Tag: Bengali news

Bengali news

  • Suvendu Adhikari: “সংখ্যালঘুরা তৃণমূলের পাশে নেই, তাই ইমাম ভাতা বাড়াতে পারেন মমতা”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “সংখ্যালঘুরা তৃণমূলের পাশে নেই, তাই ইমাম ভাতা বাড়াতে পারেন মমতা”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝে গিয়েছেন, সংখ্যালঘুরা আর তৃণমূলকে ভোট দেবেন না। তাই নানারকম মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।” বৃহস্পতিবার বিধানসভার অধিবেশন শেষে এই ভাষায়ই মমতাকে নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যেহেতু সংখ্যালঘু ভোট তাঁর সঙ্গে নেই, তাই লোকসভা নির্বাচনের আগে মমতা ইমাম ভাতা বাড়াতে পারেন বলেও মনে করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝে গিয়েছেন, সংখ্যালঘু ভোট তাঁর সঙ্গে নেই। প্রথমে বালিগঞ্জ কিছুটা বুঝিয়েছিল। সাগরদিঘিতে চওড়া ফাটল দেখা দিয়েছে। ভাঙড়ের মানুষ ভোট দিতে পারলে তাঁরাও বুঝিয়ে দিতেন। ওখানকার বীর আরাবুলকেও হারতে হয়েছে। তাই বিভিন্নভাবে সংখ্যালঘুদের ভুল বোঝানোর চেষ্টা হচ্ছে। মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।”  

    শুভেন্দুর অভিযোগ 

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “২১ তারিখ শুনলাম নেতাজি ইন্ডোরে ইমাম, মোয়াজ্জেমদের নিয়ে মিটিং ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মিটিংয়ের আগে টাউন হলে ববি হাকিম, জাভেদ খান, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীরা মিটিং করেছেন। সেখানে সিদ্দিকুল্লা বলেছেন, তাঁর সংগঠন জমিয়েত উলেমা হিন্দের লোক এনে নেতাজি ইন্ডোর ভরিয়ে দেবেন। আবার ববি নাকি বলেছেন, আমি গাড়ির ব্যবস্থা করে দেব। ওই মিটিংয়েই সিদ্ধান্ত হয়েছে কেউ যেন ইমাম ভাতা বা মোয়াজ্জেম ভাতা বাড়াতে না বলেন।”

    ‘আন প্রেডিক্টেবল’

    মুখ্যমন্ত্রীকে ‘আন প্রেডিক্টেবল’ বলে সম্বোধন করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “ওই অনুষ্ঠানেই হয়তো ইমাম, মোয়াজ্জেমদের ভাতা পাঁচশো কিংবা হাজার টাকা বাড়িয়ে দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।” তিনি বলেন, “ভোট বড় বালাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝে গিয়েছেন, সংখ্যালঘুরা আর তৃণমূলকে ভোট দেবেন না। তাই নানারকম মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।”

    আরও পড়ুুন: চার্জশিটে অভিষেকের নাম! দুর্নীতির টাকায় বিপুল সম্পত্তি কালীঘাটের কাকুর, দাবি ইডির

    এদিন বেকারত্ব নিয়েও তোপ দেগেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী চান না, বাংলার লোকের চাকরি হোক।” বক্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তিও দিয়েছেন শুভেন্দু। বলেন, “একজনকে চাকরি দিতে গেলে ন্যূনতম কাউকে ২৫ হাজার টাকা বেতন দিতে হবে।

    মুখ্যমন্ত্রী এতেও ভোটের রাজনীতি করছেন। তাই রাজ্যের একাধিক বিভাগে শূন্যপদ থাকলেও, তিনি নিয়োগ করছেন না।” মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে কটাক্ষ-বাণ হেনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আমি কেন একজনকে ২৫ হাজার টাকা দেব? আমি ওই টাকা ব্যয় করে পাঁচশো টাকা একাধিক পরিবারকে দেব, তাহলে আমরা ২০০ ভোট পাব, এটাই উনি চান।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Malda: গঙ্গায় উঠল প্রায় ৫০ কেজি ওজনের কাতলা! কত দামে বিক্রি হল জানেন?

    Malda: গঙ্গায় উঠল প্রায় ৫০ কেজি ওজনের কাতলা! কত দামে বিক্রি হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক-দু’ কেজি নয়, প্রায় ৫০ কেজি। গঙ্গার এই কাতলা মাছ কেনার জন্য সাত সকালে রীতিমতো হুড়োহুড়ি পড়ে গেল মালদার (Malda) নেতাজি পৌর বাজারের মাছ বাজারে। ৮০০-৯০০ টাকা কেজি দাম! কিন্তু তাতে কী! ওই দামেই দেদার বিক্রি হচ্ছে গঙ্গার ওই বিশালাকার কাতলা মাছ। জানা গিয়েছে, মানিকচকের গঙ্গায় ধরা পড়ে মাছটি। আর মাছ বাজারে আসতেই সবার চোখ ছানাবড়া। মাছ তো নয়, যেন গিলে খেতে আসছে। এমন অভিজ্ঞতাই বা কজনের হয়। তাই মাছ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার লোভ সামলাতে পারেননি অনেকেই। কেনার হিড়িক পড়ে যায় ক্রেতাদের মধ্যে। মাছ ব্যবসায়ীদের দাবি, এই প্রথম বাজারে প্রায় ৫০ কেজি ওজনের মাছ এসেছে। বিশালাকৃতির ওই কাতলা মাছ দেখতে এবং ছবি তুলতেও ভিড় জমান বহু মানুষ।

    কী বলছেন মাছ বাজারের (Malda) ব্যবসায়ীরা?

    এক ব্যবসায়ী কায়ূম মোল্লা জানালেন, রাজমহল গঙ্গায় এই মাছ ধরা পড়েছে। এই মাছের দাম গোটা ধরলে মোটামুটি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি। কেটে ৮০০, ৯০০ এমনকি হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হবে বলে তাঁরা মনে করছেন। বিরাট চাহিদা আছে দেখেই কাটা হল। খরিদ্দাররা এ বলে আমি নেব, ও বলে আমি নেব। হুড়োহুড়ি লেগে গেছে। তিনি আরও জানান, এই নেতাজি মার্কেটে (Malda) সব ধরনের মাছ পাওয়া যায়। ইলিশের আমদানি কম আছে বলে দামটা একটু বেশি চলছে। তবে কাতলা মাছ এত বড় সাইজের তাঁরা আগে কখনও দেখেননি। আরেক বিক্রেতা ইমরান বললেন, মাছের ওজন দাঁড়াল ৪৮ কেজি। তিনি জানান, এর আগে ৩৫ থেকে ৪০ কেজি ওজনের মাছ এসেছিল। এত বড় মাছ এই প্রথম। তাছাড়া গঙ্গার মাছের বরাবরই বিশাল চাহিদা থাকে। এবারেও তার অন্যথা হয়নি। তার ওপর এতো বড় মাছ।

    কী বললেন ক্রেতারা (Malda)?

    এমন বিরাট মাছ দেখে ক্রেতারা (Malda) যে কতখানি উল্লসিত, তা তাঁদের চোখমুখই বলে দিচ্ছিল। এক ক্রেতা জানান, এমনিতেই গঙ্গার মাছের প্রতি তাঁদের বরাবর আলাদা একটা টান আছে। তার ওপর এতো বড় মাছ দেখে তাঁদের চোখ জুড়িয়ে গেছে। এমন বিরল অভিজ্ঞতা যাতে চিরস্থায়ী হয়, তার জন্য তাঁরা এই ঘটনা মোবাইলে ক্যামেরাবন্দিও করছেন। এই মাছের স্বাদ কেমন হবে, তা ভেবেও অনেকে রোমাঞ্চিত। সব মিলিয়ে গোটা বাজার জুড়ে যেন উৎসবের আমেজ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Morgan Stanley: ভারতের অর্থনীতি ‘ওভারওয়েট’, চিন ‘ইক্যুয়াল ওয়েট’, রিপোর্টে দাবি মর্গ্যান স্ট্যানলির

    Morgan Stanley: ভারতের অর্থনীতি ‘ওভারওয়েট’, চিন ‘ইক্যুয়াল ওয়েট’, রিপোর্টে দাবি মর্গ্যান স্ট্যানলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতে ভারতীয় অর্থনীতির ব্যাপক উত্থানের সম্ভাবনা দেখছে মর্গ্যান স্ট্যানলি (Morgan Stanley)। আমেরিকার বিখ্যাত আর্থিক পরিষেবা প্রদানকারী এই সংস্থার সাম্প্রতিক রিপোর্টে ভারতকে ‘ওভারওয়েট রেটিং’ দেওয়া হয়েছে। সংস্থার দাবি, আর্থিক বৃদ্ধির নিরিখে ভারত ‘ইক্যুয়াল ওয়েট’ থেকে উন্নীত হয়েছে ‘ওভারওয়েটে’। কেবল তাই নয়, আমেরিকার ‘ট্রিপল এ’ তকমাও কেড়ে নিয়েছে মার্কিন এই সংস্থা।

    ভারতের অর্থনীতির বিপুল উত্থানের সম্ভাবনা

    ভারতকে ‘ওভারওয়েট রেটিং’ দেওয়া হলেও, চিনকে নামানো হয়েছে ‘ইক্যুয়াল ওয়েট’ স্তরে। শি জিনপিংয়ের দেশে আর্থিক মন্দার নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়বে বলেই রিপোর্টে পূর্বাভাস সংস্থার। সেই তুলনায় ভারতের অর্থনীতির বিপুল উত্থানের সম্ভাবনা দেখছেন মর্গ্যান স্ট্যানলির বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানিয়েছেন করোনা অতিমারির অভিঘাত ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষত সারিয়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়েছে মোদির ভারতের অর্থনীতি। ভারতের অর্থনীতি যে ক্রমেই ‘স্বাস্থ্যবান’ হচ্ছে, তার ইঙ্গিত মিলেছিল ঢের আগেই। বিশ্বব্যাঙ্ক, আইএমএফ, ব্লুমবার্গ ইকনমিক্স সহ নানা আর্থিক পরামর্শদাতা সংস্থার রিপোর্টে মিলেছিল এই ইঙ্গিত। এবার একই ইঙ্গিত মিলল মর্গ্যান স্ট্যানলির (Morgan Stanley) রিপোর্টেও। নভেম্বর মাসেও মার্কিন ওই সংস্থা জানিয়েছিল, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভারত হতে চলেছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। জাপান, জার্মানি নয়, ভারতের আগে থাকবে কেবল আমেরিকা ও চিন।

    জিডিপি বৃদ্ধির হার

    ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার পৌঁছে গিয়েছে ৭.২ শতাংশে। ভারতে জিডিপি বৃদ্ধির হার ধারাবাহিকভাবে ৬.২ শতাংশের ওপরে থাকার ঘটনাকে আশাব্যঞ্জক বলা হয়েছে মর্গ্যান স্ট্যানলির রিপোর্টে। কী কারণে রকেট গতিতে উত্থান হচ্ছে ভারতের অর্থনীতির? মর্গ্যান স্ট্যানলির (Morgan Stanley) রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়াতে সরকারি স্তরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী পদক্ষেপ করেছে মোদির দেশ। বিপুল জনশক্তি ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ওপর জোরও দিয়েছে এশিয়ার এই দেশ। মর্গ্যান স্ট্যানলির বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জোড়া পদক্ষেপের জেরে শক্তিশালী হয়েছে ভারতীয় অর্থনীতি।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর মিছিলে হামলা, রিষড়ার পর হাওড়ার শিবপুরে তদন্তে এল এনআইএ

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে যখন দিল্লির তখতে বসে মোদি সরকার, তখন বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় দশ নম্বরে ছিল ভারত। বর্তমানে এই তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে মোদির দেশ। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা দখলে ছিল ইংল্যান্ডের। ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে ভারত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: “মুসলিম বোনেদের হাত থেকে রাখি পরুন”, বিজেপি সাংসদদের পরামর্শ মোদির

    PM Modi: “মুসলিম বোনেদের হাত থেকে রাখি পরুন”, বিজেপি সাংসদদের পরামর্শ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুসলিম বোনেদের হাত থেকে রাখি পরুন।” বিজেপি (BJP) সাংসদদের এমনই পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর দাবি, তিন তালাক নিষিদ্ধ করার জন্য তাঁর সরকারের সিদ্ধান্ত নিরাপত্তা বাড়িয়েছে মুসলিম মহিলাদের। তা নিয়ে অনেক মুসলিম মহিলা বিজেপিকে সমর্থন করেছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই মুসলমান মহিলাদের কাছে পৌঁছানোর পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী 

    বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। বিজেপিকে মাত দিতে গঠিত হয়েছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’। যদিও আগামী লোকসভা নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বিজেপি। তবে পদ্ম শিবির চাইছে, গতবারের চেয়েও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে দিল্লিতে ফিরতে। সেই কারণেই এনডিএর সদস্য দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ৩১ জুলাই হয়েছে প্রথম বৈঠক। চলবে ১০ অগাস্ট পর্যন্ত। প্রথম দিন প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেছেন বাংলা, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের সাংসদদের সঙ্গে। সেখানে প্রচারের কৌশল কী হবে, তাও বলে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    রাখি পরার পরামর্শ

    ঘণ্টা তিনেকের এই বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী মুসলমান বোনেদের হাত থেকে রাখি পরার পরামর্শ দেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, তিন তালাক নিষিদ্ধ হওয়ায় মুসলিম মহিলাদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সঙ্গে মুসলিম মহিলাদের জন্য মোদি সরকার কী কী পদক্ষেপ করেছে, সে সম্পর্কেও অবহিত করেন দলীয় সাংসদদের। প্রসঙ্গত, এ বছর রাখিবন্ধন উৎসব পালিত হবে ৩০ অগাস্ট।

    মুসলিম মহিলাদের জন্য মোদি সরকার যে গুচ্ছ পদক্ষেপ করেছে, তা দিন কয়েক আগের ‘মন কি বাতে’র অনুষ্ঠানে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছিলেন, চলতি বছর পুরুষ সঙ্গী (মেহরাম) ছাড়াই চার হাজারেরও বেশি মুসলমান মহিলা হজ করতে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। নির্বিঘ্নে হজ শেষ করে ফিরে তাঁদের অনেকেই ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন প্রধানমন্ত্রীকে। হজের নীতিতে পরিবর্তন আনার কথাও বলেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: মসজিদ কমিটির আর্জি খারিজ, জ্ঞানবাপীতে এএসআইকে সমীক্ষার অনুমতি আদালতের

    সোমবারের ওই বৈঠকে ইন্ডিয়াকেও আক্রমণ শানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেছিলেন, “বিরোধী জোট তাদের নাম ইউপিএ থেকে ‘ইন্ডিয়া’তে পরিবর্তন করতে পারে। তবে এই নাম তাদের দুর্নীতি ও অপশাসনের পাপ ধুয়ে ফেলতে পারবে না। কারণ ইউপিএ বেশ কয়েকটি কেলেঙ্কারিতে কলঙ্কিত হয়েছিল।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Nandigram: ‘‘নন্দীগ্রামে শীঘ্রই শুরু হবে রেল প্রকল্পের কাজ’’, বললেন দক্ষিণ-পূর্ব রেলের জিএম

    Nandigram: ‘‘নন্দীগ্রামে শীঘ্রই শুরু হবে রেল প্রকল্পের কাজ’’, বললেন দক্ষিণ-পূর্ব রেলের জিএম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার রেলের কু ঝিকঝিক আওয়াজ শুনতে পাবেন হয়তো নন্দীগ্রামের (Nandigram) বাসিন্দারা। রেল সূত্রে খবর, নন্দীগ্রাম রেল প্রকল্পের কাজ পুনরায় চালু করার সম্প্রতি নির্দেশিকা জারি করেছিল রেলওয়ে বোর্ড। তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী এই প্রকল্প শুরু করার আবেদন জানিয়ে যে চিঠি দিয়েছিলেন রেল মন্ত্রককে, তাতে সাড়া মিলেছে। শীঘ্রই কাজ শুরু করার জন্য বুধবার এলাকা পরিদর্শনে আসেন রেলের আধিকারিকরা।  নন্দীগ্রাম-দেশপ্রাণ রেল প্রকল্পের দৈর্ঘ ২২ কিমি লম্বা। এর মধ্যে ১৮.৫ কিলোমিটার রেললাইনের কাজ হবে নন্দীগ্রাম থেকে। দেশপ্রাণ স্টেশনের আগে দিঘা-তমলুক রেললাইনের সঙ্গে তা সংযুক্ত হবে।

    রেল প্রকল্প নিয়ে কী বললেন দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে শাখার জেনারেল ম্যানেজার?

    দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে শাখার জেনারেল ম্যানেজার অনিলকুমার মিশ্র বলেন, ‘ কিছু সময়ের জন্য প্রকল্পটি ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছিল। এখন নতুন করে এই প্রোজেক্ট নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই একটি এজেন্সি কাজ শুরু করেছে। অধিগৃহীত জমিগুলিকে নতুন করে চিহ্নিত করতে হবে। তারপর নন্দীগ্রামের (Nandigram) দিক থেকে দেশপ্রাণ অভিমুখে কাজ শুরু হয়ে যাবে।’ কত দিনে শেষ হবে প্রকল্পের কাজ? এই প্রশ্নের জবাবে অনিলবাবু বলেন,‘১৮.৫কিলোমিটারের অনুমোদন মিলেছে। সময় তো লাগবেই। তবে আমরা দ্রুত কাজ শুরু করছি। যত শীঘ্র সম্ভব এই লাইনে ট্রেন চলাচল শুরু করার বিষয়ে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা চালাচ্ছি।’

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    কেন্দ্রের ইউপিএ সরকারের রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতার উদ্যোগে দেশপ্রাণ নন্দীগ্রাম (Nandigram) রেল প্রকল্পটির সূচনা হয়। এই লাইনটি যুক্ত হচ্ছে দিঘা তমলুক রেল লাইনের দেশপ্রাণ স্টেশনের কাছে। পরে সম্পূর্ণ স্থগিত করে দেওয়া হয় এই প্রকল্পের কাজ। স্থানীয়েরাও আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। সেই প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার ঘোষণার পর এবার নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন এলাকাবাসী। রেলের আধিকারিকরা পরিদর্শনের সময় বিজেপি নেতা কর্মীরাও হাজির হয়েছিলেন। বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি অভিজিৎ মাইতি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভুল প্রকল্পের জন্য এই কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। নতুন করে প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে জেনে ভাল লাগছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Balurghat: রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, ভেলোরের জন্য ট্রেনের দাবি জানালেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার

    Balurghat: রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, ভেলোরের জন্য ট্রেনের দাবি জানালেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করে দক্ষিণ দিনাজপুর (Balurghat) জেলার জন্য একগুচ্ছ রেল প্রকল্প ও নতুন রেল পরিষেবা চালুর দাবিপত্র তুলে দিলেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। ২০২৪ লোকসভা ভোটে জেলার রেল পরিষেবার উন্নয়ন সহ একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নকেই পাখির চোখ করতে চলেছে বিজেপি। বিভিন্ন সময় সুকান্ত মজুমদার জেলা সফরে এসে রেল প্রকল্পের হাল হাকিকত খতিয়ে দেখতে মাঠে নামেন। পার্লামেন্টের অধিবেশন চলছে। এই সময় সুকান্ত মজুমদার দিল্লিতে রয়েছেন। তাই বেশ কিছু প্রকল্প নিয়ে অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করে সেগুলির বাস্তবায়নের দাবি জানালেন তিনি।

    কোন কোন প্রকল্প (Balurghat) নিয়ে কথা হল?

    জেলার জনগণের চিকিৎসার সুবিধার জন্য বালুরঘাট (Balurghat) থেকে কাটপাটি (ভেলোর) পর্যন্ত একটি নতুন ট্রেন চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও প্রচুর বাংলাদেশি নাগরিক হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বালুরঘাট হয়ে কলকাতা বা শিলিগুড়ি গিয়ে সেখান থেকে চিকিৎসার জন্য ভেলোরে যান। বালুরঘাট থেকে সরাসরি ভেলোর ট্রেন চালু হলে এই সুবিধা শুধু জেলার মানুষ নয়, বাংলাদেশিরাও পাবেন। বালুরঘাট, বুনিয়াদপুর ও গঙ্গারামপুর রেল স্টেশনকে অমৃত ভারত প্রকল্পে এনে স্টেশনের আধুনিকীকরণের প্রস্তাব রেখেছেন সুকান্ত মজুমদার। গাজোল-গুঞ্জরিয়া ভায়া ইটাহার বুনিয়াদপুর রেল প্রকল্পের ঘোষণা হয়েছিল ২০১০ সালে। জমি চিহ্নিতকরণের কাজ হয়েছে। কিন্তু পরের কাজ হয়নি। সেই প্রকল্পেরও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি করেছেন তিনি।

    এছাড়া, প্রস্তাবিত বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথ সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণ করে রেলপথ নির্মাণ যাতে দ্রুত শুরু হয়, সেই বিষয়েও কথা বলেছেন রেলমন্ত্রীর সঙ্গে। বালুরঘাট থেকে শিয়ালদা পর্যন্ত একটি নতুন ট্রেন চলাচলের প্রস্তাব আগেই রেখেছিলেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। কিন্তু অন্য ট্রেনের সঙ্গে টাইম ম্যাচ না করায় এই ট্রেন দেওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেছিলেন সুকান্ত। এবার হাটে বাজারে এক্সপ্রেসের নতুন টাইম সিডিউল করার মাধ্যমে নতুন ট্রেনের টাইম টেবিল পাওয়া যাবে বলে দাবি তাঁর। এছাড়াও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর বুনিয়াদপুরে একটি স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। কোচবিহার থেকে দেওঘর পর্যন্ত ভায়া মালদা একটি নতুন ট্রেন চালুর কথাও বলেছেন তিনি।

    কী বলছেন সুকান্ত মজুমদার এবং জেলার বিশিষ্টরা (Balurghat)?

    সুকান্ত মজুমদার বলেন, দক্ষিণ দিনাজপুরে (Balurghat) রেলের উন্নতিকল্পে যা যা করা দরকার, সে বিষয়ে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন রেলমন্ত্রী। সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের এহেন ভূমিকায় খুশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বাসিন্দারা। হিলি এসআইবি কলেজের অধ্যাপক তথা গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা অভিজিৎ সরকার বলেন, সাংসদের এহেন পদক্ষেপ খুবই ইতিবাচক এবং বাস্তবিক। এর দ্বারা আমরা প্রত্যক্ষভাবে লাভবান হব। সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে ধন্যবাদ। কবি ও সাহিত্যিক তথা বালুরঘাটের বাসিন্দা বঙ্গরত্ন বিশ্বনাথ লাহা বলেন, খুবই ভাল উদ্যোগ। আমরা আশা করি সাংসদের দেওয়া প্রস্তাবগুলি ফলপ্রসূ হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Mosque: মসজিদ কমিটির আর্জি খারিজ, জ্ঞানবাপীতে এএসআইকে সমীক্ষার অনুমতি আদালতের

    Gyanvapi Mosque: মসজিদ কমিটির আর্জি খারিজ, জ্ঞানবাপীতে এএসআইকে সমীক্ষার অনুমতি আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) কমিটির আর্জি খারিজ এলাহাবাদ হাইকোর্টে। আজ, বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি প্রীতিনকর দিবাকরের বেঞ্চ মসজিদে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণকে সমীক্ষার অনুমতি দিল। তবে বিতর্কিত ওজুখানায় পাওয়া তথাকথিত শিবলিঙ্গ ও সন্নিহিত এলাকায় এখনই কোনও সমীক্ষা হবে না বলে বারাণসী জেলা আদালত যে নির্দেশ দিয়েছিল, তা বহাল রেখেছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট।

    সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ 

    গত ২৪ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ ৪৮ ঘণ্টার জন্য বারাণসী জেলা আদালতের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। এই সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টে আবেদন করার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। ২৬ জুলাই মসজিদ (Gyanvapi Mosque) কমিটির তরফে হাইকোর্টকে জানানো হয়েছিল, সমীক্ষার অনুমতি দিলে প্রাচীন ওই সৌধের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই সময় এএসআইয়ের তরফে আদালতকে জানানো হয়েছিল, গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডারের সাহায্যে খননের কাজ ছাড়াই সমীক্ষার কাজ চালানো যেতে পারে। তাতে ওই প্রাচীন কাঠামোর ক্ষতি হওয়ার কোনও আশঙ্কা নেই। এদিন রায় দিতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, সমীক্ষার জন্য বারাণসী জেলা আদালতের নির্দেশ বৈধ। ন্যায় বিচারের স্বার্থে মসজিদের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার প্রয়োজন।

    সমীক্ষার নির্দেশ

    প্রসঙ্গত, হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের আবেদনের ভিত্তিতে গত জুলাই মাসে বারাণসীর জেলা আদালত ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণকে দিয়ে মসজিদে (Gyanvapi Mosque) সমীক্ষার নির্দেশ দেয়। ওজুখানা এলাকা বাদ দিয়ে এই সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। ২৪ জুলাই এএসআইয়ের ৩০ সদস্যের একটি দল রাডার ম্যাপিং সহ আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে সমীক্ষা করতে জ্ঞানবাপী মসজিদে যায়। তার পরেই আসে সুপ্রিমকোর্টের স্থগিতাদেশের নির্দেশ। বন্ধ হয়ে যায় সমীক্ষার কাজ। এদিন এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশের পর আর বাধা রইল না সমীক্ষার কাজে।

    আরও পড়ুুন: “কোনও সংবিধান পরিষদ চিরকালীন নয়”, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের অগাস্টে পাঁচ হিন্দু মহিলা জ্ঞানবাপীর মা শৃঙ্গার গৌরী ও মসজিদের অন্দরের পশ্চিমের দেওয়ালে দেবদেবীর মূর্তির অস্তিত্বের দাবি করে পূজার্চনার অনুমতি চান। দ্বারস্থ হন আদালতের। তার প্রেক্ষিতেই মসজিদের (Gyanvapi Mosque) অন্দরে ভিডিও সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল বারাণসীর নিম্ন আদালত। তার পরেই জানানো হয় কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আর্জি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: “কোনও সংবিধান পরিষদ চিরকালীন নয়”, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট

    Jammu Kashmir: “কোনও সংবিধান পরিষদ চিরকালীন নয়”, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংবিধান পরিষদ কোনওভাবেই সংসদ বা সুপ্রিম কোর্টের মতো স্থায়ী সংস্থা নয়। কোনও সংবিধান পরিষদ অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকতে পারে না। জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) সংবিধান পরিষদ রাজ্যের সংবিধান তৈরির জন্য গঠিত হয়েছিল। তার মেয়াদ ফুরনোর পরে ক্ষমতা ছিল রাষ্ট্রপতির হাতেই।” বুধবার সাফ জানিয়ে দিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়।

    ৩৭০ ধারা সংক্রান্ত মামলা

    জম্মু-কাশ্মীর থেকে রদ করা হয় ৩৭০ ধারা। তার জেরে মামলা হয় দেশের শীর্ষ আদালতে। সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে এদিন শুরু হয়েছে সেই মামলা। সংবিধানের ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদে জম্মু-কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার কথা বলা ছিল। ৩৭০ ধারা রদের পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীরকে (Jammu Kashmir) ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি হয়। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একগুচ্ছ মামলা দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। স্থির হয়েছে সোম ও শুক্রবার বাদে প্রতিদিন শুনানি হবে এই মামলার।

    সিব্বলের সওয়াল 

    বৃহস্পতিবার, প্রথম দিনের শুনানিতে মামলাকারীদের তরফে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। তাঁর অভিযোগ, ৩৭০ ধারা রদ করে ও পূর্ণ রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করে সংসদ রাজ্যের বিধানসভার ক্ষমতা নিজের হাতে তুলে নিয়েছিল। সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছিল, রাষ্ট্রপতি ওই অনুচ্ছেদ রদ করতে পারেন। কিন্তু একই সঙ্গে তার জন্য জম্মু-কাশ্মীরের সংবিধান পরিষদের সুপারিশ প্রয়োজন বলেও শর্ত ছিল। সিব্বলের অভিযোগ, রাজ্যের বিধানসভা ভেঙে দিয়ে রাজ্যপাল রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিজের হাতে তুলে নিয়েছিলেন। বিধানসভা বা জম্মু-কশ্মীরের সংবিধান পরিষদের বদলে সংসদ কীভাবে ৩৭০ ধারা রদের সুপারিশ করতে পারে?

    আরও পড়ুুন: গণনায় কারচুপি! বড়জোড়ার বিডিও-এসডিওকে হাজিরার নির্দেশ হাইকোর্টে

    সেই প্রসঙ্গেই প্রধান বিচারপতি ওই মন্তব্য করেন। সিব্বলকে তিনি প্রশ্ন করেন, সংবিধান পরিষদের (Jammu Kashmir) মেয়াদ শেষ হলে কী হবে? কোনও গণপরিষদ অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকতে পারে না। ৩৭০ ধারার ধারা ৩ এর বিধানটি রাজ্যের গণপরিষদের সুপারিশ প্রয়োজন। কিন্তু, প্রশ্ন হল, যখন গণপরিষদ বন্ধ হয়ে যাবে, তখন কী হবে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Parliament Adjourned: “ওঁরা মণিপুরে যেতে পারেন, বাংলা, রাজস্থানে নয়”, ‘ইন্ডিয়া’কে তোপ অনুরাগের  

    Parliament Adjourned: “ওঁরা মণিপুরে যেতে পারেন, বাংলা, রাজস্থানে নয়”, ‘ইন্ডিয়া’কে তোপ অনুরাগের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর নিয়ে প্রথম দিন থেকেই উত্তপ্ত সংসদের বাদল অধিবেশন। বুধবার এ নিয়ে বিরোধীদের তোপ দেগেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। তিনি বলেন, “বিরোধী নেতারা মণিপুর ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত নন। তাঁরা সংসদের আলোচনায় (Parliament Adjourned) অংশগ্রহণ করছেন না। তাঁরা কেবল পালিয়ে যাচ্ছেন, সংসদকে গুরুত্ব দিতে চাইছেন না।”

    বিরোধীদের তোপ অনুরাগের

    তিনি বলেন, “তাঁরা (বিরোধীরা) মণিপুরে যেতে পারেন, কিন্তু বাংলা ও রাজস্থানে যেতে পারেন না। তাঁরা কেবল রাজনীতি করছেন।” বিরোধীদের উদ্দেশে অনুরাগ বলেন, “সংসদে বিল পেশ করতে বাধা দিলে কিছুই হবে না। তাই তাঁদের সংসদে আসা এবং আলোচনায় অংশ নেওয়া উচিত। তাঁরা এর থেকে অনেক কিছু জানতে পারবেন।” এদিকে, সংসদীয় কাজে (Parliament Adjourned) ব্যাঘাত ঘটায় শাসক ও বিরোধী দু পক্ষের সাংসদদের ওপরই ক্ষুব্ধ লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। যতদিন না সংসদরা উপযুক্ত আচরণ করছেন, ততদিন তিনি আর লোকসভায় আসবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।  

    হট্টগোলে বিরক্ত স্পিকার

    মঙ্গলবার লোকসভায় দিল্লি জাতীয় রাজধানী এলাকার সরকার (সংশোধনী) বিল ২০২৩ পেশ করেছে সরকার। এই বিল পেশের সময় ব্যাপক হট্টগোল হয় সংসদে (Parliament Adjourned)। তার জেরে বিরক্ত বোধ করেন স্পিকার। জানা গিয়েছে, অধ্যক্ষের কাছে সংসদের মর্যাদা রক্ষাই রয়েছে অগ্রাধিকারের তালিকায়। সংসদীয় কার্যক্রম চলার সময় সাংসদরা সংসদের মর্যাদা ও শালীনতা বজায় রাখবেন, এমনটাই আশা করেন তিনি। কিন্তু, ২০ জুলাই বাদল অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকে বিরোধী দল ও ট্রেজারি বেঞ্চের বাধায় যেভাবে বারংবার ব্যাহত হয়েছে সংসদের কাজকর্ম, তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্পিকার। সেই কারণেই অধিবেশন বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: “প্রতারণার টাকা সাইফন হয়েছে দফায় দফায়, সেই টাকায়ই ফ্ল্যাট নুসরতের”, দাবি বিজেপির

    আজ, বুধবার স্পিকারের আসনে ছিলেন নাম ওম বিড়লা। এদিন দিল্লি জাতীয় রাজধানী এলাকার সরকার (সংশোধনী) বিল ২০২৩ এর ওপর আলোচনা ও ভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। তবে এদিনও সংসদের অধিবেশন শুরু হতেই মণিপুর হিংসা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিবৃতির দাবিতে হট্টগোল শুরু করে দেন বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সাংসদরা। যেহেতু লোকসভার ডেপুটি পদে কেউ এখন নেই, তাই সংসদ পরিচালনা করেন সাংসদ বিজেপির কিরিৎ সোলাঙ্কি। তিনি একাধিকবার বিরোধীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন জানালেও, কাজ হয়নি। বাধ্য হয়ে এদিনের মতো মুলতুবি করে দিতে হয় সংসদের দুই কক্ষের কার্যক্রম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • BJP: ‘বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের ১০ লক্ষ টাকা টোপ দিয়ে কিনতে চাইছে তৃণমূল’, বিস্ফোরক অগ্নিমিত্রা

    BJP: ‘বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের ১০ লক্ষ টাকা টোপ দিয়ে কিনতে চাইছে তৃণমূল’, বিস্ফোরক অগ্নিমিত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর-১ নম্বর ব্লকের কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী চার অপহরণ হওয়া প্রার্থীকে পুলিশি নিরাপত্তায় বাড়িতে ফেরানো হয়। এরপরই তাদের সঙ্গে বুধবার দেখা করতে যান বিজেপি (BJP) নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। এদিন তিনি  বিজেপির জয়ী ৬ প্রার্থীর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদেরকে তিনি সবরকমভাবে আশ্বস্ত করেন।

    কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে কে এগিয়ে রয়েছে?

    কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সমীকরণ,মোট আসন সংখ্যা ১৫টি। তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করেছে ৪টি আসনে। বিজেপি (BJP) জয়লাভ করেছে ৬টি আসনে। সিপিআইএম জয়লাভ করেছে ৩টি আসনে। আর নির্দল দুটি আসনে জয়লাভ করেছে। বোর্ড গঠন করতে হলে মোট আটজন সদস্যের প্রয়োজন, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে রয়েছে মাত্র চারজন সদস্য। তৃণমূল কংগ্রেস বোর্ড গঠন করার লক্ষ্যে বিরোধীদের চারজন সদস্যকে অপহরণ করে এমনটাই অভিযোগ বিজেপি সহ বিরোধীদের।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    গত ২৭ জুলাই কলকাতা থেকে রাতের অন্ধকারে চারজন জয়ী প্রার্থীকে অপহরণ করা হয়েছিল। পরে, জোরপূর্বক তাঁদের থেকে লিখিত ও ভিডিও বার্তা করে নেওয়া হয়। এরপর একাধিক গেস্টহাউসে স্থানান্তরিত করে রাখা হয়েছিল তাঁদের। পরে সাদা কাগজে তাঁদের স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। রবিবার সকালে তাঁদেরকে বাড়িয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করেন অপহৃত বিজেপির তিন প্রার্থী ও সিপিআইএমের এক প্রার্থী।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল?

    এদিন জয়ী দলীয় প্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করে বিজেপি নেত্রী (BJP) অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, তৃণমূল সরকার ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে বিজেপি প্রার্থীদের কিনতে চাইছে। তাতে কাজ না হওয়ায় তাদের অপহরণ করা হয়েছিল। এসব করে তৃণমূল বোর্ড গঠন করতে পারবে না। সামনের ১০ তারিখে কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন হবে। বিজেপির নেতৃত্বে বিরোধীরা বোর্ড গঠন করবে। আমি নিজে উপস্থিত থাকব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল কংগ্রেসের সুন্দরবন সাংগঠনিক জেলার সভাপতি জয়দেব হালদার বলেন, বিজেপির (BJP) আনা অভিযোগ ঠিক নয়। ওরা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share