Tag: bangla

bangla

  • TMC Leader: গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী তৃণমূলের উদয়ন গুহ, কোন মামলায় পুলিশের জালে উত্তরবঙ্গের ‘ক্রিমিনাল’?

    TMC Leader: গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী তৃণমূলের উদয়ন গুহ, কোন মামলায় পুলিশের জালে উত্তরবঙ্গের ‘ক্রিমিনাল’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা (TMC Leader) উদয়ন গুহকে বুধবার কলকাতার ফুলবাগানের ফ্ল্যাট থেকে গ্রেফতার করল কোচবিহার জেলা পুলিশ। উদয়নকে (Udayan Guha) ধরে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় ফুলবাগান থানায়। সেখান থেকে কোচবিহারে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে পুলিশ।

    উদয়নের বিরুদ্ধে অভিযোগ (TMC Leader)

    পুলিশ সূত্রে খবর, উদয়নের বিরুদ্ধে নির্বাচনোত্তর হিংসা, তোলাবাজি, প্রতারণা এবং দুর্নীতির অভিযোগ-সহ একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে তাঁকে একটি তোলাবাজির মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের শিশু বিভাগ নির্মাণের সময় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নাম করে অর্থ তোলার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। ১২ জুন দায়ের হয় অভিযোগ। তার পাঁচ দিনের মাথায়ই পুলিশের জালে ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রয়াত নেতা কমল গুহের ছেলে উদয়ন। কোচবিহার জেলা পুলিশের একটি সূত্রের খবর, অবাস যোজনায় মেলা দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে উদয়নের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, আবাস যোজনায় বিপুল পরিমাণ টাকা কাটমানি পেয়েছেন তৃণমূলের এই নেতা। শুধু কাটমানি বাবদই তিনি কুড়ি কোটি টাকা তুলেছেন বলে অভিযোগ। এহ বাহ্য।

    তৃণমূলেরই বিক্ষুব্ধদের দাবি

    তৃণমূলের এই নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ বিস্তর। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর কোচবিহারে সংঘটিত ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায়ও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, এ সংক্রান্ত তদন্তেও উঠে এসেছে উদয়নের নাম। রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় থাকার সময় একধিকবার বিরোধীদের নিশানা করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন উদয়ন। তৃণমূলেরই বিক্ষুব্ধদের দাবি, উদয়ন এতটাই ক্ষমতাশালী যে উত্তরবঙ্গের কাজকর্ম তাঁকে না জানিয়ে করা যেত না। টাকা না দিলে কোনও কাজই হত না। ধরা পড়ার পর অবশ্য উদয়ন দাবি করেন, যে মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই মামলায় তাঁর আগাম জামিন রয়েছে। তাঁকে বেআইনিভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে উত্তরবঙ্গের এই ‘দাপুটে’ নেতা (এখন আর অবশ্য দাপট নেই) বলেন, “আমি জানিই না কেন আমায় গ্রেফতার করা হয়েছে।”

    উদয়নের ‘পালিয়ে’ আসার কারণ

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে দিনহাটা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান উদয়ন। তার পর থেকেই তিনি ছিলেন কলকাতায়, তাঁর ফ্ল্যাটে। তারপর থেকে তাঁকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের মতে, উদয়ন কোচবিহারে থাকলে সমস্যায় পড়তেন (TMC Leader)। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যেভাবে ‘কলঙ্কিত’ (অভিযোগ) তৃণমূল নেতাদের লক্ষ্য করে ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে এবং ডিম ছুড়ে মারা হচ্ছে, সেই জনরোষের শিকার হতে পারতেন উদয়নও। তাই তৃণমূলের কোচবিহারের এই নেতা কলকাতায় ‘পালিয়ে’ এসেছিলেন বলে অসমর্থিত সূত্রের খবর (Udayan Guha)।

    ‘এক নম্বরের নটোরিয়াস ক্রিমিনাল’

    দিনহাটার বিধায়ক বিজেপির অজয় রায়ের দাবি, উদয়নের বিরুদ্ধে খুন, ভোট-পরবর্তী হিংসা, আবাস যোজনায় দুর্নীতি এবং অন্যান্য একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, “উনি (উদয়ন) অনেক দুর্নীতি করেছেন। উনি এক নম্বরের নটোরিয়াস ক্রিমিনাল। অনেক আগেই ওঁকে গ্রেফতার করা উচিত ছিল। ভেবেছিলেন বেঁচে যাবেন। কিন্তু আইন সবার জন্য এক, এটা পরিষ্কার।” উত্তরবঙ্গে এক সময় দাপিয়ে ফরওয়ার্ড ব্লক করতেন উদয়ন। কমল গুহের পর কোচবিহারে (TMC Leader) তিনিই ধরেছিলেন এই বাম দলের রাশ। ২০১১ সালে ফরওয়ার্ড ব্লকের টিকিটে জিতে বিধানসভায়ও গিয়েছিলেন কমল-পুত্র। ২০১৫ সালে ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে উদয়ন যোগ দেন তৃণমূলে। ২০১৬ সালে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে দিনহাটা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভায় জায়গা পান উদয়ন। তাঁকে করা হয় উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী। সেই উদয়নই গ্রেফতার হলেন বুধ-দুপুরে। এই (Udayan Guha) নিয়ে গত সরকারের চার মন্ত্রীর হাতে পড়ল (TMC Leader) ‘হাতকড়া’। উদয়নের পূর্বসূরিরা হলেন, সুজিত বসু, দিলীপ মণ্ডল এবং উজ্বল বিশ্বাস।

     

  • Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রী মোদির সফরের আগে ‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ অভিযান, বাগবাজার মায়ের ঘাটে সাফাই অভিযানে শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রী মোদির সফরের আগে ‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ অভিযান, বাগবাজার মায়ের ঘাটে সাফাই অভিযানে শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বঙ্গে প্রথম বিজেপি-রাজ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম তিনি আসছেন। তাঁর এই সম্ভাব্য সফরের আগে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে ‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ কর্মসূচি। বুধবার কলকাতার বাগবাজারের মায়ের ঘাটে আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ঘাট পরিষ্কার করার পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও দেওয়া (Swachhata Se Swagat Drive) হয় এই কর্মসূচির মাধ্যমে।

    স্বচ্ছতা অভিযান (Suvendu Adhikari)

    সূত্রের দাবি, ২০ জুন পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে চলবে এই স্বচ্ছতা অভিযান। প্রধান উদ্দেশ্য পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং গঙ্গার ঘাট-সহ বিভিন্ন জনপরিসরকে জঞ্জালমুক্ত রাখা। বুধবারের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, পর্যটন দফতরের প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী এবং কলকাতা পুরনিগমের প্রশাসক স্মিতা পান্ডে। কর্মসূচির শুরুতে বৃক্ষরোপণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে ঘাট পরিদর্শন করে নিজে হাতে ঝাঁটা নিয়ে নেমে পড়েন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত বিজেপির অন্যান্য নেতাও যোগ দেন স্বচ্ছতা অভিযানে।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    পরে সাংবাদিকদের নয়া মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর বৃহত্তর প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কোনও একদিনের বিষয় নয়, বরং এটি একটি সকলের নিয়মিত একটি অভ্যাস হওয়া উচিত। সমগ্র কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপরও জোর দেন রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং আইনশৃঙ্খলার পাশাপাশি পরিবেশের পরিচ্ছন্নতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। গঙ্গা ও গঙ্গার ঘাটগুলিকে দূষণমুক্ত রাখতে আগামী দিনেও এই ধরনের অভিযান চলবে।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘পুরো কলকাতা, পুরো রাজ্যকে পরিষ্কার করতে হবে। উন্নয়নও হবে। তার সঙ্গে সঙ্গে স্বচ্ছতাও জরুরি।’’

    পুজো দিয়ে শুরু সাফাই অভিযান

    ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, অতীতে এই প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে এগোয়নি। ভবিষ্যতে গঙ্গাকে আরও পরিষ্কার ও দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানান তিনি (Suvendu Adhikari)।কয়েক দিন আগেই পাঁচ দিনের স্বচ্ছতা অভিযানের ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই বুধবার বাগবাজার মায়ের ঘাট থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির সূচনা করা হয় (Swachhata Se Swagat Drive)। এদিন সাফাই অভিযান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী বাগবাজার ঘাটের পাশে থাকা মন্দিরে পুজো দেন, প্রার্থনা করেন মা গঙ্গার আশীর্বাদ। এরপরেই হাতে ঝাঁটা নিয়ে সহকর্মী এবং মন্ত্রীদের নিয়ে ঘাট পরিষ্কারের কাজে নেমে পড়েন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীকে স্বচ্ছতা উপহার

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যজুড়েই এই ধরনের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি চলছে। আমাদের সমাজ ও পরিবেশে স্বচ্ছতার অত্যন্ত প্রয়োজন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কলকাতায় আসছেন। আমরা তাঁকে এই স্বচ্ছতা উপহার দিয়ে কলকাতায় স্বাগত জানাতে চাই।” তৃণমূল সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, “বিগত সরকারের নেতিবাচক ভাবনার কারণে বাংলায় নমামি গঙ্গা প্রকল্পের কোনও কাজই হয়নি। আমরা আগামী দিনে গঙ্গাকে আরও নির্মল ও দূষণমুক্ত করব। সারা বছর ধরেই এই সাফাই অভিযান ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হিসেবে জারি থাকবে।” রাজ্যে যে স্বচ্ছতা অভিযান শুরু হবে, তা আগেই জানিয়েছিল নবনির্বাচিত পদ্ম সরকার। সেই মতো এদিন শুরু হয় অভিযান। চলবে পাঁচ দিন ধরে। গঙ্গা পরিষ্কারের পাশাপাশি পরিষ্কার করা হবে কলকাতার প্রতিটি গঙ্গার ঘাটও। কলকাতা পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পান্ডে জানিয়েছিলেন, ২১ জুন যোগ দিবসে রাজ্যে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে এক স্বচ্ছ কলকাতা উপহার দেওয়া হবে।

    প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারত অভিযান

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। সেই বছরই দেশের শহরগুলিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে তোলার পরিকল্পনা সামনে রেখে ২ অক্টোবর স্বচ্ছ ভারত অভিযান শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী (Swachhata Se Swagat Drive)। ঝাঁটা হাতে নিজেই নেমে পড়েছিলেন রাস্তায়। তখন দিল্লি ভোটের তোড়জোড় চলেছে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালার দল আম আদমি পার্টির নির্বাচনী প্রতীক ঝাঁটা। বস্তুত, এই ঝাঁটা হাতে তুলে নিয়েই পথে নেমে পড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও সেবার দিল্লির নির্বাচনে তার বিশেষ প্রভাব পড়েনি।

    প্রশংসা কুড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রীর অভিযান

    তবে প্রধানমন্ত্রীর এই সাফা্ই অভিযান দেশ তো বটেই, বিদেশেও ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে (Suvendu Adhikari)। এই অভিযানের ১০ বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছিলেন বিশ্বব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ। তিনি জানিয়েছিলেন, প্ৰধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এই মিশন একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক ছুঁয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর-জেনারেল ডঃ টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাসও স্বচ্ছ ভারত অভিযানের দশ বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীকে মোদীকে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়েছিলেন (Swachhata Se Swagat Drive)। শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসও। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) এহেন অভিযানের ভূয়সী প্রশংসাও করেছিলেন বিল গেটস।

     

  • Charu Pandey: ১৯ সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সাফল্য, রাষ্ট্রপতির হাত থেকে স্বর্ণপদক পাচ্ছেন চারু পান্ডে

    Charu Pandey: ১৯ সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সাফল্য, রাষ্ট্রপতির হাত থেকে স্বর্ণপদক পাচ্ছেন চারু পান্ডে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সরকারি চাকরির পরীক্ষার্থীদের কাছে অনুপ্রেরণার আর এক নাম ছত্তিশগড়ের তিলদা-নেওরার বছর তেইশের তরুণী চারু পান্ডে (Charu Pandey)। এক বা দু’টি নয়, সব মিলিয়ে মোট ১৯টি প্রতিযোগিতামূলক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় (Government Exams) উত্তীর্ণ হয়ে নজির গড়েছেন তিনি। চারু এখন বিশাখাপত্তনমে ভারতের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG) দফতরে অ্যাসিস্ট্যান্ট অডিট অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। এটি তাঁর স্বপ্নের চাকরি।

    স্বর্ণপদক পাচ্ছেন চারু (Charu Pandey)

    চারুর এই অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে চলতি বছরের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর হাতে তুলে দেবেন স্বর্ণপদক। গণিতে স্নাতক চারু কলেজে পড়াশোনা করা কালীনই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন। কোনও কোচিং সেন্টারে ভর্তি না হয়ে সেল্ফ-স্টাডির মাধ্যমে একের পর এক পরীক্ষায় সফল হন তিনি। চারুর সাফল্যের তালিকায় রয়েছে এসএসসি সিজিএল, এসএসসি সিএইচএসএল, এসএসসি এমটিএস, এসএসসি জিডি, এসএসসি সিপিও, এসবিআই পিও, এসবিআই ক্লার্ক, আইবিপিএস পিও, আইবিপিএস ক্লার্কের পাশাপাশি বিভিন্ন রেলওয়ে এবং রাজ্যস্তরের নিয়োগ পরীক্ষা।

    চারুর কঠোর ‘সাধনা’

    চারু জানান, প্রথমে এতগুলি পরীক্ষায় বসার কোনও পরিকল্পনা তাঁর ছিল না। একটি পরীক্ষার ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগত, তাই অপেক্ষা না করে তিনি পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতি সেরে ফেলতেন। এভাবেই একের পর এক সুযোগ কাজে লাগিয়ে তৈরি হয়েছে তাঁর এই অনন্য সাফল্যের ইতিহাস। প্রস্তুতির জন্য চারু ছত্তিশগড়ের রায়পুরে একটি গেস্ট হাউসে ছ’মাস একা একা কাটিয়েছেন, যাতে পড়াশোনায় কোনও বাধা না আসে। সেই সময় তিনি দিনে প্রায় ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত পড়াশোনা করতেন। তবে শুধু পড়াশোনা নয়, মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে অন্যান্য কাজেও সময় দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। ওই সময় তিনি স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের পড়াতেন, যা তাঁর নিজের বিষয়ভিত্তিক ধারণাকেও আরও শক্তিশালী করেছিল।

    সাফল্যের মূল চাবিকাঠি

    চারুর (Charu Pandey) মতে, সফলতার মূল চাবিকাঠি হল গভীরভাবে পড়াশোনা করা। তিনি বলেন, “পুরো সিলেবাস শেষ করার পেছনে না ছুটে যতটুকু পড়বেন, সেটাকে একেবারে পোক্ত করে তুলুন।” কোচিং না করেও অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়েছেন চারু। বিভিন্ন শিক্ষকের ইউটিউব লেকচার দেখে প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং কোনও বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হলে সাহায্য নিয়েছেন এআইয়ের (AI)। পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে তাঁর (Charu Pandey) পরামর্শ, সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে হবে, ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে এবং মানসিক চাপের বিষয়ে পরিবারের সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করতে হবে (Government Exams)। চারুর বাবা-মা জানান, তাঁরা মেয়েকে খুব বেশি বইপত্র নিয়ে বসে থাকতে দেখতেন না, যদিও তাঁর ওপর সবসময়ই আস্থা ছিল। ছোট শহরের এক সাধারণ পরিবারের মেয়ে থেকে দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সরকারি চাকরিতে চারুর (Charu Pandey) পৌঁছানোর এই যাত্রা প্রমাণ করে, ব্যয়বহুল কোচিং নয়, বরং ধারাবাহিকতা, আত্মনিয়োগ এবং সঠিক কৌশলই সাফল্যের আসল (Government Exams) চাবিকাঠি।

     

  • PM Narendra Modi: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফের ফ্রান্সে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী, যোগ দেবেন একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

    PM Narendra Modi: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফের ফ্রান্সে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী, যোগ দেবেন একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি৭ সম্মেলনে (G7 Summit) অংশ নিতে মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়াঁয় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “জি৭ সম্মেলনে অংশ নিতে ফ্রান্সের এভিয়াঁয় পৌঁছেছি। বিশ্বের নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে মতবিনিময়ের অপেক্ষায় রয়েছি। আরও টেকসই ও সমৃদ্ধ পৃথিবী গড়তে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    ‘ভারত ইনোভেটস’ কনক্লেভের উদ্বোধন (PM Narendra Modi)

    ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ফ্রান্সের নিস শহরে গিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে যৌথভাবে ‘ভারত ইনোভেটস’ কনক্লেভের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি সরকারি সফরে যান স্লোভাকিয়ায়। সেখানে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন। এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া একাধিক মউ (MoU) স্বাক্ষর করে, এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়। স্লোভাকিয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ দেয়।

    মোদিকে স্বাগত জেনেভার প্রেসিডেন্টের 

    এর আগে মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পৌঁছালে তাঁকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান সে দেশের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, দুই নেতা উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি ভারত-সুইজারল্যান্ড দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। এভিয়াঁয় অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদি জি৭ সদস্য দেশগুলির নেতা, আমন্ত্রিত অংশীদার রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন। এসব বৈঠকে নতুন অংশীদারিত্ব গঠন, আন্তর্জাতিক সংহতি পুনর্গঠন, ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নিরাপদ ও দ্রুত এআই (AI) বাস্তবায়ন-সহ বিভিন্ন বৈশ্বিক বিষয়ে আলোচনা হবে (PM Narendra Modi)।

    একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা 

    সম্মেলনের ফাঁকে বিশ্বের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার, ১৭ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হতে পারে। এভিয়াঁর কর্মসূচি শেষে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী যাবেন প্যারিসে। সেখানে তিনি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পাশাপাশি ইউরোপের বৃহত্তম (G7 Summit) প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ সম্মেলন ‘ভিভাটেক সামিটে’ যোগ দেবেন। প্যারিসে প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের উদ্দেশেও ভাষণ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর (PM Narendra Modi)।

     

  • Suvendu Adhikari: প্রথম পাহাড় সফরেই গুচ্ছের বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কালিম্পঙে মেডিক্যাল কলেজ, আর কী?

    Suvendu Adhikari: প্রথম পাহাড় সফরেই গুচ্ছের বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কালিম্পঙে মেডিক্যাল কলেজ, আর কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মঙ্গলবারই প্রথম পাহাড় সফরে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে এটাই ছিল তাঁর প্রথম দার্জিলিং সফর। কার্শিয়ঙের গোথালস গ্রাউন্ডে আয়োজিত ‘জনকল্যাণ শিবিরে’ যোগ দিয়ে পাহাড়বাসীর জন্য একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও নতুন উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রীকে যৌথভাবে সংবর্ধনা (Suvendu Adhikari)

    এদিন পাহাড়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে যৌথভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সর্বদলীয় এই অভ্যর্থনায় আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পাহাড়বাসী এবার প্রকৃত অর্থেই ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুফল পাবেন। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রের যে সব প্রকল্প আটকে ছিল, সেগুলি এবার দ্রুত বাস্তবায়িত হবে (Tourism Politics)। রাজনৈতিকভাবে দার্জিলিং, কার্শিয়াং ও কালিম্পং— তিনটি বিধানসভা কেন্দ্র এবং দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্র বিজেপির শক্ত ঘাঁটি বলেই জানান মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড়বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে তাঁর সরকার যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

    উন্নয়নের রোডম্যাপ

    এদিন, পাহাড়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য একটি নির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরির কথা ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কালিম্পঙে একটি মেডিক্যাল কলেজ গড়ে তোলা হবে। জোর দেওয়া হবে পাহাড়ের শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণেও। তিনি এও জানান, রাজ্যের সাড়ে ৬ কোটি মানুষ এবার ‘আয়ুষ্মান ভারত’ স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আসবেন। ‘জিআরএমজি’ প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে ১২৫ দিনের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে পাহাড়ে। যুব সমাজের খেলাধুলোর উন্নয়নের জন্য ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের অধীনে একটি আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণের ঘোষণাও করেন শুভেন্দু। বিদ্যুৎ বিলের সরকারি ভর্তুকি আগের মতোই বহাল থাকবে বলেও জানান তিনি (Suvendu Adhikari)।

    আগের সরকারকে নিশানা

    তৃণমূল পরিচালিত পূর্বতন সরকারকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগের সরকারের আমলে শুধু নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধই ছিল না, জিটিএতেও ব্যাপক নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে।” তাঁর দাবি, বর্তমান সরকারের আমলে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ হবে, এবং আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই রাজ্যে প্রচুর পুলিশকর্মী নিয়োগ করা হবে। কার্শিয়ঙের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে পদ্ম সরকারের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগের সরকার পাহাড়কে গুরুত্ব দিত না। পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ে শুধু পর্যটক হিসেবে আসতেন, উন্নয়নের জন্য কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করেননি।” তিনি বলেন, “আমি পর্যটক হয়ে আসিনি, কাজ করতে এসেছি। পাহাড়ের মানুষের কাছে সরকারের সমস্ত সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”

    শহিদ সেনানীদের অবদান স্মরণ

    এদিনের সভা থেকে দেশ রক্ষায় পাহাড়ের বীর জওয়ান ও শহিদ সেনানীদের অবদানের কথাও স্মরণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “দেশের সঙ্কটের সময় পাহাড়ের মানুষ সবসময় দেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল মনে রাখবে।” প্রসঙ্গত, কার্শিয়ঙের গোথালস গ্রাউন্ডে প্রশাসনের ১৯টি দফতরের বিভিন্ন জনমুখী পরিষেবা নিয়ে বর্তমানে ‘জনকল্যাণ শিবির’ চলছে (Tourism Politics)। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শিবির পরিদর্শন করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। খতিয়ে দেখেন বিভিন্ন সরকারি পরিষেবার কাজকর্ম (Suvendu Adhikari)।

  • Prasun Mukherjee: কাটতে চলেছে বঙ্গের হা-শিল্প দশা? নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী শিল্পপতির বৈঠকের পর বাড়ছে আশা

    Prasun Mukherjee: কাটতে চলেছে বঙ্গের হা-শিল্প দশা? নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী শিল্পপতির বৈঠকের পর বাড়ছে আশা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের হা-শিল্প দশা? নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং শিল্পপতি প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের (Prasun Mukherjee) সৌজন্যমূলক বৈঠক ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমহলে শুরু হয়েছে নতুন করে জল্পনা। সোমবার এই বৈঠক হয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সম্ভাব্য শিল্প বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের দিক থেকে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি (Prasun Mukherjee)

    মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের প্রধান শুভেন্দু শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিকে সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকারের তালিকায় রেখেছেন। সেই প্রেক্ষাপটে বহুজাতিক সংস্থা ‘ইউনিভার্সাল সাকসেস এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডে’র  চেয়ারম্যান প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিনিয়োগ ঘোষণার খবর সামনে না এলেও, এই বৈঠককে ঘিরে ভবিষ্যতে বড় শিল্প প্রকল্পের সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে জানান, প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ অত্যন্ত আনন্দদায়ক ছিল। তিনি নবান্নে এসেছিলেন সৌজন্যমূলক বৈঠক করতে। মুখ্যমন্ত্রীর আশা, ভবিষ্যতে দু’পক্ষের মধ্যে ফলপ্রসূ সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে, যা পশ্চিমবঙ্গের প্রবৃদ্ধি ও কৌশলগত উন্নয়নের নয়া দিগন্ত উন্মোচন করবে।

    কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    তিনি এও জানান, এই ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে রাজ্যের মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের পথ আরও সুগম হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর থেকেই শিল্প ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত মহলে প্রসূন-শুভেন্দুর এই বৈঠক নিয়ে চড়ছে আগ্রহের পারদ। এদিকে, রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের ইতিবাচক পরিবেশ তৈরির ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই মিলেছে। সম্প্রতি গুজরাটের দুগ্ধ সমবায় সংস্থা আমূল হাওড়ার সাঁকরাইলে বড় লগ্নির কথা ঘোষণা করেছে। সেখানে দেশের অন্যতম বৃহৎ দই উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। সংস্থাটি উত্তরবঙ্গেও ব্যবসা সম্প্রসারণের রূপরেখা তৈরি করছে (Prasun Mukherjee)।

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    এহেন পরিস্থিতিতে সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাঙালি শিল্পপতি প্রসূনের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠককে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য শিল্প সহযোগিতার সূচনা হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এই (Suvendu Adhikari) বৈঠকের ফলশ্রুতিতে অদূর ভবিষ্যতে রাজ্যে নয়া বিনিয়োগ, শিল্পোন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের কতটা সুযোগ সৃষ্টি হয়, এখন সেটাই দেখার (Prasun Mukherjee)।

     

  • Peace Deal: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির পথে নয়া সঙ্কট, পুনর্গঠন প্যাকেজ নিয়ে তীব্র মতবিরোধ

    Peace Deal: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির পথে নয়া সঙ্কট, পুনর্গঠন প্যাকেজ নিয়ে তীব্র মতবিরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের পর যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের (Peace Deal) সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছিল, ঠিক তখনই নয়া এক বিতর্কের জেরে ভেস্তে যেতে বসেছে শান্তি প্রক্রিয়া। বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক সাহায্য প্যাকেজ, যাকে ইরান (Iran Denies Trump Claim) একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবেই বিবেচনা করছে।

    ট্রাম্পের বক্তব্য (Peace Deal)

    তেহরানের (ইরানের রাজধানী) দাবি, দীর্ঘ সংঘাতের ফলে ইরানের অর্থনীতি ও পরিকাঠামো যে ক্ষতির মুখে পড়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে এই বিশাল অর্থনৈতিক প্যাকেজ অপরিহার্য। ইরানের মতে, পর্যাপ্ত অর্থনৈতিক সাহায্য ও পুনর্গঠন পরিকল্পনা ছাড়া স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা অসম্ভব।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য প্রকাশ্যে ইরানের এই দাবি অস্বীকার করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, “ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না—এই ব্যাপারে তারা সম্মত হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ৩০০ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে—এই ধরনের খবর সম্পূর্ণ ভুয়ো।”

    আন্তর্জাতিক মহলেও ঘনিয়েছে উদ্বেগের মেঘ

    ট্রাম্পের এহেন বক্তব্য ইরানের অবস্থানের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। তাই দুই দেশের শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়েই উঠছে নয়া প্রশ্ন। আগামী ১৯ জুন সম্ভাব্য চুক্তি সই হওয়ার আগে দু’পক্ষের অবস্থান ১৮০ ডিগ্রি আলাদা হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলেও ঘনিয়েছে উদ্বেগের মেঘ।বিশ্লেষকদের মতে, ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই প্যাকেজ সরাসরি ক্ষতিপূরণ নাকি (Peace Deal) দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও পুনর্গঠন কর্মসূচি—সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। পশ্চিমী বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি মার্কিন সরকারের সরাসরি অর্থ প্রদান নয়, বরং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী, বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ইরানের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির একটি পরিকল্পনা হতে পারে।

    শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা

    এদিকে, ইরান একে যুদ্ধজনিত ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের নিশ্চয়তা হিসেবে তুলে ধরছে। ফলে একই বিষয়কে দু’পক্ষ ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করায় শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধোত্তর পরিস্থিতিতে পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক সহায়তার প্রশ্নেই সবচেয়ে বড় জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। যদি ইরান এই অর্থনৈতিক নিশ্চয়তাকে অনড় শর্ত হিসেবে ধরে রাখে এবং ওয়াশিংটন প্রকাশ্যে এমন কোনও প্রতিশ্রুতি দিতে রাজি না হয়, তাহলে পুরো শান্তি প্রক্রিয়া ভেস্তে যেতে পারে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, অনেক সময় যুদ্ধবিরতি (Iran Denies Trump Claim) বা শান্তি চুক্তি সামরিক ইস্যুতে নয়, বরং অর্থায়ন, বাস্তবায়ন ও পারস্পরিক প্রত্যাশার পার্থক্যের কারণেই ব্যর্থ হয়। আমেরিকা-ইরানের মধ্যে চলা আলোচনাও এখন (Peace Deal) ঠিক এমনতর পরীক্ষারই সম্মুখীন।

     

  • PM Modi: মোদির উপহার দেওয়া জ্যাকেট পরেই বৈঠকে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী ফিকো, মিলল দু’জনের পোশাকের রঙও

    PM Modi: মোদির উপহার দেওয়া জ্যাকেট পরেই বৈঠকে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী ফিকো, মিলল দু’জনের পোশাকের রঙও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর জ্যাকেটের রঙ এক! এহেন কাকতালীয় ঘটনায় যারপরনাই বিস্মিত মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার এমন এক আন্তরিক ও হাস্যরসাত্মক মুহূর্ত।  ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, দু’জনেই প্রায় একই রঙের বেইজ জ্যাকেট পরে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।

    রঙ মিলান্তি (PM Modi)

    ভিডিওতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, “কী আশ্চর্য কাকতালীয় ঘটনা, আমাদের দু’জনের পোশাকের রঙ একেবারে মিলে গিয়েছে।” তিনি জানান, রবার্ট ফিকো যে জ্যাকেটটি পরেছেন, সেটি তিনিই তাঁকে উপহার দিয়েছিলেন। ভিডিওর ক্যাপশনেও লেখা হয়েছে, “প্রধানমন্ত্রী ফিকো আমার দেওয়া জ্যাকেটটি পরেছেন এবং কাকতালীয়ভাবে আজ আমাদের দু’জনের জ্যাকেটের রঙও একই হয়েছে।” ভিডিওতে দেখা যায়, ফিকো নীল শার্ট ও প্যান্টের সঙ্গে ভারতের ঐতিহ্যবাহী হাতাকাটা জ্যাকেট বা ‘মোদি জ্যাকেট’ স্টাইলের পোশাক পরেছেন। এই দৃশ্য নেটিজেনদের নজর কাড়ে এবং মুহূর্তেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়।

    সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারদের মন্তব্য

    এক সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারের মন্তব্য, “দুই দেশের সম্পর্কের জন্য এটি অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা।” আর একজন লিখেছেন, “ফিকোকে দারুণ দেশি স্মার্ট লাগছে।” অন্য এক নেটিজেনের মন্তব্য, “আগে ভারতীয় নেতারা পশ্চিমী পোশাক পরে বিদেশ সফরে যেতেন, এখন পশ্চিমী নেতারাই ভারতীয় পোশাকের (PM Modi) ধাঁচ অনুসরণ করছেন।” প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে সরকারি সফরে স্লোভাকিয়ায় রয়েছেন। ১৯৯৩ সালে চেকোস্লোভাকিয়া ভেঙে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে স্লোভাকিয়া। তার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ওই দেশ সফরে গিয়েছেন।

    ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ’

    এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করেছে। পাশাপাশি অভিবাসন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ (Viral Video)। বৈঠক শেষে মোদি বলেন, “আন্তর্জাতিক স্তরেও ভারত ও স্লোভাকিয়া ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে এবং (PM Modi) সব ধরনের বিরোধ ও উত্তেজনার শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষেই সহমত উভয় দেশ।”

     

  • PM Modi: ঐতিহাসিক সফরে মোদিকে বিশেষ সম্মান, ভারতীয় তেরঙায় আলোকিত স্লোভাকিয়ার ব্রাতিস্লাভা দুর্গ

    PM Modi: ঐতিহাসিক সফরে মোদিকে বিশেষ সম্মান, ভারতীয় তেরঙায় আলোকিত স্লোভাকিয়ার ব্রাতিস্লাভা দুর্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঐতিহাসিক স্লোভাকিয়া সফর স্মরণীয় করে রাখতে ভারতীয় জাতীয় পতাকার রঙে আলোকিত করা হল ঐতিহাসিক ব্রাতিস্লাভা দুর্গকে (Bratislava Castle)। ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী স্লোভাকিয়া সফরে যাওয়ায় বিশেষ কূটনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে এই সফর।

    তেরঙায় আলোকিত স্লোভাকিয়ার ক্যাসেল (PM Modi)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডেলে ব্রাতিস্লাভা ক্যাসেলের আলোকসজ্জার ছবি শেয়ার করে একে “ইতিহাসের ছোঁয়ায় উদযাপিত এক ঐতিহাসিক সফর” বলে উল্লেখ করেন। দানিউব নদীর তীরে পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত এই বিখ্যাত দুর্গকে গেরুয়া, সাদা ও সবুজ রঙে সাজিয়ে ভারত-স্লোভাকিয়া বন্ধুত্বের উষ্ণ বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর মধ্যে ব্রাতিস্লাভা ক্যাসেলেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বছরের ইতিহাস বহনকারী এই দুর্গ বর্তমানে স্লোভাক ন্যাশনাল মিউজিয়ামের অংশ এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।

    কূটনৈতিক মহলের বক্তব্য

    কূটনৈতিক মহলের মতে, ভারতের জাতীয় পতাকার রঙে ক্যাসেলকে আলোকিত করার সিদ্ধান্ত শুধু আনুষ্ঠানিক সম্মান নয়, বরং ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ককে আরও গভীর করার রাজনৈতিক ও কৌশলগত বার্তাও দেয় (PM Modi)। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রথমবার ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চৌকাঠ পেরোয়। পরের বছর সেই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যার মধ্যে ভারতের রফতানি ১.৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং আমদানি ২৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে স্লোভাকিয়ায় প্রায় ১১ হাজার ভারতীয় বসবাস করেন, যা ইউক্রেনীয়দের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রবাসী সম্প্রদায়। ব্রাতিস্লাভা, কোশিচে ও নিত্রার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৫০০ ভারতীয় ছাত্রছাত্রী চিকিৎসা, টেকনোলজি ও কমার্স নিয়ে পড়াশোনা করে।

    ভারত-স্লোভাকিয়ার সম্পর্ক

    এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করেছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি লেটার অব ইনটেন্ট সই এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটো সদস্য এবং ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পোন্নত দেশ স্লোভাকিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আগামী দিনে আরও বেশি করে কৌশলগত গুরুত্ব পাবে (Bratislava Castle)। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ এবং নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপে ভারতের সদস্যপদের দাবিতে স্লোভাকিয়া দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক অবস্থান (PM Modi) বজায় রেখেছে।

     

  • PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া পালক, স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া পালক, স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান (National Honour) ‘দ্য অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডাবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ দেওয়া হল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। সোমবার স্লোভাকিয়ার রাজধানী ব্রাতিস্লাভায় এক বিশেষ অনুষ্ঠানে সে দেশের প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি এই সম্মান তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর হাতে।

    মোদির পাওয়া ৩৩তম আন্তর্জাতিক সম্মান (PM Modi)

    এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাওয়া ৩৩তম আন্তর্জাতিক সম্মান, যা বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক গুরুত্বের প্রতিফলন বলেই দাবি কূটনৈতিক মহলের। সম্মান গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা এক বার্তায় বলেন, এই সম্মান ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের প্রতি উৎসর্গীকৃত এবং ভারত-স্লোভাকিয়া বন্ধুত্বের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের প্রতীক। তিনি স্লোভাকিয়ার জনগণ এবং সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই সম্মান ভারত ও স্লোভাকিয়ার জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, উষ্ণতা ও বন্ধুত্বের স্বীকৃতি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এই সম্মান অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

    স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান

    উল্লেখ্য, ‘দ্য অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডাবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ অসামরিক ও সামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মান, যা শুধুমাত্র বিদেশি নাগরিকদের দেওয়া হয়। বর্তমানে ছ’দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন ইউরোপ সফরে। এই সফরের অংশ হিসেবেই তিনি স্লোভাকিয়ায় যান। এটি কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম স্লোভাকিয়া সফর। চলতি সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করেছে। সহযোগিতা বাড়াতে সই করেছে অভিবাসন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি (PM Modi)।

    রুটি ও নুন দিয়ে স্বাগত প্রধানমন্ত্রীকে

    প্রসঙ্গত, দু’দিনের সফরে স্লোভাকিয়ায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে পৌঁছানোর পর তাঁকে রুটি ও নুন দিয়ে স্বাগত জানান প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি। সে দেশের রীতি অনুযায়ী অতিথিদের রুটি এবং নুন দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। স্লোভাকিয়ায় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, কৌশলগত সহযোগিতা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয় (National Honour)। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে সঙ্গে ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্ত্রি এবং অন্য শীর্ষ আধিকারিকরা। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে আয়োজিত একটি বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচিতেও অংশ নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এবং সে দেশের প্রেসিডেন্ট।

     

LinkedIn
Share