মধ্যে অনেকটাই আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। রাম মন্দিরের (Ram Mandir Rakhi) রাখিই এ বছর বাজারে অনেক বেশি বিক্রি হচ্ছে। আমি নিজেও এরকম একটি রাখি কিনেছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Bill: নভেম্বরেই রাজ্যসভায় পাশ হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল? আত্মবিশ্বাসী মোদি সরকার

    Waqf Bill: নভেম্বরেই রাজ্যসভায় পাশ হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল? আত্মবিশ্বাসী মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি লোকসভায় ওয়াকফ বিল (Waqf Bill) পেশ করেছে মোদি সরকার। বিল পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। এবার রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) পেশ হতে চলেছে ওয়াকফ বিল। আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরের অধিবেশনেই বিল পেশ করার কথা ভাবছে সরকার। রাজ্যসভায় এই বিল পাশ করতে হলে সরকারের প্রয়োজন ১২১ সাংসদের সম্মতি। রাজ্যসভায় বিজেপির আসন সংখ্যা এখন ৮৬। এনডিএ-র ১১৭। তবে চারজন মনোনীত সাংসদের পদ এখন ফাঁকা। এই আসন পূরণ হলে বিল পাশ করতে সরকারের খুব একটা সমস্যা হবে না। 

    রাজ্যসভায় প্রয়োজনীয় সমর্থন

    বর্তমানে ৬ জন মনোনীত সদস্য ও ২ জন নির্দল নিয়ে রাজ্যসভায় এনডিএর আসন ১১৭। সেক্ষেত্রে ২৩৭ জনের রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) সংখ্যাগরিষ্ঠতার অঙ্ক হচ্ছে ১১৯। গত মাসেই রাজ্যসভায় ৪ মনোনীত সদস্যের আসন ফাঁকা হয়। এই ৪ আসন পূরণ হলে রাজ্যসভায় আসন সংখ্যার মোট অঙ্ক হবে ২৪১। এবার এই ৪ আসনে যাঁরা আসবেন, তাঁরা সাধারণত সরকারকেই সমর্থন করবেন বলে মনে করা হয়। সেক্ষেত্রে সরকারের সমর্থনে থাকবে ১২১ জন সাংসদ। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর রয়েছে রাজ্যসভায় ভোট। সেখানে ১২ আসনে ভোট হবে। মনে করা হচ্ছে, এই ভোটে বিজেপি ৭টি আসন পেতে পারে। মনে করা হচ্ছে, মধ্যপ্রদেশ, অসম, ত্রিপুরা, রাজস্থান, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, বিহার থেকে বিজেপি জিতবে। এনডিএতে বিজেপির শরিকরা জিততে পারে বিহার ও মহারাষ্ট্র থেকে। এই অঙ্কের নিরিখে বলা যায় রাজ্যসভায় আগামী দিনে ওয়াকফ বিল (Waqf Bill) পাশ করতে খুব একটা সমস্যায় পড়তে হবে না মোদি সরকারকে।

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের পেশ করা ওয়াকফ সংশোধনী বিলের ৫টি ইতিবাচক দিক কী? জানুন বিশদে

    ওয়াকফ বিল সংশোধনী

    ১৯৫৪ সালে প্রথম ওয়াকফ আইন (Waqf Bill) পাশ হয়েছিল। ১৯৯৫ সালে ওয়াকফ আইনে সংশোধনী এনে ওয়াকফ বোর্ডের হাতে সব ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়। তার পর থেকেই বার বার প্রশ্ন উঠেছে বোর্ডের একচ্ছত্র অধিকার নিয়ে। প্রস্তাবিত সংশোধনটি গ্রাহ্য হলে এর পর থেকে আইনটির নতুন নাম হবে ‘ইউনিফায়েড ওয়াকফ ম্যানেজমেন্ট, এমপাওয়ারমেন্ট, এফিশিয়েন্সি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাক্ট’। এই বিলে পুরনো আইনটিতে ৪৪টি সংশোধন আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে সংশোধনের মূল লক্ষ্য হল একটি কেন্দ্রীয় পোর্টালের মাধ্যমে ওয়াকফ সম্পত্তির নথিভুক্তিকরণ নিয়ন্ত্রণ করা। এ ছাড়াও প্রস্তাবিত অন্যান্য সংশোধনগুলির মধ্যে রয়েছে একটি কেন্দ্রীয় ওয়াকফ কাউন্সিলের পাশাপাশি প্রতি রাজ্যে ওয়াকফ বোর্ড গঠন, যেখানে মুসলিম মহিলা এবং অমুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Hospital: আরজি কর থেকে ভাতার! মমতা প্রশাসনের মদতেই কি সিভিক ভলান্টিয়ারদের দাপট?

    RG Kar Hospital: আরজি কর থেকে ভাতার! মমতা প্রশাসনের মদতেই কি সিভিক ভলান্টিয়ারদের দাপট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্রেফ সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteer) হয়েও পরনে কেপি অর্থাৎ কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police) লেখা টি-শার্ট, বাইকে পুলিশ লেখা স্টিকার। পুলিশের দাপট নিয়ে রাস্তায় চলাফেরা, লোককে হুমকি। আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Hospital) তরুণী চিকিৎসককে খুন ও ধর্ষণে অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়ের গতিবিধি দেখে হতবাক শহরবাসী। শুধু সঞ্জয়ই নন, এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পূর্ব বর্ধমানের ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে আরজিকরের ঘটনার নাম করে হুমকি দেওয়ার। এরপরই প্রশ্ন উঠছে রাজ্যে সিভিক ভলান্টিয়ারদের দৌরাত্ম্য নিয়ে। কোথা থেকে এত সাহস পান সিভিকরা? হাইকোর্ট একাধিকবার সিভিক নিয়ে রাজ্যকে হুঁশিয়ার করেছে। তার পরেও পরিস্থিতি বদলায়নি। পুলিশের ছত্রছায়ায় থেকে শাসক দলের গুন্ডাবাহিনীতে পরিণত হয়েছে সিভিক ভলান্টিয়াররা, এমনই দাবি বিরোধী দল থেকে আম জনতার।

    সঞ্জয়ের দাপট

    কাগজেকলমে কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মী। কিন্তু একদিনও সেখানে ডিউটি না-করে রাতারাতি পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির সদস্য হয়ে যান আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Hospital) ধৃত সঞ্জয় রায়। কীভাবে তাঁর এই উত্থান উঠছে প্রশ্ন। নেপথ্যে কারও প্রশ্রয় রয়েছে? অভিযোগ, কমিটির এক প্রভাবশালী অফিসারের মদতেই সঞ্জয়ের এই বাড়াবাড়ি। পুলিশ সূত্রের খবর, ২০১৯-এ ডিএমজি বিভাগে কাজে যোগ দেওয়ার পর থেকে চতুর্থ ব্যাটালিয়নের বারাকে হামেশাই থাকতে শুরু করে সঞ্জয়, যে অনুমতি বা অধিকার তার ছিল না। করোনার পর থেকে সেটাই হয়ে ওঠে তার পাকাপাকি আস্তানা। তদন্তকারীরা জেনেছেন, সঞ্জয়ের বাড়ি দক্ষিণ কলকাতার শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালের কাছে হলেও বেশির ভাগ সময়ে সে আরজি কর হাসপাতালে ঘোরাফেরা করত। রাতেও অবাধ যাতায়াত ছিল হাসপাতালের বিভিন্ন ফ্লোরে। তাকে চিনত না, হাসপাতালে এমন কেউ নেই। শুধু পুলিশের টি-শার্ট পরে ঘোরাঘুরিই নয়, সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে বাহিনীর মহিলা কর্মীদের কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগও রয়েছে।

    ভাতারের ঘটনা

    আরজিকরেই (RG Kar Hospital) থেমে নেই সিভিকদের এই দাপট। সূত্রের খবর, ভাতারের হাসপাতালে সুশান্ত রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ার শুক্রবার রাতে মত্ত অবস্থায় এক মহিলা চিকিৎসককে গিয়ে রীতিমতো হুমকি দিয়ে বলেছিল, ‘‘আরজি করে কী হয়েছে জানেন তো?’’ পরে ওই সিভিক ভলান্টিয়ারকে (Civic Volunteer) গ্রেফতার করা হয়। তবে এই ঘটনায় ফের সিভিকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রাজ্য প্রশাসনের প্রচ্ছন্ন মদতেই যে সিভিক ভলান্টিয়ারদের এত বাড়বাড়ন্ত তা মানছেন অনেকে। 

    আরও পড়ুন: আরজিকর কাণ্ডে জড়িত মমতার পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটি, দাবি সুকান্তর

    সিভিকদের সীমানা

    এই দুই ঘটনা, বিশেষ করে আরজি কর (RG Kar Hospital) কাণ্ডের পর টনক নড়েছে মমতার প্রশাসনের। হাসপাতালে সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteer) গতিবিধি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে৷ হাসপাতালের কতটা সীমানা পর্যন্ত যেতে পারা সিভিকরা, সেই নিয়েও বিস্তারিত গাইডলাইন তৈরির পথে কলকাতা পুলিশ৷ ফলে এবার সরকারি হাসপাতালে ভলান্টিয়ারদের গতিবিধি রুখতে সক্রিয় হচ্ছে লালবাজার৷ এই বিষয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলকাতা পুলিশের এক উচ্চোপদস্থ আধিকারিক বলেন, “বিষয়টি আমরা ভালোভাবে খতিয়ে দেখে তবেই সম্পূর্ণ বলতে পারব৷” এই বিষয়ে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা বলেন, “ভলান্টিয়ার হল তৃণমূলের পোষা গুন্ডা ৷ এটা হল নিজের পার্টির মস্তানদের ঢুকিয়ে দেওয়ার একটা জায়গা৷ এদেরকে অবাধ আচরণ করতে দেওয়া হয়েছে৷ এরা রাজনৈতিকভাবে পুলিশের সঙ্গে যদি যুক্ত না হত, তাহলে এই প্রকারের ঘটনা ঘটত না৷” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি কর কাণ্ডের জের, রাজ্যজুড়ে কর্মবিরতির ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar: আরজি কর কাণ্ডের জের, রাজ্যজুড়ে কর্মবিরতির ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar) জেরে সোমবার থেকে রাজ্যে চিকিৎসা পরিষেবাতে ব্যাপক প্রভাব পড়তে চলেছে। তার কারণ রাজ্যজুড়ে বহু হাসপাতালে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সোমবার সকাল থেকেই আরজি কর, কলকাতা মেডিক্যাল সহ শহর এবং জেলায় জেলায় একাধিক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কাজে যোগ দেননি জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor), এমনটাই খবর পাওয়া গিয়েছে। এর ফলে রোগী ও রোগীর পরিবারের ভোগান্তি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    কলেজ স্কোয়ার-আরজি কর (RG Kar) মিছিল, যোগ দেবেন নির্যাতিতার বাবা-মা 

    প্রসঙ্গত, সোমবার কলকাতার কলেজ স্কোয়ার থেকে আরজিকর পর্যন্ত মিছিল করার কথা ছিল জুনিয়র ডাক্তারদের। এই বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে নির্যাতিতা ছাত্রীর মা-বাবারও (RG Kar)। প্রসঙ্গত, এই মিছিলের সময়ই প্রতিবাদ-বিক্ষোভে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। রাজ্য প্রশাসন এই ক্ষোভ কীভাবে সামাল দেয় সেটাই এখন দেখার। প্রসঙ্গত, আজ সোমবার থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির কারণে পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও অচিকিৎসক কর্মীদের ছুটি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। আরজি করের ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে ১৫ দফার একটি নির্দেশিকা জারি করেছে, লালবাজার। এই নির্দেশিকাতে মহিলা চিকিৎসক, ছাত্রী সহ নারী সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এই নির্দেশিকায় পুরোপুরি খুশি নন জুনিয়র ডাক্তাররা (Junior Doctor)। তাঁরা বলছেন, ‘নো সেফটি নো ডিউটি’।

    আবাসিক ডাক্তারদের ৬ দফা দাবি (RG Kar)

    ইতিমধ্যে, রাজ্যের সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে মোট ১২টি হাসপাতালের প্রতিনিধিরা বৈঠক করেছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। ওই বৈঠকে মোট ছ’দফা দাবি তোলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আবাসিক ডাক্তাররা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁদের এই দাবিগুলি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলতেই থাকবে। যে দাবিগুলি পেশ করা হয়েছে সেগুলি হল— 

    ১. ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত করতে হবে ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে

    ২. তদন্তে স্বচ্ছতা আনতে হবে।

    ৩. আরজি করের সমস্ত আধিকারিকদের পদত্যাগ, আরজি করের পুলিশ ফাঁড়ির এসিপিকেও পদত্যাগ করতে হবে

    ৪. ছাত্রদের ওপর পুলিশি অত্যাচারের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে কলকাতা পুলিশকে।

    ৫. মৃত মহিলা চিকিৎসকের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

    ৬. সকল হাসপাতালের কর্মক্ষেত্রের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mutual Funds: হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের নয়া আক্রমণের নিন্দা মিউচুয়াল ফান্ড সংগঠনের

    Mutual Funds: হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের নয়া আক্রমণের নিন্দা মিউচুয়াল ফান্ড সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেবির (SEBI) চেয়ারপার্সন মাধবী পুরি বুচ ও তাঁর স্বামী ধবল বুচের ওপর হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের নয়া আক্রমণের নিন্দা করেছে অ্যাসোসিয়েশন অফ মিউচুয়াল ফান্ড (Mutual Funds) ইন ইন্ডিয়া। জানা গিয়েছে, রেগুলেটরের চেয়ারপার্সন সম্পর্কে মন্তব্য শুধু যে ভারতীয় ক্যাপিটেল মার্কেটে মাধবী বুচের অবদানকে ছোট করে তা নয়, তা ছোট করে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নতিকেও। এভাবে তারা মার্কেট ইকোসিস্টেমে একটা বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব তৈরি করতে চাইছে। বর্তমানে ম্যানেজেমেন্টের অধীনে রয়েছে প্রায় ৬৫ লাখ কোটি টাকার সম্পদ।

    এএমএফআইয়ের সাবধানবাণী (Mutual Funds)

    অ্যাসোসিয়েশন অফ মিউচুয়াল ফান্ড ইন ইন্ডিয়ার সাবধানবাণী, অভিযোগ যদি পরীক্ষিত না হয়, তাহলে তা অযাচিতভাবে বিশ্বের দ্রুত বৃদ্ধির অর্থনীতির রাস্তায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। হিন্ডেনবার্গের দাবিতে সারবত্তা কিছু নেই। ভারতের রেগুলেটরি পরিবেশ বোঝার অভাব রয়েছে। তারা আমাদের দেশের কঠোর অর্জিত অর্জনগুলিকে ধ্বংস করার চেষ্টা করে (Mutual Funds)।

    এএমএফআইয়ের দাবি

    এএমএফআইয়ের দাবি, ভারতের বাজার পরিকাঠামো অনেক বেশি শক্তিশালী (Mutual Funds)। তারা সমস্ত স্টেকহোল্ডারকে আস্থা রাখতে বলেছে। একটা সময় ধরে নিয়ন্ত্রক একটি ভালো কার্যকরী বাজার তৈরি করেছে যা স্থানীয় ও বিশ্বব্যাপী উভয় বিনিয়োগকারীদের বিশ্বাস অর্জন করেছে। এসবই সম্ভব হয়েছে সেবির বর্তমান চেয়ারপার্সনের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে। স্বামীর সঙ্গে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে মাধবী বুচ তাঁদের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছেন। ব্যাঙ্কার থেকে রেগুলেটর বনে যাওয়া মাধবীর সঙ্গে বাণিজ্যিক কোনও সম্পর্ক নেই বলেই দাবি আদানি গ্রুপের।

    আরও পড়ুন: আরব সাগরে ডুব, সাবমেরিনের চড়ে দ্বারকা দর্শনের সুযোগ

    এএমএফআই জানিয়েছে, বর্তমান সেবি চেয়ারপার্সনের নেতৃত্বে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। সেবির বিধিগুলি মিউচুয়াল ফান্ডকে সব চেয়ে স্বচ্ছ ও কার্যকর পণ্য করেছে। হিন্ডেনবার্গের বিরুদ্ধে তাঁদের খ্যাতি (SEBI) কলঙ্কিত করার অভিযোগ করেছেন মাধবী ও তাঁর স্বামী ধবল বুচ (Mutual Funds)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tourist Submarine Adventure: আরব সাগরে ডুব, সাবমেরিনের চড়ে দ্বারকা দর্শনের সুযোগ

    Tourist Submarine Adventure: আরব সাগরে ডুব, সাবমেরিনের চড়ে দ্বারকা দর্শনের সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই বোধহয় বলে এক যাত্রায় পৃথক ফল! তীর্থদর্শনে গিয়ে মিলবে সাবমেরিনের (Tourist Submarine Adventure) চড়ার অভিজ্ঞতা। আজ্ঞে হ্যাঁ, এমনই ব্যবস্থা চালু হতে চলেছে গুজরাটে (Dwarka)। দেশের মধ্যে প্রধম।

    সাবমেরিনে চড়ে দ্বারকা দর্শন (Tourist Submarine Adventure)

    হিন্দুদের কাছে অতি পবিত্রস্থান দ্বারকা। কথিত আছে, এক সময় দ্বারকার রাজা ছিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। কালের গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে সেই নগরী। এবার সেই নগরীই সাবমেরিনে চড়ে ঘুরে দেখতে পারবেন পুণ্যার্থী এবং ভ্রমণ পিপাসুরা। এজন্য গুজরাট সরকার মাজাগন ডক শিপবিল্ডার্সের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করেছে। চলতি বছরের অক্টোবরে রয়েছে দীপাবলি। সেদিন থেকেই চালু হওয়ার কথা সাবমেরিনে চড়ে দ্বারকা দর্শন। গুজরাট সরকারের এহেন উদ্যোগ ভারতে প্রথম।

    পর্যটন শিল্পে জোর নরেন্দ্র মোদির

    ক্ষমতায় এসেই পর্যটন শিল্পের ওপর জোর দিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। দেশের তীর্থস্থানগুলিকে এক সুতোয় বাঁধতে চালু হয়েছে ট্রেন যাত্রা। ঐতিহাসিক যেসব জায়গার গায়ে ধর্মীয় কোনও উপাখ্যান জড়িয়ে রয়েছে, সেই সব জায়গায় পর্যটনে জোর দিয়েছে মোদি সরকার। এরকমই একটি জায়গা হল দ্বারকা। বর্তমানে এই নগরী রয়েছে আরব সাগরের গর্ভে। এখানেই আধ্যাত্মিক পর্যটনের ব্যবস্থা করতে চলেছে গুজরাটের বিজেপি সরকার। জানা গিয়েছে, ডুবো জাহাজে (Tourist Submarine Adventure) করেই দ্বারকা নগরী ঘুরে দেখবেন পর্যটকরা। দর্শন শেষে ফিরে আসবেন পাড়ে।

    আরও পড়ুন: কৃষকদের রোজগার বাড়াতে বড় উদ্যোগ মোদির, ১০৯ জাতের শস্যের সূচনা

    মোদি জমানায় ভারত সম্পর্ক আগ্রহ বেড়েছে তামাম বিশ্বের। তার প্রমাণ, ইদানিং ভারত-দর্শনে আসছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ। ২০১৪ সালের পর থেকে এই সংখ্যাটা একলপ্তে বেড়ে গিয়েছে অনেকখানি। বিদেশের পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় দেশীয় পর্যটকের সংখ্যাও বাড়ছে। চলতি বছর জানুয়ারি-জুন মাসে ভারতে আসা বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩.৮০ লাখ। ২০২২ সালের এই সময় সংখ্যাটা ছিল ২১.২৪ লাখ। শতাংশের বিচারে বৃদ্ধির হার ১০৬।

    তীর্থস্থান দর্শনে যে আগের চেয়ে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে, তার প্রমাণ বারাণসী, অযোধ্যা ও প্রয়াগরাজে ক্রমবর্ধমান পর্যটকের সংখ্যা। গত এক বছরের ব্যবধানে এই তীর্থস্থানগুলি ভ্রমণ করেছেন ১৪ কোটি মানুষ। পর্যটক মন্ত্রকের মতে, ২০২২ সালে ভারতে ধর্মীয় পর্যটনে অংশ নিয়েছিলেন ১,৪৩৯ মিলিয়ন মানুষ (Dwarka)। ২০২১ সালের ৬৭৭ মিলিয়নের দ্বিগুণেরও বেশি (Tourist Submarine Adventure)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 101: “মহাশয় ঈশ্বরকে কি দেখা যায়? যদি দেখা যায়, দেখতে পাই না কেন?”

    Ramakrishna 101: “মহাশয় ঈশ্বরকে কি দেখা যায়? যদি দেখা যায়, দেখতে পাই না কেন?”

    সিঁথি ব্রাহ্মসমাজ-দর্শন ও শ্রীযুক্ত শিবনাথ প্রভৃতি ব্রাহ্মভক্তদিগের সহিত কথোপকথন ও আনন্দ

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    যতো বাচো নিবর্তন্তে। অপ্রাপ্য মনসা সহ।

    (তৈত্তিরীয় উপনিষদ/)

    ব্রহ্মের স্বরূপ মুখে বলা যায় না

    আমি কিন্তু যায় না

    আমি মলে ঘুচিবে জঞ্জাল (হাস্য)। হাজার বিচার কর, আমি যায় না। তোমার পক্ষে ভক্ত আমি এ-অভিমান ভাল।

    ভক্তের (Ramakrishna) পক্ষে সগুণ ব্রহ্ম। অর্থাৎ তিনি সগুণ—একজন ব্যক্তি হয়ে, রূপ হয়ে দেখা দেন। তিনি প্রার্থনা শুনেন। তোমরা যে প্রার্থনা কর, তাঁকেই কর (Kathamrita)। তোমরা বেদান্তবাদী নও, জ্ঞানী নও—তোমরা ভক্ত। সাকাররূপ মনো আর না মানো, এসে যায় না। ঈশ্বর একজন ব্যক্তি বলে বোধ থাকলেই হল—যে ব্যক্তি প্রার্থনা শুনেন, সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয় করেন, যে ব্যক্তি অনন্তশক্তি।

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ভক্ত্যা ত্বনন্যায়া শক্য অহমেবংবিধোহর্জুন।

    জ্ঞাতুং দ্রষ্টাং চ তত্ত্বেন প্রবেষ্টুং চ পরন্তপ।।

    গীতা—১১/৫৪/

    ঈশ্বরদর্শন—সকরা না নিরাকার?

    একজন ব্রাহ্মভক্ত জিজ্ঞাসা (Kathamrita) করিলেন, মহাশয় ঈশ্বরকে কি দেখা যায়? যদি দেখা যায়, দেখতে পাই না কেন?

    রামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হাঁ, অবশ্য দেখা যায়—সাকাররূপ দেখা যায়, আবার অরূপ দেখা যায়। তা তোমায় বুঝাব কেমন করে?

    ব্রাহ্মভক্ত—কি উপায়ে দেখা যেতে পারে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ব্যাকুল হয়ে তাঁর জন্য কাঁদতে পার?

    লোকে ছেলের জন্য, স্ত্রীর জন্য টাকার জন্য একঘটি কাঁদে। কিন্তু ঈশ্বরের জন্য কে কাঁদছে? যতক্ষণ ছেলে চুষি নিয়ে ভুলে থাকে, মা রান্নাবান্না বাড়ির কাজ সব করে। ছেলের যখন চুষি আর ভাল লাগে না—চুষি ফেলে চিৎকার করে কাঁদে, তখন, মা ভাতের হাঁড়ি নামিয়ে দুড়দুড় করে এসে ছেলেকে কোলে লয়।

    আরও পড়ুনঃ “একটা লুনের পুতুল সমুদ্র মাপতে গিছিল…যাই নেমেছে অমনি গলে মিশে গেল”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কৃষকদের রোজগার বাড়াতে বড় উদ্যোগ মোদির, ১০৯ জাতের শস্যের সূচনা

    PM Modi: কৃষকদের রোজগার বাড়াতে বড় উদ্যোগ মোদির, ১০৯ জাতের শস্যের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি কৃষকবন্ধু। কৃষকদের কীভাবে রোজগার বাড়ে, তা নিয়ে সব সময় চিন্তাভাবনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। কৃষকদের কল্যাণে ‘কিষান সম্মান নিধি’ চালু করেছেন তিনি। এহেন কৃষক দরদি প্রধানমন্ত্রী ফের উদ্যোগী হলেন কৃষকদের রোজগার বাড়াতে। রবিবার ১০৯টি জাতের ৬১টি শস্যের সূচনা করলেন তিনি। এই শস্যগুলি উচ্চ ফলনশীল, জলবায়ু সহনশীল।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    এদিন নয়াদিল্লিতে এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নয়া জাতের এই শস্যগুলির সূচনা করেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন কৃষিবিজ্ঞানী ও কৃষকদের সঙ্গে। আলোচনা করেন জৈব চাষের উপকারিতা নিয়েও। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নয়া জাতের এই শস্যগুলির সুবিধা কৃষকদের কাছে তুলে ধরতে সদর্থক ভূমিকা নিতে হবে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রকে। কৃষিবিজ্ঞানীদের ভূয়সী প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষি বিজ্ঞানীরা জানান, অব্যবহৃত শস্যগুলিকে নতুন করে তুলে আনার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে কাজ করে চলেছেন (PM Modi) তাঁরা।

    কী কী ফসলের সূচনা

    এদিন প্রধানমন্ত্রী যে ফসলগুলির সূচনা করেছেন, সেগুলির মধ্যে ৩৪টি মাঠ ফসল। উদ্যানজাত ফসল রয়েছে ২৭টি। মাঠ ফসলের মধ্যে রয়েছে বাজরা, চারায় ফসল, তৈলবীজ, ডাল, আখ, তুলো, আঁশ এবং অন্যান্য ফসল। উদ্যান ফসলের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন জাতের ফল, সবজি, কন্দ ফসল, বৃক্ষরোপণ ফসল, মশলা, ফুল এবং ঔষধি ফসল। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতেই একথা বলা হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারতকে অপুষ্টিমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রী মিড-ডে মিল ও অঙ্গনওয়াড়ির মতো বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করে শস্যের জৈব-সুরক্ষিত জাতগুলিকে প্রচার করার ওপর জোর দিয়েছেন। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, এই পদক্ষেপগুলি কৃষকদের ভালো আয় নিশ্চিত করবে।

    আরও পড়ুন: নিশানায় কংগ্রেস, ‘দেশ বিরোধী শক্তি’ নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করলেন ধনখড়

    প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকায় উচ্ছ্বসিত কৃষকরাও। তাঁরা বলেন, “নতুন জাতের এই শস্যগুলি চাষ করার ক্ষেত্রে খরচ কম হবে। লাভ হবে বেশি। পরিবেশের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এই শস্যগুলি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জৈব চাষের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। মানুষ এখন জৈব খাবার খাচ্ছেন। তাই জৈব খাদ্যের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে।” কেন্দ্রীয় সরকার জৈব চাষে জোর দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) ধন্যবাদ জানান কৃষকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: আরজিকর কাণ্ডে জড়িত মমতার পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটি, দাবি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: আরজিকর কাণ্ডে জড়িত মমতার পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটি, দাবি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজিকর হাসপাতালে মহিলা শিক্ষানবীশ চিকিৎসকের ভয়াবহ পরিণতি নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে (Mamata Banerjee) তীব্র আক্রমণ করেছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। প্রশ্ন তুলেছেন সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাজের এক্তিয়ার এবং গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে। পুলিশ প্রশাসন কার্যত দুস্কৃতীদের আশ্রয় দেওয়ার কাজ করে থাকে। এই রাজ্যে যে কোনও অপরাধীদের শাস্তি হয় না। এই খুনে ধৃত সঞ্জয় রায়, তৃণমূলের তৈরি করা পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির সক্রিয় সদস্য। ফলে মমতা সরকার খুনিদের শাস্তি নয়, আশ্রয় দেওয়ার জন্য সরকার চালাচ্ছেন। ঠিক এই ভাবেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজেপি এই রাজ্য সভাপতি।

    কী বলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    রবিবার কলকাতার দলীয় কার্যালয়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “আরজিকর কাণ্ডে যাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, এই সঞ্জয় রায় হলেন তৃণমূল ঘনিষ্ঠ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), শান্তনুকে দিয়ে যে পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটি তৈরি করেছেন তার সক্রিয় সদস্য এই ব্যক্তি। এই খুনি কোন থানার ভলান্টিয়ার আমরা জানি না। ভলান্টিয়ারদের নিয়োগ, কাজের এক্তিয়ার বিষয়ে হাইকোর্টে মামলা চলছে। কেন পুলিশের মতো আইন রক্ষকের ভূমিকা পালনে বিচারবিভাগ ছাড়পত্র দেয়নি সেটাও একটা বড় প্রশ্ন। গত নির্বাচনগুলিতে আমরা দেখেছি এই সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভোটকর্মী হিসাবে ব্যবহার করতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কারণ তৃণমূলের জন্য ভোট লুটে প্রধান ভূমিকা পালনের ঘটনা আগেই সকলের নজরে এসেছিল। ফলে রাজ্য সরকার কম বেতনে জোর করে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করছে তাঁদের। কাজের পরিসীমাকে ঠিক করা উচিত।”

    আরও পড়ুনঃ নিহত তরুণী চিকিৎসকের শরীরে ১১টির বেশি ক্ষতচিহ্ন, বারংবার ধর্ষণের প্রমাণ!

    আর কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আরও বলেন, “এই সিভিক ভলান্টিয়ারদের রাস্তার ট্রাফিক পরিচালনা করানো হয়। আবার ফাইন করানোর কাজেও ব্যবহার করে রাজ্য সরকার। সাধারণ মানুষ এবং হাসপাতাল, কেউ ভালো করে জানেই না ওদের কাজ কী। সরকার স্পষ্ট করে কোনও নির্দেশিকা জারি করেনি। তাই বিরোধী দল করলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়ার কাজ করে সিভিক ভলান্টিয়াররা। অল্প বেতন এবং চুক্তি ভিত্তিক হওয়ায় তোলাবাজির কাজে যুক্ত হয়ে পড়ে। শাসক দলের নেতা-মন্ত্রী-সমর্থকদের মন যুগিয়ে চলতে গিয়ে অসামজিক কাজে লিপ্ত হয়। এই সরকার এই ঘটনায় জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী। আরজি করের ঘটনায় একাধিক ব্যক্তির যুক্ত থাকার প্রমাণ রয়েছে। একক ব্যক্তির কাজ নয়। মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) সিবিআইকে এখনও লিখিত অনুরোধ করেনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইন পরিবর্তন করতে বলছেন, গুলি করতে বলছেন কিন্তু রাজ্যের শাসক দল তো তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি নয়। তাই পদক্ষেপ তাঁদেরই নিতে হবে। সম্পূর্ণ ঘটনা পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির আস্কারায় ঘটেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: নিজের লক্ষ্যে অবিচল! সরকারি চাকরির প্রস্তাবে না অলিম্পিক্স পদকজয়ীর

    Paris Olympics 2024: নিজের লক্ষ্যে অবিচল! সরকারি চাকরির প্রস্তাবে না অলিম্পিক্স পদকজয়ীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য প্যারিস অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024) থেকে দেশকে ব্রোঞ্জ মেডেল এনে দিয়েছেন হরিয়ানার শুটার সরবজ্যোৎ সিং (Sarabjot Singh)। এবার সেই প্যারিস অলিম্পিক্সে পদকজয়ী শুটার হরিয়ানা সরকারের সরকারি চাকরির প্রস্তাব ফেরালেন। হরিয়ানা সরকারের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে ২২ বছরের শুটার বললেন, শুটিংই এখন তাঁর অগ্রাধিকার। 

    কেন এই সিদ্ধান্ত সরবজ্যোতের? (Paris Olympics 2024) 

    ব্রোঞ্জ পদক জিতে দেশে নিজের বাড়িতে ফেরার পরই সরবজ্যোৎকে হরিয়ানা সরকার রাজ্যের ক্রীড়া দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টরের পদে নিয়োগ করার প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু অলিম্পিক্সের সাফল্যেই থেমে যেতে চান না সরবজ্যোৎ। ২২ বছরের শুটারের লক্ষ্য দেশকে আরও আন্তর্জাতিক পদক এনে দেওয়া। তাই সরকারি চাকরির থেকে শুটিংকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন এই মুহূর্তে।

    আরও পড়ুন: সেনাবাহিনীর পেনশন বিধি সংস্কার করবে কেন্দ্র, কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    কী জানিয়েছেন অলিম্পিক্স পদকজয়ী? (Paris Olympics 2024) 

    হরিয়ানা সরকারের চাকরির প্রস্তাব ফেরানো প্রসঙ্গে সরবজ্যোৎ (Sarabjot Singh) বলেছেন, ”চাকরিটা ভালোই। তবে এখনই আমার চাকরি করার ইচ্ছা নেই। আমি শুটিং নিয়ে আরও পরিশ্রম করতে চাই। শুটিংই এখন আমার অগ্রাধিকার।’’ তিনি আরও বলেছেন, ‘‘পরিবারের সকলেও চাকরির প্রস্তাব গ্রহণ করতে বলেছিলেন। কিন্তু আমি এখন শুধু শুটিং নিয়েই থাকতে চাই। নিজের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে কাজ করতে পারব না। তাই এখন চাকরির প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারছি না।”  

    উল্লেখ্য, প্যারিস অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) ১০ মিটার এয়ার পিস্তলের ব্যক্তিগত ও মিক্সড টিম ইভেন্টে ভারতের হয়ে লড়াই চালান সরবজ্যোৎ সিং (Sarabjot Singh)। তিনি ব্যক্তিগত বিভাগে পদক জিততে পারেননি। তবে মনু ভাকেরকে সঙ্গে নিয়ে মিক্সড টিম ইভেন্টে ব্রোঞ্জ পদক জেতেন সরবজ্যোৎ। তাই শুটারের সাফল্যে খুশি হরিয়ানা সরকার তাঁকে এই প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে সরকারের সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে ব্রোঞ্জ জয়ী তারকা শুটারের এরপরের টার্গেট ২০২৮-এর লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্স। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share