Tag: Bengali news

Bengali news

  • Durga Puja: কৈলাস থেকে এবার দেবী দুর্গা মর্ত্যে আসছেন কীসে? গমনই বা হচ্ছে কীভাবে? জানুন

    Durga Puja: কৈলাস থেকে এবার দেবী দুর্গা মর্ত্যে আসছেন কীসে? গমনই বা হচ্ছে কীভাবে? জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন”, এই মন্ত্র নিয়েই  আশ্বিনের শারদ প্রাতে মা দুর্গা (Durga Puja) মর্ত্যে আসেন। বছরে এই চারটে দিন ঘরের মেয়ে উমা হয়ে বাঙালির জীবনে থাকেন দেবী মহিষাসুরমর্দিনী। তবে কৈলাস থেকে কীসে করে দেবী এবার মর্ত্যে আসছেন? এ প্রশ্ন কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মনে করা হয়, দেবী কীসে চড়ে আসবেন আর কীসে চড়ে মহাদেবের কাছে ফিরে যাবেন তার উপর বছরের ভাল-মন্দ নির্ভর করে। পঞ্জিকা মতে, মনে করা হয়, দেবী কীসে আসছেন, আর কীসে যাচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করে বাংলার পরিবেশ, প্রকৃতি, সময়কাল।

    আরও পড়ুন: এই রাজাই বাংলাতে প্রথম দুর্গাপুজো শুরু করেছিলেন! জানেন তিনি কে?

    দুর্গার আগমন ও প্রস্থানের বাহন ও তার ফলাফল নিয়ে বাঙালি সমাজে বহু কথা প্রচলিত রয়েছে। দেবী দুর্গা ও তাঁর পুত্র-কন্যার নিজস্ব বাহন থাকলেও আগমন ও প্রস্থানের বাহনের কথা আলাদা করে পঞ্জিকায় উল্লেখ করা থাকে। হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী, সপ্তমীতে দেবীর আগমন হয়, আর গমন দশমীতে। এই দুই দিন সপ্তাহের কোন কোন বারে পড়ছে, তার উপরেই নির্ভর করে দেবীর কীসে আগমন ও কীসে গমন। শাস্ত্রে বলা আছে অর্থাত্‍ সপ্তমী রবি বা সোমবার হলে দেবীর বাহন হবে গজ বা হাতি। সপ্তমী শনি বা মঙ্গলবার হলে দেবীর বাহন ঘোটক বা ঘোড়া। সপ্তমী বৃহস্পতি বা শুক্রবার হলে দেবীর বাহন দোলা বা পালকি। সপ্তমী বুধবার হলে দেবীর বাহন নৌকা। একই ভাবে, দশমী রবি বা সোমবার হলে দেবীর বাহন গজ। দশমী শনি বা মঙ্গলবার হলে দেবী বিদায় নেবেন ঘোড়ায় চড়ে। দশমী বৃহস্পতি বা শুক্রবার হলে দেবীর গমন হবে দোলা বা পালকিতে। আর দশমী বুধবার হলে দেবীর নৌকায় করে কৈলাসে ফিরবেন দেবী। 

    আরও পড়ুন: মহা ষষ্ঠীতে পূজিতা হন দেবী কাত্যায়নী! জানেন ঋষি কাত্যায়ন কন্যার ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ হয়ে ওঠার কাহিনী?

    এবছর সপ্তমী পড়েছে ২ অক্টোবর অর্থাৎ রবিবার। তাই দুর্গার আগমন গজ অর্থাত্‍ হাতিতে। শাস্ত্রমতে গজ দেবীর উৎকৃষ্টতম বাহন। এতে ভালই হবে। শস্যপূর্ণ হবে এই বসুন্ধরা। এবছর বিজয়া দশমী পড়েছে বুধবার, ৫ অক্টোবর। মা দুর্গা পুত্র-কন্যা সহ স্বামীর কাছে ফিরবেন নৌকায় চেপে। দেবী দুর্গার নৌকায় ফেরার অর্থ প্লাবনের আশঙ্কা। অর্থাৎ প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হতে পারে এবং বন্যা হতে পারে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Coal Smuggling Scam: কয়লা পাচার কেলেঙ্কারিতে লালার সহযোগীদের বিরুদ্ধে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা

    Coal Smuggling Scam: কয়লা পাচার কেলেঙ্কারিতে লালার সহযোগীদের বিরুদ্ধে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কেলেঙ্কারিতে (Coal Smuggling Scam) জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা। মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি (Anup Maji) ওরফে লালার ১৫ জন সহযোগীর নামে জারি হয়েছে ওই পরোয়ানা। মঙ্গলবার আসানসোলের (Asansole) বিশেষ সিবিআই আদালত (CBI Court) এই পরোয়ানা জারি করে। কয়লা পাচার কেলেঙ্কারিতে যে ৪১ জনের নামে চার্জশিট পেশ করা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে এঁরাও রয়েছেন। এদিকে, কয়লা পাচার কেলেঙ্কারিতে ধৃত বিকাশ মিশ্র ও চারজন বর্তমান এবং প্রাক্তন ইসিএল আধিকারিককে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের সিবিআই আদালত।

    বছর দুয়েক আগে কয়লাপাচারকাণ্ডে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। এই মামলায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে উঠে এসেছে লালার নাম। লালা সহ একাধিক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করেছে আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিও। সুপ্রিম কোর্টে লালা জামিন পেলেও, তাঁর সঙ্গী গুরুপদ মাজি এখন তিহাড় জেলে বন্দি। এই মামলায় রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককেও ইতিমধ্যেই জেরা করেছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন : কয়লা পাচার কাণ্ডে ফের ইডির তলব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে

    এদিকে, এদিনই কয়লা পাচার মামলায় সিবিআই আদালতে তোলা হয় ইসিএলের প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার সুভাষ মুখোপাধ্যায়, সুশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ মল্লিক, তন্ময় দাস, সুভাষ চন্দ্র মৈত্র, মুকেশ কুমারকে। আর আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে তোলা হয় ইসিএলের নিরাপত্তা আধিকারিক দেবাশিস মুখোপাধ্যায় ও রিঙ্কু বেহারাকে। সিবিআই আদালতে তোলা হয় অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রের ভাই বিকাশকেও।

    এদিন সিবিআইয়ের আইনজীবী আদালতে বলেন, ধৃতদের জামিন দিলে তদন্তে বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই তাঁদের ফের জেল হেফাজত দেওয়া হোক। যদিও অভিযুক্তদের আইনজীবীরা বলেন, বাকি যাঁদের নামে চার্জশিট রয়েছে, তাঁদের এখনও পর্যন্ত ধরা যায়নি। কিংবা তাঁদের শমন পাঠানো হয়েছে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। তাই ধৃত ইসিএল আধিকারিকদের আটকে না রেখে তাঁদের জামিন দেওয়া হোক। তাঁরা তদন্তে সহযোগিতা করবেন। দু পক্ষের সওয়াল জবাব শুনে ধৃতদের ফের ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • TMC Councillors son hanged: গার্ডেনরিচে তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে রহস্য

    TMC Councillors son hanged: গার্ডেনরিচে তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে রহস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে কলকাতার (Kolkata) গার্ডেনরিচ এলাকা। এবার রহস্যমৃত্যু তৃণমূল কাউন্সিলের (TMC Councilor) ছেলের। শনিবার নিজের অফিস থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় পিন্টু শীলের (Pintu Shil)। তিনি ১৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জিত শীলের ছেলে। পিন্টু আত্মহত্যা করেছেন নাকি, তাঁকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    শনিবারই গার্ডেনরিচের পরিবহণ ব্যবসায়ী আমির খানের বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। বাজেয়াপ্ত করা হয় ১৭ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। সেই খবরের রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই নিজের অফিস থেকেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় পিন্টুর। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আত্মহত্যা করেছেন কাউন্সিলরের ছেলে।

    ১৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জিত শীল। তিনি ১৫ নম্বর বরোর চেয়ারম্যানও। এদিন রাতে নিজের অফিসে ছিলেন তাঁর ছেলে পিন্টু। তিনি প্রমোটিং করতেন। রাতে কয়েকজন তাঁর খোঁজে ওই অফিসে যান। দেখেন, গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলছেন কাউন্সিলরের ছেলে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রঞ্জিতবাবুকে। খবর দেওয়া হয় মেটিয়াবুরুজ থানায়ও। গভীর রাতে পিন্টুর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন : এবার তৃণমূল পুর-চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে উদ্ধার ৮০ লক্ষ নগদ! কে এই রাজু সাহানি?

    পুলিশ জানিয়েছে, পিন্টুর দেহে আঘাতের কোনও চিহ্ন নেই। তা থেকেই অনুমান, আত্মহত্যা করেছেন পিন্টু। তবে কেন তিনি নিজের অফিসে গিয়ে আত্মহত্যা করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই জানা যাবে ঠিক পিন্টু আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাঁকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রমোটিং সংক্রান্ত বিবাদের জেরে তাঁকে খুন করা হয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    দিন কয়েক আগে খিদিরপুরে পথ দুর্ঘটনায় ছেলেকে হারিয়েছিলেন ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাম পিয়ারি রাম। লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর ছেলে কিঙ্কর রামের। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে  যাওয়ার আগে তৃণমূল শিবিরে ফের শোকের খবর। এবার সন্তান হারা হলেন আরও এক দলীয় কাউন্সিলর রঞ্জিত শীল।  

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Durga Puja 2022: কলাবউ গণেশের স্ত্রী নন, তিনি কে জানেন? 

    Durga Puja 2022: কলাবউ গণেশের স্ত্রী নন, তিনি কে জানেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠীর (Sasti) দিন বোধনের পরে দেবী উঠলেন জেগে। গ্রহণ করলেন আমন্ত্রণ। সপ্তমীর (Saptami) সকালে হবে তাঁর গৃহপ্রবেশ। সনাতন হিন্দু ধর্ম বিশ্বাসী মানুষ এভাবেই যুগে যুগে বরণ করে নিয়েছেন দেবী দুর্গাকে (Goddess Durga)। এই সপ্তমীর সকালে জলাশয় থেকে ঘটে করে নিয়ে আসা হয় জল। সেই জলেই হয় দেবীর প্রাণ প্রতিষ্ঠা। এই ঘটের সঙ্গেই নিয়ে আসা হয় নবপত্রিকাকে স্নান করিয়ে। নবপত্রিকা স্নান লোকমুখে কলাবউ স্নান হিসেবে পরিচিত।

    দেবী দুর্গার পরে যিনি সচরাচর লোকের চোখে পড়ে, তিনি কলাবউ। সাধারণ মানুষ ভাবেন, তিনি গণেশের স্ত্রী। আসলে তা নন। কারণ, নবপত্রিকা থাকেন গণেশের ডান দিকে। হিন্দু মতে, স্ত্রী থাকবেন পুরুষের বাম পাশে। অর্থাৎ নবপত্রিকার সঙ্গে গণেশের কোনও সম্পর্কই নেই। আসলে নবপত্রিকা হল নবদুর্গার প্রতীক। কলা গাছের সঙ্গে আরও আটটি গাছ, লতাপাতা থাকে। এই নটি গাছ হল, কলা, দেবী রম্ভার প্রতীক, কচু, দেবী কালিকার প্রতীক, হলুদ, দেবী দুর্গার প্রতীক, জয়ন্তী, দেবী কার্তিকীর প্রতীক, বেল, শিবার প্রতীক, বেদানা, রক্তদন্তিকার প্রতীক, অশোক, শোকরহিতার প্রতীক, অপরাজিতা, চামুণ্ডার প্রতীক এবং ধান, লক্ষ্মীর প্রতীক। এই নটি গাছ এবং লতাপাতাকে কলাগাছের খোল দিয়ে এক সঙ্গে বাঁধা হয়। পরে জোড়া বেল দিয়ে তৈরি করা হয় দেবীর স্তন। তার পরে পরানো হয় শাড়ি-সিঁদুর।

    আসলে দেবী দুর্গা এক অর্থে প্রকৃতির পুজো। যেসব প্রাকৃতিক গাছগাছড়া যুগে যুগে মানুষের উপকারে লেগে আসছে, বিভিন্ন দেবদেবীর প্রতীক হিসেবে তাদের পুজো করা হয়। কারণ হিন্দুদের বিশ্বাস, প্রকৃতিই স্বয়ং শক্তি। মানবীর মতো তিনিও হন রজঃস্বলা। জন্ম দেন সন্তানের। সেই কারণেই দেবী দুর্গার সঙ্গে সঙ্গে পুজো হয় নবপত্রিকার। অনেক পরিবারে কেবল নবপত্রিকায়ই আরাধনা করা হয় দেবী দুর্গার। সেখানে প্রতিমা হয় না।

    কোনও কোনও শাস্ত্রবিদের মতে, এক সময় যখন দেবী প্রতিমা রূপকল্পনা হয়নি, তখন মানুষ দুর্গাপুজো করতেন নবপত্রিকা বসিয়ে। পরে মূর্তি কল্পনা হওয়ার পর তৈরি হয় মূর্তির। তার পর থেকে মহামায়ার সঙ্গে পুজো পেয়ে আসছেন নবপত্রিকাও। যেহেতু তিনি মহামায়ারই অংশ, তাই তিনি গণেশের স্ত্রী নন, বরং মা।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Tharoor Slams US Anchor: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার সুখ্যাতি, মার্কিন অ্যাঙ্করকে মোক্ষম জবাব শশী থারুরের  

    Tharoor Slams US Anchor: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার সুখ্যাতি, মার্কিন অ্যাঙ্করকে মোক্ষম জবাব শশী থারুরের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার সুখ্যাতি করেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (US) এক বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমের অ্যাঙ্কর (Anchor)। তার মোক্ষম জবাব দিলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর (Shashi Tharoor) সহ বেশ কয়েকজন।

    ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওই বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমের অ্যাঙ্কর। তাঁর দাবি, ব্রিটিশ শাসনকালেই ভারতের প্রভূত উন্নতি হয়েছিল। ফক্স নিউজের ওই অ্যাঙ্করের নাম টাকার কার্লসন। তিনি বলেছিলেন, ব্রিটিশ জমানার আগে ভারতে কোনও চোখ ধাঁধানো স্থাপত্য গড়ে ওঠেনি। তাঁর মন্তব্যকে বর্ণবাদী এবং চরমভাবে অজ্ঞাত আখ্যা দিয়েছেন বহু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী। এঁদের মধ্যে রয়েছেন টেনিস তারক মার্টিনা নাভ্রাতিলোভাও।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হবে ভারত! বিদেশমন্ত্রীর মন্তব্যে জল্পনা

    অনুষ্ঠানের নাম ছিল টাকার কার্লসন টুনাইট। ওই অনুষ্ঠানের অ্যাঙ্কর ভারতে ব্রিটিশ শাসন কালের প্রশংসা করার পাশাপাশি ওই শাসনকালকে তিনি কেবল গণহত্যার চেয়েও ঢের বেশি কিছু বলে মন্তব্য করেন। কার্লসনের একটি ট্যুইট বার্তা ভাইরাল হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, শক্তিশালী দেশগুলি দুর্বল দেশগুলিকে দমিয়ে রাখে। এই ধারা একটুও বদলায়নি। অন্তত ইংরেজরা তাদের ঔপনিবেশিক দায়িত্ব পালন করেছিল ঠিকঠাকভাবে। তিনি বলেন, আমরা (আমেরিকা) আফগানিস্তান ছেড়ছি, এয়ারস্ট্রিপ ছেড়েছি, অস্ত্র ছেড়েছি এবং বন্দুকও।

    যখন ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে গেল, তখন রেখে গেলে একটা সভ্যতা, ভাষা, লিগ্যাল সিস্টেম, স্কুল, চার্চ, পাবলিক বিল্ডিং, এখনও পর্যন্ত যা কিছু রয়েছে। এর পরেই শুরু হয় ট্যুইটার যুদ্ধ। কংগ্রেস নেতা শশী থারুর লেখেন, আমার মনে হয় ট্যুইটারের একটি অপশন আছে কোনওকিছু দাপিয়ে রাখতে, যখন তুমি কোনও প্রতিক্রিয়া না দাও। এখন আমি নিজেকে শান্ত রাখব। এর পরেই তিনি দুটো রাগত মুখের ইমোজি দিয়েছেন। আমেরিকার ওই অ্যাঙ্করকে শশী থারুরেরই ‘ইনগ্লোরিয়াস এম্পায়ার’ বইটি পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন নাভ্রাতিলোভা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bengal BJP: পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক নিযুক্ত মঙ্গল পাণ্ডে, জানেন কে তিনি?

    Bengal BJP: পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক নিযুক্ত মঙ্গল পাণ্ডে, জানেন কে তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাখির চোখ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে (2024 Lok sabha Elections)। আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) সহ বিভিন্ন রাজ্যের রশি তুলে দেওয়া হল দক্ষ সংগঠকদের হাতে। শুক্রবার বৈঠকে বসেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেখানে বিভিন্ন রাজ্যের পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়। বাংলার দায়িত্ব বর্তাল মঙ্গল পাণ্ডের হাতে। বিহারের প্রাক্তন মন্ত্রী কাঁধে তুলে দেওয়া হল দায়িত্ব। 

    কে এই মঙ্গল পাণ্ডে? জানা গিয়েছে, বিহারের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মঙ্গল পাণ্ডে বাংলার সংগঠনের দেখভাল করবেন। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে তাঁকে। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা তাঁকে নিয়োগ করেন। মঙ্গল পাণ্ডেকে সাহায্য করবেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য এবং নেত্রী আশা লাখরা। এরাজ্যে সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করবেন তাঁরা।

    নীতীশ কুমার যখন বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার চালাচ্ছিলেন, তখন মঙ্গল পাণ্ডে পালন করেছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব। দুঁদে রাজনীতিকের পাশাপাশি তিনি দক্ষ সংগঠকও। সেই কারণেই তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বাংলার দায়িত্ব। একুশের ভোটে বাংলায় আশাব্যঞ্জক ফল হয়নি বিজেপির। তাই রাজ্য বিজেপির তরফে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে একাধিকবার স্থায়ী পর্যবেক্ষকের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। রাজ্য বিজেপির সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই মঙ্গল পাণ্ডেকে দেওয়া হল বাংলার দায়িত্ব। 

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য ২০২৪, মেগা বৈঠকে বিজেপি, কী আলোচনা হল জানেন?

    গতমাসেই রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত নেতা নিযুক্ত হন বহু-যুদ্ধের ঘোড়া সুনীল বনসল। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও, ওড়িশা ও তেলঙ্গানার দায়িত্বে রয়েছেন সুনীল। ওড়িশা ও তেলঙ্গানায় বিধানসভা ভোট আসন্ন। দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গের নেতৃত্বের কাছে, এই দুই বিরোধী-শাসিত রাজ্যে জয়ী হতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব। ফলত, সুনীলের ওপর গুরুদায়িত্ব রয়েছে। সব দিক বিচার করে, পশ্চিমবঙ্গকে গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষক হিসেবে মঙ্গলকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। জানা গিয়েছে, সুনীলের অধীনে থাকবেন মঙ্গল পাণ্ডে, অমিত মালব্য ও আশা লখরা।

    বাংলার পাশাপাশি বিজেপি নজর দিয়েছে বিহারের দিকেও। বিহারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিনোদ টাওডেকে। বিহারের সহ পর্যবেক্ষক থাকছেন হরিশ দ্বিবেদী। দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্রকেও। উত্তর পূর্বের আটটি রাজ্যের কোঅর্ডিনেটর করা হয়েছে তাঁকে। দলের জাতীয় সম্পাদক ঋতুরাজ সিনহাকে দেওয়া হয়েছে জয়েন্ট কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পাঞ্জাব ও ছত্তিশগড়ের। ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবকে দেওয়া হয়েছে হরিয়ানার দায়িত্ব। কেরলের ভার দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকরের হাতে। 

    গুজরাট এবং ত্রিপুরায় সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আরও কয়েকটি রাজ্যেও রয়েছে নির্বাচন। লোকসভা নির্বাচনের আগে সেই রাজ্যগুলির কুর্সি দখলই এই মুহূর্তে পাখির চোখ গেরুয়া নেতৃত্বের। এই বিধানসভা নির্বাচনের পর্ব মিটতে মিটতে বাজবে লোকসভা ভোটের বাদ্যি। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই অগোছাল বিরোধীদের একজোট হওয়ার আগেই ঘর গুছিয়ে ফেলল বিজেপি। সেই কারণেই রদবদল হল পদ্মশিবিরে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
  • Supreme Court: উপাসনা স্থল আইন সংক্রান্ত আবেদন পত্র পাঠানো হতে পারে সাংবিধানিক বেঞ্চে, মত সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: উপাসনা স্থল আইন সংক্রান্ত আবেদন পত্র পাঠানো হতে পারে সাংবিধানিক বেঞ্চে, মত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৯১ সালের উপাসনা স্থল আইনকে (Places Worship Act) চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যেসব আবেদন  জমা করা হয়েছিল, সেই আবেদন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে (Constitution Bench) পাঠানো যেতে পারে। শুক্রবার একথা জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ওই আইনে বলা হয়েছিল, স্বাধীনতার পরে যেসব ধর্মীয় স্থানের চরিত্র যা ছিল, তাই থাকবে। যার জেরে ওই আইনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যেত না। এবার সেই আইন সংক্রান্ত আবেদনের বিচার হবে দেশের শীর্ষ আদালতের সাংবিধানিক বেঞ্চে। এদিন আদালতে হাজির ছিলেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তাঁর কাছে ১৯৯১ সালের ওই আইনের বৈধতা সংক্রান্ত বিভিন্ন জনস্বার্থ রক্ষা আবেদনের জবাবও চাইল আদালত। 
    বারাণসীর জ্ঞানবাপী এবং মথুরায় যে দুটি উপাসনা স্থল মসজিদ ছিল বলে দাবি করা হয়, সেগুলির ওপর আলোকপাত করতে দেশের শীর্ষ আদালতে আবেদন করেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যসভার সদস্য সুব্রহ্মণিয়ম স্বামী। সুপ্রিম কোর্টে এ ব্যাপারে মামলা দায়ের করেছিলেন জনৈক অশ্বিনী উপাধ্যায়। 

    আরও পড়ুন : শিখদের পাগড়ি কিংবা কৃপাণের সঙ্গে তুলনা চলে না হিজাবের, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের
    এদিকে, জামায়েত উলেমা-ই-হিন্দের তরফে এদিন আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী ইজাজ মকবুল। তিনি বলেন, অযোধ্যার রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ মামলায় ১৯৯১ সালের আইনের রেফারেন্স দেওয়া হয়েছিল। এখন এটা সরিয়ে রাখা যায় না। এদিন অশ্বিনীর হয়ে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী। তিনি বলেন, এই মামলার বিচার করতে গিয়ে যে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, তা কেবল রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এটা কোনও যুক্তি নয়। দু পক্ষের সওয়াল জবাব শোনর পরে প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিত বলেন, এই সংক্রান্ত মামলার পাঠানো যেতে পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে। তিন বিচারপতির বেঞ্চেও হতে পারে শুনানি। 
    আদালত জানায়, এই মামলার অগ্রগতি নিয়ে প্রচুর আবেদনপত্র জমা পড়েছে। আমরা সব আবেদন গ্রহণ করেছি এবং আবেদনকারীকে মামলায় অংশ নেওয়ার স্বাধীনতা দিয়েছি। প্রত্যকেকে বলা হয়েছে আবেদনপত্র যেন পাঁচ পাতার বেশি না হয়। তিন বিচারপতির বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১১ অক্টোবর। 
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Suvendu Adhikari: “চোরেদের রানি কে?”, নবান্ন অভিযানের আগে আলিপুরদুয়ারের সভায় প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “চোরেদের রানি কে?”, নবান্ন অভিযানের আগে আলিপুরদুয়ারের সভায় প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্ন অভিযানের আগে ফের তৃণমূল (TMC) নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নিশানা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। আলিপুরদুয়ারে বিজেপির নবান্ন অভিযানের প্রস্তুতি সভায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, চোরেদের রানি কে? শুক্রবার আলিপুরদুয়ারের সভায় যাওয়ার পথে তিনি ফের বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই পড়ে যাবে রাজ্যের তৃণমূল সরকার।

    চলতি মাসের ১৩ তারিখে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে বিজেপি। এরই প্রস্তুতি সভা চলছে। আলিপুরদুয়ারের সভায় যোগ দিয়ে শুভেন্দু বলেন, আমি পরিবর্তন যাত্রায় এসেছিলাম। আলিপুরদুয়ারের সভা থেকে ফালাকাটা পর্যন্ত গিয়েছিলাম। তৃণমূলের লোকেরা ফালাকাটার সব লাইট অফ করে দিয়েছিল। কিন্তু মানুষ মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে আলিপুরদুয়ার থেকে ফালাকাটা পর্যন্ত গিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিল, যে এবারে পিসিমনিকে আলিপুরদুয়ার থেকে খালি হাতে ফিরতে হবে। পরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারেও এসেছি। এর পরেই তিনি বলেন, আজ কেন এসেছি জানেন তো? বলে দর্শকদের তাঁর সঙ্গে গলা মিলিয়ে বলতে বলেন, চোরেদের জেলে ভরো, ১৩ সেপ্টেম্বর নবান্ন চলো। এর পরেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, চোরেদের রানি কে?

    আরও পড়ুন : চিকিৎসা ভাতা বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু অধিকারী

    বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলীয় কর্মী সম্মেলনে তৃণমূল নেত্রী বলেছিলেন অনুব্রত মণ্ডলকে বীরের মতো ফেরাতে হবে। এদিন আলিপুরদুয়ার যাওয়ার পথে শিলিগুড়িতে মমতার মন্তব্যের জবাব দেন শুভেন্দু। বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাকে বীর বলছেন, তার সঙ্গে দেখা করতে দিল্লির তিহার জেলে যেতে হবে। শনিবার দু দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে আসছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সে প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, কাল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আসছেন টাকা তুলতে। শুভেন্দু বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস দলটা একটা সম্পূর্ণ প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। দলটা পরিবারবাদ, তোষণ ও দুর্নীতির ওপর চলছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত একটা দল দুর্নীতিবাজদের সম্মান করবে, এটাই তো স্বাভাবিক। এখন আত্মবিশ্বাস না দেখালে তো পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন দিতে পারবে না। তিনি বলেন, কাল যারা দেখা করতে গিয়েছিল, পঞ্চায়েত প্রধানরা, তারা সব চোর। আর ভাইপো সহ ডাকাতরা বসেছিল মঞ্চে। শুভেন্দু বলেন, আত্মবিশ্বাস বজায় রাখার জন্য ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে পঞ্চায়েত ভোট করবে রাজ্য সরকার। এদিন কাওয়াখালি এলাকায় পোড়াঝাড় কাওয়াখালি ভূমি রক্ষা কমিটির আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তাঁদের ধর্না মঞ্চে গিয়ে দেখা করেন শুভেন্দু। আশ্বাস দেন পাশে থাকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • SC on Hijab Row: শিখদের পাগড়ি কিংবা কৃপাণের সঙ্গে তুলনা চলে না হিজাবের, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

    SC on Hijab Row: শিখদের পাগড়ি কিংবা কৃপাণের সঙ্গে তুলনা চলে না হিজাবের, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিখদের পাগড়ি (Turban) কিংবা কৃপাণের (Kirpan) সঙ্গে হিজাবের (Hijab) তুলনা চলে না। হিজাব বিতর্কে (Hijab Row) রায় গিয়ে বৃহস্পতিবার এমনই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। বর্তমানে দেশের শীর্ষ আদালতের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে চলছে হিজাব মামলার শুনানি। ওই মামলায় রায় দিয়ে গিয়ে আদালতে জানায়, শিখদের পাগড়ি এবং কৃপাণ ব্যবহারের অনুমতি সংবিধান স্বীকৃত।

    কিছুদিন আগেই হিজাব বিতর্কে উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা কর্নাটক। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন মুসলিম পড়ুয়ারা। অশান্তির জেরে দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে বেশ কিছুদিন বন্ধ রাখতে হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই বিক্ষোভের মাঝেই ১৫ মার্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে হিজাব পরায় নিষেধাজ্ঞার নির্দেশকে বহাল রেখে দেয় হাইকোর্ট। 

    কর্নাটক হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে বেশ কয়েকটি আবেদন দাখিল হয়েছে। কর্নাটক হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা অপরিহার্য ধর্মীয় অনুশীলন নয়। কেবল অপরিহার্য ধর্মীয় আচরণই সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে সুরক্ষা পেতে পারে। সেই ভিত্তিতেই কর্নাটক হাইকোর্ট সেই রাজ্যের মুসলিম পড়ুয়াদের ক্লাসে হিজাব পরার আবেদন খারিজ করে দেয়।

    আরও পড়ুন : রুদ্রাক্ষ বা ক্রসের সঙ্গে হিজাবের তুলনা চলে না! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধি নিয়ে মত সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী নিজামউদ্দিন পাশা। তিনি নিজেও একজন আবেদনকারী। তিনি ইসলাম এবং অ্যারাবিকের ছাত্র। তিনিই শিখদের পাগড়ি এবং কৃপাণের সঙ্গে হিজাবের তুলনা টানার চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর যুক্তি, হিজাব পরিধান মুসলিম মহিলাদের একটি ধর্মীয় অনুশীলন। তাই তাঁদের হিজাব পরে স্কুলে আসতে নিষেধ করা যায় না। তিনি বলেন, শিখ ছাত্ররা তো পাগড়ি পরেন। তাঁর যুক্তি, সাংস্কৃতিক আচার রক্ষা করা উচিত। তথনই বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা বলেন, শিখদের সঙ্গে এ ব্যাপারে তুলনা টানা যায় না। কারণ শিখদের কৃপাণ ব্যবহার সংবিধান স্বীকৃত। আদালতের মন্তব্য, তাই দুটোর সঙ্গে তুলনা করা যায় না। বিচারপতি গুপ্তা বলেন, পাগড়ি পরার প্রয়োজন রয়েছে। এবং এগুলি দেশের সংস্কৃতির অঙ্গীভূত। আইনজীবী পাশা তখন এ ব্যাপারে ফ্রান্সের রেফারেন্স টানতে যান। বিচারপতি গুপ্তা সঙ্গে সঙ্গে বলেন, ফ্রান্স কিংবা অষ্ট্রিয়ার সঙ্গে তুলনা চাই না। আমরা ভারতীয় এবং ভারতেই থাকতে চাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • BJP Attacks Nitish: বিজেপি বিরোধী জোট সুযোগ সন্ধানীদের, নীতীশকে নিশানা গেরুয়া শিবিরের

    BJP Attacks Nitish: বিজেপি বিরোধী জোট সুযোগ সন্ধানীদের, নীতীশকে নিশানা গেরুয়া শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে উদ্যোগী হয়েছেন বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। তাকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বুধবার গেরুয়া শিবিরের তরফে বিষয়টিকে সুযোগ সন্ধানীদের জোট (Opportunistic Alliance) বলে নিশানা করা হয়েছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে দেশ। তাই বিরোধীদের উদ্যোগ দানা বাঁধবে না বলেই মনে করে গেরুয়া শিবির।

    বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেস এবং লালু প্রসাদ যাদবের আরজেডির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গড়েন জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশ কুমার। তার পরেই তিনি উদ্যোগী হয়েছেন বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে। বিহারে গিয়ে নীতীশের সঙ্গে দেখা করেছেন কেসিআর। দিন কয়েক আগে দিল্লি এসে নীতীশ দেখা করেছেন বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে।

    নীতীশ যখন বিরোধী দলগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে চলেছেন, তখন বিহার ঘুরে এসে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, খরায় জর্জরিত বিহার। খুন জখমের ঘটনা সেখানে প্রতিদিনের ঘটনা। বিহারের কুর্সিতে নীতীশ রয়েছেন দীর্ঘ দিন। কখনও বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে, কখনও বা অন্য কোনও দলের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে। সেই তিনিই ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বিজেপি বিরোধী একাধিক রাজনৈতিক দলের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা সেরেছেন। নীতীশের দাবি, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে যেনতেন প্রকারে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য ২০২৪, মেগা বৈঠকে বিজেপি, কী আলোচনা হল জানেন?

    রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, উনি (নীতীশ) বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে একজোট করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে দেশ এই সুযোগ সন্ধানী জোটকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। এবং এদের আর কেউ বিশ্বাস করবে না। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের পর দেশে স্থায়ী সরকার এসেছে। মোদির নেতৃত্বে আশা-আকাঙ্খা পূরণ হয়েছে জনতার। সমাজে উন্নয়নযজ্ঞ চলছে। তিনি বলেন, মোদি বিশ্বে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। ব্রিটেনকে পিছনে ফেলে দেশকে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত করেছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে নীতীশ সবার শেষে বলেও মন্তব্য করেন রবিশঙ্কর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share