Tag: Bengal news

Bengal news

  • Suvendu Adhikari: ‘সামনের বছর শহিদ দিবসে চোরমুক্ত বাংলা দেখবেন’, নন্দীগ্রামে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘সামনের বছর শহিদ দিবসে চোরমুক্ত বাংলা দেখবেন’, নন্দীগ্রামে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহিদ স্মরণে শুক্রবার বিজেপি এবং তৃণমূলের আলাদা সভা ছিল নন্দীগ্রামে। কিন্তু বিজেপির সভা শেষ করতে পুলিশি তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ওই সভায় হাজিরও ছিলেন। তবে, বিজেপির সভা কিছুটা দীর্ঘয়িত হওয়ার অভিযোগ তুলে মঞ্চ থেকে কর্মীদের তাড়া করে নামিয়ে দেয় পুলিশ। শহিদ বেদি থেকে মালাও সরিয়ে দেওয়া হয়। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Suvendu Adhikari)  

    ২০০৭ সালের ১০ নভেম্বর ‘সূর্যোদয়’ অভিযানের ডাক দিয়েছিল রাজ্যের তৎকালীন শাসকদল সিপিএম। রক্তাক্ত অভিযানে প্রাণ গিয়েছিল জমি আন্দোলনের একঝাঁক নেতা-কর্মীর। এখনও বেশ কয়েকজনের হদিশ মেলেনি। তারপর থেকেই প্রতি বছর এই দিনটিতে নন্দীগ্রামের করপল্লিতে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শুভেন্দু দলে যোগ দেওয়ার পর থেকে বিজেপিও এখন এই কর্মসূচি করে। গত বছর এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। এবার অবশ্য পরিস্থিতি ছিল শান্ত। সূত্রের খবর, তৃণমূল-বিজেপির সঙ্গে পুলিশের বৈঠকে প্রথমে সভা করার অনুমতি চায় বিজেপি। সেই মতো শুক্রবার সকাল ৮টায় করপল্লিতে শহিদ বেদিতে স্মরণসভার আয়োজন করার কথা তাদের। এরপর ৯টা নাগাদ সভায় যোগ দেওয়ার কথা শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। ১০টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কথা। ৯টা ৪৫ মিনিটে যান শুভেন্দু। যার জেরে সভা দীর্ঘায়িত হয়। শহিদ স্মরণে ভাষণ শেষ হতেই পুলিশ তৎপর হয়ে বিজেপি কর্মীদের তাড়া করে সরিয়ে দেয়। এমনকী মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। এমনকী, এরপরে  শহিদ বেদিতে থাকা ফুলের মালা দ্রুত খুলে ফেলা হয়। পরে, সেখানে তৃণমূল শহিদ স্মরণ কর্মসূচি পালন করে। যদিও সময় মতো সভা শেষ না করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। পুলিশ ইচ্ছাকৃত বিজেপি কর্মীদের হেনস্থা করতে এসব করেছে, অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের।

    তৃণমূল নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    ভাষণের শেষে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘এবার আমাদের হাইকোর্টে যেতে হয়নি। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষী নামাতে হয়নি। ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। আর পরের বছর যখন শহিদ স্মরণ হবে, তখন পশ্চিমবাংলায় আর এই চোরগুলো থাকবে না। ২৪ সালের ১০ নভেম্বর যখন শহিদ দিবস হবে, চোরমুক্ত বাংলা দেখবেন। আপনাদের কথা দিয়ে গেলাম’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Smriti Irani: হাওড়া থেকে গৃহ সম্পর্ক অভিযানে স্মৃতি ইরানি, চুটিয়ে জনসংযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    Smriti Irani: হাওড়া থেকে গৃহ সম্পর্ক অভিযানে স্মৃতি ইরানি, চুটিয়ে জনসংযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে হাওড়া থেকে গৃহ সম্পর্ক অভিযান শুরু করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচিতে জগৎবল্লভপুরে আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। হাওড়ার রাজাপুর দক্ষিণ বাড়িতে বিজেপি কর্মী পলাশ মালিকের বাড়ি থেকে গৃহ সম্পর্ক অভিযান শুরু করেন। এই উপলক্ষ্যে গ্রামের ওই কর্মীর বাড়িতে সকাল থেকেই রান্নাবান্না সহ অতিথি আপ্যায়নের বিভিন্ন আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই দুপুরে পাত পেড়ে খান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    এরপর স্মৃতি (Smriti Irani) যেন পরিবারের মেয়ে-বউদের সঙ্গে মিশে গেলেন। মাটিতে বসে স্মৃতির সঙ্গে খেলেন দলের হাওড়ার নেতারাও। তাই সকাল থেকে রান্নাবান্না চলছিল পলাশ মালিকের বাড়িতে। ভাত, ডাল, বেগুনি, পটল চিংড়ি, শুক্তো, সর্ষে ইলিশ, রুই মাছের কালিয়া, চাটনি, পাঁপড়। আর শেষ পাতে ছিল মিষ্টি। খেতে বসার আগে দলের জেলার নেতাদের থালায় করে খাবার পরিবেশনও করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই উপলক্ষ্যে পরিবারের মহিলা সদস্যা রুমা মালিক বলেন, আমরা তফশিলি সম্প্রদায়ের মানুষ। আমাদের বাড়িতে মন্ত্রী আসবেন, কল্পনা করতে পারিনি। আমরা খুবই খুশি। তাঁর জন্য আমরা ঘরে বাঙালি খাবারের আয়োজন করেছি। 

    গ্রাম থেকে মাটি সংগ্ৰহ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Smriti Irani)

    মা-কাকিমা সকলে মিলে আমরা রান্নার আয়োজন করেছি। আরেক মহিলা সদস্যা সুচিত্রা হাজরা বলেন, বাঙালি রান্নার আয়োজন আমরা করেছি। খুবই আনন্দিত যে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Smriti Irani) তিনি আমাদের মতো গরিবের বাড়িতে এলেন। পনেরো বছর হল এখানে দক্ষিণ বাড়িতে এসেছি। কিন্তু এত বড় মাপের কোনও মন্ত্রী আমাদের গ্রামে আসেনি। বিশেষ করে আমাদের বাড়িতে উনি আসছেন। এটা ভেবেই আমরা খুব আনন্দিত। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি হাওড়ার জগৎবল্লভপুর সহ চামরাইল, জগদীশপুর বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। পার্টি কার্যকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক, তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসম্পর্ক স্থাপন করেন। আমার মাটি আমার দেশ সম্পর্ক অভিযানের কর্মসূচি হিসেবে গ্রাম থেকে মাটি সংগ্ৰহ করেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heavy Rain: অতি ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তর ভারত! বন্ধ স্কুল, বাতিল ট্রেন, মৃত ২৪

    Heavy Rain: অতি ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তর ভারত! বন্ধ স্কুল, বাতিল ট্রেন, মৃত ২৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতি ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain) কারণে উত্তর ভারতে ২৪ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। বৃষ্টির কারণে দিল্লি সংলগ্ন অঞ্চলে সোমবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুলগুলি। অন্যদিক হিমাচলে সোম ও মঙ্গলবার বন্ধ থাকবে স্কুলগুলি। হিমাচলে এখনও অবধি ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। বাতিল করা হয়েছে উত্তর ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৭টি ট্রেন। হিমাচলের ১০টি জেলায় ধসের কারণে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। শেষ তিন দিনে হিমাচলের ছোট-বড় সাতশোর বেশি রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে ধসের কারণে। 

    বর্ষা ঢোকার পর থেকেই ধস নামতে শুরু করে উত্তর ভারতের পার্বত্য অঞ্চলে

    বর্ষা ঢোকার পর থেকেই হিমাচল, উত্তরাখণ্ডে ব্যাপক ধস নামতে শুরু করে। একাধিক জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে যায় ধসের কারণে। দিন কয়েক আগেই হড়পা বানের কারণে উত্তরাখণ্ডে ভেসে যায় একটি সেতু। অতি ভারী বৃষ্টিতে জম্মু-কাশ্মীরে বন্যার সতর্কতাও জারি করে প্রশাসন। মাঝখানে পরিস্থিতির অবনতি হলে বন্ধ করে দেওয়া হয় অমরনাথ যাত্রাও। প্রবল বর্ষণে (Heavy Rain) উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্যে জনজীবন সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত। দিল্লিতে যমুনা নদী এবং মধ্যপ্রদেশের নর্মদা নদী আপাতত ফুঁসছে বলে খবর রয়েছে। এমন অবস্থায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে নদী তীরবর্তী স্থানগুলিতে। মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে নর্মদা নদীর জল বাড়ায় চারজন মানুষ আটকে পড়েন। তাঁদের ড্রোনের মাধ্যমে খাদ্য সমেত অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠায় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা। রবিবারও রাজস্থান সমেত উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্যে ভারী বর্ষণের খবর মিলেছে। হিমাচল প্রদেশেও একাধিক নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে। বিপাশা নদীর বন্যার কারণে ৬ জন মানুষ আটকে পড়েন। পরে তাঁদের সে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর থেকে উদ্ধার করা হয়। হিমাচলের একাধিক জনবহুল অঞ্চলে হাঁটু পর্যন্ত জল জমার খবর পাওয়া গিয়েছে।

    ৫০ বছরে রেকর্ড বৃষ্টি উত্তর ভারতে

    ইতিমধ্যে অতি ভারী বর্ষণের (Heavy Rain) ফলে উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্যের করুণ চিত্র দেখা যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ার সৌজন্যে। কোথাও জলে ভাসছে গাড়ি, তো কোথাও বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়েছে জল। হাওয়া অফিস বলছে, সাম্প্রতিক অতীতে দিল্লিতে অতি ভারী বর্ষণের এমন নজির দেখা যায়নি। শেষবার এমন প্রবল বর্ষণ দিল্লিতে হয়েছিল ১৯৮২ সালের জুলাইতে। হরিয়ানার আম্বালায় রবিবার বৃষ্টি হয়েছে ৩২২ মিমি। অন্যদিকে দিল্লিতে এর পরিমাণ ১৫৩ মিমি। বিগত ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙে হিমাচলে বৃষ্টি হয়েছে ১৩৫ মিমি। পাঞ্জাব হরিয়ানা সমেত সব রাজ্যেই বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে এই রাজ্যগুলিতে কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: বিজেপি প্রার্থীকে বাড়ি বয়ে হুমকি! সুকান্তর তাড়ায় চম্পট দিল শাসক দল

    Panchayat Vote: বিজেপি প্রার্থীকে বাড়ি বয়ে হুমকি! সুকান্তর তাড়ায় চম্পট দিল শাসক দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরে বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে হুমকি দিতে আসে তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী। খবর পেয়েই ছুটে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ধাওয়া করেন দুষ্কৃতীদের। চম্পট দেয় তারা। স্থানীয় গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা হতেই এলাকায় অস্ত্র হাতে দাপাচ্ছে। বিরোধী প্রার্থীদের বাড়ি বয়ে খুনের হুমকি দিচ্ছে। এদিন বিডিও অফিসেও যান সুকান্ত। অভিযোগ, শাসক দলের কর্মীরা ১৪৪ ধারা ভেঙে জোর করে তুলে এনে কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করায়।

    কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

    জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুর ব্লকের সুকদেবপুর অঞ্চলে বিজেপি প্রার্থী (Panchayat Vote) হয়েছেন রূপালী রায়। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা মতো এদিনই মনোনয়ন তোলার শেষ দিন। এদিন রূপালী রায়ের বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী মনোনয়ন তোলার জন্য হুমকি দিতে আসে। তারা নম্বরহীন গাড়ি ও বাইকে এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। এই খবর পেয়েই এলাকায় ছুটে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সহ দলের লোকজন। তাঁদের দেখে পালিয়ে যায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। খবর পেয়ে ছুটে আসে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘সুকদেবপুর অঞ্চলে দিনে রাতে দুষ্কৃতীরা এসে হামলা চালাচ্ছে। আমরা খবর পেয়ে আসি। এসে দেখি কিছু দুষ্কৃতী হাতে লাঠি নিয়ে আছে। পাশাপাশি তারা একটি চারচাকা গাড়ি ও দুটি মোটর বাইক নিয়ে আসে। যার মধ্যে একটির নাম্বার নেই। দুষ্কৃতীরা আমাদের প্রার্থীর স্বামীকে খুন করার হুমকি দেয় ও মনোনয়ন তুলে নেবার জন্য জোর করে। আমরা ওদেরকে ধরার জন্য ধাওয়া করি। ওরা আমাদের দেখে পালিয়ে যায়। পুলিশ সময়মতো আসেনি। আমরা পুলিশকে বলছি এই গাড়িটিকে চেক করতে।’’ অন্যদিকে বিডিও অফিসে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করাতে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এনিয়ে সুকান্ত বলেন, ‘‘তৃণমূলের হার্মাদরা আমাদের প্রার্থীদের গ্রামে গ্রামে গিয়ে হুমকি দিচ্ছে। তারা নিজেই আমাদের প্রার্থীদের গাড়ি করে তুলে নিয়ে এসে ১৪৪ ধারা অমান্য করে বিডিও অফিসে ঢুকে মনোনোয়ন প্রত্যাহার করাচ্ছে। আমরা এর প্রতিবাদ করেছি। হাতেনাতে ধরেছিলাম এক তৃণমূল নেতাকে। সেই নেতা ক্যামেরার সামনে বলেছে, আমি তৃণমূলের যুব সভাপতি, আমি ১৪৪ ধারার মধ্যে ঢুকতে পারি। আমরা আজ বিডিওকে বলেছি, যদি এর উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে বৃহত্তর আন্দোলন করব।’’

    কী বলছেন বিজেপি প্রার্থী রূপালী রায়?

    এই বিষয়ে বিজেপির প্রার্থী রুপালি রায় বলেন, ‘‘তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাকে এসে ভয় দেখাচ্ছে আমাকে প্রার্থী হতে দেবে না। ভোট হবার পর আমাদের বাড়িতে থাকতে দেবে না বলছে। মনোনয়ন তোলার জন্য তারা জোর করছে।’’ অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থীর স্বামী রতন রায় বলেন, ‘‘আমার স্ত্রী বিজেপির প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছে, একারণে দিনে-রাতে তৃণমূলের কর্মীরা আমাদের এসে  হুমকি দিচ্ছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • West Bengal Weather: বর্ষার অনুকূল পরিবেশ দক্ষিণবঙ্গে! কবে নামবে বৃষ্টি?

    West Bengal Weather: বর্ষার অনুকূল পরিবেশ দক্ষিণবঙ্গে! কবে নামবে বৃষ্টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা রাজ্যবাসীর। মাঝে মধ্যে ছিটেফোঁটা বৃষ্টিপাত স্বস্তি নিয়ে এলেও তা ক্ষণস্থায়ী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হওয়াতে অস্বস্তি বাড়ছে। কবে আসবে বর্ষা? রাজ্যবাসী উদগ্রীব চাতক পাখির মতোই। উল্লেখ্য, ৮ জুন বর্ষা প্রবেশ করেছে কেরলে।

    বঙ্গে কবে ঢুকছে বর্ষা? (West Bengal Weather)

    দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর দেখা কবে মিলবে বঙ্গে? আশার কথা শোনাচ্ছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতরের কর্তারা। তাঁদের মতে, ‘‘১৯ থেকে ২২ জুনের বর্ষা প্রবেশ করতে পারে বঙ্গে।’’ কিন্তু কীভাবে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে? আবহবিদদের কথায়, ‘‘প্রাক বর্ষার আবহাওয়া রাজ্য জুড়ে দেখা যাচ্ছে। তাপপ্রবাহ যেমন চলছে, তেমনি বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতও হচ্ছে মাঝে সাঝে, যা বর্ষা আসার পূর্বাভাস।’’ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘‘কেরলে বর্ষা ঢোকার এক সপ্তাহ পরে সাধারণত তা বাংলায় আসে। তবে হিসাব সব সময় যে মিলবে, এমনটা নয়।’’ কেরলে ঢোকার পরে মৌসুমি বায়ু হিমালয়ে ধাক্কা খেয়ে ফেরে রাজ্যের ওপর দিয়ে। প্রথমে ভিজতে থাকে উত্তরবঙ্গ, পরে দক্ষিণবঙ্গ। এমনিতে কেরলে বর্ষা ঢোকে ১ জুন। তবে প্রতিবার এমন নিয়ম মানে না মৌসুমি বায়ু। গত বছর সময়ের আগেই ঢুকেছিল বর্ষা (২৯ মে)। ২০২১ সালে বর্ষা ঢুকেছিল ৩ জুন। ২০২০ সালে অবশ্য ক্যালেন্ডার অনুসরণ করেই কেরলে বর্ষা ঢুকেছিল। আবার ২০১৯ সালে চলতি বছরের মতোই ৮ জুন দেশে বর্ষা ঢুকেছিল।

    উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যে ঢুকেছে বর্ষা (West Bengal Weather)

    উত্তরবঙ্গে বর্ষা ইতিমধ্য়ে প্রবেশ করেছে বলেও জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। তাদের মতে, আপাতত দার্জিলিং সহ কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার জেলাগুলিতে অতি ভারী বৃষ্টি চলবে। তবে মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের সতর্কতাও দিয়েছেন আবহবিদরা। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে রয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কতা। যেমন পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, পশ্চি মবর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। রয়েছে বন্যার সতর্কতাও! সব মিলিয়ে প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় জর্জরিত রাজ্যবাসী। ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ির কিছু অংশে। পার্বত্য এলাকার দুই জেলা দার্জিলিং ও কালিম্পঙে টানা বৃষ্টির জেরে ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। একটানা ভারী বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের নিচু এলাকাগুলিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে (West Bengal Weather)। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে।

    আরও পড়ুন: বীরভূমে শাসক দলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত বিরোধীরা, কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘সন্ত্রাসী শাসকের আমলে কোনও নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে না’’, ফেসবুকে খোঁচা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘সন্ত্রাসী শাসকের আমলে কোনও নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে না’’, ফেসবুকে খোঁচা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোনয়নের পঞ্চম দিনেও অশান্তি অব্যাহত রাজ্য জুড়ে। ভাঙড় থেকে ক্যানিং সর্বত্র। বাদ যায়নি তৃণমূল কর্মীরাও। ক্যানিং-এ মনোনয়নে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলে গুলিবিদ্ধ দলেরই এক কর্মী। এনিয়ে এবার ফেসবুকে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    কী লিখলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নিজের ফেসবুক পোস্টে বুধবার শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে যতদিন এই দুর্নীতিগ্রস্ত, সন্ত্রাসী শাসক দল ক্ষমতায় আছে, কোনওদিনই কোনও নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হবে না। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনও তার ব্যতিক্রম হবে না। বর্তমান সরকারের আমলে শাসক দলের সন্ত্রাসের হাত থেকে নিস্তার নেই বিরোধী দলের প্রার্থীদের।”

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সংযোজন, ‘‘ভয়মুক্ত পরিবেশে সুষ্ঠু ভাবে মনোনয়ন দাখিল করতে পারছেন না বিরোধী প্রার্থীরা’। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়,’ বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাঙড় – ১ এবং ২ নম্বর ব্লক ও ক্যানিং–১ এবং ২ নম্বর ব্লক; বাঁকুড়া জেলার কোতুলপুর, পাত্রসায়র, ইন্দাস; বীরভূম জেলার লাভপুর ও নানুর; উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সন্দেশখালি–১ এবং ২ নম্বর ব্লক ও মিনাখাঁ; হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুর ও বাগনান–২ নম্বর ব্লক সহ রাজ্যের অন্যান্য ব্লকে। বিডিও অফিস তথা মনোনয়ন কেন্দ্রগুলি সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত হয়েছে।’’

    তৃণমূল আছে সন্ত্রাসেই!

    প্রথম কোনও পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট! মনোনয়ন কেন্দ্রগুলিতে জারি থাকছে ১৪৪ ধারা। কিন্তু তাতে কী! এদিনই সুকান্ত মজুমদার বিজেপির পঞ্চায়েতের প্রার্থীদের বাসে করে বসিরহাট থেকে কলকাতায় নিয়ে এসে রাজ্য নির্বাচন দফতরের সামনে উপস্থিত হন। কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন সুকান্ত। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর এসেছে প্রত্যেক দিন। দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ভাঙড়, ক্যানিং, ইন্দাস, ডোমকল। রাজ্য জুড়ে প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে অশান্তি লেগেই রয়েছে। আর পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠিচার্জ পর্যন্ত করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: হিসাব না দেওয়াতেই ১০০ দিনের টাকা বন্ধ, রাজ্যে এসে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Asansol: হিসাব না দেওয়াতেই ১০০ দিনের টাকা বন্ধ, রাজ্যে এসে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের ন-বছরের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরে এক সাংবাদিক বৈঠক (Asansol) করলেন পঞ্চায়েতের রাষ্ট্রমন্ত্রী কপিল মরেশ্বর পাটিল। বুধবার আসানসোলের এক বেসরকারি হোটেলে তিনি ওই সাংবাদিক বৈঠক করেন। এদিন মন্ত্রী বলেন, বিগত ৯ বছরে মোদিজির নেতৃত্বে আবাস যোজনায় ঘর পেয়েছে সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি উজ্জ্বলা যোজনায় কয়েক লক্ষ গরিব মানুষকে গ্যাসের কানেকশন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প রয়েছে। সেই সব প্রকল্পের আওতায় শিক্ষা ক্ষেত্রে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে প্রচুর সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়েছেন। তবে আবাস যোজনায় কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাকে বঞ্চনার অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তিনি। এছাড়া ১০০ দিনের কাজের ক্ষেত্রেও তিনি বলেন, হিসাব না দেওয়ার কারণেই ১০০ দিনের কাজের টাকা বাকি রয়েছে।

    পরিদর্শন করলেন ইএসআই হাসপাতাল (Asansol)

    ন বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে যে সব উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, সেই উপলক্ষে আজ আসানসোলে (Asansol) এসেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রথমে তিনি একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। পরে আসানসোলের ইএসআই হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। এছাড়া ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, জেলা সভাপতি দিলীপ দে। এখানে যে হসপিটাল বিল্ডিং তৈরির পর পড়ে আছে, সেটা তিনি পরিদর্শন করেন। এখানে ৩৮ একর জায়গা পড়ে আছে। সেই জায়গাতে জেলার একটি মেডিক্যাল কলেজ বাড়ানোর জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দেবেন বলে জানান। এছাড়া এখানে আরও ৫০ বেড বাড়িয়ে ৩২ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছিল। কিন্তু কেন ২৬ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, কেন এই কাজ পড়ে রয়েছে, সে ব্যাপারে তিনি খোঁজখবর নেন। ভুপেন্দ্র কুমারজির সঙ্গে কথা বলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজ শুরু করার চেষ্টা করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

    কী বললেন আসানসোল পুর নিগমের চেয়ারম্যান (Asansol)?

    অপরদিকে সাংবাদিক বৈঠকে করা মন্তব্যকে কটাক্ষ করেছেন আসানসোল (Asansol) পুর নিগমের চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়। পাল্টা তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য পুরস্কার পাচ্ছে রাজ্য সরকার। বর্তমান কেন্দ্রের সরকার কর্মসংস্থানের জন্য কোনও বড় প্রজেক্ট তৈরি করতে পারেনি। উল্টে কয়েকটি বেসরকারি সংস্থাকে বিভিন্ন ভাবে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karma Tirtha:  মুখ্যমন্ত্রীর সাধের ‘কর্মতীর্থ’ পড়ে রয়েছে কর্মহীন হয়েই, দোকানঘর হস্তান্তর কবে?

    Karma Tirtha: মুখ্যমন্ত্রীর সাধের ‘কর্মতীর্থ’ পড়ে রয়েছে কর্মহীন হয়েই, দোকানঘর হস্তান্তর কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় তিন কোটি টাকা ব‍্যয়ে কর্মতীর্থ (Karma Tirtha) তৈরি হলেও তা চালু করা যাচ্ছে না শুধুমাত্র প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে। যার জেরে আটকে রয়েছে দোকানঘর হস্তান্তরের প্রক্রিয়াও। আর এমনই অভিযোগ ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাসদর বারাসতে। যদিও উদাসীনতা কিংবা গাফিলতির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে কর্মতীর্থ প্রকল্পের কাজ যে শেষ হয়নি, সেটাকেই বড় করে দেখিয়েছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। একই দাবি করেছেন পৌর কর্তৃপক্ষও। তবে এই নিয়ে কিন্তু চর্চা চলছেই। কবে এই প্রকল্প চালু হবে? কবেই বা কর্মতীর্থের দোকানঘর হস্তান্তর হবে স্বনির্ভর গোষ্ঠী অথবা দরিদ্র ব‍্যবসায়ীদের মধ্যে? সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বিভিন্ন মহলে‌।

    নিচেরতলার অধিকাংশ দোকানঘর হয়ে গেলেও ফেলে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ

    সূত্রের খবর, ২০১৪ সালে ব্লক এবং পৌরসভা ভিত্তিক একটি করে ‘কর্মতীর্থ’ (Karma Tirtha) তৈরির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও দরিদ্র ব‍্যবসায়ীরা তাঁদের নিজেদের পণ্য বিক্রি করতে পারবেন এখানে। সেই উদ্দেশ্যেই বারাসত চাঁপাডালি মোড়ে তৈরি হয়েছে কর্মতীর্থ প্রকল্পের দোকানঘর। তৃণমূল আমলে বিগত পৌরবোর্ডের শেষদিকে সরকারি সহায়তায় শুরু হয় কর্মতীর্থ প্রকল্পের কাজ। এর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২ কোটি ৯১ লক্ষ টাকা। পৌরসভার নিজস্ব জমিতেই গড়ে উঠেছে তিনতলা বিশিষ্ট এই ‘কর্মতীর্থ’। প্রকল্পের নিচের তলার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। দোতলা এবং তৃতীয়তলার কাজও সম্পন্ন হওয়ার মুখে। কর্মতীর্থের নিচের তলায় রয়েছে প্রায় ৪৫টি দোকানঘর। দোতলায় রয়েছে অন্তত ৪৬টি দোকান। এছাড়া তিনতলায় হবে আরও বেশ কয়েকটি দোকানঘর। প্রথমে কর্মতীর্থের কাজ জোরকদমে হলেও পরে তা ধীরগতিতে চলছে বলে অভিযোগ। যার ফলে দোতলা এবং তিনতলার কাজ শেষ হয়নি এখনও। তবে, নিচের তলার অধিকাংশ দোকানঘর সম্পন্ন হয়ে গেলেও তা ফেলে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই দোকানঘর হস্তান্তর কিংবা তা চালু করার প্রয়োজন মনে করেনি জেলা প্রশাসন।ফলে, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে উপভোক্তাদের। এদিকে, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কর্মতীর্থ প্রকল্পে কাজ চললেও এখনও তা সম্পন্ন না হওয়ায় স্বভাবতই এই নিয়ে ক্ষোভ কিন্তু বাড়ছে প্রকল্পের আওতাধীন উপভোক্তাদের মধ্যে। তবে, এই বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে না চাইলেও প্রশ্নের মুখে জেলা প্রশাসনের ভূমিকা।

    দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী কী বললেন?
     

    এই বিষয়ে প্রকল্পের দেখভালের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী অজিত সাহা বলেন,”অনেকেই এসে জিজ্ঞাসা করে, কবে থেকে চালু হচ্ছে কর্মতীর্থ (Karma Tirtha) প্রকল্প। যেহেতু বিষয়টি আমাদের জানা নেই, সেই কারণে সঠিকভাবে বলতেও পারি না অনেক সময়। কিছুদিন আগে ইঞ্জিনিয়াররা এখানে এসে সবকিছু খতিয়ে দেখেছেন। কিন্তু তাঁদের মধ্যে কী কথাবার্তা হয়েছে, তা বলতে পারব না। যতদূর জানি, পুরো বিল্ডিংয়ের কাজ এখনও শেষ করা যায়নি। সেই কারণেই চালু করা যাচ্ছে না”।

    একই সুর চেয়ারম্যানের গলাতেও

    একই সুর শোনা গিয়েছে বারাসত পৌরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা অশনি মুখোপাধ্যায়ের গলাতেও। তাঁর কথায়, “প্রকল্পের বরাদ্দকৃত কিছু অর্থ এসে ফিরে যাওয়ায় কাজ শেষ করতে কিছুটা দেরি হয়েছে ঠিকই তবে আশা করছি, চার-পাঁচ মাসের মধ্যে প্রকল্পের দোকানঘর হস্তান্তর করতে পারব আমরা। ইতিমধ্যে সেই তালিকাও আমাদের তৈরি হয়ে গিয়েছে। প্রকল্পের (Karma Tirtha) কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়ে গেলেই তা চালু করা হবে”।

    সময় লাগবে আরও দু থেকে তিনমাস, জানালেন মহকুমাশাসক

    অন‍্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে বারাসতের মহকুমাশাসক সোমা সাউ বলেন, “এটি একটি পাইলট প্রজেক্ট। পৌরসভা এবং প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগেই এই প্রজেক্টের কাজ চলছে। দোকানঘর সম্পন্ন হয়ে গেলেও সেখানে দরজা, জানালা এবং বিদ্যুতের কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলো সম্পন্ন হতে আরও দু থেকে তিনমাস সময় লাগবে আমাদের। তারপরেই চালু করতে পারব এই কর্মতীর্থ (Karma Tirtha) প্রকল্প”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পঞ্চায়েত ভোটের মুখে তৃণমূলে গৃহযুদ্ধ তুঙ্গে, সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে বিধায়ককে তোপ উপপ্রধানের

    TMC: পঞ্চায়েত ভোটের মুখে তৃণমূলে গৃহযুদ্ধ তুঙ্গে, সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে বিধায়ককে তোপ উপপ্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসছে, তৃণমূলের (TMC) পূর্ব বর্ধমানের গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে ততই অস্বস্তিতে জেলা নেতৃত্ব। সোশ্যাল মিডিয়ায় ১৫ মিনিটের ওপর লাইভ করে পূর্বস্থলী পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পঙ্কজ গাঙ্গুলি এলাকার বিধায়ককে প্রকাশ্যে নানাভাবে আক্রমণ করেছেন। পঙ্কজ গাঙ্গুলি জানান, এরপর হয়তো তাঁকে গাঁজার কেস দিয়ে জেলে ঢোকাতেও পারেন বিধায়ক। পাশাপাশি তাঁর প্রাণহানির আশঙ্কাও করছেন। স্বাভাবিকভাবে সোশ্যাল মিডিয়াতে এইভাবে বিধায়কের বিরুদ্ধে উপপ্রধানের নানারকম বক্তব্য অস্বস্তিতে ফেলেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলকে।

    কেন এই বিতর্ক?

    গত কয়েকদিন ধরে পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রায়শই বিতর্ক দানা বাঁধছে পূর্বস্থলী পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পঙ্কজ গাঙ্গুলির। পূর্বস্থলী পঞ্চায়েতের বিভিন্ন কাজ বিনা টেন্ডারে পাইয়ে দেওয়া হয়েছে বলে বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় কালনা মহকুমাশাসকের কাছে অভিযোগ জানান। তারপর থেকেই এই বিতর্কের সৃষ্টি।

    কী বলেছেন তৃণমূলের উপপ্রধান?

    শুক্র এবং শনি, পরপর দুদিন ফেসবুক লাইভে আসার পর পঙ্কজ গাঙ্গুলি আজও ফেসবুক লাইভে এসে পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার বিধায়ক (TMC) তপন চট্টোপাধ্যায়ের নামে কুৎসা করেন। পাশাপাশি পঙ্কজ গাঙ্গুলি জানালেন, দুমাস আগে তাঁর সিকিউরিটি ছিল। সেগুলি পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করে তুলে নেন। ফলে যে কোনও সময় তাঁর ওপর আক্রমণ হতে পারে। তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলাটাও অস্বাভাবিক কিছু নয়।

    কী প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের জেলা সভাপতির?

    এই সমস্যার কথা জেলা সভাপতি (TMC) রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে জানাতে তিনি বলেন , উপপ্রধানের উচিত হয়নি সোশ্যাল মিডিয়ায় এরকম বক্তব্য রাখা। যদি কোনও বক্তব্য থাকে, তাহলে দলকে জানাতে পারতেন।

    আক্রমণে বিজেপি

    অপরদিকে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশে আসতেই আক্রমণ হেনেছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির কাটোয়া জেলা সভাপতি গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান, এটা নতুন কোনও ঘটনা নয়।। বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় আগে বিজেপির কর্মীদের বহুবার গাঁজার কেস দিয়ে জেলে দিয়েছে। এবার খোদ উপপ্রধানকে এই কেস দিলে দিতেও পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Road Block: রাজ্যে পানীয় জলের সমস্যা কী ভয়াবহ, রাস্তায় বেরিয়ে টের পেলেন মন্ত্রী, মুক্তি মিলল আশ্বাস দিয়ে

    Road Block: রাজ্যে পানীয় জলের সমস্যা কী ভয়াবহ, রাস্তায় বেরিয়ে টের পেলেন মন্ত্রী, মুক্তি মিলল আশ্বাস দিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগের কাবলে এলাকায় রাজ্য সড়ক অবরোধের (Road Block) জেরে আরামবাগ-কলকাতা রাজ্য সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেল। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ ওই রাস্তায় যানবাহনের লাইন পড়ে যায়। ওই সময় সেখান দিয়ে যাচ্ছিলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। অবরোধের জেরে আটকে পড়েন তিনিও।  

    কী দাবিতে গ্রামবাসীদের এই অবরোধ?

    অবরোধকারীদের অভিযোগ, হরিণখোলা ২ নং সুলতানপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছেন বাসিন্দারা। প্রায় ৩০০ টি পরিবারের ভরসা মাত্র একটি টিউওয়েল। এলাকায় রাস্তার কাজ হওয়ার সময় জলের পাইপলাইন নষ্ট হয়ে যায়। তারপর থেকে জলের সংকট আরও তীব্র হয়েছে বলে অভিযোগ। ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের ক্ষোভ, বারবার পঞ্চায়েত ও প্রশাসনিক দফতরে জানানোর পরেও কোনও কাজ হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই কাবলে এলাকায় রাজ্য সড়ক অবরোধ (Road Block) করেন গ্রামবাসীরা।

    কী আশ্বাস দিলেন পরিবহণমন্ত্রী?
     
    সেই অবরোধে আটকে পড়ে মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীর গাড়ি। তাঁকে ঘিরেও অভিযোগ জানাতে শুরু করেন অবরোধকারীরা। পরে মন্ত্রী দ্রুত সমস্যার সমাধান করার আশ্বাস দিলে অবরোধ (Road Block) ওঠে। ঘটনাস্থলে যায় আরামবাগ থানার পুলিশ। এ বিষয়ে রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী বলেন, জল সংকটের মুখে পড়েছে বলেই মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। তবে দ্রুত এই সমস্যা মেটানোর জন্য আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। আপাতত দুটো পাম্প বসিয়ে যাতে পানীয় জলের সমস্যা মেটানো যায়, সেই ব্যবস্থা করছি।

    বিজেপির বিধায়ক কী বললেন?

    বিজেপি রাজ্য সম্পাদক তথা পুরশুড়া বিধানসভার বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, সুলতানপুর এলাকাটি আমার পুরশুড়া বিধানসভা এলাকার মধ্যেই পড়ছে। এলাকার মানুষ আমাকে জানিয়েছিল, আমি গিয়েছিলাম। ওখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। আমার যেটা করণীয়, এমএলএ ল্যাডের টাকা দিয়ে আমি ওই এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা মেটানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরকে জানিয়েছি। কিন্তু এই রাজ্য সরকারের গাফিলতিতে ওই এলাকায় কাজটি এখনও হয়ে ওঠেনি। যার ফলে আজকে ওই বিক্ষোভ চলাকালীন মন্ত্রীর গাড়ি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে আটকে (Road Block) ছিল। সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। আর মন্ত্রী সেই অবরোধের মুখ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য মিথ্যে কথা ও নাটক করে গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share