Tag: bangla

bangla

  • Assembly Election 2026: গণনা-পর্ব বিঘ্নহীন করতে অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    Assembly Election 2026: গণনা-পর্ব বিঘ্নহীন করতে অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election 2026)। ভোট গণনা হবে ৪ মে, সোমবার। গণনাও বিঘ্নহীন করতে অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগ করছে (Police Counting Observers) নির্বাচন কমিশন। ১৬৫ জন নতুন কাউন্টিং অবজার্ভার এবং ৭৭ জন পুলিশ অবজার্ভার নিয়োগ করা হচ্ছে। ১৬৫টি বিধানসভার গণনাকেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে কাউন্টিং অবজার্ভারদের। একাধিক গণনাকক্ষ সম্বলিত গণনাকেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে তাঁদের।

    কাউন্টিং অবজার্ভার নিয়োগ (Assembly Election 2026)

    কমিশন সূত্রে খবর, একাধিক গণনা কক্ষ রয়েছে, এমন গণনাকেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে কাউন্টিং অবজার্ভারদের। গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করতে মোতায়েন করা হবে অতিরিক্ত পুলিশ অবজার্ভারও। শান্তিপূর্ণ, ভয়মুক্ত ও স্বচ্ছ গণনাপ্রক্রিয়ার জন্যই অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সূত্রের খবর, কাউন্টিং ও পুলিশ অবজার্ভাররা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রেখেই কাজ করবেন। প্রসঙ্গত, ভোট গণনায় কেন কেবল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের রাখা হচ্ছে, প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছিল তৃণমূল। সেখানে মুখ পোড়ানোর (নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ বহাল রাখায়) পর সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। আরও একবার মুখ পুড়িয়ে রণে ভঙ্গ দেয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। শীর্ষ আদালত কমিশনের ১৩ এপ্রিলের নির্দেশিকায়ই শিলমোহর দেয়। আদালত জানিয়ে দেয়, কাউন্টিং সুপারভাইজার এবং কাউন্টিং অ্যাসিস্ট্যান্টরা কাজ করবেন নির্বাচন কমিশনের অধীনে। তাঁরা যদি কমিশনের নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন, তাহলে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী নাকি রাজ্য সরকারের কর্মী, তাতে কী এল, প্রশ্ন তোলে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ (Assembly Election 2026)।

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বক্তব্য

    এই বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। তিনি বলেন, “গণনা কেন্দ্রে সমস্ত দলের এজেন্ট থাকবে, তাহলে অসুবিধা কোথায়? কমিশনের কাছে কেন্দ্র-রাজ্য উভয় কর্মীদের মধ্যে থেকে আধিকারিক বাছার অধিকার রয়েছে। কমিশন যদি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগ করেন, তাতে অসুবিধা কোথায়? রাজ্যই হোক বা কেন্দ্র, এঁরা সবাই সরকারি কর্মী।” তাই এই বিভাজন আসছে কোথা থেকে, প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি পিএস নরসিংহ। ১৩ এপ্রিল যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল কমিশন, সেই অনুযায়ীই কাজ হবে, আলাদা করে নির্দেশ দেওয়ার কোনও প্রয়োজনই নেই বলেও জানিয়ে দেয় বেঞ্চ (Police Counting Observers)। এর পরেই অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের কথা জানায় কমিশন। কী কাজ করবেন এই কাউন্টিং অবজার্ভার এবং পুলিশ অবজার্ভাররা? সূত্রের খবর, গণনা চলাকালীন পর্বে যাতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি না হয়, গণনা প্রক্রিয়া যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, তা দেখবেন অতিরিক্ত কাউন্টিং অবজার্ভাররা। পুলিশ অবজার্ভাররা গণনাকক্ষে ঢুকতে পারবেন না। তাঁরা শুধু দেখবেন বাইরে কোনও গন্ডগোল হচ্ছে কিনা (Assembly Election 2026)।

     

  • Post Poll Violence: বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় মারধর, খুনের হুমকি! নির্বাচনোত্তর হিংসায় তপ্ত ফলতা, পুলিশকে বড় নির্দেশ কমিশনের

    Post Poll Violence: বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় মারধর, খুনের হুমকি! নির্বাচনোত্তর হিংসায় তপ্ত ফলতা, পুলিশকে বড় নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনোত্তর হিংসার জেরে ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র। ভোটের ফল বের হওয়ার কথা সোমবার। তার আগেই এলাকায় তৃণমূল অশান্তি শুরু করে দিয়েছে বলে (Post Poll Violence) অভিযোগ। রাজনৈতিক সংঘাত, হামলা এবং পুনর্নির্বাচনের দাবিকে কেন্দ্র করে কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে হাসিমনগর এলাকা। বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, পদ্মফুলে ভোট দেওয়ার ‘অপরাধে’ তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীদের হামলার মুখে পড়ছেন তাঁরা। মারধরের পাশাপাশি খুনের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই শনিবার হাসিমনগরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পদ্ম-কর্মী-সমর্থকরা। এই পরিস্থিতিতে ফলতার তৃণমূল প্রার্থীর দুই ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দিল কমিশন। এমনকী, নির্দেশ না মানলে পুলিশের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে গুচ্ছের অভিযোগ (Post Poll Violence)

    বিক্ষোভকারীদের দাবি, ভোটের দিন থেকেই সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। ভোটারদের বুথে যেতে বাধা দেওয়া, ভয় দেখানো, মায় জোর করে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগও উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটগ্রহণ পর্ব চুকে যাওয়ার পর সেই সন্ত্রাস আরও বেড়েছে বলেই অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। তাদের দাবি, যারা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, তাঁদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে মারধরও করা হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে শুরু থেকেই খবরের শিরোনামে ফলতা কেন্দ্র। ভোটের আগে থেকেই এই কেন্দ্রে বারবার উত্তেজনার ঘটনা সামনে এসেছে। তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করা, ভয় দেখানো এবং হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও তুলেছিলেন বিরোধীরা। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয় উত্তরপ্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মাকে। জাহাঙ্গিরের বাড়ির সামনে গিয়ে ‘সিংহম’ নামে পরিচিত এই আধিকারিকের কড়া বার্তা তখনই আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল।

    পুনর্নির্বাচনের দাবিতে সরব স্থানীয়রা

    ভোট-পর্ব শেষ হলেও বিতর্ক থামেনি। বরং পুনর্নির্বাচনের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন ফলতার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, ফলতার অন্তত ২৩টি বুথে পুনর্নির্বাচন হোক। অভিযোগ, ওই বুথগুলিতে অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়নি ভোট প্রক্রিয়া (Post Poll Violence)। এহেন আবহে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই হাসিমনগর এলাকায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। দোষীদের গ্রেফতারির পাশাপাশি নিরাপত্তা দেওয়ার দাবিতেও সরব হন তাঁরা। এই ঘটনায় উঠে এসেছে জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ইস্রাফুল চোকদার নাম। তাঁর নেতৃত্বেই হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন গ্রামবাসীদের একাংশ। তাঁর গ্রেফতারির দাবিও করেন বিক্ষোভকারীরা (BJP)।

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য

    আন্দোলনকারীদের মধ্যে ছিলেন রানি মণ্ডলও। তিনি বলেন, “পুরো হাসিমনগর জ্বলছে৷ আমাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে৷ ঘরে তালা দিয়ে দিচ্ছে৷ ৪ তারিখে (ভোট গণনার দিন) আমাদের বাড়িতে বোমা ফেলার হুমকি দিচ্ছে। বাচ্চাদের মেরে ফেলা হবে বলেও হুমকি দিচ্ছে। এই অত্যাচার আমরা মেনে নেব না৷ আমরা সাধারণ মানুষ। আর এটা গণতান্ত্রিক দেশ৷ তাই আমরা যাকে খুশি ভোট দিতেই পারি৷ এতদিন জোর করে আমাদের ভোট দিতে দেয়নি৷ এখন ভোট দেওয়ায় মেরে ফেলার ভয় দেখানো হচ্ছে৷ আমরা তৃণমূল সরকার চাই না৷” বিক্ষোভের খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী। সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে এলাকায় টহল দিতে দেখা যায় জওয়ানদের। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হলেও, সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক এখনও কাটেনি। এদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যান ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফলতা থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীও এলাকায় যায় (Post Poll Violence)। বিক্ষোভকারীরা রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন। এক বিক্ষোভকারীর কথায়, ‘‘বাড়িতে গিয়ে মারধর করা হয়েছে। হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। আমরা ইসরাফিলের (তৃণমূল নেতা) গ্রেফতারি চাই। কিন্তু রাজ্য পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। আমরা চাই ওকে গ্রেফতার করা হোক। আর চাই ফলতায় দু’টি বুথ আছে, যেখানে পুনর্নির্বাচন করা হোক (BJP)।’’

    পুনর্নির্বাচনের দাবি

    এ রাজ্যে দু’দফায় হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। ২৯ এপ্রিল হয় দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচন। এদিনই ভোট হয় ফলতায়ও। সেদিনও দিনভর খবরের শিরোনামে ছিল ফলতা। এই বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, ১৭০ এবং ১৮৯ নম্বর বুথের ইভিএমে ‘টেপ’ লাগানো হয়েছিল। শুধু ওই দুই বুথ নয়, আরও কয়েকটি বুথ থেকেও নানা অভিযোগ আসতে থাকে। বিরোধীরা ফলতার ৩২টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলেন। তবে ওই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন হবে কি না, তার স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গের ভোটের জন্য কমিশন নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মতো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দিল্লিতে প্রস্তাব পাঠান বিশেষ পর্যবেক্ষক (BJP)।

    সুব্রত গুপ্তর রিপোর্ট

    সূত্রের খবর, তিনি ফলতার ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচন করার কথা জানিয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন কমিশনকে (Post Poll Violence)। জানা গিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর একটি রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ভোটের দিন সকালে ফলতার একাধিক বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ ছিল। দুপুর একটার সময় ‘টেপ রিভিউড’ বলে তথ্য দেওয়া হয় প্রিসাইডিং অফিসারের তরফে। যদিও ততক্ষণে প্রায় ৫৮ শতাংশ ভোট পড়ে গিয়েছিল। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় রয়েছে ফলতা থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীও (Post Poll Violence)।

    এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ

    এদিকে, ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। জানা গিয়েছে, ইস্রাফুল এবং অপর এক জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ সুজাদ্দিন শেখের নামোল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নির্দেশ না মানলে পুলিশের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে পুলিশকেই। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপও করতে হবে।

  • Weather Forecast: দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিন জারি থাকবে ঝড়বৃষ্টি, ভোট গণনার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর দাপট

    Weather Forecast: দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিন জারি থাকবে ঝড়বৃষ্টি, ভোট গণনার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর দাপট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালবৈশাখীর প্রবল ঝড়বৃষ্টির জেরে রাজ্যে দক্ষিণবঙ্গে কমেছে গরমের দাপট (Weather Forecast)। ঠান্ডা হয়েছে কলকাতাও। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আপাতত আরও কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে থাকতে পারে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া (South Bengal)। তবে সোমবার, রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর ঝড়বৃষ্টির দাপট। তীব্র ঝড়ের সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ শিলাবৃষ্টির ভ্রুকুটি বঙ্গে।

    বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি (Weather Forecast)

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আজ, শনিবারও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে কলকাতায়। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। তবে, রবিবার থেকে ফের বাড়বে বৃষ্টির দাপট। ঝোড়ো হাওয়ার বেগ বেড়ে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটারে পৌঁছে যেতে পারে। মঙ্গলবারও শহরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। যেহেতু সোমবার ঝড়বৃষ্টির দাপট থাকবে সবচেয়ে বেশি, তাই সেদিনের জন্য জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। এদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এই দিনই হবে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা (Weather Forecast)। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও রয়েছে একই পূর্বাভাস।

    দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র দুর্যোগের সম্ভাবনা

    পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ায় রবিবারও ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরেও মাঝেমধ্যে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। তাই উত্তাল সমুদ্র। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে সোমবার পর্যন্ত। ঝড়বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গেও। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পঙে শনিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে বইতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া। জলপাইগুড়িতে ভারী বর্ষণ চলবে রবিবার পর্যন্ত। উত্তরের জেলাগুলিতে মঙ্গলবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। সব জেলায়ই সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস (South Bengal)।

    জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জের

    গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং সংলগ্ন বাংলাদেশের ওপর যে ঘূর্ণাবর্তটি ছিল, সমুদ্রতল থেকে তার উচ্চতা ১.৫ কিলোমিটার। এছাড়া, দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন এলাকার ওপর আর একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে (Weather Forecast)। সমুদ্রতলের চেয়ে ৩.১ থেকে ৫.৮ কিলোমিটার উচ্চতায় তার অবস্থান। এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে বঙ্গোপসাগর থেকে এখনও জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। তাই রয়েছে ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি। ঝড়বৃষ্টির কারণে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রাও এক লপ্তে কমে গিয়েছে বেশ খানিকটা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর বা দক্ষিণের কোথাও আগামী সাত দিনে তাপমাত্রার বড় কোনও হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্রসঙ্গত, বিরল মে মাস দেখতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ। এ মাসে তাপপ্রবাহের বদলে (South Bengal) দেখা যাবে শুধুই বৃষ্টির দাপট। তার জেরে এ মাসে বঙ্গবাসীকে গরমের অস্বস্তি ভোগ নাও করতে হতে পারে বলেই পূর্বাভাস হওয়া অফিসের (Weather Forecast)।

  • TMC: ভোট গণনাকর্মী বাছাই নিয়েও মামলা তৃণমূলের, হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল মমতার, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    TMC: ভোট গণনাকর্মী বাছাই নিয়েও মামলা তৃণমূলের, হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল মমতার, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটগণনা কর্মী ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টে মুখ পুড়েছিল তৃণমূলের (TMC)। সেই পোড়া মুখ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। শনিবারই দেশের শীর্ষ আদালতে জরুরি ভিত্তিতে হয় শুনানি। সেখানেও মমতার দলকে মুখ পোড়াতে হয় ফের এক দফা।

    মামলা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট (TMC)

    প্রসঙ্গত, গণনায় কেন শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার কর্মীদের কাজে লাগানো হয়েছে? কমিশনের এহেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছিল তৃণমূল। কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে মামলা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। তারপরই সটান সুপ্রিম কোর্টে যায় ঘাসফুল শিবির। সেই মামলার শুনানির জন্যই তৈরি হয় বিশেষ বেঞ্চ। মামলা শোনে বিচারপতি পিএস নরসিং ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ। তৃণমূলের তরফে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। মামলার শুরুতেই চারটি বিষয় তুলে ধরেন তিনি। এর মধ্যেই তুলে ধরা হয় রাজ্য সরকারি কর্মীদের ইস্যুটিও। তিনি বলেন, “সার্কুলারে বলা হয়েছে একজন রাজ্য সরকারি অফিসার থাকবে। কিন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারী নিযুক্ত করা হচ্ছে না।”

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বক্তব্য

    পাল্টা বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “নির্দেশিকায় বলা হয়েছে কাউন্টিং সুপারভাইজার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রাজ্য সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন (TMC)। অপশন যখন আছে তখন আমরা কীভাবে বলি যে এই পদক্ষেপ নির্দেশিকা-বিরোধী? সার্কুলার অনুযায়ী দুজনেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতে পারেন।” তিনি (Supreme Court) বলেন, “নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হয় কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারী, নয় রাজ্য সরকারি কর্মচারী। যদি তারা একটা পুল থেকে নেয় তাহলে কখনওই অন্যায় নয়। অন্তত একজনকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতেই হবে।” পাল্টা সিব্বল বলেন, “অর্থাৎ একজন রাজ্য সরকারি কর্মচারী হতে হবে।”

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “কেন্দ্রই হোক বা রাজ্য দুজনকেই সরকারি কর্মচারী হতে হবে। কিন্তু সমানুপাতিক কিছু বলা হয়নি।” নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, “রিটার্নিং অফিসার এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অফিসার। তিনি রাজ্য সরকারের কর্মচারী। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কাউন্টিং এজেন্ট থাকবে (TMC)। স্বাভাবিকভাবেই এদের আশঙ্কা সম্পূর্ণ অমূলক।” সওয়াল জবাব শেষে শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। কমিশন ১৩ এপ্রিল যে নির্দেশ দিয়েছে (Supreme Court), সেই নির্দেশই বহাল থাকবে। খারিজ করে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের আবেদন। প্রসঙ্গত, কমিশনের তরফে এদিন আদালতে জানানো হয়, গত ১৩ এপ্রিল তারা যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, সেই অনুযায়ীই কাজ হবে। তাই আদালত অতিরিক্ত আর কোনও নির্দেশ দেয়নি। আপাতত আর কোনও নির্দেশের প্রয়োজনও নেই বলেই মনে করেন শীর্ষ আদালতের বিচারপতিরা (TMC)।

     

  • Pakistan: তীব্র খাদ্য সঙ্কটে ভুগছে পাকিস্তান, বিশ্বের ১০টি ‘ক্ষুধার্ত’ দেশের তালিকায় রয়েছে শরিফের দেশও

    Pakistan: তীব্র খাদ্য সঙ্কটে ভুগছে পাকিস্তান, বিশ্বের ১০টি ‘ক্ষুধার্ত’ দেশের তালিকায় রয়েছে শরিফের দেশও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র খাদ্য সঙ্কটে ভুগছে পাকিস্তান। বিশ্বের ১০টি ‘ক্ষুধার্ত’ দেশের তালিকায় নাম রয়েছে শাহবাজ শরিফের দেশের। ২০২৬ সালের গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস (Global Report on Food Crises)-এ পাকিস্তানকে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, কঙ্গো, মায়ানমার, নাইজিরিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া এবং ইয়েমেনের সঙ্গে তীব্র ক্ষুধার প্রধান কেন্দ্রগুলির একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পাকিস্তানে খাদ্য সঙ্কট (Pakistan)

    পাক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান ২০২৫ সালে বিশ্বের সেই ১০টি দেশের মধ্যে ছিল যেখানে সবচেয়ে বড় খাদ্য সঙ্কট দেখা গিয়েছে। সেখানে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ গুরুতর খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৯৩ লাখ মানুষ “ক্রাইসিস” অবস্থায় এবং ১৭ লাখ মানুষ “এমার্জেন্সি” অবস্থায় ছিল, যা দুর্ভিক্ষের ঠিক আগের সবচেয়ে গুরুতর স্তরগুলির মধ্যে পড়ে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (IPC) নামের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি অনুযায়ী, খাদ্য সঙ্কট এমন এক পরিস্থিতি যেখানে জীবন ও জীবিকা রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ করা প্রয়োজন। তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা তখন ঘটে যখন খাদ্যে প্রবেশাধিকার এতটাই সীমিত হয়ে যায় যে, তা আদতে হয়ে দাঁড়ায় মানুষের বেঁচে থাকার পক্ষে হুমকি স্বরূপ।

    খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার অন্যতম কারণ চরম আবহাওয়া। ভারী বৃষ্টি ও বন্যার ফলে ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, “২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছিল, যা জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পাকিস্তানে ভারী মৌসুমি বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় ৬০ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কৃষিজমি এবং পরিকাঠামোও ধ্বংস হয়েছে।” পুষ্টি বিশ্লেষণেও পাকিস্তানের নাম এসেছে, যেখানে বালুচিস্তান, সিন্ধ এবং খাইবার পাখতুনখোয়া উদ্বেগের অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে ২০২৫ সালের জন্য আনুষ্ঠানিক তীব্রতা নির্ধারণের মতো পর্যাপ্ত সাম্প্রতিক তথ্য না থাকায় পাকিস্তানকে “নো সেভেরিটি ডেটা” (no severity data) তালিকায় রাখা হয়েছে।

    মুদ্রাস্ফীতি পৌঁছতে পারে ৬ শতাংশে

    পাকিস্তানে অপুষ্টির ঝুঁকির কারণ বিশ্লেষণেও রয়েছে, যেখানে খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ, জল এবং স্যানিটেশন এবং রোগব্যাধি সম্পর্কিত দুর্বলতা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, ২০২৬ সালে পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতি ৬ শতাংশে পৌঁছতে পারে, যা পরিস্থিতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকায় পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তি দেশটির সঙ্কটের গভীরতা এবং তথ্য সংগ্রহ বিস্তারের প্রতিফলন। বিশ্লেষণের এরিয়া ২০২৪ সালের ৪৩টি গ্রামীণ জেলা থেকে ২০২৫ সালে ৬৮টি জেলায় বাড়ানো হয়েছে। এতে বালুচিস্তান, খাইবার পাখতুনখোয়া এবং সিন্ধের এলাকা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ফলে বিশ্লেষণে অন্তর্ভুক্ত পাকিস্তানের জনসংখ্যার হার ১৬ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, অর্থাৎ অতিরিক্ত ১ কোটি ৪০ লাখের বেশি মানুষ যুক্ত হয়েছে ওই তালিকায়।

  • JD Vance: ‘ইরান যুদ্ধের অগ্রগতি নিয়ে ট্রাম্পকে দেওয়া পেন্টাগনের রিপোর্ট সঠিক নয়’, আশঙ্কা মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের

    JD Vance: ‘ইরান যুদ্ধের অগ্রগতি নিয়ে ট্রাম্পকে দেওয়া পেন্টাগনের রিপোর্ট সঠিক নয়’, আশঙ্কা মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এবং শীর্ষ সামরিক কর্তাদের ইরান যুদ্ধের (Iran War) অগ্রগতি নিয়ে দেওয়া বিভিন্ন রিপোর্ট সঠিক নয় বলেই আশঙ্কা মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের (JD Vance)। তাঁর মতে, যুদ্ধে আমেরিকার সাফল্য সম্পর্কে পেন্টাগনের অতিরঞ্জিত উপস্থাপন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিভ্রান্ত করতে পারে। প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ এই মতভেদ প্রকাশ করেছে ‘দ্য আটলান্টিক’।

    ভ্যান্সের সন্দেহ (JD Vance)

    প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের দাবি, আট সপ্তাহের যুদ্ধে ইরানের বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, নিরাপদে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার। গোপন বৈঠকে ভান্স বারবার এসব দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বলে অসমর্থিত সূত্রের খবর। ভ্যান্সের সন্দেহ, আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র মজুতে বড় ঘাটতি রয়েছে, এ তথ্য লুকিয়ে রেখেছে পেন্টাগন। তিনি ইতিমধ্যেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, বর্তমান অস্ত্রসঙ্কট ভবিষ্যতে চিন, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার মতো দেশের সঙ্গে সম্পর্ককে প্রভাবিত করবে।

    পেন্টাগনের দাবি

    সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মতে, আমেরিকা ইতিমধ্যেই তার অর্ধেকেরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে। পেন্টাগনের দাবি, ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আকাশসীমার ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং তাদের অস্ত্রভাণ্ডার একটুও কমেনি। তবে ভ্যান্স মনে করছেন, বাস্তব পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইরান এখনও তার বিমানবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার দুই-তৃতীয়াংশ ধরে রেখেছে। হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করতে সক্ষম ইরানি নৌযানও এখনও হুমকি হিসেবেই রয়ে গিয়েছে (JD Vance)।

    সমালোচকদের অভিযোগ

    সমালোচকদের অভিযোগ, পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ বাস্তব পরিস্থিতি জানানোর বদলে ট্রাম্প যা শুনতে চান, তাই বলেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ফক্স নিউজে কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতার কারণে হেগসেথ ট্রাম্পের মনোভাব অনায়াসেই বুঝতে পারেন (Iran War)। ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু হওয়ার আগেই ভ্যান্স ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, “এতে ব্যাপক প্রাণহানি হবে এবং অঞ্চল অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে।” তবে এখন ভ্যান্স অত্যন্ত সতর্কভাবে এগোচ্ছেন, কারণ তিনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নিজের ভালো সম্পর্ক এবং ২০২৮ সালের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের বিষয়টি মাথায় রাখছেন।

    মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ইঙ্গিত

    এদিকে, মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ইঙ্গিত, ইরানের বিমানবাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনও অনেকটাই অক্ষত রয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে নৌ-অভিযান চালানোর ক্ষমতাও রয়েছে ইরানের (JD Vance)। এদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ প্রায় ছ’ঘণ্টাব্যাপী এক শুনানিতে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর শপথ নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার এটাই ছিল তাঁর প্রথম উপস্থিতি। বুধবার প্রতিনিধি পরিষদের সশস্ত্র বাহিনী কমিটির সামনে হাজির হন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন এবং প্রতিরক্ষা (Iran War) বিভাগের প্রধান আর্থিক কর্তা জুলস হার্স্ট।

    হেগসেথের বক্তব্য

    উদ্বোধনী বক্তব্যে হেগসেথ বলেন, “আমাদের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ হল ডেমোক্র্যাট এবং কিছু রিপাবলিকানের বক্তব্য।” কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যরা সংঘাতে ফেডারেল অর্থ কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। হার্স্ট জানান, এ পর্যন্ত এই যুদ্ধে আমেরিকার খরচ হয়েছে ২৫ বিলিয়ন ডলার। এর বেশিরভাগটাই ব্যয় হয়েছে গোলাবারুদ এবং সরঞ্জাম প্রতিস্থাপনে। খরচের পুরো হিসেব পরে দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শান্তি আলোচনায় বসতে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে, যদিও সংঘাত আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও শেষ হয়নি (JD Vance)।

    প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানোর দাবি

    অর্থের বিষয়টি শুনানির বড় আলোচ্য বিষয় ছিল। হোয়াইট হাউস কংগ্রেসের কাছে প্রতিরক্ষা বাজেট ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার অনুরোধ করেছে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সামরিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বৃদ্ধি (Iran War)। হেগসেথ বলেন, “বাজেট প্রস্তাবটি সময়ের জরুরির বিষয়টি প্রতিফলিত করে।” জেনারেল কেইন বলেন, “১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য ঐতিহাসিক অগ্রিম বিনিয়োগ, যা দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এগিয়ে রাখবে।” ডেমোক্র্যাট সদস্যরা প্রায়ই ইরানে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপকে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া চালানো ‘ব্যয়বহুল পছন্দের যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

    ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট জন গারামেন্ডি বলেন, “আপনি প্রথম দিন থেকেই এই যুদ্ধ নিয়ে আমেরিকান জনগণকে মিথ্যে বলে আসছেন, এবং প্রেসিডেন্টও তাই (JD Vance) করেছেন।” তিনি আরও বলেন, “ট্রাম্প পশ্চিম এশিয়ার আর একটি যুদ্ধে একেবারে কাদায় আটকে গিয়েছেন (Iran War)”।

     

  • UAE: ওপেক গোষ্ঠী থেকে বেরিয়ে এল আরব আমিরশাহি, পোয়া বারো ভারতের, কীভাবে জানেন?

    UAE: ওপেক গোষ্ঠী থেকে বেরিয়ে এল আরব আমিরশাহি, পোয়া বারো ভারতের, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরশাহির (UAE) অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ (OPEC) থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় বদলে গিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি পরিস্থিতি। শুধু তাই নয়, এটি (Strait of Hormuz) জন্ম দিয়েছে বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যেও নয়া সম্ভাবনার। ১ মে থেকে আবুধাবি আর সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন তেল কার্টেলের উৎপাদন সীমাবদ্ধতার অধীনে থাকবে না। নিজস্ব ক্ষমতা অনুযায়ী অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করতে পারবে।

    ফুজাইরাহ্ পাইপলাইন (UAE)

    এর ফলে কৌশলগত ফুজাইরাহ্ পাইপলাইন ব্যবহার করে ভারতের কাছে তেল রফতানি বাড়ানোর সুযোগও তৈরি হয়েছে। এভাবে তেল এলে সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে যাওয়া যাবে হরমুজ প্রণালী। যেহেতু ইউএই অবিলম্বে দৈনিক ১০ লক্ষ ব্যারেল পর্যন্ত উৎপাদন বাড়াতে পারে, তাই ভারতের জন্য এটি একটি ইতিবাচক খবর। ভারত এবং ইউএইর মধ্যে জ্বালানি, বাণিজ্য এবং নিরাপত্তা ভিত্তিক গভীর কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে। ইউএই ইতিমধ্যেই ভারতের অন্যতম প্রধান অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী দেশের জায়গা নিয়ে নিয়েছে। পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীতে অশান্তির সময় ভারত ফুজাইরাহ পথ ব্যবহার করে তেল আমদানি বাড়িয়েছে। এখন ওপেকের কোটা না থাকায় ইউএই ভারতের কাছে আরও বেশি তেল, এমনকি তুলনামূলকভাবে সস্তা দরে তেলও পাঠাতে পারবে। ভারত তার পেট্রোল, ডিজেল ও পেট্রোকেমিক্যাল চাহিদার জন্য এই সব আমদানির ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল (UAE)।

    ওপেকের সদস্যপদে ইতি

    মঙ্গলবার ঘোষিত আবুধাবির এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রায় ৬০ বছরের ওপেক সদস্যপদে ইতি ঘটল। ইউএইর রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা ডাব্লুএএম (WAM) জানিয়েছে, উৎপাদন নীতি ও জাতীয় স্বার্থের গভীর পর্যালোচনার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি মন্ত্রী সুহাইল মোহাম্মদ আল মাজরুইয়ের মতে, “এটি দীর্ঘমেয়াদি বাজার বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নীতিনির্ভর একটি পরিবর্তন (Strait of Hormuz)।” এডিএনওসি (ADNOC) প্রধান সুলতান আল জাবের একে সার্বভৌম সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন, যা দেশের প্রকৃত উৎপাদন ক্ষমতা ও বৈশ্বিক জ্বালানি স্থিতিশীলতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। বহু বছর ধরে ওপেক ইউএইর উৎপাদন দৈনিক প্রায় ৩.৪ মিলিয়ন ব্যারেলে সীমাবদ্ধ রেখেছিল, যদিও দেশটির তেলক্ষেত্র ও পরিকাঠামো তার চেয়ে অনেক বেশি সামলাতে সক্ষম। ইউএই মনে করেছিল, এই কোটা তাদের বাড়তে থাকা ক্ষমতার তুলনায় খুবই কম। কারণ বর্তমানে তাদের উৎপাদন ক্ষমতা দৈনিক ৪.৮–৫ মিলিয়ন ব্যারেলের কাছাকাছি (UAE)।

    ভারতের জন্য নিরাপদ রফতানি পথ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ফুজাইরাহ্ পাইপলাইন ভারতের জন্য একটি নিরাপদ রফতানি পথ। এই নয়া সুযোগের মূল আকর্ষণ হল হাবশান-ফুজাইরাহ্ তেল পাইপলাইন, যা আবুধাবি ক্রুড অয়েল পাইপলাইন (ADCOP) নামেও পরিচিত। এটি আবুধাবির হাবশান তেলক্ষেত্র থেকে ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহ্ বন্দরের ৩৮০–৪০৬ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এই পাইপলাইনটি ২০১২ সালে প্রায় ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল। প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ হরমুজ প্রণালী এড়ানো। ৪৮ ইঞ্চি ব্যাসের এই পাইপলাইনের ক্ষমতা দৈনিক ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল, যা ১.৮ মিলিয়ন পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে (UAE)। ফুজাইরাহ্ থেকে ট্যাঙ্কারগুলি মুরবান ক্রুড নিয়ে সরাসরি আরব সাগরে চলে যায়, ফলে ব্যস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করতে হয় না। বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের ২০ শতাংশই চলাচল করে এই প্রণালী দিয়ে (Strait of Hormuz)।

    বাড়ানো হল ফুজাইরাহ্ দিয়ে আমদানি

    ভারতের জন্য এই পথ ইতিমধ্যেই কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। হরমুজে বিঘ্ন দেখা দেওয়ায় ভারতীয় রিফাইনারিগুলি ফুজাইরাহ্ দিয়ে আমদানি বাড়িয়েছে। এখন ইউএই ওপেক সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হওয়ায় এই পথে আরও বেশি তেল পাঠানো সম্ভব হবে।ফুজাইরাহ্ বর্তমানে বড় তেল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে, যেখানে স্টোরেজ ট্যাঙ্ক, বাঙ্কারিং সুবিধা এবং গভীর সমুদ্রবন্দর রয়েছে। উপসাগরের বাইরে এর অবস্থান হওয়ায় আঞ্চলিক উত্তেজনায়ও কম ঝুঁকিপূর্ণ। ভারত ও ইউএইর মধ্যে একটি কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ রয়েছে, যা শুধু তেলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বর্তমানে ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছে, যার কেন্দ্রে রয়েছে জ্বালানি।

    অপরিশোধিত তেল আমদানি

    ইউএই ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির ৯–১০ শতাংশ সরবরাহ করে এবং এলএনজি (LNG) সরবরাহেও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। সাম্প্রতিক চুক্তির মধ্যে রয়েছে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এলএনজি চুক্তি, এবং ভারতীয় কোম্পানিগুলির ইউএইর তেলক্ষেত্রে অংশীদারিত্বও রয়েছে। ইউএইর ওপেক ত্যাগ এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারে। ভারতীয় রিফাইনারিগুলি, যারা ইতিমধ্যেই মার্বান (Murban) গ্রেডের সঙ্গে পরিচিত, তারা আরও স্থিতিশীল সরবরাহ ও সম্ভবত ভালো মূল্য পেতে পারে (UAE)। আজকের যুদ্ধ ও অস্থিরতার যুগে নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই ইউএইর মতো নির্ভরযোগ্য অংশীদার ভারতের জন্য বিশেষ মূল্যবান। ফুজাইরাহ্ পথ ভারতের হরমুজ প্রণালী নির্ভরতার ঝুঁকি কমায় এবং বহুমুখী আমদানির সরকারি নীতি সমর্থন করে।

    ওপেকের পক্ষে বড় ধাক্কা

    আমিরশাহির এই সিদ্ধান্ত বহুদিনের অসন্তোষের ফল। আবুধাবি এডিএনওসির মাধ্যমে ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এবং ২০২৭ সালের মধ্যে দৈনিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু ওপেক নিয়মের কারণে তাদের অনেক সময় ক্ষমতার তুলনায় ৩০ শতাংশ কম উৎপাদন করতে হয়েছে। এটি ওপেকের পক্ষে একটি বড় ধাক্কা, কারণ তারা তাদের তৃতীয় বৃহত্তম উৎপাদককে হারাল। এখন ওপেকের সদস্য সংখ্যা দাঁড়াল ১১-য়। স্বাভাবিকভাবেই বৈশ্বিক সরবরাহে তাদের প্রভাব কিছুটা কমবে। যদিও ইউএই সাফ জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে তারা ধীরে ধীরে ও দায়িত্বশীলভাবে উৎপাদন বাড়াবে। দীর্ঘমেয়াদে এই নীতিগত পরিবর্তন ইউএইকে ভারতের মতো দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির চাহিদার একটি দেশের জন্য উৎপাদন আরও বাড়াতে সাহায্য করবে (UAE)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আবুধাবি সম্ভবত তাদের অবশিষ্ট তেল মজুত দ্রুত নগদীকরণ করতে চায়, যতদিন (Strait of Hormuz) ভারত-সহ এশিয়ার বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

     

  • ICSE ISC Results: ফল বেরল সিআইএসসিই বোর্ডের দশম-দ্বাদশ পরীক্ষার, বাজিমাত বাংলার মেয়ের

    ICSE ISC Results: ফল বেরল সিআইএসসিই বোর্ডের দশম-দ্বাদশ পরীক্ষার, বাজিমাত বাংলার মেয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহেই দশম শ্রেণির আইসিএসই এবং দ্বাদশের আইএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করল কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এগজ়ামিনেশন (সিআইএসসিই) (ICSE ISC Results)। এ বছর দশমের ফল প্রকাশিত হল পরীক্ষা শেষের ৩০ দিন পর, দ্বাদশের ফল বেরল পরীক্ষা শেষের ২৬ দিনের মাথায় (Pass Percentage)। চলতি বছর দশমের পরীক্ষার ফলে নজর কেড়েছে পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্যগুলি। পাশের হার ৯৯.৮৫ শতাংশ। দ্বাদশের পরীক্ষায় এগিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের রাজ্যগুলি। পাশের হার ৯৯.৮৭ শতাংশ। আইএসসিতে প্রথম হয়েছে বাংলার মেয়ে অনুষ্কা ঘোষ। উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির বাসিন্দা। সেন্ট জেভিয়ার্সের ছাত্রী। ৪০০-তে ৪০০-ই পেয়েছে অনুষ্কা।

    আইসিএসই পরীক্ষায় পাশের হার (ICSE ISC Results)

    আইসিএসই পরীক্ষায় পাশের হার ৯৯.১৮ শতাংশ। পরীক্ষা দিয়েছিল ২ লাখ ৫৮ হাজার ৭২১ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫৯০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩২ জন, ছাত্রী ১ লাখ ২০ হাজার ৫৫৮ জন। রাজ্যে আইএসসি পরীক্ষায় পড়ুয়াদের পাশের হার ৯৯.১৩ শতাংশ। উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লক্ষ ২ হাজার ৪১৪ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৫৩ হাজার ৪৭২ জন, ছাত্রী ৪৮ হাজার ৯৪২ জন।

    পাশের হারের নিরিখে এগিয়ে ছাত্রীরা

    দশম ও দ্বাদশ দু’টি ক্ষেত্রেই পাশের হারের নিরিখে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। দশমে ছাত্রীদের পাশের হার ৯৯.৪৬ শতাংশ, ছাত্রদের ৯৮.৯৩ শতাংশ। দ্বাদশে ছাত্রীদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ এবং ছাত্রদের ৯৮.৮১ শতাংশ। তবে দু’টি ক্ষেত্রেই মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রীদের থেকে ছাত্রদের সংখ্যাই ছিল বেশি (ICSE ISC Results)। সিআইএসসিইর নিজস্ব ওয়েবসাইট— https://cisce.org বা https://results.cisce.org–এ দেখা যাবে ফল। ডিজিলকারের ওয়েবসাইট https://results.digilocker.gov.in থেকেও ফল জেনে নিতে পারবে পড়ুয়ারা।

    সিআইএসসিইর তরফে জানানো হয়েছে, পরীক্ষার্থীরা খাতা রিভিউ করার সুযোগ পাবে ১ থেকে ৪ মে পর্যন্ত। ইমপ্রুভমেন্ট এগজামিনেশন দেওয়ার জন্য রি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ৮ থেকে ১৪ মে-র মধ্যে। রিভিউয়ের ফল প্রকাশ হবে (Pass Percentage) জুনের প্রথম সপ্তাহে। ফের পরীক্ষা হবে ১৫ জুন। তার ফল বেরবে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে (ICSE ISC Results)।

     

  • Assembly Elections 2026: অসম ফের বিজেপির দখলে, বাকি দুই রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বলছে এক্সিট পোল

    Assembly Elections 2026: অসম ফের বিজেপির দখলে, বাকি দুই রাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বলছে এক্সিট পোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল পশ্চিমবঙ্গ নয়, আগামী ৪ মে ফল ঘোষণা হবে দেশের আরও তিন রাজ্যের বিধানসভার (Assembly Elections 2026)। এই রাজ্য তিনটি হল অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরল। কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরির ফল ঘোষণাও হবে ওই দিনই (Exit Poll)। বুধবারই বাংলায় সাঙ্গ হল দু’দফার ভোট-পর্ব। তার পরেই শুরু হয়ে গিয়েছে কোন রাজ্যে কে ক্ষমতায় আসছে, তা নিয়ে জল্পনা। এর কারণ একাধিক এক্সিট পোল বা  বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল। দেখে নেওয়া যাক, কী বলছেন ভোট বিশেষজ্ঞরা।

    অসমের এক্সিট পোল

    ১২৬ আসন বিশিষ্ট অসম বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ৬৪। একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, অসমে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৮ থেকে ১০০টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৪ থেকে ৩৬টি আসন। একটিও আসনও পাচ্ছে না এআইইউডিএফ। অন্যরা পেতে পারে শূন্য থেকে ৩টি আসন। জনমত পোলস-এর বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৭ থেকে ৯৮টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৯ থেকে ৩০টি আসন। অন্যরা কোনও আসন পাবে না। জেভিসির বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৮ থেকে ১০১টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ২৩ থেকে ৩৩টি আসন। এআইইউডিএফ পেতে পারে ২ থেকে ৫টি আসন (Exit Poll)। কামাক্ষ্যা অ্যানালিটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৫ থেকে ৯৫টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ২৬ থেকে ৩৯টি আসন। অন্যরা পেতে পারে বড়জোর ৩টি আসন (Assembly Elections 2026)।

    তামিলনাড়ুর এক্সিট পোল

    দক্ষিণের দুটি রাজ্যেও হয়েছে বিধানসভার নির্বাচন। তামিলনাড়ু বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৩৪। ম্যাজিক ফিগার ১১৮টি আসন। বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, তামিলনাড়ুতে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা। লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে শাসকদল ডিএমকে, এডিএমকে এবং অভিনেতা বিজয়ের নয়া রাজনৈতিক দল টিভিকে-ও। এবার সরকার গঠনে নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে পারে এই নয়া দল। ঘুরে দাঁড়াতে পারে এডিএমকে-ও। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, ডিএমকে পেতে পারে ৯২ থেকে ১১০টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ২২ থেকে ২৩টি আসন। টিভিকের ঝুলিতে যেতে পারে ৯৮ থেকে ১২০টি আসন।

    বুথ ফেরত সমীক্ষা

    জেভিসির বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, ডিএমকে পেতে পারে ৭৫ থেকে ৯৫টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ১২৮ থেকে ১৪৭টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ৮ থেকে ১৫টি আসন। অন্যরা কোনও আসনই পাবে না (Assembly Elections 2026)।কামাক্ষ্যা অ্যানালেটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, ডিএমকে পেতে পারে ৭৮ থেকে ৯৫টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ৬৮ থেকে ৮৪টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ৬৭ থেকে ৮১টি আসন (Exit Poll)। ম্যাট্রিজের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, ডিএমকে পেতে পারে ১২২ থেকে ১৩২টি আসন। এডিএমকে পেতে পারে ৮৭ থেকে ১০০টি আসন। টিভিকের ঝুলিতে পড়তে পারে ১০ থেকে ১২টি আসন। অন্যরা খুব বেশি হলে পেতে পারে ৬টি আসন।

    কেরলের এক্সিট পোল

    দক্ষিণের আর এক রাজ্য কেরলেও হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। ১৪০ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ৭১টি আসন। একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, কেরলে এবার সরকার পরিবর্তন হতে চলেছে। বামেদের ক্ষমতাচ্যুত করে সরকার গড়তে পারে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এলডিএফ ৪৯ থেকে ৬২টি আসন পেতে পারে। ইউডিএফ পেতে পারে ৭৮ থেকে ৯০টি আসন। বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চ ৩টি আসন (Assembly Elections 2026)। পিপলস ইনসাইটের বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি, বামেদের জোট এলডিএফ পেতে পারে ৫৮ থেকে ৬৮টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৬৬ থেকে ৭৬টি আসন। পদ্ম-ঝুলিতে পড়তে পারে ১০ থেকে ১৪টি আসন। অন্যরা পাবে সর্বোচ্চ একটি আসন (Exit Poll)। পিপলস পালসের বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি, এলডিএফ পেতে পারে ৫৫ থেকে ৬৫টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৭৫ থেকে ৮৫টি আসন। বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চ ৩টি আসন। ভোট ভাইবের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, এলডিএফ পেতে পারে ৫৮ থেকে ৬৮টি আসন। ইউডিএফ পেতে পারে ৭০ থেকে ৮০টি আসন। অন্যরা পেতে পারে বড়জোর ৪টি আসন। বিজেপি কোনও আসনই পাবে না (Assembly Elections 2026)।

    পুদুচেরির এক্সিট পোল

    কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি বিধানসভার ফলও বেরবে ৪ তারিখেই। ৩০ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় সরকার গড়তে প্রয়োজন ১৬টি আসনের। বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এনআরসির নেতৃত্বাধীন শাসকদল এবার ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে। অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, এনআরসি পেতে পারে ১৬ থেকে ২০টি আসন। কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা পেতে পারে ৬ থেকে ৮টি আসন। অভিনেতা বিজয়ের টিভিকের ঝুলিতে যেতে পারে ২ থেকে ৪টি আসন। অন্যরা পেতে পারে এক থেকে তিনটি আসন (Exit Poll)। কামাক্ষ্যা অ্যানালিটিকসের বুথ ফেরত সমীক্ষার দাবি, এনআরসি এবং তার সহযোগীরা পেতে পারে ১৭ থেকে ২৪টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে পড়তে পারে ৪ থেকে ৭টি আসন। টিভিকে পেতে পারে ১ থেকে ২টি আসন। অন্যরা পেতে পারে সর্বোচ্চ একটি আসন। পিপলস পালসের সমীক্ষা বলছে, এনআরসি পেতে পারে ১৬ থেকে ১৯টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ১০ থেকে ১২টি আসন। টিভিকে কোনও আসনই পাচ্ছে না। অন্যরা পেতে পারে ১ থেকে ২টি আসন (Assembly Elections 2026)। প্রাইয়া পোলের বুথ ফেরত সমীক্ষার দাবি, এনআরসি এবং তাদের সহযোগীরা পেতে পারে ১৯ থেকে ২৫টি আসন। কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা পেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন। টিভিকে কোনও আসন পাবে না। অন্যদের অবস্থাও তথৈবচ (Exit Poll)।

     

  • Delhi Mayor: দিল্লি পুরসভার মেয়র হলেন বিজেপির প্রবেশ ওয়াহি

    Delhi Mayor: দিল্লি পুরসভার মেয়র হলেন বিজেপির প্রবেশ ওয়াহি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (এমসিডি) মেয়র নির্বাচিত হলেন বিজেপি কাউন্সিলর প্রবেশ ওয়াহি। রোহিণী পূর্ব, ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের পদ্ম-কাউন্সিলর তিনি। ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আনন্দ বিহারের বিজেপি কাউন্সিলর মনিকা পন্ত। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে দু’জনকেই অভিনন্দন জানিয়েছে এমসিডি। মেয়র ও ডেপুটি মেয়র — উভয়েই বিজেপির সদস্য। বিজেপির রাজা ইকবাল সিং ছিলেন বিদায়ী এমসিডি মেয়র। এর আগে, দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর (এলজি) তরণজিৎ সিং সান্ধু এমসিডি নির্বাচনে সিংকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন।

    আপের অঙ্গীকার নিয়েই প্রশ্ন (Delhi Mayor)

    বুধবার সকালেই রাজ্যসভার সাংসদ স্বাতী মালিওয়াল, যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, এমসিডি মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ায় আপের সমালোচনা করেন। তিনি জানান, হার নিশ্চিত জানলেও গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস রাখা উচিত। আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে কটাক্ষ করে তিনি জানান, আপের প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত দলটির গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি অঙ্গীকার নিয়েই প্রশ্ন তোলে। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল কোনও প্রার্থী দেননি। এটা কেমন রাজনীতি? তাদের উচিত গণতন্ত্রে বিশ্বাস রাখা। তারা জানে যে তারা হারবে, তবুও তাদের উচিত ছিল নির্বাচন লড়া।”

    ট্রিপল-ইঞ্জিন সরকার

    তিনি জানান, এমসিডি জাতীয় রাজধানীর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং নাগরিক প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “দিল্লির উন্নয়নের জন্য এমসিডি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যতদিন দিল্লিতে আপ সরকার ক্ষমতায় ছিল, তারা একে খুব খারাপ অবস্থায় ফেলে রেখেছিল। এখন এমসিডি ও দিল্লি সরকারকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।” একই ধরনের মন্তব্য করে, মেয়র নির্বাচনে আপ প্রার্থী না দেওয়া প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক রবিন্দর সিং নেগি বলেন, “আপ জানে তারা হারবে, তাই তারা কাউকেই প্রার্থী করেনি।” তিনি বলেন, “আপ প্রার্থী দিচ্ছে না কারণ তারা জানে তারা নির্বাচনে হারবে, যেহেতু তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। দিল্লিতে এখন ট্রিপল-ইঞ্জিন সরকার রয়েছে, যা ঐতিহাসিক কাজ করছে, এবং এটি আরও শক্তিশালী হবে।”

     

LinkedIn
Share