Tag: Bengali news

Bengali news

  • South 24 Parganas: কাকদ্বীপের ইলিশ বোঝাই ট্রলার ডুবে গেল গভীর সমুদ্রে

    South 24 Parganas: কাকদ্বীপের ইলিশ বোঝাই ট্রলার ডুবে গেল গভীর সমুদ্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টার সময় বাঘেরচড়, বকখালি (South 24 Parganas) থেকে ৪০ কিমি দূরে গভীর সমুদ্রে অক্ষয়সনগর কাকদ্বীপের এফবি অনিক ফিশিং ট্রলারের নিচের অংশ ফেটে ডুবে যায়। ১৭ জন মৎস্যজীবীকে পার্শ্ববর্তী অপরাজিতা ফিশিং ট্রলার উদ্ধার করে নিয়ে এসেছে বলে জানা গেছে। আপাতত ট্রলারটিকে উদ্ধার করার জন্য ৫টি বোট চেষ্টা চালাচ্ছে। এই ডুবে যাওয়া ট্রলারটিতে ইলিশ মাছ বোঝাই ছিল। ট্রলারের সমস্ত মৎস্যজীবী সুস্থ আছেন। এলাকায় বিষণ্ণার ছায়া।

    কীভাবে ঘটল এই বিপত্তি (South 24 Parganas)?

    অনিক নামে ওই ট্রলারটি ইলিশ মাছ নিয়ে নামখানার দিকে আসছিল। কিন্তু সমুদ্রে (South 24 Parganas) প্রচণ্ড রোলিং হওয়ার কারণে ইলিশ বোঝাই ট্রলারের তলা ফেটে গেলে হু হু করে জল ঢুকতে থাকে। জল বেশি পরিমাণে ঢুকে পড়ায় বেগতিক পরিস্থিতি হয়। জলের গতি প্রবল হওয়ায় মাঝিও সামাল দিতে পারছিলেন না। এরপর সমুদ্রে অন্যান্য মৎস্যজীবীরা লাফ দিয়ে প্রাণ বাঁচান। এক মৎস্যজীবী বলেন, দূরে দেখি একটি ট্রলার। এরপর আমরা বাঁশি বাজিয়ে বার্তা দিলে অপরাজিতা ফিশিং ট্রলারের মাঝি আমাদের উদ্ধার করেন। ট্রলারের মধ্যে প্রচুর ইলিশ মাছ ভর্তি ছিল। মাছ সমেত ট্রলারটি সমুদ্রে পুরোপুরি ডুবে যায় বলে জানা যায়। ট্রলারে যা মাছ ছিল তাতে কয়েক লক্ষ টাকা ক্ষতি বলে জানিয়েছেন ট্রলারের মৎস্যজীবীরা।

    মৎস্যজীবীদের বক্তব্য

    ফ্রেজারগঞ্জেরের (South 24 Parganas) অপরাজিতা ট্রলারের মালিক নিতাই মাইতি বলেন, আমি দেখি দূর থেকে হুইসেল দিচ্ছে। এরপর দেখি ওই ট্রলারটি ক্রমেই বসে যাচ্ছে। আর এরপর আমি আমার ট্রলারের জাল ফেলে দিয়ে দ্রুত অনিক ট্রলারকে লক্ষ্য করে দড়ি ফেলতে শুরু করি। এরপর অনিক ট্রলারের মৎস্যজীবীদের একে একে দড়ি দিয়ে আমার ট্রলারে তুলে নিই। তিনি আরও বলেন, বড় বিপত্তি ঘটল। কিন্তু সম্পত্তির ক্ষতি হলেও প্রাণ বেঁচে গেল এই যা।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: কণ্ঠস্থ ১৯৪ টি সামুদ্রিক প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম, ৬ বছর বয়সেই তাক লাগিয়ে দিয়েছে শ্রীহান!

    Durgapur: কণ্ঠস্থ ১৯৪ টি সামুদ্রিক প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম, ৬ বছর বয়সেই তাক লাগিয়ে দিয়েছে শ্রীহান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ৬ বছর। কিন্তু তাতে কী? এই বয়সেই কণ্ঠস্থ ১৯৪ টি সামুদ্রিক প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম। গড়গড়িয়ে অবলীলায় বলে চলেছে কঠিন কঠিন দাঁত ভাঙা সব ইংরেজি শব্দ। এশিয়ায় রেকর্ড করে ফেলল দুর্গাপুরের (Durgapur) হরিবাজার অঞ্চলের বাসিন্দা ছোট্ট শ্রীহান। মাত্র সাড়ে ৯ মিনিটে এইসব নাম বলায় এশিয়া বুক অফ রেকর্ডস থেকে স্বীকৃতি মিলেছে সম্প্রতি। তার ঝুলিতে এসেছে শংসাপত্র, মেডেল । দুর্গাপুরের হেমশীলা মডেলের ক্লাস ওয়ানের ছাত্র শ্রীহানের ছোটবেলা থেকেই ফটোগ্রাফিক মেমরি, যা দেখে তাই মনে রাখতে পারে। এই বয়সেই সোলার সিস্টেম, সামুদ্রিক প্রাণী, প্ল্যানেট ইত্যাদি বিষয়ের ওপর এনসাইক্লোপিডিয়া পড়ে ফেলেছে। এসবের পাশাপাশি ছবি আঁকার ব্যাপক আগ্রহ এই খুদের, জানাচ্ছে নিজের মুখে।

    কী বললেন গর্বিত বাবা-মা (Durgapur) 

    শ্রীহান পালের (Durgapur) বাবা ডঃ সৌরভ পাল একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সহকারী অধ্যাপক। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই পড়ার বইয়ের পাশাপাশি এই বিষয়গুলিতে অসীম আগ্রহ ছেলের। অন্যান্য বাচ্চারা কোথাও গেলে যেমন খেলনা চায়, ও তাই চাইত। কিন্তু তার থেকে ওর বেশি আগ্রহ ছিল বইতে। প্রথম বিভিন্ন প্ল্যানেট। তারপর বিভিন্ন জায়গা। তারপর স্বাধীনতা সংগ্রামী। মোটামুটি সবার সম্পর্কেই বই কিনে দিয়েছি, ও পড়েছে। ওর আসলে ফটগ্রাফিক মেমরি আছে। সব যে পড়ছে, তা নয়। টিভি বা মোবাইলে কিছুক্ষণ দেখলেই ও মনে রাখতে পারে। কেমন লাগছে? প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাবা হিসেবে তো খুবই গর্ব অনুভব করছি। এর পরের লক্ষ্য কি গিনেস বুক? উত্তর এল, সে তো আছেই ইচ্ছা। তবে ওদের পদ্ধতি একটু সময়সাপেক্ষ। আগের বছর আমার ছেলে ন্যাশনালে উত্তীর্ণ হল। এবার এশিয়ায়। তাই গিনেস বুকের জন্য আবেদন করব।

    ছেলে এশিয়া রেকর্ডসের অধিকারী। গর্বিত মা পৌলমি পাল বলেন, ছোটবেলা থেকেই নানা বিষয়ে ওর আগ্রহ ছিল। আরও ছোটবেলা থেকেই যা শুনত তাই মনে রাখত। আমি ওকে যতটা পেরেছি, সাহায্য করেছি। সেভাবে মনে রেখেই আজ এশিয়ায় সেরা হয়েছে শ্রীহান। তাই মা হিসেবে আমারও খুব গর্ব হচ্ছে।

    এবার লক্ষ্য গিনেস বুকে নাম তোলা

    এর আগে শ্রীহান একটি বাংলা চ্যানেলের রিয়েলিটি শোতে গিয়েও তাক লাগিয়ে দিয়েছিল সঞ্চালক তথা বিখ্যাত ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলিকে। এবার লক্ষ্য গিনেস বুকে নাম তোলা। তবে তার জন্য কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। দুর্গাপুরের (Durgapur) বিরল এই প্রতিভার কৃতিত্বে গর্বিত বাবা, মা সহ পরিবার ও পাড়াপ্রতিবেশীর পাশাপাশি নগরবাসীও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • English Channel: ২৬ বছর পর বিশেষভাবে সক্ষম হিসেবে টু ওয়ে ইংলিশ চ্যানেল পার করলেন হাওড়ার রিমো

    English Channel: ২৬ বছর পর বিশেষভাবে সক্ষম হিসেবে টু ওয়ে ইংলিশ চ্যানেল পার করলেন হাওড়ার রিমো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ২৬ বছর পর আরও এক বিশেষভাবে সক্ষম বাঙালি সাঁতারু উত্তর হাওড়ার সালকিয়ার এস বি লেনের বাসিন্দা ৩২ বছরের রিমো সাহা সাঁতরে ইংলিশ চ্যানেল (English Channel) জয় করলেন। বাঙালি এই সাঁতারু বিশেষভাবে সক্ষম হওয়া সত্ত্বেও সমস্ত প্রতিবন্ধকতা কাটিয়েই তিনি লক্ষ্যপূরণ করলেন। তাঁর এই সাফল্যকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন রাজ্যবাসী। এর আগে নর্থ চ্যানেল পার করেছিলেন তিনি। মনের জোর আর দৃঢ়সংকল্প থাকলে যে সবই সম্ভব সেটাই তিনি প্রমাণ করে দেখালেন। রিমোর সঙ্গেই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এলিভিস আলি হাজারিকা টু ওয়ে ইংলিশ চ্যানেল পারাপার করেছেন বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও অসম থেকে এই দুই সাঁতারুর সাফল্যে খুশি দেশবাসী।

    কবে ইংলিশ চ্যানেল (English Channel) অভিযানে নামেন তিনি?

    নতুন ইংলিশ চ্যানেল জয়ী রিমো সাহার আগে ১৯৯৭ সালে উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা মাসুদুর রহমান বৈদ্য এশিয়ার প্রথম বিশেষভাবে সক্ষম সাঁতারু হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল (English Channel) জয় করেছিলেন। পরে, জিব্রাল্টার প্রণালী অতিক্রম করেন তিনি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রিমো ইংলিশ চ্যানেল পার করেছিলেন আগেই। এ বার তাঁর অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে আবার ফিরে আসা। সাঁতারের পরিভাষায় যাকে বলে ‘টু ওয়ে’। এ জন্য গত ৮ জুলাই রওনা দেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন অসম, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, তেলঙ্গানা এবং মহারাষ্ট্রের পাঁচজন সাঁতারুও। ইংল্যান্ডে পৌঁছে তাঁরা অনুশীলন করেন। প্রথমে সেখানকার আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য। এর পর, মঙ্গলবার রিমো-সহ বাকি পাঁচ সাঁতারু মিলে রিলে পদ্ধতিতে ইংলিশ চ্যানেলে নামেন। মঙ্গলবার ভারতীয় সময় সকাল ৮টায় শুরু হয় অভিযান। বুধবার দুপুর সাড়ে ৩টেয় তাঁরা অভিযান সফল করেন।

    কী বললেন ইংলিশ চ্যানেল জয়ী সাঁতারু (English Channel)?

    ইংলিশ চ্যানেল (English Channel) জয়ী সাঁতারু রিমো সাহা বলেন, সাঁতারের সময় আবহাওয়া ছিল প্রতিকূল। ছিল ঝোড়ো হাওয়া এবং প্রচণ্ড স্রোত ছিল। সেই সঙ্গে জলে প্রচুর জেলিফিশও ছিল। সেই সব প্রতিকূলতা দূর করে সাফল্য পাওয়ায় খুব ভালো লাগছে তাঁর।

    কী বললেন প্রতিবেশীরা?

    রিমোর এই সাফল্যে খুশি হাওড়ার সালকিয়ায় তাঁর প্রতিবেশী ও আত্মীয়রাও। প্রতিবেশীর বক্তব্য, রিমোর জন্য আমাদের গর্ব হচ্ছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে রিমো ফিরে এলে বড়ো করে সাফল্য উদযাপন করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah Mangalahat: হাওড়ার মঙ্গলাহাটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত এক হাজার কাপড়ের দোকান

    Howrah Mangalahat: হাওড়ার মঙ্গলাহাটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত এক হাজার কাপড়ের দোকান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভয়াবহ আগুনে ভস্মীভূত হল হাওড়ার মঙ্গলাহাট (Howrah Mangalahat)। অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে খাক হয়ে গেল প্রায় এক হাজারের বেশি কাপড়ের দোকান। একুশে জুলাইয়ের আগের দিন রাত একটা নাগাদ আগুন দেখতে পান আশপাশের লোকজন। তাঁরাই দমকলে খবর দেন। বহু বছর আগে একবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গিয়েছিল দেশের মধ্যে অন্যতম এই মঙ্গলহাট। সেই থেকে মঙ্গলাহাটের একটি ভবনকে পোড়াহাট নামেই লোকে চেনেন। ফের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    দমকল সূ্ত্রে খবর, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হঠাৎই আগুন লেগে যায় মঙ্গলাহাটে (Howrah Mangalahat)। স্থানীয় বাসিন্দারা দেখেন হাটের দোকানগুলি দাউ দাউ করে জ্বলছে। অগ্নিকাণ্ডে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। হাটের কাছেই হাওড়া থানা। প্রথমে থানায় খবর দেওয়া হয়। থানা থেকে খবর যায় দমকলে। একে একে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় দমকলের ১৮টি ইঞ্জিন। আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়। হাটের ছোট ছোট দোকানগুলিতে প্রচুর পরিমাণে জামাকাপড় মজুত ছিল। দোকানগুলি বাঁশ এবং কাঠের কাঠামো দিয়ে তৈরি হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ১৮ টি ইঞ্জিন প্রায় তিন ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে দমকলের ধারণা শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। যদিও স্থানীয় দোকানদারদের অভিযোগ, মঙ্গলাহাট ভবনটি পুরানো ও জরাজীর্ণ আকার নিয়েছিল। ভবনের আসল মালিক কে তা নিয়ে ছিল দ্বন্দ্ব। মালিকানা নিয়ে বিবাদ চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। তাদের অভিযোগ, পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের নজরানা দিয়ে এতদিন বেআইনিভাবে হাট চলছিল। মালিকানা সংক্রান্ত বিবাদের জেরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন দমকলের আধিকারিক?

    ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাওড়া সিটি পুলিশ এবং দমকল। দমকলকর্মীরা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের সামনেই গঙ্গা এবং দমকলের সদর দফতর থাকায় আগুন নেভানোর কাজে জলের কোনও অভাব হয়নি। দমকল বিভাগের ডিভিশনাল ফায়ার অফিসার রঞ্জনকুমার ঘোষ বলেন, মঙ্গলাহাটে (Howrah Mangalahat) আগুন লাগার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। আগুনের ভয়াবহতা দেখে হাওড়া ময়দান ছাড়াও বালি, লিলুয়া সহ বিভিন্ন দমকল কেন্দ্র থেকে গাড়ি নিয়ে এসে আগুন নেভানো হয়। প্রথমে আগুনকে চারদিক থেকে নিয়ন্ত্রণ করে নেওয়া হয়। তারপর আগুন নেভাতে আগুনের মূল কেন্দ্রস্থলে পৌঁছায় দমকল। এভাবেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: রায়দিঘিতে পরাজিত বিজেপি প্রার্থীর ভেড়িতে দিল বিষ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: রায়দিঘিতে পরাজিত বিজেপি প্রার্থীর ভেড়িতে দিল বিষ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য পঞ্চায়েত নির্বাচনে হেরে যাওয়া বিজেপি (BJP) প্রার্থীর মাছের ভেড়িতে বিষ দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আর পুকুরে বিষ দেওয়ার কারণে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি।  ঘটনাটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার রায়দিঘি বিধানসভার কন কন দিঘি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৪৬ নম্বর বুথের আড়িয়াপাড়া এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

     পঞ্চায়েত নির্বাচনে সুপর্ণা  মণ্ডল বিজেপির প্রার্থী হয়ে শাসকদলের পুষ্পিতা মাঝির কাছে হেরে যায়। হঠাৎ করে বুধবার রাতে দুষ্কৃতীরা বিজেপি প্রার্থীর ভেড়িতে বিষ দিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকালে ভেড়িতে গিয়ে বিজেপি প্রার্থীর শ্বশুর দেখতে পান, ভেড়িতে প্রচুর মাছ মরে ভেসে উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই দলমত নির্বিশেষে  কয়েক শতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে আসেন। দুষ্কৃতীদের শাস্তির দাবিতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ করেন।  তবে ভোটে হারার পর পুকুরে বিষ পড়লেও বিরোধী দলের দিকে আঙুল তুলতে নারাজ পরাজিত প্রার্থী এবং পরিবারের লোকজন। 

    কী বললেন পরাজিত বিজেপি (BJP) প্রার্থী?

    পরাজিত বিজেপি (BJP) প্রার্থী সুপর্ণা মণ্ডল বলেন, ভোটে হেরে যাওয়ার পর ভেড়িতে এভাবে বিষ দিয়ে মাছ মেরে দেবে তা ভাবতে পারছি না। যে বা যেসব দুষ্কৃতী এসব কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা সুব্রত বর বলেন, দলীয় প্রার্থী হেরে যাওয়ার পর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই কাজ করেছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যে বা যারা এই ঘটনায় যুক্ত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী?

    এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী  পুষ্পিতা মাঝি বলেন, আমাদের দল এমন জঘন্য কাজ করতে পারে না। ভোট যুদ্ধে হার-জিত আছে, তাই বলে কাউকে পুকুরে বিষ দিতে হবে এমন কথা আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারেন না। তবে, যে বা যারা  করেছে তাদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক। এটাই প্রশাসনের কাছে আমাদের আবেদন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliyaganj: মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু কাণ্ডের তদন্তে তাঁর বাড়িতে মহকুমা শাসক, তৈরি করা হল স্কেচ

    Kaliyaganj: মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যু কাণ্ডের তদন্তে তাঁর বাড়িতে মহকুমা শাসক, তৈরি করা হল স্কেচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জ (Kaliyaganj) ব্লকের রাধিকাপুর এলাকায় পুলিশের গুলিতে মৃত্যুঞ্জয়ের নিহত হওয়ার ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের প্রথম সাক্ষ্যগ্রহণ হল। এর পর আজ রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি ঘটনাস্থল চাঁদগা গ্রামে পরিদর্শনে যান। মৃত যুবকের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলার পাশাপাশি মহকুমা শাসকের তত্ত্বাবধানে সেদিনের ঘটনার স্কেচ তৈরি করা হয়। তবে এদিনের তদন্ত নিয়ে মহকুমা শাসক কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে আজও ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি মহকুমা শাসকের কাছে জানানো হয়েছে।

    কীভাবে গ্রহণ হল সাক্ষ্য (Kaliyaganj)?

    এদিন রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি, কালিয়াগঞ্জের (Kaliyaganj) জয়েন্ট বিডিও এবং স্কেচ তৈরিতে পারদর্শী একজন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে দুপুর দেড়টা নাগাদ রাধিকাপুরের চাঁদগা গ্রামে পৌঁছান। মৃত মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের বাবা রবীন্দ্রনাথ বর্মন সহ পরিবারের বাকি সদস্যদের থেকে সেই রাতের ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ লিপিবদ্ধ করেন মহকুমা শাসক। পরিবারের সদস্যদের বয়ান অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি স্কেচ তৈরি করা হয়। প্রায় ঘণ্টা দেড়েক জিজ্ঞাসাবাদ করেন মহকুমা শাসক।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, উচ্চ আদালত ও মানবাধিকার কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী কোথাও পুলিশের গুলিতে কেউ মারা গেলে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত করতে হয়। সেই নিয়ম মেনেই পুলিশের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনের কাছে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্ত করার আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতিকে এই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২২ মে এই মর্মে মহকুমা শাসক একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। তাতে বলা হয়, ৬ জুন কালিয়াগঞ্জ বিডিও অফিসে ওইদিন রাধিকাপুরের চাঁদগা গ্রামে রাতে তল্লাশি অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল পুলিশকর্মীকে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়। এর পাশাপাশি মৃতের পরিবারের সদস্য, এলাকার বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শীদেরকেও আসার জন্য বলা হয়। ৬ জুন ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয় মহকুমা শাসকের (Kaliyaganj) উপস্থিতিতে। এরপর পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য এই তদন্তের কাজ থেমে থাকে। নির্বাচন পর্ব মিটতেই এই তদন্তের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু হয়। প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এরপর তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে ঘটনার দিন এই গ্রামে অভিযানে নিযুক্ত প্রত্যেক পুলিশকর্মীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে। এরপর স্কেচ ফাইনাল করে মহকুমাশাসক তার চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেবেন।

    পরিবারের বক্তব্য

    মৃত মৃত্যুঞ্জয় (Kaliyaganj) বর্মনের দাদা মৃণালকান্তি বর্মন জানিয়েছেন, “মহকুমা শাসকের আজকের তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হয়েছে। তবে রাজ্য সরকারের উপর আমাদের আস্থা নেই। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিভিন্ন জায়গায় সরকারি আধিকারিকদের যেসব ঘটনা সামনে এসেছে তাতে তো বোঝাই যাচ্ছে যে তাঁরা মমতা ব্যানার্জির সাথে মিলে রয়েছেন।  বিভিন্ন আধিকারিকরা আসছেন, সিআইডি এসেছেন। তাঁরা সব তথ্য নিয়ে গেছেন।  কিন্তু আদৌ এই সমস্ত তথ্য হাইকোর্টে পেশ করবে কিনা তা নিয়ে আমাদের সংশয় আছে।”

    অপরদিকে, মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের বাবা রবীন্দ্রনাথ বর্মন জানিয়েছেন, “মহকুমা শাসককে ঘটনার সম্পর্কে জানিয়েছি। কিন্তু সিআইডি কিংবা পুলিশের ওপর আমাদের ভরসা নেই। আমরা সিবিআই তদন্ত চাই।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • UCC: দেশে একটাই দেওয়ানি বিধি থাকুক, চাইছেন অধিকাংশ মুসলিম মহিলাই! উঠে এল সমীক্ষায়

    UCC: দেশে একটাই দেওয়ানি বিধি থাকুক, চাইছেন অধিকাংশ মুসলিম মহিলাই! উঠে এল সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে একটাই দেওয়ানি বিধি (UCC) থাকুক। অন্তত এমনটাই চান এ দেশের সিংহভাগ মুসলমান মহিলা। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। জানা গিয়েছে, দেশের ৬৭ শতাংশ মুসলমান মহিলা চান গোটা দেশের জন্য একটাই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি থাকুক। যাঁরা এই মত পোষণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে ৬৮ শতাংশ মহিলাই গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি ডিগ্রিধারী।

    বহু বিবাহ সমর্থনযোগ্য নয় 

    ৭৬ শতাংশ মুসলমান মহিলা বহু বিবাহের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন না। মুসলমান পুরুষদের চারটি বিয়ে করার অধিকারও থাকা উচিত নয় বলেই মনে করেন তাঁরা। যাঁরা এমন মত ব্যক্ত করেন, তাঁদের মধ্যে গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি শিক্ষাগত যোগত্যার অধিকারী ৭৯ শতাংশ মহিলা। সমীক্ষায় যাঁরা যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ৭৪ শতাংশ মহিলা মনে করেন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়া নারী এবং পুরুষের দ্বিতীয়বার বিয়ে করার অনুমতি দেওয়া প্রয়োজন। কোনওরকম বিধিনিষেধ (UCC) ছাড়াই এটা হতে দেওয়া দরকার বলে মনে করেন ওই মুসলিম মহিলারা। দত্তক নেওয়ার পক্ষেও সায় দিয়েছেন সিংহভাগ মুসলিম মহিলা।

    বিয়ের বয়স 

    ৬৯ শতাংশ মুসলিম মহিলা মনে করেন যাঁরা প্রবীণ হয়েছেন, তাঁরা তাঁদের সম্পত্তি ইচ্ছে মতো দান করতে পারেন। এ মতের স্বপক্ষে যাঁরা সায় দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৭৩ শতাংশ মহিলাই গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতার অধিকারী। বিয়ের বয়স মহিলা এবং পুরুষ উভয় ক্ষেত্রেই ২১ হওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৭৯ শতাংশ মুসলিম মহিলা। এঁদের মধ্যে গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি শিক্ষিতের হার ৮২ শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: ‘কালীঘাটের কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করতে ইডি-কে অনুমতি হাইকোর্টের

    সমীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য থেকে একথা স্পষ্ট যে, ভারতের সিংহভাগ মুসলমান মহিলাই চাইছেন, অবিলম্বে চালু হোক অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) । এই বিধি লাগু হলে বিবাহ বিচ্ছেদ সহ নানা ক্ষেত্রে জাতি-ধর্ম-নির্বিশেষে একটাই আইন চালু হবে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষে সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। দিল্লির এক বিজেপি নেতার দাবি, সংসদের বাদল অধিবেশনেই আসতে পারে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Murshidabad: তৃণমূলের জেলা সভাপতির অপসারণ চাই, ফের বিস্ফোরক হুমায়ুন কবীর

    Murshidabad: তৃণমূলের জেলা সভাপতির অপসারণ চাই, ফের বিস্ফোরক হুমায়ুন কবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা তৃণমূল নেত্রী শাওনি সিংহ রায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি এর আগে চারজন বিধায়ককে পাশে নিয়ে শাওনি সিংহ রায় এবং অপূর্ব সরকারের অপসারণ চেয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, যদি কোনও ব্যবস্থা না হয়, তাহলে জেলা তৃণমূল পার্টি অফিস ঘেরাও করবেন। শুধু তাই নয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডোমকলে নির্বাচনী পথসভার দিন, তিনি বহরমপুরে নিজস্ব সভা ডেকেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি সেই সভা থেকে বিরত থাকেন। তখন তিনি বলেছিলেন, রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে কথা হয়েছে, একুশে জুলাইয়ের পর তাঁর দাবি নিয়ে আলোচনা হবে।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক (Murshidabad)?

    আগামীকাল একুশে জুলাই শহিদ দিবস। ধর্মতলা যাওয়ার আগেই আবারও শাওনি সিংহ রায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন হুমায়ুন কবীর (Murshidabad)। তিনি বলেন, সর্ষের মধ্যে ভূত থাকলে যেমন হয় ঠিক সেই রকম অবস্থা হয়েছে তৃণমূলের। জেলা কমিটির অনেকেই বিজেপির বাহক হিসাবে  কাজ করছেন। তিনি আরও বলেন, যাঁরা দলে থেকে দলের গাদ্দারি করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রাজ্য নেতৃত্বের কাছে আমি অবশ্যই তুলে ধরব। এই সত্যনারায়ণ রায় এখনও শাওনি সিংহ রায়ের বডি মেম্বার, তিনি কাল দশজন বিজেপির মেম্বার এবং পাঁচজন কংগ্রেসের প্রার্থীদের নিয়ে রামনগরঘাট পার করবার জন্য বিশেষ মদত করেন। তলে তলে যোগাযোগ রাখছেন। রামনগরে তৃণমূলের ফল খারাপ হওয়ার জন্য দায়ী জেলা নেতৃত্ব। রাজ্যের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আমি সর্বত্র এই অযোগ্য লোকেদের সম্পর্কে বলব।

    নির্দল ও কংগ্রেস জয়ী প্রার্থীদের সম্পর্কে কী বললেন?

    হুমায়ুন কবীর (Murshidabad) বলেন, এখানকার পুলিশের ওসি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ওসি। কিন্তু এই ওসি বিজেপির এবং কংগ্রেসের মেম্বারদের পাহারা দিতে ব্যস্ত। মহামান্য হাইকোটের নির্দেশ রয়েছে কমিশনারের উপর। কমিশনার আবার জেলা শাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন যে পরবর্তী কোনও নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই নির্বাচনের সার্টিফিকেট মূল্যহীন। তাই তিনি আজ সমস্ত জয়ী মেম্বারদের ডেকে বলেন, এখানে কংগ্রেসের জয়ী মেম্বারও আছেন, আবার নির্দলও আছেন। সবাই আমাদের সঙ্গে সঠিক সময়ে যোগদান করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Central force: পানিহাটির স্কুলে প্রায় একমাস ধরে বন্ধ রয়েছে পঠনপাঠন, কেন জানেন?

    Central force: পানিহাটির স্কুলে প্রায় একমাস ধরে বন্ধ রয়েছে পঠনপাঠন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে। ফলাফল ঘোষণাও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, এখনও স্কুলে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। আর বাহিনী এলাকা দখল করে থাকার কারণে লাটে উঠেছে পড়াশুনা। এমনই ঘটনা ঘটেছে পানিহাটির নাটাগড়ের স্বামী বিবেকানন্দ সেবা সমিতি ফর গার্লস স্কুলে। মাসখানেক ধরে এই স্কুলে কোনও পঠনপাঠন হচ্ছে না। ফলে, পড়ুয়ারা ক্ষুব্ধ।

    কী বললেন স্কুল পড়ুয়ারা?

    পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) আসা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এমনিতেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুরসভার কোনও বিষয় নেই। কিন্তু, বাস্তবে দেখা যায় পানিহাটি পুরসভা এলাকার এই স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকার ব্যবস্থা করা হয়। গত ২৮ জুন স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। তারপর থেকে এই স্কুলে পঠন-পাঠন কার্যত লাটে উঠেছে। পড়ুয়াদের বক্তব্য, সমস্ত স্কুলে ক্লাস চলছে। অনেক স্কুলে পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়েছে। আর আমাদের স্কুলে ক্লাস শুরু হওয়া তো দূরের কথা, কবে স্কুল খুলবে তা আমরা ঠিক মতো করতে বলতে পারছি না। এমনকী বহু স্কুলে প্রজেক্টের কাজ হয়ে গিয়েছে। আমাদের এসব কবে তা স্কুল কর্তৃপক্ষ বলতে পারছে না। আমরা খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছি। আমাদের বক্তব্য, এমনিতেই গত দেড় মাস গরমের ছুটির কারণে স্কুল বন্ধ ছিল। আর এখন কোনও কিছুই নেই। শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী স্কুলে রয়েছে বলে আমাদের স্কুল বন্ধ রয়েছে। ফলে, পঞ্চম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত সব ক্লাস বন্ধ রয়েছে। আমাদের দাবি, অবিলম্বে স্কুল খোলার ব্যবস্থা করতে হবে।

    কী বললেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক?

    অন্যদিকে, স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশিস ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের স্কুল পুরসভা এলাকায়। আর ভোট হয়েছে পঞ্চায়েত এলাকায়। সেখানে পুরসভার কোনও বিষয় নেই। তাহলে আমাদের এই স্কুলে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) রাখার ব্যবস্থা করা হল? আর ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পরও এখনও বাহিনী যাওয়ার নামগন্ধ নেই। এসব কী হচ্ছে?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jarawas: ১৫ বছর একসঙ্গে ওঠাবসা, জারোয়াদের কাছের মানুষ পদ্মশ্রী ডাঃ রতনচন্দ্র কর

    Jarawas: ১৫ বছর একসঙ্গে ওঠাবসা, জারোয়াদের কাছের মানুষ পদ্মশ্রী ডাঃ রতনচন্দ্র কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমগ্র পৃথিবীর এমন অনেক উপজাতি বা আদিবাসী গোষ্ঠী আছে, যাঁরা এখনও সভ্য সমাজের আলোতে পৌঁছাতে পারেনি। সেরকমই ভারতীয় উপ মহাদেশের এক জাতিগোষ্ঠী হল জারোয়া, যাঁদের বসবাস দক্ষিণ আন্দামান এবং মধ্য আন্দামানের পূর্ব দিকে। এই আদিবাসী গোষ্ঠী (Jarawas) তাঁদের অঞ্চল ছাড়া বাকি সভ্য সমাজের সাথে যে কোনও রকম সম্পর্ক রাখা এড়িয়ে চলে। তাঁরা নিজস্ব সমাজ, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। বর্তমানে এই আদিবাসী গোষ্ঠীর আনুমানিক সংখ্যা ২০০ থেকে ৪০০-র মধ্যে। এই জারোয়া নামের অর্থ “পৃথিবীর মানুষ”। শুনলে অবাক হবেন, এক বাঙালি ডাক্তার এই জারোয়া আদিবাসী গোষ্ঠীর সাথে জড়িয়ে ছিলেন দীর্ঘ সময় ধরে।

    কী পরিচয় এই ডাক্তারের?

    ডাক্তার রতনচন্দ্র কর একজন জেনারেল ফিজিশিয়ান এবং কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজের একজন প্রাক্তন ছাত্র। তিনি আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে একজন স্বাস্থ্য আধিকারিক হিসেবে কাজ করেছেন এবং দীর্ঘ সময় আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের জারোয়া উপজাতিদের (Jarawas) সামনে থেকে চিকিৎসা করেছেন। আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে থাকাকালীন নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি “জারোয়াস অফ দ্য আন্দামান” নামক একটি বইও লেখেন। ভারত সরকার সাম্প্রতিক বছরে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করেছে।

    কীভাবে তিনি জারোয়াদের (Jarawas) সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন?

    প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, জারোয়া (Jarawas) উপজাতিরা যেহেতু সভ্য সমাজ থেকে অনেকটাই পিছিয়ে, তাই এঁরা সভ্য সমাজের মানুষদের সাথে সম্পর্ক রাখা এড়িয়ে চলে। ১৯৯৮ সালে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে হামের মতো রোগের প্রাদুর্ভাব খুব বেড়ে যায়। সেই সময় ডক্টর রতনচন্দ্র কর নিজে সমস্ত ঝুঁকি নিয়ে জারোয়াদের মধ্যে উপস্থিত থেকে তাঁদের সামনে থেকে চিকিৎসা করেন। তিনি জারোয়াদের এই সময় খুব সাহায্য করেছিলেন। কিন্তু এটি মোটেও প্রথমে সহজ কাজ ছিল না। যখন জারোয়ারা হামের মতো সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে শুরু করে, তখন অনেকে মারাও গিয়েছিল। এই ঘটনাটি উপজাতি পরিদর্শনকারী কল্যাণ কর্মকর্তাদের নজরে এলে কেন্দ্র সরকারকে তাঁরা অনুরোধ করে, তাঁদের চিকিৎসার জন্য একজন ডাক্তার নিয়োগ করার। এই সূত্রেই ডাক্তার রতনচন্দ্র করের জারোয়াদের সাথে সংযোগ স্থাপনের ভিত তৈরি হয়।

    প্রথম দিন জারোয়াদের (Jarawas) মাঝে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

    ডাক্তার রতনচন্দ্র কর যেদিন প্রথম জারোয়া দ্বীপে গিয়ে পৌঁছান, সেদিন তিনি লক্ষ্য করেন, তীর-ধনুক হাতে অনেক জারোয়া তাঁর দিকে সন্দেহ নিয়ে তাকিয়ে আছে। প্রথমে মনে হয়েছিল, তাঁরা যেন সভ্য সমাজের মানুষ দেখে ভীত। কিন্তু সেই উপদ্বীপে থাকা জারোয়া (Jarawas) বাচ্চাদের জন্য ডাক্তার নারকেল এবং কলা নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁদের উপহার দেওয়ার জন্য। সেই উপহার দেওয়াতে তাঁদের ডাক্তারের ওপর বিশ্বাস জন্মায় এবং তাঁকে একটি কুঁড়ে ঘরে নিয়ে যায় তাঁরা। সেখানে তাঁকে মাংস রান্না করে খাওয়ায় জারোয়ারা। এদের কাছে জারোয়া ভাষা শিখেছিলেন তিনি, যাতে আরও ভালো সংযোগ স্থাপন করতে পারেন।

    ভাষার সমস্যা কীভাবে কাটালেন?

    জারোয়াদের আস্থা অর্জন এবং তাঁদের সাথে তাদের মতানুযায়ী আচরণ করা মোটেও সহজ কাজ ছিল না ডাক্তারের পক্ষে। সেখানকার সমস্ত মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করার জন্য তাঁকে এক দরজা থেকে আরেক দরজাতে ভিজিট করতে হয়েছিল। সেখানে ছিল ভীষণ ভাষার বাধা। তাই তাঁদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছিল। আস্তে আস্তে তিনি তাঁদের চিকিৎসার জন্য তাঁদের বিশেষ সম্মান প্রদান করেন এবং ওষুধগুলির সঠিক ব্যবহার তাঁদেরকে শেখাতে শুরু করেন। এসবের মাঝেই কয়েক মাসের মধ্যে তিনি জারোয়া ভাষা শিখেছিলেন এবং এক বছরের মধ্যে তিনি সাবলীল ভাবে জারোয়া (Jarawas) ভাষায় কথা বলতে শুরু করেন। অপরদিকে জারোয়াদেরও তিনি অনেক বাংলা ভাষা শিখিয়েছিলেন। আস্তে আস্তে ডাক্তারের প্রতি এবং তাঁর চিকিৎসার প্রতি জারোয়ারা সম্মান প্রদর্শন করতে থাকে এবং খুব পরিচিত এবং কাছের মানুষ হয়ে ওঠেন তিনি।

    পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত

    ডাক্তার রতনচন্দ্র কর এই জারোয়া (Jarawas) দ্বীপে ১৯৯৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তাঁদের সেবায় এবং চিকিৎসায় নিয়োজিত ছিলেন। এখনও পর্যন্ত সেখানকার মানুষ তাকে মনে রেখেছে।
    সম্প্রতি ২০২৩ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করেছে এবং তিনি বর্তমানে জারোয়াদের ডাক্তার নামেই পরিচিতি লাভ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share