Tag: Bengali news

Bengali news

  • Jawan: মুক্তির দিনই ছবি ফাঁস অনলাইনে, তবু ১০০ কোটির ক্লাবে ঢুকল ‘জওয়ান’

    Jawan: মুক্তির দিনই ছবি ফাঁস অনলাইনে, তবু ১০০ কোটির ক্লাবে ঢুকল ‘জওয়ান’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আট মাস আগেই বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিল শাহরুখ খান অভিনীত ছবি ‘পাঠান’। এবার ‘পাঠান’ এর সঙ্গে জওয়ানের লড়াই! বক্স অফিসে কে এগিয়ে থাকবে! বৃহস্পতিবার ৭ সেপ্টেম্বরে মুক্তি পেল শাহরুখ খান অভিনীত ছবি ‘জওয়ান’ (Jawan)। ‘জওয়ান’ (Jawan) যে দেশজুড়ে ঝড় তুলতে চলেছে তার পূর্বাভাস মিলেছিল টিকিট বিক্রিতেই  প্রত্যাশা মতোই শাহরুখ খানের ছবি প্রথম দিনেই ১০০ কোটির ক্লাবে ঢুকে পড়েছে।

    দেশজুড়ে ঝড় তুলেছে ‘জওয়ান’ (Jawan) ছবি

    শাহরুখ খান, নয়নতারা, বিজয় সেতুপতি অভিনীত এই ছবি সর্বকালের সবচেয়ে বড় বলিউড ওপেনার হয়ে বক্স অফিসে ভেঙে দিল যাবতীয় রেকর্ড। জানা গিয়েছে অগ্রিম টিকিট বুকিং হয়েছিল ‘জওয়ান’ (Jawan) এর প্রায় ১৪ লাখ। বৃহস্পতিবার প্রায় দশ হাজার স্ক্রিনে মুক্তি পেয়েছে ‘জওয়ান’ (Jawan) ছবি। জানা গিয়েছে, নির্মাতাদের হিসাব অনুযায়ী প্রথম দিনেই ভারতের বিভিন্ন বক্স অফিসে ‘জওয়ান’(Jawan) এর সংগ্রহ হতে পারে ৮৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে বিদেশের সিনেমা হলগুলিতে সংগ্রহ হতে পারে ৫০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ১০০ কোটি পার প্রথম দিনেই।

    প্রথম দিনেই অনলাইনে ফাঁস হয়ে গেল ছবি

    এত কিছুর মাঝেও ছবিটি ফাঁস হয়ে গেল অনলাইনে। রোখা গেল না প্রাইরেসি। মুক্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র সিনেমাটি (Jawan)। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারনা, প্রাযইরেসি রোখা না গেলেও তা খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারবে না। সাধারণভাবে সিনেমা হলে গিয়ে কোনও দর্শক তাঁর মোবাইলের ক্যামেরার মাধ্যমে গোটা ছবিটির ভিডিও করেন এবং তা ছড়িয়ে দেন বিভিন্ন ইন্টারনেট সাইটে। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারনা, শাহরুখ খানের অভিনীত ছবি প্রথমবারের জন্য সিনেমা হলে দেখতেই বেশি পছন্দ করেন দর্শকরা। তাই স্বাভাবিক ভাবেই অনলাইনে ফাঁস হলেও তার প্রভাব খুব বেশি পড়বে না। তবে এটাই প্রথম নয় এর আগে গত ১০ অগাস্ট মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্স-এ ‘জওয়ান’ (Jawan) ছবির বেশ কিছু দৃশ্য ফাঁস হয়ে যায়। যা নিয়ে শাহরুখ পত্নী গৌরী খান পুলিশ স্টেশনে এফআইআর দায়ের করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati:পানিহাটি হাসপাতালে দালাল চক্র! ডাক্তারের চেয়ারে বসে ওষুধের দোকানের মালিক

    Panihati:পানিহাটি হাসপাতালে দালাল চক্র! ডাক্তারের চেয়ারে বসে ওষুধের দোকানের মালিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ওষুধের দালাল চক্রের হদিশ মিলল। বিষয়টি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য  ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসকদের একাংশ এই দালাল চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ। ওধুষের দোকানের মালিকের কথা মতো চিকিৎসকরা ওষুধ লিখছেন। রোগীর পরিবারের লোকজন বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকারই এক ওষুধের দোকানের মালিক জরুরি বিভাগে এসে চিকিৎসকদের পাশে তাঁদের বলার চেয়ারে বসে রোগীদেরকে কি ওষুধ লিখছেন তা নজরদারি রাখছেন। মূলত তার দোকানে যে সমস্ত ওষুধ রয়েছে, সেই সব ওষুধ রোগীদের জন্য প্রেসক্রিপশনে লেখার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। আর খোদ ওষুধের দোকানের মালিকই  হাসপাতালে চিকিৎসকদের চেম্বারে বসে নজরদারি করায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রোগীর পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, জরুরি বিভাগে লাইন দিয়ে রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসেন। কিন্তু, ওই ওষুধের দোকানের মালিক নির্দ্বিধায় হাসপাতালের ভিতরে ঢুকে চিকিৎসকদের পাশে পাশেই বসে নজরদারি করেন। বাইরে কেউ আসলে অনেকেই তাকে চিকিৎসক ভাববেন। কিন্তু, তিনি দিব্যি হাসপাতালে ঢুকে দিনের পর দিন চিকিৎসকদের উপরে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন। মূলত চিকিৎসকদের লেখা প্রেসক্রিপশনে তার দোকানে থাকা ওষুধ লেখার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    কী বললেন হাসপাতালের সুপার?

    দালাল চক্রের সক্রিয়তা এতটাই বেড়েছে যে হাসপাতালে সুপারেরও বিষয়টি নজর এসেছে। হাসপাতালে সুপার শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। কেউ যেন জরুরি বিভাগর এসে চিকিৎসকদের পাশে বসে না থাকে তা দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিন বিষয়টি নজরদারি করব। নিয়ম না মানলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    কী বললেন অভিযুক্ত ওষুধের দোকানের মালিক?

    যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওষুধের দোকানের মালিক দেবাশিস দাশগুপ্ত। তিনি বলেন, এক মাসের ফিট সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য আমি হাসপাতালে এসেছিলাম। তবে চিকিৎসকের পাশে বসা আমার ঠিক হয়নি। আগে কখনো বসিনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয়। চিকিৎসকদের ওষুধ লেখার ব্যাপারে আমি কোন প্রভাবিত করি না। আমাকে বদনাম করার জন্য এসব করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament of India: উদ্বোধনের পর চলতি মাসেই প্রথম অধিবেশন বসছে নয়া সংসদ ভবনে, কবে জানেন?

    Parliament of India: উদ্বোধনের পর চলতি মাসেই প্রথম অধিবেশন বসছে নয়া সংসদ ভবনে, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের (Parliament of India) বিশেষ অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে। পুরনো সংসদ ভবনে এই অধিবেশন শুরু হলেও তা শেষ হবে নতুন সংসদ ভবনে (Parliament of India)। সূত্রের খবর, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রয়েছে গণেশ চতুর্থী এবং সেই দিনই সংসদের নতুন ভবনে অধিবেশন স্থানান্তরিত হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে আগামী ১৮ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পাঁচ দিনের জন্য সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। চলতি বছরের ২৮ মে নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপর থেকেই শুরু হয়েছিল জোর চর্চা, যে কবে বসবে নতুন সংসদে (Parliament of India) অধিবেশন? অবশেষে তা গণেশ চতুর্থীর শুভক্ষণেই বসতে চলেছে।

     সংসদের বিশেষ অধিবেশনে কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে?  

    বাদল অধিবেশন (Parliament of India) শেষ হওয়ার পরে ফের একবার বিশেষ অধিবেশন কেন ডাকা হল তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে গুঞ্জন। সাধারণভাবে বিশেষ কোনও সিদ্ধান্ত নিতেই সরকারপক্ষ এমন অধিবেশন ডাকে। আবার ওয়াকিবহল মহলের ধারনা, বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করাতেই হয়তো ডাকা হচ্ছে এই অধিবেশন (Parliament of India)। সূত্রের খবর, বেশ কতগুলি ইস্যু রয়েছে যা উঠতে পারে সংসদের বিশেষ অধিবেশনে। যার মধ্যে অন্যতম হল, ‘এক দেশ এক ভোট’ ইতিমধ্যে এ নিয়ে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে কমিটিও গঠন করেছে কেন্দ্র। অন্যদিকে দেশজুড়ে এখন আলোচনা চলছে, ‘ভারত বনাম ইন্ডিয়া’ বিষয়ে। ইতিমধ্যে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের আমন্ত্রণ পত্রে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর নামের নিচে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’।  

    সোনিয়া গান্ধীর চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে প্রহ্লাদ জোশীর প্রতিক্রিয়া 

    এদিকে বুধবারই সংসদের (Parliament of India) বিশেষ অধিবেশনে কী নিয়ে আলোচনা হবে তা জানতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দেন সোনিয়া গান্ধী।  ওই চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন যে বিরোধী দলগুলিকে না জানিয়ে সরকার সংসদের (Parliament of India) অধিবেশন ডেকেছে। যানিয়ে শুরু হয়েছে বিজেপি কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক লড়াই। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি ইতিমধ্যে সোনিয়া গান্ধীর এই বক্তব্যকে খণ্ডন করে বলেছেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিতর্ক তৈরি করতে চাইছে কংগ্রেস। তাঁর আরও অভিযোগ,গণতন্ত্রের মন্দিরকে নিয়ে রাজনীতি করছেন সোনিয়া গান্ধী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: জন্মাষ্টমীতে মায়াপুর ইসকন মন্দিরে কী কী আয়োজন রয়েছে, জানেন কী?

    ISKCON: জন্মাষ্টমীতে মায়াপুর ইসকন মন্দিরে কী কী আয়োজন রয়েছে, জানেন কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫০ তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষ্যে মায়াপুর ইসকন (ISKCON) মন্দিরে শুরু হল জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান। সকাল থেকেই হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয় ইসকন মন্দিরে। প্রতি বছরই এই দিনটিকে ধূমধাম করে বিভিন্ন ভক্তিমূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করা হয়।

    জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠান নিয়ে কী বললেন ইসকনের (ISKCON) জনসংযোগ আধিকারিক?

    সকাল থেকেই দফায় দফায় চলে অনুষ্ঠান। রাতে অভিষেক হয় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মূর্তির। এদিন সকাল থেকেই মঙ্গল আরতি শুরু হয়। এরপর দিনভর চলে ভাগবত গীতা পাঠ। সন্ধ্যাবেলা চলবে মঙ্গল আরতি। আর এই আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে শুধু দেশের ভক্ত নয়, বিদেশের হাজার হাজার ভক্তরা অংশগ্রহণ করেন এদিন। এ বিষয়ে ইসকনের (ISKCON) জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস বলেন, সারাদিন ধরে বিভিন্ন ভাষায় চলবে ভাগবত পাঠ। সন্ধ্যা থেকে গুরু পূর্ণিমা এরপর ভগবান দর্শন প্রক্রিয়া চলবে। অন্যদিকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে দিনভর। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চরণে পুষ্পার্পণ করা হবে সমগ্র জাতির মঙ্গল কামনায়। তিনি আরও বলেন, এদিনের অনুষ্ঠানে মন্দিরে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চলছে বিভিন্ন পরীক্ষা। সকাল থেকেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠান দর্শন করার জন্য বহু ভক্তের সমাগম ঘটে। তবে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইসকন মন্দিরে ভক্তের অনেকটা ভিড় বেড়ে যায়।

    ভক্তরা কী বললেন?

    সমর ঘোষ নামে এক ভক্ত বলেন, আমি বাগবাজারে থাকি। বুধবারই আমি ইসকনে মন্দিরে চলে এসেছি। ভোর থেকে মন্দিরে রয়েছি। দিনভর নানা অনুষ্ঠানের মধ্যেই মন্দিরে (ISKCON) থেকে খুব ভাল সময় কাটবে। সুস্মিতা দাস নামে এক ভক্ত বলেন, প্রতি বছরই আমি এই অনুষ্ঠানে ইসকনে আসার চেষ্টা করি। আমার বাড়ি কালনায়। এদিন ভোরে মন্দিরে চলে আসি। সারাদিন মন্দিরে নানা ধরনের অনুষ্ঠান দেখে মন ভরে যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: মিনাখাঁ থেকে ১৬ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া যুবতীর খোঁজ মিলল, কীভাবে?

    North 24 Parganas: মিনাখাঁ থেকে ১৬ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া যুবতীর খোঁজ মিলল, কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাজবুল্লা খাতুন মারা গিয়েছে। ১১ বছর বয়সে সে এক আত্মীয়ের হাত ধরে মিনাখাঁ থেকে দিল্লি পাড়ি দিয়েছিল। আর সে বাড়ি ফেরেনি। বহু খোঁজ করেছেন বাড়ির লোকজন। কিন্তু, আর হদিশ পাননি নাজবুল্লার। এরপর ১৬ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। অবশেষে বাড়ির লোকজনের পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও ধরে নিয়েছিলেন আর নাজবুল্লা আর বেঁচে নেই। সেই ১৬ বছর আগে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মিনাখাঁ থেকে হারিয়ে যাওয়া  যুবতীর হদিশ করল হ্যাম রেডিও।

    কী করে খোঁজ মিলল?

    ১১ বছর বয়সে কাজের খোঁজে সে এক আত্মীয়ের হাত ধরে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মিনাখাঁ থেকে দিল্লি পাড়ি দিয়েছিল। তারপর আর তার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। বাড়ির লোকজন বহুবার দিল্লি গিয়েছেন তার খোঁজে। কিন্তু, খালি হাতেই বার বার তাঁদের ফিরতে হয়েছে। হ্যাম রেডিও সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে হ্যাম রেডিওর এক কর্মকর্তার কাছে। সেই ফোনে কথা বলেই  নাজবুল্লার হদিশ পাওয়া যায়। জানা যায়, ১১ বছরের ছোট্ট নাজবুল্লার বয়স এখন ২৭ বছর। এখন তিনি রাজস্থানে থাকেন। তিনি তিন সন্তানের মা। তাঁর নাম এখন রূপা মণ্ডল। তিনি এক জাঠ সম্প্রদায় যুবককে বিয়ে করেছেন। নাজবুল্লার স্বামী বলেন, বহু বছর আগে দিল্লি থেকে রাজস্থান ফেরার পথে  নিউ দিল্লি স্টেশনে হাউ হাউ করে কাঁদছিল নাজবুল্লা খাতুন নামে ওই মেয়েটি। একটি অসহায় মেয়েকে বাড়িতে স্থান দেব ভেবেই বাড়িতে নিয়ে এসে মার হাতে তুলে দিয়েছিলাম। পরবর্তীকালে মা মারা যাওয়ার পর মার কথা মতনই বিয়ে করলাম ওকে। তখন রেজিস্ট্রি করার জন্য আধার কার্ডের প্রয়োজন হয়ে পড়ল। একেকবার এক নাম বলছে দেখে আমি ঠিক করি রূপা মন্ডলই ওর নাম দেওয়া থাক। তাই ছোটবেলার নাজবুল্লা আজ রুপা। ওর বাড়়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। খুব শীঘ্রই আমরা যাব। আর নাজবুল্লা বলেন, ১৬ বছর পর বাড়ি ফিরব জেনেই খুবই আনন্দ লাগবে।

    কী বললেন হ্যাম রেডিও ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক?

    হ্যাম রেডিও ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অম্বরীশ নাগবিশ্বাস বলেন, নাজবুল্লার সঙ্গে কথা বলে ওর একজন আত্মীয়ের নামের কথা জানতে পারি। এরপর হ্যাম রেডিওর সদস্যদের সাহায্যে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মিনাখাঁয় ওর বাড়ির হদিশ পাই। বাড়ির লোকজন জানেন নাজবুল্লা বেঁচে নেই। ১৬ বছর পর মোবাইল ভিডিও কলে কথা বলতে পেরে ফোনের ওপারে রাজস্থানে বসে নাজবুল্লা আর মিনাখাঁর বাড়িতে বসে পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। খুব শীঘ্রই দুই পরিবার এক হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mental Stress: মানসিক চাপ কি বেড়ে যাচ্ছে! স্কুল পড়ুয়াদের আত্মহত্যার প্রবণতা রুখবেন কীভাবে? 

    Mental Stress: মানসিক চাপ কি বেড়ে যাচ্ছে! স্কুল পড়ুয়াদের আত্মহত্যার প্রবণতা রুখবেন কীভাবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শিক্ষকদের শাসন কিংবা বাবা-মায়ের কড়া কথা, নিত্যদিনের বিভিন্ন ঘটনায় হচ্ছে মন খারাপ। গ্রাস করছে অবসাদ (Mental Stress)। বিশেষত বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের মধ্যে বাড়ছে মানসিক সমস্যা। আর তার জেরেই বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবক, শিক্ষক মহল থেকে মনোরোগ চিকিৎসকরাও। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, একাধিক কারণে বাড়ছে এই সমস্যা। তবে, সচেতনতা, যত্ন ও নজরদারি রুখতে পারে বড় কোনও বিপদ!

    কেন বাড়ছে মানসিক চাপ (Mental Stress)? 

    মনোরোগ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়ঃসন্ধিকাল জীবনের সবচেয়ে জটিল সময়। এই পর্বে শিশুমন থেকে পরিণত মনে উত্তরণ হয়। তাই চিরকাল এই সময়ে সন্তানকে দেখভালের জন্য বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি। কারণ এই বয়সে শরীরে একাধিক নতুন হরমোন কাজ করা শুরু করে। ফলে, মস্তিষ্কে নানান রাসায়নিক কাজ হয়। আর তার জেরেই মানসিক অস্থিরতাও তৈরি হয়। আধুনিক সময়ের হাত ধরে এসেছে মোবাইল আর ইন্টারনেট। আর এর জেরেই স্কুল পড়ুয়াদের মুঠোতেও সমস্ত রকমের তথ্য। অনেক ক্ষেত্রে সেই তথ্যের অপব্যবহার তাদের বিপদ বাড়াচ্ছে। তাছাড়া, স্কুল পড়ুয়াদের একটা বড় অংশ এখন ভার্চুয়াল জগতে অভ্যস্ত। একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে তাদের দিনের অধিকাংশ সময় কাটছে। সরাসরি বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ কমছে। পাশপাশি বসে কথা বলার পরিবর্তে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতেই বন্ধু হোক বা শিক্ষক, তাদের সঙ্গে কথা বলা, আলোচনা সবটাই হচ্ছে। আর দিনের পর দিন ভার্চুয়াল জগতে অধিকাংশ সময় কাটানোর জেরে অনেকেই বাস্তব বিমুখ হয়ে পড়ছে। ফলে, সামান্য রকম সমস্যা তাদের আরও বেশি অস্থির (Mental Stress) করে তুলছে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এর জেরেই বাড়ছে সিদ্ধান্তহীনতা। স্কুলের প্রজেক্ট সময়ে জমা দিতে না পারার মতো সমস্যা হোক কিংবা বাড়িতে দেরিতে ফেরার জন্য অভিভাবকের শাসন, সবেতেই আশাহত হয়ে পড়ছে। মনে এক ধরনের নিরাশা তৈরি হচ্ছে। আর তখনই আত্মহত্যার প্রবণতা তৈরি হচ্ছে।

    কীভাবে সতর্ক (Mental Stress) হবেন অভিভাবক? 

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রথম থেকেই সতর্ক থাকলে বড় বিপদ (Mental Stress) এড়ানো সম্ভব। তাদের পরামর্শ, শিশুকে প্রথম থেকেই অনুশাসন, নিয়মানুবর্তিতার পাঠ পড়ানো দরকার। অনেক ক্ষেত্রে ছোটরা সময় মতো খাবার না খেলে কিংবা নিয়মিত পড়তে না বসলে, বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় না। কিন্তু দিনের পর দিন সময় মতো কাজ না করার অভ্যাস, তাদের মধ্যে নিয়মানুবর্তিতার ঘাটতি তৈরি করে। যার জেরে, পরবর্তী কালে দায়িত্ব বাড়লেই চাপ তৈরি হয়। 
    নিয়মিত খেলাধূলার অভ্যাস তৈরি করা জরুরি বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন পেরেন্টিং কনসালটেন্টদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মাঠে ক্রিকেট, ফুটবল, হকির মতো দলবদ্ধ খেলার অভ্যাস থাকলে হারা এবং জেতার অভ্যাসও থাকবে। পাশপাশি যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার কাজ শিখতে পারবে। এর ফলে যেমন কোনও বিষয়ে ব্যর্থ হলেও আবার লড়াই করার মতো মানসিক জোর থাকবে, তেমনি শিখবে কীভাবে কোনও সমস্যায় পড়লে কাছের মানুষদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে হয়। 
    পড়াশোনার পাশাপাশি সৃজনশীল কোনও কাজ যেমন ছবি আঁকা, গান কিংবা নাচ শেখা দরকার। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের প্রশিক্ষণ শিল্পী মনের বিকাশ ঘটায়। এতে মানসিক অস্থিরতা কমে।

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সন্তান বড় হলে, তার সঙ্গে পরিবারের বিভিন্ন সমস্যা ভাগ করে নেওয়ার দায়িত্ব বাবা-মায়ের। তার ফলে সন্তানের বাস্তব বোধ বাড়ে। মন পরিণত হয়। তাঁদের পরামর্শ, বাজার করা, রান্না করার মতো নিত্যদিনের ঘরের কাজ হোক কিংবা অফিসে সময় মতো পৌছতে যানজটের সমস্যা, জীবনের ছোট-বড় বাধার গল্প সন্তানের সঙ্গে ভাগ করলে, তারা বাস্তব জীবন বুঝতে শিখবে। নানান সমস্যা পেরিয়ে বেঁচে থাকা যায়, সেই বোধ, তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে পরিণত করবে। 
    তবে, সন্তান অতিরিক্ত চুপচাপ থাকলে, দিনের অধিকাংশ সময় একা ঘরবন্দি থাকলে, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দিলে সতর্ক হতে হবে বলেই জানাচ্ছেন মনোরোগ চিকিৎসকরা। কারণ, সময় মতো বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও চিকিৎসা বড় বিপদ আটকাতে পারে বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: কোটিপতি প্রাক্তন পোস্টমাস্টার! তদন্তে পাঁশকুড়ার বাড়িতে ইডির তল্লাশি

    ED: কোটিপতি প্রাক্তন পোস্টমাস্টার! তদন্তে পাঁশকুড়ার বাড়িতে ইডির তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগে প্রাক্তন পোস্টমাস্টারের বাড়িতে তল্লাশি চালাল ইডি (ED)। গ্রাহকদের কাছ থেকে পাঁচ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠল প্রাক্তন পোস্টমাস্টারের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই প্রাক্তন পোস্টমাস্টারের নাম লক্ষ্মণচন্দ্র হেমব্রম। রাত পর্যন্ত তল্লাশি চালায় ইডির তদন্তকারী দল। বিষয়টি জানাজানি হতেই পাঁশকুড়াজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ওই পোস্টমাস্টারের আদি বাড়ি পাঁশকুড়ার নস্কর দিঘিতে। তবে বর্তমানে তিনি পাঁশকুড়া পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিশাল জায়গা কিনে প্রাসাদোপম বাড়ি তৈরি করেছেন।

    গৃহশিক্ষক থেকে পোস্টমাস্টার হয়ে কোটিপতি!

    জানা গিয়েছে, লক্ষ্মণের বাবা, মা দিনমজুর ছিলেন। প্রথম জীবনে লক্ষ্মণ টিউশনি করতেন। পরে, ডাক বিভাগে চাকরি পান। ২০১৮ সালে লক্ষ্মণচন্দ্র হেমব্রম পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়নার রামচন্দ্রপুরে পোস্টমাস্টার পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি ওই সময় বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। কারণ, সেই সময় বিভিন্ন ক্লাব, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তিনি টাকা ঢালতেন। ওই সময়েই গ্রাহকরা পোস্টমাস্টারের বিরুদ্ধে পাঁচ কোটি টাকার অর্থ তছরুপের অভিযোগ আনেন। অভিযোগ আসার পরেই ওই ব্যক্তিকে কোলাঘাটের নতুন বাজারের পোস্টমাস্টার হিসাবে নিযুক্ত করে বিভাগীয় দফতর। এরপর অর্থ তছরুপের অভিযোগের ভিত্তিতেই ২০১৯ সালে বিভাগীয় দফতর চাকরি থেকে অপসারিত করে তাঁকে। ২০২০ সালে অভিযোগের ভিত্তিতেই পাঁশকুড়া থানার পুলিশ প্রাক্তন পোস্টমাস্টারকে আটক করে। তবে, পরবর্তী সময়ে তিনি জামিনে মুক্ত হন। তবে, ওই পাঁচ কোটি টাকার তছরুপের অভিযোগে কেন্দ্রীয় সরকারের তদন্তকারী দল ইডি (ED) তদন্তের কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে  থাকে। অসমর্থিত সূত্রের খবর, সম্প্রতি সিজিও কমপ্লেসে ডেকে পাঠানো হয় লক্ষ্মণকে। কিন্তু, তিনি যাননি। তাই মঙ্গলবার তদন্তকারী দল তার বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি শুরু করে। প্রথমে বাড়িতে প্রবেশ করে প্রত্যেকের মোবাইল নিজেদের হেফাজতে নেয়। তারপরেই পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সমস্ত খুঁটিনাটি দেখা হয়। রাত ন’টা পর্যন্ত চলে তল্লাশি।

    নিজের সম্পত্তি প্রসঙ্গে কী বললেন প্রাক্তন পোস্টমাস্টার?

    লক্ষ্মণ বলেন, ইডি (ED) আধিকারিকরা বাড়িতে এসে সমস্ত কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন। বলেছেন, কাগজপত্র সব ঠিক আছে। আমাকে ৮ তারিখ সিজিও কমপ্লেক্সে যেতে বলা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে যে আর্থিক অভিযোগ রয়েছে তা ঠিক নয়।

    ইডি হানা নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    পাঁশকুড়া থানার আইসি আশিস মজুমদার বলেন, কাউকে না জানিয়ে ইডি (ED) আসে। থানার কাছে কোনও তথ্য ছিল না। জানা গিয়েছে, ফের আগামী ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়েছে লক্ষ্মণকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: ‘‘অখণ্ড ভারতের ভাবনাও আগামী দিনে সত্যি হবে’’, মন্তব্য সঙ্ঘ প্রধানের

    Mohan Bhagwat: ‘‘অখণ্ড ভারতের ভাবনাও আগামী দিনে সত্যি হবে’’, মন্তব্য সঙ্ঘ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অখণ্ড ভারতের ভাবনাও আগামী দিনে সত্যি হবে, বুধবার এমনই মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সঙ্ঘ প্রধানের দাবি, অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে আগামী দিনেই। প্রসঙ্গত, নাগপুরে এদিন সঙ্ঘ প্রধান হাজির ছিলেন একটি অনুষ্ঠানে। যেখানে তাঁকে অখণ্ড ভারতের বিষয়ে প্রশ্ন করে একজন ছাত্র। সে বিষয়ে উত্তর দিতে গিয়েই সঙ্ঘ প্রধান অখণ্ড ভারত কবে হবে, তার ব্যাখ্যা দেন।

    কী বললেন সঙ্ঘ প্রধান (Mohan Bhagwat)?

    বুধবার মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, ‘‘আমি বলতে পারব না সঠিক কবে অখণ্ড ভারতের নির্মাণ হবে, তবে ভবিষ্যতে তা নিশ্চয়ই হবে। যদি কাজে লেগে থাকা হয়, তাহলে আমরা বৃদ্ধ হওয়ার আগেই স্বপ্নপূরণের সাক্ষী থাকতে পারবো। অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হওয়ার অন্যতম যুক্তি হল যে যারা আমাদের থেকে পৃথক হয়েছিল, তারা এখন উপলব্ধি করছে যে সেটা ভুল ছিল এবং তাদের উপলব্ধি এটাও যে আমাদের ভারতের সঙ্গে পুনরায় থাকা উচিত।’’

    গুয়াহাটিতে দিন কয়েক আগেই সর্বত্র ‘ভারত’ ব্যবহার করতে বলেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) 

    প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগেই সঙ্ঘ প্রধান (Mohan Bhagwat) মন্তব্য করেছিলেন, ইন্ডিয়ার বদলে আমরা সব জায়গায় ভারত ব্যবহার করব। তাঁর এই বক্তব্যকে নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে শেয়ারও করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। দিল্লিতে বসতে চলেছে জি-২০ এর শীর্ষ সম্মেলন, সেখানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর নামের নিচে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’। বিশেষজ্ঞ মহল অবশ্য সঙ্ঘ প্রধানের (Mohan Bhagwat) ভাবনাতেই সিলমোহর দিচ্ছে। তাঁদের যুক্তি, ‘‘ভারত এই নামকরণ অতীতে বিভিন্ন হিন্দু পুরাণে যেমন উল্লেখ রয়েছে, তেমনই ভারতবর্ষের ভাষার বৈচিত্রের মধ্যেও এই নামটা বদলায়নি এবং অনেক প্রাচীন যুগ থেকেই ভারত নামটি প্রচলিত রয়েছে।’’ প্রসঙ্গত দেশের সমস্ত দাসত্বের চিহ্ন মুছে ফেলতে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে মোদি সরকারকে। এবার দেখার  ইন্ডিয়া নাম সরকারিভাবে বদলায় কিনা!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pralhad Joshi: ‘‘গণতন্ত্রের মন্দিরকে নিয়ে রাজনীতি করছেন সোনিয়া’’, অভিযোগ প্রহ্লাদ জোশীর

    Pralhad Joshi: ‘‘গণতন্ত্রের মন্দিরকে নিয়ে রাজনীতি করছেন সোনিয়া’’, অভিযোগ প্রহ্লাদ জোশীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস সংসদীয় দলের তরফ থেকে সোনিয়া গান্ধী চিঠি লিখেছিলেন নরেন্দ্র মোদিকে। সেখানে সোনিয়া গান্ধী অভিযোগ করেন, বিরোধীদের না জানিয়ে সংসদের অধিবেশন ডেকেছে সরকারপক্ষ এবং ‘ইন্ডিয়া বনাম ভারত’ সহ আরও ন’টি বিষয়ে আলোচনা করার আর্জিও জানিয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী। বুধবার সকালে সোনিয়া গান্ধীর এই প্রশ্নের জবাব সন্ধ্যাতেই খোলা চিঠির মাধ্যমে দিলেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। 

    খোলা চিঠিতে সোনিয়া গান্ধীকে কী বলেছেন প্রহ্লাদ?

    প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi) জানিয়েছেন, আগামী ১৮ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর সংসদের বিশেষ অধিবেশনে কোনও আলোচ্যসূচি স্থির করেনি সরকার। পাশাপাশি সংসদের কাজকে রাজনীতিকরণ করছেন সোনিয়া, এমন অভিযোগও তুলেছেন প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। সংসদীয় মন্ত্রীর মতে, অহেতুক বিতর্ক তৈরি করতে চাইছেন কংগ্রেস নেত্রী। সোনিয়া গান্ধীর চিঠিকে দুর্ভাগ্যপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেছেন সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। গণতন্ত্রের মন্দিরকে নিয়ে রাজনীতি করতে চাইছেন সোনিয়া গান্ধী, এমন অভিযোগও শোনা যায় সংসদীয় মন্ত্রীর গলায়।

    সোনিয়াকে সংসদীয় নিয়ম মনে করালেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী

    “আপনি জানেন, সাংবিধানের ৮৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিয়মিত সংসদের অধিবেশন হয়। সময়ে সময়ে সংসদের প্রতিটি কক্ষে তাঁর উপযুক্ত সময়ে এবং স্থানে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রপতি। নিয়ম অনুযায়ী, দুটি অধিবেশনের মধ্যে ছয় মাসের বেশি ব্যবধান রাখা যায় না। আমাদের সরকার সর্বদা যে কোনও বিষয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। আপনি যে সমস্ত বিষয়ের উল্লেখ করেছেন, সদ্য সমাপ্ত বাদল অধিবেশনে অনাস্থা প্রস্তাবের উপর আলোচনার সময় সেগুলি তোলা হয়েছিল। সরকার সেগুলির জবাবও দিয়েছে। অধিবেশনের আলোচ্যসূচি, রীতি মেনে উপযুক্ত সময়ে প্রকাশ করা হবে। আমি (Pralhad Joshi) আবারও জানাতে চাই, সরকারে যে দলই থাকুক না কেন, আজ পর্যন্ত সংসদীয় অধিবেশন ডাকার সময় আগে থেকে এজেন্ডা প্রকাশ করা হয়নি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20: ‘‘ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্থিতিশীল’’, জিনপিংয়ের অনুপস্থিতি ইস্যুতে জানাল চিন

    G20: ‘‘ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্থিতিশীল’’, জিনপিংয়ের অনুপস্থিতি ইস্যুতে জানাল চিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি ২০ (G20) শীর্ষ সম্মেলনে আসছেন না চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সে কথা আগেই জানিয়েছে চিন। এবার এ নিয়ে বিতর্ক এড়াতে বিবৃতি দিতে শোনা গেল চিনের বিদেশ দফতরের মুখপাত্রকে। চিনের দাবি, ভারতের সঙ্গে কিছু বিষয়ে তাদের মতবিরোধ হয়তো রয়েছে, কিন্তু সম্পর্ক স্থিতিশীল। নয়াদিল্লিতে জি২০ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হওয়ার ঠিক আগে এমনই বিবৃতি দিলেন চিনের বিদেশ দফতরের মুখপাত্র। প্রসঙ্গত বুধবারের সাংবাদিক সম্মেলনে জি ২০ শীর্ষ সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হয় সে দেশের বিদেশ দফতরের মুখপাত্র মাও নিংকে। উত্তরে তিনি বলেন, ‘‘সামগ্রিক ভাবে ভারত-চিন সম্পর্ক স্থিতিশীল। বিভিন্ন স্তরে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও যোগাযোগ চলছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং জি ২০ (G20) বৈঠকে যোগ দেবেন।’’

    জিনপিংয়ের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে হোয়াইট হাউসের প্রতিক্রিয়া

    মঙ্গলবারও চিনা প্রেসিডেন্টের জি ২০ সফরে না আসার প্রসঙ্গ ওঠে হোয়াইট হাউসের সাংবাদিক সম্মেলনে। আমেরিকার নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সালিভান এই প্রসঙ্গ তোলেন। ভারত-চিনের সীমান্ত সংঘাত জি ২০ সম্মেলনে প্রভাব ফেলবে কিনা, সেই উত্তরে সালিভানের মন্তব্য, “বিষয়টি চিনের উপর নির্ভর করছে। যদি চিন (সম্মেলনে) আসতে চায় এবং পণ্ড করার ভূমিকা নিতে চায়, সেই বিকল্পও তাদের হাতেই রয়েছে।”

    চিনা প্রেসিডেন্টের কাজে অখুশি কমিউনিস্ট নেতারা? 

    জানা যাচ্ছে, মাসখানেক আগে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির বর্তমান এবং অবসরপ্রাপ্ত নেতাদের একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় বেইদাইহের একটি সমুদ্রতীরবর্তী রিসর্টে। এই সম্মেলনের সমস্ত কিছুই গোপন থাকে। তবে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, কমিউনিস্ট পার্টির একদল প্রাক্তন শীর্ষ নেতার কাছ থেকে ধমক খেয়েছেন শি জিনপিং। চিনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মোটেও সন্তুষ্ট নন সে দেশের প্রাক্তন কমিউনিস্ট নেতারা। তাঁদের বার্তা হল, দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক অস্থিরতা যদি এই ভাবেই চলতে থাকে, তবে কমিউনিস্ট পার্টি জনসমর্থন হারাতে পারে। যা শাসকের কাছে হুমকির কারণ হয়ে যেতে পারে। প্রসঙ্গত, বহির্বিশ্বের নানা দেশের সঙ্গে চিনের সম্পর্কের অত্যন্ত অবনতি হয়েছে এবং বাণিজ্যে মন্দা দেখা দিয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগও হ্রাস পেয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share