Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ram Mandir: প্রাণপ্রতিষ্ঠা আগামী সোমবার, আজ থেকে রাম মন্দিরে শুরু ৭ দিনের আচার-অনুষ্ঠান

    Ram Mandir: প্রাণপ্রতিষ্ঠা আগামী সোমবার, আজ থেকে রাম মন্দিরে শুরু ৭ দিনের আচার-অনুষ্ঠান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। আগামী সোমবার সারা বিশ্বের নজর থাকবে অযোধ্যায়। আগামী ২২ জানুয়ারি, রাম নগরীতে হতে চলেছে রাম মন্দিরের দ্বোরোদঘাটন এবং সেইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে হবে রামলালা বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠা। তবে সেই সম্পর্কিত ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেল তার সাত আগেই। অর্থাৎ, আজ, মঙ্গলবার থেকেই। ১৬ থেকে শুরু করে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত কবে কোন কোন কর্মসূচি রয়েছে সেই তালিকা সোমবার প্রকাশ করেছে ‘শ্রী রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’।

    মন্দির ট্রাস্টের তরফে সংস্থার এক্স হ্যান্ডলে আগামী সাতদিনের আচার-অনুষ্ঠানের যাবতীয় বিবরণ ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে— রামলালার মূর্তির প্রাণপ্রতিষ্ঠা যোগ আগামী পৌষ শুক্লা কুর্ম দ্বাদশী, বিক্রম সংবত ২০৮০, অর্থাৎ সোমবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৪-এ পড়েছে৷ দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে পবিত্রতম অভিজিৎ মুহূর্তে মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা হবে। তার আগে শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে আগামী সাতদিন কিছু রীতি পালন করা হবে। কী সেই নিয়ম?

    আগামী সাত দিনের কর্মসূচি—

    ১৬ জানুয়ারি: প্রায়শ্চিত্ত এবং কর্মকুটি পুজো।
    ১৭ জানুয়ারি: মূর্তি পরিসর প্রবেশ পুজো।
    ১৮ জানুয়ারি বিকেল: তীর্থপুজো, জলযাত্রা এবং গন্ধাধিবাস।
    ১৯ জানুয়ারি সকাল: ঔষধাধিবাস, কেসরাধিবাস এবং ঘৃতাধিবাস।
    ১৯ জানুয়ারি বিকেল: ধন্যধিবাস।
    ২০ জানুয়ারি সকাল: শর্করাধিবাস, ফলাধিবাস।
    ২০ জানুয়ারি বিকেল: পুষ্পাধিবাস।
    ২১ জানুয়ারি সকাল: মধ্যধিবাস।
    ২১ জানুয়ারি বিকেল: সহ্যধিবাস।

    অধিবাসের নিয়ম ও আচার্য

    সাধারণত, প্রাণপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে সাতটি আধিবাস থাকে এবং ন্যূনতম তিনটি আধিবাস আচারে থাকে। ১২১ আচার্য মিলে এই গোটা অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন। গোটা আচার-অনুষ্ঠানের তত্ত্বাবধান, সমন্বয় এবং পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন শ্রী গণেশ্বর শাস্ত্রী দ্রাবিড়। প্রধান আচার্য হবেন কাশীর শ্রী লক্ষ্মীকান্ত দীক্ষিত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের পরিচালক মোহন ভাগবত, উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। 

    বৈচিত্র্যপূর্ণ উপস্থিতি

    মন্দির ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়েছে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার সাক্ষী থাকতে ওইদিন অযোধ্যায় উপস্থিত থাকতে চলেছেন ভারতীয় আধ্যাত্মবাদ, ধর্ম, সম্প্রদায়, উপাসনা পদ্ধতি, ঐতিহ্যের সমস্ত প্রতিষ্ঠানের আচার্যেরা, ১৫০-রও বেশি বিভিন্ন মত-পন্থের সাধু-সন্ন্যাসী এবং ৫০-এরও বেশি আদিবাসী, জনজাতি শ্রেণির শীর্ষ নেতৃত্ব। এর পাশাপাশি, উপস্থিত থাকবেন জৈন, বুদ্ধ, শিখ সমাজের ধর্মীয় নেতা এবং হিন্দু ধর্মের নানা মতে বিশ্বাসী জনগণের ধর্মীয় প্রতিনিধিরাও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drishti-10: পাঞ্জাব সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে সেনার হাতে আসছে দেশীয় ড্রোন ‘দৃষ্টি-১০’

    Drishti-10: পাঞ্জাব সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে সেনার হাতে আসছে দেশীয় ড্রোন ‘দৃষ্টি-১০’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাক সীমান্ত (Indo-Pak Border) দিয়ে চোরাচালান-গতিবিধির ওপর নজরদারির ক্ষেত্রে এবার থেকে আরও সজাগ হতে চলেছে সেনার দৃষ্টি। পাঞ্জাব সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে এবার ভারতীয় সেনার হাতে আসতে চলেছে দেশীয় ‘দৃষ্টি-১০’ ড্রোন (Drishti-10) বা চালকবিহীন সশস্ত্র বিমান।

    নজরদারির পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র বহনও সক্ষম

    সেনা সূত্রে খবর, পাঞ্জাব সেক্টরের ফরোয়ার্ড বেসগুলিতে এই বিশেষ ড্রোন মোতায়েন করা হচ্ছে। ৩০ হাজার ফুট উচ্চতায় দীর্ঘক্ষণ ধরে উড়তে সক্ষম ‘দৃষ্টি-১০’ (Drishti-10)। একটানা ৩৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম এই চালকবিহীন বিমান। সীমান্তে (Indo-Pak Border) নজরদারির পাশাপাশি অস্ত্রবহনেও সক্ষম ‘দৃষ্টি-১০’। এর জন্য বিমানের পেটে তিনটি হার্ড-পয়েন্ট (ক্ষেপণাস্ত্র বহনের জায়গা) রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আগামী ২-৩ মাসের মধ্যেই এই ড্রোনগুলি সেনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই বিশেষ ড্রোন বানিয়েছে আদানি ডিফেন্স সংস্থা। সূত্রের খবর, জরুরি ভিত্তিতে, ২টি ‘দৃষ্টি-১০’ ড্রোনের বরাত দিয়েছে সেনা। শর্ত এটাই যে, উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের ৬০ শতাংশ দেশীয় হতে হবে। 

    পাঞ্জাব ও মরু সীমান্তের নিরাপত্তায় জোর

    সেনা সূত্রের খবর, পঞ্জাব সীমান্তের (Indo-Pak Border) পাশাপাশি, মরু অঞ্চলেও নজরদারি চালাতে ব্যবহৃত হবে এই ড্রোন। বর্তমানে, এই অঞ্চলের নজরদারিতে ‘হেরন মার্ক ওয়ান’ ও ‘হেরন মার্ক টু’ ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। এবাপ তার পাশাপাশি ‘দৃষ্টি-১০’ (Drishti-10) বা ‘হারমিস-৯০০’ ড্রোনের বরাত দেওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে, প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে এই ড্রোন ভারতেই উৎপাদন করবে আদানি ডিফেন্স। এর জন্য ইজরায়েলি সংস্থা এলবিট-এর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে তারা। সংস্থার দাবি, ড্রোনের ৭০ শতাংশই দেশি হবে। পরবর্তীকালে, সেই অনুপাত আরও বাড়ানো হবে। 

    ‘দৃষ্টি-১০’-এর (Drishti-10) পাশাপাশি ইজরায়েল থেকে আরও বেশ কয়েকটি স্যাট-কম যোগাযোগে সমৃদ্ধ ড্রোন অন্তর্ভুক্ত করেছে ভারতীয় নৌসেনা। গত সপ্তাহে সেগুলি প্রকাশ্যে আনেন ভারতীয় নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার এবং আর্মি এভিয়েশনের ডিজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল অজয় সুরী। জানা যাচ্ছে, সেগুলিকে পৌরবন্দরে মোতায়েন করা হবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment Case: “দীর্ঘদিন চাকরি করলেই অবৈধ নিয়োগ বৈধ হয় না”, বলল হাইকোর্ট

    SSC Recruitment Case: “দীর্ঘদিন চাকরি করলেই অবৈধ নিয়োগ বৈধ হয় না”, বলল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দীর্ঘদিন চাকরি করলেই অবৈধভাবে হওয়া নিয়োগ বৈধ হয়ে যায় না।” সোমবার এসএসসি নিয়োগ মামলায় (SSC Recruitment Case) এমনই মন্তব্য করল কলকাতা হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ। বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির বেঞ্চে শুনানি হয় মামলাটির। তখনই বিচারপতি বলেন, “কে, কতদিন কাজ করেছেন, সেটা বড় বিষয় নয়, মূল বিচার্য হচ্ছে, নিয়োগ বৈধ কি না!”

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

    নিয়োগ মামলায় অবৈধ সব নিয়োগ বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত সব মামলার শুনানি কলকাতা হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে ছ’ মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সেই বেঞ্চেই এদিন হয়েছে শুনানি। কর্মরত কয়েকজন শিক্ষকের আবেদন, দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা স্কুলে চাকরি করছেন সুপার নিউম্যারিক পদ তৈরি করে চাকরিতে বহাল রাখা হোক তাঁদের। কারণ তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।

    কী বলল হাইকোর্ট?

    এই প্রসঙ্গেই বিশেষ বেঞ্চ (SSC Recruitment Case) বলে, মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়ার পরেও চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়া হবে, তাতে অসুবিধা নেই। কিন্তু আদালত পদক্ষেপ করলে সেটা আদালতের এক্তিয়ার বহির্ভূত বিষয়। বিচারপতি জানান, নিয়োগের বৈধতার ওপরই নির্ভর করবে চাকরির ভবিষ্যৎ। যে নিয়োগ অবৈধভাবে হয়েছে, তা শুধু দীর্ঘদিন চাকরি করা হয়েছে এই যুক্তিতে বৈধ হয়ে যাবে না। এই মামলায় নতুন করে মেধাতালিকা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। এতে আপত্তি জানিয়েছিলেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ।

    আরও পড়ুুন: শতাব্দীর সাংসদ তহবিলের ইডি, সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়

    এ প্রসঙ্গে বিচারপতি বলেন, “যখনই কেউ কোনও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নেন, তখনই তিনি জানেন যে মেধাতালিকা প্রকাশিত হবে।” আদালতের প্রশ্ন, মেধাতালিকা বা প্যানেল প্রকাশিত হবে কীভাবে কারও সম্মানহানি হতে পারে? বিচারপতি বলেন, “এসএসসির উচিত ছিল আগেই ভুলগুলি স্বীকার করা। যাঁরা বেআইনিভাবে নিয়োগ হয়েছেন তাঁদের শনাক্ত করা প্রয়োজন ছিল (SSC Recruitment Case)। অন্যায়ভাবে যাঁরা সুযোগ পেয়েছেন, তাঁদের চাকরি বাতিল হওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

      

  • Sukanta Majumdar: “চুরির সাত কাহন কাব্য লেখা উচিত”, তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “চুরির সাত কাহন কাব্য লেখা উচিত”, তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার সকালে লালগোলায় পৌঁছে গিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এই দিন সকালবেলায় এসে প্রথমে লালগোলা নেতাজি মোড়ে নেতাজীর মূর্তিতে মাল্যদান করেন। এরপর রাজ্য সরকারকে একাধিক বিষয়ে আক্রমণ করেন। তিনি তৃণমূলের চুরি প্রসঙ্গে বলেন, “চুরির সাত কাহন বলে একটি রোমাঞ্চকর কাব্য লেখা উচিত।” তাঁকে সংবর্ধনা জানাতে দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এদিন সঙ্গে ছিলেন বিজেপির লালগোলা মন্ডল সভাপতি অজয় হালদার, জঙ্গিপুর সংগঠনিক জেলার সভাপতি ধনঞ্জয় ঘোষ এবং সংখ্যালঘু পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সহ-সভাপতি মাফুজা খাতুন।

    কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    বালুর আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাসের কাছে পাওয়া মেরুন ডায়েরিতে হিতেশ চন্দনের নাম পাওয়া গিয়েছে। রেশন দুর্নীতির ডায়েরি প্রসঙ্গ নিয়ে লালগোলায় এসে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “বাংলায় তৃণমূল এতো চুরি করেছে যে রাজ্যের চুরি প্রসঙ্গে ডায়েরি দিয়ে কিছু হবে না। চুরি নিয়ে বড় রামায়ণ-মহাভারতের মতো কাব্য নির্মাণ করা যাবে। শুনেছি কুনাল ঘোষের লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে, তাই চুরির সাত কাহন বলে একটি রোমাঞ্চকর কাব্য লেখা উচিত।” শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা এখন জেলে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী জেলে, বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী যাবো যাবো করছেন। তৃণমূল দুর্নীতি করে মোবাইলের এসএমএসে চাকরি দিয়েছে। যারা দুর্নীতির মাধ্যমে চাকরি পেয়েছে তাদের প্রত্যেকের চাকরি যাবে।”

    ময়া বন্দর হলে কর্মসংস্থান হবে

    লালগোলার অন্তর্গত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের আন্তর্জাতিক ময়া বন্দর চালু হতে চলেছে খুব তাড়াতাড়ি। আজ সেই বন্দর পরিদর্শনেও যান বালুরঘাটের সাংসদ সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন বন্দরের চারিপাশ ঘুরে দেখলেন এবং আগামী দিনে লালগোলার ময়া আন্তর্জাতিক বন্দর থেকে আমদানি-রফতানি হলে এলাকায় ব্যবসা বাণিজ্যের নতুন ক্ষেত্র খুলে যাবে বলে দাবি করেন তিনি। এলাকার প্রচুর মানুষ কাজের সুযোগ পাবে বলে দাবি করেন। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, “এই এলাকা অধীর বাবুর সংসদীয় ক্ষেত্র নয়। উনি আসা যাওয়া করেন মাত্র। তৃণমূলের জোট সঙ্গী তিনি। বাস্তবে কাজ করছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় জাহাজমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এসে ছিলেন, আমরাও এই বন্দর বিষয়ে বার বার প্রস্তাব দিয়েছি। কেউ কোনও দিন স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি এই প্রত্যন্ত এলাকা থেকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার ঘটতে পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বিনামূল্যে দেওয়ার কথা বললেও সরকারি হাসপাতালে মিলছে না জলাতঙ্কের টিকা! ক্ষুব্ধ রোগীরা

    Nadia: বিনামূল্যে দেওয়ার কথা বললেও সরকারি হাসপাতালে মিলছে না জলাতঙ্কের টিকা! ক্ষুব্ধ রোগীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালে মিলছে না জলাতঙ্কের টিকা। মহকুমা হাসপাতালে প্রতি সপ্তাহে গড়ে রোগী আসেন ৬০ জন করে। দিনের পর দিন হাসপাতালে ঘুরলেও খোঁজ নেই টিকার। এমনকী অনেক রোগীকে নির্ধারিত সময়ে ডোজ নেওয়ার কথা বললেও মিলছে না টিকা। আবার সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার কথা বললেও না মেলায় বাইরের বাজার থেকে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে রোগীদের। ঘটনা ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে। পরিষেবা না পেয়ে চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে সাধারণ রোগীরা। এমনকী প্রশাসনকে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে।

    রোগীদের বক্তব্য (Nadia)

    স্থানীয় (Nadia) সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগীর জলাতঙ্কের টিকা নিতে গেলেই হাসপাতাল থেকে বলা হয়, এই মুহূর্তে টিকা নেই। পেশায় গাড়ি চালক বিমল বিশ্বাস বলেন, “সপ্তাহ আগে আমার দশ বছরের ছেলেকে কুকুর কামড় দিয়েছে। জলাতঙ্কের টিকার জন্য রানাঘাট মহাকুমা হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে বলা হয়, এই মুহূর্তে টিকা নেই। বাইরে থেকে ওই টিকা নিলে হাসপাতালের নার্সরা এনে দেবেন।” একই ভাবে টিকার চতুর্থ ডোজ নিতে আসা রাজকুমার দেবনাথ অভিযোগ করে বলেন, “হাসপাতাল থেকে টিকা নিতে গেলে বলা হচ্ছে সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তাই বাইরে থেকে পাঁচজন একত্রিত হয়ে ওই টিকা কিনে নিন।”

    অবশ্য ডাক্তারদের বক্তব্য, “কুকুর বিড়াল বাঁদর বা অন্য কোনও প্রাণী কামড়ালে রোগীকে আহত হওয়ার দিনেই টিকা দিতে হয়। এরপর তৃতীয় দিন, সাত দিন এবং আঠাশদিনের মাথায় মোট চারবার করে টিকার ডোজ নিতে হয়। কিন্তু একবার, দুইবার ডোজ নেওয়ার পরবর্তী ডোজ নিতে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে।”

    হাসপাতাল সুপারের বক্তব্য

    রানাঘাট (Nadia) মহকুমা হাসপাতাল সুপার প্রহ্লাদ অধিকারী বলেন, ‘‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি, মঙ্গলবার জেলা স্তর থেকে টিকা সরবরাহ করা হবে। গ্রামীণ ও ব্লকের প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে।’’

    জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বক্তব্য

    নদিয়া (Nadia) জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জ্যোতিষ চন্দ্র দাস বলেন, “জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে জলাতঙ্কের টিকা মজুত রয়েছে। রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালের পক্ষ থেকে টিকা শেষ হওয়ার বিষয়ে কোনও কথা ঘোষণা করা হয়নি। রোগীরা যাতে সমস্যায় না পড়তে হয় সেই দিকে নজর রাখা হয়েছে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “আমার সরকারের ১০টা বছরই উৎসর্গীকৃত দরিদ্রদের জন্য”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “আমার সরকারের ১০টা বছরই উৎসর্গীকৃত দরিদ্রদের জন্য”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমার সরকারের ১০টা বছরই উৎসর্গীকৃত দরিদ্রদের জন্য।” সোমবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন তিনি প্রধানমন্ত্রী জনজাতি আদিবাসী ন্যায় মহা অভিযানে প্রথম দফায় ৫৪০ কোটি টাকা অনুমোদন দেন। এই রুরাল হাউসিং স্কিমে উপকৃত হবেন এক লাখ মানুষ। উপভোক্তারা এই প্রকল্পের মাধ্যমে পাবেন বাড়ি, রান্নার গ্যাসের সংযোগ, বিদ্যুৎ এবং নলবাহিত পানীয় জল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকারের লক্ষ্যই হল, দেশের কেউ যেন জনকল্যাণমূলক এই প্রকল্প থেকে বঞ্চিত না হন।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছানো প্রয়োজন সব চেয়ে পিছিয়ে পড়া উপজাতি ভাই ও বোনেদের কাছে। পিএম জনমন মহা অভিযানের এটাই লক্ষ্য। সরকার প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছে প্রতিটি প্রকল্পের সুবিধা যেন তাদের কাছে পৌঁছায়। এখন সব চেয়ে পিছিয়ে পড়া ভাই ও বোনেরা আর সরকারি কোনও প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।”

    কী জানাল মহারাষ্ট্রের কিশোরী?

    এদিন ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) কথা বলেন মহারাষ্ট্রের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী জনজাতি আদিবাসী ন্যায় মহা অভিযান প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছে তার পরিবার। প্রধানমন্ত্রী তাকে জিজ্ঞাসা করেন স্কুলে সে কী কী সুবিধা পায়। কুমারী ভারতী নারায়ণ নামের ওই ছাত্রী জানায়, খেলাধুলোর জন্য তাদের স্কুলে মাঠ রয়েছে, থাকার জন্য হস্টেল রয়েছে। সুস্থাস্থ্যের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবারও পরিবেশন করা হয়।

    আরও পড়ুুন: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে”, ফের রাজ্যপালের মন্তব্য

    প্রধানমন্ত্রীর এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন ছত্তিশগড়ের যশপুরের একজনও। তাঁর পরিবারের সদস্য সংখ্যা পাঁচ। প্রধানমন্ত্রীকে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় তিনি পাকা বাড়ি পেয়েছেন। পেয়েছেন বিদ্যুৎ, ট্যাপের জল এবং গ্যাস সংযোগ। ১৫ নভেম্বর লঞ্চ হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জনজাতি আদিবাসী ন্যায় মহা অভিযান। বাজেট ছিল প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা। দিনটি ছিল জনজাতীয় গৌরব দিবস। এই প্রকল্পে উপভোক্তারা বাড়ি, স্বচ্ছ পানীয় জল, শৌচাগার, বিদ্যুৎ, রাস্তার সুযোগ পান। জীবনযাত্রার ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধাও মেলে এই প্রকল্পে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Purba Medinipur: সরকারি জায়গায় সেতু নির্মাণ করে তৃণমূল নেতার তোলাবাজির ছক, সরব এলাকাবাসী

    Purba Medinipur: সরকারি জায়গায় সেতু নির্মাণ করে তৃণমূল নেতার তোলাবাজির ছক, সরব এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি জায়গায় তৃণমূল নেতার নির্দেশে সেতু তৈরি করছে এক যুবক। এরপর সেই সেতু দিয়ে পারাপার করলেই দিতে হবে টাকা। এমনই ছককষা হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। তাই এলাকার মানুষের প্রশ্ন সরকারি জায়গায় কীভবে একজন ব্যক্তিকে সেতু নির্মাণে ছাড়পত্র দিলেন? কীভাবে নেওয়া হচ্ছে টাকা। একই সঙ্গে বিজেপি তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলে, পছন্দের ব্যক্তিকে দিয়ে সেতু তৈরি করার কাজ চলছে। সেতুকে ঘিরে বেআইনি আয়ের পথ তৈরি করা হয়েছে। বেললাগাম তলাবাজি চলছে জেলায়। এই ঘটনায় পূর্ব মেদিনীপুরে (Purba Medinipur) ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    পশ্চিম মেদিনীপুরের কোথায় সেতু নির্মাণ হয়েছে(Purba Medinipur)?

    পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) কোলাঘাট ও দাসপুর-২ ব্লকের উপর দিয়ে বইয়ে গিয়েছে দূর্বাচাটি নদী। পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট বৈষ্ণবচক এলাকার কলাগাছিয়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর-২ ব্লকের জ্যোৎঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার শ্যামগঞ্জের সংযোগকারী সেতু ছিল কালাচাঁদ সেতু। এই সেতুর উপর দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করেন। গত বছরের অক্টোবরে কচুরিপানায় সেতু ডুবে গিয়ে ভেঙে যায়। এরপর তৃণমূল ঘাটাল জেলা সভাপতি আশিস হুদাইতের পছন্দের এক যুবককে দিয়ে নতুন একটি স্টিলের সেতু তৈরি করেন বলে জানা গিয়েছে। এখনও নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়নি। তবে সম্পন্ন হলে এই সেতুতে শুরু হবে যাতায়তের জন্য টাকা নেওয়া।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    কোলাঘাটের (Purba Medinipur) বিডিও অর্ঘ্য ঘোষ বলেন, “সেতু তৈরির জন্য প্রশাসনের কাছে কোনও অনুমোদন নেওয়া হয়নি।” আবার বৈষ্ণবচক গ্রামের পাঞ্চায়েতের উপপ্রধান রুকসাহানা পারভিন বেগম বলেছেন, “সরকারের অনুমাতি না নিয়েই কাজ করা হয়েছে। সেতু নির্মাণের কাজের সঙ্গে যুক্ত কারিগরদের ডেকে জিজ্ঞেস করলে তাঁরা বলেন তৃণমূল ঘাটাল জেলা সভাপতি আশিস হুদাইতের নির্দেশে কাজ হচ্ছে। সরকারি জায়গায় টেন্ডার ছাড়া কাজ করা যায়না।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূল ঘাটাল (Purba Medinipur) জেলা সভাপতি আশিস হুদাইত বলেন, “সেচ দফতর এবং দাসপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির অনুমতি নিয়ে এক যুবক সেতু তৈরি করছেন। পঞ্চায়েত সমিতিতে তিনি রাজস্বও জমা দেবেন।”

    বিজেপির বক্তব্য

    কোলাঘাট (Purba Medinipur) মণ্ডল ৫-এর সভাপতি বিশ্বনাথ রাম বলেন, “আমরা চাই সরকারি উদ্যোগে ওখানে সেতু তৈরি হোক। মানুষকে যাতে টাকা না দিতে হয় সেই ব্যবস্থা করতে হবে। তৃণমূলের নেতা প্রভাব খাটিয়ে স্বজনপোষণ এবং তোলাবাজি করছেন।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: হাইকোর্টের দ্বারস্থ সন্দেশখালিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূলের শাহজাহান

    Sandeshkhali Incident: হাইকোর্টের দ্বারস্থ সন্দেশখালিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূলের শাহজাহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Incident) পর উধাও হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সোমবার, পৌষ সংক্রান্তির দিন ‘উদয়’ হলেন তিনি। তিনি তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল নেতা। নিজে প্রকাশ্যে না এলেও, আইনজীবী মারফৎ জানান, সন্দেশখালি মামলায় যুক্ত হতে চান তিনি। কারণ, তিনি চান এই ঘটনায় তাঁর বক্তব্যও শোনা হোক।

    ইডির অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, তৃণমূলের এই নেতার বিরুদ্ধেই সন্দেশখালিতে গ্রামবাসীদের উসকানি দেওয়ার অভিযোগ এনেছিল ইডি। শাহজাহানের আইনজীবী জানান (Sandeshkhali Incident), মামলায় যুক্ত হতে চাইলে ওকালতনামা জমা দেওয়া হোক। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বলেন, “ঠিক আছে। রাজ্যকে এই মামলার কেস ডায়েরি নিয়ে আসতে হবে।” এই মামলার পরবর্তী শুনানি মঙ্গলবার। রেশন বিলিকাণ্ডে গ্রেফতার (Sandeshkhali Incident) হন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগনার নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এই ঘটনায় নাম জড়ায় জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠ শাহজাহানের।

    ইডির ওপর হামলা

    ৫ জানুয়ারি সরবেরিয়া গ্রামে তাঁর বাড়িতে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা। সেখানে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও দরজা খোলেনি শাহজাহানের বাড়ির। যদিও শাহজাহানের মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশনে দেখা যায় শাহজাহান রয়েছেন বাড়ির ভেতরেই। ইডির আধিকারিকরা দরজা ভাঙার চেষ্টা করেন। এই সময় স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা ইডির আধিকারিকদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায়। ছুড়তে থাকে ইট-পাটকেল। ইটের ঘায়ে জখম হন ইডির দুই আধিকারিক। তাঁদের সঙ্গে থাকা সিআরপিএফের দুই জওয়ানও জখম হন। সন্দেশখালির ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে ইডি।

    আরও পড়ুুন: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে”, ফের রাজ্যপালের মন্তব্য

    পুলিশকে ভর্ৎসনা আদালতের

    সন্দেশখালিকাণ্ডে অভিযুক্ত হাজার তিনেক মানুষ। এই ঘটনায় মাত্র চারজন গ্রেফতার কেন, পুলিশকে ভর্ৎসনা করে আদালত। গোটা ঘটনার (Sandeshkhali Incident) তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়ার আবেদনও জানিয়েছে ইডি। কেস ডায়েরি না নিয়ে আসায় বিচারপতি বলেন, “পুলিশ এতদিন ধরে কী করছে, সেটা কেস ডায়েরি দেখেই বোঝা সম্ভব।” মঙ্গলবার কেস ডায়েরি আনতে হবে পুলিশকে। বিচারপতি পুলিশের কাছে জানতে চান, ঘটনার পরে কি পুলিশ শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকেছিল? আদালত এজিকে বলেন, “সৎভাবে বিচার করার ইচ্ছে থাকলে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে”, ফের রাজ্যপালের মন্তব্য

    CV Ananda Bose: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে”, ফের রাজ্যপালের মন্তব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে” মন্তব্যে করলেন রাজ্যপাল। শাহজাহান কোথায়? মা গঙ্গা কী সত্যই জানেন? এই প্রশ্নে ফের গ্রেফতার নিয়ে সরব হলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। গতকাল রবিবার ভাটপাড়ায় গঙ্গা আরতি করতে গিয়ে গঙ্গার কাছে উত্তর খুঁজলেন তিনি। উল্লেখ্য, আগেও রাজ্যপাল রাজ্য পুলিশকে গ্রেফতার প্রসঙ্গে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারও গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছিলেন কিন্তু ঘটনার ১৫ দিন কেটে গেলেও অধরা এই তৃণমূল নেতা। এইদিন গঙ্গায় আরতির এক অনুষ্ঠানে ফের রাজ্যপাল সরব হলেন পুলিশের বিরুদ্ধে।

    কী বললেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)?

    মকর সংক্রান্তির ঠিক আগের দিন উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ার হিন্দু জাগরণ মঞ্চের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। তিনি গঙ্গার ঘাটে আরতি করেন। আরতি শেষ করে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “গঙ্গা গোটা দেশের সম্প্রীতি রক্ষা করছে। এখন এই শাহজাহান কোথায় তা মা গঙ্গাই জানেন। উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে।” এই মন্তব্যে রাজ্য প্রশাসনের উপর ফের চাপ বৃদ্ধি করলেন রাজ্যপাল। এখন এই মা গঙ্গা বলতে কাকে ইঙ্গিত করেছেন সেটাও একটা প্রশ্ন। ইতিমধ্যে বিজেপির নেতারা বার বার শাহজাহানের গ্রেফতার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রথম থেকেই বিরোধীরা শাহজাহান বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছেন বলে মন্তব্য করলেও এরপর স্থানীয়রা এই তৃণমূল নেতাকে এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন। কিন্তু এখনও শাহজাহানকে কেন পুলিশ গ্রেফতার করছে না তা নিয়েও মানুষের ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে বলে জানা গিয়েছে।

    ৫ জানুইয়ারি থেকেই নিখোঁজ

    গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূলের নেতা শেখ শাহজাহানের উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার বাড়িতে তদন্ত করতে গেলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি আক্রান্ত হয়। তিনজন তদন্তকারী অফিসারের মাথা ফাটিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। সেই সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর কেন্দ্রীয় জওয়ানদের মারধর করা হয়। এমনকী তাঁদের গাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর করা হয়। এরপর থেকেই তৃণমূল নেতা শাহজাহান পলাতক। ঠিক তার পরেই রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বাংলায় ‘জঙ্গল রাজত্ব’ চলছে বলে মন্তব্য করেন। পুলিশকে আইনের শাসন প্রয়োগের কথা বলেন। এখনও পর্যন্ত মাত্র ৪ জনকে গ্রেফতার হলেও আসল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করিনি পুলিশ। প্রশাসন কবে এখন গ্রেফতার করে তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: অযোধ্যায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে জমি কিনলেন অমিতাভ বচ্চন

    Ram Mandir: অযোধ্যায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে জমি কিনলেন অমিতাভ বচ্চন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে অযোধ্যায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকা ব্যয় করে জমি কিনলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। প্রসঙ্গত, রামলালার (Ram Mandir) মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হতে চলেছে আগামী ২২ জানুয়ারি। তারপরেই সারা পৃথিবীর হিন্দুদের কাছে অযোধ্যা একটি বড় তীর্থক্ষেত্র হবে বলে আশাবাদী স্থানীয় প্রশাসন। এখন থেকেই অনুমান করা হচ্ছে, প্রতিদিন গড়ে তিন লাখ ভক্তের পা পড়তে চলেছে অযোধ্যায়। রাম মন্দিরকে (Ram Mandir) ঘিরে বদলে যেতে শুরু করেছে অযোধ্যার অর্থনৈতিক মানচিত্রও। আদতে উত্তরপ্রদেশেরই বাসিন্দা হলেন অমিতাভ বচ্চন। এখানকার প্রয়াগরাজে তাঁর পৈতৃক বাড়ি। অযোধ্যা থেকে ৪ ঘণ্টা দূরে অবস্থিত হল প্রয়াগরাজ। অমিতাভ বচ্চনের কেনা জায়গা থেকে রাম মন্দিরের দূরত্ব ১০ মিনিট, মহর্ষি বাল্মিকী বিমানবন্দরের দূরত্ব ২০ মিনিট এবং সরযূ নদীও ২ মিনিট দূরে অবস্থিত।

    কোন সংস্থার কাছ থেকে জমি কিনলেন বিগ বি? 

    অযোধ্যার (Ram Mandir) জমির দামও আকাশছোঁয়া হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে। জানা গিয়েছে, অযোধ্যায় ১ হাজার ২৫০ বর্গফুটের জমির দাম ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। ১,৫০০ বর্গফুটের জমির দাম ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা এবং ১,৭৫০ বর্গফুটের জমির দাম আড়াই কোটি টাকা। এখানেই সাত তারা এনক্লেভ কিনেছেন বলিউডের বিগ বি। মুম্বইয়ের এক নির্মাতা সংস্থার কাছ থেকে তিনি এই জমি কিনেছেন বলে জানা গিয়েছে। ওই নির্মাতা সংস্থার নাম ‘দ্য হাউস অফ অভিনন্দন লোধা’।  এখানে মোট ৫১ একর জমির উপরে আবাসন তৈরি হবে। ২০২৮ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হওয়ার কথা। অযোধ্যায় এই আবাসন নগরীর নাম হতে চলেছে ‘সরযূ’। সেখানকারই প্রথম নাগরিক হতে চলেছেন বলিউডের বিগ বি।

    কী বলছেন অমিতাভ বচ্চন?

     জানা গিয়েছে অমিতাভ বচ্চনের কেনা জমির আয়তন ১০ হাজার বর্গফুট। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিনই, এই প্রকল্পের উদ্বোধন হওয়ার কথা। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অমিতাভ বচ্চন বলেছিলেন, “আমি অযোধ্যার সরযূতে নতুন যাত্রা শুরু করার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। এই শহর আমার হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে রেখেছে। অযোধ্যা, যেখানে ঐতিহ্য ও আধুনিকতা সহাবস্থান করে। বৈশ্বিক আধ্যাত্বিকতার কেন্দ্রে আমি বাড়ি বানাতে চলেছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share