Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ram Mandir: দোরগোড়ায় রাম মন্দির উদ্বোধন, নেতিবাচক প্রচার শুরু পাকিস্তানের!

    Ram Mandir: দোরগোড়ায় রাম মন্দির উদ্বোধন, নেতিবাচক প্রচার শুরু পাকিস্তানের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir)। মূল পর্বের এই অনুষ্ঠানের দিন সাতেক আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে নানা আচার পালন। অযোধ্যার এই মন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরে যখন উত্তেজনায় ফুটছে গোটা দেশ, তখন নেতিবাচক প্রচার করছে পাকিস্তান। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান সম্পর্ক নেতিবাচক প্রচার চালাচ্ছে সে দেশের বিভিন্ন গোষ্ঠী। ভারত-বিরোধী নানা সেন্টিমেন্টে সুড়সুড়িও দিচ্ছে তারা।

    পাকিস্তানের নেতিবাচক প্রচার

    জানা গিয়েছে, রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন ঘোষণা হতেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে পাকিস্তানের বাসিন্দাদের একটা অংশ। একাধিক পাকিস্তানি সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্মে তারা রাম মন্দির নির্মাণ নিয়ে বিভিন্ন কু-মন্তব্য করছে। বাবরি মসজিদের সমর্থনেও বলা হচ্ছে নানা কথা। মূল রাম মন্দির থেকে তিন কিলোমিটার দূরে নয়া রাম মন্দির তৈরি করা হচ্ছে বলেও গুজব ছড়ানো হচ্ছে পাকিস্তানি সমাজমাধ্যমে। অবশ্য এই প্রথম (Ram Mandir) নয়, নানা সময়ে ভারত বিরোধী ভুয়ো খবর ছড়িয়েছে পাকিস্তান। হ্যাশট্যাগ দিয়ে পাকিস্তানের এক্স হ্যান্ডেলে রাম মন্দির সংক্রান্ত ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। এরকম প্রায় ছটি গ্রুপ সক্রিয় বলে জানা গিয়েছে।

    বাবরি মসজিদের সমর্থনে প্রচার

    রাম মন্দির ভেঙে গড়ে উঠেছিল বাবরি মসজিদ। হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের দাবি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টেও। দীর্ঘ সওয়াল যুদ্ধের পর সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে মান্যতা পায় হিন্দুদের দাবি। রাম মন্দিরের অদূরে জমি দেওয়া হয় বাবরি মসজিদ কর্তৃপক্ষকেও। তার পর শুরু হয় রাম মন্দিরের কাজ। সেই মন্দিরের একটা অংশের কাজ হয়েছে শেষ। শুরু হয়েছে মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তি প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান। মূর্তিপ্রতিষ্ঠার মূল অনুষ্ঠানটি হবে চলতি মাসের ২২ তারিখে। ১৬ তারিখ থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে নানা আচার পালন।

    রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশ-বিদেশের সাত হাজার অতিথিকে। এঁদের মধ্যে তিন হাজার জনই ভিভিআইপি। অতিথিদের জন্য ইতিমধ্যেই অযোধ্যায় বুক করা হয়েছে হোটেল। তৈরি করা হয়েছে গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা। উদ্বোধন করা হয়েছে বিমানবন্দরের। ঢেলে সাজানো হয়েছে অযোধ্যা রেল স্টেশনকে। এই রাজসূয় যজ্ঞে (Ram Mandir) জল ঢালতেই সক্রিয় পাকিস্তানের বাসিন্দাদের একাংশ। তারাই নেতিবাচক প্রচার করছে এক্স হ্যান্ডেলে।

    আরও পড়ুুন: ‘তৃণমূল প্রধানের বাড়িতেই ছিলেন শাহজাহান’! বিস্ফোরক সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: ‘তৃণমূল প্রধানের বাড়িতেই ছিলেন শাহজাহান’! বিস্ফোরক সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক

    Sheikh Shahjahan: ‘তৃণমূল প্রধানের বাড়িতেই ছিলেন শাহজাহান’! বিস্ফোরক সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি-র ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। তবে, এই হামলার মূল হোতা শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) হদিশ পায়নি পুলিশ। যা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই আবহের মধ্যে সিপিএমের সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সর্দারের মন্তব্যে নতুন করে বিতর্ক দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

    ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তৃণমূলের প্রধানের বাড়িতেই শাহজাহান! (Sheikh Shahjahan)  

    সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক বলেন, ইডি আধিকারিদের উপর হামলার ঘটনার পর থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত কোড়াকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান মনিকা রায়ের আশ্রয়েই ছিলেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) । আমাদের কাছে খবর আছে ও সন্দেশখালির ছোট কলাগাছি নদী পেরিয়ে কোড়াকাটিতে গিয়েছে। কোড়াকাটির প্রধানের বাড়িতেই সে রাতে ছিল। আমাদের পক্ষ থেকে পুলিশকে নানাভাবে জানানোর চেষ্টা করেছি। অথচ পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করছে না। পুলিশ সব জানে। কী খাচ্ছে, কী করছে সব জানে ন্যাজাট থানার পুলিশ। আমার মনে হয় শেখ শাহজাহান যে টাকা কামিয়েছে সন্দেশখালি থেকে তা তো ও একা ভোগ করেনি। তাই ও ধরা পড়লে অনেক রাঘববোয়ালের নাম যে আসবে এতে কোনও সন্দেহ নেই। শাহজাহান সন্দেশখালিতেই আছে। এখানেই ওর আসল নিরাপত্তা।

    পঞ্চায়েত প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    কোড়াকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনিকা রায় বলেন, নিরাপদ সর্দার তো পুলিশ পাঠিয়ে তদন্ত করতে পারেন। পুলিশ তো আর আমার কেনা নয়। পুলিশ এসে আমার বাড়িতে এসে তদন্ত করে দেখতে পারত শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)  ভাই আছে কিনা! আইন আইনের মতো চলবে। আমরা তো নিচুতলার কর্মী। কিন্তু, ভাই (শেখ শাহজাহান) ভাইয়ের মতো এগিয়ে যাবে। ২০ দিন হল আমাদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। ভাই আমাদের ফোন করে না। আমরাও ভাইকে ফোন করি না। কোথায় আছে জানি না। নিজের মতোই আছে।ভাইকে আমরা পিতার মতো ভালবাসি। শ্রদ্ধা করি। ও তো জনগণের প্রতিনিধি। গরিব মানুষের পাশে থাকে সর্বদা। আমাদের সবাইকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। উনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন না। উনি নিশ্চয় আইনের আশ্রয় নিয়ে আইনের পথে চলছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রামলালার মূর্তি এল মন্দির প্রাঙ্গণে, বৃহস্পতিবার অধিষ্ঠিত করা হবে গর্ভগৃহে

    Ram Mandir: রামলালার মূর্তি এল মন্দির প্রাঙ্গণে, বৃহস্পতিবার অধিষ্ঠিত করা হবে গর্ভগৃহে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। তার আগেই মন্দির (Ram Mandir) প্রাঙ্গণে চলে এল রামলালার মূর্তি। বুধবার রাতেই বালক রামের মূর্তি নিয়ে আসা হয়। বৃহস্পতিবার বিশেষ পুজোর মাধ্যমে তা গর্ভগৃহে নিয়ে আসা হবে বলে জানা গিয়েছে। রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারপার্সেন নৃপেন্দ্র মিশ্র আগেই জানিয়েছিলেন রাম মূর্তিকে গর্ভগৃহে অধিষ্ঠিত করা হবে।

    রামলালার মূর্তি ৫১ ইঞ্চি লম্বা

    ২২ জানুয়ারির আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে অযোধ্যায়। বুধবারই ফুল দিয়ে সাজানো একটি ট্রাকে করে রামলালার মূর্তিকে (Ram Mandir) নিয়ে আসা হয়। রামলালার মূর্তি যে পথ দিয়ে আসে তার দু’ধারে রাস্তার জনগণ জয় শ্রীরাম ধ্বনি তুলতে থাকেন। মূর্তিটি ৫১ ইঞ্চি লম্বা বলে জানা গিয়েছে এবং তা তৈরি করেছেন মাইসুরুর শিল্পী অরুণ যোগীরাজ। এই মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে ২২ জানুয়ারি। মূর্তিটি তৈরি করতে কর্নাটকের কৃষ্ণ শিলা ব্যবহার করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে যোগীরাজের তৈরি মূর্তি যথেষ্ট আকর্ষণীয়। পাঁচ বছরের বালক রাম পদ্ম ফুলের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁর এক হাতে একটি তীর এবং অপর হাতে একটি ধনুক রয়েছে।

    আমন্ত্রিত অতিথি ৭ হাজার

    প্রসঙ্গত প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান ২২ জানুয়ারি দুপুর ১২টা ২০ মিনিট নাগাদ সম্পন্ন হবে। সেখানে দেখা যাবে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত, গুজরাটের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নরেন্দ্র মোদি ২১ জানুয়ারি অযোধ্যাতে (Ram Mandir) পা রাখবেন। ৭ হাজার খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব আমন্ত্রিত রয়েছেন রাম নগরীতে। যার মধ্যে রয়েছেন সচিন তেণ্ডুলকর, বিরাট কোহলি, বলিউডের সুপারস্টার অমিতাভ বচ্চন, শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি, গৌতম আদানী সহ অন্যান্যরা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ‘‘‘আন্দোলনকারীদের দিকে ছুরির ধার অনেক বেশি’’, নিয়োগ মামলায় হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: ‘‘‘আন্দোলনকারীদের দিকে ছুরির ধার অনেক বেশি’’, নিয়োগ মামলায় হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলনকারীরা ছুরির যে প্রান্তে রয়েছেন তার ধার অনেক বেশি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বুধবার এমনই মন্তব্য করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এদিন হাইকোর্ট জানায়,  ছুরির দু’দিক দিয়ে কাটা যায়। সেই ছুরির এক প্রান্তে রয়েছেন আন্দোলনকারীরা, আর অন্য প্রান্তে রয়েছেন চাকরিপ্রাপকেরা। আন্দোলনকারীরা যে প্রান্তে রয়েছেন, সে দিকের ধার অনেক বেশি। আন্দোলনকারীরা চাকরিপ্রাপকদের থেকেও বেশি গরিব বলে এদিন পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করে উচ্চ আদালত। পাশাপাশি বিপক্ষের আইনজীবীকে আন্দোলনকারীদের কথা ভাবারও কথা বলে হাইকোর্ট।

    এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম নির্দেশে শুনানি হচ্ছে হাইকোর্টে

    প্রসঙ্গত, আগেই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত যাবতীয় মামলার শুনানি ছ’মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। এই সংক্রান্ত মামলাগুলির জন্য গঠন করা বিশেষ বেঞ্চও (Calcutta High Court)। ওই বিশেষ বেঞ্চেই চলছে শুনানি। বুধবারই বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির বিশেষ বেঞ্চে গ্রুপ ডি-র নিয়োগ মামলার শুনানি চলছিল।

    হাইকোর্টে সওয়াল জবাব

    সেই মামলায় চাকরিপ্রাপকদের আইনজীবী (Calcutta High Court) অনিন্দ্য মিত্র এদিন বলেন, ‘‘নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সব চেয়ে নীচের স্তরে রয়েছেন গ্রুপ ডি-র চাকরিপ্রাপকেরা। তাঁরা অর্থনৈতিক ভাবে সব চেয়ে দুর্বল। উপরতলার আধিকারিকদের দুর্নীতির দায় তাঁদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের বলির পাঁঠা করা হচ্ছে।’’ এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি বলেন , ‘‘আন্দোলনকারীরা ছুরির যে প্রান্তে রয়েছেন, তার ধার অনেক বেশি। বিচারপতি বসাকের যুক্তি, গ্রুপ ডি-র কর্মীরা তো তবু চাকরি করছেন। বেতন পাচ্ছেন। কিন্তু যাঁরা রাস্তায় বসে রয়েছেন, তাঁদের কথাও ভাবা দরকার।’’ প্রসঙ্গত, রোদ, ঝড়, বৃষ্টি উপেক্ষা করেও দীর্ঘদিন রাস্তায় বসে থেকে আন্দোলন করছেন চাকরিপ্রার্থীরা। যোগ্য প্রার্থীদের হয়ে ফের সওয়াল শোনা গেল রাজ্যের উচ্চ আদালতে।

    আরও পড়ুন: আরও চাপে শাহজাহান! বিজেপি কর্মী খুনের মামলার কেস ডায়েরি চাইল হাইকোর্ট

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: ফের সোনার দোকানে ডাকাতি! ক্রেতা সেজে বন্দুক ঠেকিয়ে চলল দুঃসাহসিক লুটপাট

    Howrah: ফের সোনার দোকানে ডাকাতি! ক্রেতা সেজে বন্দুক ঠেকিয়ে চলল দুঃসাহসিক লুটপাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের হাওড়ায় (Howrah) দিনেদুপুরে সোনার দোকানে ডাকতির ঘটনা ঘটল। মালিকের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে চলল ব্যাপক লুটপাট। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এই দুঃসাহসিক ডাকতির ঘটনা ঘটেছে বাগনান-শ্যামপুর রাস্তার পাশে থাকা নিউ রায় জুয়েলার্স নামক একটি দোকানে। অভিযোগ পেয়েই তদন্ত শুরু করেছে শ্যামপুর থানার পুলিশ। তবে ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যে আগেও একাধিক জেলার সোনার দোকানে ডাকতির ঘটনা ঘটেছিল। বার বার সোনার দোকানে এই ভাবে ডাকাতির ঘটনায় নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার বিষয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য এলাকায় দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য চলছে।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা(Howrah)?

    স্থানীয় (Howrah) সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ বুধবার দুপুর ১২ টার সময় দুই দুষ্কৃতী একটি মোটর বাইকে করে শ্যামপুরে শশাটি বাজারে একটি সোনার দোকানে ডাকাতি করে। দোকানে ঢুকে রীতিমতো মালিকের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে দোকানের অলঙ্কার লুট করে চম্পট দেয়। এরপর দোকানের মালিক চিৎকার করলে আশেপাশের মানুষ ছুটে আসে দোকানে। দোকানে এই দুষ্কৃতীরা অবশ্য ক্রেতা হিসাবে প্রথমে ঢুকেছিল। এরপর নানা রকমের অলঙ্কার দেখে তারা। একই ভাবে বুঝতে না পেরে দোকানদারও আরও বেশ কিছু গয়না সাজিয়ে দেন। ঠিক পরিস্থিতি বুঝে আচমকা পিস্তল বার করে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে লুটপাট চালায় দুষ্কৃতীরা। এই রকম দিনেদুপুরের ডাকাতির ঘটনায় রীতিমতো সোনার ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়ে যায়। ব্যবসায়ীরা এলাকার আইন শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এইভাবে মানুষের ব্যবসা ক্ষেত্রে যদি সুরক্ষা না থাকে, তাহলে বাজারে যে কোনও ব্যবসায়ীর পক্ষে জীবিকা নির্বাহ করা কার্যত মুশকিল হবে বলে মনে করছে এলাকার মানুষ। ঠিক একই ভাবেই প্রশ্ন তুলেছে শশাটি বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরাও।

    রাজ্যে আগেও ঘটেছে ডাকতি

    উল্লেখ্য, রাজ্যে আগেও সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। বারাকপুর, পুরুলিয়া, রানাঘাট, মালদা, সোনারপুরে ডাকতির ঘটনা ঘটেছিল। গত ২৯ অগাস্ট পুরুলিয়া শহর এবং নদিয়ার রাণাঘাটের সেনকো গোল্ডের দোকানে একই দিনে ডাকাতির ঘটনায় রাজ্য জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। ফের একবার হাওড়ায় (Howrah) ডাকতির ঘটনা ঘটল।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: আরও চাপে শাহজাহান! বিজেপি কর্মী খুনের মামলার কেস ডায়েরি চাইল হাইকোর্ট

    Sheikh Shahjahan: আরও চাপে শাহজাহান! বিজেপি কর্মী খুনের মামলার কেস ডায়েরি চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্ন আদালতে বিচারাধীন যে সমস্ত খুনের মামলায় নাম রয়েছে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan), সেগুলির বিচার প্রক্রিয়ার উপরে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। জানা গিয়েছে, উচ্চ আদালতের নির্দেশ ছাড়া কোনও রকমের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না এই মামলাগুলিতে। বুধবার এমন নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। তবে তদন্তকারী সংস্থা হিসেবে আপাতত কাজ চালিয়ে যেতে পারবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

    বিজেপি কর্মী খুনের মামলায় শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবিতে মামলা করেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি নেতার দাবি, পুলিশ সবকিছু জেনেও শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) ধরেনি। সেই প্রেক্ষিতে সিআইডির চার্জশিট চ্যালেঞ্জ করে সিবিআই বা এনআইএ তদন্ত চেয়ে মামলা করেন শুভেন্দু। বুধবার এই মামলার কেস ডায়েরিও চেয়ে পাঠাল কলকাতা হাইকোর্ট।  কলকাতা হাইকোর্টের এদিনের নির্দেশের পরে শাহজাহানের ওপরে চাপ অনেকটাই বেড়ে গেল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    ২০১৯ সালে সন্দেশখালিতে খুন ৩ জন বিজেপি কর্মী

    প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের ৬ জুন সন্দেশখালিতে খুন হন বিজেপি কর্মী প্রদীপ মণ্ডল, দেবদাস মণ্ডল এবং সুকান্ত মণ্ডল। ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ছিলেন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। কিন্তু সিআইডি তদন্তে চার্জশিট থেকে বাদ পড়ে যায় শাহজাহানের নাম। সেই খুনের অভিযোগ সামনে এনে হাইকোর্টের নতুন করে সিবিআই এবং এনআইএ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে খুন হওয়া বিজেপি কর্মীদের পরিবারের তরফ থেকে। প্রসঙ্গত, রেশন দুর্নীতির তদন্তে সন্দেশখালিতে শাহজাহানের বাড়িতে গিয়ে সম্প্রতি ইডি অফিসাররা আক্রান্ত হন। হামলা চালানো হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরেও। তারপর থেকেই বেপাত্তা শাহজাহান।

    শাহজাহানের নাম বাদ পড়ে চার্জশিট থেকে

    জানা গিয়েছে, বিজেপি কর্মীদের খুনের ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয় ন্যাজাট থানায়। তদন্তের পরে শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) সমেত ২৫ জনের নাম বাদ পড়ে চার্জশিট থেকে। মামলার মূল অভিযুক্ত হিসেবে চার্জশিটে নাম ছিল মইজুদ্দিন মোল্লা ও জাভেদ আলি মোল্লার। জানা যায়, পরে এই দুই তৃণমূলের দুষ্কৃতীও জামিন পেয়ে যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi:  উদ্বোধনের মুখে রাম মন্দির, লতা মঙ্গেশকরের রাম ভজন পোস্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Narendra Modi:  উদ্বোধনের মুখে রাম মন্দির, লতা মঙ্গেশকরের রাম ভজন পোস্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন। তার আগে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ঠিক এই আবহে বুধবার প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করলেন লতা মঙ্গেশকরের কন্ঠে গাওয়া ‘রাম ভজন’। প্রসঙ্গত, এটাই ছিল সুর সম্রাজ্ঞীর রেকর্ড করা শেষ কোনও শ্লোক। প্রয়াত সুর সম্রাজ্ঞীর সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার সম্পর্ক কারও অজানা নয়। লতা মঙ্গেশকরকে দিদি সম্বোধন করতেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন প্রধানমন্ত্রীর এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টেও দেখা যাচ্ছে সেই শ্রদ্ধার প্রতিফলন।

    প্রধানমন্ত্রী কী লিখলেন?

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi), লতা মঙ্গেশকরের রাম ভজন শেয়ার করে লেখেন, ‘‘সারা দেশ অপেক্ষা করছে ২২ জানুয়ারির জন্য, ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে। এ সময় আমরা একজন মানুষের অনুপস্থিতি খুব অনুভব করছি। তিনি আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয়া লতা দিদি। এখানে তাঁর গাওয়া রাম ভজন দেওয়া হল। তাঁর পরিবার আমাকে বলেছে, এটা হল তাঁর কণ্ঠে গাওয়া শেষ শ্লোক যেটা তিনি রেকর্ড করেছিলেন।

    রাম মন্দিরের উদ্বোধনে হাজির থাকবেন বহু খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব

    রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন অনেক খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব। রাজনৈতিক নেতা থেকে অভিনেতা, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব সমেত অন্যান্য দেশেরও শীর্ষ কূটনৈতিক আধিকারিকরাও হাজির থাকবেন প্রাণ প্রতিষ্ঠাতে। ইতিমধ্যে রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্র দেওয়া হয়েছে রজনীকান্ত, সচিন তেন্ডুলকর, মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলি, অনুষ্কা শর্মা, অভিষেক বচ্চন, আলিয়া ভাট, রণবীর কাপুর, আয়ুষ্মান খুরানা সমেত অন্যান্যদের। ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) দেখা যাবে প্রধান অতিথি হিসেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISF: বিজেপির পর আইএসএফ, শর্তসাপেক্ষে সিদ্দিকির দলকে সভার অনুমতি হাইকোর্টের

    ISF: বিজেপির পর আইএসএফ, শর্তসাপেক্ষে সিদ্দিকির দলকে সভার অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস এলাকা। ফি বছর (ISF) একুশে জুলাই শহিদ দিবস পালন করে তৃণমূল। এই এলাকায় সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি বিজেপিকেও। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সেবার সভার অনুমতি পেয়েছিল গেরুয়া শিবির। ফের সেই একই সমস্যার সম্মুখীন আইএসএফ।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি না পেয়ে মঙ্গলবার ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির দল দ্বারস্থ হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর পর্যবেক্ষণ, “অন্য দল সভা করতে পারলে আইএসএফ নয় কেন? সমর্থক কমিয়ে, পুলিশ বাড়িয়ে ওখানেই সভা হোক।” মঙ্গলবার আদালতে আইএসএফের তরফে জানানো হয়েছিল, ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে তাদের সভা করার অনুমতি দিচ্ছে না পুলিশ। বুধবার শুনানি হয় এই মামলার। আইএসএফের আবেদনে সাড়া দিয়ে শর্ত সাপেক্ষে নওশাদের দলকে সভার অনুমতি দেয় আদালত। প্রসঙ্গত, আদালতের অনুমতি নিয়ে এই জায়গায় ২৯ নভেম্বর সভা করেছিল বিজেপি।

    শর্তসাপেক্ষে সভা

    ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে থেকে সভা সরিয়ে নিয়ে গিয়ে অন্যত্র করা হোক বলে আদালতে জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। গত বছর রানি রাসমণি রোডে আইএসএফের সভায় গন্ডগোলের প্রসঙ্গ ওঠে। তখনই আইএসএফের (ISF) আইনজীবীকে বিচারপতি সেনগুপ্ত প্রশ্ন করেন, ‘তৃণমূল বা অন্য দল সভা করলে তাদের বিরুদ্ধে গন্ডগোলের অভিযোগ ওঠে না। কেউ উসকানি দিতেই পারে। কিন্তু নিজের সমর্থকদের আটকানো কার কাজ?’ এর পরেই বিচারপতি বলেন, “ওই জায়গায় সভা করতে বারণ করছে না আদালত। তবে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিধিনিষেধ আরোপ করুক আইএসএফ। সমর্থক নিয়ে আসার ক্ষেত্রে নিজেরাই বিধিনিষেধ আরোপ করুক দল।” আদালতের পর্যবেক্ষণ, সমর্থক কমিয়ে, পুলিশ বাড়িয়ে ওখানেই হোক সভা। তারা কত লোক আনবে, সেই বিষয়ে আদালতকে বৃহস্পতিবার জানাতে আইএসএফ-কে নির্দেশ দিল আদালত। আগামিকাল এই বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানাবে নওশাদের দল ও পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: ২২ জানুয়ারি মমতার কর্মসূচিতে নষ্ট হবে সম্প্রীতির পরিবেশ, হাইকোর্টে শুভেন্দু

    ভিক্টোরিয়া হাউসের এই জায়গায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভা করতে চেয়েছিল বিজেপি। পুলিশের অনুমতি না পেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিরা। সেই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম প্রশ্ন তুলেছিলেন, “ওখানে সভা করা নিয়ে বৈষম্য কেন? ওখানে কি তৃণমূলের সভাও বন্ধ করে দেব?” তার পরেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে বিজেপিকে সভার অনুমতি দিয়েছিল (ISF) আদালত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Mandir: ২২ জানুয়ারি মমতার কর্মসূচিতে নষ্ট হবে সম্প্রীতির পরিবেশ, হাইকোর্টে শুভেন্দু

    Ram Mandir: ২২ জানুয়ারি মমতার কর্মসূচিতে নষ্ট হবে সম্প্রীতির পরিবেশ, হাইকোর্টে শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারির রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন, সেদিনই আবার কলকাতাতে সংহতি যাত্রার ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রীর এই বিতর্কিত কর্মসূচি নিয়ে এবার জল গড়াল হাইকোর্ট পর্যন্ত। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন এই মর্মে যে সংহতি যাত্রা হলে রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে। বুধবারই জনস্বার্থ মামলার আবেদন জানান নন্দীগ্রামে বিধায়ক। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন এবং বিচারপতি মধুরেশ প্রসাদের ডিভিশন বেঞ্চ। মামলায় অন্যতম পার্টি হিসেবে যুক্ত করা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। বৃহস্পতিবারই শুনানি হতে পারে এই মামলার।

    সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি মমতার

    রাম মন্দিরের উদ্বোধন ঘিরে রামভক্তদের উন্মাদনা তুঙ্গে পৌঁছেছে। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সারা দেশ জুড়ে এই দিনটি উদযাপন হবে। ধর্মস্থানগুলিতে চলবে কীর্তন। এই দিনেই মমতার ঘোষিত কর্মসূচি ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ওই দিন কলকাতা সমেত প্রত্যেকটি জেলায় এবং ব্লকগুলিতে মিছিল করবে তৃণমূল। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। ওয়াকিবহল মহলের ধারণা, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন ওই দিনেই। এমন কর্মসূচি ২২ জানুয়ারির আগে বা পরে করা যেতেই পারতো। রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের সঙ্গে সম্প্রীতির কোনও সম্পর্ক নেই। বিষয়টিতে রাজনৈতিক রং লাগানোর উদ্দেশ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কর্মসূচি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আশঙ্কা যে ওইদিন রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান (Ram Mandir) হবে, সেখানে বিভিন্ন জায়গায় সম্প্রীতির পরিবেশ বিঘ্নিত করতে পারে তৃণমূল কংগ্রেসের এই কর্মসূচি।

    সমালোচনায় দিলীপ ঘোষ

    অন্যদিকে ২২ জানুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেসের এই কর্মসূচির নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘‘সব রামের (Ram Mandir) ইচ্ছা। যারা চিরদিন জাতীয় সংহতির বিরুদ্ধে কাজ করে এসেছে, তারাই সংহতি মিছিল করছে। এর থেকে বড় বিড়ম্বনা আর কী হতে পারে। দেশে বা কেন্দ্রে যা অনুষ্ঠান হয়, তার সবসময় উনি বিরোধিতা করে এসেছেন। এটাকেই উনি রাজনীতি মনে করেন। তাই আজ উনি এমন জায়গায় পৌঁছে গেছেন, তার আলাদা জাতীয় সঙ্গীত চাই, আলাদা জাতীয় পতাকা চাই, আলাদা কোর্ট চাই, আলাদা পার্লামেন্ট চাইবেন। যার চিন্তাভাবনার মধ্যে সংহতি নেই, তিনি যতই সংহতি যাত্রা করুন, কিছু হবে না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India Iran Relation: চাবাহার বন্দর নিয়ে চুক্তি সই হল ভারত-ইরানের, জানেন এর গুরুত্ব?

    India Iran Relation: চাবাহার বন্দর নিয়ে চুক্তি সই হল ভারত-ইরানের, জানেন এর গুরুত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাঁটছড়া আরও শক্ত হল ভারত ও ইরানের (India Iran Relation)। ২০১৮ সালে ইরানের সঙ্গে ভারতের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৯টি। এর ঠিক ছ’বছর পরে সোমবার ইরানের চাবাহার বন্দরের উন্নয়ন নিয়ে সম্পাদিত হয়েছে আরও একটি চুক্তি। সম্প্রতি ইরান সফরে গিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

    চাবাহার বন্দর নিয়ে আলোচনা

    সেখানে ইরানের সড়ক ও আরবান ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রী মেহরদাদ বাজরাপাসের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন জয়শঙ্কর। সেই বৈঠকেই চাবাহার বন্দরের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পরাকাষ্ঠা তৈরি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইরানের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের এই বন্দরে ভারত যাতে কৌশলগত জলপথের সুবিধে পায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে ইরান ও ভারতের। ২০১৮ সালে ইরান-ভারত (India Iran Relation) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৯টি। সেই সময় বিদেশমন্ত্রী ছিলেন প্রয়াত সুষমা স্বরাজ। চাবাহার বন্দর নিয়ে চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, “চাবাহার বন্দর তৈরি হওয়ার পর আফগানিস্তানের মতো স্থলবেষ্টিত একটি দেশের সামনে যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ এসে গেল।”

    কী লিখলেন জয়শঙ্কর?

    ছ’বছর পরে যখন ইরানের সেই ছাবাহার বন্দর নিয়ে ইরান-ভারত চুক্তি সই হল, তখন বিদেশমন্ত্রীর ভূমিকায় জয়শঙ্কর। দু’ দিনের সফর সেরে যিনি সবে মাত্র ফিরেছেন দেশে। এক্স হ্যান্ডেলে জয়শঙ্কর লিখেছেন, “তেহরানের সড়ক ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী মেহরদাদ বাজরাপাসের সঙ্গে আমার বৈঠক হয়েছে। চাবাহার বন্দর নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পারস্পরিক সহযোগিতার মজবুত ভিত গড়তে বিস্তারিত ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডর নিয়ে মত বিনিময়ও হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র হানা ইরানের, গুঁড়িয়ে দেওয়া হল জঙ্গি-ঘাঁটি

    জানা গিয়েছে, বাজরাপাস একটি জয়েন্ট ট্রান্সপোর্ট কমিটি গঠনের প্রস্তাবও দিয়েছেন জয়শঙ্করকে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতেই এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন ইরানের ওই মন্ত্রী। প্রসঙ্গত, গত বছর অগাস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কথা বলেছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট সঈদ ইব্রাহিম রাইসির সঙ্গে। সেখানেই দুই রাষ্ট্রপ্রধান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও ছাবাহার বন্দরের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেছিলেন (India Iran Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share