Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bankura: কয়েকশো কোটি টাকার হাতির দাঁত পুড়িয়ে দিল বাঁকুড়া বন দফতর!

    Bankura: কয়েকশো কোটি টাকার হাতির দাঁত পুড়িয়ে দিল বাঁকুড়া বন দফতর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোট বড় ৫৭ টি বিভিন্ন আকারের এবং ওজনের হাতির দাঁত পুড়িয়ে দিল ফেলল বাঁকুড়া বন দফতর। বিগত ১০ বছর যাবৎ বিভিন্ন দুর্ঘটনায় মৃত হাতির দাঁতগুলিকে সংরক্ষণ করে রেখেছিল বাঁকুড়া (Bankura) বন দফতর। কয়েকশো কোটি টাকার মূল্যের হাতির দাঁত ছিল বলে জানা গিয়েছে।

    উল্লেখ্য, হাতির দেহ পোড়াতে যত তাপমাত্রার প্রয়োজন হয় সেই সঙ্গে দাঁত পোড়াতে আরও বেশি তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়। তাই চোরাকারবারিরা হাতিকে পোড়ানোর আগেই দাঁত কেটে নিয়ে পালিয়ে যায়। উল্লেখ্য গত তিন দশক ধরে দলমা পাহাড় থেকে দলে দলে হাতিরা খাবারের খোঁজে বাঁকুড়ায় আসে। হাতির দলের মধ্যে অসুস্থ এবং বৃদ্ধ হাতিও থাকে প্রচুর। ফলে অনেক সময় জঙ্গলেই মারা যায় তারা। বন দফতরের নিয়ম অনুযায়ী মৃত হাতিগুলির দেহকে জঙ্গলেই পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এবার পোড়ানো হল সেই দাঁতগুলি।

    বাঁকুড়ার কোথায় পোড়ানো হল (Bankura)?

    মঙ্গলবার দুপুর বারোটা নাগাদ বাঁকুড়া (Bankura) জেলার বড়জোরার একটি বেসরকারি ভস্মকারী সংস্থার মাধ্যমে এই দাঁত পোড়ানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাঁকুড়ার তিনটি বনবিভাগ যৌথ উদ্যোগে এই কাজ সম্পন্ন হয়। জেলার বন দফতরের ডিএফও নর্থের অধিকারিক উমর ইমাম, ডিএফও পাঞ্চেতের আধিকারিক অঞ্জন গুহ এবং কেন্দ্রের মুখ্য বনপাল এস কুলান ডাইভেলের তত্ত্বাবধানে এই দাঁতগুলি পুড়িয়ে ফেলা হল। নিজের কানকে বিশ্বাস করতে না পারার মতো ঘটনা। প্রায় পঁচিশ কেজি ওজনের হাতির দাঁতগুলিকে ঢুকিয়ে দেওয়া হলো হাজার ডিগ্রী সেলসিয়াসের চুল্লিতে। এরপর সব একদিনেই শেষ হয়ে গেল।

    বন দফতরের বক্তব্য

    এই ঘটনায় বাঁকুড়া (Bankura) বন দফতরের বিশেষ বার্তা হল, জঙ্গলের বন্যপ্রাণকে বাণিজ্যিকরণ করা যাবে না। এই দাঁত পোড়ানোর কাজ ভারতের বন্যপ্রাণ সুরক্ষা আইন অনুযায়ী সম্পন্ন করা হয়েছে। ২০২৩ সাল পর্যন্ত এপ্রিল মাসে পাস হওয়া একটি আইন অনুযায়ী কোনও পরিস্থিতিতেই হাতির দাঁত ব্যবহার করা যাবে না। ফলে বন দফতরের সংগ্রহে থাকা দাঁতের নষ্ট করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় বন দফতর। ঘটনায় জেলা জুড়ে বেশ শোরগোল পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডের মূল চক্রী ললিতের কলকাতার ডেরায় হানা দিল্লি পুলিশের

    Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডের মূল চক্রী ললিতের কলকাতার ডেরায় হানা দিল্লি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভাকাণ্ডের (Parliament Security Breach) মূল চক্রী ললিত ঝা। এই ললিতের ডেরার খোঁজে কলকাতার অলি-গলিতে চক্বর দিচ্ছেন দিল্লি পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। সোমবারই তাঁরা পৌঁছেছিলেন রবীন্দ্র সরণিতে। এখানে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে টিউশন পড়াত ললিত। এদিন বাগুইআটি থেকে ডালহৌসি— সর্বত্র চষে বেড়াল দিল্লি পুলিশের দল।

    বিএসএনএল অফিসে দিল্লি পুলিশ

    মঙ্গলবার দিল্লি পুলিশের আরও একটি দল আসে ইকোপার্ক থানায়। পরে যায় ডালহৌসির বিএসএনএল অফিসে। ললিতের নামে নেওয়া একটি সিমকার্ডের ডুপ্লিকেটের জন্য দিল্লি পুলিশের ওই দলটি গিয়েছিল বিএসএনএল অফিসে। ললিতের সঙ্গে যে বাংলার নিবিড় যোগ রয়েছে, সে খবর আগেই জানিয়েছিল মাধ্যম। বাংলার একটি এনজিওর কর্মী সে। ব্যবহার করত বিএসএনএলের সিমকার্ড। এই সিমকার্ডেরই ডুপ্লিকেটের খোঁজে বিএসএনএলের দফতরে ঢুঁ মেরেছিলেন তদন্তকারীরা। ললিতের ওই সিমকার্ডটি কোন (Parliament Security Breach) কোন ফোনে ব্যবহার করা হয়েছিল, কোথায় কোথায় ওয়াইফাইয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল মূলত এসবই জানতে চান তাঁরা। বিএসএনএলের কাছে প্রযুক্তিগত কিছু তথ্যও চেয়েছেন তদন্তকারীরা।

    বাগুইআটির ভাড়া বাড়িতেও হানা

    এদিন ললিতের বাগুইআটির ভাড়া বাড়িতেও হানা দেন তদন্তকারীরা। এই এলাকাটি ইকোপার্ক থানার অধীনে। তাই আগে থানায় যায় দিল্লি পুলিশের দলটি। পরে যায় ললিতের ভাড়া বাড়িতে। সেখানে ঝুলছে তালা। তদন্তকারীরা অবশ্য ঘরের তালা খোলেননি। তবে কথা বলেছেন ললিতের প্রতিবেশীদের সঙ্গে। তাঁরা জানিয়েছেন, লোকসভাকাণ্ডের তিন তিনেক আগেও এই বাড়িতে ছিল ললিত। পরে ঘরে তালা দিয়ে কোথাও চলে যায়। এদিন ললিতের বাড়ির মালিকের সঙ্গেও কথা বলেছে তদন্তকারী দলটি। ঘটনার দিন তিনেক আগে বাগুইআটির বাড়িতে থাকলেও, ২১৮ রবীন্দ্র সরণির ভাড়া বাড়িতে বহু দিন সে যায়নি বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন দিল্লি পুলিশের দলটিকে। এই ঠিকানায়ই টিউশন পড়াত সে।

    আরও পড়ুুন: সরকারি ধান বিক্রয় কেন্দ্রেই ওজনে কারচুপি, ১৫ কুইন্টাল ধানে ৬০ কেজি হাপিশ!

    গত বুধবার শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীনই লোকসভার দর্শক গ্যালারি থেকে নিচে লাফিয়ে পড়ে দুই হানাদার। জুতোয় লুকিয়ে রাখা রং-বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। পরে হানাদারদের ধরে ফেলেন দুই সাংসদ। মার্শাল ডেকে তুলে দেওয়া হয় তাঁদের হাতে। ওই ঘটনায় সব মিলিয়ে গ্রেফতার হয়েছে ৬ জন। পুরো ঘটনার মূল চক্রী ললিতই বলে মনে করছেন (Parliament Security Breach) তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JN.1: করোনার নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট জেএন ১ কতটা বিপজ্জনক? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    JN.1: করোনার নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট জেএন ১ কতটা বিপজ্জনক? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের নতুন সাবভ্যারিয়েন্ট জেএন ১ (JN.1)-এ আক্রান্তের খোঁজ মিলেছিল কেরলে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের ডিরেক্টর জেনারেল ড. রাজীব বহেল জানিয়েছেন, গত ৮ ডিসেম্বর তিরুঅনন্তপুরম জেলার কারাকুলামে এক করোনা পজিটিভ রোগী মিলেছে, যিনি জেএন ১ সাবভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত। আগেই তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লিতে সিঙ্গাপুর থেকে আগত এক পর্যটকের শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। ভারত ছাড়াও সিঙ্গাপুর, আমেরিকা, চিনে এই সাবভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলেছে। চিনে জেএন ১ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ জন। গত ১৫ ডিসেম্বর চিনে এই ভাইরাসের সন্ধান মিলেছে।

    নতুন কোনও উপসর্গ পাওয়া যায়নি এই সাবভ্যারিয়েন্টে

    বিশেষজ্ঞরা এই সাবভ্যারিয়েন্টের ধরন বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন, নতুন কোনও উপসর্গ জেএন১ আক্রান্তদের মধ্যে পাওয়া যায়নি। দেখা যাচ্ছে জেএন ১ আক্রান্তদের শরীরে লক্ষণ কোভিড ১৯-এর মতোই। এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গুরুতর অসুস্থতাও লক্ষ্য করা যায়নি। কোনও ওষুধ ছাড়া অথবা হালকা ওষুধেই তাঁরা সেরে উঠছেন বলে খবর। করোনার চিকিৎসায় যে সমস্ত ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছিল, সেগুলিই এক্ষেত্রে কার্যকরী হবে আশাবাদী বিশেষজ্ঞরা। করোনার ভ্যাকসিনও এক্ষেত্রে যথেষ্ট কার্যকরী।

    জেএন১ সাবভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-

    ১. জেএন ১ (JN.1) সাব-ভ্যারিয়েন্ট প্রথম লুক্সেমবার্গে শনাক্ত করা হয় বলে জানা যায়। তারপরেই তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

    ২. চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে আমেরিকায় প্রথম আক্রান্তের সন্ধান মিলেছিল।

    ৩. বিজ্ঞানীদের দাবি, করোনার টিকা সাধারণত ভাইরাসের মধ্যে থাকা স্পাইক প্রোটিনকে নষ্ট করার প্রচেষ্টা চালায়। ভারতের আবিষ্কৃত ভ্যাকসিন এই ভ্যারিয়েন্টের (JN.1) বিরুদ্ধেই কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ৪. তবে এই নতুন ভ্যারিয়েন্টের (JN.1) ব্যতিক্রমী চরিত্রও আছে। তা হল, এটি স্পাইক প্রোটিনের মাধ্যমে মিউটেশন অর্থাৎ বংশবৃদ্ধি করে।

    ৫. জানা গিয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মৃদু উপসর্গ দেখা যায়। এবং রোগীরা প্রায় কোনও চিকিৎসা ছাড়াই বাড়িতে নিজেরাই সুস্থ হয়ে উঠছেন।

    ৬. জ্বর, সর্দি, গলাব্যথা, মাথাব্যথা, এবং ছোটখাট গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যাগুলি এই সাব-ভ্যারিয়েন্টে (JN.1) আক্রান্তদের মধ্যে পাওয়া যায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha: অভব্য-অসংসদীয় আচরণের বিরুদ্ধ কড়া মোদি সরকার, ২ দিনে সাসপেন্ড ১১৬ সাংসদ

    Lok Sabha: অভব্য-অসংসদীয় আচরণের বিরুদ্ধ কড়া মোদি সরকার, ২ দিনে সাসপেন্ড ১১৬ সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারও লোকসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল ৪৯ জন সাংসদকে (Lok Sabha)। গত ২ দিনে লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে মোট সাসপেন্ড সংখ্যা দাঁড়াল ১১৬। ইস্যুহীন বিরোধীরা সংসদের কাজ ভেস্তে দিতে যে ধরনের অভব্য আচরণ শুরু করেছে তা যে কোনওভাবে বরদাস্ত করা হবে না, ১০০-এর ওপর সাংসদকে সাসপেন্ড করে সেই বার্তাই পৌঁছে দিল মোদি সরকার। সম্প্রতি ৩ রাজ্যে বিজেপির কাছে নাস্তানাবুদ হয়েছে বিরোধীরা। তাই হতাশার জায়গা থেকেই বিরোধীরা এধরনের আচরণ করছে, এমন কথাই উঠে এল সংসদ বিষয়ক (Lok Sabha) মন্ত্রীর ভাষণে।

    প্রহ্লাদ জোশির বিবৃতি

    এদিন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি বলেন, ‘‘এটা সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে প্ল্যাকার্ড হাতে সংসদে বিক্ষোভ দেখানো যাবেনা, তা সত্ত্বেও বিরোধীরা সেই কাজ করল।’’

    সংসদের ঐতিহ্য ও গরিমা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তাই এমন সিদ্ধান্ত

    বিরোধী সাংসদের সাসপেন্ডের প্রস্তাব এদিন পেশ করেন আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘাওয়াল। ধ্বনি ভোটের মাধ্যমে সেই প্রস্তাব পাশ (Lok Sabha) হয়। ফারুক আবদুল্লা, মণীশ তেওয়ারি, ডিম্পল যাদব, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কার্তী চিদম্বরম সমেত ৪৯ জনকে এদিন সাসপেন্ড করা হয়। সংসদের ঐতিহ্য, গরিমা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে কারণেই বাধ্য হয়ে মোদি সরকারকে এই পদক্ষেপ (Lok Sabha) গ্রহণ করতে হল বলে মনে করছে কোনও কোনও মহল।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cow Smuggling: অনুব্রত তিহার জেলে, তারপরেও বঙ্গে ফের শুরু গরু পাচার, শোরগোল

    Cow Smuggling: অনুব্রত তিহার জেলে, তারপরেও বঙ্গে ফের শুরু গরু পাচার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত তিহার জেলে, তারপরেও বঙ্গে ফের শুরু গরু পাচার, শোরগোল। বেশ কয়েক বছর উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তে গরু পাচার (Cow Smuggling) বন্ধ থাকলেও এবার ফের গরু পাচার হচ্ছে বলে এলাকায় অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগদার কুলিয়া ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে এই গরু পাচার ফের শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্কের সূত্রপাত হয়েছে। অবশ্য বিএসএফের দাবি, গরু পাচার ঠেকাতে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

    বিএসএফ সূত্রে খবর (Cow Smuggling)

    উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার সীমান্ত এলাকায় গরু পাচার (Cow Smuggling) নিয়ে বিএসএফ জানিয়েছেন, পাচার আটকাতে নিরাপত্তা আরও শক্ত করা হয়েছে। তবে গরু রোজ পাচার হচ্ছে না। সীমান্তে যাঁরা গরু পোষেন তাঁদের বাড়িতে টাকা দিয়ে সাময়িক ভাবে রেখে দেওয়া হয়। তারপর সেগুলি পাচার হয়। আবার গ্রামবাসীদের বিক্রি করা গরু পাচারকারীদের কাছে চলে যাচ্ছে। সপ্তাহে এক বা দুই দিন সুযোগ বুঝে পাচারের চেষ্টা করা হয়। এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সিসিটিভি বসানোর কথাও চলছে বলে জানা গিয়েছে।

    আগেও হয়েছে গরু পাচারের রমরমা

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জেলার বনগাঁ, বসিরহাট মহকুমার সীমান্ত দিয়ে রমরমিয়ে গরু পাচার (Cow Smuggling) হত। বেশ কিছু এলাকাকে সেফ করিডর করে পাচারের জন্য ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য এখনো বেশ কিছু এলাকার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নেই। রাতের অন্ধকারে অন্য রাজ্য থেকে ট্রাকে করে গরু এনে ফসলের জমিতে হাঁটিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়ে পাচার করা হয়। ফলে বিঘা বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়ে যায় এই গরু পাচারের কারণে। অনেক সময় এমন অভিযোগ শোনা গিয়েছে রীতিমতো আগ্নেয় অস্ত্র হাতে নিয়ে বাংলাদেশ থেকে পাচারকারীরা ভারতে ঢুকে গরু নিয়ে যায়। পরিস্থিতির অবনতি হলে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী গরু পাচার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই ভাবে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এই এলাকায় এসে একই কথা বলে গিয়েছিলেন।

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    ভারত-বাংলাদেশের কুলিয়া সীমান্ত এলাকায় চাষি সুভাষ সরকার বলেন, “পাচারকারীরা রাতের অন্ধকারে চাষের জমির মধ্যে দিয়ে গরু নিয়ে যায়। ফলে চাষের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। পাচারকারীদের (Cow Smuggling) হাতে দা, কুড়ুল, ভোজালি থাকছে।” আরেক চাষি কালীপদ বিশ্বাস বলেন, “রাত তিনটে থেকে গরু পাচার হচ্ছে। আমরা চাই বিএসএফ এবং পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: উলট পুরাণ, তৃণমূলের ডাকাবুকো নেতারাও খুন হওয়ার আশঙ্কায় কমিশনারেটের দ্বারস্থ!

    Barrackpore: উলট পুরাণ, তৃণমূলের ডাকাবুকো নেতারাও খুন হওয়ার আশঙ্কায় কমিশনারেটের দ্বারস্থ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকার সাধারণ মানুষকে যাদের রক্ষা করার কথা, ভাটপাড়া এলাকার তৃণমূলের সেই ডাকাবুকো জনপ্রতিনিধিরা চরম আতঙ্কে ভুগছেন। প্রকাশ্যে পোস্টার গলায় ঝুলিয়ে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারের কাছে তাঁরা নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। মূলত দলেরই অন্য গোষ্ঠীর (সাংসদ অর্জুন সিংয়ের অনুগামী) দিকে তাঁরা আঙুল তুলেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। বারাকপুরের (Barrackpore) পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া বলেন, ‘কয়েকজন এসে স্মারকলিপি দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ শুনেছি। সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে’।

    নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের (Barrackpore)

    পাশাপাশি জগদ্দল, ভাটপাড়া অঞ্চলে নতুন করে অশান্তি পাকানোর অভিযোগ তুলে সোমবার বিকেলে বারাকপুর (Barrackpore) পুলিশ কমিশনারের অফিসের সামনে গলায় ফেস্টুন ঝুলিয়ে মৌন প্রতিবাদ জানালেন জগদ্দল বিধানসভা অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। সেখানে জগদ্দলের তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে মাস্টারমাইন্ডকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। ওই দলে ছিলেন নিহত তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবের মা নীলম দেবীও। গত কয়েক মাসে জগদ্দল, ভাটপাড়া অঞ্চলে খুন এবং আক্রান্তদের ছবি সহযোগে গলায় ফেস্টুন ঝুলিয়ে বিক্ষোভকারীরা প্রশ্ন তোলেন, এবার টার্গেট কি আমি? বিক্ষোভকারীদের তরফে ছয় জনের একটি প্রতিনিধিদল পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে একটি স্মারকলিপিও জমা দেন। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায়, সেখানে শাসক দলেরই লোকজন অশান্তির আশঙ্কায় পুলিশ কমিশনারের অফিসে বিক্ষোভ প্রদর্শনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বিক্ষোভকারী জনপ্রতিনিধি কী বললেন?

    বিক্ষোভকারীদের দলে ছিলেন জগদ্দল বিধানসভার অধীন ভাটপাড়া পুরসভার ১৮ জন কাউন্সিলার, চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯৮ জন সদস্য, দুজন জেলা পরিষদ সদস্য এবং সাত জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সহ ওই এলাকার তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। ওই প্রতিনিধি দলের সদস্য তথা ভাটপাড়া পুরসভার কাউন্সিলার বিপ্লব মালো বলেন, ২০১৯ সাল পরবর্তী সময়ে যেভাবে বিজেপির বাহিনী (সেই সময় অর্জুন সিং বিজেপিতে ছিলেন) ভাটপাড়া, জগদ্দল জুড়ে অশান্তি পাকিয়েছিল, একই ভাবে গত ছয়-আট মাস ধরে নতুন করে অশান্তি পাকিয়ে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। সম্ভাব্য কিছু জায়গার নাম আমরা পুলিশ কমিশনারকে দিয়েছি, যেখান থেকে দুস্কৃতীরা বেরিয়ে অশান্তি পাকাচ্ছে। পুলিশ কমিশনার আশ্বাস দিয়েছেন যারা জড়িত তাদের সকলকেই ধরা হবে’।

    তৃণমূল বিধায়ক কী বললেন?

    জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, ‘দলের কর্মীরা আতঙ্কিত। তাই তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। আমি এতে অন্যায়ের কিছু দেখছি না। আশা করি মেঘনা জুটমিল লাইন সহ যে যে এলাকা থেকে অশান্তি পাকানো হচ্ছে, পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tamil Nadu Flood: প্রবল বর্ষণে প্লাবিত দক্ষিণ তামিলনাড়ু! উদ্ধার কাজে নৌসেনা-বায়ুসেনা

    Tamil Nadu Flood: প্রবল বর্ষণে প্লাবিত দক্ষিণ তামিলনাড়ু! উদ্ধার কাজে নৌসেনা-বায়ুসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল ভারী বর্ষণে জলমগ্ন দক্ষিণ তামিলনাড়ু (Tamil Nadu Flood)। উদ্ধার কাজে নেমেছে সেনা। জেলাগুলির মধ্যে তিরুনেলভেলি এবং তুথুকড়ি সহ বেশ কিছু এলাকায় বন্যার পরিস্থিতিতে সাধারণ জনজীবন অত্যন্ত বিপর্যস্ত। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে ত্রাণ সহায়তায় জন্য রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকার একযোগে কাজ করছে বলে জানা গিয়েছে। আকাশ পথে সবরকম সাহায্যের সামগ্রী পাঠানোর কাজ করছে ভারতীয় বায়ুসেনা। জানা গিয়েছে, ঘূর্ণাবর্তের কারণে তুতিকোরিন, তেনকাশি, তিরুনেলভেলি এবং কন্যাকুমারী জেলায় শনিবার ভোর থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।

    কী বলেছে বায়ু সেনা (Flood Tamil Nadu)?

    ভারতীয় বায়ুসেনা একটি পোস্টে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “তামিলনাড়ুতে (Tamil Nadu Flood) গত ২৪ ঘণ্টায় অতি বর্ষণে তামিলনাড়ুর বিস্তৃত এলাকা জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে। তিরুনেলভেলি এবং তুথুকড়ি জেলার অবস্থা সবথেকে বেশি এলাকা প্লাবিত। ইতিমধ্যে এইএএফ উদ্ধার কাজে নেমেছে। বর্তমানে এমআই-১৭ ভি৫ হেলি কাপ্টার উদ্ধার কাজে নামানো হয়েছে।”

    কী বলেছে ভারতীয় সেনা?

    ভারতীয় সেনার তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, “তামিলনাড়ুতে (Tamil Nadu Flood) লাগাতার বৃষ্টিপাতের কারণে সেনাবাহিনীর ত্রাণ কলামটি ভাসাইপুরমে বন্যার পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সেনার প্রথম কলাম ১৭ জন মহিলা এবং শিশু সহ সাধারণ ১৩ জনকে উদ্ধার করে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। আবার দ্বিতীয় কলাম একজন গর্ভবতী সহ মত ১২ জন মহিলাকে অন্যত্র সরিয়েছে। পাশাপাশি এক সদ্যজাত সহ ৬ শিশু এবং ১২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর তৃতীয় কলাম একসঙ্গে আরও ২৬ মহিলা, ১০ শিশু এবং ১৮ জনকে উদ্ধার করে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে।”

    তৎপর রাজ্য সরকার

    এই প্রবল বর্ষণকে কেন্দ্র করে রবিবার তামিলনাড়ুর (Flood Tamil Nadu) মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেন। ইতিমধ্যে সোমবার থেকে ত্রাণের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছে উদ্ধারকারী দল। তিন জেলার বন্যা পরিস্থিতির জন্য একজন আমলা নিয়োগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। এছাড়াও ৫০ সদস্যের আরও দুটি বিপর্যয় মোকাবিলা দল নিয়োগ করা হয়েছে উদ্ধার কাজে। ইতিমধ্যে ৮ হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং ৮৪টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: লেগেছে ১ কেজি সোনা, ৭ কেজি রুপো! রামলালার পাদুকাজোড়া শোভা পাবে রাম মন্দিরে

    Ayodhya Ram Mandir: লেগেছে ১ কেজি সোনা, ৭ কেজি রুপো! রামলালার পাদুকাজোড়া শোভা পাবে রাম মন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ কেজি সোনা এবং ৭ কেজি  রুপোয় তৈরি করা হয়েছে রামলালার একটি পাদুকাজোড়া। আগামী ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হবে শ্রীরাম মন্দিরের। অযোধ্যায় শ্রীরাম লালার (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রভু রামের মূর্তির সঙ্গে স্থাপন করা হবে এই পাদুকাজোড়াও। উল্লেখ্য, এই পাদুকা নিয়েই সারা দেশে রামমন্দিরের ব্যাপক অভিযান চালানো হচ্ছে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে এই রামমন্দির নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার ফলে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে দেশের রাজনীতিতে। এমনটাই মত প্রকাশ করেছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    কে তৈরি করলেন রামের পাদুকা (Ram Mandir Ayodhya)?

    প্রভু রামের এই পাদুকা তৈরি করেছেন হায়দরাবাদের শীচল্লা শ্রীনিবাস শাস্ত্রী। গত রবিবার ১৭ ডিসেম্বর রামেশ্বর ধাম থেকে আমেদাবাদ আনা হয় তাঁকে। পাদুকা যুগল নিয়ে তিনি সোমনাথ জ্যোতির্লিঙ্গ ধাম, দ্বারকাধীশ নগরী এবং তারপর বদ্রীনাথে পরিক্রমা করেন। এবার এই পাদুকা নিয়ে ৪১ দিন ধরে অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) নির্মীয়মাণ মন্দির প্রদক্ষিণ করলেন শ্রীচল্লা শ্রীনিবাস। পাদুকা জোড়া এক কেজি সোনা এবং সাত কেজি রুপো দিয়ে তৈরি। মন্দিরের নির্মাণ কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। মন্দিরের গায়ে লাগানো পাথরের স্তম্ভগুলিতে শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে।

    মন্দির ট্রাস্টের বক্তব্য (Ram Mandir Ayodhya)

    রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) ট্রাস্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, মন্দিরের শেষ পর্যায়ের কাজকে আরও দ্রুত শেষ করতে শ্রমিকের সংখ্যা ৩২০০০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫০০০ করা হয়েছে। একদিনের সময়কে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করে আট ঘণ্টা করে ইঞ্জিনিয়ারদের তত্ত্বাবধানে কাজ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে মন্দিরের গর্ভগৃহের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে পুরো মন্দিরের কাজ শেষ হতে সময় লাগবে আরও দুই বছর। তবে ভক্তদের কাছে বলা হয় উদ্বোধনের দিনে অযোধ্যায় যেন না যান। নিজের বাড়ির আশেপাশে মন্দিরগুলিতে প্রভু রামের পুজো দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

    আমেরিকায় সাজো সাজো রব

    এদিকে, অয্যোধ্যায় রাম মন্দিরকে (Ayodhya Ram Mandir) ঘিরে সুদূর আমেরিকায় বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সাজো সাজো রব চোখে পড়েছে। ওয়াশিংটন ডিসির মেরিল্যান্ডের ফ্রেডরিক সিটিতে একটি শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। রাম মন্দিরকে ঘিরে চলবে মাসব্যাপী অনুষ্ঠান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • China Earthquake: শক্তিশালী ৬.২ তীব্রতার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিন, মৃত শতাধিক, জখম বহু

    China Earthquake: শক্তিশালী ৬.২ তীব্রতার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিন, মৃত শতাধিক, জখম বহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিন (China Earthquake)। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, সোমবার রাতে উত্তর-পশ্চিম চিনের গানসু এবং কিংহাই প্রদেশে ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.২। এই দুই জায়গা মিলিয়ে শতাধিক মানুষ মারা গিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, তাতে ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখমের সংখ্যা আশঙ্কা করা হচ্ছে কয়েক’শ হতে পারে। এর মধ্যে গানসুতে ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, কিংহাই প্রদেশের হাইডং শহরে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

    হীমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রা, নেই বিদ্যুৎ

    মার্কিন ভূতাত্ত্বিক গবেষণা সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, মধ্যরাতে হওয়া এই কম্পনের উৎসস্থল ছিল গানসু প্রদেশের রাজধানী লানঝৌর ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত জায়গায় (China Earthquake) শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। বহু জায়গায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে এখন ওই এলাকায় তাপমাত্রা প্রায় হীমাঙ্কের নিচে পৌঁছে গিয়েছে। ফলে, তীব্র প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারের প্রক্রিয়া। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ওই দুই প্রদেশের আধিকারিকদের ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় পৌঁছে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

    ভূমিকম্পের (China Earthquake) জেরে তীব্র ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভেঙে পড়েছে বহু বাড়ি। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে আতঙ্কিত হয়ে লোক জন রাস্তায় দৌড়চ্ছেন এবং নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ করছেন। ধ্বংসস্তূপের ছবিও দেখা গিয়েছে বেশ কিছু ভিডিওতে। যদিও সেই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    অতীতেও ভূমিকম্পের কবলে চিন

    শক্তিশালী ভূমিকম্প (China Earthquake) চিনে নতুন নয়। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসেও তীব্র ভূমিকম্পে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল চিনের বিস্তীর্ণ এলাকা। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.৮। তাতে কমপক্ষে ৬৫ জনের মৃত্য হয়। ২০২২ সালে সিচুয়ান প্রদেশে ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় ১০০ জনের মৃত্যু হয়। ২০০৮ সালে সিচুয়ান প্রদেশে ৭.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় ৯০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে পাঁচ হাজারেরও বেশি ছিল শিশু। আহতের সংখ্যা ছিল প্রায় চার লক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Teacher Recruitment Case: নিয়োগ প্যানেল নিয়ে বিচারপতি সিনহার নির্দেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক পর্ষদ!

    Teacher Recruitment Case: নিয়োগ প্যানেল নিয়ে বিচারপতি সিনহার নির্দেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক পর্ষদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে (Teacher Recruitment Case) চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গেল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ১২ ডিসেম্বর জেলা ভিত্তিক নিয়োগের প্যানেল আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে শুনানি হতে পারে এই মামলার।

    সিঙ্গল বেঞ্চের রায়

    ২০১৪ সালের পর রাজ্যে টেট পরীক্ষা হয় দু বার। একবার ২০১৬ সালে। আর দ্বিতীয়বার ২০২০ সালে। নিয়োগ হওয়ার কথা ছিল ৪২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক। এই দুই নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্যানেল প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। পর্ষদকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিল বিচারপতি সিনহার সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই সময় পর্ষদ আদালতে জানিয়েছিল, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে ইতিমধ্যেই একটি প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে। তবে নিয়োগের রীতি মেনে ২০১৬ সালের প্যানেল প্রকাশের নিয়ম নেই।

    বিচারপতি সিনহার মন্তব্য

    যদিও আদলত চেয়েছিল দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়ারই সম্পূর্ণ প্যানেল দেখাতে। বিচারপতি সিনহার মন্তব্য ছিল, “আমি প্রাথমিকের প্যানেল (Teacher Recruitment Case) দেখতে চাই। মেয়াদ শেষের আগে একটা প্যানেল প্রস্তুত হয়। সেটি দেখতে চাই। নিয়োগের প্যানেল খতিয়ে দেখার অধিকার রয়েছে আদালতের।” তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, “নিয়োগের প্যানেল প্রকাশ না করে কি পর্ষদ কাউকে আড়াল করতে চাইছে? এই প্যানেল বাড়িতে গচ্ছিত রাখার সম্পত্তি নয়। প্যানেল প্রকাশ হলে অসুবিধা কোথায়?” বিচারপতি সিনহার সেই প্যানেল প্রকাশের নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

    আরও পড়ুুন: “ভিখারি হয়ে গিয়েছে রাজ্য, মোদির পা ধরতেই মমতা দিল্লিতে”, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    এই মামলায়ই বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছেন এমন ৯৪জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। পর্ষদের তরফে আদালতে জানানো হয়েছিল, যে দুটি প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে, তা ঠিক নয়। প্যানেলের জন্য আরও সময় প্রয়োজন। তখনই বিচারপতি সিনহার মন্তব্য ছিল, “আর কতদিন অপেক্ষায় থাকবেন বঞ্চিতেরা? তাঁদের (Teacher Recruitment Case) কাছে প্রতিটি দিনের মূল্য রয়েছে। চাকরি প্রার্থীদের বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share