Tag: Bengal BJP

Bengal BJP

  • BJP Dharna: আজ শহরে ধর্নায় বিজেপি! কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুঠের অভিযোগে পথে সুকান্ত-শুভেন্দু-দিলীপরা

    BJP Dharna: আজ শহরে ধর্নায় বিজেপি! কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুঠের অভিযোগে পথে সুকান্ত-শুভেন্দু-দিলীপরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বুধবার রাজপথ সরগরম। তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে ধর্নায় বসছে বিজেপি। অন্যদিকে, পঞ্চায়েত ভোটের আগে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ তুলে দু’দিনের ধর্নায় বসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে শহিদ মিনার চত্বরে সরকারি কর্মীদের আন্দোলন তো চলছেই। আর সেখান থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে আজই তৃণমূলের ছাত্র-যুবদের সমাবেশ। যেখানে প্রধান বক্তা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ পথে নামছে বাম-কংগ্রেসও। সপ্তাহের মধ্যে কর্মব্যস্ত দিনে শহরের রাস্তায় যানজটের আশঙ্কা রয়েছে।

    বিজেপির ধর্না

    কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগে রেড রোডে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্নার দিনই রাজ্যের বিরুদ্ধে পাল্টা কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুঠের অভিযোগে অবস্থানে বসছে বঙ্গ বিজেপি।  শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের গেটের কাছে ৪০ ফুটের ধর্না মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। ধর্নায় বসছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী,বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষও। বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ধর্না চলবে। শ্যামবাজারে দলীয় ধর্না মঞ্চে হাজির থাকার কথা রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের। থাকতে বলা হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের দলীয় বিধায়কদেরও। 

    বিজেপির প্রশ্ন, রাজ্য সরকার এখনও কেন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে প্রাপ্ত অর্থের হিসেব দিচ্ছে না দিল্লিকে? কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম পরিবর্তন থেকে শুরু করে কাটমানি৷ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে আবাস যোজনা৷ এইধরনের নানান ইস্যুকে হাতিয়ার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এদিন সুর সপ্তমে তুলতে চাইছেন শুভেন্দু- সুকান্ত- দিলীপরা। শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের ১ নম্বর গেটের সামনে কর্মসূচি হবে বিজেপির। গাড়ি বন্ধ হবে না। তবে দুপুরের দিকে রাস্তার একাংশ বন্ধ করে যানযট নিয়ন্ত্রণ করা হবে। মোতায়েন থাকবে প্রচুর পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: ‘লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে’, বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে বললেন মোদি

    তৃণমূলের অবস্থান

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুধবারই ধর্না দেবেন আম্বেদকরের মূর্তির পাদদেশে। সেখানে নিরাপত্তায় উপস্থিত থাকবেন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। ধর্মতলা চত্বরে যান নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গাড়ি যাবে সভাস্থলের দিকে। ধর্মতলায় অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের শহিদ মিনারের সভার জন্য একাধিক উচ্চপদস্থ পুলিশ অফিসারকে মোতায়েন করা হয়েছে। থাকছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার একজন অফিসার, ২ জন যুগ্ম কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার, ৪ জন ডিসি। এছাড়াও ৫০০-র বেশি পুলিশ মোতায়েন থাকছে। পুলিশ সভাস্থলে ৩০ টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাবে। এছাড়া আরও বেশ কিছু সিসি ক্যামেরা লাগানো হবে আয়োজকদের তরফে। অন্যদিকে, ডিএ-র ধর্নামঞ্চে থাকছেন ডিসি পদমর্যাদার অফিসার একজন। এছাড়াও বেশ কিছু পুলিশ মোতায়েন থাকবে শহিদ মিনারে।

    বাম-কংগ্রেসের মিছিল

    একই দিনে দুপুর আড়াইটে নাগাদ পথে নামছে বাম-কংগ্রেস। বুধবার বিকেলে রামলীলা ময়দান থেকে মিছিল শুরু করে মৌলালীর দিকে এগিয়ে যাবে। মল্লিক বাজার হয়ে পার্ক সার্কাসের সেভেন পয়েন্ট পার করে লেডি ব্র্যাবর্ন কলেজের সামনে শেষ হবে মিছিল। ফলে ওই সময় মৌলালি, এন্টালি, শিয়ালদহ, এপিসি রোড, পার্ক সার্কাস এলাকায় প্রবল যানজট হতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধ নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধ নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির (BJP) কোনও বিরোধ নেই। সাফ জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির গ্রেফতারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নওশাদ ভাইয়ের দম আছে। অর্জুন সিংয়ের দলবদল প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, অর্জুন সিংকে আনুগত্য বদল করতে বলা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, ঠিক করো জেলে থাকবে নাকি বাইরে থাকবে। যাদের দম নেই, তারা সারেন্ডার করেছে। এর পরেই তিনি বলেন, নওশাদ ভাইয়ের দম আছে, তাই সারেন্ডার করেনি। একজন জন-প্রতিনিধির সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    শুভেন্দু বলেন…

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, যাঁরা বিধায়ক, সাংসদ, তাঁরা মানুষের ভোটে জেতা প্রতিনিধি। তাঁদের সঙ্গে সাধারণ চোর-ডাকাতদের মতো করে আচরণ করা উচিত নয়। বিধানসভার অধিবেশন চলাকালীন নিজেরা না বলে তাঁরা যে নওশাদকে সুযোগ করে দেন, এদিন সেকথাও স্মরণ করিয়ে দেন শুভেন্দু। বলেন, বিধানসভায় বিরোধী শিবিরে একমাত্র অ-বিজেপি বিধায়ক উনি। আমরা পাঁচ মিনিট নিজেরা না বলে আইএসএফের একমাত্র বিধায়ককে দিয়ে দিই। শুভেন্দু বলেন, নওশাদের দল আইএসএফের সঙ্গে বিজেপির এজেন্ডা এক নয়, অনেক বিষয়ে ভিন্ন মত রয়েছে। কিন্তু বহুদলীয় গণতন্ত্রে সব রাজনৈতিক দলেরই মিটিং মিছিল করার অধিকার রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘১০ লাখ চাকরির কথা বলা হয়েছিল, এবার কী হবে?’, আদানিকাণ্ডে রাজ্যকে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    এদিন বিজেপির তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তীও বলেন, বিজেপি কবে সংখ্যালঘু বিরোধী ছিল? একটা ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়েছিল। বিজেপি মানেই সংখ্যালঘু বিরোধী, এ রকম ইমেজ তৈরি করা হয়েছিল। এটা বলে মার্কেটে ছাড়া হয়েছিল। এই সমস্ত ভুল কথা। মিঠুন বলেন, বিজেপি মুসলিমদের বিরোধী নয়। আমরা এখন পর্যন্ত হিন্দুস্তানি মুসলিমদের জন্য চিন্তিত। পশ্চিমবঙ্গের মুসলমান ভাইবোনেরা ভাল থাকুক, আমরা এটা চাই।

    প্রসঙ্গত, প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে গত ২১ জানুয়ারি ধর্মতলায় আইএসএফের কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠেছিল কলকাতা। রাস্তা অবরোধকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন আইএসএফ নেতা-কর্মীরা। পরে পুলিশকে লক্ষ্য করে করে পাথর ছোড়া হয়। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় নওশাদকে। আদালতে পেশ করা হলে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তারপর ফের আদালতে পেশ করা হলে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নওশাদকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bengal BJP: বাজেট প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন শুভেন্দু-সুকান্ত, কী প্রতিক্রিয়া শমীক ভট্টাচার্যের

    Bengal BJP: বাজেট প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন শুভেন্দু-সুকান্ত, কী প্রতিক্রিয়া শমীক ভট্টাচার্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেট পেশের পরেই এর কটাক্ষ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাজেটকে অমাবস্যার অন্ধকারের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। এরপরেই যোগ্য জবাব দিতে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলকে একহাত নিল বঙ্গ বিজেপি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে বিজেপির প্রতিবাদ সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বক্তব্য রাখতে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাজেট বিশ্লেষণকে কটাক্ষ করেন। আবার বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যও মমতাকে কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছেন। বাজেট নিয়ে শাসকদল সমালোচনা করলে সুকান্ত মজুমদারও তাঁদের কটাক্ষ করতে ছাড়েননি।

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল বলেন, “কেন্দ্রের বাজেট গরিববিরোধী বাজেট।” সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর কটাক্ষ, “ওনার চোখে গরিববিরোধী বাজেটই বটে। নিজে তো সাত লাখ টাকা প্যালেসে থাকেন। নিজে তো ডিএ দেন না আবার বড় বড় কথা। মধ্যবিত্তদের তো সঞ্চয় হবে। এই দেখুন না ৯ লাখ টাকায় ১৫ হাজার টাকা সঞ্চয় হবে নয়া কর কাঠামোয়।” এর পর দুর্নীতির প্রসঙ্গ এনেও মমতাকে আক্রমণ করেছেন শুভেন্দু। তিনি বলেছেন, “মমতা চোরদের রানী, সব হিসেব হবে, সিপিআইএম, সংখ্যালঘু মানুষ সকলে বলেছেন সঙ্গে আছি, তৃণমূলকে হটাতে হবে। যাদের ভাঙা সাইকেল ছিল না তাদের এখন গাড়ি হয়েছে। এবার থেকে যদি আর একটাও বিজেপির কর্মীর গায়ে হাত পড়ে তাহলে কেষ্টর থেকেও অবস্থা খারাপ হবে। চোরেদের রানী মমতা বন্দোপাধ্যায়।”

    আরও পড়ুন: সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই! বিজেপির প্রার্থী দিলীপ সাহা

    সুকান্ত মজুমদার কী বললেন?

    বাজেট প্রসঙ্গে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক এবং মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, “এটা ছদ্মবেশী রাবণের বাজেট।” এই প্রসঙ্গেই পাল্টা জবাব দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেছেন, “রাবণ গেরুয়া বসনে এসেছিল। বাকি সময়ে সে অধর্মের কাজ করত। পশ্চিমবঙ্গে কারা অধর্মের কাজ করে সেটা জনগণ জানেন। আমরা সীতাহরণ করতে চাই না। আমাদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ভোটে লড়তে চাই। ওনাদের শূর্পণখা হওয়ার ইচ্ছে হলে হতে পারেন। আমরা নাক কেটে যাত্রা ভঙ্গ করব।”

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যেরও পাল্টা জবাব দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। মমতা বলেছিলেন, “এই বাজেটে আশার আলো নেই, অন্ধকারের অমাবস্যা আছে।” পাল্টা জবাব দিয়ে সুকান্ত বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন পশ্চিমবঙ্গের জন্য অন্ধকার অমাবস্যাই আছে। কারণ পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস নামক শাসক দল রাজ করছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই রাহুর গ্রাস পশ্চিমবঙ্গে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণিমা আসার সম্ভাবনা নেই, অমাবস্যাই থাকবে। কারণ গ্রহণ হলে অন্ধকারই থাকে।”

    বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্রের প্রতিক্রিয়া

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য বাজেটকে কটাক্ষ করায় শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আজকের এই বাজেটকে দিশাহীন বলেছেন এবং এই বাজেটের মধ্যে তিনি কোনও ভবিষ্যৎ দেখতে পাননি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আজ তৃণমূলকে চিনেছে৷ আসলে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও ভবিষ্যৎ নেই এই বাজেটে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাই এটি হতাশা।”

  • Sukanta Majumdar:  রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে সরব সুকান্ত! জানেন কী বললেন তিনি?

    Sukanta Majumdar: রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে সরব সুকান্ত! জানেন কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় হারে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা দেওয়া নিয়ে সওয়াল করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “হাইকোর্ট একাধিকবার রাজ্য সরকারের গালে থাপ্পড় মারলেও সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ দিচ্ছে না রাজ্য।”

    সুকান্তর দাবি

    সোমবার গঙ্গা আরতি মামলায় জামিন পেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (BJP Sukanta Majumdar)। সেই মামলায় আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে এই মত ব্যক্ত করেন তিনি। গত ১০ জানুয়ারি বাবুঘাটে বিজেপির গঙ্গা আরতি কর্মসূচি ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়। এই ঘটনায় গ্রেফতার হন সুকান্ত মজুমদার-সহ ৮১ জন বিজেপি নেতা কর্মী। ঘটনার দিন থানা থেকে জামিন নিয়েছিলেন তাঁরা। তবে জামিনের শর্ত ছিল, বিচার ভবন থেকে নিয়ম মেনে জামিনের আবেদন করে জামিন নিশ্চিত করতে হবে। সেইমতো এদিন ৪৪ জন জামিন পেলেন। এদিন জামিন নিয়ে বেরিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের কী অবস্থা দেখুন। গঙ্গা আরতি করতে গেলেও তার জন্য মামলা হচ্ছে। আমি গঙ্গা আরতি করেছি বলে আমার নামে মামলা করা হয়েছে। তার জামিন আজ হল। আমার সঙ্গে আরও কয়েকজন কর্মীরও জামিন হল। এখনও ২৩ জনের জামিন হয়নি। আগামিদিনে হবে। আমরা দেখেছি ঔরঙ্গজেবও এক সময় এরকম করত। তবে আমরা লড়াই করতে জানি।”

    আরও পড়ুন: সরকারি বাসভবনে থেকেও পুলিশকর্তাদের একাংশ বাড়িভাড়া ভাতা পান কীভাবে? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    আদালত সূত্রে খবর, গঙ্গা আরতির সময় সুকান্ত মজুমদার-সহ ৮১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। তাতে সকলেই গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরে পুলিশের কাছ থেকে জামিন পান। এদিন ৪৪ জন আত্মসমর্পণ করে, ‘রেগুলার বেল’ পেলেন। নিয়ম অনুযায়ী থানা থেকে ‘পিএস বেল’ পেলে ‘রেগুলার বেল’-এর জন্য আবেদন করতে হয়। সেখানে জামিন নিশ্চিত হয়। এদিন ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পান সুকান্তরা। এদিন তিনি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বলেন, “বিজেপি গত নির্বাচনে ক্ষতায় আসার পর বলা হয়েছিল মুসলিমদের স্বার্থে আঘাত আসবে। তাদের মসজিদে ঢুকতে দেওয়া হবে না। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে মুসলিমদের অবস্থা দেখলেই বোঝা যাবে, এগুলি অপপ্রচার। “

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bengal BJP: পাখির চোখ লোকসভা নির্বাচন, দুর্গাপুরে বিশেষ বৈঠকে বিজেপি

    Bengal BJP: পাখির চোখ লোকসভা নির্বাচন, দুর্গাপুরে বিশেষ বৈঠকে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাখির চোখ ২০২৪এর লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Poll 2024)। বাংলা থেকে পেতে হবে অন্তত ২৫টি আসন। সেজন্য প্রয়োজন সঠিক রণকৌশল। সেই কৌশল ঠিক করতেই দুর্গাপুরে বৈঠকে বসেছে বঙ্গ বিজেপি (Bengal BJP)। শুক্র ও শনিবার দু দিন ধরে চলছে ওই বৈঠক। দুর্গাপুরের একটি হোটেলে হচ্ছে ওই বৈঠক। বৃহস্পতিবারই রাজ্যে সভা করে গিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তার পর হচ্ছে এই বিশেষ বৈঠক। বুথে বুথে কীভাবে সংগঠন তৈরি করা হবে, মূলত তা নিয়েই আলোচনা হওয়ার কথা এই বৈঠকে। বিধায়ক এবং সাংসদদের পাশাপাশি কেন্দ্রের পাঁচ পর্যবেক্ষক এবং রাজ্যের অন্য নেতারাও উপস্থিত রয়েছেন এই বৈঠকে। শুক্রবার হয়েছে দলের পদাধিকারীদের নিয়ে বৈঠক। আজ, শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে মূল বৈঠক। এদিনের বৈঠকে প্রতিনিধি রয়েছেন দেড়শোরও বেশি।

    বিজেপি…

    এদিনের বৈঠকে যাওয়ার আগে এক সঙ্গে হাঁটতে দেখা গিয়েছে বিজেপির (Bengal BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এ রাজ্যে এসেছিল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। ওই দলের দেওয়া রিপোর্ট নিয়েও হয়েছে আলোচনা। সিএএ নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর জনসভায় এই আশ্বাস দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ওই মঞ্চে দাঁড়িয়েই একই আশ্বাস দিয়েছিলেন বিজেপির তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তীও। এদিন তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুুন: ভাটপাড়া থেকে উদ্ধার অসংখ্য বোমা, ম্যাটাডোরে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ

    উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি বিজেপির (Bengal BJP) নজর রাঢ়বঙ্গের দিকেও। দুই বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং বীরভূম এই পাঁচ জেলার সংগঠনকে নিয়ে আগেও বৈঠক করেছে বিজেপি। এই বর্ধমানের মধ্যেই পড়ে দুর্গাপুর। রাঢ়বঙ্গে ক্রমেই শক্তি বাড়ছে বিজেপির। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই দিন দিন গুরুত্ব বাড়ছে রাঢ়বঙ্গের। বিজেপি সূত্রে খবর, বিশেষ বৈঠকের জন্য দুর্গাপুরকে বেছে নেওয়ার কারণ এর ভৌগোলিক অবস্থান। এই শহরে যাতায়াতের সুবিধার পাশাপাশি রয়েছে অন্ডাল বিমানবন্দর। কেন্দ্রীয় নেতাদের যাতায়াতের সুবিধা বিস্তর। এদিন সুনীল বনসল দিল্লি থেকে বিমানে অন্ডালে এসে যোগ দেন বৈঠকে। তাছাড়া শহরে বিজেপির ভাল ভোটব্যাঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিজেপির এক নেতা বলেন, দুর্গাপুরে রাজ্য কর্মসমিতির বৈঠকের আয়োজনের পিছনে পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনের আগে এই অঞ্চলে শক্তি বৃদ্ধির বিষয়টিও মাথায় রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

  • Bengal BJP: ঠিকানা বদল! মুরলীধর সেন লেন থেকে সল্টলেক যাচ্ছে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য দফতর

    Bengal BJP: ঠিকানা বদল! মুরলীধর সেন লেন থেকে সল্টলেক যাচ্ছে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে নতুন ঠিকানা বঙ্গ বিজেপির। ৬ মুরলিধর সেন লেন থেকে বিজেপি রাজ্য দফতরের নতুন ঠিকানা হতে চলেছে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ। চলতি জানুয়ারি মাসের শেষর দিকে অথবা ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই বিজেপির নয়া অফিসের উদ্বোধন করা হবে বলে বিজেপি সূত্রের খবর। এখনও পর্যন্ত ঠিক আছে নিউটাউনে জমি কিনে ঝা চকচকে আধুনিক রাজ্য অফিস বানানোর আগে পর্যন্ত আপাতত সেক্টর ফাইভেই ভাড়া বাড়ি নিয়ে রাজ্য বিজেপি দফতর শুরু করা হবে।

    স্মৃতি বিজড়িত পুরনো অফিস

    বিজেপির রাজ্য দফতরের ঠিকানা বদলের পরিকল্পনা নতুন নয়। আসলে ৬ নম্বর মুরলীধর সেন লেনের (Murlidhar Sen Lane) পুরনো বাড়িতে জায়গার বড় অভাব। রাজ্য নেতাদের জন্য আলাদা আলাদা ঘর বরাদ্দ করতে সমস্যা হচ্ছে। তাছাড়া কেন্দ্রীয় নেতারা এলে তাঁদেরও পর্যাপ্ত স্থান দেওয়া যাচ্ছে না। হেভিওয়েট নেতারা রাজ্যে এলে তাঁদের যাবতীয় কাজকর্মের জন্য হয় কোনও হল ভাড়া নিতে হচ্ছে, না হলে হোটেলের ঘরেই কাজ সারতে হচ্ছে। তাই বহু স্মৃতি, বহু আড্ডাকে পিছনে ফেলে রেখে মুরলীধর সেন লেনের পুরনো দলীয় কার্যালয় ছাড়তে চলেছেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। মুরলীধর সেন লেনের বাড়ির সঙ্গে বহু স্মৃতি জড়িয়ে আছে বিজেপির। ১৯২৫ সালে এই বাড়িটি ভাড়া নেয় জনসংঘ। তারপর জনতা পার্টি। এবার ভাড়া বাড়ি থেকে স্থায়ী ঠিকানার খোঁজে গেরুয়া শিবির। তবে মুরলীধর সেন লেনের বাড়িটি পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া হবে না। এটা হবে উত্তর কলকাতা জেলা বিজেপির দফতর।

    আরও পড়ুন: বছরের প্রথমেই রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ! জোড়া সভা বীরভূম ও আরামবাগে

    জানা গিয়েছে, নিউটাউনে স্থায়ী ভবন তৈরি করার ইচ্ছা রয়েছে বঙ্গ বিজেপির। সেই মর্মে সঠিক জমি খোঁজার কাজও চলছে। তাই আপাতত সল্টলেক সেক্টর ফাইভে স্বাস্থ্য ভবনের কাছে নতুন অফিস ভাড়া নিচ্ছে বঙ্গ বিজেপি। আগামী, ১৫ জানুয়ারির পরই স্বাস্থ্য ভবনের পাশে ভাড়া নেওয়া ওই জায়গায় বিজেপির কার্যালয় স্থানান্তরিত হতে পারে। গত কয়েক বছর ধরেই বিজেপির কেন্দ্রীয় দল রাজ্যে একটি স্থায়ী ঠিকানা করার পরিকল্পনা করছিল। শুধু তাই নয়, জেলায় জেলায় স্থায়ী পার্টি অফিস তৈরিরও পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেই মতো কিছু জায়গায় ইতিমধ্যেই তা হয়েছে। কিন্তু স্থায়ী ঠিকানা পেতে কিছুটা দেরি হবে বলেই আপাতত সল্টলেকে অস্থায়ী ঠিকানায় নিয়ে আসা হচ্ছে কার্যালয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Vande Bharat: ‘আমি আসছি পশ্চিমবঙ্গে’, মোদির বাংলা সফরে কেন এহেন প্রচার বিজেপির জানেন?

    Vande Bharat: ‘আমি আসছি পশ্চিমবঙ্গে’, মোদির বাংলা সফরে কেন এহেন প্রচার বিজেপির জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই শুক্রবার। এদিন বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর সফরকে ঘিরে সাজো সাজো রব। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে হাতিয়ার করতে উদ্যোগী বঙ্গ বিজেপি (BJP)। সেজন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে রাজ্য বিজেপির তরফে। তাতে বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেস এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবির পাশে লেখা ‘আমি আসছি পশ্চিমবঙ্গে’।

    মোদি মানেই…

    কেন এভাবে প্রচার? বিজেপির একটি সূত্রের খবর, মোদি মানেই উন্নয়ন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই। নানা কারণে বাংলায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে উন্নয়ন। মোদি যদি মিস্টার ক্লিনের প্রতীক হন, তবে রাজ্য সরকারের গায়ে লেগেছে কেলেঙ্কারির পাঁক। কয়লা ও গরুপাচারকাণ্ডে নাম জড়িয়েছে তৃণমূলের এক হেভিওয়েট নেতার। তিনি এখনও বন্দি রয়েছেন জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে। শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর নাম। বন্দিদশা ঘোঁচেনি তাঁরও। কেন্দ্রীয় সরকারের একশো দিনের প্রকল্প, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় টাকা নয়ছয়ের গুরুতর অভিযোগও উঠেছে বঙ্গের তৃণমূল পরিচালিত সরকারের বিরুদ্ধে। পদ্ম শিবির সূত্রে খবর, রাজ্যের চলতি পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মোদির স্বচ্ছ ভাবমূর্তিকে ক্যাশ করতেই দলের তরফে এহেন উদ্যোগ।

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার হাওড়া স্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেসের। এদিনই উদ্বোধন করবেন জোকা-তারাতলা মেট্রো রেলের। এছাড়া নমামি গঙ্গার বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাসও করবেন প্রধানমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথের দুপাশে যেসব হোর্ডিং, ফেস্টুন লাগানো হবে, তাতে প্রধানমন্ত্রীর ছবির পাশেই থাকবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের ছবি।

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর বাংলা সফরে তাঁকে কীভাবে স্বাগত জানানো হবে, তা স্থির করতে বুধবার রাতে বৈঠকে বসে বিজেপির বঙ্গ শিবির। বৈঠকে সুকান্ত, শুভেন্দু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়, অমিত মালব্য প্রমুখ। এই বৈঠকে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গ সফর প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, আমি নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রীকে প্রণাম জানাতে যাব। তবে কোথায়, সেটা দলই ঠিক করব।

    আরও পড়ুন: করোনা সংক্রমণ রুখতে সক্রিয় কেন্দ্র, কলকাতায় জনসভা বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bengal BJP: সকলকে নিয়ে কাজ করার পরামর্শ নাড্ডার! বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে বৈঠক রাজ্যের সাংসদদের

    Bengal BJP: সকলকে নিয়ে কাজ করার পরামর্শ নাড্ডার! বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে বৈঠক রাজ্যের সাংসদদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন, তারপর ২০২৪ লোকসভা ভোট। এই দুই নির্বাচনে ভাল ফল করার লক্ষ্যে সোমবার দিল্লিতে রাজ্য বিজেপির সব সাংসদদের ডেকে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সোমবার রাতের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। দিলীপ ঘোষ, সৌমিত্র খাঁ, শান্তনু ঠাকুর-সহ উপস্থিত ছিলেন বাংলার সব সাংসদেরা।  বিজেপি সূত্রে খবর, দলগতভাবে গেরুয়া শিবির রাজ্যে কোন পথে এগোবে, সেই নিয়েই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। পরবর্তী ভোটগুলোয় যাতে বিজেপি ভাল ফল করতে পারে, তার দিকে লক্ষ্য রেখেই আলোচনা হয়।

    বৈঠকে শুভেন্দুর দাবি

    রাজ্যের বহু নেতার উপরে অনেক মামলার চাপ রয়েছে। ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘর্ষের মামলায় জড়িয়েছেন জেলা স্তরের নেতা থেকে বুথকর্মীরা। সে সব মামলা লড়ার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাহায্য চেয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি সূত্রে খবর, দিল্লিতে দলের এ রাজ্যের সাংসদদের বৈঠকে হাজির হয়ে সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে এমনটাই দাবি জানিয়েছেন শুভেন্দু। সংসদে অধিবেশন চলায় এখন বাংলার বিজেপি সাংসদেরা সকলেই দিল্লিতে রয়েছেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকারের বাড়িতে হওয়া ওই বৈঠকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষের থাকার কথা থাকলেও তিনি আসেননি বলেই জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: আজ শাহী দরবারে শুভেন্দু, সুকান্তরা! দেখা হতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও

    নাড্ডার পরামর্শ

    দলীয় সূত্রে খবর, বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারাও। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনশল ছাড়াও ছিলেন এই রাজ্যের পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে এবং দুই সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য এবং আশা লকড়া। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার পঞ্চায়েত ভোটের জন্য কেমন প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে জানান। কী কী সমস্যার মুখে দলকে পড়তে হচ্ছে, তা নিয়ে কথা বলেন দিলীপ ঘোষ-সহ অন্য সাংসদেরাও। সকলের কথাই মন দিয়ে শুনেছেন নাড্ডা। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা বৈঠকে রাজ্য বিজেপিকে বেশ কিছু পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। সব বিরোধ মিটিয়ে সকলকে নিয়ে কাজ করার পরামর্শও দেন। যেখানে যত বিক্ষুব্ধ নেতা রয়েছেন তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং ক্ষোভের কারণ জানারও পরামর্শ দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। একইসঙ্গে বলেছেন, পরিষদীয় দল তথা বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বকে কাজ করতে হবে। নিয়মিত ভাবে বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক এবং সাংসদদের একসঙ্গে বসার উপরেও জোর দিয়েছেন নাড্ডা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bengal BJP: আজ শাহী দরবারে শুভেন্দু, সুকান্তরা! দেখা হতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও

    Bengal BJP: আজ শাহী দরবারে শুভেন্দু, সুকান্তরা! দেখা হতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন বঙ্গ বিজেপির দুই নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদার। এদিন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ও রাজ্য বিজেপির সভাপতির সঙ্গে শাহী বৈঠকে বঙ্গের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির পাশাপাশি রাজ্যে সিএএ লাগু নিয়েও আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। গত কয়েকমাস ধরে একাধিক ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাচ্ছে বঙ্গ বিজেপি। কয়লাপাচার,গরুপাচার থেকে আবাস দুর্নীতি, একশো দিনের প্রকল্প। সব নিয়েই কথাবার্তা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

    কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার পাশাপাশি এদিন রাজধানীতে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারী। আবাস যোজনা নিয়ে দিল্লিতে দরবার করার কথা আগেই জানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সোমবার গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গে সে বৈঠক থাকলেও পরে তা বাতিল হয়ে যায়। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সময় হলে সে বৈঠক হতে পারে। আবাস যোজনার বরাদ্দ এসে পৌঁছনোর পর থেকেই রাজ্যজুড়ে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় গৃহপ্রাপকদের তালিকা যাচাইয়ের কাজ শুরু করে দিয়েছে রাজ্য। আর সেই কাজ শুরু হতেই সামনে আসছে ভুরি ভুরি অভিযোগ। কোথাও চারতলা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও তালিকায় নাম থাকছে তৃণমূল উপপ্রধানের স্ত্রীয়ের, কোথাও আশাকর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের কপালে জুটছে হুমকি। মাটির বাড়িতে বসবাস করলেও আবাস যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বহু মানুষ।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাতেও ওয়েব পোর্টাল চালু করা হোক। কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গ বিজেপির অন্যতম দুই নেতা সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারীরা এই আবেদনও করতে পারেন বলে সূত্রের খবর। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে  আবেদন করে  প্রধানমন্ত্রী কিষান নিধি সম্মানের মতো পোর্টাল চালু করে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় আবেদনের ব্যবস্থা করার কথাও বলতে পারেন পদ্ম শিবিরের দুই নেতা। পাশাপাশি পুরনো তালিকা বাতিল করার দাবিও জানানো হতে পারে।

    আরও পড়ুন: রাজ্য জুড়ে আবাস তালিকায় দুর্নীতি! বিজেপির প্রতিবাদ-বিক্ষোভে উত্তাল পুরুলিয়া-বাঁকুড়া

    সব মিলিয়ে বছর ঘুরলেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে দিল্লির দরবারে বাংলার পদ্ম শিবিরের দুই প্রথম সারির নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদারের এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই সফর নিয়ে রাজ্য-রাজনীতিতে তরজাও চলছে। এই বৈঠকের দিকে নজর রাখছে শাসকদল তৃণমূলও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bengal BJP: লক্ষ্য পঞ্চায়েত! দিল্লিতে বৈঠকে বঙ্গ বিজেপির নেতারা

    Bengal BJP: লক্ষ্য পঞ্চায়েত! দিল্লিতে বৈঠকে বঙ্গ বিজেপির নেতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পঞ্চায়েত ভোট(Panchayat Election)। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার দিল্লিতে বঙ্গ বিজেপির বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও সাংসদ সুভাষ সরকারের বাড়িতে এই বৈঠকে থাকবেন দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার, নিশীথ প্রামাণিক, লকেট চট্টোপাধ্যায় সহ রাজ্যের সব সাংসদরা। থাকবেন শুভেন্দু অধিকারীও। বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডাকে।

    বৈঠকের বিষয় 

    বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গের ১৬ জন দলীয় সাংসদের সঙ্গে পঞ্চায়েত ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করবেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক (সাংগঠনিক) বিএল সন্তোষ এবং দুই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল ও মঙ্গল পাণ্ডে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শা’র সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে শুভেন্দু-সুকান্তর। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে শুভেন্দুদের।  সেই বৈঠকে ১০০ দিনের কাজের পোর্টাল চালুর আবেদন জানানো হতে পারে। প্রকৃত অর্থে ১০০ দিনের কাজ করলে তাদের দ্রুত পারিশ্রমিক প্রদানের আর্জিও জানানো হতে পারে। পাশাপাশি কিষাণ সম্মান নিধির আদলে কৃষকদের হাতে সরাসরি টাকা পৌঁছনোর দাবি,জানানো হতে পারে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, “কেন্দ্রের পাঠানো টাকা লুঠ করে রাজ্যের অর্থনীতি চলছে।”

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাই! পথে চাকরিপ্রার্থীদের মহাজোট

    আমজনতার কাছে কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তোলার ব্যাপারেও চলতে পারে আলোচনা। গতবারের জেতা আসন ও জেতার সম্ভাবনা ছিল এমন বুথ কমিটি নিয়ে পর্যালোচনা হতে পারে। পঞ্চায়েত ভোটে সাংসদদের দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়ে এদিন বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাংসদদের নিজের নির্বাচনি এলাকায় প্রচারে নামানো এবং দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়া নিশ্চিত করার ভার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তুলে দিতে চলেছেন সাংসদদের ওপর। তবে এই কৌশলে কতদূর কাজ হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে দলের অন্দরেই। কারণ সংসদীয় দলের সঙ্গে বিজেপির সাংগঠনিক নেতাদের সমন্বয়ের অভাব নিয়ে একাধিকবার চর্চা হয়েছে গেরুয়া শিবিরে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share