Tag: bangla news

bangla news

  • Ramakrishna 98: “তাঁর কাছে জোর কর, তিনি তো পর নন, তিনি আপনার লোক”

    Ramakrishna 98: “তাঁর কাছে জোর কর, তিনি তো পর নন, তিনি আপনার লোক”

    সিঁথি ব্রাহ্মসমাজ-দর্শন ও শ্রীযুক্ত শিবনাথ প্রভৃতি ব্রাহ্মভক্তদিগের সহিত কথোপকথন ও আনন্দ

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ক্লৈব্যং মাস্ম গমঃ পার্থ নৈতিৎ ত্বয্যুপপদ্যতে

      ক্ষুদ্রং হৃদয়দৌর্বল্যং ত্যক্তোত্তিষ্ঠ পরন্তপ।।

    গীতা—২/৩/

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ভক্তির তমঃ যার হয়, তার বিশ্বাস জ্বলন্ত। ঈশ্বরের কাছে সে রূপ ভক্ত জোর করে। যেন ডাকাতি করে ধন কেড়ে লওয়া। মারো কাটো বাঁধো! এইরূপ ডাকাত-পড়া ভাব।

    ঠাকুর ঊর্ধব দৃষ্টি, তাঁহার প্রেমরসাভিসিক্ত কণ্ঠে গাহিতেছেনঃ (Kathamrita)

    গয়া গঙ্গা প্রভাসাদি কাশী কাঞ্চী কেবা চায়।

    কালী কালী কালী বলে আমার অজপা যদি ফুরায়।।

    ত্রিসন্ধ্যা যে বলে কালী, পূজা সন্ধ্যা সে কি চায়।

    সন্ধ্যা তার সন্ধানে ফেরে, কভু সন্ধি নাহি পায়।।

    দয়া ব্রত দান আদি, আর কিছু না মনে লয়।

    মদনের যাগযজ্ঞ, ব্রহ্মময়ীর রাঙা পায়।।

    কালীনামের এত গুণ, কেবা জানতে পারে তায়।

    দেবাদিদেব মহাদেব, যাঁর পঞ্চমুখে গুণ গায়।।

    ঠাকুর ভাবোন্মত্ত, যেন অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত হইয়া গাহিতেছেনঃ

    নামমাহাত্ম্য ও পাপ—তিন প্রকার আচার্য

    আমি দুর্গা দুর্গা বলে মা যদি মরি।

    আখেরে এ-দীনে, না তারো কেমনে, জানা (Kathamrita) যাবে গো শঙ্করী।

    কি! আমি তাঁর না করেছি—আমার আবার পাপ! আমি তাঁর ছেলে। তাঁর ঐশ্বর্যের অধিকারী! এমন রোখ হওয়া চাই!

    তমোগুণকে মোড় ফিরিয়ে দিলে ঈশ্বরলাভ (Ramakrishna) হয়। তাঁর কাছে জোর কর, তিনি তো পর নন, তিনি আপনার লোক। আবার দেখ, এই তমোগুণকে পরের মঙ্গলের জন্য ব্যবহার করা যায়। বৈদ্য তিনপ্রকার। উত্তম বৈদ্য, মধ্যম বৈদ্য, অধম বৈদ্য। যে বৈদ্য এসে নাড়ী টিপে ঔষধ খেও হে এই কথা বলে চলে যায়, সে-অধম বৈদ্য—রোগী খেলে কিনা এ-খবর সে লয় না। যে বৈদ্য রোগীকে ঔষধ খেতে অনেক করে বুঝায়—যে মিষ্ট কথাতে বলে, ওহে ঔষধ না খেলে কেমন করে ভাল হবে। লক্ষ্মীটি খাও, আমি নিজে ঔষধ মেড়ে দিচ্ছি খাও—সে মধ্যম বৈদ্য। আর যে বৈদ্য, রোগী কোনও মতে খেলে না দেখে বুকে হাঁটু দিয়ে, জোর করে ঔষুধ খাইয়ে দেয়—সে উত্তম বৈদ্য। এই বৈদ্যের তমোগুণ, এ-গুণে রোগীর মঙ্গল হয়, অপকার হয় না।

     

    আরও পড়ুনঃ “সংসারীর তমোগুণের লক্ষণ—নিদ্রা, কাম, ক্রোধ, অহংকার”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Protest Rally: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার, প্রতিবাদে পথে নামলেন এপারের হিন্দুরা

    Kolkata Protest Rally: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার, প্রতিবাদে পথে নামলেন এপারের হিন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের (Bangladesh Crisis) প্রতিবাদে পথে নামলেন (Protest Rally) কলকাতার সাধারণ মানুষ। যাদবপুরের ৮বি বাসস্ট্যান্ড থেকে বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ এই কর্মসূচিতে পা মেলালেন। ছিল না কোনও দলের পতাকা। শুধুমাত্র ওপারের হিন্দুদের অধিকারের তাগিদে এই কর্মসূচি আয়োজিত হয়।

    ওপারের কান্নায় এপারের চোখ ভিজল (Protest Rally)

    অন্যদিকে, অপর একটি মিছিল (Protest Rally) শিয়ালদা থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পৌঁছয়। বাংলাদেশের হিন্দুদের উপর ক্রমবর্ধমান অত্যাচারের (Bangladesh Crisis) প্রতিবাদে এই মিছিলের পা মিলান হাজারো প্রতিবাদী মানুষ। প্রতিবাদীরা মানববন্ধন তৈরি করেন। ওপার বাংলায় প্রাণ হারানো হিন্দুদের স্মরণে মোমবাতি জ্বালান। মুসলিম মৌলবাদীদের হাত থেকে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাঁচানোর দাবিও তোলেন তাঁরা। এদিনের অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মোহিত রায়, লেখক সন্দীপ বাগচী সহ অনেক বিশিষ্ট বর্গ।

    বামপন্থী ও সেলিব্রিটিরা চুপ কেন (Bangladesh Crisis)

    বর্তমানে যে সময় এই আন্দোলন চলছে, তখন বাংলাদেশে সেনা নিজেদের হাতে শাসন ক্ষমতা তুলে নিয়েছে। একটি অন্তবর্তী সরকার গঠনের চেষ্টা চলছে। তাঁরাও কতদূর কী করতে পারবেন তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। গাজা থেকে প্যালেস্টাইন, ইসলামিক দুনিয়ায় কোনও অত্যাচারের অভিযোগ হলে, যারা প্রতিবাদে মুখরিত হন, সেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কিংবা টলিউডের তরফে এখনও বাংলাদেশের হিন্দুদের অত্যাচারের (Bangladesh Crisis) বিষয়ে কোনও (Protest Rally) প্রতিক্রিয়া নেই। সেলিব্রেটি এবং বামপন্থীদের ‘সিলেক্টিভ’ প্রতিবাদ নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে নেটদুনিয়া। বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনকে যাঁরা সমর্থন জানিয়েছিলেন, সেই সমস্ত বামপন্থী এবং অভিনয় জগতের সেলিব্রেটিরাও বাংলাদেশে হিন্দুদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেখার দৃশ্য দেখেও যেন দেখতে পারছেন না। যাঁরা #alleyesonrafah লিখে ফেসবুক ভরিয়ে দিচ্ছিলেন, তাঁদের #alleyesonbangladesh লেখার সময় কি পাচ্ছেন না?

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nityanand Rai: কাশ্মীরি অভিবাসীদের নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই

    Nityanand Rai: কাশ্মীরি অভিবাসীদের নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরি অভিবাসীদের জন্য বড় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তাঁদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। আর্থিক প্যাকেজ, এমনকী কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই (Nityanand Rai) লোকসভায় এই ঘোষণা করেছেন।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? (Nityanand Rai)

    তিনি (Nityanand Rai) বলেন, কাশ্মীরি অভিবাসীদের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন প্যাকেজ, ২০১৫ এবং প্রধানমন্ত্রীর পুনর্গঠন পরিকল্পনা, ২০০৮-এর অধীনে ৬ হাজার চাকরি অনুমোদন করা হয়েছিল। তার মধ্যে ৫৭২৪টি পদ পূরণ করা হয়েছে। তাঁদের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। লোকসভায় একটি প্রশ্নের লিখিত উত্তরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি যোগ্য কাশ্মীরি অভিবাসী প্রতি মাসে ৩২৫০ টাকা করে পান। এছাড়া তাঁদের পরিবারকে প্রতি মাসে ১৩ হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি যোগ্য কাশ্মীরি অভিবাসীকে প্রতি মাসে ৯ কেজি চাল আর ২ কেজি আটা দেওয়া হয়। আর দেওয়া হয় প্রতি মাসে ১ কেজি চিনি। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কর্মসংস্থান প্যাকেজের অধীনে তাঁদের জন্য ৬ হাজার ট্রানজিট আবাসন নির্মাণের কাজ চলছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    নিরাপত্তা নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন, কাশ্মীরি অভিবাসী (Kashmiri Migrant) শিবিরগুলিতে চারটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহ পাঁচটি সরকারি স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাদের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য সরকার বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক। স্ট্যাটিক গার্ডের সঙ্গে গ্রুপ সিকিউরিটি, কৌশলগত অবস্থানে ২৪ ঘণ্টা নজরদারির জন্য চেকপয়েন্ট রাখা হয়েছে। রাতে টহলের ব্যবস্থা রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে যথাযথ নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়। ২০২১ সালের অগাস্টে একটি অনলাইন পোর্টাল চালু করা হয়েছে, যেখানে কাশ্মীরি অভিবাসীদের জমি দখল, নাম পরিবর্তন, সম্পত্তি পরিবর্তন, বিক্রি সংক্রান্ত সমস্ত অভিযোগ জানানো যাবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, আয়ুষ্মান গোল্ডেন হেলথ কার্ড, প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ক্যাম্পে চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা রয়েছে। অনলাইন পোর্টাল www.jkmigrantrelief.nic.in এর মাধ্যমে যোগ্য শিক্ষার্থীদের মাইগ্রেশন শংসাপত্র দেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ‘‘ধর্ষণ করছে, মেরে ফেলার হুমকিও দিচ্ছে’’, বাংলাদেশি হিন্দু নারীদের মুখে দুর্দশার কথা

    Bangladesh Crisis: ‘‘ধর্ষণ করছে, মেরে ফেলার হুমকিও দিচ্ছে’’, বাংলাদেশি হিন্দু নারীদের মুখে দুর্দশার কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর থেকেই বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) যেন ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে। বর্তমানে দেশের দখল নিয়েছে সেনাবাহিনী। কিন্তু তাতে অবস্থার যে খুব একটা উন্নতি হয়েছে এমনটা নয়। দেশজুড়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়িঘর, মন্দির এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে। এমনকী, বর্বরোচিত অত্যাচারের হাত থেকে বাদ যাননি হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলারাও (Hindu women in Bangladesh)। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের হিন্দু নারীদের ওপর ব্যপক অত্যাচার চলছে। শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের মত অভিযোগও উঠেছে। 

    হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলাদের ওপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis)

    এই চরম অস্থিরতার সময় বাংলাদেশি হিন্দু নারীদের ওপর যেভাবে অত্যাচার চলেছে এবার সেই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন নির্যাতিতারা। ৮ অগাস্ট স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করা একটি ভিডিওতে বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার বেশ কয়েকজন হিন্দু মহিলা (Hindu women in Bangladesh) তাঁদের দুর্দশার কথা বর্ণনা করেছেন। তাঁদের মধ্যে একজন ভুক্তভোগী বলেন, ”ওরা তলোয়ার ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে এসেছিল। বাড়ি থেকে সব নিয়ে গেছে। প্রাণ বাঁচানোর জন্য, আমাদের কাছে যা ছিল সবই দিয়েছি।” আরেক মহিলা বলেন, ”রাতে, ওরা এসেছিল। আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর করে সবকিছু লুট করে নিয়ে গেছে। আমি লুকিয়ে ছিলাম। কিন্তু ওরা আমার ভাইয়ের স্ত্রীকে ধরে অন্য ঘরে নিয়ে যায়। তাঁকে ধর্ষণ করে। পরে আমরা তাঁকে উদ্ধার করি। সে সময় তাঁর মুখ কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল। ওরা তাঁর গলা কেটে ফেলতে চেয়েছিল। ওকে বাঁচানোর জন্য আমরা আমাদের সব সোনার গয়না দিয়ে দিয়েছি।”     

    অন্যদিকে, তৃতীয় আরেক মহিলা (Hindu women in Bangladesh) অনুরূপ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, ”আমরা রাতে ঘুমাচ্ছিলাম। তখনই ওরা এসেছিল। ওদের সঙ্গে অস্ত্রশস্ত্র ছিল। ওরা আমাদেরকে সতর্ক করে বলেছিল, ‘আমাদের পঞ্চাশ জন লোক তোমার বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে, তোমার পালানোর কোনও পথ নেই।’ এরপর ওরা সবকিছু লুট করেছে। আমাকে ধরে বিছানায় নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়। আমি তাদের কাছে অনুরোধ করেছিলাম যে হয় আমাকে রেহাই দাও অথবা আমাকে মেরে ফেলো। এরপর ওরা আমাকে কান্না থামানোর জন্য হুমকি দিতে থাকে। আমাদের কাছে যা কিছু মূল্যবান জিনিসপত্র ছিল সব দিতে বলেছিল ওরা। নিজের প্রাণ বাঁচাতে তাই আমি বাধ্য হয়ে আমার সমস্ত গয়না ওদের দিয়ে দিয়েছিলাম। সেসব নিয়ে বাড়ি থেকে চলে যায় ওরা।” 

    হিন্দুদের ওপর হামলা অব্যাহত, ভাঙচুর মন্দিরে (Bangladesh Crisis)

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশের পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করেছে। অশান্তির সঙ্গে সঙ্গে এবার সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের অভিযোগ ও উঠতে শুরু করেছে। হিন্দু মহিলাদের নির্যাতনের পাশাপাশি জলছে সংখ্যালঘুদের ঘর। একাধিক মন্দিরে ও হামলা চালানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ দাবি করে, সেদেশের ২৯টি জেলায় সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলা চালানো হয়েছে। অরাজনৈতিক সাধারণ মানুষের বাড়ি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। ভাঙা হয়েছে মন্দিরও।  

    জানা গিয়েছে, নাটোর, ঢাকার ধামরাই, পটুয়াখালির কলাপাড়া, শরিয়তপুর ও ফরিদপুরের একাধিক মন্দিরে ভাঙচুর (Bangladesh Crisis) করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফেনি শহরের দুর্গামন্দির, দিনাজপুরের পার্বতীপুর কালীমন্দির সহ আরও পাঁচটি মন্দির, যেখানে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এছাড়াও ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের ২ নম্বর ইউনিয়নের শ্মশান মন্দিরে হামলা চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং নেত্রকোনা শহরে রামকৃষ্ণ মিশন এবং ইস্কন মন্দিরে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। পুড়িয়ে ছাই হয়ে যায় জগন্নাথ বিগ্রহ। একইসঙ্গে যশোর, নোয়াখালি, মেহেরপুর, চাঁদপুর ও খুলনার একাধিক বাড়িঘরে হামলা চলেছে। 

    এমনকী, দিনাজপুরে হিন্দুদের ৪০টি দোকান ভাঙচুর করা হয়। যশোরে অন্তত ৫০টি হিন্দু বাড়িতে হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা। ভাঙচুর, লুটপাট, ডাকাতির মতো ঘটনার পর আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বাড়িগুলিতে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোকানে ভাঙচুর করে মালপত্র লুট করা হয়। এহেন পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘুদের আশ্বস্ত করতে জেলায়-জেলায় হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে বাংলাদেশ সেনা। 

    ভারত আসতে চাইছেন বাংলাদেশি হিন্দুরা

    এদিকে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনার (Bangladesh Crisis) পরেই আতঙ্কে ভারত বাংলাদেশ বর্ডারের কাছে বহু বাংলাদেশি জড়ো হয়েছিলেন বলে খবর।  বুধবার দুপুর ১ টা নাগাদ প্রায় ৩০০ বাংলাদেশি ভারতে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করেন। তবে কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসার আগেই তাদের আটকে দিতে সক্ষম হয়েছে বিএসএফ। শরণার্থীদের নিজেদের দেশে ফিরে যেতে অনুরোধ করলে শরণার্থীরা জানান, বিএসএফ পারলে গুলি করে তাঁদের মেরে দিক, কিন্তু তাঁরা দেশে ফিরে যাবেন না। এ প্রসঙ্গে, হলদিবাড়ি ছিটমহলের বাসিন্দা জয়প্রকাশ রায় বলেন, ‘‘মহিলারা আর্তনাদ করছেন। বাঁচান বাঁচান বলে চিৎকার করছেন। একটু আশ্রয় চাইছেন। এ দৃশ্য দেখা যায় না!’’ 

    আরও পড়ুন: ‘‘বাঁচান, আশ্রয় দিন…’’! ভারত-সীমান্তে ভিড় বাংলাদেশি শরণার্থীদের, রুখল বিএসএফ

    কী জানাল ভারতের বিদেশমন্ত্রক?   

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis)প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে যে, গোটা বিষয়গুলি সম্পর্কে কেন্দ্র অবগত। একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোটা না ফেরা পর্যন্ত উদ্বেগ রয়েছে। আইন ও সরকারের দায়িত্ব হল সমস্ত নাগরিকদের সুরক্ষা যাতে বজায় থাকে। এটা সেই দেশের স্বার্থরক্ষার জন্য দরকার। বৃহত্তরক্ষেত্রে এটা দরকার। 

    বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করে বলেন, ”কোনও ইসলামিক দেশে গণতন্ত্র সফল হয় না, এটা তার প্রমাণ। কিছু গণ্ডগোল হলেই ওখানে হিন্দুদের ওপরে অত্যাচার হয়। তারা পালিয়ে আসেন। আবার সেটা হচ্ছে। কিন্তু তাঁদের হয়ে কেউ কথা বলছে না। কেউ জামাতিদের কথা বলছে, কেউ স্বৈরতন্ত্রের কথা বলছে। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার হলে এখানে তার প্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। বাংলাদেশের জনগণের সেখানে সরকার বদলের অধিকার রয়েছে। কিন্তু তা বলে প্রতিবার সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বন্ধ করতে হবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Police: স্বাধীনতা দিবসের আগে ১৫ জঙ্গির ছবি প্রকাশ দিল্লি পুলিশের, সঙ্গে পুরস্কার ঘোষণা

    Delhi Police: স্বাধীনতা দিবসের আগে ১৫ জঙ্গির ছবি প্রকাশ দিল্লি পুলিশের, সঙ্গে পুরস্কার ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের আগে, দেশের রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। তারই অঙ্গ হিসেবে শহরজুড়ে কুখ্যাত আল কায়দা এবং খালিস্তানি জঙ্গিদের নাম ও ছবি সমেত পোস্টার সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাসীদের ধরতে পুলিশের এই কৌশল বিশেষ সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই সাধারণ মানুষকে তথ্য দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে। সন্ত্রাস দমনে এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দিল্লিবাসীর একাংশ।

    ছয়জন আল-কায়দা জঙ্গির তল্লাশি (Delhi Police)

    দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) বলেছে, “যাঁরা সন্ত্রাসীদের সম্পর্কে কোনও তথ্য দিতে এগিয়ে আসবেন, তাঁদের উপযুক্ত সম্মানে সম্মানিত করা হবে। তবে তথ্যদাতাদের নাম গোপন রাখা হবে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এবং সন্ত্রাসীদের ধরপাকড় করতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।” খান মার্কেটের মহিলা পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত সাব-ইন্সপেক্টর কোমল শাক্য বলেন, “নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য এটি করা হয়েছে। এখন পোস্টারে মোট পনেরো জন সন্ত্রাসীকে চিহ্নিত করে নাম ও ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য তাদের মধ্যে ছয়জন আল-কায়দার সঙ্গে যুক্ত। দেশের নিরাপত্তার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃলোকসভায় পেশ ওয়াকফ সংশোধনী বিল, কী কী নতুন বৈশিষ্ট্য আছে?

    পাঞ্জাবের ২৮টি জেলায় চলছে তল্লাশি

    দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) সঙ্গে পাঞ্জাব পুলিশও অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে সন্ত্রাস-বিরোধী অভিযানে নেমে পড়েছে। পাঞ্জাব পুলিশের ডিজিপি গৌরব যাদবের নির্দেশে ২৮টি পুলিশ জেলায় একযোগে দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৩টে পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়েছে। সন্দেহজনক এলাকাগুলিতে কুকুরদের সহায়তায় তল্লাশি চালানোর কথা বলে এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে পুলিশের টিমগুলি নিজ নিজ জেলার সমস্ত বাসস্ট্যান্ডে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি অভিযান চালাবে বলে জানানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RBI: ইউপিআই-এর মাধ্যমে কর প্রদানের উর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করল আরবিআই

    RBI: ইউপিআই-এর মাধ্যমে কর প্রদানের উর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করল আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা উন্নত করতে এবং বড় লেনদেন সক্ষম করার জন্য ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক (RBI) বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, এবার থেকে ইউপিআই-এর (UPI Payment) মাধ্যমে ট্যাক্স পেমেন্টের ঊর্ধ্বসীমা প্রতি লেনদেনে পাঁচ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। এর আগে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর দেওয়া যেত ইউপিআই-এর মাধ্যমে।

    ডিজিটাল পেমেন্টকে উৎসাহিত করতে উদ্যোগ (RBI)

    আরবিআই-এর (RBI) উদ্দেশ্য, ডিজিটাল মাধ্যমে (UPI Payment) লেনদেনকে আরও উদ্বুদ্ধ করা। নতুন বর্ধিত সীমায় ট্যাক্স প্রদানে করদাতারা উৎসাহিত হবেন বলে আশা করছে সরকার। এই উদ্যোগটি ডিজিটাল পেমেন্টকে উৎসাহিত করতে এবং নগদ অর্থের উপর নির্ভরতা কমানোর জন্য আরবিআই-এর প্রচেষ্টার একটি অংশ। আরবিআই আশা করছে এই ব্যবস্থাটি করদাতাদের মধ্যে ট্যাক্স নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ডিজিটাল পেমেন্টের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে। বর্ধিত সীমা করদাতাদের একক লেনদেনের ক্ষেত্রে অধিক কর প্রদানের অনুমতি দেবে। একক ক্ষেত্রে একাধিক বার অর্থপ্রদানের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করবে এই ব্যবস্থা।

    ডেলিগেটেড পেমেন্ট চালু করার ভাবনা (UPI Payment)

    রিজার্ভ ব্যাংক (RBI) পর্যায়ক্রমে ক্যাপিটাল মার্কেট, আইপিও সাবস্ক্রিপশন, ঋণ সংগ্রহ, চিকিৎসা বিমা এবং শিক্ষামূলক পরিষেবার মত বিভিন্ন বিভাগের জন্য বিভিন্ন সময়ে লেনদেনের ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি করেছে। ইউপিআই (UPI Payment) এর ক্ষেত্রেও ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি ছাড়াও ডেলিগেটেড পেমেন্ট চালু করার কথাও বিবেচনা করেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এই বৈশিষ্ট্যটি গ্রাহকদের ইউপিআই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অর্থ প্রদান করার জন্য অন্যদেরও অনুমোদন করতে সক্ষম করবে। যার ফলে ডিজিটাল পেমেন্টের নাগাল আরও বৃদ্ধি পাবে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kavach 4.0: দিল্লি-হাওড়া রুটে বসছে ‘কবচ ৪.০’, টেন্ডার এবছরই, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

    Kavach 4.0: দিল্লি-হাওড়া রুটে বসছে ‘কবচ ৪.০’, টেন্ডার এবছরই, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কোনও মূল্যে দুর্ঘটনা রুখতে সক্রিয় ভারতীয় রেল। প্রায় ২০ হাজার ট্রেনে অত্যাধুনিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ব্যবস্থা তথা “কবচ” বসানোর পরিকল্পনা করছে ভারতীয় রেল। আনা হচ্ছে ‘কবচ ৪.০’। ইতিমধ্যেই ১০ হাজার ট্রেনে ‘কবচ ৪.০’ বসানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণও করেছে রেলমন্ত্রক। বুধবার এই বিষয় নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। কবচ ৪.০-তে রয়েছে ‘টেম্পোরারি স্পিড রেস্ট্রিকশন’, উন্নত ব্রেকিং কার্ভ এবং লোকেশন প্রিসিশনের মতো অতিরিক্ত ফিচার। 

    রেলমন্ত্রীর ঘোষণা

    ভারতীয় রেলের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত মধ্য রেলের ১ হাজার ৪৬৫টি রুটের ১৪৪টি রেকে এই ‘কবচ’ চালু করা হয়েছে। দিল্লি-চেন্নাই এবং মুম্বই-চেন্নাই সেকশনে অটোমেটিক সিগন্যাল সেকশনের জন্য টেন্ডার ডাকা হয়েছে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, আপাতত দু’টি ব্যস্ততম রুটে এই ‘কবচ’ বসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। একটি- দিল্লি-মুম্বই এবং অন্যটি দিল্লি-হাওড়া। এই প্রক্রিয়া এই অর্থবর্ষের মধ্যেই শেষ করা হবে বলেও জানান তিনি।নতুন এই কবচের নাম রাখা হয়েছে ‘কবচ ৪.০’। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, ধীরে ধীরে প্রতিটি সেকশনেই কবচ ৪.০ আনা হবে। ভারতের প্রাণ রেলওয়ে তাই মরুভূমি থেকে জঙ্গল প্রতিটি রেললাইনেই এই অত্যাধুনিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধী ব্যবস্থা আনতে চলেছে ভারতীয় রেল।

    কী ভাবনা রেলের

    দিল্লি-কলকাতা এবং দিল্লি-মুম্বই রেলপথে কবচ বসানোর কাজ ২০২৫ সালের মার্চ মাসের মধ্যে শেষ হবে, বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। অ্যান্টি-কলিশন প্রযুক্তি স্থাপনের মাধ্যমে যাত্রীদের ভ্রমণ নিরাপদ করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ। দিল্লি-মুম্বই এবং দিল্লি-হাওড়া রুটে প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার কবচের কাজ চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। উল্লেখ্য, গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটেরাল বা সোনালী চতুর্ভুজে চলাচলকারী ট্রেনগুলোতে সবচেয়ে বেশি যাত্রী পরিবহণ হয়। ১০ হাজার ইঞ্জিনে কবচ বসানো ছাড়াও সারা দেশে ৮,০০০ রেল স্টেশন লিডার (লাইট ডিটেকশন অ্যান্ড রেঞ্জিং, একটি রিমোট সেন্সিং পদ্ধতি যা পৃথিবীতে রেঞ্জ পরিমাপ করতে স্পন্দিত লেজারের আকারে আলো ব্যবহার করে) এবং ড্রোনের মাধ্যমে জরিপ করা হবে। এর পরে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে একযোগে সমস্ত স্টেশনে কবচ ডেটা সেন্টার স্থাপনের কাজ শুরু হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Earth: পৃথিবী থেকে আস্তে আস্তে দূরে চলে যাচ্ছে চাঁদ, দিন কি হবে ২৫ ঘণ্টার!

    Earth: পৃথিবী থেকে আস্তে আস্তে দূরে চলে যাচ্ছে চাঁদ, দিন কি হবে ২৫ ঘণ্টার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি সাধারণ প্রশ্ন, কত ঘণ্টায় একদিন হয়? অনায়াসেই সবাই উত্তর দেবে, ২৪ ঘণ্টায়। কিন্তু না, এবার গবেষণায় উঠে এল, একদিনের দৈর্ঘ্য হতে চলেছে ২৫ ঘণ্টা। শুনতে হয়তো অবাক লাগছে, কিন্তু এটাই সত্যি। আর এর কারণ হিসেবে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, পৃথিবী (Earth) থেকে আস্তে আস্তে দূরে চলে যাচ্ছে চাঁদ। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রত্যেক বছর প্রায় ৩.৮ সেন্টিমিটার করে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ। আর এর জন্যই একদিনের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু এই মহাজাগতিক পরিবর্তন ঘটতে সময় লাগবে ২০ কোটি বছর। এই সময় শুনতে অনেক বছর লাগলেও মহাজাগতিক সময়ের হিসেবে এটা কোনও সময়ই নয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আজ থেকে প্রায় ১৪০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে মাত্র ১৮ ঘণ্টায় এক দিন হত।

    কীভাবে এই গবেষণায় পৌঁছালেন বিজ্ঞানীরা? (Earth)

    ছোটবেলায় ভূগোল বইয়ের পাতায় আমরা সবাই পড়েছি, আহ্নিক গতির জেরেই পৃথিবীতে ২৪ ঘণ্টায় একদিন হয়। হয়তো কোনও দিন আমরা ভাবিনি, এই ২৪  ঘণ্টায় একদিন হওয়া পরিবর্তিত হয়ে ২৫ ঘণ্টাও হতে পারে। আসলে পৃথিবী প্রায় ২৪ ঘণ্টায় নিজের অক্ষের চারপাশে একবার ঘোরে। আর এই গতির কারণেই পৃথিবীতে দিন এবং রাত হয়। বিজ্ঞানীদের কাছ থেকে জানা যায়, আজ থেকে প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগে তৈরি হয়েছিল এই পৃথিবী। বিভিন্ন গ্যাস, ধুলো প্রভৃতির সমন্বয়ে আজ পৃথিবী তার এই নিজের আকার নিয়েছে। আর এইসবের পিছনে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব রয়েছে। আর তখন থেকেই শুরু হয় এই আহ্নিক গতির। সম্প্রতি ভূবিজ্ঞানীরা জানতে পারেন, চাঁদ (Moon) পৃথিবী থেকে ক্রমে দূরে সরে যাচ্ছে। উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এই অনুসন্ধান চালিয়েছেন। আর এই অনুসন্ধানে দেখা গিয়েছে, চাঁদের ধীরে ধীরে দূরে সরে যাওয়ার প্রভাব পড়ছে সরাসরি পৃথিবীর ওপর। বিশেষ করে দিনরাত্রি পরিবর্তনের উপর।

    গবেষকরা কী জানিয়েছেন এই বিষয়ে?

    উইসকনসিন-ম্যাডিসন ইউনিভার্সিটির ভৌবিজ্ঞানের অধ্যাপক স্টিফেন মায়ার্স জানিয়েছেন, “যেমন ঘূর্ণায়মান ফিগার স্কেটাররা দুই হাত প্রসারিত করলে তাদের গতি কমে আসে, ঠিক সেই রকমই চাঁদ সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীর ঘূর্ণনের গতিও কমে আসে। আর এর ফলে দিনের দৈর্ঘ্য বাড়ে।” তিনি আরও জানান, অ্যাস্ট্রোক্রনোলজি ব্যবহার করে সুদূর অতীতের সময় সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা এবং প্রাচীন ভূতাত্ত্বিক সময়ের একটি পরিমাপ করতে চেয়েছিলেন। যাতে কয়েকশো কোটি বছরের পুরানো শিলাগুলি নিয়ে গবেষণা করা যায়, সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে চেয়েছিলেন। আর ঠিক এই সময়ে গবেষণার ফাঁকে জানতে পারেন পৃথিবীর (Earth) ও চাঁদের মধ্যে দূরত্ব বেড়ে যাওয়ার এই মহাজাগতিক পরিবর্তনের বিষয়টি। বিভিন্ন প্রাচীন ভূতাত্ত্বিক গঠন এবং বিভিন্ন পলির স্তর তারা পরীক্ষা করেন এবং গবেষণা করে জানতে পারেন পৃথিবীর চাঁদের সম্পর্কের ইতিহাস। জানা যায় বর্তমানে স্থিতিশীলভাবেই আস্তে আস্তে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ (Moon)। এই দূরে সরে যাওয়ার হার নির্ভর করছে পৃথিবীর আর্নিক গতি এবং মহাদেশীয় বিভিন্ন প্রবাহের উপর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunita Williams: ‘২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মহাকাশ থেকে ফিরতে পারেন সুনীতা’, জানাল নাসা

    Sunita Williams: ‘২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মহাকাশ থেকে ফিরতে পারেন সুনীতা’, জানাল নাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে আটকে রয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams)। সঙ্গে রয়েছেন সহকর্মী বুচ উইলমোর। প্রাথমিকভাবে তাঁদের মিশন প্রায় আটদিন স্থায়ী হবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু, স্টারলাইনারে প্রপালশন সিস্টেমে সমস্যার কারণে এটি বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের পৃথিবীতে ফেরানো নিয়ে বড় ঘোষণা করল নাসা।

    কী জানিয়েছে নাসা? (Sunita Williams)

    নাসার কর্মকর্তারা আগেই জানিয়েছিলেন, ইঞ্জিনিয়াররা সুনীতাদের (Sunita Williams) বোয়িং স্টারলাইনার মহাকাশ যানের যান্ত্রিক ত্রুটি সমাধানের জন্য দিনরাত কাজ করছেন। প্রয়োজনে বোয়িং-এর পরিবর্তে সাহায্য নিতে হতে পারে স্পেস-এক্স মহাকাশ যানেরও। মহাকাশচারীদের বোয়িংয়ে ফেরানোর ঝুঁকি নেওয়া হবে, না কি স্পেস এক্সের সাহায্য নেওয়া হবে সে নিয়েও নাসার (NASA) বিজ্ঞানীদের মধ্যে চলছিল মত বিরোধ। শেষমেশ নাসা জানিয়েছে, তাঁদের ফেরাতে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্তও সময় লেগে যেতে পারে। সব ঠিক থাকলে আগামী বছরের শুরুতেই স্পেস এক্সের ক্রু ড্রাগনে পৃথিবীতে ফিরবেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুদের ওপর, মন্দিরে হামলায় উদ্বিগ্ন’’, বাংলাদেশ নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইজরায়েলের

    ৫ জুন পাড়ি দিয়েছিলেন সুনীতা

    মহাকাশযান বোয়িং সিএসটি-১০০ স্টারলাইনার ক্যাপসুলে চড়ে গত ৫ জুন মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার ওই দুই নভশ্চর পাড়ি দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের উদ্দেশে। দীর্ঘ অপেক্ষা এবং প্রস্তুতির পর এটিই ছিল বোয়িং-এর প্রথম মহাকাশচারীদের (Sunita Williams) নিয়ে যাত্রা। এই ‘ক্রু ফ্লাইট টেস্ট’ অভিযানের উদ্দেশ্য বেসরকারি উদ্যোগে সাধারণের জন্য বাণিজ্যিকভাবে মহাকাশ সফরের রাস্তা সুগম করা। মহাকাশে যাওয়ার পর হঠাৎই মহাকাশ যানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। স্টারলাইনার ওড়ার আগে হিলিয়াম লিকেজের সমস্যা ধরা পড়েছিল। যাত্রাপথে আরও নানা যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। রকেটের পাঁচটি ‘ম্যানুভরিং থ্রাস্টার’ খারাপ হয়ে যায়, সমস্যা দেখা দেয় একটি ধীর গতির ‘প্রপেল্যান্ট ভালভ্’-এও। সব মিলিয়ে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে সুনীতাদের ফেরা।

    ইলন মাস্কের সংস্থার মহাকাশযান যাচ্ছে মহাকাশে

    ইতিমধ্যেই ইলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্সের সঙ্গে যৌথ ভাবে নতুন একটি মহাকাশযান মহাকাশ স্টেশনে পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মিশনটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ক্রু-৯’। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ওই মহাকাশযান দু’জন বিজ্ঞানীকে নিয়ে রওনা দেবে মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে। এই যানে মাত্র দু’জনেরই স্থান সঙ্কুলানের মতো ব্যবস্থা রয়েছে। মহাকাশ স্টেশন থেকে সুনীতাদের (Sunita Williams) নিয়ে ফের পৃথিবীর দিকে পাড়ি দেবে যানটি। আপাতত তাঁদের সুস্থভাবে ফেরানোই বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্য। নাসা (NASA) জানাচ্ছে, সব ঠিকঠাক চললে ফেব্রুয়ারি মাসে ফিরতে পারেন সুনীতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Amendment Bill: লোকসভায় পেশ ওয়াকফ সংশোধনী বিল, কী কী নতুন বৈশিষ্ট্য আছে?

    Waqf Amendment Bill: লোকসভায় পেশ ওয়াকফ সংশোধনী বিল, কী কী নতুন বৈশিষ্ট্য আছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার লোকসভায় পেশ হল ওয়াকফ সংশোধনী বিল (Waqf Amendment Bill)। এদিন বিলটি লোকসভায় পেশ করেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। তিনি কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রীও। বিলটি পরে সংখ্যালঘু মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে পাঠানো হবে বলেও সূত্রের খবর।

    নয়া আইনের লক্ষ্য (Waqf Amendment Bill)

    প্রস্তাবিত সংশোধনীটি লোকসভায় পাশের পর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেলে আইনটির নয়া হবে ‘ইউনিফায়েড ওয়াকফ ম্যানেজমেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট, এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাক্ট’। এই বিলে পুরানো আইনটিতে ৪৪টি সংশোধন আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই সংশোধনীর মূল লক্ষ্যই হল, একটি কেন্দ্রীয় পোর্টালের মাধ্যমে ওয়াকফ সম্পত্তির নথিভুক্তিকরণ নিয়ন্ত্রণ করা। প্রস্তাবিত অন্য সংশোধনীগুলির মধ্যে রয়েছে একটি কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের পাশাপাশি প্রতিটি রাজ্যে ওয়াকফ বোর্ড গঠন, যেখানে মুসলিম মহিলা এবং অ-মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে।

    ওয়াকফ কাউন্সিলের গঠন

    সংশোধনী অনুযায়ী, নতুন করে যে কেন্দ্রীয় ওয়াকফ পরিষদ গঠিত হবে, তার চেয়ারম্যান হবেন সংখ্যলঘু বিষয়ক মন্ত্রী। পরিষদে দু’জন অমুসলিম সদস্য থাকা বাধ্যতামূলক। দু’জন মহিলা সদস্যও থাকবেন। রাজ্যগুলিতে যে ওয়াকফ বোর্ড হবে, তা শিয়া ওয়াকফ বোর্ড হলে তাতে সব সদস্যই হবেন শিয়া সম্প্রদায়ের। আর সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড গঠিত হলে, তাতে থাকবেন কেবলমাত্র সুন্নি সম্প্রদায়ের লোকজনই।

    ১৯৫৪ সালে ওয়াকফ আইন (Waqf Amendment Bill) প্রণয়ন করে জওহরলাল নেহরুর সরকার। ১৯৯৫ সালে সংশোধনী এনে সব ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয় ওয়াকফ বোর্ডের হাতে। তার পর থেকেই বোর্ডের একছত্র অধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বারংবার। ওয়াকফ সম্পত্তিতে স্বচ্ছতা আনতে নানা সময় দাবি জানিয়েছিলেন গরিব মুসলমান মহিলারা। সাধারণ মুসলমান মহিলারাও স্বচ্ছতার দাবি জানিয়েছিলেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই ওয়াকফ বোর্ডে দুই মহিলা সদস্যের প্রতিনিধিত্বের কথা বলা হয়েছে নয়া সংশোধনীতে। এছাড়া, ক্যাগ নিযুক্ত অডিটার বা নিরীক্ষককে দিয়ে যে কোনও ওয়াকফ সম্পত্তি নিরীক্ষার নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা কেন্দ্রকে দেওয়া হয়েছে নতুন বিলে।

    আরও পড়ুন: “যা ভাবছেন, পরিস্থিতি তার চেয়েও খারাপ’’! মোদিকে চিঠি বাংলাদেশি হিন্দু ছাত্রীর

    ওয়াকফ বোর্ডের সম্পত্তিতে স্বচ্ছতা আনতে চলতি বিলে ৪৪টি সংশোধনী নিয়ে আসা হয়েছে (Waqf Amendment Bill)। এতদিন ওয়াকফ আইনের ৪০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, যে কোনও সম্পত্তিকে ওয়াকফ হিসেবে ঘোষণার অধিকার ছিল ওয়াকফ বোর্ডের হাতেই। তাই ওয়াকফ বোর্ডের বিরুদ্ধে নানা সময় বহু গরিব মুসলমানের সম্পত্তি এবং অন্য ধর্মাবলম্বী ব্যক্তির সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এদিন যে সংশোধনীটি পেশ হয়েছে লোকসভায়, তাতে ওয়াকফ বোর্ডের একছত্র অধিকার কেড়ে নিয়ে তা তুলে দেওয়া হবে জেলাশাসক কিংবা (Kiren Rijiju) একই পদমর্যাদার কোনও আধিকারিকের হাতে (Waqf Amendment Bill)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share