Tag: Bengali news

Bengali news

  • Japan Moon Mission: ভারতের পর চাঁদের মাটিতে পা রাখাল জাপান, তবে সফল হল কি?

    Japan Moon Mission: ভারতের পর চাঁদের মাটিতে পা রাখাল জাপান, তবে সফল হল কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পর চাঁদের মাটিতে সাফল্য পেল আরও এক দেশ। বিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসাবে চাঁদের মাটিতে পা রাখল এবার জাপান (Japan Moon Mission)। গত ২৩ অগাস্ট ভারতের ইসরো চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল ভাবে অবতরণ করেছিল। চন্দ্রযান অবতরণের পর বিক্রমের ভিতর থেকে রোভার প্রজ্ঞান বেরিয়ে এসেছিল। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে এই প্রথম ভারতের সফল অভিযান হয়েছিল। এবার সেই অভিযানের পর সাফল্য পেল জাপান। আগে চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রেখেছে অ্যামেরিকা, তারপরে দ্বিতীয় সোভিয়েত ইউনিয়ান, তৃতীয় চিন এবং চতুর্থ স্থানে ভারত।

    চাঁদে পৌঁছাল জাপানের মুন স্নাইপার(Japan Moon Mission)

    জানা গিয়েছে, জাপানের সময় অনুযায়ী রাত ১২ টা বেজে ২০ মিনিটে চাঁদের মাটিতে অবতরণ করেছে জাপানের মুন স্নাইপার (Japan Moon Sniper)। তবে জাপানের এই অভিযানের সাফল্য নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্নচিহ্ন। কারণ, ল্যান্ডারের সফট ল্যান্ডিং হয়েছে কিনা এই নিয়ে সংশয় রয়েছে। ল্যান্ডারের অবস্থা ঠিক কেমন রয়েছে সেই বিষয়ে এখনও ঠিক করে স্পষ্ট ভাবে জানা যাচ্ছে না। এখন ল্যান্ডারের সম্পর্কে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

    উপর্যুপরি, ল্যান্ডারের সোলার প্যানেল ঠিকমতো কাজ করছে না। এই কথা স্বীকার করেছে জাপান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। জানা গিয়েছে অবতরণে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাপান মহাকাশ স্মার্ট ল্যান্ডার ফর ইনভেস্টিগেটিং মুন (স্লিম)-এ সৌরশক্তি পৌঁছাচ্ছেনা। চাঁদের মাটিতে কাজ করতে গেলে সূর্যের আলো বা সৌরশক্তি একান্ত দরকার। এই ল্যান্ডারের সৌরশক্তি ব্যবহারের যন্ত্রে এক প্রকার ত্রুটি দেখা গিয়েছে। এই যন্ত্র ঠিক না হলে জাপানের চন্দ্র অভিযান প্রক্রিয়াটি পুরো ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে। ফলত, জাপানের উদ্দেশ্য আদৌ সফল হবে কি না তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে। 

    কী জানিয়েছে মহাকাশ সংস্থা?

    যদিও, জাপানের মহাকাশ সংস্থা জানিয়েছে, সৌরশক্তির অভাবে যদি ল্যান্ডার চাঁদের (Japan Moon Mission) মাটিতে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ নাও করতে পারে তাহলেও এই অভিযানকে সফল বলে ধরা হবে। তাঁদের দাবি এর কারণ হল, চাঁদের মাটিতে সফল ভাবে মহাকাশযান অবতরণ করেছে। চাঁদের মাটিতে নামার পর যন্ত্র বিকল হলেও পরবর্তী কাজে বাধা এসেছে মাত্র। কিন্তু চন্দ্রযানের সঠিক ভাবে অবতরণ সফল। তাই বিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসাবে জাপান চাঁদের মাটিকে ছুঁতে পেরেছে। তবে কেন সৌরশক্তির অভাবে যন্ত্র বিকল হয়েছে সেই বিষয়ে পরীক্ষা চলছে। এখন কেবলমাত্র ব্যাটারির শক্তিতেই চলছে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হবে সেই শক্তি। তাই স্বল্প সময়ের মধ্যে চাঁদের মাটির ছবি তুলে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “মুখ্যমন্ত্রীজি, এমনটা হয়েই থাকে”, সিদ্দারামাইয়াকে কেন বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: “মুখ্যমন্ত্রীজি, এমনটা হয়েই থাকে”, সিদ্দারামাইয়াকে কেন বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বেঙ্গালুরু এমন একটি শহর, যা উদ্ভাবন সম্পৃক্ত আকাঙ্খার সঙ্গে যুক্ত।” শুক্রবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন বোয়িংয়ের নয়া ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বেঙ্গালুরুতে তৈরি হয়েছে মার্কিন বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা বোয়িংয়ের নয়া গ্লোবাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি কেন্দ্র।

    মার্কিন বিনিয়োগ

    ৪৩ একর জমিতে ১৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত অত্যাধুনিক এই বোয়িং ইন্ডিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি সেন্টারটি আমেরিকার বাইরে মার্কিন অ্যাভিয়েশন জায়ান্টের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “নয়া এই কেন্দ্রটি গ্লোবাল অ্যাভিয়েশন সেক্টরকে নয়া শক্তি জোগাবে। এই বোয়িং ক্যাম্পাস মেক ইন ইন্ডিয়া, মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ডের ধারণাকে বাস্তবায়িত করবে।”

    মোদি, মোদি

    ভারতের অর্থনীতি যে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং ভারত যে অচিরেই বিশ্ব অর্থনীতির তালিকায় তৃতীয় স্থান দখল করবে, এদিন তা আরও একবার মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “ভারতে একটি শক্তিশালী সরকার রয়েছে।” এই সময় জনতা ‘মোদি, মোদি’ ধ্বনিতে মুখরিত করেন সভাস্থল। জনতা থামতে কটাক্ষের সুরে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীজি এমনটা হয়েই থাকে।” দৃশ্যতই তখন অপ্রস্তুতে পড়ে যান মঞ্চে উপস্থিত কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী।

    এদিন বোয়িং সুকন্যা কর্মসূচিরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হল, দেশের ক্রমবর্ধমান অ্যাভিয়েশন সেক্টরে ভারতজুড়ে আরও বেশি করে মহিলাদের প্রবেশে সহায়তা করা। এই কর্মসূচিতে দেশের মহিলারা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও গণিতের ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করতে পারবে। বিমানে চাকরির প্রশিক্ষণের সুযোগও মিলবে এই কর্মসূচিতে। বিমানচালক হওয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন যেসব মহিলা, তাঁদের বৃত্তিও দেওয়া হবে এই কর্মসূচির আওতায় (PM Modi)।

    আরও পড়ুুন: “পরেশ অধিকারী ও তাঁর কন্যাকে জেলের ভিতরে দেখতে চাই”, তোপ শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Medical: মেডিক্যাল কলেজে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগে সিলমোহর কমিটির, শাস্তির কোপে ২ পড়ুয়া?

    Kolkata Medical: মেডিক্যাল কলেজে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগে সিলমোহর কমিটির, শাস্তির কোপে ২ পড়ুয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের অগাস্ট মাসে যাদবপুরে র‌্যাগিং-এর ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল রাজ্যজুড়ে। সেই রেশ এখনও কাটেনি। এরই মাঝে ফের ঘটল র‌্যাগিংয়ের ঘটনা। মেডিক্যাল কলেজ (Kolkata Medical College) হাসপাতালের তদন্ত কমিটির রিপোর্টে মান্যতা পেল র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ। প্রসঙ্গত, গত ১০ জানুয়ারি র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ আনেন দুই জুনিয়র পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত দুই চিকিৎসক পড়ুয়ার অ্যাকাডেমিক কার্যকলাপেও বিধিনিষেধ জারি করতে পারে কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসকদের আচরণ যাতে পরিবর্তন করা যায়, তাই কাউন্সেলিংয়েরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, শুক্রবারই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে অধ্যক্ষের কাছে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জমা পড়ে।

    কী বলছে কর্তৃপক্ষ?

    এ প্রসঙ্গে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের (Kolkata Medical College) এমএসভিপি অঞ্জন অধিকারী বলেন, “আজকে তদন্ত কমিটি সমস্ত স্বাক্ষ্য গ্রহণ করে, সব স্টেকহোল্ডারদের ডেকে একটা ডিসকাশন স্টেটাস রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। যাঁরা অভিযোগ করেছে, তারাও আমাদের ছাত্র। আবার যারা অভিযুক্ত, তারাও ছাত্র। আমরা পরিষেবার ওপর বিশেষ নজর রাখি। যাতে মুখ্য় উদ্দেশ্য ব্যাহত না হয়। তবে এ বিষয়টিও দেখতে হবে, যাতে অ্যাকাডেমিক পরিবেশও বিঘ্নিত না হয়, সেটাও বিশেষ ভাবে দেখা হচ্ছে। একটা বিষয় পরিষ্কার, মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনওভাবে এই ধরনের কোনও অন্যায়কে বরদাস্ত করবে না।” কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাস সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আলোচনা চলছে। যে রিপোর্ট জমা পড়েছে, তাতে আমরা কিছু অস্বাভাবিক আচরণ তো দেখেছি। যে বিভিন্ন ধরনের রায় আমরা পেয়েছি, তার থেকে একটি সিদ্ধান্তে আসতে হবে।”

    ঠিক কী অভিযোগ ছিল ওই ২ জুনিয়র পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনির?

    প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ১০ জানুয়ারি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষের (Kolkata Medical College) কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে। হাসপাতালের দুই জুনিয়র পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি ওই অভিযোগ করেন বলে জানা যায়। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় বর্ষের দুই চিকিৎসক পড়ুয়ার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করা হয়। অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ, মানসিক নির্যাতন, এমনকী থুতু ছিটিয়ে দেওয়ার মতোও অভিযোগ ওঠে। পরে এই ঘটনা সোশ্য়াল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়। মেডিক্যাল কলেজের এহেন ঘটনা সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসে কলেজ কর্তৃপক্ষ। তদন্ত শুরু করে কমিটি। শুক্রবারই সেই অভিযোগে সিলমোহর দিল কর্তৃপক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Ram Mandir: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা, বাংলা থেকে দিলীপ ঘোষ পাঠালেন ১০১ কেজি মধু

    Ram Mandir: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা, বাংলা থেকে দিলীপ ঘোষ পাঠালেন ১০১ কেজি মধু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝে মাত্র আর একটা দিন। তারপরেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অযোধ্যায় নবনির্মিত মন্দিরে (Ram Mandir) রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। দেশজুড়ে এখন সাজো সাজো রব। পাড়ায় পাড়ায় রাম পুজোর প্রস্তুতিও চলছে। রাম নগরীতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। দেশ, বিদেশ থেকে আসছে রামলালার জন্য সামগ্রী ও উপহার। বাংলা থেকে রামের জন্য বিশেষ সামগ্রী পাঠালেন দিলীপ ঘোষ। মেদিনীপুরের সাংসদ রামলালার জন্য পাঠালেন ১০১ কেজি খাঁটি মধু। প্রসঙ্গত, রামলালার জন্য রাজস্থান থেকে ঘি, বৃন্দাবন থেকে লাড্ডু, সীতার বাড়ি জনকপুর থেকেও পাঠানো হয়েছে উপহার। রামলালার জন্য এসেছে ২৪ কুইন্টাল ওজনের ঘণ্টাও। অযোধ্যাজুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে উৎসব। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি, অসংখ্য রাম ভক্ত, সাধু সন্তদের ভিড়ে ঠাসা রাম নগরী।

    কী বলছেন দিলীপ ঘোষ 

    জানা গিয়েছে, শুক্রবারই দিলীপবাবুর পাঠানো সুন্দরবনের এই বিশেষ মধু পৌঁছে গিয়েছে অযোধ্যায়। সূত্রের খবর, দুধের ক্যানে করে পাঠানো হয়েছে এই মধু। রামলালার জন্য মধু পাঠিয়ে দিলীপবাবু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তো বটেই অযোধ্যায় রামের (Ram Mandir) প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে বিদেশ থেকেও পুণ্যার্থীরা বিভিন্ন সামগ্রী পাঠাচ্ছেন। আর বাংলা কেন পিছিয়ে থাকবে। তাই মধু পাঠানোর উদ্যোগ।”  সুন্দরবনের মধু খুবই জনপ্রিয়। মনে করা হচ্ছে ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠার উৎসবে কাজে লাগবে এই মধু।

    গত ১ বছর ধরে চলেছে মধু সংগ্রহের কাজ

    জানা গিয়েছে, মধু পাঠানোর পরিকল্পনা গত ১ বছর ধরেই চলছে। এবিষয়ে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, মধুর বিষয়ে তিনি গত বছরের জুন-জুলাইয়ে তিনি সুন্দরবনের পাথরপ্রতিমা অঞ্চলের বাসিন্দা, রাম ভক্ত হরিপদ মণ্ডলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। হরিপদ, তাঁর ছেলে গোকুল এবং এলাকার আরও কিছু মানুষকে সঙ্গে নিয়ে গত ৬ মাস ধরে (Ram Mandir) মৌমাছির চাক থেকে প্রভু রামের জন্য এই বিশেষ মধু সংগ্রহ করার কাজ চলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Thailand’s Ayutthaya: তাইল্যান্ডের আয়ুথায় যেন ভারতের অযোধ্যা, দুই নগরের সেতুবন্ধনে রামচন্দ্র

    Thailand’s Ayutthaya: তাইল্যান্ডের আয়ুথায় যেন ভারতের অযোধ্যা, দুই নগরের সেতুবন্ধনে রামচন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যা ও আয়ুথায় (Thailand’s Ayutthaya) দুই শহর। একটি অবস্থিত ভারতে এবং অপরটি তাইল্যান্ডে। এই দুটি স্থানের মধ্যে ভৌগলিক দূরত্ব অনেকটাই কিন্তু দুই শহরকে জুড়েছে আধ্যাত্মিকতা এবং ধর্ম বিশ্বাস। ভারতের রাম জন্মভূমির প্রতিধ্বনি যেন শোনা যাচ্ছে সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বিদেশি শহর আয়ুথায়তে। রাম মন্দিরের উদ্বোধন ঘিরে সাজসাজো রব চলছে অযোধ্যায়। ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। অন্যদিকে তাইল্যান্ডের আয়ুথায়তেও চলছে সেই মুহূর্তের উদযাপনের প্রস্তুতি।

    আয়ুথায় থেকে মাটি ও জল এসেছে অযোধ্যায় 

    শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফ থেকে ইতিমধ্যে আয়ুথায় থেকে মাটি ও জল আনা হয়েছে। তাইল্যান্ডের ৩ নদীর জল এসেছে রাম মন্দিরের নির্মাণে। এই নদীগুলি হল চাও ফ্রায়া, লোপ বুড়ি, এবং পা সাক। নদীর তীরে অবস্থিত প্রাচীন শহর আয়ুথায় (Thailand’s Ayutthaya) ব্যাংকক থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং তা ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের তকমাও পেয়েছে, শহরে গৌরবময় সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের জন্য।

    কী বলছেন হিন্দু সংগঠনগুলির নেতৃত্ব

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ব্যাংকক শাখার সদস্যরা বলছেন, আয়ুথায়তে (Thailand’s Ayutthaya) অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু মন্দিরগুলিতে বড় স্ক্রিন লাগানো হবে ২২ জানুয়ারি এবং সরাসরি সম্প্রচারিত হবে রাম মন্দিরের উদ্বোধন অনুষ্ঠান। জানা গিয়েছে, রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন মাটির প্রদীপ সেখানে জ্বালানো হবে সন্ধ্যা বেলায়। রামায়ণ পাঠ এবং তার সঙ্গে রাম ভজনও চলবে দিনভর। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই বলছেন, “আয়ুথায় হল তাইল্যান্ডের অযোধ্যা। আমরা সেখান থেকে পবিত্র মাটি এবং জল পেয়েছি রাম মন্দিরের উদ্বোধনের জন্য।” স্বামী বিজ্ঞয়ানন্দ হলেন ‘ওয়ার্ল্ড হিন্দু ফাউন্ডেশন’-এর চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “অযোধ্যার নামকরণ থেকেই আয়ুথায় নামটি এসেছে। ভগবান রামের জন্মস্থান এবং হিন্দু ধর্মের সঙ্গে সম্পর্ক বোঝাতেই এমন নামকরণ আয়ুথায়।” তিনি আরও জানান, রাজা রামাথিবোদি ছিলেন আয়ুথায়ের প্রথম শাসক। তিনিই এই শহরের নামকরণ করেন। এবং এই নামকরণেই বোঝা যায় যে রামায়ণের প্রভাব ঠিক কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত। তাঁর পরবর্তী চক্র রাজ বংশের রাজারাও রামকে গ্রহণ করেন বলে জানা যায়। প্রসঙ্গত, আয়ুথায়ের রামায়ণ বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা প্রচার করেছিলেন। তাইল্যান্ডের স্থানীয় ভাষায় যার নাম হয়েছিল রামাকিয়েন। ফ্রা নাখোন সি  হল আয়ুথায়ের সরকারি নাম। এই শহর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দে এবং এটি ছিল সিয়ামিজ রাজ্যের দ্বিতীয় রাজধানী।

    ১৭৬৭ সালে বর্মা সেনার আক্রমণে ধ্বংস হয় আয়ুথায় 

    সিয়ামিজ বংশের রাজা কিং ইউথং তিনি পরবর্তীকালের জনপ্রিয় হয়েছিলেন রামাথিবোদি নামে।  জানা যায়, ১৪ থেকে ১৮ শতকের মধ্যে খুবই  দ্রুত বেড়ে উঠেছিল এই শহর এবং পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম বৃহত্তম নগর হয়ে উঠেছিল। জানা যায়, ১৭৬৭ খ্রিস্টাব্দে বর্মা সেনা আক্রমণ করে এই শহর এবং লুটপাট চালায় প্রচুর। এখানকার বাসিন্দারা শহর ছাড়তে বাধ্য হন। কার্যত বর্মার সেনারা এই শহরকে জ্বালিয়ে দেয়। পরবর্তীকালে তা নতুনভাবে আর গড়ে ওঠেনি সেই একই স্থানে এবং এটি একটি আর্কিওলজিক্যাল সাইট হিসেবেই থেকে গিয়েছে। আয়ুথায় (Thailand’s Ayutthaya) এখন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আর্কিওলজিক্যাল ধ্বংসাবশেষ হিসেবে থেকে গিয়েছে।

    তাইল্যান্ডের রামায়ণ হল রামাকিয়েন

    সংস্কৃতের পণ্ডিত পদ্মভূষণ পুরস্কারপ্রাপ্ত সত্যব্রত শাস্ত্রী তাই ভাষায় রামাকিয়েনকে সংস্কৃততে অনুবাদ করেন। রামাকিয়েন বাল্মিকী রচিত রামায়ণকে অনুসরণ করে গড়ে ওঠেনি অথবা অন্য কোনও ভারতীয় রামায়ণকে অনুসরণও এখানে করা হয়নি। তাইল্যান্ডের (Thailand’s Ayutthaya) অন্যতম অধ্যাপক সুরেশ পাল গিরি বলেন, “বর্মার সৈন্যরা যখন এই শহরকে ধ্বংস করেছিল, তখন একজন নতুন রাজার উত্থান হয়েছিল।” তিনি নিজেকে প্রথম রাম বলে অভিহিত করেছেন। ওই রাজা একটি শহরকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যা বর্তমানে ব্যাংকক নামে পরিচিত। তিনি রামাকিয়েন লেখেন যা কিনা স্থানীয় ভাষায় রামায়ণ বলেই পরিচিত। এই রামায়ণ বর্তমানে সে দেশের জাতীয় মহাকাব্য হিসেবে উঠে এসেছে এবং বৌদ্ধ মন্দিরগুলোতেও রামাকিয়ানের বিভিন্ন বাণী নজরে পড়ে। জানা যায়, ওই রাজা একজন বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন তবুও তিনি ভগবান রামের আরাধনা করতেন।

    হিন্দু সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র তাইল্যান্ড

    তাইল্যান্ডে এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্ক শুধুমাত্র রামচন্দ্র বা অযোধ্যাকেন্দ্রিক নয়। এর প্রতিফলন বিভিন্ন উৎসবেও মেলে। যেমন ভারতের দীপাবলি তাইল্যান্ডে পালিত হয় লয় কার্থং নামে। তাইল্যান্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দেখা মেলে শিব, পার্বতী, গণেশ, ইন্দ্র এই সমস্ত মূর্তির। হিন্দু সংস্কৃতির অন্যতম কেন্দ্র বলা চলে এই দেশকে। ব্যাংককের সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরের দেওয়ালে নজরে পড়ে সমুদ্র মন্থনের বিভিন্ন দৃশ্য যা বিষ্ণু পুরাণ থেকে নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, আয়ুথায় ছাড়াও তাইল্যান্ডের প্রায় প্রত্যেক মন্দিরেই ২২ জানুয়ারি মহাসমারোহে পালন করা হবে রাম মন্দিরের উদ্বোধন উৎসব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “পরেশ অধিকারী ও তাঁর কন্যাকে জেলের ভিতরে দেখতে চাই”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “পরেশ অধিকারী ও তাঁর কন্যাকে জেলের ভিতরে দেখতে চাই”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পরেশ অধিকারী এসএসসি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর নাম এসএসসির প্রাথমিক অভিযোগের তালিকায় রয়েছে। তাঁর  এবং কন্যার নাম আমরা চার্জশিটে দেখতে চাই। তাঁকে বিজেপির মঞ্চে নয়, জেলের ভিতরে দেখতে চাই।” ঠিক এই ভাবেই জলপাইগুড়ির মেখলিগঞ্জে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    মেখলিগঞ্জের দলীয় সভায় নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “তৃণমূলের কাছে বিজেপির বিরোধী দলনেতা আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজ্যে তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে সোচ্চার হয়েছি আমরা। বিজেপি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে বিরোধী দলের ভূমিকা কী তা পালন করছে। রাজ্যে ২০১১ থেকে সিপিএম বিরোধী দল ছিল আবার ২০১৬ থেকে কংগ্রেস ছিল বিরোধী দল, কিন্তু কংগ্রেস-সিপিএম বিরোধী দলের ভূমিকা কী হওয়া উচিত তা সেই সময়ে পালন করেনি। তাঁরা কেবলমাত্র ফিস ফ্রাই খেয়েছেন। কিন্তু বিজেপির বিধায়ক-সাংসদেরা তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তাঁদের দুর্নীতি, চুরি, মানুষের প্রাপ্য অধিকার নিয়ে লড়াই সংঘর্ষ করছে। গণতন্ত্র লুটের জন্য নবান্ন অভিযান করেছি আমরা। আবার রাজ্যে বাঞ্চিতদের অধিকারের দাবিকে সুরক্ষিত করতে রাজপথে নেমে আন্দোলন করেছে বিজেপি। রেশন দুর্নীতি, স্কুল নিয়োগে দুর্নীতি, মিড-ডে-মিল, পুরনিয়োগ র্দুনীতি, কয়লা, বালি, গরু পাচার নিয়ে মানুষের কাছে গিয়ে তৃণমূল সরকারের ষড়যন্ত্রের কথা পৌঁছে দিয়েছি।”  

    সন্দেশখালি প্রসঙ্গে কী বলেন?

    সন্দেশখালির ঘটনা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হয় যে ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত জিয়াউদ্দীন অভিযোগ করছে ইডি সম্পূর্ণ ভাবে শুভেন্দুর নির্দেশেই সেখানে গিয়েছিলো। এর জবাবে জলপাইগুড়িতে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এটা আতঙ্ক থেকে এইসব কথা চোরেরা বলছে। চোরেদের জেলে ভরা হবে আর এই আতঙ্ক থাকা ভালো। রাজ্যের দুর্নীতি নিয়ে বিজেপি সমস্ত চোরেদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: দুর্গাপুরে অযোধ্যার রাম মন্দিরের ছোঁয়া, ২০ কেজি বিস্কুটে নির্মিত হল মন্দির

    Durgapur: দুর্গাপুরে অযোধ্যার রাম মন্দিরের ছোঁয়া, ২০ কেজি বিস্কুটে নির্মিত হল মন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় নব নির্মিত রাম মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে রাম লালার। তার আগে দেশজুড়ে চরম উৎসাহ উদ্দীপনা। ইতিমধ্যে আমন্ত্রণপত্র এবং অক্ষত চালের প্রসাদ বাংলার ঘরে ঘরে বিতরণ চলছে। মন্দির উদ্বোধনের আর মাত্র ২ দিন বাকি, ঠিক তার আগে ২০ কেজি বিস্কুট দিয়ে রাম মন্দির তৈরী করে নজির গড়লেন দুর্গাপুরের (Durgapur) ছোটন ঘোষ। এলাকায় তাঁর এই নির্মিত মন্দির দেখার জন্য ব্যাপক ভিড় জমিয়েছে এলাকার মানুষ।

    সাড়ে তিন ফুট উচ্চতা মন্দিরের (Durgapur)

    কী থাকছে ছোটনের রাম মন্দিরে? সাড়ে তিন ফুট উচ্চতা এবং তিন ফুট চওড়া-লম্বায়। রাম মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে বিস্কুটের রাম মন্দির। তাতে থার্মোকলের ওপর পার্লে-জি, মেরি, টপ, নোনতা বিস্কুট দিয়ে নকশা করা হয়েছে। গত চারদিন ধরে ছোটন ও তাঁর সহপাঠীরা সেই কাজ করেছেন। মন্দির নির্মাণ করে ছোটন বলেন, “গোটা দেশ রাম মন্দির তৈরির আনন্দে মাতেয়ারা। তারই এক প্রতিফলন স্বরূপ আনন্দ প্রকাশ করতে বিস্কুট দিয়ে রাম মন্দির তৈরী করার পরিকল্পনা। আমার এই রাম মন্দির দূর্গাপুর (Durgapur) ইসকন মন্দিরে রাখা হবে।”

    আগে সৌরবিদ্যুত চালিত বাইক তৈরি করেছিলেন

    দুর্গাপুরের (Durgapur) ধুবচুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা ছোটন ঘোষ। পেশায় ফুলের সাজসজ্জার কাজ করেন তিনি। মাধ্যমিক পাশ করার পর শুরুতে বাবার সঙ্গে গ্যারেজে কাজ শুরু করেন। সেখান থেকে কারিগরি শিক্ষার হাতেখড়ি। মাস কয়েক আগে ১০ সিটের সৌরবিদ্যুত চালিত বাইক তৈরী করে নজির গড়ে ছিলেন। প্যাডেল ছাড়া সূর্যালোকে ওই বাইকে চড়ে অনায়সে যাওয়া আসা করা যাবে। সেটা তৈরীতে খরচ হয়েছিল তাঁর কুড়ি হাজার টাকা। ওই বাইকে লোহার টুকরোকে জোড়া লাগিয়ে তার সঙ্গে টায়ারের চাকা, সোলার প্লেট, ব্যাটরি বসানো হয়েছিল। পরীক্ষামূলকভাবে সফল হয়। জ্বালানিতেল মূল্যবৃদ্ধির জেরে, কম খরচে সেটা সহকর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় কাজের সুবিধায় যাওয়া আসার জন্য তৈরী করেছিলেন ছোটোন।

    মনোরঞ্জনের জন্য চন্দ্রযান

    বিজ্ঞানীদের সম্মান জানাতে ছোটোনও সদৃশ্য চন্দ্রযান তৈরী করেছিলেন। তবে সেটা মনোরঞ্জনের জন্যই মাত্র। প্ল্যাস্টিকের বোতলের সাড়ে ছ’ফুটের সিলিন্ডার তৈরী করা হয়। তাতে আর্ডিনো ডিভাইস বোর্ড লাগানো ছিল। সঙ্গে ছিল ৯ ভোল্টের ব্যাটরী। মোবাইল দ্বারা অপারেটিং সিস্টেম ছিল। প্রায় ৪০ ফুট ওপরে উড়েছিল তার কৃত্রিম চন্দ্রযান। এছাড়াও সদৃশ্য রোভার প্রজ্ঞান তৈরী করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন ছোটোন (Durgapur)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Iran Pakistan Conflict: ফের আকাশপথে হামলা চালাতে পারে ইরান! পাকিস্তানে জারি ‘হাই-অ্যালার্ট’

    Iran Pakistan Conflict: ফের আকাশপথে হামলা চালাতে পারে ইরান! পাকিস্তানে জারি ‘হাই-অ্যালার্ট’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আকাশপথে হামলা করতে পারে ইরান (Iran Pakistan Conflict)। সেই আশঙ্কায় পাকিস্তানে জারি হয়েছে হাই-অ্যালার্ট (Pakistan on High Alert)। যদি দুদেশের মধ্যে যুদ্ধে বাঁধে, তাই আগাম পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শুক্রবার সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ আধিকারিক এবং গোয়েন্দাকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসলেন পাকিস্তানের তদারকি সরকারের প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার-উল-হক কাকর। নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখছে পাক সেনাও। দুদেশের মধ্যে থাকা প্রায় ৯০০ কিলোমিটার সীমান্তে সেনা-অস্ত্র মোতায়েন বৃদ্ধি পেয়েছে।

    ইরান-পাকিস্তান সংঘাত (Iran Pakistan Conflict)

    ইরান-পাকিস্তানের এই সাম্প্রতিকতম সংঘাতের সূচনা হয় বুধবার। পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশে হামলা চালায় ইরান। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জয়েশ অল-আদাল গোষ্ঠী বা ‘আর্মি অফ জাস্টিস’-এর ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল তেহরান। ইরানের দাবি, এই জঙ্গি সংগঠন তাদের মাটিতে বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে। 

    এর ‘প্রতিশোধ’ নিতে ২৪-ঘণ্টার মধ্যে পাল্টা হামলা চালায় পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার ইরানের মাটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে পাকিস্তান। পাক সেনার তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিল, বিচ্ছিনতাবাদী সংগঠনের ঘাঁটিতে এই হামলা চালিয়েছে তারা। পাকিস্তান দাবি করছে, এই অভিযানে তারা জঙ্গিদের খতম করেছে। তবে তেহরানের পাল্টা দাবি, পাক এয়ারস্ট্রাইকে চার শিশু এবং তিনজন মহিলার মৃত্যু হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে ফের পাক ভূমে ইরান নতুন করে হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা (Pakistan on High Alert) করছে পাক প্রশাসক ও সেদেশের সেনা। 

    নতুন হামলার আশঙ্কায় পাকিস্তান

    ইসলামাবাদের এই আশঙ্কাযে অমূলক নয়, তার আভাস মিলেছে একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেই। ওই সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানের হামলার জবাব দেওয়ার জন্য জোর প্রস্তুতি চালাচ্ছে তেহরান (Iran Pakistan Conflict)। খুব শীঘ্রই পাক-ভূমে নতুন হামলা হতে পারে পারে সংবাদমাধ্যমটি তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা  উড়িয়ে দিচ্ছেনা তারা। এই পরিস্থিতিতে ৯০৯ কিলোমিটার দীর্ঘ দু’দুদেশের সীমান্তে তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে (Pakistan on High Alert)। ইরান-পাকিস্তান সীমান্তের দুদিকে সেনা ও অস্ত্রের সমাগমে জোর দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। সীমান্তের একদিকে ইরানের সিস্তান প্রদেশ। সীমান্তের ওপারে রয়েছে পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশ।

    আরেকটা যুদ্ধের ভ্রুকুটি

    ২০২২ সালের ফ্রেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালায় রাশিয়া। প্রায় দু’বছর পরেও যুদ্ধ থামেনি। তারই মধ্যে গত ৭ অক্টোবর গাজা ভূখণ্ড থেকে ইজরায়েলকে লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালিয়েছে হামাস গোষ্ঠী। এরপর শুরু হয় সংঘর্য। এখনও সেই সংঘর্ষ চলছে। এবার ইরান-পাকিস্তান (Iran Pakistan Conflict) পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে আন্তর্জাতিক মহলে।

  • North Bengal Weather: তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, তুষারপাত দার্জিলিঙে

    North Bengal Weather: তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, তুষারপাত দার্জিলিঙে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতে দক্ষিণবঙ্গে যেখানে পারদ ঊর্ধ্বমুখী অপর দিকে উলটো দিকে কাঁপছে গোটা উত্তরবঙ্গ (North Bengal Weather)। আবহাওয়া দফতর থেকে ইতি মধ্যে এই পরিস্থিতিতে ‘কোল্ড ডে’ ঘোষণা করেছে। অপর দিকে দার্জিলিঙের তাপমাত্রা নামল শূন্যের নিচে। দার্জিলিং, কালিম্পং, সিকিমের পাহাড় মেঘাচ্ছন্ন। মাঝে মধ্যে শিলাবৃষ্টি এবং আংশিক বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সেই সঙ্গে রয়েছে তুষারপাতের প্রবল সম্ভাবনা।

    উত্তরবঙ্গে তীব্র ঠান্ডা (North Bengal Weather)

    সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এবার মেঘে ঢাকা কালিম্পংকে পেছনে ফেলে দিল কোচবিহার (North Bengal Weather)। বৃহস্পতিবার কালিম্পংকে থেকে ২ ডিগ্রি তাপমাত্রা কম নামল কোচবিহার। কালিম্পংয়ের তাপমাত্রা ছিল ৯.৫ ডিগ্রি এবং কোচবিহারের তাপমাত্রা ছিল ৭.৯ ডিগ্রি তাপমাত্রা। অপর দিকে দার্জিলিঙের তাপমাত্রা ছিল শূন্য ডিগ্রির নিচে। বছরের সব থেকে শীতলতম দিন ছিল এই দিন। এই পরিস্থিতি আরও ২ থেকে ৩ দিন থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আকাশ কুয়াশা এবং আংশিক মেঘলা থাকবে বলে জানা গিয়েছে। রোদের দেখা মিলবে না বললেই হয়। বিক্ষিপ্ত ভাবে দুই এক জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। গত বেশ কিছু দিন ধরে কোচবিহারে গত কয়েক দিন থেকেই কুয়াশা এবং মেঘে ঢাকা, সূর্য ওঠেনি। প্রবল শীতের প্রভাব চলছে জেলাগুলিতে। আবার সিকিমের তাদং এলাকার তুলনায় থেকেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কম ছিল কোচবিহারে। কোচবিহারের সঙ্গে গ্যাংটকের তাপমাত্রার পার্থক্য ছিল দু’ডিগ্রিরও কম।

    হাওয়া অফিসের বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের সিকিমের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক গোপীনাথ রাহা বলেন, “কালিম্পংয়ে (North Bengal Weather) মেঘ রয়েছে। সমতলের আরও কিছু জায়গায় কোচবিহার সহ কয়েকটি জেলায় মেঘলা থাকবে। বিকেলের পর থেকে আসামের দিকে সরে যাবে মেঘ। রাতে মেঘ মুক্ত হলে তাপমাত্রা নিচে নামবে।”

    কেমন থাকবে দার্জিলিংয়ের আবহাওয়া?

    দার্জিলিং (North Bengal Weather) এবং উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর। সেই সঙ্গে শুক্র ও শনিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে পার্বত্য এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং সিকিমের পাহাড় মেঘাচ্ছন্ন। মাঝে মধ্যে শিলাবৃষ্টি, বৃষ্টিও চলছে। একই ভাবে সান্দাকফু, নাথুলার মতো উঁচু পাহাড়ে চলছে তুষারপাত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Railway: দেশের ৩০০টিরও বেশি রেল স্টেশন নামাঙ্কিত হবে রাম-নামে, পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে ক’টি?

    Railway: দেশের ৩০০টিরও বেশি রেল স্টেশন নামাঙ্কিত হবে রাম-নামে, পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে ক’টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে প্রভু শ্রী রামের নামে নামকরণ করা হবে ৩০০টিরও বেশি রেল স্টেশন (Railway)। বাংলায় ৫০টি রেল স্টেশনের নতুন নামকরণ হবে রামের নামে। এই কথা রেলমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ভারতের কোটি কোটি মানুষের মনে প্রভু শ্রীরামেকে ঘিরে ঐতিহাসিক, পৌরাণিক, সাহিত্যিক এবং মহাকাব্যিক রাম চরিত্রের প্রতি ধর্মীয় আস্থা, বিশ্বাস রয়েছে। প্রভু শ্রীরামের ‘রাম নাম ছাড়া জগতের উদ্ধার নেই’ এই কথা শত শত বছর ধরে ভারতীয়দের মনের গভীরে গেঁথে রয়েছে। এবার দেশের রেল ব্যবস্থার যোগাযোগ মাধ্যমে অত্যাধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেশ কিছু স্টেশনের নব পরিচয় হবে রামচন্দ্রের নামে।

    কী জানা গিয়েছে(Railway)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৪৩টি রেল স্টেশনের (Railway) নতুন নামকরণ করা হবে। জায়গা বা স্থানের নামের সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছে পরম্পরায় বাহিত এবং নান্দনিক গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে এই রেল স্টেশনগুলির নতুন নামকরণ করা হবে। স্টেশনগুলিকে নানা বর্ণের আর্ট, শিল্পকলা, প্রতিচ্ছবি এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ সাজে সাজানো হবে।

    রেলের তরফ থেকে আরও জানা গিয়েছে, আগামী ২২ তারিখ রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে ৮০০০টি রেল স্টেশনে প্রদীপ জ্বালিয়ে দীপাবলি উৎসব পালন করা হবে। একই সঙ্গে ৯০০০টি স্টেশনের এলইডি পর্দায় রেলযাত্রীদের জন্য মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার দেখানো হবে।

    কোন প্রদেশে কটা স্টেশনের নাম হবে?

    দেশের যে যে রাজ্যের যতগুলি রেল স্টেশনকে (Railway) রামের নামে নামাঙ্কিত হবে তা হল— অন্ধ্রপ্রদেশে ৫৫টি, অসমে ১০টি, বিহারে ২৮টি, ছত্তিশগড়ে ৪টি, গুজরাটে ৭টি, হারিয়ানাতে ১টি, হিমাচল প্রদেশে ১টি, জম্মু-কাশ্মীরে ২টি, ঝাড়খণ্ডে ৯টি, কর্নাটকে ১৫টি, কেরলে ১৫টি, মধ্যপ্রদেশে ১৬টি, মহারাষ্ট্রে ৫টি, ওড়িশায় ৭টি, পাঞ্জাবে ৪টি, রাজস্থানে ১৫টি, তামিলনাড়ুতে ৫৪টি, তেলঙ্গানায় ১৭টি, ত্রিপুরায় ১টি, উত্তরপ্রদেশে ২৬টি, উত্তরাখণ্ডে ১টি এবং পশ্চিমবঙ্গে ৫০টি। রাম ভক্তদের কাছে এই খবর আরও উচ্ছ্বাস এবং আবেগের।

    পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক আদান প্রদানের

    সূত্রে জানা গিয়েছে, রেল (Railway) ব্যবস্থা এই স্টেশনের নামকরণে আগামী দিনে পর্যটন শিল্প বিকাশের একটি বিরাট ক্ষেত্রের সম্ভবনা তৈরি করবে। ভারতের হাজার বছরের পুরাতন সমৃদ্ধশীল সংস্কৃতিকে বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি বড় মাধ্যম হবে। পর্যটকরা রেলপথে ভ্রমণের সময় ভারতের বৈচিত্রময় সংস্কৃতির নানা ভাবনার কথা জানতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share