Tag: Bengali news

Bengali news

  • Mahua Moitra: আদালতে খারিজ আবেদন, সরকারি বাংলো খালি করলেন বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া

    Mahua Moitra: আদালতে খারিজ আবেদন, সরকারি বাংলো খালি করলেন বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র যাতে সরকারি বাংলো খালি করতে না হয়। কিন্তু মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) আবেদন গতকালই খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। শুক্রবার সকালেই বাংলো খালি করলেন ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগে বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া (Mahua Moitra)। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালেই কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের অধীন ‘ডিরেক্টরেট অফ এস্টেট’- এর আধিকারিকরা এসে মহুয়ার বাংলো খালি করার প্রক্রিয়া শুরু করেন।

    ডিসেম্বরেই সাংসদ পদ খারিজ হয় মহুয়ার 

    প্রসঙ্গত, গত ৮ ডিসেম্বর লোকসভায় সাংসদ পদ খারিজ হয় মহুয়া মৈত্রর। সে সময় তাঁকে ৮ জানুয়ারির মধ্যে বাংলো খালি করা নির্দেশ দেয় ‘ডিরেক্টরেট অফ এস্টেট’। কিন্তু সে পথে হাঁটেননি মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। তাই ফের তাঁর কাছে নোটিশ পাঠানো হয়। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে গেলে সেখানেও তাঁর আবেদন খারিজ হয়। জানা গিয়েছে, দিল্লির টেলিগ্রাফ লেনে ৯বি নম্বর বাংলোটি ছিল মহুয়া মৈত্রর।

    দর্শন হিরানন্দানির কাছে টাকা নিতেন মহুয়া

    মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে দুবাই কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে তিনি সুযোগ-সুবিধা নিতেন। তাঁর কাছ থেকে বিদেশ ট্যুরের টাকাও নেন মহুয়া। এর বিনিময়ে দর্শন হিরানন্দানির সাজিয়ে দেওয়া প্রশ্নগুলোই সংসদে উত্থাপন করতেন তিনি। শুধু তাই নয় সংসদের লগ-ইন আইডিও ছিল দর্শন হিরানন্দানির সংস্থার কাছেই। ওই সংস্থার এক কর্মী মহুয়ার হয়ে সংদের পোর্টালে লগ-ইন করে প্রশ্ন উত্থাপন করতেন। এরপরেই তাঁকে (মহুয়া মৈত্র) সংসদের এথিক্স কমিটি তলব করে। সেখানেও একপ্রস্থ নাটক করেন মহুয়া (Mahua Moitra)। এথিক্স কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ করেন। পরবর্তীকালে তাঁর সাংসদ পদ খারিজ হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে কঠোর ‘যম নিয়ম’ পালন করছেন মোদি, কী এর তাৎপর্য?

    Narendra Modi: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে কঠোর ‘যম নিয়ম’ পালন করছেন মোদি, কী এর তাৎপর্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্তরের শুদ্ধিকরণে কঠোর নিয়ম পালন করছেন মোদি (Narendra Modi)। রাম মন্দিরের উদ্বোধন এবং প্রাণ প্রতিষ্ঠার ১১ দিন আগে থেকেই এই সংযম করছেন। গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রধান যজমানের ভূমিকা পালন করবেন। তাই খাবার এবং ঘুমে কঠোর নিয়ম পালনে রয়েছেন তিনি। শাস্ত্রের বিধান অনুযায়ী বিধিনিষেধর মধ্যে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারী রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। প্রধান পৌরহিত্য করবেন বারাণসীর লক্ষ্মীকান্ত দীক্ষিত। ভারত এবং ভারতের বাইরে থেকে আমন্ত্রিত অতিথিরা যোগদান করবেন এই অনুষ্ঠানে। গতকাল গর্ভগৃহে বাসনো হয়েছে রামলালার কৃষ্ণশিলা মূর্তি।

    খাবারের তালিকায় কী রয়েছে (Narendra Modi)

    প্রাণ প্রতিষ্ঠার ১১ দিনব্যাপী সংযমের মধ্যে দিয়ে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। খাবারের তালিয়ায় কঠিন নিয়মের পালন করছেন। এই নিয়মকে ‘যম নিয়ম’ বলা হয়েছে। এখানে ‘যম’ মানে হল ‘সংযম’। তিনি ডাবের জল খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন। খাবারের তালিকায় রয়েছে কেবল মাত্র ফলাহার। মূলত সাত্ত্বিক আহারে দিনপাত করছেন তিনি। রাতে ঘুমাচ্ছেন মাটিতে কম্বল বিছিয়ে।

    সংযমের মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন মোদি

    ‘যম নিয়ম’ এবং অনুশাসনের মধ্যে থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) নিজের দফতরের কাজ সামলাচ্ছেন। সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহ ধরে তিনি মহারাষ্ট্র, কেরল, এবং অন্ধ্রপ্রদেশে বিশেষ যাত্রা করেছেন। একই সঙ্গে একাধিক মন্দিরে ভক্তি নিবেদন করতে যাচ্ছেন। রামের ভজন কীর্তন শ্রবণ এবং জপ করছেন। সূর্য উদয়ের আগেই ঘুম থেকে উঠছেন। ঘুম থেকে উঠেই ধ্যান করছেন। কেরলের এর্নাকুলাম সরকারি গেস্ট হাউসে থাকার সময় রাতে কেবলমাত্র ফলাহার করেছেন।

    যম নিয়ম শাস্ত্রসম্মত

    শাস্ত্রের একটি বড় বিধান হল রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার সময় কঠিন নয়ম পালন করতে হয়। এই যমের সঙ্গে শাস্ত্রের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। অষ্টাঙ্গ যোগের আটটি অঙ্গের মধ্যে প্রথমে যম এবং তারপরে নিয়ম ব্যাখ্যার কথা বলা হয়েছে। আচার মেনে নিয়ম করে যজমানদের স্নান করতে হয়। নিয়মের বাইরে গিয়ে খাওয়া দাওয়া করা যায় না। প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে এই নিয়ম পালন করতে হয়। দৈনিক কাজের ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও নানান সংযম পালন করে এক ধর্মীয় নিষ্ঠার প্রকৃষ্ট উদাহরণ তুলে ধরেছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘রাষ্ট্র বিরোধীরা রামের বিরুদ্ধে মিছিল করবে’’, মমতার সংহতি কর্মসূচিকে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘রাষ্ট্র বিরোধীরা রামের বিরুদ্ধে মিছিল করবে’’, মমতার সংহতি কর্মসূচিকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সকালেই ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণ করতে গিয়ে ফের মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। মেদিনীপুরের সাংসদ জানান, রাষ্ট্র বিরোধীদের নিয়ে রামচন্দ্রের বিরুদ্ধে সংহতি মিছিল করছে তৃণমূল। পাশাপাশি দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে উঠে আসে নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত মিডলম্যান প্রসন্ন রায়ের কথাও। প্রসঙ্গত, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ এই ‘মিডলম্যান’ নিয়োগ দুর্নীতিতে আগেই গ্রেফতার হয়েছিলেন। সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হন তিনি। এবং বৃহস্পতিবারে তাঁর (প্রসন্ন রায়ের) একাধিক আস্তানায় তল্লাশি চালায় ইডি।

    রাষ্ট্র বিরোধীদের নিয়ে তৃণমূলের মিছিল

    তৃণমূলের সংহতি মিছিল নিয়ে দিলীপের (Dilip Ghosh) মন্তব্য, ‘‘আগে তৃণমূল নিজেদের মধ্যে সংহতি করুক। সংহতির নামে হিন্দু বিরোধীদের এককাট্টা করার চেষ্টা হচ্ছে। আমার মনে হয় না কোনও হিন্দু এই সংহতি মিছিলে যাবে। যারা তৃণমূলের উচ্ছিষ্টভোগী, এই করেই খাচ্ছে আর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, এরকম কিছু লোক যাবে। আর যারা সিএএ পাস হওয়ার পর সারা বাংলায় আগুন জ্বালিয়ে ট্রেন, বাস, রেল, জাতীয় সড়ক অচল করেছিল, সেই সমস্ত রাষ্ট্রবিরোধীদের নিয়ে এখানে রামের বিরুদ্ধে মিছিল হবে।’’ প্রসঙ্গত, মমতার সংহতি মিছিল থেকে সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট হতে পারে এই অভিযোগ আগেই তুলছেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন দিলীপ ঘোষের কথাতেও দেখা গেল বিরোধী দলেনেতারই সুর।

    প্রসঙ্গ নিয়োগ দুর্নীতি ও প্রসন্ন রায়

    নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির তল্লাশি অভিযান নিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘‘আগে তার বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই আগের বার তিনি জামিন পেয়েছিলেন। কিন্তু ইডি মনে করছে আরও তথ্য প্রমাণ পাওয়া যাবে। তাই ফের তদন্ত হচ্ছে। জাল এতো বড় যে কে যুক্ত আর কে নয়, অনেকে অজান্তে যুক্ত হয়ে পড়েছে। কে সুবিধা পেয়েছে কে পায়নি, এভাবেই বিশাল বিস্তার হয়েছে। তার কিনারা খোঁজার চেষ্টা চলছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন রাজ্যেও ছুটি চাই, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি সুকান্তর

    Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন রাজ্যেও ছুটি চাই, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন ২২ জানুয়ারি। উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার তো বটেই একাধিক রাজ্যে স্কুল ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারও ইতিমধ্যে কর্মীদের জন্য অর্ধদিবসের ছুটি ঘোষণা করেছে। এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। নিজের ফেসবুক ও এক্স হ্যান্ডেলে ওই চিঠি পোস্টও করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    কী লিখলেন সুকান্ত মজুমদার?

    মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে ওই চিঠিতে (Ram Mandir) সুকান্ত মজুমদার লেখেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আমি লিখিত অনুরোধ করেছি যেন উনি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে আগামী ২২ জানুয়ারি ২০২৪-এর পবিত্র দিনে সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করেন। এর ফলে বাংলার নতুন প্রজন্ম ভারতের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠতে পারবে এবং তাদের মন ভারতীয় গরিমায় প্লাবিত হবে যখন তারা রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার সাক্ষী হয়ে থাকবে।’’

    রাম মন্দিরের সরাসরি সম্প্রচার হবে দূরদর্শনে

    জানা গিয়েছে, রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেখানো হবে ডিডি নিউজ এবং ডিডি ন্যাশনাল চ্যানেলে। সেখানে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে অনুষ্ঠান। রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন শুধুমাত্র এএনআই এবং দূরদর্শনকেই সেখানে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অন্য কোনও সংবাদমাধ্যম রাম মন্দির চত্বরে থাকতে পারবে না বলেই জানানো হয়েছে। গত ডিসেম্বরে শেষ সপ্তাহে একথা জানায় রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Temple: রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে বসল রামলালার মূর্তি, প্রকাশ্যে সেই ছবি

    Ayodhya Ram Temple: রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে বসল রামলালার মূর্তি, প্রকাশ্যে সেই ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Temple) গর্ভগৃহে কৃষ্ণশিলায় নির্মিত রামলালার মূর্তি বসানোর ছবি সমানে এল। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ২৮ মিনিটের মাহেন্দ্রক্ষণে মন্দিরে বাসনো হয় এই মূর্তি। গর্ভগৃহের এই মূল বেদিতেই বিরাজমান থাকবেন প্রভু রাম। সংবাদমাধ্যমের কাছে এই ছবি প্রকাশিত হতেই রামভক্তদের মধ্যে বিপুল উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    শোভাযাত্রা করে বসানো হল মূর্তি (Ayodhya Ram Temple)

    বুধবার সন্ধ্যায় শোভাযাত্রা করে অযোধ্যার রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Temple) নিয়ে আসা হয়েছিল রামলালার মূর্তি। এরপর বৃহস্পতিবার দুপরে শিশু সুলভ সরল বালক রূপী রামের ৫১ ইঞ্চির মূর্তিটি ‘শুভ মুহূর্তে’ গর্ভগৃহে স্থাপন করা হয়। স্থাপনের পর, বৈদিক মতে মূর্তিটির বিশেষ পুজো করেন ব্রাহ্মণ এবং আচার্যরা। ওই পুজোতে অংশ গ্রহণ করেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং ট্রাস্টের সদস্যরা। পবিত্র বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণের মধ্যে এদিন মূর্তির পুজো অনুষ্ঠিত হয়। তার পর রামলালার সেই প্রথম ছবি প্রকাশিত হয়। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মিডিয়া ইনচার্জ শরদ শর্মা ছবিটি প্রথম প্রকাশ্যে তুলে ধরেন। তবে মূর্তির মূখমণ্ডল হলুদ কাপড়ের আবরণে আবৃত। গায়ে ছিল সাদা চাদর। প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে এই মূর্তি উন্মোচিত হবে।

    ভোটের মাধ্যমে মূর্তি নির্বাচিত হয়

    শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টদের সদস্যরা ভোটদানের মাধ্যমে এই মূর্তিকে মন্দিরের (Ayodhya Ram Temple) গর্ভগৃহের জন্য নির্বাচিত করেন। মূর্তির শিল্পী হলেন কর্নাটকের ভাস্কর অরুণ যোগীরাজ। জানা গিয়েছে, যোগীরাজের পরিবার কয়েক পাঁচ পুরুষ ধরে মূর্তি নির্মাণের কাজ করে থাকেন। মূর্তিটি কৃষ্ণশিলা থেকে খোদাই করে তৈরি করা হয়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই মূর্তিকে আকর্ষণীয়, টেকসই, ভাস্কর্যের বিচারে চমকপ্রদ করতে কৃষ্ণশিলা ব্যবহার করা হয়েছে। মেঙ্গালুরুর কাছেই কারকালা শহরে পাওয়া যায় এই শিলা। 

    ২২ জানুইয়ারি হবে প্রাণ প্রতিষ্ঠা

    আগামী ২২ জানুয়ারি রামমন্দির (Ayodhya Ram Temple) উদ্বোধনের দিন দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে গর্ভগৃহে বাসানো এই মূর্তিটির প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রধান যজমানের ভূমিকা পালন করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গোটা আচার-অনুষ্ঠানের তত্ত্বাবধান, সমন্বয় এবং পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন শ্রী গণেশ্বর শাস্ত্রী দ্রাবিড়। প্রধান আচার্য হবেন কাশীর শ্রী লক্ষ্মীকান্ত দীক্ষিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রাণ প্রতিষ্ঠার সময় গর্ভগৃহে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের পরিচালক মোহন ভাগবত, উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: ‘মিডলম্যান’ প্রসন্ন রায়ের বাড়ি-অফিসে ২১ ঘণ্টা তল্লাশি ইডির, বাজেয়াপ্ত প্রচুর নথি

    Recruitment Scam: ‘মিডলম্যান’ প্রসন্ন রায়ের বাড়ি-অফিসে ২১ ঘণ্টা তল্লাশি ইডির, বাজেয়াপ্ত প্রচুর নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে বৃহস্পতিবার শহরের বিভিন্ন জায়গায় হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। ২০২২ সালে নিয়োগ দুর্নীতিতে ‘মিডলম্যান’ হিসাবে গ্রেফতার (Recruitment Scam) হন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ প্রসন্ন রায়। সম্প্রতি জামিনে ছাড়া পেয়েছিলেন তিনি। গতকাল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা তাঁরই বিভিন্ন ফ্ল্যাট, বাগানবাড়ি, অফিসে হানা দেয়। সূত্রের খবর, প্রসন্ন রায়ের বিভিন্ন আস্তানা থেকে প্রচুর নথিও উদ্ধার করেছেন গোয়েন্দারা। তদন্তকারীরা প্রায় ২১ ঘণ্টা তল্লাশি চালান বলে খবর। ইডি সূত্রে খবর, প্রসন্ন রায়ের অফিস ছিল টাকা লেনদেনের অন্যতম বড় আস্তানা, প্রসন্ন হয়ে উঠেছিলেন এসএসসি-র অন্যতম ‘মিডলম্যান’। টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের চাকরি করে দেওয়া হতো তাঁর অফিসের মাধ্যমে। সেই টাকা তারপর পৌঁছে যেত নেতা-মন্ত্রীদের কাছে।

    জিজ্ঞাসাবাদ প্রসন্ন রায়ের স্ত্রীকেও

    তদন্তের শেষে তিনটি ট্রাঙ্ক ও তিনটি ট্রলিতে ভর্তি করে কাগজপত্র নিয়ে যায় ইডি। জানা গিয়েছে, বাজেয়াপ্ত হওয়া নথির মধ্যে বেশ কিছু ব্যাঙ্কের পাস বইও রয়েছে। গতকাল রাতে সস্ত্রীক প্রসন্ন রায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করেন আধিকারিকরা। তদন্তে (Recruitment Scam) নেমে ইডি আধিকারিকরা প্রসন্ন রায়ের অফিসের কর্মচারীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা কেন্দ্রের, রাজ্যের সিদ্ধান্ত কী?

    সাত সকালেই হাজির হয় ইডি 

    জানা গিয়েছে, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) গ্রেফতার হওয়া পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশাপাশি ধৃত তৃণমূল বিধায়ক জীবন সাহারও ঘনিষ্ঠ প্রসন্ন রায়। এর আগে প্রসন্ন রায়ের বিভিন্ন আস্তানায় সিবিআই তল্লাশি চালালেও এই প্রথম অভিযানে নামে ইডি। গতকাল সকালেই ইডি আধিকারিকরা নিউটাউনে অবস্থিত প্রসন্ন রায়ের অফিসে প্রথমে পৌঁছান। তবে প্রায় দু’ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর চাবি খুলে ভিতরে প্রবেশ করেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার প্রসন্ন ঘনিষ্ঠ এক পরিবহণ ব্যবসায়ী রোহিত ঝা-এর বাড়িতেও হানা দেন গোয়েন্দারা।

    আরও পড়ুুন: “আমি বাংলা বলতে চাই, আপনারাও বাংলায় বলুন”, বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘বাবা’র ভূমিকায় প্রধানমন্ত্রী মোদি, করলেন কন্যাদান

    Narendra Modi: ‘বাবা’র ভূমিকায় প্রধানমন্ত্রী মোদি, করলেন কন্যাদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ তাঁকে চেনে রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তিনি বিশ্বনেতা (Narendra Modi)। বৃহস্পতিবার ভারতের জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে দেখা গেল ‘বাবা’র ভূমিকায়। প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রয়েছেন দক্ষিণ ভারতের সফরে। রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে বিগত কয়েকদিন ধরেই দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন মন্দির দর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রী। পালন করছেন তাঁর বিশেষ ব্রত। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী হাজির ছিলেন কেরালার ত্রিশূরের গুরুভায়ুর শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরে। সেখানেই পুজো দেওয়ার পর নরেন্দ্র মোদি যোগ দেন একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে কন্যাদানও করতে দেখা যায়।

    কার হয়ে কন্যাদান করলেন মোদি?

    দক্ষিণের সুপারস্টার সুরেশ গোপীর কন্যার বিবাহ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। প্রসঙ্গত, সুরেশ এক জন খ্যাতনামা দক্ষিণী অভিনেতা তো বটেই, সেই সঙ্গে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদও তিনি। একাধিকাবার নিজের পরিবারের সঙ্গে দিল্লিতে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। নরেন্দ্র মোদি তাঁর খুবই ঘনিষ্ঠ বলে জানা যায়। এবার নিজের কন্যাদানের গুরু দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর হাতেই তুলে দিলেন সুরেশ। প্রধানমন্ত্রী এদিন বিবাহ অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের মাথা ঝুঁকিয়ে প্রণামও করেন, ঠিক যেভাবে কোনও কন্যার পিতাকে নিজের মেয়ের বিবাহে দেখা যায়।

    হিন্দু রীতি অনুযায়ী কন্যাদান

    হিন্দু রীতি অনুসারে, কন্যাদানের দায়িত্ব অর্পিত থাকে পিতা বা পিতার অবর্তমানে পিতৃস্থানীয় কারও। পরিবারের জ্যাঠা, কাকা বা মামারাও এই দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ওই দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকে (Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রীকে পিতার ভূমিকায় দেখে কুর্নিশ জানিয়েছেন অনেক বিশিষ্টজনই।

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা কেন্দ্রের, রাজ্যের সিদ্ধান্ত কী?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা কেন্দ্রের, রাজ্যের সিদ্ধান্ত কী?

    Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা কেন্দ্রের, রাজ্যের সিদ্ধান্ত কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধন। এদিনই গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত হবেন রামলালা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে ২২ তারিখে অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা যাতে প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখতে পারেন, তাই ঘোষণা করা হয়েছে অর্ধদিবস ছুটি।

    অর্ধদিবস ছুটি

    কেন্দ্রের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২২ জানুয়ারি সব কেন্দ্রীয় সরকারি অফিস, কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং কেন্দ্রীয় সরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে দুপুর আড়াইটে পর্যন্ত। বিজেপি-শাসিত রাজ্যেও রাম মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠান উপলক্ষে ঘোষণা করা হয়েছে ছুটি। উত্তরপ্রদেশের সব স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ওই দিন মদের দোকান বন্ধের নির্দেশিকা জারি করেছে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, ছত্তিশগড়, অসম এবং হরিয়ানা সরকারও। স্কুল ও সরকারি অফিসে ছুটি ঘোষণা করেছে গোয়া সরকার। তবে পশ্চিমবঙ্গে এদিন ছুটি ঘোষণা করা হয়নি।

    বার কাউন্সিলের আর্জি

    মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন ছুটি ঘোষণার আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়কে চিঠি দিয়েছে বার কাউন্সিল। কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মনন কুমার মিশ্র রাম মন্দির উদ্বোধনের তাৎপর্য, ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে এর নানা প্রভাবের উল্লেখ করেন। প্রাণপ্রতিষ্ঠার মূল অনুষ্ঠানটি হবে সোমবার সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারিত হবে ডিডি নিউজ ও ডিডি ন্যাশনালে। ইউটিউবে দূরদর্শনের চ্যানেলেও লাইভ দেখা যাবে অনুষ্ঠানটি।

    আরও পড়ুুন: “আমি বাংলা বলতে চাই, আপনারাও বাংলায় বলুন”, বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    সোমবারের অনুষ্ঠান নিয়ে ইতিমধ্যেই সাজো সাজো রব গোটা দেশে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন দেশ-বিদেশের সাত হাজার আমন্ত্রিত। এঁদের মধ্যে ভিভিআইপি রয়েছেন তিন হাজার জন। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে। অতিথিদের থাকার জন্য বুক করা হয়ে গিয়েছে হোটেল। ঢেলে সাজানো হয়েছে অযোধ্যা রেলস্টেশনকে। তৈরি করা হয়েছে নয়া বিমানবন্দরও। যেহেতু ২২ তারিখে ভিভিআইপির ভিড়ে ঠাসা থাকবে অযোধ্যা, তাই আমজনতা দেব দর্শন করতে পারবে তার পরের দিন থেকে। মন্দির কমিটির আশা, প্রতিদিন গড়ে ৫০-৫৫ হাজার মানুষ অযোধ্যায় আসবেন দেব (Ram Mandir) দর্শনে।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: “আমি বাংলা বলতে চাই, আপনারাও বাংলায় বলুন”, বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Justice Abhijit Gangopadhyay: “আমি বাংলা বলতে চাই, আপনারাও বাংলায় বলুন”, বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমি বাংলা বলতে চাই। আপনারাও বাংলায় সওয়াল করুন।” বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay)। মঙ্গলবারই তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘কলকাতা হাইকোর্টে কেন বাংলায় মামলার সওয়াল করা হবে না?’  

    ‘আমি বাংলায় বলতে চাই’

    বৃহস্পতিবার এজলাসে ঢুকেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আমি বাংলায় বলতে চাই। আমি আশা করব, আপনারাও বাংলায় সওয়াল করবেন। কারণ এজলাসে উপস্থিত অনেক মামলাকারী রয়েছেন, যাঁদের বুঝতে অসুবিধা হয়। তবে কারও অসুবিধা থাকলে তিনি ইংরেজিতেই বলতে পারেন।” তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট উত্তর চাইলে তার উত্তরও দেব। আদালতকে আমাদের মানুষের কাছে নিয়ে যেতে হবে।” আইনজীবী শীর্ষন্ন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আইনের সমস্ত বিষয় ইংরেজিতেই হয়ে থাকে। বাংলায় সওয়াল করলে কীভাবে চলবে? সওয়াল পর্ব কী কাজে ব্যবহার করা হবে?

    ‘২১ ফেব্রুয়ারি অর্থহীন হয়ে পড়বে’

    প্রত্যুত্তরে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আমি তা বলিনি। আদালত চত্বরে যাঁরা আসেন, আদালত কক্ষে কী হচ্ছে তাঁরা যাতে তা বুঝতে পারেন, সেকথা ভেবেই সওয়ালটা বাংলায় করা হোক। কারও বাংলায় সমস্যা থাকলে ইংরেজিতে বলতে পারবেন। আমি বাংলায় বলতে চাই। অন্য দিনও বাংলায় শুনানি করব।” বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay) বলেন, “আমি লক্ষ্য করেছি এখানে অনেকে এসে বাংলায় কথা বলেছেন বলে জিভ কাটছেন। মাতৃভাষায় কথা বলার জন্য যেখানে জিভ কাটতে হয়, সেখানে ২১ ফেব্রুয়ারির কোনও মানে হয় না।” আইনজীবী তথা কলকাতা পুরসভার আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, “এটা ভালো সিদ্ধান্ত। ভারতের বিভিন্ন আদালতে সেখানকার মাতৃভাষায় কথোপকথন হয়।”

    আরও পড়ুুন: তেভাগা আন্দোলনের শহিদ পরিবারের জমিতেও থাবা শাহজাহানের!

    এই সময় বিচারপতি আইনজীবী কল্লোল বসু বলেন, “এই শুরুটা আপনি করুন। ভাষার প্রতি সংবেদনশীলতা থাকা প্রয়োজন।” এই সময় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “এই বাংলা নিয়ে কেউ আমার কাছে ব্যাখ্যা চাইলে আমি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে তার উত্তর দেব।” এর পরেই বাংলায় কোর্ট অফিসারকে বিচারপতি বলেন, “তালিকায় থাকা পরের মামলাটি ডাকা হোক।” দেশের গা থেকে পরাধীনতার গ্লানি মুছতে উদ্যোগী হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার আদালতের গা থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের গন্ধ মোছার ‘ভগীরথ’ হলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Howrah: সাঁতরাগাছির ঝিলে ব্যাপক দূষণ! পরিযায়ী পাখি গণনায় অশনি সংকেত!

    Howrah: সাঁতরাগাছির ঝিলে ব্যাপক দূষণ! পরিযায়ী পাখি গণনায় অশনি সংকেত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝিলের জলদূষণ, ক্রমাগত মাথা তুলতে থাকা বহুতল আর জলে কচুরিপানা বেড়ে যাওয়া  মূলত এইসব কারণেই এক ধাক্কায় প্রায় দু’হাজার কম পাখি এবছর হাওড়ার সাঁতরাগাছির (Howrah) ঝিলে এসেছে বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা। এছাড়াও আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা ও প্রশাসনিক উদাসীনতা রয়েছেই। ট্রান্স-হিমালয়ান বিদশী পাখিদের মধ্যে শুধুমাত্র গ্যাডওয়াল এসেছে, তাও গননার দিন গত শনিবার ৪টি পাখি পাওয়া গেলেও পরবিন মাত্র তিনটির দেখা মিলল।

    ২০১৪ সালে পাখি ছিল ৭ হাজার (Howrah)

    ২০১৪ সালে যেখানে সওয়া সাত হাজারের বেশি পরিযায়ী পাখি এই ঝিলে এসেছিল, সেখানে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা ক্রমাগত কমতে কমতে এখন সাড়ে চার হাজারে ঠেকেছে। প্রকৃতি সংসদের সদস্য প্রসেনজিৎ দাঁর আশঙ্কা ব্যক্ত করে বলেন, “এভাবে পাখি আসা কমতে থাকলে বছর তিনেক পরে সাঁতরাগাছির (Howrah) ঝিলে আদৌ পরিযায়ী পাখি আসবে কিনা সন্দেহ। এজন্য তিনি আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার পশাপাশি দূষণ ও প্রশাসনিক উদাসীনতাকেও দায়ী করেছেন।” তিনি আরও বলেন, “বছর দশ এর আগে পর্যন্ত অন্তত ৫-৬ টি প্রজাতির একশোর কাছাকাছি বিদেশি ট্রান্স হিমালয়ান পাখি আসতো। গত বছর মাত্র চারটি এসেছিল। বিদেশি পাখির সংখ্যা একেবারে কমে গেছে।”

    কবে থেকে আসে পরিযায়ী পাখি?

    নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে এখানে সাধারণত পরিযায়ী পাখি আসা শুরু হয়। তাদের উপযোগী করে তোলার জন্য ঝিলের (Howrah) মাঝে ‘দ্বীপ’ বানানো হয়। কচুরিপানা সরানো হয়, প্রয়োজনে ওয়াটার-ট্রিটমেন্ট করে জলও কিছুটা শোধনও করা হয়। মোটামুটি ভাবে নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে পাখি আসা শুরু হয়। শীত যত বাড়ে পাখির আসাও তত বাড়ে। কিন্তু এবার পরিযায়ী পাখি আসার মরসুমে নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ায়, সেটি তাদের আসার পথে অন্তরায় তৈরি করেছে।

    পাখি দেখতে ভিড় করেন প্রকৃতি প্রেমীরা

    এই ঝিলের (Howrah) পরিযায়ী পাখিরা বেশিরভাগ আসে হিমালয়ের প্রাচীর টপকে অথবা হিমালয় পাদদেশ থেকে। লেসার হুইসলিং ডাক, গাডোয়াল, ফেরুজিনাস পোচার্ড, নর্দান পিনটেল, কমন টিল এবং গার্গানি প্রজাতির হাঁসেরা হাজার হাজার কিলোমিটার পথ উড়ে এখানে আসে। তারা সারাদিন কচুরিপানা ভর্তি ঝিলের জলে খেলে বেড়ায়। দেশ-বিদেশের হরেকরকম পাখির কলতানে গোটা এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। আকাশের দিকে চোখ মেললেই ঝাঁকে ঝাঁকে পাখিদের ওড়া নজরে আসে। আর ৩৩ একর রেলের এই ঝিলে পাখি দেখতে ভিড় করেন দূরদূরান্ত থেকে আসা পক্ষীপ্রেমীরা। গোটা শীতে হাতে বায়নোকুলার, বুকে ক্যামেরা আবার কারোর হাতে দামি মোবাইল সেট নিয়ে ভিড় করেন প্রকৃতি প্রেমীরা। যে যেমন পারে মনের আনন্দে পাখি দেখেন এবং ছবি তোলেন। সেই সঙ্গে আসে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরাও।

    ঝিলে পাখি গণনায় অশনি সংকেত

    সম্প্রতি প্রকৃতি সংসদের সদস্যরা ঝিলে (Howrah) পাখি গণনার কাজটি শেষ করেন। তাতেই বিপদের ইঙ্গিত পেয়েছেন। এবছর ঝিলে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা মাত্র ৪৮১৪। প্রজাতির সংখ্যা  ১৪ রকম। ট্রান্স হিমালয়ান বার্ড অর্থাৎ যারা মঙ্গোলিয়া, সাইবেরিয়া এবং উত্তর চীন থেকে আসে তাদের সংখ্যাও মাত্র হাতেগোনা। অথচ গত বছরেও ১৪ ধরনের প্রজাতির মোট ৬৭৪২টি পাখি এসেছিল। তার আগের বছরে ১৩ টি প্রজাতির ৫৬৫১ টি পাখি এসেছিল। আর বছর নয় দশেক আগের যদি হিসাব নেওয়া যায় তাতে দেখা যাচ্ছে ২০ টি প্রজাতির ৭০০০ বেশি পাখি ভিড় করেছিল।

    প্রকৃতি সংসদের বক্তব্য

    প্রকৃতি সংসদের (Howrah) সদস্য এবং প্রাণিবিদ্যার অধ্যাপক প্রসেনজিৎ দা জানিয়েছেন, “যেখান থেকে পাখিরা আসছে সেখানকার জলবায়ুর পরিবর্তন, খাদ্যাভাব এবং শিকার কমে যাওয়ার কারণ হতে পারে। তবে সাঁতরাগাছি ঝিলে এখনই যদি কোনও ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তবে আগামী তিন-চার বছর পরে পাখিরা এখানে না আসতেও পারে।” ঝিল বিজ্ঞানসম্মতভাবে পরিষ্কার করার জন্য যতটা পরিকল্পনা প্রয়োজন তা করা হচ্ছে না এবং যত টাকা দরকার তাও পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রকৃতি সংসদের সদস্যরা।

    পাখির পরিসংখ্যান কত?

    সাঁতরাগাছির ঝিলে পাখির সংখ্যা কমতে কমতে ২০১৮ সালে তা আটশোয় এসে দাঁড়ায়। পরের বছর তা ২৮৮৯ এবং করোনার সময় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ২০২০ সালে তা হয় ৫৬৯৪, পরের বছর ৫৬৫১। ২০২২ সালেও এই ধারা বজায় থাকলেও ২০২৩ সালে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা বেড়ে হয় ৬৭৪২। কিন্তু এবছর আবার কমেছে পাখির সংখ্যা। আর এবছর এসেছে ৪৮১৪টি পাখি। প্রকৃতি সংসদ থেকে এই সংখ্যা জানানো হয়েছে। তারা জানিয়েছে এবছর সবচেয়ে বেশি এসেছে লেজার হুইসলিং ডাক (৪৬৬৮)। এছাড়াও অল্প সংখ্যায় এসেছে গ্যাডওয়াল (৪), সিনামম বিটার্ন (১), ইয়োলে বিটার্ন (২), ব্ল্যাক উইংড স্টিল্ট (২), লিটল করমোর‌্যান্ট (৬), কমন মুরহেন (২৩), হোয়াইট ব্রেস্টেড ওয়াটারহেন (১), ইন্ডিয়ান পন্ড হেরন (১৩), ক্যাটেল এগ্রেট (৫৮), ব্রোঞ্জ উইংগড জাকানা (৯), বার্ন সোয়ালো (২৩), পার্পল হেরন (১), হোয়াইট থ্রোটেড কিংফিশার (৩)। আবহাওয়ার কারণে এবছর অবশ্য সারা পশ্চিমবঙ্গেই পাখির সংখ্যা কমে গেছে।

    গত কয়েক বছরে (Howrah) সাঁতরাগাছি ঝিলে পাখির পরিসংখান হল ২০১৪-(২০ প্রজাতির)-৭৩১৭, ২০১৫-(২০ প্রজাতির)-৭২৯৭, ২০১৬-(১৮ প্রজাতির)-৫৪৭৪, ২০১৭-(১৪ প্রজাতির)-৩১১৮, ২০১৮-(১৪ প্রজাতির)-৮০০, ২০১৯-(১৬ প্রজাতির)-২৮৮৯, ২০২০-(১৬ প্রজাতির)-৫৬৯৪, ২০২১-(১৩ টি প্রজাতির)-৫৬৫১, ২০২২-( ১৩ টি প্রজাতির) -৫৬৫১, ২০২৩- ( ১৪ টি প্রজাতির) -৬৭৪২, ২০২৪ – ( ১৪ টি প্রজাতির) – ৪৮১৪

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share