Tag: Bengali news

Bengali news

  • Sukanta Majumdar: সন্দেশখালি থানার সামনে ধুন্ধুমার, টেনে-হিঁচড়ে অবস্থান থেকে সরানো হল সুকান্তকে

    Sukanta Majumdar: সন্দেশখালি থানার সামনে ধুন্ধুমার, টেনে-হিঁচড়ে অবস্থান থেকে সরানো হল সুকান্তকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি থানার সামনে টানা দেড় ঘণ্টা অবস্থানের পর সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) আটক করে টোটোয় চাপিয়ে পুলিশ তাদের নৌকায় তুলল। পুলিশের অভিযোগ, ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেছেন তিনি। এই নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তার আগে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি হয়। সুকান্তকে নিয়ে নৌকা অনেকক্ষণ মাঝ নদীতে দাঁড়িয়ে ছিল। তাতে আলোও জ্বালানো ছিল না। ফলে তাঁকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান।

    উল্লেখ্য, আজ সন্দেশখালিতে পৌঁছান সুকান্ত। বিজেপি কর্মী বিকাশ সিং-এর বাড়িতে দেখা করে সন্দেশখালি থানায় যান তিনি। কিন্তু ঢুকতে বাধা দিলে থানার সামনে অবস্থান করেন। এরপর তিনি বলেন, “শাহজাহান শেখ গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান চালিয়ে যাব। প্রয়োজনে রাতভর চলবে বিক্ষোভ।” সরস্বতী পুজোর দিন যাত্রা শুরু করলেও পুলিশের বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে। পথেই নিগ্রহের শিকার হলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরপর কলকাতায় চিকিৎসা করানোর জন্য তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয়। 

    কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    এলাকার বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে থানার সামনে অবস্থান করে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “সংবাদ মাধ্যমে শেখ শাহজাহান-উত্তম-শিবুর নাম জেনে গিয়েছেন সকলে। ওঁরা মাথা। কিন্তু ওঁদের নিচে একটা পরিকল্পিত টিম রয়েছে। পুরো কাজ করা হয়েছে এখানে পরিকল্পিত ভাবে। এলাকার আদিবাসীদের বিঘার পর বিঘা জমি দখল করে ভেড়ি তৈরি করা হয়েছে। জমির মালিকদের জমির উপর কোনও অধিকার নেই। নিচুতলার জিয়াউদ্দিন, সিরাজ, আল্মগীর এঁরাই হলেন আসল লোক। সকল দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করতে হবে। ভেড়ির লিজের টাকা কোথায় যাচ্ছে, কারা আদায় করছে জানতে হবে। সাংবাদিকদের ক্যামেরা সরে গেলেই আবার ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হবে।”

    উলুধ্বনিতে স্বাগত সুকান্তকে (Sukanta Majumdar)

    বসিরহাট থেকে সন্দেশখালির পথে যাত্রা শুরু করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। প্রথমে তাঁকে ধামাখালিতে আটকে দেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, তাঁকে একাই যেতে হবে। নিরাপত্তারক্ষী ছাড়া আর কাউকে যেতে দেওয়া হবে না। অবশ্য এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। পরে অবশ্য দলের একজনকে নিয়ে যেতে পারবেন বলে অনুমতি চাইলে পুলিশ তার অনুমতি দেয়নি। এরপর একাই লঞ্চে ওঠেন। তারপরে সন্দেশখালিতে পৌঁছানোর পর তাঁকে উলুধ্বনি, শঙ্খধ্বনি এবং পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে স্বাগত জানায় এলাকার মানুষ। এরপর এলাকার নিপীড়িত মহিলাদের বক্তব্য শোনেন।

    উপসংশোধনাগারে বিজপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা

    উল্লেখ্য, সন্দেশখালি যাওয়ার আগে বসিরহাট উপসংশোধনাগারে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে যান সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। প্রথমে তাঁকে দেখা করতে না দিলে পরে কিছুক্ষণ বিক্ষোভের পর সংশোধনাগারে প্রবেশ করেন এবং বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেন। ইতিমধ্যে পুলিশ মোট ১১ জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী, কথা বলবেন সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সঙ্গে, উদ্যোগ বিজেপির

    PM Modi: রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী, কথা বলবেন সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সঙ্গে, উদ্যোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ৬ মার্চ বারাসতের কাছারি ময়দানে সভা করবেন তিনি। সেই সভায় হাজির করানো হবে সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের। মুখ ঢেকে আলাদা মঞ্চে বসবেন তাঁরা। বিজেপির এই পরিকল্পনা থেকেই স্পষ্ট, সন্দেশখালির হাতে গরম ইস্যু হাতছাড়া করতে রাজি নয় পদ্ম শিবির। ৬ মার্চ বারাসতে মহিলা সম্মেলন করবেন প্রধানমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, মূল মঞ্চের পাশে আলাদা একটি মঞ্চ গড়া হবে। সেখানেই মুখ ঢেকে বসবেন নির্যাতিতারা। জানাবেন তাঁদের নির্যাতনের কথা। দর্শকাসনেও থাকবে মহিলাদের আধিক্য।

    সন্দেশখালিকাণ্ডের আঁচ

    ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে আসার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। সন্দেশখালিকাণ্ডের আঁচ (PM Modi) যাতে থিতু হয়ে না যায়, তাই সফর বাতিল করেছেন শাহ। বিজেপি সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে সন্দেশখালির আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি। তাই এই সময় শাহ বঙ্গ সফরে এলে, তাঁকে নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়বেন রাজ্য নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে সন্দেশখালি নয়, রাজ্যবাসীর ফোকাসে চলে আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাই আপাতত বাতিল করা হয়েছে শাহি সফর।

    মমতা সরকারের কড়া সমালোচনা

    ১৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে হয় বিজেপির জাতীয় সম্মেলন। সেদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের গলায়ও শোনা গিয়েছে সন্দেশখালির কথা। মমতা সরকারের কড়া সমালোচনাও করেন তিনি। সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে বিবৃতি দেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। সন্দেশখালির ঘটনার প্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি দেন জাতীয় তফশিলি কমিশনের অন্তর্বর্তী চেয়ারম্যান অরুণ হালদার। মঙ্গলবার সন্দেশখালি গিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, আসানসোলের বিধায়ক বিজেপির অগ্নিমিত্রা পালেরা। এহেন আবহে প্রধানমন্ত্রীর বাংলা সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিই হোক পাখির চোখ, তাই কি বাতিল শাহি সফর?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমরা চেয়েছিলাম প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সন্দেশখালিতে সভা করতে। এতে অনেক সমস্যা হতে পারে ভেবে জায়গা বদল করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সভা করবেন বারাসতেই। সেখানে সন্দেশখালির মহিলাদের নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করব আমরাই।” তিনি বলেন, “সন্দেশখালির মা-বোনেদের সম্মান রক্ষা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Indian In Russia: রুশ সেনার হেল্পারের কাজ দেখিয়ে প্রতারণা, রাশিয়ায় আটকে ৪ ভারতীয়

    Indian In Russia: রুশ সেনার হেল্পারের কাজ দেখিয়ে প্রতারণা, রাশিয়ায় আটকে ৪ ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক ভারতীয় নাগরিক (Indian In Russia) রাশিয়ার ভাড়াটে সৈনিক সংস্থা ওয়াগনার গ্রুপের কাছে প্রতারিত হয়েছেন বলে খবর। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চার ভারতীয় নাগরিক রাশিয়াতে আটকে পড়েছেন এবং ইউক্রেনের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে তাঁদেরকে জোরপূর্বক লড়াই করতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আটকে পড়া ভারতীয়দের পরিবার বর্তমানে খুবই উদ্বেগে রয়েছে। কোনওভাবে তাঁদের মধ্য়ে একজন নিজেদের পরিবারের কাছে এক ভিডিও বার্তা পাঠাতে সক্ষম হয়েছেন। সেখানে রাশিয়া থেকে উদ্ধার করার কাতর আর্জি শুনিয়েছেন ওই প্রতারিত যুবক। আটকে পড়া ভারতীয়দের মধ্যে তেলঙ্গানার এক বাইশ বছর বয়সি যুবক যেমন রয়েছেন, তেমনই কর্নাটক রাজ্যের আরও তিনজন (Indian In Russia) রয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা ইউক্রেন সীমান্তে রয়েছেন।

    মোটা বেতনের লোভ দেখানো হয় 

    জানা গিয়েছে, ওই প্রতারিত যুবকদের (Indian In Russia) প্রথমে মোটা বেতনের লোভ দেখানো হয় এবং প্রতি মাসে দু’লাখ টাকা করে বেতন দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। এর পাশাপাশি আরও অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা বোনাসের কথাও বলা হয়। ওই বেসরকারি সংস্থার আধিকারিকরা সিকিউরিটি মানি হিসেবে প্রতারিতদের পরিবারদের কাছ থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা করে নেয় বলেও জানা গিয়েছে।

    দুবাইয়ের হয়েছিল ফেক ইন্টারভিউ

    এই যুবকদের ভুয়ো ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা করা হয় দুবাইয়ে ২০২৩ সালে। চেন্নাই থেকে তাঁরা রাশিয়া উড়ে যান গত বছরের নভেম্বরে। বলা হয়, সেনাবাহিনীর হেল্পারের কাজ করবেন তাঁরা। কিন্তু সেখানে গিয়ে ধরা পড়ে উল্টো চিত্র। তাঁদের পাশাপাশি আরও ৬০ জন সেখানে বেসরকারি সামরিক সংস্থায় জোরপূর্বক কাজ করছেন বলে দাবি করছেন আটকে পড়া ওই ভারতীয়রা (Indian In Russia)। এই এই র‌্যাকেট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সেখানে জনৈক সুফিয়ান নামে একজন তাঁর পরিবারের কাছে একটি ভিডিও বার্তা পাঠাতে পেরেছেন। যেখানে তাঁকে বিধ্বস্ত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে এবং তিনি বর্ণনা করছেন যে কিভাবে তাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Brahmos: আরও শক্তিশালী নৌসেনা, ১৯ হাজার কোটি টাকায় কেনা হচ্ছে ২০০ ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    Brahmos: আরও শক্তিশালী নৌসেনা, ১৯ হাজার কোটি টাকায় কেনা হচ্ছে ২০০ ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিবৃদ্ধি হতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy)। রণতরীতে মোতায়েন করার জন্য ২০০টির বেশি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র (Brahmos) কেনার বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর জন্য প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার চুক্তি সম্পন্ন হতে চলেছে। সূত্রের খবর, বুধবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছিল ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বা সিসিএস। সেখানেই এই মেগা চুক্তি অনুমোদন করা হয়। আগামী মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ও ব্রহ্মস অ্যারোস্পেসের মধ্যে প্রয়োজনীয় চুক্তি সম্পন্ন হবে।

    আরও পড়ুন: অত্যাধুনিক রেডার থেকে উন্নত অস্ত্র, আরও শক্তিশালী হচ্ছে বায়ুসেনার সুখোই-৩০

    বিশ্বের দ্রুততম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র

    ব্রহ্মস (Brahmos) সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগ তৈরি। বর্তমানে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎপাদন করা হয় এদেশই, ব্রহ্মস অ্যারোস্পেসের কারখানায়। ব্রহ্মসের গতি শব্দের প্রায় ৩ গুণ। এটি বিশ্বের দ্রুততম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। তার ওপর সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনে এটি বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর অস্ত্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এটি আকাশেই পথ পাল্টাতে সক্ষম। এমনকী, চলমান লক্ষ্যবস্তুও ধ্বংস করতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এটি মাত্র ১০ মিটার উচ্চতায় উড়তে সক্ষম, যার অর্থ শত্রু রেডার এটি ধরা পড়ে না। এটি যে কোনও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তকরণ ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে পারে। ফলে, এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থার মাধ্যমে একে আটকানো কার্যত অসম্ভব।

    পাল্লা বেড়ে ৪৫০ কিমি

    ব্রহ্মস (Brahmos) এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্র যাকে স্থল, জাহাজ, বিমান এমনকী সাবমেরিন থেকেও নিক্ষেপ করা যায়। এই মিসাইল ২০০ কেজি ওজনের পারমাণবিক বোমা বহন করতে সক্ষম। প্রথমদিকে, ব্রহ্মসের পাল্লা ছিল ২৯০ কিমি। কিন্তু, আধুনিক সংস্করণের পাল্লা বেড়ে হয়েছে ৪৫০ কিমি। বর্তমানে, ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) অন্যতম প্রধান অস্ত্র হয়ে উঠেছে ব্রহ্মস। এই ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বশেষ অধিক পাল্লার সংস্করণই কিনতে চলেছে নৌসেনা। জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে ভারতীয় নৌসেনার এখন প্রথম পছন্দ ব্রহ্মস। 

    আরও পড়ুন: অবসরে রুশ ‘টি-৭২’! ৫৭ হাজার কোটি ব্যয়ে সেনায় আসছে দেশীয় ‘এফআরসিভি’ যুদ্ধট্যাঙ্ক

    বিশ্বের নজর কেড়েছে ব্রহ্মস

    শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বের নজর কেড়েছে ব্রহ্মস (Brahmos)। ফিলিপিন্স কিনছে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এর জন্য ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের চুক্তি বেশ কিছুদিন আগেই সম্পন্ন হয়েছে। এমনকী, মার্চ মাসেই শুরু হতে চলেছে ব্রহ্মসের লঞ্চার ও কন্ট্রোল সিস্টেম পাঠানোর প্রক্রিয়া। পরবর্তীকালে, পাঠানো হবে ক্ষেপণাস্ত্র। ফিলিপিন্স ছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একাধিক দেশ এই ক্ষেপণাস্ত্রকে নিজের অস্ত্রাগারে জায়গা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • BJP: “কংগ্রেস-সমাজবাদী পার্টির জোট হবে না”, কেন বললেন বিজেপি নেতা?

    BJP: “কংগ্রেস-সমাজবাদী পার্টির জোট হবে না”, কেন বললেন বিজেপি নেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিরোধে পূর্ণ। তাই কংগ্রেস-সমাজবাদী পার্টির জোট হবে না।” এমনই মত পোষণ করলেন বিজেপির (BJP) উত্তরপ্রদেশের প্রধান ভূপেন্দ্র চৌধুরী। বিজেপির এই নেতার প্রশ্ন, “সতেরোর উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে ভোটাররা যে জোটকে প্রত্যাখান করেছিলেন, সেই জোট এবার ম্যাজিক কিছু করে ফেলবে, তা কীভাবে সম্ভব?”

    ‘ইন্ডি’র অন্দরে অশান্তি

    বিজেপিকে ধরাশায়ী করতে জোট বেঁধেছিল ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছিল ‘ইন্ডি’। জন্মলগ্ন থেকেই অশান্তির চোরা স্রোত বইছে ‘ইন্ডি’র অন্দরে। ‘ইন্ডি’ জোটে রয়েছে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টিও। রয়েছে কংগ্রেসও। সেই কংগ্রেসের সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা না করে দু’ দফায় তিরিশটিরও বেশি আসনে একতরফা প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছেন সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ। সম্প্রতি সেই অখিলেশকেই ‘অখিলেশ ওয়াকিলেশ’ সম্বোধন করেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।

    কী বললেন বিজেপি নেতা?

    ভূপেন্দ্র বলেন, “কংগ্রেস অখিলেশকে অখিলেশ ওয়াকিলেশ সম্বোধন করেছে। আর অখিলেশের দল কংগ্রেসকে চালু পার্টি বলেছে। এই যখন অবস্থা, তখন দুই দলের জোট হবে কীভাবে?” উত্তরপ্রদেশে (BJP) অখিলেশের দল ১৭টি আসন ছাড়তে রাজি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে উত্তরপ্রদেশ বিজেপির প্রধান বলেন, “উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস সমাজবাদী পার্টিকে ১৭টি আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাদের মাত্র একজন সাংসদ রয়েছেন, বিধায়ক রয়েছেন দুজন। এবং যাঁদের নেতারা উত্তরপ্রদেশকে ভার্চুয়ালি এড়িয়ে চলছেন। এটা প্রমাণ করে সমাজবাদী পার্টির আত্মবিশ্বাসের অভাব ঠিক কতটা। ভোটাররা জানতে চান, সতেরোর নির্বাচনে যে জোটকে মানুষ ছুড়ে ফেলেছিল, কোন জাদুবলে তাদের ফের গ্রহণ করবে মানুষ।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিই হোক পাখির চোখ, তাই কি বাতিল শাহি সফর?

    তিনি বলেন, “এই যে জোট, এটা ব্যর্থ হবে। কারণ এটি রাজনৈতিক দলের জোট, মানুষের নয়। এই জোটে রয়েছে এমন একটি দল যারা অযোধ্যায় করসেবকদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল। আর অন্য দলটি তো আবার ভগবান রামের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে।” কেবল অখিলেশের পার্টিই নয়, ‘ইন্ডি’ জোটের মধ্যে বিদ্রোহ করেছে আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলও। জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার তো আবার জোট ছেড়ে বেরিয়ে গিয়ে ভিড়ে গিয়েছেন গেরুয়া শিবিরে। তাই ‘ইন্ডি’ জোটের ভবিষ্যৎ কী, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে জোটের অন্দরেও।

    এহেন জোট কীভাবে বিজেপিকে ধাক্কা দেবে, তা বুঝতে পারছেন না রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

     
     
  • Murshidbad: নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুন! দোষীকে আজীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ

    Murshidbad: নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুন! দোষীকে আজীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ বছরের নাবালিকাকে গণধর্ষণের ঘটনায় আসামিকে আজীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল জেলা আদালত। উল্লেখ্য, বাবাকে খাবার দিয়ে বাড়িতে ফেরার সময় রাস্তার মধ্যেই গণধর্ষণের শিকার হয়েছিল ওই নাবালিকা (Murshidbad)। শুধু ধর্ষণ নয়, তথ্যপ্রমাণ লোপাট করতে তাকে খুনও করা হয়েছিল। ঘটনায় জেলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    সর্ষেক্ষেতে উদ্ধার হয়েছিল নাবালিকার দেহ (Murshidbad)

    ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি মুর্শিদাবাদের (Murshidbad) রানিনগর থানা এলাকায় এই নির্মম ঘটনা ঘটেছিল। পরিবারের অভিযোগ ছিল, রাস্তার মধ্যে থেকেই তাঁদের মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়ে প্রথমে গণধর্ষণ করা হয়। এরপর প্রমাণ লোপাট করতে খুন করা হয়েছিল। ঘটনার দিন অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেলে থানায় নিখোঁজের কথা জানানো হয়েছিল। পরের দিন নাবালিকার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয় পাশের সর্ষেক্ষেত থেকে। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে রানিনগরের স্থানীয় হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তারপর পুলিশ তদন্তে নেমে তিনজনকে গ্রেফতার করে। উল্লেখ্য ধৃতদের মধ্যে দু’জনের বয়স ১৮ বছরের কম, তাই তাদের জুভেনাইল জাস্টিন বোর্ডে পাঠানো হয়। তাদের বর্তমানে হোমে রাখা হয়েছে। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত এক জনেরই শাস্তি ঘোষণা করেছে আদলাত। বাকি দুজন নাবালক হওয়ায় মামলার রায় এখনও ঘোষণা হয়নি।

    কোন কোন ধারায় মামলা?

    এই নাবালিকা ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় মোট ২৭ জনের সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ খুনের ধারা এবং ২০১ ধারায় প্রমাণ লোপাট করার অভিযোগ দায়ের করা হয়। আবার ৩৭৬-ডি ধারায় গণধর্ষণ, ৬ নম্বর পক্সো আইনে নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। গত মঙ্গলবার মূল অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে মুর্শিদবাদ জেলা আদালত (Murshidbad)। এরপর গতকাল বুধবার অতিরিক্ত জেলা দায়রা আদলাতের বিচারক দীপ্ত ঘোষ আজীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।  

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Row: সন্দেশখালিই হোক পাখির চোখ, তাই কি বাতিল শাহি সফর?

    Sandeshkhali Row: সন্দেশখালিই হোক পাখির চোখ, তাই কি বাতিল শাহি সফর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। তার আগে হাতে গরম ইস্যু পেয়ে গিয়েছে বিজেপি। ইস্যুর নাম সন্দেশখালি (Sandeshkhali Row)। যে ঘটনায় যুক্ত খোদ তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। তাঁর এবং তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন-সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে।

    সন্দেশখালিই হোক পাখির চোখ

    বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চাইছেন, আপাতত সন্দেশখালিকেই পাখির চোখ করুক বঙ্গ বিজেপি। আন্দোলন যা কিছুই হোক না কেন, তার ফোকাস যেন থাকে সন্দেশখালির দিকে। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ‘মন কি বাত’ টের পেয়ে সন্দেশখালিকে হাতিয়ার করে ইতিমধ্যেই আন্দোলন শুরু করে দিয়েছেন বাংলার পদ্ম নেতারা।

    বাতিল শাহি সফর

    এই যখন রাজ্যের পরিস্থিতি, তখন বঙ্গ সফর (Sandeshkhali Row) বাতিল করে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলায় আসার কথা ছিল তাঁর। পরের দিন যাওয়ার কথা ছিল মায়াপুরে, ইস্কন মন্দিরে। কী কারণে বাতিল হল শাহি সফর, সে ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটেছেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। তবে বিজেপির একটি সূত্রে খবর, সন্দেশখালিকাণ্ডের জেরেই আপাতত বাংলায় আসছেন না কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যেহেতু রাজ্য-রাজনীতি এখন সন্দেশখালিকাণ্ডের আঁচে তপ্ত হয়ে রয়েছে, তাই শাহি সফরের জেরে সেই আঁচ যাতে নিভু নিভু হয়ে না যায়, সেই কারণেই বাতিল করা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলা সফর। এই সময় শাহ রাজ্যে এলে, রাজ্যবাসীর দৃষ্টি ঘুরে যাবে শাহি সফরের দিকে।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিতে এবার মানব-পাচার যোগ! তথ্য জোগাড় করতে আসরে এনআইএ

    রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই বাতিল করা হয়েছে শাহি সফর। যাতে করে গরম রাখা যায় সন্দেশখালিকাণ্ডের তাওয়া। বিজেপির একটি সূত্রে খবর, সন্দেশখালিকাণ্ড নিয়ে জঙ্গি আন্দোলনে নামুক বঙ্গ বিজেপি। তাতে এক ঢিলে মরবে একাধিক পাখি। একদিকে যেমন রাজ্যের শাসক দলকে চাপে রাখা যাবে, তেমনি জনগণমনে তুলে ধরা যাবে তৃণমূলের কেচ্ছা-কেলেঙ্কারির কাহিনিও। তৃণমূল জমানায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে পাঁচশো টাকা করে দিয়ে কীভাবে ‘অলক্ষ্মী’কাণ্ড (মহিলা নির্যাতন) ঘটানো হচ্ছে, তাও তুলে ধরা হবে ভোটারদের কাছে।

    জানা গিয়েছে, সন্দেশখালিকাণ্ড নিয়ে ইতিমধ্যেই গুচ্ছ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বিজেপি। রবিবার পর্যন্ত তৈরি হয়ে গিয়েছে কর্মসূচি। বৃহস্পতিবার যাচ্ছেন সন্দেশখালির পুলিশ জেলা বসিরহাটে। রবিবার ফের একবার সন্দেশখালিতে যেতে পারেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ‘দ্য বিগ রিভিল-দ্য সন্দেশখালি শকার’ নামে একটি তথ্যচিত্রও প্রকাশ করেছে বঙ্গ বিজেপির তথ্যপ্রযুক্তি শাখা (Sandeshkhali Row)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • RBI Kolkata: ২ হাজার টাকার নোট বদল ঘিরে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সামনে কংগ্রেস-তৃণমূল হাতাহাতি

    RBI Kolkata: ২ হাজার টাকার নোট বদল ঘিরে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সামনে কংগ্রেস-তৃণমূল হাতাহাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকালবেলায় কলকাতায় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সামনে লাইন দেওয়াকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে (RBI Kolkata)। হাতাহাতিতে পৌঁছয় পরিস্থিতি। ঘটনায় তৃণমূল এবং কংগ্রেসে উভয় পক্ষেরই একাধিক কর্মী আহত হয়েছেন এবং বেশ কিছু জনকে মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় গোটা এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার লোকজন। ২ হাজার টাকার নোট বদলের লাইনে এমন সংঘর্ষ নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস ও শাসক দল। 

    শাসক দল তৃণমূলের অভিযোগ যে, কংগ্রেস কাউন্সিলর সন্তোষ পাঠকের অনুগামীরাই প্রথমে হামলা চালিয়েছে এবং মেরে লাইন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে তাদের। কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে ২০০ টাকা করে তোলাবাজি নেওয়ারও অভিযোগ তুলছে তৃণমূল। এই ঘটনার জেরে রাস্তা অবরোধ করেন তৃণমূল কর্মীরা। পরে অবশ্য পুলিশের আশ্বাসে বিক্ষোভ তুলে নেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, বিভিন্ন জেলা থেকে বহু মহিলা রিজার্ভ ব্যাঙ্কে এদিন আসেন ২ হাজার টাকার নোট বদল করতে। অনেকে তো আবার রাত থেকেও লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

    অভিযোগ অস্বীকার কংগ্রেসের

    অন্যদিকে, পাল্টা কংগ্রেসের দাবি, তৃণমূলের দলবল তাদের ওপর চড়াও হয়। কংগ্রেস কাউন্সিলর সন্তোষ পাঠক বলেন, ‘‘কারা টাকা চাইছে, কারা বদমায়েশি করছে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই বোঝা যাবে। আজ সকালে দেড়-দু’শো মহিলা আমার বাড়িতে গিয়ে জানালেন, তাঁদের উপর ক্ষুর চালানো হয়েছে। আমি দেখলাম, দু’জনের শরীরে (RBI Kolkata) ক্ষত রয়েছে। আমি ওঁদের হাসপাতালে পাঠাই।’’ সংঘর্ষের পরেই ঘটনাস্থলে আসে পুলিশের একটি দল। তৃণমূল কর্মীরা সন্তোষ পাঠকের অনুগামীদের বিরুদ্ধে তাদের ব্যাপক মারধরেরও অভিযোগ এনেছে।

    ব্যাহত রিজার্ভ ব্যাঙ্কের স্বাভাবিক কাজকর্ম

    কংগ্রেস-তৃণমূলের এই সংঘর্ষে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাজকর্ম বিঘ্নিত হয়। এবং মূল দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে (RBI Kolkata) ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সামনে গার্ড রেল, বাঁশ ইত্যাদির দ্বারা ব্যারিকেডও তৈরি করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত রয়েছে। দুই পক্ষই থানায় একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Case: সন্দেশখালিতে এবার মানব-পাচার যোগ! তথ্য জোগাড় করতে আসরে এনআইএ

    Sandeshkhali Case: সন্দেশখালিতে এবার মানব-পাচার যোগ! তথ্য জোগাড় করতে আসরে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Case) তদন্তে নামছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ। বুধবারই এ খবর জানিয়েছিল মাধ্যম। এবার জানা গেল, সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে নেমে একাধিক বিষয় অনুসন্ধান করবে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সন্দেশখালিকাণ্ডে মানব পাচারের অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগও কতখানি সত্য, তা খতিয়ে দেখবে এনআইএ। জানা গিয়েছে, মানব পাচারের ঘটনায় রাজ্য পুলিশের কাছে তথ্য তলব করেছে এনআইএ। সন্দেশখালির অদূরেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। জল-জঙ্গলে ঘেরা এই এলাকা। এরই সুযোগ নিয়েছে দুষ্কৃতীরা।

    মানব পাচারের অভিযোগ

    রিপোর্ট অনুযায়ী, এ ব্যাপারে এনআইএ এখনও আলাদা করে কোনও মামলা দায়ের করেনি। তবে (Sandeshkhali Case) যেহেতু এলাকার অদূরেই সীমান্ত, এবং মানব পাচারের অভিযোগ উঠেছে, তাই রাজ্য পুলিশের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করতে চাইছেন এনআইএ-র তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই প্রায় এক ডজন মানুষের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছে এনআইএ। এদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশিও রয়েছে। এদের বিরুদ্ধেই উঠেছে মানব পাচারের অভিযোগ।

    তদন্তে এনআইএ

    জানা গিয়েছে, সন্দেশখালিতে যে মানব পাচার চলে, সেই অভিযোগ পেতে ঢের আগেই তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। তবে সন্দেশখালির প্রেক্ষাপটে বাড়তি গুরুত্ব পেয়েছে বিষয়টি। সন্দেশখালিতে যে অবাধে মানব পাচার চলে, সেই অভিযোগ করেছে বিজেপিও। সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান গা ঢাকা দেওয়ার পরেই নারী নির্যাতনের অভিযোগে সরব হয়েছেন সেখানকার মহিলারা। সেই প্রেক্ষিতেই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে মানব পাচারের অভিযোগের বিষয়টি। যদিও বিষয়টিকে লঘু করে দেখাতে চাইছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ঘটনাটিকে তারা বিজেপি এবং আরএসএসের ষড়যন্ত্র বলে দেগে দিয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘শাহজাহান দোলে, মুখ্যমন্ত্রীর কোলে’, স্লোগান সামনে রেখে কলকাতায় ধর্নায় বসবে বিজেপি

    সম্প্রতি সন্দেশখালি গিয়েছিলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা। প্রথমে তাঁদের বাধা দেওয়া হলেও, পরে ফের যান তাঁরা। কয়েকজন নির্যাতিতার সঙ্গে কথাও বলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা। সন্দেশখালিতে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকেও। ফিরতে হয়েছে তাঁদেরও। প্রথমে সন্দেশখালি যেতে বাধা দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও। পরে অবশ্য সন্দেশখালি যান তিনিও (Sandeshkhali Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Hindu Temple: হিন্দু মন্দিরে কর চাপানোর সিদ্ধান্ত কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের, আন্দোলনের ঘোষণা বিজেপির

    Hindu Temple: হিন্দু মন্দিরে কর চাপানোর সিদ্ধান্ত কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের, আন্দোলনের ঘোষণা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকে বিতর্কে কংগ্রেস সরকার। সে রাজ্যের সরকার বিধানসভায় ‘কর্নাটক হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং দাতব্য সংস্থা বিল’ পাস করিয়েছে। এরফলে কর বসতে চলেছে হিন্দু মন্দিরগুলিতে (Hindu Temple)। কংগ্রেস সরকারের এমন সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। কর্নাটক সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘হিন্দু বিরোধী’ হিসাবেও আখ্যা দিয়েছে গেরুয়া শিবির। শুধুমাত্র হিন্দু মন্দির ও হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতেই (Hindu Temple) কর বসানোর এমন সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বছরে ১ কোটির বেশি অনুদান পাওয়া মন্দিরগুলিতে ১০ শতাংশ কর

    কর্নাটকের কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার সরকার বিধানসভায় যে বিল পাশ করেছে, তাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে বছরে ১ কোটি টাকার বেশি অনুদান পাওয়া মন্দির এবং অন্য হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে। অন্যদিকে ১০ লাখ থেকে  ১ কোটি টাকা বার্ষিক আয় যে মন্দিরগুলির (Hindu Temple), সেখানে করের হার হবে ৫ শতাংশ। এমনিতেই বেশ কয়েকটি সমীক্ষা অনুযায়ী কর্নাটকে লোকসভা ভোটে বিজেপির অভূতপূর্ব সাফল্যের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কংগ্রেস সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ফলে সে রাজ্যে বিজেপির পক্ষে হাওয়া আরও বাড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    কী বলছেন কর্নাটক বিজেপির সভাপতি?

    কর্নাটকের রাজ্য বিজেপির সভাপতি বিজয়েন্দ্র এবিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমাদের রাজ্যের কংগ্রেস সরকার ধারাবাহিক ভাবে হিন্দুবিরোধী নীতি গ্রহণ করছে। এ বার হিন্দু মন্দিরের অনুদানের দিকেও কুটিল দৃষ্টি দিয়েছে।’’ ভগবানের উদ্দেশে ভক্তরা যা দান করেন, তাতে কীভাবে কর বসাতে পারে সরকার? এমন প্রশ্নও তুলেছেন সে রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের প্রধান। হিন্দু ভক্তদের (Hindu Temple) নিয়ে বিজেপি, কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতির মতে, ভক্তদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে এভাবেই প্রতারণা করছে কংগ্রেস সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
LinkedIn
Share