Tag: Bengali news

Bengali news

  • Modi Krishnanagar Rally: “টিএমসি মানেই তু, ম্যায় অউর করাপশান”, জনসভায় তোপ মোদির

    Modi Krishnanagar Rally: “টিএমসি মানেই তু, ম্যায় অউর করাপশান”, জনসভায় তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূল কংগ্রেস মানেই তু, ম্যায় অউর করাপশান, এখানকার দুষ্কৃতীরাই শেষ কথা বলে। কখন তারা আত্মসমর্পণ করবে আর কখন গ্রেফতার হবে। তৃণমূল মানেই অত্যাচার এবং দুষ্কৃতীর দ্বিতীয় নাম। তৃণমূল মানেই বিশ্বাসঘাতক। তৃণমূল সরকার সব স্কিমকে স্ক্যামে পরিণত করে তুলেছে। স্কিমকে স্ক্যামে পরিণত করায় মাস্টারি করেছে তৃণমূল।” তোপ দেগে ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ নদিয়ার কৃষ্ণনগরে (Modi Krishnanagar Rally) তৃণমূল সরকারের একাধিক দুর্নীতির অভিযোগকে হাতিয়ার করে তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি। রাজ্যে তৃণমূল বার বার ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে অভিযোগ করলে পালটা মোদি জাবাব দিলেন বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    কী বললেন মোদি? (Krishna Nagar)

    কৃষ্ণনগর কলেজের মাঠে মোদি (Modi Krishnanagar Rally) আজ বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের মানে বদলে গিয়েছে। টিএমসি-র নতুন মানে হল তু, ম্যায় অউর করাপশন হি করাপশান। বাড়ি বাড়ি গিয়ে যুবকরা একটি তথ্য দিন – মনরেগাতে ২৫ লক্ষ ভুয়ো জব কার্ড তৈরি হয়েছে। যে জন্ম গ্রহণ করেননি তাঁরও ভুয়ো জবকার্ড তৈরি হয়েছে। যে টাকা গরিব শ্রমিকের প্রাপ্য ন্যায্য টাকা, তা তৃণমূলের তোলাবাজরা তুলে নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ৬ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৫ বছর পর্যন্ত এই রেশন দেওয়া হবে। কিন্তু এই প্রকল্পে তৃণমূল জোর করে নিজেদের স্টিকার লাগিয়ে দিচ্ছে। ওঁরা গরিবের রেশন লুট করেছে।”

    মোদির গ্যারান্টি নিয়ে কী বললেন?

    কৃষ্ণনগর সভা থেকে মোদি (Modi Krishnanagar Rally) তৃণমূলকে সমালোচনা করে আরও বলেন, “নরেন্দ্র মোদি গ্যারান্টি দিয়েছিল কল্যাণীতে এইমস হাসপাতাল তৈরি করা হবে। সেখানে আজ এইমস হাসপাতাল তৈরি হয়েছে। তাও এ রাজ্যের তৃণমূল সরকারের পছন্দ হয়নি। বিজেপি সরকার আয়ুষ্মান প্রকল্পে পাঁচ লাখ করে চিকিৎসায় টাকা দেওয়ার সুবিধা করেছে। কিন্তু টিএমসি সরকার তা কার্যকর করতে দিচ্ছে না এই রাজ্যে। স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে শুরু করে মেডিক্যাল কলেজ আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই রাজ্যের পাট চাষী এবং জুট মিলগুলির জন্য আরও অনেক টাকা বরাদ্দ করা হবে।”

    ১১ কোটি টাকা বিনিয়গের ঘোষণা

    এদিন জনসভায় যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী (Modi Krishnanagar Rally) কৃষ্ণনগর সরকারি সভায় ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। ফরাক্কা থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত ৪ লেনের জাতীয় সড়ক উদ্বোধন করেন তিনি। বাজারসাউ-আজিমগঞ্জ ডবললাইন রেলপথের উদ্বোধন করেন তিনি। একই সঙ্গে পুরুলিয়ার তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের সূচনা করেন আজ। এই প্রকল্পে ১১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: চিনা-ঝান্ডা বিতর্কের জের! স্ট্যালিনকে মান্দারিন ভাষায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা বিজেপির

    BJP: চিনা-ঝান্ডা বিতর্কের জের! স্ট্যালিনকে মান্দারিন ভাষায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনা-ঝান্ডা বিতর্কের জেরে সরগরম তামিলনাড়ুর রাজনীতি। এমতাবস্থায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাল বিজেপি (BJP)। তবে তামিল ভাষায় নয়, পদ্ম শিবিরের তরফে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে চিনের সরকারি ভাষা মান্দারিনে। ১ মার্চ জন্মদিন ছিল স্ট্যালিনের। সেদিনই ডিএমকে নেতাকে মুখের মতো করে চিন-প্রীতির জবাব দিল পদ্ম শিবির।

    জন্মদিনের শুভেচ্ছা

    বিজেপির (BJP) তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা হয়েছে, “এখানে আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী থিরু এমকে স্ট্যালিন আভরগলকে তাঁর পছন্দের ভাষায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই। তিনি দীর্ঘজীবী হোন, সুস্থ জীবন যাপন করুন।” কথাগুলি লেখা হয়েছে মান্দারিন ভাষায়। তামিলনাড়ু বিজেপির ইউনিট প্রেসিডেন্ট ডিএমকে নেতার চিন-প্রেমের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “ডিএমকের এই কাজ আমরা সমর্থন করি না। এটি ইসরোর বিজ্ঞানী ও দেশের ভাবমূর্তির পক্ষে অপমানজনক। এটি ডিএমকের সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচায়ক।”

    ইসরোর লঞ্চপ্যাডের উদ্বোধন

    সম্প্রতি তামিলনাড়ুতে ইসরোর একটি লঞ্চপ্যাডের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে একটি রকেট দেখা গিয়েছে। অভিযোগ, তাতে রয়েছে চিনের পতাকার চিহ্ন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি কে আন্নামালাই এক্স হ্যান্ডেলে এই বিজ্ঞাপনের বিরোধিতা করে লেখেন, “ভারতের সার্বভৌমত্বকে অবজ্ঞা করেছে।”

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “এই বিজ্ঞাপন দেখায়, ডিএমকে চিনের প্রতি কতটা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এই দলটি দুর্নীতিতে সিদ্ধ। ইসরো যেদিন থেকে দ্বিতীয় লঞ্চ প্যাডের কথা ঘোষণা করেছে, সেদিন থেকে ডিএমকে মরিয়া হয়ে উঠেছে। অতীতের ত্রুটি ধামাচাপা দিতেই ওরা এতটা মরিয়া।” তিনি বলেন, “প্রথম লঞ্চিং প্যাডের জন্য ইসরো তামিলনাড়ুকেই প্রথমে বেছে নিয়েছিল। কিন্তু সে সময় রাজ্য সরকারের অপদার্থতা দেশের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে তামিলনাড়ুর মুখ পুড়িয়েছিল। সেই ডিএমকে এখনও বদলায়নি। বরং আরও খারাপ হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: “স্বাধীনতার পর বাংলা আর এগোয়নি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের দুই বহুল প্রচারিত দৈনিকে বিজ্ঞাপনটি দেওয়া হয়েছিল। তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এম করুণানিধি ও বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের কৃতিত্ব প্রচার করাই ছিল বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য। বিতর্কের সূত্রপাত সেই বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করেই (BJP)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     

     

     

  • Mahadev Online Betting App: মহাদেব অনলাইন বেটিং মামলায় ৫৮০ কোটি টাকা ‘ফ্রিজ’ করল ইডি

    Mahadev Online Betting App: মহাদেব অনলাইন বেটিং মামলায় ৫৮০ কোটি টাকা ‘ফ্রিজ’ করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাদেব অনলাইন বেটিং অ্যাপ (Mahadev Online Betting App) মামলায় বেআইনিভাবে আয় করা ৫৮০ কোটি টাকা ফ্রিজ করল ইডি। এছাড়াও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশি অভিযানের মাধ্যমে ১.৮৬ কোটি টাকা এবং ১.৭৮ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই বেটিং সংস্থার বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযানে নামে। দিল্লি, কলকাতা, রায়পুর, ইন্দোর ও গুরুগ্রামে এই অভিযান চালানো হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বেটিং অ্যাপের মাধ্যমে অন্তত ৬ হাজার কোটি টাকা বেআইনিভাবে আয় করেছে এই সংস্থা। বিপুল অঙ্কের টাকা হাওলার মাধ্যমে পাচার করা হয়েছে বলে মনে করছেন ইডি আধিকারিকরা। বেটিং অ্য়াপের (Mahadev Online Betting App) মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার কাজও চলত বলে জানতে পেরেছেন ইডির গোয়েন্দারা।

    আরও ২টি বেটিং অ্যাপ চালাত এই সংস্থা 

    জানা গিয়েছে, এই বেটিং সংস্থার তরফ থেকে ‘রেডি আন্না’ এবং ‘ফেয়ার প্লে’- এর মতো অন্যান্য অনলাইন বেটিং-ও চালানো হতো। ইডি আধিকারিকরা তদন্তে জানতে পেরেছেন, কলকাতার বাসিন্দা হরিশঙ্কর টিবরেওয়াল নামের একজন বর্তমানে দুবাইয়ে থাকেন। যিনি মহাদেব বেটিং অ্যাপের বেআইনি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। টাকা পাচারে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি। অনলাইন বেটিং অ্যাপের (Mahadev Online Betting App) এই মামলাতে ইতিপূর্বেই অসীম দাস, ভীম সিং যাদব, চন্দ্রভূষণ বর্মা, অনিল কুমার আগরওয়াল প্রমুখ ব্যক্তিদের ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে ইডি।

    বলিউড যোগ?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় ছত্তিশগড়ের একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও সরকারি আমলার যোগ রয়েছে। ইডির দাবি, এখনও পর্যন্ত এই মামলায় ছত্তিশগড় ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ, মুম্বই ও দিল্লির ১৫ জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে। মহাদেব বেটিং অ্যাপ (Mahadev Online Betting App) মামলায় বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতা ও বলিউড অভিনেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: নির্বাচনে কড়া নজরদারির জন্য কমিশন তৈরি করল বিশেষ অ্যাপ

    Election Commission: নির্বাচনে কড়া নজরদারির জন্য কমিশন তৈরি করল বিশেষ অ্যাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী হিসেব এবার অ্যাপেও। ফলে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত নির্বাচনের সময় নির্বাচনের হিসেব দেখভাল করার জন্য যে এজেন্সিগুলি কাজ করত, সেখানে হাতে কলমে কাজ করা হত এবং সেই সঙ্গে হাতে কলমেই হিসাব পাঠানো হত। এবার থেকে এই প্রথম তৈরি করা হল একটি অ্যাপ। এই অ্যাপের সাহায্যে নির্বাচনের আয়-ব্যয় সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ের ওপর নজর রাখতে পারবে নির্বাচন কমিশন।

    কমিশন সূত্রে খবর (Election Commission)

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, যে মুহূর্তে ২২টি এজেন্সি থেকে কোনও কিছু তথ্য পাওয়া যাবে, সেই তথ্য তৎক্ষণাৎ আপলোড করা হবে ওই অ্যাপে। শুধু তাই নয়, একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলিও যদি কোনরকম ভাবে কমিশনের নিয়মবহির্ভূত কোনও কাজ করতে যায় তাও তৎক্ষণাৎ ওই অ্যাপের মাধ্যমেই ধরা পড়ে যাবে। অর্থাৎ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এক নিমেষে সকলের কাজকে হাতের মুঠোর মধ্যে আনতেই কমিশনের এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এরই পাশাপাশি শুক্রবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে একজন আন্ডার সেক্রেটারি পদাধিকারী সহ ২ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল আসে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে। যেখানে কমিশনের সমস্ত প্রযুক্তির ওপর নির্ভরকারী অ্যাপকে নিয়ে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেন তাঁরা। 

    জবাবদিহি করতে হবে কমিশনের কাছে

    বিশেষত এই অ্যাপে সবকিছুতেই একটি সময় নির্ধারণ করা আছে। সেই সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে সংশ্লিষ্ট কাজ, না হলে ওই অ্যাপ আর কোনও কাজ করবে না। কোনও প্রার্থী তাঁর মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর তাঁকে তা সঙ্গে সঙ্গেই ওই অ্যাপের মধ্যে আপলোড করতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। কারও সময় যদি পেরিয়ে যায়, তাহলে ওই অ্যাপে আর কোনও কাজ করা যাবে না। এখানেই শেষ নয়। কেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা যায়নি, তার জবাবদিহি করতে হবে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে। এক কথায় বলাই যায় কমিশন এবার সব দিক থেকেই রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে। কোনও কিছুতেই কাউকেই রেয়াত করতে রাজি নয় জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “স্বাধীনতার পর বাংলা আর এগোয়নি”, কৃষ্ণনগরে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “স্বাধীনতার পর বাংলা আর এগোয়নি”, কৃষ্ণনগরে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “স্বাধীনতার পর বাংলা আর সে রকম এগোয়নি। অনেক সম্ভাবনা থাকলেও, বাংলা পিছিয়ে পড়তে থাকে।” শনিবার কৃষ্ণনগরের জনসভায় এক গুচ্ছ কর্মসূচির উদ্বোধন করে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “রেল পশ্চিমবঙ্গের গৌরবের একটি অধ্যায়। অথচ সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পিছিয়ে পড়তে থাকে বাংলা। গত দশ বছরে আমরা ওই ব্যবধান মেটানোর জন্য রেলের আধুনিকীকরণে বেশি করে জোর দিয়েছি। এখন বাংলায় রেলের জন্য আগের চেয়ে দ্বিগুণ অর্থ খরচ হচ্ছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আরামবাগে সাত হাজার কোটি টাকার বিকাশ যোজনার প্রকল্পের শিলান্যাস ও সূচনা করেছি, আজও ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও সূচনা করছি। এর ফলে রোজগারের নতুন পথ খুলবে। বাংলার যুবক-যুবতীদের সহায়তা করবে। রাজ্যকে বিকশিত ভারতের অংশ করার জন্য আমরা কাজ করে চলেছি।” তিনি বলেন, “পূর্ব ভারতের জন্য পশ্চিমবঙ্গ আমাদের দেশের কয়েকটি রাজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য আকাশপথ থেকে সড়কপথ, রেলপথের আধুনিকীরণের কাজ করছে আমাদের সরকার। আজ ফরাক্কা থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত জাতীয় সড়কের উদ্বোধন হল। দু হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এখন অর্ধেক সময়ে যাতায়াত করতে পারবেন দুটি জায়গার মানুষ।”

    চারটি রেল প্রকল্পের উদ্বোধন

    কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজের মাঠে এদিন প্রধানমন্ত্রী চারটি রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। রেলওয়ে, পেট্রোলিয়াম সহ বেশ কিছু প্রকল্পও ছিল। ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন তিনি। আজিমগঞ্জ-মুর্শিদাবাদ রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বাজারসৌ-আজিমগঞ্জ ডবল রেল লাইনের উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: শিবরাত্রি কেন পালন করা হয়? মহাদেবের মাথায় জল ঢালার কারণ জানেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, “১১ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে রঘুনাথপুর এসটিপিপি ফেজ, ২১ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে মেজিয়া থার্মাল পাওয়ার স্টেশন তৈরি হয়েছে। আজিমগঞ্জ থেকে মুর্শিদাবাদ পর্যন্ত নয়া রেললাইনের সূচনা হয়েছে। রামপুরহাট থেকে মুরারই পর্যন্ত ২৯.৪৮ কিলোমিটার থার্ড রেল পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গবাসী।

    প্রসঙ্গত, শুক্রবারই আরামবাগে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সিলিন্ডারে এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট, কলকাতা বন্দরের নতুন কয়েকটি প্রকল্প, কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের আধুনিকীকরণের প্রকল্প এবং রাজ্যের তিনটি রেল প্রকল্পের সূচনাও করেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • Kolkata Metro: প্রকাশিত ভাড়া-তালিকা, ৬ মার্চ মোদির হাতে উদ্বোধন গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রোর?

    Kolkata Metro: প্রকাশিত ভাড়া-তালিকা, ৬ মার্চ মোদির হাতে উদ্বোধন গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রোর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদির বঙ্গ সফরের মধ্যেই হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড-সহ ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর বিভিন্ন স্টেশনের ভাড়ার তালিকা শুক্রবারই প্রকাশ পেয়েছে। মেট্রো রেল (Kolkata Metro) কর্তৃপক্ষের ভাড়ার তালিকা প্রকাশের পড়েই জোর চর্চা চলছে তবে কি প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়েই উদ্বোধন হবে গঙ্গার নীচে মেট্রো প্রকল্পের? প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, তাহলে কি শীঘ্রই চালু হতে চলেছে হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা?

    ৬ মার্চ মোদির হাতে উদ্বোধন?

    প্রসঙ্গত, দু’দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার আরামবাগে সভা করেন তিনি। আজ শনিবার কৃষ্ণনগরে সভা রয়েছে মোদির। বিজেপি সূত্রে খবর, সব ঠিক থাকলে আগামী ৬ মার্চ ফের রাজ্যে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। বারাসতে সেদিন সভা হওয়ার কথা। মনে করা হচ্ছে সেই দিনই প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়ে উদ্বোধন হবে হাওড়া ময়দান-এসপ্ল্যানেড রুট সহ শহরের তিন মেট্রো পরিষেবার। তবে এ নিয়ে নিশ্চয়তা কিছু নেই এখনও।

    প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর মিলবে ট্রেন

    মেট্রো রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, ‘‘খুব শীঘ্রই মেট্রো হাওড়া ময়দান পর্যন্ত চালু (Kolkata Metro) হবে। হাওড়া থেকে রুবি বা দক্ষিণেশ্বর যেতে কত লাগবে, তার ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করা হল।’’ গত বছরের ডিসেম্বর মাসেই হাওড়া ময়দান ও এসপ্ল্যানেডের মধ্যে পরিষেবা চালু করার লক্ষ্য স্থির করেছিল মেট্রো। পরে অবশ্য মেট্রোর তরফ থেকে জানানো হয় নতুন বছরের প্রথম দিকেই চালু হয়ে যাবে ৪.৮ কিলোমিটারের এই মেট্রোপথ (Kolkata Metro)। সূত্রের খবর, পরিষেবা চালু হয়ে গেলে ওই পথে ১৫ মিনিট অন্তর ট্রেন চালাবে কর্তৃপক্ষ। মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পরিষেবা চালু রাখার কথাও প্রাথমিক পরিকল্পনায় রয়েছে।

    গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটবে মেট্রো

    গঙ্গার উপরের জলস্তর থেকে ৩৩ মিটার নীচে সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে ছুটবে মেট্রো। নদী খাতের আরও ১৩ মিটার গভীরে রয়েছে জোড়া সুড়ঙ্গ। মেট্রোযাত্রীদের মাথার উপর দিয়ে বয়ে যাবে গঙ্গা নদী। কখন মেট্রো গঙ্গার নীচে প্রবেশ করছে তাও জানতে পারবেন যাত্রীরা। এর পাশাপাশি গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো যাওয়ার সময় যাত্রীরা (Kolkata Metro) ফোনে কথাও বলতে পারবেন। এ জন্য উচ্চমানের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। নদীর তলায় মাটির গভীরে বসানো হয়েছে অপটিক্যাল ফাইবারও। তাই, ইন্টারনেটও ব্যবহার করা যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bengaluru Blast: বেঙ্গালুরুর ক্যাফেতে আইইডি বিস্ফোরণ, সন্ত্রাস যোগ? ঘটনাস্থলে এনআইএ

    Bengaluru Blast: বেঙ্গালুরুর ক্যাফেতে আইইডি বিস্ফোরণ, সন্ত্রাস যোগ? ঘটনাস্থলে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্যান্য ব্যস্ত দিনের মতোই শুক্রবারও বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে ভিড় লেগেছিল। দুপুর দেড়টা নাগাদ হঠাৎই সেখানে বিস্ফোরণ ঘটে (Bengaluru Blast)। প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় ক্যাফেতে। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ কিন্তু পরে জানা যায় বোম বিস্ফোরণই হয়েছে। বোমা বিস্ফোরণে (Bengaluru Blast) আইইডি কাজে লাগানো হয়েছে বলেও জানিয়েছে কর্নাটক পুলিশ। সিসিটিভির যে ফুটেজ সামনে এসেছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিস্ফোরণের পরে একজন মহিলা মাটিতে পড়ে রয়েছেন এবং বাকিরা হুড়োহুড়ি শুরু করেছেন কোনও ভাবে প্রাণে বাঁচতে। এই ঘটনায় ৯ জন আহত হয়েছেন। ইতিমধ্যে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের টিম ওই বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করবে।

    সন্ত্রাস যোগ? ক্যাফে বিস্ফোরণে

    স্বাভাবিকভাবে বোম বিস্ফোরণ যখন হয়েছে তখন এর সঙ্গে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সংযোগ রয়েছে, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। সিসিটিভি ক্যামেরায় বিস্ফোরণের আগে এবং পরের মুহূর্ত ধরা পড়েছে। দেখা যাচ্ছে একজন ওয়েটার ক্যাফেতে আসা একজনকে খাবার দিতে প্রস্তুত হচ্ছেন। তখন এই বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণে ছাদের একাংশ উড়ে যায়। চারিদিকে ধোঁয়ায় ভর্তি হয়ে যায়। বিস্ফোরণে (Bengaluru Blast) একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ এবং দমকল বাহিনীর ঘটনাস্থলে এসে পরবর্তীকালে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়।

    কী বলছে পুলিশ?

    জানা যাচ্ছে ইতিমধ্যে তদন্তকারীদের রেডারে অনেকেই রয়েছেন। সাধারণভাবে দুটো বিষয় মাথায় রাখছেন এক্ষেত্রে তদন্তকারীরা। প্রথমত কর্পোরেট দুনিয়ায় প্রতিযোগিতা এবং অপরটি হল সন্ত্রাস। গত সপ্তাহেই নাকি সংকেত মিলেছিল, এই ক্যাফের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য অনেক কিছুই করা হতে পারে। একজন পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘‘আমরা একটি সিলিন্ডার বিস্ফোরণের খবর পেয়েছিলাম, রামেশ্বরম ক্যাফে থেকে। ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছতে সক্ষম হই দমকল বাহিনীকে (Bengaluru Blast) সঙ্গে নিয়ে। ঘটনাটি ঘটে দেড়টা থেকে দুটোর মধ্যে।

    কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী? 

    কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা শুনেছি যে একজন ব্যক্তি নাকি সেখানে একটি ব্যাগ রেখে যায়। সেই সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করছে পুলিশ এবং বর্তমানে তদন্ত চলছে।’’ কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, যে ব্যক্তি ব্যাগটি রেখেছিলেন তিনি ক্যাশ রেজিস্ট্রার থেকে একটি টোকেন চুরি করেছিলেন। এই কারণে ক্যাশিয়ারকেও বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে রাখা হয়েছে। ভারতীয় জনতা পার্টির লোকসভার সাংসদ তেজস্বী সূর্য এ বিষয়ে জানিয়েছেন যে ক্যাফের মালিকের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: শনিবার কৃষ্ণনগরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা, চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি

    Nadia: শনিবার কৃষ্ণনগরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা, চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল ২রা মার্চ নদিয়ার পূণ্যভূমিতে পা রাখতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর তার জেরেই নিরাপত্তা বেষ্টনীতে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা নদিয়া (Nadia) এবং কৃষ্ণনগর শহর। কৃষ্ণনগর গভমেন্ট কলেজ ময়দানে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে মোদির এই জনসভা। সেই সঙ্গে করবেন বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা। লোকসভা ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী আগমন যথেষ্টই রাজনৈতিক তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। উল্লেখ্য এই লোকসভার প্রাক্তন সাংসদ ছিলেন মহুয়া মৈত্র। টাকার বিনিময়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার অপরাধে তাঁর সাংসদ পদ বাতিল হয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা মামলায় তদন্ত করছে বলে জানা গিয়েছে।

    বিজপির বক্তব্য (Nadia)

    প্রধানমন্ত্রী আসার আগেই তাঁর সভাস্থলে চলছে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি। বিজেপি কর্মী সমর্থক থেকে শুরু করে জেলা এবং রাজ্য নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই সভাস্থল পরিদর্শন করে গেছেন। আজ সকাল থেকেও প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল পরিদর্শন করেন স্থানীয় বিজেপি কর্মকর্তারা। চলছে শেষ পর্বের চূড়ান্ত প্রস্তুতি। নদিয়া (Nadia) জেলা বিজেপির মিডিয়া কনভেনার সন্দ্বীপ মজুমদার বলেন, “শুধু জনসভাই নয়, জনসভা হওয়ার আগে গভমেন্ট কলেজ ময়দানের পাশেই আরও একটি সরকারি অনুষ্ঠান রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। যেখান থেকে মোদি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। তবে এই সরকারি প্রকল্প উদ্বোধনের মধ্যে নদিয়া জেলা তথা কৃষ্ণনগরের মানুষও বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত হবেন।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তবে প্রধানমন্ত্রীর নদিয়া (Nadia) জেলায় আগমনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। নদীয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবাশীষ রায় বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন একটি জায়গা তাঁর সভাস্থল হিসেবে বেছে নিয়েছেন, যেখানকার সংসদ ছিলেন মহুয়া মৈত্র। যিনি একের পর এক প্রশ্নবানে সংসদে বিজেপিকে ধরাশায়ী করেছে। তাঁকে কালিমালিপ্ত করে সংসদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিজেপি বুঝতে পেরেছে কৃষ্ণনগরের মাটিতে বিজেপির জয় কোনও ভাবেই সম্ভব নয়। তাই পায়ের তলার মাটি সরে যাওয়ার কারণেই আজ এই সভাস্থল কৃষ্ণনগরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তবে বাংলার মানুষ বিজেপিকে আর বিশ্বাস করে না। বাংলার মানুষ লোকসভা ভোটে বুঝিয়ে দেবে তৃণমূল কংগ্রেসই একমাত্র ভরসা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Seikh Shajahan: সিআইডির হেফাজতে শেখ শাহজাহান, জেরার মুখে কী বললেন জানেন?

    Seikh Shajahan: সিআইডির হেফাজতে শেখ শাহজাহান, জেরার মুখে কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তদন্তকারীদের প্রশ্নের সামনে মুখে যেন কুলুপ এঁটেছেন একদা সন্দেশখালির স্বঘোষিত বাঘ। শারীরিক ভাষায় ঝরে পড়ছে সেই এক ঔদ্ধত্য। ভেড়ি দখল, জমি দখল, শ্লীলতাহানি, ইডির ওপর হামলা, খুনের অভিযোগ যাঁর বিরুদ্ধে তাঁকে গতকালই দেখা গিয়েছিল পুলিশের সামনে স্পর্ধার সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে কোর্টে ঢুকছেন। সিআইডি অফিসারদের সামনে এমনই স্পর্ধা দেখাচ্ছেন তিনি, খবর সূত্রে। শুধুই উত্তর দিচ্ছেন, ‘‘এক কথা বারবার বলব না।’’

    আরও জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সারারাত ঘুমোননি তিনি। খাননি রাতের খাবারও। গত ৫ জানুয়ারি ইডির উপর হামলার ঘটনা ঘটে। তোলপাড় হয় সারা রাজ্য। এখানে নিজের ভূমিকার কথা মেনে নিয়েছেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে স্বীকার করেছেন যে, ইডির বিরুদ্ধে জনতাকে উস্কানি দিয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার পুলিশ সূত্রে এমনটাই জানানো হয়েছিল। এর পাশাপাশি সিআইডি-এর সঙ্গে অসহযোগিতা করছেন বলেই সূত্রের খবর রয়েছে। 

    লোকদেখানো সাসপেন্ড!  

    বৃহস্পতিবার ভোররাতেই মিঁনাখা থেকে সন্দেশখালির ‘ত্রাস’ শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁকে বসিরহাট মহকুমা আদালত গতকালই দশ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। বৃহস্পতিবারই সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল ভবন থেকে শাহজাহানকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এটা নিছকই লোকদেখানো। শাহজাহানের এতদিনের অপকর্মের খতিয়ান রাজ্য নেতাদের কাছে নেই, এমনটা হতে পারেনা।

    কী বলছে বিজেপি?

    বিজেপি তরফ থেকে গতকালই দাবি করা হয়েছে, গ্রেফতারির পর রাজকীয় কায়দায় আদালতে ঢুকতে দেখা যায় সন্দেশখালির কালপ্রিট শাহজাহানকে। তৃণমূল নেতার শারীরিক ভঙ্গি, পোশাক দেখলে মনে হবে না তিনি গ্রেফতার হয়েছেন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি  সুকান্ত মজুমদার এনিয়ে বলেন, ‘‘পুলিশ মাথা নীচু করে হাঁটছে, আর শাহজাহান তাঁদের মাঝখান দিয়ে গটগট করে মাথা উঁচু করে এজলাসে ঢুকলেন! যেন অলিম্পিকে পদক জিতে এসেছেন।’’ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, ‘‘পুলিশ যে শাহজাহানের কথাতেই চলে, তা এই দিন ওঁর আদালতে ঢোকা বা বেরনোর ছবি থেকেই স্পষ্ট। পুলিশই এতদিন শেল্টার দিয়ে রেখেছিল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • INS Jatayu: লক্ষদ্বীপ থেকে ভারত মহাসাগরে নজর রাখবে ‘জটায়ু’, চালু হচ্ছে দেশের নয়া নৌ-ঘাঁটি

    INS Jatayu: লক্ষদ্বীপ থেকে ভারত মহাসাগরে নজর রাখবে ‘জটায়ু’, চালু হচ্ছে দেশের নয়া নৌ-ঘাঁটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নজরে চিন ও মলদ্বীপ। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের শক্তি আরও এক ধাপ বাড়াতে এবার নতুন নৌ-ঘাঁটি চালু করতে চলেছে ভারত। আগামী সপ্তাহে, এই নতুন ঘাঁটিকে ‘কমিশন’ বা অন্তর্ভুক্ত করতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনা। লক্ষদ্বীপের মিনিকয় দ্বীপপুঞ্জে উঠে আসা নতুন এই নৌ-ঘাঁটির (নেভাল স্টেশন) নাম রাখা হয়েছে ‘আইএনএস জটায়ু’ (INS Jatayu)। 

    দেশের নতুন নৌ-ঘাঁটি ‘আইএনএস জটায়ু’

    প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আগামী ৪ মার্চ নতুন নৌ-ঘাঁটিকে দেশের উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেদিনের অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় করে রাখতে ওই অঞ্চলে মোতায়েন থাকবে নৌসেনার উভয় বিমানবাহী রণতরী— আইএনএস বিক্রান্ত ও আইএনএস বিক্রমাদিত্য। জানা গিয়েছে, ওইদিন একটি রণতরী থেকে উড়ে আরেকটি রণতরীতে অবতরণ করবে নৌসেনার প্রধান যুদ্ধবিমান মিগ-২৯কে। এছাড়া, দুই বিমানবাহী রণতরীর ‘ক্যারিয়ার ব্যাটল গ্রুপ’-এর অঙ্গ হিসেবে ওই এলাকায় উপস্থিত থাকবে নৌসেনার আরও একাধিক যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন।

    নজরে চিন-মলদ্বীপ আঁতাঁত

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে সীমিত সংখ্যক অফিসার ও কর্মীদের নিয়ে চালু করা হবে ‘আইএনএস জটায়ু’ (INS Jatayu)। এর পর ধীরে ধীরে আড়েবহরে তা প্রসারিত করা হবে। মন্ত্রক সূত্রে খবর, আরব সাগর ও ভারত মহাসাগরের এই অঞ্চলে নিজেদের গতিবিধি বাড়িয়েছে চিন। সাম্প্রতিককালে তাকে সঙ্গে দিচ্ছে একদা ভারতের বন্ধুরাষ্ট্র বলে পরিচিত মলদ্বীপ। সেদেশের তখতে বর্তমানে রয়েছে চিন-ঘেঁষা প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু। তিনি আসার পর থেকেই মলদ্বীপের আচরণ ও কর্মকাণ্ড ভারত-বিরোধী হয়ে উঠেছে। যা, ভালো চোখে দেখছে না নয়াদিল্লি।

    গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে ‘আইএনএস জটায়ু’

    এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, জলসীমার এই অঞ্চলে নিরন্তর নজরদারি চালানো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। কয়েকদিন আগেই, মলদ্বীপে এসেছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ। ফলে, সামগ্রিক দিক দিয়ে ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং সীমানাকে সুরক্ষিত রাখতে এই নৌ-ঘাঁটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই ঘাঁটি (INS Jatayu) থেকে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের যাবতীয় বাণিজ্যিক ও সামরিক গতিবিধির ওপর নজর রাখা সহজ হবে। আর লক্ষদ্বীপের অবস্থান মলদ্বীপের ৫০ মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে হওয়ায় ওই রাষ্ট্রের গতিবিধির ওপরও নজর রাখবে ভারত। মন্ত্রক সূত্রে খবর, ঠিক যেমন বঙ্গোপসাগরে দিকে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের নৌ-ঘাঁটি ‘আইএনএস বাজ’ থেকে ওই অঞ্চলের কর্মকাণ্ডের ওপর নজর রাখা হয়, ঠিক সেভাবেই লক্ষদ্বীপের এই নয়া নৌ-ঘাঁটি থেকে দেশের পশ্চিম পাড়ে নজর রাখা হবে। 

    ‘এমএইচ-৩০ রোমিও’ মাল্টিরোল হেলিকপ্টার

    নয়া নৌ-ঘাঁটি (INS Jatayu) চালুর পাশাপাশি, একই দিনে ‘এমএইচ-৩০ রোমিও’ মাল্টিরোল হেলিকপ্টার অন্তর্ভুক্ত করা হবে ভারতীয় নৌসেনায়। এই অনুষ্ঠানটি হবে কোচিতে। প্রথম পর্যায়ে চারটি চপার অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই হেলিকপ্টারগুলিকে সরাসরি দুই সরকারের মধ্যে হওয়া চুক্তি মারফৎ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনেছে ভারত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share