Tag: Bengali news

Bengali news

  • Republic of Bharat: সংসদের বিশেষ অধিবেশনেই বদলে যাচ্ছে দেশের নাম, ইন্ডিয়া হবে ভারত?

    Republic of Bharat: সংসদের বিশেষ অধিবেশনেই বদলে যাচ্ছে দেশের নাম, ইন্ডিয়া হবে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গা থেকে মুছে যেতে চলেছে ঔপনিবেশিকতার তকমা! সংসদের বিশেষ অধিবেশনেই বদলে যাচ্ছে দেশের নাম (Republic of Bharat)! সাম্প্রতিক এক রিপোর্টেই একথা জানা গিয়েছে। ‘ইন্ডিয়া’ নাম বদলে হচ্ছে ‘ভারত’। ইংরেজ শাসনের আগে দেশের নাম ছিল ভারতবর্ষ। নয়া নাম হতে চলেছে ভারত। সেপ্টেম্বরের ১৮ তারিখ থেকে ২২ তারিখ পর্যন্ত বসছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন। সেখানেই দেশের নাম বদলে যাচ্ছে বলে দাবি সূত্রের।

    জি২০ সম্মেলন

    ৮ সেপ্টেম্বর থেকে দিল্লিতে শুরু হচ্ছে দু’ দিনের জি২০ সম্মেলন। সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বিলি করা হয়েছে আমন্ত্রণপত্র। তাতে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ইন্ডিয়া’র বদলে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’ (Republic of Bharat)। এ ব্যাপারে একটি পোস্ট করেছেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ।

    তিনি লিখেছেন, “তাহলে খবরটা সত্যি ছিল। রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর জি২০ সম্মেলনের নৈশভোজের একটি নিমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। যেখানে প্রেসিডেন্ট অফ ইন্ডিয়া লেখা নেই। যা সাধারণভাবে থাকার কথা। বদলে লেখা রয়েছে প্রেসিডেন্ট অফ ভারত (Republic of Bharat)। বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ।” তিনি বলেন, “সংসদের ১ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ভারত অর্থাৎ ইন্ডিয়া হল ইউনিয়ন অফ স্টেটস । কিন্তু, এবার এই ইউনিয়ন অফ স্টেটস ধ্বংসের মুখে।”

    বিজেপির নিশানায় কংগ্রেস

    পাল্টা পোস্ট করে কংগ্রেসের জবাব দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি লিখেছেন, “ভারত জোড়ো যাত্রার প্রবর্তকরা কেন ভারত মাতা কি জয় নিয়ে আপত্তি করেন? কংগ্রেসের না দেশের প্রতি সম্মান রয়েছে, না এরা সংসদকে সম্মান করে। না সংসদের ধারাগুলি মেনে চলে। একটি পরিবারের প্রশংসা করেই এদের দিন কেটে যায়। গোটা দেশে এখন এই পরিবার ও এই দলের দেশদ্রোহী এবং সংসদ বিরোধী কার্যকলাপ সকলের সামনে চলে এসেছে।”

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ট্যুইটারে (অধুনা এক্স  হ্যান্ডেল) লিখেছেন “রিপাবলিক অফ ভারত (Republic of Bharat)। আমাদের সভ্যতা সাহসের সঙ্গে অমৃতকালের দিকে এগোচ্ছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • India vs Pakistan: বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের দাম ৫৭ লাখ! চক্ষু চড়কগাছ ক্রেতাদের

    India vs Pakistan: বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের দাম ৫৭ লাখ! চক্ষু চড়কগাছ ক্রেতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিশ্বকাপে (ICC World Cup 2023) ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan) ম্যাচের টিকিট বিক্রি হচ্ছে ৫৭ লাখে! অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি! প্রথম থেকেই এই ব্লকবাস্টার ম্যাচ ঘিরে তুমুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। ফলে, হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের টিকিট নিয়ে যে কালোবাজারি হবে, তার একটা আশঙ্কা ছিলই। কিন্তু, তাই বলে ৫০ লক্ষের বেশি দামে একটা টিকিট বিক্রি হচ্ছে। তাও আবার অনলাইনে! এটা কল্পনাতীত। টিকিটের দাম প্রকাশ্যে আসতেই এই নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এই নিয়ে বিসিসিআই-এর কাছে বিস্তর অভিযোগ জমা পড়েছে।

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটে চড়া মূল্য

    আগামী ১৪ অক্টোবর গুজরাটের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপে (ICC World Cup 2023) মুখোমুখি হচ্ছে দুই চির-প্রতিদ্বন্দী ভারত ও পাকিস্তান (India vs Pakistan)। এই ম্যাচ ঘিরে ক্রিকেটপ্রমীদের মধ্যে শুরু থেকেই তুমুল উন্মাদন চোখে পড়েছে। সূচি ঘোষণা ইস্তক, ট্রেন-ফ্লাইটের টিকিট থেকে হোটেলের ঘর ভাড়া— সর্বত্র ‘ওভার-বুক্ড’। বিমানের ফ্লাইটের দাম যেমন বেড়েছে, তেমনভাবেই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে আহমেদাবাদ শহরের হোটেলের ভাড়া। একমাত্র পকেটের নাগালের মধ্যে ছিল ম্যাচ-টিকিটের মূল্য। 

    কিন্তু, এখন সেই টিকিটেক দাম দেখে চক্ষু চড়কগাছ ভক্তদের। এবারের বিশ্বকাপে (ICC World Cup 2023) সব টিকিট বিক্রি হচ্ছে অনলাইনে। মূলত, কালোবাজারি রুখতেই এই পদক্ষেপ। কিন্তু, সেগুড়ে বালি! সেই অনলাইনেই ম্যাচের একটি টিকিট বিক্রি হচ্ছে ৫৭ লাখ টাকায়! হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। একটা টিকিটের দাম ৫৭ লক্ষ! এর ফলে, বিপাকে পড়েছেন বহু ক্রিকেটপ্রেমী। বিশেষ করে তাঁরা, যাঁরা আগেভাগে বিমান ও হোটেল ভাড়া করে বসে আছেন। 

    ওয়েবসাইটে কত মূল্য

    বিশ্বকাপের (ICC World Cup 2023) টিকিট বিক্রির অফিসিয়াল সাইট হলো ’বুকমাইশো’। সেখানে তো টিকিই পাওয়াই যাচ্ছে না। সব দেখাচ্ছে ‘সোল্ড আউট’। সেকেন্ডারি অ্যাপ ভিয়াগোগো ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে বিশ্বকাপের ১০০টি টিকিট। তার মধ্যে ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan), ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের টিকিট রয়েছে। সেখানেই দাম দেখে চোখ কপালে ওঠার জোগাড়! একটি টিকিটের দাম দেখাচ্ছে ৫৭,৬২,৬৭৬ টাকা। সবথেকে কম দামের টিকিটের মূল্য ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া, ভারতের অন্য ম্যাচের টিকিটের দামও আকাশছোঁয়া। অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের টিকিট বিক্রি হচ্ছে ৯.৩০ লাখে। ইংল্যান্ড ম্যাচের টিকিট বিক্রি হচ্ছে ২.৩৫ লাখে। কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের টিকিট বিক্রি হচ্ছে ২.৩৫ লাখে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ক্ষোভ

    টিকিটের দাম দেখে মাথায় হাত দর্শকদের। অনেকে ট্যুইটার ও অন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। বাসুদেবন নামে এক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী লিখেছেন- এটা কী হচ্ছে? আরেক জনের প্রশ্ন, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কী আদৌ এই বিষয়ে কিছু জানে? টিকিটের আকাশছোঁয়া মূল্যের প্রতিবাদ করে টুইট করেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার ভেঙ্কটেশ প্রসাদ। ট্যুইটারে তিনি লেখেন, “বিশ্বকাপ টিকিটের ক্ষেত্রে বিসিসিআইয়ের কাছে আরও বেশি স্বচ্ছতা আশা করছি। ডাই হার্ড ফ্যানরা যাতে ম্যাচ দেখা থেকে বঞ্চিত না হয় সেটা দেখতে হবে।”

    কবে কবে ভারতের ম্যাচ রয়েছে?

    ৮ অক্টোবর ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া, চেন্নাই
    ১১ অক্টোবর ভারত বনাম আফগানিস্তান, দিল্লি
    ১৪ অক্টোবর ভারত বনাম পাকিস্তান, আহমেদাবাদ
    ১৯ অক্টোবর ভারত বনাম বাংলাদেশ, পুণে
    ২২ অক্টোবর ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড, ধর্মশালা
    ২৯ অক্টোবর ভারত বনাম ইংল্যান্ড, লখনউ
    ২ নভেম্বর ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা, মুম্বই
    ৫ নভেম্বর ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, কলকাতা
    ১২ নভেম্বর ভারত বনাম নেদারল্যান্ডস, বেঙ্গালুরু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jawan: প্রথম শো ভোর ৫টায়! কিং খানের ‘জওয়ান’ ঘিরে উন্মাদনা কলকাতায়, টিকিটের দাম কত?

    Jawan: প্রথম শো ভোর ৫টায়! কিং খানের ‘জওয়ান’ ঘিরে উন্মাদনা কলকাতায়, টিকিটের দাম কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর বাকি মাত্র একটা দিন। বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে শাহরুখ খানের বহু-প্রতিক্ষিত ছবি ‘জওয়ান’। আর এই ছবি ঘিরে দর্শকদের মধ্যে তুমুল উন্মাদনা।  বিশেষ করে কিং খানের ভক্তদের। এক সপ্তাহ আগে, গত শুক্রবার অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছিল। টিকিটের দাম চড়া হওয়া শর্তেও নিমিষেই বিক্রির হয়ে যাচ্ছে টিকিট। নিমেষেই সব শো হাউসফুল। এর পরই, কয়েকটি মাল্টিপ্লেক্স ভোর ৫টায় বিশেষ শো রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

    ভোর ৫ টায় ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো?

    রবিবার পর্যন্ত জানা গিয়েছিল, কলকাতায় ‘জওয়ান’-এর প্রথম শো হবে সকাল ৬টার পর। কিন্তু সোমবার নিউটাউনের একটি মাল্টিপ্লেক্স (মিরাজ সিনেমাজ) ভোর ৫টায় ছবি শো রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পরই দর্শক মহলে তীব্র আলোড়ন শুরু হয়েছে। এর আগে ভোর ৫ টায় কোনও ছবির শো দেখানো হয়নি কলকাতায়। ‘কেজিএফ ২’ এবং ‘অ্যাভেঞ্জার্স’ সিরিজেও ব্যাপক উন্মাদনা ছিল। কিন্তু সেগুলিও সকাল ৬ টায় দেখানো হয়। এমনকি, শাহরুখ খানের ‘পাঠান’ সিনেমা দেখনো হয় সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে। কিন্তু, এবার সব রেকর্ড ভেঙে দিল ‘জওয়ান’। সেদিক দিয়ে বলা যেতেই পারে, মুক্তির আগেই নয়া কীর্তি গড়ে ফেলল শাখরুখের ‘জওয়ান’।

    ভোর ৫টায় শো রাখা প্রসঙ্গে মিরাজ সিনেমাজের এক শীর্ষ কর্তা জানান, এখনও পর্যন্ত কলকাতায় প্রেক্ষাগৃহে সবচেয়ে বেশি টিকিট বিক্রি হয়েছে। তাই এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি। তাঁর মতে, অনুরাগীদের দিকটা ভেবেই নাকি এই সিদ্ধান্ত। এদিকে, ছবির পরিবেশনার দায়িত্বে থাকা এসভিএফ-এক কর্তা জানান, এখনও ছবির প্রযোজনা সংস্থা রেড চিলিজ-এর তরফে কোনও অনুমতি আসেনি। তা না নিয়েই শো রাখা হয়েছে। 

    কোথায় কত দাম টিকিটের?

    হিন্দি, তামিল ও তেলুগু ভাষায় মুক্তি পাবে এই ছবি। ‘জওয়ান’ (Jawan) সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে টুডি এবং আইম্যাক্স ফরম্যাটে। মুম্বইতে এই টিকিটের দাম ২৩০০ টাকা এবং দিল্লিতে এই সিনেমার টিকিটের মূল্য ২৪০০ টাকা। কলকাতাতেও এই সিনেমার টিকিট মূল্য নেহাত কম নয়। কলকাতায় মণি স্কোয়ারে টিকিটের দাম— শুক্রবারের জন্য ৭৫০ টাকা, কোয়েস্ট মলে টিকিটের দাম ১১৭০ টাকা, সিটি সেন্টারে টিকিটের দাম ৩৫০ টাকা এবং সাউথ সিটিতে টিকিটের দাম ১৭০০ টাকা। যদিও শহরতলিতে সিনেমার টিকিটের দাম কিছুটা কম। মধ্যমগ্রামে, বারাসতে স্টার মলে ৩০০ টাকা, দমদমে ডায়মন্ড প্লাজাতে টিকিটের মূল্য ৫৫০ টাকা। হাওড়া অবনীতে টিকিট মূল্য ৪৫০ টাকা। সব মিলিয়ে জওয়ান শুক্রবার জমজমাট হাউসফুল। দর্শক মহলেও তীব্র উচ্ছ্বাস দেখার মতন।

    সিনেমার ট্রেলারে কী রয়েছে?

    জওয়ান (Jawan) সিনেমার ট্রেলার দেখে ইতিমধ্যে অনেক দর্শকের মন জয় করে নিয়েছে ‘জওয়ান’। এই সিনেমাতে ডবল রোল বা দ্বৈত ভূমিকায় দেখা যাবে শাহরুখ খানকে। একই সঙ্গে তিনি ছেলে এবং বাবার চরিত্রের অভিনয় পালন করবেন। খলনায়কের ভূমিকা পালন করছেন বিজয় সেতুপতি। মা এবং নায়িকার চরিত্রে রয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন। ব্যবসায়ীদের আশা, ‘পাঠান’-এর চেয়েও বেশি ব্যবসা করবে ‘জওয়ান’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED: ফ্ল্যাট কেলেঙ্কারি মামলায় এবার ইডির তলব নুসরতকে, আরও বিপাকে তৃণমূল

    ED: ফ্ল্যাট কেলেঙ্কারি মামলায় এবার ইডির তলব নুসরতকে, আরও বিপাকে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বসিরহাটের সাংসদ তৃণমূলের (TMC) নুসরত জাহানকে তলব করল ইডি (ED)। ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার মামলায় তৃণমূলের এই নেত্রীকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আগামী মঙ্গলবার হাজির হতে বলা হয়েছে তাঁকে। নুসরতের সঙ্গে সঙ্গে তলব করা হয়েছে সেভেন সেন্সেস ইনফ্রাস্ট্রাকচারের আর এক ডিরেক্টর রাকেশ সিংহকেও। তাঁকেও হাজিরা দিতে হবে মঙ্গলবার।

    প্রতারণার অভিযোগ

    প্রবীণ নাগরিকদের ফ্ল্যাট বিক্রি করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল সেভেন সেন্সেস ইনফ্রাস্ট্রাকচারের বিরুদ্ধে। ২০১৪-’১৫ সালে ৪০০-রও বেশি প্রবীণ নাগরিক ওই সংস্থায় সাড়ে ৫ লক্ষ করে টাকা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তাঁদের প্রত্যেককে এক হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। অভিযোগ, তাঁরা ফ্ল্যাট পাননি, ফেরত পাননি টাকাও। ইডি সূত্রে খবর, সংস্থার বিরুদ্ধে যখন প্রতারণার অভিযোগ ওঠে, তখন অন্যতম ডিরেক্টর পদে ছিলেন তৃণমূল নেত্রী নুসরত। সেই কারণেই নুসরতকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি। ইডির তরফে এ নিয়ে পৃথক একটি ইসিআইআর (ECIR) দায়ের করা হতে পারে।

    আত্মবিশ্বাসী ছিলেন নুসরত

    নুসরতের বিরুদ্ধে আদালতে দায়ের হয়েছিল মামলা। বিজেপির অভিযোগ, শমন পেয়েও হাজিরা দেননি তৃণমূলের তারকা নেত্রী। প্রতারণার টাকায় নুসরত পাম অ্যাভেনিউয়ে ফ্ল্যাট কেনেন বলেও অভিযোগ। ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার এই মামলায় ইডি (ED) তাঁকে ডাকবে না বলেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন নুসরত। এক পার্টিতে অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের পাশে দাঁড়িয়ে সে কথা জোর দিয়ে জানিয়েওছিলেন তৃণমূল নেত্রী। নিয়োগ কেলেঙ্কারির একটি মামলার সূত্রে এর আগে যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষকে কিছু দিন আগে তলব করেছিল ইডি। এবার ডাক পড়ল তৃণমূলের আরও এক নেত্রীর। যার জেরে যথেষ্ট বিব্রত রাজ্যের শাসক দল।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর ‘এক দেশ এক নির্বাচন’-এর সুরে গলা মেলালেন পিকেও, এ কীসের ইঙ্গিত?

    অভিযোগ ওঠার পরে পরেই সাংবাদিক সম্মেলনে নুসরত বলেছিলেন, “আমি দুর্নীতির সঙ্গে কোনওভাবেই জড়িত নই। বলা হচ্ছে, আমি দুর্নীতির টাকা নিয়ে নিজের বাড়ি কিনেছি, এই অভিযোগ মিথ্যে। আমি ওই সংস্থা থেকে একটি ঋণ নিয়েছিলাম। সুদ সমেত সেই ঋণ শোধ করে দিয়েছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Suvendu Adhikari: ‘‘দেশ কি ছাব্বিশ টুকরো হবে’’! কেন একথা বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ‘‘দেশ কি ছাব্বিশ টুকরো হবে’’! কেন একথা বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’জন প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন বলে দেশ দু’ভাগ হয়েছিল। এখন ছাব্বিশ জন প্রধানমন্ত্রী হতে চাইছেন। তবে কি এবার দেশ ছাব্বিশ টুকরো হবে? ছাব্বিশটি বিরোধী দল কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে হটাতে যে ‘ইন্ডিয়া’ জোট গঠন করেছে, তাকে এভাবেই তীব্র কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি তৃণমূলকে তুলোধনা করেন।

    দেশকে ছাব্বিশ টুকরো করার কথা কেন বললেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) বক্তব্যে উঠে আসে অতীতের ঘটনা। গান্ধী পরিবার থেকে জম্মু-কাশ্মীরের ওমর আবদুল্লার পরিবার বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, নাম ধরে ধরে পরিবারতন্ত্রের প্রসঙ্গ তুলে সবাইকে তোপ দেগেছেন তিনি। তবে, শুভেন্দুর আক্রমণের মূল নিশানায় ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু বলেন, দু’জন (জওহরলাল নেহরু ও মহম্মদ আলি জিন্না) প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন, তাই দেশ দু’ভাগ হয়ে যায়। এখন ছাব্বিশ জন প্রধানমন্ত্রী হতে চাইছেন। আমরা কি বুদ্ধু? এবার কি দেশকে ছাব্বিশ টুকরো করে দেব? সেই সূত্রে পরিবারতন্ত্রের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দুর তোপ, ফোর-জি হলেন রাহুল গান্ধী, ইন্দিরা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু, রাজীব গান্ধী। থ্রি-জি হলেন শেখ আবদুল্লা, ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা। আর টু-জি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো। দেশ ভাগের যন্ত্রণার কথা বারবার উঠে আসতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখে।

    দুর্গাপুজোয় অনুদান প্রসঙ্গে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    এ বিষয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, দল বদলের খেলাটা কী? প্রাক্তন বিজেপি সভাপতিকে সামনে এনে ভাইপো বাজার গরম করতে চেয়েছিলেন। বিজেপিতে যিনি এসেছেন (মিতালি রায়), তিনি সদ্য প্রাক্তন বিধায়ক। ২০১৬ সালে বিধানসভায় জিতেছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। রাজবংশীদের পায়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার প্রতিবাদ করেই বেরিয়ে এসেছেন তিনি। মানুষ ঠিকঠাক ভোট দিতে পারলে কোনও নির্বাচনেই তৃণমূল জিততে পারবে না। রাজ্যের প্রত্যেকটি দুর্গাপুজো কমিটিকে ৭০ হাজার টাকা রাজ্য সরকারের প্রদান করা নিয়েও তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খালি ভোট খোঁজেন। যেভাবে হোক ৪৫ শতাংশ ভোট দরকার। ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Election: প্রধানমন্ত্রীর ‘এক দেশ এক নির্বাচন’-এর সুরে গলা মেলালেন পিকেও, এ কীসের ইঙ্গিত?

    One Nation One Election: প্রধানমন্ত্রীর ‘এক দেশ এক নির্বাচন’-এর সুরে গলা মেলালেন পিকেও, এ কীসের ইঙ্গিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে কেন্দ্রের কুর্সিতে বসেই ‘এক দেশ এক নির্বাচন’-এর (One Nation One Election) পক্ষে সওয়াল করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বারংবার নির্বাচনের ফলে যে বিস্তর খরচ হয়, মূলতঃ তা কমাতেই ‘এক দেশ এক নির্বাচন’-এর পক্ষে সওয়াল করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর এই প্রস্তাবের সমালোচনায় মুখর হয়েছিলেন বিরোধীরা।

    সমর্থন পিকের

    তবে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে শর্ত সাপেক্ষে সমর্থন করলেন ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকে। তিনি বলেন, “সঠিক উদ্দেশ্য নিয়ে প্রণয়ন করা হলে এক দেশ এক নির্বাচন জাতীয় স্বার্থের অনুসারী।” এক সময় বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের দলে ছিলেন পিকে। পরে তাঁর সঙ্গে মনান্তরের জেরে দল ছাড়েন। গড়েন নিজের দল জন সুরজ। পরে তৃণমূলকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য তাঁকে বাংলায় নিয়ে আসেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পর থেকে তিনি রয়েছেন তৃণমূলের সঙ্গেই।

    ‘এক দেশ এক নির্বাচন’

    তবে ইদানিং যেন তৃণমূল-পিকে সম্পর্কের সুতো খানিক আলগা হয়েছে। কারণ দিন কয়েক আগেই বিরোধীদের জোট গঠনের উদ্যোগকে কটাক্ষ করেছিলেন পিকে। এবার সমর্থন জানালেন প্রধানমন্ত্রীর মস্তিষ্কপ্রসূত ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) নীতিকে। ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ নীতির প্রবক্তা প্রধানমন্ত্রীর যুক্তি ছিল ভোট বাবদ বিস্তর খরচ কমার পাশাপাশি খাটনি কমবে সরকারি কর্মীদের। বারংবার নির্বাচন হলে একাধিকবার লাগু হবে আদর্শ আচরণ বিধি। যার জেরে থমকে যাবে উন্নয়ন-রথের গতি।  

    আরও পড়ুুন: ‘ধূপগুড়িতে গেরুয়া ঝড় হবে’, ভোট দিয়ে বললেন সদ্য তৃণমূলত্যাগী প্রাক্তন বিধায়ক

    প্রধানমন্ত্রীর মতো পিকেও বলেন, “এক দেশ এক নির্বাচন (One Nation One Election) নীতি কার্যকরী হলে কমবে জাতীয় ব্যয় এবং ভোটারদের ক্লান্তি। এই উদ্যোগের ফলে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন এগিয়ে আসতে পারে। ভারতের মতো বড় একটি দেশে প্রতি বছর প্রায় ২৫ শতাংশ ভোট আসে। তাই যাঁরা সরকার পরিচালনা করেন, তাঁদের অনেকেই এই নির্বাচনের বৃত্তে ব্যস্ত থাকেন। এই ভোট প্রক্রিয়া যদি এক বা দু’ বারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তবে ভালো হবে।” তিনি বলেন, “যদি সঠিক উদ্দেশ্যে এটা করা হয়, আর একটা সময়কাল চার থেকে পাঁচ বছর, যাতে পর্যাপ্ত সময় পায়, তাহলে এটা দেশের পক্ষে ভালো হবে। এটার কারণ, এটা আগে দেশে চালু ছিল ১৭-১৮ বছর ধরে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: একটিও ছুটি না নিয়ে টানা সাড়ে ৯ বছর কাজ করেছেন প্রধানমন্ত্রী, বলছে তথ্য

    PM Modi: একটিও ছুটি না নিয়ে টানা সাড়ে ৯ বছর কাজ করেছেন প্রধানমন্ত্রী, বলছে তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি নিজেকে জনগণের ‘চৌকিদার’ বলে দাবি করেন। তিনি যে সত্যিই প্রতিদিন চৌকি দিচ্ছেন, তার প্রমাণ মিলল তথ্যের অধিকার আইনে। দিন কয়েক আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, প্রতিদিন ১৭ ঘণ্টা কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। অর্থাৎ বছরের ৩৬৫ দিনই ১৭ ঘণ্টা কাজ করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    নিরলস প্রধানমন্ত্রী

    কেবল তাই নয়, তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন ২০১৪ সালে। তার পর থেকে এ পর্যন্ত এই সাড়ে ন’ বছরের প্রধানমন্ত্রিত্বের কালে একটি দিনও ছুটি নেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তথ্যের অধিকার আইনে এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর। তারা জানিয়েছে, ২০১৪ সালের ২৬ মে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর থেকে প্রতিদিনই কাজ করেছেন মোদি। অথচ, তাঁর এই কার্যকালের মেয়াদে রবিবারের পাশাপাশি ছিল আঞ্চলিক ছুটির দিন, জাতীয় ছুটির দিনও।

    ‘বিশাল সৌভাগ্যের বিষয়’

    তামাম ভারত যখন এই ছুটির দিনগুলিতে মধ্যাহ্নভোজ সেরে দিবা নিদ্রায় মগ্ন হয়েছেন, তখনও নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। কিছুদিন আগে ব্যাঙ্ককে ভারতীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছিলেন, “আমি মনে করি যে এই সময় প্রধানমন্ত্রী মোদির মতো একজনকে পাওয়া দেশের জন্য একটি বিশাল সৌভাগ্যের বিষয়।” প্রসঙ্গত, তথ্যের অধিকার আইনে উত্তরগুলি দেওয়া হয়েছে পিএমও-র আন্ডার সেক্রেটারি পারভেশ কুমারের পক্ষ থেকে।

    আরও পড়ুুন: আরামবাগে সংখ্যালঘু পরিবারের লোকজন তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) পদে শপথ নিয়েই মন্ত্রিসভার সদস্যদের মোদি বলেছিলেন, “মানসিকতা পাল্টান। সামনে অনেক কাজ। যে জনমত নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে, সেই প্রত্যাশা পূরণের জন্য শুধু কাজেই মনোনিবেশ করতে হবে।” শপথ নেওয়ার পরে সতীর্থদের মোদি এও বলেছিলেন, “স্বচ্ছ ও দক্ষ সরকারের যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে চান তিনি। তাই পরিবারের কাউকে ব্যক্তিগত সচিব না করা, নিয়মিত সম্পত্তির হিসেব দাখিল করার পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ছুটি না নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিলেন তিনি। আরটিআইয়ের ফলে জানা গেল, সনাতন ভারতের যে ‘আপনি আচরি ধর্ম’ মন্ত্রটি ছিল, তা হুবহু মেনে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Student Death: কসবায় পাঁচতলা থেকে পড়ে ছাত্রের মৃত্যু, স্কুলের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ পরিবারের

    Student Death: কসবায় পাঁচতলা থেকে পড়ে ছাত্রের মৃত্যু, স্কুলের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের পাঁচতলা থেকে পড়ে ছাত্রের মৃত্যু (Student Death)। সোমবার দুপুরে খোদ কলকাতা শহরের কসবা এলাকার ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। দশম শ্রেণির ওই ছাত্র আত্মঘাতী হয়েছে কিনা, তা জানা যায়নি। যদিও মৃত ছাত্রের পরিবারের তরফে স্কুলের বিরুদ্ধে মানসিক চাপ সৃষ্টির অভিযোগ করা হয়েছে।

    মৃতের পরিবারের অভিযোগ

    মৃত ছাত্রের বাবা বলেন, “আজ একটি প্রজেক্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল। দিতে পারেনি বলে ওকে বকাবকি করা হয়েছিল। সবার সামনে কান ধরে দাঁড় করিয়েও রাখা হয়েছিল। নিশ্চয়ই ও অপমানিত বোধ করেছিল।” ছাত্রটি কীভাবে পাঁচতলায় পৌঁছল, সেই প্রশ্নও তুলেছে তার পরিবার। স্কুলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। মৃত ছাত্রের পরিবারের দাবি, স্কুল কর্তৃপক্ষের বয়ানে রয়েছে অসঙ্গতি। মৃত ছাত্রটি বাবা বলেন, “করোনা অতিমারির সময় এই স্কুলের বেতন কমানো হচ্ছিল না বলে আমি অন্য অভিভাবকদের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একত্রিত করেছিলাম। অভিভাবকদের চাপে ৩৩ শতাংশ বেতন কমানো হয়েছিল। সেই সময়ই প্রধান শিক্ষিকা আমাকে বলেছিলেন, আপনাকে চিহ্নিত করে রাখা হল। তখনই বুঝেছিলাম, ওরা আমার ছেলের ক্ষতি করবে। আমরা ধারণা, স্কুলেই ওকে মারধর করা হয়েছে। পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।”

    তদন্ত শুরু পুলিশের 

    জানা গিয়েছে, কসবার রথতলার সিলভার পয়েন্ট স্কুলে পড়ত ওই ছাত্র। পুলিশ জানিয়েছে, এদিন দুপুরে দশম শ্রেণির এক ছাত্র স্কুলের পাঁচতলা থেকে নীচে পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। ছাত্রটি আত্মঘাতী (Student Death) হয়েছে নাকি তাকে কেউ ঠেলে ফেলে দিয়েছে, তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    আরও পড়ুুন: ‘‘কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি’’, সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধানমন্ত্রী, কারণ কী জানেন?

    মৃত ছাত্রের বাবার দাবি, তাঁর ছেলের শরীরের কোনও হাড় ভাঙেনি। পাঁচতলা থেকে পড়লে যা স্বাভাবিক। তাঁর ছেলের কান ও মুখ থেকে রক্ত পড়তে দেখেছেন তিনি। ঘটনার পর পরই স্কুলের তরফে ফোন করা হয় তাঁকে। বলা হয়, তাঁর ছেলে সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়েছে। তবে চিকিৎসার পর সুস্থ রয়েছে। অথচ হাসপাতালে গিয়ে ছেলের মৃত্যু সংবাদ পান তিনি। এ ব্যাপারে অবশ্য স্কুল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Tunnels: সেপ্টেম্বরেই জোড়া টানেলের উদ্বোধন করছে ভারত, কেন জানেন?

    Arunachal Tunnels: সেপ্টেম্বরেই জোড়া টানেলের উদ্বোধন করছে ভারত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশকে নিয়ে অব্যাহত ভারত-চিন বিবাদ। অরুণাচল প্রদেশকে (Arunachal Tunnels) নিজের দেশের ভূখণ্ড দাবি করে নয়া মানচিত্র প্রকাশ করেছে ড্রাগনের দেশ। যদিও ভারত বরাবরই বলে আসছে, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

    বিশ্বের দীর্ঘতম যমজ টানেল

    অরুণাচল প্রদেশকে দক্ষিণ তিব্বতের অংশ বলে দাবি করে বেজিং যখন মানচিত্রের নয়া সংস্করণ প্রকাশ করছে, ঠিক তখনই অরুণাচল প্রদেশে টানেলের উদ্বোধন করতে চলেছে ভারত। চলতি মাসেই উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে এই টানেলের দ্বার। অরুণাচল প্রদেশের এই টানেলটির নাম সেলা টানেল। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম যমজ টানেল। এই জোড়া ট্যানেল রয়েছে ১৩ হাজার ফিট উচ্চতায়। এই টানেলটি চালু হয়ে গেলে তাওয়াং অঞ্চলে দ্রুত সেনা এবং সমর সরঞ্জাম পাঠানো যাবে। সূত্রের খবর, চলতি মাসের শেষের দিকেই খুলে যাবে এই যমজ টানেল।

    বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন

    কিছুদিন আগেই উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে ভারত জানতে পেরেছে, সীমান্তে (Arunachal Tunnels) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার অদূরে বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন। সমর বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এলাকায় আগেভাগেই অস্ত্র ও যুদ্ধের রসদ মজুত করে রাখার পরিকল্পনা করেছে বেজিং। যুদ্ধ শুরু হলে বেজিং যাতে কোনওভাবেই বাড়তি সুবিধা না পায়, তাই দ্রুত টানেলের দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়ে মজবুত পরিকাঠামো গড়ে তুলতে চাইছে নয়াদিল্লি। ২০১৯ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে এই টানেলের (Arunachal Tunnels) শিলান্যাস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০০ কোটি টাকা। বালিপাড়া চারদুয়ার তাওয়াং সড়কের ওপরই গড়ে উঠছে এই টানেল।

    আরও পড়ুুন: ‘‘কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি’’, সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধানমন্ত্রী, কারণ কী জানেন?

    আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট হল উত্তরপূ্র্বের নচিপুর টানেল। এই টানেলের সাহায্যে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের অনায়াস যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাইছে ভারত। এক আধিকারিকের মতে, পাঁচশো মিটার দীর্ঘ এই টানেল রয়েছে ৫ হাজার ৭০০ ফিট উচ্চতায়। পশ্চিম কেমাংয়ের বিসিটি সড়কের ওপর গড়ে উঠেছে এই টানেল। আগামী সপ্তাহেই উদ্বোধন হবে এই টানেলের।

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দেশের মানচিত্রের একটি নয়া সংস্করণ প্রকাশ করেছে চিন। সেখানে অরুণাচল প্রদেশ ও পূর্ব লাদাখকে চিনের অংশ হিসেবে দাবি করেছে বেজিং। যার কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ভারত। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এহেন আবহে জোড়া টানেল উদ্বোধন করে ড্রাগনের দেশকে মুখের মতো দিতে চাইছে মোদির ভারত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Modi: ‘‘কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি’’, সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধানমন্ত্রী, কারণ কী জানেন?

    PM Modi: ‘‘কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি’’, সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধানমন্ত্রী, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। বিজেপিকে পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে দেশের বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। সংগঠনের নাম ‘ইন্ডিয়া’। এই জোটের তৃতীয় বৈঠকটি হয়ে গেল বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে। তবে বিরোধীরা যতই জোট বাঁধুন না কেন, তৃতীয়বার কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে এক প্রকার নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    জিতবে বিজেপি-ই

    বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই তিনি বলতে শুরু করেছেন, কেন্দ্রের কুর্সিতে ফের ক্ষমতায় আসবে বিজেপি-ই। তাঁর জমানায় যে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে এবং তার জেরে যে আমভারতবাসী বিজেপিকেই ভোট দেবেন, সে ব্যাপারেও আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েও বিজেপি যে ক্ষমতায় ফিরছে, তা জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। কেন বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ-ই দিল্লির তখতে বসছে, তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    অর্থনীতির ব্যাপক উন্নয়ন

    তাঁর সরকারের আমলে অর্থনীতির ব্যাপক উন্নয়নই তাঁদের ফের ক্ষমতায় ফেরাবে বলে আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে বিজেপির নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে এনডিএ সরকার। সেই সময় বৃহত্তর অর্থনীতির দেশের তালিকায় দশম স্থানে ছিল ভারত। আর মোদির ন’ বছর শাসনে দেশের ঠাঁই হয়েছে ওই তালিকার পঞ্চম স্থানে। দীর্ঘদিন যে জায়গাটা ধরে রেখেছিল ইংল্যান্ড। সেই রাজার দেশকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে মোদির ভারত।

    আরও পড়ুুন: জি২০ সম্মেলনে ভারতে আসছেন বাইডেন-মাঁক্র, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মোদি?

    অর্থনৈতিক উন্নয়নের নিরিখে যদি দেশবাসী বিজেপিকে ক্ষমতায় ফেরাতে মনস্থ করেন, তাহলে আরও আছে। তাঁর আমলেই চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখেছে চন্দ্রযান ৩। ভারত যেদিন চন্দ্রবিজয় করেছে, তারই দিন কয়েক আগে চাঁদের মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়েছে রাশিয়ার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের স্বপ্ন। তাই বিশ্ববাসীর চোখে আক্ষরিক অর্থে হিরো হয়ে গিয়েছে মোদির ভারত। চাঁদমারি সফল হওয়ার পর পরই সূর্যালোকে আদিত্য এল ওয়ান পাঠিয়েছে ভারত। দূর থেকে সূর্যের হালহকিকৎ বোঝার চেষ্টা করবে ইসরো প্রেরিত এই যান।

    জি২০ সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্বও ভারত পেয়েছে মোদির (PM Modi) জমানায়। দেশের প্রতিনিধিত্ব করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে সম্মান অর্জন করেছেন, সাম্প্রতিক অতীতে তা পাননি কোনও প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদির আমলেই চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছে জিডিপি বৃদ্ধির হার। যার জেরে কমেছে দারিদ্র। তাই ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপি-ই ফের ক্ষমতায় আসছে বলে জানান মোদি। তাঁর আমলেই ভারত যে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তিন নম্বরে জায়গা করে নেবে, সে ব্যাপারেও আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

        

LinkedIn
Share