Tag: bangla

bangla

  • Hormuz: হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে হামলার অভিযোগে ইরানে নতুন করে হামলা আমেরিকার, উত্তেজনা চরমে

    Hormuz: হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে হামলার অভিযোগে ইরানে নতুন করে হামলা আমেরিকার, উত্তেজনা চরমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরমুজ (Hormuz) প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগকে ঘিরে ইরানে তৃতীয় দফার সামরিক হামলা চালাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US Launches Fresh Strikes)। স্থানীয় সময় শনিবার রাতে এই হামলা শুরু হয় বলে জানিয়েছে আমেরিকার কেন্দ্রীয় কমান্ড।

    বিবৃতিতে যা জানাল আমেরিকা (Hormuz)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ডের তরফে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সাইপ্রাসের পতাকাবাহী কনটেইনারবাহী জাহাজ ‘এম/ভি জিএফএস গ্যালাক্সি’তে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস হামলা চালিয়েছে। এতে জাহাজে আগুন ধরে যায়, ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ইঞ্জিন রুম, নিখোঁজ হয়েছেন এক নাবিক। ক্ষয়ক্ষতির কারণে জাহাজটি আর এগোতে পারেনি।বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজে আগের হামলাগুলির জন্য জবাবদিহির পরে সমঝোতা স্মারক মেনে চলার সুযোগ ইরানকে দেওয়া হলেও, তারা তা মানেনি। এর জবাবে হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী অসামরিক নৌযান ও বাণিজ্যিক জাহাজে ইরান যাতে আর হামলা চালাতে না পারে, তাই এই সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্দেশেই এই হামলা চালানো হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

    বন্ধ থাকবে হরমুজ প্রণালী!

    কেন্দ্রীয় কমান্ডের ওই পোস্টের জবাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, “ইরান ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন তাদের তার মূল্য দিতে হবে।” এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জানিয়ে দেয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে। তাদের দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবৈধ হস্তক্ষেপের’ ফলে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে এই সময়ে কোনও জাহাজকে আর ওই প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের নৌবাহিনী আরও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধের অজুহাতে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে অঞ্চলে থাকা প্রতিপক্ষের আরও সামরিক ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের পরিস্থিতির জন্য আমেরিকা, ইজরায়েল এবং যেসব আঞ্চলিক দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সুযোগ দিয়েছে, তাদেরই দায়ী করেছে ইরান।

    অব্যাহত কূটনৈতিক তৎপরতা

    অন্যদিকে, সামরিক উত্তেজনার আবহেই কূটনৈতিক তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে। উত্তেজনা কমিয়ে (Hormuz) আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আলোচনা ফের শুরুর পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে ইরান ঘুরে গিয়েছেন কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা। শনিবার ওমানের রাজধানী মাসকাটে ওমানের বিদেশমন্ত্রী সাঈদ বদর আলবুসাইদির সঙ্গে বৈঠক করেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সাঈদ আব্বাস আরাগচি। বৈঠক শেষে নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া বার্তায় তিনি জানান, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, বৈঠকে বিশেষভাবে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের পঞ্চম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে (US Launches Fresh Strikes) আলোচনা হয়। একই সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রতি তাদের সমর্থনের কথা আরও একবার জানিয়ে দিয়েছে (Hormuz) ওমান।

     

  • Vietnam: ভিয়েতনামে পর্যটকবাহী স্পিডবোট দুর্ঘটনা, মৃত্যু অন্তত ১৫ ভারতীয়ের

    Vietnam: ভিয়েতনামে পর্যটকবাহী স্পিডবোট দুর্ঘটনা, মৃত্যু অন্তত ১৫ ভারতীয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিয়েতনামের (Vietnam) দক্ষিণাঞ্চলের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ফু কুয়ক দ্বীপের কাছে শনিবার উল্টে গেল যাত্রিবোঝাই স্পিডবোট (Indian Tourists Capsizes)। শনিবার ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫ জন ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। মোট ৩২ জন ভারতীয় যাত্রী এবং চারজন নাবিককে নিয়ে চলা ওই স্পিডবোটটি উল্টে গেলে ঘটে দুর্ঘটনা। খবর পেয়েই দ্রুত সমুদ্রে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন। আহত ও নিখোঁজদের খোঁজে জারি রয়েছে তল্লাশি অভিযান। ফু কুয়ক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ‘ওশান পার্ল আইল্যান্ড’ নামে একটি সংস্থা পরিচালিত স্পিডবোটটি হন মে রুট দ্বীপ থেকে আন থই বন্দরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। দুপুর ১টা নাগাদ হন মে রুট দ্বীপ থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে পৌঁছতেই উত্তাল সমুদ্রে ভারসাম্য হারিয়ে উল্টে যায় সেটি। হাবুডুবু খেতে থাকেন যাত্রী ও নাবিকরা।

    শুরু হয় উদ্ধারকাজ (Vietnam)

    দুর্ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপন্নদের উদ্ধার করতে ছুটে আসে আশপাশে থাকা পর্যটকবাহী নৌকোগুলি। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। এক নাবিক বলেন, “আমরা পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। কিন্তু অনেক যাত্রী উল্টে যাওয়া নৌকোর ভেতরে আটকে পড়েছিলেন। তাই উদ্ধারকাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। অল্প কয়েকজনকেই জীবিত অবস্থায় বাইরে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে।” দুর্ঘটনার পরপরই ভিয়েতনামে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানায়, তারা পরিস্থিতির উপর নিবিড় নজর রাখছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সাহায্য করতে হো চি মিন সিটি ও হ্যানয়ে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। দূতাবাসের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “ফু কুয়ক দ্বীপের কাছে ভারতীয় পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া একটি স্পিডবোট দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে এবং ঘটনার সঠিক বিবরণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সব ধরনের সাহায্য দিতে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।”

    চলছে যাচাইকরণ

    ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, সরকারি সূত্রের ভিত্তিতে স্পিডবোটে থাকা ৩২ জন ভারতীয় পর্যটকের নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। নিহত ও আহতদের শনাক্ত করতে চলছে যাচাইকরণ। পরিস্থিতি স্পষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য প্রকাশ করা হবে (Vietnam)। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেন, “ভিয়েতনামের ফু কুয়ক দ্বীপের কাছে ভারতীয় নাগরিকদের নিয়ে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় আমি অত্যন্ত মর্মাহত। যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই (Indian Tourists Capsizes)। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।” তিনি আরও জানান, ভিয়েতনামে ভারতীয় দূতাবাস ও কনস্যুলেট স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বতোভাবে সাহায্য করছে।

    অন্ধ্রপ্রদেশের মন্ত্রীর তৎপরতা

    অন্ধ্রপ্রদেশের মন্ত্রী নারা লোকেশও ঘটনাটির পরপরই প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা শুরু করেন। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ ভবন এবং রাজ্য সরকারের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত পর্যটকদের মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের কয়েকজন বাসিন্দাও থাকতে পারেন। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা তাঁকে জানান, ভিয়েতনামে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যাত্রীদের পরিচয় ও অবস্থার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। মন্ত্রী নির্দেশ দেন, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াতে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করতে (Vietnam)। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় সমুদ্র ছিল উত্তাল। বৃষ্টি না হলেও, ঢেউ ছিল প্রবল। তার মধ্যেই চলাচল করছিল পর্যটকবাহী স্পিডবোটগুলি। স্পিডবোট পরিচালনাকারী সংস্থার এক প্রতিনিধি জানান, স্পিডবোটটি দ্বীপভ্রমণ করাতেই পর্যটকদের নিয়ে যাচ্ছিল। চালকের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাও ছিল (Indian Tourists Capsizes)।

    মে রুট দ্বীপপুঞ্জ

    প্রসঙ্গত, মে রুট দ্বীপপুঞ্জ ফু কুয়কের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। স্বচ্ছ সমুদ্রের জল, সাদা বালুকাবেলা এবং প্রবালপ্রাচীরের জন্য দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক সেখানে বেড়াতে যান। স্নরকেলিং, ডাইভিং-সহ বিভিন্ন জলক্রীড়ার জন্য এলাকাটি বিশেষ পরিচিত। আন থই বন্দর থেকে স্পিডবোটে সাধারণত ২০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যেই সেখানে পৌঁছনো যায় (Vietnam)। গত বছরও ভিয়েতনামে বড় ধরনের নৌ-দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে হা লং উপসাগরে একটি পর্যটকবাহী স্পিডবোট প্রবল ঝড়ের মধ্যে পড়ে উল্টে গেলে অন্তত ৩৫ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনায় বহু শিশুও প্রাণ হারিয়েছিল। পরপর এমন দুর্ঘটনার পর ভিয়েতনামের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে নৌ-নিরাপত্তা এবং (Indian Tourists Capsizes) জরুরি উদ্ধার ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েই উঠছে গুচ্ছের প্রশ্ন (Vietnam)।

     

  • Jammu Kashmir India: বাংলাদেশের সেমিনারে ভারতের ভুল মানচিত্র প্রদর্শন, প্রকাশ্যেই আপত্তি ভারতীয় কূটনীতিক পূজার

    Jammu Kashmir India: বাংলাদেশের সেমিনারে ভারতের ভুল মানচিত্র প্রদর্শন, প্রকাশ্যেই আপত্তি ভারতীয় কূটনীতিক পূজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি নীতিনির্ধারণী সেমিনার থেকে তামাম বিশ্বকে বড় বার্তা দিয়ে খবরের শিরোনামে ভারতীয় কূটনীতিক পূজা কুমারী ঝা (Pooja Kumari Jha)। ভারতের মানচিত্রে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir India) ভুল উপস্থাপন নিয়ে আপত্তি জানিয়ে প্রচারের আলোকে চলে এসেছেন তিনি। ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এ আয়োজিত “আস্থা পুনর্গঠন, আঞ্চলিক সংহতির নবায়ন: সার্ক পুনরুজ্জীবনের পথ” শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখছিলেন পূজা। সেখান থেকেই দৃঢ় গলায় জানিয়ে দেন জন্মু-কাশ্মীরের ভুল উপস্থাপন নিয়ে তাঁর প্রবল আপত্তির কথা।

    জম্মু-কাশ্মীর ভারতেরই (Jammu Kashmir India)

    জানা গিয়েছে, ঢাকার ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন ভারতে বাংলাদেশের প্রাক্তন হাইকমিশনার আহমেদ তারিক করিম। তিনি ২০০৯ থেকে ’১৪ পর্যন্ত ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বক্তব্যের সময় তাঁর উপস্থাপনায় ভারতের একটি মানচিত্র দেখানো হয়। সেই ম্যাপে জম্মু- কাশ্মীরের সীমানা ভারতের সরকারি অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। উপস্থিত দর্শকদের মধ্যেই ছিলেন ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব পূজা। তিনি সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানান। ভারতীয় এই কূটনীতিক বলেন, “এখানে ভারতের যে মানচিত্রটি দেখানো হচ্ছে, সেটি ঠিকঠাক নয়। জম্মু-কাশ্মীর ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য এবং অবিচ্ছিন্ন অংশ।” তাঁর আপত্তির জবাবে আহমেদ তারিক করিম বলেন, “এই মানচিত্রটি কেবল উপস্থাপনার সুবিধার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এটি প্রকৃত আন্তর্জাতিক সীমানা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে প্রদর্শিত হয়নি।” তবে তাঁর এই ব্যাখ্যার পরেও ভারতের সরকারি অবস্থান মনে করিয়ে দেন পূজা। বলেন, “আমি আপনার বক্তব্য বুঝতে পারছি। কিন্তু জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং এখানে সেটাই ভুলভাবে দেখানো হয়েছে। তাই বিষয়টি তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মনে করেছি।”

    ঢোক গিলতে হল বাংলাদেশকে!

    এই সময় (Jammu Kashmir India) করিম জানতে চান, তিনি ভারতের প্রতিনিধি কি না। উত্তরে নিজের পরিচয় দিয়ে পূজা জানান, তিনি ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব। বাধ্য হয়ে করিম বলেন, “আপনার বক্তব্য নথিভুক্ত করা হল।” এই বলেই তিনি তাঁর বক্তব্য চালিয়ে যেতে থাকেন। দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রগুলির রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতা তুলে ধরে করিম জানান, ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের পর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলি আইনি সার্বভৌমত্ব অর্জন করলেও, তাদের পরিচয়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং ভূখণ্ডগত নিরাপত্তা নিয়ে নানা উদ্বেগ রয়ে গিয়েছে। তাঁর মতে, ঔপনিবেশিক শাসন শুধু সীমান্ত নির্ধারণ করেনি, বরং রাজনৈতিক চিন্তাভাবনার ধরনও বদলে দিয়েছিল। এর ফলে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিকে অনেক সময় সহযোগী নয়, সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখার প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

    দেশভাগের জের

    তিনি আরও জানান, ঔপনিবেশিক শাসনের আগে দক্ষিণ এশিয়া কঠোরভাবে বিভক্ত ভূখণ্ড ছিল না। সাম্রাজ্য, দেশীয় রাজ্য, বাণিজ্যপথ, তীর্থযাত্রা, ভাষাগত ধারাবাহিকতা এবং পরিবেশগত সংযোগের মাধ্যমে মানুষ অবাধে চলাচল করত, বাণিজ্য হত, বিবাহ ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের চলও ছিল। দেশভাগের ফলে পরিবার, বাজার, নদী, রেলপথ, বন্দর, স্মৃতি এবং (Jammu Kashmir India) পরিচয় বিভক্ত হয়ে যায়। তাঁর ভাষায়, “দেশভাগ ছিল যেন একটি পরিবারের বাড়িকে ভাগ করে দেওয়ার মতো ঘটনা (Pooja Kumari Jha)।” সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা, পারস্পরিক আস্থা এবং সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়।

    কে এই পূজা?

    এদিকে, ভারতীয় কূটনীতিক পূজার এই প্রতিবাদের একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিওতে দেখা যায়, মানচিত্রে আপত্তি তুলে ধরে পূজা স্পষ্ট ভাষায় ভারতের অবস্থান তুলে ধরছেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। পূজা ভারতীয় বিদেশ পরিষেবার ২০২২ ব্যাচের আধিকারিক। ওই বছরই তিনি প্রথমবারের চেষ্টায়ই ইউপিএসসির সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সর্বভারতীয় ৮২তম স্থান লাভ করেন। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্রই ২৫ বছর। বর্তমানে তিনি ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২২ সালে এক সাক্ষাৎকারে পূজা জানিয়েছিলেন, তাঁর শৈশব আর্থিক সঙ্কট ও সামাজিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে কেটেছে। পরিবারের দ্বিতীয় কনিষ্ঠ সন্তান হিসেবে নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করেই তিনি দেশের অন্যতম কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করেন।

    জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ভারতের অবস্থান

    জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir India) প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থান বরাবরই এক। নয়াদিল্লির দাবি, সমগ্র জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একই সঙ্গে ভারত বরাবরই পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর খালি করার দাবি জানিয়ে এসেছে, এবং এই ইস্যুতে কোনও তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছে (Pooja Kumari Jha)।ঢাকার এই সাম্প্রতিক ঘটনায়ও ভারতীয় কূটনীতিক পূজা সরকারের সেই অবস্থানই আরও একবার জানিয়ে দিলেন প্রকাশ্যে। উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান বিআইআইএসএস। এর লক্ষ্য হল নানা আন্তর্জাতিক, নিরাপত্তা, কৌশলগত ও উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে গবেষণা ও পর্যালোচনা পরিচালনা করা। এটি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় থিঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই পরিচিত (Jammu Kashmir India)।

     

  • Trump: “ইরানের দিকে তাক করে এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র রাখা হয়েছে’’! হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন ট্রাম্প, কেন জানেন?

    Trump: “ইরানের দিকে তাক করে এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র রাখা হয়েছে’’! হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন ট্রাম্প, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁকে হত্যার চেষ্টা হলে ইরানের বিরুদ্ধে অভূতপূর্ব সামরিক হামলার নির্দেশ আগে থেকেই দেওয়া রয়েছে বলে দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে করা এক পোস্টে তিনি জানান, ইরান যদি তাঁকে হত্যার চেষ্টা করে, তাহলে আমেরিকার পক্ষ থেকে তৎক্ষণাৎ ভয়াবহ সামরিক জবাব দেওয়া হবে।

    ট্রাম্পের বক্তব্য (Trump)

    ট্রাম্প লিখেছেন, ‘‘আমার বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি কার্যকর করা হলে বা একজন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হত্যার চেষ্টা করা হলে ইরানের দিকে তাক করে এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র রাখা হয়েছে।’’ তাঁর আরও দাবি, প্রথম দফার হামলার পরপরই হাজার হাজার অতিরিক্ত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হবে। ট্রাম্পের কথায়, ‘‘আগেই প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক বছরের জন্য, প্রয়োজনে যার মেয়াদ আরও বাড়ানো যেতে পারে, মার্কিন সেনাবাহিনী ইরানের সব এলাকা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম।” এর আগে নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি বলেছিলেন, “আমি অনেক দিন ধরেই তাদের টার্গেট। এটাই বাস্তবতা। যদি আমার সঙ্গে কিছু ঘটে, তা হলে এমন মাত্রায় ইরানে বোমাবর্ষণের নির্দেশ দিয়ে রেখেছি, যা তারা আগে কখনও দেখেনি।’’

    ইরানের পয়লা নম্বর টার্গেট

    তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তাঁকে হত্যার নতুন কোনও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্য নেই। ইজরায়েল এই ধরনের নতুন কোনও তথ্য পেয়েছে বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “না, না। ইজরায়েল এমন কিছুই পায়নি। আমি বহু দিন ধরেই ইরানের হত্যার তালিকায় এক নম্বরে আছি। এটাই বাস্তবতা।” চলতি সপ্তাহেই নিজেকে ইরানের পয়লা নম্বর টার্গেট বলে উল্লেখ করেছিলেন ট্রাম্প। এদিন তিনি ফের জানান, ইরানকে কখনওই পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া যাবে না। তবে ভবিষ্যতে ইরানের সঙ্গে কোনও সংঘাত হলেও, তা দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে তিনি মনে করেন না। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ট্রাম্পের নির্দেশে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলেইমানি নিহত হন। সেই ঘটনার পর থেকেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে ইরান। পরে মার্কিন প্রশাসন ট্রাম্পকে হত্যার একাধিক কথিত ইরান-যোগের ষড়যন্ত্রের তথ্য প্রকাশ করলেও, তেহরান বরাবরই সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    যুদ্ধবিরতির অধ্যায় শেষ!

    এদিকে ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, ইরান ফের আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে ওয়াশিংটন তেহরানকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে যুদ্ধবিরতির অধ্যায় শেষ হয়ে গিয়েছে। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ‘‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান আমাদের কাছে আবার আলোচনায় বসার অনুরোধ জানিয়েছে। আমরা তাতে সম্মত হয়েছি। তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গিয়েছে।’’

  • Sheikh Hasina: মৃত্যুদণ্ডের রায় সত্ত্বেও ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন হাসিনা, জানালেন আদালতে আত্মসমর্পণের কথাও

    Sheikh Hasina: মৃত্যুদণ্ডের রায় সত্ত্বেও ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন হাসিনা, জানালেন আদালতে আত্মসমর্পণের কথাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরছেন পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। তাঁর সঙ্গেই স্বদেশে (Bangladesh) ফিরবেন নিষিদ্ধ আওয়ামি লিগের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। বর্তমানে ভারতে রয়েছেন হাসিনা। তিনি জানান, ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। নিজের জীবনের ঝুঁকি রয়েছে জেনেও, বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা।সংবাদসংস্থাকে দেওয়া ঘণ্টাখানেকের টেলিফোনিক সাক্ষাৎকারে আশি ছুঁইছুঁই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা বলেন, “আমি দেশে ফিরব। আমায় গ্রেফতার করা হতে পারে। হত্যা করা হলেও, আমি ফিরব।”

    ‘যদি মৃত্যুই আসে…'(Sheikh Hasina)

    তিনি বলেন, “আমার দলের নেতা-কর্মীদের ওপর ভয়াবহ দমন-পীড়ন চলছে। যদি মৃত্যুই আসে, তবে আমি চাই সেটি আমার নিজের মাটিতেই আসুক, যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন এবং যেখানে তাঁদের রক্ত ঝরেছে।” এটাই প্রথমবার, যখন হাসিনা প্রকাশ্যে দেশে ফেরার সম্ভাব্য সময়সীমা জানালেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, আওয়ামি লিগের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতাও তাঁর সঙ্গে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও। হাসিনার পাশাপাশি এঁকেও মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের আদালত। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনের জেরে টানা কয়েক সপ্তাহের হিংসাত্মক বিক্ষোভের জেরে বাংলাদেশ (Bangladesh) ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন হাসিনা। সেনাপ্রধানের পরামর্শেই নিরাপত্তার স্বার্থে দেশ ছাড়েন বলে সেই সময় জানা গিয়েছিল। এরপর থেকে হাসিনা রয়েছেন ভারতেই।

    মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হাসিনা

    গত নভেম্বরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন দমনে তাঁর ভূমিকার অভিযোগে দেশে না থাকা অবস্থায়ও হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। যদিও প্রথম থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন পড়শি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (Sheikh Hasina)। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার বারবার হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন জানাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, “ঢাকার কর্তৃপক্ষ আমাকে ফেরাতে ভারতের কাছে বারবার চিঠি পাঠাচ্ছে। কিন্তু আমি নিজেই দেশে ফিরব।” তিনি জানান, দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বিদেশি সরকারের সঙ্গে তিনি আলোচনা করেননি। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, আওয়ামি লিগের রাজনৈতিক অধিকার কোনও গোপন আলোচনার বিষয় নয়। তাই এ নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।’’ ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এর আগে জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত আবেদন আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে নয়াদিল্লি ঢাকার সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

    রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা

    তাঁর বিরুদ্ধে (Sheikh Hasina) দায়ের হওয়া মামলাগুলিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে হাসিনা বলেন, “আমি বিচারব্যবস্থার ওপর (Bangladesh) বিশ্বাস রাখি। আদালতে মামলা শুরু হলে মানুষ বুঝতে পারবেন এই বিচার কতটা প্রহসনের।” তিনি বলেন,  ‘‘আমাদের প্রায় সব নেতা এবং কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অধিকাংশই আত্মগোপন করে রয়েছেন। তাই আমি বলেছি, এ বার আমি ঘরে ফিরছি। এক দিন আপনাদের সকলকেই ফিরতে হবে। আমরা সকলে একসঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব। বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হলে আদালতের প্রহসনমূলক চরিত্র প্রকাশিত হয়ে যাবে। আমি সেটাই চাই।’’ মহম্মদ ইউনূসের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিষেধাজ্ঞার জেরে গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামি লিগ। হাসিনা চান, তাঁর দলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুক বাংলাদেশের জনগণ। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘‘আমাদের প্রায় সব নেতা এবং কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অধিকাংশই আত্মগোপন করে রয়েছেন।

    কারাবাসের ভয় নেই

    তিনি জানান (Sheikh Hasina), কারাবাসের ভয় তাঁর নেই। অতীতেও একাধিকবার তাঁকে জেলে যেতে হয়েছে। বিশেষ করে ২০০৭ সালে, সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। অবশ্য তাঁর কারাবাস দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কারণ ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে আবারও ক্ষমতায় ফেরেন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো হাসিনা। হাসিনা এও জানান, নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও আওয়ামি লিগকে পুনর্গঠন করতে তিনি অনলাইনে বাংলাদেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১২৫টি আসনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করছেন। তিনি মনে করেন, আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত নয়।

    আত্মসমালোচনা হাসিনার

    দীর্ঘ ২০ বছরের রাজপাট নিয়ে আত্মসমালোচনাও করেন হাসিনা। তিনি বলেন, “দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে ভুল হতেই পারে। কোনও সরকারই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। তবে একটি সরকারের ভালো-মন্দের বিচার করার অধিকার জনগণের। সেই বিচার আমি জনগণের হাতেই ছেড়ে দিচ্ছি (Sheikh Hasina)।” আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে ঢাকা-দিল্লি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি হতে পারে। হাসিনা ভারত ছেড়ে নিজের দেশে না ফেরায় দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপড়েন চলছিল। চলতি বছরেই তিনি যে বাংলাদেশে (Bangladesh) ফিরবেন, তা আগেই জানিয়েছিলেন বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী। তবে এ বার নির্দিষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, ডিসেম্বরেই তিনি ফিরছেন বাংলাদেশে (Sheikh Hasina)।

     

  • RSS: আরএসএসের সর্বভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক শুরু, বেলগাভির সভায় শাখা সম্প্রসারণ, শতবর্ষ কর্মসূচিতে জোর

    RSS: আরএসএসের সর্বভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক শুরু, বেলগাভির সভায় শাখা সম্প্রসারণ, শতবর্ষ কর্মসূচিতে জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার কর্নাটকের বেলগাভিতে শুরু হয়ে গেল আরএসএসের (RSS) বার্ষিক সর্বভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক।তিনদিনের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে (Belagavi Meet) দেশজুড়ে শাখা সম্প্রসারণের গতি বাড়ানো, শতবর্ষ উপলক্ষে নেওয়া কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং আগামী এক বছরের সাংগঠনিক অগ্রাধিকার চূড়ান্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    বৈঠকে উপস্থিত মোহন ভাগবত (RSS)

    বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত, সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে, সমস্ত সহ-সরকার্যবাহ, সর্বভারতীয় বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, ক্ষেত্র প্রচারক, সহ-ক্ষেত্র প্রচারক, দেশের ৪৬টি প্রান্তের প্রান্ত প্রচারক ও সহ-প্রচারক এবং সংঘ-অনুপ্রাণিত বিভিন্ন সংগঠনের সাংগঠনিক মন্ত্রীরা। বৈঠকে তৃণমূল স্তরে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের পর দেশজুড়ে আয়োজিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ শিবিরের রিপোর্ট বেলগাভির বৈঠকে বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি শাখা স্তরে গৃহীত কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়নের অগ্রগতিও খতিয়ে দেখা হবে।

    আলোচ্য সূচি

    আরএসএসের শতবর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী যে শাখা সম্প্রসারণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, তার অগ্রগতি মূল্যায়নের পাশাপাশি আগামী দিনে আরও কীভাবে শাখার বিস্তার ঘটানো যায়, সেই কৌশলও নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া শতবর্ষ উপলক্ষে ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হওয়া বিভিন্ন কর্মসূচির মূল্যায়ন এবং আগামী ২০ অক্টোবর বিজয়াদশমী পর্যন্ত নির্ধারিত বাকি অনুষ্ঠানগুলির পরিকল্পনাও এই বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। বিজয়াদশমীর দিনই বছরব্যাপী শতবর্ষ উদ্‌যাপনের সমাপ্তি হবে। বৈঠকে মোহন ভাগবতের ২০২৬-২৭ সালের দেশব্যাপী সফরসূচি এবং সংঘের অন্যান্য সাংগঠনিক অগ্রাধিকার নিয়েও আলোচনা হবে (RSS)। এদিকে, কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির (কেপিসিসি) সভাপতি বি কে হরিপ্রসাদ বেলগাভিতে অনুষ্ঠিত আরএসএসের এই বৈঠক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “বেলগাভিতে কেন এই বৈঠক হচ্ছে, তা আমি জানি না। কী ধরনের বিপর্যয় ঘটে, তা দেখা যাক। তারপর আমি এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেব।” অযোধ্যার রাম মন্দিরে চুরির ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “রাম মন্দিরে চুরির ঘটনার জেরে (Belagavi Meet) কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করছে (RSS)।”

     

  • International Yoga Day: জার্মানির সংসদে যোগ-মেডিটেশন অধিবেশন, ভারতের বিশ্বজয়!

    International Yoga Day: জার্মানির সংসদে যোগ-মেডিটেশন অধিবেশন, ভারতের বিশ্বজয়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জার্মানির সংসদ বুন্ডেসটাগে (Bundestag) এই প্রথমবারের মতো হল যোগ ও মেডিটেশন অধিবেশন (International Yoga Day)। ৬ জুলাই অনুষ্ঠিত এই বিশেষ কর্মসূচিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে জার্মানিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস। অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিলেন ইন্দো-জার্মান পার্লামেন্টারি গ্রুপের (German Parliament) ডেপুটি চেয়ারম্যান হেনরি শ্মিট (Henri Schmidt)। উপস্থিত ছিলেন জার্মানিতে ভারতের রাষ্ট্রদূত অজিত গুপ্তে (Ajit Gupte), জার্মানির রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যোগ অনুশীলনকারী এবং প্রবাসী ভারতীয়রা।

    স্বাস্থ্য ও সুস্থতা রক্ষায় যোগব্যায়াম (International Yoga Day)

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অজিত গুপ্তে স্বাস্থ্য ও সুস্থতা রক্ষায় যোগব্যায়ামের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরেন। এর পাশাপাশি তিনি ট্র্যাডিশনাল চিকিৎসা ব্যবস্থায় ভারতের নেতৃত্ব এবং জার্মানিতে আয়ুর্বেদের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোকপাত করেন।প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফলেই জার্মান সংসদে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের এই উদযাপন সম্ভব হয়েছে। সিডিইউ (CDU)-এর সাংসদ হেনরি শ্মিট, বার্লিনে ভারতীয় দূতাবাস এবং ভারতীয় কমিউনিটির সদস্যদের সহযোগিতায় উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হয়। হামবুর্গের সিডিইউ নেতা রাকেশ ভেউলি (Rakesh Veuli) ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

    বিশ্বজুড়ে যোগচর্চার প্রসার

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওভারসিজ বিজেপি ইউরোপের ইন-চার্জ কুলদীপ শেখাওয়াত (Kuldeep Shekhawat) এবং প্রবাসী ভারতীয় সমাজের প্রতিনিধিরা। এই অনুষ্ঠানের (International Yoga Day) আয়োজনকে ভারত-জার্মানি সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে রাষ্ট্রসঙ্ঘে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের স্বীকৃতি পাওয়ার পর বিশ্বজুড়ে যোগচর্চার প্রসার আরও জোরদার হয়েছে। জার্মান বুন্ডেসটাগে এই প্রথম যোগ ও মেডিটেশন সেশন সেই বৈশ্বিক উদ্যোগেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন। এদিকে, ২০২৬ সালের ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হয়েছে ‘যোগ ফর হেলদি এজিং’ (Yoga for Healthy Ageing)’ কনসেপ্ট সামনে রেখে। এর মূল লক্ষ্য ছিল জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে সুস্থ (German Parliament), সক্রিয় ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে যোগব্যায়ামের ভূমিকা তুলে ধরা। উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে জনসংখ্যার বার্ধক্য বৃদ্ধি, অসংক্রামক রোগ এবং জীবনযাত্রাজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে থাকায় এখন শুধু আয়ু বৃদ্ধি নয়, বরং সুস্থ জীবনকাল (Health Span), জীবনমান এবং সামগ্রিক কল্যাণ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে (International Yoga Day)।

     

  • Congress: ১৩ বছর ধরে আকবর রোডের বাংলো দখলে রেখে দিয়েছে কংগ্রেস, এক টাকাও ভাড়া পায়নি কেন্দ্র!

    Congress: ১৩ বছর ধরে আকবর রোডের বাংলো দখলে রেখে দিয়েছে কংগ্রেস, এক টাকাও ভাড়া পায়নি কেন্দ্র!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) পূর্বতন সদর দফতর ২৪, আকবর রোডের বাংলোটি ২০১৩ সালের ২৬ জুন থেকে “অননুমোদিতভাবে দখলে” রয়েছে এবং ওই সময়ের পর থেকে সরকার কোনও (RTI) ভাড়াই পায়নি বলে তথ্যের অধিকার আইনের (আরটিআই) আবেদনের জবাবে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কংগ্রেসের বকেয়া কত রয়েছে, তা এখনও পর্যালোচনাধীন, এবং নির্ধারণ করা হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।

    বাংলো দখল কংগ্রেসের (Congress)

    সংবাদ মাধ্যমের হাতে আসা আরটিআই জবাবে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের অধীন এস্টেট অধিদফতর জানিয়েছে, নয়াদিল্লির লুটিয়েন্স এলাকার ২৪, আকবর রোডের বাংলোটি ১৯৯২ সালের ৭ আগস্ট কংগ্রেসকে বরাদ্দ করা হয়েছিল। তবে ২০১৩ সালের ২৬ জুন থেকে ওই বরাদ্দ বাতিল করা হয়। এরপর থেকেই বাংলোটি কংগ্রেসের “অননুমোদিত দখলে” রয়েছে। আরটিআই জবাবে এস্টেট অধিদফতর জানিয়েছে, ২০১৩ সালের ২৬ জুনের পর থেকে ২৪, আকবর রোডের জন্য কোনও ভাড়া জমা পড়েনি। কংগ্রেসের বকেয়া অর্থের পরিমাণ এখনও পর্যালোচনাধীন এবং তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে কংগ্রেসের কাছ থেকে সরকারের কত টাকা পাওনা, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

    তথ্য প্রকাশের গুরুত্ব

    আরটিআই আবেদনকারী জানতে চেয়েছিলেন, কংগ্রেসকে বাংলো খালি করার জন্য সরকার কোনও নোটিশ জারি করেছিল কি না, এবং করলে তার প্রতিলিপি। তবে এস্টেট অধিদফতর সেই তথ্য দিতে অস্বীকার করে। তাদের বক্তব্য, এই (Congress) ধরনের নথি আলাদা করে সংকলিত অবস্থায় সংরক্ষিত নেই। সেগুলি সংগ্রহ ও সংকলন করতে গেলে তথ্যের অধিকার আইনের ৭(৯) ধারার আওতায় সরকারি দফতরের সম্পদের অযৌক্তিক ব্যবহার হবে। এই তথ্য প্রকাশের গুরুত্ব রয়েছে। কারণ ২০১৮ সালে সংবাদ মাধ্যমের হাতে আসা আর একটি আরটিআইয়ের জবাবে এস্টেট অধিদফতর জানিয়েছিল, ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে ২৪, আকবর রোডের মাসিক লাইসেন্স ফি সংশোধন করে ৩,৯২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই জবাবের সঙ্গে ২০১৩ সালে কংগ্রেসের বরাদ্দ বাতিলের চিঠির প্রতিলিপিও দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি জানানো হয়েছিল, বাংলোটি আগের শর্তে রাখার এবং স্বাভাবিক লাইসেন্স ফি নেওয়ার বিষয়ে কংগ্রেসের আবেদন বিবেচনাধীন রয়েছে।

    ১১, অশোক রোড সম্পর্কেও তথ্য

    এদিকে, আরটিআই আবেদনে লুটিয়েন্স দিল্লির ১১, অশোক রোড সম্পর্কেও তথ্য চাওয়া হয়েছিল, যা একসময় ভারতীয় জনতা পার্টির সদর দফতর ছিল। এস্টেট অধিদফতর জানিয়েছে, ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ ওই বাংলোটি বিজেপিকে বরাদ্দ করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে ওই সম্পত্তি লোকসভার সদস্যদের আবাসন পুলের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ফলে ভাড়া আদায় এবং বর্তমানে কে ভাড়া দিচ্ছে, সেই সংক্রান্ত তথ্যের আবেদন লোকসভা সচিবালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরটিআই জবাবে আরও বলা হয়েছে, বিজেপির সরকারের কাছে কোনও বকেয়া থাকলে তার পরিমাণও এখনও পর্যালোচনাধীন এবং নির্ধারণ করা হয়নি। এর আগে, ২০১৯ সালে সংবাদ মাধ্যমের হাতে আসা একটি আরটিআই জবাবে জানানো হয়েছিল, ১১, অশোক রোডের বাংলোটি তখনও বিজেপির দলীয় কার্যালয় হিসেবেই ব্যবহৃত হচ্ছিল। এছাড়া ২০১৮ সালের আর একটি আরটিআই (RTI) আবেদনের উত্তরে জানানো হয়েছিল, ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে ওই বাংলোর মাসিক লাইসেন্স ফি ৩,৯২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে (Congress)।

     

  • PM Modi: ‘‘টি২০-র মতো দ্রুত, টেস্টের মতো দীর্ঘ’’, ভারত-অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্কের গভীরতা বোঝাতে ক্রিকেটের উপমা মোদির মুখে

    PM Modi: ‘‘টি২০-র মতো দ্রুত, টেস্টের মতো দীর্ঘ’’, ভারত-অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্কের গভীরতা বোঝাতে ক্রিকেটের উপমা মোদির মুখে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ককে আরও গভীর এবং বহুমাত্রিক বলে উল্লেখ করে বৃহস্পতিবার ক্রিকেটের উপমায় দুই দেশের কূটনৈতিক অংশীদারিত্ব ব্যাখ্যা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে তিনি (India Australia Relations) জানান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্কে ক্রিকেট এক বিশেষ কূটনৈতিক ভাষা হিসেবে কাজ করে এবং দুই দেশের বৈঠকও অনেকটা ক্রিকেট ম্যাচের মতো। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আজ আমরা বিশ্বের ক্রীড়া রাজধানী মেলবোর্নে রয়েছি। এখানে খেলাধুলার কথা না বলা ঠিক যেন ক্রিকেট ম্যাচে টসে জিতে ব্যাট বা বল কোনওটাই না করা। ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্কে ক্রিকেট একটি কূটনৈতিক ভাষা।’’

    ক্রিকেটের উপমা (PM Modi)

    তিনি আরও বলেন, ‘‘অনেক দিক থেকেই আমাদের বৈঠক ক্রিকেটের মতো। আমাদের আলোচ্যসূচি এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচের মতো লক্ষ্যনির্ভর, আমাদের সিদ্ধান্ত কুড়ি ওভারের ম্যাচের মতো দ্রুত, আর আমাদের অংশীদারিত্ব পাঁচ দিনের টেস্ট ম্যাচের মতো দীর্ঘস্থায়ী এবং গভীর।’’ যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী কয়েক বছরে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া উভয় দেশই অলিম্পিক এবং কমনওয়েলথ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মতো বড় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরের আয়োজন করবে। তিনি বলেন, ‘‘এর ফলে শুধু দুই দেশের ক্রীড়া সহযোগিতাই আরও শক্তিশালী হবে না, ক্রীড়া পরিকাঠামোয় বিনিয়োগেরও নতুন নতুন সুযোগও তৈরি হবে।’’

    যৌথ বিবৃতি

    ভারত-অস্ট্রেলিয়া বার্ষিক শীর্ষ বৈঠকের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁও এবং অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডাই সমুদ্রসৈকতে সংঘটিত সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তাঁরা সন্ত্রাসবাদ এবং সন্ত্রাসকে উৎসাহিত করে এমন হিংসাত্মক মৌলবাদের সব ধরনের রূপের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথাও জানান তাঁরা(PM Modi)। দুই নেতা জানান, সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় সব দেশের সমন্বিত ও ধারাবাহিক উদ্যোগ জরুরি। রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১২৬৭ নিষেধাজ্ঞা কমিটির তালিকাভুক্ত জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদী সংগঠন, তাদের সহযোগী, মদতদাতা এবং অর্থ জোগানদাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ারও ডাকও দেন তাঁরা।

    সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সহমত দুই দেশই

    সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়েও একমত হয় ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। জঙ্গি হুমকি সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানো, অনলাইন উগ্রপন্থা, সন্ত্রাসে নতুন প্রযুক্তির অপব্যবহার, সন্ত্রাসে অর্থায়ন, গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত হুমকি মোকাবিলায় যৌথভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি পহেলগাঁও ও বন্ডাই সমুদ্রসৈকতের হামলা-সহ সব ধরনের জঙ্গি হামলার নিন্দাও করেন তাঁরা। এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে পরমাণু সহযোগিতা ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর মতে, এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের দ্রুত বিকাশমান কৌশলগত অংশীদারিত্বে পরমাণু সহযোগিতার নয়া মাত্রা যুক্ত হল (PM Modi)।

    উগ্রপন্থা মোকাবিলায় সহযোগিতা

    জানা গিয়েছে, ভারত-অস্ট্রেলিয়া উভয় দেশই উগ্রপন্থা মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের অঙ্গীকার করেছে। দুই দেশের যৌথ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হবে অনলাইন উগ্রপন্থা, সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করে এমন সহিংস চরমপন্থা, নতুন ও উদীয়মান প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে সৃষ্ট নিরাপত্তা হুমকি, সন্ত্রাসে অর্থায়নের নেটওয়ার্ক, গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পরিকাঠামো এবং বিস্তৃত সামুদ্রিক অঞ্চলে উদ্ভূত হুমকির মোকাবিলা করা (India Australia Relations)। শীর্ষ বৈঠকে নিরাপত্তা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার এই নতুন কাঠামো আরও জোরদার হওয়ার পাশাপাশি কৌশলগত ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে।

    পরমাণু সহযোগিতার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক চুক্তি

    এর আগে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন, ভারত ও অস্ট্রেলিয়া পরমাণু সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এর ফলে দুই দেশের দ্রুত বিকাশমান অংশীদারিত্বে কৌশলগত পারমাণবিক সহযোগিতার একটি নতুন মাত্রা যুক্ত হল (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী মোদির এই সফরের মাধ্যমে ভারত-অস্ট্রেলিয়া যৌথ কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গতিশীল হবে বলেই আশা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। এই অংশীদারিত্বই দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পরিচালনার প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে ভারত-অস্ট্রেলিয়া যৌথ কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। এই কাঠামোর ভিত্তিতেই দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পরিচালিত হয়। উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া সফর শেষ করে ত্রিদেশীয় সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে বুধবার মেলবোর্নে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে (India Australia Relations) উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। ক্যাঙারুর দেশ অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে সেখানকার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

  • PM Modi: অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসায়ীদের ভারতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসায়ীদের ভারতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসায়ীদের ভারতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে প্রস্তাবিত যৌথ অর্থনৈতিক সহযোগিতা চুক্তি দ্রুত চূড়ান্ত করার ওপরও জোর দেন (India Backs CECA Deal) তিনি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    বৃহস্পতিবার মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়া-ভারত প্রধান এক্সিকিউটিভ কর্তাদের ফোরাম এবং অর্থনৈতিক রোডম্যাপ ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের সঙ্গে যৌথভাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি ব্যবসায়ীদের প্রতি এই আহ্বান জানান। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ শিল্পপতি, প্রধান এক্সিকিউটিভ আধিকারিক এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠান শেষে এক্স হ্যান্ডেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দু’হাজার তেইশ সাল থেকে এই ফোরাম উল্লেখযোগ্য গতি পেয়েছে, যা আমাদের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের প্রতি ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি এই আলোচনায় যোগ দিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন।”

    ভারতে বিনিয়োগের আহ্বান

    মোদি জানান, বৈঠকে বিমান চলাচল, পরিবহণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা, আর্থিক পরিষেবা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, প্রযুক্তি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা এবং দক্ষতা উন্নয়ন-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, “ভারত প্রবৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের জন্য অতুলনীয় সুযোগ এনে দিয়েছে। আমি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ভারতে বিনিয়োগ এবং নতুন উদ্ভাবনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি (PM Modi)।” ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, নীতিগত সংস্কার, ডিজিটাল রূপান্তর এবং দ্রুত বিস্তৃত উদ্ভাবনভিত্তিক পরিবেশের কথা তুলে ধরে বলেন, এগুলি অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসায়িক অংশীদারদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছে (India Backs CECA Deal)।

    ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতি

    প্রধানমন্ত্রী এও জানান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক। উৎপাদন শিল্প, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, খনিশিল্প, পরিকাঠামো, এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা), আর্থিক প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল অর্থনীতির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। ভারতের বিশাল বাজার এবং অস্ট্রেলিয়ার দক্ষতার সমন্বয় উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে বলেও জানান তিনি। দীর্ঘমেয়াদি লগ্নির সুযোগ কাজে লাগাতে অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানান মোদি (PM Modi)। উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং দক্ষতা উন্নয়নে দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারতে কার্যক্রম সম্প্রসারণ ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এবং আন্তর্জাতিক সুযোগ কাজে লাগাতে সহায়ক হবে।

    গুরুত্বপূর্ণ খনিজ কাজে লাগানোয় জোর

    অর্থনৈতিক রোডম্যাপ ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানেও নরেন্দ্র মোদি ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে থাকা স্বাভাবিক সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, অর্ধপরিবাহী, এআই, বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং প্রতিরক্ষা খাতে যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। এই অনুষ্ঠানে দুই দেশের দু’শোরও বেশি প্রধান এক্সিকিউটিভ আধিকারিক ও শিল্পোদ্যোগী অংশ নেন। মোদি বলেন, “গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, দৃঢ় জনসংযোগ এবং শক্তিশালী রাজনৈতিক বোঝাপড়া ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বকে আরও সমৃদ্ধ করতে মজবুত ভিত তৈরি করেছে (PM Modi)।” ব্যবসায়িক নেতাদের রেয়ার আর্থ খনিজ, লিথিয়াম, ব্যাটারি, ইলেকট্রনিক্স, বৈদ্যুতিক যানবাহন, অর্ধপরিবাহী, এআই এবং প্রতিরক্ষা সরবরাহ শৃঙ্খলের মতো ক্ষেত্রে উভয় দেশের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বৈশ্বিক সমস্যার সমাধান তৈরির আহ্বান জানান তিনি।

    বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কের অগ্রগতি

    দু’হাজার বাইশ সালে কার্যকর হওয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য চুক্তির ভিত্তিতে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সমন্বিত অর্থনৈতিক সহযোগিতা চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করা জরুরি।” তিনি আরও জানান, দ্বিপাক্ষিক ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রদেশের মধ্যে নিজ নিজ বিশেষ দক্ষতাকে ভিত্তি করে গতিশীল অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা প্রয়োজন। বর্তমানে দুই দেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য চুক্তির ওপর ভিত্তি করে আরও বিস্তৃত যৌথ অর্থনৈতিক সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। দু’হাজার পঁচিশ-ছাব্বিশ অর্থবর্ষে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে পণ্য ও পরিষেবা মিলিয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দু’হাজার চারশো দশ কোটি মার্কিন ডলার। প্রসঙ্গত, ইন্দোনেশিয়া সফর শেষে (India Backs CECA Deal) ত্রিদেশীয় সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে বুধবার অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সফরের শেষ পর্যায়ে তিনি যাবেন নিউজিল্যান্ডে।

     

LinkedIn
Share