Tag: Bengali news

Bengali news

  • ED: ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর সিইও ছিলেন অভিষেক! বিবৃতি জারি করে জানাল ইডি

    ED: ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর সিইও ছিলেন অভিষেক! বিবৃতি জারি করে জানাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই ইডির (ED) ফাঁসে জড়িয়ে পড়ছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! বুধবার এক প্রেস বিবৃতিতে ইডি জানিয়ে দেয়, তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার বা সিইও। ২০১২ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ওই সংস্থার ডিরেক্টর ছিলেন তিনি।

    ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’ তল্লাশি

    প্রসঙ্গত, সোমবার ভোর থেকে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার অফিসে তল্লাশি শুরু করেন ইডির গোয়েন্দারা। মঙ্গলবার এ নিয়ে অসন্তোষও প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতে অবশ্য আখেরে লাভ হয়নি তৃণমূলের। বরং এদিন বিবৃতি জারি করে ইডি (ED)। তাতে বলা হয়েছে, বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে গত ২১ ও ২২ অগাস্ট কলকাতায় তারা তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতির ঘটনায় সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই সূত্রেই এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়।

    প্রচুর নথি উদ্ধার

    তাতে বেশ কিছু নথি ও ডিজিট্যাল সাক্ষ্য প্রমাণ উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইডির দাবি, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন ‘মেসার্স লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর চিফ অপারেটিং অফিসার তথা সিওও। মূলত কোটি কোটি টাকার বেআইনি লেনদেনের জন্য ব্যবহার করা হত এই কোম্পানিকে। অভিষেকের পাশাপাশি সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রও এই সংস্থার ডিরেক্টর ছিলেন। ২০১২ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ওই কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র।

    এদিকে, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এ ইডির (ED) তল্লাশি নিয়ে প্রশ্ন করায় মেজাজ হারান সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’। তল্লাশিতে ইডির হাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এসেছে জানতে পেরেই বুকের ব্যথা বেড়েছে সুজয়ের। মঙ্গলবার শারীরিক পরীক্ষা করাতে এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তাঁকে। তখনই সাংবাদিকদের প্রশ্নে মেজাজ হারান কালীঘাটের কাকু। তিনি বলেন, “সরুন এখান থেকে, অসভ্য সব…।” পরে বলেন, “দু কোটি বার তল্লাশি করবে, তোর বাপের কী? গালাগালি দিয়ে ফের বলেন, “তোর বাপের কী?”

    আরও পড়ুুন: “২০৪৭ সালের মধ্যেই উন্নত দেশে পরিণত হবে ভারত”, ব্রিকসে প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর বিষ্ণুপুর জল কারখানা থেকে দু’ ব্যাগ নথি ও ডিজিটাল নথি বাজেয়াপ্ত করেছেন ইডির আধিকারিকরা। নিউ আলিপুরের অফিস থেকেও উদ্ধার হয়েছে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত প্রচুর নথি। 

    ফান্দে পড়িয়াই কি গালাগালি করছেন ‘কাকু’!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mizoram Bridge Collapse: রেলের সেতু ভেঙে মিজোরামে বড় বিপর্যয়, মৃত ১৭, আহত অন্তত ৪০

    Mizoram Bridge Collapse: রেলের সেতু ভেঙে মিজোরামে বড় বিপর্যয়, মৃত ১৭, আহত অন্তত ৪০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিজোরামে রেলের সেতু ভেঙে (Mizoram Bridge Collapse) মৃত ১৭ জন। ভাঙা সেতুর নিচে আটকে পড়েছেন অনেক মানুষ। মূলত মাটি ধসে যাওয়ার জন্য নির্মীয়মাণ রেলের সেতুটি ভেঙে পড়েছে বলে জানা গেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ট্যুইটারে দুর্ঘটনার কথা জানিয়ে মুখ্যসচিবকে খোঁজ নিতে বলেছেন। পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু পরিযায়ী শ্রমিক এই দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেখানকার প্রশাসন উদ্ধারকাজে তৎপর।

    কোথায় ঘটল বিপত্তি (Mizoram Bridge Collapse)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ১০ টায় রেলের সেতু (Mizoram Bridge Collapse) তৈরির কাজ চলছিল। সেই সময় মাটি ধসে যাওয়ার জন্য এই দুর্ঘটনা ঘটে। মিজোরামের রাজধানী আইজল থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাস্থল হল সাইরাং। এখানে কুরুং নদীর উপর একটি রেলের সেতু তৈরি হচ্ছিল। এলাকায় সেতু ভেঙে এখনও পর্যন্ত মারা গেছেন প্রায় ১৭ জন। সেই সঙ্গে ভাঙা সেতুর নিচে চাপা পড়ে রয়েছেন ৩৫ থেকে ৪০ জন মানুষ।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামাথাঙ্গা এই সেতু বিপর্যয়ের (Mizoram Bridge Collapse) ঘটনায় মৃতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করছেন। তিনি জানিয়েছেন, স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজে নেমে পড়ছে। আহতদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উদ্ধর করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। উদ্ধার করতে সরকারি আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছেন। মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্রে আরও জানা গেছে এই সেতুর উচ্চতা ছিল ১০৪ মিটার। এই সেতুপথেই মিজোরামকে দেশের রেলপথের সঙ্গে সংযুক্ত করার বিশেষ প্রকল্পে কাজ চলছিল।

    থাকতে পারেন মালদার শ্রমিকরা

    আইজলের এই সেতু ভেঙে দুর্ঘটনার (Mizoram Bridge Collapse) জেরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মালদা থেকে বেশ কিছু শ্রমিক সেখানে কাজ করতে গেছেন। তাঁদের অবস্থা জানার জন্য ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিজোরাম প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • GST: পণ্য কেনার সময় পাকা রসিদ নিন আর পেয়ে যান ১০ লক্ষ থেকে ১ কোটির পুরস্কার, কীভাবে?

    GST: পণ্য কেনার সময় পাকা রসিদ নিন আর পেয়ে যান ১০ লক্ষ থেকে ১ কোটির পুরস্কার, কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জিনিসপত্র কেনার পর বিল যত্ন করে না রাখার অভ্যাস আমাদের অনেকেরই আছে। যে সামগ্রীতে ওয়ার‍্যান্টি থাকে, সেই বিলগুলোই সাধারণভাবে আমরা এক বছর পর্যন্ত রেখে দিই। বাকি বিলগুলো ডাস্টবিনেই চলে যায়। কিন্তু আপনি কি জানেন, পণ্যসামগ্রী (GST) কেনার বিল যদি বাড়িতে আপনি রেখে দেন, তাহলে এবার জিততে পারবেন নগদ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ১ কোটি পর্যন্ত পুরস্কার (GST)। এই পুরস্কার দিতে চলেছে স্বয়ং কেন্দ্রীয় সরকার। জানা গিয়েছে, নরেন্দ্র মোদি সরকার উপভোক্তাদের জন্য এই পুরস্কার নিয়ে আসছে। ইতিমধ্যে একটি অ্যাপও চালু করতে চলেছে সরকার, যার নাম হবে ‘মেরা দিল মেরা অধিকার’ (GST)। এই অ্যাপটির মাধ্যমে গ্রাহকরা তাঁদের পণ্যের কেনাকাটার বিল আপলোড করে নগদ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ১ কোটি পর্যন্ত জিততে পারবেন। কিন্তু হঠাৎ পণ্যের বিল আপলোড করে কেন প্রাইজ জেতা যাবে (GST)?

    ১০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা জেতার সুযোগ

    বিশেষজ্ঞ মহল বলছে, জিএসটি’র (GST) ফাঁকি ঠেকাতেই কেন্দ্রীয় সরকার এই বিশেষ সুযোগ দিচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার জিএসটি বিল তৈরির প্রচার করছে। অর্থাৎ জিএসটি সহ পাকা বিল নিয়েই পণ্য কেনার উপর জোর দিচ্ছে সরকার। সাধারণভাবে দেখা যায় জিএসটি ছাড়াই এখনও পর্যন্ত স্থানীয় প্রচুর দোকানদার জিনিস বিক্রি করেন। এই প্রতিযোগিতায় প্রতি মাসে ৫০০টি লাকি ড্র করা হবে (GST)। ‘মেরা বিল মেরা অধিকার’ এই পোর্টালে বিল আপলোড করা যাবে। এর ফলে কর ফাঁকি কমবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। সম্প্রতি, সম্পন্ন হয় ৫০ তম বৈঠক জিএসটি কাউন্সিলের। সেখানে পাঁচ হাজার কোটি টাকারও বেশি কর ফাঁকির তথ্য তুলে ধরা হয়েছিল। এই কর ফাঁকি রুখতেই নরেন্দ্র মোদি সরকারের এই প্রয়াস বলে মনে করা হচ্ছে।

    কীভাবে আপলোড করা যাবে ওই বিল (GST)?

    ‘মেরা বিল মেরা অধিকার’ এই অ্যাপটি যে কোনও অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে ইন্সটল করতে হবে। ডাউনলোড করার পরে সেখানে তাঁদের পণ্যের বিল আপলোড করতে পারবেন গ্রাহকরা। বিল নম্বর, টাকার অঙ্ক, করের পরিমাণ এ সমস্ত কিছুই দিতে হবে। জানা গিয়েছে ‘মেরা বিল মেরা অধিকার’-এর অধীনে একজন গ্রাহক মাসে সর্বাধিক ২৫টি বিল ওই পোর্টালে আপলোড করতে পারবেন। সর্বনিম্ন ২০০ টাকার কেনাকাটা করলেই ওই বিল (GST) আপলোড করা যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Joe Biden: সেপ্টেম্বরেই ভারত সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, কেন জানেন?

    Joe Biden: সেপ্টেম্বরেই ভারত সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি যে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে মুগ্ধ, তা প্রকাশ পেয়েছে বিভিন্ন সময়। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় সফরে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তিনি। এহেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden) আসছেন ভারত সফরে, জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে। গত এক বছর ধরে এই সম্মেলনের আয়োজক দেশ ভারত। নভেম্বরেই শেষ হচ্ছে সেই মেয়াদ। তার আগে সেপ্টেম্বরেই হবে জি-২০ লিডার্স সামিট। এই সম্মেলনে যোগ দিতেই নয়াদিল্লিতে আসছেন বাইডেন।

    জি-২০ সম্মেলন

    এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন, ক্লিন এনার্জি ট্রানজিশন, বহুপাক্ষিক উন্নয়নমূলক ব্যাঙ্ক গঠন সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, জি-২০-র আয়োজক দেশের দায়িত্ব নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাইডেন (Joe Biden)। জি-২০ লিডার্স সামিটে যোগ দিতে ৭ সেপ্টেম্বর ভারতে আসছেন বাইডেন। থাকবেন ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মোদি জমানায় ভারত-মার্কিন সম্পর্ক যেভাবে মজবুত হয়েছে, তাতে বাইডেনের এই সফর যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলে ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ মহলের।

    নয়াদিল্লির নেতৃত্বের প্রশংসা

    জুন মাসে বাইডেনের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে আমেরিকা গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময়ই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে জি-২০ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।” ভারত ও আমেরিকার এক যৌথ বিবৃতিতে বাইডেনের তরফে জি-২০-তে নয়াদিল্লির নেতৃত্বের প্রশংসাও করা হয়। এহেন প্রেক্ষাপটে ভারত সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (Joe Biden)।

    দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত আমেরিকার অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অফ স্টেট লু-ও বাইডেনের ভারত সফরের কথা জানান। তিনি বলেন, “ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটা একটা বড় বছর হতে চলেছে। জি-২০ সম্মেলনের আয়োজক দেশ ভারত, আমেরিকা আয়োজন করছে এপিইসি, অন্যদিকে জাপান জি-৭। আমাদের অনেক কোয়াড (QUAD) সদস্যই রয়েছে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে। এর ফলে দেশগুলি সব এক জায়গায় আসবে।”

    আরও পড়ুুন: “২০৪৭ সালের মধ্যেই উন্নত দেশে পরিণত হবে ভারত”, ব্রিকসে প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান বলেন, “জি-২০ সামিটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাঙ্কের কাছে আর্থিক সাহায্য ও বেশ কিছু পরিবর্তনের আর্জি জানাবেন, যা জি-২০ ভুক্ত উন্নয়নশীল দেশগুলির চাহিদাকে আরও ভালভাবে পূরণ করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • PM Modi: “২০৪৭ সালের মধ্যেই উন্নত দেশে পরিণত হবে ভারত”, ব্রিকসে প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “২০৪৭ সালের মধ্যেই উন্নত দেশে পরিণত হবে ভারত”, ব্রিকসে প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “২০৪৭ সালের মধ্যেই উন্নত দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার শপথ নিয়েছে ভারত।” মঙ্গলবার ‘ব্রিকস’ সম্মলনের মঞ্চে কথাগুলি বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ভারত যে অচিরেই বিশ্বে উন্নয়নের  চালিকা শক্তি হয়ে উঠবে, এদিন প্রত্যয়ের সঙ্গে সেকথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তিনি। উন্নয়নের স্বপ্ন পূরণ করতে ভারত যেসব পদক্ষেপ করেছে, এদিন সেকথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    ব্রিকস সম্মেলন

    দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে শুরু হয়েছে ব্রিকস সম্মেলন। ২২ অগাস্ট শুরু হওয়া এই সম্মেলন চলবে চলতি মাসেরই ২৪ তারিখ পর্যন্ত। ব্রিকসের সদস্য দেশগুলি হল, ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। যদিও এবারের সম্মেলনে যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশও। এই সম্মেলনে যোগ দিতে মঙ্গলবারই দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী। সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্রিকস বিজনেস কাউন্সিলের দশম বর্ষপূর্তিতে অনেক অনেক অভিনন্দন।

    ব্রিকসের গুরুত্ব 

    গত দশ বছরে আমাদের মধ্যে আর্থিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে ব্রিকস বিজনেস কাউন্সিল। ২০০৯ সালে যখন প্রথম ব্রিকস সম্মেলন হয়েছিল, তখন বিশ্ব সবে মাত্র এক বিশাল আর্থিক সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসছিল। সেই সময় বিশ্ব অর্থনীতিতে আশার আলো হয়ে উঠেছিল ব্রিকস। বর্তমান সময়েও করোনা অতিমারি ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে উদ্বেগের মাঝেও বিশ্ব ই-অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের সঙ্গে লড়ছে। তাই এই সময়ও ব্রিকস সদস্য দেশগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বিশ্ব অর্থনীতির অস্থির সময়েও ভারত বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি। শীঘ্রই ভারত ৫ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হবে। বিশ্বের উন্নয়নের চালিকা শক্তি হয়ে উঠবে ভারত। এর কারণ হল, ভারত সঙ্কট ও প্রতিবন্ধকতাকে আর্থিক উন্নয়নের সুযোগে পরিণত করেছে। ভারতের মানুষ শপথ নিয়েছে, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করবে।”

    আরও পড়ুুন: আজ চাঁদের মাটি ছোঁবে ‘চন্দ্রযান ৩’, সাফল্য কামনায় দেশ-বিদেশে পুজো-যজ্ঞ-নমাজ পাঠ

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিগত কয়েক বছরে আমরা মিশন মোডে বিভিন্ন পরিবর্তন করেছি এবং এগুলি ভারতে বাণিজ্য ব্যবস্থাকে ক্রমাগত উন্নত করেছে। আমরা সম্মতির বোঝা কমিয়েছি এবং রেড টেপ সারিয়েছি। জিএসটির সূচনাও বিনিয়োগকারীদের বিশেষ আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। আমরা জনসেবা প্রদান ও সুশাসনকে গুরুত্ব দিয়েছি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতে আছে বিশ্বের তৃতীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম। ইউনিকর্ন রয়েছে শতাধিক। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ সফল করতে রয়েছে টেলিকম, এআই, ফিনটেক এবং আইটি সেক্টরের মতো ক্ষেত্র।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: আজ চাঁদের মাটি ছোঁবে ‘চন্দ্রযান ৩’, সাফল্য কামনায় দেশ-বিদেশে পুজো-যজ্ঞ-নমাজ পাঠ

    Chandrayaan 3: আজ চাঁদের মাটি ছোঁবে ‘চন্দ্রযান ৩’, সাফল্য কামনায় দেশ-বিদেশে পুজো-যজ্ঞ-নমাজ পাঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়েছে রাশিয়া। আজ, বুধবার সন্ধ্যায় চাঁদের মাটি ছোঁবে ভারতের ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। মিশন সফল হলে ইতিহাস রচনা করবে আর্যভট্টের দেশ। ‘চন্দ্রযান ৩’-এর সফল অবতরণের কামনায় দেশে-বিদেশে শুরু হয়েছে পুজো-পাঠ, হোম-যজ্ঞ, নমাজ পাঠ।

    বিশেষ পুজোপাঠ

    চন্দ্রযানের সফল অবতরণের কামনায় বিশেষ পুজো এবং যজ্ঞ হয়েছে বারাণসীর কামাখ্যা মন্দিরে। পুজো হয়েছে আগ্রার বিশেষ মন্দিরেও। মুম্বইয়ের চন্দ্রমৌলেশ্বর শিব মন্দিরে পুজো দিলেন শিবসেনার উদ্ধব গোষ্ঠীর নেতা আনন্দ দুবে। এখানেও আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ যজ্ঞের। এদিন বিশেষ পুজো হয়েছে দক্ষিণ ভারতের রামেশ্বর মন্দিরেও। রামেশ্বরম অগ্নি তীর্থে আয়োজন করা হয় বিশেষ যজ্ঞের। বিশেষ ভস্মারতি অনুষ্ঠিত হয় উজ্জ্বয়িনীর মহাকালেশ্বর মন্দিরে।

    এনসিপি (Chandrayaan 3) কর্মী-সমর্থকরা পুজো দিয়েছেন শ্রী গণেশ মন্দিরে। বিশেষ প্রার্থনা সভায় যোগ দিতে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়েছে ছতরপুরের বাগেশ্বর ধামে। কেবল দেশেই নয়, পুজোআচ্চা হয়েছে বিদেশেও। আমেরিকার নিউ জার্সিতে শ্রী সাই বালাজি মন্দিরে হয়েছে বিশেষ পুজো। বিশেষ যজ্ঞ হয়েছে ভার্জিনিয়ার মন্দিরেও।

    নমাজ পাঠ

    পুজোর পাশাপাশি ‘চন্দ্রযান ৩’-এর সাফল্য কামনায় হয়েছে বিশেষ নমাজ পাঠও। উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন মসজিদে নমাজ পাঠ করেন মুসলমানেরা। ভারতের ‘চাঁদমারি’ যাতে সফল হয়, তাই লখনউয়ের ইসলামিক সেন্টার অফ ইন্ডিয়ায়ও হয়েছে বিশেষ নমাজ পাঠ। রাজস্থানের আজমেঢ় শরিফেও হয়েছে বিশেষ প্রার্থনা। লখনউয়ের হজরত শাহ মীনা শাহ দরগায় বিশেষ প্রার্থনা করেন বিজেপি নেতা মহসিন রাজা।

    এদিকে, ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) অবতরণের সাক্ষী হতে দেশজুড়ে আয়োজন করা হয়েছে নানা অনুষ্ঠানের। উত্তরপ্রদেশ সরকার সমস্ত স্কুলকে এই ঘটনার বিশেষ স্ক্রিনিং করার নির্দেশ দিয়েছে। যোগী সরকার জানিয়েছে, ভারতের চন্দ্রযান-৩ অবতরণ একটি স্মরণীয় সুযোগ, যা কেবল কৌতূহলকে উসকে দেবে তাই নয়, তরুণদের মধ্যেও প্রশ্ন করার উৎসাহ জাগিয়ে তুলবে।  

    এদিন সায়েন্স পার্টির আয়োজন করেছে বাংলার সংস্কৃতি মন্ত্রক। লাইভ টেলিকাস্টের মাধ্যমে চন্দ্রযান অবতরণের ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে কলকাতায়।

    গুজরাটে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কাউন্সিল দু হাজারেরও বেশি স্কুল পড়ুয়াকে বড় পর্দায় এই ঐতিহাসিক (Chandrayaan 3) মুহূর্তটি দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ইসরোর বিজ্ঞানীদের নিয়ে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কাউন্সিল। অনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখানো হবে গুজরাটের ৩৩টি জেলা কমিউনিটি সায়েন্স সেন্টারে।

    আরও পড়ুুন: জোহানেসবার্গে বসেই ‘চন্দ্রযান ৩’-এর ঐতিহাসিক ল্যান্ডিং দেখবেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Chandrayaan 3: জোহানেসবার্গে বসেই ‘চন্দ্রযান ৩’-এর ঐতিহাসিক ল্যান্ডিং দেখবেন প্রধানমন্ত্রী

    Chandrayaan 3: জোহানেসবার্গে বসেই ‘চন্দ্রযান ৩’-এর ঐতিহাসিক ল্যান্ডিং দেখবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। চন্দ্রপৃষ্ঠ স্পর্শ করতে চলেছে ভারতের ‘চন্দ্রযান ৩’। দেশের মহাকাশ গবেষণার এই মাহেন্দ্রক্ষণে ইসরোর সদর দফতরে বসে বিজ্ঞানীদের উৎসাহ দান করতে পারছেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে, সরকারি সূত্রে খবর, ব্রিকস’ (BRICS SUMMIT 2023) শীর্ষবৈঠক উপলক্ষ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকতে হলেও ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3 Mission) সফট ল্যান্ডিংয়ের সময় ‘ভার্চুয়ালি’ উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী।

    মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় প্রধানমন্ত্রীও

    সূত্রের খবর, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ‘চন্দ্রযান ৩’-এর ল্যান্ডিং উপভোগ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই মুহূর্তে তিনি ১৫তম ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়েছেন। মঙ্গলবারই তিনি পৌঁছেছেন জোহানেসবার্গে। জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধের আগেই ইসরোর (ISRO) সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কানেক্ট করবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সঙ্গে তিনিও এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকবেন। প্রসঙ্গত, ‘চন্দ্রযান ৩’ উৎক্ষেপণের দিনও ভারতে ছিলেন না তিনি। থাকবেন না অবতরণেও। উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই যখন শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় চন্দ্রযানের তখন বাস্তিল দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ফ্রান্স সফরে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু, তাঁর তরফে রকেট উৎক্ষেপণের প্রাক্কালে এসেছিল বড় বার্তা।

    আরও পড়ুন: ঢাক-ঢোল বাজিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রধানমন্ত্রী বরণ, উঠল ‘হর হর মোদি’ ধ্বনি

    প্রধানমন্ত্রীর মন পড়ে রয়েছে চাঁদে

    এবারও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগদান করতে জোহানেসবার্গে থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর মন পড়ে রয়েছে চাঁদে। প্রতি মুহূর্তে ইসরোর প্রস্তুতি এবং ‘চন্দ্রযান ৩’-এর অবস্থানের আপডেট নিচ্ছেন মোদি। আর তাই শত ব্যস্ততার মধ্যেও বুধবার সন্ধে ঠিক ৬টা বেজে ৪ মিনিটে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ইসরোর বিজ্ঞানীদের পাশে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বরেও ‘চন্দ্রযান ২’-এর ‘টাচডাউন’ দেখবেন বলে বেঙ্গালুরু উড়ে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। কিন্তু বেশ কিছুক্ষণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর জানা যায়, ‘চন্দ্রযান ২’-এর ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ চন্দ্রপৃষ্ঠে আছড়ে পড়েছে। তৎকালীন ইসরো ডিরেক্টর কে শিবনকে দেখা গিয়েছিল চোখের জল ফেলতে। তাঁকে বুকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুধু আশ্বাস নয়, ৩০ মিনিট ইসরোর বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে বার্তাও দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘আমাদের চাঁদকে ছোঁয়ার ইচ্ছা আজ থেকে আরও শক্তিশালী হয়ে গেল। সেরা সময় এবার আসবে।’ আজ, বুধবার গোধূলি বেলায় সেই সময় আসতে চলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ২০১৪-র টেট প্রার্থীদের বাড়তি ৬ নম্বর, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ই বহাল ডিভিশন বেঞ্চে

    Calcutta High Court: ২০১৪-র টেট প্রার্থীদের বাড়তি ৬ নম্বর, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ই বহাল ডিভিশন বেঞ্চে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুল প্রশ্ন মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশই বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) ডিভিশন বেঞ্চ। ২০১৪ সালের সব টেট প্রার্থীকেই ৬ নম্বর করে দেওয়া হবে। আজ, মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, সিঙ্গল বেঞ্চ ২০১৪ সালের সব টেট প্রার্থীকে ৬ নম্বর দেওয়ার যে নির্দেশ দিয়েছিল, তাতে কোনও ভুল নেই। একই সঙ্গে এই মামলা ফের সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠাল ডিভিশন বেঞ্চ। সেখানে বোর্ড তার হলফনামা জমা দিতে পারবে বলে নির্দেশ ডিভিশন বেঞ্চের।

    টেটের প্রশ্নপত্রে ৬টি প্রশ্ন ভুল

    ২০১৪ সালের টেটের প্রশ্নপত্রে ৬টি প্রশ্ন ভুল রয়েছে এই অভিযোগ তুলে ২০১৮ সালে মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। প্রশ্ন যাচাই করতে তৎকালীন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় প্রশ্ন যাচাই করতে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের দিয়ে একটি কমিটি গঠন করেন। সেই কমিটিও জানায়, ৬টি প্রশ্ন ভুল রয়েছে। এর পরেই বিচারপতি চট্টোপাধ্যায় যাঁরা কেবল ওই ভুল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে নেগেটিভ মার্কিংয়ের শিকার হয়েছেন, তাঁদের নম্বর দেওয়ার নির্দেশ দেন।

    মামলা ডিভিশন বেঞ্চে

    সিঙ্গল (Calcutta High Court) বেঞ্চের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয় ডিভিশন বেঞ্চে। সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, কেবল মামলাকারীরা নন, ২০১৪ সালে যাঁরা টেট দিয়েছিলেন, তাঁদের সকলকেই ৬ নম্বর দিতে হবে। এই ধরনের অন্য একাধিক মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও নির্দেশ দিয়েছিলেন, ২০১৪ সালে যাঁরা টেট দিয়েছিলেন, তাঁদের সকলকে ৬ নম্বর দিতে হবে। তিনি এই নির্দেশও দেন, এই ৬ নম্বর পাওয়ায় যাঁরা টেট উত্তীর্ণ হয়েছেন, চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এবার অংশ নিতে পারবেন তাঁরাও। তিন মাসের মধ্যে ৬ নম্বর দিয়ে চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুযোগ দিতে হবে তাঁদের। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। তার প্রেক্ষিতেই এদিন রায় দেয় ডিভিশন বেঞ্চ।

    আরও পড়ুুন: “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সৌরভই কিংপিন”, আদালতে দাবি পুলিশের

    এবার নতুন করে মেধাতালিকা, প্যানেল ও নিয়োগ কোনপথে হবে, তা নিয়েই সিঙ্গল বেঞ্চে হলফনামা জমা দেবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। প্রসঙ্গত, হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে, ইতিমধ্যেই ভুল প্রশ্নে নম্বর পেয়ে চাকরি পেয়েছেন ২৬৯ জন। এর বিরুদ্ধে ফের মামলা করেন চাকরিপ্রার্থী মৌমি চক্রবর্তী সহ ১৬৮ জন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সৌরভই কিংপিন”, আদালতে দাবি পুলিশের

    Jadavpur University: “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সৌরভই কিংপিন”, আদালতে দাবি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কাণ্ডে কিংপিন সৌরভ চৌধুরীই। আজ, মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে এমনই দাবি করলেন সরকার পক্ষের আইনজীবী। প্রামাণ হিসেবে অন্য এক পড়ুয়াকে পাঠানো বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) প্রাক্তনী সৌরভের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের উল্লেখ করেন তিনি। সরকার পক্ষের আইনজীবীর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথমবর্ষের ওই ছাত্রকে আসলে খুন করা হয়েছে। ঘটনাটিকে তিনি বিরলের মধ্যে বিরলতম বলেও উল্লেখ করেন। এদিন সৌরভকে ২৫ অগাস্ট এবং মনোতোষ ঘোষ ও দীপশেখর দত্তকে ২৬ অগাস্ট পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।

    সৌরভের ওপরই সন্দেহ ছিল

    ঘটনার পরে পরেই সৌরভের ওপরই সন্দেহ বাড়তে থাকে তদন্তকারী আধিকারিকদের। সৌরভকে জেরা করে প্রয়োজনীয় তথ্য মিলতে পারে বলেও মনে করেছিলেন তদন্তকারীদের একাংশ। তাই গ্রেফতারের আগে একবার এবং পরেও একবার তাঁকে জেরা করেছিলেন খোদ কলকাতার (Jadavpur University) পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। এদিন আদালতে পুলিশ সাফ জানিয়ে দেয়, সৌরভই মাথা। সৌরভকে বাঁচাতে রাতারাতি কীভাবে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ক্রিয়েট করা হয়েছিল, আদালতে এদিন তাও জানিয়েছে পুলিশ।

    সরকার পক্ষের আইনজীবীর দাবি

    সরকার পক্ষের আইনজীবী বলেন, এঁদের চ্যাট থেকেই স্পষ্ট, নিজেদের মধ্যে ষড়যন্ত্র কোন পর্যায়ে পৌঁছেছিল। এটা খুন। ছাত্রের বাবাও অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর ছেলেকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে। কীভাবে ব়্যাগিং হয়েছে, তার বিস্তারিত আদালতে জমা করা হয়েছে। তিনি বলেন, কী হয়েছিল, কারা ছিল, সব জানতে হবে। আরও কতজনকে এভাবে অত্যাচার করা হয়েছে, তার বয়ান নেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষায় দারুণ ফল করলেই খুন করার অধিকার আইন দেয়নি। তিনি বলেন, মনোতোষের ডায়েরি থেকে অত্যাচারের তথ্য উঠে এসেছে। এঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা দরকার।

    আরও পড়ুুন: “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে রাতে মাদক পাচার হতো”, বিধানসভায় তোপ শুভেন্দুর

    ২৪ ঘণ্টার নয়া হেল্পলাইন নম্বর চালু রাজ্যের

    এদিকে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কাণ্ডের (Jadavpur University) পর সম্বিত ফিরল মুখ্যমন্ত্রীর। ব়্যাগিং রুখতে ২৪ ঘণ্টার নয়া হেল্পলাইন নম্বর চালু করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানেই ওই ফোন নম্বরের উল্লেখ করেন তিনি। নম্বরটি হল, ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। পুলিশ জানিয়েছে, কোনও পড়ুয়া ব়্যাগিংয়ের শিকার হলে ওই নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। তাঁর নাম-পরিচয় গোপন রাখা হবে। অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত নেওয়া হবে ব্যবস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Basirhat: টাকি পুরসভার পাঁচজন কাউন্সিলার একসঙ্গে পদত্যাগ করলেন, কেন জানেন?

    Basirhat: টাকি পুরসভার পাঁচজন কাউন্সিলার একসঙ্গে পদত্যাগ করলেন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের (Basirhat) টাকি পুরসভায় পাঁচজন কাউন্সিলার পদত্যাগ করলেন। মূলত, পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলে মঙ্গলবার পদত্যাগ করেন তৃণমূলের ওই কাউন্সিলররা। বিধানসভায় গিয়ে তাঁরা মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ? (Basirhat)  

    বসিরহাটের টাকি পুরসভায় মোট ১৬ টি আসন রয়েছে। যাঁর মধ্যে ১৪ টি আসন তৃণমূলের দখলে ছিল। ২টি আসন পেয়ে বিরোধী আসনে রয়েছে বিজেপি। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের নাম ফারুক গাজি। তাঁর বিরুদ্ধে কাউন্সিলারদের মারধর করা এবং ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, টাকি পুরসভা এলাকায় ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক গাজি কাজ করতে বাধা সৃষ্টি করেন। এর প্রতিবাদ করলে ভয় দেখানো, এমনকী আমাদের মারধর করা হয়েছে। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক গাজির বিরুদ্ধে সরব হয়েই পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান তাঁরা। জানা গিয়েছে, এদিন রাজ্য বিধানসভায় গিয়ে জেলার মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কাছে পদত্যাগ পত্র পেশ করেন পাঁচজন কাউন্সিলর। পাশাপাশি, বসিরহাটের (Basirhat) মহকুমা শাসকের কাছেও তাঁরা পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এমত অবস্থায় টাকি পুরসভায় অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। কাউন্সিলররা সেচমন্ত্রী তথা উত্তর ২৪ পরগনার ভারপ্রাপ্ত নেতা পার্থ ভৌমিকের সঙ্গে দেখা করেন। এসব অভিযোগ নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যানের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    কী বললেন পদত্যাগী কাউন্সিলার?

    এদিন পাঁচ কাউন্সিলারের তরফে প্রদ্যুৎ দাস বলেন, ওই ভাইস চেয়ারম্যানের জন্য আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা  নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দিতে পারছি না। ফারুক গাজি আপাদমস্তক দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। এর আগে আমরা জেলা নেতৃত্বের কাজে বারবার অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু, কারও কাছ থেকে সুরাহা পাইনি। এমনকী ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা কাউন্সিলারদের গায়েও হাত তোলেন। সে ব্যাপারেও জেলার নেতাদের জানানো হয়েছে। দেওয়ালে পিঠ থেকে গিয়েছে বলে আমরা এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম। এদিন পাঁচজন একসঙ্গে পদত্যাগ করায় তৃণমূলের কাউন্সিলর সংখ্যা বর্তমানে ৯ জন হল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share