Tag: Bengali news

Bengali news

  • Midnapore Medical College: ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র! ছাত্রীর ভর্তি বাতিল করল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ

    Midnapore Medical College: ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র! ছাত্রীর ভর্তি বাতিল করল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো শংসাপত্র দিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন এক ছাত্রী। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ (Midnapore Medical College) থেকে বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছে। জাতিগত ভুয়ো শংসাপত্র দিয়ে কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন বলে অভিযোগ ছিল ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য মেডিক্যালে ভর্তির দুর্নীতির অভিযোগে আগেই মামলা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। ইতিমধ্যে দুই বিচারপতির রায়ের সংঘাতে বর্তমানে এই মামলা সুপ্রিমকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যেই এই বহিস্কারের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে জেলায়।

    মেডিক্যাল কলেজের বক্তব্য (Midnapore Medical College)

    মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের (Midnapore Medical College) অধ্যক্ষা মৌসুমি নন্দী জানিয়েছেন, “প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে বহিস্কার করা হয়েছে। তাঁর ভর্তি বাতিল করা হয়েছে। ভর্তির সময় ছাত্রী নিজের জাতিগত শংসাপত্র ভুয়ো দিয়েছিল। ইতিমধ্যে আইন মেনে কাজ শুরু হয়েছে।” আবার এই কলেজের মেডিক্যালের ছাত্রী সায়নী টুডু বলেছেন, “যে বা যারা জাল জাতিগত শংসাপত্র দেখিয়ে কলেজে ভর্তি হিয়েছে তাদের সবার ভর্তি বাতিল হওয়া উচিত।”

    ছাত্রীর পরিবারে বক্তব্য

    কলেজ (Midnapore Medical College) সূত্রে জানা গিয়েছে প্রথমবর্ষের ওই ছাত্রীর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের একটি এলাকায়। ২০২৩-২৪ সালের শিক্ষাবর্ষে কলেজে ভর্তি হয়েছিল। এখন তাকে ১ লক্ষ টাকা জমা করতে বলেছে কলজে। এই নির্দেশ পেতেই কলেজে আসা বন্ধ করে দিয়েছে ছাত্রী। ছাত্রী কিছু বলতে না চাইলেও তার বাবা জানায়, “মেয়ে কলেজের নির্দেশিকা পেয়েছে। বিষয়টি বিচারাধীন। তাই এখন কিছু বলা সম্ভব নয়।”

    আদিবাসী কল্যাণ সমিতির বক্তব্য

    এই জাতিগত ভুয়ো শংসাপত্রের বিষয়ে তীব্র খব প্রকাশ করে আদিবাসী কল্যাণ সমিতি এবং ভারত জাকাত মাঝি পারগানার পক্ষ থেকে জানানো হয় আইনানুগ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আবার পারগানার নেতা শিবুলাল মুর্মু বলেন, “অবিলম্বে ওই ছাত্রীকে (Midnapore Medical College) গ্রেফতার করতে হবে। একই ভাবে যে প্রশাসনিক আধিকারিক এই শংসাপত্র দিয়েছেন তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।”

    মামলা হয়েছে হাইকোর্টে

    জাল জাতিগত শংসাপত্রের ব্যবহারে মেডিক্যাল কলেজে (Midnapore Medical College) ভর্তির অভিযোগে হাইকোর্টে মামলা করেছেন ইশিতা সরেন। বেশ কিছু নামও হাইকোর্টে জমা করেছেন এই মামলাকারী। এই নামের মধ্যে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি বাতিল হওয়া ছাত্রীর নামও রয়েছে। প্রত্যকের শংসাপত্রকে খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এই মামলায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় তদন্তের জন্য সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর তাঁর সিঙ্গেল বেঞ্চ থেকে মামলা ডিভিশন বেঞ্চে গেলে, বিচারপতি সৌমেন সেনের রায়ে সঙ্গে সংঘাত দেখা দেয়। এরপর মামলা যায় সুপ্রিমকোর্টে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ১১ দিনে অযোধ্যা ধামে পা পড়েছে ২৫ লাখ ভক্তের, দক্ষিণা প্রাপ্তি ১১ কোটি টাকা

    Ram Mandir: ১১ দিনে অযোধ্যা ধামে পা পড়েছে ২৫ লাখ ভক্তের, দক্ষিণা প্রাপ্তি ১১ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন হওয়ার পর থেকেই ভক্তদের ঢল নেমেছে অযোধ্যায়। হিসাব বলছে, বিগত ১১ দিনে ২৫ লাখ ভক্তের পা পড়েছে রাম জন্মভূমিতে এবং মোট প্রণামী সংগৃহীত হয়েছে ১১ কোটি টাকা। যার মধ্যে ৮ কোটি টাকা এসেছে শুধু প্রণামী বাক্স থেকেই এবং অনলাইনের মাধ্যমে প্রণামী পাঠানো হয়েছে সাড়ে তিন কোটি টাকা।

    প্রত্যহ সন্ধ্যায় গোনা হয় প্রণামী

    তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য প্রকাশ গুপ্তা জানিয়েছেন, প্রতিদিনই গড়ে দু লাখেরও বেশি রামভক্ত (Ram Mandir) এসেছেন মন্দির দর্শনে। তিনি আরও জানিয়েছেন, মন্দিরের গর্ভগৃহের সামনে চারটি বড় আকারের প্রণামী বাক্স রাখা হয়েছে। এগুলি রয়েছে দর্শন পথের সামনেই। যেখানে ভক্তরা তাঁদের দান করছেন। এর পাশাপাশি দশটি কম্পিউটারাইজ কাউন্টারও খোলা হয়েছে প্রণামীর জন্য। জানা গিয়েছে, রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট ইতিমধ্যে কর্মী নিয়োগও করেছে এই ডোনেশন কাউন্টারগুলির জন্য। প্রণামী থেকে প্রাপ্ত অর্থ ট্রাস্ট অফিসে জমা পড়ে প্রত্যহ সন্ধ্যায়। জানা গিয়েছে, প্রতিদিন রুটিন মাফিক প্রণামী বাবদ প্রাপ্ত অর্থ গোনা হয় রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট-এর (Ram Mandir) অফিসে। এ কাজে লেগে রয়েছেন ১৪ জন। যাঁদের মধ্যে ১১ জনই হলেন ব্যাঙ্ক কর্মী এবং ৩ জন হলেন ট্রাস্ট এর সদস্য। প্রণামী গোনার কাজ সম্পন্ন হয় সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতেই।

    ১১ দিনে পর্যটকরা ব্যয় করেছেন ৪ হাজার ৮২৫ কোটি টাকারও বেশি

    উত্তরপ্রদেশের স্টেট ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ইতিমধ্যে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের সময় থেকে ৪ হাজার ৮২৫ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করেছেন পর্যটকরা। এর মধ্যে যেমন দেশীয় পর্যটক রয়েছে, তেমনি বিদেশের পর্যটকরাও রয়েছেন। তাই স্বাভাবিকভাবে আধ্যাত্মিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে রাম মন্দির যথেষ্ট সফল, তা বলাই যায়। প্রসঙ্গত আধ্যাত্মিক পর্যটনের কথা গতকাল উঠে এসেছে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের বাজেট ভাষণেও। তিনি বলেন যে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে দেশের আধ্যাত্মিক পর্যটন কেন্দ্রগুলিকে উন্নত করার জন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: হাতে দা উঁচিয়ে চিতাবাঘের সঙ্গে দুর্ধর্ষ লড়াই বৃদ্ধার! প্রাণরক্ষা অল্পের জন্য

    Jalpaiguri: হাতে দা উঁচিয়ে চিতাবাঘের সঙ্গে দুর্ধর্ষ লড়াই বৃদ্ধার! প্রাণরক্ষা অল্পের জন্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্যত হাতে দা উঁচু করে দক্ষিণরায়ের সঙ্গে দুর্ধর্ষ লড়াই চলল এক বৃদ্ধার। সেই সঙ্গে অবশেষে বৃদ্ধার কঠিন আক্রমণাত্মক চোখরাঙানিতে ভয়ে পালাল চিতাবাঘ। এভাবেই মৃত্যর মুখ থেকে রক্ষা পেলেন এই মহিলা। আহত অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতলে। ঘটনা ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) সোনাখালি জঙ্গলে। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঘটনা কিভাবে ঘটল (Jalpaiguri)?

    চিতাবাঘের মুখ থেকে প্রাণ হাতে নিয়ে ফিরলেন ৬৫ বছরের ফতেমা বিবি। ঘটনা ঘটেছে ধূপগুড়ি সাকোয়াঝোড়া ২ নম্বর পঞ্চায়েতের সোনাখালির কাছেই আদরপাড়া এলাকায়। বৃহস্পতিবার বিকেলে সোনাখালি জঙ্গলে মাঠ থেকে গরু নিয়ে ফিরছিলেন তিনি। আচমকা তাঁর ওপর হামলা করে একটি চিতাবাঘ। পাল্টা প্রতিরোধ করেন ওই বৃদ্ধা। তাঁর হাতে ছিল একটি দা। তা দিয়েই চিতাবাঘের ঘাড়ে আঘাত করেন তিনি। এরপর ভয় পেয়ে পিছিয়ে যায় চিতাবাঘটি। কিন্তু পিছোলেও ফের একবার আক্রমণের চেষ্টা করে চিতাবাঘটি। কিন্তু আক্রমণাত্মক হয়ে বৃদ্ধা তাঁর হাতের দা উঁচু করলে তৎক্ষণাৎ পালিয়ে যায় দক্ষিণরায়।

    বৃদ্ধার বক্তব্য

    ঘটনার কথা জানিয়ে বৃদ্ধা বলেন, “গরু নিয়ে ফেরার সময় জঙ্গল (Jalpaiguri) থেকে একটি চিতাবাঘ আচমকা আক্রমণ করে আমাকে আহত করে দিয়েছিল। আমি অসহ্য যন্ত্রণার মধ্যে আমার হাতে থাকা দা দিয়ে পাল্টা আক্রমণ করি। কিন্তু কিছুক্ষণ পর নিজের দাঁত, নখ বের করে ক্রোধ দেখিয়ে জঙ্গলের দিকে পালিয়ে যায় দক্ষিণরায়। এরপর প্রচণ্ড যন্ত্রণা নিয়ে রাস্তায় এসে লোকের কাছে সাহায্য চাই। সেই সময় এক ব্যক্তি আমাকে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর ধুপগুড়ি হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু হয়।” অপরদিকে এই আহত বৃদ্ধার নাতনি আনজিনা বেগম বলেন, “মাঠে গরু নিয়ে আসার সময় চিতাবাঘ আক্রমণ করে। কোনও রকমে লড়াই করে প্রাণ হাতে নিয়ে ফিরে এসেছেন আমার দিদা। তিনি খুবই অসুস্থ। ঘটনায় আমাদের এলাকায় তীব্র আতঙ্কিত ছড়িয়ে পড়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hemant Soren: সুপ্রিম কোর্টে জোর ধাক্কা হেমন্তের, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন চম্পাই সোরেন

    Hemant Soren: সুপ্রিম কোর্টে জোর ধাক্কা হেমন্তের, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন চম্পাই সোরেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাতেই ইডির হাতে গ্রেফতার হন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)। এরপরেই তিনি সুপ্রিম কোর্টে তাঁর গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দারস্থ হন। শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলাটি ঝাড়খণ্ডের হাইকোর্টে ফেরত পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। প্রসঙ্গত, হেমন্তর মামলার শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, তিন বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেছিলেন। এই বেঞ্চের নেতৃত্বে রাখা হয়েছিল বিচারপতি সঞ্জীব খান্নাকে। এছাড়াও ওই বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ ও বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী। হেমন্তের (Hemant Soren) আইনজীবী ছিলেন কপিল সিব্বাল। তিনি এদিন সুপ্রিম কোর্টের সওয়াল করেন যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হেমন্ত সোরেন। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাই আমরা সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চাইছি।

    কী বললেন বিচারপতি?

    এ নিয়ে পাল্টা বিচারপতি খান্না বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী হয়েছে তো কী হয়েছে? আদালতের কাছে সবাই সমান। আজ আপনাকে কোনও সুবিধা দিলে আগামিকাল সবাইকে দিতে হবে। এটা তো হয় না। কেন আপনারা হাইকোর্টে আবেদন না করে সুপ্রিম কোর্টে আসবেন? নতুন করে আবার হাইকোর্টে আবেদন করুন।’’

    বিরসা মুণ্ডা সেন্ট্রাল জেলে হেমন্ত

    প্রসঙ্গত, টানা (Hemant Soren) সাত ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর বুধবার রাতে গ্রেফতার করা হয় হেমন্তকে। তার আগে দলীয় বিধায়ক ও নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন হেমন্ত। গ্রেফতারির আঁচ পেয়েই ইস্তফা দেন মুখ্যমন্ত্রী পদে। হেমন্তকে পাঠানো হয়েছে বিরসা মুণ্ডা সেন্ট্রাল জেলে। হেমন্ত ছিলেন মহাগঠবন্ধন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী।

    শপথ নিলেন চম্পাই সোরেন

    এদিকে, হেমন্ত ইস্তফা দেওয়ায় শুক্রবার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন জেএমএম নেতা তথা দলের সহ সভাপতি চম্পাই সোরেন। এদিন রাঁচির রাজভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণণ। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন কংগ্রেস বিধায়ক তথা দলের পরিষদীয় নেতা আলমগির আলম এবং লালুপ্রসাদ যাদবের দল আরজেডির সত্যানন্দ ভোগতা। দুজনই হেমন্তের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য ১০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে চম্পইকে। ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল রাধাকৃষ্ণণ বৃহস্পতিবারই চম্পইকে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: তৃণমূলের সভায় বিরিয়ানির প্যাকেট পেতে হুড়োহুড়ি, ক্ষুব্ধ হয়ে সভা ছাড়লেন মন্ত্রী

    Purba Medinipur: তৃণমূলের সভায় বিরিয়ানির প্যাকেট পেতে হুড়োহুড়ি, ক্ষুব্ধ হয়ে সভা ছাড়লেন মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ‘সঙ্ঘবদ্ধ শপথ গ্রহণ’ কর্মসূচিতে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা গেল। অনুষ্ঠানে বিরিয়ানি বিলিকে ঘিরে ব্যাপক গোলমালের চিত্র দেখ লক্ষ্য করা গেল আজ বৃহস্পতিবার। এই সভায় রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ভাষণের সময় টিফিন বিলিকে ঘিরে উপস্থিত তৃণমূল কর্মীরা সভা খালি করে খাবারের দিকে হুড়মুড়িয়ে পড়লেন। এরপর সৃষ্টি হয় ব্যাপক হট্টগোল। আর এরপর এই ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়ে বেরিয়ে যান মন্ত্রী। ঘটনা ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) কাঁথির বীরেন্দ্র স্মৃতি সৌধে। ঘটনায় দল অত্যন্ত অস্বস্তির মধ্যে পড়েছে তৃণমূল।

    সভায় ব্যাপক চিৎকার চেঁচামেচি (Purba Medinipur)

    এদিন কাঁথি (Purba Medinipur) সভাগৃহ ছিল কানায় কানায় ভর্তি। ঠিক ১ টায় চন্দ্রিমা ওঠেন মঞ্চে। তাঁকে মঞ্চে বরণ করা নিয়েও একপ্রকার বিশৃঙ্খলা হয়। এরপর হলে  চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয়। অপর দিকে তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পীয়ূষকান্তি পন্ডা সকলকে শান্ত হওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর চন্দ্রিমা ভাষণ দিতে শুরু করেন। তিনি বলেন, “কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত হল রাজ্যের স্বাস্থ্য সাথীর নকল। আয়ুষ্মান ভারত কার্যকর হলে মাত্র ৭০ হাজার মানুষ উপকৃত হবেন। আর স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে আড়াই কোটি মানুষ সুবিধা পাচ্ছেন।” এরপরই টিফিনের জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায় সভাস্থলে। যদিও মাইকে বলা হয় সকলের জন্য খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু বিশৃঙ্খা আরও চরমে উঠে যায়। এরপর ভাষণের মাঝ পথেই রেগেমেগে আসন ছেড়ে বেরিয়ে যান রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা।

    বিজেপির বক্তব্য

    এই ঘটনায় বিজেপি কাঁথি (Purba Medinipur) সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর মণ্ডল বলেন, “তৃণমূলের সভায় ভাষণ শোনায় মন নেই। টাকা দিয়ে টিফিনের লোভ দেখিয়ে তৃণমূল নিজেদের মহিলা সভায় লোক ভরার কাজ করছে।” পালটা তৃণমূলের জেলা সভাপতি রাজিয়া বিবি বলেন, “আশাতীত ভিড় হয়েছিল সভায়। তবে অনেকে বসার আসন দেওয়া সম্ভব হয়নি। অনেকে বেরিয়ে গিয়েছেন। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Railways Jobs: রেলে নিচ্ছে প্রায় ৫,৭০০ লোকো পাইলট! আজই আবেদন করুন

    Railways Jobs: রেলে নিচ্ছে প্রায় ৫,৭০০ লোকো পাইলট! আজই আবেদন করুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কি লোকো পাইলট হিসেবে ভারতীয় রেলে চাকরি (Railways Jobs) করতে চান? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে বিরাট সুযোগ। দ্রুত জেনে নিন কবে ও কীভাবে আবেদন করবেন। 

    সম্প্রতি, লোকো পাইলট নিয়োগ নিয়ে নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত করেছে ভারতীয় রেল। আবেদনকারীদের বয়সে ঊর্ধ্বসীমার ক্ষেত্রে ৩ বছর অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে। করোনা অতিমারীর কারণে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত যাঁরা আবেদন করতে পারেননি তাঁদের ক্ষেত্রে সুবর্ণ সুযোগ। আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে ২০ জানুয়ারি এবং জমা করার শেষ তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি।

    কত শূন্যপদ?

    রেলের লোকো পাইলট নিয়োগের (Railways Jobs) বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মোট শূন্যপদ ৫৬৯৬ এবং বেতন শুরু ৬৩ হাজার থেকে। সংশোধিত যোগ্যতার মানদণ্ড অনুসারে বলা হয়েছে, অ্যাসিস্ট্যান্ট লোকো পাইলট পদে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের বয়স ১৮ থেকে ৩৩ বছরের মধ্যে হতে হবে। সাধারণ এবং ইডব্লুএস (আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া) শ্রেণিভুক্ত প্রার্থীদের জান্মের তারিখ ০২.০৭.১৯৯১ এবং ০১.০৭.২০০৬ এর মধ্যে হতে হবে।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা

    আবেদনকারীদের যে কোনও স্বীকৃত বোর্ড থেকে দশম শ্রেণি পাস হতে হবে। যে কোনও বিভাগে আইটিআই বা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা পাস হতে হবে প্রার্থীদের। রেলের তরফ থেকে সাধারণ প্রার্থীদের জন্য আবেদন মূল্য ৫০০ টাকা। অন্যদিকে তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি, অন্যান্য পিছিয়ে পড়া শ্রেণি, ইডব্লুএস, এক্স সার্ভিসম্যান, রূপান্তরকামী, মহিলাদের জন্য আবেদন মূল্য ২৫০ টাকা। চাকরির (Railways Jobs) বেতন হবে ১৯৯০০ টাকা থেকে ৬৩২০০ টাকা পর্যন্ত।

    কীভাবে নির্বাচন হবে?

    নির্বাচন প্রক্রিয়া হিসাবে মোট চারটি ধাপ—

    ১.) কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা (CBT 1)

    ২.) কম্পিউটার ভিত্তিক যোগ্যতা পরীক্ষা (CBAT)

    ৩.) ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন (DV)

    ৪.) মেডিকেল টেস্ট (ME)

    কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?

    আবেদনকারীকে (Railways Jobs) নিম্নলিখিত ডকুমেন্ট আবেদনে উল্লেখ করতে হবে—

    দশম শ্রেণির মার্ক শীট

    দ্বাদশ শ্রেণির মার্ক শীট

    আইটিআই, ডিপ্লোমা বা ডিগ্রি

    প্রার্থীর ছবি ও স্বাক্ষর

    জাতিগত শংসাপত্র

    প্রার্থীর মোবাইল নম্বর এবং ইমেল আইডি

    আধার কার্ড

    কীভাবে আবেদন করবেন

    আবেদনকারীদের রেলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে রেলবোর্ডে আবেদন (Railways Jobs) করতে হবে। আরআরবি গোরক্ষপুর, আরআরবি পাটনা, আরআরবি সেকান্দ্রাবাদ, আরআরবি চেন্নাইতে আবেদন করা যাবে। indianrailways.gov.in. লিঙ্কে আবেদন করতে হবে। অনলাইন বিজ্ঞপ্তি থেকে অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণ করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর টাকা জমা করে ফর্ম সাবমিট করে প্রিন্ট নিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Coast Guard: আরও শক্তিশালী ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী, নতুন ১৪টি জাহাজের চুক্তি স্বাক্ষর

    Indian Coast Guard: আরও শক্তিশালী ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী, নতুন ১৪টি জাহাজের চুক্তি স্বাক্ষর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ৪৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস (ICG Raising Day) পালন করছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। তার আগে, উপকূলরক্ষীদের (Indian Coast Guard) জন্য বড় সুখবর। দেশের উপকূলকে আরও নিশ্ছিদ্র করতে ১৪টি নতুন জাহাজ আসতে চলেছে বাহিনীর হাতে। এই ফাস্ট প্যাট্রল ভেসেলগুলি (এফপিভি) নির্মাণ করতে সম্প্রতি মাঝাগাঁও ডকইয়ার্ডের সঙ্গে ১,০৭০ কোটি টাকার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এমনটাই খবর মিলেছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে। দেশের বিভিন্ন ডকইয়ার্ডে তৈরি হচ্ছে আরও ২১টি জাহাজ। পাশাপাশি, আকাশপথে নজরদারি চালানোর জন্য কেনা হচ্ছে ৮টি ডর্নিয়ার ও ৬টি মাল্টি-মিশন মেরিটাইম সার্ভেল্যান্স বিমান।

    ১৯৭৮ সালে পথ চলা শুরু

    ১৯৭৮ সালে পথ চলা শুরু হয়েছিল উপকূলরক্ষী বাহিনীর (ICG Raising Day)। সেই সময় বাহিনীর হাতে সর্বসাকুল্যে ৭টি জাহাজ ছিল। সেখান থেকে বর্তমানে উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে রয়েছে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৫২টি জাহাজ ও ৭৮টি বিমান। বাহিনীর লক্ষ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে ২০০টি জাহাজ এবং ১০০টি বিমান নিজেদের হাতে রাখা। আর সেই লক্ষ্যের দিকে প্রথম পদক্ষেপ হতে চলেছে এই নতুন বরাত। জানা যাচ্ছে, গত ২৪ জানুয়ারি এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। সেই মোতাবেক, ৬৩ মাস, অর্থাৎ পাঁচ বছরে এই ১৪টি জাহাজকে বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে। 

    অত্যাধুনিক জাহাজের বরাত

    প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বহুমুখী সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জের কথা মাথায় রেখে নতুন জাহাজগুলি মাল্টিপারপোস ড্রোন থেকে শুরু করে রিমোট কন্ট্রোল্ড ওয়াটার রেসকিউ ক্র্যাফট লাইফবুই এবং সর্বোপরি আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে, যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে অধিক কার্যকর ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে জাহাজগুলি এবং সেইসঙ্গে উপকূলরক্ষী বাহিনীও (Indian Coast Guard)। মন্ত্রকের মতে, অত্যাধুনিক জাহাজগুলি মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা ও নজরদারির পাশাপাশি একইধারে চোরাচালান-রোধ অভিযান, অগভীর জলে উদ্ধারাভিযান, বিপদে পড়া অন্য জাহাজকে সহায়তা, খারাপ হওয়া জলযানকে বন্দরে নিয়ে আসা, সমুদ্রে দূষণের মোকাবিলা করা এবং জলদস্যুদের মোকাবিলা করা— এসবই করতে সক্ষম হবে নতুন জাহাজগুলি।

    তৈরি হচ্ছে আরও ২১টি জাহাজ

    এই নতুন বরাতের পাশাপাশি, ইতিমধ্যেই দেশের ৩টি জাহাজ নির্মাণ সংস্থায় তৈরি হচ্ছে ২১টি জাহাজ। এছাড়া, আকাশপথে নজরদারি চালানোর জন্য কেনা হচ্ছে ৮টি ডর্নিয়ার ও ৬টি মাল্টি-মিশন মেরিটাইম সার্ভেল্যান্স বিমান। এর পাশাপাশি, আরও ৬টি ডর্নিয়ার বিমানের আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়া চলছে। এভাবে, দফায় দফায় মোট ১৭টি বিমানে অত্যাধুনিক সেন্সর বসানো হবে। এর জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্সের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে উপকূলরক্ষী বাহিনী (ICG Raising Day)।

    ১১ হাজারের বেশি প্রাণ বাঁচিয়েছে বাহিনী

    বাহিনীর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বের অন্যতম সেরা উপকূলরক্ষকগুলির (Indian Coast Guard) তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ভারত। ১৯৭৮ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ১১ হাজারের বেশি প্রাণ বাঁচিয়েছে এই বাহিনী। শুধুমাত্র ২০২৩ অর্থাৎ গত বছরই দুশোর বেশি প্রাণ বাঁচিয়েছে তারা। বাহিনী আরও জানিয়েছে, দেশের উপকূলের রক্ষায় নিরন্তর নজর রাখছে তারা। এ জন্য প্রতিদিন ৫০-৬০টি জাহাজ ও ১০-১২ বিমান মোতায়েন করা হয় বিভিন্ন জায়গায়। ২০২৩ সালে ৪৭৮ কোটি টাকার মাদক বাজেয়াপ্ত করেছে কোস্ট গার্ড। প্রতিষ্ঠা ইস্তক এখনও পর্যন্ত সেই অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Champai Soren: ইডি হেফাজতে হেমন্ত, নতুন মুখ্যমন্ত্রী ‘ঝাড়খণ্ডের বাঘ’ চম্পাই সোরেন! জানেন কে ইনি?

    Champai Soren: ইডি হেফাজতে হেমন্ত, নতুন মুখ্যমন্ত্রী ‘ঝাড়খণ্ডের বাঘ’ চম্পাই সোরেন! জানেন কে ইনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব ঠিক চললে, ঝাড়খণ্ডের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন চম্পাই সোরেন। অন্তত এখনও পর্যন্ত এমনটাই খবর। বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে বুধবার রাতে হেমন্ত সোরেনকে গ্রেফতার করেছে ইডি। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদে হেমন্ত ইস্তফা দিতেই ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার বিধায়করা মন্ত্রিসভার প্রবীণ মন্ত্রী চম্পাই সোরেনকে বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচিত করেন। ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রিসভায় পরিবহন মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন চম্পাই (Champai Soren)। তার সঙ্গেই তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং পিছিয়ে পড়া অংশের উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রীও তিনি। পাশাপাশি ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার (Jharkhand Mukti Morcha) ভাইস প্রেসিডেন্ট।

    কে এই চম্পাই সোরেন

    ১৯৫৬ সালের নভেম্বরে ঝাড়খণ্ডের সেরিকেলা-খারসাওয়ান জেলায় জিলিনগোড়া (Jilinggora) গ্রামে জন্ম চম্পাই সোরেনের। কৃষক পরিবারের সন্তান চম্পাইয়ের পদবী সোরেন হলেও তিনি শিবু সোরেনের পরিবারের কেউ নন। বিহার ভেঙে ঝাড়খণ্ডকে আলাদা রাজ্য করার যে আন্দোলন তাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল এই চম্পাই সোরেনের। ঝাড়খণ্ড আন্দোলনে  চম্পাইয়ের ভূমিকা এতটাই দাপুটে ও উগ্র ছিল যে তাঁকে ঝাড়খণ্ডের বাঘ (Jharkhand Tiger) বলা হয়। ২০০৫ সালে বিজেপির লক্ষ্ণণ টুডুকে হারিয়ে প্রথম জয় পেয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকে সেরিকেলা (Serikela Assembly) বিধানসভা থেকেই জিতেছেন। দলের প্রবীণ বিধায়ক ও বহুদিনের লড়াকু নেতার উপরই আস্থা রাখছে জেএমএম।

    আরও পড়ুন: ইডির হাতে গ্রেফতার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন

    কেন মুখ্যমন্ত্রী নয় কল্পনা

    লালু-রাবড়ী মডেল বাস্তবায়িত হল না ঝাড়খণ্ডে। পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন না হেমন্ত সোরেনের স্ত্রী কল্পনা সোরেন। জেএমএম সূত্রের খবর, ঝাড়়খণ্ডে জেএমএম-কংগ্রেস-আরজেডি জোটের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন চম্পাই সোরেন। যদিও এখনও রাজ্যপাল তাঁকে ডাকেননি। সূত্রের দাবি, চার দলীয় বিধায়কের আপত্তিতেই নিজের স্ত্রীকে মুখ্যমন্ত্রী করতে পারেননি হেমন্ত। সেই ‘বিদ্রোহী’ গোষ্ঠীর নেতৃত্বে রয়েছেন হেমন্তেরই বৌদি তথা জেএমএম বিধায়ক সীতা সোরেন। দুমকা জেলার জামা কেন্দ্রের তিন বারের বিধায়ক সীতা জেএমএম প্রতিষ্ঠাতা শিবু সোরেনের জ্যেষ্ঠ পুত্র প্রয়াত দুর্গা সোরেনের স্ত্রী। হেমন্ত সক্রিয় রাজনীতিতে আসার আগে দুর্গাই ছিলেন শিবুর রাজনৈতিক সহকারী। বিধানসভাতেও দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ২০০৯ সালে দুর্গার মৃত্যুর পরে সক্রিয় রাজনীতিতে এসেছিলেন সীতা। রাজনীতিতে আসা ইস্তক বহুবার হেমন্তের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন তিনি। মন্ত্রী না করায় দীর্ঘ দিন ধরেই হেমন্ত গোষ্ঠীর উপর ক্ষুব্ধ সীতা। দলীয় সূত্রে খবর, তাঁর সঙ্গে রয়েছেন প্রভাবশালী বিধায়ক চামরা লিন্ডাও। মূলত সীতার আপত্তিতেই বনবাস কল্পনার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • India Economy: বজ্রের গতিতে ছুটছে ভারতীয় অর্থনীতির চাকা, বলছে আইএমএফ

    India Economy: বজ্রের গতিতে ছুটছে ভারতীয় অর্থনীতির চাকা, বলছে আইএমএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বজ্রের গতিতে ছুটছে ভারতীয় অর্থনীতির (India Economy) চাকা। আগামী বছরগুলিতেও এই চাকা চলবে গড়গড়িয়ে। অন্তত এমনই বিশ্বাস আন্তর্জাতিক মানিটারি ফান্ডের। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এটা থেকে যাবে ৬.৫ শতাংশে। আইএমএফ এটা আগেই স্থির করেছিল ৬.৩। আইএমএফের হিসেব বলছে গ্রোথ রেট ০.৪০ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৬.৭ শতাংশ। আইএমএফের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২৫ এবং ২৬ অর্থবর্ষে ভারতীয় অর্থনীতির গ্রোথ রেট হবে ৬.৫ শতাংশ। গত আর্থিক বর্ষের তুলনায় গ্রোথ রেট বেড়েছে ০.২ শতাংশ।

    ভারতের অর্থনীতি

    ভারতের অর্থনীতি (India Economy) যে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে, নানা সমীক্ষায় তা প্রকাশ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বারংবার বলেছেন, “বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের ঠাঁই হবে তিন নম্বরে।” বর্তমানে এই তালিকায় দেশ রয়েছে পাঁচ নম্বরে। এতদিন এই জায়গাটা ছিল ব্রিটেনের দখলে। ভারতের অর্থনীতির চাকা যে গড়গড়িয়ে চলবে, ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে তা জানিয়েছিলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার গভর্নর শক্তিকান্ত দাস।

    ভারতের জিডিপি বাড়বে

    ওই মঞ্চে তিনি বলেছিলেন, “২০২৫ অর্থবর্ষে আমরা আশা করছি, ভারতের জিডিপি বেড়ে হবে ৭ শতাংশ।” তিনি আরও (India Economy) জানিয়েছিলেন, মানিটারি নীতি তৈরি করছে তাঁদের রিসার্চ টিম। ফেব্রুয়ারিতে সেটি প্রকাশ করা হবে। তিনিও বলেছিলেন, “এর ভিত্তিতে আমি বলতে পারি ভারতীয় অর্থনীতির গ্রোথ খুব দ্রুতগতি সম্পন্ন।”

    আরও পড়ুুন: ‘আমাদের এলাকা এটা’ চিনা সেনাদের যোগ্য জবাব দিলেন লাদাখের মেষপালকরা

    কিছুদিন আগেই ভারতীয় অর্থনীতি যে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে, তা ধরা পড়েছিল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার এক সমীক্ষায়। রিজার্ভ ব্যাঙ্কও জানিয়ে দিয়েছিল, ভারতের অর্থনৈতিক ভিত্তি যথেষ্ট মজবুত।কোভিডের ধাক্কায় টালমাটাল বিশ্ব অর্থনীতি। এই ধাক্কা অবশ্য লাগেনি ভারতীয় অর্থনীতির গায়ে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিভিন্ন নীতিরই সুফল ফলতে শুরু করেছে। তার জন্যই মজবুত হয়েছে ভারতের অর্থনীতি (India Economy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

         

  • Hemant Soren: বিদ্রোহ হেমন্তের পরিবারে, কল্পনাকে মুখ্যমন্ত্রী চান না জেএমএমের সিংহভাগ বিধায়ক!

    Hemant Soren: বিদ্রোহ হেমন্তের পরিবারে, কল্পনাকে মুখ্যমন্ত্রী চান না জেএমএমের সিংহভাগ বিধায়ক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির প্রশ্নবাণের মুখে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)। রাঁচিতে জমি কেনাবেচায় আর্থিক অনিয়ম ও নথি জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সপ্তমবারের জন্য তলব করা হয়েছিল হেমন্তকে। এর আগে ছ’ বার সমন পেয়েও হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। বুধবার দিলেন হাজিরা।

    সাদা কাগজে সই!

    ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী গ্রেফতার হয়ে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তাঁর দল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার বিধায়করা। যদি হেমন্তকে গ্রেফতার করা হয়, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন তাঁর স্ত্রী কল্পনা। তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসতে তাঁর স্ত্রীকে যাতে বিদ্রোহের মুখে পড়তে না হয়, সেজন্য দলীয় বিধায়কদের সাদা কাগজে সই করিয়ে নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, স্ত্রী কল্পনা এবং মন্ত্রী চম্পাই সোরেনের মধ্যে কোনও একজন যাতে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে পারেন, তাই এই ব্যবস্থা।

    বিজেপি সাংসদের দাবি

    তবে হেমন্তের (Hemant Soren) পরে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে কল্পনার বসাটা নিছক কেক ওয়াক হবে না বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের দাবি, কল্পনা মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিদ্রোহ শুরু হয়েছে হেমন্তের দলের অন্দরে। তিনি জানান, ২৯ জন বিধায়কের মধ্যে ১৮ জনই চান না মুখ্যমন্ত্রীর তখতে বসুন কল্পনা। তিনি বলেন, “জেএমএমের ১৮ জন বিধায়ক বসন্ত সোরেনকে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে দেখতে চান।” দুমকার বিধায়ক বসন্ত হেমন্তের ভাই। ঝাড়খণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার আরও একজন। তিনি হলেন হেমন্তের বড় দাদা প্রয়াত দুর্গা সোরেনের স্ত্রী সীতা।

    আরও পড়ুুন: জ্ঞানবাপী মসজিদের বেসমেন্ট চত্বরে হিন্দুদের পুজোর অনুমতি এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    ঝাড়খণ্ড বিধানসভার সদস্য সংখ্যা ৮১। শাসক জোটের পক্ষে রয়েছেন ৪৯ জন। এর মধ্যে হেমন্তের দলের বিধায়কের সংখ্যা ২৯। বাকি কুড়িজনের মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, এনসিপি, বাম এবং আরজেডির বিধায়ক। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার হেমন্তের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৩৫ জন। বাকিরা সীতার পাশে রয়েছেন বলে খবর। সীতা বলেন, “আমি সোরেন পরিবারের বড় বউমা। আমার প্রয়াত স্বামী দীর্ঘদিন ধরে ঝাড়খণ্ডকে পৃথক রাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন। আমি হেমন্তকে তাঁর উত্তরাধিকার বলে মনে করি, অন্য কিছু নয়।” তিনি বলেন, “গুরুজি (শিবু সোরেন) এবং আমার স্বামীর জল-জঙ্গল-জমিনের স্বপ্ন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।”

    সীতার বক্তব্যের নির্যাস, মুখ্যমন্ত্রীর (Hemant Soren) পদের দাবিদার তিনিই। আর যদি তা হয়, তাহলে বনবাসে যেতে হবে সীতাকে নয়, কল্পনাকে! এদিকে, বাংলার মতো ঝাড়খণ্ডেও ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে সে রাজ্যের পুলিশ। রাঁচির পুলিশ সুপার চন্দন সিনহা বলেন, ইডি আধিকারিকরা মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। তাই দায়ের হয়েছে এফআইআর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share