Tag: Bengali news

Bengali news

  • BJP in Bengal: সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে করতে হবে উঠোন-বৈঠক, বিজেপি বিধায়কদের নির্দেশ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের

    BJP in Bengal: সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে করতে হবে উঠোন-বৈঠক, বিজেপি বিধায়কদের নির্দেশ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সমস্ত বুথ ভিত্তিক জনসংযোগ শেষ করতে হবে। বঙ্গ বিজেপির বিধায়কদের (BJP in Bengal) পরামর্শ দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব। চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে সম্পূর্ণ জনসংযোগের কাজ। সামনেই নির্বাচন তাই গেরুয়া শিবির বিধায়কদের সীমারেখা নির্ধারণ করে দিয়েছে। নির্বাচনকে মাথায় রেখে বিজেপির সাফ কথা, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে (Assembly Election) বুথ ভিত্তিক জনসংযোগ চালাতে হবে। প্রতিদিন অন্তত পাঁচটি করে বুথে টহল দিতে হবে। বাড়ির উঠোনে উঠোনে বৈঠক করতে হবে।

    নারী সুরক্ষা, দুর্নীতি ইস্যু অস্ত্র বিজেপির (BJP in Bengal)

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) বিজ্ঞপ্তি এখনও ঘোষণা হয়নি। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলি নিজের নিজের প্রচার শুরু করে দিয়েছে। বিজেপি (BJP in Bengal) এখন থেকেই বুথ ভিত্তিক প্রচার শুরু করেছে। ভোটের আগেই নিজের নিজের প্রচার নিয়ে সকল দল এখন ময়দানে নেমে পড়েছে। বিজেপি শাসল শিবিরকে নারী সুরক্ষা, দুর্নীতি ইস্যুতে আক্রমণ করছে। ওপর দিকে তৃণমূল নিজেদের ১৫ বছরের ভালো কাজ গুনছে। ভোটের আবহে নরমে-গরমে ক্রমেই পারদ চড়ছে।

    সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ির উঠোনে বৈঠক

    রাজ্যে এখন মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে, মাধ্যমিক শেষ হলে আবার উচ্চ মাধ্যমিক শুরু হবে। ফলে পরীক্ষার আবহে বড় বড় প্রচারের দিককে কিছুটা হালকা করে সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ির উঠোনে বৈঠক করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এখন মাইক বাজিয়ে জনসভা করাটা ঠিক নয় তাই সময়কে কাজে লাগিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসম্পর্কের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। সময় এবং অবসরকে কাজে লাগিয়ে আরও বেশি বেশি মানুষের দরজায় কীভাবে পৌঁছানো যায়, সেই রণনীতি ঠিক করেছে বিজেপি (BJP in Bengal)।

    মানুষের সুবিধা, অসুবিধার কথা শুনতে হবে

    বাংলার বিজেপি (BJP in Bengal) বিধায়কদের (Assembly Election) কেন্দ্র নেতৃত্ব সাফ নির্দেশ দিয়েছে, চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে বুথ ভিত্তিক জনসংযোগের কাজ শেষ করতে হবে। প্রতিটি পাঁচটি করে বুথ এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘুরতে হবে। মানুষের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। একই ভাবে এলাকার মন্দিরে মন্দিরে ঘুরতে হবে। দলের নিচু তলার কর্মীদের সঙ্গে করতে হবে ভোজন। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। মানুষের সুবিধা, অসুবিধার কথা শুনতে হবে। এলাকায় এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে উঠোনে বৈঠক শুরু করতে হবে।

    পরামর্শ বাক্স এবং পরামর্শ ফর্ম নেবে বিজেপি

    বুথে বুথে এই জনসংযোগের সময়ে পরামর্শ বাক্স এবং পরামর্শ ফর্ম সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে বিধায়কদের। এবারের বিজেপির সংকল্পপত্র কেমন হওয়া উচিত, তাতে কী কী ধরনের প্রতিশ্রুতি থাকা উচিত, সেগুলি সরাসরি জনতার মতামত নেওয়ার জন্য বিজেপি এই বাক্সে জমা নিয়ে দেবেন। দুবরাজপুরের বিধায়ক (Assembly Election) অনুপ সাহার কথায়, ‘‘এ বার আমাদের সঙ্কল্পপত্রে শুধু রাজ্যভিত্তিক পরিকল্পনা থাকবে না। বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় সমস্যা সমাধানের কথা বা স্থানীয় চাহিদা পূরণের কথাও থাকবে। তাই বুথে বুথে যখন ঘুরব, তখন সেখানকার বাসিন্দারা একেবারে পাড়া স্তরের সমস্যা বা চাহিদার কথাও ফর্ম পূরণ করে জানাতে পারবেন।’’

    ইতিমধ্যে বিজেপি (BJP in Bengal) প্রত্যকে এলাকায় স্থানীয় সমস্যা এবং স্থানীয় অভাবের ভিত্তিতে চার্জশিট প্রকাশ করা হচ্ছে। একইভাবে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে কী কী করবে সেই বিষয়ে সংকল্প পত্র প্রকাশের কথাও বলা হয়েছে।

  • India: চেনাব নদীর ওপর সাওয়ালকোট জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু ভারতের, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান

    India: চেনাব নদীর ওপর সাওয়ালকোট জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু ভারতের, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের চেনাব নদীর ওপর ৫,১২৯ কোটি টাকার সাওয়ালকোট জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু করে দিল ভারত (India)। সংবাদ সংস্থার খবর, সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের অনুমোদন পাওয়া এটিই প্রথম নতুন প্রকল্প। জাতীয় জলবিদ্যুৎ শক্তি নিগম (NHPC) ৫ ফেব্রুয়ারি উধমপুর ও রামবান জেলাজুড়ে এই (Pakistan) বৃহৎ প্রকল্প নির্মাণের জন্য বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে দরপত্র চেয়েছে।

    সাওয়ালকোট প্রকল্প (India)

    জানা গিয়েছে, সাওয়ালকোট প্রকল্পটি দুটি ধাপে গড়ে তোলা হবে। প্রথম ধাপে ১,৪০৬ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় ধাপে ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এতে মোট উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে ১,৮৫৬ মেগাওয়াট। চেনাব নদীর উজানে বাগলিহার প্রকল্প এবং ভাটিতে সালাল প্রকল্পের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকা এই প্রকল্পটি রান-অব-দ্য-রিভার পদ্ধতিতে নির্মিত হবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্রুততম সময়ে প্রকল্প চালু করার লক্ষ্যে নির্মাণ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতি নির্বাচন করা হয়েছে, যা প্রকল্পটির জরুরি গুরুত্বকে তুলে ধরে।
    সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত হওয়ার পর গত বছরের অক্টোবরে পরিবেশমন্ত্রকের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি প্রকল্পটিকে ছাড়পত্র দেয়। এরপরই এনএইচপিসি দরপত্র প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। নথিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক প্রস্তুতির পর বড় আকারের নির্মাণকাজ শুরু হবে। ভূগর্ভস্থ কাজ সারা বছর চলবে, তবে ভূপৃষ্ঠে নির্মাণকাজ বর্ষাকালের পরে পূর্ণগতিতে এবং বর্ষাকালে প্রায় ৫০ শতাংশ সক্ষমতায় চলবে। পুরো প্রকল্পটি শেষ হতে বছর নয়েক লাগবে (India)।

    ভারতের বৃহত্তর জলবিদ্যুৎ কৌশলের অংশ

    সাওয়ালকোট প্রকল্পটি চেনাব নদীকে ঘিরে ভারতের বৃহত্তর জলবিদ্যুৎ কৌশলের অংশ। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় সরকার এই অঞ্চলের চারটি গুরুত্বপূর্ণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে (Pakistan)। সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পাকাল দুল ও কিরু প্রকল্প চালু করতে, ২০২৮ সালের মার্চের মধ্যে কোয়ার প্রকল্প শেষ করতে এবং
    কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাটলে বাঁধ নির্মাণের কাজ আরও দ্রুত করতে। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে কিস্তওয়ারে অবস্থিত ১,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার পাকাল দুল প্রকল্পটি সবচেয়ে বড়। এতে ১৬৭ মিটার উঁচু বাঁধ রয়েছে, যা ভারতের সর্বোচ্চ। এটি পাকিস্তানে প্রবাহিত কোনও পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীতে ভারতের প্রথম জলাধার প্রকল্প, যা নয়াদিল্লিকে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাই নয়, জলপ্রবাহের সময়সূচি নিয়ন্ত্রণের সুযোগও দেয়, যা নিয়ে ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বিগ্ন।

    প্রকল্পের উদ্বোধন ২০১৮ সালে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৮ সালের মে মাসে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন। এটি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হওয়ার কথা (India)। কিস্তওয়ারের আর একটি রান-অব-দ্য-রিভার প্রকল্প কিরু, যার বাঁধের উচ্চতা ১৩৫ মিটার। উজান ও ভাটির একাধিক প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকায় এর কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। সরকার কিরুর ক্ষেত্রেও ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে (Pakistan)। চেনাব নদীর ওপর ১০৯ মিটার উঁচু বাঁধযুক্ত কোয়ার প্রকল্প ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বড় সাফল্য অর্জন করে, যখন নির্মাণের সুবিধার্থে নদীর গতিপথ পরিবর্তন করা হয়—যা পাকিস্তানে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। সর্বশেষ নির্দেশ অনুযায়ী, এটি ২০২৮ সালের মার্চে চালু হওয়ার কথা। ৮৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রাটলে প্রকল্পটি সবচেয়ে বিতর্কিত। এতে ১৩৩ মিটার উঁচু বাঁধ রয়েছে এবং স্পিলওয়ে নকশা নিয়ে পাকিস্তান বারবার আপত্তি জানিয়েছে। গত বছর সুড়ঙ্গের মাধ্যমে চেনাব নদীর প্রবাহ ঘুরিয়ে দেওয়ার পর নির্মাণকাজে গতি আসে। প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে।

    উদ্বেগ বেড়েছে পাকিস্তানের

    এছাড়া, গত ডিসেম্বরে পরিবেশগত ছাড়পত্র পাওয়ার পর ভারত চেনাব নদীর ওপর দুলহস্তি স্টেজ-২ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, এই বিষয়ে তাদের কিছু জানানো হয়নি। পাকিস্তানের অভিযোগ অস্বীকার করেছে ভারত। দ্রুতগতিতে এই প্রকল্পগুলি এগোনোর ফলে পাকিস্তানের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ চেনাব নদী সিন্ধু অববাহিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং দেশটির কৃষি ও জলপরিকাঠামোর বড় অংশ এই নদীর ওপর নির্ভরশীল (India)। পাকিস্তানের মোট জলসম্পদের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ভারত হয়ে প্রবাহিত পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীগুলি থেকে আসে, ফলে উজানে ভারতের প্রকল্পগুলি (Pakistan) রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
    পহেলগাঁও হামলার পর ভারত সিন্ধু জলচুক্তির সব ধরনের প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ বন্ধ রেখেছে, যার ফলে এই প্রকল্পগুলিকে ঘিরে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে।

  • Vande Bharat: ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০০, ২০৪৭-এর মধ্যে ৪,৫০০ বন্দে ভারত ট্রেন চালাবে ভারতীয় রেল

    Vande Bharat: ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০০, ২০৪৭-এর মধ্যে ৪,৫০০ বন্দে ভারত ট্রেন চালাবে ভারতীয় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল তাদের ফ্ল্যাগশিপ ‘বন্দে ভারত’ ট্রেন সম্প্রসারণের এক বিরাট পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০০টি এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে প্রায় ৪,৫০০টি বন্দে ভারত ট্রেন (Vande Bharat) চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। রেলমন্ত্রী এই  বিষয়ে লোকসভায় বিশেষ ভাষণ দিয়েছেন।

    রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের বক্তব্য (Vande Bharat)

    অশ্বিনী বৈষ্ণব সংসদে বলেন, “ভারতীয় রেল ২৬০টি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat) তৈরির পরিকল্পনা করছে। ভারতীয় রেলের উৎপাদন ইউনিটগুলো বন্দে ভারত, নমো ভারত, র‍্যাপিড এবং রিজিওনাল মেট্রো রেক, কলকাতা মেট্রো রেক, অমৃত ভারত এবং এলএইচবি (LHB) কোচের মতো বিভিন্ন ধরণের যাত্রীবাহী রোলিং স্টক তৈরি করছে।” তিনি বিস্তারিত রেল বিষয়ক তথ্য দিয়েছেন সংসদে।

    আধুনিকীকরণের স্তম্ভ

    আগামী দশকগুলিতে ভারতের যাত্রী রেল পরিষেবাকে (Vande Bharat) আধুনিকীকরণের প্রধান ভিত্তি হিসেবে এই সম্প্রসারণকে দেখা হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০০টি ট্রেনসেট চালানোর লক্ষ্যে পরিকাঠামোর প্রস্তুতি এবং উৎপাদন বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    দেশীয় প্রযুক্তি

    এই সেমি-হাই-স্পিড ট্রেনগুলো ভারতের প্রথম নিজস্ব পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিতে তৈরি ট্রেনসেট। আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত যাত্রী পরিষেবা এবং কম সময়ে ভ্রমণের মাধ্যমে আন্তঃশহর রেল পরিষেবাকে (Indian railway) শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এগুলো তৈরি করা হয়েছে।

    বর্তমান অবস্থা

    ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করার পর থেকে এই প্রকল্পটি যথেষ্ট গতি পেয়েছে। বর্তমানে ভারতের রেল নেটওয়ার্কে প্রায় ৮০টি বন্দে ভারত ট্রেন চলাচল করছে।

    মেক ইন ইন্ডিয়া

    ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে (ICF) প্রায় ৯০ শতাংশ দেশীয় যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই ট্রেনগুলো তৈরি করা হচ্ছে। এই কাজের সবটাই ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। টিটাগড় রেল (Vande Bharat) সিস্টেমসের মতো বেসরকারি কোম্পানিগুলোও এই উৎপাদনে সহযোগিতা করছে।

    প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য

    এই ট্রেনগুলোর সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার এবং এতে শক্তি সাশ্রয়ের জন্য ‘রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সিস্টেম’ ব্যবহার করা হয়েছে।

    দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য

    ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বন্দে ভারত ট্রেনের সংখ্যা ৪,৫০০-তে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    অর্থনৈতিক প্রভাব

    এই কর্মসূচি উৎপাদন, ইস্পাত, ইলেকট্রনিক্স এবং শক্তি খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এর পাশাপাশি ভারতকে এশিয়া ও আফ্রিকান বাজারে রেল প্রযুক্তি রফতানিকারক দেশ হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

    স্লিপার ভেরিয়েন্ট

    দূরপাল্লার যাত্রার জন্য বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের স্লিপার (Vande Bharat) সংস্করণটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দুটি ট্রেন তৈরি করা হয়েছে, যা বর্তমানে হাওড়া এবং কামাখ্যার মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে চলাচল করছে।

    উৎপাদন প্রক্রিয়া

    বিইএমএল (BEML), চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি (ICF) এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত অংশীদারদের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে এই উৎপাদন কার্যক্রম চালানো হবে। চাহিদা এবং পরিকাঠামোর প্রস্তুতির ওপর ভিত্তি করে এই ট্রেনগুলোকে যাত্রী পরিষেবায় আনা হবে।

    আধুনিক সুযোগ-সুবিধা

    এই ট্রেনগুলোতে উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং যাত্রীদের আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে।

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ—

    উন্নত সুরক্ষা

    এতে ‘কবচ’ (KAVACH) স্বয়ংক্রিয় সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্র্যাশওয়ার্দি বডি ডিজাইন থাকবে।

    গতিবেগ

    এর নকশাকৃত সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৮০ কিমি এবং পরিচালনাগত গতিবেগ হবে ঘণ্টায় ১৬০ কিমি।

    অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা

    ইলেকট্রিক্যাল ক্যাবিনেট এবং শৌচাগারে অ্যারোসল-ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় অগ্নি শনাক্তকরণ ও নির্বাপণ ব্যবস্থা থাকবে।

    পরিচ্ছন্নতা ও বায়ু চলাচল

    শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রে অতিবেগুনী (UV-C) রশ্মি ভিত্তিক জীবাণুনাশক ব্যবস্থা থাকবে যা ৯৯% ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সক্ষম।

    অন্যান্য সুবিধা

    স্বয়ংক্রিয় প্লাগ ডোর, সিসিটিভি ক্যামেরা, জরুরি বার্তা আদান-প্রদান ইউনিট, এবং দিব্যাঙ্গ যাত্রীদের জন্য বিশেষ শৌচাগারের ব্যবস্থা থাকবে।

    উন্নত মনিটরিং

    সেন্ট্রালাইজড কোচ মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ এবং আলোর ব্যবস্থা তদারকি করা হবে। এছাড়া ওপরের বার্থে ওঠার জন্য উন্নত নকশার মই ব্যবহার করা হয়েছে।

  • Ramakrishna 577: “অর্জুনকে বললেন, ‘কি দেখতে পাচ্ছ? একটি বৃহৎ গাছ, কালো জাম থোলো থোলো হয়ে আছে”

    Ramakrishna 577: “অর্জুনকে বললেন, ‘কি দেখতে পাচ্ছ? একটি বৃহৎ গাছ, কালো জাম থোলো থোলো হয়ে আছে”

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর
    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও অবতারবাদ
    Reconciliation of Free will and Predestination

    আমি কে? 

    ডাক্তার—তবে এই ‘আমি’ যা বলছ, এগুলো কি? এর তো মানে বলতে হবে। তিনি কি আমাদের সঙ্গে চালাকি খেলছেন?

    গিরিশ—মহাশয়, কেমন করে জানলেন (Kathamrita), চালাকি নয়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে—এই ‘আমি’ তিনিই রেখে দিয়েছেন। তাঁর খেলা—তাঁর লীলা! এক রাজার চার বেটা। রাজার ছেলে।—কিন্তু খেলা করছে—কেউ মন্ত্রী, কেউ কোটাল হয়েছে, এই সব। রাজার বেটা হয়ে কোটাল কোটাল খেলছে!

    (ডাক্তারের প্রতি)—“শোন! তোমার যদি আত্মার সাক্ষাৎকার হয়, তবে এই সব মানতে হবে। তাঁর দর্শন হলে সব সংশয় যায়।”

    Sonship and the Father—জ্ঞানযোগ ও শ্রীরামকৃষ্ণ

    ডাক্তার — সব সন্দেহ যায় কই?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আমার কাছে এই পর্যন্ত শুনে যাও। তারপর বেশি কিছু শুনতে চাও, তাঁর কাছে একলা একলা বলবে। তাঁকে জিজ্ঞাসা করবে, কেন তিনি এমন করেছেন।

    “ছেলে ভিখারীকে এক কুনকে চাল দিতে পারে। রেলভাড়া যদি দিতে হয় তো কর্তাকে জানাতে হয়। ডাক্তার চুপ করিয়া আছেন।

    “আচ্ছা, তুমি বিচার ভালবাস। কিছু বিচার করি, শোন। জ্ঞানীর মতে অবতার নাই। কৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছিলেন,—তুমি আমাকে অবতার অবতার বলছ, তোমাকে একটা জিনিস দেখাই—দেখবে এস। অর্জুন সঙ্গে সঙ্গে গেলেন। খানিক দূরে গিয়ে অর্জুনকে বললেন, ‘কি দেখতে পাচ্ছ?’ অর্জুন বললেন, ‘একটি বৃহৎ গাছ, কালো জাম থোলো থোলো হয়ে আছে।” শ্রীকৃষ্ণ বললেন, ‘ও কালো জাম নয়। আর একটু এগিয়ে দেখ।’ তখন অর্জুন দেখলেন, থোলো থোলো কৃষ্ণ ফলে আছে। কৃষ্ণ বললেন (Kathamrita), ‘এখন দেখলে? আমার মতো কত কৃষ্ণ ফলে রয়েছে!’

    “কবীর দাস শ্রীকৃষ্ণের কথায় বলেছিল, তুমি গোপীদের হাততালিতে বানর নাচ নেচেছিলে!

    “যত এগিয়ে যাবে ততই ভগবানের উপাধি কম দেখতে পাবে। ভক্ত প্রথমে দর্শন করলে দশভূজা। আরও এগিয়ে দেখলে ষড়ভুজ। আরও এগিয়ে গিয়ে দেকছ দ্বিভুজ গোপাল! যত এগুচ্ছে ততই ঐশ্বর্য কমে যাচ্চে। আরও এগিয়ে গিয়ে দেখছে দ্বিভুজ গোপাল! যত এগুচ্ছে ততই ঐশ্বর্য কমে যাচ্ছে। আরও এগিয়ে গেল, তখন জ্যোতিঃদর্শন কল্লে—কোনও উপাধি নাই।

  • T20 World Cup 2026: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কট নিয়ে ইউ টার্ন নিচ্ছে পাকিস্তান!

    T20 World Cup 2026: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কট নিয়ে ইউ টার্ন নিচ্ছে পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) গ্রুপ-পর্বের ম্যাচ বয়কট করা নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থান এবং সেই সিদ্ধান্ত থেকে সম্ভাব্য ইউ-টার্ন এখন চূড়ান্ত পর্বের দিকে এগোচ্ছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB), বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) বৈঠকে বসেছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব দিক থেকে বিবেচনা করলে এই ম্যাচের আর্থিক মূল্য ৪,০০০ কোটি টাকারও বেশি।

    পিসিবি দাবি (T20 World Cup 2026)

    সূত্রের খবর, পিসিবি আইসিসির সামনে একাধিক দাবি তোলে। তবে জয় শাহের নেতৃত্বাধীন বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থা আইসিসি সেই দাবিগুলির মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে সংবাদ সংস্থাকে জানানো হয়েছে। পাকিস্তানের দাবিগুলি কী এবং সেই বিষয়ে আইসিসির অবস্থান কী, এবার জেনে নেওয়া যাক সেগুলি। পাকিস্তানের প্রথম দাবি ছিল, বাংলাদেশের ওপর কোনও আর্থিক জরিমানা করা যাবে না। পিসিবি সাফ জানিয়ে দেয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেললেও, বাংলাদেশকে তার সম্পূর্ণ আইসিসি রাজস্ব অংশ দিতে হবে। এ ব্যাপারে আইসিসি জানিয়েছে, এটি আগেই তাদের সিদ্ধান্ত ছিল, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর কোনও আর্থিক জরিমানা আরোপ করা হবে না (T20 World Cup 2026)।

    বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত আইসিসি ইভেন্ট

    পাকিস্তানের দ্বিতীয় দাবি ছিল, বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত আইসিসি ইভেন্ট। পরবর্তী চক্রে বাংলাদেশের জন্য একটি অতিরিক্ত আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের দাবি তোলে পিসিবি। আইসিসি (ICC) জানিয়ে দিয়েছে, পরবর্তী চক্রে একটি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজের দাবিও উঠেছিল।  ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আয়োজনের জন্য আইসিসির হস্তক্ষেপ চায় পিসিবি। আইসিসি জানিয়ে দিয়েছে, এই দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। আইসিসি জানিয়েছে, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ তাদের আওতার বাইরে, এমনকি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রের মধ্যেও নয়। ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রস্তাব দেয় পিসিবি (T20 World Cup 2026)। আইসিসির তরফে এই প্রস্তাবও খারিজ করা হয়েছে। এখানেও আইসিসি তাদের এক্তিয়ার না থাকার কথা উল্লেখ করেছে।

    আইসিসির মধ্যস্থতা চেয়েছিল পিসিবি

    ২০২৬ সালে ভারত যেন বাংলাদেশ সফর করে, সে বিষয়েও আইসিসির মধ্যস্থতা চেয়েছিল পিসিবি। এ ব্যাপারে আইসিসি জানিয়ে দেয়, তারা এতে হস্তক্ষেপ করবে না। আবারও জানিয়েছে, সফর সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত দ্বিপাক্ষিকভাবেই নেওয়া হয় (ICC)। সূত্রের খবর, পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করার জন্য সময় চাইলে আইসিসি ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছে। শিগগিরই একটি ফলো-আপ বৈঠক হতে পারে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আইসিসির তরফে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে (T20 World Cup 2026)।

     

  • Rabin Bhattachrya: তৃণমূল কাউন্সিলের ফাঁসির দাবি, ব্যরাকপুর চিড়িয়ামোড়ে বিজেপির ব্যাপক বিক্ষোভ

    Rabin Bhattachrya: তৃণমূল কাউন্সিলের ফাঁসির দাবি, ব্যরাকপুর চিড়িয়ামোড়ে বিজেপির ব্যাপক বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ব্যরাকপুরে (Barrackpore) তৃণমূল কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের (Rabin Bhattachrya) লাথিতে ৮১ বছরের বৃদ্ধের মৃত্যু ঘটেছে। জানা গিয়েছে লাথি দেওয়ারপর হার্ট অ্যাটাক হয় এবং তারপর মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধের। এই ঘটনার প্রতিবাদ করে বিজেপি জানিয়েছে অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলরকে ফাঁসি দিতে হবে। সোমবার ব্যারাকপুরের চিরিয়ামোড় এই ইস্যুতে ব্যাপক উত্তাল হয়ে ওঠে। যদিও ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কিন্তু বিজেপির একটাই দাবি, ফাঁসি চাই।

    ফাঁসি চাই (Rabin Bhattachrya)

    বৃদ্ধ হত্যার প্রতিবাদে চিড়িয়ামোড়ের (Barrackpore) গান্ধিমূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ করে বিজেপি। কার্যত বিজেপির জমায়েতে অচল হয়ে পড়ে ব্যারাকপুর। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং এবং বিজেপি নেতা শীলভদ্র দত্ত। বিটি রোড অবরুদ্ধ হয়ে পড়লে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বিরাট পুলিশ বাহিনী। তৃণমূল নেতার অভব্য আচরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে অর্জুন সিং বলেন, “দোষীর (Rabin Bhattachrya) কঠোরতম শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ চলবে। তৃণমূল নেতার ফাঁসি চাই। পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত লজ্জার।”

    জানা গিয়েছে, এদিন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে (Rabin Bhattachrya) আদালতে তোলা হবে। শারীরিক পরীক্ষার পর এদিন তাঁকে আদলাতের দিকেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, কিন্তু এমন সময় আদালত চত্বরের সামনে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করে। বিজেপির মিছিলকে আটকাতে পুলিশ অতিসক্রিয়তার ভূমিকা পালন করে। এই ঘটনায় বিজেপির আন্দোলন এদিন বিরাট উত্তেজনার সৃষ্টি করে।

    রাতেই গ্রেফতার কাউন্সিলর

    ঘটনা ঘটেছিল রবিবার রাতে। বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ ছিল অভিযুক্ত কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। কোনও উপায় না পেয়ে চেয়ারম্যানের (Barrackpore) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন তুলসী অধিকারী। রাগে রবীন্দ্রনাথ তাঁর বাড়িতে ঢুকে তাণ্ডব চালান। এরপর নিজের ছেলেকে বাঁচতে এলে বৃদ্ধ বাবাকে কঠিন আঘাত করে লাথি মারেন রবীন্দ্রনাথ। এরপর বৃদ্ধ মাটিতে পড়ে যান এবং সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে জানা যায়। ঘটনা জানাজানি হতেই ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। ওইদিন রাতেই অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে (Rabin Bhattachrya) ৬ বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়। পার্থ বলেন, “ঘটনা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। অত্যন্ত মর্মান্তিক।” ঘটনার দিন রাতেই পুলিশ কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করেছে।

  • Maritime Security: ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনকে টেক্কা দিতে সেশেলসের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা মোদির

    Maritime Security: ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনকে টেক্কা দিতে সেশেলসের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার পশ্চিম ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে (Maritime Security) সহযোগিতা আরও জোরদার করার ইঙ্গিত দিল ভারত (Indian Ocean Region)। এই লক্ষ্যে সেশেলসের জন্য ১৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার কথাও জানিয়েছে নয়াদিল্লি। অঞ্চলটিতে প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে চিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা চলার মধ্যেই এই পদক্ষেপ নিল নরেন্দ্র মোদির দেশ।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (Maritime Security)

    সেশেলসের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণাটি করা হয়েছে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে মরিশাস ও কোমোরো-সহ এই অঞ্চলের একাধিক দেশের সঙ্গে ভারতের উন্নয়নমূলক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির ধারাবাহিকতার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে। একই সময়ে অঞ্চলটিতে বেজিংয়ের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সেশেলসের রাষ্ট্রপতি প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “উন্নয়নমূলক অংশীদারিত্ব ভারত–সেশেলস সম্পর্কের একটি শক্তিশালী ভিত্তি। আমাদের সব উদ্যোগ সেশেলসের অগ্রাধিকার ও প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে নেওয়া হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা ১৭৫ মিলিয়ন ডলারের একটি বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা করছি। এই প্যাকেজ সামাজিক আবাসন, ই-মোবিলিটি, কারিগরি প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো ক্ষেত্রগুলিতে নির্দিষ্ট প্রকল্পকে সাহায্য করবে।”

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা আমাদের অংশীদারিত্বের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের পূর্ণ সদস্য হিসেবে সেশেলসকে আমরা স্বাগত জানাই। এর ফলে পারস্পরিক সমন্বয় আরও মজবুত হবে এবং ভারত মহাসাগরে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা জোরদার হবে (Maritime Security)।” আফ্রিকার এই দ্বীপপুঞ্জ রাষ্ট্রে প্যাট্রিক হারমিনি ২০২৫ সালের অক্টোবরে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এটি তাঁর প্রথম সরকারি ভারত সফর। ছ’দিনের এই সফরে তিনি ইতিমধ্যেই চেন্নাই ও মুম্বই সফর করেছেন এবং পরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছন। মঙ্গলবার তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং এরপর আগ্রা সফর শেষে তাঁর দেশে ফিরে যাওয়ার কথা। পশ্চিম ভারত মহাসাগরের একটি (Indian Ocean Region) গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথে অবস্থিত সেশেলস দীর্ঘদিন ধরেই এই অঞ্চলে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তবে গত দু’দশকে চিনও এই অঞ্চলে বড় ধরনের প্রভাব বিস্তার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের উইলিয়াম অ্যান্ড মেরি কলেজের গবেষণা সংস্থা এইডডেটার তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে চিন সেশেলসের রাজধানী ভিক্টোরিয়ায় মোট ১৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্য পাঠিয়েছে।

    নয়াদিল্লির কৌশল

    সেশেলসে চিনের আর্থিক সহায়তা অনুদান ও ঋণের সমন্বয়ে গঠিত। ২০১১ সালে লেস মামেলেস এলাকায় ২৪টি আবাসন ইউনিট নির্মাণে চিন ১৮ মিলিয়ন ডলারের একটি বড় অনুদান দেয়। এই এলাকায় ১৮৬৪ সালের ঐতিহাসিক বাতিঘর ‘ফারে দে মামেলেস’ এবং ৫২ মিটার উচ্চ আফ্রিকান রেনেসাঁ স্মৃতিস্তম্ভ অবস্থিত। পরবর্তী সময়ে দ্বীপজুড়ে আরও একাধিক সামাজিক আবাসন প্রকল্পে চিন অনুদান দিয়েছে (Indian Ocean Region)। ভারতের সাম্প্রতিক এই ঘোষণা এবং সোমবার স্বাক্ষরিত মউ – যার আওতায় সমুদ্র পর্যবেক্ষণ, সমুদ্র পরিষেবা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য বিনিময় এবং সামুদ্রিক গবেষণা পরিচালনার বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত, এই অঞ্চলের প্রতি নয়াদিল্লির কৌশলে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে (Maritime Security)। সেশেলসে আবাসন প্রকল্প, শিক্ষা, যোগাযোগ, পরিবহণ, সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সরকারি ও নাগরিক সমাজভিত্তিক প্রকল্পে বিনিয়োগে চিন দীর্ঘদিন ধরেই আগ্রহ দেখিয়ে আসছে। পাশাপাশি দেশটিকে সার্বিক সহায়তাও দিয়ে যাচ্ছে বেজিং (Indian Ocean Region)।

     

  • India Canada Relation: ক্রমেই কাছাকাছি আসছে ভারত-কানাডা, উদ্বেগ ঠেকাতে নিয়োগ করা হবে লিয়াজোঁ অফিসার!

    India Canada Relation: ক্রমেই কাছাকাছি আসছে ভারত-কানাডা, উদ্বেগ ঠেকাতে নিয়োগ করা হবে লিয়াজোঁ অফিসার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা জোরদার (Work Plan) করতে ভারত ও কানাডা একটি শেয়ার্ড ওয়ার্ক প্ল্যান করছে (India Canada Relation)। উভয় দেশই পারস্পরিক উদ্বেগের বিষয়, যেমন মাদক পাচার ও আন্তঃদেশীয় সংগঠিত অপরাধ চক্র, মোকাবিলার জন্য নিরাপত্তা ও আইন-প্রয়োগ সংস্থার লিয়াজোঁ অফিসার নিয়োগ করবে।

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি (India Canada Relation)

    শনিবার অটোয়ায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং কানাডার নিরাপত্তা উপদেষ্টা নাথালি দ্রুইনের মধ্যে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০২৩ সালে খালিস্তানপন্থী এক বিচ্ছিন্নতাবাদীর হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট কূটনৈতিক টানাপোড়েনের পর দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, ডোভালের এই সফর ছিল নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সংলাপের অংশ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উভয় দেশ তাদের দেশ ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া উদ্যোগগুলিতে অগ্রগতির বিষয়টি স্বীকার করার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা পরিচালনার জন্য একটি যৌথ কর্মপরিকল্পনায় একমত হয়েছে (India Canada Relation)। পাশাপাশি উভয় পক্ষ নিজ নিজ অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রে বাস্তব সহযোগিতা সক্ষম করার এবং নিরাপত্তা ও আইন-প্রয়োগ সংক্রান্ত লিয়াজোঁ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি কার্যকর সম্পর্ক আরও জোরদার করবে বলেও জানানো হয়েছে।

    দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ

    বিবৃতিতে এও বলা হয়, “এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ভারত ও কানাডার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগকে আরও সুসংগঠিত করবে এবং পারস্পরিক উদ্বেগের বিষয়, যেমন অবৈধ মাদক প্রবাহ, বিশেষ করে ফেন্টানিলের উপাদান পাচার, এবং আন্তঃদেশীয় সংগঠিত (Work Plan) অপরাধ নেটওয়ার্ক সম্পর্কে সময়োচিত তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করবে (India Canada Relation)।” ভারত ও কানাডা সাইবার নিরাপত্তা নীতি সংক্রান্ত সহযোগিতা ও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক তথ্য আদান-প্রদানকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। পাশাপাশি প্রতারণা ও অভিবাসন আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা দেশীয় আইন ও আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

    কানাডার জননিরাপত্তা

    শনিবার ডোভাল কানাডার জননিরাপত্তা মন্ত্রী গ্যারি আনন্দাসাঙ্গারির সঙ্গেও বৈঠক করেন। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তৎকালীন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ওই বছরের শুরুতে খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী হরদীপ সিং নিজ্জরের হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় সরকারি এজেন্টদের জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন। নয়াদিল্লি এই অভিযোগকে অযৌক্তিক বলে খারিজ করে দেয় (India Canada Relation)।এই ঘটনার পর ভারত-কানাডা সম্পর্ক কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়। উভয় দেশ একে অপরের কূটনীতিক বহিষ্কার করে এবং কানাডায় খালিস্তানপন্থী গোষ্ঠী ও অপরাধচক্রের কার্যকলাপ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তোলে। ২০২৪ সালের শেষ দিকে উভয় পক্ষ ধীরে ধীরে নিরাপত্তা সহযোগিতা পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করে, যার মধ্যে গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন-প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে যোগাযোগও ছিল। মার্ক কার্নি কানাডার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর দুই দেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে (Work Plan), যার মধ্যে নিরাপত্তা সংস্থাগুলির পারস্পরিক যোগাযোগ অন্যতম (India Canada Relation)।

     

  • Naxals: ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কল্যাণেই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাফল্য মিলেছে’, ছত্তিশগড়ে বললেন শাহ

    Naxals: ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কল্যাণেই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাফল্য মিলেছে’, ছত্তিশগড়ে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক কৌশল, পরিকাঠামো উন্নয়ন, মাওবাদীদের আর্থিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া এবং আত্মসমর্পণ নীতির সমন্বিত প্রয়োগ বামপন্থী চরমপন্থার (Naxals) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইতিবাচক ফল মিলেছে। রবিবার এ কথা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “৩১ মার্চের আগেই নকশাল সমস্যা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা হবে। মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই যেন বিচ্ছিন্নভাবে না হয়।” রায়পুরে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠকে সভাপতিত্ব করে তিনি কেন্দ্র ও রাজ্য সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেন, ‘গোয়েন্দা তথ্য ও অভিযানকে একটি নিরবচ্ছিন্ন ‘গ্রিডে’র মাধ্যমে পরিচালনা করতে, যাতে এক অঞ্চল থেকে বিতাড়িত মাওবাদীরা প্রতিবেশী কোনও রাজ্যে আশ্রয় নিতে না পারে।’

    শাহ উবাচ (Naxals)

    বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, “ছত্তিশগড় এক সময় নকশাল (Naxals) হিংসার শক্ত ঘাঁটি ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ডাবল-ইঞ্জিন সরকারের অধীনে এখন এটি উন্নয়নের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।” তিনি বলেন, “ছত্তিশগড়ের যুবসমাজ খেলাধুলা, ফরেনসিক বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষায় অগ্রগতি করছে, পাশাপাশি নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যও সংরক্ষণ করছে।” তিনি বলেন, “নকশালবাদ বহু প্রজন্মকে দারিদ্র্য ও অশিক্ষার অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। ডাবল-ইঞ্জিন সরকার দেশ থেকে নকশালবাদের অভিশাপ সম্পূর্ণ নির্মূল করতে চেষ্টার কোনও কসুর করছে না, এবং এই সমস্যা এখন প্রায় শেষের পথে।” শাহ বলেন, “নিরাপত্তা ও উন্নয়ন – উভয় ক্ষেত্রেই ছত্তিশগড় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে এবং নকশাল-প্রভাবিত এলাকার (Naxals) মানুষদের জন্য সমান উন্নয়নের সুযোগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।” বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ছত্তিশগড়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠকেও সভাপতিত্ব করেন শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “মোদী সরকারের কাছে নিরাপত্তা ও সুযোগ – দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ।”

    উন্নতির সমান সুযোগ পাওয়া উচিত

    নকশাল-প্রভাবিত অঞ্চলের মানুষদের দেশের অন্যান্য অংশের মতোই যে উন্নতির সমান সুযোগ পাওয়া উচিত, এ কথাও ফের মনে করিয়ে দেন তিনি। সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাঁই, উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর ডিরেক্টর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের বিশেষ সচিব। উপস্থিত ছিলেন সিআরপিএফ, বিএসএফ, ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ (ITBP) ও জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA)-র শীর্ষ আধিকারিকরা, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড ও তেলঙ্গনার ডিজিপিরা এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা (Naxals)। মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাঁই বলেন, “‘ডাবল-ইঞ্জিন’ সরকারের সমন্বিত কৌশল—যেখানে নির্ভুল নিরাপত্তা অভিযান, পরিকাঠামো সম্প্রসারণ এবং মাওবাদীদের আর্থিক নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ একসঙ্গে নেওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট ফল দিচ্ছে।” তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে এবং অমিত শাহের দিশানির্দেশে ছত্তিশগড় দ্রুত ৩১ মার্চের মধ্যে নকশাল-মুক্ত রাজ্য হওয়ার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছে (Amit Shah)।

    গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চল, যার মধ্যে সাতটি জেলা রয়েছে মহারাষ্ট্র, তেলঙ্গনা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে এবং দীর্ঘদিন ধরে এটি মাওবাদীদের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে গত কয়েক বছরে সেখানে জোরদার নকশাল-বিরোধী অভিযান চালানো হয়েছে, যার ফলে চরমপন্থী আন্দোলন অনেকটাই দুর্বল হয়েছে (Naxals)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জানুয়ারি ২০২৪ থেকে এ পর্যন্ত ছত্তিশগড়ে সংঘর্ষে ৫০০-র বেশি নকশাল নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সিপিআই (মাওবাদী)-র সাধারণ সম্পাদক নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজুও রয়েছে। একই সময়ে প্রায় ১,৯০০ নকশালকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ২,৫০০-র বেশি মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে (Amit Shah)। উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা বলেন, “বিভিন্ন রাজ্যের শীর্ষ আধিকারিকদের (স্বরাষ্ট্র/ডিজিপি) উপস্থিতিতে রায়পুরে রবিবারের বৈঠকটি ছিল ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণের জন্য শেষ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা বৈঠক।” সোমবার অমিত শাহ দক্ষিণ ছত্তিশগড়ের জগদলপুরে তিনদিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব ‘বস্তার পান্ডুম মহোৎসব’-এর সমাপ্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন (Naxals)।

     

  • Suvendu Adhikari: “এপ্রিলে বিজেপির সরকার হলে, ১ মে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে”, বড় কথা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “এপ্রিলে বিজেপির সরকার হলে, ১ মে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে”, বড় কথা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এপ্রিলের মধ্যে বিজেপির সরকার হলে, ১ মে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে।” বীরভূমের (Birbhum) সভা থেকে এমন আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট ঘোষণা করেছে মমতা সরকার। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ৫০০ টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে প্রতি মাসে মহিলারা পাবেন ১৭০০ টাকা করে। তৃণমূলের এই বাজেটকে টার্গেট করে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা ঘোষণা করেছে বিজেপি। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যে ভোট প্রচারের ভরকেন্দ্র হতে চলেছে তা অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন। অপর দিকে পুলি সরে দাঁড়ালে জনগণই সোজা করে দেবে কাজল-কেষ্টকে, নাম নিয়েই সোজা হুঁশিয়ারই শুভেন্দুর।

    সংকল্প পত্রে অঙ্গীকার থাকবে ৩০০০ টাকা (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এপ্রিল মাসে যদি বিজেপির সরকার হয় তাহলে ১ মে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। আর যদি মে মাসে বিজেপির সরকার হয় তাহলে জুন মাসে টাকা ঢুকবে। শুধু মাহিলা নয়, বার্ধক্য ভাতা বিধবা ভাতা, দিব্যাঙ্গ ভাতা, তফশিলি ভাতা, তফশিলি উপজাতি ভাতা, লোকপ্রসার শিল্পীর ভাতা— সব ভাতা বিজেপির সংকল্প পত্রে অঙ্গীকার ঘোষণা করব।”

    অনুব্রত-কাজলকে হুঁশিয়ারি

    একই ভাবে বীরভূমের (Birbhum) সভা থেকে অনুব্রত মণ্ডল এবং কাজল শেখের নাম করে চরম হুঁশিয়ার দেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “পুলিশ যদি সরে দাঁড়ায়, তাহলে এদের জনগণই সোজা করে দেবে। বন্ধু ভদ্র হয়ে যান। কেষ্ট-কাজলের বাহিনী একটু ভদ্র হয়ে যান, ভদ্র না হলে এপ্রিল মাসের পরে বদলও হবে, বদলাও হবে। রামপুরহাটের পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন বাবু ব্যাগ গোছান, এপ্রিল মাস এসে গিয়েছে। আপনার নেতা কেষ্ট ঘুরে এসেছে, এবার আপনার পালা।

    একই ভাবে এদিন দেঁউচা পাচামি (Birbhum) নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধী দলনেতা বলেন, “দেউচা পাচামির কী হল মুখ্যমন্ত্রী? কোথায় গেল এক লক্ষ চাকরি? সাংসদ সামিরুল ইসলামের ২২ জন আত্মীয়ের চাকরি হয়েছে। বিজেপিকে আনুন। ৬ বছরের আদিবাসী কন্যাকে ধর্ষণ করে যারা খুন করেছে, সকালে জমা নিয়ে বিকেলে খরচ করে দেব।

    তৃণমূলের থেকে বিজেপি বেশি টাকা দিচ্ছে

    রাজ্যের তৃণমূল সরকারের ভাতা প্রসঙ্গে বাজেট নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বিজেপি তো বলছে, আমরা তো স্পষ্ট বলছি, তাদের থেকে বেশি টাকা আমরা দেব। আমাদের রাজ্য সভাপতি ঘোষণা করেছেন। আমি আগে যখন রাজ্য সভাপতি ছিলাম, তখন ঘোষণা করেছি আমরা। আমরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে শুধু চালুই রাখব তা নয়। তৃণমূল কংগ্রেস যে টাকা দিচ্ছে, তার থেকে বেশি টাকা আমরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে দেব। আমরা বিভিন্ন রাজ্যে দিচ্ছি। এ তো নতুন কিছু নয়। অনিশ্চয়তার বিষয়ই নেই।

    আমরা ৫০০ টাকায় গ্যাসের সিলিন্ডার দিচ্ছি বহু রাজ্যে। আপনারা মাত্র দেড় হাজার বা ১৭০০ টাকার কথা বলছেন। এখনই ইন্টারনেটে খুঁজুন, আমি আপনাদের মাধ্যমে বলছি, হরিয়ানার সরকার বার্ধক্যভাতা কত দেয়? ৩২০০ টাকা। এখনই খুঁজলে পাবেন। প্রতিবছর বাড়ে ২৫০ টাকা করে। ইনক্রিমেন্ট হয়। যেরকম সরকারি চাকরিতে ইনক্রিমেন্ট হয়, সেরকম বার্ধক্যভাতায় ইনক্রিমেন্ট হয়। বিজেপি শাসিত রাজ্যে। তো আমরা কীভাবে দিচ্ছি? প্রত্যেক জায়গায়, তৃণমূল কংগ্রেস যে টাকা দেয় তার থেকে বেশি টাকা আমরা দিই। আমাদের অরুণোদয় প্রকল্প আছে অসমে। তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে বেশি টাকা দিতাম আমরা

LinkedIn
Share