Tag: Bengal BJP

Bengal BJP

  • Nitin Nabin: শিলিগুড়িতে গোর্খা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক নিতিন নবীনের, কী নিয়ে কথা হল?

    Nitin Nabin: শিলিগুড়িতে গোর্খা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক নিতিন নবীনের, কী নিয়ে কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। সোমবার শিলিগুড়িতে গোর্খা সম্প্রদায়ের (Gorkha Community) প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে পাহাড়ের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যুগুলো পুনরায় আলোচনায় উঠে এসেছে। বিজেপির তরফে দেওয়া হয়েছে আশ্বাস।

    গোর্খাল্যান্ড ও বিকল্প দাবি (Nitin Nabin)

    বঙ্গ বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ উপলক্ষে বর্তমানে রাজ্যে অবস্থান করছেন নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। এই সফরের মধ্যেই পাহাড়ের গোর্খা নেতাদের (Gorkha Community) সঙ্গে তাঁর এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আবেগ ও দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে আসন্ন নির্বাচনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করাই বিজেপির মূল লক্ষ্য।

    বৈঠকে উপস্থিত গোর্খা প্রতিনিধিরা পুনরায় পৃথক ‘গোর্খাল্যান্ড’ রাজ্যের দাবি উত্থাপন করেন। তাঁরা স্পষ্ট জানান, যদি পৃথক রাজ্য গঠন সম্ভব না হয়, তবে উত্তরবঙ্গকে একটি ‘কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল’ (Union Territory) হিসেবে ঘোষণা করা হোক। উত্তরবঙ্গের মানুষ দীর্ঘ দিন বাম এবং তৃণমূলের শাসনে উন্নয়নের ধারা থেকে উপেক্ষিত রয়েছে। তাই উত্তরবঙ্গের মানুষ সার্বিক উন্নয়ন চান। তবে বাংলার পরিবর্তন এলে পাহাড় সমস্যার গঠন মূলক সমাধান যে হবেই এই নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

    জিটিএ-র ব্যর্থতা

    গোর্খা নেতাদের অভিযোগ, ২০০৭ সালের আন্দোলনের পর গঠিত হওয়া গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (GTA) পাহাড়ের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও পাহাড়ের আর্থ-সামাজিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। র্জিলিংয়ের বিজেপি বিধায়ক নীরজ জিম্বা বলেন, “গোর্খারা বৈঠকে থাকলে গোর্খাল্যান্ড প্রসঙ্গ আসবেই।” তৃণমূলের শাসনে পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন পাহাড়ের নেতারা।

    বিজেপি নেতৃত্বের আশ্বাস সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধান

    গোর্খা (Gorkha Community) প্রতিনিধিদের অভাব-অভিযোগ শোনার পর দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, “বিজেপি বরাবরই পাহাড়ের সমস্যার স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান চায়। ২০২৬ সালে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই সমস্যার সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হবে।” অন্যদিকে, শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “পাহাড়ের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে এবং রাজ্যের ভৌগোলিক অখণ্ডতার ভারসাম্য বজায় রেখেই বিজেপি সমাধানের পথ খুঁজবে।”

  • Amit Shah: ‘তৃণমূল জিতলে ভাইপো হবেন শাসক’, মথুরাপুরের পরিবর্তন যাত্রায় মমতাকে তোপ অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘তৃণমূল জিতলে ভাইপো হবেন শাসক’, মথুরাপুরের পরিবর্তন যাত্রায় মমতাকে তোপ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনলে ভাইপো শাসক হবে”, মাথুরাপুরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র (Parivartan Yatra) আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ডাক দিয়ে নির্বাচনী প্রচারের এক নতুন অধ্যায় শুরু করল ভারতীয় জনতা পার্টি।

    কুশাসনে বিপর্যস্ত বাংলার জনগণ (Amit Shah)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) রায়দিঘিতে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন। তিনি তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করে রাজ্যে সুশাসন ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের কুশাসনে বিপর্যস্ত বাংলার জনগণ এখন পরিবর্তন চাইছে। এই জনসঙ্কল্পকে আরও শক্তিশালী ও মুখর করে তুলতে বাংলার বিজেপি ‘পরিবর্তন যাত্রা’ (Parivartan Yatra) শুরু করেছে। আজ দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র উদ্বোধনী কর্মসূচিতে কর্মীদের সঙ্গে উপস্থিত থাকব। এই যাত্রার মাধ্যমে বিজেপির কর্মীরা রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে ‘অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা’র অঙ্গীকার পৌঁছে দেবেন।”

    যুবকদের চাকরিতে ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হবে

    এরপর মথুরাপুরে ভাষণ দেওয়ার সময় অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “বিজেপি সরকার হলে যুবকদের চাকরিতে ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হবে। আমরা ক্ষমতায় এলেই সপ্তম পে কমিশন করব। হুমায়ুন কবীরকে দিয়ে চক্রান্ত করে বাবরি মসজিদ করানো হচ্ছে। হুমায়ুন ও মমতা একই মুদ্রার দুই পিঠ। হুমায়ুন কবীরকে পরিকল্পনা করেই বাইরে বার করে বাবরি মসজিদ তৈরি করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বদলাতে আমরা আসিনি। পরিবর্তন (Parivartan Yatra) জনতাই করবে। আমরা অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বিদায় করবই।”

    এজেন্ডা কি মাদ্রাসার উন্নতি?

    তৃণমূলের শাসনে ভাইপোর দৌরাত্ম্য নিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “ভাইপোর শাসন থেকে মুক্তি চাইলে বিজেপিকে ভোট দিন। বঙ্গে ৫ দিক থেকে ছুটবে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা (Parivartan Yatra)। বিজেপিকে ৩৮ শতাংশ ভোট দিয়েছিলেন, ৭৭ আসন দিয়েছিলেন, কংগ্রেস-বামেদের শূন্যে পৌঁছেছিলেন। বিধানসভায় বাংলার বাজেট হয়েছে। সায়েন্স ও টেকনোলজির জন্য ৮০ কোটি টাকা দিয়েছেন। মাদ্রাসাগুলোর জন্য ৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকা দিয়েছেন। এজেন্ডা কী? রাজ্যে বিজ্ঞান প্রযুক্তির উন্নতির মাধ্য়মে কর্মসংস্থান এজেন্ডা নাকি মাদ্রাসার উন্নতি?”

    সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্ব

    পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেন, “এই যাত্রা রাজ্যের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে যাবে এবং মানুষের কাছে পরিবর্তনের (Parivartan Yatra) বার্তা পৌঁছে দেবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন সরকারের বিকল্প হিসেবে বিজেপিকে তুলে ধরা।”

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভোট শুরুর আগেই রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার করার প্রক্রিয়ার সমান্তরালে বিজেপির এই কর্মসূচি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ (Parivartan Yatra) বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো স্পর্শকাতর জেলায় অমিত শাহের (Amit Shah) এই সভা থেকে দুষ্কৃতীদের বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় উন্নয়ন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে হাতিয়ার করে শাসক দলকে চাপে ফেলার কৌশল নিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    বিজেপি সূত্রে খবর, এই পরিবর্তন যাত্রা রাজ্যের বিভিন্ন জেলা অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত কলকাতায় এক বিশাল সমাবেশের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে। এই যাত্রার প্রতিটি ধাপে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের হেভিওয়েট নেতারা উপস্থিত থাকবেন। আজ রায়দিঘিতে গিয়েছেন অমিত শাহ। ইসলামপুরে থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাওড়ার আমতায় সভা করবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।

  • Vickash Ramkissoon: শিকড়ের টান! গায়ানার পার্লামেন্টে হিন্দিতে আগুন ভাষণ সাংসদের, সমাজ মাধ্যমে প্রশংসার বন্যা

    Vickash Ramkissoon: শিকড়ের টান! গায়ানার পার্লামেন্টে হিন্দিতে আগুন ভাষণ সাংসদের, সমাজ মাধ্যমে প্রশংসার বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিকড়ের টান! গায়ানার পার্লামেন্টে (Guyana Parliament) হিন্দিতে আগুন ভাষণ সাংসদের। সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসার বন্যা। গায়ানার জাতীয় সংসদে এক নজিরবিহীন ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী বিকাশ রামকিসুন (Vickash Ramkissoon) বিরোধী দলের এক সদস্যের হিন্দি ভাষা সংক্রান্ত কটাক্ষের বিপরীতে অনর্গল হিন্দিতে জবাব দিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। গায়ানার মতো দেশের সংসদে শুদ্ধ হিন্দিতে এমন প্রত্যয়দীপ্ত ভাষণ সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।

    সরাসরি হিন্দিতে বিতর্ক করব

    ঘটনাটি ঘটে যখন বিরোধী দলের একজন সংসদ সদস্য দাবি করেন, রামকিসুন হিন্দি ভাষার একটি শব্দও বোঝেন না। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে রামকিসুন (Vickash Ramkissoon) হিন্দিতেই পাল্টাবান ছুড়ে দেন। তিনি সরাসরি বিরোধী সদস্যের নাম উল্লেখ করে তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, “আমি এই মুহূর্তেই তাঁকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি, তিনি যে কোনও স্থান বা যে কোনও ইস্যু ঠিক করুন, আমি সেখানে গিয়ে কোনও কাগজ বা নোট ছাড়াই সরাসরি হিন্দিতে বিতর্ক করব।” একই ভাবে বিকাশ রামকিসুন তাঁর শান্ত অথচ দৃঢ় ভাষায় আরও বলেন, “হিন্দি দক্ষতার কোনও প্রমাণের প্রয়োজন নেই। আমাদের দল সমমর্যাদায় বিশ্বাসী এবং তিনি সেই ঐতিহ্যই অনুসরণ করেন।”

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা লাভ বিকাশ রামকিসুন

    উল্লেখ্য গায়ানায় বিশাল সংখ্যক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ বসবাস করেন। যাদের পূর্বপুরুষরা কয়েক দশক আগে ভারত থেকে সেখানে গিয়ে বসতি স্থাপন করেছিলেন। যদিও ইংরেজি সেদেশের সরকারি ভাষা, তবুও ইন্দো-গায়ানিজ সম্প্রদায়ের মধ্যে হিন্দি আজও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভাষা।

    বিকাশ রামকিসুন (Vickash Ramkissoon) বর্তমানে গায়ানার কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৫ সাল থেকে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগে তিনি ব্যাঙ্ক এবং আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা লাভ করেছেন। এই ঘটনার ভিডিওটি গায়ানার ভারতীয় হাই কমিশনের পক্ষ থেকেও শেয়ার করা হয়েছে এবং এটি বর্তমানে ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভাইরাল হয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: “হারের ভয়ে তৃণমূল আতঙ্কিত”, ভাবনীপুরে বিজেপির পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হারের ভয়ে তৃণমূল আতঙ্কিত”, ভাবনীপুরে বিজেপির পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাবানীপুরে আতঙ্কিত তৃণমূল। বিজেপির পতাকা ছেঁড়ার ভিডিও প্রকাশ্যে এনে বিস্ফোরক হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূল কংগ্রেস যে নিজের পায়ের তলার মাটি হারাতে বসেছে তা আরও একবার প্রমাণিত হয়। রাজ্যজুড়ে লাগাম ছাড়া দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, চাকরি চুরি সহ একাধিক ইস্যতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরাট অসন্তোষ জমা হয়েছে জনমনে। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরে বিজেপির (Bengal BJP) পতাকা ছিঁড়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে একটি ভিডিওকে ঘিরে।

    তৃণমূল কংগ্রেস এখন রীতিমতো আতঙ্কিত (Suvendu Adhikari)

    সামনেই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন এই অবস্থায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক (Bengal BJP) অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “ভাবানীপুরে পরাজয়ের ভয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এখন রীতিমতো আতঙ্কিত। ভাবানীপুরের তৃণমূল নেতাকর্মীরা বিজেপির পতাকায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভবানীপুর এখন আর নিরাপদ আসন নয়। এই ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে দলের অন্দরে ভয়ের বাতাবরণ কতটা প্রকট।”

    বিজেপি আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবে

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) নিজের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস গভীর রাতে বিজেপির পতাকা খুলে ফেলছে এবং আগুনে পোড়াচ্ছে, যাতে ভোটারদের মধ্যে ভয় তৈরি হয়। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও তৃণমূলকে পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হবে। যত বেশি গেরুয়া পতাকা খোলা ও পোড়ানো হবে, ততই বেশি ব্যবধানে বিজেপি আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবে।”

    পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, রাত ২টো ৪৫ মিনিটে তিনজন ব্যক্তি বিজেপির পতাকা ছিঁড়ে নিচ্ছে। একজন ভিডিও করেছেন। এরপর পতাকাগুলিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পতাকা ছিঁড়ে বা আগুনে পুড়িয়ে বিজেপিকে (Bengal BJP) কতটা আটকাতে পারবে তৃণমূল তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এমনটাই মত রাজনীতির একাংশের মত।

  • PM Modi: ২০ ডিসেম্বর রানাঘাটে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, রাজ্যে ভোটের প্রচার শুরু

    PM Modi: ২০ ডিসেম্বর রানাঘাটে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, রাজ্যে ভোটের প্রচার শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চলছে এসআইআর। ভুয়ো ভোটার, মৃত ভোটার, ঠিকানা বদল হয়েছে বা একই নাম একাধিক জায়গায় রয়েছে, এমন সংখ্যাটা এই রাজ্যেও কম নয়। প্রায় ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ যেতে পারে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শেষ হলেই বঙ্গে ভোট প্রচারের জন্য আসবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ২০ ডিসেম্বর নদিয়ার রানাঘাটে জনসভা করবেন মোদি। বিজেপিকে (Bengal BJP) একটা বড় অঙ্কের ভোট দেয় মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ। এবার মতুয়া অধ্যষুত ভোটকে টার্গেট করে ২০২৬ সালের ভোটের প্রচার শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    তাহেরপুরের উদ্বাস্তু এলাকায় সভা (PM Modi)

    বিজেপির দলীয় (Bengal BJP) সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলার ভোট পর্বে মোট ১০টি জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। তালিকার মধ্যে আলিপুরদুয়ার, দমদম, দুর্গাপুর ইতিমধ্যে সেরে ফেলেছেন এবার বাকি কয়েক মাসের মধ্যে আরও ৭টি সভা করবেন। তবে এবার প্রচারের সূচনা হবে রানাঘাট থেকেই। উল্লেখ্য রানাঘাট লোকসভা এবং বনগাঁ লোকসভা পরপর দুবার লোকসভায় বিজেপি জয়ী হয়েছে। ফলে পাখির চোখ করে মোদির জনসভা এবং প্রচার অভিযানকে কাজে লাগিয়ে মমতাকে সরিয়ে বিজেপি যাতে ক্ষমতা দখল করতে পারে, সেই রণনীতিই ঠিক করছে বঙ্গ বিজেপি। রানাঘাটে এইবারের মোদির সভা হবে নদিয়ার তাহেরপুরের উদ্বাস্তু এলাকায়।

    মমতা মতুয়া বিরোধী

    এদিন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “আগামী ২০ ডিসেম্বর রাজ্যে আসবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এদিন সভা করবেন তাহেরপুর ময়দানে। বেশকিছু সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা করবেন। বিহারের পর বাংলা আর গঙ্গা এক হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেও ছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বিহারের মতো বাংলায়ও পরিবর্তন হবে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরের মতো নদিয়ার রানাঘাটেও মতুয়াদের বিরাট বসতি রয়েছে। তাই মতুয়াদের কথা মনে করেই রানাঘাট থেকে প্রচার করবেন নরেন্দ্র মোদি।

    উল্লেখ্য, রাজ্যে মতুয়াদের ভুল বুঝিয়ে প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চনা করছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মতুয়া বিরোধী – এই অভিযোগে বিজেপি (Bengal BJP) বারবার সরব হয়েছে। অপর দিকে এসআইআর থেকে মতুয়াদের নাম বাদ দেওয়ার অপপ্রচার করছে তৃণমূল, এই অভিযোগেও তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজপি। পূর্ববঙ্গ থেকে আগত কোনও শরণার্থীকেই কোনও রকম ভাবে অসুবিধায় পড়তে হবে না বলে বিজেপি আশ্বাস দিয়েছে। রাজ্যের প্রত্যেক হিন্দুর জীবনকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব বিজেপির, এই অভয় বাণী দিতেও শোনা গিয়েছে।

  • 150 Years of Vande Mataram: ‘‘এই শব্দ ভারতীয়দের মধ্যে অনুরণন তৈরি করে’’ বন্দে মাতরম-এর ১৫০ বছর উদযাপনে নানা কর্মসূচি রাজ্য বিজেপির

    150 Years of Vande Mataram: ‘‘এই শব্দ ভারতীয়দের মধ্যে অনুরণন তৈরি করে’’ বন্দে মাতরম-এর ১৫০ বছর উদযাপনে নানা কর্মসূচি রাজ্য বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তি (150 Years of Vande Mataram) উদযাপনে বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে রাজ্য বিজেপি। বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘শুধু ব্রিটিশ ভারতেই নয়, বর্তমান যুগে দাঁড়িয়েও স্কুল কলেজ থেকে শুরু করে সীমান্তে সেনা বাহিনী, রাজনৈতিক দল বন্দে মাতরমের কথা উল্লেখ করে। এই শব্দ ভারতীয়দের মধ্যে এক অনুরণন তৈরি করে।’’ শমীকের কথায়, ‘‘যে বন্দে মাতরম ধ্বনি নিয়ে বহু বিপ্লবী ফাঁসির দড়ি নিজের গলায় তুলে নিয়েছিলেন, যে বন্দে মাতরম ধ্বনির জন্য মাতঙ্গিনী হাজরারা নিজের বুকে গুলি টেনে নিয়েছিলেন সেই বন্দে মাতরমের বিরুদ্ধে কংগ্রেস পথে নেমেছিল দিল্লিতে। তারা বলেছিল এই গান মুসলিমদের পক্ষে গাওয়া সম্ভব নয়। যখন কংগ্রেস দিল্লির রাস্তায় প্রতিবাদ মিছিল নামালো তখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যথেষ্ট জনপ্রিয়তা ছিল, তিনি প্রতিবাদ করতে পারতেন কিন্তু তা তিনি করেননি।’’

    বন্দে মাতরমকে খন্ডিত করে কংগ্রেস

    শমীক বলেন, ‘‘১৯৩৭ সালে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির একটি সভা হয়। তারা সেদিন বন্দে মাতরমকে খন্ডিত করে দিয়েছিলেন। আমরা চাই এই প্রজন্ম সংক্ষিপ্ত বন্দে মাতরম নয়, পূর্ণাঙ্গ বন্দে মাতরম এর রূপ জানুক। আমাদের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং সর্বভারতীয় নেতারা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।’’ শমীক জানান, ৬১ জায়গায় অখণ্ড বন্দে মাতরম গাওয়া হবে। আগামী এক মাস ব্যাপী এই কর্মসূচি চলবে। এই কর্মসূচিতে হুগলিতে যে বন্দে মাতরম ভবন আছে সেখানে বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনশল উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনার কাঁঠালপাড়ায় যেখানে বঙ্কিমচন্দ্রের পৈতৃক বাসভবন রয়েছে সেখানে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদার উপস্থিত থাকবেন, মুর্শিদাবাদের লালগোলায় উপস্থিত থাকবেন রাহুল সিনহা, কলকাতার কলেজ স্ট্রিটে উপস্থিত থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, উত্তর ২৪ পরগনায় উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব।

    ভারত-আত্মার প্রতীক বন্দে মাতরম

    শমীকের কথায়, ‘‘আমরা গর্বিত যে বন্দে মাতরম আমাদের বাংলার মাটিতে লেখা হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীকালে বন্দে মাতরম নিয়ে বিতর্কে অংশগ্রহণ করে সৌগত রায় বলেছিলেন বন্দে মাতরম এর মধ্যে সাম্প্রদায়িকতা আছে। তৎকালীন বাম জামানার মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেছিলেন তাঁর ভাবলে আশ্চর্য লাগে কীভাবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মত একজন প্রতিভাবান ঔপন্যাসিক আনন্দমঠের মতো উপন্যাস লিখেছিলেন। বন্দে মাতরম ভারতবর্ষের সমস্ত প্রান্তের, সমস্ত ভাষার ব্যবধানকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। আজ সেই বন্দে মাতরামের বিরুদ্ধে যখন রাজনৈতিক দলগুলি প্রতিবাদ জানায় তখন তা অত্যন্ত লজ্জার। তিনি বলেন, ‘‘আনন্দমঠের ইতিহাস এই প্রজন্মের জানা দরকার এবং সেই সঙ্গে বন্দে মাতরমের মধ্যে দিয়ে ভারত-আত্মা, ভারতীয় সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের যে প্রতিধ্বনি হয়েছে তার সৃষ্টিকাল, যাত্রা সম্পর্কে জানা দরকার। তাই সারা বছর ব্যাপী আমরা নানাবিধ কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে সেটিকে উদযাপন করব।’’

  • North Bengal Flood: কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বার্তা পেয়েই দুর্গতদের সহায়তায় মাঠে রাজ্য বিজেপি, সোমেই উত্তরবঙ্গে শমীক

    North Bengal Flood: কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বার্তা পেয়েই দুর্গতদের সহায়তায় মাঠে রাজ্য বিজেপি, সোমেই উত্তরবঙ্গে শমীক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবির দুপুরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশ আসতেই, উত্তরবঙ্গের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ঝাঁপিয়ে পড়ল বঙ্গ বিজেপি। ত্রাণ ও উদ্ধারকাজের পাশাপাশি, সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের রাজ্যে ফেরানোর ক্ষেত্রেও সক্রিয় হয়েছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সোমবারই উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

    রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য কেন্দ্রীয় দল প্রস্তুত। একইসঙ্গে, বিজেপির স্থানীয় কর্মকর্তারাও দুর্গতদের সাহায্য করতে মাঠে নেমেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। অমিত শাহ বলেন, ‘‘দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তার সঙ্গে কথা বলেছি এবং পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছি। এনডিআরএফ-এর দলগুলি ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে, এবং প্রয়োজনে আরও দল তাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বিজেপি কর্মীরাও বিপর্যস্ত মানুষদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছেন।’’

    উত্তরের জেলা কমিটিগুলিকে ত্রাণ-উদ্ধারকাজে নামার নির্দেশ

    এর পর বিকেলে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানান, প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে প্রতি মিনিটে পরিস্থিতির খবর নেওয়া হচ্ছে। এনডিআরএফ ও বিপর্যয় মোকাবিলা কর্মীরা উদ্ধারকাজে নেমেছেন, আর সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের সহায়তার জন্য ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে পাঠানো হয়েছে। শমীক জানান, উত্তরবঙ্গে বিজেপির সব জেলা কমিটিকে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে নামার নির্দেশ দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেছেন, ‘‘আমাদের সীমিত সাধ্যের মধ্যে দিয়ে উত্তরবঙ্গে আমাদের দলের সমস্ত শাখাকে ত্রাণ ও উদ্ধারের কাজে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে সব জেলা ক্ষতিগ্রস্ত নয়, সেখানকার সমস্ত বিজেপি নেতৃবৃন্দ এবং কর্মীরা উদ্ধারকার্যে নামবেন। আর আজ সন্ধ্যার পর থেকে আমাদের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি যাবেন। আমাদের সাধ্যমতো যতটা সহযোগিতা এবং ত্রাণ এই মুহূর্তে আমরা দিতে পারি, আমরা তার ব্যবস্থা করব।’’

    সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের ফেরাতে উদ্যোগ

    শুধু দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া নয়, ভিন্‌রাজ্যে আটকে পড়া পর্যটকদের রাজ্যে ফেরানোর ক্ষেত্রেও সক্রিয় হয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বঙ্গ বিজেপির নির্বাচন সহ-প্রভারী তথা ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব রবিবার যোগাযোগ করেছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে বলে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন। শমীক বলেন, ‘‘বিপ্লবের ফোন পেয়ে সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সচিবালয়ের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। তিনি বিপ্লবকে জানিয়েছেন যে, সিকিম থেকে পশ্চিমবঙ্গে যাতায়াতের একটি মাত্র রাস্তা আপাতত খোলা রয়েছে। বাকি সব রাস্তা দুর্যোগে বিপর্যস্ত। সেই একটিমাত্র অক্ষত রাস্তা দিয়েই যত দ্রুত সম্ভব বাঙালি পর্যটকদের নিরাপদে ফেরানোর জন্য সিকিম সরকার সচেষ্ট হচ্ছে।’’ সিকিম সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে বিজেপির তরফ থেকে নিরন্তর যোগাযোগ রেখে চলা হচ্ছে বলে রাজ্য বিজেপির সভাপতি জানিয়েছেন।

  • Suvendu Adhikari: বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলারা মাসে পাবেন ৩ হাজার, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলারা মাসে পাবেন ৩ হাজার, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি (Bengal BJP) ক্ষমতায় এলে মহিলাদের মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। রবিবার হলদিয়াতে এমনই আশ্বাস দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এছাড়াও ২০০ ইউনিট ফ্রি বিদ্যুত্‍ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। প্রসঙ্গত, বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যে মহিলাদের মাসে ভাতা দেওয়ার প্রকল্প চালু রয়েছে। সেটাকেই কাজে লাগাতে চায় বিজেপি। এদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়েও মন্তব্য করতে শোনা যায় শুভেন্দু অধিকারীকে। তিনি বলেন, ‘‘২০২৬ সালে বাংলায় ক্ষমতায় এলে মায়েদের – দিদিদের – বোনেদের ১ হাজার টাকা নয়, ৩ হাজার টাকা দেবে বিজেপি।’’

    প্রতিবছরই হবে নিয়োগ ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)

    সম্প্রতি, তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন হলদিয়ার বিজেপি বিধায়ক তাপসী মণ্ডল। রবিবার হলদিয়াতেই জনসভা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সেখান থেকেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বললেন, ক্ষমতায় এলে তাঁরা কী কী করতে চান। একইসঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে হাতে-পায়ে ধরে টাটাকে রাজ্যে ফেরানো হবে বলেও ঘোষণা করেন শুভেন্দু। এর পাশাপাশি, নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, ‘‘২০০ ইউনিট বিদ্যুত ফ্রি দেওয়া হবে। এক লক্ষ নয়, তিন লক্ষ বাড়ি দেবে বিজেপি সরকার। প্রতি বছরই এসএসসি নিয়োগ হবে। সব জেলাতেই প্রাইমারি পরীক্ষা হবে।’’

    হিন্দুরা শুধু বাড়ি থেকে বের হন

    এর পাশাপাশি, এদিন বিরোধী দলনেতা (Bengal BJP) আবারও জোর দেন হিন্দু ভোটের দিকে। শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সাফ কথা, হিন্দুরা একটু দয়া করলেই রাজ্যে সরকার বদলে যাবে। আবার সব হিন্দু ভোট দিতে যান না বলেও আক্ষেপ শোনা যায়  বিরোধী দলনেতার গলায়। এদিন তিনি বলেন, ‘‘সিপিএম লড়ছে। কিন্তু পারছে না। ৩০ শতাংশ হিন্দু ভোট দিতে যায় না। ৬৫ থেকে ৬৮ শতাংশ হিন্দু ভোট দিতে যায়। আপনারা শুধু বাড়ি থেকে বেরোবেন। তারপর কী করতে হয়, আপনারা জানেন। একটু দয়া করবেন, উল্টে দেব আমরা।’’

  • Bengal BJP: দাবি এক— মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ, আরজি কর ইস্যুতে একগুচ্ছ কর্মসূচি ঘোষণা বিজেপির

    Bengal BJP: দাবি এক— মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ, আরজি কর ইস্যুতে একগুচ্ছ কর্মসূচি ঘোষণা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের (RG kar Issue) প্রতিবাদে প্রথম থেকেই আন্দোলনে রয়েছে বিজেপি (Bengal BJP)। বিক্ষোভ-ধর্নার পাশাপাশি গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার গেরুয়া শিবিরের স্বাস্থ্য ভবন অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল গোটা বিধাননগর। শ্যামবাজারে বিজেপির ধর্না তো চলছেই। সেখান থেকেই একগুচ্ছ কর্মসূচি ঘোষণা করল বিজেপি। জানা গিয়েছে, শ্যামবাজারের পর এবার ধর্মতলায় ধর্না কর্মসূচি চালাবে বিজেপি। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, আগামী ২৮ অগাস্ট থেকে ধর্মতলায় ধর্নায় বসছে রাজ্য বিজেপি। সুকান্ত মজুমদারের কথায় বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত ধর্মতলায় ধর্না চলবে।’’

    মহিলা কমিশনে তালা লাগানো হবে 

    রবিবার বিজেপির (Bengal BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ঘোষণা করেন, ২৮ অগাস্ট মহিলা কমিশনের অফিসে দুপুর ২টো নাগাদ তালা লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মহিলারা এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। মহিলারাই নেতৃত্বে থাকবেন তাতে। সুকান্ত মজুমদার এবিষয়ে বলেন, ‘‘পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েছি। না দিলে আদালতে যাব। মহিলা কমিশনে তালা লাগানো হবে।’’ এর পাশাপাশি, ২৯ অগাস্ট সব জেলার জেলাশাসকের কার্যালয় ঘেরাও হবে বলে জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। ওই দিন দুপুর ২টো নাগাদ এই কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    ব্লকে ব্লকে অবস্থান, পথ অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা

    এরপর ২ সেপ্টেম্বর রাজ্যের প্রত্যেকটি ব্লকে একদিনের অবস্থান বিক্ষোভ করবেন বিজেপির (Bengal BJP) কর্মীরা। ৪ সেপ্টেম্বর প্রত্যেকটি মণ্ডলে (বিজেপির সাংগঠনিক কাঠামোয়, একটি জেলাপরিষদের আসন অনুযায়ী মণ্ডল গঠিত হয়) এক ঘণ্টা ‘চাক্কা জ্যাম’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই পথ অবরোধ চলবে আরজি কর ইস্যুতে। জানা যাচ্ছে, এই এক ঘণ্টা একটি গাড়িও বিজেপি চলতে দেবে না। একইসঙ্গে, আজ সোমবার জন্মাষ্টমীর দিন অভয়ার বিচার (RG kar Issue) প্রার্থনায় প্রত্যেক বাড়িতে প্রদীপ জ্বালানোর ডাক দিয়েছে বিজেপি। সন্ধ্যায় বাড়ির সামনে, রাস্তার সামনে সাধারণ মানুষকে প্রদীপ জ্বালানোর ডাক দিয়েছে বিজেপি (Bengal BJP)।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বিধানসভার রাজনীতিকরণের অভিযোগে স্পিকারে অনাস্থা বিজেপির

    Suvendu Adhikari: বিধানসভার রাজনীতিকরণের অভিযোগে স্পিকারে অনাস্থা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা (No Confidence) আনল বিজেপি। মঙ্গলবার বিধানসভার সচিবের সঙ্গে দেখা করে বিমান বাবুর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ বিজেপি বিধায়করা। অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়ার সময় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিজেপি বিধায়করা। শুভেন্দু বাবু জানিয়েছেন, পক্ষপাতিত্তের অভিযোগে স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছেন তাঁরা।

    বিধানসভাকে দশকর্মা ভান্ডারে পরিণত অভিযোগ শুভেন্দুর (No Confidence)

    এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “বিধানসভাকে দশকর্মা ভান্ডারে পরিণত করেছেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিধানসভা কার্যত দলীয় কার্যালয়ে পরিণত হয়ে গেছে। আমরা ফিরহাদ হাকিমের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিবাদ করেছিলাম। আমাদের মুলতবি প্রস্তাব পড়তে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। উল্টে আমাদের প্রতিবাদ, স্লোগানকে বাধা দেওয়ার জন্য দুই মিনিটের বেশি বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। লোকসভা ভোটে যিনি তৃণমূলের প্রচার করেছেন, তাঁকে বিজেপির সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন স্পিকার। যাহা মুখ্যমন্ত্রী তাহাই বিমান দা। মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। তাই অধ্যক্ষের (No Confidence)  অপসারণ চাই। এই দলতন্ত্রের হাত থেকে মুক্তি চাই।”

    অহেতুক প্রসঙ্গে বিধানসভায় আলোচনার অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    জানা গিয়েছে, অনাস্থা প্রস্তাবে (No Confidence) মোট ১৮ টি নির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে বিজেপির তরফে। বিজেপির অভিযোগ, বিধানসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে কোনও আলোচনা হয় না। বিধানসভায় সব সময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করা হয়। বিধানসভা এবং রাজ্য সংক্রান্ত বিষয়ের তুলনায় অন্যান্য রাজ্য এবং কেন্দ্র নিয়ে বেশি আলোচনা হয়। এহেন কর্মকাণ্ড বিধানসভার রীতি নয়। প্রধানমন্ত্রীকে অপমানজনক মন্তব্য করা হয় বিধানসভা থেকে। রাজ্যের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে, বিরোধীদের সেই আলোচনা করতে দেওয়া হয় না। উল্টে মনিপুর, উত্তরপ্রদেশের অবাঞ্ছিত ঘটনার উদাহরণ দেওয়া হয়। প্রতি সোমবার বিধানসভায় পুলিশ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন: জ্যোতিপ্রিয়-ঘনিষ্ঠ বারিক ট্রাকচালক থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক! উল্কার গতিতে উত্থান কোন পথে?

    কিন্তু পুলিশ মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী ওই আলোচনা সময় বিধানসভায় উপস্থিত থাকেন না বলে অভিযোগ (Suvendu Adhikari) বিজেপি বিধায়কদের।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share