Tag: Bengali news

Bengali news

  • Uttarkashi Tunnel Collapse: দুর্ঘটনার ৫ দিন পরেও সুড়ঙ্গে আটকে শ্রমিকরা, উত্তরকাশী গেল পিএমও দল

    Uttarkashi Tunnel Collapse: দুর্ঘটনার ৫ দিন পরেও সুড়ঙ্গে আটকে শ্রমিকরা, উত্তরকাশী গেল পিএমও দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরকাশীতে সুড়ঙ্গে ধসের (Uttarkashi Tunnel Collapse) পর কেটে গিয়েছে পাঁচ দিন। এখনও উদ্ধার করা যায়নি সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ৪০ জন শ্রমিককে। বাইরে থেকে অক্সিজেন এবং খাবার সরবরাহ করা হলেও, ক্রমেই মনে-প্রাণে ধ্বস্ত হয়ে পড়ছেন আটকে থাকা শ্রমিকরা। সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন এ রাজ্যের তিনজনও।

    উত্তরকাশীতে পিএমও-র দল

    উদ্ধারকার্য খতিয়ে দেখতে পিএমও-র একটি দল গিয়েছে উত্তরকাশীতে। জানা গিয়েছে, উদ্ধারকারী দল শুক্রবার পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সুড়ঙ্গের ২৪ মিটার অবধি যেতে পেরেছে। যদিও সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে যেতে হবে ৬০ মিটার। ন্যাশনাল হাইওয়ে অ্যান্ড ইনফ্রাকস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে পাঁচ নম্বর পাইপটি ঢোকানো হচ্ছে সুড়ঙ্গ পথে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের খাবার এবং জল সরবরাহ করা হচ্ছে। চলছে সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলিংও। তাঁরা সাইকোলজিক্যাল এক্সপার্টদের সঙ্গে কথাও বলছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রয়েছেন।

    ইন্দোর থেকে আসছে নয়া মেশিন

    জানা গিয়েছে, আটকে পড়া শ্রমিকদের (Uttarkashi Tunnel Collapse) উদ্ধার করতে এতদিন যেসব মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেগুলির পাশাপাশি নতুন মেশিন আনা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এখন যে মেশিন কাজ করছে, সেটি ডিজেল চালিত মেশিন। মেশিনটি এনক্লোজড এলাকায় কাজ করছে। তাই ভেন্টিলেশনের জন্য কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখতে হচ্ছে মেশিনটি। মেশিনটি চলাকালীন ব্যাপক কম্পনও হচ্ছে। সমস্যা মেটাতে ইন্দোর থেকে উড়িয়ে আনা হচ্ছে অগার মেশিন। উদ্ধারকার্যে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে, তাই এই ব্যবস্থা।

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা দেয়নি মমতা সরকার! অভিযোগ শুনতে কল-সেন্টার চালু করছে বিজেপি?

    উদ্ধারকার্য ত্বরান্বিত করতে বিভিন্ন সংস্থার ৬৫ জন কর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন এবং ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ। উদ্ধারকার্যে শামিল হয়েছেন থাইল্যান্ড ও নরওয়ের উদ্ধারকারী দলের বিশেষজ্ঞরাও। ন্যাশনাল হাইওয়ে অ্যান্ড ইনফ্রাকস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জানান, জায়েন্ট ড্রিল মেশিনের সাহায্যে সুড়ঙ্গে ৮০০-৯০০ মিলিমিটার ডায়ামিটারের পাইপ ঢোকানো হচ্ছে। এভাবেই তৈরি করা হবে জায়গা। তার পরেই উদ্ধার করা সম্ভব হবে সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের (Uttarkashi Tunnel Collapse)। এদিকে, আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে পুজো-আচ্চা শুরু হয়েছে সুড়ঙ্গের মুখে। প্রসঙ্গত, রবিবার দুপুরে জাতীয় সড়কের ওপর সুড়ঙ্গ তৈরি করতে গিয়ে ধস নামে। আটকে পড়েন শ্রমিকরা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: মেট্রোর জন্য ময়দানের ৭০০ গাছ কাটা যাবে না, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: মেট্রোর জন্য ময়দানের ৭০০ গাছ কাটা যাবে না, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেট্রো রেলের কাজের জন্য ময়দানের ৭০০ গাছ কাটা যাবে না। বহাল থাকল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) অন্তর্বর্তী আদেশ। শুক্রবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরন্মময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, মেট্রো কাজের জন্য যে গাছ কাটার কথা বলা হচ্ছে সেখানে কেন্দ্রের পরিবেশ মন্ত্রকের বক্তব্য পেশ করতে হবে। পাশাপাশি রাজ্যের বন দফতর এবং সেনাবাহিনীর মতামতও নিতে হবে। কাছ কাটতে গেলে সকলের অনুমতি নিতে হবে। সব পক্ষের বক্তব্য শুনে আগামী ১৯ ডিসেম্বর পরবর্তী মামলার শুনানি বলে জানা গিয়েছে।

    কী বলেন প্রধান বিচারপতি?

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেন, “আমরা মেট্রো প্রকল্পের কাজের বিরোধী নই। শহরে মেট্রো পরিষেবা একান্ত প্রয়োজন। মেট্রো সেই অর্থে বিলাসিতা নয়। দৈনন্দিন জীবনের এটি একটি প্রধান অঙ্গ। গঙ্গার তলা দিয়ে মেট্রোর কাজ অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তবে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। এটা শুধু মাত্র অন্তর্বর্তী আদেশ।”

    স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মামলা করেছিল (Calcutta High Court)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, মোমিনপুর থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মেট্রোর কাজ সম্প্রসারিত হচ্ছে। এই কাজের জন্য ভিক্টোরিরা মেমোরিয়াল এলাকায় মেট্রো সংলগ্ন ময়দানে ৭০০টি গাছ কাটা পড়বে বলে সূত্রে জানা গিয়েছে। এরপর ‘পিপল ইউনাইটেড ফর বেটার লিভিং ইন কলকাতা’ নামক এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জনস্বার্থে মামলা করে। সংগঠনের বক্তব্য, কলকাতার ফুসফুস হল ময়দান এলাকা। ১৯৫০ সালের পর থেকে সব শহরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য এই গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই গাছ কোনও ভাবেই কাটা যাবে না। গত ২৬ অক্টোবর হাইকোর্টের অন্তর্বর্তী আদেশে বলা হয়েছিল আগামী ৯ নভেম্বর পর্যন্ত  গাছ কাটা যাবে না। সেই সময় ডিভিশিন বেঞ্চের (Calcutta High Court) বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য এবং বিভাসরঞ্জন দে বলেন, যে সংখ্যায় গাছ কাটার কথা বলে হচ্ছে তা অত্যন্ত উদ্বেগের।

    মেট্রোর বক্তব্য

    হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশের পাশপাশি মেট্রোর সূত্রে জানা গিয়েছে, মেশিন এবং অন্য যন্ত্রপাতি পরিবহণ করতে ২০০টির বেশি গাছ কাটার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ময়দান স্টেশনটির দৈর্ঘ্য ৩২৫ কিমি হবে। সেইজন্য মাটি খোঁড়ার কাজ চলছে। তবে কাটার বিকল্পে গাছ লাগানোর কথাও চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amitabh Bachchan: বিশ্বকাপ ফাইনালে বিগ বি-কে মাঠে না আসার অনুরোধ নেটিজেনদের! কেন জানেন?

    Amitabh Bachchan: বিশ্বকাপ ফাইনালে বিগ বি-কে মাঠে না আসার অনুরোধ নেটিজেনদের! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট নিয়ে উন্মাদনা ভারতবাসীর কাছে সারা বছর ধরেই থাকে। এখন তো বিশ্বকাপ চলছে তার ওপর। ভারত আবার ফাইনালে উঠেছে। ক্রিকেট উন্মাদনার মধ্যে কুসংস্কারও দেখা যাচ্ছে কমবেশি। এই যেমন ধরুন, অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan) মাঠে গিয়ে খেলা দেখলে সেই ম্যাচ নাকি ভারত হেরে যায়! এমন কুসংস্কারে আচ্ছন্ন হয়ে বিগ বি-কে ফাইনাল খেলা দেখতে মাঠে না যাওয়ার আর্জি জানাল নেটিজেনরা।

    ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচের পরেই অমিতাভ বচ্চনের ট্যুইট

    আসলে ঘটনাটি হল গত ১৫ নভেম্বরের। ভাইফোঁটার দিন ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে দুরমুশ করে রোহিত বাহিনী। ৩৯৭ রানের লক্ষ্যমাত্রায় খেলতে নেমে ৭০ রানে পরাস্ত হয় নিউজিল্যান্ড। লাগাতার দশ ম্যাচ জেতে ভারতীয় দল। অপ্রতিরোধ্য ভারতকে দেখতে সেদিন মুম্বইতে হাজির ছিলেন সিনেমা জগতের অনেক নামকরা তারকা। দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্ত থেকে বলিউডের অনুষ্কা, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, কিয়ারা আদবানি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ওয়াংখেড় স্টেডিয়ামে। তবে সেদিন দেখা যায়নি অমিতাভ বচ্চনকে (Amitabh Bachchan)। ভারতের জয়ের পর একটি ট্যুইট ভেসে আসে শাহেনশার এক্স হ্যান্ডেল থেকে তাতে লেখা, ‘‘আমি যখন দেখি না সেই সময়ই আমরা জিতি।’’

    এরপরেই একের পর এক নেটিজেনের মন্তব্য দেখা যায় কমেন্ট বক্সে। কেউ লিখছেন, ‘‘আপনি কি ফাইনালের দিন চোখে রুমাল বেঁধে থাকবেন?’’ আর একজন লিখছেন, ‘‘আপনার কোনও দরকার নেই খেলা দেখার।’’ 

    শুক্রবার ফের ট্যুইট অমিতাভ বচ্চনের

    নেটিজনদের এই মন্তব্যের পরেই শুক্রবার ফের একটি ট্যুইট সামনে আসে অমিতাভ বচ্চনের (Amitabh Bachchan)। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘‘এখন ভাবছি যাব কি যাব না!’’

    সেখানে অবশ্য বিশ্বকাপের কথা কিছু উল্লেখ করেননি তিনি। তবে তাঁর ট্যুইট দেখেই বোঝা যাচ্ছে তিনি ১৯ তারিখে হতে চলা আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ভারত-অস্ট্রেলিয়া ফাইনাল ম্যাচের কথাই বলছেন। এখন দেখার অমিতাভ বচ্চন সেদিন মাঠে উপস্থিত হবেন নাকি কুসংস্কারকে মর্যাদা দেবেন!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chat Puja: কলকাতার দুই ‘ফুসফুসে’ প্রবেশ নিষিদ্ধ, নির্বিঘ্নে ছট পুজো সম্পন্ন করতে গুচ্ছ ব্যবস্থা

    Chat Puja: কলকাতার দুই ‘ফুসফুসে’ প্রবেশ নিষিদ্ধ, নির্বিঘ্নে ছট পুজো সম্পন্ন করতে গুচ্ছ ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারও ছট পুজো (Chat Puja) নিষিদ্ধ রবীন্দ্র সরোবর ও সুভাষ সরোবরে। জাতীয় পরিবেশ আদালতের নির্দেশে সোমবার দুপুর পর্যন্ত কলকাতার এই দুই লেকে ঢোকা বারণ। টাঙানো হয়েছে ‘প্রবেশ নিষিদ্ধ’ লেখা বোর্ড। এই দুই বৃহৎ জলাশয়ে পুজো নিষিদ্ধ হওয়ায় শহরের বিভিন্ন জায়গায় তৈরি করা হয়েছে কৃত্রিম জলাশয়।

    প্রবেশ নিষিদ্ধ লেখা বোর্ড

    গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটের পাশাপাশি দক্ষিণ কলকাতা ও পূর্ব কলকাতার এই দুই জলাশয়েও দীর্ঘ দিন ধরে হয়ে আসছিল ছট পুজো। মহানগরীর ফুসফুস স্বরূপ এই দুই জলাশয় বাঁচাতে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ মেনে এবারও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে ছট পুজোয়। রবীন্দ্র সরোবরে নিষেধাজ্ঞা জারির পাশাপাশি বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ব্যারিকেড। বেলেঘাটার সুভাষ সরোবরের খোলা জায়গা ঘিরে ফেলা হয়েছে টিনের বেড়া দিয়ে। আজ, শনিবার রাত ১০টা থেকে সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এই দুই জলাশয়ে।

    ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা 

    জানা গিয়েছে, এবার শহরের স্থায়ী ও অস্থায়ী জলাশয় ও গঙ্গার ঘাট মিলিয়ে ১৩০টি জায়গায় আয়োজন হচ্ছে ছট পুজোর (Chat Puja)। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ৭৭টি ঘাটে মোতায়েন করা হবে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। ছট পুজো নিষিদ্ধ হলেও, সুভাষ সরোবর ও রবীন্দ্র সরোবরে দায়িত্বে থাকবেন ডিসি পদমর্যাদার দুই আধিকারিক। ২৫০ জন করে তাঁদের অধীনে থাকবেন মোট ৫০০ জন পুলিশ কর্মী।

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা দেয়নি মমতা সরকার! অভিযোগ শুনতে কল-সেন্টার চালু করছে বিজেপি?

    ছট পুজো যাতে নির্বিঘ্নে শেষ হয় তাই শুক্রবার বৈঠকে বসে রাজ্য মন্ত্রিসভা। এই বৈঠকে জগদ্ধাত্রী পুজো নিয়েও হয়েছে আলোচনা। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ছট পুজো উপলক্ষে পুজোর দিন শহরে মোতায়েন করা হবে অতিরিক্ত হাজার চারেক পুলিশ কর্মী। দায়িত্বে থাকবেন ডিসি পদমর্যাদার প্রায় ৩৫ জন আধিকারিক। গঙ্গা ও শহরের বড় বড় জলাশয়গুলিতে পর্যাপ্ত লাইটের ব্যবস্থা রাখার সিদ্ধান্তও হয়েছে এদিনের বৈঠকে। দুর্ঘটনা এড়াতে তৎপর থাকতে হবে পুলিশকে। জগদ্ধাত্রী পুজোয়ও যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তাই মন্ত্রীদের নজর রাখতে বলা হয়েছে জেলায় (Chat Puja)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Joynagar: হামলার খবর আগাম জেনেও সতর্ক হয়নি পুলিশ! জয়নগর কাণ্ডে বদলি আইসি

    Joynagar: হামলার খবর আগাম জেনেও সতর্ক হয়নি পুলিশ! জয়নগর কাণ্ডে বদলি আইসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার  জয়নগরের (Joynagar) তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করের খুনের ঘটনা নিয়ে জেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই খুনের ঘটনায় মাস্টার মাইন্ড আনিসুর লস্করকে নদিয়া থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার আগে ঘটনাস্থল থেকে শাহরুল নামে আরও এক অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। এরইমধ্যে জয়নগর থানার আইসি রাকেশ চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁর জায়গায় বারুইপুর গোয়েন্দা পুলিশের আধিকারিক পার্থসারথি পালকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    কেন বদলি হলেন আইসি? (Joynagar)

    তৃণমূল নেতার উপর হামলা ঘটনা পুলিশ আগে থেকে জানত। জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করের উপর হামলার আশঙ্কার বিষয়ে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের পক্ষ থেকে মাসখানেক আগে জয়নগর থানাকে সতর্কও করা হয়। তারপরও থানার পক্ষ থেকে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ। সেই কারণেই কী আইসি আচমকাই বদলি করে দেওয়া হল। যদিও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একে লোকসভা নির্বাচনের আগে রুটিন বদলি বলেই বলা হচ্ছে।

    পরিকল্পনা করেই খুন!

    ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, জয়নগরে (Joynagar) তৃণমূল নেতা খুনের দেড় মাস আগে থেকে এই পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। আনিসুরই ছিল পরিকল্পনার মুল মাথা। তবে অর্থ যোগান দেওয়ার ক্ষেত্রে উঠে আসছে আরও দু’জনের নাম, তাঁদের মধ্যে একজন সইফুদ্দিনের পরিবারেই সদস্য। যার সাট্টার ঠেক ছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সাট্টার ঠেক বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছিল সইফুদ্দিনের প্রভাবে। পুলিশ সূত্রের খবর, এ ছাড়া সন্দেহের রয়েছেন বামনগাছি অঞ্চলের একজন ব্যবসায়ী যার ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল সইফুদ্দিনের হুমকি এবং নানা কর্মকাণ্ডে। তবে তাঁরা দু’জনেই ঘটনার পর থেকে পলাতক। তাঁদের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা গিয়েছে আনিসুরের সঙ্গে বড় ভাইয়ের’যোগাযোগ ছিল। দু’জনেই সিপিএমের কর্মী। বড়ভাই খুনের জন্য দক্ষ শাহরুলকে আনিসুরের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। গুলি করার পর কিছুটা বাইকে তার পর গ্রামবাসীরা ধাওয়া করলে রাস্তার পাশ দিয়ে ধানক্ষেত ধরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন শাহরুল। তখনই ফোন করে সে আনিসুরকে জানায় যে টার্গেট কমপ্লিট হয়ে গিয়েছে। ঘটনায় তিনজন ধরা পড়লেও আরও ৭-৮ জন এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আছে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ১৩ নভেম্বর সকালে জয়নগরের (Joynagar) বামনগাছি পঞ্চায়েতের বাঙালবুড়ির মোড়ে নমাজ পড়তে যাওয়ার সময় খুন হন সইফুদ্দিন। মসজিদের সিঁড়িতে সবে পা রেখেছিলেন তিনি, এমন সময়ে তাঁর ঘাড়ে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি চালিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। কিন্তু পালানোর সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় দু’জন ধরা পড়ে যান স্থানীয়দের হাতে। অভিযোগ, সাহাবুদ্দিন নামে তাঁদের এক জনকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। অন্য জন, শাহরুল শেখকে জখম অবস্থায় উদ্ধার করে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে গ্রেফতার করা হয় আনিসুর লস্কর এবং কামালউদ্দিন ঢালি নামে আরও দুই অভিযুক্তকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Moloy Ghatak: মিলল না রক্ষাকবচ, জেরা করতে পারবে ইডি, মলয়ের আর্জি খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    Moloy Ghatak: মিলল না রক্ষাকবচ, জেরা করতে পারবে ইডি, মলয়ের আর্জি খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। ইডির তরফে কয়লা পাচার মামলাতে গত দু বছরে ১২ বার তলব করা হয়েছে রাজ্যের আইনমন্ত্রী। কিন্তু মাত্র একবার তিনি হাজির হয়েছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের আইনমন্ত্রী (Moloy Ghatak) উচ্চ আদালতে আর্জি জানান যে ভবিষ্যতে তাঁকে যেন ইডি তলব না করে! এ নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি স্বর্ণকান্ত শর্মা জানান, মলয়ের এমন আবেদনে সাড়া দেওয়া হবে না। কোনও রক্ষাকবচও আইনমন্ত্রীকে দেওয়া হবে না।

    ইডির কাজে কোনওভাবে বাধা সৃষ্টি করা যাবেনা

    প্রসঙ্গত এর আগেই দিল্লি হাইকোর্ট (Moloy Ghatak) থেকে রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মলয় এবং এর পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল যে দিল্লিতে নয় কলকাতার অফিসে তাঁকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। চলতি বছরের ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট এই মর্মে জানায় যে কলকাতা অফিসে ডেকে আইনমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি। তলব না দেওয়ার কারণ হিসেবে নিজের ব্যস্ততার কথাও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। এর পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ যে তদন্তকারী সংস্থাকে ২৪ ঘণ্টা আগে নোটিশ দিতে হবে রাজ্যের আইনমন্ত্রীকে। শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্ট যে পর্যবেক্ষণ দেয় তাতে দেখা গেল যে আগের সমস্ত নির্দেশই বহাল রেখেছে আদালত। এর পাশাপাশি স্পষ্টভাবে দিল্লি হাইকোর্ট (Moloy Ghatak) জানিয়ে দিয়েছে, ইডি অফিসারদের কাজে কোনও ভাবেই যেন বাধা না দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ক্ষতি হবে এমন কিছু যেন না করা হয়। প্রসঙ্গত, মলয় ঘটকের আসানসোলের বাড়ি এবং কলকাতার আবাসনেও এর আগে একাধিকবার তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।

    ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে মলয়কে প্রথম তলব করে ইডি

    ২০২১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর কয়লা পাচার মামলায় প্রথম তলব করা হয় রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে। সেই সময় থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সামনে তিনি হাজির হননি। পরপর একাধিক সমান আসতে থাকে মলয় ঘটকের (Moloy Ghatak) নামে। মন্ত্রী অবশ্য দাবি করেন, দিল্লির অফিসে হাজিরা দিলে তাঁকে মানসিক এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হতে পারে। হুমকি দিতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইডি তলব যেন না করে তাঁকে সেই আর্জি জানিয়েছিলেন মলয়। তবে তাঁর আবেদনে কোনও সাড়া  এদিন দিল না দিল্লি হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: আমহার্স্ট স্ট্রিটকাণ্ডের প্রতিবাদে লালবাজার ঘেরাও অভিযানের ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: আমহার্স্ট স্ট্রিটকাণ্ডের প্রতিবাদে লালবাজার ঘেরাও অভিযানের ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমহার্স্ট স্ট্রিটকাণ্ডের প্রতিবাদে লালবাজার ঘেরাও অভিযানের ডাক দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, আমহার্স্ট স্ট্রিট থানায় পিটিয়ে খুন করা হয়েছে ওই যুবককে। শুক্রবার মৃত যুবকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু। তার পরেই লালবাজার ঘেরাও অভিযানের ডাক দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। শুভেন্দু বলেন, “আমরা অশোক সিংহের মৃত্যুকে ছোট আকারে দেখছি না। বৃহস্পতিবার আদালতের পরবর্তী নির্দেশ পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করব। তারপর লালবাজার ঘেরাও হবে। সেই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেব আমি।”

    শুভেন্দুর দাবি

    অশোককে থানায় পিটিয়ে মারা হয়েছে বলে দাবি করেন শুভেন্দু। ঘটনার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ মুছে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি তাঁর। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “ওই যুবকের মাথায় রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছিল। কিন্তু রক্ত জমাট বাঁধল কী করে? এটা করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ হরি দাস রায় ও তাঁর সহযোগী রাজু। ঘটনাটিকে ত্বরান্বিত করেছে ওসি আমহার্স্ট স্ট্রিট থানা। এই ক্ষমতাগুলো পেয়েছে বিনীত গোয়েলদের কাছ থেকে।” মৃত যুবকের পরিবারকে বিজেপির তরফে আইনি সাহায্য দেওয়া হবে বলেও জানান শুভেন্দু। তাঁর স্ত্রীর চিকিৎসার সব ব্যবস্থাও করার আশ্বাস দেন তিনি (Suvendu Adhikari)।

    কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি

    অশোকের মৃত্যুর ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। এদিন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের এজলাসে শুনানি হয় এই মামলার। দু’ পক্ষের সওয়াল শুনে আদালতের নির্দেশ, পুলিশের তদন্তের ওপর আস্থা প্রকাশ করা হচ্ছে। এই ঘটনায় দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তেরও কোনও প্রয়োজন নেই। চুরির মোবাইল ফোন কেনার অভিযোগে বুধবার আমহার্স্ট স্ট্রিট থানায় ডেকে পাঠানো হয় পেশায় ব্যবসায়ী অশোককে। জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানায় বিজেপি। অপসারণের দাবি তোলা হয় আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার ওসিকে।

    আরও পড়ুুন: ব্রিগেডে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ, দিল্লিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানালেন সুকান্ত

    বিজেপির দাবি ছিল, রাজ্যের হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হলে যেন চিকিৎসক আসেন কমান্ড হাসপাতাল থেকেই। যদিও পুলিশের দাবি, অশোককে মারধর করা হয়নি। অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান তিনি। মাথা ফেটে যায়, মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা বেরিয়ে আসে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া (Suvendu Adhikari) হলে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: ডিপফেক নিয়ে উদ্বিগ্ন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও, হুঁশিয়ারি দিলেন চ্যাট জিপিটিকে

    PM Modi: ডিপফেক নিয়ে উদ্বিগ্ন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও, হুঁশিয়ারি দিলেন চ্যাট জিপিটিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের হাতে এখন কৃত্রিম মেধার মতো উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে। আমাদের উচিত দায়িত্ববোধের সঙ্গে সেই প্রযুক্তি ব্যবহার করা। কেউ যেন এই ধরনের প্রযুক্তির অপব্যবহার না করেন। এজন্য এ ব্যাপারে উপযুক্ত শিক্ষার প্রসার ঘটানো জরুরি।” শুক্রবার দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে আয়োজিত দিওয়ালি মিলন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে একথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “একটি ফেক ভিডিওতে আমাকে গরবা নাচতে দেখা গিয়েছে। এটা দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিপফেক আমাদের কাছে ক্রমেই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।”

    ‘অশান্তি ও অস্থিরতার সৃষ্টি হতে পারে’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সমাজের একটা বড় অংশের মানুষের এই জাল ভিডিও যাচাই করার সুযোগ নেই। তাই লোকজন সহজেই ডিপফেককে বিশ্বাস করে নেয়। এতে সমাজে অশান্তি ও অস্থিরতার সৃষ্টি হতে পারে।” তিনি বলেন, “ডিপফেক কীভাবে কাজ করে, এটা কী করতে পারে, কোন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে আমাদের, এ থেকে কী হতে পারে, এগুলো আমাদের জানতে হবে। দেশবাসীকে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। একটি ফেক ভিডিওয় আমাকে গরবা নাচতে দেখা গিয়েছে। স্কুল ছাড়ার পর কোনওদিনই আমি গরবা নাচিনি। আমার প্রিয়জনেরাও এই ভিডিও শেয়ার করছেন। এটা গভীর উদ্বেগের বিষয়।”

    চ্যাট জিপিটিকে হুঁশিয়ারি

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জানান, তিনি ইতিমধ্যেই চ্যাট জিপিটির সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের এ ব্যাপারে সতর্ক করার পাশাপাশি ডিপফেক প্রযুক্তিকেও যেন তাদের তৈরি ভিডিও বা অন্য বিষয়বস্তু নিয়ে সতর্ক করা হয়। তিনি বলেন, “গত সপ্তাহেও আমরা ‘ভোকাল ফর লোকালে’র পক্ষে সওয়াল করেছিলাম। আমরা বলেছিলাম, দেশে প্রায় ৪.৫ লাখ কোটি টাকার ব্যবসা হচ্ছে। লোকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায় নিযুক্ত হয়ে রোজগার করছেন। এর ভিত্তিতেই আমরা উন্নত ভারত গঠনের পথে এগোতে পারি। এ ব্যাপারে একটা বিশ্বাসের জায়গা গড়ে তুলতে হবে। এ ব্যাপারে দেশবাসীকে উৎসাহ দিতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: জমির দালাল থেকে তৃণমূলের প্রধান, রকেট গতিতে উত্তরণই কাল হল রূপচাঁদের

    তিনি (PM Modi) বলেন, “আপনারা এ নিয়ে সম্মেলনের আয়োজন করতে পারেন। সেখানে আলোচনা করতে পারেন দেশের ১০টি শহর কীভাবে এক ট্রিলিয়ান থেকে তিন ট্রিলিয়ন অর্থনীতির হতে পেরেছে। কীভাবে ওই শহরগুলি ক্রমেই তাদের অর্থনীতির ভিত মজবুত করে চলেছে? এ ব্যাপারে আলোচনা করতে আপনারা ওই শহরগুলি থেকে বিশেষজ্ঞদের আনতে পারেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Jammu Kashmir: ভূস্বর্গে জঙ্গি-নিরাপত্তারক্ষী সংঘর্ষ, খতম লস্কর-ই-তইবার ৫ জঙ্গি

    Jammu Kashmir: ভূস্বর্গে জঙ্গি-নিরাপত্তারক্ষী সংঘর্ষ, খতম লস্কর-ই-তইবার ৫ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে (Jammu Kashmir) ফের খতম জঙ্গি। শুক্রবার নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে জঙ্গিরা। কুলগাঁওয়ের ওই সংঘর্ষে মৃত্যু হয় পাঁচ জঙ্গির। মৃত জঙ্গিরা লস্কর-ই-তইবার সদস্য ছিল। গত দুদিন ধরে চলছিল সংঘর্ষ। শেষমেশ শুক্রবারে নিকেশ হয় জঙ্গিরা। কাশ্মীর জোন পুলিশ হ্যান্ডেলে করা পোস্টে লেখা হয়েছে, “দ্বিতীয় দিন: পাঁচ জঙ্গি নিকেশ কুলগাঁও পুলিশ, সেনা ও সিআরপিএফ। জঙ্গিদের ডেরা থেকে উদ্ধার হয়েছে আপত্তিকর বস্তু। অভিযান শেষ পর্যায়ে। এলাকা জঙ্গিমুক্ত।”

    জঙ্গিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি

    স্থানীয় সূত্রে খবর, জঙ্গিদের খোঁজে এখনও এলাকায় চলছে তল্লাশি। সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষীদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলি বিনিময়ও চলছে। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে খবর, কুলগাঁওয়ের ডিএইচ পোরা অঞ্চলের সামনো এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুরে শুরু হয় সংঘর্ষ। সেই সংঘর্ষই চলছে এখনও। জঙ্গিদের (Jammu Kashmir) বিরুদ্ধে এই যৌথ অভিযানে অংশ নিয়েছে সেনার ৩৪ নম্বর রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, ৯ পারা, পুলিশ এবং সিআরপিএফ।

    অনুপ্রবেশের চেষ্টা জঙ্গিদের

    এর আগে নভেম্বরের ১৫ তারিখে উরি সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল জঙ্গিরা। তাদের সে চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে সেনা। ‘অপারেশন কালী’ নামের ওই যৌথ অভিযানে সেনা ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ অনুপ্রবেশের চেষ্টা রুখে দিয়ে জঙ্গিদের পরিকল্পনা ভেস্তে দেয়। একই অঞ্চলে এদিন অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল জঙ্গিরা। সেই চেষ্টায়ও জল ঢেলে দিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা। নিহত জঙ্গিদের একজন বশির আহমেদ মালিক। জম্মুকাশ্মীরে সীমান্তপারের সন্ত্রাসীদের এক চাঁই ছিল সে।

    আরও পড়ুুন: বৈঠক শেষে ফের জিনপিংকে ‘একনায়ক’ কটাক্ষ বাইডেনের, কেন চুপ চিনা প্রেসিডেন্ট?

    ফি বার শীতকালে তীব্র ঠান্ডার সুযোগ নিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। ঠান্ডা পড়তেই এবার শুরু হয়ে গিয়েছে জঙ্গিদের তৎপরতা। তবে সীমান্তে সেনার শ্যেনদৃষ্টি এড়িয়ে আপাতত তা সম্ভব হচ্ছে না পাকিস্তানে ঘাঁটি গেড়ে থাকা জঙ্গিদের পক্ষে। প্রসঙ্গত, দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরেই কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা রদ করে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার পর থেকে ক্রমেই কমতে থাকে ভূস্বর্গে রক্ত ঝরার পরিমাণ। যদিও বিক্ষিপ্ত অশান্তি লাগিয়েই রেখেছে জঙ্গিরা। এরই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জারি রয়েছে জঙ্গি অনুপ্রবেশ। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের সেই প্রচেষ্টা রুখতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে জঙ্গিরা (Jammu Kashmir)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Myanmar: শরণার্থীর ভিড়ে মিশে দেশে ঢুকছেন মায়ানমারের সেনাকর্মী, মাথাব্যথা বাড়ছে ভারতের

    Myanmar: শরণার্থীর ভিড়ে মিশে দেশে ঢুকছেন মায়ানমারের সেনাকর্মী, মাথাব্যথা বাড়ছে ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-মায়ানমার সীমান্তে চলছে ঘোর যুদ্ধ। ভয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে ঢুকে পড়ছে মায়ানমারবাসী। পিঠ বাঁচাতে জনতার ভিড়ে মিশে গিয়ে ভারতে ঢুকে পড়ছে মায়ানমারের (Myanmar) সেনারাও। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে হাজার পাঁচেক মায়ানমারবাসী। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সেনাকর্মীও রয়েছেন। ভারতে ঢোকার জন্য মিজোরাম সীমান্তে অপেক্ষার প্রহর গুণছেন বহু শরণার্থী।

    জুন্টা সেনার বিরুদ্ধে লড়ছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী

    বছর কয়েক আগে অং সান সু চি-র দলকে সরিয়ে মায়ানমারের রাশ হাতে নেয় সেনা পরিচালিত জুন্টা সরকার। সম্প্রতি জুন্টা সেনার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরে বিদ্রোহী গোষ্ঠী। তার পর থেকেই চলছে দু’ পক্ষে তুমুল সংঘর্ষ। মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড এই তিন রাজ্যের সীমানা লাগোয়া ভারত-মায়ানমার সীমান্ত রয়েছে দেড় হাজার কিলোমিটারের কাছাকাছি। এই অঞ্চলে দেড়শোরও বেশি জনগোষ্ঠীর বাস। ভারতে ঢুকে এদের ভিড়েই মিশে যাচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা (Myanmar)। দিন কয়েক আগে এ দেশে আশ্রয় নিয়েছিলেন মায়ানমারের ৩৯ জন সেনাকর্মীও। রবিবার ঢুকে পড়েছে আরও পাঁচজন। এঁদের শনাক্ত করে মায়ানমারে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    ভারতের শিরঃপীড়ার কারণ 

    পড়শি দেশের এই গৃহযুদ্ধই শিরঃপীড়ার কারণ হচ্ছে ভারতের। তাই ‘মিশন মায়ানমার’ হাতে নিয়েছে নয়াদিল্লি। এর লক্ষ্য হল, মায়ানমার সীমান্তবর্তী ভারতের গ্রামগুলির বাসিন্দাদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং মায়ানমারের দুর্গতদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া। মায়ানমারের পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে চলে না যায়, সেই চেষ্টাও করছে নয়াদিল্লি। সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

    আরও পড়ুুন: গাজায় প্রবীণ হামাস নেতার বাড়িতে হানা ইজরায়েলের, কোথায় গেলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী?

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, “আমরা মায়ানমারে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানাচ্ছি। ভারত-মায়ানমার সীমান্তে মিজোরামের জোখাওথারের উল্টো দিকে, মায়ানমারের চিন প্রদেশের রিখাওদার এলাকায় তীব্র লড়াইয়ের ফলে, মায়ানমারের নাগরিকরা ভারতে পালিয়ে আসছেন। আমাদের সীমান্তের কাছাকাছি এই ধরনের ঘটনা নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।” তিনি বলেন, “মায়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের অবস্থান খুব স্পষ্ট। হিংসা বন্ধ হোক, এটাই চায় ভারত। আমরা চাই গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে এই পরিস্থিতির সমাধান হোক।” বাগচি বলেন, “মানবিক কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেশী রাজ্যের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তাঁদের সেখানে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। যারা মায়ানমারে (Myanmar) ফিরে যেতে ইচ্ছুক, আমরা তাদের ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থাও করে দিয়েছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share