Tag: Bangladesh army

Bangladesh army

  • Sheikh Hasina: ভারতে আশ্রয় পেলেন হাসিনা, অশান্ত বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তায় দিল্লি

    Sheikh Hasina: ভারতে আশ্রয় পেলেন হাসিনা, অশান্ত বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তায় দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভে ভীত হয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে এসেছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। ভারতে তিনি আগেও নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছিলেন। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। সোনার বাংলা (Unrest Bangladesh) জ্বলছে। কোটা সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা বা কোনও ষড়যন্ত্র কাজ করছে কি না তা সময় বলবে। তবে আপাতত বন্ধু হাসিনাকে সাময়িক সাহায্য করছে ভারত। এতে বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কেমন থাকবে তা নিয়ে চিন্তিত কূটনৈতিক মহল। তবে ভারত অতিথিকে ফেরায় না। আশ্রয় চাইলে আশ্রয় দানই ভারতের নীতি। তাই কয়েকদিন দিল্লিই হাসিনার ঠিকানা।

    ভারতে হাসিনা

    আপাতত ব্রিটেনে যেতে পারছেন না বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। দিল্লিতে গাজিয়াবাদের হিন্ডন এয়ারবেসে রয়েছে তাঁর বিমান। বাংলাদেশ সেনার মালবাহী বিমানে দিল্লির গাজিয়াবাদের হিন্ডন এয়ারবেসে পৌঁছেছেন তিনি। সঙ্গে রয়েছেন তাঁর বোন রেয়াত। তিনি ব্রিটেনের নাগরিক। জানা গিয়েছে শেখ হাসিনা লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছিলেন। কিন্তু ব্রিটেন সরকার তাঁকে অনুমতি দেয়নি। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর আপাতত তিনি ভারতেই থাকবেন কয়েকটা দিন। এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের কাছ থেকে যাবতীয় তথ্য নিয়েছেন।

    আগেও ভারতে ছিলেন হাসিনা 

    ১৯৭৫ সালে শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) পিতা ও তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশেরই সেনাবাহিনীর একাংশ খুন করেছিল। ঢাকায় সপরিবারে নিহত হয়েছিলেন মুজিবুর রহমান। তবে দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা যেহেতু বিদেশে ছিলেন তাই বেঁচে গেছিলেন। তাঁদের ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। নয়াদিল্লিতেই স্বামী, পুত্র কন্যা ও বোনকে নিয়ে থাকতেন হাসিনা। তারপর জেনারেল এরশাদের সামরিক শাসনের বিরোধী গণআন্দোলনে নেমেছিলেন বা়ংলাদেশের বিরোধী নেত্রী হন। পরে বারবার সরকার গড়েছেন শেখ হাসিনা। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী নারী নেত্রী হিসেবে চিহ্নিত হন। সর্বশেষ নির্বাচনে বিপুল জয় পেলেও জনতার বিক্ষোভে তাঁকে দেশ ছাড়তে হল। সোমবার বাংলাদেশের রাজনীতিতে লেখা হয়ে গেলে হাসিনার পতন কাহিনী। গণবিক্ষোভে নিজের সরকারি বাসভবন গণভবন ছেড়ে সেনাবাহিনীর সাহায্যে ভারতে চলে আসেন শেখ হাসিনা। এর প্রভাব পড়বে ভারতেও এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ষড়যন্ত্রের আভাস

    বাংলাদেশে (Unrest Bangladesh) নতুন করে হিংসা শুরু হতেই সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) বলেছিলেন, বর্তমানে যারা হিংসা ছড়াচ্ছে, তারা ছাত্র নয়, জঙ্গি। এই আবহে রিপোর্টে দাবি করা হয়, হাসিনা সরকার নাকি দিল্লিকে জানিয়েছে, এই আন্দোলনের নেপথ্যে এখন কলকাঠি নাড়ছে জামাতের নিষিদ্ধ ছাত্র সংঘঠন। এবং ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তানের হাইকমিশন থেকে মদত পাচ্ছে তারা। এরপরই সতর্ক হয় ভারত সরকার। ভারত চিরকালই হাসিনা ও তাঁর পরিবারের বন্ধু দেশ। হাসিনার শাসনকালে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রভূত উন্নতি হয়েছিল। তাই হাসিনা সরকারের পতনের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কেমন হবে তা সময় বলবে।

    আরও পড়ুন: ‘জামাতের হাতে রাশ, নেপথ্যে পাকিস্তান’! হিংসা নিয়ে দিল্লিকে কী জানাল ঢাকা?

    সেনার অধীনে সরকার

    হাসিনা (Sheikh Hasina) দেশ ছাড়ার পরই বাংলাদেশে সেনার অধীনে অন্তর্বর্তী তদারকি সরকার গঠিত হচ্ছে। জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। হাসিনা বাংলাদেশের (Unrest Bangladesh) আকাশসীমা অতিক্রম করার পর তাঁর ভাষণ শুরু হয়। বাংলাদেশ সংসদের স্পিকারকে আপাতত ক্ষমতা হস্তান্তর করা হচ্ছে বলে খবর। তার পরে তদারকি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে বাংলাদেশে তদারকি সরকার গঠিত হবে। বছরখানেক পরে সাধারণ নির্বাচন হতে পারে। তবে এ সবই এখন খুবই প্রাথমিক স্তরের বক্তব্য। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায় তার দিকে কড়া নজর রয়েছে দিল্লির।

    উদ্বিগ্ন ভারত!

    বাংলাদেশী (Unrest Bangladesh) জনগণের কাছ থেকেও ধাক্কা খাওয়ার একটি সত্যিকারের ঝুঁকি রয়েছে — আওয়ামী লীগের শাসনের বছরগুলিতে, বাংলাদেশের বিরোধীরা ভারতকে হাসিনার (Sheikh Hasina) সমর্থনকারী হিসেবেই দেখেছে। তাই হাসিনা-হীন ঢাকায় এখন কারা ক্ষমতায় থাকবেন তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়া দিল্লি। ভারতের প্রতি তারা কী মনোভাব নেবে তা নিয়ে ভাবতে হবে। অতীতে, যখন বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বে বিরোধী দল বা সেনাবাহিনী দেশ শাসন করেছে, তখন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। হাসিনা পরবর্তী সময়ে এই পরিস্থিতি আবার দেখা দিতে পারে,বলে অনুমান দিল্লির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: ভাঙচুর করে জ্বালিয়ে দেওয়া হল মুজিবের স্মৃতি বিজড়িত ধানমন্ডি, গণভবনে লুটপাট!

    Bangladesh Protest: ভাঙচুর করে জ্বালিয়ে দেওয়া হল মুজিবের স্মৃতি বিজড়িত ধানমন্ডি, গণভবনে লুটপাট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িটিকে বাংলাদেশের (Bangladesh Protest) সকলেই চেনেন। কারণ, বহু ইতিহাসের সাক্ষী দেশের সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) এই বাসভবন। আন্দোলনকারীদের লাগাতার আন্দোলনে পিছু হঠলেন হাসিনা। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তিনি। বোনকে নিয়ে দেশত্যাগ করলেন। আর তারপরই তাঁদর পৈত্রিক বাসভবনে চলল তান্ডব।

    ভাঙচুর করে জ্বালিয়ে দেওয়া হল মুজিবের স্মৃতি বিজড়িত ভবন! (Bangladesh Protest)

    ধানমন্ডির (Bangladesh Protest) বাড়ির সিঁড়ির মাঝ বরাবর রাখা ছিল বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের বুলেটবিদ্ধ দেহের সাদা-কালো ছবি। পাঁচ দশক আগে বাংলাদেশে রক্তাক্ত পালাবদলের সময় ওখানেই গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। মুজিব-কন্যা হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হয়ে ৩২ নম্বর ধানমন্ডির সেই বাড়িটিকে পরিণত করেছিলেন সংগ্রহশালায়। সোমবার তাঁর সরকারের পতনের পরেই উন্মত্ত জনতা ভাঙচুর করে জ্বালিয়ে দিল মুজিবের স্মৃতি বিজড়িত সেই ভবনটি।

    আরও পড়ুন: পরপর মন্দিরে হামলা, নেতাকে হত্যা! বাংলাদেশে ফের টার্গেট হিন্দুরা

    গণভবন থেকে আসবাবপত্র নিয়ে চলে যান উন্মত্ত জনতা!

    সোমবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ ঢাকার বাসভবন, গণভবন (Bangladesh Protest) ছেড়ে ‘নিরাপদ আশ্রয়ের’ উদ্দেশ্যে রওনা হন হাসিনা এবং তাঁর বোন। তার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই গণভবনে চড়াও হন কয়েক হাজার মানুষ। চলতে থাকে যথেচ্ছ লুটপাট। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলো’ লিখেছে বহু সাধারণ মানুষ গণভবনে ঢুকে পড়েন। তাঁদের হাতে গণভবনে ব্যবহৃত জিনিসপত্রও দেখা যায়। গণভবনের ভিতর থেকে ঘাড়ে, কাঁধে, পিঠে নানা আসবাব সামগ্রী নিয়ে বেরিয়ে আসার ছবি, ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেই রকমই একটি ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ করেন বাংলাদেশের এক ছাত্র আন্দোলনকারী। ভিডিও বিবরণে লেখা ‘হাসিনার রুমে’। তাতে দেখা যাচ্ছে, মাথায় বাংলাদেশের পতাকার ফেট্টি বাঁধা এক তরুণ জুতো পায়ে উঠে পড়েছেন একটি পরিপাটি নীল চাদরে মোড়া বিছানায়। পায়ের ওপর পা তুলে বিছানায় শুয়ে তিনি চিৎকার করে জানাচ্ছেন, তাঁরা গণভবনের দখল নিয়েছেন।

    মাংসের হাড় চিবোচ্ছেন আন্দোলনকারীরা!

    একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে গণভবনের (Bangladesh Protest) পাকশালে রান্না করা খাবারে দেদার ভোজ সারছেন আন্দোলনকারীদের একাংশ (সেই ভিডিও সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। তবে সমাজমাধ্যমে বাংলাদেশের অনেকেই ওই ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন, আন্দোলনকারীরা গণভবনের রান্নাঘরে ঢুকে পড়েছেন। সোমবার হাসিনার পদত্যাগের খবর আসে অকস্মাৎই। তাঁকে যে বাড়ি ছাড়তে হতে পারে, সে খবর সম্ভবত জানা ছিল না গণভবনের রান্নাঘরের দায়িত্বে যিনি বা যাঁরা থাকেন তাঁদেরও। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে থরে থরে সাজানো রয়েছে ভাত, ডাল, মাংসের পাশাপাশি নানা পদ। ভিডিওতে দেখা যায়, সেই খাবারে হামলে পড়েছেন কিছু তরুণ। তারিয়ে তারিয়ে মাংসের হাড় চিবোচ্ছেন তাঁরা।

    <

    p> 

    ধানমন্ডির বাড়িতে দুই মেয়ে বাদে সপরিবারে খুন হন বঙ্গবন্ধু

    প্রসঙ্গত, পাকিস্তান সরকার এবং সেনা নিপীড়নের প্রতিবাদে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতা ঘোষণা করে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, “রক্ত দিয়েই রক্তের ঋণ শোধ করতে আমি প্রস্তুত।” তাঁর সেই বক্তৃতা সূচনা করেছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের। যার পরিণামে সে বছরের ডিসেম্বরেই বদলে গিয়েছিল এশিয়ার মানচিত্র। কিন্তু স্বাধীনতার পরে মুজিবের শাসন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট ভোরে ৩২ নম্বর ধানমন্ডির সরকারি বাসভবনে অভ্যুত্থানকারী সেনাদের গুলিতে নৃংশস ভাবে খুন হয়েছিলেন তিনি। শুধু মুজিব নন, ঢাকা শহরের ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ফজিলা তুন্নেসা, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল, ১০ বছরের শিশু শেখ রাসেল, দুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামালও নিহত হয়েছিলেন ঘাতকের বুলেটে। বিদেশে থাকায় বেঁচে গিয়েছিলেন মুজিবের দুই কন্যা, হাসিনা এবং রেহানা। ঘটনাচক্রে, সোমবার তাঁরা দু’জন সেনার কপ্টারে ঢাকা ছাড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আগুন ছাই হয়ে গেল মুজিবের স্মৃতি বিড়জিত ৩২ নম্বর ধানমন্ডি রোডের সেই সংগ্রহশালা।

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান বদলে হয়েছিল- ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’!

    বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেনার সমর্থনে প্রেসিডেন্ট হওয়া খোন্দকার মোশতাক আহমেদের সরকার বাংলাদেশ বেতারের নাম পাল্টে রেডিও বাংলাদেশ করেছিল। ৭১’-এর মুক্তিযুদ্ধে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া ‘জয় বাংলা’ স্লোগান বদলে গিয়ে চালু হয়েছিল – ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত প্রায় ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধী জেল থেকে বেরিয়ে আসে তার পরবর্তী এক বছরের মধ্যেই। সেই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা ও ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের সমর্থকদের কোণঠাসা করা শুরু হতে থাকে বলে অভিযোগ। সেনাপ্রধানের কুর্সিতে বসে ক্ষমতা দখল করা জিয়াউর রহমান, হুসেন মহম্মদ এরশাদ এমনকী, অবাধ ভোটে ক্ষমতা দখলকারী খালেদা জিয়ার আমলেও সেই সেই ধারা বজায় থাকার অভিযোগ উঠেছে বারে বারে। ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদের ভোটে জিতে হাসিনা (Sheikh Hasina) দ্বিতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে সেই ধারা কিছুটা বদলেছিল বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করেন। এবার হাসিনা বিরোধী আন্দোলেন ‘নিষিদ্ধ’ জামাতে ইসলামির সক্রিয় অংশগ্রহণ কি আবার ফিরিয়ে আনবে সেই পুরনো স্মৃতি। মুজিবের মূর্তি ভাঙা এবং ধানমন্ডির সংগ্রহশালায় অগ্নিসংযোগ ‘ইঙ্গিতবাহী’ বলেই মনে করছেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durand Cup: ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচেই জয় মোহনবাগানের, বাংলাদেশ আর্মিকে হারাল ৫-০ গোলে

    Durand Cup: ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচেই জয় মোহনবাগানের, বাংলাদেশ আর্মিকে হারাল ৫-০ গোলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডুরান্ড কাপের (Durand Cup) প্রথম ম্যাচেই জয় পেল মোহনবাগান (Mohun Bagan) সুপার জায়ান্ট। বাংলাদেশ আর্মিকে হারাল ৫-০ গোলে। বৃহস্পতিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বলে শট মেরে ডুরান্ড কাপের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরের ৯০ মিনিট কার্যত মাঠ দাপিয়ে বেড়াল মোহনবাগানের তরুণ দল। এবার বাগান যে দল সাজিয়েছে, তাতে সিনিয়র ফুটবলার রয়েছেন মাত্র তিনজন। তরুণ দলের দাপটে কার্যত দিশেহারা দেখাচ্ছিল বাংলাদেশ আর্মিকে। গোলের সুযোগ নষ্ট না করলে আরও বড় ব্যবধানে জয় পেত মোহনবাগান। বাগান জয়ী হতেই বর্ষার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সবুজ মাঠ ভরে উঠল সবুজ-মেরুন আবিরে।

    বাগানের তিন অভিজ্ঞ ফুটবলার

    এদিন বাগানের তিন অভিজ্ঞ ফুটবলার সুমিত রাঠি, লিস্টন কোলাসো এবং মনবীর সিংয়ের নেতৃত্বে আক্রমণাত্মক খেলতে শুরু করেন সুহেল ভট্ট, রবি রানারা। গোল করেন লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিং, সুহেল ভাট, হামতে এবং কিয়ান নাসিরি। এদিন নিজেদের মধ্যে ছোট ছোট পাস খেলে বাংলাদেশ আর্মিকে ধরাশায়ী করেন বাগানের (Mohun Bagan) ফুটবলাররা। খেলা শুরুর মাত্র ১৫ মিনিটের মাথায় প্রথম গোলটি করেন লিস্টন কোলাসো। ডানদিক থেকে একটি গ্রাউন্ড ক্রস শটে ১-০ গোলে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। লিস্টনকে ক্রসটা বাড়িয়েছিলেন রবি।

    গোলের সুযোগ হাতছাড়া 

    এর ঠিক তিন মিনিটের মাথায় আরও একটি গোল দিতে পারত মোহনবাগান। সুহেলের শট গোলপোস্টে ধাক্কা লেগে ফিরে আসায় গোলটি হয়নি। ২৮ মিনিটের মাথায় লালরিনলিয়াঙ্কাকে বক্সের মধ্যে বাজেভাবে ট্যাকল করে বাংলাদেশ আর্মির ডিফেন্ডাররা। তার জেরে পেনাল্টি পেয়ে যায় বাগান। সেই পেনাল্টি শট থেকেই দলের স্কোর ২-০ করে দিলেন মনবীর। পরে আরও একটি গোল করেন সুহেল। তাঁকে পাস দিয়েছিলেন লিস্টন।

    আরও পড়ুুন: “২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী”, দাবি অমিত শাহের

    দ্বিতীয়ার্ধেও দাপিয়ে বেড়ালেন বাগানের (Mohun Bagan) খেলোয়াড়রা। ৫৮ মিনিটের মাথায় লিস্টনের থেকে বল পেয়ে দলের স্কোর ৪-০ করে দিলেন হামতে। ৭৫ মিনিটের মাথায় ফ্রি-কিক পায় বাগান। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি তারা। শেষমেশ ৮৯ মিনিটের মাথায় বাংলাদেশ আর্মির কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন কিয়ান নাসিরি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share