Tag: Bengali news

Bengali news

  • BJP: আজকেও চলবে ৩ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বাছাই পর্ব, পর্যবেক্ষক নিয়োগ করবে গেরুয়া শিবির

    BJP: আজকেও চলবে ৩ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বাছাই পর্ব, পর্যবেক্ষক নিয়োগ করবে গেরুয়া শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নাম বাছাইয়ের পর্ব আজকেও চালাবে বিজেপি (BJP)। জানা গিয়েছে, এরই মধ্যে তিনটি রাজ্যে গেরুয়া শিবির পর্যবেক্ষক নিয়োগ করবে, যাতে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তিম পর্যায়ে নাম বাছাই করা যেতে পারে। রাজস্থান, ছত্তিসগড় এবং মধ্যপ্রদেশে একাধিক নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। কোনও রাজ্যতেই বিজেপি (BJP) আগে থেকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীর নাম ঘোষণা করে লড়াইয়ে নামে না, এটা বিজেপির রীতি নয়।

    ছত্তিসগড় ও মধ্যপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে কারা

    জানা গিয়েছে, তিন রাজ্যে যে পর্যবেক্ষকদের নিয়োগ করা হবে, তাঁরা নির্বাচিত বিধায়ক দলের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। সেখান থেকেই আলোচনার মাধ্যমে উঠে আসবে মুখ্যমন্ত্রীর নাম। তিন রাজ্যের বিধানসভা ভোটেই বিপুল জয় পেয়েছে গেরুয়া শিবির। গত ৩ ডিসেম্বর ফলাফল প্রকাশ হতেই দেখা যায় রাজস্থান এবং ছত্তিসগড়কে কংগ্রেসের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি (BJP)। এর পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশেও বেড়েছে জয়ের ব্যবধান। মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে শিবরাজ সিং চৌহানের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি সেখানে নাম রয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ প্যাটেল, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ও নরেন্দ্র সিং তোমরের। ছত্তিসগড় রাজ্যের ক্ষেত্রে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংয়ের নাম যেমন রয়েছে তেমনই বিজেপির রাজ্য সভাপতি অরুন কুমার সাউ, বিরোধী দলনেতা ধর্মলাল কৌশিক, প্রাক্তন আইএএস অফিসার ওপি চৌধুরীর নামও সেখানে রয়েছে।

    বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া দেখা করলেন জেপি নাড্ডার সঙ্গে

    অন্যদিকে, রাজস্থানের ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া। এদিনই দিল্লিতে বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া এবং তাঁর ছেলে দুষ্মন্ত সিং বিজেপির (BJP) সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করেন। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী পদে নাম রয়েছে সাংসদ দিয়া কুমারী, সাংসদ মহন্ত বালকনাথ যোগী, রাজ্যবন্ধন সিং রাঠোরের। দৌড়ে রয়েছেন তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত, অশ্বিনী বৈষ্ণব, অর্জুন রাম মেঘওয়াল। এর পাশাপাশি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার নামও রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শুক্রবার ০৮/১২/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শুক্রবার ০৮/১২/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কাজের ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে।

    ২) সামাজিক সম্মান পাবেন।

    বৃষ

    ১) গান-বাজনার প্রতি আগ্রহ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আত্মীয়কে নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    মিথুন

    ১) রক্তচাপের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) অশান্তির থেকে দূরে থাকুন।

    কর্কট

    ১) চিকিৎসার খরচ বাড়তে পারে।

    ২) সঙ্গীতে সাফল্য পেতে পারেন।

    সিংহ

    ১) গাড়ি একটু সাবধানে চালান।

    ২) অর্শ-জাতীয় রোগ বাড়তে পারে। 

    কন্যা

    ১) খারাপ সঙ্গ থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

    তুলা

    ১) সকাল থেকে বাতের যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) কাজের ব্যাপারে খুব ভাল যোগাযোগ হতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) ভ্রমণের জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) উঁচু স্থান থেকে পড়ে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) বাড়িতে চুরির সম্ভাবনা, সাবধান থাকুন। 

    ২) দাম্পত্য কলহ নিয়ে যন্ত্রণা।

    মকর

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ আসতে পারে।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) শরীরে কষ্ট হওয়ার জন্য কাজের সময় নষ্ট।

    মীন

    ১) ব্যয় অতিরিক্ত পরিমাণে বাড়তে পারে।

    ২) দুর্ঘটনা থেকে সাবধান থাকা দরকার।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: বরফের চাদরে ঢাকল দার্জিলিং, উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা

    Darjeeling: বরফের চাদরে ঢাকল দার্জিলিং, উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) সান্দাকফুতে অকাল তুষারপাত। আর এতে  বড়দিনের পর্যটন ব্যবসায় বিরাট লাভের আশায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার সান্দাকফুতে বরফ পড়ায় পাহাড় সহ লাগোয়া এলাকায় প্রবল ঠান্ডা নেমে এসেছে। বরফে ঢেকেছে সান্দাকফু। সান্দাকফুতে তুষারপাত হতেই উল্লসিত পর্যটকরা। এই মুহূর্তে ভিড়ে ঠাসা দার্জিলিং। মরসুমের প্রথম তুষারপাত উপভোগ করতে অনেকেই দার্জিলিং থেকে সান্দাকফুতে চলে যান। প্রথম তুষারপাতের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পর্যটকের ভিড় আরও বাড়বে বলে আশা করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। যে আবহাওয়া রয়েছে তাতে রাতের দিকে আরও তুষারপাত হতে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদরা।

    আশায় বুক বাঁধছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা (Darjeeling)

    মরসুমের প্রথম বরফ পড়াকে ঘিরে আশায় বুক বেঁধেছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। সিকিমের লেক বিপর্যয়ের কারণে পুজোর পর্যটনের ধাক্কা লেগেছিল। এদিনের অপ্রত্যাশিত তুষারপাত বড়দিনের পর্যটনে ব্যাপক সাড়া জাগাবে বলে জানান ট্যুর অপারেটর সম্রাট সান্যাল। তিনি বলেন, সাধারণত এত আগে দার্জিলিং (Darjeeling) পাহাড়ে বরফ পড়ে না। এবার অসময়ের এই তুষারপাত বড়দিনের আগেই দার্জিলিংয়ে পর্যটকের ঢল নামাবে। বরফ দেখতে বহু পর্যটক এর মধ্যেই আসতে শুরু করবে। আমাদের আশা, পুজোর পর্যটনে যে ধাক্কা লেগেছিল বড়দিনের পর্যটনে অনেকটাই পুষিয়ে নেওয়া যাবে। এই আশায় বুক পাচ্ছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

    সকাল থেকেই ইঙ্গিত ছিল তুষারপাতের

    এই সময়ে বরফ পড়ার ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না। যদিও কিছুদিন আগে সিকিমের বরফ পড়েছিল। তবে, দার্জিলিং (Darjeeling) জেলায় এদিন মরসুমের প্রথম বরফ পড়ায় সমতলে তাপমাত্রা নামতে শুরু করেছে। ঘূর্ণাবর্তের জেরে অনেক জেলাতেই শুরু হয়েছে বৃষ্টিপাত। বিকেল থেকে পাহাড়েও কিছু জায়গায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এদিন সকাল থেকেই সমতলে মেঘলা আকাশের সঙ্গে হিমেল হাওয়া ছিল। সন্ধ্যার দিকে কিছুক্ষণ ঝিরঝিরে বৃষ্টি শুরু হয়। এদিন পাহাড়ে বরফ পড়ায় সর্বত্র খুশির হাওয়া।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “স্টেট স্পনসর্ড ওয়েডিং”! মমতার ভাইপোর বিয়ে নিয়ে ট্যুইটে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “স্টেট স্পনসর্ড ওয়েডিং”! মমতার ভাইপোর বিয়ে নিয়ে ট্যুইটে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠান সূত্রে মুখ্যমন্ত্রী দার্জিলিংয়ে রয়েছেন। আর এই বিয়ে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি টুইট করে এই বিয়ের অনুষ্ঠানকে স্টেট স্পনসরড বিয়ে বলে তীব্র কটাক্ষ করেছেন।

    সিকিমের লেক বিপর্যয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দেখা মেলেনি, তোপ রাজু বিস্তার

    ভাইপোর বিয়ে উপলক্ষে বুধবার বিকেলে কার্শিয়াং পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোট চারদিন তাঁর পাহাড়ে থাকার কথা। বৃহস্পতিবার সকালে  কার্শিয়াং ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। হঠাৎই তিনি একটি চা বাগানে গিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কিছুক্ষণ চা পাতা তোলার চেষ্টা করেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই পাতা তোলা নিয়েই সরব হয়েছেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ। বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব ভুলে পর্যটকের মতো পাহাড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কার্শিয়াঙে একজন পর্যটকের মতো সময় কাটাচ্ছেন। গত ৪ অক্টোবর সিকিমের লেক বিপর্যয়ে তিস্তায় প্রবল জলোচ্ছাস দেখা দেয়। তাতে দার্জিলিং ও কালিম্পং এলাকায় বিপুল ক্ষতি হয়েছে। ৫০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একজন সরকারিভাবেই মারা গিয়েছেন। ১১ জন এখনও নিখোঁজ। সেই বিপর্যয়ে মুখ্যমন্ত্রী। পদধূলি পাহাড়ে পড়েনি। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য তিনি কোনও উদ্যোগও নেননি।  মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিপর্যস্ত পাহাড়বাসীর পাশে এসে তাঁর দাঁড়ানো উচিত ছিল। সেখানে তিনি এখন পারিবারিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে পাহাড়ে এসে পর্যটকদের মত চা বাগানে গিয়ে পাতা তুলছেন। বিজেপি সাংসদের পাশাপাশি ভাইপোর বিয়ে নিয়ে বিরোধী দলনেতাও (Suvendu Adhikari) তীব্র কটাক্ষ করেছেন।

    [tw]


    [/tw]

     মুখ্যমন্ত্রীর চা পাতা তোলা নিয়ে কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    রাজু বিস্তা বলেন, এদিন চা শ্রমিকদের  আপনজন প্রমাণের তাগিদে তাদের সঙ্গে পাতা তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন চা পাতা তুলে মুখ্যমন্ত্রী বুঝতে পেরেছেন কত কষ্টকর কাজ করেন চা শ্রমিকরা। সেই কাজে তারা ন্যায্য বেতন, সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সামান্য বেতনে কষ্টের মধ্যেই সংসার চালাচ্ছে চা শ্রমিকরা। আশা করবো সেই কষ্ট লাঘবের জন্য তিনি উদ্যোগ নেবেন। যদি চা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা তিনি করেন তাহলেই সার্থক হবে তাঁর এই কর্মকাণ্ড।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: তৃণমূলের পুরসভার বিরুদ্ধে আন্দোলন দলেরই শ্রমিক সংগঠনের, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Raiganj: তৃণমূলের পুরসভার বিরুদ্ধে আন্দোলন দলেরই শ্রমিক সংগঠনের, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বিরুদ্ধে সাধারণত বিরোধী সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্দোলন করা হয়। এবার সেই পুরসভার বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভ খোদ তৃণমূল পরিচালিত কর্মচারী সংগঠনের। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ (Raiganj) পুরসভায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Raiganj)

    বৃহস্পতিবার বকেয়া বেতন প্রদান, অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়া পেনশন সহ একাধিক দাবিতে কর্মবিরতির পাশাপাশি অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হন তৃণমূল পরিচালিত পুর কর্মচারী সংগঠনের নেতৃত্বে পুর কর্মচারীরা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে বকেয়া টাকা না মেটালে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামবে। এই আন্দোলনের জেরে ব্যাহত হয়েছে পৌর পরিষেবা। সাধারণ মানুষ বিভিন্ন কাজে পুরসভায় গিয়ে ঘুরে আসতে হচ্ছে।  তৃণমূল শ্রমিক সংগঠন পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ পৌরকর্মচারী ফেডারেশনের রায়গঞ্জ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক শম্ভু ঘোষ বলেন,  মূলত চার দফা দাবিতে এই আন্দোলনে শামিল হয়েছে।  অস্থায়ী পুর কর্মীদের দু মাসের বকেয়া বেতন, অবসরপ্রাপ্ত পুর কর্মচারীদের তিন মাসের বকেয়া পেনশন, পুর (Raiganj) প্রশাসকের কথামতো বাকি অর্ধেক বোনাস প্রদান ও পুর কর্মচারীদের বকেয়া গ্রাচুইটির টাকার দাবিতে আমরা এই কর্ম বিরতি ও অবস্থান-বিক্ষোভ আন্দোলনে করছি। অতি দ্রুত এই বকেয়া টাকা না মেটানো হলে আমরা এই আন্দোলন চালিয়ে যাব।

    তৃণমূল কর্মচারীদের এই আন্দোলনকে সমর্থন করেছে কংগ্রেস

    তৃণমূল কর্মচারীদের এই আন্দোলনকে সমর্থন করেছে কংগ্রেস পরিচালিত শ্রমিক কর্মচারী সংগঠন আইএনটিইউসি। উত্তর দিনাজপুর জেলার কংগ্রেস পরিচালিত শ্রমিক কর্মচারী সংগঠনের  সম্পাদক অসীম কুমার ভৌমিক বলেন, তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পরে রাজ্যটাকে যেভাবে শেষ করে দিয়েছে, তেমনি রায়গঞ্জ (Raiganj) পুরসভা যখন থেকে তৃণমূলের দখলে গেছে তবে থেকে এই পুরসভার মান তলানিতে এসে ঠেকেছে। আমরা কর্মচারীদের স্বার্থে কাজ করি। তাই কর্মচারীদের এই দাবিকে সমর্থন করে এই আন্দোলনের পাশে আমরা আছি।

    রায়গঞ্জ (Raiganj) পুরসভার পুর প্রশাসক কী বললেন?

    এ ঘটনায় রায়গঞ্জ পুরসভার পুর প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, এটা কোনও কোন্দল নয়। দাবিদাওয়ার বিষয়টি আমাদের কাছে জানিয়েছে। কর্মীদের স্বার্থে তাঁরা আন্দোলন করছে। খুব শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: শীত পড়তেই বাড়ছে নলেন গুড়ের চাহিদা, জীবিকার টানে জেলায় জেলায় ব্যস্ত ‘শিউলি’রা

    Birbhum: শীত পড়তেই বাড়ছে নলেন গুড়ের চাহিদা, জীবিকার টানে জেলায় জেলায় ব্যস্ত ‘শিউলি’রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরের হিমেল হাওয়া ও হালকা কুয়াশায় দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ। আর শীতের আগমনের সঙ্গে লাফিয়ে কদর বেড়েছে খেজুর গাছের। কারণ এই মরশুমে গাছ থেকে সংগ্রহ করা হয় খেজুরের রস। বীরভূম জেলার (Birbhum) রামপুরহাট, মল্লারপুর, তারাপীঠ, বনহাট-সহ বিভিন্ন প্রান্তে চলছে খেজুর গাছ কেটে রস সংগ্রহ করার কাজ৷ এরপর সেই রস থেকে তৈরি হচ্ছে গুড়।

    ব্যস্ত এক শ্রেণির মানুষ (Birbhum)

    শীতের আবহে গ্রাম বাংলার অতি প্রিয় খাবার হরেক রকমের পিঠে ও পায়েস। ঘরে ঘরে খেজুর গুড় দিয়ে তৈরি হয় সেগুলি। তাই লক্ষ্মীলাভের আশায় এখন থেকেই খেজুরের রস সংগ্রহ করে গুড় তৈরিতে ব্যস্ত এক শ্রেণির মানুষ (Birbhum)। খেজুর গাছের রস ফুটিয়ে তৈরি হয় নলেন গুড় থেকে ঝোলা গুড় কিংবা পাটালিও। বীরভূম জেলায় এঁরা মূলত এসেছেন নদিয়া থেকে। টানা কয়েক মাস খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধা থেকে শুরু করে রস সংগ্রহ করা এবং তা জ্বাল দিয়ে গুড় বানানো পর্যন্ত পুরো কাজটাই এঁরা করে থাকেন। এঁরা পরিচিত ‘শিউলি’ নামে। নিজেদের পরিচিত জায়গায় যেমন গুড় বিক্রি হয়, পাশাপাশি কলকাতা বা দূরের জেলা থেকেও ক্রেতারা আসেন।

    নলেন গুড়ের চাহিদা বৃদ্ধি 

    শীতের মরশুম শুরু হতেই বাড়ছে নলেন গুড়ের চাহিদা। তবে নলেন গুড় হাতে পেতে সময় আছে বলে দাবি শিউলিদের। তার আগেই বাজার ছেয়েছে নকল নলেন গুড়ে। কিন্তু এই গুড়ে চিনি মেশানো থাকায় তা বেশিদিন স্থায়ী হয় না বলে জানাচ্ছেন শিউলিরা। বীরভূমের (Birbhum) শিউলি যুব্বার আলি মণ্ডল বলেন, “আমি ২০ বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। সাধারণত শীতের মরশুম শুরু হতেই নলেন গুড়ের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সেটা অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেকটাই কম। কারণ এখন সেই ভাবে শীতকালের দেখা মেলেনি বীরভূমে। তাই ঠিক ভাবে গুড় তৈরি হচ্ছে না। তবে আগামী দিনে বিক্রি ভালো হবে বলে আশাবাদী।

    তিনি আরও জানান, মাত্র চার মাস তাঁরা এখানে থাকবেন। সব কিছু বাদ দিয়ে চার মাসে তাঁদের আয় আনুমানিক প্রায় দুই লক্ষ টাকা। চার মাস পর যখন শীতের আমেজ আস্তে আস্তে হারিয়ে যেতে থাকবে, তখন তাঁরা বীরভূম (Birbhum) ছেড়ে নদিয়াতে নিজের জেলায় ফিরে গিয়ে ডাব বিক্রি করবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Krishna Nagar: উদ্বোধন করেই দায় শেষ মুখ্যমন্ত্রীর ! কৃষ্ণনগরের কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাল জানেন?

    Krishna Nagar: উদ্বোধন করেই দায় শেষ মুখ্যমন্ত্রীর ! কৃষ্ণনগরের কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকঢোল পিটিয়ে ঘটা করে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে (Krishna Nagar) কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই জেলার ছাত্রীদের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় চালু করা হয়েছিল। কিন্তু, গত তিন বছরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও পরিকাঠামো তৈরি করা হয়নি। ফলে, মুখ্যমন্ত্রী স্বপ্নের কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীর সংখ্যা ক্রমশ কমছে।

    কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের কী অবস্থা? (Krishna Nagar)

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হয়। নিজস্ব ভবন না-থাকায় প্রথমে কৃষ্ণনগর (Krishna Nagar) উইমেন্স কলেজে এর ক্লাস হচ্ছিল। বছর খানেক পরে কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলের নতুন ভবনে ক্লাস শুরু হয়। কৃষ্ণনগর সরকারি মহাবিদ্যালয়ের প্রিন্সিপ্যালের আবাসনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। ফলে,  কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবন নেই। কোনও স্থায়ী অধ্যাপক বা শিক্ষক নেই। স্থায়ী উপাচার্যও নেই। তিন বছর পেরিয়েও এমনই হাল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। ছাত্রী সংখ্যা কমছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। কর্মীদের অনেকেই মনে করছেন, পরিকাঠামোর অভাব দেখেও অনেক ছাত্রী এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার উৎসাহ হারাচ্ছেন। বরং তাঁরা চলে যাচ্ছেন নিকটবর্তী বর্ধমান বা কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০টি বিষয়ে মোট আসন ৪৬০টি। এ বছর ভর্তি হয়েছেন ৩৪৩ জন। যেখানে গত বছর ভর্তি হয়েছিলেন ৪৩৭ জন।

    কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনও ভবন নেই?

    প্রশাসন সূত্রে খবর, কৃষ্ণনগরে (Krishna Nagar) এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন তৈরির জন্য প্রায় ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। তবে সেই টাকা পূর্ত দফতরের হাতে আসেনি। ফলে ভবন তৈরির কাজ বিশ বাঁও জলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ জন শিক্ষাকর্মী। সকলেই অস্থায়ী। ১৪৪ জন অতিথি অধ্যাপক। কোনও স্থায়ী অধ্যাপক নেই। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হয়েছেন কাজল দে। তিনি বর্তমানে ডায়মন্ডহারবার উইমেন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। তাঁকে কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে তিনিও নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে পারেন না। এ ছাড়া ফিনান্স অফিসার, কন্ট্রোলার, রেজিস্ট্রার- সকলেই অবসরপ্রাপ্ত। তাঁদের নতুন করে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁদের সকলে আবার নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে পারেন না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Agriculture: জেলায় জেলায় মাঠ জুড়ে পাকা ধান, অকাল বৃষ্টিতে কপাল চাপড়াচ্ছেন চাষিরা

    Agriculture: জেলায় জেলায় মাঠ জুড়ে পাকা ধান, অকাল বৃষ্টিতে কপাল চাপড়াচ্ছেন চাষিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে টানা বৃষ্টি। এর ফলে চিন্তায় পড়েছেন চাষিরা। কারণ, ধান কাটা শুরু হলেও সেই ধান মাঠেই পড়ে আছে। মাঠের পর মাঠ জুড়ে শুধুই পাকা ধান। এদিকে বৃষ্টির জেরে সেই ধান নষ্টও হচ্ছে (Agriculture)। ফলে আবহাওয়ার এই আচমকা পরিবর্তন চাষিদের ক্ষেত্রে চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে। কীভাবে এই পরিস্থিতি থেকে তাঁরা বেরতে পারবেন, তা কারোরই জানা নেই। সরকারের দিক থেকেও এখনও পর্যন্ত কোনও আশার আলো দেখানো হয়নি।

    জেলায় জেলায় হাহাকার (Agriculture)

    পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলীর চাষি নিখিল ঘোষ বলেন, আমার আড়াই বিঘে জমি আছে। ধান কাটা অবস্থায় জমিতেই পড়ে আছে। বৃষ্টির কারণে ধান তুলতে পারছি না। দিনের পর দিন সারের দাম, শ্রমিকদের মজুরি ইত্যাদির খরচ বাড়ছে। ট্রাক্টরের খরচও বেশি। কিন্তু ধানের দাম পাচ্ছি না। এই অবস্থায় যদি ধান ঘরে তুলতেই না পারি, তাহলে তো পরিবার পরিজন নিয়ে পথে বসতে হবে। বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়া জেলাতেও একই পরিস্থিতি। আমন ধান একদিকে যেমন কাটা শুরু হয়েছিল, পাশাপাশি তা ঘরে তোলারও কাজ চলছিল। আচমকা টানা বৃষ্টি সব লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। মাঠের পর মাঠ জলের তলায় (Agriculture)। ধান এবং অন্যান্য সবজি ডুবে গিয়েছে। ফলে কাল বা পরশু রোদ উঠলেও বিঘের পর বিঘে জমির ফসল যে আর কিছু আস্ত থাকবে না, তা চাষিরা বিলক্ষণ বুঝতে পারছেন। তাই আমন ধানের সঙ্গে আলু চাষেও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চাষিরা। কারণ, এখন জমিতে আলু বসানোর কাজ চলছে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সেই কাজ থমকে গেল। তাছাড়া যেখানে আলু বসানো হয়ে গেছে, তাদের অবস্থাও হবে পাকা ধানের মতোই।

    ক্ষতি সবজি চাষেও (Agriculture)

    তবে দুশ্চিন্তা শুধু যে ধান নিয়ে, এমনও নয়। শীতের মরশুমে নানা সবজির চাষও (Agriculture) হয় জোর কদমে। ফুলকপি, বাঁধাকপি, পালং শাক, মটরশুঁটি, বিনস ইত্যাদির এখন বাজারও চাঙ্গা। কিন্তু এরকম একটা সময়ে অকাল বৃষ্টিতে যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। কারণ, অনেকেই চাষ করার জন্য মোটা টাকা ঋণ নিয়ে বসে আছেন। আশা, ফসল বিক্রি করে তা শোধ করবেন। কিন্তু ফসল যদি নষ্টই হয়ে যায়, তাহলে কপাল চাপড়ানো ছাড়া আর কোনও পথ খোলা থতাদের।এটা ভেবেই তাঁদের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Singur: “সিঙ্গুরের মাটিতে প্রথম সরষের বীজ ছড়িয়ে দিয়েছিলেন কে?” পরীক্ষার প্রশ্ন ভাইরাল

    Singur: “সিঙ্গুরের মাটিতে প্রথম সরষের বীজ ছড়িয়ে দিয়েছিলেন কে?” পরীক্ষার প্রশ্ন ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিঙ্গুরের মাটিতে প্রথম সরষের বীজ ছড়িয়ে দিয়েছিলেন কে?” সিঙ্গুর (Singur) গোপাল মোহিনী মল্লিক গার্লস হাই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় ইতিহাসের প্রশ্ন এটি। আর এই বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল। বলা বাহুল্য, এ ধরনের প্রশ্নের সমালোচনায় মুখর নেট দুনিয়া। অনেকেই রাখঢাক না করে তির্যক মন্তব্য ছুড়ে দিয়েছেন। এমনকী ছাত্রীদের অভিভাবকরাও এ ধরনের প্রশ্নের যৌক্তিকতা নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুলতে শুরু করে দিয়েছেন। বিজেপি তো সরাসরিই বলছে, মাথারা যখন জেলে, তখন শিক্ষা ব্যবস্থার আর রইলটা কী?

    বিতর্ক কীভাবে দানা বাঁধল? (Singur)

    ‘অতীত ও ঐতিহ্য’। এটি হল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ প্রকাশিত অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক। তারই একটি অধ্যায় হল ‘কৃষিজমির অধিকার, সিঙ্গুর গণ আন্দোলন’। বোঝাই যায়, তৃণমূল ক্ষমতাবলে নিজেদের আন্দোলনকেই গণ আন্দোলন নাম দিয়ে ছেলেমেয়েদের মধ্যে প্রচারের এই অভিনব এবং ন্যক্কারজনক পরিকল্পনা নিয়েছিল। আর এটাই ছিল সেই সময় বিতর্কের মূল বিষয়। অনেকেই সেই সময় প্রশ্ন তুলেছিলেন, শিক্ষায় এভাবে রাজনীতিকে টেনে আনা কেন? কিন্তু সরকার কারও কথাতেই গুরুত্ব দেয়নি। সেই বইয়ের জেরেই এবার নতুন বিতর্ক। কারণ অনেকেই হয়তো জানেন, টাটাদের হটিয়ে সেই জমিতে চাষ শুরু করিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারই প্রতীক হিসেবে তিনি নিজে জমিতে (Singur) নেমে সরষের বীজ ছড়িয়েছিলেন। কিন্তু এরকম একটি বিতর্কিত এবং রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে পরীক্ষার প্রশ্ন? অনেকেই হতবাক, জমছে ক্ষোভও।

    কে কী বলছেন?(Singur)

    সিঙ্গুরের বিজেপি নেতা মধুসূদন দাসের তোপ, তৃণমূল ক্ষমতার দম্ভে পাঠ্যপুস্তকে নিজেদের মতো করে ইতিহাস লিখেছে। ফলে এর মধ্যে সত্যতা নেই বললেই চলে। এভাবে ভুল জিনিস শিখিয়ে ছেলেমেয়েদের ভুল পথে চালিত করা হচ্ছে। বইয়ে লেখা ইতিহাসের চরিত্রদের অনেকেই তো জেলের ঘানি টানছেন। এই ধরনের প্রশ্ন চাটুকারিতারই নির্লজ্জ উদাহরণ। রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকারা আসলে যে শাসক দলের দাস-দাসী, তা এসব দেখলেই বোঝা যায়।

    যদিও সিঙ্গুর (Singur) ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির সভাপতি গোবিন্দ ধাড়া এর মধ্যে খারাপ কিছু দেখছেন না। তাঁর যুক্তি, চাষিরা জমি ফিরে পাওয়ার পর ২০১৬ সালের ২১ অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতীকী সরষে ছড়িয়েছিলেন। এটা বাস্তব এবং সেই কারণে পাঠ্যপুস্তকেই রয়েছে। সুতরাং বই বা সিলেবাসে যা আছে, প্রশ্নও তো সেখান থেকেই এসেছে। বাইরে থেকে তো নয়।

    বিতর্ক পিছু ছাড়ার নয় (Singur)

    হুগলি জেলার সিঙ্গুর (Singur) বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রে এবং নানা কারণে খবরের শিরোনামে। টাটার কারখানা, জমি অধিগ্রহণ, মমতার আন্দোলন-এসবই যখন রাজ্য সরকার পাঠ্যপুস্তকে স্থান দিল, তখন তা নিয়ে কম সমালোচনা হয়নি। কিন্তু তারপরেও সিঙ্গুর নিয়ে বিতর্ক যে পিছু ছাড়ার নয়, এবারের ঘটনা সেটাই প্রমাণ করে দিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Michaung: মিগজাউমের দাপট! চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে গিয়ে আটকে হাওড়ার পরিবার

    Cyclone Michaung: মিগজাউমের দাপট! চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে গিয়ে আটকে হাওড়ার পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুর্ণিঝড় মিগজাউমের (Cyclone Michaung) দাপটে রাজ্যে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে। গত দুদিন আকাশের মুখ ভার ছিল। বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। এই ঘুর্ণিঝড়ের কারণে তামিলনাডুতে আটকে রয়েছেন মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু পরিযায়ী শ্রমিক। বহু অঞ্চল জলে ডুবে থাকায় একপ্রকার অনাহারে ভুগছেন ওই সমস্ত শ্রমিকেরা। মাথা গোঁজার জায়গাটুকুও নেই তাঁদের। কেউ কেউ বাস করছেন তালপাতার ঘরে। বাড়ি ফেরার টাকাও নেই অনেকের কাছে। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে সেই চিন্তায় রয়েছেন এই রাজ্যের ওই পরিযায়ী শ্রমিকেরা।

    দুর্যোগে (Cyclone Michaung) আটকে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকরা

    জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া, নওদা ব্লকের প্রায় ৩০ জন শ্রমিকের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। মিগজাউমের (Cyclone Michaung) প্রভাবে তামিলনাডুর বিভিন্ন এলাকায় তাঁরা আটকে রয়েছেন। তাঁরা জেলা প্রশাসনের কাছে মোবাইলের মাধ্যমে বাড়ি ফেরানোর আর্জি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, চারদিকে জল। চরম আতঙ্কে রয়েছি। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তা বুঝতে পারছি না। বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করলে খুব ভালো হয়। খুব কষ্টে আছি।

    চিকিৎসা করাতে গিয়ে দুর্যোগের কবলে পড়ে হাসপাতালে আটকে হাওড়ার বাসিন্দা

    চেন্নাইয়ে ক্যান্সার আক্রান্তের চিকিৎসা করাতে গিয়ে দুর্যোগের (Cyclone Michaung) কবলে পড়ে হাসপাতালে আটকে হাওড়ার সন্ধ্যাবাজারের একই পরিবারের ছয় সদস্য। জলমগ্ন অবস্থার কারণে ট্রাকে করে রোগীদের স্থানান্তরিত করতে হচ্ছে। দু’দিন ধরে কোনওরকমে খাবারের ব্যবস্থা করেছে সেখানকার হাসপাতাল। বুধবার থেকে তাও বন্ধ। ভিডিও কলে সেই শোচনীয় পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন চেন্নাইয়ে আটকে পড়া পরিবারের সদস্য মহম্মদ আজম খান।

    মিগজাউমের প্রভাবে ক্ষতি

    মিগজাউমের (Cyclone Michaung) প্রভাব অন্ধ্রপ্রদেশের তুলনায় তামিলনাড়ুতেই বেশি পড়েছে। ইতিমধ্যে চেন্নাইয়ে মারা গিয়েছেন সতেরো জন। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে অস্বাভাবিক বেশি পরিমাণে বৃষ্টি হয়েছ চেন্নাই ও তামিলনাড়ুতে। ঘূর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশও। ৭৭০ কিলোমিটার রাস্তা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, ১৯৪টি গ্রামের ৪০ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্লাবিত ২৫টি গ্রাম।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share