Tag: Bengali news

Bengali news

  • WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো যাবে ‘এইচডি’ কোয়ালিটির ভিডিও! শীঘ্রই আসছে আপডেট

    WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো যাবে ‘এইচডি’ কোয়ালিটির ভিডিও! শীঘ্রই আসছে আপডেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপে লো-রেজোলিউশনের ছবি পাঠানোর দিন শেষ হতে চলেছে! কারণ, খুব শীঘ্রই ব্যবহারকারীদের হাই-ডেফিনেশন বা এইচডি কোয়ালিটির ভিডিও পাঠানোর সুবিধা দিতে চলেছে এই মেসেজিং সংস্থা। 

    বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন আপডেট ও ফিচার্স নিয়ে হাজির হয় মেটা মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপ। এবারও এক অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ফিচার্স নিয়ে হাজির হলো তারা। এতদিন, হোয়াটসঅ্যাপে কেবলমাত্র তদিন পর্যন্ত ৪৮০ পিক্সেলের ভিডিও পাঠানোর সুযোগ পেতেন ইউজাররা। এতে ছবির গুণগতমান ভালো হতো না। জানা গিয়েছে, নতুন এই সুবিধার ফলে ব্যবহারকারীরা চাইলেই ছবির পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপে সর্বোচ্চ ৭২০ পিক্সেল রেজোলিউশন পর্যন্ত ভিডিয়ো আদান-প্রদান করতে পারবেন। এর ফলে হোয়াটসঅ্যাপের কার্যকারিতা আরও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে দাবি করা হচ্ছে। 

    কেমন এই পরিষেবা (WhatsApp)?

    আমরা জানি, বর্তমান যুগে সামজিক গণমাধ্যমগুলির মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) অন্যতম জনপ্রিয়। অফিস, ব্যাঙ্ক, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অনেক কাজ এখন হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে হয়ে থাকে। তবে সাধারণত খুব বেশি ভারী বা হাই রেজোলিউশন যুক্ত ছবি, ভিডিও আদান প্রদানে একাটা সীমাবদ্ধতার ব্যাপার ছিল আগে। তাই গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে গ্রাহকদের আরও উন্নত পরিষেবা দিতে, এই উন্নত রেজোলিউশন ছবির পাশাপাশি উন্নত মানের ভিডিও পাঠানো বিষয়ে বিশেষ পরিষেবার কথা ভাবা হয়েছে।

    কীভাবে চলবে এই পরিষেবা?

    এই নতুন সুবিধা অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা চালিত হবে। এই নতুন পরিষেবা অ্যাপের মধ্যে এইচডি আইকনের ক্লিক করলে ৭২০ পিক্সেল ভিডিও আপলোড হতে পারবে। তবে ১০৮০ পিক্সেলের ছবি বা ফটো আপলোড করার মতন এখনও পরিষেবা চালু হয়নি বলে জানা গিয়েছে। গত এক সপ্তাহ আগেই হোয়াটসঅ্যাপে (WhatsApp) এইচডি কোয়ালিটির ছবি (HD Image) পাঠানোর বিশেষ পরিষেবা সমস্ত গ্রাহকদের জন্য চালু করা হয়েছে। এবার ছবির পাশাপাশি পাঠানো যাবে উন্নত মানের ভিডিও। 

    হোয়াটসঅ্যাপের স্ট্যাটাস রিপ্লাইতে অবতার

    হোয়াটসঅ্যাপে (WhatsApp) অবতার ইতিমধ্যেই বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে ভবিষ্যতে অবতার দিয়ে রিপ্লাই দেওয়া যাবে। WhatsApp beta for Android 2.23.18.9- ভার্সানে পাওয়া যাবে নতুন ফিচারের সুবিধা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: নবম-দশমে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম! অবিলম্বে ২ প্রার্থীকে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: নবম-দশমে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম! অবিলম্বে ২ প্রার্থীকে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেধাতালিকায় তাঁর নাম ছিল ২০৮ নম্বরে। তার পরেও সালমা সুলতানা নামে এক চাকরিপ্রার্থীকে নবম-দশমে নিয়োগ করেনি স্কুল সার্ভিস কমিশন। এর পরেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই চাকরি প্রার্থী। কাউন্সেলিং করে সালমাকে চাকরি দিতে বলে আদালত (Calcutta High Court)। আদলতের নির্দেশ মেনে এসএলএসটি উত্তীর্ণ সামলা ইন্টারভিউও দেন। তার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও, কাউন্সেলিংয়ের জন্য তাঁকে ডাকা হয়নি বলে অভিযোগ।

    নিয়োগপত্র দেওয়ার নির্দেশ

    অথচ তাঁর রোল নম্বরে সুপারিশপত্র এবং নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। এসএমএসে চাকরিতে যোগ দিতেও বলা হয়েছে। নিয়োগপত্রের কোনও হার্ড কপি না দিয়ে কীভাবে কেবল এসএমএস পাঠিয়েই চাকরিতে যোগ দিতে বলা হয়েছিল, সে প্রশ্ন ওঠে। বুধবার সালমাকে নিয়োগপত্র দেওয়ার নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁকে চাকরি দিতে হবে বলেও নির্দেশ দেয় আদালত। এসএমএসের মাধ্যমে কেন নিয়োগ করা হল, তার তদন্তও প্রয়োজন বলে পর্যবেক্ষণ আদালতের। একই ঘটনা ঘটেছে রিক্তা চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রেও। তাঁকেও এক সপ্তাহের মধ্যে চাকরি দিতে হবে বলে নির্দেশ দেয় আদালত।

    হার্ড কপি দেওয়ার নির্দেশ

    এদিন আদালতে (Calcutta High Court) রিপোর্ট পেশ করে স্কুল সার্ভিস কমিশন জানায়, সালমা ও রিক্তার মতো এমন অনেক চাকরি প্রার্থীকেই এসএমএসের মাধ্যমে চাকরি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। দুশোর বেশি চাকরি প্রার্থীকে এভাবেই নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। এঁদের মধ্যে অনেকেই চাকরি করছেন। অনেককেই হার্ড কপি দেওয়া হয়নি। এসএসসির তরফে এও জানানো হয়েছে, সালমা ও রিক্তা যে এলাকার বাসিন্দা, সেখানে স্কুলে শূন্যপদ রয়েছে। এর পরেই বিচারপতি বসু তাঁদের হার্ড কপি দেওয়ার নির্দেশ দেন।

    আরও পড়ুুন: ইন্টারভিউয়ে ফেল চাকরি প্রার্থী, ভিডিওগ্রাফি দেখতে চাইলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    সালমার বাড়ি বীরভূমে। দক্ষিণ দিনাজপুরের গাঙ্গুরিয়া হাইস্কুলের নিয়োগপত্র রয়েছে সালমার। এদিন আদালতের নির্দেশের পর নিজের জেলায়ই পোস্টিং পেতে চলেছেন সালমা। প্রসঙ্গত, পরীক্ষা দেওয়ার সাত বছর পর চাকরি পেতে চলেছেন এই দুই পরীক্ষার্থী। ৯ দিনের মধ্যে তাঁদের চাকরি (Calcutta High Court) দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি বসু। সাত দিনের মধ্যে নিয়োগপত্র দেবে এসএসসি। তারপর দু দিনের মধ্যে তাঁদের নিয়োগপত্র দেবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ইন্টারভিউয়ে ফেল চাকরি প্রার্থী, ভিডিওগ্রাফি দেখতে চাইলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    Calcutta High Court: ইন্টারভিউয়ে ফেল চাকরি প্রার্থী, ভিডিওগ্রাফি দেখতে চাইলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালের টেটের প্রশ্নপত্রে ভুল থাকায় বাড়তি ৬ নম্বর পেয়েছেন আবেদনকারী চাকরিপ্রার্থীরা। অতিরিক্ত এই নম্বর পাওয়ায় অনেক ‘অযোগ্য’ প্রার্থীই পেরিয়েছিলেন যোগ্যতার চৌকাঠ। তবে তার পরেও কপালে ছেঁড়েনি চাকরির শিকে। তাই ফের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক চাকরিপ্রার্থী। এই প্রার্থীর অ্যাপটিটিউড টেস্ট ও ইন্টারভিউয়ের ভিডিওগ্রাফি দেখতে চাইল আদালত (Calcutta High Court)।

    পাশ করেও পাননি চাকরি

    ২০২৪ সালে টেট দিয়েছিলেন আমিনা পারভিন। আদালতের নির্দেশে ওই পরীক্ষা যাঁরা দিয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের ৬ নম্বর করে বেড়েছে। এক লপ্তে ৬ নম্বর বেড়ে যাওয়ায় আমিনার প্রাপ্ত নম্বর হয় ৮২। টেট উত্তীর্ণ হতে গেলে ৮২ পেতে হত। ৮২ পাওয়ার পরেও চাকরি পাননি আমিনা। দ্বারস্থ হন কলকাতা হাইকোর্টের। ১৭ জুলাই হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পর্ষদ সভাপতি গৌতম পালকে নির্দেশ দেন, আমিনার অ্যাপটিটিউড টেস্ট ও ইন্টারভিউয়ের বন্দোবস্ত করতে হবে। পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করার নির্দেশও দিয়েছিলেন বিচারপতি।

    বিচারপতির নির্দেশ

    বুধবার মামলাটি ওঠে আদালতে (Calcutta High Court)। শুনানিতে পর্ষদের তরফে জানানো হয়, প্রার্থীর চাকরি পাওয়ার যোগ্যতা নেই। অ্যাপটিটিউড টেস্ট ও ইন্টারভিউয়ের ফলের ভিত্তিতে এ কথা আদালতে জানায় পর্ষদ। এর পরেই অ্যাপটিটিউড টেস্ট ও ইন্টারভিউয় প্রক্রিয়ার ভিডিয়োগ্রাফি দেখতে চান বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর পর্যবেক্ষণ, এর আগে মামলাকারী আদালতের নির্দেশে পাশের উপযুক্ত নম্বর পেয়েছিলেন। তার পরেও তাঁকে নিয়োগ করা হয়নি বলে ফের আদালতের দ্বারস্থ হতে হয় ওই প্রার্থীকে।

    আরও পড়ুুন: ১৭ সেপ্টেম্বর মোদির জন্মদিন, দেশজুড়ে দু’সপ্তাহব্যাপী ‘সেবা পক্ষ’ কর্মসূচি বিজেপির

    আদালতের নির্দেশে তাঁকে ডাকা হয় ইন্টারভিউয়ের জন্য। তার পরেও চাকরি না পেয়ে ফের আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বাধ্য হয়েছেন মামলাকারী। আদালত জানিয়েছে, চাকরির উপযুক্ত মেধা প্রার্থীর নেই। ভিডিওগ্রাফি দেখে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে চাইছে আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৮ সেপ্টেম্বর। ওই দিনই আদালতে (Calcutta High Court) পেশ করতে হবে আমিনার অ্যাপটিটিউড টেস্ট ও ইন্টারভিউয়ের ভিডিওগ্রাফি।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: দত্তপুকুরে বেআইনি বাজি কারবারে টাকা ঢালত মোহিত, বিস্ফোরণের পর থেকে ফেরার

    Duttapukur: দত্তপুকুরে বেআইনি বাজি কারবারে টাকা ঢালত মোহিত, বিস্ফোরণের পর থেকে ফেরার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুর (Duttapukur) বিস্ফোরণে নিহত কেরামত আলি, সামসুল আলিদের বাজি কারবার কয়েক বছরের মধ্যেই ফুলে ফেঁপে উঠেছিল। এই কারবারে আব্দুল মোহিত ওরফে মহম্মদ আলির নাম উঠে আসছে। বেআইনি কারবারে তিনি কিংপিনও বলা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে অবশ্য খোঁজ নেই এই মোহিতের।

    কে এই আব্দুল মোহিত?

    ২৭ অগাস্ট রবিবার সকালে দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোলে ভয়াবহ বিস্ফোরণের কয়েক মিনিটের মধ্যেই সপরিবার গা-ঢাকা দেন মোহিত। কেরামত, সামসুলের বেআইনি বাজি সাম্রাজ্যে মূলত টাকা ঢালতেন তিনি। সেখান থেকে বছরে তিনি বিরাট অঙ্কের টাকা মুনাফাও করতেন, এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। এক সময় মোচপোল গ্রামের আশপাশের ইটভাটায় মাটি সরবরাহের কাজ করতেন এই আব্দুল মোহিত। ধীরে ধীরে এলাকার একজন মাটি ব্যবসায়ী হয়ে ওঠেন তিনি। পরে তিনি জমির দালালি মারফত কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেন। হাতে কাঁচা টাকা আসায় প্রোমোটিংয়ের কাজও শুরু করেছিলেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়-সহ আরও কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার পর থেকেই জগন্নাথপুর, মোচপোল গ্রামের আশপাশে জমির দর একলাফে কয়েক গুণ বাড়তে শুরু করে। এলাকা সূত্রে জানা যায়, সেই সুযোগে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের আশপাশের অধিকাংশ জমিরই লেনদেন হয়েছিল এই আব্দুল মোহিতের হাত ধরে। বাম আমলে তিনি সিপিএম ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তখন মাটি এবং জমির কারবার করতেন। পরে, তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই মোহিত তৃণমূলে যোগ দেন। এরপর তিনি শাসক ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন।

    কেন বাজি কারবার শুরু করেন মোহিত?

    আরও বেশি টাকা মুনাফার আশায় দত্তপুকুরে (Duttapukur) বাজির কারবারে সরাসরি টাকা লেনদেন করতে শুরু করেন মোহিত। মোচপোলে যে বাড়িটিতে বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় একাধিক দেহ, সেই বাড়িতে মজুত বাজি কারবারে টাকা ঢেলেছিলেন এই মোহিত, এমনই শোনা যায় এলাকাবাসীর মুখ থেকে। এভাবেই তিনি এলাকার বাজি কারবারের মাস্টারমাইন্ড হয়ে উঠেছিলেন। বিস্ফোরণের পর এক পরিত্যক্ত ইটভাটাতেই হদিশ মেলে। সেই ইটভাটার মধ্যে গিয়ে দেখা যায় অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরির, যা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। একইভাবে মোচপোল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে জামতাগড়ে রাস্তার ধারে আব্দুল মোহিতের প্রোমোটিং করা ফ্ল্যাট ঘিরেও রয়েছে নানা বিতর্ক। তিন বছর আগে এই ফ্ল্যাটটি তৈরি করেই প্রোমোটিংয়ে হাতেখড়ি হয় মোহিতের। পাশাপাশি আরো জানা যায়, বেশ কয়েকটি জমিও তিনি নিয়েছিলেন প্রমোটিং করবেন বলে। সঙ্গে জোরকদমে চলে বেআইনি বাজির কারবার। আর তৃণমূলের নেতাদের হাত থাকায় বেআইনি বাজি কারবারে সব জেনেও পুলিশ তাঁর সাম্রাজ্যে পা দিত না। মোটা টাকা দিয়ে পুলিশের মুখ বন্ধ করে রাখতেন তিনি।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এলাকাবাসীদের বক্তব্য, তৃণমূল আমল থেকেই মোহিতের বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়। তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রীর সঙ্গে ওঠাবসা ছিল তাঁর। যদিও বিপদে পড়ে এখন সেই অভিযোগ অস্বীকার করছে শাসকদল। এমনকী বাজি বিস্ফোরণের ক’দিন আগেও জামতাগড়ের ফ্ল্যাটে মোহিতকে দেখা গিয়েছিল, এমনই জানিয়েছেন ওই ফ্ল্যাটের আবাসিকরা। সব মিলিয়ে এখন পুলিশের কাছে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ এই বাজি বিস্ফোরণের কিংপিং মোহিতকে খুঁজে বার করা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই যাদবপুরে আসছে ইসরোর প্রতিনিধি দল, কেন জানেন?

    Jadavpur University: সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই যাদবপুরে আসছে ইসরোর প্রতিনিধি দল, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) আসছেন ইসরোর প্রতিনিধি দল। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের ডাকে সাড়া দিয়ে যাদবপুরে আসছেন তাঁরা। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবেন তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ঘুরে দেখার পাশাপাশি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা যেতে পারেন হস্টেল পরিদর্শনেও। যাদবপুরের পাশাপাশি রাজ্যের আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁরা যেতে পারেন বলেও খবর। যাদবপুরে ভিডিও অ্যানালিটিক্স, টার্গেট ফিক্সিংয়ের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কাজ করবে কিনা, মূলত তা-ই দেখবেন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নিয়েও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন তাঁরা।

    ইসরোর সঙ্গে কথা আনন্দ বোসের 

    দিন কয়েক আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) হস্টেলে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় স্নাতক বাংলা প্রথমবর্ষের এক পড়ুয়ার। নদিয়ার ওই ছাত্রমৃত্যুর জেরে তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। তার পরেই ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সিভি আনন্দ বোস। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়রে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ইসরোর সাহায্যের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। ইসরোর প্রতিনিধি দলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ঘুরে দেখার অনুরোধ জানান রাজ্যপাল। সেই ডাকে সাড়া দিয়েই যাদবপুরে আসছেন তাঁরা।

    মদ-মাদক বন্ধে

    স্যাটেলাইটকে কাজে লাগিয়ে কোনওভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্ছৃঙ্খলতা বন্ধ করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। ক্যাম্পাসে মাদক সেবন ও মদ-মাদক নিয়ে প্রবেশ বন্ধ করতে কোনও প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া যায় কিনা, তাও খতিয়ে দেখবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। প্রসঙ্গত, বিমানবন্দর সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই ধরনের যন্ত্র বসানো রয়েছে। এদিকে, সিসি ক্যামেরা বসানোর খরচ নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) কর্তৃপক্ষ। খরচ জোগাড় করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে আবেদন করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের কাছেও।

    আরও পড়ুুন: আকসাই চিনে বাঙ্কার, সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন, যুদ্ধের প্রস্তুতি লালফৌজের?

    জানা গিয়েছে, শেষমেশ সেই বরাদ্দ মিলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসি ক্যামেরা বসানোর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৩৮ লক্ষ টাকা। শিক্ষা দফতর ওই টাকা মঞ্জুর করেছে। এর মধ্যে অচিরেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টে চলে আসবে ৩৭ লক্ষ ৩৮ হাজার ৪৮৪ টাকা। তবে টাকা বরাদ্দ হলেও, কবে থেকে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উল্লেখ্য, যাদবপুরে সিসি ক্যামেরা বসানোর দায়িত্ব পেয়েছে সরকারি সংস্থা ওয়েবেল। এদিকে, শুক্রবার দুপুর ১২টা নাগাদ সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে বসছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ছাত্র, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকেই যোগ দেবেন ওই বৈঠকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: চাঁদের মাটিতে বন্ধু বিক্রমের ছবি তুলল প্রজ্ঞান, ‘স্মাইল প্লিজ’ লিখে পোস্ট ইসরোর

    Chandrayaan 3: চাঁদের মাটিতে বন্ধু বিক্রমের ছবি তুলল প্রজ্ঞান, ‘স্মাইল প্লিজ’ লিখে পোস্ট ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহের বুধবারই চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখেছে ল্যান্ডার বিক্রম (Chandrayaan 3)। তার পেটের ভিতর থেকে গুটিগুটি পায়ে বেরিয়ে এসেছে রোভার প্রজ্ঞান। রোভার প্রজ্ঞানের তোলা একাধিক ছবি শেয়ার করেছে ইসরো। এবার প্রজ্ঞান রোভার তার সঙ্গী ল্যান্ডার বিক্রমের ছবি তুলল। বন্ধু প্রজ্ঞানের হাতে তোলা বিক্রমের সেই ছবি ট্যুইটার (অধুনা এক্স) হ্যান্ডেলে শেয়ার করতে দেখা গেল ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থাকে ইসরোকে।

    প্রজ্ঞানের ক্যামেরায় তোলা বিক্রমের ছবি পোস্ট ইসরোর

    ইসরোর পোস্ট করা ওই ছবির ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘‘স্মাইল প্লিজ! আজ সকালেই বিক্রম ল্যান্ডারের ছবি তুলেছে রোভার প্রজ্ঞান। ‘image of the mission’ তুলেছে রোভার প্রজ্ঞানে থাকা নেভিগেশন ক্যামেরা ন্যাভক্যাম।’’ 

    কী দেখা গেল ছবিতে

    প্রসঙ্গত, চন্দ্রযান (Chandrayaan 3) উৎক্ষেপণের পরপরই ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়েছিল যে রোভার প্রজ্ঞান ও ল্যান্ডার বিক্রম একে অপরের ছবি তুলবে চাঁদের মাটিতে। আর সেই মতো এর আগে দেখা গিয়েছে বিক্রম ল্যান্ডারের ক্যামেরায় তোলা রোভারের ছবি এবং বুধবার সকালে দেখা গেল রোভার প্রজ্ঞানের ক্যামেরায় তোলা ল্যান্ডার বিক্রমের ছবি। ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে চাঁদের মাটিতে দাঁড়িয়ে রয়েছে ল্যান্ডার বিক্রম। ভারতীয় সময় সকাল ৭টা ৩৫ মিনিট নাগাদ এই ছবি তুলেছে রোভার প্রজ্ঞান। 

    দক্ষিণ মেরুতে সূর্যের আলো থাকবে আর ৮দিন

    মঙ্গলবারই রোভার প্রজ্ঞান চাঁদের মাটিতে (Chandrayaan 3) অ্যালুমিনিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ক্রোমিয়াম, টাইটেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন এবং অক্সিজেনের হদিশ পেয়েছে। বিজ্ঞানীদের আশা রোভার প্রজ্ঞানের কাছ থেকে মিলবে আরও অনেক কিছু তথ্য। প্রসঙ্গত, আর ৮ দিন চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সূর্যের আলো থাকবে। তারপরে রোভার প্রজ্ঞানের কী হবে তা ভবিষ্যতে বলবে! তবে এরই মধ্যে অনেক কিছুর হদিশ মিলতে পারে চাঁদের মাটিতে। জানা গিয়েছে চাঁদের মাটিতে এখন হাইড্রোজেনের সন্ধানে রয়েছে রোভার প্রজ্ঞান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: ফের হিংসা মণিপুরে, দিনের বেলায় গুলির লড়াই, মৃত ২

    Manipur Violence: ফের হিংসা মণিপুরে, দিনের বেলায় গুলির লড়াই, মৃত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তির আগুন চিত্রাঙ্গদার দেশে (Manipur Violence)। মঙ্গলবারই আলোচনা ও সাংবিধানিক উপায়ে রাজ্যে শান্তি ফেরাতে প্রস্তাব পাশ করেছে মণিপুর বিধানসভা। সেদিনই সংঘর্ষে উত্তাল হল উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্যটি। এদিন সকালে কুকি-জো অধ্যুষিত একটি গ্রামে হামলা চালায় অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা। পাল্টা গুলি চালায় গ্রামরক্ষী বাহিনীও। সংঘর্ষে মৃত্যু হয় দু’ জনের। সালাম জ্যোতি সিংহ নামে একজন জখম হয়েছেন। এক সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। ফের যাতে উত্তপ্ত না হয়ে ওঠে এলাকা, তাই তল্লাটে টহল দেওয়া শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    কুকি-জো অধ্যুষিত গ্রামে হামলা

    কুকিদের সংগঠন আইটিএলএফ জানিয়েছে, এদিন সকাল দশটা নাগাদ কুকি-জো অধ্যুষিত একটি গ্রামে হামলা চালানো হয়। গ্রামরক্ষী বাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তোলায় দু’জনের মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের একজন হলেন জাংমিনলুন গাংতে। অন্যজনের পরিচয় প্রকাশ্যে আনা হয়নি। এদিকে, রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ (Manipur Violence)। পূর্ব ইম্ফল ও বিষ্ণুপুর জেলা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে চার দুষ্কৃতীকে। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

    বাড়িতে আগুন

    মঙ্গলবারের এই সংঘর্ষের আগে অশান্তি হয়েছিল রবিবারও। রাজধানী ইম্ফলে তিনটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন দুষ্কৃতী। ওই দিন গভীর রাতে রাজ্যের প্রাক্তন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ ডিরেক্টর কে রাজোর বাড়ির নিরাপত্তরক্ষীর কাছ থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।

    ৩ মে ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুরে’র কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির সূত্রপাত মণিপুরে (Manipur Violence)। রাজ্যের আদি বাসিন্দা হিন্দু ধর্মাবলম্বী মেইতেই জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কুকি, জো সহ কয়েকটি তফশিলি জনজাতি সম্প্রদায়ের সংঘর্ষে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে  প্রায় দু’শো জনের। ঘরছাড়া হয়েছেন কমবেশি ষাট হাজার মানুষ। পোড়ানো হয়েছে বহু বাড়ি। লুটপাট হয়েছে দোকান। জখম হয়েছেন শতাধিক মানুষ। পরিস্থিতির মোকাবিলায় মোতায়েন করা হয়েছে সেনা বাহিনী ও অসম রাইফেলসের অতিরিক্ত বাহিনী।

    আরও পড়ুুন: আকসাই চিনে বাঙ্কার, সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন, যুদ্ধের প্রস্তুতি লালফৌজের?

    এদিকে, অশান্তি শুরু হওয়ার পর মঙ্গলবারই প্রথম বসে বিধানসভার অধিবেশন। অধিবেশন চলে মিনিট পনের। এর মধ্যেই পাশ করানো হয় আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ফেরানোর প্রস্তাব। এদিনের অধিবেশনে যোগ দেননি কুকি-জো গোষ্ঠীর দশ বিধায়ক (Manipur Violence)। নিরাপত্তার কারণেই তাঁরা অধিবেশনে যোগ দেননি বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Aksai Chin: আকসাই চিনে বাঙ্কার, সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন, যুদ্ধের প্রস্তুতি লালফৌজের?

    Aksai Chin: আকসাই চিনে বাঙ্কার, সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন, যুদ্ধের প্রস্তুতি লালফৌজের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আকসাই চিনে (Aksai Chin) সক্রিয়তা চিনা সেনার। সম্প্রতি চিনা মানচিত্রের যে সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে তাতে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আকসাই চিনকে সে দেশের বলে দাবি করেছে বেজিং। এবার জানা গেল কেবল দাবিই নয়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলএসি) প্রায় সত্তর কিলোমিটার দূরে ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার নির্মাণ করছে চিন। বাঙ্কারের পাশাপাশি এই এলাকায় সুড়ঙ্গও তৈরি করছে চিনা ফৌজ। ভবিষ্যতে যুদ্ধের পরিস্থিতির মোকাবিলায় এই বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গ কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করেছে শি জিনপিংয়ের সরকার।

    বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গ

    ২০২৩ সালের ১৮ অগাস্ট উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে এই বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গের কথা জানতে পেরেছে নয়াদিল্লি। মাস কয়েক আগে প্যাংগং হ্রদের উত্তর ও দক্ষিণ পাড় জুড়ে সেতু নির্মাণ করছিল চিনা ফৌজ। উপগ্রহ মারফত সে খবরও পেয়েছিল (Aksai Chin) ভারত। তারই রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগে সীমান্তে ফের তৎপরতা চিনা সেনার। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এলাকায় স্থায়ীভাবে সেনা মোতায়েন করার কথা ভেবেই বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে বেজিং।

    চিনা আগ্রাসন 

    উপগ্রহ চিত্র বিশেষজ্ঞ ডেমিয়েন সাইমন বলেন, “আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে মাটির নীচে সুড়ঙ্গ তৈরি করে ভারতীয় সেনাকে প্রতিহত করতে চাইছে চিন। আকসাই চিনে ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ারবেস থাকায় এ দেশের সেনাবাহিনী যে সুবিধাগুলি পায়, তা রুখতেই চিনের এই পদক্ষেপ।” উত্তর লাদাখের দেপসাং উপত্যকা থেকে প্রায় সত্তর কিলোমিটার পূর্বে আকসাই চিনে নদীর পাড় বরাবর সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে লাল ফৌজ। ম্যাক্সার স্যাটেলাইট চিত্রেও ধরা পড়েছে চিনের এই খননকাজ। উপগ্রহ চিত্রে স্পষ্ট, নদীর দুই পাড়েই পাথর কেটে চিন (Aksai Chin) অন্তত ১১টি সুড়ঙ্গ তৈরি করেছে। এই সুড়ঙ্গ ও বাঙ্কারেই যুদ্ধাস্ত্র মজুত করার পরিকল্পনা করেছেন চিনা সমর কর্তারা।

    আরও পড়ুুন: জানেন কোন ২১ জন বিধায়ক পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিলেন?

    বছর তিনেক আগেও ডেমচক, ডেপসাং, গালওয়ান, গোগরা উষ্ণ প্রস্রবণের পাশাপাশি ফিঙ্গার এরিয়া ৮ এলাকায় অনুপ্রবেশ করেছিল লাল ফৌজ। জুন মাসে গাওয়াল উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর নতুন করে শুরু হয় দ্বিপাক্ষিক শান্তি আলোচনা। এহেন আবহে হ্রদের দক্ষিণে হেলমেট টপ থেকে রেচিন লা বেশ কিছু উঁচু এলাকায় দখল নেয় ভারতীয় সেনার মাউন্টেন স্ট্রাইক কোর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal: জানেন কোন ২১ জন বিধায়ক পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিলেন?

    West Bengal: জানেন কোন ২১ জন বিধায়ক পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিটি বাঙালির কাছে ২০ জুন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৪৭ সালের ২০ জুন বঙ্গীয় আইন পরিষদে (West Bengal) (অবিভক্ত বাংলার প্রাদেশিক আইনসভা) অখণ্ড বাংলা ভাগের বিষয়টি উত্থাপিত হয়। বাংলাভাগের পক্ষে বড় অংশের ভোট পড়ায় দু’টুকরো হয় বাংলা। এই ভোটাভুটির ফলাফলের ভিত্তিতেই পশ্চিমবাংলা (West Bengal) ভারতের অংশ হয়, পূর্ব বাংলা (যদিও প্রথমে তা পূর্ব পাকিস্তান ও পরে বাংলাদেশ হয়) যুক্ত হয় পাকিস্তানের সঙ্গে।

    দেশভাগের প্রকৃত কারণ ভুলিয়ে দিতে চান মুখ্যমন্ত্রী!

    বিজেপির দাবি, তোষণের রাজনীতির কারণেই দেশভাগের সেই যন্ত্রণাদায়ক দিন ২০ জুন ১৯৪৭ কে  ভুলিয়ে দিতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবারই ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ (West Bengal) কোন দিন হওয়া উচিত তা নিয়ে নবান্নে সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিরোধী দল বিজেপি ওই বৈঠক বয়কট করেছে। ইতিমধ্যে বৈঠকে যোগ না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠিও লিখেছেন সুকান্ত মজুমদার। সেখানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি লেখেন, ‘‘আপনি লিখেছেন (যোগদানপত্রে) কোনও ২০ জুন তারিখে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে আমরা কোথাও কিছু পড়িনি বা শুনিনি। আপনার বক্তব্যেই স্পষ্ট যে, খোলা মনে আলোচনা করার জন্য এই বৈঠক ডাকা হয়নি। কিছু পূর্ব পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য এই বৈঠককে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন। আপনার আগেই নিয়ে ফেলা সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিতে আমি বা আমার দলের কোনও প্রতিনিধি সর্বদলীয় বৈঠকে যেতে অপারগ। তাই বিজেপি এই বৈঠকে যোগ দেবে না।’’

    কী বলছেন ইতিহাসবিদরা?

    ইতিহাসবিদরা অবশ্য বিজেপির দাবিতেই সিলমোহর দিয়েছেন। তাঁদের মতে, ১৯৪৭ সালের ২০ জুন আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) জন্ম হয়। একই সঙ্গে সামনে এসেছে তৎকালীন ২১ জন বিধায়কের নাম এবং বিধানসভাক্ষেত্র যাঁরা সেদিন পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) তৈরির বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন, অর্থাৎ তাঁরা চেয়েছিলেন গোটা বাংলাটাই পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হোক।

    ২১ জন বিধায়ক যাঁরা চেয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হোক

    ১) আব্দুল আহাদ 

    ঠিকানা: গ্রাম ও ডাকঘর – লবশা, সাতক্ষীরা, খুলনা 
    বিধানসভা আসন: সাতক্ষীরা

    ২) এ এফ এম আব্দুর রহমান 

    ঠিকানা: ১৮/১/এ পীতাম্বর ঘটক লেন, আলিপুর 
    বিধানসভা আসন: উত্তর-পূর্ব ২৪ পরগণা 

    ৩) আব্দুস সবুর খান

    ঠিকানা: লোয়ার যশোর রোড, খুলনা
    বিধানসভা আসন: খুলনা

    ৪) আবুল হাশেম

    ঠিকানা: গ্রাম – কাঁসাড়া, ডাকঘর – কাশেমনগর, বর্ধমান 
    বিধানসভা আসন: বর্ধমান 

    ৫) হুসন আরা বেগম

    ঠিকানা: ১১ বি তিলজলা রোড, কলিকাতা 
    বিধানসভা আসন: কলিকাতার মহিলা সংরক্ষিত আসন

    ৬) ইলিয়াস আলি মোল্লা

    ঠিকানা: ১ নং, জগন্নাথ নগর, ডাকঘর – বাটানগর, ২৪ পরগণা 
    বিজয়ী আসন: ২৪ পরগণা (সাধারণ)

    ৭) এম এ এইচ ইস্পাহানি

    ঠিকানা: ৫ হ্যারিংটন স্ট্রিট, কলিকাতা 
    বিজয়ী আসন: মুসলিম শিল্প ও বাণিজ্য সংঘ

    ৮) জসীমউদ্দিন আহমেদ

    ঠিকানা: রামচন্দ্রপুর, ডাকঘর – শিরাকোল, ২৪ পরগণা 
    বিজয়ী আসন: ২৪ পরগণা (দক্ষিণ)

    ৯) মোহাম্মদ শরীফ খান

    ঠিকানা: ২৫৬ বেহস রোড, হাওড়া 
    বিজয়ী আসন: হুগলী তথা হাওড়া পুরসভা

    ১০) মোজাম্মেল হোসেন

    ঠিকানা: বাগেরহাট, খুলনা 
    বিজয়ী আসন: বাগেরহাট

    ১১) মোহাম্মদ ইদ্রিস 

    ঠিকানা: গ্রাম – বাউকুল, ডাকঘর – জগৎবল্লভ পুর, হাওড়া 
    বিজয়ী আসন: হাওড়া 

    ১২) মোহাম্মদ কমরুদ্দিন

    ঠিকানা: কাকিনাড়া, ২৪ পরগণা 
    বিজয়ী আসন: ব্যারাকপুর পুরসভা

    ১৩) মোহাম্মদ রফিক

    ঠিকানা: ১৯, জাকারিয়া স্ট্রিট, কলিকাতা 
    বিজয়ী আসন: কলিকাতা (উত্তর) 

    ১৪) সৈয়দ মোহাম্মদ সিদ্দিক

    ঠিকানা: গ্রাম ও ডাকঘর – রোল, বাঁকুড়া 
    বিজয়ী আসন: বাঁকুড়া

    ১৫) মুসারফ হুসেন 

    (নবাব খান বাহাদুর), জলপাইগুড়ি নগর 
    বিজয়ী আসন: জলপাইগুড়ি তথা দার্জিলিং 

    ১৬) কে  নুরুদ্দিন

    ঠিকানা: ২৪ চৌরঙ্গী রোড, কলিকাতা 
    বিজয়ী আসন: কলিকাতা দক্ষিণ

    ১৭) সিরাজুদ্দিন আহমেদ

    ঠিকানা: গ্রাম – কৃষ্ণপুর, ডাকঘর – সন্দ্বীপ, মেদিনীপুর 
    বিজয়ী আসন: মেদিনীপুর

    ১৮) এইচ এস সুরাবর্দী

    ঠিকানা: থিয়েটার রোড, কলিকাতা 
    বিজয়ী আসন: ২৪ পরগণা পৌরসভা অঞ্চল

    ১৯) এ এম এ জামান

    ঠিকানা: গ্রাম – ইলামদি, ডাকঘর – সুলতানসাদি, ঢাকা 
    বিজয়ী আসন: হুগলী তথা শ্রীরামপুরের নথিবদ্ধ কারখানাগুলি (শ্রমিক)

    ২০) মুদাসীর হুসেন 

    ঠিকানা: রামপুরহাট, বীরভূম 
    বিজয়ী আসন: বীরভূম 

    ২১) আব্দুল ওয়াহিদ সরকার 

    বিজয়ী আসন: হুগলী

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur blast: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে বিজেপির দাবি খারিজ হাইকোর্টে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট এনআইএ-র  

    Duttapukur blast: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে বিজেপির দাবি খারিজ হাইকোর্টে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট এনআইএ-র  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ড (Duttapukur blast) মামলায় এনআইএ এবং সিবিআই তদন্তের দাবিতে সোমবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজর্ষি লাহিড়ি। মঙ্গলবার বিজেপির সেই আর্জি খারিজ করে দিল আদালত। তদন্তভার রাজ্যের হাতেই রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, তদন্ত এখন প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তাই এ ধরনের মামলা অপ্রাসঙ্গিক। তবে মামলাকারী চাইলে যথাযথ ফোরামে গিয়ে আবেদন জানাতে পারেন।

    ঘটনাস্থলে এনআইএ

    রবিবার বিস্ফোরণের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন এনআইএর প্রতিনিধি দল। এদিন মামলার শুনানিতে এনআইএ আদালতকে জানায়, “আমাদের টিম ঘটনাস্থলে কাজ করছে। ‘এক্সপ্লোসিভ সাবসটেনস অ্যাক্ট’ প্রয়োগ করা হয়নি। তার বদলে ‘ফায়ার সেফটি অ্যাক্ট’ যুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এনআইএর আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, “এমন নয় যে, ঘটনাটি বহু দিন আগে ঘটেছে। তদন্ত শুরু হয়নি এমনটাও নয়। রাজ্যের তদন্ত (Duttapukur blast) শুরু হয়েছে। ফলে রাজ্যের বিষয়ে এখনই এনআইএ হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।” এর পরেই মামলা খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, “বিস্ফোরণ হয়েছে, মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু এটা এ রাজ্যে নতুন নয়। গোটা দেশেই বাজি কারখানায় এই ধরনের বেআইনি কাজ হয়।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে রিপোর্ট

    এদিকে, বিস্ফোরণকাণ্ডে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে রিপোর্ট পাঠাল এনআইএ। বিস্ফোরণস্থলে কী ধরনের বারুদ মিলেছে, বিস্ফোরণের তীব্রতা কতটা ছিল, এমন নানা বিষয়ে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে রিপোর্ট পাঠালেন এনআইএর তদন্তকারী আধিকারিকরা। সোমবার ঘটনাস্থলে গিয়ে একাধিক ছবি এবং ভিডিও-ও তুলেছিলেন তাঁরা। পাঠানো হয়েছে সেগুলিও।

    আরও পড়ুুন: উৎসবের মুখে মোদি সরকারের ‘উপহার’, ২০০ টাকা কমছে রান্নার গ্যাসের দাম

    রবিবার ছুটির দিনের সকালে আচমকাই কেঁপে ওঠে দত্তপুকুর (Duttapukur blast) এলাকা। বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের জেরে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়। যদিও স্থানীয়দের দাবি, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি। বিস্ফোরণের অভিঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় দেহ। ভেঙে পড়ে আশপাশের বেশ কয়েকটি পাকা বাড়িও। ঘটনায় এনআইএ এবং সিবিআই তদন্তের দাবি তোলে বিজেপি। দ্বারস্থ হয় আদালতের। বিস্ফোরণের খবর পেয়ে এলাকায় যান এনআইএর তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেই রিপোর্টই পাঠানো হয় দিল্লিতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share