Tag: Bengali news

Bengali news

  • Santipur: ‘১৯০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি, বন্ধ বার্ধক্যভাতা!’ অবস্থান-বিক্ষোভে সরব বিজেপি

    Santipur: ‘১৯০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি, বন্ধ বার্ধক্যভাতা!’ অবস্থান-বিক্ষোভে সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর নদিয়া জেলার শান্তিপুরে (Santipur) প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তৃণমূলের বিধায়ক, এমপি, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য, পঞ্চায়েত সদস্যরা আমন্ত্রিত রয়েছেন। কিন্তু, আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বিজেপির বিধায়ক, এমপি, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যদের কাউকেই। সোমবার দুপুরে এই অভিযোগ তুলে নদিয়ার ফুলিয়ার বিডিও অফিসে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

    ১৯০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি, বন্ধ বার্ধক্যভাতা! (Santipur)

    বিজেপির এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন নদিয়ার রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক তথা রানাঘাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও সামিল ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বরা। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখে শান্তিপুরে (Santipur) আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, সেখানে বিজেপির কোনও প্রশাসনিক কর্তা থেকে এমপি বিধায়কদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী এখানে প্রশাসনিক সভা করতে আসছেন না দলীয় কর্মসূচি করতে আসছেন। বিজেপি-র শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি চঞ্চল চক্রবর্তী বলেন,  ২০১৬ সালে শান্তিপুর-কালনার গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্রিজের জন্য বরাদ্দ হয় ১৯০০ কোটি টাকা। চাষিদের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহণ করা হলেও সেই ব্রিজ এখনও তৈরি হয়নি। ব্রিজের টাকা গেল কোথায়? আসলে ১৯০০ কোটি টাকা কেলেঙ্কারি করেছে তৃণমূল। সব টাকা তৃণমূল নেতাদের পকেটে ঢুকেছে। যাদের আগে পাটকাটির বাড়ি ছিল, তাঁদের এখন তিনতলা বাড়ি। এই ব্লকে ১৪ হাজার বার্ধক্য ভাতা বন্ধ রয়েছে, এই টাকা অবিলম্বে বরাদ্দ করতে হবে। আমাদেরকে প্রশাসনিক সভায় না ডাকার কারণ আমরা যদি এই সমস্ত অভিযোগ তুলে ধরি সেই ভয়ে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    নদিয়া জেলার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তপন সরকার কটাক্ষ করে বলেন, একটি ব্যস্ততম দফতরের সামনে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়ে নাটক করছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভাতে কাকে ডাকা হবে আর কাকে ডাকা হবে না তার সিদ্ধান্ত নেবে প্রশাসন। এখানে রাজনীতি টানা ঠিক নয়। ওরা এসব করে মানুষের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে। তাতে লাভ হবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ক্ষমতায় ফিরছে এনডিএ, ভবিষ্যদ্বাণী প্রশান্ত কিশোরের

    Lok Sabha Election 2024: ক্ষমতায় ফিরছে এনডিএ, ভবিষ্যদ্বাণী প্রশান্ত কিশোরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই মহাজোট ছেড়ে ফের এনডিএ-তে ফিরে গিয়েছেন নীতীশ কুমার। সকালে জোট ছেড়ে যাওয়া এবং বিকালে ফের এনডিএ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া। রবিবার নীতীশ কুমারের রাজনীতি নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী করতে শোনা গিয়েছিল ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরকে এবার সামনের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের ভবিষ্যদ্বাণী করলেন প্রশান্ত কিশোর। এক সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রশান্ত কিশোর জানান, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) বিজেপি ক্লিন স্যুইপ করবে। করবে অর্থাৎ এনডিএ জোট পুনরায় ক্ষমতায় ফিরবে বলে মনে করেন তিনি। বিভিন্ন সমীক্ষায় প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে আগামী লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া ঝড় বইতে (Lok Sabha Election 2024) চলেছে। তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় ফেরা মোদির সুনিশ্চিত। বিদেশি সংবাদ মাধ্যমগুলিও একই দাবি করেছে। এবার সেই সুরই শোনা গেল ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের গলায়।

    বিজেপির বিরোধী শিবিরে থাকা প্রশান্ত কিশোরও মেনে নিলেন বিজেপি তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরছে 

    প্রসঙ্গত, ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। বিগত কয়েক বছরে বিজেপি বিরোধী অবস্থানই নিয়েছেন তিনি। বিজেপি সরকারের সমালোচনার সুরও শোনা যায় তাঁর গলায়। এমন এক বিজেপি বিরোধী মানুষও মেনে নিলেন এনডিএ জোট বিপুল ভোটে জিততে (Lok Sabha Election 2024) চলেছে।  

    নীতীশ কুমার সম্পর্কে তাঁর মন্তব্য

     নীতীশ কুমার নিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, “তিনি (নীতীশ কুমার) তাঁর জীবনের শেষ ইনিংস খেলছেন।”  বিহারের আগামী বিধানসভা নির্বাচনে নীতীশের ফল ভালো হবে না বলেও জানান ভোট কুশলী। তিনি বলেন,  “নীতীশ কুমার আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ২০টির বেশি আসন পাবেন না, সেটা যে জোটের সঙ্গেই লড়াই করুন।” তাঁর এই ভবিষ্যদ্বাণী ভুল হবে না দাবি জানিয়ে পিকে-র বিস্ফোরক মন্তব্য, “যদিও ২০টির বেশি আসন পান, তাহলে আমি আমার কাজ ছেড়ে দেব।”

    আরও পড়ুুন: সরকারি অতিথি নিবাসে রাহুলের মধ্যাহ্নভোজে মমতার পুলিশের না

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: বেপাত্তা শাহজাহানের জামিনের আর্জি ইডি আদালতে, শুনানি আজ

    Sheikh Shahjahan: বেপাত্তা শাহজাহানের জামিনের আর্জি ইডি আদালতে, শুনানি আজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে ইডি অধিকারিকদের মাথা ফাটানোর ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা সেখানকার স্বঘোষিত বাঘ শেখ শাহজাহান। পরবর্তীকালে ইডির দল ফের একবার যায় শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে। ইডি দফতরের হাজিরা দিতে বলে, তখনই তাঁর বাড়িতে নোটিশ সাঁটিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সোমবার ২৯ জানুয়ারি ছিল সেই হাজিরার দিন। কিন্তু শেখ শাহজাহানকে ইডি অফিসের ধারে কাছে তো দূরের কথা প্রকাশ্যেই কোথাও দেখা যায়নি। ইডি অফিসে হাজিরা না দিলেও আগাম জামিনের আবেদন করেছেন শেখ শাহাজাহান। সোমবার ইডির বিশেষ আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী।

    আরও পড়ুুন: সরকারি অতিথি নিবাসে রাহুলের মধ্যাহ্নভোজে মমতার পুলিশের না

    শাহজাহানের আগাম জামিনের শুনানি আজ

    আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারি সেই আবেদনের শুনানি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বারবার বিরোধী নেতারা অভিযোগ জানিয়েছেন যে পুলিশই লুকিয়ে রেখেছে শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan)। অন্যদিকে, শাহজাহানের অডিও বার্তার এর মধ্যে ভেসে এসেছে। মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে সন্দেশখালিতে বিভিন্ন জায়গায় তাঁর অবস্থান মিলেছে। এত কিছু সত্ত্বেও তাঁকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়নি পুলিশ।

    শাহজাহানকে ক্লিনচিট দিলেন অভিষেক

    সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শেখ শাহজাহানের পাশেই দাঁড়ালেন দেখা গেল তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে। এর মাধ্যমে সন্দেশখালিতে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) কার্যকলাপে কার্যত সিলমোহর দিলেন তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, ‘‘শেখ শাহজাহান কী করেছে? যেদিন ঘটনা ঘটেছে, শেখ শাহজাহান ছিল বলে তো আমার জানা নেই। কিছু লোকের বিক্ষোভ আমি দেখতে পেয়েছি। আমি জানি না। তবে যে ঘটনা ঘটেছে, তা অনভিপ্রেত। এটা না ঘটলেই ভাল হত। যে ঘটনা সেদিন তাঁর বাড়ির বাইরে ঘটেছে, সেটা তো তদন্ত ছাড়া বলা যাবে না।’’

    আরও পড়ুন: পরীক্ষার্থীদের টেনশন কমাতে গুচ্ছ টিপস, ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় কী বললেন মোদি?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বারাকপুরকাণ্ডে মমতার পুলিশকে ‘হিংস্র নেকড়ে’-র সঙ্গে তুলনা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বারাকপুরকাণ্ডে মমতার পুলিশকে ‘হিংস্র নেকড়ে’-র সঙ্গে তুলনা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুরে বিজেপির আইন অমান্যকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা দেখা গেল। সোমবার বিজেপি কর্মীদের আন্দোলনকে দমন করতে পুলিশ ইটবৃষ্টি, জলকামান, কাঁদানে গ্যাসের শেল, লাঠিচার্জ সবকিছুই করে। বিজেপি কর্মীদের দিকে তেড়ে গিয়ে পুলিশ চড়-থাপ্পড়, লাথিও মারতে থাকে। ইতিমধ্যে পুলিশের এহেন আচরণকে কাঠগড়ায় তুলেছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এনিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পুলিশের ভূমিকাকে ‘হিংস্র নেকড়ে’-র সঙ্গে তুলনা করছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দুর আরও  অভিযোগ, ‘‘এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে খুঁজে খুঁজে, বেছে বেছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পেটানো হয়েছে। তৃণমূলের উদ্দেশে শুভেন্দুর বক্তব্য, ‘‘আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে এই ঘটনাগুলি ঘটানো হয়েছে। বিজেপি এর শেষ দেখে ছাড়বে।”

    কী বললেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘এই কর্মসূচিতে যা যা ঘটেছে, তা ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন। কোনও প্ররোচনা ছাড়াই হিংস্র নেকড়ের মতো পুলিশ শুধু জলকামান ব্যবহার করেই ক্ষান্ত হয়নি। জলকামানের পরে আমাদের কর্মী-সমর্থকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়, তখন এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে খুঁজে খুঁজে, বেছে বেছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের পেটানো হয়েছে। ২৫-৩০ জন আহত হয়েছেন। ৬ জনকে বারাকপুর হাসপাতাল থেকে কল্যাণী এইমসে স্থানান্তর করা হচ্ছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বারাকপুর বিজেপির ১৫ জন একনিষ্ঠ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি পুলিশের এই আচরণের নিন্দা করছি। যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করছি।’’

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে ১৫ নম্বর রেল গেটের সামনে থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেই মতো কর্মী-সমর্থকরা জমায়েত হন। সেখানে সুতলি বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে, পুলিশ এসে বোমা উদ্ধার করে নিয়ে যায়। সুকান্তর নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়। মিছিল আটকাতে পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি ব্যারিকেড করা হয়েছিল। রাস্তায় রাখা ছিল জলকামানও। প্রতিটি ব্যারিকেডে প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রথম ব্যারিকেড পেরিয়ে বিজেপি কর্মীরা দ্বিতীয় ব্যারিকেডে জমায়েত হন। বিজেপি কর্মীরা দ্বিতীয় ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এরপরই বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ ইট ছোড়ে বলে অভিযোগ। ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করতেই পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। বহু মহিলা কর্মীর ওপর লাঠিপেটা করা হয়। মিছিলের ওপর জলকামান চালানো হয়। সুকান্ত মজুমদারও জল কামানের জলে সম্পূর্ণ ভিজে যান। পুলিশি হামলা বিজেপি কর্মীরা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এরপর মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায়। বিজেপি-র কর্মসূচিকে পুলিশ বানচাল করে দেয় বলে বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ৩০/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ৩০/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) পেটের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন।

    বৃষ

    ১) বাড়তি ব্যবসায় ভাল লাভ হতে পারে।

    ২) নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    মিথুন

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসার জন্য বাড়তি অর্থ বিনিয়োগ প্রয়োজন। 

    কর্কট

    ১) বন্ধুদের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকা দরকার।

    ২) প্রতিবেশীর সঙ্গে বিবাদ।

    সিংহ

    ১) আয় ভাল থাকলেও অভাব সহজে দূর হবে না।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুবিবেচক ব্যক্তি হিসাবে উন্নতির যোগ। 

    কন্যা

    ১) মিথ্যা বদনাম রটতে পারে।

    ২) ব্যবসায় পরিশ্রম বৃদ্ধি পেলেও লাভ ভাল হবে। 

    তুলা

    ১) পিতামাতার সঙ্গে মতের অমিল হতে পারে।

    ২) চোখের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন। 

    বৃশ্চিক

    ১) নিজের বাকপটুতায় সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবেন।

    ২) জনহিতকর কাজে সুনাম পাবেন। 

    ধনু

    ১) সন্তানের জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কোনও অভিজ্ঞ ব্যক্তির সঙ্গে ধর্ম নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পাবেন। 

    মকর

    ১) শত্রুদের থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ২) বাড়তি খরচ হতে পারে।

    কুম্ভ

    ১) কোনও বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) মানসিক অস্থিরতার জন্য কোনও ভাল কাজ হাতছাড়া হতে পারে। 

    মীন

    ১) ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: সেচ দফতরের কড়া সমালোচনায় অর্জুন! তৃণমূলের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    Arjun Singh: সেচ দফতরের কড়া সমালোচনায় অর্জুন! তৃণমূলের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গা ভাঙনে সেচ দফতরের কাজ নিয়ে প্রকাশ্যে কড়া সমালোচনা করলেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh)। গারুলিয়া পুরসভার কাঙ্গালী ঘাট এলাকায় বেশ কয়েক বছর ধরে গঙ্গা ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে রাজ্য সরকারের সেচ দফতরের  পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ করে গঙ্গা বাঁধানোর কাজ চলছে। সেই কাজের অবস্থা খতিয়ে দেখতে সোমবার গারুলিয়াতে যান অর্জুন সিং। পাথরের বোল্ডার না দিয়ে শাল-বল্লা দিয়ে গঙ্গা ভাঙনের উদ্যোগ নেওয়ায় সেচ দফতরের কড়া সমালোচনা করেন অর্জুন সিং।

    ফের ভাঙনের আশঙ্কা করলেন অর্জুন (Arjun Singh)

    অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, গঙ্গা ভাঙন প্রতিরোধে বড় বড় বোল্ডার দিয়ে পার বাঁধানো উচিত। না হলে ভাঙন প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। শাল-বল্লা দিয়ে ভাঙ্গন মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। কারণ, এর আগে এভাবে  কাজ করা হলেও ফের ভাঙন হয়েছে সেই এলাকায়। দেড় কোটি টাকা খরচ করে অবৈজ্ঞানিকভাবে কাজ করছে সেচ দফতর। এতে ভাঙন মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। হুগলির চন্দননগরের উদাহরণ টেনে অর্জুন বলেন, ওই এলাকায় বোল্ডার দিয়ে কাজ করা হয়েছে বলে ভাঙন হয়নি। আর এই এলাকায় গঙ্গার পার কাঁচা বলে বার বার ভাঙন হচ্ছে। ঘটনা ক্রমে, রাজ্যের সেচ মন্ত্রী হচ্ছেন পার্থ ভৌমিক। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে ২০১৯ সালের পর থেকে পার্থ ভৌমিকের সঙ্গে অর্জুনের রাজনৈতিক কিছুটা দূরত্ব রয়েছে। অর্জুনের বিরুদ্ধে গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম, বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী। তাঁরা দুজনেই সেচমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এমনিতেই সোমনাথ-সুবোধের সঙ্গে অর্জুনের দ্বন্দ্ব বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই আবহে সেচ দফতরের কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করায় পার্থ এবং অর্জুনের দূরত্ব আরও বাড়ল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল ফের নতুন করে মাথাচাড়া দেবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: সরকারি অতিথি নিবাসে রাহুলের মধ্যাহ্নভোজে মমতার পুলিশের না

    Rahul Gandhi: সরকারি অতিথি নিবাসে রাহুলের মধ্যাহ্নভোজে মমতার পুলিশের না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তৃণমূলের সঙ্গে জোট করতে চাইলেও জোটের বিপক্ষে কংগ্রেসের নীচুতলার কর্মীরা। রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ন্যায় যাত্রা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মমতার পুলিশ ও প্রশাসনের বার বার হেনস্থা হয়ে কংগ্রেস নেতা কর্মীরা রীতিমতো ক্ষুব্ধ। সেই ক্ষোভের প্রকাশ ঘটল জলপাইগুড়ি জেলায় কংগ্রেসের এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশের কর্মসূচিতে। বাংলায় ইন্ডি জোট ঘেঁটে ঘ হয়ে গিয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মনে করছে।

    তৃণমূলের সঙ্গে জোটে আপত্তির কথা জানিয়ে দিলেন কংগ্রেস কর্মীরা

    রবিবার সকালে ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ কর্মসূচির আগে জলপাইগুড়ির কংগ্রেস অফিসে জয়রাম রমেশ সাংবাদিক বৈঠক করেন। এর কিছু আগে নীতীশ কুমার ‘ইন্ডি’ জোট ছেড়েছেন। এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে চলতি টানাপড়েন নিয়ে বলেন, “কখনও তৃণমূলের কেউ কোনও কথা বলে দেন, কখনও আমাদের দলের কেউ উত্তর দেন। কখনও আমাদের দলের কেউ বলেন, কখনও তৃণমূলের কেউ উত্তর দেন। গণতন্ত্রে এমনই চলে। ইন্ডি জোটে গণতন্ত্র আছে, এখানে একনায়কতন্ত্র নেই।” একই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একবারও বলেননি তিনি ইন্ডি জোটে নেই। আবার বলছি, মমতা ইন্ডি জোটের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।”কিন্তু জলপাইগুড়িতে স্থানীয় কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের মনোভাব ছিল এর উল্টো। সাংবাদিক বৈঠক শেষ হওয়ার আগেই জয়রামের পাশ থেকে উঠে যান জেলা কংগ্রেস সভাপতি পিনাকী সেনগুপ্ত। পরে জলপাইগুড়ি জেলা কংগ্রেসের সভাপতি পিনাকী সেনগুপ্ত বলেন, “এটা (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইন্ডিয় জোটের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ) কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মতামত হতে পারে। তবে নীচুতলার কংগ্রেস কর্মীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোনও দিন ক্ষমা করবে না।”

    স্থানীয় কংগ্রেস কর্মীরা কী বললেন?  

    কংগ্রেস কর্মীরা বলেন, একাধিক জায়গায় দলের ফ্লেক্স ছিড়ে দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় জয়রামের সঙ্গে একমত হতে পারছি আমরা। কারণ, গত ২৫ জানুয়ারি কোচবিহারে যখন রাহুলের (Rahul Gandhi) ‘ন্যায় যাত্রা’ ঢোকে, তখন থেকেই তৃণমূল নানাভাবে কংগ্রেসের বিরোধিতা করে আসছে। ‘বাংলায় বিজেপিকে আটকাতে দিদিই একাই যথেষ্ট’- এমন লেখা পোস্টার নিয়ে তৃণমূল কর্মীদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। ব্যানার ছেড়া, কালো পতাকা দেখানো।

     সরকারি অতিথি নিবাসে মধাহ্নভোজে অনুমতি পেল না রাহুল (Rahul Gandhi)

    কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদায় ৩১ জানুয়ারি রাহুলের (Rahul Gandhi) কর্মসূচি রয়েছে। সেই মতো ওইদিন রাহুলের রতুয়া সেচ দফতরের অতিথি নিবাসে মধ্যাহ্ন ভোজনের আয়োজন করেছিলেন কংগ্রেস কর্মীরা। কিন্তু, মমতার পুলিশ তার অনুমতি দেয়নি। মুর্শিদাবাদে ১ ফেব্রুয়ারি  কর্মসূচি রয়েছে রাহুলের। সেখানেও কংগ্রেস কর্মীদের রাতে থাকার জন্য বহরমপুর স্টেডিয়াম চাওয়া হয়েছিল। মমতার প্রশাসন তাতেও আপত্তি জানিয়েছে। স্বাভাবিকভাবে তৃণমূলের সঙ্গে ইন্ডি জোট নিয়ে কংগ্রেস কর্মীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha Election: ১৫টি রাজ্যের ৫৬টি রাজ্যসভার আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন

    Rajya Sabha Election: ১৫টি রাজ্যের ৫৬টি রাজ্যসভার আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পাঁচ আসন সহ ১৫টি রাজ্যের রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) মোট ৫৬টি আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। এই ৫৬টি আসনের বর্তমান সাংসদের মধ্যে ৫০ জনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২ এপ্রিলেই। বাকি ৬ জনের মেয়াদ শেষ হবে ৩ এপ্রিল। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মোট ৫টি রাজ্যসভার আসনে ভোটগ্রহণ হবে। এছাড়াও অন্ধ্রপ্রদেশের ৩, বিহারের ৬, ছত্তিশগড়ের ১, গুজরাতের ৪, হরিয়ানার ১, হিমাচল প্রদেশের ১, কর্নাটকের ৪, মধ্যপ্রদেশের ৫, মহারাষ্ট্রের ৬, তেলঙ্গানার ৩, উত্তরপ্রদেশের ১০, উত্তরাখণ্ডের ১, ওড়িশার ৩ এবং রাজস্থানের ৩ আসনে ভোট হবে এই দফায়।

    নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তিতে কী জানালো (Rajya Sabha Election) ?

    নির্বাচন কমিশন সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাজ্যসভার (Rajya Sabha Electoin) শূন্য হতে চলা আসনগুলির জন্য ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ১৬ ফেব্রুয়ারি জমা পড়া মনোনয়নপত্রগুলিকে পরীক্ষা করে দেখা হবে এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন ২০ ফেব্রুয়ারি। এরপর ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা ও ফলপ্রকাশ করা হবে। বাংলার ক্ষেত্রে রাজ্যসভার যে ৫ টি আসনের সাংসদদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে , তাঁরা হলেন নাদিমুল হক, আবিররঞ্জন বিশ্বাস, সুভাশিষ চক্রবর্তী, শান্তনু সেন ও অভিষেক মনু সিংহভি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, ৪টি আসনের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়ায় রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) প্রার্থী ঘোষণা করা হতে পারে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার নিরিখে তৃণমূলের ৪ প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। পঞ্চম আসনটি নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা রয়েছে। গতবার ওই আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে বিজয়ী হয়েছিলেন অভিষেক মনু সিংভি। এবার প্রধান বিরোধী দল বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা বাড়ায় তারা পঞ্চম আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিধানসভার সাপেক্ষে জয় কতটা নিশ্চিত?

    বিধানসভা সূত্রের খবর, বর্তমানে খাতায়কলমে তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা ২১৬। এছাড়া অন্য দল থেকে আসা বিধায়ক মিলিয়ে সেই সংখ্যা ২২৫। সেক্ষেত্রে বিধায়কের সংখ্যার নিরিখে রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) চারটি আসনে তৃণমূল প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। রাজ্যে বিজেপির যেহেতু ৬৭ জন বিধায়ক রয়েছে তাই একটি আসন বিজেপি প্রার্থী দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই প্রশ্ন উঠছে অভিষেক মনু সিংভিকে নিয়ে। গতবার কংগ্রেসের প্রার্থী সিংভিকে সমর্থন জানিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে কংগ্রেস ফের তাঁকে প্রার্থী করবে কিনা বা সেক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেস কী অবস্থান নেবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    কংগ্রেসকে কী ভোট দেবে তৃণমূল?

    লোকসভা ভোটের আসন ভাগাভাগি নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি প্রদেশ কংগ্রেস। তৃণমূল ইতিমধ্যে দুটি আসন ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে। আসন ভাগাভাগি নিয়ে প্রদেশ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলতে রাজ্যে এসেছিল এআইসিসি প্রতিনিধি দল। অবশ্য বঙ্গ কংগ্রেস জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেসে বাঁচিয়ে রাখতে হলে শাসকদলের হাত ধরলে চলবে না। তাই লোকসভা ভোটে যদি তৃণমূলের হাত না ধরে কংগ্রেস, তবে তার প্রভাব রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) ভোটে পড়তে পারে। যদিও অভিষেক মনু সিংভির সঙ্গে তৃণমূলের সস্পর্ক ভালো। আইনজীবী সিংভি তৃণমূল হয়ে মামলাও লড়েন। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠাতে গররাজি হবে না দল। আবার দলের একাংশের মতে, অন্য দলের প্রার্থীকে সমর্থন না করে নিজের প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amitabh Bachchan: এই বয়সে অমিতাভ বচ্চন হঠাৎ রেখার সঙ্গে তোলা ছবি শেয়ার করলেন কেন?

    Amitabh Bachchan: এই বয়সে অমিতাভ বচ্চন হঠাৎ রেখার সঙ্গে তোলা ছবি শেয়ার করলেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে অষ্টাদশ শতাব্দী ও নব্বইয়ের দশকে সব থেকে চর্চিত জুটি অমিতাভ বচ্চন এবং রেখা। বর্তমানে যে চর্চা কমেছে, তা নয়। হামেশাই বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন মত বর্তমান এই জুটিকে নিয়ে। এক সময় বলিউডের স্বর্ণযুগের সেরা জুটি হিসেবে পরিচিত ছিলেন অমিতাভ (Amitabh Bachchan) ও রেখা। চর্চার বিষয় কতটা সঠিক কতটা ভুল, তা অমিতাভের স্ত্রী জয়া বচ্চনের অনেক আচরণ বারবার মানুষকে বুঝিয়ে দিয়ে গেছে, কিছুটা হলেও চর্চার বিষয়বস্তু সত্য। আবার অনেক ক্ষেত্রেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে জয়া বচ্চন এবং রেখাকে একসঙ্গে কথা বলতেও দেখা গিয়েছে। এবার ৮১ বছর বয়সে অমিতাভ বচ্চন হঠাৎ শেয়ার করলেন রেখার সঙ্গে তোলা একটি ছবি। এরপর থেকে বর্তমান সময় দাঁড়িয়ে আবার তাঁদেরকে নিয়ে নতুন চর্চায় মেতেছে ভক্তবৃন্দ ও নেটিজেনরা।

    কী ছবি শেয়ার করেছেন তিনি? কী লিখেছেন সেখানে? (Amitabh Bachchan)

    বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে অমিতাভ এবং রেখাকে একসঙ্গে দেখা যায় না। কিন্তু অমিতাভ (Amitabh Bachchan) ৮১ বছর বয়সে তাঁর ব্লগে রেখার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেছেন। শুধু তাই নয়, ব্লগের ওপরে তিনি লিখেছেন “এর পিছনে থাকা ইতিহাস কম নয়।” আর ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে মাইক হাতে দাঁড়িয়ে আছেন অমিতাভ বচ্চন এবং পাশে দাঁড়িয়ে আছেন রেখা। এছাড়াও তিনি আরেকটি ছবির সাথে ক্যাপশনে লিখেছেন “আহ… এই ছবির নেপথ্যে একটা বিরাট গল্প রয়েছে। একদিন নিশ্চয়ই আপনাদের সঙ্গে সেটি ভাগ করে নেব।” ছবি থেকে বোঝা যায়, ‘ভুলে বিসরে নগমে’ নামক এক মিউজিক্যাল শো-এর ফাঁকে এই ছবিটি তোলা হয়। ছবিতে আরও দেখা যায় ফিট সাদা ব্লেজার আর প্যান্টে বিগ বি। আর কালো শাড়িতে রেখা।

    কখন শেয়ার করলেন এই ছবি? (Amitabh Bachchan)

    রাম মন্দিরের রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে সেখানে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই অমিতাভ তাঁর ইনস্টাগ্রাম ব্লগে এই ছবিটি শেয়ার করেছেন। যা অনেককেই অবাক করেছে। এছাড়াও তিনি হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো একটি মুহূর্তের ছবিও তিনি (Amitabh Bachchan) ব্লগে তুলে ধরেছেন। সেই ছবিতে বন্ধুদের তালিকায় রয়েছেন বিনোদ খান্না, রাজ কাপুর, রনধীর কাপুর, মেহমুদ, কল্যাণ, শাম্মী কাপুর, রেখা প্রমুখ। বলতে গেলে একপ্রকার স্মৃতিচারণের উদ্দেশ্যেই এমন ছবি শেয়ার করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সুকান্তর মিছিলে পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্জ, ফাটানো হল কাঁদানে গ্যাসের সেল

    Sukanta Majumdar: সুকান্তর মিছিলে পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্জ, ফাটানো হল কাঁদানে গ্যাসের সেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে আইন অমান্য কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল বারাকপুর। মূলত, বিজেপি-র পক্ষ থেকে সোমবার দুপুরে বারাকপুর পুলিশ কমিশনার অফিস ঘেরাও করার ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেই কর্মসূচি শুরুর আগে মিলল বোমা। যা নিয়ে মিছিলের শুরুতে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে, মিছিলে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। বিজেপি কর্মীদের ওপর পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান চালানো হয়। পুলিশই প্রথম বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়ে বলে অভিযোগ। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়। বহু বিজেপি কর্মী জখম হয়। জখম হয়েছেন পুলিশ কর্মীও।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে ১৫ নম্বর রেল গেটের সামনে থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেই মতো কর্মী সমর্থকরা জমায়েত হন। সেখানে সুতলি বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে, পুলিশ এসে বোমা উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পরে, সুকান্তর (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়। মিছিল আটকাতে পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি ব্যারিকেড করা হয়েছিল। রাস্তায় রাখা ছিল জল কামানও। প্রতিটি ব্যারিকেডে প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রথম ব্যারিকেড পেরিয়ে বিজেপি কর্মীরা দ্বিতীয় ব্যারিকেডে জমায়েত হন। বিজেপি কর্মীরা দ্বিতীয় ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এরপরই বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ ইট ছোঁড়ে বলে অভিযোগ। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়। ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করতেই পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। বহু মহিলা কর্মীর ওপর লাঠিপেটা করা হয়। মিছিলের ওপর জলকামান চালানো হয়। সুকান্ত মজুমদারও জল কামানের জলে সম্পূর্ণ ভিজে যান। পুলিশি হামলা বিজেপি কর্মীরা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এরপর মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায়। বিজেপি-র কর্মসূচিকে পুলিশ বানচাল করে দেয় বলে বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ।

    পুলিশি নির্যাতন নিয়ে মুখ খুললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল যাচ্ছিল। সেখানে আমাদের দলীয় কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ ইড ছোঁড়ে। এরপরই কর্মীরা প্রতিবাদ করলে গন্ডগোল লাগে। পুলিশ পরিকল্পিতভাবে এসব করেছে। অন্য জায়গায় পুলিশ ভয়ে টেবিলের তলায় লুকায়। আর এখানে পুলিশ নিজের ক্ষমতা দেখাচ্ছে। আমরা সমস্ত স্তরে জানিয়েছি। আমাদের বহু কর্মী জখম হয়েছে। অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পারছে না, অথচ আমাদের বহু কর্মীকে ওরা গ্রেফতার করেছে। পুলিশের প্ররোচনাতেই সব হয়েছে। এই ঘটনার আমি তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। পুলিশ নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ আন্দোলনে নামব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share