Tag: Bengali news

Bengali news

  • ISRO: ‘দুষ্টু ছেলে’র পিঠে চড়ে মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছে ইসরোর উপগ্রহ

    ISRO: ‘দুষ্টু ছেলে’র পিঠে চড়ে মহাকাশে পাড়ি দিচ্ছে ইসরোর উপগ্রহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার উপগ্রহ নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দেবে ইসরোর (ISRO) রকেট। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, যে রকেটে চড়ে উপগ্রহটি মহাকাশে পাড়ি দেবে তার নাম ‘নটি বয় (দুষ্টু ছেলে)’।  জানা গিয়েছে, আবহাওয়া সংক্রান্ত পূর্বাভাস আরও নিখুঁত ভাবে দেবে ‘নটি বয়’। এর পাশাপাশি নতুন উপগ্রহটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েও পৃথিবীপৃষ্ঠে আগাম সতর্কতা পৌঁছে দেবে। মহাকাশ থেকেই ‘নটি বয়’ মাটি এবং সমুদ্র পৃষ্ঠের উপর নজরদারি চালাবে।

    কেন এমন নামকরণ?

    ‘নটি বয়’-এর ভালো নাম (ISRO) অবশ্য জিওসিঙ্ক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল (GSLV)। শনিবারই ঠিক বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে ইনস্যাট-থ্রিডিএস-কে পিঠে বসিয়ে মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি দেবে রকেটটি। ‘নটি বয়’ ডাকনামটি দিয়েছেন সংস্থার (ইসরো) প্রাক্তন চেয়ারম্যান। হঠাৎ কেন এমন আজব নাম নির্বাচন করা হল? কারণ হল, এই রকেটটির মতিগতি বোঝা খুব শক্ত। রকেটটির মতিগতি বুঝতে হিমশিমও খেতে হয়েছে ইসরোর বিজ্ঞানীদের। ঠিক যেন মুডের ওপর নির্ভর করে। ভালো থাকলে সফল, অন্যথায় ব্যর্থ। তাই আদর করে সেটির নাম রাখা হয়েছে ‘নটি বয়’। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১৫ বার উৎক্ষেপণের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে রকেটটি (ISRO) যার মধ্যে ৬বার ব্যর্থ হয়েছে এটি। শেষবারের জন্য উৎক্ষেপণ করা হয়, ২৯ মে ২০২৩। তখন উৎক্ষেপণ সফল হয়। কিন্তু তার আগে ২০২১ সালের ১২ অগাস্ট রকেটটির উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হয়েছিল।

    কী বলছেন আবহাওয়া বিজ্ঞানী?

    আবহাওয়া বিজ্ঞানী এম রবিচন্দ্রনের কথায়, ‘‘ভারতীয় আবহাওয়া উপগ্রহগুলি আরও উন্নত ভাবে তৈরি করা হয়েছে৷ এই উপগ্রহগুলি (ISRO) আকাশের চোখ হিসাবে কাজ করে। যা ভারতকে ঘূর্ণিঝড় এবং অন্যান্য দুর্যোগ সম্পর্কে নিখুঁত পূর্বাভাস দিতে সাহায্য করে।’’ জিএসএলভি একটি ত্রিস্তরীয় রকেট যা ৫১.৭ মিটার দীর্ঘ। এর ওজন ৪ লাখ কেজিরও বেশি।

     

    আরও পড়ুন: প্রথমে দেব, এবার মিমি! পদত্যাগের হিড়িক তৃণমূলের তারকা-সাংসদদের, কেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Clash: ফের অশান্তির আগুন মণিপুরে, মৃত ২, জখম অন্তত ২৫

    Manipur Clash: ফের অশান্তির আগুন মণিপুরে, মৃত ২, জখম অন্তত ২৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও অশান্তির আগুন মণিপুরে (Manipur Clash)। এক হেড কনস্টেবলের সাসপেনশনকে কেন্দ্র করে এবারের অশান্তির সূত্রপাত। ঘটনায় এসপি অফিসে তাণ্ডব চালায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। এর পরেই নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে তাদের। বৃহস্পতিবার রাতের ওই ঘটনার জেরে চূড়াচাঁদপুর এলাকায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।

    তাণ্ডব জনতার

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাতে চূড়াচাঁদপুরে এসপি এবং ডিসির অফিসে হামলা চালায় ৩০০ থেকে ৪০০ মানুষের একটি দল (Manipur Clash)। সরকারি সম্পত্তি তছনছ করার পাশাপাশি গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় তারা। তার পরেই পাঁচ দিনের জন্য এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন।

    সংঘর্ষে মৃত ২

    একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা (Manipur Clash) যায়, চূড়াচাঁদপুর জেলার এক হেড কনস্টেবলকে কয়েকজন সশস্ত্র লোকের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকতে। ভিডিওটি ভাইরাল হতেই ঘটনাটি নজরে পড়ে পুলিশের বড় কর্তাদের। এর পরেই সাসপেন্ড করা হয় তাঁকে। ওই হেড কনস্টেবলের সাসপেনশন প্রত্যাহারের দাবি ওঠে। সেই দাবি জানিয়েই ওই রাতে এসপি অফিসে তাণ্ডব চালায় উন্মত্ত জনতা। নিরাপত্তাবাহিনীর বেশ কয়েকটি বাস, ট্রাকে আগুন লাগিয়ে দেয় জনতা। উন্মত্ত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় নিরাপত্তা বাহিনী। দু পক্ষের সংঘর্ষে কুকি-জো অধ্যুষিত এই এলাকায় মৃত্যু হয় দু জনের। জখম হয়েছেন অন্তত ২৫ জন।

    আরও পড়ুুন: মিলবে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারের’ থেকে বেশি টাকা, বিজেপি-র প্রচারে এবার ‘লাডলি বহেনা’

    সোশ্যাল মিডিয়ায় মণিপুর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, তিন-চারশো জনের একটি দল এসপি অফিসে তাণ্ডব চালানোর চেষ্টা করে। তারা পাথর ছুড়তে থাকে। জনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে নামানো হয় ব়্যাফ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। চূড়াচাঁদপুর জেলা পুলিশের কনস্টেবল সিয়ামলালপলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনি কয়েকজন অস্ত্রধারী নাগরিকের সঙ্গে ভিডিও তৈরি করছেন। সিয়ামলালপলকে বিনা অনুমতিতে রাজ্যের বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    এদিকে, ইন্ডিজেনাস ট্রাইবাল লিডার্স ফোরামের তরফে এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়েছে এসপি শিবাবনন্দকেই। ফোরামের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এসপি স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজকর্ম করছেন না। আমরা তাঁকে কোনও আদিবাসি এলাকায় থাকতে দেব না। এখনই ওই কনস্টেবলের ওপর থেকে সাসপেনশন তুলে নিতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই জেলা ছেড়ে চলে যেতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে যে কোনও রকম পরিস্থিতির জন্য এসপি শিবানন্দ সার্ভে দায়ী থাকবেন (Manipur Clash)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: বিজনেস পার্টনার পার্থর স্ত্রী-জামাই! কে এই রাজীব দে, যার বাড়িতে হানা ইডি-র?

    Recruitment Scam: বিজনেস পার্টনার পার্থর স্ত্রী-জামাই! কে এই রাজীব দে, যার বাড়িতে হানা ইডি-র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সকালে থেকে কলকাতার ৬ জায়গায় তল্লাশি অভিযান চলছে (Recruitment Scam) ইডির। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তেই এই তল্লাশি। যাঁর বাড়ি ও অফিসে ইডির তল্লাশি চলছে তাঁর নাম রাজীব দে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ এই রাজীব পেশায় প্রোমোটার। জেলবন্দি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে রাজীবের সম্পর্ক এলাকার অনেকেই জানেন। নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) কালো টাকা সাদা করার ক্ষেত্রে রাজীবের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি। যে বাড়ি থেকে পার্থ গ্রেফতার হয়েছিলেন দেড় বছর আগে, তার খুব কাছেই অবস্থিত রাজীবের বাড়ি। আর সেই বাড়ির কাছেই ফের তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি গোলপার্কের একটি গয়নার দোকানের অফিসে এবং বাঁশদ্রোণীতে রাজীবের ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডির আধিকারিকরা। তল্লাশি চালানো হচ্ছে বালিগঞ্জ ফাঁড়িতে রাজীবের সংস্থার দফতরেও।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ-তদন্তে ফের সক্রিয় ইডি, কলকাতার ৬ জায়গায় চলছে অভিযান

    কে এই রাজীব?

    তদন্তে ইতিমধ্যে উঠে এসেছে ‘ইম্প্রলাইন কনস্ট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে এক সংস্থার নাম। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এই সংস্থায় এক সময় ডিরেক্টর ছিলেন পার্থ ঘনিষ্ঠ এই প্রোমোটার রাজীব দে। সংস্থার (Recruitment Scam) ডিরেক্টর হিসেবে নাম ছিল পার্থর স্ত্রী বাবলিদেবীরও। ২০২০ সালে বাবলি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পরে পার্থর জামাই কল্যাণময় এবং তাঁর মামা কৃষ্ণচন্দ্র অধিকারী ‘ইম্প্রলাইন কনস্ট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেড’-এর ডিরেক্টর হন।

    নিয়োগ দুর্নীতির টাকা প্রোমোটিং ব্যবসায় লগ্নি?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী (Recruitment Scam) সংস্থা সূত্রে খবর, পার্থ ঘনিষ্ঠ দুই কাউন্সিলর পার্থ সরকার এবং বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে জেরা করে রাজীব সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পেরেছে ইডি। এখানেই উঠছে প্রশ্ন, রাজীব কি পার্থর স্ত্রী এবং জামাইকে সামনে রেখে নিয়োগ দুর্নীতির বিপুল টাকা প্রোমোটিংয়ের ব্যবসায় লগ্নি করেছেন? এই উত্তরের সন্ধান পেতেই শুক্রবার সকাল-সকাল সক্রিয় হয়ে উঠেছেন গোয়েন্দারা। নাকতলায় রাজীবের পাঁচতলা বাড়িতে চলছে ইডি হানা। ইডি আধিকারিকরা যাবতীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখছেন বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: প্রথমে দেব, এবার মিমি! পদত্যাগের হিড়িক তৃণমূলের তারকা-সাংসদদের, কেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ধনখড়ের করা নিয়োগ বহাল থাকল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে

    Calcutta High Court: ধনখড়ের করা নিয়োগ বহাল থাকল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল থাকাকালীন জগদীপ ধনখড়ের একটি নিয়োগ খারিজ করেছিল হাইকোর্টের (Calcutta High Court) সিঙ্গল বেঞ্চ। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সেই নির্দেশকে খারিজ করে ধনখড়ের নিয়োগকে পুনরায় সিলমোহর দিল। বহাল থাকল পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা দেশের বর্তমান উপরাষ্ট্রপতির করা নিয়োগ।

    ইজেডসিসি-তে ধনখড় নিয়োগ করেন আশিস গিরিকে

    ইস্টার্ন জোনাল কালচারাল সেন্টারের (ইজেডসিসি) ডিরেক্টর পদে আশিস গিরি নামে এক ব্যক্তিকে নিয়োগ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ধনখড়। নির্ধারিত নিয়োগ প্রক্রিয়া মেনেই ওই পদের জন্য তিন জনকে বাছাই করেছিল রাজভবন। সেই তিন জনের নাম কেন্দ্রের সংস্কৃতি মন্ত্রকের কাছে পাঠান জগদীপ ধনখড়। সেখান থেকে আশিস গিরি নিয়োগ পান। তৎকালীন এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জল গড়ায় হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। মামলা হয় বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চে। একক বেঞ্চ সেই নিয়োগ খারিজ করে দিয়েছিল।

    আরও পড়ুন: আজ শুরু উচ্চমাধ্যমিক, জেনে নিন কী কী নিয়ম আছে?

    চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে চারটি আবেদন জমা পড়েছিল

    সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে চারটি আবেদন জমা পড়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফেও আবেদন করা হয় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে (Calcutta High Court)। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি ভিএম ভেলুমানির ডিভিশন বেঞ্চ, সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছে। এদিন আদালতের পর্যবেক্ষণ, ভারতীয় সংবিধানের ১৬৩(২) ধারা অনুযায়ী, রাজ্যপালের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় না। সেই নিয়োগ খারিজও করা যায় না। প্রসঙ্গত, ইজেডসিসি কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও এই সংস্থার কাজ রয়েছে অসম, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মণিপুর, ত্রিপুরা, সিকিম, ওড়িশা এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদাধিকার বলে এই সংস্থার চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

     

    আরও পড়ুন: প্রথমে দেব, এবার মিমি! পদত্যাগের হিড়িক তৃণমূলের তারকা-সাংসদদের, কেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়াকে তলব ইডির

    Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়াকে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষকাণ্ডে বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আগামী সোমবারই ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন ওই সাংসদকে। বৃহস্পতিবারই ইডির তরফে সমন পাঠানো হয় তাঁকে। জানা গিয়েছে, বিদেশি মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘন করার একটি মামলায় তাঁকে তলব করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেতা দেবকে তলব করেছে ইডি। তলব এসেছে মুকুল রায়েরও। এরই মধ্যে মহুয়াকে তলবের খবর সামনে এল। তবে মহুয়া যাবেন কি না, তা প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

    ১৯ ফেব্রুয়ারি তলব মহুয়াকে

    ইডি সূত্রে খবর, আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার দফতরে মহুয়াকে জবানবন্দি দিতে বলা হয়েছে। তাঁর সেই জবানবন্দি ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট (ফেমা) আইনের অধীনেই রেকর্ড করা হবে বলেও জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, সিবিআইও পৃথক তদন্ত করছে মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে ৷ লোকপালের নির্দেশ মতো মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত করছে সিবিআই। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে লোকসভায় প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার অভিযোগ এনেছিলেন। প্রসঙ্গত, লোকসভার এথিক্স কমিটিই সুপারিশ করে দর্শন হীরানন্দানি ও মহুয়ার (Mahua Moitra) লেনদেনের বিষয়টি তদন্ত করার জন্য। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, ওই আর্থিক বিষয়ে তদন্ত করার মতো প্রযুক্তিগত কাঠামো কমিটির নেই। তাই যেন সরকার তার তদন্ত করে।

    ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন!

    গত ডিসেম্বরেই সাংসদ পদ যায় মহুয়ার। মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি দুবাই-কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে উপহার ও টাকা নিয়ে সংসদে শিল্পপতি গৌতম আদানির সংস্থার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেই প্রশ্নে তিনি আদানির সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। সাংসদের লগইন আইডি ও পাসওয়ার্ডও দর্শনকে মহুয়া দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ছিল ঝাড়খণ্ডের বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের। একই অভিযোগ করেছিলেন মহুয়ার প্রাক্তন বন্ধু আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সুকান্তর ওপর হামলা, হস্তক্ষেপ লোকসভার, তলব ৫ প্রশাসনিক কর্তাকে

    Sukanta Majumdar: সুকান্তর ওপর হামলা, হস্তক্ষেপ লোকসভার, তলব ৫ প্রশাসনিক কর্তাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) ওপর হামলারঘচনা ঘটে বুধবার। যা নিয়ে তোলপাড় হয় রাজ্য। বৃহস্পতিবারও এর বিরুদ্ধে পথে নামেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। সাংসদের ওপর এমন হামলার ঘটনায় এবার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার-সহ ৫ জন প্রশাসনিক কর্তাকে তলব করা হল লোকসভায়। জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার লোকসভার স্বাধিকার রক্ষা কমিটি (প্রিভিলেজ কমিটি)-র মুখোমুখি হতে বলা হয়েছে তাঁদের। এই ব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে একটি চিঠিও দেওয়া হয়েছে লোকসভার সচিবালয় থেকে। সূত্রের খবর, ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজ্য পুলিশের ডিজি, বসিরহাট পুলিশ জেলার সুপার এবং অতিরিক্ত সুপার যাতে স্বাধিকার রক্ষা কমিটির মুখোমুখি হন, তা নিশ্চিত করতে হবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে।

    কোন কোন আমলাকে তলব করা হল?

    রাজ্যের মুখ্যসচিব ভগবতী প্রসাদ গোপালিক, ডিজি রাজীব কুমার, উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শরৎ কুমার দ্বিবেদী, বসিরহাটের এসপি হুসেন মেহেদি রহমান এবং উত্তর ২৪ পরগনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ ঘোষকে তলব করেছে সংসদীয় কমিটি (Sukanta Majumdar)। বিষয়টি যে হালকা ভাবে নিচ্ছে না সংসদীয় কমিটি, তা এই তলবেই পরিষ্কার। এখন দেখার এই আধিকারিকরা হাজিরা দিতে যান কিনা। জানা গিয়েছে, ওই পুলিশ অফিসারদের আগামী সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ের ২ নম্বর কমিটি রুমে হাজির থাকতে হবে। উক্ত পুলিশকর্তারা যাতে সঠিক সময় সঠিক স্থানে পৌঁছে যান, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে।

    বুধবার অসুস্থ হন সুকান্ত

    বুধবারই সন্দেশখালি যাওয়ার পথে পুলিশি ধস্তাধস্তিতে বালুরঘাটের সাংসদ (Sukanta Majumdar) অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপস্থিত বিজেপি নেতা-কর্মীরা প্রথমে তাঁকে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁকে ওই আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তরিত করা হয়েছে বলে খবর। বিজেপির অভিযোগ, সুকান্তকে হেনস্থা করা হয়েছে। তাতে সাংসদের প্রাণ সংশয়ও হতে পারত বলে দাবি বিজেপির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mukul Roy: এবার মুকুল রায়কে দিল্লিতে তলব করল ইডি, জানেন কোন মামলায়?

    Mukul Roy: এবার মুকুল রায়কে দিল্লিতে তলব করল ইডি, জানেন কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মুকুল রায়কে (Mukul Roy) তলব করল ইডি। ইডি সূত্রে খবর, অ্যালকেমিস্ট মামলায় ডেকে পাঠানো হয়েছে মুকুলকে। জানা গিয়েছে, এই মামলায় প্রায় ১৯০০ কোটি টাকার আর্থিক তছরুপের অভিযোগ উঠেছিল। শুক্রবারই দিল্লিতে ইডির দফতরে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তবে তা আগামিকাল না কি পরের সপ্তাহের শুক্রবার, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    কী বলছেন মুকুল-পুত্র?

    ইডির এই তলব নিয়ে ইতিমধ্যে সামনে এসেছে মুকুল-পুত্র শুভ্রাংশু রায়ের বিবৃতি। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর বাবার শারীরিক অবস্থা ভাল নয়। তিনি কিছুই মনে রাখতে পারেন না। একারণে দিল্লিতে যাওয়া সম্ভব নয়। তবে ইডি আধিকারিকরা যদি বাড়ি এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান, তা হলে সব রকম ভাবে সহযোগিতা করা হবে।

    মামলার খুঁটিনাটি

    ইডি সূত্রে খবর, তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভা সাংসদ কেডি সিংয়ের সংস্থা ছিল ‘অ্যালকেমিস্ট ইনফ্রা রিয়ালটি’। এই সংস্থার বিরুদ্ধে লগ্নিকারীদের কাছ থেকে বেআইনি ভাবে টাকা তোলার অভিযোগ ওঠে। এই মর্মে মামলাও দায়ের করা হয়েছিল। ২০১৬ সালেই এই মামলার তদন্ত শুরু করে ইডি। অভিযোগ, সেবি-র অনুমতি ছাড়াই ওই সংস্থাটি বাজার থেকে ১,৯১৬ কোটি টাকা তুলেছে। তদন্তে নেমে ইডি ২০১৯ সালে কেডি-র কুফরির রিসর্ট, চণ্ডীগড়ের শো-রুম, হরিয়ানার পঞ্চকুলার সম্পত্তি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট-সহ ২৩৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে।

    ২০২১ সালে গ্রেফতার হন কেডি সিংহ

    ২০২১ সালে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে এই মামলায় কেডি সিংকে গ্রেফতারও করে ইডি। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। মুকুলকে এ বার অ্যালকেমিস্ট মামলায় ডেকে পাঠাল ইডি। তবে তাঁর শরীরের যা অবস্থা, তাতে তাঁর পক্ষে দিল্লিতে ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয় বলেই পরিবার সূত্রে খবর। ২০২১ সালের জুন মাসে, অর্থাৎ রাজ্য বিধানসভার ফল বের হওয়ার একমাস পরেই ফের নিজের পুরনো দল তৃণমূলে ফেরেন মুকুল। এই সময় থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থাও খারাপ হতে শুরু করে। গত বছরের এপ্রিল মাস নাগাদ আচমকাই দিল্লি পৌঁছে গিয়েছিলেন মুকুল (Mukul Roy)। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। সেই সময় শুভ্রাংশু রায় দাবি করেছিলেন, তাঁর বাবা (Mukul Roy) মানসিক ভাবে সুস্থ নন। সেসময় মুকুলও দিল্লিতে বসে দাবি করেছিলেন, বাড়ির লোক তাঁকে মানসিক ভারসাম্যহীন প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED: এবার ইডির তলব অভিনেতা-সাংসদ দেবকে, ২১ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ

    ED: এবার ইডির তলব অভিনেতা-সাংসদ দেবকে, ২১ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার অভিনেতা তথা তৃণমূল সাংসদ দেবকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। জানা গিয়েছে, ‘প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’ বা আর্থিক তছরুপের মামলাতেই অভিনেতাকে এই সমন পাঠানো হয়েছে। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে দেবকে।

    ই-মেল মারফত সমন পাঠানো হয়েছে দেবকে

    বুধবার রাতেই ই-মেল মারফত একটি চিঠিতে (ED) তাঁকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার মধ্যে তাঁকে হাজির হতে বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি তাঁকে বেশ কিছু নথিপত্র নিয়ে যেতে বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগেই গরু পাচারকাণ্ডে সাক্ষী হিসেবে দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। এবার দেবকে ডেকে পাঠালো ইডি (ED)। নিজের ঘনিষ্ঠ মহলে দেব জানিয়েছেন, ইডি দফতরে (ED) হাজিরা দেবেন তিনি। 

    কিছু দিন ধরেই চর্চা চলছে দেবকে নিয়ে

    কিছুদিন ধরেই বঙ্গ রাজনীতিতে জোর চর্চা চলছে অভিনেতা তথা সাংসদ দেবকে নিয়েই। প্রসঙ্গত, দেবের বিরুদ্ধেও কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ ওঠে। একটি অডিও ক্লিপ (এই অডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি ‘মাধ্যম’) ভাইরাল হয়। যেখানে দেবের বিরুদ্ধে ‘কমিশন’ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কণ্ঠস্বর ঘাটালের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শঙ্কর দলুইয়ের বলে মনে করা হচ্ছিল। যদিও শঙ্কর দলুই এই অভিযোগ অস্বীকার করে সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রযুক্তির মাধ্যমে তাঁর কণ্ঠস্বর ওই ক্লিপে ঢোকানো হয়েছে। এরপরেই লোকসভায় বাজেট অধিবেশনে দেব ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন। আভাস দিয়েছিলেন ভোটে না দাঁড়ানোর। লোকসভার বাজেট অধিবেশনের শেষ হতেই তিনটি সরকারি কমিটি থেকে ইস্তফাও দিয়েছিলেন দেব। আর তা নিয়ে বঙ্গ রাজনীতির অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছিল। দেব সংসদে গিয়ে ভাষণে বলেছিলেন যে এটাই হয়তো সাংসদ হিসেবে তাঁর শেষ বক্তব্য। তারপর থেকে অভিষেক ও মমতার সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেন তিনি। পরে আবার রাজনীতিতে থেকে যাওয়ার কথাও বলেন তিনি। এসবের মাঝেই তাঁকে সমন পাঠাল ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: গুজরাট থেকে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা

    JP Nadda: গুজরাট থেকে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda) ফের রাজ্যসভায় নির্বাচিত হতে চলেছেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট রয়েছে রাজ্যসভায়। এর আগে বেশ কয়েকটি রাজ্যের রাজ্যসভায় প্রার্থী তালিকা সামনে এলেও গুজরাট ও মহারাষ্ট্রের প্রার্থা তালিকা বুধবারই ঘোষণা করে গেরুয়া শিবির। সম্প্রতি, কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক চহ্বাণ। তাঁকেও রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে গেরুয়া ব্রিগেড। গেরুয়া শিবিরের অন্দরের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে অশোক চহ্বাণ বিজেপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য তার নমিনেশন পত্র জমা দেওয়ার জন্য মাত্র দু’দিন সময় হাতে ছিল। তাই মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির আঞ্চলিক কার্যালয়ে আসেন। সেখানে উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ এবং রাজ্য সভাপতি চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলের উপস্থিতিতে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন।

    কোন রাজ্যে কে প্রার্থী হলেন? 

    বর্তমানে হিমাচল প্রদেশ থেকে রাজ্যসভার সদস্য রয়েছেন জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। এবার গুজরাট থেকে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল দল। বুধবার বিজেপির প্রকাশিত তালিকায় দেখা যাচ্ছে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে মহারাষ্ট্র থেকে অশোক চহ্বাণ ছাড়া রয়েছেন মেধা কুলকার্নি এবং ডাঃ অজিত গোপছাদে। এবং গুজরাটের তিনজন প্রার্থী হলেন গোবিন্দভাই ধোলাকিয়া, মায়াঙ্কভাই নায়ক এবং ডাঃ যশবন্তসিংহ পারমার। বর্তমানে রেলমন্ত্রী থাকা অশ্বিনী বৈষ্ণবকে ফের ওড়িশা থেকেই রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ থেকে দল রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে শমীক ভট্টাচার্যকে।

    ১৯৯৩ সালে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হন নাড্ডা

    বর্তমান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিমাচল প্রদেশ থেকে তিনবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯৩ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত। হিমাচল প্রদেশের সরকারে ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী (JP Nadda)। ২০১৪ সালে, তিনি প্রথমবারের মতো রাজ্যসভার সাংসদ হন। ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত নাড্ডা কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালির মহিলাদের দৈহিক গঠন ও বর্ণ নিয়ে মন্তব্য, বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক

    Sandeshkhali: সন্দেশখালির মহিলাদের দৈহিক গঠন ও বর্ণ নিয়ে মন্তব্য, বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পলাতক তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ শিবু হজরা এবং উত্তম সর্দারের নারী নির্যাতন, যৌনশোষণ এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে গ্রামের নারীসমাজ সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে আগেই প্রতিবাদে গর্জে উঠেছেন। কীভবে বাড়ির সুন্দরী, কমবয়সী মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে পার্টি অফিসে ‘ভোগ’ করা হত, সে কথা জানিয়ে স্পষ্টভাবে অভিযোগও করেছেন তাঁরা। ইতিমধ্যে নির্যাতিতাদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের কাছে একই বিষয়ে অভিযোগ করেন এলাকার মহিলারা। কিন্তু এর মধ্যেই গ্রামবাসীদের পরিচয়, মহিলাদের দৈহিক গঠন এবং গায়ের বর্ণ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করলেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সভাধিপতি তথা অশোকনগরের বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী। এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের কড়া সমালোচনা করেছে রাজ্যের বিরোধী দল।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক (Sandeshkhal)?

    তৃণমূল নেতা নারায়ণ গোস্বামী সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রতিবাদী নারীদের সম্পর্কে বলেন, “একজন তফশিলি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষকে গঠন এবং দেহের রং দিয়ে বোঝা যায়। মনে রাখবেন, একজন মানুষ কোন সম্প্রদায়ের, তা শরীরের গঠন এবং রং তথাকথিত আমরা যা বলি ফর্সা, শ্যামবর্ণ এই দেখেই কিন্তু বোঝা যায়। কিন্তু ক্যামেরার সামনে যে সব মহিলা এসেছেন, তাঁরা সকলেই ধবধবে ফর্সা। তাহলে কি তাঁরা তফশিলি জনজাতি বা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর? যে মহিলারা সামনে এসেছেন, সকলে সিপিএমের মহিলা সংগঠনের সদস্য। যে বাচ্চাদের সামনে আনা হচ্ছে, সকলকে স্ক্রিপ্ট পড়িয়ে আনা হয়েছে। চিত্র পরিচালক এবং চিত্রনাট্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে সবটা। রাজ্যপালের সঙ্গে হিন্দিতে কথা বলতে দেখা গিয়েছে এক মহিলাকে। আবার সুকান্তের ধর্নামঞ্চে বোরখা পরা মহিলাকেও দেখা গিয়েছে। ওঁরা কি আদৌ সন্দেশখালির?”

    বিজেপির বক্তব্য

    তৃণমূল নেতার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “জাতীয় তফসিলি জাতি এবং উপজাতি কমিশনের কাছে অভিযোগ করব। ওঁকে গ্রেফতার করা উচিত। সন্দেশখালির অপকর্ম ধরা পড়ে গিয়েছে। রুচিহীন মন্তব্য করেছেন তিনি। জনজাতি পরিবারে জন্ম হলেই গায়ের রং কালো হতে হবে?” আবার সিপিএমের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আদিবাসীদের পোশাক দিয়ে চেনে তৃণমূল।” পাশাপাশি আজ বৃহস্পতিবার তফশিলি জাতীয় কমিশনের ভাইস চেয়রাম্যান অরুণ হালদার সন্দেশখালিতে যাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share