Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ram Temple: ভিড়ের নিরিখে ভ্যাটিকান সিটি এবং মক্কাকেও ছাপিয়ে যাবে অযোধ্যা!

    Ram Temple: ভিড়ের নিরিখে ভ্যাটিকান সিটি এবং মক্কাকেও ছাপিয়ে যাবে অযোধ্যা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরকে (Ram Temple) ঘিরে পর্যটকের আনোগোনা বাড়ছে উত্তরপ্রদেশে। এমনিতেই ফি-বছর বহু পর্যটনপ্রেমী আসেন যোগী রাজ্যে। ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয়েছে রাম মন্দিরের। প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছে বালক রামের বিগ্রহের। তাই অযোধ্যায় নিত্যদিন বাড়ছে পর্যটকের ভিড়।

    বাড়তি আয় ৪ লাখ কোটি টাকা

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এর জেরে চলতি বছর ৪ লাখ কোটি টাকা বাড়তি আয় হতে পারে বিজেপি শাসিত যোগী রাজ্যের। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার একটি রিপোর্টের উল্লেখ করে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের দফতর জানিয়েছে, আগামী অর্থবর্ষে রাজ্য সরকার ২৫ হাজার কোটি টাকা আয় করবে রাজস্ব বাবদ। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অযোধ্যা একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ (রাজস্ব বাড়ার) হয়ে দাঁড়াবে। দেশ তো বটেই, বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও পর্যটক এবং ভক্তরা এ রাজ্যে আসবেন। এটা (এসবিআইয়ের রিপোর্ট) জানাচ্ছে, চলতি বছর উত্তরপ্রদেশ বাড়তি আয় করবে ৪ লাখ কোটি টাকা।

    কী বলছে জেফেরিজ?

    অযোধ্যার ওপর সমীক্ষা চালিয়েছিল ফরেন স্টক মার্কেট রিসার্চ ফার্ম জেফরিজ। তাদের দাবি, ভক্তের (Ram Temple) ভিড়ের নিরিখে অযোধ্যা ছাপিয়ে যাবে ভ্যাটিকান সিটি (খ্রিস্টানদের পোপ এখানে বাস করেন। তাই পবিত্র।) এবং মক্কাকে (ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের অতি পবিত্র স্থান)। এই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, আশা করা যাচ্ছে, অযোধ্যায় বছরে প্রায় ৫ কোটি পুণ্যার্থী আসবেন। এটি যে কেবল উত্তরপ্রদেশের একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়, গোটা দেশেরও, তাও জানানো হয়েছে ওই রিপোর্টে। সরযূ নদীর তীরের এই মন্দির শহর ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছে পর্যটনপ্রেমীদের কাছে।

    আরও পড়ুুন: ‘ইন্ডি’ জোটে লেগেছে ঠোকাঠুকি! রাহুলকে বহরমপুর স্টেডিয়াম দিল না মমতার প্রশাসন

    নব প্রতিষ্ঠিত এই রাম মন্দিরে আসতে দর্শনার্থীরা যাতে কোনও রকম সমস্যার সম্মুখীন না হন, সেজন্য তৈরি করা হয়েছে আস্ত একটি বিমানবন্দর। ঢেলে সাজানো হয়েছে অযোধ্যা ধাম রেল স্টেশনকেও। বন্দোবস্ত করা হয়েছে অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধার। বাড়ানো হয়েছে সড়ক সংযোগ। প্রচুর হোটেলও গড়ে উঠেছে।

    অন্য একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, অযোধ্যায় বালক রামকে দর্শন করতে প্রতিদিন আসবেন প্রায় এক লাখ পুণ্যার্থী। অন্ধ্রপ্রদেশের বালাজি মন্দির দর্শনে প্রতি বছর আসেন ২.৫ কোটি ভক্ত। এ বাবদ রাজ্যের রোজগার হয় ১২০০ কোটি টাকা। বৈষ্ণোদেবী মন্দির দর্শনে ফি বছর যান ৮০ লাখ মানুষ। রাজ্যের আয় হয় ৫০০ কোটি টাকা। তাজমহল দর্শনে আসেন ৭০ লাখ পর্যটক। সরকারের আয় হয় ১০০ কোটি টাকা। আগরা দুর্গ দেখতে আসেন ৩০ লাখ মানুষ। রাজ কোষাগারে জমা পড়ে ২৭.৫ কোটি টাকা (Ram Temple)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Mandir: বালক রাম দর্শনের ভিড় সামলাতে অযোধ্যায় ৩৭৫০ কোটির প্রকল্প ঘোষণা কেন্দ্রের

    Ram Mandir: বালক রাম দর্শনের ভিড় সামলাতে অযোধ্যায় ৩৭৫০ কোটির প্রকল্প ঘোষণা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর এবং মন্দিরে উদ্বোধনের পর থেকেই উপচে পড়া ভিড় দর্শনার্থীদের। বালক রামের দর্শন পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন ভক্তরা। ৫০০ বছর পর প্রভু রাম তাঁর নিজের জন্মভূমির উপর নির্মিত মন্দিরের গর্ভগৃহে বিরাজমান হয়েছেন। তাই অগণিত রামভক্তের দেখা মিলছে রাম মন্দির প্রাঙ্গনে। ইতিমধ্যে মন্দির কর্তৃপক্ষ আগত ভক্তদের উদ্দেশে মন্দির দর্শন এবং আরতির নতুন সময়সূচি প্রকাশ করেছে। অপর দিকে, অযোধ্যায় ভিড় সামলাতে ৩৭৫০ কোটি টাকার প্রকল্প ঘোষণা করেছে কেন্দ্র সরকার।

    রামলালা দর্শনের সময়সূচি (Ram Mandir)

    মন্দির সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখনও পর্যন্ত কয়েক লক্ষ মানুষ রাম মন্দির (Ram Mandir) দর্শন করেছেন। দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রভু রামলালার দর্শনে ছুটে আসছেন ভক্তরা। ভক্তদের সুবিধার্থে শ্রীরাম জন্মভূমিত তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে আরতি ও দর্শনের নতুন সময় প্রকাশ করেছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের রাজ্য মুখপাত্র এবং মিডিয়া ইনচার্জ শরদ শর্মা বলেছেন, “প্রভু শ্রীরামলালার শৃঙ্গার আরতি হবে ভোর সাড়ে ৪টায়। সেই সঙ্গে মঙ্গল আরতি হবে সকাল সাড়ে ৬টায়। এরপর সকাল ৭টা থেকে শুরু হবে ভক্তদের দর্শন পর্ব। দুপুর ১২টায় হবে ভোগ আরতি, এই সময় প্রভুকে ভোগ নিবেদন করা হবে। এরপর কিছুক্ষণ বিশ্রামের জন্য বন্ধ থাকবে গর্ভগৃহ। আবার দুপুর ২টো থেকে দরজা খুলে যাবে। সন্ধ্যার সময় হবে প্রভু রামের সন্ধ্যা আরতি। এরপর ভোগ নিবেদন করে ভোগের আরতি করা হবে। রাত্রি ১০টায় হবে শয়ন আরতি।”

    কেন্দ্র সরকারের বিরাট প্রকল্পের ঘোষণা

    মন্দির(Ram Mandir) উদ্বোধনের পর থেকেই রাম মন্দিরে ব্যাপক ভক্তের সমাগম। পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো নাজেহাল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। মধ্যে রাত থেকেই মন্দির দর্শনের জন্য পড়ছে লম্বা লাইন। আগামী দিনে প্রভু বালক রামের দর্শনের জন্য আরও ভিড় বাড়বে। তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কেন্দ্র সরকার ইতিমধ্যেই ৩ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রকল্প ঘোষণা করেছে। ৬৮ কিমি বাইপাস তৈরির জন্য কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক বিশেষ ঘোষণা করেছে। ৬ লেনের হাইওয়ে রাস্তা যাবে লখনউ, বাস্তি, গোন্ডা জেলার উপর দিয়ে। উত্তর অযোধ্যা এবং দক্ষিণ অযোধ্যা দুই ভাগে প্রকল্পের কাজ ঘোষণা করা হয়েছে। মন্দিরে যেতে যাতে যানজট কম হয় তাই এই ব্যবস্থা করা হবে। বর্তমানে ৮৯ হাজার ২৩টি গাড়ি রোজ গড়ে যাতায়াত করছে। ২০৩৩ সালের মধ্যে এই সংখ্যা পৌঁছাতে পারে আনুমানিক ২ লক্ষ ১৭ হাজারে। এই রাস্তা মূলত পিপিপি মডেলে নির্মাণ করা হবে। আগামী আড়াই বছরের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ভারতকে প্রজাতন্ত্র দিবসে শুভেচ্ছা, বিশ্ব নেতাদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: ভারতকে প্রজাতন্ত্র দিবসে শুভেচ্ছা, বিশ্ব নেতাদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই ছিল দেশের ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবস। ভারতের সাধারণতন্ত্র দিবসে শুভেচ্ছা জানান অনেক রাষ্ট্রনেতাই। শুভেচ্ছা জানানোর জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্র নেতাদের ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি বিশ্ব নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও।

    আরও পড়ুন: প্রাণী কল্যাণে বিশেষ অবদান, মাহুত বন্ধু অসমের পার্বতীকে পদ্ম সম্মান

    নেপালের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান নরেন্দ্র মোদি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) নিজের এক্স হ্যান্ডেলের মাধ্যমে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহলকে। ভারত এবং নেপালের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হবে বলেও মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ধন্যবাদ মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীকে

    মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী কুমার যুগনাথ ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানান। তাঁকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডেলের মাধ্যমে জানান, ভারত ও মরিশাসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামীদিনে আরও উন্নত হবে।

    ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    চলতি বছরে প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে একটি ছবি ও সেলফিও শেয়ার করেন নিজের এক্স হ্যান্ডেলে। সেটিকে রিট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী। ফরাসি ভাষায় ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লেখেন, ‘‘প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আপনার উপস্থিতির ফলে ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক আরও উচ্চতায় পৌঁছবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: প্রজাতন্ত্র দিবসে অযোধ্যায় পা পড়ল ৩ লাখ ২৫ হাজার ভক্তের

    Ram Mandir: প্রজাতন্ত্র দিবসে অযোধ্যায় পা পড়ল ৩ লাখ ২৫ হাজার ভক্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের পরে অযোধ্যায় ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ছে। তথ্য বলছে, গতকালই অর্থাৎ প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন ৩ লাখ ২৫ হাজার ভক্তের পা পড়েছিল পবিত্র অযোধ্যা ধামে। বালক রামের মূর্তি দর্শনে ইতিমধ্যে সময়সীমা বাড়িয়েছে রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। যার ফলে বিপুল সংখ্যক ভক্তের রাম মন্দির দর্শন করতে কোনওরকম অসুবিধা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, মন্দির প্রাঙ্গণ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে এগিয়ে এসেছেন স্বয়ংসেবকরাও। আরএসএস নেতা দত্তাত্রেয় হোসাবলে ইতিমধ্যে তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সঙ্গে একটি বৈঠকও করেছেন এব্যাপারে।

    ২৬ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের স্বরাষ্ট্র সচিব হাজির ছিলেন অযোধ্যায়

    যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশ মতো, ২৬ জানুয়ারিও উত্তরপ্রদেশের স্বরাষ্ট্র সচিব সঞ্জয় প্রসাদ, আইনশৃঙ্খলার ডিজি প্রশান্ত কুমার অযোধ্যা পৌঁছে যান এবং সমস্ত ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। দিনভর ভক্তদের ভিড় সামলে দুই শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকর্তা লখনউতে ফেরেন সন্ধ্যাবেলায় এবং দিনের শেষে রিপোর্ট দেন মুখ্যমন্ত্রীকে। এই দুই শীর্ষ প্রশাসনিক আমলার সঙ্গে অযোধ্যা ধামে (Ram Mandir) সর্বক্ষণই ছিলেন পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল, ডিভিশনাল কমিশনার ও জেলার পুলিশ সুপার।

    ভোরের মঙ্গল-আরতি ও রাতে শয়ন-আরতির সময়

    ২৬ জানুয়ারি সকাল নাগাদ মন্দির (Ram Mandir) প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখে অযোধ্যার স্থানীয় প্রশাসনও। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মুখপাত্র শরদ শর্মা জানিয়েছেন, মঙ্গল আরতির জন্য বালক রামের গর্ভগৃহের দরজা খোলা হয় ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ। এরপরে শ্রীঙ্গার আরতির জন্য পরবর্তীকালে দরজা খোলা হয় সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ। ভক্তদের দর্শন শুরু হয় সকাল সাতটা থেকে। দুপুর ১২টা নাগাদ ভোগ আরতি হয় এবং সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় সন্ধ্যা আরতি হয়। পরবর্তীকালে রাত্রিতে আবার নটার সময় ভোগ আরতি হয়। রাত্রি দশটা নাগাদ শয়ন আরতি হয়। সকালের মঙ্গল আরতির সময় অবশ্য ভক্তদের জন্য মন্দিরের দরজা বন্ধ থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indi Alliance: ‘ইন্ডি’ জোটে লেগেছে ঠোকাঠুকি! রাহুলকে বহরমপুর স্টেডিয়াম দিল না মমতার প্রশাসন

    Indi Alliance: ‘ইন্ডি’ জোটে লেগেছে ঠোকাঠুকি! রাহুলকে বহরমপুর স্টেডিয়াম দিল না মমতার প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোট (Indi Alliance) একেবারে ঘেঁটে ঘ। বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের জোট হবে কি না, তা নিয়ে জটিলতা অব্যাহত। বুধবার তৃণমূল নেত্রী মমতা জানিয়ে দেন, আগামী লোকসভা ভোটে বাংলায় তৃণমূল একাই লড়াই করবে। রাহুল গান্ধী না জানিয়ে বাংলায় আসায় উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর জেরেই  কয়েকদিন আগে কোচবিহারে রাহুল গান্ধীর মঞ্চ খুলে দেয় মমতার পুলিশ। এমনকী শিলিগুড়িতে রাহুল গান্ধীর সভার অনুমতি পাওয়া নিয়ে জলঘোলা হয়েছে। এ বার অধীরের লোকসভা কেন্দ্রেই রাহুলের সভায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Indi Alliance)

    ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা নিয়ে আবার ২৮ জানুয়ারি বাংলায় আসবেন রাহুল। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বহরমপুরে থাকার কথা তাঁর। রাহুল-সহ কংগ্রেস নেতৃত্বের রাত্রিবাসের জন্য বহরমপুর স্টেডিয়াম চাওয়া হয়েছিল। সেই অনুমতি প্রশাসন বাতিল করে দিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩১ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রশাসনিক সভা রয়েছে বহরমপুর স্টেডিয়ামে। রাজ্য সরকারের সভা পূর্ব নির্ধারিত। মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক তাদের জানিয়ে দিয়েছে বহরমপুর স্টেডিয়াম দেওয়া যাবে না। বিকল্প হিসাবে নিকটবর্তী এফইউসি মাঠ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু, কংগ্রেসের দাবি, ওই মাঠে রাহুল এবং তাঁর গোটা টিমের রাত্রিবাসের জন্য পর্যাপ্ত জায়গাই নেই। স্বাভাবিকভাবে বার বার রাহুলের সভা বা কংগ্রেস কর্মীরা মমতার প্রশাসন, পুলিশের বাধার মুখে পড়ায় ইন্ডি জোটের (Indi Alliance) ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি কী বললেন?

    প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেন, আমরা বহুদিন আগে স্টেডিয়াম চেয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলাম। এতদিন কিছু বলেনি। কিন্তু, আমাদের কর্মসূচির দুদিন আগে অনুমতি বাতিল করার ঘটনা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূলের জেলা নেতা অপূর্ব সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি পূর্ব নির্ধারিত। আর এটা তৃণমূল বাধা দিয়েছে এমন নয়। প্রশাসন মনে করেছে বলেই অনুমতি দেয়নি। আর অন্য কে কোথায় সভা করবে, সেটা তাঁদের দলীয় ব্যাপার। তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জোট (Indi Alliance) ভেস্তে দেওয়ার জন্য অধীর চৌধুরীকে দায়ী করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nitish Kumar: রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই বিহারে বদলি করা হল ৪৭৮ জন আমলাকে

    Nitish Kumar: রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই বিহারে বদলি করা হল ৪৭৮ জন আমলাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টালমাটাল বিহারের (Nitish Kumar) রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এমতাবস্থায় ৪৭৮ জন আমলাকে বদলি করলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। এঁদের মধ্যে সার্কেল অফিসার এবং রাজস্ব দফতরের পদস্থ কর্মীরাও রয়েছেন। ট্রান্সফারের এই কাজটি করেছে রাজস্ব ও ভূমি রাজস্ব দফতর। সূত্রের খবর, বদলির কাজটি হয়েছিল গত জুন মাসে।

    নীতীশ ফিরছেন এনডিএ শিবিরে!

    যদিও নানা সমস্যায় এতদিন কার্যকর হয়নি সেই নির্দেশ। ঘটনার পরেই জল্পনা ছড়ায় ‘মহাগটবন্ধন’ সরকারের মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিতে পারেন নীতীশ। হাত মেলাতে পারেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র সঙ্গে। বছর দেড়েক আগে এই জোট ছেড়েই নীতীশ ভিড়েছিলেন মহাগটবন্ধনে। দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। তার আগে ফের একবার নীতীশ হাত ধরতে পারেন বিজেপি নেতৃ্ত্বাধীন জোটের। শুক্রবারই ২২ জন আইএএস, ৭৯ আইপিএস এবং বিহার অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভের ৪৫ জন আধিকারিককে বদলি করেছিল রাজ্য সরকার (Nitish Kumar)। পাঁচ জেলাশাসককেও বদলি করা হয়েছিল। তার পর শনিবার বদলি করা হল ৪৭৮ জনকে।

    কাকে কোথায় বদলি 

    জানা গিয়েছে, পাটনার জেলাশাসক চন্দ্রশেখর সিংকে স্পেশাল সেক্রেটারি করে নিয়ে আসা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ে। তিনি ২০১০ ব্যাচের আইএএস অফিসার। কিছুদিন আগে স্টেট এডুকেশন দফতরের সঙ্গে বিবাদের জেরে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন তিনি। তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে ২০১১ ব্যাচের আইএএস অফিসার কপিল অশোককে। তিনি কারা দফতরের আইজি। ২০১৩ ব্যাচের আইএএস অফিসার নওল কিশোর চৌধুরী। তিনি গোপালগঞ্জের জেলাশাসক। তাঁকে ভাগলপুর জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আবার ভাগলপুরের জেলাশাসক সুব্রত কুমার সেনকে দেওয়া হয়েছে মুজফফরপুরের দায়িত্ব। তিনি ২০১৩ ব্যাচের আইএএস।

    আরও পড়ুুন: দুই বিচারপতির দ্বন্দ্ব, দু’ তরফেরই বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত সুপ্রিম কোর্টে

    এনডিএ শিবির ছেড়ে আসা নীতীশের দল বদলের ‘অভ্যাস’ বহু পুরানো। ২০১৫ সালে আরজেডির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গঠন করেছিলেন নীতীশ। পরে হাত ধরেন বিজেপির। সেবার এভাবেই তিনি বাঁচিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি। ২০২০ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে থেকে গিয়েছিলেন বিজেপিকে আঁকড়ে ধরে। পরে ফের শত্রুতা ভুলে হাত ধরেন লালুপ্রসাদ যাদবের আরজেডির। আবারও ভিড়েন বিজেপি শিবিরে। বছর দেড়েক আগে বিজেপির পাট চুকিয়ে মহাগটবন্ধনের মুখ্যমন্ত্রী হন নীতীশ। এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের তিনি (Nitish Kumar) ঝুঁকছেন বিজেপির দিকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: দুই বিচারপতির দ্বন্দ্ব, দু’তরফেরই বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত সুপ্রিম কোর্টে

    Justice Abhijit Gangopadhyay: দুই বিচারপতির দ্বন্দ্ব, দু’তরফেরই বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতির দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাতে হস্তক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay) ও বিচারপতি সৌমেন সেনের সংঘাতের শুনানিতে এ সংক্রান্ত সব বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত করে দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। স্থগিত করে দিয়েছে সিবিআই তদন্তও।

    পাঁচ বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চ

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় ও বিচারপতি সেনের সংঘাতের অবসান ঘটাতে পাঁচ বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চ গড়ে সুপ্রিম কোর্ট। বেঞ্চে রয়েছেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি বিআর গাভাই, বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস। সেখানে আপাতত মেডিকেলে ভর্তি মামলায় হাইকোর্টের সব বিচারপ্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সিঙ্গল এবং ডিভিশন বেঞ্চের কোনও নির্দেশ আপাতত কার্যকর হচ্ছে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ। সোমবার ফের শুনানি হবে এই মামলার।

    সিবিআই তদন্ত স্থগিত

    এই মামলায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তাও স্থগিত থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Gangopadhyay) সিঙ্গল বেঞ্চ এই মামলায় যে নির্দেশ দিয়েছে, তার বিরুদ্ধে মামলার আবেদন জানায় রাজ্য সরকার। সেই অনুমতিও দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্যের পাশাপাশি নোটিশ দেওয়া হয়েছে মামলাকারীকেও। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, মেডিক্যালে ভর্তি মামলায় সিবিআই তদন্তও আপাতত স্থগিত থাকছে।

    আরও পড়ুুন: খাদ্যমন্ত্রী থাকাকালীন নিজের দফতরের দুর্নীতির কথা ভালোভাবে জানতেন বালু, দাবি ইডির

    কেন্দ্রের তরফে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি বলেন, “দুই বেঞ্চের কারও বিরোধিতা করা হচ্ছে না। তবে ডিভিশন বেঞ্চে যে আবেদন করা হয়েছে, সে বিষয়ে আমরা আমাদের বক্তব্য লিখিত আকারে জানাতে চাই।” কোনও নথি ছাড়াই কীভাবে ডিভিশন বেঞ্চ অর্ডার পাস করল, সে প্রশ্নও তোলেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল।

    প্রসঙ্গত, মেডিকেল কলেজে ভর্তি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ প্রথমে সেই নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেয়। পরে খারিজ করে দেয় সিবিআইয়ের দায়ের করা এফআইআর। ডিভিশন বেঞ্চের এই নির্দেশের প্রক্রিয়াগত ত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay)। তাঁর নির্দেশনামায় বিচারপতি সেন সম্পর্কে একাধিক অভিযোগ তোলেন। এই মামলায় তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে বলেন সিবিআইকে। দুই বিচারপতির এহেন বেনজির দ্বন্দ্বে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পদক্ষেপ করে সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nitish Kumar: নীতীশ নিয়ে বিপাকে ‘মহাজোট’, সরকার বাঁচাতে সপ্তাহান্তে ছোটাছুটি আরজেডির

    Nitish Kumar: নীতীশ নিয়ে বিপাকে ‘মহাজোট’, সরকার বাঁচাতে সপ্তাহান্তে ছোটাছুটি আরজেডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার ফের বিপাকে আরজেডি-জেডিইউ-কংগ্রেস ‘মহাজোট’। গত কয়েকদিন ধরে বিহার-জুড়ে জোর জল্পনা, মহাজোটের সঙ্গ ছেড়ে ফের বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটে ফিরতে চলেছেন জেডিইউ-র সর্বেসর্বা তথা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। এই নিয়েই বিহারের রাজনীতিতে (Bihar Politics) এখন তোলপাড়। চারদিকে ছোটাছুটি পড়ে গিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের। কোথাও সরকার বাঁচানোর চেষ্টা, তো কোথাও নতুন সরকার গড়ার প্রয়াস।

    আসনেই লুকিয়ে রসায়ন…

    বিহারে বিধানসভায় মোট আসন সংখ্যা ২৪৩। ম্যাজিক ফিগার ১২২। আরজেডির রয়েছে ৭৯টি আসন। জেডিইউয়ের হাতে রয়েছে ৪৫টি আসন। বিজেপির রয়েছে ৭৮টি আসন। এছাড়াও বিহারে কংগ্রেসের ১৯ ও বামেদের ১৬ জন বিধায়ক রয়েছেন (Bihar Politics)। এনডিএ শরিক জিতেন রাম মানঝির হিন্দুস্তানি আওয়ামি মোর্চার ৪ জন বিধায়ক রয়েছেন। আরজেডির সঙ্গে যদি কংগ্রেস ও বামেদের বিধায়ক সংখ্যা যোগ করা যায়, তাহলে মোট সংখ্যা ১১৪-তে পৌঁছে যায়, যা ম্যাজিক ফিগারের থেকে আট কম। অন্যদিকে, নীতীশ (Nitish Kumar) যদি এনডিএ-তে যোগ দেন, সেক্ষেত্রে বিজেপির ৭৮-এর সঙ্গে জেডিইউ-এর ৪৫ ও হাম-এর ৪ যোগ করলে সংখ্যাটা পৌঁছে যায় ১২৭-এ। যা ম্যাজিক ফিগার থেকে পাঁচ বেশি। এদিকে, জিতেন রাম মানঝির সঙ্গে কথা বলে লালু প্রসাদ যাদব তাঁর ছেলেকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী করার প্রস্তাবও দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও জিতেন রাম মানঝি বলেছেন, তিনি এনডিএ-র সঙ্গে আছেন, তাদের সঙ্গেই থাকবেন।

    রাজনৈতিক নেতাদের ছোটাছুটি…

    এই পরিস্থিতিতে সপ্তাহান্তে পর পর বৈঠক ও কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত বিহারের রাজনৈতিক দলগুলি (Bihar Politics)। একদিকে, নীতীশকে (Nitish Kumar) আটকানোর রণকৌশল নির্ধারণ দলের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী তথা আরজেডি নেতা ও লাল-পুত্র তেজস্বী যাদব। আজ, শনিবার ও রবিবার— এই দুদিন মহাজোটের কাছে ‘অ্যাসিড-টেস্ট’ হতে চলেছে। সূত্রের খবর, আরজেডির শীর্ষ নেতৃত্ব তেজস্বীর বাসভবনে মিলিত হতে চলেছেন। শুক্রবারের বৈঠকে তেজস্বী দলীয় নেতাদের জানান যে, গোটা পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রকে দায়ী করেন। মহাজোট থেকে আরজেডি-র সমর্থন তুলে নেওয়া উচিত বলে প্রস্তাব পেশ করেন কয়েকজন নেতা। কিন্তু, তেজস্বী নেই প্রস্তাব খারিজ করেন। পরিস্থিতি বিচার করতে বৈঠকে ব্যস্ত বিজেপিও। শনিবার ও রবিবার কার্যনির্বাহী বৈঠক ডেকেছে বিহার বিজেপি। অন্যদিকে, বিহার প্রদেশ কংগ্রেস নেতা শাকিল আহমেদ জানিয়েছেন, পূর্ণিয়াতে শনির দুপুরে বৈঠকে বসছে দলের বর্তমান ও প্রাক্তন বিধায়করা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Emmanuel Macron: ‘উপহার’ মাক্রঁর! ৩০ হাজার ভারতীয় পড়ুয়া পেতে চলেছেন ফ্রান্সে পড়ার সুযোগ

    Emmanuel Macron: ‘উপহার’ মাক্রঁর! ৩০ হাজার ভারতীয় পড়ুয়া পেতে চলেছেন ফ্রান্সে পড়ার সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭৫তম  প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি ছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। ভারতের ছাত্র-ছাত্রীদের বড় উপহারও ঘোষণা করলেন তিনি। বলা হচ্ছে এটা নাকি প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতকে মাক্রঁ-র ‘উপহার’। শুক্রবার সকালেই ফরাসি প্রেসিডেন্টের এক্স হ্যান্ডেলের একটি পোস্ট সামনে আসে। তাতে তিনি লেখেন, ‘‘২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ হাজার ভারতীয় পড়ুয়াকে ফ্রান্সে পড়ার সুযোগ দেওয়া হবে। এটি অতি উচ্চাকাঙ্ক্ষা। তবে ফ্রান্স এই লক্ষ্য পূরণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’ প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে ক্যাম্পাস ফ্রান্স নামে একটি পোগ্রাম চালু হয়েছে ফ্রান্সে। এটি চালু হওয়ার পর থেকে ফ্রান্সে ভারতীয় পড়ুয়াদের সংখ্যা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ভারত ও ফ্রান্স একসঙ্গে কাজ করবে

    ভারতীয় পড়ুয়াদের ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার জন্য অনেক সুযোগসুবিধা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন  ইমানুয়েল মাক্রঁ। শুধু তাই নয়, যাঁরা ফরাসি ভাষা জানেন না, তাঁদেরও ফ্রান্সে পড়াশোনা করতে অসুবিধা হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ফ্রান্স এবং ভারত আগামীদিনে একসঙ্গে মিলে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ইমানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। ইমানুয়েল মাক্রঁ আরও জানিয়েছেন, ফ্রান্সে এর আগে যাঁরা পড়াশোনা করেছেন, এমন প্রাক্তন ভারতীয় ছাত্রদের ভিসা প্রক্রিয়াও সহজ করে দেওয়া হবে।

    বৃহস্পতিবারই ভারতে পা রাখেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট

    প্রসঙ্গত, প্রজাতন্ত্র দিবসে যোগ দিতে উপলক্ষে বৃহস্পতিবারই ভারতে এসেছেন ইমানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। শুক্রবার কর্তব্যপথে প্যারেডে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার ভারতে পা রেখে প্রথমে অবশ্য তবে দিল্লি নয়, নামেন রাজস্থানে। জয়পুরের ঐতিহাসিক অম্বর দুর্গ পরিদর্শন করেন তিনি। বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন মানমন্দির জয়পুরের যন্তর মন্তরেও ভ্রমণ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হয় তাঁর। প্রসঙ্গত, গত বছরের জুলাই মাসে ফ্রান্স সফরে গিয়েছিলেন মোদি। সেখানে ইউপিআই ব্যবস্থার উদ্বোধনও করেন তিনি। ফ্রান্সের জাতীয় দিবস তথা বাস্তিল দিবসের উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বিশেষ অতিথি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India-Maldives: প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি মুইজ্জুর, ক্ষতে প্রলেপের চেষ্টা?

    India-Maldives: প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি মুইজ্জুর, ক্ষতে প্রলেপের চেষ্টা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনৈতিক সংঘাতের (India-Maldives) মধ্যেই ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2024) উপলক্ষে ভারতকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠালেন মহম্মদ মুইজ্জু। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দুটি পৃথক চিঠি পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট। তাতে দুদেশের মধ্যে থাকা ‘দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের’ উল্লেখ করা হয়েছে। 

    কী লেখা হয়েছে চিঠিতে?

    মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু ভারতের ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day 2024) উপলক্ষে নরেন্দ্র মোদি এবং দ্রৌপদী মুর্মুকে দু’টি পৃথক বার্তায় অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘‘দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতার মাধ্যমে মলদ্বীপ এবং ভারতের সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছে।’’ আগামী দিনেও দুই দেশের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি (India-Maldives) বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট।

    মলদ্বীপের বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ

    শুক্রবার দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ভারতের ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবস। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা এজন্য ভারতকে শুভেচ্ছাবার্তাও পাঠিয়েছেন। তবে সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ হল মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তা। দুদেশের (India-Maldives) মধ্যে চলতে থাকা কূটনৈতিক টানাপোড়েনের নিরিখে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্টের এই বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ। সাম্প্রতিককালে ভারত-মলদ্বীপের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। তাই অনেকেই মনে করছেন, ক্ষতে প্রলেপ লাগানোর চেষ্টা করলেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।

    ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কের অবনতি

    গত নভেম্বরে ক্ষমতায় এসেছেন মুইজ্জু। তিনি চিনঘেঁষা বলে পরিচিত। তার ওপর, নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক লক্ষদ্বীপ সফরে নিয়ে সমাজমাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কুৎসিত মন্তব্য করেন মুইজ্জু-মন্ত্রিসভার তিন সদস্য (India-Maldives)। ভারতে এর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ভারতীয়রা ওই বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন। এমনকী, সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ভারতীয়রা বয়কট মলদ্বীপ-এর ডাক দেন। এদেশের বহু ভ্রমণ ও পর্যটন সংস্থা মলদ্বীপ ট্যুর বাতিল করে। এর ফলে, তীব্র ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় মলদ্বীপের অর্থনীতি, যা তাদের পর্যটনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। আর মলদ্বীপে পর্যটনের সিংহভাগ আয় হয় ভারতকে থেকে সেদেশে আসা পর্যটকদের থেকেই।

    ঘরে প্রবল সমালোচিত মুইজ্জু

    সে সময়ে চিন সফরে গিয়েছিলেন মুইজ্জু। তিনি ফিরে এসে কারও সামনে মাথা নত না করার হুঁশিয়ারি দেন। উল্টে তিনি ভারতীয় নৌসেনাকে মার্চ মাসের মধ্যে মলদ্বীপ থেকে সরে যেতে বলে দেন। শুধু তাই নয়। চিনের চর-জাহাজকে মলদ্বীপে স্বাগত জানানোর কথাও ঘোষণা করেন। এতে যেন বিতর্কে ঘৃতাহুতি পড়ে। ঘরেই প্রবল সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয় মুইজ্জুকে। সেদেশের প্রধান ২ বিরোধী দল মুইজ্জুর ভারত-বিরোধী (India-Maldives) অবস্থানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করে। বিরোধীরা একসুরে জানিয়ে দেয়, মলদ্বীপের ‘ভারত-বিরোধী অবস্থান’ দ্বীপরাষ্ট্রের জন্য ‘অত্যন্ত ক্ষতিকর’ বলে প্রমাণিত হবে। এর পরই, প্রবল চাপে পড়ে এখন শুভেচ্ছাবার্তা  (Republic Day 2024) ক্ষতে প্রলেপ লাগাতে উদ্যোগী হয়েছেন মুইজ্জু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share