Tag: Bengali news

Bengali news

  • Himachal Pradesh: এই বর্ষায় হিমাচলে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃত্যু ২৫৭ জনের, সম্পত্তি নষ্ট  ৭০০০ কোটির

    Himachal Pradesh: এই বর্ষায় হিমাচলে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃত্যু ২৫৭ জনের, সম্পত্তি নষ্ট ৭০০০ কোটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh) এই বছরে মৃত্যু হয়েছে ২৫৭ জনের এবং মোট সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭০০০ কোটি টাকা। গতকাল রবিবারে হিমাচল প্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এমনটাই ঘোষণা করা হয়েছে। এই বছর উত্তর ভারতে অধিক বৃষ্টিপাত এবং প্রাকৃতিক ধসের কারণে এই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সরকারি ভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ (Himachal Pradesh)?

    গত ২৪ জুন থেকে হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh) বিভিন্ন অঞ্চল অধিক বৃষ্টিপাত এবং ধসজনিত সমস্যায় বিপর্যয়ের শিকার হয়ে চলেছে। সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে আনুমানিক ৭০২০.২৮ কোটি টাকার সম্পত্তি ধ্বংস হয়েছে। বর্ষার এই বৃষ্টিপাতে এখনও পর্যন্ত প্রায় ২৫৭ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্যে পাহাড়ি অঞ্চলে ধসের কারণে ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৯১ জন মানুষের রাস্তায় বিপর্যয়ের কারণে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে। এই বর্ষার প্রবহমান বিপর্যয়ে নিখোঁজ হয়েছেন ৩২ জন। বিশেষ ভাবে আহত হয়েছেন ২৯০ জন মানুষ। এছাড়াও ১৩৭৬ টি বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ৭৯৩৫টি বাড়ি আংশিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রায় ২৭০ টি দোকান সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়েছে। ২৭২৭ টি গরু রাখার গোয়ালঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে। পরিসংখ্যানে বলা হয়, ৯০ টি ধসের ঘটনা ঘটেছে। ৫৫ টি বৃষ্টির জলে বন্যার ঘটনা ঘটেছে। ৪৫০ টির মতো রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যে ২টি জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ১৮১৪ টি স্থানে বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্নের ঘটনা ঘটেছে। ৫৯ টি স্থানে জল সরবরাহ সংযোগ চ্যুত হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রকৃতির মারে হিমাচলের জনজীবন নাজেহাল অবস্থা।

    মুখ্যমন্ত্রী কী বলেন

    মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুকু (Himachal Pradesh) জানান, রাজ্যের বর্ষা কবলিত পরিবেশের কথা ভেবে শিক্ষা দফতরকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি স্কুলকলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আগামী ১৪ অগাস্ট পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের সব জেলা থেকে ক্ষয়ক্ষতি এবং বিপর্যয়ের বিষয়ে জেলা শাসকদের তৎপর থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে বিশেষ ভাবে বিপর্যয়কে মোকাবিলা করার জন্য সংযোগ রক্ষার কথা বলা হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Heart Attack: হার্ট অ্যাটাকের পরের গোল্ডেন আওয়ারে হচ্ছে যথেচ্ছ রেফার! ঝুঁকি বাড়ছে রোগীর!

    Heart Attack: হার্ট অ্যাটাকের পরের গোল্ডেন আওয়ারে হচ্ছে যথেচ্ছ রেফার! ঝুঁকি বাড়ছে রোগীর!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে! কম বয়সী থেকে প্রৌঢ়, দেশ জুড়ে বাড়ছে হৃদরোগ (Heart Attack)! বাদ নেই এ রাজ্য। তবে, এ রাজ্যে হৃদরোগের জটিলতা আরও বাড়িয়ে তুলছে সরকারি হাসপাতালের রেফার রোগ। হার্ট অ্যাটাকের পরের চিকিৎসা যত দ্রুত শুরু করা যায়, বিপদ তত কমে! কিন্তু অভিযোগ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীর চিকিৎসা শুরু হতে অনেক দেরি হয়ে যায়। তাই মৃত্যু আটকানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

    কী অভিযোগ উঠছে (Heart Attack)? 

    রাজ্যের অধিকাংশ জেলাস্তরের হাসপাতাল, এমনকি জেলার মেডিক্যাল কলেজগুলোর বিরুদ্ধেও একাধিক সময়ে অকারণ রেফার করার অভিযোগ ওঠে। রেফারের জেরে রোগীর চিকিৎসার সুযোগ কমে। রোগীর সমস্যা আরও জটিল হয়ে যায়। হার্ট অ্যাটাকের মতো সমস্যার ক্ষেত্রেও এই রেফার রোগের ব্যতিক্রম হয় না। অভিযোগ, কালনা থেকে কৃষ্ণনগর কিংবা জলপাইগুড়ি থেকে ঝাড়গ্রাম, একাধিক জেলার হাসপাতালে রোগীর পরিজনদের অভিজ্ঞতা, হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) রোগী গেলেও হাসপাতালের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, চিকিৎসার প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নেই। তাই অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া দরকার। আর এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে নিয়ে যেতে গিয়েই চিকিৎসার সময় পাওয়া যায় না। যেমন দিন কয়েক আগে কালনার বাসিন্দা বছর পঞ্চাশের এক প্রৌঢ়ার হার্ট অ্যাটাক হয়। তাঁকে কালনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে কল্যাণী জেএনএম মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়। তাঁকে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে নিয়ে যেতেই প্রয়োজনীয় সময় কেটে যায়। ফলে, কার্যত বিনা চিকিৎসাতেই মারা যান ওই প্রৌঢ়া। এমনই অভিযোগ রোগীর পরিবারের। 
    একই অভিজ্ঞতা হয়েছিল বসিরহাটের বছর চল্লিশের এক ব্যক্তির। তাঁর হার্ট অ্যাটাকের পরে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখান থেকে তাঁকে আরজিকর হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, হার্ট অ্যাটাকের পরের গোল্ডেন আওয়ারে চিকিৎসা শুরু না করলে মৃত্যু আটকানো কঠিন।

    গোল্ডেন আওয়ার (Heart Attack) কী? 

    হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) পরের ৯০ মিনিট হল গোল্ডেন আওয়ার। তবে, প্রথম এক ঘণ্টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে সমস্ত প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে রোগীর চিকিৎসা শুরু হলে বড় বিপদ এড়ানো যায়। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নানান জটিলতার কারণে এই গোল্ডেন আওয়ারের মধ্যে চিকিৎসা শুরু করা যায় না। ফলে, হৃদরোগে আক্রান্তদের ঝুঁকি বাড়ে।

    এই সমস্যা (Heart Attack) রুখতে কী পদক্ষেপ নেবে স্বাস্থ্য ভবন? 

    সরকারি হাসপাতালের রেফার সমস্যা নিয়ে একাধিকবার স্বাস্থ্য ভবনে অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু তারপরেও পরিস্থিতি বদল হয়নি। যদিও স্বাস্থ্যকর্তারা জানাচ্ছেন, রোগীর পরিজন হাসপাতালের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করলে সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হয়। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়। যদিও ভুক্তভোগীরা জানাচ্ছেন, রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তৎপরতা থাকলে অনেকেই সুস্থ জীবনে ফিরে যেতে পারতেন। কিন্তু রেফার রোগের জেরে অনেকেই প্রাণ হারাচ্ছেন (Heart Attack)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Amit Shah: গান্ধীনগর লোকসভা কেন্দ্রে অমিত শাহের ১০৫২ কোটি প্রকল্পের শিলান্যাস

    Amit Shah: গান্ধীনগর লোকসভা কেন্দ্রে অমিত শাহের ১০৫২ কোটি প্রকল্পের শিলান্যাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) গুজরাটের জন্য ১০৫২ কোটি টাকার বিশেষ প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন। গান্ধীনগর লোকসভা কেন্দ্রে এই মোটা অঙ্কের প্রকল্পের শিলান্যাস অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। গান্ধীনগরে স্বাস্থ্য, রাস্তা এবং পরিবেশ বান্ধব উন্নয়নের জন্য এই প্রকল্প বিশেষ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রকল্পের কাজ গুজরাট সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের যৌথ উদ্যোগে সুসম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    কী বললেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)?

    এদিন গান্ধীনগরে এই প্রকল্পের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল সহ রাজ্যের বিজেপি নেতারা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) প্রকল্পের সূচনা করতে গিয়ে বলেন, ৭৯২ টি পরিবার নিজেদের নতুন বাড়ি পাবেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে। এই পরিবারগুলির প্রতি শুভকামনা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই দিনে রেবাবাই জেনারেল হাসপাতালের নতুন ভাবে সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি। অনেক দিন ধরে এই হাসপাতালের পরিকাঠামো ঠিকঠাক ছিল না। পাশাপাশি শেঠ এনএন প্যাটেল হাসপাতালেরও শিলান্যাস করেন তিনি। এই হাসপাতাল হলে অনেক মানুষ উপকৃত হবেন বলে উল্লেখ করেন।

    স্বাস্থ্য প্রকল্প নিয়ে কী বললেন? 

    এদিন অমিত শাহ (Amit Shah) প্রধানমন্ত্রীর আয়ুষ্মান প্রকল্পের কথা বলে, ভারত সরকারের সাফল্যের বিশেষ দিকগুলি তুলে ধরেন। মোদি সরকারে আমলে গরিব মানুষের জন্য স্বাস্থ্য বিমা এবং চিকিৎসার বিশেষ সুবিধা কীভাবে জনমুখী হয়েছে, সেই কথাও তুলে ধরেন। গান্ধীনগরে ১৫০ টি বিশেষ শিশু সুরক্ষা কেন্দ্র, অঙ্গনওয়াড়ি স্থাপনের কথা বলেন। এই কেন্দ্রগুলি শিশুদের সুরক্ষার জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করবে বলে জানান তিনি। গান্ধীনগর লোকসভা কেন্দ্রের মানুষের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে বেশ কিছু সবুজ বাগানের কথা ভাবা হয়েছে। এই বাগানগুলি কিভাবে পরিবেশ বান্ধব এবং স্বাস্থ্যের অনুকূল হবে, সেই দিকে জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সারা গান্ধীনগরের উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু রাস্তার কথা বলা হয়েছে। এই লোকসভা কেন্দ্রের রান্দেজা থেকে বালোয়া পর্যন্ত ফোর লেন রাস্তার শিলান্যাস করেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে তৃণমূলকে হারিয়ে ১০টি পঞ্চায়েতে বোর্ড গড়ল বিজেপি

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে তৃণমূলকে হারিয়ে ১০টি পঞ্চায়েতে বোর্ড গড়ল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় বাজিমাত করল বিজেপি। তৃণমূলের খাসতালুকেই এখন গেরুয়া বাহিনীর দাপট। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির আসন সংখ্যা প্রায় দূরবীন দিয়ে দেখতে হত। এখন সেখানে জেলার একাধিক ব্লকেই বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। বহু পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করেছে বিজেপি। যা এতদিন ভাবা যেত না। বহু জায়গায় বোর্ড গঠন করতে পেরে বিজেপি কর্মীরাও চাঙ্গা।

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় কটি পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করল বিজেপি?

    এই জেলায় (Murshidabad) লোকসভার তিনটি আসন রয়েছ। এর মধ্যে দুটি তৃণমূলের এবং বিধানসভায় ২২ টি সিটের মধ্যে ২০ টি তৃণমূলের। সেখানে কী করে বিজেপি এতগুলি সিট পেল সেই নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলায় চলছে চুলচেরা বিচার। ভরতপুর বিধানসভার টেঁয়া-বদ্যিপুর, বহরমপুর ব্লকের হাতিনগর গ্রাম প়ঞ্চায়েত, বেলডাঙ্গা বিধানসভার মহুলা গ্রাম পঞ্চায়েত, বড়ঞা ব্লকের কুরুন্ননুন, বেলডাঙ্গা-১ ব্লকের চৈতন্যপুর-২, বহরমপুর ব্লকের রাঙামাটি চাঁদপাড়া, বেলডাঙ্গা-২ ব্লকের রামনগর বাছড়া, বেলডাঙ্গা-২ ব্লকের কামনগর, বড়ঞার বিপ্রশেখর গ্রাম পঞ্চায়েত, কল্যাণপুর-১ পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপির প্রধান নির্বাচিত হয়েছে। বিজেপির উপ প্রধানও হয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।

    কী বললেন কংগ্রেস নেতৃত্ব?

    এ বিষয়ে কংগ্রেসের মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার মুখপাত্র জয়ন্ত দাস বলেন,  বিজেপির সাহায্য নিয়ে তৃণমূল বোর্ড গঠন করছে। স্বাভাবিক কারণে এই জেলায় কিছু কিছু জায়গায় স্থানীয় রাজনীতির উপর ভিত্তি করে অনেক কিছু হয়েছে। তাই বিজেপিও বেশ কয়েকটি বোর্ডে ক্ষমতায় এসেছে। তবে, মানুষ তৃণমূল থেকে মুখ ফেরাচ্ছে এটা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির জেলা নেতা লাল্টু দাস বলেন, ২০১৮ সালে পঞ্চায়েতে আমাদের অধিকাংশ জায়গায় দলীয় প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেনি। ২০২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে মোদিজির উন্নয়নকে মানুষ বিশ্বাস করেছে। তৃণমূলের একচেটিয়া রাজকে তছনছ করে বিজেপিকে চেয়েছে। যার ফলে জেলায় (Murshidabad) বিজেপির এইরকম রেজাল্ট হয়েছে। জেলায় দশটি পঞ্চায়েতে বিজেপির প্রধান রয়েছে। আর আটটা উপপ্রধান রয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতিতে ৩৭ জন জয়ী হয়েছে। জেলায় ৩৭৮ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য এবার জয়ী হয়েছে। সংখ্যালঘু জেলায় বিজেপির উপর আস্থা বাড়ছে এই ঘটনা তা প্রমাণ করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nuh Violence: ছন্দে ফিরছে নুহ, দু’ সপ্তাহ পরে চালু ইন্টারনেট পরিষেবা

    Nuh Violence: ছন্দে ফিরছে নুহ, দু’ সপ্তাহ পরে চালু ইন্টারনেট পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’ সপ্তাহ পরে ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হল হরিয়ানার নুহতে (Nuh Violence)। সাম্প্রদায়িক হিংসার জেরে দু সপ্তাহ আগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ইন্টারনেট পরিষেবা। সাম্প্রদায়িক হিংসায় মৃত্যু হয়েছিল ছ’ জনের। জখমও হয়েছিলেন অনেকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নুহতে ইন্টারনেট, এসএমএস এবং ব্রডব্যান্ড পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

    নুহতে অশান্তি 

    ৩১ জুলাই বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একটি শোভাযাত্রায় হামলা হয়। তার জেরেই শুরু হয়ে যায় সংঘর্ষ। দু’জন হোমগার্ড এবং মসজিদের একজন ধর্মগুরু সহ হিংসায় মৃত্যু হয় মোট ছ’ জনের। তার পরেই হিংসা ছড়িয়ে পড়ে গুরগাঁও, পালওয়াল, ফরিদাবাদ সহ রাজ্যের অন্যান্য জেলায়। হিংসার জেরে উন্মত্ত জনতা আগুন লাগিয়ে দেয় যানবাহন, রেস্তঁরা, দোকানদানিতে। অভিযোগ, মনু মানেসার (Nuh Violence) নামে এক যুবক সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে। সে-ই জানায় নুহতে যে ধর্মীয় শোভাযাত্রা হতে চলেছে, সে ব্যাপারে। সে তার সমর্থকদের দলে দলে চলে আসতে বলে। তার জেরেই অশান্তির সূত্রপাত বলে অভিযোগ। নুহতে হিংসায় মানেসরের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে গঠন করা হয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল, বা সিট।

    মহা পঞ্চায়েত

    এদিকে, রবিবার পাওয়েল জেলায় কয়েকজন উগ্র হিন্দুবাদী মহাপঞ্চায়েতের ডাক দেয়। তারা নুহ জেলা ধ্বংস করে দেওয়ার ডাক দিয়েছিল। ৫১ জনের একটি কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় এলাকাটি গো-হত্যা মুক্ত এলাকা করা হবে। ২৮ অগাস্ট নুহতে ফের জালাভিষেক যাত্রা করা হবে বলেও সিদ্ধান্ত নেয় কমিটি। অন্যান্য জেলা থেকে যেসব লোকজন নুহতে (Nuh Violence) আসবেন, তাঁদের জন্য কড়া আইনের ব্যবস্থা করা হবে বলেও সিদ্ধান্ত নেয় মহাপঞ্চায়েত। নুহর ঘটনায় ৩৯০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হিংসার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে আটক করা হয়েছে ১১৮ জনকে। পুলিশ জানিয়েছে, ১০০ জনেরও বেশি মানুষের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে এফআইআর। সপ্তাহখানেক বন্ধ থাকার পর স্কুল, কলেজ এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলেছে গত সপ্তাহেই। চালু হয়েছে বাস সার্ভিসও।

    আরও পড়ুুন: শ্রীনগরে তিরঙ্গা যাত্রা, নেতৃত্বে লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Alipurduar: পুজোর মুখে আলিপুরদুয়ারে এনবিএসটিসি-র বহু বাস উধাও, ভোগান্তি, সরব বিজেপি

    Alipurduar: পুজোর মুখে আলিপুরদুয়ারে এনবিএসটিসি-র বহু বাস উধাও, ভোগান্তি, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি বাসে চেপে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) থেকে কলকাতা যাওয়া এখন জেলাবাসীর কাছে স্বপ্ন। কারণ, মাসখানেক ধরে রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার বাস পরিষেবা বন্ধ হয়ে রয়েছে। বন্ধ হয়েছে অসম বঙ্গাইগাও পর্যন্ত যাতায়াতের একমাত্র সরকারি বাস। ফলে, পুজোর মুখে চরম বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীর পাশাপাশি জেলার হাজার হাজার বাসিন্দা। অবিলম্বে কলকাতা সহ বিভিন্ন রুটের বাস পরিষেবা স্বাভাবিক না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।

    কোন রুটে কত বাস বন্ধ রয়েছে? (Alipurduar)

    পরিবহণ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ার (Alipurduar)  ডিপোর ১৫ বছরের বেশি পুরানো ১৯ টি বাস বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ১৫-২০ বছরের ওই পুরানো বাসগুলো দিয়ে বিভিন্ন রুটে যাত্রী পরিষেবা দেওয়া হত। এতে ঝুঁকি তো থাকত, মাঝেমধ্যে বাসগুলি মাঝ রাস্তায় অকেজো হয়ে পড়ত। ফলে, যাত্রীরা নানা সমস্যারও সম্মুখীন হতেন। সম্প্রতি, রাজ্যের পরিবহণ দফতর থেকে কড়া নির্দেশিকা পাঠানো হয়। তাতে বলা হয়েছে ১৫ বছরের বেশি পুরানো কোনও বাস রাস্তায় নামানো যাবে না। বিকল্প বাসের ব্যবস্থা না করেই বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী ওই বাসগুলি বসিয়ে দেওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন বাসযাত্রীরা। আলিপুরদুয়ার-শিলিগুড়ি রুটে প্রতিদিন দশটি করে বাস চলাচল করত, বাসের সংখ্যা কমে যাওয়ায় এখন প্রতিদিন ওই রুটে আটটি করে বাস চলছে। কোচবিহার-আলিপুরদুয়ার রুটে প্রতিদিন ১০ টি করে বাস চালানো হত, এখন সেখানে মাত্র ছয়টি বাস চলাচল করছে। এতে দুই শহরের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। এই রুটে ১৫-২০ মিনিট অন্তর বাস চলাচল করলেও তাতে বাস ভর্তি যাত্রী নিয়েই সরকারি বাসগুলি নিয়মিত পরিষেবা দিত। কিন্তু, এখন বাসের সংখ্যা কমে যাওয়ায় স্কুল, অফিস টাইমে বাদুরঝোলা হয়ে নিত্যযাত্রী, স্কুল-কলেজের পড়ুয়াদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এই রুটগুলি ছাড়াও আলিপুরদুয়ারের সঙ্গে সরাসরি কলকাতা পর্যন্ত যাতায়াতের বাস প্রায় মাসখানেক আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই সময় আলিপুরদুয়ার শহরের ব্যবসায়ীরা কলকাতা থেকে পুজোর বিভিন্ন মালপত্র আনার জন্য বাসে যাতায়াত করেন। তাঁরা ধর্মতলা থেকে রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার বাসে চেপেই আবার আলিপুরদুয়ারে ফিরে আসেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক মনোজ টিগ্গা বলেন, জেলায় আন্দোলনের পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে বিধানসভায়ও সরব হব। এক সময় উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার চেয়ারম্যান দাবি করতেন, রেলের থেকেও উত্তরবঙ্গে বাসের পরিষেবা ভালো। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার পরিষেবা কার্যত তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন রুটে বাসের সংখ্যা কমে যাওয়ায় যাত্রী ভোগান্তির অভিযোগ আসছে।

    কী বললেন উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার চেয়ারম্যান?

    পুজোর সময় পর্যটনের মরশুমে ট্রেনের টিকিট না পেয়ে অনেক যাত্রী সরকারি বাসে চেপে ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরতে আসেন। ফলে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) থেকে ওই সরকারি বাসের চাহিদা পর্যটনের মরশুমে অনেকটাই বেড়ে যায়। কিন্তু এবার মরশুমের অনেক আগে সরকারি বাস পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায় জানিয়েছেন, টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে, খুব শীঘ্রই বেশ কিছু নতুন বাস রাস্তায় নামানো হবে। তাহলে আর এই সমস্যা আর থাকবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Punjab: স্বাধীনতা দিবসের আগে পঞ্জাব পুলিশের জালে জঙ্গি মডিউল, ধৃত ৩

    Punjab: স্বাধীনতা দিবসের আগে পঞ্জাব পুলিশের জালে জঙ্গি মডিউল, ধৃত ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের ঠিক একদিন আগে পঞ্জাব (Punjab) পুলিশের জালে ধরা পড়ল একটি জঙ্গি মডিউল। যেখানে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জঙ্গিদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে তিনটি পিস্তল। পঞ্জাবের (Punjab) ডিজি গৌরব যাদব বলেন, ‘‘এই জঙ্গি মডিউলটি চেক রিপাবলিক থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হতো। নিয়ন্ত্রণ করতেন গুরুদেব সিং জইসেল। কানাডা ভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠনের নেতা লাখভির সিং-এর নামও উঠে এসেছে। পাশাপাশি নাম উঠে এসেছে সাতবির সিং এবং আলিয়া সাত্তার নামের আরও দুইজনের।’’ জানা গিয়েছে সারহালে পুলিশ স্টেশন আক্রমণে এই জঙ্গিগোষ্ঠীর প্রত্যক্ষ মদত ছিল এবং উপরোক্ত নেতারা প্রত্যেকেই বিভিন্ন পাচার কাজে যুক্ত।

    গ্রেফতার হওয়া  তিন জঙ্গির পরিচয় 

    যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের পরিচয় হল অস্মাপ্রীত সিং, প্রদীপ সিং এবং সুখমন। জানা গিয়েছে, পিস্তলের পাশাপাশি এই দলের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে নগদ ৩৭,৫০০ টাকা। পঞ্জাব (Punjab) পুলিশের ডিজি একটি বিবৃতিতে একথা জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘‘বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে যে জঙ্গি সংগঠনের প্রধান গুরুদেব সিং জইসেল নতুন মডিউল খোলার কাজে অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছে। পাঞ্জাবে এরকমই একটি গোপন খবর পেয়ে পুলিশে এদিন মাজার অঞ্চলে অপারেশন চালায়। সেখানেই গ্রেফতার করা হয় তিনজনকে।’’

    কোন কোন ধারায় মামলা দায়ের? 

    সিনিয়র পুলিশকর্তা গুরমিত সিং চৌহান বলেন,‘‘গুরুদেব সিং জয়সেইলের সঙ্গে এই জঙ্গি মডিউলের সদস্যদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। তার নির্দেশেই কাজ করত এরা। চেক প্রজাতন্ত্র থেকে যে নির্দেশ আসতো ফোনে, সেটাকেই পালন করত জঙ্গিরা। পঞ্জাবের (Punjab) শান্তি সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট করা ছিল এদের উদ্দেশ্য।’’ অন্যদিকে পঞ্জাবের (Punjab) ডিজি আরও জানিয়েছেন যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তারা প্রত্যেকেই জয়সেইলের নির্দেশ মতো বিভিন্ন লোকের কাছে টাকা তুলত এবং অস্ত্র সংগ্রহ করত। এই জঙ্গি মডিউলের সঙ্গে কাদের কাদের যোগাযোগ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পঞ্জাব (Punjab) পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৮৪, ৩৮৫, ৩৮৬, ৩৮৭, ১১৫, ১২০ (বি) তে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া ২৫(৬), ২৭(৭) অস্ত্র আইনের মামলাও রজু করা হয়েছে। এছাড়াও বেআইনি কার্যকলাপের ১৩, ১৬, ১৭, ১৮, ১৮ (বি), ২০ এবং ৪০ নম্বর ধারা লাগু করা হয়েছে। এনডিপিএস আইনের ২১ এবং ২৯ নম্বর ধারাও দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: দার্জিলিংয়ে দাপট দেখাচ্ছে ডেঙ্গি, উদ্বেগে পাহাড়বাসী, চিন্তা পুজোর পর্যটক নিয়েও

    Darjeeling: দার্জিলিংয়ে দাপট দেখাচ্ছে ডেঙ্গি, উদ্বেগে পাহাড়বাসী, চিন্তা পুজোর পর্যটক নিয়েও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ে উড়ছে মশা। চিন্তায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা। কেননা আশ্চর্যজনকভাবে পাহাড়েও ডেঙ্গি ছড়াচ্ছে। ইতিমধ্যেই দার্জিলিং (Darjeeling) পাহাড়ি এলাকায় প্রায় ২৫ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। যা স্বাস্থ্য দফতরকেও চিন্তায় ফেলেছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর সেই সংখ্যা ছিল মাত্র পাঁচ। এক ধাক্কায় সংখ্যাটি বেড়ে যাওয়ার কারণে উদ্বেগ বাড়ছে চিকিৎসক মহল থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসনের অন্দরে। তবে, পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে বলে দাবি জেলাশাসক পুন্নমবালম এসের।

    পাহাড়ের ডেঙ্গু নিয়ে পর্যটকদের উদ্বেগ, চিন্তায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা

    উচ্চতার কারণে পাহাড়ে মশা থাকে না। এমনই ধারণা ছিল এতদিন। যার জন্য পাহাড়ে মশারির ব্যবহার সেভাবে ছিল না। দার্জিলিংয়ের সোনাদার বাসিন্দা প্রেম রাই বলেন, মশার উপদ্রব ছিল না পাহাড়ে। তাই এতদিন সমতলে গিয়ে মশার উপদ্রবে অসহ্য লাগত। কিন্তু এখন পাহাড়েও মশার উপদ্রব বাড়ছে। ডেঙ্গিতেও এখানে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। তাই মশারি ব্যবহার করতে হচ্ছে সকলকে। যা আগে করতে হত না। প্রতি বছর সর্বত্র অগাস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গির সংক্রমণ ব্যাপক আকার নেয়। এবার পাহাড়েও যদি সেই চিত্র দেখা দেয় তাহলে আতঙ্কে পুজোর পর্যটন মরশুমে পর্যটকরা পাহাড় থেকে মুখ ফেরাতে পারেন বলে আশঙ্কা ট্যুর অপারেটরদের। উত্তরবঙ্গের এক ট্যুর অপারেটর সাধন রায় ও দেবাশিস মিত্র বলেন, পাহাড়ে এবার আশ্চর্যজনকভাবে ডেঙ্গির সংক্রমণ বাড়তে থাকায় আমরা চিন্তায় রয়েছি। বাইরের অনেক পর্যটকই দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন। এক মাসের মধ্যে ডেঙ্গি ব্যাপক আকার নিয়েছে। এর জেরে পুজোয় পর্যটন ব্যবসায় তার ভাল প্রভাব পড়তে পারে।

    কী বললেন এলাকাবাসী?

    পাহাড়ের চরিত্রের বিরুদ্ধে মশা ও ডেঙ্গির বিস্তারের পিছনে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশকেই দায়ী করছেন সকলে। দার্জিলিংয়ের (Darjeeling)  বাসিন্দাদের প্রায় সকলেই মনে করেন, দার্জিলিংয়ে নাগরিক পরিষেবা ভেঙে পড়ার জন্য সর্বত্র নোংরা পরিবেশ তৈরি হয়েছে। হোটেল এবং বসতি বেড়েছে।  নিকাশি ব্যবস্থা বেহাল। ফলে, জায়গায় জায়গায় জল জমে থাকছে। একারণে পাহাড়ে  মশার বংশবৃদ্ধি হয়েছে।

     কী বললেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা?

    জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক তুলসী প্রামাণিক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। পাহাড়ের পর্যটনে ডেঙ্গি যাতে সমস্যার কারণ না হয়ে ওঠে সেদিকে আমাদের নজর রয়েছে।  জেলাশাসক এস পন্নমবালম বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় এবার যথেষ্ট সতর্ক দার্জিলিং (Darjeeling) জেলা প্রশাসন। পাহাড়ের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। এলাকায় সার্ভে চালাচ্ছে ভেক্টর কন্ট্রোল টিমের সদস্যরা। জোর দেওয়া হয়েছে সচেতনতামূলক প্রচারে। নজর দেওয়া হয়েছে সাফাইয়ের কাজেও। শুধু নালা-নর্দমা নয়, সংলগ্ন এলাকাগুলি যাতে পরিচ্ছন্ন থাকে সেদিকেও নজর দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: শ্রীনগরে তিরঙ্গা যাত্রা, নেতৃত্বে লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা

    Jammu And Kashmir: শ্রীনগরে তিরঙ্গা যাত্রা, নেতৃত্বে লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শতাধিক মানুষকে হাঁটতে দেখা গেল শ্রীনগরের (Jammu And Kashmir) তিরঙ্গা যাত্রায়। যার নেতৃত্বে থাকলেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা। রবিবার উপত্যকার এই তিরঙ্গা যাত্রা নিয়ে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের মন্তব্য, ‘‘আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত তিরঙ্গাকে সম্মান করা এবং তার মর্যাদা রক্ষা করা।’’ উপত্যকার এই তিরঙ্গা যাত্রার আয়োজন করেছিল প্রশাসন (Jammu And Kashmir)। একইরকম ভাবে জম্মু প্রদেশেও তিরঙ্গা যাত্রা সম্পন্ন হয়েছে। পিরপাঞ্জাল এবং চেনাব উপত্যকাতেও দেখা গিয়েছে তিরঙ্গা যাত্রা। যেখানে শতাধিক মানুষ কিলোমিটারের পর কিলোমিটার হাঁটেন কাশ্মীর ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টার থেকে বোটানিক্যাল গার্ডেন পর্যন্ত। তিরঙ্গা যাত্রার ধ্বনি ছিল ‘ঝান্ডা উঁচা রহে হামারা’। 

    কী বললেন কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর?

    রবিবারের এই তিরঙ্গা যাত্রার অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের (Jammu And Kashmir) একাধিক আধিকারিক, নিরাপত্তা আধিকারিকবৃন্দ। বিজেপি কর্মী সমর্থকদেরও উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাছাড়া বেশ বড় সংখ্যায় ছাত্র এবং সাধারণ নাগরিকরাও অংশ নিয়েছিলেন এই যাত্রায়। গভর্নর মনোজ সিনহা বলেন, ‘‘আমি প্রত্যেককে স্বাধীনতা দিবসের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। শুধুমাত্র প্রশাসনিক আধিকারিক বা নিরাপত্তা আধিকারিকদের নয় বা শুধুমাত্র শ্রীনগরের (Jammu And Kashmir) বাসিন্দাদের নয়, বড় সংখ্যার উপত্যকার সমস্ত মানুষকে আমি স্বাধীনতা দিবসের এই শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমি মনে করি আমাদের তিরঙ্গার মর্যাদা রক্ষা করা সকলের কর্তব্য।’’ তিনি মনে করান যে গত বছরেও একই রকম তিরঙ্গা যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ‘‘জম্মু-কাশ্মীর ক্রমশই উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলেছে।’’ এই যাত্রায় জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি কোটেশ্বর সিং লাল চৌকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

    সিআরপিএফ-এর বাইক র‍্যালি 

    অন্যদিকে জম্মু কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) সিআরপিএফও একটি বাইক র‍্যালির আয়োজন করে। লাল চৌক থেকে নিশাত গার্ডেন পর্যন্ত সম্পন্ন হয় বাইক র‍্যালি। মধ্য কাশ্মীর, দক্ষিণ কাশ্মীর, উত্তর কাশ্মীরের একাধিক অংশে দেখা গিয়েছে স্বাধীনতা উৎসবের উদযাপন। বড় সংখ্যায় জনপ্রতিনিধিরা এবং সাধারণ নাগরিকরা অংশগ্রহণ করেন তিরঙ্গা যাত্রায়। ধ্বনি ওঠে ‘ভারত মাতা কি জয়’, ‘বন্দেমাতরম’, ‘হিন্দুস্তান জিন্দাবাদ’ এই সমস্ত কিছু। পুঞ্চ এবং রাজৌরি জেলাতেও এদিন সাড়ম্বরে পালিত হয়েছে স্বাধীনতা উৎসবের অনুষ্ঠান। প্রসঙ্গত, বারবার জঙ্গিহানার সাক্ষী থেকেছে এই অঞ্চল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Esi Hospital: তৃণমূলের সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, থমকে ইএসআই হাসপাতালের কাজ

    Esi Hospital: তৃণমূলের সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, থমকে ইএসআই হাসপাতালের কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোল শিল্পাঞ্চলে হাজার হাজার শ্রমিক পরিবারকে উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দিতে ইএসআই হাসাপাতালে (Esi Hospital) নতুন বিল্ডিং তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। বর্তমান ইএসআই হাসপাতালে যে পরিকাঠামো রয়েছে তার থেকে অনেক ভাল পরিষেবা দেওয়া লক্ষ্য ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের। কয়েক কোটি টাকা খরচ করে সেই কাজ শুরু হয়েছিল। তৃণমূলের সিন্ডিকেটের জুলুমবাজির দৌরাত্ম্যে সেই কাজ থমকে পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ। আর যার জন্য হাজার হাজার মানুষ উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

    কেন হাসপাতাল তৈরির কাজ বন্ধ রয়েছে?

    আসানসোলের কন্যাপুরে দীর্ঘদিন ধরে ইএসআই হাসপাতাল (Esi Hospital) রয়েছে। রোগীর চাপের কারণে বর্ধিত নতুন বিল্ডিং করার প্রয়োজন হয়। প্রায় দেড় বছর আগে সেই কাজ শুরু হয়। আর এই পরিকাঠামো তৈরির জন্য কেন্দ্রীয় সরকার আর্থিক বরাদ্দ করে। ই টেন্ডারের মাধ্যমে বাইরের কোনও ঠিকাদার কাজ করতে এসেছিলেন। জানা গিয়েছে, এই হাসপাতালে নতুন বেড বৃদ্ধির পাশাপাশি ডায়ালিসিস ইউনিট, অত্যাধুনিক মানের একাধিক ওটি তৈরির কথা ছিল। হাসপাতালের কাজ করা নিয়ে বাইরের ঠিকাদারের সঙ্গে তৃণমূল ঠিকাদারের সিন্ডিকেটের সমস্যা তৈরি হয়। সিন্ডিকেটের ক্রমাগত চাপে ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ। ফলে, এখন শুধু নতুন বিল্ডিং ভূতুড়ে বাড়ির মতো পড়ে রয়েছে। সেখানে পরিষেবার কোনও নামগন্ধ পর্যন্ত নেই। ফলে, তৃণমূলের দৌরাত্ম্যে কেন্দ্রীয় সরকারের কোটি কোটি টাকা জলে যাওয়ার মতো অবস্থা।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    আসানসোলের বিজেপি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বাপ্পা চট্টোপাধ্যায় বলেন, ইএসআই হাসপাতালকে (Esi Hospital) নতুন করে সাজিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের। মোটা টাকা আর্থিক বরাদ্দের পর কাজও শুরু হয়েছিল। কিন্তু, তৃণমূলের সিন্ডিকেটের জন্য ইএসআই হাসপাতালের কাজ থমকে রয়েছে। আসানসোল ইএসআই হাসপাতালের এই বিল্ডিংকে ঘিরে এর আগেও বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। পরবর্তীতে সেগুলো কাটিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিল্ডিং।

    কী বললেন রাজ্যের মন্ত্রী?

    এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন, আসানসোল ইএসআই হাসপাতালের (Esi Hospital) নতুন বিল্ডিং তৈরি হয়েছে। ঠিকাদার সংস্থার সঙ্গে কিছু একটা গন্ডগোল হওয়ায় সেটি চালু করা যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে আমি জানিয়েছি। এরসঙ্গে তৃণমূলের কোনও সিন্ডিকেটের বিষয় নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share