Tag: Bengali news

Bengali news

  • Jadavpur University: রাজ্যপালের নির্দেশে পদত্যাগ করলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

    Jadavpur University: রাজ্যপালের নির্দেশে পদত্যাগ করলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেক আগেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) অস্থায়ী উপাচার্য হিসেবে অমিতাভ দত্তকে নিয়োগ করেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শুক্রবার অমিতাভ দত্ত উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। প্রশাসনিক সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে যে, রাজ্যপালের নির্দেশেই এই পদত্যাগ। প্রসঙ্গত, রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পদাধিকার বলে আচার্য হন রাজ্যপাল। 

    রাজভবনের সঙ্গে বিকাশ ভবনের দ্বন্দ্ব

    রাজভবনের সঙ্গে বিকাশ ভবনের দ্বন্দ্ব ক্রমশই বাড়তে থাকে তখন থেকে যখন উপাচার্য নিয়োগের দায়িত্ব রাজ্যপাল নিজে হাতে নেন। এই আবহে এই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক অমিতাভ দত্তকে উপাচার্যের দায়িত্ব দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। শুক্রবার তাঁর নির্দেশেই পদত্যাগ করলেন অমিতাভ দত্ত (Jadavpur University)। এবিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘‘এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। উনিই তাঁকে নিয়োগ করেছিলেন। উনিই তাঁকে ইস্তফা দিতে বলেছিলেন। তা ছাড়া উনি উপাচার্যের সুযোগ সুবিধাও নিচ্ছেন না।’’ প্রসঙ্গত, শুক্রবার উপাচার্য নিয়োগ প্রক্রিয়াকে রাজ্য সরকারের হাতে রাখতে সার্চ কমিটি তৈরিতে উদ্যোগী হয়েছে শাসক দল। এবং সেই মতো বিধানসভায় পাশ করা হয়েছে একটি সংশোধনী বিল। ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি (সংশোধনী) ল বিল ২০২৩’। এই আইনের দ্বারা স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করতে পারবে সরকার।  বিধানসভায় এই বিল যখন পাশ হচ্ছে তখন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সমেত বিজেপি বিধায়করা এর বিরোধিতা করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

    রাজভবনে বিজেপি বিধায়করা

    নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্য বিধানসভায় পাশ হওয়া বিল রাজ্যপাল সই করলে তখনই তা আইনে পরিণত হয়। এই আইনের দ্বারা উপাচার্য নিয়োগের যাবতীয় ক্ষমতা সরকার নিজেদের হাতে নিতে চাইছে। বিজেপির পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক তথা উত্তরবঙ্গের বিধায়ক মনোজ টিগ্গার নেতৃত্বে শুক্রবারই এক প্রতিনিধি দল রাজভবন পৌঁছায় এবং রাজ্যপালের কাছে তাঁরা অনুরোধ জানান যে ওই বিলে যাতে তিনি স্বাক্ষর না করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Slams Mamata: ‘‘পুলিশের কাজ ভোট লুট, টাকা তোলা’’, বেহালার ঘটনায় মমতাকেই দুষলেন শুভেন্দু

    Suvendu Slams Mamata: ‘‘পুলিশের কাজ ভোট লুট, টাকা তোলা’’, বেহালার ঘটনায় মমতাকেই দুষলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেহালার সড়ক দুর্ঘটনায় বড়িশা হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির পড়ুয়ার মৃত্যুর জন্য সরাসরি পুলিশ ও মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সংবাদমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দিয়ে বিজেপি বিধায়ক বলেন, ‘‘এখন পুলিশের কাজ তৃণমূলের হয়ে ভোট লুট করা এবং রাস্তা থেকে টাকা তোলা। পুলিশ ব্যবস্থাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ করে দিয়েছেন, ধ্বংস করে দিয়েছেন। তার পরিণতিতে ওইরকম একটা ফুটফুটে বাচ্চার মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটল। পুলিশের এই অবস্থার জন্য আইপিএস এবং ইন্সপেক্টররা দায়ী, নিচুতলার কনস্টেবল বা এসআই দায়ী নন।’’

    পুলিশই দায়ী, বলছেন শিক্ষকরাও

    শুধু শুভেন্দু নন, ছোট্ট সৌরনীলের মৃত্যুতে পুলিশকেই দায়ী করেছেন স্কুলের শিক্ষক থেকে শুরু করে অভিভাবকরা। অভিযোগ, স্কুল শুরুর সময়ে প্রতি দিন যানজট দেখা গেলেও তা সামলাতে ট্র্যাফিক পুলিশের দেখা মেলে না। আরও অভিযোগ, পাশে অন্য বেসরকারি স্কুলের সামনে ট্র্যাফিক পুলিশ থাকে, ভিড় নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু এই স্কুলের সামনে থাকে না। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘‘স্কুলে গরিব ঘর থেকে শিশুরা আসে, কেউ চার-চাকা করে আসে না। তাই স্কুলের সামনে নেই কোনও নিরাপত্তা।’’ তিনিও এই দুর্ঘটনার জন্য পুলিশকেই দায়ী করেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘সকালে আমার সঙ্গে কত কথা বলল…’’, ছেলের রক্তাক্ত ব্যাগ আঁকড়ে রয়েছেন সৌরনীলের মা

    ছোট্ট সৌরনীলকে পিষে দিয়ে যায় লরি

    শুক্রবার সাতসকালে বেপরোয়া লরির ধাক্কায় বেহালার বড়িশা হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির পড়ুয়া সৌরনীল সরকারের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় এসএসকেএমের ট্রমা কেয়ারে ভর্তি তার বাবা সরোজ কুমার সরকার। এই দুর্ঘটনাকে ঘিরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। উত্তেজিত জনতা রাস্তায় মৃতদেহ ফেলে রেখে বিক্ষোভ দেখান। পুলিশের গাড়ি-বাইক জ্বালিয়ে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্ষোভের আঁচ গিয়ে পড়ে ডায়মন্ড হারবার ট্রাফিক গার্ডে। অফিসে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় কন্ট্রোল রুমে। পাল্টা লাঠিচার্জ-কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। দফায় দফায় জনতার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ। আহত হন পুলিশ এবং আমজনতা। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা।

    কী বললেন পুলিশ কমিশনার?

    এদিকে, ধুন্ধুমার কাণ্ডের পরে ঘটনাস্থলে যান কলকাতার নগরপাল পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল সহ শীর্ষ আধিকারিকরা। সিপি বলেন, ‘‘ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে সেদিকে নজর রাখছি আমরা। আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি যাতে ওই এলাকায় যান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা হয়। সাউথ ওয়েস্ট ট্রাফিক গার্ডের সঙ্গে আলোচনায় বসবে বেহালা, ঠাকুরপুকুর, পর্ণশ্রী ও হরিদেবপুর থানা। এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে অসুবিধার কথা জেনেছি। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেব।”

    আরও পড়ুন: লরির ধাক্কায় মৃত খুদে পড়ুয়া! পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধে ধুন্ধুমার বেহালায়

    রিপোর্ট তলব নবান্নর

    এদিকে, নবান্ন সূত্রের খবর, বেহালা দুর্ঘটনা ও তার পরবর্তী অশান্তিতে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী নিজে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী ও পুলিশ কমিশনারকে ফোন করে খোঁজখবর নিয়েছেন। লালবাজারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে নবান্ন। কলকাতা পুলিশের ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ কর্মসূচির মধ্যে কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল তা মুখ্যমন্ত্রী জানতে চেয়েছেন। পাশাপাশি, রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ স্তরের নির্দেশে স্কুলে পৌঁছেছেন স্কুল শিক্ষা দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। তারাও পুলিশের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে। মৃত পড়ুয়ার বাড়িতেও যাচ্ছেন সরকারি অফিসাররা। শোনা যাচ্ছে, নিহতের বাড়িতে যেতে পারেন রাজ্যপালও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Digital Currency: ‘মুদ্রা’ লেনদেনে ডিজিটাল বিপ্লব ঘটাতে চলেছে ভারত, তৈরি হচ্ছে ইতিহাস

    Digital Currency: ‘মুদ্রা’ লেনদেনে ডিজিটাল বিপ্লব ঘটাতে চলেছে ভারত, তৈরি হচ্ছে ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মুদ্রা লেনদেনের ব্যাপারে আসতে চলেছে আমূল পরিবর্তন। যা বদলে দেবে লেনদেন ব্যবস্থার ইতিহাস। সমগ্র বিশ্ব যখন ডিজিটাল যুগে চলছে, ঠিক তখন এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভারতও মুদ্রা লেনদেনের ক্ষেত্রে ডিজিটাল বিপ্লব ঘটাতে চলেছে। খুব শীঘ্র সমগ্র ভারতবর্ষ জুড়ে চালু হতে চলেছে ডিজিটাল কারেন্সি (Digital Currency)। গত বছরই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে এই বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে কিছু নির্ধারিত ব্যাঙ্কের মাধ্যমে এই সুবিধা পাওয়াও যাচ্ছে। এর মধ্যে HDFC BANK, ICICI BANK, BANK OF BARODA প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

    কী এই ডিজিটাল কারেন্সি (Digital Currency)?

    ডিজিটাল কারেন্সি বা ‘ডিজিটাল মুদ্রা’ হল ভারতীয় মুদ্রারই একটি ডিজিটাল রূপ। যাকে ইলেকট্রনিক মুদ্রাও বলা যেতে পারে। এই মুদ্রা দিয়ে সাধারণ মুদ্রার মতোই অনলাইন ও অফলাইনের মাধ্যমে লেনদেন করা যায়। বর্তমানে এই ডিজিটাল মুদ্রা সংক্রান্ত বিষয়টি পরীক্ষামূলক অবস্থায় রয়েছে। ভবিষ্যতে সমস্ত ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই ডিজিটাল কারেন্সি (Digital Currency) ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হবে। আর এই মুদ্রাগুলি সম্পূর্ণ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক দ্বারা স্বীকৃত। এই মুদ্রার নিজস্ব একটি নাম দেওয়া হয়েছে। সেটি হল সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক ডিজিটাল কারেন্সি বা CBDC। এর মূল্য সাধারণ মুদ্রার সমান।

    ডিজিটাল মুদ্রার (Digital Currency) সুবিধা ও বৈশিষ্ট্যগুলি কী?

    এই ডিজিটাল মুদ্রাগুলির বিশেষ কিছু সুবিধা আছে। যেমন-

    ১) এই মুদ্রাগুলি অনলাইন এবং অফলাইন দুটি মাধ্যমেই ব্যবহার করা যেতে পারে।
    ২) সাধারণ ব্যবহৃত মুদ্রা বা নোটগুলি অনেক সময় ছিঁড়ে যায় বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু এই মুদ্রাগুলি ছিঁড়ে যাওয়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। কারণ এটি একটি ইলেকট্রনিক সংস্করণ। 
    ৩) এই ডিজিটাল মুদ্রা (Digital Currency) ব্যবহার করার জন্য কোনও আলাদা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে হয় না, আপনার ব্যবহৃত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই এই মুদ্রা লেনদেন সম্ভব।
    ৪) ডিজিটাল মুদ্রাগুলির ব্যাঙ্কের সাথে কোনও সম্পর্ক থাকছে না। এটি সরাসরি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সাথে যুক্ত থাকবে।

    এখনও পর্যন্ত কোন কোন ব্যাঙ্কে এই ডিজিটাল মুদ্রার সুবিধা আছে?

    গত বছর অর্থাৎ ২০২২ সালের ১ লা নভেম্বর রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সিদ্ধান্তে এই ডিজিটাল কারেন্সির সূচনা করা হয় এবং একটি পরীক্ষামূলক ভাবে দেশের ন’টি ব্যাঙ্ক এই পাইলট পরিকল্পনার সাথে যুক্ত হয়। যেমন-স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ব্যাঙ্ক অফ বরোদা, ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্ক, IDFC First Bank ও HSBC ব্যাঙ্ক।

    কীভাবে ব্যবহার করা হয় এই ডিজিটাল মুদ্রা (Digital Currency)?

    ১) ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবহারের পাইলট প্রকল্পে অংশগ্রহণকারী ব্যাঙ্কগুলিতে অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক। সেই ব্যাঙ্কগুলি তাদের নিজস্ব ডিজিটাল মুদ্রার অ্যাপ চালু করেছে।
    ২) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটিকে এই ডিজিটাল মুদ্রা (Digital Currency) আক্সসেস করার জন্য উপযোগী হতে হবে।
    ৩) আপনার অ্যাকাউন্ট যদি ডিজিটাল মুদ্রার জন্য যোগ্য হয়, তাহলে সরাসরি ব্যাঙ্কের ডিজিটাল মুদ্রা অ্যাপের মাধ্যমে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন।

    ডিজিটাল মুদ্রার (Digital Currency) সাথে কি UPI এর কোনও মিল আছে?

    ডিজিটাল মুদ্রার সঙ্গে ইউপিআই-এর কোনও গঠনমূলক সম্পর্ক নেই, এই দুটির মধ্যে রয়েছে অসংখ্য পার্থক্য। যেমন ডিজিটাল মুদ্রা (Digital Currency) সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক ডিজিটাল কারেন্সি (CBDC) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, অপরদিকে ইউপিআই ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ডিজিটাল মুদ্রা অনলাইন এবং অফলাইন দুটি মাধ্যমে ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু ইউপিআই অনলাইন ছাড়া অফলাইনে ব্যবহার করা সম্ভব নয়। ডিজিটাল কারেন্সি আপনার জমা টাকার একটি ইলেকট্রনিক সংস্করণ যা একটি অ্যাপ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, অপরদিকে UPI একটি রিয়েল টাইম পেমেন্ট সিস্টেম।

    ভারতীয় ডিজিটাল মুদ্রা (Digital Currency) এবং তার প্রতীক

    ডিজিটাল মুদ্রাকে দুটি ইউনিটে ভাগ করা হয়েছে-টাকা এবং পয়সা। এদের নিজস্ব ডিজিটাল প্রতীক নির্ধারণ করা হয়েছে, টাকার জন্য e₹ আর পয়সার জন্য eप। 
    ডিজিটাল মুদ্রার (Digital Currency) টাকার ব্যবহৃত ফ্রিকোয়েন্সিগুলি হল- e₹2 , e₹5 , e₹10 , e₹20 , e₹50 , e₹100 , e₹200 , e₹500, e₹2,000 এবং পয়সার ক্ষেত্রে 50eप।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Behala Accident: ‘‘সকালে আমার সঙ্গে কত কথা বলল…’’, ছেলের রক্তাক্ত ব্যাগ আঁকড়ে রয়েছেন সৌরনীলের মা

    Behala Accident: ‘‘সকালে আমার সঙ্গে কত কথা বলল…’’, ছেলের রক্তাক্ত ব্যাগ আঁকড়ে রয়েছেন সৌরনীলের মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর ঠিক ২১ দিন পর, আগামী ২৫ অগাস্ট ছিল সৌরনীল সরকারের জন্মদিন। তেমনটাই নথিভুক্ত স্কুলের রেজিস্টারে। কিন্তু, বিধি বাম। তার আগেই অকালে ঝরে পড়ল একটি জীবন। খালি হয়ে গেল মায়ের কোল। 

    ‘‘সোনাই আর ফিরবে না…’’

    বেহালা চৌরাস্তায় বড়িশা হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র সৌরনীল থাকতো নবপল্লী রবীন্দ্রনাথ টেগোর রোডে। শুক্রবার সকালে স্কুলে যাওয়ার জন্য বাবার হাত ধরেই রাস্তা পার করছিল ছোট্ট সৌরনীল। আচমকা, নিমেষের মধ্যে সৌরনীলকে পিষে দিয়ে চলে যায় একটি লরি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুর্ঘটায় আহত সৌরনীলের বাবা সরোজ কুমার সরকার। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি। আর মা! তিনি কার্যত শোকে পাথর হয়ে গিয়েছেন। কখনও স্কুলে, তো কখনও মর্গে গিয়ে একরত্তি ছেলের নিথর দেহ ধরে কেঁদেই চলেছেন।

    একমাত্র সন্তান মৃত। স্বামী হাসপাতালে শয্যাশায়ী। এই পরিস্থিতিতে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই সৌরনীলের মা দীপিকা সরকার। আজ পরীক্ষা ছিল। নিজে হাতে খাইয়ে, পোশাক পরিয়ে বাবার সঙ্গে ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন স্কুলে। মাকে টাটা করতে করতেই প্রতিদিনের মতো বাড়ির গেট দিয়ে বেরিয়েছিল ছোট্ট সৌরনীল। কিন্তু কে জানত, সেই দেখাই শেষ দেখা হবে! অস্ফুট কণ্ঠে তিনি বলে চলেছেন, ‘‘সকালেই আমার সঙ্গে কত কথা বলে বেরিয়ে ছিল। সোনাই আর ফিরবে না।’’ 

    আরও পড়ুন: লরির ধাক্কায় মৃত খুদে পড়ুয়া! পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধে ধুন্ধুমার বেহালায়

    মর্গে বসেই প্রলাপ সন্তানহারা মায়ের

    স্কুলের তরফ থেকেই বাড়িতে খবর দেওয়া হয়। সেখান থেকেই ছুটে আসেন মা। তাঁকে বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বিদ্যাসাগরের হাসপাতালে মর্গেই রয়েছে সাত বছরের খুদের নিথর দেহ। বাইরে ছেলের রক্তাক্ত বইয়ের ব্যাগ আঁকড়ে বসে প্রলাপ বকে চলেছেন মা। মানতেই পারছেন না, তাঁর ছোট্ট সোনাই আর নেই। তাকে কোনওদিনও আদর করতে পারবেন না।

    স্কুলে সৌরনীলের ক্লাস টিচার মমতা ঘোষ জানিয়েছেন, জন্মদিন উপলক্ষে বাবা, মায়ের সঙ্গে প্রিন্সেপ ঘাটে ঘুরতে যাবে বলে জানিয়েছিল সৌরনীল। অত্যন্ত মিশুকে ও পড়াশোনায় খুবই ভালো ছিল সে। কোনও বিষয়ে ডাউট হলে, ভালো করে বুঝে নিত। শরীর খারাপ না হলে স্কুল কামাই একদম-ই করত না। কথা বলতে বলতে তিনিও কেঁদে ফেলেন…

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Income Tax Refund: আয়কর রিফান্ডের মেসেজ পেয়েছেন? না বুঝে লিঙ্কে ক্লিক করলেই কিন্তু বিপদ!

    Income Tax Refund: আয়কর রিফান্ডের মেসেজ পেয়েছেন? না বুঝে লিঙ্কে ক্লিক করলেই কিন্তু বিপদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই বছরের ৩১ জুলাই ছিল আয়কর রিটার্ন দাখিল (Income Tax Refund) করার শেষ দিন। উল্লেখ্য, যাঁরা আয়কর জমা করেছেন, তাঁদের অনেকেই আবার রিফান্ডও পাবেন। আর এই রিফান্ড পাওয়ার সময় উপভোক্তাদের ফোনে প্রতারণা করার সুযোগ নিয়ে থাকে কিছু দুষ্ট চক্র। তাই আয়কর দফতর ট্যুইটের মাধ্যমে জনমানসকে সচেতন করেছে।

    কেন আয়কর দফতরের এমন বার্তা (Income Tax Refund)?

    আয়কর দফতরের (Income Tax Refund) এমন বার্তার কারণ হল, অনেক উপভোক্তা রয়েছেন, যাঁরা এই সময়ে রিফান্ডের মেসেজ পাচ্ছেন। আর ঠিক তাঁদেরকে উদ্দেশ্য করেই সাইবার প্রতারকরা রিফান্ডের মেসেজ পাঠিয়ে সঙ্গে অতিরিক্ত একটি লিঙ্ক দিচ্ছে। মেসেজে টাকার অঙ্কের সঙ্গে বলা হচ্ছে ওই লিঙ্কে ক্লিক করতে। আর তা করলেই নতুন একটি পেজ খুলে যায়। এই পেজ খুললেই বেশ কিছু তথ্য দিতে বলা হয়। তা দিলেই ব্যাঙ্কের সব টাকা উধাও। এই ধরনের সাইবার প্রতারকরা উপভোক্তাদের টার্গেট করে মূলত আয়কর দেওয়ার সময়সীমা অতিক্রমের পরের সময়েই। অনেক গ্রাহক এইভাবে প্রতারণার শিকারও হন। তাই প্রতারণা থেকে গ্রাহকদের সচেতন করতেই আয়কর দফতর বিশেষ বার্তা দিচ্ছে ট্যুইটারে।

    আয়কর দফতর কী বলেছে?

    একটি ট্যুইটে আয়কর দফতর (Income Tax Refund) জানিয়েছে, একটি মেসেজকে প্রতারকরা ভাইরাল করেছে। তাতে বলা হয়েছে, গ্রাহক ১৫ হাজার ৪৯০ টাকা আয়কর রিফান্ড পাওয়ার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাই এই টাকা এখনই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রিফান্ড পেতে নম্বরটি যাচাই করে নিন। যদি অ্যাকাউন্ট ঠিক না হয়, নিচেই একটা লিঙ্ক রয়েছে সেখানে ক্লিক করে অ্যাকাউন্ট নম্বর আপডেট করুন। আর সেখানে চাওয়া হয় প্যান কার্ড, আধার কার্ডের ডিটেইলস। আর তা করলেই উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সাফ। গ্রাহকরা নিজেদের ব্যাঙ্কের টাকা যাতে সুরক্ষিত রাখতে পারেন, সেই কারণেই আয়কর দফতরের এই বিশেষ উদ্যোগ। এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং আবশ্যক বলেই সচেতন গ্রাহকরা মনে করছেন। তাই তাঁরা একে সাধুবাদ জানিয়েছেন।       

    উল্লেখ্য আয়কর দফতর প্রি-ভ্যালিটেডেড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই একমাত্র রিফান্ড পাঠায়। আয়কর কোনও রকম তথ্য নিশ্চিত করতে বলে না। তাই গ্রাহকদের যে কোনও মেসেজ ভালভাবে খতিয়ে দেখে তবেই ক্লিক করতে হবে, এমনটাই পরামর্শ আয়কর দফতরের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: স্বস্তি শুভেন্দুর! এফআইআর দায়ের নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট 

    Suvendu Adhikari: স্বস্তি শুভেন্দুর! এফআইআর দায়ের নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) স্বস্তি পেলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ থাকলে এফআইআর দায়ের করা যাবে। এ ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিতে হবে না। গত ২০ জুলাই এমনই নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার উচ্চ আদালতের সেই নির্দেশ খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত।

    কী বলল শীর্ষ আদালত

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের করা যাবে না বলে এর আগে নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। কিন্তু পঞ্চায়েত ভোটের পর একটি জনস্বার্থ মামলার রায়ে হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা যাবে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। নন্দীগ্রামে হিংসা ও অশান্তিতে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে এর পরই শুভেন্দুর বিরুদ্ধে বেশ কিছু এফআইআর দায়ের হয়। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ বলেছে, “আমরা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করছি নতুন করে মামলাটি শোনার জন্য। ২০ জুলাই হাইকোর্টের বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এফআইআর দায়ের নিয়ে যে নির্দেশ দিয়েছিল, তা খারিজ করা হল। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে স্বাধীনতা দেওয়া হল এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা বিচার করে উপযুক্ত নির্দেশ দেওয়ার জন্য।”

    আরও পড়ুন: ‘‘নির্দোষই যদি হন, তাহলে ভয় পাচ্ছেন কেন?’’ অভিষেকের রক্ষাকবচ মামলায় প্রশ্ন ইডির

    কী বলছে বিজেপি

    আদালতের এই রায়ের পর রাজনৈতিক ভাবে শুভেন্দুর অবস্থান মজবুত হল বলেই মনে করছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে উঠে পড়ে লেগেছিল বাংলার শাসক দল তথা সরকার। এতে ফের ওদের মুখ পুড়ল।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durand Cup: ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচেই জয় মোহনবাগানের, বাংলাদেশ আর্মিকে হারাল ৫-০ গোলে

    Durand Cup: ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচেই জয় মোহনবাগানের, বাংলাদেশ আর্মিকে হারাল ৫-০ গোলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডুরান্ড কাপের (Durand Cup) প্রথম ম্যাচেই জয় পেল মোহনবাগান (Mohun Bagan) সুপার জায়ান্ট। বাংলাদেশ আর্মিকে হারাল ৫-০ গোলে। বৃহস্পতিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বলে শট মেরে ডুরান্ড কাপের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরের ৯০ মিনিট কার্যত মাঠ দাপিয়ে বেড়াল মোহনবাগানের তরুণ দল। এবার বাগান যে দল সাজিয়েছে, তাতে সিনিয়র ফুটবলার রয়েছেন মাত্র তিনজন। তরুণ দলের দাপটে কার্যত দিশেহারা দেখাচ্ছিল বাংলাদেশ আর্মিকে। গোলের সুযোগ নষ্ট না করলে আরও বড় ব্যবধানে জয় পেত মোহনবাগান। বাগান জয়ী হতেই বর্ষার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সবুজ মাঠ ভরে উঠল সবুজ-মেরুন আবিরে।

    বাগানের তিন অভিজ্ঞ ফুটবলার

    এদিন বাগানের তিন অভিজ্ঞ ফুটবলার সুমিত রাঠি, লিস্টন কোলাসো এবং মনবীর সিংয়ের নেতৃত্বে আক্রমণাত্মক খেলতে শুরু করেন সুহেল ভট্ট, রবি রানারা। গোল করেন লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিং, সুহেল ভাট, হামতে এবং কিয়ান নাসিরি। এদিন নিজেদের মধ্যে ছোট ছোট পাস খেলে বাংলাদেশ আর্মিকে ধরাশায়ী করেন বাগানের (Mohun Bagan) ফুটবলাররা। খেলা শুরুর মাত্র ১৫ মিনিটের মাথায় প্রথম গোলটি করেন লিস্টন কোলাসো। ডানদিক থেকে একটি গ্রাউন্ড ক্রস শটে ১-০ গোলে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। লিস্টনকে ক্রসটা বাড়িয়েছিলেন রবি।

    গোলের সুযোগ হাতছাড়া 

    এর ঠিক তিন মিনিটের মাথায় আরও একটি গোল দিতে পারত মোহনবাগান। সুহেলের শট গোলপোস্টে ধাক্কা লেগে ফিরে আসায় গোলটি হয়নি। ২৮ মিনিটের মাথায় লালরিনলিয়াঙ্কাকে বক্সের মধ্যে বাজেভাবে ট্যাকল করে বাংলাদেশ আর্মির ডিফেন্ডাররা। তার জেরে পেনাল্টি পেয়ে যায় বাগান। সেই পেনাল্টি শট থেকেই দলের স্কোর ২-০ করে দিলেন মনবীর। পরে আরও একটি গোল করেন সুহেল। তাঁকে পাস দিয়েছিলেন লিস্টন।

    আরও পড়ুুন: “২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী”, দাবি অমিত শাহের

    দ্বিতীয়ার্ধেও দাপিয়ে বেড়ালেন বাগানের (Mohun Bagan) খেলোয়াড়রা। ৫৮ মিনিটের মাথায় লিস্টনের থেকে বল পেয়ে দলের স্কোর ৪-০ করে দিলেন হামতে। ৭৫ মিনিটের মাথায় ফ্রি-কিক পায় বাগান। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি তারা। শেষমেশ ৮৯ মিনিটের মাথায় বাংলাদেশ আর্মির কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন কিয়ান নাসিরি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Amit Shah: “২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী”, দাবি অমিত শাহের

    Amit Shah: “২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী”, দাবি অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিরোধীরা যতই জোটের জুজু দেখাক, আর যতই হইচই করুক, ২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী।” বৃহস্পতিবার দিল্লি বিল নিয়ে আলোচনার সময় এই কথাগুলিই বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    ইন্ডিয়া’কে আক্রমণ

    বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’কে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, “দিল্লি বিল একবার পাশ হয়ে গেলে আম আদমি পার্টি আর জোটে থাকবে না।” বিরোধী সাংসদদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দিল্লির কথা ভাবুন, জোটের কথা নয়।” শাহ বলেন, “দেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদিই হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। এই বিলের পরে আপনাদের জোট যেভাবেই হোক ভেঙে যাবে। কেজরিওয়াল আপনাদের বিদায় জানাবেন।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “বিরোধীরা কেবল তাদের জোট নিয়ে চিন্তা করে, দেশ নিয়ে নয়। আমার ভাল লেগেছে যে এতদিন পর আলোচনা হচ্ছে। সংসদে ৯টি বিল পাশ হয়েছে। বিরোধীরা অংশ নেননি…তাঁরা দেশের কথা চিন্তা করেন না, কেবলমাত্র তাঁদের জোটের কথা চিন্তা করেন…।”

    আম আদমি পার্টিকে নিশানা

    আম আদমি পার্টিকে নিশানা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাজধানী দিল্লি সম্পর্কিত যে কোনও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদের রয়েছে। আর তার জন্যই আমলা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত অর্ডিন্যান্সটি সরকারের তরফে জারি করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে সংবিধানকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।” শাহ বলেন, “দিল্লির আপ সরকার দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হোন। ২০১৫ সালে আপ সরকার ক্ষমতায় আসে। দিল্লিবাসীকে পরিষেবা নয়, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লড়াই করাই তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল। সেই সঙ্গে ভিজিল্যান্স বিভাগকে কবজায় রাখার লক্ষ্যও ছিল।”

    আরও পড়ুুন: “বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেবেন না”, এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা মোদির

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “বাংলো তৈরির মতো দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে ভিজিল্যান্সকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেছিল কেজরিওয়াল সরকার। তাই জওহরলাল নেহরু, সর্দার প্যাটেল, বিআর আম্বেদকরের মতো নেতারা দিল্লিকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার বিরুদ্ধে ছিলেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: “বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেবেন না”, এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা মোদির

    PM Modi: “বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেবেন না”, এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিরোধীরা হতাশাগ্রস্ত। তাঁরা আপনাদের ফাঁদে ফেলতে চাইবে। কিন্তু কোনও অবস্থায়ই বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেওয়া যাবে না।” বুধবার এনডিএর (NDA) সদস্য দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসে সাফ জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিতর্কিত বিষয় ও মন্তব্য থেকে তাঁদের দূরে থাকার পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী।

    সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    লোকসভা নির্বাচনে গতবারের চেয়েও বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে বিজেপি। তাই এনডিএর সদস্য ১১টি দলের সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তিনি। লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন ৪৩০ জন সাংসদের সঙ্গে। প্রথম বৈঠকটি হয়েছে ৩১ জুলাই। চলবে ১০ অগাস্ট পর্যন্ত। প্রথম দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলা, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের সাংসদরা। আর বুধবারের বৈঠকে (PM Modi) উপস্থিত ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গনা, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, কেরালা, পুদুচেরি, আন্দামান ও নিকোবরের সাংসদরা।

    বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অভিযোগ

    গত কয়েক বছরে বিজেপির কয়েকজন নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্ররোচনা ও বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। তার জেরে বিপাকে পড়তে হয়েছে দলকে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, তাই আগেভাগে সাংসদদের সতর্ক করে দিলেন মোদি। বিজেপি এবং এনডিএর সদস্য দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসে প্রচারের সুরও বেঁধে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। প্রথম দিনের বৈঠকেই তিনি সাংসদদের জানিয়েছিলেন, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ কিংবা রাম জন্মভূমির মতো জাতীয় বিষয় নিয়ে প্রচার করতে হবে না। প্রচারের মূল সুর হবে জনগণের মানোন্নয়নে বিভিন্ন রাজ্যে মোদি সরকার কী কী কাজ করেছে, তার ফিরিস্তি। এর পাশাপাশি করতে হবে বিরোধীদের শানিত আক্রমণ। বিজেপি বিরোধী ২৬ দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’র বিরুদ্ধে প্রচারের হাতিয়ার কী হবে, তাও বলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: “সংখ্যালঘুরা তৃণমূলের পাশে নেই, তাই ইমাম ভাতা বাড়াতে পারেন মমতা”, তোপ শুভেন্দুর

    প্রথম বৈঠকে তিন তালাক বাতিলের প্রসঙ্গটিকে প্রচারের হাতিয়ার করতে বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। পরের বৈঠক হয়েছে ১ অগাস্ট। এই বৈঠকে ‘ইন্ডিয়া’র মোকাবিলায় ইউপিএ সরকারের আমলের দুর্নীতিগুলিকে হাতিয়ার করার পরামর্শ দিয়েছিলেন মোদি। এর পরের বৈঠক হবে ৮ অগাস্ট। সেদিন উপস্থিত থাকবেন মহারাষ্ট্র, রাজস্থান ও গোয়ার ৭৬ জন সাংসদ। তার পরের দু দিন প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, দমন-দিউ এবং উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সাংসদদের সঙ্গে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Militant: আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে গুজরাটে গ্রেফতার বাংলার তিন যুবক, হতবাক এলাকাবাসী

    Militant: আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে গুজরাটে গ্রেফতার বাংলার তিন যুবক, হতবাক এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আল কায়দা জঙ্গি (Militant) সন্দেহে গুজরাটে গ্রেফতার বাংলার তিন যুবক। ধৃতদের মধ্যে দুজন বর্ধমান এবং একজন তারকেশ্বরের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। রাজকোটের সোনিবাজার থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে গুজরাট পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা। ধৃতদের কাছ থেকে একটি দেশি পিস্তল এবং ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম শইফ নামাজ এবং আব্দুল শুকুর। পাড়ার ছেলের সঙ্গে জঙ্গিযোগ জেনে এলাকার মানুষরা হতবাক হয়ে পড়েছেন।

    কী বললেন শইফ নামাজের পরিবারের লোকজন?

    এদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে কালনা থানার আংগারসোন এলাকায় শইফ নামাজের বাড়িতে পৌঁছে দেখা গেল, বাড়িতে তার মা-বাবা দুজনেই রয়েছে। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা। মা-বাবা দুজনেই এদিন বলেন, আমাদের ছেলে কোনওরকমভাবেই জঙ্গি (Militant) কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত নয়। আমাদের ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে। শুধু আমরা বলছি না, প্রতিবেশী সকলেই বলছে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত নয় সে। কেন তাকে গ্রেফতার করা হল আমরা বুঝতে পারছি না। শইফ কেমন ছেলে তা এলাকার মানুষ জানেন। আমরা এই ঘটনা কোনওভাবে মেনে নিতে পাচ্ছি না।

    আব্দুল শুকুরকে নিয়ে কী বললেন এলাকাবাসী?

    মগজ ধোলাই করে নতুনদের জঙ্গি (Militant) সংগঠনে টানত নাদনঘাটের ঘোলা গ্রামের আব্দুল শুকুর। গুজরাট এটিএস তাকে গ্রেফতার করার পর একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। গ্রামে সে ভালো ছেলে হিসাবে পরিচিত হলেও তার গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। গ্রামে কারও সঙ্গে এসে তেমনভাবে মিশতো না। প্রয়োজন ছাড়া কারও সঙ্গে কথা বলত না। তবে গুজরাট থেকে ঘরে এলে সে নিয়ম করে মসজিদে যেত। পরিবারের লোকজনদের নিয়ম করে মসজিদে যাওয়ার  নির্দেশও দিয়েছিল। বাড়িতে ধর্মীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করত। কাজের মধ্যেও সে সব সময় ইউটিউবে বিভিন্ন ধরনের বিস্ফোরক তৈরি দেখতো। গ্রামের বাসিন্দারা বলছেন, সব সময় চুপচাপ থাকা ছেলেটা আলকায়েদা জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে এমনটা  ভাবাই যায় না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share