Tag: Bengali news

Bengali news

  • Anubrata Mandal: এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন স্বয়ং অনুব্রত মণ্ডল, কেন জানেন?

    Anubrata Mandal: এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন স্বয়ং অনুব্রত মণ্ডল, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি নিজেই রয়েছেন সিবিআই (CBI) হেফাজতে। গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandal) একের পর এক নামে-বেনামে থাকা সম্পত্তির হদিশও পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। এই আবহে সেই অনুব্রতই কিনা চেয়ে বসলেন সিবিআই তদন্ত! সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে হাজিরা দিতে আসানসোল (Asansole) যাওয়ার পথে তিনি বলেন, জজ সাহেবকে বলব সিবিআই তদন্ত হোক।

    দিন দুই আগেই অনুব্রতর জামিন চেয়ে হুমকি চিঠি পাঠানো হয়েছে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারকের কাছে। কেন্দ্রীয় ওই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, গরু পাচার মামলায় অনুব্রতকে জামিন দিন, নয়তো সপরিবার মাদক মামলায় ফাঁসানো হবে বলে লেখা হয়েছে ওই চিঠিতে। আসানসোলের সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী ২০ অগাস্ট এই হুমকি চিঠি পেয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। যিনি চিঠি পাঠিয়েছেন, তিনি জনৈক বাপ্পা চট্টোপাধ্যায়। সোমবার জেলা জজকে চিঠি পাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছিলেন সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। ঘটনাটি জানিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকেও। সেই প্রসঙ্গেই এদিন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি বলেন, আমি জোড় হাত করে জজ সাহেবকে বলব যেন এর সিবিআই তদন্ত করানো হয়। এর আগে এই চিঠি পাঠানোর দায় অনুব্রত চাপিয়েছিলেন বিজেপির ঘাড়ে। তিনি বলেছিলেন, এটা বিজেপি করেছে। তবে সত্যিই কে চিঠিটি পাঠিয়েছে, তা জানতে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন সিবিআই হেফাজতে থাকা অনুব্রত।

    আরও পড়ুন : অনুব্রত-কন্যার নামে জমির হদিশ! বোলপুরের বিএলআরও অফিসে কী পেল সিবিআই?

    এদিকে, গরু পাচার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত এনামুল হক বন্দি রয়েছেন দিল্লির তিহার জেলে। ‘প্রভাবশালী’ হওয়ায় অনুব্রতকেও সেখানে নিয়ে যাওয়া হতে পারে বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। সে প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতেই তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি বলেন, এটা নিয়ম আছে না কি? বললেই হয়ে যাবে! তিনি যে প্রভাবশালী নন, এদিন তাও জানান অনুব্রত। তিনি বলেন, ওটা সিবিআইয়ের বক্তব্য। দলনেত্রী সম্পর্কে অনুব্রতর মূল্যায়ন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করেছেন, অনেক করেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Prophet Row: হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, গ্রেফতার তেলঙ্গানার বিধায়ক

    Prophet Row: হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, গ্রেফতার তেলঙ্গানার বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের (Prophet Row) জেরে সাসপেন্ড করা হয়েছে বিজেপির (BJP) মুখপাত্র নূপুর শর্মাকে (Nupur Sharma)। সেই বিতর্কের আঁচ পুরোপুরি নেভানোর আগেই ফের হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বিপাকে তেলঙ্গানার বিধায়ক বিজেপির টি রাজা সিং (T Raja Singh)। মঙ্গলবার সকালে তাঁর বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয় রাজাকে। এর আগেই অবশ্য রাজাকে সাসপেন্ড করে বিজেপি। তাঁকে কেন দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না তা জানতে চেয়ে পাঠানো হয়েছে শোকজের নোটিশও।  উত্তর দিতে বলা হয়েছে ১০ দিনের মধ্যে।  

    নূপুরের বক্তব্যকে সমর্থন করে সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ করেন গোশামহল কেন্দ্রের দু বারের বিধায়ক রাজা। ভিডিওটি ঘিরে এলাকায় ছড়ায় ব্যাপক উত্তেজনা। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় রাজাকে। বিজেপির এই বিধায়কের দাবি, স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ান মুনাওয়ার ফারুকিকে কটাক্ষ করেই ভিডিওটি তৈরি করেছিলেন তিনি। কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য ছিল না তাঁর। রাজা বলেন, আমি বুঝতে পারছি না, কীসের ভিত্তিতে অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ। কোনও সম্প্রদায়ের নাম উল্লেখ করে ভিডিও তৈরি করিনি আমি। ভিডিওতে কেবল ফারুকিকে কটাক্ষ করা হয়েছিল। এর পরেই বিধায়কের সাফাই, আমি কারও ভাবাবেগে আঘাত করিনি।

    আরও পড়ুন : বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সাসপেন্ড নূপুর শর্মা, নবীন জিন্দালকে বহিষ্কার বিজেপি-র

    জানা গিয়েছে, কিছু দিন আগে নূপুর যে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন, তাঁর তৈরি ভিডিওতে তারই পুনরাবৃত্তি করেছেন রাজা। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় বিক্ষোভ প্রদর্শন। বিধায়কের গ্রেফতারির দাবিতে সোচ্চার হয় জনতা। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় রাজাকে। প্রসঙ্গত, রাজার বিরুদ্ধে আগেও অশান্তিতে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবারও কমেডিয়ান মুনাওয়ার ফারুকির শোয়ে জনা পঞ্চাশেক সমর্থককে নিয়ে গিয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন রাজা। রাজা বলেন, ইউটিউব থেকে তারা (পুলিশ) আমার ভিডিও সরিয়ে দিয়েছে। আমি জানি না পুলিশ ঠিক করতে চলেছে। আমি একবার ছাড়া পেলেই ভিডিওর দ্বিতীয় পার্ট আপলোড করব। আমি এটা করছি ধর্মের জন্য। ধর্মের জন্য আমি মরতেও প্রস্তুত। নূপুর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে অশান্ত হয়ে ওঠে গোটা দেশ। তাঁর বক্তব্য যে দলের নয়, তাও সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব। নূপুরকে সাসপেন্ডও করা হয়। তার পরেও দেশজুড়ে শুরু হয় তাণ্ডব। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বিজেপির পার্টি অফিসেও। পরে অবশ্য প্রশাসনিক তৎপরতায় প্রশমিত হয় ক্ষোভের আগুন।

    আরও পড়ুন : হজরত মহম্মদ মন্তব্য বিতর্কে পাকিস্তানকে পাল্টা তোপ ভারতের

     

  • Loan Apps: ঋণের টোপ দিয়ে টাকা-তথ্য হাতিয়ে চিনে পাচার, দেশজুড়ে গ্রেফতার ২২

    Loan Apps: ঋণের টোপ দিয়ে টাকা-তথ্য হাতিয়ে চিনে পাচার, দেশজুড়ে গ্রেফতার ২২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঋণ (loan) দেওয়ার টোপ দিয়ে ফাঁদে ফেলা হত শিকার। এক বার ফাঁদে পড়লেই কেল্লাফতে। ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিয়ে শুরু হত ব্ল্যাকমেইলিং। ঋণ নেওয়া ব্যক্তির ছবি বিকৃত করে পর্ন সাইটে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে হাতানো হত মোটা অঙ্কের টাকা। সেই তথ্য এবং টাকা পাচার হত ড্রাগনের দেশ চিনে। এভাবে ৫০০ কোটি টাকা তোলাবাজির অভিযোগে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ২২ জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। একশোটিরও বেশি লোন অ্যাপের (Loan App) মাধ্যমে উত্তর প্রদেশের লক্ষ্ণৌ থেকে দুষ্কৃতীরা কারবার চালাচ্ছিল বলে জেনেছে পুলিশ। প্রতারণা চক্রের নেপথ্যে কয়েকজন চিনা (China) নাগরিক রয়েছে। চক্রের শেকড় কত গভীরে তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    সম্প্রতি একে একে প্রতারণার শ খানেক অভিযোগ পায় দিল্লি পুলিশ। তার পরেই শুরু হয় তদন্ত। চক্রের পর্দাফাঁস করেন তদন্তকারীরা। তাঁরা জেনেছেন, মূলত লোন অ্যাপের মাধ্যমেই ফাঁসানো হত গ্রাহকদের। এই অ্যাপের মাধ্যমে চড়া সুদে ঋণ মিলত। তবে অনায়াসে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ঋণ মিলত। ঋণ দেওয়ার সময় গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিত প্রতারকরা। সুদ সমেত আসল ফিরিয়ে দেওয়ার পরেই তারা ধারণ করত স্বমূর্তি। ছবি বিকৃত করে সোশ্যাল সাইটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে হাতানো হত কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। এভাবেই জালিয়াতি করা হয় ৫০০ কোটি টাকা। হাওয়ালা ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে সেই টাকা পাঠানো হয় চিনে।

    আরও পড়ুন : প্রতারণা রুখতে বিশেষ অ্যানালেটিক উইং রাখার পথে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকগুলি

    পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লি, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ সহ নানা রাজ্যে জাল বিছিয়েছিল প্রতারকরা। প্রতারকরা মূলত যে লোন অ্যাপগুলি ব্যবহার করত সেগুলি হল ক্যাশ পোর্ট, রুপি ওয়ে, লোন কিউব, ওয়াও রুপি, স্মার্ট ওয়ালেট, জায়ান্ট ওয়ালেট, হাই রুপি, সুইফট রুপি, ওয়ালেটউইন, ফিশক্লাব, ইয়েহক্যাশ, ইম লোন, গ্রোটি, ম্যাজিক ব্যালেন্স, ইয়োক্যাশ, ফরচুন ট্রি, সুপারকয়েন এবং রেড ম্যাজিক। অভিযানে বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৫১টি মোবাইল, ২৫টি হার্ড ডিস্ক, ৯টি ল্যাপটপ, ১৯টি ডেবিট কার্ড, ৩টি গাড়ি এবং নগদ ৪ লক্ষ টাকা। এদিন যে বাইশজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের জেরা করে চিনা চক্রের নাগাল পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন : আন্তর্জাতিক জঙ্গির ঢাল চিন! আব্দুল রউফ আজহারকে নিষিদ্ধ করতে বাধ সাধল বেজিং

     

  • Sushil Modi: ’২৪ সালে মানুষ নরেন্দ্র মোদির পক্ষেই ভোট দেবেন, দাবি সুশীল মোদির  

    Sushil Modi: ’২৪ সালে মানুষ নরেন্দ্র মোদির পক্ষেই ভোট দেবেন, দাবি সুশীল মোদির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) সঙ্গ ছেড়ে জেডিইউ (JDU) সুপ্রিমো নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) কংগ্রেস (Congress) এবং আরজেডিকে (RJD) নিয়ে গড়েছেন মহাজোট। নীতিশের নেতৃত্বে শপথও নিয়েছে নয়া মন্ত্রিসভা। তার পরেই নীতীশকে তোপ বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীলকুমার মোদির (Sushil Kumar Modi)। সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, নীতীশের লক্ষ্য প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    অষ্টমবারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন নীতীশ। তার পরেই তাঁকে নিশানা করেন সুশীল মোদি। তিনি বলেন, নীতীশকুমার দীর্ঘদিন ধরে মনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন লালন করছিলেন। কিন্তু বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধেও সেরকম কোনও সুযোগ মেলেনি তাঁর। কারণ বিজেপিতে উঁচু দরের অনেক নেতা রয়েছেন। নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ সহ অন্যরা রয়েছেন। আঠারো বছর ধরে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ সামলানোর পরে তিনি চাইছিলেন একটি ঝাঁপ দিতে। তিনি বলেন, নীতীশ কুমারের লক্ষ্য, লালন সিংয়ের লোভ এবং লালু যাদবের ক্ষমতায় ফিরতে বেপরোয়া হওয়া এই তিন কারণের জেরে বিহারের এই পট পরিবর্তন।

    আরও পড়ুন : বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

    বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, নীতীশকে উপরাষ্ট্রপতি পদে বসানোর একটা ভাবনা জেডিইউয়ের তরফে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল বিজেপি নেতৃত্বের কানে। তবে বিজেপি সেটা গ্রহণ করেনি। কিছু বিষয় ছিল। তার পরেও তাঁর লাগাম পরানো যায়নি তাঁর লক্ষ্যে। সুশীল মোদি বলেন, নীতীশের জনপ্রিয়তা প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। ২০১০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন ১১৫টি আসন। ২০১৫তে কমে তা দাঁড়ায় ৭১এ। আর ২০২০ সালের নির্বাচনে তাঁর দল পায় মাত্রই ৪৩টি আসন। যেটা বেড়ে এখন ৪৫ হয়েছে। তিনি বলেন, নীতীশ যে ক্রমেই তেজস্বী যাদব শিবিরের দিকে ঝুঁকছেন, তা আমরা জানতাম। কিন্তু আমরা ভাবতে পারিনি তিনি তাঁর পুরানো শত্রু লালুর দলের সঙ্গে হাত মেলাবেন। ১৯৯৪ সালে নিজে দল গড়বেন বলে লালুকে প্রত্যাখান করেছিলেন নীতীশ। সেই থেকে ’১৫ সাল পর্যন্ত তিনি বিজেপির সঙ্গেই ছিলেন। প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, একটা জিনিস পরিষ্কার। বিহার বিধানসভার পরবর্তী নির্বাচনে আমরা নরেন্দ্র মোদির নামেই ভোট চাইব। তিনি বলেন, বিহার বিধানসভার পরবর্তী নির্বাচনে কী হবে তা বলতে পারব না। তবে ’২৪ সালে মানুষ মোদির পক্ষেই ভোট দেবেন। সুশীল মোদি বলেন, বিহারে বিজেপির বুথ স্তর পর্যন্ত শক্তপোক্ত নেটওয়ার্ক রয়েছে এবং আমরা সব শ্রেণিকে নিয়ে কাজ করছি। বিহারে নরেন্দ্র মোদি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধির প্রতীক। তাই বলতেই পারি, মণ্ডলও (মণ্ডল কমিশন) আমাদের সঙ্গে রয়েছে, রয়েছে কমন্ডলুও (হিন্দু ভোট ব্যাংক)।

    আরও পড়ুন : বিজেপি ছেড়ে আরজেডি! মুখ্যমন্ত্রী নীতীশই, জানুন কী বলছে বিহারের নয়া সমীকরণ

  • Bilkis Bano: বিলকিস বানো মামলায় অভিযুক্তদের মুক্তি, প্রশ্নের মুখে গুজরাট সরকার

    Bilkis Bano: বিলকিস বানো মামলায় অভিযুক্তদের মুক্তি, প্রশ্নের মুখে গুজরাট সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলকিস বানো (Bilkis Bano) গণধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত ১১ জনকে মুক্তি দিল গুজরাট সরকার (Gujarat Govt)। গোধরা পরবর্তী হিংসায় বিলকিসকে গণধর্ষণে (Gang Rape) দোষী সাব্যস্ত করা হয় তাদের। বিলকিসের পরিবারের সাতজনকে খুনের দায়েও দোষী সাব্যস্ত করা হয় তাদের। সোমবার স্বাধীনতা দিবসে মুক্তি পায় তারা। সাজা মকুব নীতিতে (Remission Policy) মুক্তি দেওয়া হয়েছে ওই ১১জনকে।  

    ২০০২ সালে গোধরাকাণ্ডের পর গুজরাটে ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটে। ওই বছরের ৩ মে দাহোড় জেলার দেবগড়ের একটি গ্রামে কার্যত তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা। গ্রামেরই বাসিন্দা বিলকিস এবং তাঁর মা বোনকে গণধর্ষণ করা হয়। পরিবারের ১৪ জন সদস্য সহ মোট ১৭ জনকে নৃশংসভাবে খুন করে দুষ্কৃতীরা। তদন্ত শুরু করে সিবিআই। ২০০৮ সালের ২১ জুলাই মুম্বইয়ে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত ওই ঘটনায় ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। স্বাধীনতা দিবসে মুক্তি দেওয়া হয় তাদেরই।

    আরও পড়ুন : গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

    কেন ছেড়ে দেওয়া হল অভিযুক্তদের? অভিযুক্তরা ১৫ বছরেরও বেশি সময় জেলে ছিল। এদের মধ্যে একজন অভিযুক্ত জামিনের আবেদন করে মামলা দায়ের করে সুপ্রিম কোর্টে। এর পরেই দেশের শীর্ষ আদালত অভিযুক্তদের সাজা মকুবের জন্য গুজরাট সরকারকে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয় বলে জানান গোধরা জেলার কালেক্টর সুজল মায়াত্র। ওই কমিটিই অভিযুক্তদের সাজা মকুবের সুপারিশ করে গুজরাট সরকারের কাছে। তার পরেই মুক্তি দেওয়া হয় তাদের। অভিযুক্তদের মুক্তি দেওয়ার ঘটনায় সোচ্চার হয়েছেন মানবাধিকার কমিশনের আইনজীবী সামসাদ পাঠান। তাঁর প্রশ্ন, বিলকিসের মামলার থেকে কম জঘণ্য অপরাধ করেছে এমন অসংখ্য অভিযুক্ত কেন কারাগারে বন্দি?

    এদিকে, গুজরাটে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি সরকার। কেন্দ্রের রশিও বিজেপির হাতে। অভিযুক্ত ১১ জনকে মুক্তি দিয়ে কেন্দ্রের গাইডলাইন লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। স্বরাষ্ট্র দফতরের জারি করা ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ কর্মসূচি উপলক্ষে রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলি বন্দিদের মুক্তি দেবে। তবে ধর্ষক, মানব পাচারকারী এবং মাদক পাচার চক্রীদের মুক্তি দেওয়া যাবে না। প্রসঙ্গত, এই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রয়েছে অমিত শাহের হাতে।

    আরও পড়ুন : ‘শিবের মতো বিষপান করেছেন মোদি’, গুজরাট হিংসা প্রসঙ্গে অমিত শাহ

  • Anubrata Mandal: বোলপুরে ফের সিবিআই হানা, এবার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ পুরকর্মীর বাড়িতে তদন্তকারীরা

    Anubrata Mandal: বোলপুরে ফের সিবিআই হানা, এবার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ পুরকর্মীর বাড়িতে তদন্তকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোলপুরে (Bolpur) ফের সিবিআই (CBI) হানা। এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দুই আধিকারিক হানা দিলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal) ঘনিষ্ঠ জনৈক বিদ্যুৎবরণ গায়েনের বাড়িতে। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে তল্লাশি। তার পরেই বোলপুর পুরসভার এই সাফাই কর্মীর বাড়ি থেকে চলে যান সিবিআই আধিকারিকরা।

    গরু পাচার মামলায় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। তার পরেই পর্দা ফাঁস হচ্ছে একের পর এক রহস্যের। অনুব্রতর বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির নাগাল পাওয়ার পর এবার তাঁর ছায়াসঙ্গী হিসেবে পরিচিত বিদ্যুৎবরণের বাড়িতে হানা দেন সিবিআইয়ের দুই আধিকারিক। রবিবার ভরদুপুরে বিদ্যুৎবরণের কালিকাপুরের দোতলা বাড়িতে তল্লাশি চালান তাঁরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা জেনেছেন, একাধিক কোম্পানিতে লগ্নি রয়েছে অনুব্রতর। সেই কোম্পানিগুলিতে অনুব্রতর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের সঙ্গে যুগ্ম ডিরেক্টর রয়েছেন এই বিদ্যুৎবরণ। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনুব্রতর ছায়াসঙ্গী হওয়ার পর থেকেই ডালপালা মেলে বিদ্যুৎবরণের সম্পত্তি। পুরসভার এক সাফাইকর্মীর এত সম্পত্তির উৎস কী, মূলত তা জানতেই এদিন বিদ্যুৎবরণের বাড়িতে সিবিআই হানা দেয় বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর। যদিও সিবিআই হানা দেওয়ার সময় বাড়িতে ছিলেন না বোলপুর পুরসভার ওই সাফাই কর্মী।

    আরও পড়ুন : ‘‘অনুব্রত ওয়েব সিরিজের সবে প্রথম ও দ্বিতীয় এপিসোড বেরিয়েছে…’’, খোঁচা সুকান্তর

    দিন কয়েক আগে বোলপুরেরই বোম ভোলে চালকলে হানা দেয় সিবিআই। সেই চালকলের ভিতরে থাকা গ্যারেজগুলিতে হদিশ মেলে পাঁচটি দামি গাড়ির। সেই গাড়িগুলিতে সাঁটানো ছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার লেখা স্টিকার। উদ্ধার হয় একটি পাইলট কারও। গরু পাচার মামলায় অনুব্রতর গ্রেফতারির আগে থেকেই নানা সময়ে তাঁর ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। নানুরের বাসাপাড়ার তৃণমূল নেতা করিম খানের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। তল্লাশি চালানো হয়েছে সিউড়ির পাথর ব্যবসায়ী জনৈক টুলু মণ্ডলের বাড়িতেও। পরে তল্লাশি চালানো হয় খোদ অনুব্রতর বাড়িতে। রবিবার হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বিদ্যুৎবরণের বাড়িতে। এর পর কার পালা, আপাতত সেই প্রশ্নেই বুঁদ বীরভূম।

    এদিকে, অনুব্রতর শারীরিক অসুস্থতার যুক্তি খারিজ করে দিয়েছে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত। ২৪ অগাস্ট পর্যন্ত ফের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তার পরেই আসানসোল থেকে তাঁকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন : অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু

  • Manish Sisodia: সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি, সিবিআইয়ের জেরা ৩ অভিযুক্তকে

    Manish Sisodia: সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি, সিবিআইয়ের জেরা ৩ অভিযুক্তকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আবগারি নীতি মামলায় আরও বিপাকে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া (Manish Sisodia)। শুক্রবার তাঁর বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই (CBI)। তার পর রবিবার জারি করা হল লুকআউট নোটিশ (Look Out Notice)। তদন্ত চলাকালীন সিসোদিয়া যাতে বিদেশে যেতে না পারেন, সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করা হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। কেন্দ্রকে নিশানা করে দিল্লির (Delhi) উপমুখ্যমন্ত্রীর তোপ, সিবিআইয়ের রাজনীতিকরণ হয়েছে। লুকআউট নোটিশ জারির ঘটনাটিকে তিনি নাটক বলেও অভিহিত করেন।

    সিবিআইয়ের তরফে যে এফআইআর দায়ের হয়েছে, তাতে সবার ওপরের নামটি সিসোদিয়ার। তিনি ছাড়াও ওই তালিকায় নাম রয়েছে আরও ১৪ জনের। অভিযোগ, বেশ কিছু ব্যবসায়ীকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্যই নয়া আবগারি নীতি আনা হয়েছিল। এই নীতি তৈরিতে সরকারের অংশ নন, এমন ব্যক্তিদেরও মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হয়েছিল। বেআইনিভাবে অনেককে টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল। এফআইআর অনুযায়ী, সিসোদিয়া কমপক্ষে দু বার কোটি টাকারও বেশি অর্থ পেয়েছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সঙ্গীদের হাত থেকে। বেআইনিভাবে লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার জন্যই দেওয়া হয়েছিল ওই টাকা।

    আরও পড়ুন : দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানা! স্বাগত ট্যুইট মণীশ, কেজরির

    ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি শাসিত সরকারের অঙ্গুলি হেলনেই চলছে সিবিআই। তিনি বলেন, গেরুয়া পার্টি আবগারি কেলেঙ্কারি নিয়ে চিন্তিত নয়, তারা শঙ্কিত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নিয়ে। কারণ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনিই চ্যালেঞ্জ জানাবেন প্রধানমন্ত্রীকে। সরকারকে আক্রমণ করে সিসোদিয়ার ট্যুইট বার্তা, মোদিজি এটা কি গিমিক। আমি দিল্লিতে মুক্তভাবে ঘোরাফেরা করছি। বলুন, আমার কোথায় আসা উচিত। এদিন অন্য একটি ট্যুইট বার্তায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানান, সোমবার থেকেই সিসোদিয়াকে নিয়ে গুজরাটে নির্বাচনী প্রচারে যাবেন তিনি। 

    এদিকে, ওই মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেছে সিবিআই। রেকর্ড করা হচ্ছে তাঁদের বয়ানও। তল্লাশিতে উদ্ধার হওয়া নথিপত্র এবং বৈদ্যুতিন পণ্যগুলিও পরীক্ষা করছেন তদন্তকারীরা। এই পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষ হলেই বাকি অভিযুক্তদেরও তলব করা হবে বলেও সিবিআই সূত্রে খবর। এদিকে, শনিবার একটি মানহানি মামলায় মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, উপমুখ্যমন্ত্রী সিসোদিয়া এবং পূর্বতন আপ প্রধান যোগেন্দ্র যাদবকে রেহাই দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। মামলাটি করেছিলেন সুরেন্দর শর্মা নামে এক আইনজীবী।

     

  • Shehbaz Sharif: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! কাশ্মীর নিয়ে কী বললেন শাহবাজ শরিফ জানেন?  

    Shehbaz Sharif: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! কাশ্মীর নিয়ে কী বললেন শাহবাজ শরিফ জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের (Pakistan)! একমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই হতে পারে কাশ্মীর (Kashmir) সমস্যার সমাধান, যুদ্ধের মাধ্যমে নয়। ভারতের (India) সঙ্গে স্থায়ী শান্তির সম্পর্ক চায় ইসলামাবাদ (Islamabad)। একটি সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, অন্তত এমনটাই জানিয়েছেন পাকিস্তানের নয়া প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif)। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কথা বলার সময় শাহবাজ ওই মন্তব্য করেন।  

    কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাক লড়াই সর্বজনবিদিত। ভারতকে অপদস্থ করতে নানা সময়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাশ্মীরকে ইস্যু করতে পিছপা হয়নি পাকিস্তান। তবে প্রতিবারই মুখ পুড়েছে চিন-ঘনিষ্ঠ এই দেশের। জম্মু-কাশ্মীর যে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তা বারংবার জানিয়ে দিয়েছে ভারত। ভূস্বর্গ নিয়ে ভারত-পাক বিবাদ দীর্ঘদিনের পুরনো হলেও, নতুন করে পরিস্থিতি ঘোরালো হয়ে ওঠে ২০১৯ সালে। ওই বছর ৫ অগাস্ট উপত্যকা থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। নয়াদিল্লির এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সমস্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন ইমরান খানের সরকার। পাল্টা জবাব দেয় ভারতও। ইমরান খান সরকারের পতনের পর ক্ষমতায় আসেন শেহবাজ। আর তারপরই তিনি জোর দেন ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে। পাক অর্থনীতি সংকটের মধ্যে থাকায় জোর দিতে চান দু দেশের বাণিজ্যে, অর্থনীতির উন্নয়নে।

    আরও পড়ুন : পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই! জানুন কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    কূটনৈতিক মহলের মতে, চিনা ঋণের ফাঁদে পড়ে ঘোর আর্থিক সংকটে শাহবাজের দেশ। মুদ্রাস্ফীতির জেরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম লাগাম ছাড়া। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র জ্বালানি সংকট। পরিস্থিতি এতটাই করুণ, যে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারও ঋণ দিতে অস্বীকার করেছে পাকিস্তানকে। এমতাবস্থায় ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক  গড়ে তুলতে না পারলে, ঘোর বিপদ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই একশো আশি ডিগ্রি ভোলবদল ইসলামাবাদের!

    আরও পড়ুন : একদা কাশ্মীর ছিল শারদা দেশ! জানেন কি এই শক্তি পীঠের মাহাত্ম্য?

  • Ghulam Nabi Azad: দায়িত্ব পেয়েই ইস্তফা গুলাম নবি আজাদের, ‘ক্ষোভের আঁচে’ বিপাকে কংগ্রেস  

    Ghulam Nabi Azad: দায়িত্ব পেয়েই ইস্তফা গুলাম নবি আজাদের, ‘ক্ষোভের আঁচে’ বিপাকে কংগ্রেস  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের প্রচার কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস (Congress) নেতা গুলাম নবি আজাদ (Ghulam Nabi Azad)। যার জেরে বেকায়দায় কংগ্রেস। প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা জানিয়েছেন, শারীরিক কারণেই নতুন দায়িত্ব নেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

    জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটের প্রস্তুতি। কেন্দ্রীয় বিভিন্ন মন্ত্রীর বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট, ভূস্বর্গে নির্বাচন হতে পারে নভেম্বরে কিংবা নতুন বছরের গোড়ায়। এই সময় সীমার মধ্যে ভোট রয়েছে আরও কয়েকটি রাজ্যেও। তাই সংগঠন ঢেলে সাজাতে শুরু করেছে অগোছাল কংগ্রেস। সেই মতো গুলাম নবিকে দেওয়া হয় প্রচার কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। সেই পদেই ইস্তফা দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ এই কংগ্রেস নেতা। 

    কংগ্রেস নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গুলাম নবির ক্ষোভ নতুন নয়। নেতৃত্ব বদলের দাবিতে ২০২০ সালে যে ২৩ জন জন বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতা সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি দিয়েছিলেন, তার অন্যতম শরিক ছিলেন গুলাম নবিও। দলের অন্দরে একাধিক পরিবর্তনের দাবিতে বারবার সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি। বিক্ষুব্ধ নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকও করেছিলেন। তার পরেও দলীয় সংগঠনে কোনও বদল আসেনি বলে অভিযোগ। এহেন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার তাঁকে ওই পদ দেওয়া হয়। দায়িত্ব দেওয়ার ঘণ্টা দুই পরেই ইস্তফা দেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।  ইস্তফার কারণ হিসেবে গুলাম নবি শারীরিক কারণ দর্শালেও, তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, তাঁর মতো প্রবীণ এবং ‘হেভিওয়েট’ একজন নেতাকে প্রচার কমিটির চেয়ারম্যান করায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ গুলাম। তাঁর মতো নেতার ক্ষেত্রে পদটি অসম্মানজক তো বটেই, রাজনৈতিক অবনতির দ্যোতকও বটে। সেই কারণেই পদ পাওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ইস্তফা দেন গুলাম নবি।

    আরও পড়ুন : দ্বিতীয়বার ইডির সামনে সোনিয়া! রাহুল-সহ ১৭ জন কংগ্রেস সাংসদ আটক

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি গুলাম নবি ঘনিষ্ট গুলাম আহমেদ মীরকে জম্মু-কাশ্মীর কমিটি থেকে সরিয়ে দেয় কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাঁর বদলে ওই পদে বসানো হয় ভিকর রসুল ওয়ানিকে। সেটা নিয়েও জম্মু-কাশ্মীরের এই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ ছিল বলেও একটি সূত্রের খবর। সব মিলিয়েই ক্ষোভে ফুঁসছিলেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ গুলাম। পদ পেয়েও ইস্তফা দেওয়া যে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    আরও পড়ুন : ৩৭০ ধারা রদের তিন বছর পূর্তি, ভূস্বর্গ জুড়ে উন্নয়নের জোয়ার

  • MHA on Rohingya Issue: রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন দিতে কোনও নির্দেশিকা জারি হয়নি, সাফ জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    MHA on Rohingya Issue: রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন দিতে কোনও নির্দেশিকা জারি হয়নি, সাফ জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির (Delhi) উপকণ্ঠে রোহিঙ্গা (Rohingya) শরণার্থীদের ফ্ল্যাট দেওয়া হবে বলে সম্প্রতি জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় হাউজিং অ্যান্ড আরবান অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। তবে বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (MHA) তরফে সাফ জানানো হয়েছে, দিল্লিতে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন দিতে ফ্ল্যাট দেওয়ার কোনও নির্দেশিকা জারি হয়নি। শুধু তাই নয়, মন্ত্রকের তরফে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও (Arvind Kejriwal) বলা হয়েছে রোহিঙ্গারা যেখানে ছিলেন, সেখানেই থাকুন। মন্ত্রকের জারি করা ওই নির্দেশিকায় এও বলা হয়েছে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের শরণার্থী শিবিরেই আপাতত থাকতে হবে যতদিন না পর্যন্ত তাঁদের আইন মেনে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে।

    ট্যুইটবার্তায় পুরী লিখেছিলেন, ভারত বরাবরই এ দেশে আশ্রয়প্রার্থীদের স্বাগত জানিয়েছে। একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দিল্লির বক্করওয়ালা এলাকার অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির জন্য তৈরি করা ফ্ল্যাটে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তাদের সাধারণ সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে এবং দিল্লি পুলিশ ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার জন্য থাকবে। বিরোধীদের কটাক্ষ করে তিনি লিখেছিলেন, যাঁরা ভারতের শরণার্থী নীতিকে সিএএ-র সঙ্গে জুড়ে বিরোধিতা করে নিজেদের কেরিয়ার তৈরি করতে অভ্যস্ত, তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এহেন ঘোষণায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে সরকারকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়। বুধবার মন্ত্রকের এক মুখপাত্র জানান, মিডিয়ার একাংশ যেভাবে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের কেন্দ্রের তরফে সুবিধা দেওয়ার কথা প্রচার করছে, তা ঠিক নয়। মন্ত্রকের তরফে এমন কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। স্বরাষ্ট্র দফতরের হিসেব বলছে, দিল্লি সহ গোটা দেশে হাজার চল্লিশেক রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছেন।

    আরও পড়ুন : রোহিঙ্গাদের ভারত থেকে বের করে দেওয়া উচিত, মত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, স্বরাষ্ট্র দফতর দিল্লি সরকারকে জানিয়ে দিয়েছে, রোহিঙ্গারা যেসব শরণার্থী শিবিরে ছিলেন, সেসব শিবিরেই থাকবেন। আইন মেনে তাদের দেশ থেকে বের করে না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা ওখানেই থাকবেন। মন্ত্রকের ওই মুখপাত্র বলেন, এখন রোহিঙ্গারা যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন দিল্লি সরকার তাকে এখনও শরণার্থী শিবির ঘোষণা করেনি। তাদের এখনই তা ঘোষণা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

     

LinkedIn
Share