Tag: Bengali news

Bengali news

  • Mahesh Baghel: মিরাক্যেল! হাসপাতালে বিজেপি নেতাকে ‘মৃত’ ঘোষণা, বাড়ি ফিরতেই দেহে ফিরল প্রাণ

    Mahesh Baghel: মিরাক্যেল! হাসপাতালে বিজেপি নেতাকে ‘মৃত’ ঘোষণা, বাড়ি ফিরতেই দেহে ফিরল প্রাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত বিজেপি নেতাকে (Mahesh Baghel) ফের জীবিত ঘোষণা করল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের আগ্রায়। জানা গিয়েছে, রবিবার বাড়িতে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন আগ্রার বিজেপি নেতা মহেশ বাঘেল (Mahesh Baghel)। এরপর তড়িঘড়ি তাঁকে পরিবারের লোকেরা স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। হাসপাতালের চিকিৎসকরা বিজেপি নেতা মহেশ বাঘেলকে মৃত ঘোষণা করে দেন। এরপর তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। তখন হঠাৎই পরিবারের লোকের লক্ষ্য করেন ধীরে ধীরে মহেশ বাঘেলের হাত-পা নড়াচড়া করছে। 

    ফের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় বিজেপি নেতাকে

    বাড়িতে নিয়ে আসার আধ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি সাড়া দিতে থাকেন। এরপরে ফের তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে চিকিৎসকরা তখন ঘোষণা করেন যে মহেশ বাঘেল (Mahesh Baghel) জীবিত রয়েছেন। এই ঘোষণায় গোটা পরিবারের স্বস্তি ফিরে আসে। সকলে কান্না ভুলে ফের একবার আনন্দে মেতে ওঠেন। প্রথমবারে যখন বাঘেলকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল তখন তাঁর বাড়ির সামনে অনুরাগীদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সেখানে বিজেপি কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

    কী বলছে পরিবার  

    জানা গিয়েছে, ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের আগ্রার। আগ্রার পুষ্পাঞ্জলি হাসপাতাল তাঁকে মৃত ঘোষণা করার পরে বাড়িতে ফের দেখা যায় তিনি (Mahesh Baghel) জীবিত রয়েছেন। এরপর তাঁকে নিউ আগ্রার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এই বিজেপি নেতা (Mahesh Baghel)।  জানা গিয়েছে, ৬৫ বছর বয়স্ক এই বিজেপি নেতা বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন। তাঁর ভাই লক্ষণ সিং বাঘেল সংবাদমাধ্যমকে জানান যে হাসপাতালে দ্রুত শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে এই রাজনীতিবিদের এবং তিনি ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়েই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। বর্তমানে তাঁর রক্তচাপ রয়েছে ১১৪/৭০। এদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁর দুই সন্তান অভিষেক এবং অঙ্কিতও হাজির হয়েছিলেন। তাঁরা ব্যাখ্যা করেন যে কীভাবে তাঁর বাবা আবার বাড়িতে পুনরায় চেতনা ফিরে পান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal News: বাংলার গ্রামোন্নয়নে মোদি সরকারের বরাদ্দ ১ হাজার ৬০০ কোটি, ১০ দিনে টাকা পাবে রাজ্য

    Bengal News: বাংলার গ্রামোন্নয়নে মোদি সরকারের বরাদ্দ ১ হাজার ৬০০ কোটি, ১০ দিনে টাকা পাবে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে রাজ্যের শাসক দলের অভিযোগ যে বেশ কিছু প্রকল্পের টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র। অন্যদিকে বিরোধী দল বিজেপির দাবি, প্রকল্পের টাকা বন্ধ নয় উপরন্তু চুরি আটকানো হয়েছে। এবং সত্যিই যে প্রকল্পের টাকা আটকানো হয়নি, বিজেপির এই দাবিতে এবার সিলমোহর দিতে দেখা গেল কেন্দ্রীয় সরকারকে। সূত্রের খবর, আগামী ১০ দিনের মধ্যে ১৬০০ কোটি টাকা (Bengal News) পেতে চলেছে রাজ্য সরকার। এবং কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক থেকে এই টাকা পাবে রাজ্য। গ্রামের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, পানীয় জল, নিকাশি এই সমস্ত কাজে ব্যয় করা যাবে এই অর্থ। জানা গিয়েছে, প্রত্যেকটি রাজ্যই প্রতি আর্থিক বছরে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের এই অনুদান পায়। সেই টাকার প্রথম ধাপের অর্থ পেতে চলেছে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর (Bengal News)। আরও জানানো গিয়েছে, দশদিনের মধ্যে যে টাকা ঢুকবে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের অ্যাকাউন্টে, সেই টাকার ৭৫ শতাংশ খরচের হিসাব দেখানোর পরেই নভেম্বরে মিলবে দ্বিতীয় ধাপের টাকা। হিসাব অনুযায়ী, ১২০০ কোটি টাকা নভেম্বর পর্যন্ত খরচ করতে হবে রাজ্য সরকারকে।

    কেন্দ্রের টাকা চুরির অভিযোগে সরব বিজেপি 

    বিভিন্ন প্রকল্পে শাসকদলের চুরির বিরুদ্ধে বরাবরই সরব হয়েছে বিজেপি। এই নিয়ে বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে শুভেন্দু অধিকারীকে অত্যন্ত সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে। চলতি বছরের মার্চ মাসেই কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিংকে চিঠি লেখেন শুভেন্দু অধিকারী। এবং সেখানে তাঁর অভিযোগ ছিল সারা রাজ্যে ১কোটি ১৭ লাখ ভুয়ো জব কার্ড তৈরি করা হয়েছে। এবং স্থানীয় শাসক নেতারা এর মাধ্যমে দুর্নীতি করছেন। এখানেই থামেননি বিরোধী দলনেতা। তিনি এই গোটা ঘটনা ক্যাগকে দিয়ে তদন্ত করারও আর্জি জানান। তখন নিজের সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্টে বেশ কিছু নথি পোস্ট করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। কীভাবে ভুয়ো জব কার্ডের মাধ্যমে টাকা নয়ছয় করা হয়েছে, তার প্রমাণ দেন বিরোধী দলনেতা।

    জনগণের থেকে জব কার্ডের সংখ্যা বেশি!

    গত বছরের ২১ নভেম্বর কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের রিপোর্টও (Bengal News) তুলে ধরে সরব হন বিরোধী দলনেতা। এবং তিনি অভিযোগ করেন ১০০ দিনের কাজে ব্যাপক দুর্নীতির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। শুভেন্দু আরও দাবি করেন যে কয়েকটি ক্ষেত্রে জেলাশাসক এবং বিডিও-রা এফআইআর করতে চাইলেও সে সুপারিশ কার্য করা হয়নি (Bengal News)। এমনকি বেশ কিছু ব্লক রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে, যেখানে জনগণের থেকে জব কার্ডের সংখ্যা বেশি রয়েছে। বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তিরাও রয়েছেন এই তালিকায়, এমনই অভিযোগ করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • No Confidence Motion: অনাস্থা বিতর্কে ছক্কা হাঁকাল বিজেপি, মুখে কুলুপ রাহুলের

    No Confidence Motion: অনাস্থা বিতর্কে ছক্কা হাঁকাল বিজেপি, মুখে কুলুপ রাহুলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের বিরুদ্ধে দ্বিতীয়বার অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন বিরোধীরা। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে অনাস্থা নিয়ে আলোচনা (No Confidence Motion)। এদিন অধিবেশনের শুরুতেই বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে মূল সুরটি বেঁধে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছিলেন, “অনাস্থা প্রস্তাবের আলোচনায় বিরোধীদের প্রত্যেকটি বল মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিতে হবে।” সেই মতো এদিন অনাস্থা বিতর্কের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বিজেপি।

    “এটা কোনও অনাস্থা নয়”

    সাড়ে চার মাস পরে এদিন সংসদে এলেও, মুখ খোলেননি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কংগ্রেসের তরফে প্রথমে মুখ খোলেন সাংসদ গৌরব গগৈ। প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে তিনি বলেন, “ভুল স্বীকার করতে হবে বলেই মৌন রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।” প্রসঙ্গত, এই গৌরবই নিয়ে এসেছিলেন অনাস্থা প্রস্তাব। গৌরবের পরেই বক্তৃতা করতে ওঠেন সাংসদ বিজেপির নিশিকান্ত দুবে। তিনি বলেন, “এটা কোনও অনাস্থা ভোট নয়। এটা আসলে বিরোধীদের আস্থা পরীক্ষার ভোট। বিরোধীরা আসলে দেখতে চান, কে কে তাঁদের সমর্থন করছেন। বিরোধীরা (No Confidence Motion) নিজেদের মধ্যে লড়াই করছেন।” নিশিকান্ত বলেন, “ইন্ডিয়ার যতজন সাংসদ রয়েছেন, তাঁদের জিজ্ঞাসা করুন, তাঁদের মধ্যে মাত্র কয়েকজনই এর পুরো নাম বলতে পারবেন। এটা কোনও অনাস্থা নয়। এটা আসলে বিরোধীদের আস্থা পরীক্ষার ভোট।”

    এনডিএর প্রতিবাদ

    অনাস্থা বিতর্কে অংশ নিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের প্রসঙ্গ তোলেন সাংসদ কংগ্রেসের মণীশ তিওয়ারি। তিনি বলেন, “৩৭০ অনুচ্ছেদ রদের চার বছর পরেও জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন করা হয়নি।” এর প্রতিবাদ করেন এনডিএ সাংসদরা। তাঁরা বলেন, “বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। তাই সংসদে এ নিয়ে আলোচনা করা ঠিক নয়।” অনাস্থা (No Confidence Motion) বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন বিজেপির কিরেন রিজিজুও। তিনি বলেন, “মণিপুরে হিংসার জন্য দায়ী ইউপিএ জমানা। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির জন্য কাজ করে আস্থা অর্জন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কারণেই টোকিও অলিম্পিকে সাতটি পদক জিততে পেরেছে ভারত।”

    আরও পড়ুুন: “চিনের কাছে অর্থ নিয়ে ভারতকে ভাগ করতে চায় কংগ্রেস”, তোপ বিজেপি সাংসদের

    বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’কেও নিশানা করেন রিজিজু। বলেন, “ইন্ডিয়া নাম নিলেও, কিছু হবে না। কারণ ওরা কাজ করছে ভারতের বিরুদ্ধে।” উদ্ধব শিবিরের শিবসেনা সাংসদ অরবিন্দ সাওয়ান্ত বলেন, “মণিপুর নিয়ে ৭০ দিন ধরে মৌন ছিল কেন্দ্রীয় সরকার। ওরা মৌন না থাকলে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হত না।” এদিকে, বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব (No Confidence Motion) সমর্থন করেনি বিজেডি। দলের সাংসদ পিনাকী মিশ্র জানান, তাঁর দল কংগ্রেস বিরোধী। তাই এই প্রস্তাবে সমর্থন জানাবেন না তাঁরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Krishna Nagar: মন্ত্রীর খাসতালুকে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূলকে হারিয়ে পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করল বিজেপি

    Krishna Nagar: মন্ত্রীর খাসতালুকে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূলকে হারিয়ে পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের খাসতালুক কৃষ্ণনগর-১ (Krishna Nagar) ব্লকের রুইপুকুর পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করল বিজেপি (BJP)। তৃণমূলের দুই বিক্ষুব্ধ জয়ী প্রার্থী ও সিপিএমের দুজন জয়ী প্রার্থীকে নিয়ে রুইপুকুর পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করল গেরুয়া শিবির। এই প্রথম বিজেপি এই পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় আসার দলীয় কর্মী, সমর্থকরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন।

    সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূলকে হারিয়ে বাজিমাত বিজেপির (Krishna Nagar)

    রুইপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আসন সংখ্যা ২২টি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে ২২ টির মধ্যে ১৩ টি আসনে জয়লাভ করে তৃণমূল কংগ্রেস। সিপিএম পায় ২টি আসন ও বিজেপি জয়লাভ করে ৭ টি আসনে। ভোটের পর তৃণমূলের ১জন জয়ী প্রার্থীর মৃত্যু হলে শাসক দলের আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ১২ টিতে। প্রসঙ্গত, রুইপুকুর পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের জন্য পঞ্চায়েত প্রধানের দায়িত্বে তৃণমূলের পছন্দের সদস্যকে মেনে নিতে না পেরে তৃণমূলেরই জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে ২জন বিরোধিতা করে। বোর্ড গঠনের সময় বিজেপির সঙ্গে হাত মেলায়। যার ফলে প্রথমদিকে তৃণমূল সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও পরবর্তীতে তৃণমূলের আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ১০ টি। ফলে, সিপিআইএমের দুজন জয়ী প্রার্থী ও তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ দুই প্রার্থীর সমর্থনে মঙ্গলবার রুইপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করে বিজেপি ((Krishna Nagar))। প্রধান হন তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী অনুপ বিশ্বাস। পাশাপাশি উপপ্রধানের দায়িত্ব পান বিজেপির জয়ী প্রার্থী সুপ্রিয়া মণ্ডল।

    বোর্ড গঠন নিয়ে কী বললেন বিজেপির উপ প্রধান?

    এ প্রসঙ্গে সিপিআইএমের জয়ী প্রার্থী ইসরাফিল শেখ বলেন, স্বচ্ছ পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করতেই আমরা একজোট হয়ে পঞ্চায়েত বোর্ডটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে যেকোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এদিন সকাল থেকেই রুইপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনের সামনে ছিল প্রচুর পুলিশ মোতায়ন ছিল। বিজেপির উপ প্রধান সুপ্রিয়া মণ্ডল বলেন, তৃণমূলকে হারিয়ে আমরা বোর্ড গঠন করেছি। সেখানে সিপিএম, তৃণমূলের একাংশ রয়েছে। গোপনে ভোট হয়েছে। আমাদেরকেই সকলেই সমর্থন করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: মুর্শিদাবাদের পর এবার বাঁকুড়া, সাত শিক্ষককে তলব সিবিআইয়ের, হাজিরা বুধেই

    Recruitment Scam: মুর্শিদাবাদের পর এবার বাঁকুড়া, সাত শিক্ষককে তলব সিবিআইয়ের, হাজিরা বুধেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের পর এবার বাঁকুড়া। সোমবার তলব করা হয়েছিল মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের প্রাইমারি স্কুলের চার শিক্ষককে। টাকা দিয়ে চাকরি কেনার (Recruitment Scam) অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। এবার তলব করা হল বাঁকুড়ার প্রাইমারি স্কুলের সাত শিক্ষককে। বুধবার নিজাম প্যালেসে তাঁদের হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সিবিআই।

    হাজিরায় আসতে হবে নথি নিয়ে 

    বাঁকুড়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সূত্রে খবর, জেলার এই সাত শিক্ষককে তাঁদের চাকরি সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার যাবতীয় নথি নিয়ে হাজিরা দিতে বলেছে সিবিআই। এই শিক্ষকদের মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড, মার্কশিট, জাতিগত শংসাপত্র সহ বিভিন্ন নথি নিয়ে সিবিআই দফতরে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কাছেও ওই সাত শিক্ষকের বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, ওই শিক্ষকদের নথিগুলি মিলিয়ে দেখতে চাইছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    চাকরি পেয়েছিলেন ২০১৪ টেটে

    জানা গিয়েছে, যে সাত শিক্ষককে বুধবার নিজাম প্যালেসে তলব (Recruitment Scam) করেছে সিবিআই, তাঁরা প্রত্যেকেই চাকরি পেয়েছিলেন ২০১৪ সালের টেট পাশ করে। সিবিআই সূত্রে খবর, এঁদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ দানা বেঁধেছে। সিবিআই সাত শিক্ষককে তলব করেছে খবর ছড়িয়ে পড়তেই হইচই জেলায়। সিবিআই কাকে, কখন তলব করবে, সেই আশঙ্কায় কাঁটা ২০১৪ সালের টেট পাশ করে চাকরি পাওয়া প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের একটা অংশ। প্রসঙ্গত, সোমবার যে চার শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা হলেন জাহিরউদ্দিন শেখ, সায়গর হোসেন, সীমার হোসেন এবং সৌগত মণ্ডল।

    আরও পড়ুুন: আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়োগ দুর্নীতি, দিনভর অবস্থানে কোভিড যোদ্ধারা

    এদিকে, নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam) মামলায় ধৃত প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ ও তাপস মণ্ডলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য সিবিআইয়ের চার্জশিটে। ২৪ পাতার ওই চার্জশিটে বলা হয়েছে, চাকরি বিক্রির এজেন্ট ও চাকরি প্রার্থী মিলিয়ে মোট ১৪১ জনের কাছ থেকে তাপস নেন ৪ কোটি ১২ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা। আর চাকরি বেচে ৭১ জনের কাছ থেকে কুন্তল নিয়েছিলেন ৩ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা। চাকরি করে দিয়ে মুর্শিদাবাদের পাঁচ শিক্ষকের কাছ থেকে তাপস মোট ২৩ লক্ষ টাকা নেন বলেও অভিযোগ। এর মধ্যে ধৃত সায়গর দিয়েছিলেন ছ’ লক্ষ টাকা। জহিরউদ্দিন ও সৌগত দেন সাড়ে পাঁচ লক্ষ করে টাকা। সীমার দিয়েছিলেন পাঁচ লক্ষ টাকা। ওই চার্জশিটের প্রথমেই নাম রয়েছে আশিক আহমেদের। তিনি অবশ্য এখনও অধরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • BJP: “চিনের কাছে অর্থ নিয়ে ভারতকে ভাগ করতে চায় কংগ্রেস”, তোপ বিজেপি সাংসদের

    BJP: “চিনের কাছে অর্থ নিয়ে ভারতকে ভাগ করতে চায় কংগ্রেস”, তোপ বিজেপি সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) চিনা যোগ নিয়ে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকে নিশানা বিজেপির (BJP)। সাড়ে চার মাস পরে মঙ্গলবারই সংসদে পা রেখেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। প্রত্যাশিতভাবেই উৎসাহিত ছিল কংগ্রেস শিবির। তবে লোকসভার সাংসদ বিজেপির নিশিকান্ত দুবের আক্রমণের সামনে দৃশ্যতই হতাশ দেখায় কংগ্রেসকে। সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে নিউজক্লিকের কর্ণধার নেভিল রয় সিঙ্ঘম চিনের কমিউনিস্ট পার্টির কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের মতবাদ প্রচার করে। একেই হাতিয়ার করে বিরোধীদের তাক করেন বিজেপি সাংসদ।

    “রাহুলের বিদ্বেষের দোকান”

    নিশিকান্ত (BJP) বলেন, “রাহুলের বিদ্বেষের দোকান চিনা সামগ্রীতে ভরে গিয়েছে। কংগ্রেস পার্টির নীতি আর লক্ষ্য হল ভারতকে ভেঙে দেওয়া। আর সেজন্য চিনের সহযোগিতা চায় তারা। চিন থেকে কংগ্রেস পার্টির অর্থায়নের তদন্ত করুক ভারত সরকার ও জাতীয় নির্বাচন কমিশন।” নিশিকান্ত বলেন, “নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরোধিতা করতে কংগ্রেস নেতারা ২০১৬ সালে চিনের এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করেছিলেন।” তাঁর অভিযোগ, ডোকলাম নিয়ে অচলাবস্থার সময় রাহুল গান্ধী তৎকালীন চিনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেখা করেছিলেন।

    “চিন থেকে অর্থ পেয়েছে কংগ্রেস”

    বিজেপি সাংসদ বলেন, “তারা (কংগ্রেস) চিনা বাহিনী ও কিছু মিডিয়ার সাহায্যে ভারতকে ভাগ করতে চায়। ২০০৫ সাল থেকে ২০১৪, সঙ্কটের সময় চিন থেকে অর্থ পেয়েছে কংগ্রেস। ২০০৮ সালে তারা সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী দুজনকেই আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।” তিনি বলেন, “কীভাবে মাওবাদী ও সিনিয়র সাংবাদিকদের টাকা দেওয়া হয়েছিল, তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে নিউইয়র্ক টাইমসের রিপোর্টে।” নিউইয়র্ক টাইমসের ওই রিপোর্টকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপির (BJP) অনুরাগ ঠাকুরও।

    আরও পড়ুুন: ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল! জয়ী বিরোধী প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    তিনি বলেন, “নিউইয়র্ক টাইমস বলার বহু আগে ভারত গোটা বিশ্বকে বলেছিল নিউজক্লিক আসলে চিনা মতবাদ প্রচারের একটি হাতিয়ার। নেভিল এই হাতিয়ার ব্যবহার করে ভারত বিরোধী মনোভাবকে ছড়িয়ে দিচ্ছে। ২০২১ সালে কংগ্রেস এই নিউজক্লিকের হয়েই গলা ফাটিয়েছিল। নিউজক্লিক ও নেভিলকে সমর্থন জানানো কংগ্রেসের পক্ষে স্বাভাবিক। কারণ এই দলটার কাছে জাতীয় স্বার্থের কোনও দাম নেই। চিনা মতবাদের প্রসার ঘটানোর জন্য চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে ২০০৮ সালে চুক্তি করেছিল এই দলটা। রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনের জন্য তারা দান গ্রহণ করেছিল চিনা দূতাবাস থেকে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল! জয়ী বিরোধী প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূল! জয়ী বিরোধী প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল বেরিয়েছে অনেক আগেই। চলছে বোর্ড গঠনের তোড়জোড়। তার আগে অশান্তির আশঙ্কায় কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জয়ী প্রার্থীরা। মঙ্গলবার মথুরাপুর, মুর্শিদাবাদ ও রায়দিঘির বিরোধী দলের জয়ী প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ১০ অগাস্ট বোর্ড গঠন হওয়ার কথা মথুরাপুর পঞ্চায়েতে। এই পঞ্চায়েতের ৯জন জয়ী প্রার্থীকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

    নিরাপত্তার নির্দেশ মুর্শিদাবাদে

    মুর্শিদাবাদের তেনকরাইপুর বালুমতি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫ জন প্রার্থী এবং জেলার হেরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সিপিএমের ১২ জন প্রার্থীকেও নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘির কাশীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাতজন জয়ী বিরোধী দলের প্রার্থীকেও নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তেনকরাইপুর বালুমতি পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন হবে ১১ অগাস্ট। ১০ অগাস্ট বোর্ড গঠন হওয়ার কথা দক্ষিণ ২৪ পরগনারই উত্তর কুসুম গ্রাম পঞ্চায়েতে। ২৫ আসন বিশিষ্ট এই পঞ্চায়েতে তৃণমূল যাতে বোর্ড গড়তে না পারে, তাই জোট বেঁধেছে বাম ও কংগ্রেস। এদিন এখানেও বিরোধী দলের জয়ী প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি সেনগুপ্ত (Calcutta High Court)।

    আদালতে কংগ্রেসের মস্কিনা

    প্রসঙ্গত, এই পঞ্চায়েতে ১৭টি আসন পেয়েছে বাম, কংগ্রেস এবং আইএসএফ। বাকি ৮টি আসন পেয়েছে তৃণমূল। অভিযোগ, বোর্ড গঠনের আগে তৃণমূল জোট প্রার্থীদের হুমকি দিচ্ছে। এর পরেই প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থী মস্কিনা মমতাজ। মস্কিনা কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক আবুল বাশার লস্করের স্ত্রী। ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ সুপারকে বিচারপতি সেনগুপ্তের নির্দেশ, বোর্ড গঠনের দিন পঞ্চায়েত কার্যালয়ে উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। সেদিন প্রার্থীরা যাতে বৈঠকে অংশ নিতে পারেন, সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে।

    আরও পড়ুুন: হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য! নিয়োগ না মেলায় ফের আদালতে ৬২ জন চাকরিপ্রার্থী

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজয়ী প্রার্থীদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর খাসতালুক নন্দীগ্রামেও। বোর্ড গঠনের দিন ঘনিয়ে আসতেই বিরোধী দলের জয়ী প্রার্থীদের এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এরই প্রেক্ষিতে নন্দীগ্রামের দুটি ব্লকের ১৭টি পঞ্চায়েতের বিজয়ী প্রার্থীরা যাতে বোর্ড গঠনে উপস্থিত থাকতে পারেন, সে বিষয়েও পুলিশকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেয় আদালত (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Independence Day: ১৫ অগাস্টকে জাতীয় উৎসব দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব মার্কিন কংগ্রেসে

    Independence Day: ১৫ অগাস্টকে জাতীয় উৎসব দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব মার্কিন কংগ্রেসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের স্বাধীনতা দিবস ১৫ অগাস্টকে (Independence Day) জাতীয় উৎসব দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব পেশ হল মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে। এই কক্ষের কয়েকজন সদস্য এই প্রস্তাব পেশ করেন। বিশ্বের দুই বৃহত্তম গণতন্ত্রকে শ্রদ্ধা জানাতেই এটা করা হোক, দাবি ওই সদস্যদের। প্রস্তাবের নেতৃত্ব দিয়েছেন ইন্দো-মার্কিন কংগ্রেস সদস্য শ্রী থানেদার। তাঁর প্রস্তাব সমর্থন করেছেন কংগ্রেসের দুই সদস্য বাডি কার্টার এবং ব্র্যাড সার্মন। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দুই দেশই অংশীদারিত্ব, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বিশ্বে শান্তি রক্ষা, স্থায়িত্ব এবং বিশ্বের প্রতিটি দেশের সমৃদ্ধিতে বিশ্বাস করে।

    প্রস্তাবের বক্তব্য

    ২২ জুন প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা সফরকেও স্বাগত জানানো হয়েছে ওই প্রস্তাবে। তাঁর এই রাষ্ট্রীয় সফর দুই দেশের বিশ্বাস, বোঝাপড়া, গণতন্ত্রের প্রতি দায়বদ্ধতা, বহুত্ববাদ, স্বাধীনতা, মানবাধিকার এবং আইনের শাসনকে মজবুত করেছে বলেও বলা হয়েছে ওই প্রস্তাবে। সেই কারণেই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলোকে আরও শক্তপোক্ত করতে ভারতীয়দের সঙ্গে এই উৎসবে আমেরিকারও (Independence Day) মেতে ওঠা প্রয়োজন বলেই মনে করেন প্রস্তাবকরা।

    মোদির আমেরিকা সফর

    প্রসঙ্গত, জুন মাসে তিনদিনের সফরে আমেরিকা গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, মার্কিন ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন এবং আরও বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “বিশ্বকে আরও ভাল একবিংশ শতাব্দী উপহার দেবে ভারত এবং আমেরিকা।”

    আরও পড়ুুন: ৪ ‘অযোগ্য’ শিক্ষকের থেকে কত টাকা নিয়েছিলেন তাপস-কুন্তলরা? বিরাট দাবি সিবিআইয়ের

    এদিকে, ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসে দিল্লির লালকেল্লায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মার্কিন কংগ্রেসের দ্বিদলীয় একটি গোষ্ঠী। এই দলের নেতৃত্ব দেবেন ইন্দো-মার্কিন কংগ্রেস সদস্য আরও খান্না এবং মাইকেল ওয়াল্টজ। সংবাদ মাধ্যমকে খান্না বলেন, “ভারত সফরে দ্বিদলীয় গোষ্ঠীকে (Independence Day) নেতৃত্ব দিচ্ছি জেনে আমি গর্বিত। ভারতের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই দিল্লি যাচ্ছি আমরা। ভারতের স্বাধীনতার জন্য আমার দাদু লড়াই করেছেন। তাই এই সফর আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে খুবই অর্থপূর্ণ। ভারত-মার্কিন সম্পর্কেও এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।” তিনি বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করব। দেখা করব বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। ব্যবসায়ী, টেকনোলজিস্ট, ক্রিকেটার, বলিউডের একগুচ্ছ তারকা এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গেও আমি দেখা করব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Guinness World Records: মাথা দিয়ে ১ মিনিটে ২৭৩টি আখরোট ভাঙলেন! গিনেস বুকে ভারতীয় যুবক

    Guinness World Records: মাথা দিয়ে ১ মিনিটে ২৭৩টি আখরোট ভাঙলেন! গিনেস বুকে ভারতীয় যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একজন ভারতীয় তাঁর নিজের মাথা দিয়ে ২৭৩টা আখরোট ভেঙে বিশ্বরেকর্ড করলেন। রীতিমতো সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে শোরগোল পড়েছে সামজিক মাধ্যমে। আখরোট ভেঙে বিশ্বরেকর্ড গড়া এই যুবকের নাম নবীন কুমার। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের (Guinness world records) ট্যুইটার থেকে সেই আখরোট ভাঙার ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজারের উপর মানুষ এই ভিডিও দেখেছেন। কেউ কেউ ভিডিও দেখে লিখেছেন, এটা কি সত্যই বাদাম!

    কীভাবে বিশ্ব রেকর্ড করলেন (Guinness world records)?

    একটি লম্বা টেবিলের উপরে সারিসারি আখরোট রেখে নিজের মাথা দিয়ে ঝড়ের গতিতে ভেঙে চলেছেন। এই দৃশ্য দেখে দর্শকরা রীতিমতো বিস্মিত হয়েছেন। কীভাবে সম্ভব হয়েছে! তাও আবার মানুষের মাথা দিয়ে এই বাদাম ভাঙার কাজ! মাত্র ২৭ বছরের নবীন কুমার গড়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৪.৫টা করে আখরোট ভাঙার নজির গড়েছেন। এর আগে পাকিস্তানের মহম্মদ রশিদের রেকর্ড ছিল ২৫৪টি আখরোট ভাঙার। যদিও মহম্মদ প্রথম বারেই সাফল্য পানিনি, ২০১৪ সালে ভেঙে ছিলেন ১৫০টি এবং এরপর আরও পরিশ্রম করে ২০১৬ সালে ভেঙে ছিলেন ১৮১টি আখরোট। ২০১৮ সালে ইতালিতে যখন প্রতিযোগিতা হয়েছিল, সেই সময় নবীনের বয়স ছিল মাত্র ২২। অপরে সেই সময় মহম্মদের বয়স ছিল ৩৬। মহম্মদ সেই বছর ২৫৪টি আখরোট ভেঙে বিশ্বরেকর্ড করলেও সেই বছর নবীনের আখরোট ভাঙার সংখ্যা ছিল ২৩৯টি। নবীন ২০১৭ সাল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু করেন। তিনি এই বিষয়ে বিশেষ অনুসরণ করতেন প্রভাকর রেড্ডিকে। প্রভাকরের কাছ থেকে মার্শাল আর্টের প্রশিক্ষণ নেন নবীন। পাঁচ বছর পর আবার এই বছর নিজে পরিশ্রম করে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন এবং বিশ্বরেকর্ডের (Guinness world records) সাফল্য অর্জন করেন। নবীন তাঁর সাফল্যকে বলেন, “আমি এটা প্রমাণ করতে চাইছিলাম যে রেকর্ড ভাঙা যায়।”

    গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কী বলেছেন?

    গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড (Guinness world records) থেকে বলা হয়, প্রভাকর খুব ভালো ভাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করেছেন নবীনকে। নবীন এখন বিশ্বজয়ী। আগামী দিনে মহম্মদের করা অনেক রেকর্ডকে ভাঙতে সক্ষম হবেন তিনি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড নিজের ট্যুইটে অভিনন্দন করে বলেছে, “নতুন বিশ্বরেকর্ড! নবীন কুমার মাত্র এক মিনিটে নিজের মাথা দিয়ে ২৭৩টি আখরোট ভেঙে বিশ্বসেরা নির্বাচিত হয়েছেন।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: গাড়ি কেনাই কাল হল! হাওড়ায় মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় দুই অধ্যাপিকা সহ তিনজনের মৃত্যু

    Howrah: গাড়ি কেনাই কাল হল! হাওড়ায় মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় দুই অধ্যাপিকা সহ তিনজনের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল দুই অধ্যাপিকাসহ তিনজনের। ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বই রোডে হাওড়ার (Howrah) উলুবেড়িয়ার কুলগাছিয়া উড়ালপুলে। জখম যুবককে উদ্ধার করে উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গাড়ির ভিতরে থাকা দুই অধ্যাপিকা সহ তিন জনের মৃত্যু হয়। দু-জনেই বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা ছিলেন। জানা গিয়েছে, উত্তরপাড়ার বাসিন্দা নন্দিনী ঘোষ (৩৬) মাইক্রো বায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশা রায় (৩৩) দূরশিক্ষা বিভাগের পরিবেশ বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক। মিশার বাড়ি সোদপুরে। একইসঙ্গে মৃত্যু হয়েছে গাড়িচালক বিশ্বজিত রায়ের(৩১)। বিশ্বজিতের বাড়িও উত্তরপাড়ায়।

    ঠিক কীভাবে দুঘর্টনা ঘটেছে?

    দুই অধ্যাপিকার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোয়ার্টার রয়েছে। তবে, মাঝেমধ্যে বাড়ি থেকে গাড়ি করে যাতায়াত করতেন তাঁরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খড়্গপুরের দিকে যাচ্ছিল ট্রেলারটি। উল্টো লেনে ছিল গাড়িটি। মেদিনীপুর থেকে নন্দিনীর গাড়ি করে তাঁরা হাওড়ার দিকে ফিরছিলেন। হাওড়ার (Howrah) উলুবেড়িয়ার কুলগাছিয়া উড়ালপুলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রেলারটি হঠাৎই ডিভাইডার টপকে পাশের লেনে চলে যায়। সেই সময় ওই লেনে কোলাঘাটের দিক থেকে আসছিল নন্দিনীদের গাড়িটি। ট্রেলারের সঙ্গে গাড়ির মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। গাড়িটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। গাড়ির মধ্যে আটকে পড়েন চালক সহ তিন যাত্রী। খবর পেয়ে আসে উলুবেড়িয়া থানার পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করেন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁদের নিয়ে আসা হয় উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকরা তিনজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    পরিবারের লোকজনের বক্তব্য?

    নন্দিনী ঘোষের বাবা সুদীপ ঘোষ বলেন, এক সময় মেয়ে শ্রীরামপুর কলেজে পড়াত। পরে, সে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেয়। ট্রেনে যাতায়াত করত। কিন্তু, লকডাউনের সময় গাড়ি কিনেছিল। গাড়ি করে যাতায়াত করত। সঙ্গে সোদপুরের মিশা থাকত। সোমবার সকালে আমি নিজে হাতে টিফিন তুলে দিয়েছি। বিকেলের পর মেদিনীপুর থেকে বেরিয়ে ওর মায়ের সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল। রাত ৮ টার পর আর তাঁদের খোঁজ মিলছিল না। প্রাক্তন আইপিএস হিসেবে তিনি লালবাজারে পুরানো সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারপরই হাওড়ার (Howrah) পথ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কার্যত তিনি ভেঙে পড়েন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share