Tag: Bengali news

Bengali news

  • Calcutta High Court: “বলুন আমি সর্বশক্তিমান, যা চাই তাই করে দিতে পারি” রাজ্যকে কেন বলল হাইকোর্ট?

    Calcutta High Court: “বলুন আমি সর্বশক্তিমান, যা চাই তাই করে দিতে পারি” রাজ্যকে কেন বলল হাইকোর্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম কটাক্ষ করলেন। স্কুলের পড়ুয়াদের একটাই মাত্র খেলার মাঠ ছিল মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা ২ নম্বর ব্লকের আখরিগঞ্জ হাই স্কুলে। এই মাঠের বিষয় নিয়ে স্কুলের পড়ুয়ার অভিভাবকেরা মামলা করেছিলেন হাইকোর্টে। এই মামলার পাশে দাঁড়িয়েছে স্কুলের কর্তৃপক্ষও। এই মাঠে আরও একটি স্কুল নির্মাণ করতে গেলে খেলার মাঠ রক্ষা প্রসঙ্গে বিচারপতি, রাজ্য সরকারকে বলেন, “বলুন আমি সর্ব শক্তিমান, যা চাইবো তাই করে দিতে পারি।”

    কী বললেন বিচারপতি (Calcutta High Court)?

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, “বলুন না আমি সর্ব শক্তিমান, আমি যা চাইবো, তাই করে দিতে পারি।” একই সঙ্গে আরও বলেন, “রাজ্য সরকার যদি আদালতে নিজেদের পরিকল্পনার কথা জানাতে না পারে তাহলে স্কুল নির্মাণের কাজে স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে।” আবার রাজ্য সরকারের বক্তব্য ছিল, “জমিটি সরকারের তাই জমিতে কী করা হবে তা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত।” এরপর প্রধান বিচারপতি বলেন, “অন্যের জায়গায় নতুন নির্মাণ! যা খুশি করুন। স্কুল ভেঙে দিন। মানুষকে আর শিক্ষা দিতে হবে না। স্কুলটি সরকার পরিচালিত হওয়ার পরেও সরকার তাঁর বিরোধিতা করছে। ক্ষমতা দেখানো হচ্ছে।” আবার পালটা রাজ্য বলে যে খেলার মাঠের জমির পরিমাণ ১.৭৮ একর। ওখানে একটি ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল নির্মাণ করতে চাই। উত্তরে বিচারপতি বলেন, “দুই স্কুলের জন্য এক একর জমি খেলার মাঠের জন্য ছেড়ে রাখুন। জেনে আসুন কী করবেন? না হলে ওই নির্মাণে স্থগিতাদেশ দেবো।”

    খেলার মাঠ নিয়ে অভিযোগ কী?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, “স্কুলের তিন হাজার পড়ুয়া খেলা করে। স্কুলের মাঠ একটাই। স্কুলের জমিদান করেছিলেন একজন ব্যক্তি। কিন্তু একই জমিতে আরও একটি স্কুল খুলতে চাইছে এই রাজ্যের সরকার। ফলে স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য কোনও খেলার মাঠ থাকবে না। এই খেলার মাঠ রক্ষার জন্য হাইকোর্টে (Calcutta High Court) একটি মামলা হয় এবং এই মামলায় প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে ওঠে। এরপর রাজ্য সরকারকে সমালোচনা করেন প্রধান বিচারপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: দুর্গাপুরের হস্টেলে পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু! পরিবারের অভিযোগ ব়্যাগিংয়ের

    Durgapur: দুর্গাপুরের হস্টেলে পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু! পরিবারের অভিযোগ ব়্যাগিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুরের (Durgapur) হস্টেলে ম্যানেজমেন্ট পড়ুয়ার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। পরিবারের তরফ থেকে ব়্যাগিংয়ের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তিন সহপাঠী, কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং হোস্টেলের সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।

    মৃত পড়ুয়ার পরিচয় (Durgapur)

    স্থানীয় (Durgapur) সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত পড়ুয়ার নাম রাজদীপ সরকার, বয়স ১৮। পূর্ব বর্ধমানের আউশ গ্রামের দাড়িয়াপুরের বাসিন্দা। দুর্গাপুরের নিউটাউনশিপ থানার ২৫ নম্বর ওয়র্ডের ফুলঝোড় মোড়ের কাছেই একটি বেসকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের বিবিএ প্রথম বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন তিনি। কলেজের হোস্টেলই থেকে পড়াশুনা করতেন রাজদীপ।

    মৃত ছাত্রের পরিবারের বক্তব্য

    মৃত পড়ুয়া রাজদীপের জেঠু চঞ্চল সর্দার বলেন, “রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ কলেজের (Durgapur) হোস্টেলের ছাদ থেকে রাজদীপ পড়ে গিয়েছে বলে কলজে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল। গুরুতর অবস্থায় বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। কিন্তু হাসপাতলে যেতে যেতেই আমরা মৃত্যুর খবর পাই। তবে রাজদীপের চোখে মুখে মিলেছে আঘাতের চিহ্ন। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ একবার বলছে ছাদ থেকে মৃত্যু আবার বলছে বিছানা থেকে পড়ে মৃত্যু! উভয় ঘটনায় ব্যাপক সন্দেহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আমাদের মনে হচ্ছে ব়্যাগিং করা হয়েছে।”

    কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    ঘটনায় কলেজ (Durgapur) কর্তৃপক্ষের অধ্যক্ষ রাজদীপ রায় জানিয়েছেন, “ব়্যাগিংয়ের অভিযোগ মিথ্যা। রাজদীপ এবং সিদ্ধার্থ নামের এক পড়ুয়া গল্প করছিল। সেই সময় বিছানা থেকে পড়ে যায়। মেঝেতে থাকা স্টিলের একটি গ্লাসে আঘাত লাগে তাঁর মুখে। তাই চোখে মুখে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি।” অপর দিকে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের ডিসি পূর্ব অভিষেক মোদি জানান, “পরিবারের তরফে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত শুরু করেছি। ময়নাতদন্তে রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ashok Chavan: কংগ্রেসে ফের ভাঙন! দল ছাড়লেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আশোক চহ্বাণ

    Ashok Chavan: কংগ্রেসে ফের ভাঙন! দল ছাড়লেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আশোক চহ্বাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে ফের কংগ্রেসে ভাঙন। এবার শতাব্দীপ্রাচীন দল ছাড়লেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আশোক চহ্বাণ (Ashok Chavan)। উল্লেখ্য, গতমাসে কংগ্রেস নেতা মিলিন্দ দেওরা কংগ্রেস ছেড়ে মহারাষ্ট্রে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের শিবশেনায় যোগদান করেছিলেন। আরও দুর্বল হল কংগ্রেস, দেশের জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল। এবার কি বিজেপিতে যোগদান করবেন? তীব্র জল্পনা।

    স্পিকারকে পদত্যাগপত্র  দিয়ে কী বললেন (Ashok Chavan)

    কংগ্রেস বিধায়ক আশোক চহ্বাণ (Ashok Chavan) সোমবার সকালেই প্রাথমিক সদস্যপদ ছেড়েছেন। মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকার রাহুল নারভেকরের সঙ্গে দেখা করে নিজের ইস্তফাপত্র জমা করেন। আশোক হলেন মহারাষ্ট্রের ভোকার কেন্দ্রের কংগ্রেস বিধায়ক। বিধায়ক হিসাবে পদত্যাগের পর কংগ্রেসের সভাপতি নানা পাটোলেকে চিঠি দিয়ে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দলের সদস্যপদ ছাড়ার কথা জানান। ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি সারা জীবন ধরে একজন কংগ্রেসের কর্মী ছিলাম এবং সততার সঙ্গে দলের জন্য কাজ করেছি। দল ছেড়েছি আমার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণে।”

    কেন দল ছাড়লেন?

    কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, আশোক (Ashok Chavan) দলের সংগঠনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। দলের সূত্রে আরও খবর মিলেছে, লোকসভার প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নানা পাটোলের সঙ্গে বেশ কিছু দিন ধরে মত পার্থক্য তৈরি হয়েছিল। আর সেই কারণেই দল ছেড়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাঁর এই দল ছাড়ার ফলে মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস ব্যাপক দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিজেপিতে কি যোগদান করবেন

    সূত্রে জানা গিয়েছে, আশোকের (Ashok Chavan) সঙ্গে বিজেপির একপ্রকার প্রাথমিক কথা হয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, বিজেপির সমর্থনে মহারাষ্ট্র থেকে রাজ্যসভায় যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শুধু চহ্বাণ নন, আরও ১০ থেকে ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক দল ছাড়তে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। একই ভাবে কংগ্রেস ছেড়ে অজিত পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপিতে যোগদান করেছেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকি। চহ্বাণের বিজেপিতে যোগদান সম্পর্কে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিস বলেন, “আমি শুধু একটা কথাই বলব, কংগ্রেসের বহু নেতা বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: রোজগার মেলায় ১ লাখেরও বেশি চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: রোজগার মেলায় ১ লাখেরও বেশি চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরে রোজগার মেলার মাধ্যমে ১ লাখেরও বেশি নিয়োগপত্র প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ১২ ফেব্রুয়ারি নতুন চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগপত্র প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি ‘কর্মযোগী ভবন’-এর ভিত্তি প্রস্তরও স্থাপন করেন তিনি। ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) অভিনন্দন জানান নতুন নিয়োগ প্রাপ্তদের। তিনি বলেন, ‘‘আজকে এক লাখেরও বেশি যুবককে নিয়োগপত্র প্রদান করা হল। সরকারি চাকরিতে আপনারা কঠিন পরিশ্রমের মাধ্যমে এই সফলতা অর্জন করেছেন। আমি আপনাদের এবং আপনাদের পরিবারকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’’

    দুর্নীতির অভিযোগে আক্রমণ শানান পূর্বতন সরকারকে

    এদিন নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) পূর্বতন সরকারকেও আক্রমণ শানান। তিনি বলেন, ‘‘চাকরির পরীক্ষায় অধিকার যুবকদের সাংবিধানিক অধিকার। পূর্বতন সরকার এটিতে খুবই দীর্ঘসূত্রতার পরিচয় দিয়েছিল। চাকরির বিজ্ঞাপন থেকে নিয়োগপত্র হাতে পাওয়ার সময় অনেকটাই লাগত। এই পর্যায়ের মধ্যে অনেক রকমের অনিয়ম এবং দুর্নীতিও সংঘটিত হত কিন্তু বর্তমান আমলে নিয়োগে স্বচ্ছতা এসেছে।’’

    কোন কোন দফতরে নিয়োগ

    রোজগার মেলায় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) আরও বলেন, ‘‘আমরা সর্বদাই চেষ্টা করে চলেছি যে সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পন্ন করার। আজকে প্রতিটি যুবকের মনে এই বিশ্বাস আনা গিয়েছে যে তাদের পরিশ্রম এবং প্রতিভা মর্যাদা পাবে। ২০১৪ সাল থেকে এটা চলছে। জানা গিয়েছে, রোজগার মেলার মাধ্যমে যারা নিয়োগ পেলেন, তাঁরা চাকরি করবেন কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন বিভাগে। যেমন রাজস্ব বিভাগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিভাগ, উচ্চশিক্ষা দফতর, পারমাণবিক শক্তির দফতর, অর্থনৈতিক দফতর এবং রেলওয়েতে।

    আরও পড়ুন: পার্টি অফিসে ধর্ষণ করেছিলেন শাহজাহান! রিপোর্ট তলব মহিলা কমিশনের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Metro: ‘বন্দে ভারতে’র পর এবার শীঘ্রই আসছে ‘বন্দে মেট্রো’, গতি কত জানেন?

    Vande Metro: ‘বন্দে ভারতে’র পর এবার শীঘ্রই আসছে ‘বন্দে মেট্রো’, গতি কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বল্প দূরত্বের দুই শহরের মধ্যে ঘন্টাপ্রতি ১৩০ কিমি গতির ‘বন্দে মেট্রো’ (Vande Metro) ট্রেন চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় রেল। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ‘বন্দে মেট্রো’ ট্রেনগুলি সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার দূরত্বে থাকা দুই গন্তব্যের মধ্যে চলবে। বন্দে ভারত ট্রেনের আদলেই বন্দে মেট্রো ট্রেনগুলিকে তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বন্দে মেট্রো ট্রেন প্রকল্পের কথা রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ২০২৩ সালের বাজেটে ঘোষণা করেছিলেন।

    রেলের জিএম কী জানালেন (Vande Metro)?

    রেলের বন্দে মেট্রো (Vande Metro) এই প্রজেক্ট সম্পর্কে রেলের কোচ তৈরি কারখানা ইন্টিগ্রেটেড কোচ ফ্যাক্টরি (আইসিএফ) জিএম বিজি মালিয়া বলেছেন, “কম দূরত্বের জন্য দ্রুত, দ্রুত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যাত্রায় বন্দে মেট্রো ট্রেন চলবে। এই ট্রেন বন্দে ভারতের ডিজাইনেই প্রস্তুত করা হবে। বন্দে মেট্রোগুলিকে মেইনলাইন ইএমইউ-এর জায়গায় প্রতিস্থাপন করা হবে। এখন এই প্রজেক্টের জন্য ২৫০ থেকে ৩০০ কিমির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে। বন্দে মেট্রো ট্রেনগুলির নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে জানুয়ারি ২০২৪ থেকেই।”

    কেমন হবে বন্দে মেট্রো ট্রেন দেখতে?

    রেলের সূত্রে জিএম বিজি মালিয়া বলেন, “বন্দে মেট্রো (Vande Metro) ট্রেনগুলির গঠন দেখতে অনেকটাই বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মতোই হবে। কিন্তু পার্থক্যও থাকবে, যা হল বন্দে ভারতের চেয়ারকারের মধ্যে দাঁড়ানোর জায়গা ছিল না কিন্তু এই মেট্রোগুলিতে দাঁড়ানোর জায়গা থাকবে। এই ট্রেনে ১০০ জন যাত্রী বসার সুযোগ থাকবে এবং ২০০ জন যাত্রী দাঁড়িয়ে যাত্রা করার সুযোগ পাবেন। ট্রেনগুলি স্বয়ংক্রিয় এবং বাতানুকূল থাকবে। মূলত মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনগুলির জায়গায় এই ট্রেনগুলিকে প্রতিস্থাপন করা হবে। যাত্রীরা স্বল্প সময়ে নিরাপদ দূরত্বে নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।”

    আর কী কী সুবিধা  থাকবে ট্রেনে?

    এই বন্দে মেট্রো ট্রেনের (Vande Metro) সর্বোচ্চ গতি থাকবে ১৩০ কিমি প্রতি ঘণ্টা। ট্রেনের কামরা পুরোপুরি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। ট্রেনের বডির ওজন বেশি ভারি করা হবে না। ট্রেনের সিট হবে হালকা গদি যুক্ত। বেশ প্রসস্থ এবং স্লাইডিং যুক্ত দরজা থাকবে। সেই সঙ্গে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা, পিআইএস সিস্টেম এবং এলসিডি। স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা থাকবে ট্রেনের ভিতরে। মোবাইল চার্জ করার প্লাগ থাকবে। ভ্যাকুয়াম ইভাকুয়েশন সিস্টেম সহ মডুলার টয়লেট থাকবে। এছাড়াও থাকবে রুট নির্ধারণের লাইটের ব্যবহার কামরার ভিতরে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Poonam Pandey: নিজের মৃত্যু নিয়ে ভুয়ো খবর! এবার পুনমের বিরুদ্ধে ১০০ কোটির মানহানির মামলা

    Poonam Pandey: নিজের মৃত্যু নিয়ে ভুয়ো খবর! এবার পুনমের বিরুদ্ধে ১০০ কোটির মানহানির মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের মৃত্যু নিয়ে ভুয়ো খবর ছড়িয়ে ছিলেন পুনম পাণ্ডে (Poonam Pandey)। অভিযোগ অভিনেত্রী সস্তার প্রচার পেতেই মৃত্যু নিয়ে ছেলেখেলা করেন। এ নিয়ে পুনম পাণ্ডে ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলার অভিযোগ জমা পড়ল কানপুরের পুলিশ কমিশনারের কাছে। অভিযোগটি করেছেন জনৈক ফয়জান আনসারি নামের একজন।

    কী লেখা হল অভিযোগপত্রে?

    অভিযোগপত্রে ফয়জান আনসারি লেখেন, ‘‘পুনম (Poonam Pandey) ও তাঁর স্বামী ষড়যন্ত্র করে মৃত্যুর ভুয়ো খবর ছড়ান। শুধু তাই নয়, ক্যানসারের মতো একটা রোগকে নিয়ে মশকরা করেছেন। কোটি কোটি ভারতীয় ও বলিউড ইন্ডাস্ট্রির সংবেদনশীলতার সুযোগ নিয়ে গোটাটাই তিনি নিজের প্রচারের উদ্দেশে করেছেন।’’ কানপুর পুলিশ কমিশনারের কাছে ওই অভিযোগ করার পরে ওই জনৈক ব্যক্তি পুনম পাণ্ডে এবং তার স্বামী স্যাম বোম্বেকে গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছেন। এই অভিযোগে যদি কাজ না হয় সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি আদালতের দ্বারস্থ হওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

    পুনমের ভুয়ো খবরের ঘোষণায় চাঞ্চল্য ছড়ায় দেশজুড়ে

    প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ৪ তারিখে নিজের সমাজ মাধ্যমের পাতায় মৃত্যুর খবর জানান পুনম (Poonam Pandey)। এ নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায় দেশজুড়ে। ঠিক একদিন পরেই সামনে এসে পুনম জানান যে তিনি বেঁচে রয়েছেন। তখন অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন জরায়ু মুখের ক্যান্সার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই তিনি এমন কৌশল নিয়েছেন। যদিও পুনমের এই কার্যকলাপ একেবারেই ভালো চোখে নেয়নি কোনও সাধারণ মানুষ। পুনমের এই কাণ্ডকে কেউ কেউ বলছেন গিমিক। নিন্দা ভেসে এসেছে বলিউড তারকাদের কাছ থেকেও। ক্যান্সার নিয়ে পুনম ঠাট্টা তামাশা করছেন এই অভিযোগ তোলে ‘দ্য অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার অ্যাসোসিয়েশন’। অনেকেই আবার পুনমকে বয়কটের দাবিও তোলেন। তবে নিজের কাজের জন্য অভিনেত্রী ক্ষমা চেয়ে নেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ফেব্রুয়ারির শেষে বঙ্গ সফরে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর?

    Amit Shah: ফেব্রুয়ারির শেষে বঙ্গ সফরে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাংলায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে রাজ্যে আসার কথা ছিল তাঁর। তবে শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়ে যায় তাঁর সফর। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে, এবার তিনি আসছেনই এবং সেটাও ফেব্রুয়ারির শেষ দিন ২৯ তারিখে। এদিনই মায়াপুরে ইস্কন মন্দির দর্শনে যাবেন তিনি।

    শাহের কৃষ্ণ দর্শন

    ২০২১ সালেও মায়াপুরে ইস্কন মন্দির দর্শনে গিয়েছিলেন শাহ। ফের যাচ্ছেন এবার। যেহেতু দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন, তাই শাহের এই ইস্কন সফরে রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছেন বিরোধীরা। ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের। গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন বালক রাম। তবে এখনও রাম-দর্শন করেননি শাহ (Amit Shah)। তার আগেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসছেন কৃষ্ণ-দর্শনে। বিজেপি সূত্রে খবর, ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে শাহ আসবেন শহরে। পরের দিন সকালে যাবেন মায়াপুরে, কৃষ্ণ দর্শনে।

    দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক

    মন্দির দর্শন শেষে রানাঘাট সহ আশপাশের কয়েকটি লোকসভা কেন্দ্রের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। যেহেতু ওই সময় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলবে, তাই জনসভা করবেন না। সেই কারণেই নেতাদের সঙ্গে করবেন বৈঠক। কলকাতায় ফিরে রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গেও বৈঠক করতে পারেন বিজেপির এই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর নিয়ে এত তাড়াতাড়ি নিশ্চিত হওয়া যায় না। ফেব্রুয়ারির শেষ দিনে তিনি বাংলায় থাকবেন বলে কথা দিয়েছেন। তবে কখন এবং কোথায় কী কর্মসূচি হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।”

    আরও পড়ুুন: পার্টি অফিসে ধর্ষণ করেছিলেন শাহজাহান! রিপোর্ট তলব মহিলা কমিশনের

    নির্বাচনের আগে ‘তীর্থ’ করা বিজেপি নেতাদের কাছে নতুন কিছু নয়। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মায়াপুরে কৃষ্ণ দর্শনে গিয়েছিলেন শাহ। বাংলাদেশের গোপালগঞ্জের ওড়াকান্দিতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। মতুয়া সম্প্রদায়ের পরম পূজ্য হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মস্থান এটি। মাঝ-এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে বাংলায় এসে কালীঘাট মন্দিরে গিয়েছিলেন শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি জেপি নাড্ডা। দর্শন করেছিলেন উত্তর কলকাতার মহাত্মা গান্ধী রোডের একটি গুরুদ্বারও।

    রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, বাংলায় রামের প্রভাব তেমন একটা নেই। রামকে নারায়ণের অবতার বলে মেনে নিলেও, রাম পুজোর চল এ রাজ্যে খুব একটা নেই। এখানকার হিন্দুরা কালী-কৃষ্ণের ভক্ত। সেই কারণেই শাহের ইস্কন মন্দির দর্শন। কৃষ্ণের আশীর্বাদ নিতেও তিনি মায়াপুরে যাচ্ছেন বলে শাহের (Amit Shah) ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: ছোট হচ্ছে ইন্ডি জোটের ‘পিন্ডি’, আড়েবহরে বাড়ছে এনডিএ

    Lok Sabha Elections 2024: ছোট হচ্ছে ইন্ডি জোটের ‘পিন্ডি’, আড়েবহরে বাড়ছে এনডিএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘর ভাঙছে ইন্ডি জোটের। আর ফুলে ফেঁপে উঠছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024) যখন কড়া নাড়ছে দোরে, তখন এই ভিন্ন ছবিই দেখা যাচ্ছে শাসক এবং বিরোধী শিবিরে। নির্বাচন কমিশন এখনও প্রকাশ করেনি নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তবে কিছু দিনের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের আসার কথা বাংলায়। সেই সময়ই বাজিয়ে দেওয়া হতে পারে ভোটের ঘণ্টা। অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন শুরু হতে পারে এপ্রিলের মাঝামাঝি। তাই প্রস্তুতি (Lok Sabha Elections 2024) তুঙ্গে। লড়াইয়ের ময়দানে মুখোমুখি হবে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ এবং বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডি।

    ফিরছে মোদি সরকার

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি একাই পেয়েছিল ৩০৩টি আসন। অথচ সরকার গড়তে প্রয়োজন ছিল ২৭২টি আসনের। সেবার এনডিএ পেয়েছিল ৩৫৩টি আসন। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে আরও বেশি কেন্দ্র জয় করে কেন্দ্রের কুর্সিতে ফিরতে চাইছে মোদি সরকার। বাঁধা হয়ে গিয়েছে স্লোগানও – আপ কি বার, চারশো পার।

    কলেবর বাড়ছে এনডিএর

    লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ চারশোর অনেক বেশি আসন পাবে বলে মনে করছেন ভোট বিশেষজ্ঞরা। কারণ হিসেবে তাঁরা জানাচ্ছেন, ইন্ডি জোট যখন ভাঙছে, তখন সেই জোট ছেড়ে বেরিয়ে আসা দলগুলি ভিড়ছে এনডিএ শিবিরে। বিজেপির একাংশের মতে, মোদি-জাদুর টানেই একূল (ইন্ডি জোট) ভেঙে ওকূল (এনডিএ) গড়ছে রাজনৈতিক দলগুলি। স্বাভাবিকভাবেই স্ফীতকায় হচ্ছে এনডিএ।

    আরও পড়ুুন: পার্টি অফিসে ধর্ষণ করেছিলেন শাহজাহান! রিপোর্ট তলব মহিলা কমিশনের

    এই যেমন জয়ন্ত চৌধুরীর রাষ্ট্রীয় লোক দল। প্রথমে (Lok Sabha Elections 2024) ইন্ডি জোটে থাকলেও, দিন দুয়েক আগে দলবল নিয়ে তিনি যোগ দেন এনডিএ শিবিরে। ইন্ডি জোটকে রামধাক্কা দিয়েছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। বছর দেড়েক আগে বিজেপি-সঙ্গ ছেড়ে মহাগটবন্ধনের সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হন তিনি। লোকসভা নির্বাচনের পদধ্বনি শুনতে পেয়েই ফের শিবির বদলেছেন নীতীশ। ফিরেছেন এনডিএ শিবিরে। অথচ ইন্ডি জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন তিনিই।

    রাজ ঠাকরের নব নির্মাণ সেনাও এনডিএ শিবিরের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছে বলে খবর। ইতিমধ্যেই দুই শিবিরের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়ে গিয়েছে চুক্তি। টিডিপি সুপ্রিমো এন চন্দ্রবাবু নাইডুও বুধবার দেখা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। সেখানেও দু পক্ষে কথা হয়েছে জোট নিয়ে। বিজেপির পুরানো বন্ধু পঞ্জাবের শিরোমনি আকালি দলও এনডিএ শিবিরে ভিড়তে পারে বলে সূত্রের খবর (Lok Sabha Elections 2024)।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, এভাবে চলতে থাকলে দিনের শেষে ইন্ডি জোটের হাতে রইবে শুধুই পেন্সিল!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose:  ‘শাহজাহান বাহিনীর হাত থেকে বাঁচান’, রাজ্যপালকে পায়ে হাত দিয়ে আর্জি মহিলাদের

    CV Ananda Bose: ‘শাহজাহান বাহিনীর হাত থেকে বাঁচান’, রাজ্যপালকে পায়ে হাত দিয়ে আর্জি মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালিতে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সেখানে যাচ্ছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। এদিকে, প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সর্দারের গ্রেফতারির জেরে সোমবারই এলাকায় বনধ ডেকেছে বামেরা। সোমবার মিনাখাঁর বাসন্তী হাইওয়েতে বামনপুকুর এলাকায় রাজ্যপালকে যেতে বাধা দেওয়া হয়। মহিলাদের হাতে পোস্টার দিয়ে তৃণমূলীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। পদে পদে বাধা পেয়ে অবশেষে সন্দেশখালি পৌঁছান রাজ্যপাল।

    রাজ্যপালকে (CV Ananda Bose) কী বললেন আতঙ্কিত মহিলারা?

    সন্দেশখালির মাটিতে রাজ্যপাল পা রাখতেই ফুল ছড়িয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয় রাজ্যপালকে। এদিন রাজ্যপাল পৌঁছনোর আগেই দেখা যায় রাস্তায় প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মহিলারা। কোনও প্ল্যাকার্ডে কেন্দ্রীয় পুলিশের দাবি জানানো হয়েছে। কোথাও রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে রয়েছে অভিযোগ। রাজ্যপালের হাতে রাখিও পরিয়ে দেন অনেক মহিলা। একের পর এক মহিলা এসে তাঁর কাছে অত্যাচারের অভিযোগ জানাতে থাকেন। অনেক মহিলা তাঁর পায়ে পড়লেন। রাজ্যপালের সামনে অনেকে আবার হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে থাকেন। শাহজাহান বাহিনী নিয়ে মুখ খোলেন। তাঁর বাহিনীর অত্যাচারের কথা তাঁরা বলেন। শেখ শাহজাহান এবং তাঁর সহযোগীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান তাঁরা। গ্রেফতার না করা হলে রাজ্যপাল চলে গেলে, তাঁদের উপর আরও অত্যাচার নেমে আসবে বলে আশঙ্কা জানিয়েছেন তাঁরা। এক মহিলা রাজ্যপালের সামনে বলেন, ‘আমাদের মায়েদের শান্তির জন্য আপনারা কী চাইছেন জানি না। শাহজাহান বাহিনীর হাত থেকে আমাদের বাঁচান। কিন্তু, শেখ শাহজাহান, শিবু হাজরাদের না ধরলে আপনারা চলে গেলে আমাদের যে অবস্থা হবে তা আরও ভয়ঙ্কর হবে। আমরা এরপর মুখ তুলে তাকাতে পারব না। ১৩ বছর ধরে যা অত্যাচার হচ্ছে, তার থেকেও ভয়ঙ্কর হবে। ওরা যদি ফিরে আসে।’

    সন্দেশখালিতে গিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    সবার অভিযোগ শোনেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল বলেন, “যাবতীয় ব‍্যবস্থা নেওয়া হবে। গ্রামের মহিলাদের সুরক্ষিত রাখা ও নিরাপদে রাখার জন্য যা যা করার তা করা হবে।”  সূত্রের খবর, ঘটনায় রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল। কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে কথাও বলেছেন সি ভি আনন্দ বোস। এদিন সন্দেশখালি যাওয়ার আগে তিনি বলেন, “কেরল সফরে ব্যস্ত থাকার সময় সন্দেশখালির ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা জানতে পারি। তাই সফর কাটছাঁট করেই চলে এসেছি।”

    দফায় দফায় বিক্ষোভ

    কেরল সফর থেকে কলকাতায় ফিরে সোমবারই যে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) সন্দেশখালি যাবেন, সেই পরিকল্পনা আগেই ছিল। সকালে বিমানবন্দরে নামার পর নির্ধারিত রাস্তা দিয়েই এগিয়ে যাচ্ছিল রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের কনভয়। সেই পথেই দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখানো হল রাজ্যপালের কনভয় ঘিরে। সকাল ১১ টা নাগাদ যখন রাজ্যপালের গাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁর ওপর দিয়ে যাচ্ছিল, সেই সময় হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে কনভয়ের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান একদল মহিলা। বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়ের ভিতরে একবার নয়, একাধিকবার বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় রাজ্যপালকে। মিনাখাঁর ওপর দিয়ে বামনগাছির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল কনভয়। প্রথমে বামনপুকুর এলাকায় আটকানো হয় গাড়ি।

    কচিকাঁচাদের হাতে প্লাকার্ড!

    বিক্ষোভকারীদের হাতে রয়েছে প্ল্যাকার্ড। তাতে জানানো হয়েছে বকেয়া টাকার দাবি। সেখান থেকে পুলিশ কোনও ক্রমে জমায়েত সরিয়ে দেওয়ার পর কয়েকশ মিটার দূরে কালীতলা ফের দেখা যায় একই ছবি। আবারও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় রাজ্যপালেক কনভয়। এমনকী কচিকাঁচাদের হাতে ছিল প্লাকার্ড। কেন পোস্টার হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে তা জানে না তারা। তৃণমূলীদের শেখানো বুলি আওড়াচ্ছেন মহিলারা। অনেকে আবার বলছেন, এলাকায় ইডি কেন আসছে। সন্দেশখালি থানাতে অশান্তি হচ্ছে কেন? এসবের জন্য তাঁরা জমায়েত হয়েছে। রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) কাছে আবাস যোজনার বাড়ি  চাইলেই পাওয়া যাবে বলে তৃণমূলের লোকজন মহিলাদের জমায়েক করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বার বার রাজ্যপালকে বিক্ষোভ দেখানো হলেও পুলিশের ভূমিকা ততটা সক্রিয় ছিল না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UCC: “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে মুসলিমদের ভয়ের কিছু নেই”, বললেন আরএসএস নেতা

    UCC: “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে মুসলিমদের ভয়ের কিছু নেই”, বললেন আরএসএস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সস্তা ভোট কুড়োতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) ‘জুজু’ দেখিয়ে চলেছে বিজেপি বিরোধী দলগুলি। তবে তার যে কোনও সারবত্তা নেই, তা সাফ জানিয়ে দিল আরএসএস। ভারতে বসবাসকারী সংখ্যালঘু মুসলমানদের এ বিষয়ে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই বলেও জানিয়ে দিয়েছেন আরএসএসের প্রবীণ নেতা ইন্দ্রেশ কুমার।

    ইন্দ্রেশের অভয়-বার্তা

    রবিরার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কোনও ধর্মের মানুষের প্রতিই হুমকি নয়। মুসলমানদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে কিছু নেতা তাঁদের এ ব্যাপারে ভুল বোঝাচ্ছেন। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে ইসলাম এবং মুসলমানদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।” আরএসএসের প্রবীণ এই নেতা বলেন, “ভারতীয় সংবিধান এবং সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বত্র শাসন করে চলেছে। দেশের প্রতিটি রাজ্যেই বৈচিত্র্য রয়েছে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি তৈরি হওয়া উচিত সেই রাজ্যের মতো করে। এ ব্যাপারে এখনও কোনও কেন্দ্রীয় আইন তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়নি।”

    ভয় দেখাচ্ছেন কিছু নেতা!

    তিনি বলেন, “এটা মনে রাখতে হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কোনও ধর্ম, বর্ণ এবং ভাষার প্রতি হুমকি স্বরূপ নয়। তাই এটি কারও মনে ভয়ের সঞ্চার করতে পারে না। আমাদের দেশের কিছু নেতা এ বিষয়ে মুসলমানদের মনে ভয়ের সঞ্চার করছে। প্রশ্ন হল, তাহলে অন্য সম্প্রদায়ের কী হবে? মুসলমানদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে তাঁদের ভুল বোঝাচ্ছেন ওই নেতারা। এ থেকে ইসলামের ভয়ের কিছু নেই।” ইন্দ্রেশ বলেন, “আমি সমস্ত মুসলমানদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়াবে, তাঁদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে।”

    আরও পড়ুুন: মুক্তি পেলেন কাতারের জেলে বন্দি ৮ ভারতীয়, দেশে ফিরে কি বললেন জানেন?

    উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানির হিংসা প্রসঙ্গে আরএসএসের এই প্রবীণ নেতা বলেন, “যাঁরা বলছেন অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) সঙ্গে হলদোয়ানির হিংসার যোগ রয়েছে, তাঁরা মিথ্যে বলছেন। এটি একটি আলাদা ষড়যন্ত্র। দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের ঐক্য, সৌভ্রাতৃত্ব এবং অগ্রগতির জয়যাত্রা স্তব্ধ করতেই এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।”

    রাম মন্দির প্রসঙ্গও উঠে এসেছে ইন্দ্রেশের ভাষণে। তিনি বলেন, “২২ জানুয়ারির পর অখিলেশ যাদব অযোধ্যা দর্শনে যাবেন বলেছিলেন। কংগ্রেস বলেছে পরে যাবে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তিনি কালীর ভক্ত। একটি রাম মন্দির গড়বেন বলেও জানিয়েছিলেন। তাই বলি কী, ভক্তির মধ্যে কোনও ঘৃণার (UCC) বাতাবরণ তৈরি করা উচিত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share