Tag: Bengali news

Bengali news

  • Hooghly: বৃদ্ধার জমি দখল করেই তৈরি হয়েছে খেলার মাঠ! অভিযোগ কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে

    Hooghly: বৃদ্ধার জমি দখল করেই তৈরি হয়েছে খেলার মাঠ! অভিযোগ কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃদ্ধার জমি দখল করে খেলার মাঠ তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে কাউন্সিলরের বিরুদ্ধেই। পালটা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওঁই কাউন্সিলর। বৃদ্ধা স্বামীর রেখে যাওয়া একমাত্র আশ্রয় হল এই জমি। এবার এই জমি ফিরে পেতে প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ জানিয়েও লাভ হচ্ছে না। এমন ঘটনা ঘটেছে হুগলির (Hooghly) ডানকুনিতে। এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    হুগলির কোথায় ঘটেছে ঘটনা?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডানকুনি (Hooghly) পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রায়পাড়া এলাকায় বৃদ্ধার চার কাঠা জমি রয়েছে। যার বর্তমান মূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা। বৃদ্ধা মঞ্জুদেবীর স্বামী কয়েকদিন আগেই মারা গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। দুই ছেলে বাড়ির বাইরে থাকেন। বাড়িতে একমাত্র থাকেন তিনিই। ফলে চাপ দিয়ে জমি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    বৃদ্ধার বক্তব্য

    মঞ্জুদেবী অভিযোগ জানিয়ে বলেছেন, “আমার নিজের জমি জোর করে দখল করে রেখেছেন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর (Hooghly) শুভজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং তাঁর অনুগামীরা। জায়গা দখল করার জন্য একাধিকবার আমাকে হেনস্থা করা হয়। নিজের জায়গাকে সুরক্ষিত রাখতে পুরসভার অনুমতি নিয়ে পাঁচিল দিয়েছিলাম। কিন্তু এই পাঁচিল ভেঙে দিয়েছিল ওঁই কাউন্সিলরের অনুগামীরা। একই ভাবে তা ভাঙার পর বসিয়েছে গাছ আর এরপর ফুটবল খেলার গোল পোস্ট পুঁতে দিয়েছে। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি এবং পুরসভা সহ স্থানীয় বিধায়কদের কাছেও অভিযোগ জানিয়ে এখনও পর্যন্ত তেমন সাহায্য পাইনি।”

    অভিযুক্ত কাউন্সিলরের বক্তব্য

    স্থানীয় (Hooghly) কাউন্সিলর জানিয়েছেন, “জায়গাটা আসলে খেলার মাঠ, পাড়ার সমস্যা কিন্তু আমার নাম কেন যুক্ত করা হল আমি বুঝতে পারলাম না। আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক চক্রান্ত করা হচ্ছে। মঞ্জুদেবী আমাকে তো কিছু জানান নি।” আবার পুরসভার পুরপ্রধান হাসিনা শবনম বলেন, “মঞ্জুরানী পুরসভার অনুমতি নিয়ে নিজের জমিতে পাঁচিল দিয়েছেন। নিজের সীমানায় নিজের কাজ করার অধিকার রয়েছে। যাঁরা দখল করার চেষ্টা করছেন এবং বৃদ্ধাকে হেনস্থা করছেন তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়ে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukhoi-30 MKI: অত্যাধুনিক রেডার থেকে উন্নত অস্ত্র, আরও শক্তিশালী হচ্ছে বায়ুসেনার সুখোই-৩০

    Sukhoi-30 MKI: অত্যাধুনিক রেডার থেকে উন্নত অস্ত্র, আরও শক্তিশালী হচ্ছে বায়ুসেনার সুখোই-৩০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) প্রধান স্তম্ভ সুখোই-৩০ এমকেআই (Sukhoi-30 MKI) যুদ্ধবিমান। রুশ-নির্মিত এই যুদ্ধবিমানের বড় আধুনিকীকরণে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিমানে যেমন যুক্ত হতে চলেছে নতুন রেডার, মিশন কন্ট্রোল সিস্টেম। তেমনই এতে বাড়ানো হচ্ছে ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সক্ষমতা এবং আধুনিক ও পরবর্তী প্রজন্মের অস্ত্রবহণের ক্ষমতা। 

    ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ

    সূত্রের খবর, এই বিশাল প্রকল্পের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Ministry of Defence)। রাষ্ট্রায়ত্ত যুদ্ধবিমান উৎপাদনকারী সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) — যৌথভাবে এই আধুনিকীকরণের কাজ করবে। পাশাপাশি, এই প্রকল্পে সরঞ্জাম সরবরাহকারী হিসেবে যুক্ত হবে দেশের বেসরকারি সংস্থাও। 

    ২ পর্বে হবে আধুনিকীকরণ

    সম্প্রতি, দুদিকের শত্রু থেকে দেশের আকাশকে রক্ষা করতে এবং আধুনিক যুদ্ধবিমানের প্রয়োজনীয়তাকে মাথায় রেখে এই প্রকল্পকে দ্রুত সম্পন্ন করতে উদ্যোগী হয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। জানা গিয়েছে, মোট ২ পর্বে এই প্রকল্প সম্পন্ন করা হবে। প্রথম পর্বে যুদ্ধবিমানের (Sukhoi-30 MKI) এভিয়োনিক্স ও রেডার সিস্টেম উন্নত করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে উন্নত করা হবে ফ্লাইট কন্ট্রোল সিস্টেমকে।

    ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর ওপর জোর

    প্রতিরক্ষায় ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর ওপর জোর দিচ্ছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। এর ফলে, দেশীয় প্রযুক্তি ও অস্ত্র-সরঞ্জাম উৎপাদন থেকে শুরু করে কেনা ও ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, আধুনিকীকরণের সিংহভাগে পুরনো সেকেলে রুশ সরঞ্জামকে সরিয়ে দেশীয় সিস্টেম ও প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। 

    দেশীয় রেডার ও ইডব্লু সিস্টেম

    যেমন, সুখোই-৩০ এমকেআই (Sukhoi-30 MKI) যুদ্ধবিমানে ব্যবহৃত রুশ রেডারের তুলনায় অনেক বেশি সক্ষম দেশীয় ‘উত্তম’ রেডার। এর পাল্লাও অনেকটাই বেশি। আধুনিকীকরণের প্রথম পর্যায়ে বিমানে নতুন ধরনের ইলেক্ট্রনিক ওয়ারফেয়ার (ইডব্লু) সিস্টেম বসানো হবে। এর ফলে, শত্রুর যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্রগুলিকে অকেজো করা আরও সহজ হবে। পাশাপাশি, আকাশ থেকে আকাশ ও আকাশ থেকে ভূমিতে থাকা লক্ষ্যবস্তুকে নির্ভুল টার্গেট করতে বসানো হচ্ছে দেশে তৈরি অত্যাধুনিক মানের নতুন ইনফ্রা-রেড ট্র্যাক অ্যান্ড সার্চ সিস্টেম।

    দেশেই তৈরি হচ্ছে আরও সুখোই

    ভারতীয় বায়ুসেনায় (Indian Air Force) ২৭০-এর বেশি সুখোই-৩০ এমকেআই (Sukhoi-30 MKI) যুদ্ধবিমান রয়েছে, যা রাশিয়া থেকে কিনেছে ভারত। জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে ৯০টি বিমানের আধুনিকীকরণ হবে, যা শুরু হতে চলেছে চলতি বছরেই। পরের ধাপে ধীরে ধীরে সবকটি বিমানের আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এর পাশাপাশি, ১১ হাজার কোটি টাকায় আরও ১২টি যুদ্ধবিমান কিনেছে ভারত। প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে সেগুলি তৈরি হচ্ছে এদেশেই। হ্যাল-এর কারখানায় সেগুলি উৎপাদন হচ্ছে, যাতে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত দেশীয় যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “আপনাদের ৭০ বছরের স্বপ্ন পূরণ হবে অচিরেই”, ভূস্বর্গে বললেন মোদি

    PM Modi: “আপনাদের ৭০ বছরের স্বপ্ন পূরণ হবে অচিরেই”, ভূস্বর্গে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনাদের ৭০ বছরের স্বপ্ন পূরণ হবে অচিরেই।” মঙ্গলবার জম্মু-কাশ্মীরে দাঁড়িয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভূস্বর্গে এদিন ৩২ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ, বিজেপির জম্মু-কাশ্মীর ইউনিটের প্রেসিডেন্ট রণবীর রায়না।

    চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র

    অনুষ্ঠান উপলক্ষে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না জম্মু-কাশ্মীরের মৌলানা আজাদ স্টেডিয়ামে। এদিনের অনুষ্ঠানে দেড় হাজার চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। ‘বিকশিত ভারত, বিকশিত জম্মু’ প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বর্তমানে ৪৫ হাজারেরও বেশি ছেলেমেয়ে স্কুলের খাতায় নাম লিখিয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে মেয়েদেরও।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যে উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে আজ জম্মু-কাশ্মীরের মানুষ আমার সঙ্গে কথা বলছেন এবং যে উচ্চকিত কণ্ঠে তাঁরা তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা নিঃসংকোচে আমায় বলছেন, তুলে ধরছেন তাঁদের সুখের কথা, এটা অভাবনীয়। আজ দেশের যে প্রান্তের মানুষই আমাদের এই কথোপকথন শুনছেন, তাঁর নৈতিকতা বোধ বৃদ্ধি পাবে, শক্তিশালী হবে বিশ্বাস।”

    মোদির গ্যারেন্টি

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “মোদির গ্যারান্টি চলতেই থাকবে। দেশে উন্নতি হতে থাকবে। যেভাবে কংগ্রেস কাশ্মীরকে নিয়ে রাজনীতি করেছিল, তা থেকে কাশ্মীরবাসীকে মুক্তি দিয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। বিকশিত ভারতের টার্গেট বজায় রাখতে কাশ্মীরকে সঙ্গে নিয়েই চলবে বিজেপি।” তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরে গত ১০ বছরে যে হারে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে, তা নজির সৃষ্টি করেছে।”

    আরও পড়ুুন: শাহজাহানকে রক্ষা করছে মমতা-পুলিশ! সন্দেহ কলকাতা হাইকোর্টের

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে অনিবার্যভাবে উঠে এসেছে ভূস্বর্গ থেকে ৩৭০ ধারা লোপের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “কাশ্মীরের উন্নতির পথে প্রধান বাধা ছিল ৩৭০ ধারা। বিজেপি সেই বাধা অতিক্রম করেছে। দেশের অন্য অংশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবার কাশ্মীরেও সমানভাবে উন্নতি ঘটবে।” ৩৭০ ধারার ওপর একটি ফিল্ম বানিয়েছেন ইয়ামি গৌতম। সে প্রসঙ্গে টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি শুনেছি ৩৭০ ধারার ওপর একটি ছবি এই সপ্তাহেই মুক্তি পেতে চলেছে। এটা একটা ভালো বিষয়। চলচ্চিত্রটি দেখে মানুষ প্রকৃত তথ্য জানতে পারবেন।” ভূস্বর্গে এদিন একটি ইলেকট্রিক ট্রেনের যাত্রার সূচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Calcutta High Court: শাহজাহানকে রক্ষা করছে মমতা-পুলিশ! সন্দেহ কলকাতা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: শাহজাহানকে রক্ষা করছে মমতা-পুলিশ! সন্দেহ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানকে মমতা-পুলিশ রক্ষা করছে বলে এবার সন্দেহ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মঙ্গলবার সন্দেশখালি সংক্রান্ত মামলায় এই মন্তব্য করতে শোনা যায় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমকে। বিচারপতি বলেন, ‘‘এমন ব্যক্তিকে রক্ষা করা হচ্ছে কি না আমরা জানি না। তবে মনে হচ্ছে, হয় রাজ্য পুলিশ তাঁকে রক্ষা করছে, না হলে তিনি পুলিশের আওতার বাইরে চলে গিয়েছেন।’’

    শাহজাহানকে নিয়ে কেন্দ্র করে এত সমস্যা!

    প্রধান বিচারপতি পলাতক শাহজাহানকে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) এসে আত্মসমর্পণ করার কথা বলতে পারেন বলেও জানিয়েছেন। প্রধান বিচারপতির নিজের ভাষায়, ‘‘শেখ শাহজাহানকে আমরা এই কোর্টে আসতে বলতে পারি। ইডি, সিবিআই এবং পুলিশ সবাই থাকবে। স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তাঁকে আমরা এখানে আত্মসমর্পণ করতে বলতে পারি। এত দিন ধরে ওই ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে এত সমস্যা। শাহজাহান প্রকাশ্যে এসে তো বলতে পারেন, এই সব অভিযোগ সঠিক নয়। কারও জমি নেওয়া হয়নি। তা না করে ওই ব্যক্তি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদি তিনি পালিয়ে বেড়ান, তবে স্বাভাবিক ভাবে সমস্যা আরও বাড়বে। তাঁর সমর্থকেরাই সমস্যা তৈরি করতে পারে।’’

    মূল মাস্টারমাইন্ড শাহজাহান 

    এদিনের শুনানিতে প্রধান বিচারপতির (Calcutta High Court) মন্তব্যে সন্দেশখালির মূল মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উঠে এসেছে শাহজাহানের নাম। শাহজাহানকে কটাক্ষ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘এক জন ব্যক্তি পুরো সমস্যার জন্য দায়ী। অথচ তিনি কিনা জনপ্রতিনিধি! মানুষ তাঁকে ভোট দিয়ে নির্বাচন করেছেন। যেখানে জনগণের স্বার্থে ওই ব্যক্তির কাজ করা উচিত, সেখানে প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে, তিনি জনগণের ক্ষতিই করেছেন।’’

    পুলিশের ভূমিকায় সন্দেহ

    সন্দেশখালি ইস্যুতে পুলিশের ভূমিকায় সন্দেহ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি (Calcutta High Court) এবং তিনি বলেন, ‘‘মামলা দায়ের হয়েছে, অথচ রাজ্য পুলিশ তাঁকে (শাহজাহানকে) ধরতে পারছে না। তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ১৮ দিনের বেশি হয়ে গেল কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। এমন ব্যক্তিকে রক্ষা করা হচ্ছে কি না আমরা জানি না। কিন্তু তাঁকে সমর্থন করা উচিত নয় রাজ্যের।’’

    মামলায় যুক্ত করা হল ইডি-সিবিআইকে

    পাশাপাশি, এ দিনই প্রধান বিচারপতি সন্দেশখালি সংক্রান্ত মামলায় যুক্ত করেন ইডি এবং সিবিআইকে। প্রসঙ্গত, মহিলাদের উপর অত্যাচার এবং জমি দখল করে নেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সেখানে। এবিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছেন বিচারপতি অপূর্ব সিনহা রায়। ওই মামলা এবার থেকে শুনবেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে (Calcutta High Court)। আগামী সপ্তাহের সোমবারে এই মামলার শুনানি হবে। সেদিন মামলার সব পক্ষকে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

    সন্দেশখালি প্রেক্ষাপট

    গত ৫ জানুয়ারি থেকে শাহজাহানের খোঁজ চলছে তবে এখনও তিনি বেপাত্তা রয়েছেন। ৫ জানুয়ারি সকালে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে যান ইডির আধিকারিকরা। সেখানে ৮০ থেকে ১০০ জনের উন্মত্ত জনতা গাড়ি ভাঙচুর করে তাঁদের। মাথাও ফাটিয়ে দেওয়া হয় ইডি অফিসারদের। এই ঘটনায় আবার ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয় ন্যাজাট থানায়। সেখানে শাহজাহানের বাড়ির কেয়ারটেকারের অভিযোগের ভিত্তিতে সেই অভিযোগ দায়ের করে পুলিশ। এরপরেই সেখানে শিবু হাজরা এবং উত্তম সর্দার নামের শাহজাহানের দুই শাগরেদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সন্দেশখালির মানুষজন। হাজার হাজার মহিলা রাস্তায় নামেন তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। জানুয়ারি মাস থেকে রাজ্য রাজনীতিতে সন্দেশখালি নিয়ে জোর চর্চা চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Economy: চিনা অর্থনীতির গতি শ্লথ, লাভের ফসল ঘরে তুলছে ভারত

    Indian Economy: চিনা অর্থনীতির গতি শ্লথ, লাভের ফসল ঘরে তুলছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনা অর্থনীতির গতি শ্লথ। এরই ফসল কুড়োচ্ছে সাউথ এশিয়ান জায়ান্টস স্টক মার্কেট। লগ্নিকারীরা বিলিয়ন, বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন ভারতের স্টক মার্কেটে (Indian Economy)। অদূর ভবিষ্যতে চিনা অর্থনীতির গতি হবে আরও শ্লথ। জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং আর্থিক নীতির সংস্কারের মাশুল গুণতে হতে পারে ভারতের এই প্রতিবেশী দেশটিকে। সেই কারণেই ভারতের স্টক মার্কেটের ওপর ভরসা করছেন বিনিয়োগকারীরা।

    অর্থনৈতিক সঙ্কট

    সম্প্রতি নয়া অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখোমুখি হয়েছে বেজিং। মুদ্রাস্ফীতির পরিবর্তে সেখানে শুরু হয়েছে মুদ্রাসঙ্কোচন। তাই সে দেশের মুদ্রা ইউয়ানের দাম ক্রমশ চড়ছে। প্রত্যাশিতভাবেই দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে জিনিসপত্রের দাম। বাজারে জোগান রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। তবে সে দেশের বাসিন্দারা সঞ্চয়ী হওয়ায় কমছে চাহিদা। স্বাভাবিকভাবেই জিনিসপত্র বিকোচ্ছে জলের দরে। এতেই অশনি সঙ্কেত দেখছেন বিশ্বের অর্থনীতিবিদরা। তাঁদের মতে, এখনই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে ভেঙে পড়তে পারে দেশের (Indian Economy) অর্থনীতি। যার প্রভাব পড়বে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ওপরও।

    রফতানিতে জোর

    ইতিমধ্যেই চিনে শি জিনপিং সরকারের ওপর ঋণের বোঝা চেপেছে বিপুল পরিমাণে। তাদের সম্মিলিত মোট ঋণের পরিমাণ ১৩ লক্ষ কোটি ডলার। যেহেতু দেশে কমেছে জিনিসপত্রের চাহিদা, তাই এখন রফতানিতে জোর দিচ্ছে ড্রাগনের দেশ। ভারতেও পাঠাচ্ছে আরও বেশি করে জিনিসপত্র। তবে ভারত এখন আর আগের মতো কিনছে না চিনা পণ্য।।

    আরও পড়ুুন: “গুন্ডারা জেলে যাবে, মমতার দিন শেষ”, সন্দেশখালিতে গিয়ে আক্রমণ শুভেন্দুর

    বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের আর্থিক সংস্কার নীতির জেরে দেশের অর্থনীতি হয়েছে আগের চেয়ে ঢের বেশি মজবুত। তাই চিন নয়, বিনিয়োগকারীরা ভরসা করছেন ভারতের স্টক মার্কেটের ওপর। মোদি জমানায় বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় পাঁচ নম্বরে রয়েছে ভারত। ২০১৪ সালে কেন্দ্রের কুর্সিতে যখন মোদি সরকার আসে, তখন ওই তালিকায় দেশ ছিল ১০ নম্বরে। অচিরেই ভারতের জায়গা হবে ওই তালিকার আরও একটু ওপরে। সেই কারণেই চিন নয়, বিনিয়োগকারীরা ভরসা করছেন ভারতের স্টক মার্কেটের ওপরও। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের বেঞ্চমার্ক সেনসেক্স এবং নিফটিও ইঙ্গিত দিচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতির (Indian Economy) বৃদ্ধি সম্পর্কে।

    ভারতের পৌষমাস আর চিনের সর্বনাশ, তাই কি?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Ashima Mukherjee: প্রয়াত হলেন বাংলা চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং সুরকার অসীমা মুখোপাধ্যায়

    Ashima Mukherjee: প্রয়াত হলেন বাংলা চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং সুরকার অসীমা মুখোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন বাংলা চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং সুরকার অসীমা মুখোপাধ্যায় (Ashima Mukherjee)। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ নিজের বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে শিল্পীর। মৃত্যুকালে এই সুরকারের বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই অসীমাদেবী বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে অসীমার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

    অভিনেতা পার্থ মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী অসীমাদেবী

    ‘চৌরঙ্গী’ ছবিতে অসীমার (Ashima Mukherjee) সুরে ‘বড় একা লাগে এই আঁধারে’ গানটি গেয়েছিলেন মান্না দে। এই গান আজও সমান জনপ্রিয়। অসীমাদেবীর অন্য একটি পরিচয়ও অবশ্য রয়েছে, তিনি অভিনেতা পার্থ মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী। প্রযোজক হিসেবেও যথেষ্ঠ সফল ছিলেন অসীমাদেবী। ‘মেমসাহেব’, ‘বাঘবন্দী খেলা’  ছবিগুলি তাঁরই প্রযোজনায় তৈরি হয়েছিল। তাঁর সুরে গান গেয়েছেন মান্না দে, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, শ্যামল মিত্র, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, আরতি মুখোপাধ্যায়, হৈমন্তী শুক্লার মতো শিল্পীরা। প্রসঙ্গত, কলকাতা এবং জামশেদপুর আকাশবাণীতে সহ-অধিকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন অসীমাদেবী। একাধিক ছবিতে (Ashima Mukherjee) হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও মান্না দের সঙ্গে গানও গেয়েছিলেন অসীমাদেবী। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ অনুষ্ঠান আজও মহালয়ার ভোরে প্রতি হিন্দু বাঙালি বাড়িতে বেজে ওঠে। এই অনুষ্ঠানে আরতি মুখোপাধ্যায় ও শ্যামল মিত্রর সঙ্গে ‘শুভ্র শঙ্খরবে’ গানটি অসীমাদেবী গেয়েছিলেন।

    উত্তমকুমারকে ভাইফোঁটা দিতেন অসীমাদেবী

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বছরকয়েক আগে অসীমাদেবী (Ashima Mukherjee) জানিয়েছিলেন, ভাইফোঁটার দিন তিনি যেতেন উত্তমকুমারের বাড়ি। সঙ্গে নিতেন সব উপকরণ। মোট চার বছর মহানায়ককে ভাইফোঁটা দিয়েছিলেন তিনি। উত্তম কুমার বয়সে বড় হয়েও, সুরকারকে ‘অসীমাদি’ বলে সম্বোধন করতেন। উত্তম কুমার একবার ভাইফোঁটায় তাঁকে ‘আমার আমি’ নামের জীবনী বইটি উপহার দিয়েছিলেন। আর তারপর শাড়িই দিতেন প্রতি বছর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: কারা করেছিলেন আরএসএস-এর নামকরণ? প্রথম শাখা শুরু হয়েছিল কবে? জানুন সেই ইতিহাস

    RSS: কারা করেছিলেন আরএসএস-এর নামকরণ? প্রথম শাখা শুরু হয়েছিল কবে? জানুন সেই ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯ ফেব্রুয়ারি ছিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের দ্বিতীয় সরসঙ্ঘচালক মাধবরাও সদাশিব গোলওয়ালকারের জন্মদিন। তাঁর আমলেই সঙ্ঘ পরিবারের পত্তন হয়। দেশজুড়ে বিস্তার পায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। আজ সারা পৃথিবীর মধ্যে সর্ববৃহৎ সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের কাজ ভারতবর্ষের প্রতিটি প্রান্তে চলছে। সঙ্ঘের কাজের জন্য রয়েছে বিভিন্ন শাখা সংগঠন। সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে সর্বত্রই বিস্তার লাভ করেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। আরএসএস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বিজয়া দশমী তিথিতে। ১৯২৫ সালের দশেরার দিন মহারাষ্ট্রে ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার প্রতিষ্ঠা করেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)। প্রতিষ্ঠার দিন হিসেবে বিজয়া দশমীর দিনটিকে বেছে নেওয়ার অন্যতম কারণ হল যে সেইদিন শুভ শক্তি, অশুভ শক্তির উপরে জয় লাভ করেছিল, এমনটাই বিশ্বাস রয়েছে। সেদিন ভগবান রামচন্দ্র, রাবণকে বধ করেছিলেন বলে মানা হয়। ১৯২৫ সাল থেকেই তাই রীতি রয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সর-সঙ্ঘচালক বিজয় দশমীর দিন স্বয়ংসেবকদের উদ্দেশে বার্তা দেন। গত বছরেও ডঃ মোহন ভাগবতের মুখ থেকে শোনা গিয়েছে বক্তব্য।

    মাত্র ১৫ থেকে ২০ জন যুবক নিয়ে পথ চলা শুরু আরএসএস-এর

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) স্থাপিত হয় মাত্র ১৫ থেকে ২০ জন যুবক এবং কিশোরকে নিয়ে। প্রতিষ্ঠার দিনে হাজির ছিলেন ভাউজি  কাওড়ে, আন্না সোহনি, বিশ্বনাথ রাও কেলকর, বালাজি হুড্ডর, বাপু রাও ভেদিরা। এঁরাই ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রথম দিকের একনিষ্ঠ কর্মী, যাঁরা সারা ভারত জুড়ে সংগঠন বিস্তারে ভূমিকা নিয়েছিলেন। ১৯২৫ সালে বিজয় দশমীর দিনে সঙ্ঘ প্রতিষ্ঠাতা ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার বলেছিলেন যে, আমরা আজকে সঙ্ঘের কাজ শুরু করলাম। ওই দিনে সঙ্ঘের ভবিষ্যতের কর্মসূচিও ঘোষণা করেন তিনি। নিজের বক্তব্যে হেডগেওয়ার বলেন, ‘‘আমাদেরকে শারীরিকভাবে সক্ষম হতে হবে বৌদ্ধিক ভাবে বিকশিত হতে হবে প্রতিটা ক্ষেত্রে যাতে আমরা আমাদের লক্ষ্যকে পেতে পারি।’’

    সঙ্ঘের প্রথম শাখা শুরু হয় ১৯২৬ সালের ২৮ মে

    গবেষকদের মতে, প্রথম দিকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সেভাবে কোনও লক্ষ্য নির্ধারিত ছিল না। শুধু শারীরিক এবং মানসিকভাবে যুবকদেরকে শক্তিশালী করা এবং তাদেরকে দেশের কাজে নিয়োগ করাই ছিল সঙ্ঘের কাজ। সঙ্ঘের প্রথম শাখা শুরু হয় ১৯২৬ সালের ২৮ মে থেকে। পরবর্তীকালে তা নিয়মিত চলতে থাকে। জানা যায় নাগপুরের মোহিতওয়াড়ার মাঠে শুরু হয় আরএসএস এর শাখা। বর্তমানে সেখানেই রয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের মুখ্য কার্যালয়। প্রথমদিকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের কমান্ড বা নির্দেশ সংস্কৃততে দেওয়া হত। কিছু কমান্ড ইংরেজিতেও দেওয়া হত। কিন্তু পরবর্তীকালে সেগুলিকে স্থানীয় বিভিন্ন ভাষা এবং সংস্কৃততেই দেওয়া হয়ে থাকে। সঙ্ঘের শাখাতে গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করা হয় যা ‘গৈরিক ধ্বজ’ নামে পরিচিত। গৈরিক ধ্বজকে প্রণাম করেই চলে শাখার কাজ।

    সংগঠনের নামকরণ করতে বৈঠক করেন ২৬ জন স্বয়ংসেবক

    প্রথমদিকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) শাখাগুলিতে মারাঠি এবং হিন্দি শ্লোক গাওয়া হত। পরবর্তীকালে সংস্কৃততে চলতে থাকে প্রার্থনা। প্রতিটি প্রার্থনাই যুব সমাজের মধ্যে দেশাত্মবোধ জাগানোর উদ্দেশে রচনা করা হত। সঙ্ঘের প্রথম প্রার্থনা অনুবাদ করলে দেখা যায় যে সেখানে বলা হচ্ছে— আমরা প্রণাম জানাই সেই জন্মভূমিকে যেখানে আমরা জন্মগ্রহণ করেছি। এটা জানা যায় যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ তার প্রথম নামকরণ পায় প্রতিষ্ঠার ৬ মাস পরে। ১৯২৬ সালের ১৭ এপ্রিল ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার একটি বৈঠক করেন তাঁর নিজের বাড়িতে। যেখানে ২৬ জন স্বয়ংসেবক অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেখানেই বিস্তৃত আলোচনা হয় সংগঠনের নামকরণ নিয়ে এবং প্রত্যেকেই ভাববিনিময় করেন এবিষয়ে। উপস্থিত ২৬ জন কেউই এই আন্দাজ করতে পারেননি যে তাঁরা আগামীদিনের সব থেকে বড় সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নামকরণ করতে চলেছেন। সেই দিন অনেক নামই উঠে এসেছিল যেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS), জরিপটকা মণ্ডল, ভেদ্রতোদ্ধরক মণ্ডল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “ভারতরত্ন পাওয়ার অধিকার কি কেবল কংগ্রেসেরই”, বললেন মোদি

    PM Modi: “ভারতরত্ন পাওয়ার অধিকার কি কেবল কংগ্রেসেরই”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতরত্ন পাওয়ার অধিকার কেবল মাত্র একটি পরিবারেরই রয়েছে বলে মনে করে কংগ্রেস।” সোমবার এই ভাষায়ই গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে প্রায় ১৪ হাজার প্রকল্পের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পের মূল্য ১০ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি।

    চৌধুরী চরণ সিংহকে ভারতরত্ন

    সেই অনুষ্ঠানেই কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “দিন কয়েক আগে আমাদের সরকার কৃষক নেতা চৌধুরী চরণ সিংহকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেছে। তিনি ছিলেন উত্তরপ্রদেশের ভূমিপুত্র। তাঁর এই সম্মান দেশের কোটি কোটি কৃষক ও শ্রমিককে সম্মাননা জ্ঞাপন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা এটা বুঝতে চায়নি।” তিনি বলেন, “আপনারা অবশ্যই দেখেছেন, যখন চৌধুরী চরণ সিংহের নাম নিয়ে আলোচনা হয় পার্লামেন্টে, তখন কীভাবে কংগ্রেস বিষয়টিকে জটিল করে তুলেছিল।”

    “কংগ্রেস দলিতদের শ্রদ্ধা করে না”

    এর পরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেসের লোকজন বিশ্বাস করেন, এ দেশে ভারতরত্ন পাওয়ার হক রয়েছে কেবল একটিই মাত্র পরিবারের। কংগ্রেস দশকের পর দশক ধরে বাবা সাহেব আম্বেদকরকে ভারতরত্ন দেয়নি, দিয়েছে নিজেদের পরিবারের লোকজনকে।” তিনি (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেস বাবা সাহেব আম্বেদকরকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেছিল ১৯৯০ সালে, তাঁর মৃত্যুর অনেক পরে। কংগ্রেস গরিবদের শ্রদ্ধা করে না। দলিত, পিছড়ে বর্গ, কৃষক, শ্রমিক এঁদেরও শ্রদ্ধা করে না। কারণ তাঁদের কথা কংগ্রেস কখনওই ভাবে না। এমনকি ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী চরণ সিংহের জীবদ্দশায় কংগ্রেস তাঁর সঙ্গেও দর কষাকষি করেছিল।”

    আরও পড়ুুন: আদালতের নির্দেশকে অমান্য! সন্দেশখালিতে যেতে শুভেন্দুকে বাধা দিল পুলিশ

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “চৌধুরী সাহেব প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিয়েছিলেন। যদিও নীতির সঙ্গে আপোস করেননি। এটা দুঃখজনক ঘটনা যে উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস তাঁর নামে রাজনীতি করলেও, তাঁর নীতি-আদর্শ অনুসরণ করেনি।” তিনি (PM Modi) বলেন, “চৌধুরী সাহেব ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য কী কী করেছিলেন, দেশ তা কখনও ভুলবে না। চৌধুরী সাহেবের আদর্শে প্রাণিত হয়ে আমরা অনবরত দেশের কৃষকদের শক্তিশালী করে চলেছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Farmers Protest: কেন্দ্রের সহায়ক মূল্যের প্রস্তাব নিয়ে কী বললেন আন্দোলনরত কৃষকরা?

    Farmers Protest: কেন্দ্রের সহায়ক মূল্যের প্রস্তাব নিয়ে কী বললেন আন্দোলনরত কৃষকরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের কোনও লাভ হবে না। তাই সরকারের দেওয়া প্রস্তাব মানছি না।” কেন্দ্রের দেওয়া ন্যূনতম সহায়ক মূল্য সংক্রান্ত প্রস্তাব (MSP) প্রসঙ্গে একথাই বললেন আন্দোলনকারী কৃষকরা (Farmers Protest)। 

    কী বলছেন কৃষকরা?

    পাঞ্জাব ও হরিয়ানার মধ্যবর্তী শম্ভু সীমান্ত এলাকায় সাংবাদিক বৈঠক করেন কৃষকরা। সেখানেই তাঁরা বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে যে প্রস্তাব এসেছে, আমরা তা খারিজ করেছি। কারণ, তাতে কৃষকদের কোনও লাভ হচ্ছে না।” কৃষক নেতাদের আন্দোলন যে এখনই স্তিমিত হচ্ছে না়, তা মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে গেল। কৃষক নেতা সারওয়ান সিং পাণ্ডে বলেন, “সরকারের দেওয়া প্রস্তাব আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়নি। প্রতিবাদী কৃষকরা বুধবার থেকে ফের শান্তিপূর্ণভাবে দিল্লির দিকে পদযাত্রা (Farmers Protest) শুরু করবে।”

    আন্দোলন করবেন কৃষকরা

    কৃষক নেতা জানান, কৃষকদের পক্ষ থেকে সরকারকে কোনও পাল্টা প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। ২১ তারিখে তাঁরা দিল্লিতে যাবেন। সীমান্ত এলাকায় পুলিশের তৈরি ব্যারিকেড যে তাঁরা ভাঙবেন না, তাও জানান আন্দোলনকারী কৃষকরা। সরকারের তরফে আগামী পাঁচ বছরের জন্য পুরানো ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কেবল তিন ধরনের ডাল, ভুট্টা ও তুলো কেনার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল। সরকারি এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করে কৃষকদের দাবি, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য চাই ২৩টি ফসলের ক্ষেত্রেই।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের পাশে রাজ্যপাল, রাজভবনে খোলা হল ‘পিস হোম’

    রবিবার মধ্য রাতে শেষ হয়েছিল কেন্দ্র ও কৃষকদের মধ্যে চতুর্থ দফার বৈঠক। বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, “বৈঠকে কৃষক নেতারা জলস্তর নেমে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।” এজন্য শস্য বৈচিত্রের গুরুত্ব তুলে ধরেন মন্ত্রী। কেন্দ্রের নয়া প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ধরুন গম ছেড়ে কৃষকরা যদি ডালের চাষ করেন, তাহলে ভারতকে কম পরিমাণ ডাল আমদানি করতে হবে। এতে মানুষের চাহিদাও মিটবে, মিটবে জলস্তরের সমস্যাও। মন্ত্রীর প্রস্তাব, এনসিসিএফ, এনএএফইডির মতো সমবায় সমিতিগুলি পাঁচ বছরের জন্য কৃষকদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হবে এবং শস্য বৈচিত্রের ক্ষেত্রে কাজ করবে। এই শস্যগুলির ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কেনার বিষয়টি নিশ্চিত করবে সমবায়গুলি (Farmers Protest)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে টেনে-হিঁচড়ে সাংবাদিককে গ্রেফতার করল পুলিশ, প্রতিবাদে সরব মিঠুন-শুভেন্দু

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে টেনে-হিঁচড়ে সাংবাদিককে গ্রেফতার করল পুলিশ, প্রতিবাদে সরব মিঠুন-শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকার মানুষ। শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন মহিলারা। রাষ্ট্রপতি শাসনের আর্জি জানিয়েছেন এলাকার মহিলারা। এই আবহের মধ্যে এবার সন্দেশখালি থেকে বৈদ্যুতিন মাধ্যমের এক সাংবাদিককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। যা নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে সব মহলে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালি (Sandeshkhali) কাণ্ড নিয়ে রাজ্য জুড়ে চর্চা চলছে। আর সন্দেশখালির মানুষের ওপর শাহজাহান বাহিনীর অত্যাচারের খবর রাজ্য তথা দেশবাসীর কাছে তুলে ধরতে অন্যান্য দিনের মতোই সোমবার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা সেখানে ছিলেন। আর সোমবার বিশেষ করে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা সন্দেশখালি গিয়েছিলেন। ফলে, এক ঝাঁক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা সন্দেশখালিতে উপস্থিত হয়ে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি তুলে ধরছিলেন। বিকেল ৫ টা নাগাদ আচমকাই রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিক সন্তু পানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিনা নথিতে গ্রেফতারের বিরোধিতা করলে তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। টোটোয় করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। মঙ্গলবার তোলা হবে আদালতে। পুলিশ সূত্রে খবর, এলাকার এক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই সাংবাদিককে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    গ্রেফতারি নিয়ে পুলিশ কী সাফাই দিলেন?

    বসিরহাটের এসপি হোসেন মেহেদি রহমান বলেন, এলাকার এক মহিলার বাড়িতে ক্যামেরা নিয়ে ঢুকেছিলেন সন্তু পান ও তাঁর চিত্রগ্রাহক। সেই সময় মহিলার পোশাক ঠিক মতো ছিল না। ফলে তিনি অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। পুলিশের দাবি, ওই মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতেই সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    প্রতিবাদে সরব মিঠুন-শুভেন্দু

    সাংবাদিকের গ্রেফতারির বিরোধিতায় সুর চড়িয়েছে সব মহল। রাষ্ট্রপতি শাসন জারির প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। সন্তু পানের পাশে দাঁড়াতে নিজের এক্স হ্যান্ডেলের প্রোফাইল ছবি ২৪ ঘণ্টার জন্য কালো করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    প্রেস ক্লাবও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে

    কলকাতা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে এই ঘটনার নিন্দা জানানো হয়েছে। প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিন মাধ্যমের সাংবাদিক সন্তু পানের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনও অভিযোগ থাকে তা তদন্ত সাপেক্ষ। কিন্তু, কর্তব্যরত অবস্থায় সাংবাদিকের গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানাচ্ছে প্রেস ক্লাব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share