Tag: bangla

bangla

  • Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি যদি অভিষেকের ওপরই নির্ভর করেন, তাহলে তাঁর সঙ্গেই থাকুন। আর যদি তাঁর থেকে দূরে সরে আসেন, তাহলে আমি আপনার পাশে আছি।” বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে এমনই বার্তা দিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata TMC Rebellion)। মমতার হাতে গড়া সাধের তৃণমূলে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকায় এমনিতেই শ্যাম রাখি না কূল দশা তৃণমূল সুপ্রিমোর।

    ‘ভাইপো কালচারে’র জের! (Mamata TMC Rebellion)

    এহেন আবহে কল্যাণের এই হুমকি বার্তায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তৃণমূলের মমতাপন্থী নেতারা। তৃণমূলে ‘ভাইপো কালচার’ শুরুর পর থেকেই বইতে শুরু করেছিল অশান্তির চোরাস্রোত। তবে সে সবকে কোনওদিনই পাত্তা দেননি (Kalyan Banerjee) দলনেত্রী। উল্টে সাপ এবং ব্যাঙ-দু’পক্ষকেই তাঁবে রাখতে একের পর এক ‘গেম’ খেলে গিয়েছেন তিনি। তবে তাতে যে বিশেষ কাজ হয়নি, তার প্রমাণ মিলল ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল গাড্ডায় পড়তেই। ভেঙে দু’খান হয়ে গেল কংগ্রেস ভাঙিয়ে তৃণমূল গড়ার ‘কারিগর’ মমতার দল।

    অভিষেককে নিশানা কল্যাণের

    এদিন কল্যাণ প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সই জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় তাঁর পরিবর্তে অন্য আইনজীবী নিয়োগ করাকে কেন্দ্র করে ‘ভাতিজা’র বিরুদ্ধে অসম্মান করার অভিযোগ তোলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। তিনি জানান, একজন সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে তাঁকে অপমান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আর তিনি যে অভিষেকের হয়ে কোনও মামলায় সওয়াল করবেন না, তাও জানিয়ে দেন এই তৃণমূল সাংসদ। অভিষেককে নিশানা করে কল্যাণ বলেন, “ওঁর অহংকারী মনোভাবের কারণেই দলের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। উনি কাউকেই সম্মান করতে জানেন না।” তিনি জানান, দলের প্রবীণ নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও, মমতা এখনও ফোন করেননি। তবে তিনি যে তৃণমূলের অন্যান্য সাংগঠনিক ও আইনি বিষয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন, তাও জানিয়ে দিয়েছেন এই আইনজীবী নেতা।

    ফাটল চওড়া হচ্ছে তৃণমূলে

    এদিকে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের ফাটল ক্রমেই চওড়া হচ্ছে। গত তিনদিনে পদত্যাগ করেছেন রাজ্যসভার তিন সাংসদ। বুধবার রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়েন প্রকাশ চিক বরাইক। ৮ জুন ইস্তফা দিয়েছিলেন সুখেন্দুশেখর রায়। আর ১০ জুন পদত্যাগ করেন সুস্মিতা দেব। প্রকাশ জানান, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মতামতকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরে তাঁকে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের বাসভবনে যেতে দেখা যায়, যা নিয়ে রাজনৈতিক জল্পনার পারদ আরও চড়েছে।এদিকে, তৃণমূলের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনও সংযুক্তির জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। যদিও বুধবার দিল্লিতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন (Mamata TMC Rebellion) অভিষেক। অন্যদিকে, বিদ্রোহী তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, তাঁদের সঙ্গে সমর্থন রয়েছে ৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন। বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, লোকসভায় ২০ জন সাংসদ পৃথক আসন বিন্যাসের দাবি জানিয়েছেন। এ থেকেই (Kalyan Banerjee) স্পষ্ট, তৃণমূলের ছত্রখান হওয়াটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

     

  • Prakash Baraik: তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো, এবার রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা প্রকাশ চিক বরাইকের

    Prakash Baraik: তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো, এবার রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা প্রকাশ চিক বরাইকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের অন্দরে চলতে থাকা রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই রাজ্যসভার সদস্যপদে ইস্তফা দিলেন দলের প্রকাশ চিক বরাইক (Prakash Baraik)। বৃহস্পতিবার তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের রায়কে সম্মান জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রকাশ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যে মতামত দিয়েছেন, তা (BJP) মেনে নিয়েই আমি রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি।” প্রসঙ্গত, গত এক সপ্তাহে এটি তৃণমূলের তৃতীয় রাজ্যসভা সাংসদের পদত্যাগ। এর আগে ৮ জুন পদত্যাগ করেন সুখেন্দু শেখর রায়। তার ঠিক দুদিন পরে, ১০ জুন রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়েন সুস্মিতা দেব। এবার সেই তালিকায় উঠে গেল প্রকাশের নাম।

    বিজেপি সাংসদের বাড়িতে প্রকাশ (Prakash Baraik)

    এহেন পরিস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনাও উসকে দিয়েছেন প্রকাশ। এদিন ইস্তফাপত্র জমা দিয়ে প্রকাশ চলে যান বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের বাসভবনে। সেখানে তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে করা এক প্রশ্নের উত্তরে প্রকাশ বলেন, “সময়ই সব বলবে। এখনই কিছু বলতে চাই না। ভবিষ্যতে রাজনীতিতে কী করব, তা সময়ই ঠিক করবে।” তিনি জানান, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর কোনও ব্যক্তিগত ক্ষোভ নেই। তবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন বলেও ইঙ্গিত দেন প্রকাশ। ইস্তফার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের জনমত বিজেপির পক্ষেই ছিল। আমার নিজের এলাকায়ও তৃণমূল একটি আসনও জিততে পারেনি। উত্তরবঙ্গের ফলও আশানুরূপ হয়নি। সেই কারণেই আমি মনে করেছি, এই পদে আমার থাকা আর নৈতিকভাবে ঠিক নয়। তাই আমি সাংসদ পদ এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ—দুই থেকেই ইস্তফা দিয়েছি।”

    ক্রমেই চওড়া হচ্ছে তৃণমূলের ফাটল

    এদিকে, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হয়েছে বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন (Prakash Baraik), বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে কংগ্রেসের কোনও ধরনের সংযুক্তির প্রশ্নই নেই এবং গোটা বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ঋতব্রতের দাবি, তাঁদের শিবিরে এখন ৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে, যা আগের ৫৮ জনের তুলনায় বেশি। খুব শীঘ্রই তাঁরা স্পিকারের কাছে (Prakash Baraik) সমর্থনের চিঠি জমা দেবেন বলেও জানান তিনি।তৃণমূল কংগ্রেসে ধারাবাহিক পদত্যাগ ও বিদ্রোহী শিবিরের সক্রিয়তায় বঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি (BJP) নয়া মোড় নিতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

     

  • Indian Seafarers Dead: হরমুজ প্রণালীর কাছে হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু, শোক প্রকাশ কেন্দ্রের, পাশে থাকার বার্তা সোনোয়ালের

    Indian Seafarers Dead: হরমুজ প্রণালীর কাছে হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু, শোক প্রকাশ কেন্দ্রের, পাশে থাকার বার্তা সোনোয়ালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। তিনি জানান, মৃতদের পরিবারকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার জন্য কেন্দ্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উদ্ধার হওয়া নাবিকদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি মৃতদেহ ভারতে নিয়ে আসার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালীর কাছে পালাউ-ফ্ল্যাগযুক্ত বাণিজ্যিক জাহাজ এমটি সেট্টেবেলোতে হামলার ঘটনায় (Settebello Tragedy) নিহত হন ওই তিন ভারতীয় নাবিক।

    সর্বানন্দ সোনোয়ালের বক্তব্য (Indian Seafarers Dead)

    বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে সোনোয়াল জানান, প্রথমে নিখোঁজ হিসেবে চিহ্নিত তিন ভারতীয় নাবিকের মধ্যে দু’জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে এবং তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ঘটনা ভারতের সামুদ্রিক সম্প্রদায়ের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। সোনোয়াল জানান, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দ্রুত উদ্ধার হওয়া নাবিকদের ভারতে ফিরিয়ে আনা এবং মৃতদের মরদেহ তাঁদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে যথাযথভাবে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা যায়। জানা গিয়েছে, হামলার সময় এমটি সেট্টেবেলো জাহাজে মোট ২৪ জন ভারতীয় নাবিক কর্মরত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২১ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বাকি তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁদের পরিবারে।

    মৃত নাবিকদের পরিবারে কান্নার রোল

    উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলার বাসিন্দা নিহত নাবিক শিবানন্দ চৌরাসিয়ার বাড়িতে কান্নার রোল। মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হতেই পরিবারের সদস্য এবং প্রতিবেশীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। শিবানন্দের ভগ্নিপতি সঞ্জয় চৌরাসিয়া জানান, ঘটনার আগের সন্ধ্যায়ই তাঁর সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল। তখন তিনি ইরানের একটি জাহাজে থাকার কথা বললেও, কোনও বিপদের কথা জানাননি। শিবানন্দের বাবা রামজি চৌরাসিয়া বলেন, “শেষবার রাত ৯টার দিকে কথা হয়েছিল এবং ছেলে জানিয়েছিল সব কিছু ঠিক আছে। পরে খবর আসে জাহাজে বোমা হামলা হয়েছে।” প্রতিবেশীদের দাবি, শিবানন্দই ছিলেন চৌরাসিয়া পরিবারের একমাত্র রোজগেরে। তাঁর আয়েই ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছিল ওই পরিবারের আর্থিক অবস্থার।

    উদ্বেগ প্রকাশ রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের

    এদিকে, ফরওয়ার্ড সিম্যানস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়ার সাধারণ সম্পাদক মনোজ যাদব জানিয়েছেন, হামলার পর থেকেই জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। তখনই ঘটনার বিস্তারিত তথ্যও যাচাই করা হয় (Settebello Tragedy)।অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করবে, ফেলবে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব। এতে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে উন্নয়নশীল দেশগুলিই। তিনি অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    এর আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA) জানিয়েছিল, ওমানের উপকূলের কাছে এমটি সেট্টেবেলো জাহাজে হামলার ঘটনায় তারা নজর রাখছে, এবং ওমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে উদ্ধার অভিযানের তদারকি করছে। এই ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে ভারত সরকার। শুধু তা-ই নয়, জোর দিয়েছে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর (Settebello Tragedy)।

     

  • Modi Govt: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেহরুকে ছাপিয়ে গেলেন মোদি, জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নেওয়ার পথে ভারত

    Modi Govt: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেহরুকে ছাপিয়ে গেলেন মোদি, জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নেওয়ার পথে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা এক যুগ ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে জওহরলাল নেহরুর রেকর্ড ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Govt)। এই মাইলফলক শুধু রাজনৈতিক ইতিহাসের অংশ নয়, বরং গত ১২ বছরে ভারতের (India) অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের মূল্যায়নেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্ব (Modi Govt)

    গত এক দশকে ভারতের অর্থনীতি প্রায় ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭.৭ শতাংশ এবং বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার প্রায় ৬৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্বও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃত পরিবর্তন শুধু অর্থনীতির আকারে নয়, বরং দেশের প্রশাসনিক কাঠামো এবং ডিজিটাল পরিকাঠামোর আমূল পরিবর্তনে।

    মোদি সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য

    মোদি সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য হল ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার গড়ে তোলা। আধার, জনধন অ্যাকাউন্ট, ইউপিআই, জিএসটি এবং ডিবিটি (সরাসরি ভর্তুকি স্থানান্তর)-কে একত্রিত করে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল প্রশাসনিক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে জনধন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৫৮ কোটিরও বেশি, আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য কার্ড ইস্যু হয়েছে প্রায় ৪৪ কোটি। ডিজিটাল মাধ্যমে সরাসরি ভর্তুকি পৌঁছে যাওয়ায় সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি ও অপচয় অনেকটাই কমেছে। বিশেষ করে ইউপিআই (UPI) ভারতের অর্থনীতিতে বিরাট পরিবর্তন এনেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে ২৩.২ বিলিয়ন লেনদেন হয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা। ছোট দোকান থেকে বড় ব্যবসা—সব ক্ষেত্রেই ডিজিটাল পেমেন্ট এখন দৈনন্দিন বাস্তবতা (India)। বিশ্বের একাধিক দেশও এখন ভারতের এই ডিজিটাল পেমেন্ট পরিকাঠামো গ্রহণ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি (Modi Govt)।

    পরিকাঠামো নির্মাণে ব্যাপক সরকারি বিনিয়োগ

    মোদি সরকারের আর একটি বড় নীতি হল পরিকাঠামো নির্মাণে ব্যাপক সরকারি বিনিয়োগ। ২০১৫ সালে যেখানে মূলধনী ব্যয় ছিল প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা, সেখানে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে তা বেড়ে পৌঁছেছে ১২.২ লাখ কোটি টাকায়। জাতীয় সড়ক, রেলপথ, বন্দর, বিমানবন্দর এবং মালবাহী করিডর নির্মাণে গত এক দশকে নজিরবিহীন বিনিয়োগ হয়েছে। বর্তমানে ব্রডগেজ রেলপথের ৯৯ শতাংশেরও বেশি অংশে বিদ্যুতায়িত হয়েছে। দেশে চালু রয়েছে ১৬৪টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পরিষেবা। সরকারের আশা, এই পরিকাঠামো উন্নয়ন ভবিষ্যতে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করবে। তবে উৎপাদন খাতে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এখনও অধরা। ২০১৪ সালে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল উৎপাদন শিল্পের অংশীদারিত্ব জিডিপির ২৫ শতাংশে উন্নীত করা। কিন্তু ১২ বছর পরেও তা ১৩ থেকে ১৭ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে (Modi Govt)।

    ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য

    চিন, ভিয়েতনাম কিংবা মালয়েশিয়ার তুলনায় ভারতের উৎপাদন খাত এখনও অনেক পিছিয়ে। যদিও প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) প্রকল্পের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য এসেছে, তবুও সামগ্রিক শিল্পায়নের গতি প্রত্যাশিত নয় (India)। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় উৎপাদন মিশনের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও কর্মসংস্থানের প্রশ্নে উদ্বেগ রয়ে গিয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ বেকারত্বের হার ৩.১ শতাংশ হলেও, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী যুবকদের মধ্যে সাপ্তাহিক ভিত্তিক বেকারত্বের হার প্রায় ১৪.৩ শতাংশ।

    উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থান

    প্রতি বছর শ্রমবাজারে নতুন কয়েক মিলিয়ন মানুষ যুক্ত হলেও, সেই তুলনায় পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন এবং স্থায়ী চাকরি তৈরি হয়নি। উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থানের ঘাটতি অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Modi Govt)।অর্থনীতিবিদদের মতে, গত ১২ বছরে ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, ব্যাঙ্কিং সংস্কার এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় পরিবর্তন এসেছে। অবশ্য মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণ এবং বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এখনও দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অসম্পূর্ণ লক্ষ্য (India)। আগামী দশকে যদি উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব হয়, তাহলে মোদি যুগকে ভারতের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠার ভিত্তি হিসেবেই দেখা হবে। অন্যথায় সম্ভাবনা ও বাস্তবতার ব্যবধানই ভারতের অর্থনীতির প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে থাকবে (Modi Govt)।

     

  • Iran: ২১ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা ইরানের, বাহরিনে ইউএস ফিফথ ফ্লিট সদর দফতরকেও টার্গেট

    Iran: ২১ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা ইরানের, বাহরিনে ইউএস ফিফথ ফ্লিট সদর দফতরকেও টার্গেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের (Iran) চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে সংঘাত (Drone Attack) আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। বুধবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা পশ্চিম এশিয়াজুড়ে ২১টি মার্কিন বিমান ও নৌঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার ধ্বংস এবং বাহরিনে থাকা মার্কিন নৌবাহিনীর ফিফথ ফ্লিটের সদর দফতরেও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে তারা। আইআরজিসির দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের অভ্যন্তরে মার্কিন হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। এর ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে, আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার।

    ইরানের দাবি (Iran)

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, চারটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক প্রতিষ্ঠান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে জর্ডনের আল-আজরাক ঘাঁটিতে থাকা মার্কিন সেনাবাহিনীর কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ধ্বংস করার দাবি করেছে আইআরজিসি। এছাড়া জর্ডনের মুয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালানোর কথা বলা হয়েছে। এদিকে, ইরানের (Iran) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, কুয়েত এবং বাহরিনেও নতুন করে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তাদের দাবি, ওই দুই দেশেও মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আইআরজিসি এও জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত আড়াইটে নাগাদ বাহরিনে অবস্থিত মার্কিন ফিফথ ফ্লিটের সদর দফতরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ইরানের জাস্ক, সিরিক ও কেশম অঞ্চলের কয়েকটি জায়গায় হামলা চালানোর পর পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়।

    ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন হামলায় সিরিকে একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দু’টি জলের ট্যাঙ্ক ধ্বংস হয়েছে। এর জবাবে আইআরজিসির নৌবাহিনী বাহরিনে মার্কিন নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা (Drone Attack) চালায়। ইরানের (Iran) এহেন দাবির কিছুক্ষণ পরেই বাহরিনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়ে দেয়, দেশজুড়ে বিমান হামলার সাইরেন বাজানো হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক বার্তায় নাগরিকদের শান্ত থাকার এবং কাছাকাছি কোনও নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার ডাক দেওয়া হয়েছে। এর আগে হরমুজ প্রণালীতে একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার পর দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। মঙ্গলবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা ইরানের বিরুদ্ধে ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ শুরু করেছে।

    ইরানের হুঁশিয়ারি

    সেন্টকমের জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্দেশে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা থেকে ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক অভিযান শুরু হয়েছে, যা আগের দিনের হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনার জবাব। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দাবি করেন, হরমুজ প্রণালীতে টহলরত একটি অত্যাধুনিক অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ইরানের হামলায় ভূপাতিত হয়েছে। তিনি জানান, হেলিকপ্টারের দুই পাইলটকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। আমেরিকা এর উপযুক্ত জবাব দেবে। অন্যদিকে, ইরানের (Iran) বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনও হুমকির জবাব দিতে তেহরান প্রস্তুত। তিনি বলেন, “যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দৃঢ়তা পরীক্ষা করার চেষ্টা করেছে। তবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কোনও হামলার জবাব দিতে ছাড়বে না।” উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি প্রত্যাহারের আহ্বানও জানান তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন সামরিক উত্তেজনা ইতিমধ্যেই ইরান-ইজরায়েলের সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে (Drone Attack)। যার বড় ধরনের প্রভাব পড়তে (Iran) পারে পুরো পশ্চিম এশিয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর।

     

  • China: ‘ভারত প্রতিযোগী নয়, সহযোগী অংশীদার’, বলল চিন, সম্পর্ক উন্নতির বার্তা বেজিংয়ের

    China: ‘ভারত প্রতিযোগী নয়, সহযোগী অংশীদার’, বলল চিন, সম্পর্ক উন্নতির বার্তা বেজিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে (India) ‘প্রতিযোগী নয়, বরং সহযোগী অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বার্তা দিল চিন (China)। বেজিং এও জানিয়েছে, দুই দেশের উন্নয়নকে একে অন্যের জন্য হুমকি নয়, বরং সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত। চিন-ভারত-রাশিয়ার মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার পক্ষেও সওয়াল করেছে ড্রাগনের দেশ।

    চিনা বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (China)

    চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র লিন জিয়ান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেন, “ভারত ও চিন সীমান্ত-সহ বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয় সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করছে।” তাঁর মতে, ইউরেশিয়ার তিন প্রধান শক্তি—চিন, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখা শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলির স্বার্থেই নয়, বিশ্বশান্তি, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। লিন জিয়ান জানান, বর্তমানে ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি মোটের ওপর স্থিতিশীল রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক পর্যায়ের যোগাযোগও স্বাভাবিকভাবেই চলছে। তিনি এও বলেন, “চিন ও ভারতের উচিত একে অন্যকে প্রতিযোগী হিসেবে নয়, সহযোগী হিসেবে দেখা এবং পারস্পরিক উন্নয়নকে সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা।”

    কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি প্রসঙ্গে চিনের বক্তব্য

    তিনি জানান, দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি, সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং মতপার্থক্যকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা উচিত, যাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে। উল্লেখ্য, পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) ঘিরে দীর্ঘ সামরিক অচলাবস্থার পর সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও চিনের সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে (China)। উভয় দেশই সম্পর্ক স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে একাধিক কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে। এদিকে, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়েও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে শি জিনপিংয়ের দেশ। বেজিং জানিয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের মতপার্থক্যের অবসান হওয়া উচিত। ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত জু ফেইহংও এক্স হ্যান্ডেলে একই বার্তা দিয়ে বলেন, “ভারত ও পাকিস্তান চিনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী। তাদের উচিত আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ খুঁজে বের করা।” প্রসঙ্গত, সীমান্তপার সন্ত্রাস-সহ একাধিক ইস্যুকে (India) কেন্দ্র করে গত কয়েক বছর ধরে নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের সম্পর্ক তীব্র উত্তেজনার মধ্যে রয়েছে (China)।

     

  • CID: সইকাণ্ডের তদন্তে কালীঘাটে সিআইডি, তল্লাশি তৃণমূলের সেন্ট্রাল পার্টি অফিসে

    CID: সইকাণ্ডের তদন্তে কালীঘাটে সিআইডি, তল্লাশি তৃণমূলের সেন্ট্রাল পার্টি অফিসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সইকাণ্ডের তদন্তে মঙ্গলবার কালীঘাটে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হানা দেয় সিআইডির (CID) একটি দল। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি লাগোয়া ৩০বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের ওই কার্যালয়ে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়েই অভিযান চালানো হয়। যদিও প্রথমে কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি তদন্তকারীরা। উপস্থিত তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে ঘণ্টাখানেক বাগ্‌বিতণ্ডার পর বিকেল চারটের কিছু (TMC Central Office) পরে ভেতরে ঢোকে সিআইডি। তল্লাশি চালায় প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে।জানা গিয়েছে, সিআইডি কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহেরও চেষ্টা করেছিল। অভিযোগ, তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো একটি প্রস্তাবিত চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করা হয়েছে। সেই অভিযোগের তদন্তেই এই পদক্ষেপ।

    পার্টি অফিসে ঢুকতে বাধা (CID)

    কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকা তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ তথা দলের কোষাধ্যক্ষ শুভাশিস চক্রবর্তী প্রথমে তদন্তকারীদের ভেতরে ঢুকতে দেননি। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। তাঁদের অনুপস্থিতিতে তিনি কার্যালয়ে তল্লাশির অনুমতি দিতে পারেন না। সিআইডিকে আরও কয়েকদিন সময় দেওয়ার অনুরোধও জানান শুভাশিস। এদিকে, সিআইডির দাবি, আদালত এবং আইন মেনেই তারা তদন্তের স্বার্থে তল্লাশি চালাতে এসেছে। তাদের সঙ্গে যে সংশ্লিষ্ট নোটিশটি ছিল তাও জানায় রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। দীর্ঘ বাগ্‌বিতণ্ডার পর শেষ পর্যন্ত তদন্তকারী দল কার্যালয়ে ঢোকে।

    একাধিকবার হাজিরার নোটিশ

    প্রসঙ্গত, সইকাণ্ডে অভিষেককে একাধিকবার হাজিরার নোটিশ পাঠিয়েছে সিআইডি। ১ জুন হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলেও, তিনি অতিরিক্ত সময় চান। পরে ফের সাত দিনের মধ্যে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলেও, উপস্থিত হননি তিনি। সোমবার তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে তৃতীয় নোটিশটি পাঠিয়ে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে হাজির হতে বলা হয়েছিল। তার পরেও তৃণমূলের এই নেতা উপস্থিত না হওয়ায় এদিন (TMC Central Office) পার্টি অফিসে হানা দেয় সিআইডি। এদিন, অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসেও যায় সিআইডির একটি দল। সেখানেও চালানো হয় তল্লাশি। প্রসঙ্গত, যে বৈঠকে দলীয় বিধায়কদের সই সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে দাবি করছে তৃণমূল, সেটি হয়েছিল কালীঘাটের এই পার্টি অফিসেই। তদন্তকারীরা সে দিনের বৈঠকে কারা উপস্থিত ছিলেন, কারা সই করেছিলেন এবং পুরো প্রক্রিয়াটি কীভাবে সম্পন্ন হয়েছিল, তার তথ্য জোগাড়ে জোর দিচ্ছেন।

    তৃণমূল নেতার দাবি

    তল্লাশি শেষে কার্যালয় থেকে বেরিয়ে শুভাশিসের দাবি, সিআইডি কোনও নথি বা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেনি। তাঁর সাফ কথা, তিনি কোনওভাবেই তদন্তে বাধা দেননি (CID)। যাঁর নামে চিঠি এসেছে, তিনি ফিরে এলেই তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে। শুভাশিস বলেন, “অভিষেক ব্যানার্জিকে চিঠি দিয়েছেন। সার্চ করতে এসেছেন। আমি ওঁর অনুপস্থিতিতে কাউকে ঢুকতে দিতে পারি না। যাঁর চিঠি নিয়ে এসেছেন, তিনি আসুন, ওঁরা ঘরে ঢুকুন, আমরা সাহায্য করব। আমি ভলান্টিয়ারি চার্জে আছি। অফিস দেখছি একজন সাধারণ হিসেবে। আমি কোনও তদন্তে বাধা দিইনি। আমি বাধা দেওয়ার কেউ না। আমি সিআইডির কাছে (TMC Central Office) আবেদন করলাম, দু’দিন পরে আসতে।”

    সইকাণ্ড

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হেরে গিয়ে বিরোধী আসনে বসে তৃণমূল। বিধানসভায় কে বিরোধী দলনেতা, মুখ্য সচেতক বা উপদলনেতা হবেন— তা ঠিক করতে তৃণমূলের ওই পার্টি অফিসে বিধায়কদের নিয়ে (CID) বৈঠকে বসেছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকের পর শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপদলনেতা এবং মুখ্যসচেতক হিসাবে ফিরহাদ হাকিমের নাম প্রস্তাব করে স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে চিঠি দেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক। অভিযোগ, তিনি তৃণমূল বিধায়কদের সই করা যে চিঠিটি পাঠিয়েছিলেন, তাতে কয়েক জন বিধায়কের সই ‘জাল’ করা হয়েছে। সেই অভিযোগ তুলে প্রথমে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা। পরে তৃণমূল দু’জনকেই দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করে।

    মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা

    সইকাণ্ডে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ঋতব্রত এবং সন্দীপনের অভিযোগ পাওয়ার পরেই বিধানসভার তরফে হেয়ার স্ট্রিট থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তার পরেই এফআইআরে দায়ের করে তদন্ত শুরু পুলিশ। সেই তদন্তে পুলিশকে সহযোগিতা করছে সিআইডি। তৈরি (TMC Central Office) হয়েছে সিট-ও। তদন্তের সূত্রে একাধিকবার অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে সিআইডি। পাঠানো হয় নোটিশও। তার পরেও তিনি হাজির না হওয়ায় এদিন চালানো হয় তল্লাশি (CID)।

     

  • Digha Jagannath Temple: বদলাল দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নাম, কী হল নতুন নাম?

    Digha Jagannath Temple: বদলাল দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নাম, কী হল নতুন নাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সনাতন সংস্কৃতিকে অপমান করেছে তৃণমূল সরকার। ধাম শব্দটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মন্দিরে (Digha Jagannath Temple) সনাতনী সংস্কৃতি মেনেই পুজো হবে।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ‘ধাম’ শব্দের ব্যবহার আঘাত করেছে ওড়িশাবাসী ও জগন্নাথদেবের ভক্তদের। এই মর্মে একটি চিঠি নিয়ে এ দিন ওড়িশার প্রতিনিধি হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এসেছিলেন পুরীর সাংসদ সম্বিত পাত্র। সেই চিঠি হাতে নিয়েই এমন মন্তব্য করেন রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু ঘোষণা করেন, এবার থেকে দিঘার এই মন্দিরের নাম হবে শ্রীশ্রী জগন্নাথ মন্দির সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।  নিয়ম মেনে মন্দিরে প্রতিদিনের পুজো, আরতি ও ভজন-কীর্তন সব আগের মতোই চলবে বলেও জানান তিনি।

    ওড়িশার আপত্তি (Digha Jagannath Temple)

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে ২০২৫ সালে ঘটা করে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাট করেছিলেন তৎকালীন রাজ্য সরকারের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্দির না বলে সেটিকে উল্লেখ করা হয় ‘জগন্নাথ ধাম’ হিসেবে। এরপর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। নাম নিয়ে আপত্তি তোলে ওড়িশার রাজনৈতিক মহল এবং পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের সেবায়েতরা। তাঁদের দাবি ছিল, ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় পরম্পরা অনুযায়ী ‘জগন্নাথ ধাম’ অভিধাটি একমাত্র প্রযোজ্য পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের ক্ষেত্রেই। এই ইস্যুতে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানিয়ে চিঠিও পাঠিয়েছিলেন। এ সংক্রান্ত অনুরোধপত্রটি এদিন শুভেন্দুর (Digha Jagannath Temple) হাতে তুলে দেন পুরীর সাংসদ।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    এরপর মন্ত্রিসভার সঙ্গে আলোচনা করে রাজ্য সরকার দিঘার মন্দিরের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মতো ঘোষণাও করা হয়। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দুর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন সম্বিত এবং রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল। সরকার অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছে, নাম বদল হলেও মন্দিরের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও নিয়মিত পুজোয় কোনও বদল হবে না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ধাম শব্দটি নিয়ে বিতর্ক ছিল। তাই সরানো হয়েছে। দিঘার মন্দির শ্রী শ্রী জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এটাই হিডকোর টেন্ডারে রয়েছে। স্থাপত্যটি মন্দির নামেই পরিচিত হবে। সনাতন সংস্কৃতির রীতি নীতি মেনেই দিঘার মন্দিরে পুজোও হবে (Suvendu Adhikari)।” প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ওড়িশা সরকারের দীর্ঘদিনের দাবিকে সম্মান জানিয়েই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে (Digha Jagannath Temple)।

     

  • Suvendu Adhikari: “ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান আমরাই রূপায়ণ করব”, কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠক শেষে ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান আমরাই রূপায়ণ করব”, কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠক শেষে ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান (Ghatal Master Plan) আমরাই বাস্তবায়ন করব”, কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠকে এমনই ঘোষণা করলেন রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার ওই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের রূপরেখাও তুলে ধরেন পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে ফের সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনাই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

    ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান 

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “উন্নয়নের দিক থেকে অনেক পিছিয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। আমরা সামগ্রিকভাবে অনেকটা পিছিয়ে গিয়েছি। এতদিন রাজ্যের থানাগুলি কার্যত পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছিল, আর পঞ্চায়েত অফিসগুলি হয়ে উঠেছিল কাটমানি সংগ্রহের কেন্দ্র। এবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন চলবে, শাসকের আইন নয়।” তিনি জানান, অত্যন্ত ইতিবাচক পরিবেশে হয়েছে প্রশাসনিক বৈঠক। বৈঠকে ৩৩ জন বিজেপি বিধায়ক, ২ জন বিরোধী দলের বিধায়ক এবং মেদিনীপুর জেলার চার সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “উন্নয়ন নিয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক কথা বলেছেন ঘাটালের সাংসদ দেব। আমি স্পষ্ট জানিয়েছি, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবার আমরাই রূপায়ণ করব।” মুখ্যমন্ত্রী যোগ করেন, ‘‘একজন বিরোধী সাংসদ তো আজ বলেই ফেললেন যে, ‘আপনি আমাদের মন খুলে কথা বলার স্বাধীনতা দিয়েছেন।’ বিরোধীদের যাঁরাই আজকে ছিলেন, তাঁরা সবাই স্রেফ উন্নয়নের কথাই বলেছেন।’’

    বিদ্রোহ চারিদিকে…

    এদিনের বৈঠকে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন তৃণমূলের তারকা সাংসদ দেব। উপস্থিত হয়েছেন বিক্ষুব্ধ শিবিরের তৃণমূল সাংসদ -অভিনেত্রী জুন মালিয়া ও কেশপুরের বিধায়িকা শিউলি সাহা। তবে, রুপোলি পর্দার নায়ক-নায়িকার উপস্থিতি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে রাজনীতির কারবারিদের। কারণ, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হেরেছে তৃণমূল। পদ্মময় বাংলায় সরকার গড়েছে বিজেপি, যে সরকারের চালকের আসনে রয়েছেন গৈরিক নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ঘাসফুল পার্টি মুখ থুবড়ে পড়তেই বিদ্রোহ শুরু হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূলে। এই বিদ্রোহীদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি জিতেছেন ঘাসফুল প্রতীকে। উল্লেখ্য, বাম পার্টি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে ঋতব্রত যোগ দেন তৃণমূলের। দ্রুত হয়ে ওঠেন মমতার স্নেহভাজন। দলের পাশাপাশি স্বয়ং দলনেত্রী গাড্ডায় পড়তেই ছত্রখান হয়ে গিয়েছেন কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল গড়ার মূল কারিগর মমতার দলের বিধায়করা। বিধায়কদের সিংহভাগই ঋতব্রতর শিবিরে। রাজ্যের পাশাপাশি তৃণমূলের এই বিদ্রোহের আঁচ লেগেছে দিল্লিতেও। সেখানেও জোট বাঁধার সলতে পাকাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রীর হাতে গড়া দলের টিকিটে জয়ী হওয়া সাংসদদের সিংহভাগ। জল্পনা, এই শিবিরেই রয়েছেন দেব। তাঁর গায়ে সেঁটে গিয়েছে ‘বিদ্রোহী’ তকমা। এহেন ‘বিদ্রোহী’ই এদিন হাজির ছিলেন কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে। রাজনৈতিক মহলে জল্পনার আবহে আয়োজিত এই বৈঠক ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে চর্চা।

    কী বললেন দেব

    বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকে বিভিন্ন দলের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি এবং (Ghatal MP) মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে মিলছে আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত (Suvendu Adhikari)। এদিকে, এদিনের প্রশাসনিক বৈঠক শেষে ঘাটালের সাংসদ তৃণমূলের দেব জানান, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন তিনি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই যাতে কাজ শেষ হয়, সেই আবেদনও জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী সেই মর্মে তাঁকে কথাও দিয়েছেন। দেব বলেন, “ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের মাটি কাটা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে। কাজটা শুরু হয়েছিল। আমার কোথাও যেন বিশ্বাস, সেই কাজটা শেষ হবে আমাদের এখনকার যিনি মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর হাত ধরে। উনি আমায় কথা দিয়েছেন। সাংসদের থেকে বড় কথা, আমি একজন জনপ্রতিনিধি। ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের সবচেয়ে বড় কষ্ট বন্যা। সেই বন্যার সবচেয়ে বড় সমাধান ছিল ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান। ২০১৪ সাল থেকে লড়াই চলছিল। ২০২৪ সালে আমি যখন দাঁড়াব না, দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) কথা দিয়েছিলেন। কথা দিয়ে কথাও রেখেছেন। অর্থবর্ষে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দও হয়েছিল (Suvendu Adhikari)।” তিনি বলেন, “এবারে ম্যানডেটটা একদম অন্য রকম এসেছে। নতুন মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন (Ghatal MP)। আমি জনপ্রতিনিধি হিসেবে ওঁর সঙ্গে কথা বলেছি। আজ প্রশাসনিক বৈঠকে এসেছি এবং উনি সকলের সামনে বলেছেন, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এই সরকার শেষ করবে, যা শুরু হয়েছিল আগের সরকারের হাত ধরে।”

    ‘সৌজন্যের রাজনীতি করে এসেছি’

    নয়া মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) বৈঠকে যোগ দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করলে তৃণমূলের এই সাংসদ বলেন, ‘‘আমায় তোমরা সাংসদ হিসেবে দেখছ ২০১৪ সাল থেকে। আমি সারা জীবনই সৌজন্যের রাজনীতি করে এসেছি। আজ তো নতুন নয়! আজ লোকে যদি বলে দেব পাল্টে গিয়েছে! দেব পাল্টায়নি। দেব সব সময় একটাই রাজনীতি করেছে, মানুষকে এক রাখার রাজনীতি, মানুষকে ভালোবাসা দেওয়ার রাজনীতি করেছে এবং যিনিই হোন না কেন, যে দলেরই হোন না কেন, আমি সব সময় সম্মান দিয়েছি। আজ পর্যন্ত মঞ্চ থেকে কাউকে আক্রমণ, অপমান করিনি। আমি ভালোবাসার রাজনীতি করে এসেছি। সেই রাজনীতিই আজও করছি। নতুন কিছু নয়। আমায় যখন একজন জয় শ্রীরাম বলেছিল, আমি তাঁকে আলিঙ্গন করেছিলাম। এমন কোনও কাজ করিনি, যাতে দলের নাম খারাপ হয়। আমায় ভোট দিয়ে কারও মনে হয়েছে, ভুল লোককে ভোট দিয়েছি, এমন কাজ করিনি।’’ তিনি বলেন, ‘‘আমায় (Ghatal MP) যাঁরা ভোট দিয়েছেন, তাঁদের হকের জন্য লড়াই করছি। আজ একটাই প্রতিশ্রুতি নেওয়ার জন্য এসেছিলাম। শুভেন্দুদা (মুখ্যমন্ত্রী) বলেওছেন, এবারের বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য টাকা বরাদ্দ করা হবে (Suvendu Adhikari)।’’

     

  • India Slams Pakistan: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত, ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ তকমাকে বলল রাষ্ট্রীয় বিভ্রান্তি ছড়ানোর কৌশল

    India Slams Pakistan: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত, ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ তকমাকে বলল রাষ্ট্রীয় বিভ্রান্তি ছড়ানোর কৌশল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলল ভারত (India Slams Pakistan)। সোমবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UN Security Council) আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত হরিশ পার্বতানেনি বলেন, “পাকিস্তান নিজেদের দেশের জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ নামে অভিহিত করে ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন প্রচার চালাচ্ছে।”

    পাকিস্তানকে তোপ ভারতের (India Slams Pakistan)

    গত বছর পাকিস্তান নিজেদের ভূখণ্ডে সক্রিয় একাধিক জঙ্গি সংগঠনকে এই নামে চিহ্নিত করে দাবি করেছিল যে, তারা ভারতের মদতপুষ্ট। যদিও এই দাবির স্বপক্ষে ইসলামাবাদ কোনও প্রমাণ দাখিল করেনি। এ প্রসঙ্গে ভারতের প্রতিনিধি বলেন, “ধর্মীয় পরিভাষার আড়ালে এই নামকরণ আসলে পাকিস্তানের সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের অংশ।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী নিজেদের জনগণ এবং আন্তর্জাতিক মহলকে বিভ্রান্ত করতে এই ধরনের প্রচার চালাচ্ছে।” তাঁর দাবি, ভারতের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ জিইয়ে রেখে পাকিস্তান আসলে নিজেদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করছে।

    পাকিস্তানের সমালোচনা

    তিনি পাকিস্তানের রাজনৈতিক কাঠামো ও সেনাবাহিনীর ভূমিকার সমালোচনাও করেন। পার্বতানেনির অভিযোগ, সাম্প্রতিক সাংবিধানিক পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশটিতে সামরিক বাহিনীর প্রভাব আরও বেড়েছে। আফগানিস্তানের ভেতরে পাকিস্তানের সামরিক অভিযানেরও তীব্র সমালোচনা করে ভারত। পার্বতানেনি সাফ জানিয়ে দেন, অসামরিক মানুষের মৃত্যু ঘটিয়ে কোনও অভিযানকে সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ বলা যায় না। তিনি এও বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন ও ইসলামি সংহতির কথা বললেও, রমজান মাসে আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালিয়ে পাকিস্তান ভণ্ডামির পরিচয় দিয়েছে।” ভারতের প্রতিনিধি দাবি করেন, প্রতিবেশী দেশগুলির ওপর নিজেদের ব্যর্থতার দায় চাপানোর দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে পাকিস্তানের।

    পাক-আফগান সীমান্তে উত্তেজনা

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নারী ও শিশু-সহ অন্তত ১৩ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হওয়ার তথ্য সামনে আসে। এরপর দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ ও পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু হয়। মার্চ মাসে রাষ্ট্রসঙ্ঘ জানিয়েছিল, সংঘর্ষে আফগানিস্তানে অন্তত ৪২ জন নিহত ও ১০৪ জন আহত হয়েছেন, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এক লাখেরও বেশি মানুষ (India Slams Pakistan)। এরপর আফগান কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কাবুলের একটি মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, ওই হামলায় ৪০০-এরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যদিও রাষ্ট্রসঙ্ঘ (UN Security Council) অন্তত ২৬৯ জনের মৃত্যুর খবর যাচাই করেছে। আপাতত উত্তেজনা কিছুটা কমলেও, সীমান্তে এখনও ঘটছে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা (India Slams Pakistan)।

     

LinkedIn
Share