Tag: bangla news

bangla news

  • SIR: কত সংখ্যক বাংলাদেশি মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হয়েছে? তদন্ত চান অগ্নিমিত্রা

    SIR: কত সংখ্যক বাংলাদেশি মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হয়েছে? তদন্ত চান অগ্নিমিত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmi Bhandar) টাকা সরাসরি বাংলাদেশিদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছে মমতা সরকার। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ময়দানে নেমেছে বিজেপি। রাজ্যে এসআইআর (SIR) আবহে অনুপ্রবেশকারীদের সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। উল্লেখ্য জাতীয় নির্বাচন কমিশন দেশজুড়ে নিবিড় সংশোধনের কাজ শুরু করতেই উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের হাকিমপুরে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ব্যাপক ভিড় জমেছে। তাঁদের লক্ষ্য এখন সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে যাওয়া। অনুপ্রবেশকারী খোদ বাংলাদেশিদের মুখে শোনা গিয়েছে, কীভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ রেশনের মতো সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন! আর তাতেই তৃণমূলকে তোপ দেগেছে বিজেপি।

    রাজ্যের টাকা কেন অনুপ্রবেশকারীদের পকেটে?

    বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “আমাদের করের টাকা থেকে কীভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাংলাদেশিদের অ্যাকাউন্টে ঢুকল? এই প্রকল্প ২ কোটি ১৫ লক্ষ বাংলার মহিলাকে দেওয়া হয়। এই রাজ্যের বহু সংখ্যক মহিলাদের মধ্যে বাংলাদেশের অনেক মহিলারাও রয়েছে। তৃণমূল সরকার তাদেরও টাকা দিচ্ছে! কত সংখ্যক বাংলাদেশি মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmi Bhandar) টাকা দেওয়া হয়েছে, তার তদন্ত দাবি করছি আমরা। আমাদের রাজ্যের ভাইবোনদের জন্য এই টাকা খরচ করা হোক, এটাই কাম্য।”

    এসআইআর-এর গুঁতোয় ফের বাংলাদেশ ফিরতে হচ্ছে

    উল্লেখ্য, বসিরহাটের হাকিমপুর সীমান্তে হাজার হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা জমায়েত হয়েছেন। এ যেন ঠিক শুভেন্দুর কথায় কার্বলিক অ্যাসিড দেওয়ায় অনুপ্রবেশকারীরা বের হতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের পথে বাংলাদেশিরা। রাতের অন্ধকারে দালাল ধরে মোটা টাকা দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল তারা। পরে টাকার বিনিময়ে জাল কাগজপত্র (Lakshmi Bhandar) বের করে সরকারি সুবিধা নিয়েছে। তাদের মধ্যে রোকেয়া বিবি নামক এক বাংলাদেশি বলেন, “ভারতে ঢুকে আধার-ভোটার কার্ড বানিয়ে দুবার ভোটও দিয়েছি আমরা। দশ বছর আগে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা থেকে প্রবেশ করেছি। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ ঝুপড়িতে বাস করতাম। এখন এসআইআর-এর (SIR) গুঁতোয় ফের বাংলাদেশ ফিরতে হচ্ছে আমাদের।” আবার অপর আরেক অনুপ্রবেশকারী বলেছেন, “সীমান্তে অবৈধভাবে টাকার বিনিময়ে এখানে এসেছি। আমরা কাগজ কোরানোর কাজ করি। জায়গায় জায়গায় ময়লা ফেলার কাজ করি। স্থানীয় নেতারা টাকা নিয়ে কাজপত্র বানিয়ে দিয়েছিল।”

  • Supreme Court: রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালকে বিলের ক্ষেত্রে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া যায় না, অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালকে বিলের ক্ষেত্রে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া যায় না, অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিল অনুমোদনে রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতির জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া আদালতের কাজ নয়। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) জানিয়েছে, রাজ্যপাল কোনও বিল অনির্দিষ্টকালের জন্য আটকে রাখতে পারেন না। হয় সেটাতে সম্মতি দিতে হবে। নয় বিধানসভায় ফেরত পাঠাতে হবে। বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্স মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ বলেছে, সংবিধান ইচ্ছাকৃতভাবেই কিছু ক্ষেত্রে নমনীয়তা রেখেছে, আর সেই জায়গায় সময়সীমা চাপিয়ে দেওয়া হলে সেই নমনীয়তায় ব্যাঘাত ঘটবে। তাতে রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হবে।

    কী বলল শীর্ষ আদালত

    রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালের কাছে কোনও বিল পাঠানো হলে তাঁদের কী করা উচিত, এই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রশ্ন উঠছিল। তামিলনাড়ুর করা মামলার রায়ে সেই বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের সাংবিধানিক বেঞ্চ বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, লোকসভা বা বিধানসভা থেকে পাশ হওয়া বিলগুলিতে সম্মতি দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালদের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া যায় না ৷ একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, রাজ্যপালরা অনির্দিষ্টকালের জন্য বিল আটকে রাখতে পারেন না ৷ এটা আদতে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি লঙ্ঘন করার সামিল। প্রধান বিচারপতি বিআর গভাইয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি সুর্যকান্ত, বিক্রম নাথ, পিএস নরসিমহা ও এএস চন্দরকর। ‘প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্স’ মামলায় বৃহস্পতিবার ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া, ক্ষমতা পৃথকীকরণকে অসম্মান করার সামিল ৷ শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছে, ২০০ এবং ২০১ অনুচ্ছেদ আদতে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই ভারসাম্য রক্ষার জন্যই তৈরি করা হয়েছে ৷ ফলে সময়সীমা আরোপ করলে এর বিপরীত অবস্থানে যাওয়া হবে।

    কী করবেন রাজ্যপাল

    কোনও বিল রাজ্যের আইনসভায় পাশ হওয়ার পর রাজ্যপালের কাছে গেলে, তাঁর কী করণীয়, তা ব্যাখ্যা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার শীর্ষ আদালত জানায়, রাজ্যপালের সামনে তিনটি সাংবিধানিক বিকল্প রয়েছে। ১) বিলটিতে সই করা, ২) সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো, ৩) সম্মতি না-দিয়ে বিলটি বিধানসভায় ফেরত পাঠানো। একই সঙ্গে পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছে, এই তিনটি বিকল্পের মধ্য থেকে কোনটি বেছে নেবেন— এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন রাজ্যপালই। এটি আদালতের বিবেচনার বিষয় নয় বলে জানায় সাংবিধানিক বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি গভাই বলেন, “রাজ্যপালকে কত দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, সেই সময়সীমাও আদালত নির্ধারণ করে দিতে পারে না।” একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতি তাঁদের কাজ কী ভাবে করছেন, তা আদালতের বিচারযোগ্য নয়। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে কোনও পদক্ষেপ না-করা, অনির্দিষ্ট কাল ধরে বিল নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিলম্ব করা এবং সেটির কোনও ব্যাখ্যা না দেওয়া—এই সমস্ত ক্ষেত্রে আদালত সীমিত নির্দেশ দিতে পারে, যাতে তাঁরা দায়িত্ব পালন করেন।

    কী করতে পারে আদালত

    বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে শীর্ষ আদালত জানায়, রাষ্ট্রপতি এবং রাজ্যপালের কাজের উপর সাধারণ ভাবে বিচারবিভাগীয় হস্তক্ষেপ করা যায় না। তবে দীর্ঘ দিন ধরে নিষ্ক্রিয়তা থাকলে সাংবিধানিক আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে জানিয়েছে সাংবিধানিক বেঞ্চ। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৩ উদ্ধৃত করে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, কোনও বিল নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিলে রাষ্ট্রপতিকে প্রতি বার শীর্ষ আদালতের মতামত চাইতেই হবে— এমন বাধ্যবাধকতা নেই। অনুচ্ছেদ ১৪২ অনুসারে সুপ্রিম কোর্ট রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালের ক্ষমতা পূরণ করতে পারে না বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, বিল আইনে পরিণত না হলে, রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

    কোন প্রক্ষিতে এই অভিমত

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এ বছরের মে মাসে সংবিধানের ১৪৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি রেফারেন্স পাঠিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন ছিল, কোনও আদালত কি রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতিকে রাজ্য বিধানসভায় পাশ হওয়া বিল নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিতে পারে? বিশেষত তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতেই রাষ্ট্রপতির এই প্রশ্ন ছিল। সংবিধানের ১৪৩ ধারা প্রদত্ত বিশেষ অধিকার বলে শীর্ষ আদালতের রায় নিয়ে ১৪টি প্রশ্ন তুলে দেন তিনি। যার ফলে ওই রায় পর্যালোচনার জন্য পাঁচ সদস্যের প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্স বেঞ্চ তৈরি হয়। বিধানসভায় পাশ হওয়া বিলে সম্মতি দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতির জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়ে রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট । তার পরেই এই বিষয়ে রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ব্যাখ্যা করতে শীর্ষ আাদালতের সামনে ১৪টি প্রশ্ন পাঠিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মুর্মু। এ ব্যাপারে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলির থেকে মতামত নেওয়ার পর গত জুলাই মাস থেকে প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্স মামলার শুনানি চলছিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চে ৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছিল, তারা রাজ্যপালকে বিল সইয়ের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার বিরোধী।

  • Taliban Trade Minister: ৫ দিনের ভারত সফরে আফগানিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রী, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান?

    Taliban Trade Minister: ৫ দিনের ভারত সফরে আফগানিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রী, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই পোক্ত হচ্ছে ভারত-আফগানিস্তান সম্পর্ক (Taliban Trade Minister)! মাসখানেক আগেই ভারতের (India) মাটিতে প্রথম পা রেখেছিলেন তালিবান প্রশাসনের এক শীর্ষ মন্ত্রী। তার রেশ কাটার আগেই বুধবার নয়াদিল্লিতে এলেন তালিবান সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী আলহাজ নুরউদ্দিন আজিজি। তাঁর আগে গত মাসেই ভারত সফরে এসেছিলেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। সেবার তিনি ভারতে ছিলেন ৬ দিন। আর বাণিজ্যমন্ত্রী এসেছেন ৫ দিনের ভারত সফরে। তালিবান প্রশাসনের মন্ত্রীদের ঘন ঘন ভারত সফরে রক্তচাপ বেড়ে গিয়েছে পাকিস্তানের।

    কাবুলে এয়ারস্ট্রাইক (Taliban Trade Minister)

    আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রী যখন ভারত সফরে ছিলেন, সেই সময়ই রাজধানী কাবুলে এয়ারস্ট্রাইক করেছিল পাকিস্তান। তারপর থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘদিন সীমান্ত বন্ধ ছিল আফগানিস্তানের। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কও তলানিতে ঠেকে। পাকিস্তানের আর পাঠানো হচ্ছে না আফগানিস্তানের আপেল, টোম্যাটো-সহ একাধিক পণ্য। প্রত্যাশিতভাবেই পাকিস্তানের বাজারে গিয়ে এসব কিনতে গিয়ে হাতে ছ্যাঁকা লাগছে মধ্যবিত্তদেরও। এহেন আবহে আফগানিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রীর ভারত সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলাচল করছে পণ্যবাহী বিমান।

    ট্রেড কমিটি গঠন

    অক্টোবর মাসে মুত্তাকির ভারত সফরের সময়ই ঠিক হয়, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের জন্য একটি ট্রেড কমিটি গঠন করবে দুই দেশ। মূলত খনিজ, শক্তিসম্পদ এবং পরিকাঠামোর মতো ক্ষেত্রগুলিতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখবে এই কমিটি। মুত্তাকির নয়াদিল্লি সফরের পরেই ফের চালু হয় কাবুলের ভারতীয় দূতাবাস। জানা গিয়েছে, চলতি ভারত সফরে আজিজি যেতে পারেন ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ফেয়ারে। ভারতের শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা তাঁর। আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেবেন পাঠানদের দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী। নুরউদ্দিনের ভারত সফর উপলক্ষে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের (Taliban Trade Minister) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “সরকারি সফরে ভারতে এসেছেন আফগানিস্তানের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী আলহাজ নুরউদ্দিন আজিজি। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ এগিয়ে নিয়ে যাওয়াটাই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।”

    ডুরান্ড লাইন

    প্রসঙ্গত, ডুরান্ড লাইন বরাবর পাকিস্তান ও পাঠান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের কেন্দ্রে রয়েছে টিটিপি। আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসনের অভিযোগ, পাক সরকার এবং পাকিস্তানি সেনা ইসলামিক স্টেটের মতো জঙ্গি সংগঠনকে সাহায্য করছে। আর পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তানের তালিবান সরকার আশ্রয় এবং (India) মদত দিচ্ছে টিটিপি সদস্যদের। এই টিটিপিই হামলা চালাচ্ছে পাকিস্তানে। ২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে বাইতুল্লাহ মেহসুদের নেতৃত্বে পাকিস্তানের ফেডারেল শাসিত উপজাতি এলাকার বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীকে একজোট করে গঠন করা হয় টিটিপি। এই গোষ্ঠীকে আন্তর্জাতিকভাবে একটি জঙ্গি সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আল-কায়েদা জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পাক সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় এর জন্ম। বর্তমানে টিটিপির মূল লক্ষ্য হল, পাকিস্তানের সরকারকে সরিয়ে তাদের নিজস্ব মতাদর্শে একটি ইসলামি শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

    ভারত আফগানিস্তানের অন্যতম বড় বাণিজ্য অংশীদার

    প্রসঙ্গত, ভারত বর্তমানে আফগানিস্তানের অন্যতম বড় বাণিজ্য অংশীদার। মানবিক সহায়তা, খাদ্যশস্য, চিকিৎসা সামগ্রী এবং পরিকাঠামো প্রকল্পে দিল্লির ভূমিকা তালিবানের (Taliban Trade Minister) কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই নূরউদ্দিনের এই সফর ভারত-আফগান বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। ভূরাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আফগানিস্তান যখন ক্রমেই পাকিস্তান থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছে, তখন ভারতের সঙ্গে (India) ঘনিষ্ঠতা পাকিস্তানের কূটনৈতিক চাপে আরও অক্সিজেন জোগাবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তালিবান প্রশাসনের ভারত সফরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, আটকে থাকা প্রকল্প – সব দিকেই নয়া সমীকরণ গড়ে উঠতে পারে।

    ভারত ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক

    বস্তুত, আশরাফ গনির আমলে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক বেশ মজবুত হয়েছিল। আফগানিস্তানের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বিনিয়োগও করেছিল নয়াদিল্লি। ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা সরে গেলে পতন হয় গনি সরকারের। আফগানিস্তানের দখল নেয় তালিবান। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রসংঘের স্বীকৃতি পায়নি আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। বিশ্বের সিংহভাগ দেশের সঙ্গেই স্বীকৃত কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই তাদের। কূটনৈতিক স্বীকৃতি না দিলেও, তালিবান সরকারের সঙ্গে আলোচনার দরজা একেবারে বন্ধ করে দেয়নি ভারত।

    ভারতের গুরুত্ব

    চলতি বছরের শুরুর দিকেই দুবাইয়ে মুত্তাকির সঙ্গে বৈঠক হয় ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রির। বস্তুত, ওই বৈঠকের পর থেকে ক্রমশ মসৃণ হতে থাকে আফগানিস্তান-ভারতের সম্পর্ক। দুবাইয়ের ওই বৈঠকে তালিবান সরকার ভারতকে এক গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক এবং অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে ব্যাখ্যা করে। এর পর মে মাসে মুত্তাকির সঙ্গে কথা হয় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের। তার পর অক্টোবরে ভারতে (India) আসেন আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রী মুত্তাকি। তার আগেই অবশ্য দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিহানার পরে ওই ঘটনার নিন্দে করেছিল তালিবান সরকার।

    ভারত-আফগান সম্পর্কের জল কোন দিকে গড়ায়, এখন সেটাই দেখার (Taliban Trade Minister)।

  • Rafale Jets: রাফাল নিয়ে অপপ্রচার চিনের! এআই ছবি-ভুয়ো ভিডিও ব্যবহার বেজিংয়ের, দাবি মার্কিন রিপোর্টে

    Rafale Jets: রাফাল নিয়ে অপপ্রচার চিনের! এআই ছবি-ভুয়ো ভিডিও ব্যবহার বেজিংয়ের, দাবি মার্কিন রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন রাফাল যুদ্ধবিমান নিয়ে নিজেদের স্বার্থে ভুয়ো প্রচার চালিয়েছিল চিন। বিস্ফোরক রিপোর্ট প্রকাশ করে দাবি আমেরিকার। আমেরিকা-চিন অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশনের পেশ করা রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে, এআই ব্যবহার করে এবং ভুয়ো সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলিকে কাজে লাগিয়ে রাফালে ধ্বংসের খবর ছড়িয়েছিল চিন। সঙ্গী হয় পাকিস্তানও। কিন্তু আমেরিকার রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে, রাফাল নিয়ে মিথ্যা প্রচার চালিয়েছে চিন। প্রাথমিকভাবে বেজিংয়ের উদ্দেশ্য ছিল, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে রাফালের জনপ্রিয়তা কমিয়ে বিকল্প হিসেবে নতুন প্রযুক্তির চিনা জে-৩৫ যুদ্ধবিমানকে তুলে ধরা। তাই অপারেশন সিঁদুরের সময়টাকেই হাতিয়ার করে চিন।

    কেন অপপ্রচার চালায় চিন

    চলতি বছর মে মাসে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীনই রাফাল যুদ্ধবিমান নিয়ে অপপ্রচার শুরু করে চিন। ভারত-পাক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে পাকিস্তান দাবি করেছিল, ভারতীয় বায়ুসেনার অন্তত ৩টি রাফাল যুদ্ধবিমান নামিয়েছে তারা। শুরুতে পাকিস্তানের সেই দাবি নিয়ে ভারত মুখ খোলেনি। এবার জানা গেল, ভারতীয় বায়ুসেনার গর্ব রাফাল যুদ্ধবিমানের সুনাম নষ্ট করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় জঘন্য ষড়যন্ত্র করেছে চিন। সম্প্রতি ‘আমেরিকা-চিন ইকোনমিক অ্যান্ড সিকিওরিটি রিভিউ কমিশন’-এর এক রিপোর্টে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, নিজেদের পঞ্চম প্রজন্মের জে-৩৫ যুদ্ধবিমানের বিক্রি বাড়াতে মরিয়া বেজিং, ভারতের রাফাল যুদ্ধবিমানের বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার চালিয়েছে।

    ভুয়ো সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার

    রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের সময় থেকেই চিন এই ‘তথ্য যুদ্ধ’ শুরু করেছিল। এআই দিয়ে তৈরি ভাঙা রাফালের ছবি গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে ভুয়ো সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছে চিন, এমনটাই দাবি আমেরিকা-চিন অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশনের পেশ করা রিপোর্টে। ভুয়ো ছবি দেখিয়ে দাবি করা হয়, পাকিস্তানের ব্যবহার করা জে-৩৫ যুদ্ধবিমানের সামনে টিকতে পারেনি ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান। ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। আসলে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ভারতের সাফল্যকে খাটো করে এবং রাফালকে দুর্বল প্রমাণ করে ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলির কাছে নিজেদের যুদ্ধবিমান বেচতে চেয়েছিল শি জিনপিংয়ের দেশ। আমেরিকার রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, বিনা উস্কানিতে পাকিস্তানের হামলার পরে ভারত যখন তার যোগ্য জবাব দিচ্ছিল, তখন নেপথ্যে থেকে পাকিস্তানের হয়ে এই ডিজিটাল যুদ্ধ চালায় চিন। এমনকি এই সুযোগে পাকিস্তানের কাছে ৪০টি জে-৩৫ বিমান বিক্রির প্রস্তাবও দেয় তারা।

    ফ্রান্সের সংস্থার দাবি

    চিনের এই হীন চক্রান্ত ফাঁস হতেই আন্তর্জাতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। রাফাল প্রস্তুতকারী ফরাসি সংস্থা দাসো অ্যাভিয়েশনের কর্তারা বলছেন, অপারেশন সিঁদুরের পর বিভিন্ন দেশে গিয়ে রাফাল সম্পর্কে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে চিন ও পাকিস্তান। ওই দেশগুলি যাতে রাফাল না কেনে সেটা নিশ্চিত করতে চাইছে ওই দুই দেশ। তাদের মূল উদ্দেশ্য, রাফাল যুদ্ধবিমানের ‘সুখ্যাতি’ নষ্ট করা। ফ্রান্সের শীর্ষকর্তারা দাবি করেছেন, রাফাল নিয়ে পাকিস্তানের দাবি সত্যি নয়। রাফাল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ফ্রান্স দাবি করে, তাদের যুদ্ধবিমান নিখুঁত। রাফালের বিরুদ্ধে ভুয়ো প্রচার অভিযান চলছে এবং ফরাসি আধিকারিকেরা তার মোকাবিলার চেষ্টা করছেন, দাবি করেছিল সে দেশের সরকার। সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ফরাসি গোয়েন্দা সূত্র উল্লেখ করে একটি রিপোর্টে জানিয়েছিল, রাফাল যুদ্ধবিমানের বিক্রি কমানোর জন্য চিনের মদতে এই ধরনের প্রচার চলছে। এ বার মার্কিন রিপোর্টও একই দাবি জানাল। রাফাল নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ফ্রান্সের একটি চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। ভারত-পাক সংঘাতের পর সেই চুক্তি স্থগিত হয়ে যায়। রাফাল জেটের কার্যক্ষমতা নিয়ে সন্দিহান হয়ে ওঠে ইন্দোনেশিয়া সরকার। মার্কিন রিপোর্টে দাবি, এতেও চিনের হস্তক্ষেপ রয়েছে। পাকিস্তান চিনের তৈরি জে-৩৫ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে। ২০২৫ সালের জুন মাসে পাকিস্তানের কাছে আরও ৪০টি জে-৩৫ যুদ্ধবিমান, কেজে-৫০০ বিমান এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে চিন। প্রায় একইসঙ্গে পাকিস্তান প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দও বৃদ্ধি করেছে।

    দেশের ভিতরে অপপ্রচার

    বিজেপি নেতা অমিত মালব্য এই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন তুলেছেন, ভারতের ভিতরে কারা সেদিন চিনের এই মিথ্যা আখ্যানের পালে হাওয়া দিয়েছিল? কারা কয়টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে জানতে চেয়েছিল? তিনি কারও নাম করেননি, তবে তিনি যে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর কথাই বলতে চেয়েছেন, তা বুঝতে অসুবিধা হয় না। অপারেশন সিঁদুরে ভারতের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, আকাশ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, ব্রহ্মস মিসাইল, রাফাল যুদ্ধবিমানের মতো অস্ত্রের সামনে পাকিস্তানের হাল খারাপ হয়ে গিয়েছিল। আর সেই পরিস্থিতিতে নিজেদের মুখ বাঁচাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যে এবং ভুয়ো দাবি করছিল পাকিস্তান। ইসলামাবাদ দাবি করছিল যে ভারতের নাকি যুদ্ধবিমান গুলি করে নামিয়েছে। প্রমাণ হিসেবে দাবি করছিল যে “সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই দাবি ঘুরে বেড়াচ্ছে।” তারই মধ্যে এখন মার্কিন কংগ্রেসের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, রাফাল ধ্বংস করার যে দাবি করছিল পাকিস্তান, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও জাল ছিল। এর পিছনে চিনের একটি বড় ষড়যন্ত্র ছিল। মার্কিন কমিশন এটিকে চিনের ব্যাপক ‘গ্রে জোন কৌশল’-র অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে, যেখানে সরাসরি সামরিক সংঘাত ছাড়াই ভূ-রাজনৈতিক সুবিধা অর্জন করা হয়।

  • Nitish Kumar: দশম বারে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার, ২ উপমুখ্যমন্ত্রী বিজেপির

    Nitish Kumar: দশম বারে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার, ২ উপমুখ্যমন্ত্রী বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাটনায় দশম বারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করলেন ৭৪ বছরের নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। ২০ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার রাজধানী পাটনায় ঐতিহাসিক গান্ধী ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে বেলা ১১ টায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন নীতীশ। তাঁর সঙ্গে মন্ত্রীসভার আরও ২৫ জন বিধায়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। এদিন একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে উপমুখ্যমন্ত্রী হিসবে শপথ গ্রহণ (Bihar Oath Ceremony) করেন বিজেপির সম্রাট চৌধুরি এবং বিজয় কুমার।

    আরও মজবুত এনডিএ (Nitish Kumar)

    মাঝের কিছু সময় বাদ দিলে ২০০৫ থেকে টানা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদের দায়িত্ব সামলেছেন নীতীশ কুমার। ২০ বছরে দেশের এবং বিহারের রাজনৈতিক ব্যাপক অদলবদল ঘটেছে। সময় এবং নেতাদের চাহিদা অনুসারে একাধিক বার জোটের সমীকরণ বদলে গিয়েছে বিভিন্ন ভাবে। কখনও জোট ধরেছেন আবার কখন ছেড়েছেন। তবে জোট আর রাজনীতিতে সিদ্ধহস্ত নীতীশ। কিন্তু বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে বার বার নীতীশকেই দেখা গিয়েছে। ২০২০ সালের লড়াইতেও এনডিএ জোট এবং মহাজোটের ব্যবধান ছিল সামান্য সিটের। এইবার ২০২৫ বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ-র ঝুলিতে গিয়েছে ২০২টি আসন, যা সরকার গঠনের জন্য দরকারি সংখ্যা ১২২-র চেয়ে অনেক বেশি। নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছে একক ভাবে ৮৯টি আসন। অপর দিকে পাল্লা দিয়ে আসন বাড়িয়েছে নীতীশেরও। জেডিইউ পেয়েছে ৮৫টি আসন।

    এনডিএ জোটের বড় শক্তি প্রদর্শন

    গতকাল বুধবারেই বিদায়ী সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন নীতীশ (Nitish Kumar)। এরপর রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খানের কাছে নতুন সরকার গড়ার দবি জানিয়ে চিঠি দেন। এদিন শপথ গ্রহণ (Bihar Oath Ceremony) অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। ছিলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা।

    এনডিএ জোটের ঐক্যবদ্ধতা এবং শক্তি প্রদর্শনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসোয়ান, হিন্দুস্থান আওয়াম মোর্চার নেতা জিতনরাম মাঝি। তবে মন্ত্রকের বিভাজন এবং মন্ত্রিত্ব বণ্টনে এনডিএ শরিক দলের প্রাপ্ত আসনের প্রেক্ষিতে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা আরএলএম-এ ১টি, হিন্দুস্থান আওয়াম মোর্চা সেকুলার অথবা হ্যাম (এস) ১টি এবং চিরাগ পাসোয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি (রাম বলাস) ৩টি করে মন্ত্রিত্ব পাবেন বলে জানা গিয়েছে। আর বাকি মন্ত্রিত্ব ভাগাভাগি করা হয়েছে বিজেপি এবং জেডিইউএর মধ্যে।

    কোন কোন বিধায়ক শপথ নিয়েছেন?

    এদিনের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে জেডিইউ-র পক্ষে শপথ নেন বিজয়কুমার চৌধুরি, বিজেন্দ্রপ্রসাদ যাদব, শ্রেয়ান কুমার, আশোক চৌধুরি, লেসি সিংহ, মদন সাহনি, সুনীল কুমার এবং মহম্মদ জামা খান। বিজেপি বিধায়কদের মধ্যে সম্রাট এবং বিজয় ছাড়াও শপথ গ্রহণ করেন দিলীপ জয়সওয়াল, মঙ্গল পান্ডে, সঞ্জয় সিংহ টাইগার, রমা নিষাদ, অরুণশঙ্কর প্রসাদ, রামকৃপাল যাদব, নিতিন নবীন ও সুরেন্দ্র প্রসাদ মেহতা। জিতনরামের দল হামের তরফে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সন্তোষ সমন।

    শপথ ময়দানের গুরুত্ব

    বিহারের গান্ধী ময়দান এক ঐতিহাসিক স্থান। ১৯৭৪ সালে এই ময়দান থেকেই লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ ইন্দিরা সরকারের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ক্রান্তির ডাক দিয়েছিলেন। তিনি অবশ্য রাজনৈতিক গুণ এবং ব্যক্তিত্বের জন্য জেপি নামেই বেশি পরিচিত। নীতীশের (Nitish Kumar) কাছেও এই জায়গার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ২০০৫, ২০১০, ২০১৫ সালে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ (Bihar Oath Ceremony) এখানেই গ্রহণ করেছিলেন। ২০২৫ সালে দশম বারের জন্য ফের আরেকবার শপথ নেন এই ঐতিহাসিক ময়দান থেকেই।

  • Al Falah University: দিল্লি বিস্ফোরণের পর থেকেই আল ফালাহ্-র ১০ কর্মী-পড়ুয়া নিখোঁজ, বন্ধ ফোনও! কোথায় তাঁরা?

    Al Falah University: দিল্লি বিস্ফোরণের পর থেকেই আল ফালাহ্-র ১০ কর্মী-পড়ুয়া নিখোঁজ, বন্ধ ফোনও! কোথায় তাঁরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিস্ফোরণ (Delhi Blast) কাণ্ডে নতুন মোড়। জঙ্গি তৈরির কারখানা হরিয়ানার ফরিদাবাদের আল-ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয় (Al Falah University) থেকে ১০ জন নিখোঁজ। এঁরা হয় ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পড়ুয়া অথবা কর্মী। গোয়েন্দা সূত্রে বুধবার এ খবর জানা গিয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে তিন জন কাশ্মীরি। এই ১০ জনের সকলের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। দিল্লিতে লাল কেল্লার কাছে বিস্ফোরণে জড়িতেরা সকলেই আল-ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত। ওই ঘটনার পরে হরিয়ানা এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের যৌথ অভিযান শুরুর পরেই ১০ জনের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।

    আল ফালাহ্-র ১০ জন কোথায়

    দিল্লি বিস্ফোরণ (Delhi Blast) কাণ্ডের পর থেকেই তদন্তকারীদের নজরে আল ফালাহ ইউনিভার্সিটি। সুইসাইড বম্বার উমর-উন-নবি এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেরই অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ছিলেন। তবে যোগসূত্র এখানেই শেষ হচ্ছে না। ফরিদাবাদ বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় ধৃত শাহিন শাহিদও আল ফালাহ্-র চিকিৎসক ছিলেন। ইতিমধ্যে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের (Al Falah University) প্রতিষ্ঠাতা জওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকে গ্রেফতার করেছে ইডি। তার পরে ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। আচমকাই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন আল ফালাহ্-র ১০ জন পড়ুয়া। রাতারাতি যেন উবে গিয়েছেন তাঁরা। আল ফালাহ-কে ‘গ্রাউন্ড জিরো’ মনে করছেন তদন্তকারীরা। এ খান থেকেই শুরু হয়েছে দিল্লি বিস্ফোরণের সলতে পাকানোর কাজ। ১০ জন পড়ুয়া রাতারাতি নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পরে সেই ধারণা আরও শক্ত হচ্ছে।

    জঙ্গি মডিউলের সঙ্গে যুক্ত ১০ জন!

    লালকেল্লা বিস্ফোরণের (Delhi Blast) তদন্তে জম্মু-কাশ্মীর ও হরিয়ানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়েছিল। সে সময় সামনে আসে আল-ফালাহ্-র একাধিক ব্যক্তির রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি। তাঁদের মধ্যে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Al Falah University) কর্মী। কেউ বা আবার পড়ুয়া। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সঙ্গে কি বিস্ফোরণ কাণ্ডের কোনও যোগ আছে? তাঁরাও কি ‘ডক্টর্স মডিউল’-এর সঙ্গে যুক্ত? এই প্রশ্নে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ গোয়েন্দারা। যদিও নিখোঁজ এই ১০ জনের জঙ্গি মডিউলের সঙ্গে যুক্ত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। এই মুহূর্তে তাদের হদিশ পাওয়াই তদন্তকারীদের কাছে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

    দিল্লি বিস্ফোরণের পিছনে কি জইশ?

    ইতিমধ্যেই দিল্লির লাল কেল্লার (Delhi Blast) সামনে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার সম্ভাব্য ভরকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এই আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় (Al Falah University)। তদন্তকারীদের একাংশের দাবি, জইশ ই মহম্মদ এর পিছনে কলকাঠি নেড়েছে। নতুন করে ‘ফিদায়েঁ’ বা আত্মঘাতী হামলার জন্য অর্থ সংগ্রহ শুরু করেছে জইশ-ই-মহম্মদ। পাকিস্তানের একটি অ্যাপ ‘সদা পে’ ব্যবহার করে পাকিস্তান রুপিতে ২০ হাজার টাকা করে দাবি করা হয়েছে। এবার জামাতের মহিলা জঙ্গিদের নেতৃত্বে হামলা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সন্দেহ করছেন গোয়েন্দারা। ইতিমধ্যেই জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের বোন সাদিয়াকে জইশের মহিলা শাখা জামাত উল মোমিনাতের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে ভারতের হামলায় সাদিয়ার স্বামী নিহত হন। এই অপারেশনে আল ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক শাহিন শাহিদের কোড নেম ছিল ‘ম্যাডাম সার্জন’। সম্ভবত তার উপরেই গোটা হামলার অর্থ জোগাড়ের দায়িত্ব ছিল বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা।

  • SIR: এ রাজ্যে ভোট দিয়েছেন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা, পেয়েছেন রেশন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারও!

    SIR: এ রাজ্যে ভোট দিয়েছেন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা, পেয়েছেন রেশন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁরা অনুপ্রবেশকারী। আদতে বাংলাদেশের নাগরিক (SIR)। তাতে কী? সে দেশের সুযোগ-সুবিধা তো নিচ্ছেনই, একই সঙ্গে ভোগ করছেন ভারতীয় নগরিকত্বের যাবতীয় সুবিধাও (Bangladeshi)। আজ্ঞে, হ্যাঁ। শুনতে অবাক লাগলেও তৃণমূল পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সৌজন্যে এমনই আজবকাণ্ড ঘটে চলেছিল। রাজ্যে এসআইআর জুজু ধেয়ে আসতেই একে একে ঝুলি থেকে বের হচ্ছে বিড়াল।

    রেশন তুলেছেন অনুপ্রবেশকারীরা! (SIR)

    ফেরা যাক খবরের মূলে। বছর ঘুরলেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনের আগেই শুরু হয়েছে ভোটার-তালিকা ঝাড়াই-বাছাইয়ের কাজ। সেজন্য চালু হয়েছে এসআইআর। তখনই প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক খবর, যা শুনলে কপালে চোখ উঠতে বাধ্য। বাংলাদেশ থেকে বাংলায় ঢোকা এই অনুপ্রবেশকারীদের অনেকেরই রয়েছে ভোটার কার্ড, আধার কার্ডও জোগাড় করে ফেলেছেন এঁদের অনেকেই। নিয়মিত রেশন তোলার পাশাপাশি অনেকে আবার এ রাজ্যে ভোটও দিয়েছেন দু’-তিনবার। আর এর বদলে মিলেছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের অনুদানও। যা পাওয়ার হক নেই কোনও বিদেশিরই। এসআইআরের নান্দীমুখ হয়ে গিয়েছে বিহারেই। এবার সেটাই শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্যে। তার পরেই পোঁটলা-পুঁটলি গুছিয়ে পিলপিল করে রাজ্যের নানা সীমান্তে ভিড় করছেন অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিরা। উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায় যাঁরা প্রতীক্ষা করছেন, তাঁদের জিজ্ঞেস করেই মিলেছে এসব তথ্য (SIR)।

    বোমা ফাটালেন আনোয়ারা বিবি!

    স্বরূপনগরের এই সীমান্তেই দেশে ফেরার জন্য অপেক্ষা করছেন বাংলাদেশের (Bangladeshi) সাতক্ষীরার বাসিন্দা রোকেয়া বিবি। তিনি জানান, বাংলাদেশের নাগরিক। তবে ভোট দিতেন এ রাজ্যে। লকডাউনের সময় পদ্মার ওপর থেকে দালালদের হাত ধরে ঢুকে পড়েছিলেন এপার বাংলায়। ঠাঁই জুটেছিল সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে। কাগজকুড়ুনির কাজ করে সংসার চালাতেন। তিনি জানান, ৩-৪ বছর ধরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেয়েছেন। দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে গিয়েই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার করেছেন। তাতে টাকাও ঢুকেছে। দিয়েছেন ভোটও। এই সাতক্ষীরায়ই ফিরে যাচ্ছেন আনোয়ারা বিবিও। তাঁরও বাড়ি সেখানেই। তিনিও কবুল করলেন, এ রাজ্যে ভোট দিয়েছেন। বাংলাদেশে ফিরে যেতে হবে জেনে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। বললেন, “আমরা এখানে থাকব বলে কাগজপত্র সব করে দিল। আর এখন থাকতে পারছি না। আমাদের তাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই বাংলাদেশেই ফিরে যাচ্ছি।” শুধু কী তাই? আদতে বাংলাদেশের নাগরিক, অথচ বাংলায় ঢুকে পড়ে কাগজপত্র সব জোগাড় করে বসে পড়েছেন সরকারি চাকরির পরীক্ষায়ও। এফআরআরও-চিঠিতেই উঠে এসেছে এই তথ্য। এ ব্যাপারে (SIR) মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কথাও জানিয়েছে ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (Bangladeshi)।

    গুচ্ছের প্রশ্ন

    এখানেই উঠছে রাশি রাশি প্রশ্ন। নজরদারি এড়িয়ে এরা কীভাবে পদ্মার এপাড়ে এলেন? এতদিন এখানে থাকলেনই বা কীভাবে? ভারতে বসবাসের কাগজপত্রই বা জোগাড় করলেন কীভাবে? রাজ্যের বিরোধী দলের অভিযোগ, শাসক দল তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বদান্যতায় এঁরা জোগাড় করেছেন জাল কাগজপত্র। দিয়েছেন ভোটও। যার জেরে বুথ ফেরত সমীক্ষার যাবতীয় প্রেডিকশনের মুখে ঝামা ঘষে দিয়ে বারবার জয়ী হয়েছে রাজ্যের শাসক দল। এঁদের অনেক প্রার্থীই আবার জয়ী হয়েছেন লাখ লাখ ভোটে। তা নিয়ে তাঁদের গর্ব করতেও দেখা গিয়েছে প্রকাশ্য সভায়।

    প্রতারকদের অভিশম্পাত!

    স্বরূপনগরের হাকিমপুর চেকপোস্টের কাছে এখন ওপারে ফেরার জন্য অপেক্ষা করছেন শয়ে শয়ে বাংলাদেশি। কেউ কাকভোরে, কেউ আবার রাতের আঁধারেই এখানে চলে এসেছেন (SIR)। আবার অনেকেই আসছেন দিনের বেলায়। সবাই ইতিউতি দাঁড়িয়ে বসে রয়েছেন কখন ফিরবেন নিজের দেশে, তার অপেক্ষায়। শিশুর কান্না, পরিবারের উদ্বেগ, দেশে ফিরে গিয়ে কী করবেন – এসবেরই ছাপ অপেক্ষারত অনুপ্রবেশকারীদের চোখেমুখে। এঁদের মধ্যে (Bangladeshi) যাঁরা টাকা-পয়সা দিয়ে কাগজপত্র বানিয়ে ফেলেছিলেন বলে অভিযোগ, তাঁদের অনেকেই আবার অভিশম্পাত দিচ্ছেন প্রতারকদের। জানা গিয়েছে, বিএসএফ ইতিমধ্যেই আটক করেছেন ৩০০ জনকে। এঁদের অধিকাংশেরই নথি নেই। সীমান্ত পার হতে গিয়েও ধরা পড়েছে ৪৫ জন। স্থানীয়দের দাবি, সীমান্তে ভিড় করা এই মানুষগুলির সিংভাগেরই বাড়ি সাতক্ষীরা কিংবা খুলনার গ্রামে (SIR)।

    অনিশ্চিত ভবিষ্যত

    একটুকু সুখের আশায় জন্মভূমি বাংলাদেশ ছেড়ে পশ্চিমবাংলায় এসেছিলেন এঁরা। নেতাদের ধরে জুটে গিয়েছিল মাথাগোঁজার ঠাঁই, কাজকর্মও। টাকা-পয়সার বিনিময়ে জোগাড়ও করেছিলেন কাগজপত্র। তবে সেসব কাগজ যে জাল, তা বুঝতে পারেননি তাঁরা। দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে থাকতে থাকতে এই দেশটাকেই আপন করে নিয়েছিলেন এঁদের অনেকেই। শাসক দলের ‘ঋণ’ শোধ করতে হাত উপুড় করে তাদের ভোটও দিয়েছিলেন দাবি করলেন অনেকে। তখনও বোঝেননি, যে দেশটায় থাকতে থাকতে ক্রমেই ভালোবেসে ফেলেছিলেন (Bangladeshi), সেই দেশটাই এখন পর হয়ে গিয়েছে। এবার ফিরতে হবে স্বদেশে, এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে (SIR)।

  • Mohan Bhagwat: “ভারত এবং হিন্দু সমার্থক, হাজার হাজার বছরের সাংস্কৃতিক প্রবাহ”, বার্তা ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: “ভারত এবং হিন্দু সমার্থক, হাজার হাজার বছরের সাংস্কৃতিক প্রবাহ”, বার্তা ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং হিন্দু সমার্থক, একে অপরের পরিপূরক। ঠিক এই ভাবেই হিন্দুত্বকে ব্যাখ্যা করেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) সরসংঘ চালক মোহন ভাগবাত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “হিন্দু কেবলমাত্র একটি ধর্মীয় শব্দ নয়, হাজার হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার অন্তর্নিহিত প্রবাহ। ভারত এই ঐতিহ্যের ধারক বাহক। ভারত কোনও একক সত্ত্বা নয়, বহু ধারার মিলিত প্রবাহ।”

    কোনও সরকারি ঘোষণার প্রয়োজন নেই (Mohan Bhagwat)

    অসমের গুহাহাটিতে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপচারিতায় আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেছেন, “যাঁরাই ভারত নিয়ে গর্ব করেন, তাঁরাই হিন্দু। ভারত এবং হিন্দু সমার্থক। ভারতের হিন্দু রাষ্ট্র হওয়ার জন্য কোনও সরকারি ঘোষণার প্রয়োজন নেই। ভারতীয় সমাজ এবং সভ্যতার নীতি ইতিমধ্যেই প্রতিফলিত হয় হিন্দুত্বে। আরএসএস কারো (RSS) বিরোধিতা বা ক্ষতি করার জন্য তৈরি হয়নি বরং চরিত্র গঠনে মনোনিবেশ করা এবং ভারতকে বিশ্বগুরু হিসেবে গড়ে তোলাই প্রধান কাজ। বৈচিত্র্যের মধ্যে ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করার পদ্ধতিকে বলা হয় আরএসএস। বিবিধের মধ্যে মহামিলনকেই খোঁজ করা ভারতের একমাত্র সত্ত্বা।

    ভূমির পরিচয়ে দৃঢ় আসক্তির আহ্বান

    অসমে অস্বাভাবিক জনসংখ্যার পরিবর্তন সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সতর্কতা এবং নিজের ভূমির পরিচয়ের প্রতি দৃঢ় আসক্তির আহ্বান জানান। তিনি অবৈধ অনুপ্রবেশ, হিন্দুদের জন্য তিন সন্তানের আদর্শ নীতিকে জনসংখ্যার ভারসাম্য বিষয়ে স্পষ্ট মত রাখেন। বিভেদমূলক ধর্মীয় ধর্মান্তরনীতিকে ভারতীয় সমাজের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করেছেন। সমাজকে পুনর্নির্মাণ এবং সমাজের মূল সত্ত্বাকে অক্ষুন্ন রাখতে এই প্রতিরোধের মতো বিষয়গুলিকে মাথায় রাখা বলে মনে করেন মোহন ভাগবত।

    একই ভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে দায়িত্বশীল ব্যবহারের পক্ষেও কথা বলেন ভাগবত। উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, “লাচিত বরফুকন এবং শ্রীমন্ত শঙ্করদেবের মতো ব্যক্তিত্বরা কেবল আঞ্চলিক গুরুত্বই রাখেন না, বরং রাষ্ট্রীয় প্রাসঙ্গিকতাও রাখেন, এক কথায় সমস্ত ভারতীয়কে অনুপ্রাণিত করেন। তাই ভারতীয় সমাজের সকল জাতি সম্প্রদায়ের মানুষের গঠনের জন্য সম্মিলিতভাবে এবং নিঃস্বার্থভাবে কাজ করতে হবে।”

  • India-US Defence Deal: ভারতকে ৮২৫ কোটি টাকার ক্ষেপণাস্ত্র, গোলা বিক্রিতে সায় ট্রাম্প প্রশাসনের

    India-US Defence Deal: ভারতকে ৮২৫ কোটি টাকার ক্ষেপণাস্ত্র, গোলা বিক্রিতে সায় ট্রাম্প প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা প্রায় অন্তিম পর্যায়ে রয়েছে। তবে তার আগেই প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত একটা বড় চুক্তি চূড়ান্ত করে ফেলল দুই দেশ। ভারতকে প্রায় ৯.৩ কোটি ডলারের (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮২৫ কোটি টাকা) অস্ত্র বিক্রি অনুমোদন করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর ফলে, ভারতীয় সামরিক বাহিনীর হাতে আসতে চলেছে অত্যাধুনিক ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী ‘জ্যাভলিন’ ক্ষেপণাস্ত্র, এবং অত্যাধুনিক ‘এক্সক্যালিবার’ আর্টিলারি।

    ৮২৫ কোটি টাকার চুক্তি

    এই চুক্তি যে হতে পারে, সেই খবর আগে থেকেই জানা ছিল। এবার তা অনুমোদিত হল। বুধবার সিলমোহর দিল মার্কিন প্রশাসন। আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তির কথা জানিয়েছে ডিফেন্স সিকিউরিটি কর্পোরেশন এজেন্সি (ডিএসসিএ)। বিবৃতি অনুযায়ী, ১০০টি এফজিএম-১২৫ জ্যাভলিন মিসাইল, একটি জ্যাভলিন এফজিএম-১৪৮ ক্ষেপণাস্ত্র (ফ্লাই-টু-বাই), ২৫টি লাইটওয়েট কমান্ড লঞ্চ ইউনিট (সিএলইউ) এবং ২১৬টি এক্সক্যালিবার আর্টিলারি রাউন্ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ধাপে ধাপে ভারতীয় সেনার হাতে আসবে মোট ১২টি লঞ্চার এবং ১০৪টি ক্ষেপণাস্ত্র। পাশাপাশি, ভারতের অনুরোধে এই প্যাকেজটিতে আরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে— জ্যাভলিন এলডব্লিউসিএলইউ বা সিএলইউ বেসিক স্কিল প্রশিক্ষক, মিসাইল সিমুলেশন রাউন্ড, ব্যাটারি কুল্যান্ট ইউনিট, ইন্টারেক্টিভ ইলেকট্রনিক টেকনিক্যাল ম্যানুয়াল, জ্যাভলিন অপারেটর প্রশিক্ষণ, অস্ত্রগুলির লাইফটাইম সাপোর্ট, নিরাপত্তা পরিদর্শন, খুচরো যন্ত্রাংশ, সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন এবং চেক আউট, প্রযুক্তিগত সহায়তা, টুল কিট, ব্লক ১ সিএলইউ সংস্কার পরিষেবা, এবং লজিস্টিক এবং প্রোগ্রাম সহায়তা সম্পর্কিত আরও অন্যান্য উপাদান।

    জ্যাভলিনের কার্যকারিতা অপরিসীম

    আরটিএক্স এবং লকহিড মার্টিন দ্বারা যৌথভাবে তৈরি জ্যাভলিন মিসাইল বেশ কয়েকটি যুদ্ধক্ষেত্রে তার ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা প্রমাণ করেছে। বিশেষ করে ইউক্রেনে, যেখানে অনেক রাশিয়ান টি-৭২ এবং টি-৯০ ট্যাঙ্ক ধ্বংস করা হয়েছিল। এই মিসাইল ইউক্রেন-সহ বিশ্বের অনেক দেশের সামরিক বাহিনী ব্যবহার করে। বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইলগুলির মধ্যে অন্যতম জ্যাভলিন। যুদ্ধের ময়দানে জ্যাভিলিনের কার্যকারিতা অপরিসীম। মাত্র একজন সৈনিক এটিকে ব্যবহার করতে পারেন। ক্ষেপণাস্ত্রটির একটি লঞ্চার রয়েছে, যেটি কাঁধে রেখে নিখুঁত লক্ষ্যে ‘জ্যাভলিন’ ছোড়া যায়। ঠিক যেমন ছোড়া যায় আমেরিকারই তৈরি ‘শোল্ডার ফায়ারড’ বিমানবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র স্ট্রিংগার। একটি ‘জ্যাভলিন’-এর ওজন আনুমানিক ২৩ কেজি। বহন করতে পারে সাড়ে আট কেজি বিস্ফোরক। এর লঞ্চার সাধারণত ৬.৪ কেজির হয়ে থাকে। ২,৫০০ মিটার পাল্লার এই মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র ধীর গতিতে ওড়া হেলিকপ্টার ধ্বংস করতেও পটু।

    ভবিষ্যতের হুমকি মোকাবিলায় ভারতের ক্ষমতা বৃদ্ধি

    ডিএসসিএ জানিয়েছে, এই চুক্তির ফলে বর্তমান এবং ভবিষ্যতের হুমকি মোকাবিলায় ভারতের ক্ষমতা আরও বাড়াবে, তার প্রতিরক্ষা ক্ষমতা শক্তিশালী করবে এবং আঞ্চলিক হুমকি প্রতিরোধ করবে। এতে আরও বলা হয়েছে যে ভারতের সশস্ত্র বাহিনীতে এই পণ্য এবং পরিষেবাগুলি অন্তর্ভুক্ত করতে কোনও অসুবিধা হবে না। ডিএসসিএ আরও জানিয়েছে যে, এই চুক্তি মার্কিন-ভারত কৌশলগত সম্পর্ককে শক্তিশালী করতেও সাহায্য করবে।

  • Bangladesh: দিল্লিতে বৈঠকে ডোভাল-খলিলুর, কী আলোচনা হল ভারত-বাংলাদেশের?

    Bangladesh: দিল্লিতে বৈঠকে ডোভাল-খলিলুর, কী আলোচনা হল ভারত-বাংলাদেশের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) দেশান্তরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে টানাপোড়েন চলছে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে। এহেন আবহে বুধবার দিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) খলিলুর রহমান। বাংলাদেশ হাই কমিশনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারা কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভে অংশ নিয়েছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

    ডোভালকে আমন্ত্রণ বাংলাদেশে (Bangladesh)

    রহমান অজিত ডোভালকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণও জানিয়েছেন। বাংলাদেশ হাই কমিশনের তরফে জারি করা ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের (CSC) সপ্তম এনএসএ স্তরের বৈঠকে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আজ দিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও তাঁর দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। তাঁরা কনক্লেভের কাজকর্ম ও গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। রহমান বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান ডোভালকে।” রহমান সপ্তম এনএসএ সিএসসি বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

    হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড

    গণআন্দোলনের জেরে বাংলাদেশছাড়া হতে হয়েছিল সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন হাসিনা। তারপরেই দেশের রশি যায় মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে। তার পর এটি দু’দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠক। দিন চারেক আগে হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের আদালত। দেশ ছেড়ে হাসিনা আশ্রয় নিয়েছেন ভারতে। তার পর থেকেই ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে চলছে টানাপোড়েন। পড়শি এই দুই দেশের মধ্যে রয়েছে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি। সেই চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশের (Bangladesh) পক্ষ থেকে ভারতের কাছে হাসিনাকে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের বৈঠক

    ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ঘোষিত রায়ের বিষয়ে (NSA) অবগত এবং ভারত বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিদেশমন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভারত সব সময় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকবে। ভারতের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ঘোষিত রায়টির নোট নিয়েছে। ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারত বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি এবং স্থিতিশীলতা-সহ সর্বোত্তম স্বার্থে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই লক্ষ্যে আমরা সব পক্ষের সঙ্গে সব সময় গঠনমূলকভাবে যুক্ত থাকব (Bangladesh)।”

    একাধিক চ্যালেঞ্জ

    প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেলে বাংলাদেশের একটি আদালত পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২০২৪ সালের জুলাই–অগাস্ট বিদ্রোহের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে (NSA)। এদিকে, দুই দেশের দুই জাতীয় উপদেষ্টার বৈঠকটি এমন একটা সময়ে হয়েছে, যার মাস তিনেক পরেই বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ভারত প্রকাশ্যে আহ্বান জানিয়েছে যাতে নির্বাচন স্বাধীন, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক হয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও এই বৈঠক দুই দেশের মধ্যে চলা সম্পৃক্ততাকেই প্রতিফলিত করে। ভারত বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে, আর বাংলাদেশ নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক বিষয়ে সহযোগিতা চায় (Bangladesh)।

    কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভ

    অন্যদিকে, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের সদস্য রাষ্ট্রগুলির নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করতে চলেছেন বলে বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অজিত ডোভাল যে সদস্য রাষ্ট্রগুলির প্রতিনিধিদের স্বাগত জানাবেন, সেগুলি হল মলদ্বীপ, মরিশাস, শ্রীলংকা এবং বাংলাদেশ। পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে অংশ নেবে সিশেলস এবং মালয়েশিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে অতিথি দেশ হিসেবে (NSA)।

    কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের লক্ষ্য

    কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভ গঠিত হয়েছে সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে। ভারত মহাসাগর অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যও রয়েছে এই কনক্লেভের (Bangladesh)। এই জোড়া উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের ৭ম বৈঠকটি হবে বিভিন্ন সহযোগিতা স্তম্ভ—যেমন সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা মোকাবিলা, আন্তর্জাতিক সংগঠিত অপরাধ প্রতিরোধ, সাইবার নিরাপত্তা ও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো সুরক্ষা, মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ মোকাবিলা – এসবের কার্যকলাপ পর্যালোচনা করার একটি সুযোগ। ২০২৬ সালের রোডম্যাপ এবং কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করা হবে এই কনক্লেভে।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাই এ বারের সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে প্রথমে জানানো হয়েছিল বুধবার দিল্লি পৌঁছবেন খলিলুর। সেই সফরসূচি বদলে ফেলে মঙ্গলবার রাতেই দিল্লিতে পৌঁছে যান তিনি (Bangladesh)।

LinkedIn
Share