Tag: Bengali news

Bengali news

  • Justice Abhijit Ganguly: এবার বোলপুরের ভাস্কর্য কর্মশালায় স্থান পেল অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের আবক্ষ মূর্তি

    Justice Abhijit Ganguly: এবার বোলপুরের ভাস্কর্য কর্মশালায় স্থান পেল অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের আবক্ষ মূর্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত ১ বছর ধরে তিনি প্রায় রোজই খবরের শিরোনামে থাকেন। রাজ্যের বহুচর্চিত নাম কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে একের পর এক সিদ্ধান্ত এবং নির্দেশ তাঁকে চাকরিপ্রার্থীদের কাছে ভীষণ রকমের জনপ্রিয় করে তুলেছে। দিন কয়েক আগেই এক নজিরবিহীন ঘটনা দেখা গেল খাস কলকাতার বুকে। বেহালায় হোর্ডিং পড়েছিল অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) নামে। এবার বোলপুরের এক ভাস্কর্য কর্মশালায় স্থান পেল তাঁর আবক্ষ মূর্তি। জীবন্ত মানুষকে বসিয়ে মাটি দিয়ে ভাস্কর্য নির্মাণ কর্মশালা চলছে৷ সেখানে ছবি থেকে তৈরি করা হয় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) মূর্তি৷

    কী বলছেন শিল্পীরা?

    তিনি এখন ‘প্রতিবাদী মুখ’ তাই এই ভাস্কর্য নির্মাণ, বলছেন মৃৎশিল্পীরা। বীরভূমের দুবরাজপুরের কবিরাজপাড়ার বাসিন্দা শিল্পী ঝুলন মেহেতরী। ২০১৫ সাল থেকে বোলপুরের জাম্বুনীতে বসবাস করেন৷ বেসরকারি একটি আর্ট প্রতিষ্ঠান থেকেই শিল্পকর্মে হাতে খড়ি৷ মূলত তাঁর উদ্যোগেই বোলপুরের গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহের শান্তিদেব কক্ষে শুরু হয়েছে দুদিনের ভাস্কর্য কর্মশালা। জীবন্ত মানুষকে সামনে বসিয়ে মাটি দিয়ে তার অবয়ব নির্মাণের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন শিল্পীরা৷ পাশাপাশি, এই কর্মশালায় দেখা গেল মাটি দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) আবক্ষ মূর্তি তৈরি করছেন শিল্পীরা। ছবি দেখে এই মূর্তি নির্মাণ করা হয়৷ শিল্পীরা জানান, “এই মুহূর্তে রাজ্যের একজন ‘প্রতিবাদী মুখ’ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাই অন্যান্য ভাস্কর্যের পাশাপাশি তারও মূর্তি বানানো হল এই কর্মশালায়।” একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Justice Abhijit Ganguly) নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি মামলা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চ কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে এই নির্দেশ দিয়েছে। তারপর থেকে আরও চর্চায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়৷ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mental Disorder: কীভাবে বুঝবেন সন্তান অবসাদগ্রস্ত, কীভাবে রুখবেন আত্মহত্যার প্রবণতা?

    Mental Disorder: কীভাবে বুঝবেন সন্তান অবসাদগ্রস্ত, কীভাবে রুখবেন আত্মহত্যার প্রবণতা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্কুলের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে মাত্র দুদিন! আর তার মধ্যেই আত্মহত্যা করেছে ন’জন পড়ুয়া। অন্ধ্রপ্রদেশের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ফল প্রকাশের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ৯ পড়ুয়ার আত্মহত্যার এই ঘটনায় চিন্তিত গোটা দেশ। তবে, অন্ধপ্রদেশের এই ঘটনা ব্যতিক্রম নয়। শুধু স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেই নয়, আইআইটি এবং মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের মধ্যেও বাড়ছে মানসিক অবসাদ (Mental Disorder) ও আত্মহত্যার প্রবণতা! 

    কী বলছে তথ্য? 

    কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য বলছে, এক বছরে গোটা দেশের সবকটি আইআইটি প্রতিষ্ঠানে ৩৩ জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছেন। মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের তথ্যও চিন্তার ভাঁজ ফেলছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, প্রতি বছর গড়ে ৩৫০ জন মেডিক্যাল পড়ুয়া আত্মহত্যা করছেন। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১৩,০৮৯ জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছেন। ওই সমীক্ষায় বলা হয়েছে, প্রতি বছর এই আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। আত্মহত্যার এই পরিসংখ্যানে ৪৩ শতাংশ ছাত্রী এবং ৫৬ শতাংশ ছাত্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ৮১ শতাংশ পড়ুয়া মানসিক অবসাদের (Mental Disorder) শিকার। তাদের বিভিন্ন সময়ে উত্তেজনা, বিষাদ এবং নানান অবসাদ গ্রাস করে। 

    কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, আত্মহত্যা মানসিক অবসাদের (Mental Disorder) এক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। কিন্তু যাঁরা আত্মহত্যা করছেন না, তাঁরা যে সম্পূর্ণ সুস্থ ও ভালো আছেন, এমন ভাবা যায় না। মানসিক অবসাদ পড়ুয়াদের মধ্যে মারাত্মকভাবে বাড়ছে। তার ভয়ানক বহিঃপ্রকাশ হল আত্মহত্যা।

    কীভাবে বুঝবেন সন্তান মানসিক অবসাদগ্রস্ত? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সন্তানের জীবনযাপনের ধরনের মারাত্মক পরিবর্তন লক্ষ্য করলেই সতর্ক হোন অভিভাবক। যেমন, ঘুমের অভ্যাসে যদি অতিরিক্ত পরিবর্তন হয়, তাহলে বুঝতে হবে সন্তান মানসিকভাবে অস্থির আছে। যেমন দিনে অতিরিক্ত ঘুমানো কিংবা সারারাত জেগে থাকার মতো ঘটনা ঘটলে সজাগ হতে হবে।খাদ্যাভ্যাসের বদল হলে সতর্কতা জরুরি। অবসাদগ্রস্ত মানুষ অনেক সময়ই প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খান। তাই খাবারের পরিমাণে যদি হঠাৎ মারাত্মক পরিবর্তন হয়, তাহলেও সতর্ক হওয়া জরুরি। যদি অতিরিক্ত রাগ বা দুঃখের বহিঃপ্রকাশ হয়, তাহলেও বুঝতে হবে কোনও সমস্যা (Mental Disorder) হচ্ছে। হঠাৎ আবেগতাড়িত হয়ে পড়া, কিংবা সামান্য বিষয়ে নিরাশ হয়ে পড়লে, অভিভাবকদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। 

    কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিয়মিত সন্তানের সঙ্গে কথা বলা জরুরি। কোনও ভাবেই তাদের একা থাকতে দেওয়া যাবে না। তাদের সঙ্গে ভালো সময় কাটাতে হবে। তারা কোনও সমস্যাতেই একা নয়, অভিভাবক তাদের পাশে আছে, এই আশ্বাস তাদের দিতে হবে। তবেই তাদের নিরাপত্তাহীনতা কাটবে। যা মানসিক অবসাদ মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমস্যা জটিল মনে হলে দ্রুত মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে বিপদ আরও বাড়তে পারে। মানসিক অবসাদগ্রস্ত (Mental Disorder) হলে তাকে আরও বেশি নানান কাজের মধ্যে যুক্ত রাখতে হবে। যাতে তার শরীর ও মন সক্রিয় থাকে। সে ইতিবাচক ভাবনার সঙ্গে যুক্ত থাকে। গান, ছবি আকার মতো সৃজনশীল কাজে সময় কাটাতে হবে। নিয়মিত যোগ্যাভাসে অভ্যস্ত করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যোগ শুধু শরীর নয়, মনকে সুস্থ রাখতেও বিশেষ সাহায্য করে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Salman Khan: ‘আমার দিকে অনেক বন্দুক তাক করা আছে’, প্রাণনাশের হুমকি প্রসঙ্গে সলমন

    Salman Khan: ‘আমার দিকে অনেক বন্দুক তাক করা আছে’, প্রাণনাশের হুমকি প্রসঙ্গে সলমন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড তারকা সলমন খানকে (Salman Khan) ফের প্রাণনাশের (Death Threat) হুমকি। গ্যাংস্টারদের হিটলিস্টে রয়েছেন তিনি। সম্প্রতি প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সলমানকে মেইল পাঠিয়েছে গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাং। তার পরে পরেই ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে এই বলিউড নায়ককে। মুম্বই (Mumbai) পুলিশই (Police) এই নিরাপত্তা দিয়েছে তাঁকে। বান্দ্রা থানায় এ ব্যাপারে এফআইআরও দায়ের করা হয়েছে। মেইলে পাঠানো বার্তায় ওই গ্যাং জানিয়েছে, তাঁরও (সলমনের) পরিণতি হবে সিধু মুশেওয়ালার মতো। সলমন বলেন, আমি জানি যা হওয়ার, তা হবেই। হাজার চেষ্টা করেও লাভ নেই। অনেক বন্দুক তাক করা আছে। তাই এই নিরাপত্তা। তবে নিরাপত্তা না নিয়ে আমি কোথাও যাই না।

    সলমন খান (Salman Khan) বলেন…

    সম্প্রতি একটি বৈদ্যুতিন সাংবাদ মাধ্যমের ‘আপ কী আদালত’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সলমন (Salman Khan)। তিনি বলেন, নিরাপত্তাহীনতার চেয়ে নিরাপত্তা ভাল। হ্যাঁ, আমার নিরাপত্তা রয়েছে। তাই এখন আর একা একা রাস্তায় সাইকেল নিয়ে বের হতে পারি না। নিরাপত্তা না নিয়ে কোথাও যেতে পারি না। রুপোলি পর্দার অন্যতম জনপ্রিয় এই নায়ক বলেন, কখনও যদি ট্রাফিক সিগন্যালে আমার গাড়ি দাঁড়িয়ে যায়, তাহলে নিরাপত্তারক্ষী থাকায় অন্য যাত্রীদের সমস্যায় পড়তে হয়। তাঁরা এবং আমার ফ্যানেরা আমায় দেখেন। প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে আমাকে। তিনি বলেন, পুলিশের তরফে আমাকে যা বলা হয়েছে, আমি তাই করছি। ‘কিসি কা ভাই কিসি কা জান’ ছবিতে একটা ডায়লগ রয়েছে। সেটি হল, তারা ১০০ বার ভাগ্যবান হতে পারে। আমাকে একবার ভাগ্যবান হতেই হবে।

    আরও পড়ুুন: শিল্পাঞ্চলে ফের শুটআউট! গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু বিজেপি নেতার

    তাই আমি খুবই সতর্ক হয়ে গিয়েছি। সলমন বলেন, পুরো নিরাপত্তা নিয়েই আমাকে সর্বত্র যেতে হচ্ছে। তার পরেই তিনি বলেন, যা ঘটার তা ঘটবেই। আকাশের দিকে আঙুল উঁচিয়ে তিনি (Salman Khan) বলেন, আমি বিশ্বাস করি সর্বশক্তিমান রয়েছেন। তার মানে এই নয় যে, আমি মুক্তভাবে সর্বত্র যেতে পারি। সলমন বলেন, এখন আমার চারপাশে অনেক শের রয়েছে, আমার চারপাশে অনেক বন্দুক রয়েছে। আজ আমি খুবই ভীত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Snake in Flight: বিমানের ব্যাগেজে মিলল ২২টি সাপ, চেন্নাইয়ে আটক মহিলা যাত্রী

    Snake in Flight: বিমানের ব্যাগেজে মিলল ২২টি সাপ, চেন্নাইয়ে আটক মহিলা যাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন প্রজাতির ২২টি সাপ নিয়ে উঠেছিলেন বিমানে (Snake in Flight)। কুয়ালামপুর থেকে ওঠা ওই মহিলা যাত্রীকে আটকানো হল চেন্নাই বিমানবন্দরে। সেখানেই ব্যাগেজ পরীক্ষা করতে গিয়ে চক্ষু চড়ক গাছ হওয়ার জোগাড় বিমানবন্দরে থাকা শুল্ক দফতরের কর্তাদের। ব্যাগেজে মিলল বিভিন্ন প্রজাতির ২২টি সাপ। ট্যুইট-বার্তায় চেন্নাই শুল্ক বিভাগ জানিয়েছে, ২৮ তারিখে এক মহিলা যাত্রী যিনি একে ১৩ নম্বর ফ্লাইটে কুয়ালালামপুর থেকে উঠেছিলেন, তাঁকে শুল্ক দফতরের কর্তারা আটকেছেন। তাঁর ব্যাগেজ পরীক্ষা করে বিভিন্ন প্রজাতির ২২টি সাপের সন্ধান মেলে। একটি চ্যামেলিয়নও উদ্ধার হয়েছে। শুল্ক আইনে এবং বন্যপ্রাণ আইনে আটক করা হয়েছে সেগুলি।

    বিমানে সাপ (Snake in Flight)…

    জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকেও প্রায় এরকমই একটি ঘটনা ঘটেছিল। সেবারও চেন্নাই বিমানবন্দর থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছিল ৪৫টি বল পাইথন, তিনটি মার্মোসেট, তিনটি স্টার কচ্ছপ এবং আটটা কর্ন সাপ। শুল্ক দফতরের কর্তারা জানিয়েছেন, পরিত্যক্ত দুটি ব্যাগেজ থেকে সেবার উদ্ধার হয়েছিল ওই সাপ, মার্মোসেট, স্টার কচ্ছপ এবং কর্ন সাপ। ব্যঙ্কক থেকে উঠেছিলেন ওই যাত্রী। উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলিকে পরের দিনই ফের ব্যাঙ্কক পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজয়া দশমীর মতো উৎসবে পরিণত হয়েছে মন কি বাত’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    জানুয়ারি মাসেই এক মহিলা যাত্রীর হাতব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় একটি সাপ (Snake in Flight)। ব্যাগের মধ্যে জুতো, ল্যাপটরের পাশে কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে ছিল সাপটি। বোয়া কনস্ট্রিক্টর গোত্রের ফুট চারেকের ওই সাপটি বিষধর না হলেও, শিকারকে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলতে পারে। আমেরিকার ফ্লরিডা প্রদেশের ট্যাম্পা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল।

    বিমানের ককপিটে গোখরো সাপের দেখা পেয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার পাইলট রুডল্ফ ইরাসমাস। মাস কয়েক আগে আচমকাই তাঁর আসনের তলা থেকে একটি সাপকে (Snake in Flight) মুখ বাড়াতে দেখেন ওই পাইলট। বিমান তখন মাঝ আকাশে। দ্রুত অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন ওই পাইলট। শেষমেশ চার যাত্রী সহ নিরাপদেই অবতরণ করে বিমানটি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: মিলল না স্বস্তি, ‘মোদি’ পদবি-মামলায় মঙ্গলে ফের শুনানি রাহুলের

    Rahul Gandhi: মিলল না স্বস্তি, ‘মোদি’ পদবি-মামলায় মঙ্গলে ফের শুনানি রাহুলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মোদি’ (Modi) পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) দু বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে গুজরাটের সুরাটের নিম্ন আদালত। দু বছর কারাদণ্ড হওয়ায় সাংসদ পদ খারিজ হয় রাহুলের। তার জেরে গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাহুল। শনিবার হল এই মামলার শুনানি। পরবর্তী শুনানি হবে ২ মে।

    রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)…

    রাহুলের এই মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি গীতা গোপী। তাই মামলা চলে যায় বিচারপতি হেমন্ত প্রচ্ছকের এজলাসে। রাহুলের হয়ে এদিন সেখানে সওয়াল করেন বর্ষীয়ান আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তিনি বলেন, যে শুনানিতে দোষ প্রমাণিত হয়েছে, সেই শুনানির প্রক্রিয়া নিয়ে যথেষ্ঠ প্রশ্ন রয়েছে। কোনও জনপ্রতিনিধি বা সাংসদের ক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত করার আনুষঙ্গিক বেশ কিছু প্রভাব রয়েছে। এর প্রভাব যেমন একদিকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর পড়ে, তেমনই পড়ে তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্র এবং পুনর্নির্বাচনের ওপরও।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজয়া দশমীর মতো উৎসবে পরিণত হয়েছে মন কি বাত’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    রাহুলের (Rahul Gandhi) সাংসদ পদ খারিজের ব্যাপারে লোকসভা সচিবালয়ের অতি সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাহুলের আইনজীবী বলেন, আপনার ক্ষমতা রয়েছে বলেই আপনি যা খুশি করতে পারেন না। টেলিভিশনে অযাচিত বিভিন্ন পরামর্শ দেখে আমি অবাক। কেউ বলছেন, আমি থাকলে আট ঘণ্টার মধ্যে সাজা পুনর্বিবেচনার আর্জি দাখিল করতাম, কেউ বলছেন চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আপিল করা উচিত ছিল। তিনি বলেন, সুপারসনিক আইনজীবী থাকতেই পারেন, কিন্তু আমরা তো এখানে সুপারসনিক ফাইলিং করতে আসিনি। তিনি বলেন, আমি তো মহামান্য আদালতে লাফিয়ে এসে বলতে পারি না, রায়ের অর্ধেকাংশের তর্জমা করতে পেরেছি মাত্র, তবে কালই তো সাংসদ পদ খারিজ হতে চলেছে, তাই তড়িঘড়ি আবেদন করতে এলাম।

    প্রসঙ্গত, ২৩ মার্চ সুরাটের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে লোকসভার সচিবালয় রাহুলের (Rahul Gandhi) সাংসদ পদ খারিজ করে দেয়। কংগ্রেসের এতজন আইনজীবী নেতা-সাংসদ থাকা সত্ত্বেও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন রাহুলের হয়ে কেউ সাজাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করলেন না, সে প্রশ্ন তোলে বিজেপি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • PM Modi: ‘বিজয়া দশমীর মতো  উৎসবে পরিণত হয়েছে মন কি বাত’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ‘বিজয়া দশমীর মতো  উৎসবে পরিণত হয়েছে মন কি বাত’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজয়া দশমীর মতো ‘মন কি বাত’ও একটা উৎসবে পরিণত হয়েছে। রবিবার মন কি বাতের শততম পর্বের শুরুতে এ কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর মতে, ভারতের (India) ভাল দিক, আশা-আকাঙ্খা, সদর্থক আলোচনা এবং আমজনতার অংশ গ্রহণে পূর্ণ হয়েছে এই উৎসবের বৃত্ত। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে বিজেপি সরকার। তার পর থেকে আমজনতার সঙ্গে কথোপকথন করতে তিনি সূচনা করেন মন কি বাতের অনুষ্ঠান। অতি অল্প সময়েই দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানেরই শততম পর্ব সম্প্রচারিত হল আজ, রবিবার।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন…

    এদিন অনুষ্ঠানের আগে ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, এটা সত্যিই একটা স্পেশাল জার্নি। এখানে আমরা ভারতের জনগণের সম্মিলিত চেতনা উদযাপন করেছি এবং অনুপ্রেরণামূলক জীবনযাত্রা তুলে ধরেছি। সকলকে মন কি বাতের শততম পর্ব শোনার অনুরোধও করেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। মন কি বাতের এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কখনও যোগাভ্যাসের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বলেছেন, কখনও আবার মহিলাদের ক্ষমতায়নের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। ভারতীয় সেনাদের আত্মবলিদানের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে এই অনুষ্ঠানে।

    মন কি বাতের অনুষ্ঠানে সমাজের অতি সাধারণ মানুষও যাঁরা দেশের কল্যাণে কাজ করেছেন, তাঁদের কথাও দরাজ গলায় বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। আলোচনা হয়েছে কখনও বিজ্ঞানে ভারতের অগ্রগতি নিয়ে, কখনও আবার ভারতের ঋদ্ধ সংস্কৃতি নিয়ে। পরিবেশ, খাদি কিংবা দেশের উন্নয়ন এ সব বিষয় নিয়েই আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। কোভিড অতিমারি কিংবা ভারতের ভ্যাকসিন আবিষ্কার, বিদেশিদের বাঁচাতে সেই ভ্যাকসিন বিতরণ এসবও উঠে এসেছে মন কি বাতের অনুষ্ঠানে।

    আরও পড়ুুন: রেড রোডে দলের সংখ্যালঘু সেলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন শুভেন্দু! কী বললেন?

    এদিন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, মন কি বাতের যে অনুষ্ঠানের সূচনা করেছিলাম, সেটা দেশে একটা নতুন ধারা তৈরি করবে। তিনি বলেন, আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যে কোনও বড় ধরনের পরিবর্তনও সম্ভব। মন কি বাতের অনুষ্ঠানে যে তিনি ওড়িশার ডি প্রকাশ রাও এবং ঝাড়খণ্ডের সঞ্জয় কাশ্যপের কথা বলেছিলেন এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। একটি ছোট চায়ের দোকানের মালিক রাও সমাজের পিছিয়ে পড়া পরিবারের ছেলেমেয়েদর শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। আর সঞ্জয়? শিক্ষাকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি নিয়ে ঘুরছেন। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসংঘের ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিল চেম্বারেও দেখানো হবে মোদির মন কি বাতের শততম পর্ব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rezoana Mallick Heena: এশীয়-মঞ্চে সোনা জয় নদিয়ার ষোড়শী রেজওয়ানা মল্লিক হিনার

    Rezoana Mallick Heena: এশীয়-মঞ্চে সোনা জয় নদিয়ার ষোড়শী রেজওয়ানা মল্লিক হিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাসে নাম তুলল নদিয়ার ষোড়শী। শুক্রবার উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এশিয়ার যুব অ্যাথলেটিক্সে ৪০০ মিটার বিভাগে সোনা জিতেছে রেজওয়ানা মল্লিক হিনা (Rezoana Mallick Heena)। ইতিহাস গড়ার পাশাপাশি বছর ষোলোর এই কন্যে ভেঙে দিয়েছে আট বছরের পুরানো মিট রেকর্ড। এই রেকর্ড গড়েছিলেন প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান সালওয়া ইদ নাসের। ৪০০ মিটার দৌড়তে হিনা সময় নিয়েছে ৫২.৯৮ সেকেন্ড। নাসের নিয়েছিলেন ৫৩.২ সেকেন্ড। এই মুহূর্তে হিনা দ্রুততম ভারতীয়। অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা বিভাগে দ্রুততম দৌড়বিদও সে। নদিয়ার হিনা কোচিং নেয় বেঙ্গালুরুর অর্জুন অজয়ের কাছে। ভারতীয়দের মধ্যে এশিয়াডে প্রাক্তন রুপোজয়ী জিসনা ম্যাথুর রেকর্ডও ভেঙেছে নদিয়ার এই কিশোরী।

    সোনার মেয়ে (Rezoana Mallick Heena)… 

    ইনস্টাগ্রাম পোস্টের মাধ্যমে নদিয়ার একটি ছোট্ট শহরে থাকা এই সোনার মেয়ের (Rezoana Mallick Heena) খোঁজ পান অর্জুন অজয়। তিনি বলেন, ইনস্টাগ্রামের পোস্টের মাধ্যমে ওকে আমি চিহ্নিত করি। পরে ওকে ট্রেনিং দিই। তিনি জানান, ২০২১ সাল থেকে ওকে ট্রেনিং দিচ্ছেন তিনি। বেঙ্গালুরুর টপ গান ট্র্যাক ও ফিল্ড অ্যাকাডেমিতে ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে তাকে। অজয় বলেন, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। ওর পরিবারকে বলতে সহজেই রাজি হয়ে যান। আমিই ওর ট্রেনিং এবং থাকার ব্যবস্থা করি। অর্জুন বলেন, আমার মনে হয় আট বছর বয়স থেকে ও ট্রেনিং নিচ্ছিল। ও বোধহয় আমাকে ইনস্টাগ্রামে ফলো করছিল। ইনস্টাগ্রামে হিনার দৌড় দেখে আমার মনে হয়েছিল ও বোধহয় নদীর কাছ থেকে ছোটাটা শিখেছে।

    আরও পড়ুুন: প্রতিবাদ পরিণত হিংসায়, মণিপুরে বন দফতরের অফিসে আগুন, নৈশ কারফিউ

    আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম। তখনই ভেবেছিলাম, ও  (Rezoana Mallick Heena)একদিন ভাল দৌড়বিদ হবে। তিনি বলেন, হিনার স্টেপ জাম্প ও ঘাসের ওপর দিয়ে দৌড়ানোটা খুবই ভাল। আমি ভেবেছিলাম, এই মেয়েকেই তৈরি করা যাবে। তখনই আমি হিনা ও তার পরিবারকে এ ব্যাপারে রাজি করাই। হিনা জানত আমি প্রিয়ারও কোচ। তাই আমার কাছে ট্রেনিং নিতে সহজেই রাজি হয়ে যায় হিনা। বাংলার এক প্রত্যন্ত শহরের মেয়ের চোখ ধাঁধানো সাফল্যে যারপরনাই খুশি অর্জুন। তিনি বলেন, আমার মনে হচ্ছিল হিনা প্রিয়ার থেকেও ভাল। প্রিয়াকে ট্রেনিং দিতে গিয়ে আমি অনেক কিছু শিখেছি। কোচ হিসেবে সেগুলোই আমাকে ঋদ্ধ করেছে। সেগুলোই আমি হিনার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করেছি।

    ফাইট হিনা, ফাইট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BBC: বিবিসির চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা ঘোষণা রিচার্ড শার্পের

    BBC: বিবিসির চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা ঘোষণা রিচার্ড শার্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদত্যাগ করার কথা ঘোষণা করলেন বিবিসির (BBC) চেয়ারম্যান রিচার্ড শার্প। প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে ৮০ হাজার পাউন্ডের একটি ব্যাঙ্ক ঋণ পাইয়ে দিতে তিনি সাহায্য করেছিলেন। এজন্য তিনি অনিয়ম করেছিলেন বলে অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ স্বীকার করে নিয়ে শুক্রবার পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন রিচার্ড শার্প।

    বিবিসির (BBC) চেয়ারম্যানের দাবি…

    পদত্যাগপত্রে অবশ্য ‘স্বীকারোক্তি’ দেননি তিনি। তাতে তিনি দাবি করেছেন, এটি ছিল একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিসের সঙ্গে কোম্পানির চেয়ারম্যানের এই গোপন বোঝাপড়া প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিবিসির ব্রিটেন শাখার কর্মীদের একটা বড় অংশ। তার পরেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন রিচার্ড শার্প। তবে এখনই পদ থেকে সরে যাচ্ছেন না তিনি। নয়া চেয়ারম্যান দায়িত্ব নেওয়ার আগে পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে যাবেন শার্প। পদত্যাগের সিদ্ধান্ত ঘোষণার সময় বিবিসির চেয়ারম্যান জানান, বিবিসির স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

    তাঁর (BBC) দাবি, সচেতনভাবে কোনও অনিয়ম তিনি করেননি। এটি ছিল অনিচ্ছাকৃত ভুল। রিচার্ড শার্প মনে করেন, তাঁর মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিবিসির এই পদে থাকলে তা বিভ্রান্তিকর হতে পারে। প্রসঙ্গত, বিবিসি যখন কোনও চেয়ারম্যান নিয়োগ করে, তখন তাঁর মনোনয়ন আসে সরকারের কাছ থেকে। কিন্তু একটি বোর্ডের কাছে ওই ব্যক্তিকে সরকারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথাটি স্পষ্ট করে জানাতে হয়। কিন্তু রিচার্ড শার্প যখন চেয়ারম্যান হন, তখন তিনি ঋণের বিষয়টি চেপে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: রেড রোডে দলের সংখ্যালঘু সেলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন শুভেন্দু! কী বললেন?

    জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিবিসির (BBC) চেয়ারম্যান পদে বসেন শার্প। মেয়াদ ছিল চার বছর। তার আগেই পদত্যাগ করতে হল তাঁকে। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত সরকারকে তাঁর উত্তরসূরি খোঁজার জন্য সময় দিয়েছেন শার্প। কিছুদিন আগেই একবার ব্যাপক চর্চার কেন্দ্রে চলে এসেছিল বিবিসি। ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদি কোয়েশ্চন’ নিয়ে একটি তথ্যচিত্র তৈরি করেছিল বিবিসি। সেখানে গুজরাট হিংসা নিয়ে মোদির ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছিল। যার জেরে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। বিবিসির ওই তথ্যচিত্র প্রদর্শন নিয়ে অশান্তিও হয়েছে দেশের বিভিন্ন অংশে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mukul Roy: শেষমেশ দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরলেন ‘নিঃস্ব’ মুকুল

    Mukul Roy: শেষমেশ দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরলেন ‘নিঃস্ব’ মুকুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা প্রায় ১১ দিন দিল্লিতে ছিলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায় (Mukul Roy)। শেষমেশ রাজধানী থেকে ফিরলেন শূন্য হাতেই। সূত্রের খবর, বিজেপির (BJP) শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে মুকুল দেখা করার চেষ্টা করলেও, তাঁর সঙ্গে কেউই দেখা করেননি। যদিও কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে মুকুল দাবি করেন, সবার সঙ্গে দেখা হয়েছে তাঁর। প্রয়োজন পড়লে ফের দিল্লি (Delhi) যাবেন বলেও জানান বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ। তবে তাঁর এবারের দিল্লি সফরে কার কার সঙ্গে দেখা হয়েছে জানতে চাইলে স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি মুকুল।

    মুকুল রায়ের (Mukul Roy) ঘরওয়াপসি…

    তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে মত বিরোধের জেরে বছর কয়েক আগে ঘাসফুল শিবির ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন মুকুল রায়। কৃষ্ণনগর উত্তরে পদ্ম চিহ্নে প্রার্থী হন তিনি। বিজেপির প্রার্থী হওয়ায় বিপুল ভোটে জয়ীও হন মুকুল। বিধানসভা নির্বাচনের পরে পরেই পদ্ম শিবির ছেড়ে ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। তৃণমূল ভবনে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ঘরওয়াপসি হয় মুকুলের। পুরস্কার স্বরূপ জুটে যায় পিএসির চেয়ারম্যানের পদ। প্রথা অনুযায়ী যে পদ পাওয়ার কথা বিরোধীদের। এর পরেই মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবি জানায় বিজেপি।

    গত ১৭ এপ্রিল আচমকাই দিল্লি উড়ে যান মুকুল (Mukul Roy)। থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন শুভ্রাংশু। তাঁর দাবি, মুকুলকে ভুল বুঝিয়ে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর মানসিক অবস্থা যে ভাল নয়, সেই ইঙ্গিতও দেন মুকুল-পুত্র। দিল্লিতে গিয়ে মুকুল দাবি করেন, কেউ তাঁকে জোর করে দিল্লিতে আনেননি। তিনি স্বেচ্ছায় এসেছেন। তাঁর দাবি, তিনি বিজেপিতেই ছিলেন, তৃণমূলে ছিলেন না। দিল্লিতে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করতেই যে তিনি দিল্লি এসেছেন, জানান তাও।

    আরও পড়ুুন: রেড রোডে দলের সংখ্যালঘু সেলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন শুভেন্দু! কী বললেন?

    এদিন বিমানবন্দরে নেমে মুকুল (Mukul Roy) ফের বলেন, আমি তো বিজেপিতেই আছি। নিজের ইচ্ছেতেই দিল্লি গিয়েছিলাম। আমার কিছু কাজ ছিল। সবার সঙ্গে কথা হয়েছে। তবে ঠিক কার কার সঙ্গে মুকুলের কথা হয়েছে, সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি তিনি। এদিন আবারও মুকুল বলেন, আমাকে কেউ জোর করে দিল্লিতে নিয়ে যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • BJP: টুইটারে বিজেপি বিধায়ককে খুনের হুমকি! কেন জানেন?

    BJP: টুইটারে বিজেপি বিধায়ককে খুনের হুমকি! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় শিলিগুড়ির বিজেপি (BJP) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি কালিয়াগঞ্জে দ্বাদশ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের পর গোটা রাজ্য তোলপাড় হয়। মৃতদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে রাজ্য জুড়ে সমালোচিত হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সম্প্রতি শিলিগুড়ির বিজেপি (BJP) বিধায়ক তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে প্রতিবাদ জানান। তাঁর সেই প্রতিবাদের জন্য বিপ্লব নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক। এনিয়ে শনিবার তিনি শিলিগুড়ি থানায় এফআইআরও করেছেন।

    টুইটারে কী লিখেছিলেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    শঙ্করবাবু তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, হীরক রানির রাজ্যে এভাবেই ধর্ষিতা কন্যাদের মৃতদেহ সম্মান পায়। সঙ্গে একটি কার্টুন ছবিও তিনি তুলে ধরেন, যেখানে একজন নির্যাতিতাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তা দেখানো হয়েছে। তাঁর এই টুইটারের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে বিপ্লব নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শঙ্কর ঘোষকে গ্রেফতার করে মারার হুমকি দেওয়া হয়।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, এই ঘটনার পিছনে আমি তৃণমূলের যুক্ত থাকার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। কেননা আমাকে গ্রেফতার করে মারার কথা বলা হয়েছে। গ্রেফতার কে করবে? পুলিশ, আর পুলিশ তৃণমূল সরকারের। এছাড়াও যে অ্যাকাউন্ট থেকে আমাকে গ্রেফতার করে মারার হুমকি দেওয়া হয়েছে, সেই টুইটার অ্যাকাউন্টে নিয়মিত ভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়। শুধু তাই নয়, ওই টুইটার অ্যাকাউন্টের সঙ্গে তৃণমূলের নব জোয়ারের ট্যাগ করা রয়েছে। কাজেই আমাকে মারার ক্ষেত্রে তৃণমূলের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। সে কারণে আমি পুলিশে এফআইআর করেছি।

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের দার্জিলিং(সমতল) জেলা কমিটির মুখপাত্র বেদব্রত দত্ত বলেন, তৃণমূল নয়, এ রাজ্যে যাবতীয় অশান্তি পাকাচ্ছেন শঙ্কর বাবু ও তাঁর দল। অপরাধীরা অপরাধ করে এরাজ্যে পার পায় না। শঙ্করবাবু পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পুলিশ যদি কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share