Tag: Bengali news

Bengali news

  • Suvendu Adhikari: ‘রামরাজ্য’ মানে জানেন? বসিরহাটের সভায় ব্যাখ্যা দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘রামরাজ্য’ মানে জানেন? বসিরহাটের সভায় ব্যাখ্যা দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের ভগবান রামচন্দ্র। আর ‘রামরাজ্য’ মানে জানেন তো? এর মানে হল, প্রতি হাতে কাজ, পেটে ভাত, মাথায় ছাদ। আমরা মুসলিমদের এই রামরাজ্যই দিতে চাই। এটাই হল ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’। সকলের মঙ্গল হোক। এটাই মোদিজির মন্ত্র।” শনিবার কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ‘রামরাজ্য’ শব্দবন্ধের ব্যাখ্যা

    এদিন বসিরহাটে দলীয় সভায় যোগ দেন শুভেন্দু। সেখানেই ‘রামরাজ্য’ শব্দবন্ধের ব্যাখ্যা দেন তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমার খুব ভালো লাগছে অনেক চাচা, মুরুব্বি, মুসলিমরা এসেছেন। আপনারা একটু দাঁড়াবেন তো। আমরা জয় শ্রীরাম বলব, আপনারা ভারত মাতা কী জয় বলবেন। নো প্রবলেম।” নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “মুসলিমদের সঙ্গে আমাদের কোনও বিবাদ নেই। প্রধানমন্ত্রী যতগুলো স্কিম এনেছেন, সেখানে জাতপাতের কোনও ভেদাভেদ নেই। সিএএ মানে কাউকে দেশ থেকে তাড়ানো নয়। মতুয়া, নমঃশুদ্র সমাজ থেকে যাঁরা বর্ণীয় উৎপীড়নের কারণে উৎখাত হয়ে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।”

    ‘বিভাজনের রাজনীতি করছে তৃণমূল’

    শুভেন্দু বলেন, “সারা দেশে বিজেপি ১৬-১৭টা রাজ্যে সরকার চালাচ্ছে। কোথাও একটা মুসলমানকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, এটা কেউ বলতে পারবে না। তৃণমূল বিভাজনের রাজনীতি করছে। বিজেপির নামে কুৎসা রটাচ্ছে, যাতে বাংলার ৩০-৩৫ শতাংশ মুসলিম ভোট আঁকড়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে।” একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে ১৯৫৬ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, “৬৫ হাজার সংখ্যালঘু ভোট থাকা নন্দীগ্রামে আমি যদি জিততে পারি, তাহলে বসিরহাটে আপনারা পারবেন না কেন? কী করতে হবে আমরা জানি। ভয়মুক্ত পরিবেশ দরকার তো। কথা দিচ্ছি, আমি করে দেব।”

    আরও পড়ুুন: চার দিনে পড়ল বাল্টিস্তানবাসীর প্রতিবাদী আন্দোলন, কী বলছেন তাঁরা?

    দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আপনারা আমাকে একটা ফাইল করে দিন। আঠারোতে কত বুথে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছিল তৃণমূল, উনিশ সালে কত বুথে আমরা ১০০-র কম ভোট পেয়েছিলাম। একুশ সালে বিধানসভা নির্বাচনের পর কোন কোন গ্রাম অত্যাচার হয়েছে, তার তালিকা দিন। তেইশের বুথের ডিটেলস। বাকিটা আমার ওপর ছেড়ে দিন। ফুল প্রোটেকশন দিয়ে তবেই আপনাদের চব্বিশের যুদ্ধে নামাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Gilgit Baltistan: চার দিনে পড়ল বাল্টিস্তানবাসীর প্রতিবাদী আন্দোলন, কী বলছেন তাঁরা?

    Gilgit Baltistan: চার দিনে পড়ল বাল্টিস্তানবাসীর প্রতিবাদী আন্দোলন, কী বলছেন তাঁরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভর্তুকিযুক্ত গমের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে চলছে আন্দোলন। শনিবার পাক অধিকৃত গিলগিট-বাল্টিস্তানের (Gilgit Baltistan) এই আন্দোলন পড়ল চারদিনে। গত চারদিন ধরে এই আন্দোলন করছে ‘অল পার্টি অ্যালায়েন্স’। ইদগার চকে প্রতিবাদ আন্দোলনের পাশাপাশি শুক্রবার স্কার্দু এলাকার জামিয়া মসজিদ চত্বরে সমাবেশও হয়েছে।

    আন্দোলনকারীদের দাবি

    হাড়হিম করা ঠান্ডা উপেক্ষা করে সমাবেশে যোগ দিয়েছেন বহু মানুষ। কেবল স্কার্দু এলাকায় নয়, প্রতিবাদ আন্দোলন হচ্ছে গ্যাঞ্চে শিঘার এবং খারমুং এলাকার রাস্তায় রাস্তায়ও। গমের মূল্য কমানো না হলে সাহারা বাল্টিস্তান এলাকা বন্ধের হুমকিও দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে ‘অল পার্টি অ্যালায়েন্সে’র প্রধান গুলাম হুসেন আথার বলেন, “গমের মূল্যবৃদ্ধির এই প্রতিবাদ আন্দোলন তুলে নিতে বলে আমাদের কাছে বার্তা পাঠানো হয়েছে। আন্দোলন তুলে নিলে ফেডারেশন আমাদের ১৫ বিলিয়ন পাক মুদ্রার প্যাকেজ দেবে, বলেছে।”

    বোকা বানানো হচ্ছে!

    তিনি বলেন, “সাড়ে চার বিলিয়ন দেওয়া উচিত ছিল। অথচ তারা বলছে ১৫ বিলিয়ন দেবে। এটা আমাদের বোকা বানানোর একটা কৌশল।” আথার বলেন, “আমরা যাতে গমের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এই আন্দোলন থেকে সরে আসি, তাই আমাদের বিভিন্ন ধরনের অফার দেওয়া হচ্ছে। আমাদের আকর্ষণীয় ইনসেনটিভও দেওয়া হচ্ছে। আমরা কখনও বিক্রি হয়ে যায়নি। আর কোনওদিন বিক্রিও হব না। কারণ সমস্যাটা আমাদের প্রত্যেকের কাছেই এক।”

    আরও পড়ুুন: রাম মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কারা আমন্ত্রিত, আসছেনই বা কে?

    জানা গিয়েছে, প্রাদেশিক সরকার গমের মূল্য বাবদ দরিদ্রদের দিতে ৩ হাজার ৬০০ পাক মুদ্রা দিয়েছিল আন্দোলনকারীদের। যদিও সেই টাকা প্রত্যাখান করেছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের দাবি, গিলগিট-বাল্টিস্তান অ্যাসেম্বলি এবং মুখ্যমন্ত্রীর স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিনিধিত্ব করার কোনও যোগ্যতাই নেই। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা ইসলামাবাদের পে-রোলে রয়েছেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, গিলগিট-বাল্টিস্তান অ্যাসেম্বলি জনগণের মুখপাত্র নয়। তারা সুবিধাভোগী শ্রেণি। তাদের সাফ কথা, সরকার যতক্ষণ না গমের মূল্যবৃদ্ধি সংক্রান্ত কোনও নোটিশ দেবে, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে। প্রসঙ্গত, ভর্তুকিযুক্ত গমের দাম বাড়িয়ে দিন কয়েক আগে নোটিশ জারি করেছিল পাকিস্তান সরকার। তার প্রতিবাদেই আন্দোলন করছেন গিলগিট-বাল্টিস্তান (Gilgit Baltistan) এলাকার বাসিন্দারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কারা আমন্ত্রিত, আসছেনই বা কে?

    Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কারা আমন্ত্রিত, আসছেনই বা কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেকও বাকি নেই রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন দেশ-বিদেশের বহু অতিথি। এঁদের মধ্যে যেমন সাধু-সন্তরা রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন বিনোদন জগতের লোকজনও। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিজেপি-বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীদেরও।

    কী বলছে কংগ্রেস?

    রাম মন্দির ট্রাস্টের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কংগ্রেসের প্রবীণ নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকেও। তবে শনিবার বিকেল পর্যন্তও তাঁরা ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন কিনা, অফিসিয়ালি তা নিশ্চিত করে জানানো হয়নি। দিন কয়েক আগে অবশ্য কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংহ বলেছিলেন, “না যাওয়ার তো কোনও কারণ নেই। এ ব্যাপারে সোনিয়াজি খুব পজিটিভ। হয় সোনিয়াজি স্বয়ং যাবেন, নয়তো কোনও প্রতিনিধি পাঠানো হবে।”

    কী বলছে সিপিএম?

    মন্দির উদ্বোধনের দিনই প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে রামলালার মূর্তিরও। মূর্তিটিকে মন্দিরে নিয়ে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সময় পুরোহিতদের পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। কংগ্রেসের তরফে কোনও প্রতিনিধি এলেও, অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন না বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। থাকবেন না সিপিএমের কেউ। কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা থাকবেন না বলে দিন দুই আগেই জানিয়েছিলেন সিপিএমের পলিটব্যুরোর সদস্য বৃন্দা কারাট। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, “সিপিএমের নীতি হল ধর্মীয় বিশ্বাসকে শ্রদ্ধা করা।

    আরও পড়ুুন: ভোটাভুটি করে বেছে নেওয়া হল রামলালার মূর্তি, কেমন দেখতে জানেন?

    প্রত্যেকে যাতে শান্তিতে ধর্মাচরণ করতে পারে, সেই ব্যবস্থা করা। ধর্ম একটি ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। তাই রাজনৈতিক লাভের উদ্দেশ্যে একে ব্যবহার করা ঠিক নয়।” তিনি বলেন, “সংবিধানে বলাই হয়েছে রাষ্ট্র কোনও বিশেষ ধর্মকে গুরুত্ব দেবে না।” অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন না প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা কপিল সিবালও। তিনি বলেন, “ভগবান রাম আমার হৃদয়ে। তাই অনুষ্ঠানে যাওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।” বিশ্বহিন্দু পরিষদের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এলকে আদবানি ও মুরলী মনোহর যোশীকে।

    আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে অমিতাভ বচ্চন, অক্ষয় কুমার, অজয় দেবগণ, রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট, অনুপম খের এবং মাধুরী দীক্ষিত নেনেকেও। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে শিল্পপতি রতন টাটা, মুকেশ আম্বানি এবং গৌতম আদানিকে। ক্রিকেটার শচিন তেণ্ডুলকর ও বিরাট কোহলিও উপস্থিত থাকবেন বলে খবর। ট্রাস্টের (Ram Mandir) তরফে জানানো হয়েছে, সব মিলিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ৭০০০ জনকে। এর মধ্যে ভিভিআইপি ৩০০০ জন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Clive Lloyd: কালনার গ্রামে আসছেন ‘সুপার ক্যাট’, কারণ কি জানেন?

    Clive Lloyd: কালনার গ্রামে আসছেন ‘সুপার ক্যাট’, কারণ কি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১২ জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন। এদিনই পূর্ব বর্ধমানের কালনার গ্রামে পা রাখবেন প্রাক্তন ক্রিকেট তারকা ক্লাইভ লয়েড (Clive Lloyd)। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন উপলক্ষে অবশ্য বাংলায় আসছেন না তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই প্রাক্তন তারকা আসছেন পূর্ব সাতগাছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। এদিন এই গ্রামে রয়েছে স্থানীয় একটি ক্লাবের টুর্নামেন্টও। এই অনুষ্ঠানেও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন লয়েড।

    ক্লাইভ লয়েড

    বছর আশির লয়েডের অধিনায়কত্বেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপ জিতেছে ১৯৭৫ ও ১৯৭৯ সালে। তার পরের বিশ্বকাপে অবশ্য ভারতের কাছে হেরে যায় লয়েডের দেশ। ১৯৮৩ সালে লর্ডসের মাঠে ভারতের কাছে সেই হার এখনও নাকি তাড়া করে বেড়ায় লয়েডকে। কালনার এই স্কুল ও ক্লাবের অনুষ্ঠান শেষে ইডেনে যাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন লয়েড (Clive Lloyd)। কলকাতার এই মাঠে বহু স্মরণীয় ম্যাচ জিতেছেন তিনি। রেফারি হিসেবেও তাঁকে দেখেছে কলকাতার এই মাঠ। রেফারি হিসেবে একটা ম্যাচ পরিচালনার সময় একবার প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল।

    ‘সুপার ক্যাট’

    লয়েডের ক্রিকেট শৈল্পিকে মজে গোটা ক্রিকেট দুনিয়া। তামাম বিশ্ব তাঁকে চেনে ‘সুপার ক্যাট’ নামে। ১১০ টেস্টে ১৯টি সেঞ্চুরি। গড় ছিল ৪৬.৬৭। সর্বোচ্চ রান ২৪২ নট আউট। লয়েড শেষবার কলকাতায় এসেছিলেন ২০১৬ সালে, টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। সেবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচ শেষে তাঁর কোমর দুলিয়ে নাচে তাল মিলিয়েছিল গোটা গ্যালারি। লয়েডের প্রিয় শহর কলকাতা। এই শহরে তিনি থাকবেন দু’ দিন। প্রিয় শহরে আসবেন বলে এই বয়সেও গায়ানা থেকে লন্ডন-দুবাই হয়ে কলকাতায় আসার ঝক্কি সামলাতে রাজি হয়েছেন প্রাক্তন এই ক্রিকেট তারকা।

    আরও পড়ুুন: পুষ্পবৃষ্টিতে ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী, অযোধ্যায় বর্ণাঢ্য রোড শো-য়ে হাত নেড়ে অভিবাদন মোদির

    সাতগাছিয়া হাইস্কুলের পঁচাত্তর বছর উদযাপন কমিটির চিফ প্যাট্রন সুরজিৎ বক্সি বলেন,  “অতীতে আমাদের গ্রামে এসেছিলেন মহম্মদ আজহারউদ্দিন, সন্দীপ পাতিলের মতো তারাকারা। এবার আমাদের গ্রামে পা রাখছেন আরও বড় কিংবদন্তী (Clive Lloyd)। এটা আমাদের গ্রামের বাসিন্দাদের কাছে পরম প্রাপ্তি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Amrit Bharat Express: উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, মালদা থেকে যাত্রা শুরু অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের

    Amrit Bharat Express: উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, মালদা থেকে যাত্রা শুরু অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরেই চালু হল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস (Amrit Bharat Express)। নতুন বছরের আগে বাংলার বড় প্রাপ্তি এই এক্সপ্রেস ট্রেন। মালদা থেকে বেঙ্গালুরু যাবে এই ট্রেন। শনিবার অযোধ্যা ধাম জংশন স্টেশন থেকে এই ট্রেনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও আরও ৬টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের সূচনা করেন তিনি। মালদা থেকে যাত্রা শুরু করল এই ট্রেন।

    কোন কোন স্টেশনে দাঁড়াবে এই ট্রেন? (Amrit Bharat Express)

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে যাত্রা শুরু করে ট্রেনটি (Amrit Bharat Express) রবিবার রাতে বেঙ্গালুরু পৌঁছাবে। মালদার পর নিউ ফরাক্কা, রামপুরহাট, বোলপুর, বর্ধমান, অন্ডাল, ডানকুনি, খড়্গপুর, বেলদা, জলেশ্বর, বালাসোর, কটক হয়ে বেঙ্গালুরুতে গিয়ে থামবে। চাকরির কারণে কিংবা চিকিৎসার প্রয়োজনে বাংলার হাজার হাজার মানুষ বেঙ্গালুরু যান। বিশেষ উত্তরবঙ্গের লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে এই ট্রেন বিশেষ সহায়ক হয়ে উঠবে বলে রেল কর্তারা মনে করছেন। এমনিতেই মালদা স্টেশন থেকে সকাল ৮টা ৫০ মিনিট নাগাদ ছাড়বে। এদিন এই ট্রেনের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে খড়্গপুর ডিভিশনে ৬টি স্টেশনে মঞ্চ করে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডিভিশনের সদর হওয়ায় খড়্গপুর স্টেশনে বড় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ ছাড়াও বাকি পাঁচটি স্টেশনেও ওই অনুষ্ঠান হবে। ট্রেন পৌঁছনোর এক ঘণ্টা আগে থেকেই ওই অনুষ্ঠান শুরু হবে বলে ডিভিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। দেশের সর্বপ্রথম অমৃতভারত এক্সপ্রেস বাংলার মাটি দিয়ে যাত্রাপথ শুরু করায় খুশি রাজ্যবাসী।

    এই ট্রেনে যাত্রী সুরক্ষায় বিশেষ নজর!

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই অমৃতভারত ট্রেনটি কার্যত দেশে সাধারণের বন্দে ভারত নামে পরিচিত হতে চলেছে। কারণ এতে রয়েছে বন্দে ভারতের মতোই দু’দিকে ইঞ্জিনের সাহায্যে পুশ-পুলের সুবিধা। এর জেরে ইঞ্জিন বদলে সময় নষ্ট হবে না। তবে এই ট্রেনে থাকবে না কোনও বাতানুকূল কামরা। সাধারণ কামরা হলেও প্রতিটি আসনের সঙ্গে থাকছে চার্জিং পয়েন্ট। ট্রেনের শৌচাগারও হয়েছে বন্দে ভারতের আদলে। এমনকী ট্রেনের ভিতরেই পরবর্তী স্টেশনের নাম ও কত বেগে ট্রেনটি ছুটছে তা-ও ডিসপ্লে’তে ফুটে উঠবে। সঙ্গে চলবে ঘোষণাও। যাত্রী সুরক্ষায় প্রতিটি কামরায় থাকছে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থাও। অমৃত ভারত এক্সপ্রেসে (Amrit Bharat Express) মোট ২২টি কোচ থাকবে। ৮টি সাধারণ (জেনেরাল) কোচ, ১২টি দ্বিতীয় শ্রেণির থ্রি টিয়ার স্লিপার কোচ ছাড়া দু’টি কামরা হবে লাগেজ ভ্যান। এতে একসঙ্গে প্রায় ১৮০০ যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন। ট্রেনের লোকো পাইলটদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে সিটগুলিকে আরামদায়ক করা হয়েছে। এছাড়াও জেনারেল কামরার উপরে সিটে গদির ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাত্রীদের সুরক্ষার দিকেও দেওয়া হয়েছে বিশেষ নজর। এই ট্রেনে ব্যবহার করা হয়েছে ‘কবচ’ প্রযুক্তি। ট্রেনে দুর্ঘটনার আশঙ্কা অবশ্যই কম থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। ঘণ্টায় সর্বাধিক ১৩০ কিলোমিটার বেগে চলবে এই ট্রেন।

    ভাড়া কেমন?

    বন্দে ভারতের মতো এই ট্রেনে পরিষেবা মিললেও তুলনায় অনেক কম হবে ভাড়া। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণ মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনের স্লিপার এবং দ্বিতীয় শ্রেণির তুলনায় মাত্র ১৫ থেকে ১৭ শতাংশ বেশি ভাড়া হবে এই ট্রেনে। অন্যান্য মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনগুলিতে এক থেকে ৫০ কিলোমিটারের জন্য দ্বিতীয় শ্রেণির যাত্রার ন্যূনতম টিকিটের দাম ৩০ টাকা (রিজার্ভেশন এবং অন্যান্য চার্জ ছাড়া)। সেখানে অমৃত ভারত এক্সপ্রেসে (Amrit Bharat Express) এক থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাওয়ার জন্য ন্যূনতম খরচ ৩৫ টাকা। রিজার্ভেশন ফি এবং অন্যান্য চার্জ ছাড়াই যাত্রীদের দিতে হবে এই অর্থ। রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ছাড়ের টিকিট এবং বিনামূল্যে পাসের জন্য টিকিট এই ট্রেনগুলিতে গ্রহণযোগ্য হবে না।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google N

  • S jaishankar: কুদামকুলামে পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র সংক্রান্ত চুক্তি সই ভারত-রাশিয়ার

    S jaishankar: কুদামকুলামে পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র সংক্রান্ত চুক্তি সই ভারত-রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতে শক্তি উৎপাদনের ইউনিট তৈরি হচ্ছে তামিলনাড়ুর কুদামকুলামে। এই পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে মঙ্গলবার, রাশিয়ায়। ভারত-রাশিয়ার মধ্যের এই চুক্তিতে নয়াদিল্লির তরফে স্বাক্ষর করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S jaishankar)। পাঁচ দিনের রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। এই সফরেই স্বাক্ষরিত হয়েছে চুক্তিটি।

    রাশিয়া সফরে জয়শঙ্কর

    এবার রাশিয়া সফরে গিয়ে জয়শঙ্কর যেমন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, তেমনি তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছে ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার ডেনিস মান্টুরোভের সঙ্গেও। দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়। জয়শঙ্কর বলেন, “আমরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছি। এতে কুদনকুলাম পারমাণবিক প্রজেক্টের ভবিষ্যৎ ইউনিট স্থাপন করা অনায়াস হবে।”

    পুরোদমে উৎপাদন শুরু কবে?

    রাশিয়ান প্রযুক্তির সহায়তায় তামিলনাড়ুতে তৈরি হচ্ছে কুন্দনকুলাম পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র। ২০০২ সালের মার্চ মাসে শুরু হয়েছিল নির্মাণ কাজ। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ১০০০ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। ২০২৭ সাল থেকে পুরোদমে উৎপাদন শুরু হয়ে যাবে।

    বৈঠক শেষে ট্যুইট করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S jaishankar)। তিনি লিখেছেন, “দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে ডেনিস মান্টুরোভের সঙ্গে আমার ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বাণিজ্য, অর্থনীতি, শক্তি, সিভিল অ্যাভিয়েশন এবং নিউক্লিয়ার ডোমেইন নিয়ে উল্লেখযোগ্য আলোচনা হয়েছে।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “ভারতে যে নয়া সুযোগগুলি সৃষ্টি হচ্ছে, সেগুলির ওপরও আলোকপাত করা হয়েছে। রাশিয়ান ফার ইস্টে সহযোগিতা বাড়াতেও আলোচনা হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: পুষ্পবৃষ্টিতে ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী, অযোধ্যায় বর্ণাঢ্য রোড শো-য়ে হাত নেড়ে অভিবাদন মোদির

    জয়শঙ্কর বলেন, “আমরা যৌথভাবে স্থলে ও জলে সহযোগিতা আরও বাড়াব। পারমাণবিক শক্তি এবং ওষুধ, ফার্মাসিউটিক্যাল দ্রব্য এবং মেডিক্যাল ডিভাইসের ওপর চুক্তি সইয়ের সাক্ষী আমি।” তিনি জানান, জানুয়ারি মাসের মধ্যেই দু তরফই চাইছে তাদের প্রতিনিধি দলের মধ্যে আলোচনা হোক। ভারত ও ইউরেশিয়ান ইকনোমিক জোনের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও মুখোমুখি বৈঠক হবে ওই মাসের মধ্যেই। ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে পেমেন্ট সিস্টেম প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর (S jaishankar) বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি এমন একটা পথ খুঁজে বের করতে যাতে দুই দেশই ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ডিল করতে পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।  

     

  • Ram Mandir: ভোটাভুটি করে বেছে নেওয়া হল রামলালার মূর্তি, কেমন দেখতে জানেন?

    Ram Mandir: ভোটাভুটি করে বেছে নেওয়া হল রামলালার মূর্তি, কেমন দেখতে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনটি মূর্তি। তার মধ্যে একটিই ঠাঁই পাবে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহে। সেই বিগ্রহেই হবে প্রাণপ্রতিষ্ঠা। কোন মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে, সেটি বেছে নিয়েছে রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। ট্রাস্টের তরফে বিমলেন্দ্র মোহন প্রতাপ মিশ্র জানান, রামলালার যে মূর্তিটি মন্দিরের গর্ভগৃহে বসানো হবে, সেটি পছন্দ করা হয়ে গিয়েছে।

    কেমন দেখতে রামলালার মূর্তি?

    প্রাণপ্রতিষ্ঠার জন্য সেটি মন্দিরে নিয়ে আসা হবে আগামী মাসে। শুক্রবার তিনি বলেন, “মন্দিরে কোন মূর্তিটি প্রতিষ্ঠিত হবে, সেটি ঠিক করতেই বৈঠক হয়েছে এদিন। মূর্তিও পছন্দ করা হয়েছে।” প্রসঙ্গত, রাম মন্দির নির্মাণ এবং মন্দির পরিচালনা করছে এই ট্রাস্ট। বিমলেন্দ্র বলেন, “যে মূর্তিটি সবার পছন্দ হয়েছে, সেটি দেখলে মনে হবে যেন আপনার সঙ্গে কথা বলছে। একবার যদি দেখেন, আপনি মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে যাবেন।” তিনি বলেন, “যদি এক সঙ্গে অনেকগুলি মূর্তি রাখা হয়, তাহলে আপনার চোখ গিয়ে থামবে সেরা (Ram Mandir) মূর্তিটিতে গিয়ে।”

    মূর্তি পছন্দে ভোটাভুটি 

    এদিনের বৈঠকেও আমার দৃষ্টি যে মূর্তিটিতে গিয়ে স্থির হয়ে গিয়েছিল, সেটির পক্ষেই আমি ভোট দিই। এরপর চম্পত রাই (ট্রাস্টের সম্পাদক) ঠিক করেছেন। এনিয়ে ভোটাভুটি হয়েছিল। আমরা আমাদের মতামত দিয়েছিলাম। যে মূর্তিটির পক্ষে সবাই ভোট দিয়েছেন, সেই মূর্তিটিই প্রাণপ্রতিষ্ঠার জন্য নিয়ে আসা হবে। এই মূর্তিটির মধ্যে একটি স্বর্গীয়ভাব রয়েছে। সেটি সত্যিই শিশুর মতো দেখতে।” জানুয়ারির ২২ তারিখে রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত হবে রামলালার মূর্তি। তবে বিগ্রহ-দর্শন শুরু হবে ২৩ তারিখ থেকে। যদিও মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠান পর্ব শুরু হয়ে যাবে ১৬ জানুয়ারি থেকে। এদিন থেকে শুরু হবে অক্ষত সংগ্রহ।

    আরও পড়ুুন: গোলাপের পাপড়িতে শ্রীরাম! থাকবে মোদির ছবিও, রাম মন্দিরের উদ্বোধনে অভিনব ফুল

    আরও কিছু মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান শেষে ২২ জানুয়ারি হবে মূর্তির প্রাণপ্রতিষ্ঠা। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। এর মধ্যে যেমন থাকবেন রাজনীতিবিদরা, তেমনি থাকবেন শিক্ষা, বিনোদন-সব বিভিন্ন ক্ষেত্রের লোকজন। বিদেশের বহু অভ্যাগতও যোগ দেবেন এই অনুষ্ঠানে। সেই কারণেই সাধারণ দর্শনার্থীরা এদিন প্রবেশ করতে পারবেন না মন্দিরে। তাঁরা দেবদর্শন করতে পারবেন ২৩ জানুয়ারি থেকে। ট্রাস্টের দাবি, এদিন থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫০-৫৫ হাজার মানুষ অযোধ্যায় আসবেন রাম মন্দির (Ram Mandir) দর্শনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: মানবিক বিএসএফ! সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মেয়ে

    BSF: মানবিক বিএসএফ! সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মেয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম লিয়াকত মণ্ডল। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার হরিহরপুরে। বেশ কয়েকবছর আগে বাংলাদেশের এক যুবকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন। মেয়ে এখন বাংলাদেশের নাগরিক। অসুস্থতার কারণে লিয়কত সাহেবের মৃত্যু হয়। বিএসএফের (BSF) সহযোগিতায় মৃত বাবাকে শেষ দেখা দেখতে পেলেন সীমান্তের ওপারে থাকা মেয়ে। সাদা কাপড়ে মোড়া বাবার দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি। বিএসএফের মানবিক মুখ দেখলেন সকলে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (BSF)

    বাবার মৃত্যুর খবর বাংলাদেশে থাকা মেয়ের কাছে পৌঁছেছিল। কিন্তু, পাসপোর্ট জটে আটকে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে আসতে পারেননি বাংলাদেশের বাসিন্দা মেয়ে। আর দ্রুত পাসপোর্ট ভিসা তৈরি করে তাঁর পক্ষে আসা সম্ভব ছিল না। বিজিবি- বিএসএফের (BSF) কাছে তাঁর কাতর আবেদন ছিল, যেন একবার বাবাকে শেষ দেখা দেখতে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কারণ, বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে মেয়ে আসতে চেয়েছিলেন পৈতৃক ভিটেতে। তাঁর ইচ্ছা ছিল, বাবার মৃতদেহ শেষবার দেখার। লিয়াকত সাহেবের পরিবারের লোকজন হরিহরপুর গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যকে বিষয়টি জানান। পঞ্চায়েত সদস্য মধুপুর ক্যাম্পের বিএসএফ কর্তাদের অনুরোধ করেন, লিয়াকত সাহেবের মেয়েকে যাতে শেষবারের মতো বাবাকে দেখতে দেওয়া হয়। এরপরই বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বিজিবি-র মাধ্যমে মেয়েকে দু’দেশের জিরো পয়েন্টে আনার কথা বলা হয়। এরপরই সীমান্তের জিরো পয়েন্টে লিয়াকতের মৃতদেহ আনা হয়। ওপার থেকে মেয়েও আসেন। শেষমেশ বিএসএফের (BSF) সহযোগিতায় জিরো পয়েন্টে লিয়াকত সাহেবের দেহ আনা হয়। বাবাকে শেষ দেখার পাশাপাশি শেষ শ্রদ্ধাও জানান মেয়ে।

    বিএসএফ নিয়ে কী বললেন বাংলাদেশের বধূ?

    লিয়াকত সাহেবের মেয়ে বলেন, ‘বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে মন ছটফট করছিল। কিন্তু, দুদেশের আইনি জটে সীমান্ত পেড়িয়ে আসা সম্ভব হচ্ছিল না। কিন্তু, বিএসএফ (BSF) উদ্যোগী হওয়ায় বাবার সঙ্গে শেষ দেখা করতে পারলাম। বিএসএফের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan General Polls: পাক ভোট-ময়দানে ইতিহাস, পিপিপির হয়ে লড়বেন হিন্দু তরুণী চিকিৎসক!  

    Pakistan General Polls: পাক ভোট-ময়দানে ইতিহাস, পিপিপির হয়ে লড়বেন হিন্দু তরুণী চিকিৎসক!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৮ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন পাকিস্তানে (Pakistan General Polls)। এদিনই হবে প্রভিন্সিয়াল অ্যাসেম্বলির নির্বাচনও। এই সাধারণ নির্বাচনেই অংশ নিচ্ছেন এক হিন্দু মহিলা। খাইবার পাখতুনখাওয়ার বুনের জেলা থেকে প্রার্থী হবেন পেশায় চিকিৎসক শাবিরা পরকাশ। এজন্য মনোনয়নপত্র জমাও দিয়েছেন তিনি।

    হিন্দু তরুণীর মনোনয়ন জমা

    ২৩ ডিসেম্বর মনোনয়ন জমা দিয়েছেন শাবিরা। তবে খবরটির গুরুত্ব অন্যত্র। সেটি হল শাবিরাই প্রথম হিন্দু মহিলা যিনি অংশ নিতে চলেছেন পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে। পাকিস্তান পিপলস পার্টির টিকিটে প্রার্থী হচ্ছেন তিনি। গত ৩৫ বছর ধরে এই দলের সক্রিয় সদস্য তাঁর বাবা ওম পরকাশ। ওম অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসক। খবরটি আম জনতার নজর কেড়েছে অন্য একটি কারণেও। সেটি হল শাবিরাই বুনেরের প্রথম মহিলা যিনি নামছেন নির্বাচনের ময়দানে।

    কী বললেন শাবিরা?

    ২০২২ সালে অ্যাবোটাবাদ ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ থেকে স্নাতক হয়েছেন শাবিরা। তিনি পিপিপির বুনের মহিলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক। মনোনয়নপত্র পেশ (Pakistan General Polls) করে শাবিরা জানান, বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে এলাকায় দরিদ্রদের জন্য কাজ করতে চান তিনি। মহিলাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশেরও ব্যবস্থা করতে চান এই মহিলা চিকিৎসক। এলাকায় মহিলাদের কল্যাণেও কাজ করতে চান তিনি। মহিলাদের অধিকার রক্ষার্থেও কাজ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন শাবিরা। তিনি বলেন, “মহিলারা নির্যাতিতা, উপেক্ষিতা, বিশেষত উন্নয়নের ক্ষেত্রে।”

    আরও পড়ুুন: ‘বিজেপি বঙ্গবাসীকে দেবে আয়ুষ্মান ভারত’, বললেন শুভেন্দু

    বুনেরের এই মহিলা চিকিৎসক জানান, বাবার কাছে প্রথম তিনি প্রার্থী হতে চান বলে ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর বাবা কথা বলেন দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে। সেখানে ছাড়পত্র মেলায় মনোনয়নপত্র পেশ করেছেন শাবিরা। তিনি জানান, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করতে গিয়ে অব্যবস্থা, অসহায়তা দেখেছেন। সেসব দূর করতেই নির্বাচনী ময়দানে নামছেন তিনি। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর শাবিরা পাশে পেয়ছেন অনেককেই। এঁদের মধ্যে একজন বুনের সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সিয়ার ইমরান নশাদ খান।

    তিনি বলেন, “শাবিরা গতানুগতিক পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, বানের পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ৫৫ বছর আগে। তার পর থেকে এই প্রথম কোনও মহিলা রাজনীতিতে নামছেন এবং ভোটে লড়ছেন।” প্রসঙ্গত, সাধারণ নির্বাচনে (Pakistan General Polls) পাঁচ শতাংশ মহিলাকে অন্তর্ভুক্ত করতে সম্প্রতি নিয়ম সংশোধন করেছে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ULFA Peace Deal: উলফার সঙ্গে কেন্দ্র ও অসম সরকারের স্বাক্ষর হল ত্রিপাক্ষিক শান্তিচুক্তি

    ULFA Peace Deal: উলফার সঙ্গে কেন্দ্র ও অসম সরকারের স্বাক্ষর হল ত্রিপাক্ষিক শান্তিচুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচ্ছিন্নতাবাদী নিষিদ্ধ ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ অসম বা উলফা (ইউএলএফএ) সংগঠনের সঙ্গে শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে অসম সরকার এবং কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক স্থায়ী শান্তিচুক্তি (ULFA Peace Deal) স্বাক্ষরিত হল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, “এই চুক্তির ফলে উত্তরপূর্ব সীমান্তে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ বন্ধ হবে। সেই সঙ্গে ভেঙে দেওয়া হবে উলফা (ইউএলএফএ)।”

    কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ULFA Peace deal)?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে উলফা নেতৃত্বদের আশ্বস্ত করতে চাই। ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তির (ULFA Peace Deal) প্রক্রিয়াকে সফল করবার জন্য তাঁদের আহ্বান জানাবো। কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতা করা হবে। উত্তর-পূর্বের অনেক এলাকায় সশস্ত্র বাহিনীর আইন এএফএসপিএ অপসারণই প্রমাণ করে দিয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদ বর্তমানে সমাপ্তির পথে।”

    চুক্তি স্বাক্ষরে ২৯ জনের প্রতিনিধি

    সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরপূর্ব ভারতের অসমে বিচ্ছিন্নতাবাদের উপর একটি অতি সক্রিয় সংগঠন ছিল উলফা। এদিন উলফার মোট ২৯ জনের একটি প্রতিনিধির দল দিল্লিতে চুক্তি স্বাক্ষর করতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৬ জন সংগঠনের সদস্য এবং বাকি ১৩ জন সাধারণ নাগরিক ছিলেন। এই চুক্তিটি তাৎপর্যপূর্ণ চুক্তি কারণ, এই নিষিদ্ধ সংগঠন উলফার বিচ্ছিন্নতাবাদ অসম রাজ্যে অত্যন্ত সক্রিয় ছিল। বিদ্রোহী সংগঠনকে প্রশমন করতেই উলফার সঙ্গে কেন্দ্র ও অসম সরকারের সাথে চুক্তিতে (ULFA Peace Deal) স্বাক্ষর হল। দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন শুধু আসাম নয়, গোটা উত্তরপূর্বের জন্য এই চুক্তি শান্তির বাতাবরণ তৈরি করবে।

    উলফা ১৯৭৯ সাল থেকেই সক্রিয়

    এই নিষিদ্ধ সংগঠন উলফা, অসমে ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ থেকে আগত অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিল। এরপর ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অরবিন্দ রাজখোয়ার নেতৃত্বে অভ্যন্তরীণ লড়াইকে অব্যহতি দিয়ে অসম রাজ্য সরকারের সাথে নিঃশর্ত আলোচনায় সম্মত হয়। এরপর থেকে এই উলফা দুই দলে ভাগ হয়ে যায়। একটি দলের নেতা ছিলেন পরেশ বড়ুয়া, অনুপ চেটিয়া। তাঁরা নিজেদের ভাবনায় স্থির থেকে সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিপক্ষে মত দেন। অপরদিকে যে দলটি আলোচনা চেয়েছেন, তাঁরা অসমের মূলনিবাসীদের পরিচয় এবং তাঁদের সম্পদের সুরক্ষায় রাজ্যের কাছে রাজনৈতিক, সাংবিধানিক সংস্কার চেয়ে জমির অধিকার দাবি করেন। কেন্দ্র সরকার এই চুক্তির বিষয়ে গত এপ্রিল মাসে একটি চুক্তি (ULFA Peace Deal) প্রস্তাবের খসড়া পাঠিয়েছিল। এরপরে গত দুই সপ্তাহ আগে দিল্লিতে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। ২৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে উলফার প্রতিনিধি দল আসার পর কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের সঙ্গে একাধিক পর্বে আলোচনা হয়েছিল। উত্তরপূর্বে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং বিচ্ছিন্নাবাদকে প্রশমন করতে কেন্দ্রীয় সরকার গত তিন বছরে আসামের বিদ্রোহী বড়ো, ডিমাসা, কার্বি এবং বিভিন্ন আদিবাসী সংগঠনগুলির সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share