Tag: Bengali news

Bengali news

  • TMC: মমতার নির্দেশকে থোড়াই কেয়ার! নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনে হাজির শিশির-দিব্যেন্দু

    TMC: মমতার নির্দেশকে থোড়াই কেয়ার! নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনে হাজির শিশির-দিব্যেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাতায়-কলমে শিশির অধিকারী এবং দিব্যেন্দু অধিকারী এখনও তৃণমূলের (TMC) সাংসদ। কিন্তু দলীয় হুইপকে অগ্রাহ্য করে পিতা-পুত্র রবিবার হাজির ছিলেন নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। প্রসঙ্গত, নয়া ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বয়কট করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দ্রৌপদী মুর্মুর পাল্টা প্রার্থী হিসেবে যশবন্ত সিনহাকে খাড়া করে তৃণমূল। এবার সেই দ্রৌপদী মুর্মুকে দিয়ে সংসদ ভবন উদ্বোধন কেন করানো হবে না? এই প্রশ্নে নয়া ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বয়কট করে তারা। তৃণমূলের (TMC) সমস্ত সাংসদ এদিন গরহাজির থাকলেও উপস্থিত ছিলেন কাঁথি ও তমলুকের সাংসদ।

    আরও পড়ুন: বড়ঞায় মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার সময় দলীয় কর্মীকে বোমা মেরে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল 

    মোদির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন পিতা ও পুত্র

    অন্দরের খবর, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর তাঁরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। তবে দলীয় হুইপ অমান্য করা এই প্রথম নয়, গত বছরের জুলাই মাসে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন বয়কটের ডাক দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তখনও দলের কোনও সাংসদ বা বিধায়ককে ভোট দিতে দেখা যায়নি। কিন্তু সেই নির্দেশ না মেনে পিতা-পুত্র দুজনেই জগদীপ ধনকড়কে ভোট দিয়েছিলেন। আবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তৃণমূলের অধিকাংশ সাংসদ এবং বিধায়ক যখন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ভোট দিয়েছিলেন, তখন শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী দিল্লি গিয়ে লোকসভায় ভোট দিয়ে এসেছিলেন।

    দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ২০২০ সাল থেকেই

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল (TMC) ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তারপর থেকেই শিশির অধিকারী এবং দিব্যেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে তৃণমূল কংগ্রেসের। একাধিকবার পুলিশ তলব করে দিব্যেন্দু অধিকারীকে। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্নেও সরব হতে দেখা যায় শিশির-দিব্যেন্দুকে। প্রসঙ্গত, ২০০৯ সাল থেকে শিশির অধিকারী কাঁথির সংসদ সদস্য। পরপর তিনবার তিনি ওই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, দিব্যেন্দু অধিকারী ২০১৬ উপনির্বাচনে জিতে পরপর দুবার তমলুক থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: বড়ঞায় মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার সময় দলীয় কর্মীকে বোমা মেরে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    TMC: বড়ঞায় মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার সময় দলীয় কর্মীকে বোমা মেরে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) কর্মীকে বোমা মেরে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বড়ঞা থানার পাঁপরদহ গ্রামে। হামলাকারীও তৃণমূল করে বলে মৃতের পরিবারের লোকজনের অভিযোগ। পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের লোকজন। এই খুনের ঘটনায় তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোটের আগে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে গ্রামে তৃণমূলের (TMC) দুই গোষ্ঠী গড়ে ওঠে। গত কয়েকদিন ধরেই দু পক্ষের মধ্যে রেষারেষি চলছিল। রবিবার মসজিদ থেকে নমাজ পড়ে বাড়ি ফেরার সময় এক তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথারি বোমা ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। আমির আলি শেখ (৫০) নামে ওই তৃণমূল কর্মীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। মৃতের এক আত্মীয় বলেন, “আইসিডিএস পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় হিল্লাল নামে এক যুবক আমার গালে চড় মারে। এরপরই আমাদের পরিবারের লোকজন তার প্রতিবাদ করে। দুপক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। তবে, ঘটনার সময় দাদা মসজিদে ছিলেন। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথেই বোমা মেরে আমার দাদাকে খুন করা হয়।” ঘটনার পরই মৃতের পরিবারের লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পুলিশের সামনে তাঁরা ক্ষোভ জানান। কারণ, হামলাকারীদের মধ্যে একজন সিভিক ভলান্টিয়ার ছিলেন। তাই পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তোলেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে তাদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভও দেখান এলাকাবাসী। অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতা সানির নেতৃত্বে এই হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছে। মুড়ি-মুড়কির মতো গ্ৰামে বোমাবাজি হয়েছে বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের। পরে কান্দি মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সাগর রানার নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে চার বালতি তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতা?

    তৃণমূলের বড়ঞা ব্লকের সহ সভাপতি মাহে আলম বলেন, তৃণমূল (TMC) কর্মী মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুষ্কৃতীরা বোমা মেরে তাঁকে খুন করেছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও কোন্দল নেই। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা জড়িত রয়েছে, তাদের কাউকে ছাড়া হবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরে সেনা এনকাউন্টারে খতম ৪০ কুকি জঙ্গি! সোমবার পা রাখছেন অমিত শাহ

    Manipur: মণিপুরে সেনা এনকাউন্টারে খতম ৪০ কুকি জঙ্গি! সোমবার পা রাখছেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসা বিধ্বস্ত মণিপুরে (Manipur) সেনা-পুলিশ যৌথ অভিযানে বড়সড় সাফল্য মিলল। এদিন ৮ ঘণ্টার অপারেশনে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসবাদীকে এনকাউন্টারে খতম করা গেছে, এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। অন্যদিকে, সোমবার মণিপুরে পা রাখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি মেইতেই এবং কুকি এই দুই সম্প্রদায়কেই শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন। সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডে শনিবারে দুদিনের সফরে মণিপুরে এসে পৌঁছেছেন।

    আরও পড়ুন: ৬ বছরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত! দাবি অশ্বিনী বৈষ্ণবের 

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং?

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘৪০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসবাদীকে এনকাউন্টারে খতম করতে পেরেছে সেনা এবং পুলিশ।’’ সূত্রের খবর ওই সন্ত্রাসীরা ak47, m16 এর মতো অত্যাধুনিক স্নাইপার বন্দুক নিয়ে হামলা চালায় সাধারণ মানুষের উপর। গ্রামে গ্রামে তারা আগুন জ্বালাতে থাকে।’’ প্রসঙ্গত, কুকি এবং মেইতেই জনগোষ্ঠীর সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি সারা মণিপুর জুড়েই। এপ্রসঙ্গে তাই মণিপুরের (Manipur) মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, ‘‘আমি ওদের কুকি যোদ্ধা বলতে চাই না। ওরা আসলে কুকি সন্ত্রাসবাদী ওরা নিরস্ত্র জনগণের উপর গুলি চালিয়েছে। সশস্ত্র জঙ্গি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে এই সংঘর্ষ চলছে। কোন নির্দিষ্ট দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে নয়। আমি সাধারণ মানুষকে শান্তি বজায় রাখতে আহ্বান জানাচ্ছি।’’ সূত্রের খবর এদিন দুপুর দুটো নাগাদ ইম্ফল উপত্যকায় হামলা চালায় সন্ত্রাসবাদীরা। এদিন সন্ত্রাসবাদীদের ছোড়া গুলিতে নিহত হয়েছেন কেনেডি নামের ২৭ বছরের এক তরুণ। 

    সংঘর্ষের কারণ……

    আসল ঘটনা হল রাজ্যের ৭০ শতাংশ জনগোষ্ঠী হল মেইতেই। কিন্তু উপজাতি সম্প্রদায়ভুক্ত না হওয়ায় রাজ্যের মাত্র দশ শতাংশ জমির উপর অধিকার পায় এই জনগোষ্ঠী। বাকি পাহাড়ে, জঙ্গলের সংরক্ষিত জমিতে বসবাস করার অধিকার রয়েছে একমাত্র আদিবাসী কুকি সম্প্রদায়ের। ৩ মে এক মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় মণিপুর জুড়ে। এখনও অবধি এই হিংসায় ৭০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: গলসিতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, ভোজালির কোপে জখম পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী

    Purba Bardhaman: গলসিতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, ভোজালির কোপে জখম পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় কর্মীর ভোজালির কোপে ক্ষতবিক্ষত হলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী। এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) গলসির পোতনা পুরসা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা মীর আজমিরার স্বামী মীর জাকির হোসেন। এই ঘটনায় গলসি ১ নম্বর ব্লকে আবারও প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman) কীভাবে আক্রান্ত হলেন?

    জখম মীর জাকির হোসেন জানিয়েছেন, শনিবার রাত সাড়ে দশটার সময় মীর কওসার মদ্যপ অবস্থায় তাঁর স্ত্রীকে গালিগালাজ করছিল। ওই সময় তিনি গালি দিতে নিষেধ করলে কওসার আচমকা একটি ভোজালি নিয়ে তাঁর বাঁ দিকের বগলের কাছে আঘাত করে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। স্থানীয়রা তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রথমে নিয়ে যান। তারপর সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাঁকে বর্ধমান (Purba Bardhaman) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। এই আক্রমণের বিরুদ্ধে তিনি দলের কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

    স্থানীয় তৃণমূল কর্মীর বক্তব্য

    এই হামলার প্রতিবাদে স্থানীয় তৃণমূল কর্মী শেখ কমল বলেন, আমরা তৃণমূল করি, আমাদের নেতা হলেন জাকির হোসেন। অপর দিকে মীর কওসারের নেতা হলেন পার্থ মণ্ডল এবং জানার্দন চ্যাটার্জি। ওরা গলসি এক নম্বর ব্লকের তৃণমূলের ব্লক (Purba Bardhaman) সভাপতি গোষ্ঠীর লোক। তিনি আরও বলেন, মূলত পঞ্চায়েত ভোটের টিকিট কে পাবে, এই নিয়ে মদ্যপ অবস্থায় কওসার প্রথমে পঞ্চায়েত সদস্যাকে গালিগালাজ করে। এরপর বাধা দিলে ভোজালি নিয়ে প্রাণঘাতী হামলা চালায় জাকির হোসেনের উপরে। তিনি আরও বলেন এই কওসারের কঠোর শাস্তি চাই। বিরোধীদের অভিযোগ, পুরোটাই তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের ফল। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে গ্রামে যায় গলসি থানার পুলিশ। পুলিশ কওসারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: গোষ্ঠী কোন্দল? ব্লক সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতাকে

    Birbhum: গোষ্ঠী কোন্দল? ব্লক সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্লক সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ দুবরাজপুরের (Birbhum) নেতাকে৷ তৃণমূলের শুরু থেকেই দুবরাজপুরের ব্লক সভাপতি ছিলেন ভোলা মিত্র৷ রবিবার ফিরহাদ হাকিমের নেতৃত্ব বীরভূম কোর কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷ আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ায় দলের অন্দরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বীরভূম জেলা কোর কমিটির সদস্য তথা সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, “দুবরাজপুরের ব্লক সভাপতিকে সরিয়ে দেওয়া হল। ওখানে কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে৷”

    বিজেপির দখলে এই বিধানসভায় ১৫ জনের কমিটি (Birbhum)

    প্রসঙ্গত, বীরভূমের ১১ টি বিধানসভার মধ্যে দুবরাজপুর (Birbhum) বিজেপির দখলে৷ তাই আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ দুবরাজপুর ব্লক সভাপতি ভোলা মিত্রকে সরিয়ে দেওয়া হল৷ পরিবর্তে ১৫ সদস্যের কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়৷ তারমধ্যে ২ জন আহ্বায়ক। এদিন বোলপুরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে বীরভূম জেলা কোর কমিটির সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয় মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। ছিলেন রাজ্যের ক্ষুদ্র-মাঝারি ও কুটির শিল্প মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, সাংসদ শতাব্দী রায়, অসিত মাল, বিধানসভার উপ-অধ্যক্ষ আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধায়ক অভিজিৎ সিংহ, জেলা (Birbhum) সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী, তৃণমূল নেতা কাজল শেখ, সুদীপ্ত ঘোষ, বিশ্ববিজয় মাড্ডি৷ গরু পাচার মামলায় জেল হেফাজতে রয়েছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তাঁকে পদে বহাল রেখে জেলার সাংগঠনিক কার্য পরিচালনার জন্য ৯ জনের কোর কমিটি গঠন করে দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি, বীরভূমের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দিয়েছিলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে৷ পর্যবেক্ষক হওয়ার পর এই প্রথম তিনি বীরভূমের (Birbhum) কোর কমিটির সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করেন। পরে জেলা কমিটির বৈঠকেও যোগ দেন। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলের ব্লক সভাপতি, অঞ্চল সভাপতি, পঞ্চায়েত প্রধান, পুর প্রধান সহ জেলা নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন মন্ত্রী।

    দলেই থাকব, বললেন ভোলা মিত্র

    পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর তৃণমূল নেতা (Birbhum) ভোলা মিত্র বলেন, “দল যা ভালো বুঝবে করবে৷ আমি দলে আছি, দলেই থাকব৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: আবাস যোজনায় ঘর না পেয়ে অভিষেকের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ

    Abhishek Banerjee: আবাস যোজনায় ঘর না পেয়ে অভিষেকের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাস যোজনায় ঘর না পেয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ। রোড শো এর পরেই বিক্ষোভের মুখে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আবাস যোজনার বাড়ি না পেয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে একরাশ ক্ষোভ প্রকাশ করলেন স্থানীয়রা। যোগ্য প্রাপকদের দিকে নজর দিন, উঠল দাবি।   

    কোথায় ক্ষোভের মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)?

    উল্লেখ্য, পশ্চিম মেদিনীপুরে তৃণমূলে নবজোয়ার কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে, চন্দ্রকোণা রোড এলাকায় রোড শো-তে অংশ নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এরপরই স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়তে দেখা যায় তাঁকে। নিচুতলার সংগঠনের উপর জোর দিন! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এমনই উপদেশ দিতে দেখা যায় স্থানীয় মহিলাদের।  

    জনজোয়ার যাত্রায় কী অভিযোগ গ্রামবাসীদের?

    জনজোয়ার যাত্রায় অভিষেকের (Abhishek Banerjee) গাড়িকে লক্ষ্য করে স্থানীয় মানুষের দাবি, আমাদের ঘর নেই, ঘর দরকার! গাড়ি ঘিরে ধরে তাঁদের দাবি, এলাকার অনেকের ঘর ফেটে গেছে, খুব অসহায়বোধ করছি আমরা। কিছু কিছু মানুষের ঘর প্রায় ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। তাই এই অবস্থায় আমাদের সরকারি সাহায্য একান্ত প্রয়োজন। এলাকার মানুষের আরও অভিযোগ, আমরা গাড়ির সামনে যেতে পারলেও নিরপত্তারক্ষীরা (Abhishek Banerjee) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে যেতে দেননি। তাঁরা বলেন, আমরা আমাদের অসুবিধার কথা বলার সময় পর্যন্তও পেলাম না। যাঁদের ঘর পাওয়ার যোগ্যতা রয়েছে, তাঁরাই পাচ্ছেন না। যাঁদের আছ্‌ তাঁরা আরও পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন এলাকার মহিলারা। এক স্থানীয় মাহিলার দাবি, আমি তো ভোট দিয়ে থাকি, তাহলে আমার কথা কেন শুনলেন না উনি? এখানে যাঁদের তিনতলা বাড়ি রয়েছে, তাঁরাই ঘর পাচ্ছে, আমরা কিছুই পাচ্ছি না। আমাদের কথা শোনার মতো সময় নেই নেতাদের। এলাকার মানুষের একটাই আক্ষেপ, নেতারা যদি আমাদের কথাই না শোনেন, তাহলে ভোট দিয়ে কী লাভ? পঞ্চায়েত ভোট সামনে, তাই আর কবে তৃণমূলের নেতারা এই এলাকার মানুষের কথা শুনবেন, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • President Of India: ‘‘সংসদের আস্থার প্রতীক প্রধানমন্ত্রী’’, শুভেচ্ছা বার্তায় বললেন রাষ্ট্রপতি

    President Of India: ‘‘সংসদের আস্থার প্রতীক প্রধানমন্ত্রী’’, শুভেচ্ছা বার্তায় বললেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া সংসদ ভবন উদ্বোধনে রবিবার শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন রাষ্ট্রপতি (President Of India) দ্রৌপদী মুর্মু। এদিন তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি নতুন সংসদ ভবনকে গণতন্ত্রের জীবন্ত উদাহরণ বলেও উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রীকে এদিন ভারতীয় সংসদের আস্থার প্রতীকও বলেন রাষ্ট্রপতি।

    কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    রাষ্ট্রপতি এদিন শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, ‘‘আমি খুবই আনন্দিত, প্রধানমন্ত্রী যিনি আমাদের সংসদের আস্থার প্রতীক, তিনি এই নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন।’’ রাষ্ট্রপতির প্রেরিত শুভেচ্ছা বার্তা এদিন পাঠ করে শোনান রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ। রাষ্ট্রপতির (President Of India) ওই বার্তায় আরও উল্লেখ রয়েছে, ‘‘এই নতুন সংসদ ভবন উদ্বোধনের দিন থেকেই ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’’ নয়া সংসদ ভবন আমাদের বিশাল ভারতের উত্তর থেকে দক্ষিণ পূর্ব থেকে পশ্চিমে থাকা প্রত্যেক দেশবাসীর কাছে আনন্দ ও গর্বের বিষয়। ভারতীয় সংসদ আমাদের চেতনায় স্থান পেয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সংসদ আমাদের এমন অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যার জেরে দেশবাসীর জীবনে সুপরিবর্তন এসেছে।’’ এদিন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ওই শুভেচ্ছা বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে এই সংসদ ভবন সাক্ষী থেকে রয়েছে, কীভাবে ভারত ৭০ বছর ধরে এগিয়েছে এবং কোটি কোটি ভারতীয়র জীবনযাত্রার পরিবর্তনেরও সাক্ষী রয়েছে দেশের সংসদ ভবন।

    শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ও 

    উপরাষ্ট্রপতি তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, ‘‘সংসদই হল একমাত্র সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান যা জনগণের মতামতকে প্রতিফলিত করে। এই সংসদ ভারতবর্ষের আইন প্রণেতা এবং আগামী দিনের দিশা দেখানোর প্রতিষ্ঠানও বটে।’’

     

    আরও পড়ুন: নতুন সংসদ ভবনের অন্দরসজ্জা কেমন? ভিডিও শেয়ার করে ঝলক দেখালেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Result: এই প্রথম আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ ৪ ছাত্রী!

    Madhyamik Result: এই প্রথম আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ ৪ ছাত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঠে ধান পোঁতার কাজ সেরে পড়াশোনা। এই প্রথম একটি গ্রাম থেকে মাধ্যমিকে (Madhyamik Result) উত্তীর্ণ হল এমনই ৪ ছাত্রী৷ আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত গ্রাম শান্তিনিকেতনের সাহেবডাঙা। বিংশ শতাব্দীতে এসে নারী শিক্ষার অগ্রগতির নজির এই চার ছাত্রীর উত্তীর্ণ হওয়ার খবরে খুশি গ্রামবাসীরা৷

    কীভাবে এল এই সাফল্য (Madhyamik Result)?

    শান্তিনিকেতন থানার অন্তর্গত কংকালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সাহেবডাঙা আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত একটি গ্রাম। উন্নয়নের আলো সেভাবে পৌঁছায়নি এই গ্রামে। পাশাপাশি শিক্ষার আলো থেকেও এতকাল বঞ্চিত ছিল এই গ্রাম৷ অথচ, শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতির পীঠস্থান হিসাবে পরিচিত শান্তিনিকেতন। কিন্তু, প্রবাদবাক্য আছে ‘প্রদীপের নিচে অন্ধকার’। যদিও, এই প্রবাদবাক্যকে উপেক্ষা করে এই প্রথম এই গ্রাম থেকে ৪ জন মেয়ে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হল। বোলপুর পারুলডাঙা শিক্ষানিকেতন আশ্রম বালিকা বিদ্যাপীঠের ছাত্রী বাসন্তি টুডু, লতিকা মুর্মু, মিরু হাঁসদা ও গুসকড়ার পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু আবাসিক স্কুলের ছাত্রী সুমিত্রা টুডু এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় (Madhyamik Result) উত্তীর্ণ হয়েছে। এর আগে এই গ্রাম থেকে কোনও মেয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেইনি, উত্তীর্ণ হওয়া তো দূরের কথা৷ নারী শিক্ষার অগ্রগতি নিয়ে আন্দোলন চলছে বহু দিন ধরেই৷ সেই আন্দোলনের নজির বলা যায় ৪ আদিবাসী কন্যার সাফল্যকে৷ বাবা-মায়ের সঙ্গে মাঠে ধান পোঁতা, ধান কাটার কাজ করে তারা৷ তার ফাঁকেই পড়াশোনা। তারা জানায়, এর আগে কোনও মেয়ে সেভাবে পড়াশোনা করতে পারেনি৷ কারণ পরিকাঠামো নেই, বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থা, নেই পড়াশোনার পরিবেশ। সদ্য একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এই গ্রামটিকে দত্তক নিয়েছে৷ তাদের তত্ত্বাবধানেই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে তারা৷ যে যুবকের উদ্যোগে তাদের এই সাফল্য সেই বুদ্ধিশ্বর মণ্ডল বলেন, “এই গ্রামের উন্নয়ন একেবারেই নেই৷ প্রত্যন্ত একটি গ্রাম থেকে ৪ টি মেয়ে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ। আমি ওদের সঙ্গে আছি বহু দিন ধরে৷ তাদের সাফল্যে খুব খুশি হয়েছি।”

    কী বলল উত্তীর্ণরা (Madhyamik Result)?

    সুমিতা টুডু, বাসন্তি টুডু, মেরু হাঁসদা বলে, “এই গ্রামে আগে কোনও মেয়ে মাধ্যমিক (Madhyamik Result) পাশ করেনি৷ কারণ কোনো রকম সুযোগ সুবিধাই ছিল না৷ টিউশন পড়তে পারতাম না। আমাদের গ্রামের অবস্থাও ভালো নয়৷ সবাই মাঠে কাজ করে৷ আমরাও ধান পোঁতার কাজ করি৷ আমরা পাশ করায় গ্রামের সবাই খুব খুশি। আগামীতে গ্রামের বাকি মেয়েদের বলব, তারাও যেন পড়াশোনা করে আরও ভালো ফল করে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Russia Ukraine war: রাশিয়ার তেলের পাইপ লাইনে ড্রোন হামলা ইউক্রেনের! পাল্টা কী নির্দেশ দিলেন পুতিন?

    Russia Ukraine war: রাশিয়ার তেলের পাইপ লাইনে ড্রোন হামলা ইউক্রেনের! পাল্টা কী নির্দেশ দিলেন পুতিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার তেলের পাইপ লাইনগুলির উপর হামলা চালাচ্ছে ইউক্রেন (Russia Ukraine war)। রাশিয়ার সংবাদ সংস্থার সূত্রে খবর, পশ্চিম সাইবেরিয়ান থেকে ইউরোপ পর্যন্ত পাইপলাইনে শনিবারও একাধিক ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। শোনা যাচ্ছে, চলতি সপ্তাহে রাশিয়ার উপর ড্রোন হামলার পরিমাণ ক্রমশই বাড়িয়ে চলেছে ইউক্রেন। যদিও এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। কিন্তু রবিবারই পুতিন রাশিয়ান সেনাকে অতি দ্রুত মস্কোর দখলে থাকা ইউক্রেনের অঞ্চলে প্রবেশ করতে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    ড্রোন হামলা….

    মস্কোর উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত টিভার অঞ্চলের তেলের পাইপ লাইনে এদিন দুটো ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম তেলের পাইপলাইন বলেই জানা গেছে। সে দেশের সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, টিভার অঞ্চলের একটি গ্রামে এদিন ভেঙে পড়ে ইউক্রেনের ড্রোন। গ্রামটি ইউক্রেনের সীমানা থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানাচ্ছে, তারা গত ২৪ ঘন্টায় ১২টি ইউক্রেনের ড্রোনকে ধ্বংস করেছে।

    আরও পড়ুন: ইমরানের খেলা শেষ, তোপ দাগলেন নওয়াজ কন্যা মারিয়াম

    সেনাকে রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনের অঞ্চলে দ্রুত প্রবেশের নির্দেশ দিলেন পুতিন

    অন্যদিকে, রবিবার প্রেসিডেন্ট পুতিন নির্দেশ দিয়েছেন, দ্রুত রাশিয়ান সেনাবাহিনীকে ইউক্রেনের (Russia Ukraine war) সেই সমস্ত অঞ্চলগুলিতে প্রবেশ করতে হবে, যা মস্কোর দখলে রয়েছে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, চলতি সপ্তাহে রাশিয়ার উপরে ড্রোন হামলার ঘটনা বেড়ে যাওয়াতেই এমন নির্দেশ দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। রাশিয়ান সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, খাবার, বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী, সামরিক ও বেসামরিক যানবাহন অতি দ্রুত মস্কোর দখলে থাকা ইউক্রেনের অঞ্চলে পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছেন পুতিন। আবারও কি তাহলে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পুরোদমে শুরু হতে চলেছে? উদ্বিগ্ন আন্তর্জাতিক মহল। অন্যদিকে শনিবার ইউক্রেনও ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা পাল্টা আক্রমণের জন্য প্রস্তুত আছে। প্রসঙ্গত, ১৫ মাস ধরে এই যুদ্ধ চলছে। খেরসন, জাপোরিঝিয়া, লুহানস্ক এবং দোনেৎস্ক হল ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল যা বর্তমানে রাশিয়ার দখলে রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী হলেন ‘লেডি কিম’! কেন এই তুলনা টানলেন শুভেন্দু অধিকারী?

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী হলেন ‘লেডি কিম’! কেন এই তুলনা টানলেন শুভেন্দু অধিকারী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার নন্দীগ্রামের সোনাচূড়াতে শহিদ মিনারে ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে আসেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সংসদ ভবনের উদ্বোধন নিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে সংসদ ভবনের উদ্বোধনের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাসে নব পালক সংযোজিত হল। এই রাজ্যে আক্রান্তদের পাশে নেই রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করে তাঁকে উত্তর কোরিয়ার কিমের সঙ্গে তুলনা করেন শুভেন্দু।  

    নন্দীগ্রামে কী বললেন (Suvendu Adhikari) শুভেন্দু অধিকারী?

    সোনাচূড়াতে শহিদ মিনারে মন কি বাত অনুষ্ঠানে এসে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, আজ ভারতীয় হিসাবে আমরা গর্বিত। আত্মনির্ভর ভারত এবং আধুনিক ভারতের আরেকটি প্রয়াস হচ্ছে মোদিজির মাধ্যমে। নতুন সংসদ ভবনের বিষয়ে বলেন, ভারত মাতার নব রূপ সংযোজিত হল। আমি প্রাক্তন সাংসদ হিসাবে নতুন সংসদ ভবন উদ্ভোধন হওয়ায় ভীষণ ভাবে গর্ব অনুভব করছি।

    সরব রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে

    রাজ্যের তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আবার গতকাল শনিবার এগরাতে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, এগরা বিস্ফোরণের ১১ দিন পরে মুখ্যমন্ত্রী ভানু বাগের শ্রাদ্ধে খেতে এসেছিলেন। পাশাপাশি কুড়মি আন্দোলনে রাজেশ মাহাতর গ্রেফতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা আইনি বিষয়, তদন্ত সাপেক্ষ ব্যাপার। যদি কোনও আইনি সাহয্যের দরকার হয়, আমি রাজেশ মাহাতকে আইনি লড়াইতে সাহায্য করব। সব কিছু সমস্যা তৈরি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে জনজাতি সমাজ এবং অপরদিকে কুড়মিদের উস্কে দিচ্ছেন। রাজ্যে অস্থিরতার বাতাবরণ তৈরি করা হচ্ছে। সবটাই হচ্ছে প্রশাসনের ব্যর্থতার বলে তীব্র সমালোচনা করেন বিরোধী দলনেতা।

    কিমের সঙ্গে তুলনা মুখ্যমন্ত্রীকে

    সবার মুখ্যমন্ত্রী নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, উনি হলেন লেডি কিম। মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর ভাইপো অত্যন্ত ক্রূর, সব সময় প্রতিহিংসার রাজনীতি করছেন। এই ভাবেই সমালোচনা করলেন শুভেন্দু। মানুষের উপরে নানান ভাবে অত্যাচার করছেন বলে বিশেষ অভিযোগ তোলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর দল কিছু ভোট ব্যাঙ্কেরই কেবলমাত্র প্রতিনিধি। সবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হতে পারেননি। শুভেন্দু বলেন, বগটুই হত্যাকাণ্ডে সেখানকার মুসলমান মহিলাদের পুড়িয়ে মারার পর আমি গিয়েছি, তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আমি জানি তাঁরা আমাদের ভোট দেননি। আগামী দিনে দেবেন কি না তাও জানি না। কিন্তু আমি বিরোধী দলের নেতা হিসাবে মুখ্যমন্ত্রী আসার আগে ঘটনারস্থলে গিয়েছিলাম। একই ভাবে ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলারকে গুলি করে হত্যা করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। উল্লেখ্য, এখানেও মুখ্যমন্ত্রী যাননি, আমিই মৃত কাউন্সিলারের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, তিনি কেবল বিজেপির নেতা নন, এই রাজ্যে যত সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হবেন, তাঁদের সবাইকার নেতা শুভেন্দু। আক্রান্ত মানুষের পাশে থাকা বিরোধী দলের নেতাদের প্রধান কাজ। এবং এই কাজ করতে উনি রাজ্যবাসীর কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share