Tag: Bengali news

Bengali news

  • BJP: লক্ষ্য ৩৫ আসন, বাংলায় ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গড়লেন শাহ-নাড্ডা

    BJP: লক্ষ্য ৩৫ আসন, বাংলায় ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গড়লেন শাহ-নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় ৩৫টি আসনের লক্ষ্যে ঝাঁপাচ্ছে বিজেপি (BJP)। সেই কারণে ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গঠন করে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। মঙ্গলবার নিউটাউনের একটি হোটেলে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন পদ্ম শিবিরের এই দুই কর্তা। সেখানেই তৈরি হয় ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’। প্রসঙ্গত, সোমবার রাতেই কলকাতায় পা রেখেছেন শাহ ও নাড্ডা।

    ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম

    ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিমে’ রয়েছেন ১৫ জন। এঁদের মধ্যে ১০ জন বঙ্গ বিজেপির নেতা। বাকি পাঁচজন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি। লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল তৈরির পাশাপাশি কোন কোন আসনে জোর দেওয়া হবে, মূলত তা-ই ঠিক করবে এই কমিটি। জানা গিয়েছে, বাংলার যে ১০ জনের ঠাঁই হয়েছে ওই কমিটিতে, তাঁরা হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ দিলীপ ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল, রাহুল সিনহা, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, দীপক বর্মণ, অমিতাভ চক্রবর্তী এবং জ্যোর্তিময় সিং মাহাতো। আর কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি রয়েছেন সুনীল বনসল, অমিত মালব্য, আশা লাকড়া, মঙ্গল পাণ্ডে এবং সতীশ ধন্ড।

    কমিটিতে জায়গা হয়নি যাঁদের

    কমিটিতে (BJP) জায়গা হয়নি চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, শান্তনু ঠাকুর, সুভাষ সরকার এবং জন বার্লার। ঠাঁই পাননি গেরুয়া শিবিরের তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী, মনোজ টিগ্গা এবং অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়েরও। মাঝেমধ্যেই বিতর্কিত মন্তব্য করে দলকে অস্বস্তিতে ফেলছিলেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। ওই কমিটিতে ঠাঁই হয়নি তাঁরও। এদিনের বৈঠকেও ডাকা হয়নি তাঁকে। পদ্ম শিবির সূত্রে খবর, গত এপ্রিল মাসে বঙ্গ সফরে এসে শাহ লোকসভায় ৩৫টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির নেতাদের। সেই লক্ষ্য পূরণে বাংলার নেতারা কতটা প্রস্তুত, মূলত তা দেখতেই সোমবার ফের বাংলায় এসেছেন বিজেপির দুই হেভিওয়েট নেতা।

    আরও পড়ুুন: কোন আইনে সমাবর্তন যাদবপুরে? আদালতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!

    এ রাজ্যে আক্ষরিক অর্থেই শূন্য থেকে শুরু করেছিল বিজেপি। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এ রাজ্যের ১৮টি আসনে জেতে। তার পর থেকে বাংলায় ক্রমেই শক্ত হয়েছে বিজেপির পায়ের তলার মাটি। তাই বেড়েছে প্রত্যাশাও। সেই কারণেই এবার লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৩৫। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, দেশজুড়ে ৪০০-র বেশি আসনে পদ্ম (BJP) ফোটাতে চায় তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • South 24 Parganas: এলাকাবাসীর চোখের সামনে দিয়ে খাল টপকে গেল বাঘ! এলাকায় তীব্র আতঙ্ক

    South 24 Parganas: এলাকাবাসীর চোখের সামনে দিয়ে খাল টপকে গেল বাঘ! এলাকায় তীব্র আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকাবাসীর চোখের সামনে দিয়ে খাল টপকে গেল বাঘ! জঙ্গলে গর্জন করে জানিয়ে দিল দক্ষিণরায় এখন উপেন্দ্রনগর জঙ্গলে রয়েছে। আর এই বাঘের গর্জন শুনেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) লোকালয়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এডিএফও অনুরাগ চৌধুরির নেতৃত্বে বনদফতরের একটি বিশেষ দল পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তিনি জানান, “নাইলনের জাল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে গ্রাম লাগোয়া জঙ্গল।” রামগঙ্গা, ধনচি ও রায়দিঘি রেঞ্জের অফিসারেরা উপস্থিত হয়েছেন ঘটনাস্থলে।

    লোকালয়ে সংলগ্ন জঙ্গলে বাঘ (South 24 Parganas)

    লোকালয় সংলগ্ন জঙ্গলে বাঘের পায়ের ছাপ দেখে যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না প্রকৃত বাঘ আসতে পারে এই এলাকায়। কিন্তু এবার এলাকাবাসীর চোখের সামনে দিয়ে খাল টপকে গেল বাঘ এবং বনদফতরের কর্মীদের কানে পৌঁছালো বাঘের গর্জন। ঠিক তারপরেই বাঘ তাড়ানোর তোড়জোড় শুরু করল সুন্দরবন বনদফতর। এই প্রচন্ড ঠান্ডার মধ্যে সারা রাত্রি বনদফতর কর্মীদের সঙ্গে এলাকার মানুষেরা নদী বাঁধে পাহারা দেন। আজ সকাল থেকে শুরু হল নদীর জঙ্গলে জাল ঘেরার কাজ। এলাকায় বাঘকে ঘিরে তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    দুমাস ধরে বাঘ ধরার প্রচেষ্টা

    উল্লেখ্য, দুমাস ধরে বাঘের আতঙ্ক চলছে পাথরপ্রতিমা এলাকায়। কখনও শ্রীধরনগর, কখনও সীতারামপুর ইন্দ্রপুর, রাখালপুর আবার উপেন্দ্রনগর এলাকায় বাঘের পায়ের ছাপ দেখা যাচ্ছে। বনদফতরের কর্মীরা গত দুমাস ধরে ঘর ছেড়ে জঙ্গলে নৌকায় বসবাস শুরু করেছে, বাঘের খোঁজে চলছে প্রতিদিন তল্লাশি। শেষ পর্যন্ত আজ উপেন্দ্রনগর ঠাকুরান নদীর চরে বাঘের গর্জন শুনে দক্ষিণ রায় সেইখানেই আছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এরপর শুরু হয়েছে বাঘ ধরার প্রস্তুতি। এখন দেখার দুমাস ধরে যে বাঘ খাঁচায় ঢোকেনি, শ্রীধরনগর (South 24 Parganas) জঙ্গলে খাঁচায় ঢোকে কিনা! এবার যদি খাঁচায় ঢুকে বনদফতর যেমন খুশি হবে তেমনি এলাকাবাসীরও আতঙ্ক কাটবে।

    স্থানীয় মানুষের বক্তব্য

    স্থানীয় (South 24 Parganas) চিত্তরঞ্জন মাইতি বলেন, “গতকাল থেকে আমরা বন দফতরের কর্মীর সঙ্গে রাতভর মশাল জ্বালিয়ে অভিযান করে তাল্লাশি চালিয়েছি। বাঘের গর্জনের শব্দ শুনতে পেয়েছি আমরা। আজ সকাল ৯ টা থেকে অভিযান চলছে। নদীর ধারে বনদফতরের সহযোগিতায় এলাকায় জাল দিয়ে ঘেরার কাজ চলছে। সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করবো অযথা আতঙ্কিত হবেন না বনদফতরের কর্মীরা সুরক্ষার বিষয়ে কাজ করছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Passengers: মুম্বইয়ে অবতরণ ফ্রান্সে আটক সেই বিমানের, ফিরলেন ২৭৬ জন ভারতীয়

    Indian Passengers: মুম্বইয়ে অবতরণ ফ্রান্সে আটক সেই বিমানের, ফিরলেন ২৭৬ জন ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানব পাচারের অভিযোগে যাত্রিবাহী একটি বিমানকে ফ্রান্সের বিমানবন্দরে আটকে রেখেছিল সে দেশের প্রশাসন। বিমানটি যাচ্ছিল নিকারাগুয়ার উদ্দেশে। যাত্রীদের মধ্যে ভারতীয় (Indian Passengers) ছিলেন ৩০৩ জন। রবিবার ফ্রান্সের আদালত জানিয়ে দেয়, ফান্স ছাড়তে পারবেন ভারতীয় যাত্রীরা। ফ্রান্স ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হয় আটক করা চাটার্ড বিমানটিকেও। প্রশাসনিক অনুমতি মেলায় সোমবার দুপুরে ফ্রান্সের শালোন-ভ্যাত্রি বিমানবন্দর থেকে ভারতের উদ্দেশে রওনা দেয় বিমানটি। মঙ্গলবার ভোর চারটে নাগাদ সেটি ছোঁয় মুম্বই বিমানবন্দরের মাটি। যদিও ফ্রান্সে রয়ে গিয়েছেন দুই শিশু সহ মোট ২৭ জন যাত্রী।

    ফ্রান্সে অবতরণ বিমানটির

    ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার। জ্বালানি ভরতে ফ্রান্সের শালোন-ভ্যাত্রি বিমানবন্দরে নামে ওই চাটার্ড বিমানটি। যাত্রীদের মধ্যে ছিল ১১টি শিশু, যাদের অভিভাবক বিমানটিতে ছিলেন না। ফরাসি প্রশাসনের সন্দেহ হয়, শিশুগুলিকে পাচারের উদ্দেশ্যেই নিকারাগুয়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এর পরেই আটক করা হয় বিমানটিকে (Indian Passengers)। থাকা-খাওয়ার যাবতীয় ব্যবস্থা করা হয় সে দেশের প্রশাসনের তরফে। বিষয়টি ততক্ষণাৎ জানানো হয় ভারতীয় দূতাবাসে। ঘটনাস্থলে যান দূতাবাসের আধিকারিকরা। প্রথমে জেরা করা হয় বিমান ক্রু-দের। বিমানটির যাত্রীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রসঙ্গত, ফ্রান্সে মানব পাচারে কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ২০ বছরের জেল হয়।

    বিমানটি রোমানিয়ার

    জানা গিয়েছে, বিমানটিতে থাকা ভারতীয় যাত্রীরা সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে কাজ করতেন। নিকারাগুয়া হয়ে আমেরিকা বা কানাডায় যাওয়ার কথা ছিল তাঁদের। যে বিমানটিকে নিয়ে এত কাণ্ড, সেটি রোমানিয়ার একটি সংস্থার। বিমানকাণ্ডের মামলা গড়ায় ফরাসি আদালতে। রবিবার আদালত নির্দেশ দেয়, বিমানটির ভারতীয় যাত্রীরা ফ্রান্স ছাড়তে পারবেন। বিমানটিও যেতে পারে ফ্রান্স ছেড়ে। আদালতের রায় মেলার পর দুই নাবালক সহ ২৫ জন যাত্রী ফ্রান্সে থেকে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। তাঁদের বাদ দিয়েই ২৭৬ জন যাত্রী নিয়ে ভারতের মাটি ছোঁয় রোমানিয়ার ওই বিমানটি (Indian Passengers)।

    আরও পড়ুুন: কোন আইনে সমাবর্তন যাদবপুরে? আদালতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!

    উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য নিকারাগুয়া ক্রমেই একটি জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠছে। ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার পেট্রোল সূত্রে খবর, চলতি আর্থিক বর্ষে এ পর্যন্ত অবৈধভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছে ৯৬ হাজার ৯১৭ জন ভারতীয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: স্মরণীয় ২০২৩! ২০২৪ সালে কী কী অভিযান রয়েছে ইসরোর তালিকায়?

    ISRO: স্মরণীয় ২০২৩! ২০২৪ সালে কী কী অভিযান রয়েছে ইসরোর তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুরন্ত ২০২৩ অতিবাহিত করার পর কী অপেক্ষা করছে ২০২৪ সালে? 

    ২০২৩ কেমন গেল ইসরোর?

    ২০২৩ সালটা দুর্দান্ত কাটল ইসরোর। মুকুটে জুড়েছে একাধিক নতুন পালক। মহাকাশ গবেষণায় ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল কোনও মহাকাশযানকে অবতরণ করা— এই সাফল্য কোনও সাধারণ সাফল্য নয়। চিন, আমেরিকা সহ বিশ্বের তারড় তারড় দেশ আজ পর্যন্ত যা করে দেখাতে পারেনি। সেই অনন্য সাধন করে দেখিয়েছে ভারত। যে কারণে ইসরোকে সেলাম জানিয়েছে নাসাও। এর পাশাপাশি, এবছরই সৌরযান আদিত্য-এল১ উপগ্রহেরও সফল উৎক্ষেপণ করেছে ইসরো। সব ঠিকঠাক চললে, জানুয়ারির গোড়ায় তা নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে। সব মিলিয়ে ২০২৩ সালটা ইসরোর কাছে স্মরণীয়।

    চলতি বছর সাফল্যের যে ধারাবাহিকতা দেখিয়ে এসেছে ইসরো, যে নজির স্থাপন করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, তারা চাইছে, আগামী বছরও যাতে এই ধারা অব্যাহত থাকুক। আর সেই লক্ষ্যে প্রস্তুত ইসরো। নতুন বছরের কাউন্টডাউন শেষ হলেই, ইসরোর একের পর এক অভিযানের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে যাবে। আগামী বছর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য উৎক্ষেপণ রয়েছে ইসরোর তালিকায়। — 

    নিসার উপগ্রহ উৎক্ষেপণ

    মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সঙ্গে একটি যৌথ প্রকল্পে কাজ করছে ইসরো। সংক্ষেপে এই মিশনের নাম নাসা-ইসরো সিন্থেটিক অ্যাপারচার রেডার, সংক্ষেপে নিসার। আগামী বছর, মিশনের অংশ হিসেবে নিসার স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে। এটি প্রথম ডাবল-ব্যান্ড রেডার ইমেজিং স্যাটেলাইট। পৃথিবীর বাইরে থেকে পৃথিবীকে দেখে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠাবে এটি। এই উপগ্রহের মাধ্যমে পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্র, জলভাগ, বনবিভাগ, ভূ-পৃষ্ঠের উপর বিশেষ নজরদারি রাখা হবে। এই রেডার স্যাটেলাইটটি যে তথ্য সংগ্রহ করবে তা পৃথিবীর ইকোসিস্টেম ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, সুনামি সম্পর্কে জানান দিতে পারবে। শোনা যাচ্ছে, জানুয়ারি মাসেই এই বিশেষ উপগ্রহকে মহাকাশে পাঠানো হবে। 

    থাকছে আরও কৃত্রিম উপগ্রহ

    ইসরোর উৎক্ষেপণ তালিকায় রয়েছে ইনস্যাট থ্রিডিস। এটি আবহাওয়ার গতি-প্রকৃতি এবং বিপর্যয় মোকাবিলার ক্ষেত্রে কাজ করবে। এছাড়াও রয়েছে ইসরোর তালিকায় রিস্যাট-১বি, রিসোর্সস্যাট-৩ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ। ভারতের মধ্যে রিমোট সেন্সিং ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভাবে কাজ করবে এই উপগ্রহগুলি। একই ভাবে ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযানে তথ্য পেতে সাহায্য করবে এমন দুটি প্রকল্পের কথাও জানা গিয়েছে। পাশাপাশি আরেকটি প্রকল্পের কথা জানা গিয়েছে যা হল ওশেনস্যাট-৩। এটি সমুদ্র বিষয়ক গবেষণা এবং পরিবেশ নিয়ে কাজ করবে। 

    পাখির চোখ গগনযান ১

    তবে, ইসরোর ২০২৪ সালে সবচেয়ে বড় প্রকল্প হতে চলেছে গগনযান। এর মাধ্যমে মহাকাশে মহাকাশচারী পাঠাতে চলেছে ইসরো। ২০২৪-এর জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি নাগাদ এই গগনযান-১ মিশনের উৎক্ষেপণ হবে। এটি হতে চলেছে মূল গগনযান মিশেনর আগে একটি টেস্ট মিশন। মূল অভিযানে তিন ভারতীয় মহাকাশচারীকে পাঠানো হবে এবং ফিরিয়ে আনা হবে। এবারের এই টেস্ট মডিউলে মানুষের বদলে একটি রোবটকে পাঠানো হবে। 

    মঙ্গল, শুক্রে অভিযান

    এর পাশাপাশি, মঙ্গল ও শুক্র গ্রহেও মহাকাশযান পাঠাতে চলেছে ইসরো। আগামী বছরই মঙ্গলের উদ্দেশে পাড়ি দেবে মঙ্গলযান-২। প্রথমটির সাফল্যের পর এটি হতে চলেছে দেশের দ্বিতীয় মঙ্গলযান। এই আকাশযানটি মঙ্গল গ্রহের মাটি, আবহাওয়া এবং প্রকৃতি সম্পর্কে ধরনা দিতে সাহায্য করবে। ২০২৪ সালে হতে চলেছে শুক্রযান ১। ইসরো একটি বিশেষ মহাকাশযান পাঠাচ্ছে, যা ৫ বছরের জন্য গ্রহটিকে প্রদক্ষিণ করবে এবং গ্রহটির আবহাওয়া সম্পর্কে তথ্য দিতে সাহায্য করবে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: কোন আইনে সমাবর্তন যাদবপুরে? আদালতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!  

    CV Ananda Bose: কোন আইনে সমাবর্তন যাদবপুরে? আদালতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচার্যের অনুমতি ছাড়াই হয়েছে সমাবর্তন। সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল অন্তর্বর্তী উপাচার্যকেও। এই উপাচার্যকেই বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে রবিবার সমাবর্তন উৎসব করিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। অনুষ্ঠান মঞ্চে ঠায় বসেছিলেন সদ্য পদ খোয়ানো অন্তর্বর্তী উপাচার্য। তবে সমাবর্তনে তাঁর স্বাক্ষরিত শংসাপত্রই বিলি করা হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। অনুমতি ছাড়াই সমাবর্তন করায় এবার আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রেই এ খবর মিলেছে।

    পড়ুয়াদের উদ্বেগ

    জানা গিয়েছে, সমাবর্তনের শংসাপত্রে উপাচার্য হিসেবে বুদ্ধদেব সাউয়ের স্বাক্ষর থাকায় রাজ্যপালকে মেইল করে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন কয়েকজন পড়ুয়া। এই সার্টিফিকেট নিয়ে পরে কোনও সমস্যা হতে পারে কিনা, সেই আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তাঁরা। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি কমিটিও তৈরি করেছে রাজভবন। সমাবর্তন করতে উচ্চ শিক্ষা দফতরের সবুজ সঙ্কেত, শংসাপত্র প্রাপকদের হাতে সহ-উপাচার্যের ডিগ্রি তুলে দেওয়া এবং সেই শংসাপত্রে সদ্য অপসারিত উপাচার্য বুদ্ধদেবের স্বাক্ষর থাকা – এসব নিয়ে আইনি পরামর্শ নিয়েছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। বেশ কয়েকজন শিক্ষাবিদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। মতামত নিয়েছেন অন্তর্বর্তী উপাচার্যদের। এ সব ক্ষেত্রের মতই হল, এভাবে সমাবর্তন করা যায় না। পুরোটাই বেআইনি।

    রাজ্যপালই বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য

    রাজ্যপালই পদাধিকার বলে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য। তাই রাজভবনের দাবি, কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের বিষয়ে আইনত কিছু বলতে পারে না রাজ্য সরকার। সমাবর্তনে সহ-উপাচার্যেরও কোনও ভূমিকা থাকতে পারে না। যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নেই, সেখানে তাঁর কাজের দায়িত্ব অন্য কাউকে দিতে পারেন কেবলই আচার্য। উপাচার্য থাকলে অবশ্য অন্য কথা। সেক্ষেত্রে তিনি দায়িত্ব দিতে পারেন তাঁর অধীনস্থ কাউকে। সেক্ষেত্রে আবার আইন অনুযায়ী নিযুক্ত কিংবা আচার্য মনোনীত অন্তর্বর্তী উপাচার্য তা করতে পারেন।

    আরও পড়ুুন: খসল পরাধীনতার গ্লানি! দেশে কার্যকর ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইন

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি এমনতর ছিল না। কারণ রবিবার সমবর্তনের ঠিক আগের দিন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় অন্তর্বর্তী উপাচার্যকে। তাই তিনি তখন উপাচার্য নন, কেবলই শিক্ষক। সেক্ষেত্রে পড়ুয়াদের হাতে শংসাপত্র তুলে দিয়েছেন সহ- উপাচার্য অমিতাভ দত্ত। যা আইনানুগ নয় বলেই মনে করছে রাজভবন। সেই কারণেই আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bharatiya Nyaya Sanhita Bill: খসল পরাধীনতার গ্লানি! দেশে কার্যকর ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইন

    Bharatiya Nyaya Sanhita Bill: খসল পরাধীনতার গ্লানি! দেশে কার্যকর ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনে পরিণত হয়ে গেল ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (Bharatiya Nyaya Sanhita Bill) সহ তিনটি বিল। শীতকালীন অধিবেশনেই সংসদে পাশ হয়ে গিয়েছিল বিল তিনটি। পরে পাঠানো হয় রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য। সেই বিলেই স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। স্বাভাবিকভাবেই বিলটি পরিণত হল আইনে।

    বিল পেশ শাহের

    ১১ অগাস্ট সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষ দিনে লোকসভায় তিনটি বিল পেশ করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই তিনটি বিল হল— ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ যা প্রতিস্থাপিত করল ‘ইন্ডিয়ান পিনাল কোড’-কে। ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’, যা দিয়ে প্রতিস্থাপিত ‘ক্রিমিনাল প্রসিডিওর অ্যাক্ট’ এবং ‘ভারতীয় সাক্ষ্য আইন’ যা প্রতিস্থাপিত করল ‘ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্ট’-কে। লোকসভায় বিল (Bharatiya Nyaya Sanhita Bill) তিনটি পাঠানোর পাশাপাশি সংসদীয় সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটির কাছেও পাঠানো হয়েছিল। আইন বদলের বিষয়ে অবগত করতে চিঠি দেওয়া হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীদেরও।

    অবসান ‘তারিখ পে তারিখযুগের

    সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে বিলটি পেশ হয় রাজ্যসভায়। সেই সময়ই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এবার অবসান হতে চলেছে ‘তারিখ পে তারিখ’ যুগের। বিচার মিলবে তিন বছরের মধ্যেই। এই বিল তিনটি পেশ করে তিনি গর্বিত বলেও জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। লোকসভার পর রাজ্যসভায়ও বিলটি পাশ হওয়ার পর পাঠিয়ে দেওয়া হয় রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য। সূত্রের খবর, সোমবার বিলটিগুলিতে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি। তাই বিল তিনটি পরিণত হয়েছে আইনে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দণ্ড সংহিতার এই নয়া আইন সন্ত্রাসের ক্ষেত্রে আরও কড়া হতে চলেছে। গণপিটুনি, জাতীয় সুরক্ষা লঙ্ঘন সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তি হতে চলেছে কঠিনতর।

    আরও পড়ুুন: ‘সম্প্রীতি ও সহানুভূতির চেতনা উদযাপনের দিনই বড়দিন’, বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    দেশের গা থেকে পরাধীনতার গ্লানি মুছে ফেলতে চেষ্টার কম কসুর করছে না মোদি সরকার। বিভিন্ন জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও বলতে শোনা গিয়েছে এ কথা। ‘ভারতীয় দণ্ড সংহিতা’ (Bharatiya Nyaya Sanhita Bill) বিল তিনটি পাশ হওয়ায় পূরণ হল তাঁর সেই স্বপ্ন। প্রসঙ্গত, ১৮৬০ সালে ‘ইন্ডিয়ান পিনাল কোড’ চালু করেছিল ব্রিটিশ সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • NewsClick: রাজসাক্ষী হতে চান নিউজক্লিকের এইচআর-প্রধান অমিত চক্রবর্তী!

    NewsClick: রাজসাক্ষী হতে চান নিউজক্লিকের এইচআর-প্রধান অমিত চক্রবর্তী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার রাজসাক্ষী হওয়ার আবেদন জানালেন নিউজ পোর্টাল নিউজক্লিকের (NewsClick) হিউম্যান রিসোর্স বিভাগের প্রধান অমিত চক্রবর্তী। দিল্লি কোর্টে এই আবেদন জানিয়েছেন তিনি। ইউএপিএ ধারায় অভিযুক্ত অমিত। বিদেশি তহবিল লঙ্ঘনের অভিযোগে এই সংবাদ মাধ্যমের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে সিবিআই।

    নিউজক্লিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    অভিযোগ, চিন সহ নানা বিদেশি সংস্থার কাছ থেকে টাকা নিয়ে ভুয়ো খবর ছড়িয়েছে এই নিউজ পোর্টাল। সেই সঙ্গে কাশ্মীর ও অরুণাচল প্রদেশকে যাতে ভারতের অংশ হিসেবে দেখানো না হয়, সেই চেষ্টাও এই নিউজ পোর্টাল করেছিল বলে অভিযোগ। উনিশের লোকসভা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টাও সংবাদ মাধ্যমটি করেছিল বলে অভিযোগ। সংস্থার (NewsClick) বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি এফআইআর দায়ের হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির অভিযোগ, ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এই অর্থ নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পেয়েই একুশেই নিউজক্লিকের অফিসে হানা দেয় ইডি। মাস দুয়েক আগে তল্লাশি চালায় সিবিআইও। গ্রেফতার করা হয় প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক প্রবীর পুরকায়স্থ ও হিউম্যান রিসোর্স বিভাগের প্রধান অমিত চক্রবর্তীকে।

    অমিতের আবেদন

    অক্টোবরের ৩ তারিখে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল প্রবীরকে গ্রেফতার করে। তার পরেই ৪০০ জন পুলিশ কর্মী দিল্লি, নয়ডা, গুরগ্রাম, মুম্বই ও গাজিয়াবাদের ৩০টি ঠিকানায় হানা দেন। এফআইআরে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, চিন থেকে এই পোর্টালে ৭৫ কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে। ভারতের সার্বভৌমত্ব খর্ব করতেই ওই টাকা দেওয়া হয়েছে নিউজক্লিককে। দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করাও উদ্দেশ্য ছিল তাদের। গত সপ্তাহেই অমিত ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোডের ৩০৬ ধারায় আবেদন করেছিলেন আদালতে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর জ্ঞান মতো তদন্তে সাহায্য করবেন, এবং ঘটনায় কারা জড়িত, তাঁদের নামধাম জানাবেন বলেন, তাহলে আদলত ক্ষমা করার একটি সুযোগ পাবে। সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতেই ওই ধারায় আবেদন করেছিলেন নিউজক্লিকের হিউম্যান রিসোর্স বিভাগের প্রধান।

    আরও পড়ুুন: অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পথ চলা শুরু হচ্ছে উত্তরাখণ্ড থেকে!

    অমিতের আবেদন সেশন কোর্ট পাঠায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে। তিনি যে রাজসাক্ষী হতে চান, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। প্রসঙ্গত, নিউজক্লিক মামলায় ২২ ডিসেম্বর আদালতে তদন্তের জন্য আরও কিছুটা সময় চেয়ে পাতিয়ালা হাউস কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল দিল্লি পুলিশ। এমতাবস্থায় রাজসাক্ষী হওয়ার আবেদন (NewsClick) অমিতের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • UCC: অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পথ চলা শুরু হচ্ছে উত্তরাখণ্ড থেকে!

    UCC: অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পথ চলা শুরু হচ্ছে উত্তরাখণ্ড থেকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডেই ‘ডেবিউ’ হতে চলেছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC)! নতুন বছরের মাঝ-এপ্রিলে হতে পারে লোকসভা নির্বাচন। তার আগেই দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে চলেছে বিজেপি। জম্মু-কাশ্মীর থেকে প্রত্যাহৃত হয়েছে ৩৭০ ধারা। রাম মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও পূরণ হতে চলেছে জানুয়ারির ২২ তারিখে। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, পদ্ম শিবির এবার মনোনিবেশ করতে চলেছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুর বিষয়ে।

    কোথায় লাগু হচ্ছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি?

    জানা গিয়েছে, নতুন বছরের গোড়ায়ই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করতে চলেছে উত্তরাখণ্ড সরকার। তার পর একে একে এই আইন লাগু হবে বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, অসম, ত্রিপুরা এবং মণিপুরে (UCC)। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতলেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী। গত বছর নির্বাচনে জয়ের পরেই রাজ্যে এই আইন লাগু করতে উদ্যোগী হন তিনি।

    আইনি প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে কমিটি

    এই বিধি কার্যকরের আইনি প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটিও গড়েছিল ধামী সরকার। সরকার জানিয়েছিল, সব ধর্মের মানুষের জন্য বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, জমি-সম্পত্তি ও উত্তরাধিকার সংক্রান্ত একই আইন প্রচলনের রূপরেখা তৈরি করবে ওই কমিটি। দেশাই ছাড়াও কমিটিতে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রমোদ কোহলি, সমাজকর্মী মনু গৌড়, অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার শত্রুঘ্ন সিংহ এবং দুন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরেখা ডাঙ্গওয়াল। এই কমিটি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুর বিষয়ে উত্তরাখণ্ডের ২ লক্ষ ৩০ হাজার মানুষের মতামত নিয়েছে। যাঁদের মতামত নেওয়া হয়েছে তাঁরা সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষ।

    আরও পড়ুুন: বিজেপির চাপেই কি হিজাব নিয়ে ঢোঁক গিলল কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার?

    বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্তরেও বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে সক্রিয়তা। গত ১৪ জুন ২২তম আইন কমিশনের তরফে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর বিষয়ে মতামত জানতে চাওয়া হয়েছিল বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন ও আমজনতার। এই জনমত সংগ্রহের সময়সীমা প্রথমে দেওয়া হয়েছিল এক মাস। পরে কয়েক দফায় বৃদ্ধি করা হয়েছে এর মেয়াদ (UCC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • TET Exam 2023: বন্ধু অঙ্কে দুর্বল, টেট পরীক্ষায় পাশ করাতে হাইটেক প্রযুক্তির জালিয়াতি!

    TET Exam 2023: বন্ধু অঙ্কে দুর্বল, টেট পরীক্ষায় পাশ করাতে হাইটেক প্রযুক্তির জালিয়াতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধু অঙ্কে দুর্বল, কিন্তু বন্ধুকে টেট পরীক্ষায় (TET Exam 2023) পাশ করাতে গিয়ে জালিয়াতিকাণ্ডে পুলিশের কাছে ধৃত দুই যুবক। জানা গিয়েছে, পরীক্ষার হলে ‘হাইটেক প্রযুক্তি’র ব্যবহার করে মোবাইল এবং ন্যানো ট্রান্সমিটারের সাহায্যে পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে থেকে সাহায্য নিয়ে করা হচ্ছিল নকল। এরপর অঙ্কের উত্তর বলে দেওয়া হচ্ছিল বন্ধুকে। কিন্তু এই ঘটনা শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের নজরে আসতেই ধরে ফেলা হয় তাদেরকে। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কালীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে।

    ধৃত যুবকদের পরিচয় কী (TET Exam 2023)?

    পুলিশ এবং স্থানীয়সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের একজনের নাম সন্দীপ কুটি এবং অপর যুবকের নাম দেবাশিষ মৃধা। দুই জনের বাড়ি হল নদিয়ার ধানতলা থানার বাহিরগাছি অঞ্চলে। তারা পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলেন কালীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে। পরস্পরের মধ্যে একে অপরকে টেট পরীক্ষায় (TET Exam 2023) সহযোগিতা করবে বলে কথা হয়েছিল। যখন পরীক্ষা চলছিল সেই সময় হল থেকেই শিক্ষকর্মীরা ডিভাইস এবং মোবাইল সমেত ধরে তাদেরকে পুলিশের কাছে তুলে দেয় বলে জানা গিয়েছে।

    ধৃতদের বক্তব্য

    পরীক্ষার হলে জালিয়াতির দায়ে ধৃত দেবাশিস দাবি করেছে, “আমার কাছে মোবাইল ছিল না। মোবাইল ছিল বন্ধুর হাতে।” অপর দিকে সন্দীপের দাবি, “আমি পরীক্ষায় (TET Exam 2023) দেবাশিসকে সাহায্য করতে গিয়েছিলাম। আর তাই মোবাইল সঙ্গে ছিল। কিন্তু শিক্ষকরা দেখতে পেয়ে যান।” অবশেষে সোমবার দুই জনকেই কৃষ্ণনগর থানার পুলিশ আদালতে তুলেছে বলে জানা গিয়েছে।  

    তবুও টেটে প্রশ্ন ফাঁস

    গতকালের টেট পরীক্ষায় (TET Exam 2023) মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লক্ষ। পরীক্ষা ঠিকঠাক করানোই ছিল প্রশাসনের কাছে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জের বিষয়। এতো বজ্র আঁটুনির পরেও পরীক্ষার প্রশ্ন এইবারেও ফাঁস হয়ে গিয়েছিল। ১২ টায় পরীক্ষা শুরু হলে ঠিক বেলা ১ টায় একটি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে সামজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার খবর দেখা যায়। যদিও পর্ষদ প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • INS Imphal: নৌসেনার হাতে এল ঘাতক ‘আইএনএস ইম্ফল’, কতটা শক্তিশালী এই রণতরী?

    INS Imphal: নৌসেনার হাতে এল ঘাতক ‘আইএনএস ইম্ফল’, কতটা শক্তিশালী এই রণতরী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। মঙ্গলবার নৌবাহিনীতে ‘কমিশন’ বা অন্তর্ভুক্ত হলো দেশীয় স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘আইএনএস ইম্ফল’। প্রতিক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই রণতরীকে যুক্ত করা হলো। উপস্থিত ছিলেন নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে সহ বিশিষ্টজনেরা।

    কতটা শক্তিশালী ‘ডি-৬৮’?

    ‘আইএনএস ইম্ফল’ (INS Imphal) হলো প্রজেক্ট-১৫বি অন্তর্গত নির্মিত চারটি স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজের মধ্যে তৃতীয়। এই প্রকল্পের প্রথম যুদ্ধজাহাজটি ছিল ‘আইএনএস বিশাখাপত্তনম’, নৌসেনায় কল-সাইন ‘ডি-৬৬’। ফলে, বাকি তিনটিও বিশাখাপত্তনম শ্রেণির রণতরী। নৌসেনায় ইম্ফলের কল-সাইন হচ্ছে ‘ডি-৬৮’। দ্বিতীয় জাহাজটি ছিল ‘আইএনএস মরমুগাও’, কল-সাইন ‘ডি-৬৭’। শেষ তথা চতুর্থ জাহাজটির নাম রাখা হবে ‘আইএনএস সুরাট’, কল-সাইন ‘ডি-৬৯’। গত বছরের মে মাসে তাকে প্রথমবার জলে ভাসানো হয়েছে।

    ‘আইএনএস ইম্ফল’-এর ওজন প্রায় ৭৪০০ টন। ১৬৪ মিটার দৈর্ঘ্যের এই যুদ্ধজাহাজ সর্বাধুনিক মারণাস্ত্র ও সেন্সরে সজ্জিত। এটিই হতে চলেছে এখনও পর্যন্ত নৌসেনার সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে আধুনিক ডেস্ট্রয়ার। এতে একদিকে যেমন রয়েছে ব্রহ্মোসের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বাধুনিক সংস্করণ, তেমনই রয়েছে মাঝারি পাল্লার অত্যাধুনিক ‘বারাক-৮’ ভূমি থেকে আকাশ মিসাইল থেকে শুরু করে জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও সাবমেরিন-বিধ্বংসী টর্পিডোর বিপুল বৈচিত্র্যপূর্ণ সম্ভার। এতে রয়েছে একটি ৭৬ মিমি সুপার র‌্যাপিড মাউন্টেড মেইন নেভাল গান এবং চারটি একে-৬৩০ ৩০ মিমি গান— যা কম দূরত্বে আকাশপথে হামলা করা শত্রুর যে কোনও বিমান, ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্রকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম। এই জাহাজের সর্বোচ্চ গতি হবে ৩০ নট বা ঘণ্টায় ৫৬ কিমি। 

    স্বয়ংক্রিয়শীলতা এবং স্টেলথ বৈশিষ্ট্য

    এমনিতে, ডেস্ট্রয়ার শ্রেণির জাহাজের মারণক্ষমতা মারাত্মক। তবে নৌসেনার (Indian Navy) তরফে জানানো হয়েছে, ‘আইএনএস ইম্ফল’ (INS Imphal) সাবমেরিন-ধ্বংসে বিশেষভাবে পারদর্শী। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘আরবিইউ-৬০০০’ সাবমেরিন-বিধ্বংসী রকেট লঞ্চার, ৫৩৩ মিমি টর্পিডো লঞ্চার এবং অ্যান্টি-সাবমেরিন হেলিকপ্টারের দৌলতে এটি ভয়ঙ্কর ঘাতক হিসেবে পরিণত। এছাড়া, যে কোনও ধরনের পরমাণু, জৈব ও রাসায়নিক হামলা থেকে বাঁচার ক্ষমতা রয়েছে এই জাহাজের। ‘আইএনএস ইম্ফল’-এর স্বয়ংক্রিয়শীলতা এবং স্টেলথ (শত্রু রেডারে অদৃশ্য থাকার ক্ষমতা) বৈশিষ্ট্য একে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলেছে। 

    সর্বাধুনিক রেডার সিস্টেম মোতায়েন

    বন্দর ও সমুদ্রে দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ট্রায়ালের পর গত ২০ অক্টোবর, ভারতীয় নৌসেনার হাতে পাকাপাকিভাবে তুলে দেওয়া হয়েছিল এই অত্যাধুনিক রণতরীকে (INS Imphal)। গতমাসেই এই জাহাজ থেকে দূরপাল্লার ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। কমিশন না হওয়া কোনও জাহাজ থেকে সেই প্রথম কোনও ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা হয়েছিল। এই জাহাজে অন্যতম শক্তি হলো এর রেডার সিস্টেম। এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে আধুনিক ও সবচেয়ে শক্তিশালী রেডার বসানো হয়েছে এই যুদ্ধজাহাজে। 

    উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহরের নামে প্রথম রণতরী

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম দেশের উত্তর-পূর্বাংশের কোনও শহরের নামে যুদ্ধজাহাজের নামকরণ (INS Imphal) করা হলো। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাহাজের নাম-ফলকের উন্মোচন করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এর থেকেই প্রমাণিত যে, জাতীয় সুরক্ষার ক্ষেত্র এবং দেশের সমৃদ্ধির জন্য উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে কতটা গুরুত্ব দিয়েছে মোদি সরকার। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে এই নামকরণে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। কমিশনিং হওয়ার পর, নৌসেনার (Indian Navy) পশ্চিম কমান্ডের অন্তর্গত মোতায়েন থাকবে ‘আইএনএস ইম্ফল’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share