Tag: Bengali news

Bengali news

  • PM Modi: প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজস্থানের স্বদেশি পাগড়িতে নজর কাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: প্রজাতন্ত্র দিবসে রাজস্থানের স্বদেশি পাগড়িতে নজর কাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত আজ ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ তার ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2026) পালন করছে। আজকের দিনেই ভারতীয় সংবিধান কার্যকর হয়েছিল। এই উপলক্ষ্যে দিল্লির কর্তব্য পথে আয়োজিত কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর রাজস্থানী স্টাইলের রঙিন পাগড়ি সকলের নজর কেড়েছে। রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি এবং তিন বাহিনীর প্রধান উপস্থিত ছিলেন এদিনের অনুষ্ঠানে।

    প্রধানমন্ত্রী মোদীর পোশাক (PM Modi)

    ঐতিহ্য (Republic Day 2026) বজায় রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবার একটি লাল ও সোনালী-হলুদ রঙের মিশ্রণে তৈরি রাজস্থানী ‘লেহরিয়া’ ডিজাইনের পাগড়ি পরেন। তার সঙ্গে তিনি একটি গাঢ় নীল রঙের কুর্তা এবং হালকা নীল রঙের নেহরু জ্যাকেট পরেছিলেন।

    শ্রদ্ধা নিবেদন

    কুচকাওয়াজ শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী (Republic Day 2026) দিল্লির জাতীয় সমর স্মারকে (National War Memorial) গিয়ে আত্মোৎস্বর্গী বীর জওয়ানদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

    কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কর্তব্য পথে এই বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজের নেতৃত্ব দেন।

    বিশেষ অতিথি

    ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন।

    থিম

    এবারের কুচকাওয়াজের মূল থিম ছিল ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি। এছাড়া কুচকাওয়াজে ভারতের সামরিক শক্তি এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য প্রদর্শিত হয়েছে। বঙ্কিমের গানকে উল্লেখ করে বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থাও করা হয়।

    ট্যাবলো ও পারফরম্যান্স

    এদিন মোট ৩০টি ট্যাবলো ছিল অনুষ্ঠান জুড়ে। যার মধ্যে ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং ১৩টি মন্ত্রক কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। এছাড়া প্রায় ২,৫০০ শিল্পী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাঁদের প্রতিভা প্রদর্শন করেন।

    প্রতি বছরের মতো এবারও প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তাঁর পোশাকে ভারতের আঞ্চলিক সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছেন। তাঁর এই লাল-হলুদ রঙের পাগড়ি ভারতের ঐক্য ও বৈচিত্র্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি মুর্মু এবং বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতিতে কর্তব্য পথে ভারতের সামরিক সরঞ্জাম (Republic Day 2026) এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক চমৎকার প্রদর্শনী সম্পন্ন হয়েছে।

  • Unsung Heroes: সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের ৪৫ ‘আনসাং হিরোজ’ পাচ্ছেন পদ্ম-সম্মান, চেনেন এঁদের?

    Unsung Heroes: সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের ৪৫ ‘আনসাং হিরোজ’ পাচ্ছেন পদ্ম-সম্মান, চেনেন এঁদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চণ্ডীগড়ের রাস্তায় সাইকেল-ভ্যানে করে আবর্জনা সংগ্রহ করা বছর অষ্টাশির অবসরপ্রাপ্ত এক আইপিএস আধিকারিক, বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠাকারী এক বাস কন্ডাক্টর, ২,০০০-এরও বেশি নার্সকে প্রশিক্ষণ দেওয়া ব্যক্তি (Republic Day 2026), এশিয়ার প্রথম মানব দুগ্ধ ব্যাঙ্ক গড়ে তোলা এক শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, এবং ছত্তিশগড়ের নকশাল-প্রভাবিত এলাকায় স্কুল প্রতিষ্ঠা করা বুড়রি ঠাটি—এই চারজন-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পর্দার আড়ালে থাকা সমাজের ৪৫ জন নায়ককে (Unsung Heroes) প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে ‘আনসাং হিরোজ’ বিভাগে পদ্মশ্রী (Padma Awards) পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

    পরিচ্ছন্নতা অভিযান 

    অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস আধিকারিক ইন্দরজিৎ সিং সিধু (Unsung Heroes) চণ্ডীগড়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাচ্ছেন। তিনি সাইকেল-ভ্যানে করে শহরের রাস্তাঘাট থেকে নিজে হাতে আবর্জনা সংগ্রহ করেন। কর্নাটকের অঙ্কে গৌড়া পেশায় ছিলেন বাস কন্ডাক্টর। তবে বইয়ের প্রতি তাঁর ভালোবাসাই ‘পুস্তকমানে’র ভিত্তি তৈরি করে। বর্তমানে এটি ভারতের অন্যতম বৃহৎ বিনামূল্যে উন্মুক্ত গ্রন্থাগার, যেখানে ২০টিরও বেশি ভাষায় ২০ লাখেরও বেশি বই রয়েছে। এই গ্রন্থাগারে দুর্লভ পাণ্ডুলিপি, সাময়িকী ও অভিধানও সংরক্ষিত রয়েছে। এই অবদানের জন্য তাঁকেও পদ্মশ্রী দেওয়া হচ্ছে। এই তালিকায় রয়েছেন বুড়রি ঠাটি (Unsung Heroes), যিনি ছত্তিশগড়ের নকশাল-প্রভাবিত দুর্গম এলাকায় স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন। রাস্তা ও বিদ্যুতের অভাব এবং লাগাতার হুমকির মধ্যেও ‘বড়ি দিদি’ নামে পরিচিত ঠাটি একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে নারী ও শিশুদের জীবন বদলে দিয়েছেন (Republic Day 2026)।

    কারা পাচ্ছেন পদ্ম পুরস্কার

    মুম্বইয়ের বিশিষ্ট নবজাতক বিশেষজ্ঞ ডা. আরমিদা ফার্নান্দেজকেও পদ্মশ্রী সম্মানে (Padma Awards) ভূষিত করা হচ্ছে। এশিয়ার প্রথম মানব দুগ্ধ ব্যাঙ্ক স্থাপনকারী এই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ভারতের দরিদ্র শহুরে এলাকায় মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের উন্নতিতে আজীবন কাজ করেছেন (Unsung Heroes) । তিনি ২,০০০-এরও বেশি নার্স ও চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। ফার্নান্দেজ লোকমান্য তিলক মিউনিসিপ্যাল জেনারেল (এলটিএমজি) হাসপাতাল, সায়ন-এর নিওনাটোলজি বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান এবং অবসরপ্রাপ্ত ডিন (Padma)। এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “এই প্রত্যেক পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিই অত্যন্ত সাধারণ পটভূমি থেকে উঠে আসা অনুপ্রেরণামূলক গল্পের নায়ক। ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি ও কঠিন পরিস্থিতি অতিক্রম করে তাঁরা শুধু নিজেদের কর্মক্ষেত্রেই কৃতিত্ব অর্জন করেননি, সমাজের বৃহত্তর স্বার্থেও কাজ করেছেন।”

    রোগনির্ণয়ের জন্য সাশ্রয়ী ‘কে-৩৯’ র‍্যাপিড টেস্ট উদ্ভাবন

    উত্তরপ্রদেশের শ্যাম সুন্দরকে (Unsung Heroes) চিকিৎসাবিজ্ঞানে যুগান্তকারী অবদানের জন্য পদ্মশ্রী দেওয়া হচ্ছে। কালাজ্বর বিষয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই বিশেষজ্ঞ দ্রুত রোগনির্ণয়ের জন্য সাশ্রয়ী ‘কে-৩৯’ র‍্যাপিড টেস্ট উদ্ভাবন করেন এবং মিল্টেফোসিনের মুখে খাওয়ার চিকিৎসা পদ্ধতির পথপ্রদর্শক। এর ফলে ভারতে এই প্রাণঘাতী রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় সাফল্য এসেছে (Republic Day 2026)।এই তালিকায় রয়েছেন, তামিলনাড়ুর ডা. পুনিয়ামূর্তি নাটেসান, যিনি বৈজ্ঞানিক এথনো-ভেটেরিনারি মেডিসিনে পথিকৃৎ,  লাদাখের ডা. পদ্মা গুরমেত, প্রাচীন হিমালয়ান চিকিৎসা পদ্ধতি সোয়া-রিগপায় অসামান্য কাজের জন্য, এবং জম্মু ও কাশ্মীরের ব্রিজ লাল ভাট, তাঁর বহুমুখী সমাজসেবার জন্য। মহারাষ্ট্রের ভিখল্যা লাডাকিয়া ধিন্দাকে বিরল তারপা বাদ্যযন্ত্রের ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য পদ্মশ্রী দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশের ভগবানদাস রাইকোয়ারকে বুন্দেলখণ্ডের ঐতিহ্যবাহী বুন্দেলি ওয়ার আর্ট সংরক্ষণে আজীবন অবদানের জন্য এই সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে (Padma Awards)।

    পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, এবার কারা পাচ্ছেন ‘আনসাং হিরোজ’ (Unsung Heroes) বিভাগে পদ্ম সম্মান। সমাজকর্মে পুরস্কার পাচ্ছেন ব্রিজলাল ভাট, হ্যালি ওয়ার, ইন্দরজিৎ সিং সিধু, তেচি গুবিন, এস জি সুসিলাম্মা, নিলেশ মাণ্ডেলওয়ালা, শিল্পকলায় পাচ্ছেন, ধর্মিকলাল, কে পাজানিভেল, চিরঞ্জি লাল যাদব, ইউম্নাম যাত্রা সিং, বিশ্ববন্ধু, থিরুভারুর ভক্তবৎসলম, টাগা রাম ভীল, সিমাঞ্চল পাত্র, রাজস্তাপাথি কালিয়াপ্পা গাউন্ডার, রঘুবীর খেদকর, আর কৃষ্ণন, পোখিলা লেখথেপি, ওথুভার থিরুথানি স্বামিনাথন, নুরউদ্দিন আহমেদ, মির হাজিভাই কাসম্ভাই, খেম রাজ সুন্দরিয়াল। চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে পাচ্ছেন ডা. শ্যাম সুন্দর, ডা. পুন্নিয়ামূর্তি নাটেসান (তামিলনাড়ু), আর্মিদা ফার্নান্দেজ (মহারাষ্ট্র), ডা. কুমারস্বামী থানগরাজ (তেলঙ্গানা), ডা. পদ্মা গুরমেট (জম্মু ও কাশ্মীর), সুরেশ হানাগাভাড়ি, রামচন্দ্র গদবোলে ও সুনীতা গদবোলে। ক্রীড়াক্ষেত্রে পাচ্ছেন ভগবান দাস রায়খওয়ার, ভিকল্যা লাডাক্যা ধিন্ডা, কৃষি ও পরিবেশ ক্ষেত্রে পাচ্ছেন শিররাং দেবাবা লাড, কোল্লাকাল দেবকী আম্মা। প্রাণিসম্পদ ক্ষেত্রে পাচ্ছেন রামা রেড্ডি। এই তালিকায় রয়েছেন পশুচিকিৎসা বিজ্ঞান, জিনতত্ত্ব, দেশীয় চিকিৎসা পদ্ধতি এবং বনসৃজন ক্ষেত্রে কাজ করা বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব।

    পুরস্কারপ্রাপকদের কাজ তুলে ধরতে ভিডিও

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এই পুরস্কারপ্রাপকদের কাজ তুলে ধরতে ভিডিও প্রকাশ করতে শুরু করেছে। ওই সব ভিডিওয় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, স্যানিটেশন, স্থায়িত্ব, জীবিকা সৃষ্টির পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে তাঁদের দীর্ঘদিনের অবদানের কথা তুলে ধরা হয়েছে।অনেক পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি প্রান্তিক সমাজ থেকে উঠে এসেছেন (Unsung Heroes)। এঁদের মধ্যে রয়েছেন পিছিয়ে পড়া ও দলিত সম্প্রদায়, আদিবাসী জনগোষ্ঠী এবং দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দারাও (Padma Awards)। পুরস্কারপ্রাপকদের কাজের ক্ষেত্র অত্যন্ত বিস্তৃত। এর মধ্যে রয়েছেন হিমোফিলিয়ার মতো স্থানীয় স্বাস্থ্যসমস্যা মোকাবিলায় কাজ করা চিকিৎসকরা, নবজাতকদের চিকিৎসকরা, যাঁরা ভারতে প্রথম মানব দুধ ব্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠা করেন, সমাজকর্মী, যাঁরা দিব্যাঙ্গজন, নারী, শিশু, দলিত ও আদিবাসীদের নিয়ে কাজ করছেন, আদিবাসী ভাষা, দেশীয় মার্শাল আর্ট ও সীমান্ত (Republic Day 2026) রাজ্যগুলিতে জাতীয় সংহতি রক্ষায় কাজ করা কর্মীরা এবং লুপ্তপ্রায় শিল্পকলা ও বস্ত্র-ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত সম্পদ রক্ষায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা।

     

  • India: নজরে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি! ইউরোপ থেকে আমদানি করা গাড়ির ওপর শুল্ক ব্যাপক কমানোর পথে ভারত?

    India: নজরে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি! ইউরোপ থেকে আমদানি করা গাড়ির ওপর শুল্ক ব্যাপক কমানোর পথে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) (EU) থেকে আমদানি করা গাড়ির ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে শুল্ক কমাতে পারে ভারত (India)। প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) অনুযায়ী, বর্তমানে সর্বোচ্চ ১১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে তা ৪০ শতাংশে নামানো হতে পারে। একাধিক সূত্রের খবর, এই চুক্তি মঙ্গলবারের মধ্যেই চূড়ান্ত হতে পারে। সূত্র অনুযায়ী, সরকার অবিলম্বে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশ থেকে সীমিত সংখ্যক গাড়ির ওপর শুল্ক কমাতে রাজি হয়েছে, তবে শর্ত হল, গাড়িগুলির আমদানি মূল্য প্রায় ১৬.৩ লাখ টাকা বা তারও বেশি হতে হবে। পর্যায়ক্রমে এই গাড়িগুলির ওপর শুল্ক আরও কমিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

    সবচেয়ে বড় উদারীকরণ (India)

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈশ্বিক উদ্বেগের আবহে এই সিদ্ধান্তকে ভারতের কড়া সুরক্ষিত অটোমোবাইল বাজারে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় উদারীকরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা ভারত–ইইউ বাণিজ্য আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায়ে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ছাড় হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে শুল্ক হ্রাসের ফলে ফোক্সভাগেন, মার্সিডিজ-বেঞ্জ ও বিএমডব্লিউর মতো ইউরোপীয় গাড়ি নির্মাতাদের জন্য ভারতীয় বাজারে প্রবেশ আরও সহজ হবে। উল্লেখ্য, এই সংস্থাগুলি দীর্ঘদিন ধরেই আমদানি শুল্ক কমানোর দাবি জানিয়ে আসছিল। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রক বা ইউরোপীয় কমিশনের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।

    ভারতের উদ্দেশ্য

    বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে নির্মিত গাড়ির ওপর বিশ্বের সর্বোচ্চ আমদানি শুল্কগুলির মধ্যে পড়ে ভারতও। এর উদ্দেশ্য, দেশীয় গাড়ি নির্মাতাদের সুরক্ষা দেওয়া এবং দেশে উৎপাদনকে উৎসাহিত করা। ফলে শুল্কে বড় ধরনের কাটছাঁট হলে অটোমোবাইল শিল্প, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ প্রবাহে সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে পারে বলেই অনুমান বিশেষজ্ঞদের (India)। এই ঘটনাপ্রবাহ এমন একটা সময়ে সামনে এল, যখন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন চার দিনের সফরে ভারতে রয়েছেন। এই সফরের উদ্দেশ্য ভারত–ইইউ সম্পর্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণে একাধিক বড় উদ্যোগ চূড়ান্ত করা। ভন ডার লেয়েন এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তা প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এবং বাণিজ্য আলোচনার জন্য ভারতে এসেছেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁদের শীর্ষ বৈঠক হওয়ার কথা।

    ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই বৈঠকেই বহু প্রতীক্ষিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করবে বলেই আশা। পাশাপাশি একটি কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব এবং ভারতীয় পেশাদারদের চলাচল সহজ (EU) করতে একটি কাঠামোও ঘোষণা করা হতে পারে (India)।

  • Daily Horoscope 26 January 2026: গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 26 January 2026: গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আপনার কর্মদক্ষতার কারণে জীবিকার স্থানে শত্রু বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বদনাম থেকে সবাই খুব সতর্ক থাকুন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত।

    ২) শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) সন্তানের ব্যবহারে আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ২) শরীরে কোথাও আঘাত লাগার আশঙ্কা রয়েছে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) ব্যবসা বা অন্য কোনও কাজে বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভালো সাহায্য পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) উচ্চশিক্ষার্থীদের সামনে ভালো যোগ রয়েছে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে আনন্দ লাভ।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।

    ২) কোনও অসৎ লোকের জন্য আপনার বদনাম হতে পারে।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বৃদ্ধি বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর পেতে পারেন।

    ২) কাউকে টাকা ধার দিলে বিপদ ঘটতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) সংসারে শান্তি বজায় থাকবে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) আপনার রূঢ় আচরণে বাড়িতে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ দেখা যাচ্ছে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 564: “তুমি ভক্তিনদীতে ডুবে যাবে কি করে? ডুবে গেলে, চিকের ভিতর যারা আছে তাদের কি হবে”

    Ramakrishna 564: “তুমি ভক্তিনদীতে ডুবে যাবে কি করে? ডুবে গেলে, চিকের ভিতর যারা আছে তাদের কি হবে”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    দশম পরিচ্ছেদ

           ১৮৮৫, ১লা সেপ্টেম্বর

                                                            জন্মাষ্টমীদিবসে নরেন্দ্র, রাম, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    গিরিশ ঘোষ—গুরুই ইষ্ট—দ্বিবিধ ভক্ত 

    পূর্বকথা—কেশব সেনকে উপদেশ ‘এগিয়ে পড়ো’ 

    “যত এগোবে, দেখবে, চন্দন কাঠের পরও আছে,—রূপার খনি,—সোনার খনি,—হীরে মাণিক! তাই এগিয়ে পড়।

    “আর ‘এগিয়ে পড়’ এ-কথাই বা বলি কেমন করে!—সংসারী লোকদের বেশি এগোতে গেলে সংসার-টংসার ফক্কা হয়ে যায়! কেশব সেন উপাসনা কচ্ছিল, — বলে, ‘হে ঈশ্বর, তোমার ভক্তিনদীতে (Ramakrishna) যেন ডুবে যাই।’ সব হয়ে গেলে আমি কেশবকে বললাম, ওগো, তুমি ভক্তিনদীতে ডুবে যাবে কি করে? ডুবে গেলে, চিকের ভিতর যারা আছে তাদের কি হবে। তবে এককর্ম করো — মাঝে মাঝে ডুব দিও, আর এক-একবার আড়ায় উঠো।” (সকলের হাস্য)

    বৈষ্ণবের ‘কলকলানি’—‘ধারণা করো’! সত্যকথা তপস্যা

    কাটোয়ার বৈষ্ণব তর্ক করিতেছিলেন। ঠাকুর তাঁহাকে বলিতেছেন (Kathamrita), “তুমি কলকলানি ছাড়। ঘি কাঁচা থাকলেই কলকল করে।

    “একবার তাঁর আনন্দ পেলে বিচারবুদ্ধি পালিয়ে যায়। মধুপানের আনন্দ পেলে আর ভনভনানি থাকে না।

    “বই পড়ে কতকগুলো কথা বলতে পারলে কি হবে? পণ্ডিতেরা কত শ্লোক বলে — ‘শীর্ণা গোকুলমণ্ডলী!’ — এই সব।

    “সিদ্ধি সিদ্ধি মুখে বললে কি হবে? কুলকুচো করলেও কিছু হবে না। পেটে ঢুকুতে হবে! তবে নেশা হবে। ঈশ্বরকে নির্জনে গোপনে ব্যাকুল হয়ে না ডাকলে, এ-সব কথা ধারণা হয় না।”

    ডাক্তার রাখাল ঠাকুরকে দেখিতে আসিয়াছেন। তিনি ব্যস্ত হইয়া বলিতেছেন — “এসো গো বসো।” বৈষ্ণবের সহিত কথা চলিতে লাগিল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— মানুষ আর মানহুঁশ। যার চৈতন্য হয়েছে, সেই মানহুঁশ। চৈতন্য না হলে বৃথা মানুষ জন্ম!

    পূর্বকথা — কামারপুকুরে ধার্মিক সত্যবাদী দ্বারা সালিসী

    “আমাদের দেশে পেটমোটা গোঁফওয়ালা অনেক লোক আছে। তবু দশ ক্রোশ দূর থেকে ভাল লোককে পালকি করে আনে কেন — ধার্মিক সত্যবাদী দেখে। তারা বিবাদ মিটাবে। শুধু যারা পণ্ডিত, তাদের আনে না।

    ঠাকুর বালকের মতো ডাক্তারকে বলিতেছেন (Kathamrita)— “বাবু আমার এটা ভাল করে দাও।”

    ডাক্তার — আমি ভাল করব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — ডাক্তার নারায়ণ। আমি সব মানি।

    Reconciliation of Free Will and God’s Will — of Liberty and Necessity — ঈশ্বরই মাহুত নারায়ণ 

    “যদি বলো সব নারায়ণ, তবে চুপ করে থাকলেই হয়, তা আমি মাহুত নারায়ণও মানি।

    “শুদ্ধমন আর শুদ্ধ-আত্মা একই! শুদ্ধমনে যা উঠে, সে তাঁরই কথা। তিনিই ‘মাহুত নারায়ণ।’

    “তাঁর কথা শুনব না কেন? তিনিই কর্তা। ‘আমি’ যতক্ষণ রেখেছেন, তাঁর আদেশ শুনে কাজ করব।”

    ঠাকুরের গলার অসুখ এইবার ডাক্তার দেখিবেন। ঠাকুর বলিতেছেন — “মহেন্দ্র সরকার জিব টিপেছিল, যেমন গরুর জিবকে টিপে।”

    ঠাকুর আবার বালকের ন্যায় ডাক্তারের জামায় বারংবার হাত দিয়ে বলিতেছেন, “বাবু! বাবু! তুমি এইটে ভাল করে দাও!”

    Laryngoscope দেখিয়া ঠাকুর হাসিতে হাসিতে বলিতেছেন — “বুঝেছি, এতে ছায়া পড়বে।”

    নরেন্দ্র গান (Ramakrishna) গাইলেন। ঠাকুরের অসুখ বলিয়া বেশি গান হইল না।

  • Padma Award: বিজয় অমৃতরাজকে পদ্মভূষণ; পদ্মশ্রী পাচ্ছেন রোহিত শর্মা ও হরমনপ্রীত কৌর

    Padma Award: বিজয় অমৃতরাজকে পদ্মভূষণ; পদ্মশ্রী পাচ্ছেন রোহিত শর্মা ও হরমনপ্রীত কৌর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের টেনিস কিংবদন্তি বিজয় অমৃতরাজকে মর্যাদাপূর্ণ পদ্মভূষণ সম্মানে (Padma Award) ভূষিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, ভারতীয় ক্রিকেট দলের দুই আইকন—পুরুষ দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং মহিলা দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরকে (Harmanpreet Kaur) পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে। রবিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ সালের পদ্ম পুরস্কারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে ভারত সরকার।

    ১৯৭৪ সালে অর্জুন পুরস্কার পান অমৃতরাজ (Padma Award)

    এ বছর ক্রীড়া জগত থেকে বিজয় অমৃতরাজ একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি পদ্মভূষণ (ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান) অর্জন করেছেন। টেনিসে ভারতের অন্যতম পথিকৃৎ অমৃতরাজ  আগে অবশ্য ১৯৮৩ সালে পদ্মশ্রী (Padma Award) এবং ১৯৭৪ সালে অর্জুন পুরস্কার পেয়েছিলেন। পেশাদার টেনিস ক্যারিয়ারে তিনি দুবার উইম্বলডন এবং দুবার ইউএস ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছিলেন।

    ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়

    ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য ২০২৫ সালটি ছিল স্মরণীয়। হরমনপ্রীত কৌরের (Harmanpreet Kaur) অসামান্য নেতৃত্বে ভারতীয় মহিলা দল দেশের মাটিতে আয়োজিত ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয় করে ইতিহাস গড়ে। অন্যদিকে, রোহিত শর্মা ২০২৫ সালে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতের অন্যতম পরাক্রমী ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার হিসেবে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে চলেছেন।

    মোট ১৩১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে পদ্ম পুরস্কার

    কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মোট ১৩১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে পদ্ম পুরস্কারের (Padma Award) জন্য মনোনীত করা হয়েছে। যার মধ্যে ৫ জন পদ্মবিভূষণ, ১৩ জন পদ্মভূষণ এবং ১১৩ জন পদ্মশ্রী প্রাপক রয়েছেন। এই তালিকায় ১৯ জন নারী এবং ১৬ জন মরণোত্তর সম্মান প্রাপক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। আগামী মার্চ বা এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রপতি এই সম্মাননাগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করবেন।

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে কে কে পাচ্ছেন?

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন মোট ১১ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অভিনয় জগত থেকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শিল্পকলায় বিশেষ অবদানের জন্য নাট্যব্যক্তিত্ব হরিমাধব মুখোপাধ্যায়, তাঁতশিল্পী জ্যোতিষ দেবনাথ, তবলাবাদক কুমার বসু, কাঁথাশিল্পী তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়, সন্তুর বাদক তরুণ ভট্টাচার্য। শিক্ষা ও সাহিত্য থেকে পেয়েছেন শ্রী অশোক কুমার হালদার, এছাড়াও গম্ভীর সিংহ ইয়নজন, মহেন্দ্রনাথ রায় ও রবিলাল টুডু। চিকিৎসা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পাচ্ছেন হৃদ্‌রোগের চিকিৎসক সরোজ মণ্ডল।

    ক্রীড়া ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের পদ্ম পুরস্কার প্রাপকদের তালিকা:

    • বিজয় অমৃতরাজ – পদ্মভূষণ (টেনিস)
    • রোহিত শর্মা – পদ্মশ্রী (ক্রিকেট)
    • হরমনপ্রীত কৌর ভুল্লার – পদ্মশ্রী (ক্রিকেট)
    • সবিতা পুনিয়া – পদ্মশ্রী (হকি)
    • প্রবীণ কুমার – পদ্মশ্রী (প্যারা-অ্যাথলেটিক্স)
    • বলদেব সিং – পদ্মশ্রী (হকি কোচ)
    • ভগবানদাস রাইকর – পদ্মশ্রী
    • কে পাজনভেল – পদ্মশ্রী
    • ভ্লাদিমের মেস্তভিরিশভিলি – পদ্মশ্রী (মরণোত্তর – কুস্তি কোচ)
  • Mark Tully: প্রবীণ সাংবাদিক মার্ক টুলি নতুন দিল্লিতে প্রয়াত

    Mark Tully: প্রবীণ সাংবাদিক মার্ক টুলি নতুন দিল্লিতে প্রয়াত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংবাদিকতার জগতে আরও এক নক্ষত্রের পতন। ভারতের ইতিহাসবিদ এবং প্রশংসিত লেখক, প্রবীণ সাংবাদিক (Journalist) মার্ক টুলি (Mark Tully) রবিবার নতুন দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, এই সংবাদ তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানিয়েছেন। টুলির মৃত্যুর সময় বয়স ছিল ৯০।

    সাকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন (Mark Tully)

    পুরস্কারপ্রাপ্ত এই সাংবাদিক টুলি (Mark Tully) বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং গত এক সপ্তাহ ধরে নতুন দিল্লির সাকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। প্রবীণ সাংবাদিক (Journalist) এবং টুলির ঘনিষ্ঠ বন্ধু সতীশ জ্যাকব সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে এই মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন। টুলি মৃত্যুতে তাঁর পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ মহলে ব্যাপক শোকের ছায়া।

    পদ্মভূষণ পান ২০০৫ সালে

    সতীশ জ্যাকব বলেন,“মার্ক আজ বিকেলে সাকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে মারা গেছেন।” ১৯৩৫ সালের ২৪ শে অক্টোবর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন মার্ক টুলি (Mark Tully) ।

    তিনি টানা ২২ বছর ধরে নয়াদিল্লিতে বিবিসির ব্যুরো প্রধান (Journalist) ছিলেন। তিনি যেমন একজন প্রশংসিত লেখক তেমনি আবার টুলি বিবিসি রেডিও ৪-এর ‘সামথিং আন্ডারস্টুড’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপকও ছিলেন। ২০০২ সালে তিনি নাইট উপাধি লাভ করেন এবং ২০০৫ সালে ভারত সরকার থেকে পদ্মভূষণ লাভ করেন।

    টুলি ভারত সম্পর্কে বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন। যার মধ্যে রয়েছে ‘নো ফুল স্টপস ইন ইন্ডিয়া’, ‘ইন্ডিয়া ইন স্লো মোশন’ এবং ‘দ্য হার্ট অফ ইন্ডিয়া’ ইত্যাদি। সাংবাদিক মহলে তাঁর চলে যাওয়া অপূরণীয় ক্ষতি। অভিজ্ঞ মহলে এখন শোকের ছায়া।

    কেমন ছিল কর্মজীবন

    ১৯৬৪ সালে টুলি বিবিসিতে যোগদান করেছিলেন। ভারতীয় সাংবাদিক হিসেবে ১৯৬৫ সালে ভারতে চলে আসেন। এরপর দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থানকালীন কর্মজীবনে তিনি অনেকগুলো প্রধান প্রধান ঘটনাবলীর স্বাক্ষ্য থাকেন। উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলি – ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আন্দোলন, ভূপাল গ্যাস দুর্ঘটনা, অপারেশন ব্লু স্টার, ইন্দিরা হত্যাকাণ্ড, রাজীব হত্যা কাণ্ড – সহ ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়মিতভাবে বিবিসিতে তুলে ধরেছিলেন। তাঁর কর্মে তিনি খ্যাত হয়ে আছেন।

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে এই প্রথমবার বাস্তারের ৪০টি গ্রামে উদযাপিত হবে প্রজাতন্ত্র দিবস

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে এই প্রথমবার বাস্তারের ৪০টি গ্রামে উদযাপিত হবে প্রজাতন্ত্র দিবস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন মাওবাদী জঙ্গিদের করাল গ্রাসে থাকা ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বাস্তার বিভাগে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসছে। কয়েক দশক ধরে ‘লাল সন্ত্রাস’-এর সঙ্গে লড়াই করার পর, ছত্তিশগড়ের বাস্তার বিভাগের বিভিন্ন জেলার বেশ কিছু গ্রাম প্রথমবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের (Republic Day Celebrations) জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত, কারণ এতদিন তাঁদের ওপর যেকোনো জাতীয় অনুষ্ঠান পালনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ছিল।

    ৫৮টি নতুন নিরাপত্তা ক্যাম্প (Chhattisgarh)

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বাস্তারের বিভিন্ন জেলার অন্তত ৪০টি গ্রামে প্রথমবারের মতো জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। গত এক বছরে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ৫৮টি নতুন নিরাপত্তা ক্যাম্প (Security Camps) স্থাপিত হওয়ার ফলেই এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে।

    বাস্তার বিভাগের বিজাপুর, দান্তেওয়াড়া, সুকমা এবং নারায়ণপুরের মতো চরম মাওবাদী প্রভাবিত জেলাগুলোর (Chhattisgarh) মোট ৫৩টি গ্রামে এবার প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হবে। এর মধ্যে ৪০টি গ্রাম এমন রয়েছে, যেখানে আগে কখনও কোনোদিন জাতীয় উৎসব পালন করা সম্ভব হয়নি। এই তালিকায় রয়েছে—

    • বিজাপুর: বেলনার, কোন্ডাপালি ও উল্লুর।
    • দান্তেওয়াড়া: পিল্লুর, দোডিসোমার ও কামলুর।
    • নারায়ণপুর: আনজাগর, জাতুর, বাইপেটা ও কোডনার।
    • সুকমা: পালাগুড়া ও নাগরাম।

    দশকের পর দশক ধরে চলা লাল সন্ত্রাস কাটিয়ে মাওবাদী বিদ্রোহের স্তিমিত হওয়া এবং এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাভাবিক জনজীবন ফিরে আসার এটি এক বড় প্রতিফলন। তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে বাস্তার অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী ১০০টিরও বেশি ক্যাম্প স্থাপন করেছে, যার ফলে উগ্রপন্থীদের প্রভাবাধীন এলাকাগুলোতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ সুদৃঢ় হয়েছে।

    এই ক্যাম্পগুলো কেবল নিরাপত্তার কাজে নয়, বরং উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করতে এবং স্থানীয়দের কাছে সরকারি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো পৌঁছে দিতে সহায়ক হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসনের নিরবচ্ছিন্ন উপস্থিতির ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে সাহসের সঞ্চার হয়েছে, যার ফলে তাঁরা এখন নির্ভয়ে জাতীয় উৎসবে অংশ নিতে পারছেন।

    ২৯টি গ্রামে উত্তোলন হয়েছিল জাতীয় পতাকা

    পরিবর্তনের এই ছবি সাম্প্রতিক সময়ে আরও স্পষ্ট হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের আগস্টে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাস্তার (Chhattisgarh)  অঞ্চলের ২৯টি গ্রামে এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ২৪টিরও বেশি গ্রামে প্রথমবারের মতো তেরঙা পতাকা উত্তোলন (Republic Day Celebrations) করা হয়েছিল।

    নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনের লক্ষ্য এখন স্কুল খোলা, ব্যাংকিং পরিষেবা চালু, মোবাইল টাওয়ার বসানো এবং রাস্তাঘাট নির্মাণের মাধ্যমে এই জনপদগুলোকে মূলধারার সঙ্গে যুক্ত করা। সম্প্রতি মাওবাদীদের এককালীন শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ‘জাগরগুন্ডা’-তে একটি ব্যাংক শাখা পুনরায় চালু করা হয়েছে।

    উন্নয়ন এবং আস্থার প্রতীক

    মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই সমাজমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে লিখেছেন, “জাগরগুন্ডায় (Chhattisgarh)  ব্যাংক শাখা পুনরায় চালু হওয়া কেবল একটি ভবন স্থাপন নয়; এটি পরিবর্তন, উন্নয়ন এবং আস্থার প্রতীক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিকনির্দেশনায় বাস্তারকে লাল সন্ত্রাসের ভয় থেকে মুক্ত করে উন্নয়নের মূলধারার সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। ভারত সরকার আগামী মার্চ মাসের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদী সমস্যা সম্পূর্ণ নির্মূল করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আমরা এই লক্ষ্যেই কাজ করছি।”

  • Mirzapur: ৫টি জিম, ৫০ জন মহিলাকে টার্গেট, ধর্মান্তকরণের বড় চক্র ফাঁস, গ্রেফতার ৭ অভিযুক্ত

    Mirzapur: ৫টি জিম, ৫০ জন মহিলাকে টার্গেট, ধর্মান্তকরণের বড় চক্র ফাঁস, গ্রেফতার ৭ অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের মির্জাপুর (Mirzapur) জেলায়, পাঁচটি জিমে একটি ইসলামিক ধর্মান্তকরণ পর্দা ফাঁস করেছে পুলিশ। দুজন হিন্দু মহিলা পৃথক ভাবে যৌন শোষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন মুসলিম জিম প্রশিক্ষকদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও রয়েছে চাঁদাবাজি এবং ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত (GYM Conversion) হওয়ার জন্য চাপ দেওয়ার বিষয়ও। তদন্তে জানা  গিয়েছে, ভাদোহির একজন পুলিশ কনস্টেবল, ইরশাদ খানও এই ইসলামিক ধর্মান্তকরণ চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

    ৫০ জনেরও বেশি মেয়েকে টার্গেট (Mirzapur)!

    অভিযোগ সূত্রে জানা গিয়েছে, জিআরপি কনস্টেবল ইরশাদ খান এবং তার সহযোগী ফরিদ আহমেদ আয়রন ফায়ার এবং কেজিএন ২.০ জিম চালানোর আড়ালে ৫০ জনেরও বেশি মেয়েকে টার্গেট করেছিলেন। এর আগে, মির্জাপুর কোতোয়ালি দেহাত পুলিশ মোহাম্মদ শেখ আলী আলম এবং ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল।

    খারঞ্জা জলপ্রপাতের (Mirzapur) কাছে সংঘর্ষের পর পুলিশ জিআরপি কনস্টেবল ইরশাদ খান এবং তার সহযোগী ফরিদ আহমেদকে গ্রেফতার করে। পুলিশের গুলিতে ফরিদের পায়ে লাগে। মির্জাপুর পুলিশ ফরিদের কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল এবং একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছিল।

    একটি সাধারণ ‘কেরালা স্টোরি’ দৃশ্যে, সান্নো নামে একজন মুসলিম মহিলা সক্রিয়ভাবে এই চক্রের সাথে জড়িত ছিলেন এবং তাকে হিন্দু মেয়েদের আস্থা অর্জন এবং তাদের ফাঁদে ফেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

    পাঁচটি জিমে কেজিএন-১.০, কেজিএন-২.০, কেজিএন-৩.০ বাজেআপ্ত

    অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা হিন্দু মেয়েদের নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিতো। যদি কোনও ভুক্তভোগীকে একটি জিমে আটকানো সম্ভব না হত, তবে তাকে ফাঁদে ফেলার জন্য অন্য একটি জিমে নিয়ে যাওয়ার টার্গেট করা হতো। পুলিশ এখন পর্যন্ত পাঁচটি জিম, কেজিএন-১.০, কেজিএন-২.০, কেজিএন-৩.০, বি-ফিট এবং আয়রন ফায়ার বাজেআপ্ত করেছে।

    ডিএম (Mirzapur) পবন কুমার গাঙ্গোয়ার জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৬৩ ধারার অধীনে এই জিমগুলির পরিচালনার উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর পাঁচটি জিম সিল করে দেওয়া হয়েছে। ধৃত অভিযুক্তদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে, পুলিশ কয়েকশ ছবি, ভিডিও এবং চ্যাট সহ অপরাধের সঙ্গে যুক্ত নানানা ডিজিটাল প্রমাণ পেয়েছে।

    গভীর রাত পর্যন্ত জিমে পার্টি হত

    পুলিশ এই জিম-ভিত্তিক ইসলামিক ধর্মান্তকরণ নেটওয়ার্কের আর্থিক লেনদেন তদন্ত করছে। জিমের বাড়িওয়ালা অমিত দুবে বলেছেন, “আমি জানি না যে বর্তমানে সিল করা কেজিএন ২.০ জিমটি (GYM Conversion) এই ধরনের অবৈধ কার্যকলাপের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।” আবার স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “মহিলারা প্রায়শই গভীর রাত পর্যন্ত জিমে আসতেন এবং পার্টি হত।”

    মামলায় পুলিশের পদক্ষেপ সম্পর্কে বলতে গিয়ে মির্জাপুরের এসপি সোমেন ভার্মা বলেন, “এই মামলাটি কোতোয়ালি দেহাতের। দুই ভুক্তভোগী মহিলা তাদের জিমের মালিক এবং প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেছেন। জিমের মালিক এবং অন্যদের বিরুদ্ধে মহিলাদের শোষণ, তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় এবং অবৈধভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আমরা বর্তমানে এই মামলার অভিযোগ তদন্ত করছি।” এদিকে, এএসপি সিটি নীতেশ সিং বলেন, “পাঁচটি জিমের মধ্যে চারটি তিন ভাই এবং এক শ্যালক দ্বারা পরিচালিত হয়।

    অনেক ভুক্তভোগীর মধ্যে দুজন অভিযোগ দায়ের করার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। মির্জাপুর পুলিশ তৎপর হয়ে তিনটি জিম সিলগালা করে দেয় এবং মোহাম্মদ শেখ আলী আলম এবং ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।

    ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও তোলে

    কোতোয়ালি দেহাত (Mirzapur) থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের করা দুই হিন্দু মহিলা অভিযোগ করেছেন, মির্জাপুরে জিম প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মরত অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা প্রথমে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে এবং তাদের ফাঁদে ফেলে, ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও তোলে, তারা এআই-উত্পাদিত অশ্লীল ভিডিও এবং ছবিও তৈরি করে এবং অবশেষে হিন্দু মহিলাদের ব্ল্যাকমেইল করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দেয়।

    ২০ জানুয়ারী, কোতোয়ালি সিটি থানার নটওয়ান মিল্লাত নগরের বাসিন্দা মোহাম্মদ শেখ আলী আলম এবং গোসাই তালাবের বাসিন্দা ফয়সাল খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ এবং ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে, পুলিশ জহির এবং শাদাবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে সকল অভিযুক্তই বিভিন্ন জিমের সাথে যুক্ত এবং একটি সংগঠিত লাভ জিহাদ নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছিল।

    অভিযুক্ত জহির কেজিএন-১ জিমের মালিক এবং কেজিএন-২, কেজিএন-৩ এবং আয়রন ফায়ার জিমের সাথেও যুক্ত ছিলেন। ভুক্তভোগীরা পূর্বে কেজিএন জিমে গিয়েছিলেন, যেখানে তারা অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষদের সংস্পর্শে এসেছিলেন।

    পাঁচবার নামাজ পড়ার জন্য চাপ

    বি-ফিট জিমে যাওয়া একজন অভিযোগকারী জানিয়েছেন, অভিযুক্ত শেখ আলী তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিলেন, ধীরে ধীরে তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তোলেন। পরবর্তীতে শেখ আলী তাকে ব্ল্যাকমেইল করেন এবং টাকা আদায় করেন বলে অভিযোগ। এমনকি তিনি তার নামে ঋণ নেন এবং বারবার ওটিপি চান।

    ভুক্তভোগীর (GYM Conversion) অভিযোগ, অভিযুক্ত শেখ আলী আলম বেশ কয়েকবার তার বোরকা পরা ছবি তোলেন এবং তাকে দিনে পাঁচবার নামাজ পড়ার জন্য চাপ দেন। তিনি ভুক্তভোগীকে একটি দরগায় নিয়ে যান, তাকে ইসলামিক কলমা পড়তে বাধ্য করেন এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করেন।

    তবে, এই হিন্দু ভুক্তভোগী যখন প্রতিবাদ করেন, তখন অভিযুক্ত শেখ আলী আলম তাকে নির্যাতন করেন, তার অশ্লীল ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল করার হুমকি দেন। তিনি তাকে হত্যার হুমকিও দেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, জিম প্রশিক্ষক ফয়সাল এবং তার সহযোগীরাও এই লাভ জিহাদ এবং ধর্মান্তকরণ চক্রের সাথে জড়িত।

    ইসলামে ধর্মান্তরিত করার এজেন্ডা

    সিল করা পাঁচটি জিম জুড়ে, অভিযুক্ত মুসলিম ব্যক্তিরা ৫০ জনেরও বেশি হিন্দু মেয়েকে প্রলুব্ধ করে, তাদের শোষণ করে, ব্ল্যাকমেইল করে এবং তাদের ইসলামে ধর্মান্তরিত (GYM Conversion) করার এজেন্ডায় কাজ করছিল। এখন, পুলিশ কেবল অভিযুক্ত সকল ব্যক্তির কল ডেটা রেকর্ডই তদন্ত করছে না, বরং প্রশ্নবিদ্ধ জিমের তহবিলও তদন্ত করছে। যদিও জিম প্রশিক্ষকদের ১০,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকার মধ্যে বেতন দেওয়া হত, তারা ব্র্যান্ডেড জুতা এবং পোশাক পরতেন এবং দামি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন। জানা গেছে যে মির্জাপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং জনপ্রতিনিধিরা এই জিমগুলিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে রয়েছেন।

  • Hindus Under Attack: হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চলছেই, দেখে নিন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চলছেই, দেখে নিন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশ- উভয় ক্ষেত্রেই হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের (Hindus Under Attack) ওপর হামলা ক্রমাগত ঘটে চলেছে। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নিপীড়ন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Roundup Week)। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে এসেছে, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে করে করে করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা আজ তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছেন। একই সঙ্গে অভূতপূর্ব মাত্রায় বাড়ছে হিন্দু-বিদ্বেষও। গত ১৮ জানুয়ারি থেকে ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ এই সপ্তাহে সাপ্তাহিক সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনে আমরা এই ধরনের অপরাধের একটি চিত্র তুলে ধরতে চাই, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন।

    কর্নাটক (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই আসা যাক, ভারতের কথায়। কর্নাটকের হাভেরি জেলার ব্যাদগি তালুকের মল্লুর গ্রামে দান করা একটি জমির ওপর নির্মিত একটি সরকারি উর্দু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণকালে দান করা অংশের বাইরের জমিও দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ দাতা পরিবারের সদস্য বীরাপ্পা কুলকার্নির। তিনি দখলকরা জমি ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। বিজয়নগর জেলার হোসপেটেতে ভয়াবহ ঘটনায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রেলওয়ে স্টেশন রোড সংলগ্ন চাপালাগাড্ডা এলাকায় একটি বাড়ির ছাদ থেকে উদ্ধার হয় এক মহিলার গলাকাটা দেহ। নিহতের নাম উমা (৩৫), তিন সন্তানের জননী। দাম্পত্য কলহের কারণে তিনি প্রথম স্বামী রঘু ওরফে রামাঞ্জনেয়ার থেকে প্রায় ছ’বছর ধরে আলাদা ছিলেন এবং বাবা-মায়ের বাড়িতে থাকতেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তিনি চার মাস আগে খাজা হুসেন নামে এক ইসলামপন্থী ব্যক্তিকে বিয়ে করেছিলেন (Hindus Under Attack)।

    পুলিশের হাতে সমাজকর্মী

    গভীর রাতে ব্যানারঘাট্টা পুলিশের হাতে সমাজকর্মী পুনীত কেরেহল্লির গ্রেফতারি নিয়ে তীব্র জনরোষ তৈরি হয়েছে (Roundup Week)। অভিযোগ, বেআইনি বাংলাদেশি অভিবাসী বসতি নিয়ে নাগরিক নজরদারি দমন করতেই এই পুলিশি পদক্ষেপ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মুক্তির দাবিতে ব্যাপক প্রচার শুরু হয়েছে। এদিকে, গত সাত বছরে একটি ভয়াবহ প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। মুসলিম হিজড়ারা হিন্দু হিজড়াদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ, শারীরিক নিপীড়ন, হুমকি ও মানসিক নির্যাতন করছেন (Hindus Under Attack)। বেলাগাভি জেলার এক নাবালিকা হিন্দু কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, মহম্মদ সাহিল নামে এক ইসলামপন্থী ব্যক্তি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও ধর্মান্তরের চেষ্টা করে। বেঙ্গালুরু থেকে তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে।

    লাভ জেহাদ

    উত্তরপ্রদেশের হামিরপুর জেলায় লাভ জেহাদের এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। সুমেরপুরের এক নাবালিকা হিন্দু মেয়েকে প্রলুব্ধ করে ধর্ষণ, অশ্লীল ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল এবং ধর্মান্তরের চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সনাতনী সংগঠন ও ব্যবসায়ীরা বাজার বন্ধ করে প্রতিবাদ জানান (Roundup Week)। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া দুটি ঘটনায় নয়া বিতর্কে জড়িয়েছেন। বেলাগাভিতে এক সরকারি অনুষ্ঠানে গেরুয়া পাগড়ি পরতে অস্বীকার করা এবং বেঙ্গালুরুতে এক ভক্তের দেওয়া গুরু রাঘবেন্দ্র স্বামীর ছবি ফিরিয়ে দেওয়া। এতে কংগ্রেস সরকারের তথাকথিত ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ নিয়েই উঠছে প্রশ্ন (Hindus Under Attack)।

    মুসলমান ইনফ্লুয়েন্সার

    কেরলে সোশ্যাল মিডিয়া মুসলমান ইনফ্লুয়েন্সার শিমজিথা মুস্তাফার অভিযোগের পর ৪২ বছরের ইউ দীপক আত্মহত্যা করেন। ভাইরাল ভিডিওর জেরে জনসমক্ষে অপমানিত হয়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলে পরিবারের অভিযোগ। কেরল মানবাধিকার কমিশন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। উদুপিতে শতাব্দীপ্রাচীন পার্যায়া উৎসবে জেলা প্রশাসনের অংশগ্রহণ নিয়ে কংগ্রেস-বিজেপি সংঘাত তৈরি হয়েছে। কেসরি পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিতর্ক। মেকআপ আর্টিস্ট রুচিকা শর্মা দাবি করেন, হিন্দু দেবী মারিয়াম্মা ও খ্রিস্টান মেরি একই, যা মিশনারি যুগের পুরনো মিথ্যাকে আবার প্রচার করেছে (Hindus Under Attack)। বেঙ্গালুরুর কাদুগোডি এলাকায় রোড রেজের ঘটনায় ইসলামপন্থী সৈয়দ আরবাজ খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা অবিরাম এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না (Roundup Week)। সিলেটের গোয়াইনঘাটে এক হিন্দু শিক্ষকের বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে। গোয়ালন্দ মোড়ে পেট্রোলের দাম না দিয়ে পালাতে গিয়ে এক হিন্দু কর্মী রিপন সাহাকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা করা হয় (Hindus Under Attack)।

    বিদেশ

    অস্ট্রেলিয়ার খাদ্য সংস্থা মন্ডেলেজ ইন্টারন্যাশনালের পণ্যে গোপনে গরুর মাংস ব্যবহারের অভিযোগে বিশ্বজুড়ে হিন্দুরা ক্ষমা প্রার্থনার দাবি তুলেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনার ক্যারিতে শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। হিন্দু সংগঠনগুলি একে ঘৃণাজনিত অপরাধ হিসেবে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে রয়েছে ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। ইসলামি দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ প্রকাশ্য হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দেশগুলিতেও সূক্ষ্ম ও প্রাত্যহিক বৈষম্য হিন্দু-বিদ্বেষকে উসকে দিচ্ছে। দীপাবলিতে বাজি নিষেধাজ্ঞা তার একটি উদাহরণ। এটি আপাতদৃষ্টিতে পরিবেশগত হলেও, বাস্তবে দ্বিচারিতার পরিচয় দেয় (Hindus Under Attack)।

     

LinkedIn
Share