Tag: Bengali news

Bengali news

  • Medinipur: ঘুরতে গিয়ে আক্রান্ত চিকিৎসক, অপহৃত বান্ধবী! শুনুন হাড়হিম করা ঘটনা

    Medinipur: ঘুরতে গিয়ে আক্রান্ত চিকিৎসক, অপহৃত বান্ধবী! শুনুন হাড়হিম করা ঘটনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসক বন্ধুর সঙ্গে ঘুরতে এসে অপহৃত তরুণী। চিকিৎসককে বেধড়ক মারধর করে, নার্সিং পড়ুয়া ওই চিকিৎসকের বান্ধবীকে তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসক ভর্তি মেদিনীপুর (Medinipur) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। প্রায় ছয় ঘণ্টার চিরুনি তল্লাশির পর গ্রামবাসীদের তৎপরতায় উদ্ধার হয় তরুণী। হাড়হিম করা ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা।

    কোথায় ঘটনা ঘটল (Medinipur)?

    শুক্রবার বিকেলে মেদিনীপুর (Medinipur) হোমিওপ্যাথি মেডিক্যাল কলেজের এক হাউস স্টাফ চিকিৎসক তাঁর বান্ধবী নার্সিং পড়ুয়াকে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিল মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন ফুলপাহাড়ী ড্যামে। সন্ধ্যার মুখে হঠাৎই মোটরবাইকে করে মুখে গামছা বেঁধে দুই ব্যক্তি হাজির হয় সামনে। প্রথমে চিকিৎসকের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয় মোবাইল এবং পকেটে থাকা টাকা। এরপর বেধড়ক প্রহার করা হয় তাঁকে। রক্তাক্ত অবস্থায় সাহায্যের জন্য যখন চিকিৎসক চিৎকার শুরু করে, আর ঠিক তখনই তরুণীকে নিয়ে চম্পট দেয় ওই দুই দুষ্কৃতীরা। এরপর গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে খবর দেয় গুড়গুড়িপাল থানায়। রক্তাক্ত অবস্থায় চিকিৎসককে উদ্ধার করে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেই বর্তমানে চিকিৎসাধীন ওঁই চিকিৎসক।

    পুলিশের ভূমিকা

    ঘটনার কথা জানিয়ে পুলিশকে খবর দিলে, ঘটনাস্থলের চারপাশে কার্যত চিরুনি তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে (Medinipur) পৌঁছায় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সহ একাধিক ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিক। মেদিনীপুর পুলিশ লাইন থেকে নিয়ে আসা হয় বিশাল বাহিনী। আশেপাশের প্রতিটা গ্রামে তন্নতন্ন করে খোঁজা হয় তরুণীকে। প্রায় ছয় ঘণ্টা তল্লাশির পর রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ স্থানীয়দের তৎপরতায় জঙ্গল লাগোয়া একটি মাঠ থেকে উদ্ধার করা হয় তরুণীকে। মানসিকভাবে ভেঙে পড়লেও শারীরিকভাবে সুস্থ অবস্থাতেই উদ্ধার করা হয় তরুণীকে। প্রাথমিক অনুমান, ধর্ষণ করে তরুণীকে ফেলে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। জেলা পুলিশের ডিএসপি ওয়াই কাদেরির দাবি, কিভাবে ঘটলো এমন ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে নেমে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হবে।

    এলাকাবাসীর বক্তব্য

    ঘটনার পর এলাকাবাসীদের দাবি, রাত বাড়লেই ফুলপাহাড়ী (Medinipur) ড্যামে বাড়ছে দুষ্কৃতীদের আনাগোনা। বাড়ছে অসামাজিক কাজ। অবিলম্বে ওই এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানোর দাবি তোলা হয়েছে এলাকাবাসীর তরফে। যদিও ঘটনার সঙ্গে জড়িত কোনও ব্যক্তিকে এখনও পর্যন্ত আটক কিংবা গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। মেদিনীপুর শহর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটারের দূরত্বে এমন ঘটনা কিভাবে ঘটলো? তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। হাড়হিম করা এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়েছে মেদিনীপুর শহরজুড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi (Amendment) Bill: ‘দিল্লি অধ্যাদেশ বিল’ পরিণত হল আইনে, সই করলেন রাষ্ট্রপতি

    Delhi (Amendment) Bill: ‘দিল্লি অধ্যাদেশ বিল’ পরিণত হল আইনে, সই করলেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বাদল অধিবেশনেই সংসদের দুই কক্ষে পাস হয়েছিল দিল্লি অধ্য়াদেশ বিল। এবার রাষ্ট্রপতির দ্রৌপদী মুর্মু সই করলেন ‘জাতীয় রাজধানী অঞ্চল দিল্লি (সংশোধনী) বিল ২০২৩’-এ (Delhi Amendment Bill)। রাষ্ট্রপতি এই বিলে সই করতেই তা আইনে পরিণত হল। এর ফলে দিল্লির আমলা নিয়োগ এবং বদলি সংক্রান্ত সব কিছু  সিদ্ধান্তই এবার নিতে পারবে কেন্দ্র। প্রসঙ্গত, দিল্লি বিলের (Delhi Amendment Bill) পাশাপাশি লোকসভা এবং রাজ্যসভায় পাস হওয়া ‘ব্যক্তিগত ডিজিটাল ডেটা সুরক্ষা বিল’,  ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংশোধন বিল’, ‘জনবিশ্বাস বিল’ এই বিলগুলোতেও সই করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

    সুপ্রিম নির্দেশ

    প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাসে সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল যে দিল্লি অর্ডিন্যান্সের সংবিধানিক বৈধতা খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি যাচাই করা হবে সংসদের অধিকারের সীমাও।  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিমধ্যে জানিয়েছেন দিল্লিতে সুষ্ঠু পরিষেবার স্বার্থে এই আইনের প্রয়োজন। প্রসঙ্গত, দিল্লির সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ক্ষমতা এর ফলে কেন্দ্রের হাতেই থাকল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এতদিন দিল্লির পুলিশ-প্রশাসন কেন্দ্র সরকারের হাতে ছিল। কেননা দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চল (Delhi Amendment Bill)। কিন্তু দিল্লি বিল আইনে পরিণত হতেই অনেকটাই ক্ষমতা খর্ব হল আম আদমি পার্টি সরকারের, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: ‘অমৃত বাটিকা’য় থাকবে নেতাজির পৈত্রিক ভিটের মাটিও, কেন জানেন?

    বিলের ইতিবৃত্ত   

    গত ১ অগাস্ট লোকসভায় ‘জাতীয় রাজধানী অঞ্চল দিল্লি (সংশোধনী) বিল ২০২৩’ পেশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ধ্বনিভোটের মাধ্যমে এই বিল পাস হয় লোকসভায়। পরবর্তীকালে চলতি মাসের ৭ তারিখের রাজ্যসভাতেও আনা হয় দিল্লি অধ্যাদেশ বিল (Delhi Amendment Bill)। এখানেও বিলের পক্ষে ভোট পড়ে ১৩১টি এবং বিপক্ষে ভোট দেন ১০২ জন সাংসদ। দুই কক্ষে পাশ হয়ে যাওয়ার পর অপেক্ষা ছিল কেবল রাষ্ট্রপতি সইয়ের। এবার সেটাও হয়ে গেল। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Himachal Pradesh Accident: হিমাচলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, রাস্তা ধসে গাড়ি পড়ল নদী-খাদে, ৬ পুলিশকর্মী সহ মৃত ৭

    Himachal Pradesh Accident: হিমাচলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, রাস্তা ধসে গাড়ি পড়ল নদী-খাদে, ৬ পুলিশকর্মী সহ মৃত ৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশে ফের এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৭ জনের প্রাণ গেল। মৃতদের মধ্যে ৬ জন পুলিশকর্মী। আরেকটি দুর্ঘটনায় তিন জন আহত হয়েছেন।

    কোথায় ঘটল দুর্ঘটনা ঘটনা?

    ব্যাপক বৃষ্টির জেরে হিমাচলে এখন প্রায়ই ধস নামছে। ভেঙে যাচ্ছে রাস্তা। স্তব্ধ হচ্ছে যানবাহন। তাতে একের পর এক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে চলেছে।  যেমনটা ঘটল শুক্রবার (Himachal Pradesh Accident)। জানা গিয়েছে, চাম্বা জেলায় তিসা থেকে বৈরা যাওয়ার পথে তারওয়াইয়ের নিকটে একটি বোলেরো গাড়ি ১০০ মিটার খাদের নিচে শিউল নদীতে পড়ে যায়। গাড়িতে মোট যাত্রী ছিলেন ১১ জন। খাদে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই মারা গেছেন গাড়ির চালক। সেই সঙ্গে মৃত্যু হয়েছে আরও গাড়িতে থাকা ৬ জন পুলিশ কর্মীর। এই ছয়জন পুলিশ কর্মীরা হলেন— রাকেশ গোরা, প্রবীণ টন্ডন, কমলজিৎ, সচীন, অভিষেক এবং লক্ষ কুমার। প্রত্যেকেই আইআরবিপি চাম্বা বর্ডারে কর্মরত ছিলেন। এই পথ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। তাঁদের উদ্ধার করতে ঘটনা স্থলে পৌঁছে গেছে প্রশাসনের উদ্ধার বাহিনী।

    ঘটনা স্থলে পৌঁছায় প্রশাসন

    দুর্ঘটনার (Himachal Pradesh Accident) খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে যান প্রশাসনের কর্মকর্তারা। দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় নিকটবর্তী হাসপাতালে পাঠানো হয়। মৃতদেহগুলোকে দ্রুত উদ্ধার করার কাজ শুরু করা হয়। প্রশাসনের তরফ থেকে পুলিশকে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ জানার জন্য বিশেষ তদন্ত করতে বলা হয়েছে। খাদে পড়ে যাওয়া গড়িটিকে উদ্ধার কারার জন্য তোড়জোড় শুরু করেছে প্রশাসন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে পৌঁছেছেন চুরাহ বিধানসভার বিধায়ক হংসরাজ। দুর্ঘটনা স্থলে পৌঁছে আহত এবং মৃত ব্যক্তিদের খোঁজ খবর নেন। সেই সঙ্গে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা হবে বলে জানিয়েছেন। তিনি সেই সঙ্গে বলেন, অধিক বৃষ্টিপাতের কারণে জায়গায় জায়গায় ধস নামছে এবং বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে রাস্তা।  

    ৩০ ফুট নিচে যাত্রীবাহী বাস

    অপর দিকে অত্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে শনিবার সকালে সলান জেলায় (Himachal Pradesh Accident) শিমলা-কালাক সড়ক ধসের কারণে যাত্রীবাহী বাস ৩০ ফুট বাস নিচে গিয়ে পড়েছে। ১৪ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। রাজ্যের রাজস্ব মন্ত্রী জগৎ সিংহ নেগি জানিয়েছেন, ধসের জন্য এই রাজ্যে প্রায় ২০০ রাস্তা বন্ধ হয়ে পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Stealth Missile Frigate: আগামী সপ্তাহে নৌসেনার স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ফ্রিগেটের উদ্বোধন কলকাতায়

    Stealth Missile Frigate: আগামী সপ্তাহে নৌসেনার স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ফ্রিগেটের উদ্বোধন কলকাতায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীঘ্রই ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) মুকুটে নতুন পালক যুক্ত হতে চলেছে। আগামী ১৭ তারিখ, কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স ডকইয়ার্ডে উদ্বোধন হতে চলেছে নতুন যুদ্ধজাহাজের। স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট (Stealth Missile Frigate) গোত্রের এই যুদ্ধজাহাজের নাম হতে চলেছে ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri)। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, যদি সব ঠিকঠাক থাকে তাহলে জাহাজের উদ্বোধন উপলক্ষে কলকাতায় আসতে পারেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রধান অতিথি হিসেবে তাঁর ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসের পরই একদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু?

    নৌসেনার ‘প্রজেক্ট-১৭ আলফা’

    নৌসেনার (Indian Navy) ‘প্রজেক্ট-১৭ আলফা’ বা সংক্ষেপে ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের আওতায় নিলগিরি-শ্রেণির (এই প্রজেক্টের প্রথম জাহাজ ‘আইএনএস নিলগিরি’-র নামে শ্রেণিভুক্ত) ৭টি স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে ৪টে নির্মিত হয়েছে মুম্বইয়ের মাজগাঁও ডকইয়ার্ডে। বাকি তিনটির নির্মাণ হয়েছে কলকাতায় গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই)-র তত্ত্বাবধানে। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) হলো এখানে তৈরি হওয়া তৃতীয় তথা শেষ জাহাজ। এর আগে, এখান থেকেই উদ্বোধন হয়েছে যথাক্রমে ‘আইএনএস হিমগিরি’ ও ‘আইএনএস দুনাগিরি’। এই দুটিই এখন সমুদ্র-ট্রায়ালে রয়েছে। সম্ভবত, চলতি মাসেই নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ‘আইএনএস হিমগিরি’।

    বেড়েছে সংস্থার আয়-মুনাফা

    ভারতীয় নৌসেনার জন্য বহু এবং বিভিন্ন ধরনের রণতরী ও বোট তৈরি করেছে জিআরএসই। সেই তালিকায় রয়েছে ফ্রিগেট, অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার করভেট, মিসাইল করভেট, ল্যান্ডিং শিপ ট্যাঙ্ক, ল্যান্ডিং ক্রাফট ইউটিলিটি, সার্ভে ভেসেল, ফ্লিট ট্যাঙ্কার, ফাস্ট প্যাট্রল ভেসেল, অফশোর/ইনশোর প্যাট্রল ভেসেল, ওয়াটার-জেট ফাস্ট অ্যাটাক ক্রাফ্ট এবং ফাস্ট ইন্টারসেপ্টর বোট। শুধু তাই নয়, এখানে তৈরি হওয়া যুদ্ধজাহাজ বিদেশেও পাড়ি দিয়েছে। মরিশাস ও সেশেলসের উপকূলরক্ষী বাহিনীর জন্য জাহাজ তৈরি করেছে জিআরএসই। সম্প্রতি, সংস্থার ত্রৈমাসিক আয়ের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে মোট আয় হয়েছে ৮২৭ কোটি টাকা। যা গত অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকের চেয়ে ২০৬ কোটি বা ৩৩ শতাংশ বেশি। এই সদ্য সমাপ্ত হওয়া ত্রৈমাসিকে সংস্থার মোট লাভের পরিমাণ ১০২ কোটি টাকা। গত এক বছরে সংস্থার শেয়ার দর বেড়েছে ৫৩ শতাংশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JU Student Death: স্বপ্নদীপের মৃত্যুতে গ্রেফতার এক প্রাক্তনী, র‌্যাগিং রুখতে কমিটি গড়বেন রাজ্যপাল

    JU Student Death: স্বপ্নদীপের মৃত্যুতে গ্রেফতার এক প্রাক্তনী, র‌্যাগিং রুখতে কমিটি গড়বেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বর্ষের ছাত্র স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর মৃত্যু রহস্যে (JU Student Death) প্রথম গ্রেফতারি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সৌরভ চৌধুরীকে এদিন গ্রেফতার করে যাদবপুর থানার পুলিশ। প্রসঙ্গত, সৌরভের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন স্বপ্নদীপের বাবা রামপ্রসাদ কুণ্ডু। বুধবার রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলের এ-২ ব্লকের নিচে বাংলা বিভাগের ছাত্র প্রথম বর্ষের স্বপ্নদীপকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে বৃহস্পতিবার ভোরে তাঁর মৃত্যু (JU Student Death) হয়। 

    স্বপ্নদীপের পরিবারের অভিযোগ

    পরিবারের অভিযোগ, র‌্যাগিংয়ের দ্বারা চরম নির্যাতন করা হয় স্বপ্নদীপকে। গ্রেফতার হওয়া সৌরভ চৌধুরীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্বপ্নদীপের বাবা। তা থেকে জানা গিয়েছে যে সৌরভই ছিল মেস কমিটির একজন এবং তাঁর ছেলে প্রথমে হস্টেলে থাকার সুযোগ পায়নি। সৌরভই তাঁকে হস্টেলে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়।  প্রথমে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং শুক্রবার রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল নিজেও সৌরভ চৌধুরীকে জেরা করেন বলে জানা গিয়েছে। সৌরভের সঙ্গে স্বপ্নদীপের (JU Student Death) বাবার আলাপ হয় গত ৩ অগাস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে একটি চায়ের দোকানে। জানা গিয়েছে, বিজ্ঞান বিভাগে এমএসসি পাস করেছে সৌরভ ২০২২ সালে। এবং তার বাড়ি চন্দ্রকোণায়।স্বপ্নদীপ (JU Student Death) হস্টেলের ৬৮ নম্বর রুমে থাকতো। তার রুমমেট ছিল কল্লোল ঘোষ। এছাড়াও যাদবপুরে মেইন হস্টেলে মনোতোষ নামে এক ছাত্রের সঙ্গে স্বপ্নদীপকে আলাপ করিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।

    র‌্যাগিং বিরোধী কমিটি গঠনে উদ্যোগী রাজ্যপাল

    অন্যদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-মৃত্যুর (JU Student Death) ঘটনায় এবার র‌্যাগিং বিরোধী কমিটি গঠনে উদ্যোগে হলেন রাজ্যপাল তথা আচার্য সিভি আনন্দ বোস। শুক্রবারই বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন অধ্যাপককে তিনি ডেকে পাঠিয়েছিলেন বলে রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে। এবং সেখানে রাজ্যপাল জানিয়েছেন শুধু যাদবপুর নয় রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যান্টি রাগিং কমিটি তৈরি করা হবে। এবং ওই কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন কর্নাটক হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায়। বর্তমানে তিনি রবীন্দ্রভারতীর অন্তর্বর্তী উপাচার্য আছেন বলেও জানা গিয়েছে। ওই কমিটি র‌্যাগিং সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ শুনবে এবং র‌্যাগিং আটকাতে নীতি নির্ধারণ করবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasthan: রাজস্থানে দলিত বৃদ্ধকে ‘জুতো চাটালেন’ কংগ্রেস বিধায়ক, ‘গায়ে প্রস্রাব’ পুলিশের!

    Rajasthan: রাজস্থানে দলিত বৃদ্ধকে ‘জুতো চাটালেন’ কংগ্রেস বিধায়ক, ‘গায়ে প্রস্রাব’ পুলিশের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস শাসিত রাজস্থানে (Rajasthan) দলিত নির্যাতনের অভিযোগ। রাজস্থানে এক কংগ্রেস বিধায়ক সহ ডেপুটি পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল এক দলিত বৃদ্ধকে প্রস্রাব খাওয়ানোর এবং তাঁকে দিয়ে জুতো চাটানোর। এই ঘটনা সামনে আসতেই দেশ জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। আদালতের নির্দেশে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: মোদির ডিগ্রি নিয়ে ব্যঙ্গ, মানহানির মামলা থেকে অব্যহতি পেলেন না কেজরিওয়াল

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ

     জয়পুরের (Rajasthan) জমবারামগড়ের বাসিন্দা ৫১ বছরের এক ব্যক্তি অভিযোগ তুলেছেন  যে দেড় মাস আগে ৩০ জুন নিজের জমিতে কাজ করছিলেন তিনি এবং আরও কয়েকজন। সেই সময় কিছু পুলিশকর্মী এসে তাঁদের মারতে মারতে একটি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানেই নাকি আগে থেকে বসেছিলেন ডেপুটি পুলিশ সুপার শিবকুমার ভরদ্বাজ। তিনিও ওই দলিত বৃদ্ধকে মারধর শুরু করেন। এরপর তাঁর গায়ে প্রস্রাব করে দেন। ওই দলিত বৃদ্ধের আরও অভিযোগ, জমবারামগড়ের কংগ্রেস বিধায়ক গোপাল মিনা কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে হাজির হন এবং তিনিও তাঁকে পুলিশের সামনেই শাসাতে থাকেন। নিজের অভিযোগপত্রে ওই দলিত বৃদ্ধ আরও জানিয়েছেন, শুধু শাসানোই নয়, কংগ্রেস বিধায়ক তাঁকে জুতো চাটতে  বাধ্য করেন (Rajasthan)।

    আরও পড়ুন: গণপিটুনিতে মৃত্যুদণ্ড, গণধর্ষণে ২০ বছরের জেল, আইনের ভারতীয়করণে নয়া বিল পেশ শাহের

    প্রাণে মারার হুমকি

    বৃদ্ধের আরও দাবি, এই ঘটনার কথা কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দিতে থাকে পুলিশ এবং কংগ্রেস নেতা। পরবর্তীকালে পুলিশে অভিযোগ জানাতে গেলেও তা নিতে অস্বীকার করে প্রশাসন (Rajasthan)। ওই দলিত বৃদ্ধ তখন জেলার পুলিশ সুপার এবং ডিজির কাছে দ্বারস্থ হন। কিন্তু গোটা বিষয়টি জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ ওই বৃদ্ধের।  শেষমেষ আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। গত ২৭ জুলাই আদালতের নির্দেশে এফআইআর দায়ের হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Derby: শনিবার ডার্বিতে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল, লড়াই আদতে দুই স্প্যানিশ কোচের?

    Kolkata Derby: শনিবার ডার্বিতে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল, লড়াই আদতে দুই স্প্যানিশ কোচের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার মহারণ। কলকাতা ডার্বিতে (Kolkata Derby) মুখোমুখি হচ্ছে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। শেষ আটটি ডার্বিতে অবশ্য জয় পেয়েছে মোহনবাগানই। গতবারের চেয়ে এবার দল আরও শক্তিশালী। তাই জয়ের আশাও বেশি মোহনবাগান কর্তাদের। ডার্বি জয়ের ক্ষেত্রে নিজেদের এগিয়েও রাখছেন মোহনবাগানের স্প্যানিশ কোচ জুয়ান ফেরান্দোর। তবে ইস্টবেঙ্গলের আর এক স্প্যানিশ কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাতকেও অবহেলা করছেন না ফেরান্দো।

    ইস্টবেঙ্গলের কাছে সম্মানরক্ষার লড়াই

    শনিবার কলকাতা ডার্বির প্রথম বড় ম্যাচ। ইস্টবেঙ্গলের কাছে সম্মানরক্ষার লড়াই। কারণ শেষ আটটি ডার্বিতে হেরেছে দল। শুক্রবার কুয়াদ্রাত বলেন, “আমি জানি ইতিহাস আছে ডার্বির। মাঠের পরিবেশ দারুন হবে। প্রচুর সমর্থক আসবেন। আমাদের পুরো দল নেই। এটা প্রাক মরশুম ম্যাচ। ভবিষ্যতের জন্য ভাল করে তৈরি করছি টিমটাকে।” তিনি (Kolkata Derby) বলেন, “মানসিকভাবে এগিয়ে মোহনবাগান। ওরা আটটি ডার্বি জিতেছে। মোহনবাগান এএফসি কাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। অনেক বেশি পাওয়ার আছে ওদের। চেষ্টা করব ওদের থামানোর। তার ওপর ওরা ৬ পয়েন্টে রয়েছে। আমাদের পয়েন্ট ১। আমাদের নতুন দল, প্রস্তুতি চলছে।”

    “ডার্বি নিয়ে স্টাডি করেছি”

    ইস্টবেঙ্গল কোচ বলেন, “ডার্বি নিয়ে স্টাডি করেছি। পুরো দল পাইনি। কাজ করছি আমি। আগামিকাল খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক একটা ম্যাচ হবে। ওদের প্রস্তুতি খুব ভাল হয়েছে। আমাদের ছয় থেকে সাতজন ফুটবলার পুরো ৯০ মিনিট খেলার জন্য তৈরি। বাকিদের ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করতে হবে।” লাল হলুদ কোচ যখন মোহনবাগানকে (Kolkata Derby) সমীহ করছেন, তখন সবুজ মেরুনের কোচ ফেরান্দোর মুখেও ইস্টবেঙ্গল প্রশস্তি। মোহনবাগানের কোচ বলেন, “ইস্টবেঙ্গল ভাল ফুটবলার সই করিয়েছে। বিদেশি এবং ঘরোয়া ফুটবলাররাও ভাল। মন্দারকে গোয়ায় দেখেছি। গতবার মুম্বইয়ে খেলেছে। ইস্টবেঙ্গলের দল বেশ ভাল। এই মুহূর্তে ওদের ছোট করে দেখার দরকার নেই। ওরা দেরিতে শুরু করেছে। তাই সময় লাগবে। পরে কী হয়, দেখা যাক। তবে ডার্বি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। দুই দলই জিততে চায়। আমরাও ডার্বি জিতেই পরের রাউন্ডে যেতে চাই।”

    আরও পড়ুুন: গণপিটুনিতে মৃত্যুদণ্ড, গণধর্ষণে ২০ বছরের জেল, আইনের ভারতীয়করণে নয়া বিল পেশ শাহের

    তিনি বলেন, “ফুটবলাররা যাতে চোট-আঘাত না পান, সেটা শুরু থেকেই দেখতে হবে। সামনে লম্বা মরশুম পড়ে রয়েছে। একটা নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ধরে এগোব। ফুটবলারদেরও (Kolkata Derby) সেটা বুঝিয়েছি। যত দ্রুত সম্ভব সেরা একাদশ তৈরি করে ফেলার চেষ্টা করব। প্রতি ম্যাচে সেরা ফুটবলারদেরই নামাতে চাই।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: গণপিটুনিতে মৃত্যুদণ্ড, গণধর্ষণে ২০ বছরের জেল, আইনের ভারতীয়করণে নয়া বিল পেশ শাহের

    Amit Shah: গণপিটুনিতে মৃত্যুদণ্ড, গণধর্ষণে ২০ বছরের জেল, আইনের ভারতীয়করণে নয়া বিল পেশ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার ভারতীয়করণের লক্ষ্যে শুক্রবার লোকসভায় তিনটি বিল পেশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এই বিল তিনটি হল, ‘দ্য ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ২০২৩’, ‘দ্য ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ২০২৩’ এবং ‘ভারতীয় সাক্ষ বিল ২০২৩’। ব্রিটিশ আমলে তৈরি ‘ইন্ডিয়ান পেনাল কোড (ভারতীয় দণ্ডবিধি)’, ‘কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিওর’ এবং ‘ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্টে’র জায়গা দখল করতে চলেছে শাহের পেশ করা বিল তিনটি।

    নয়া বিল পেশে শাহের যুক্তি 

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এই তিন আইন প্রত্যাহার করে নেওয়া হতে চলেছে। ব্রিটিশ প্রশাসনকে আরও শক্তিশালী করাই লক্ষ্য ছিল এই আইনগুলির। আইনগুলির লক্ষ্য ছিল শাস্তি দেওয়া, ন্যায় বিচার দান নয়। এর পরিবর্তে নতুন তিনটি আইন আনা হচ্ছে যা ভারতের নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করতে চলেছে।” তিনি বলেন, “এই আইনগুলির লক্ষ্য শাস্তি দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষ যাতে ন্যায় পান, তাই আনা হচ্ছে আইনগুলি। অপরাধ যাতে থামানো সম্ভব হয়, সেই লক্ষ্যে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।”

    রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিল

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) জানান, রাষ্ট্রদ্রোহ আইন সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হচ্ছে। বর্তমানে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে জেল হয় তিন বছরেরও। নয়া প্রস্তাবে তিন বছরের জেলের সাজা হতে পারে। গণপিটুনিকে হত্যার পরিভাষার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ, জন্মস্থান, ভাষা, ব্যক্তিগত বিশ্বাস বা অন্য কোনও কারণে হত্যার ক্ষেত্রে শাস্তি হিসেবে অভিযুক্ত প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড বা কারাদণ্ড দেওয়া হবে। ন্যূনতম সাজা সাত বছর জেল। সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড। জরিমানাও করা হবে।

    আরও পড়ুুন: এবার শিলিগুড়ির ২২ শিক্ষককে তলব, জিজ্ঞাসাবাদে কী জানতে চাইছে সিবিআই?

    যদি কোনও ব্যক্তি ঘৃণা ভাষণ কিংবা উসকানিমূলক ভাষণ দেন, তাহলে তাঁর তিন বছর জেল হবে। সঙ্গে রয়েছে জরিমানাও। যদি কোনও ধর্মীয় সমাবেশে কোনও অংশ বা শ্রেণির মানুষের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক ভাষণ দেওয়া হয় তাহলে, অভিযুক্তের পাঁচ বছরের জেল হবে। শাহ জানান, ছোট কোনও অপরাধের জন্য কমিউনিটি সার্ভিস বা সেবার শাস্তি নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে। গণধর্ষণের ক্ষেত্রে ২০ বছর পর্যন্ত জেল বা যাবজ্জীবন সাজার বিধান আনা হবে। নাবালিকা ধর্ষণের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান (Amit Shah) আনা হবে। নয়া বিলে মহিলা ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধকে সব চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের সময় ভোটারদের ঘুষ দেওয়া হলে অপরাধীকে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sant Ravidas Temple: মধ্যপ্রদেশে মোদির বড় চমক, আজ সন্ত রবিদাসের ১০০ কোটির মন্দিরের শিলান্যাস

    Sant Ravidas Temple: মধ্যপ্রদেশে মোদির বড় চমক, আজ সন্ত রবিদাসের ১০০ কোটির মন্দিরের শিলান্যাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী কাল, শনিবার সন্ত রবিদাসের ১০০ কোটি টাকার মন্দিরের (Sant Ravidas Temple) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার বুন্দেলখণ্ড এলাকায় প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ মানুষ মুচি সম্প্রদায়ের মানুষ। এঁরা হলেন সন্ত রবিদাসের একনিষ্ঠ ভক্ত। অপর দিকে সমানেই মধ্যপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। তাই তার আগে তফশিলি সমাজের জন্য সন্ত গুরু রবিদাসের মন্দিরের স্থাপনা করে বড় চমক দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কবে হবে মন্দিরের শিলান্যাস (Sant Ravidas Temple)?

    সূত্রে জানা গেছে, আগামী কাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায় চতুর্দশ সন্ত সাধক রবিদাসের একটি ভব্য মন্দির নির্মাণের (Sant Ravidas Temple) শিলান্যাস করবেন। এর পাশাপাশি তিনি প্রকাশ্য সভা করবেন বলেও জানা গেছে। এই মন্দির নির্মাণে আনুমানিক খরচ হবে মোটামুটি ১০০ কোটি টাকা। ঠিক সামনেই মধ্যপ্রদেশ নির্বাচন। তাই এই সন্ত মহাপুরুষের মন্দির নির্মাণ করে সন্ত রবিদাসের ভক্তদের বিশেষ উপহার তুলে দিতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    মন্দির দেখতে কেমন হবে?

    সন্ত রবিদাসের মন্দিরটি (Sant Ravidas Temple) হবে নাগারা স্থাপত্যশৈলীর অনুকরণে, যার বিস্তৃতি প্রায় দশ হাজার বর্গ কিলোমিটার। এই মন্দিরের মধ্যে একটি বিশেষ প্রদর্শনীশালা থাকবে এবং বিভিন্ন রকম শিক্ষণীয় বিষয় রাখা থাকবে। বিশেষ করে সন্ত রবিদাসের জীবনী বিষয়ক নানান কথাচিত্র সঙ্কলিত থাকবে। এখনে বড় বড় চারটি ভবন থাকবে। যার মধ্যে একটিতে ‘নির্গুণ সম্প্রদায়ের’ দার্শনিক তত্ত্ব কথার সাহিত্যগ্রন্থ রাখা থাকবে। আরেকটিতে থাকবে ‘সঙ্গত হল’ যেখানে সমাবেশ বা সম্মেলন কক্ষ হবে। আর বাকি দুটি থাকবে মন্দিরে আগত ভক্তদের জন্য ‘ভক্ত নিবাস’ এবং বিশেষ জলাধার বা ‘জল কুণ্ড’। উল্লেখ্য, ভক্ত নিবাসে দেশ-বিদেশ থেকে সন্ত রবিদাসকে নিয়ে যাঁরা গবেষণা করতে চান, তাঁদের থাকার ব্যবস্থা থাকবে। প্রত্যেক ভবনেই থাকবে অত্যধুনিক আলো এবং সিসিটিভির ব্যবস্থা।

    উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান কিছু দিন আগে ছাতনা জেলার মাহিরের পুণ্যভূমিতে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা খরচ করে সন্ত রবিদাসের একটি মন্দির নির্মাণ করেছিলেন। মধ্যপ্রদেশে প্রায় ১৬ শতাংশ মানুষ হলেন সন্ত রবিদাসের ভক্ত, যাঁরা প্রত্যেকেই পেশায় মুচি এবং তফশিলি সম্প্রদায়ভুক্ত। মধ্প্রদেশের মোট ২৩০ আসনের মধ্যে ৩৫ টি আসন হল এসসি সামজের জন্য সংরক্ষিত। তাই এই সামজের মানুষের জন্য বিশেষ উপহার হবে ভব্য মন্দিরটি।

    কে ছিলেন সন্ত রবিদাস?

    সন্ত রবিদাস (Sant Ravidas Temple) ছিলেন ভারতের মধ্যযুগের ভক্তিবাদী আন্দোলনের একজন অন্যতম প্রবক্তা। মূলত মধ্য ভারত, পশ্চিম ভারত এবং উত্তর ভারতে ভক্তিবাদী আন্দোলনের অন্যতম প্রচারক ছিলেন। মানুষের মধ্যে জাতপাত, বর্ণ বিদ্বেষকে দূরে রেখে ভক্তিবাদের প্রচার, প্রসার ঘটান তিনি। তাঁর সমসাময়িক ভক্তিবাদী সন্ত মহাপুরুষদের মধ্যে ভক্তিবাদে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন দাদুর, নানক, কবীর, মীরা বাঈ, শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু প্রমুখ। জগতের মুক্তির জন্য মুখে মুখে দোহা বা পদের মাধ্যম গানে রচনা করে গিয়েছেন সন্ত রবিদাস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: এবার শিলিগুড়ির ২২ শিক্ষককে তলব, জিজ্ঞাসাবাদে কী জানতে চাইছে সিবিআই?

    Recruitment Scam: এবার শিলিগুড়ির ২২ শিক্ষককে তলব, জিজ্ঞাসাবাদে কী জানতে চাইছে সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষকদের ভয় ধরাচ্ছে সিবিআই (CBI) তলব! নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam) মামলায় প্রথমে গ্রেফতার করা হয় মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের চার শিক্ষককে। এঁরা মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে চাকরি কিনেছিলেন বলে অভিযোগ। তার পর থেকে ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পাওয়া একের পর এক শিক্ষককে নিজাম প্যালেসে তলব করছে সিবিআই। এতেই থরহরি কম্পমান ওই পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের একাংশের। কার, কখন ডাক পড়ে, সেই আশঙ্কায় কাঁটা তাঁরা। এবার নিজাম প্যালেসে সিবিআই তলব করেছে শিলিগুড়ির ২২জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে।

    একের পর এক শিক্ষককে তলব

    মুর্শিদাবাদের চার শিক্ষককে গ্রেফতারের পরের দিনই তলব করা হয়েছিল বাঁকুড়ার সাত শিক্ষককে। তাঁদের নথিপত্র সংগ্রহ করে বয়ান রেকর্ড করেছেন (Recruitment Scam) সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার ডেকে পাঠানো হয়েছিল কোচবিহারের ৩০ জন প্রাথমিক শিক্ষককে। মাধ্যমিক সহ বিভিন্ন পরীক্ষার যাবতীয় নথিপত্র নিয়ে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হতে বলা হয়েছে তাঁদের। শুক্রবার তলব করা হল শিলিগুড়ির ২২ জন প্রাথমিক স্কুল শিক্ষককে।

    আড়াই ঘণ্টা ধরে জেরা 

    জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করেন কোচবিহারের শিক্ষকদের। টেটের নথি সহ বিভিন্ন পরীক্ষার মার্কশিট সহ যাবতীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। তাঁরা কীভাবে চাকরি পেয়েছিলেন, সে প্রশ্নও করা হয়। ওই শিক্ষকদের বয়ানও রেকর্ড করে সিবিআই। প্রয়োজনে তাঁদের ফের তলব করা হতে পারে বলে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জানিয়ে দেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুুন: শিক্ষক পোস্টিং মামলায় তদন্ত চালিয়ে যাবে সিবিআই, নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    সোমবার আলিপুর সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত ৩১৯ নম্বর ধারায় নোটিশ দিয়ে তলব করেছিল নবগ্রামের চার শিক্ষককে (Recruitment Scam)। পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। ২১ তারিখ পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। সিবিআই সূত্রে খবর, শিলিগুড়ির যে ২২ জন শিক্ষককে নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছে, তাঁরা যে অভিযুক্ত, তা নয়। তবে ২০১৪ সালের টেট দিয়ে ২০২১ সালে কাজে যোগ দিয়েছিলেন এঁরা। এঁদের নিয়োগের পদ্ধতিগত বিষয়গুলি খতিয়ে দেখতে চাইছে সিবিআই। সেই কারণেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে শিলিগুড়ির ওই ২২ জন শিক্ষককে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share