Tag: Bengali news

Bengali news

  • Amit Shah: শান্তির লক্ষ্যে! অগ্নিগর্ভ মণিপুরে পৌঁছেই পর পর বৈঠক অমিত শাহের

    Amit Shah: শান্তির লক্ষ্যে! অগ্নিগর্ভ মণিপুরে পৌঁছেই পর পর বৈঠক অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপজাতি সংঘর্ষের আগুনে এখনও জ্বলছে মণিপুর। তার মধ্যেই অশান্ত রাজ্যে চারদিনের সফরে সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানী ইম্ফলে পৌঁছেছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। আগামী ক’দিন গোটা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সোমবার মণিপুরে পা রেখেই পর পর বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একটা বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সঙ্গে। পাশাপাশি বৈঠক করেন মন্ত্রিসভার সকল সদস্যদের সঙ্গেও। এছাড়া, সোমবারই অমিত শাহ পরিস্থিতি নিয়ে একপ্রস্থ আলোচনা সারেন রাজ্যপাল অনুসূয়া উইকের সঙ্গেও। পৃথক বৈঠক করেন মণিপুর গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান তপন ডেকার সঙ্গে। একইসঙ্গে তিনি কথা বলেছেন রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিংয়ের সঙ্গেও।

    লক্ষ্য শান্তি প্রতিষ্ঠা

    সূত্রের খবর, আজ মঙ্গলবার, সেনার সঙ্গে বৈঠক করার কথা অমিত শাহের (Amit Shah)। পাশাপাশি, জনজাতি সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন তিনি। শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সব পক্ষকে একসঙ্গে বসিয়ে সমাধান সূত্র বের করার চেষ্টা হতে পারে। আহতদের দেখতে হাসপাতালেও যেতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বুধবার তিনি এ নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে পারেন বলেও মনে করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে ইম্ফল ছেড়ে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা তাঁর। অমিত শাহের এই সফরে তাঁর সঙ্গী রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা। অশান্ত মণিপুরে গোটা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন চিফ অফ ডিফেন্স জেনারেল অনিল চৌহানও। প্রতিনিয়ত সামরিক কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সম্প্রতি, মণিপুরে এসেছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে। 

    আরও পড়ুন: বৈষ্ণোদেবী যাওয়ার পথে বাস খাদে পড়ে মৃত্যু ১০ পুণ্যার্থীর, আহত অন্তত ৫৭ জন

    এখনও অগ্নিগর্ভ মণিপুর

    মে মাসের শুরু থেকেই অগ্নিগর্ভ মণিপুর। দুই জনজাতি সংগঠন— মৈতেই ও কুকিদের মধ্যে সংঘাত থেকে ভয়াবহ হিংসা বাঁধে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। তার জেরে ইতিমধ্যেই ৭৫ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। ঘরছাড়া অনেকে। এরই মধ্যে অভিযোগ ওঠে, জঙ্গিরা অত্যাধুনিক অস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করছে। এর পরই সেনা অভিযানে নামে। প্রায় বিগত ৪ দিনে ৪০ জন সশস্ত্র কুকি জঙ্গিকে খতম করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। আর এরপরই ফের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সেই রাজ্যে। শনিবার থেকে সেই রাজ্যে নতুন করে অশান্তি শুরু হয়। অমিত শাহের (Amit Shah) সফরের ঠিক আগে রবিবার নতুন করে হিংসার আগুনে জ্বলে মণিপুর। এক পুলিশকর্মী সহ ৫ জনের মৃত্যু হয়। সোমবারও দিনভর গুলির লড়াই এবং অশান্তি হয় মণিপুরের একাধিক এলাকায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: গুগল সার্চ করে দার্জিলিংয়ের হোটেল, হোম স্টে বুক করলে প্রতারিত হতে পারেন!

    Darjeeling: গুগল সার্চ করে দার্জিলিংয়ের হোটেল, হোম স্টে বুক করলে প্রতারিত হতে পারেন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিংয়ে ঘুরতে আসার বহুদিন আগেই দেশ-বিদেশের পর্যটকরা অনলাইনে হোটেল, হোম স্টে বুক করে থাকেন নির্ঝঞ্ঝাট এবং শান্তিপূর্ণ ভ্রমণের জন্য। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এভাবে পর্যটকদের প্রতারিত হতে হচ্ছে। এমন ঘটনা সামনে আসার পর দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ পর্যটকদের উদ্দেশে সতর্কবাণী শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, গুগলে গিয়ে দার্জিলিং হোটেল লিখে সার্চ করলে এখানকার বিভিন্ন থাকার জায়গার ছবি সহ তথ্য পাওয়া যায়। বহু ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, গুগলের তালিকায় থাকা দার্জিলিংয়ের হোটেল, হোম স্টের নাম করে একটা প্রতারণা চক্র সক্রিয় রয়েছে। সেই তালিকায় থাকা টেলিফোন নম্বরে যোগাযোগ করার পর অনলাইনে অগ্রিম টাকা দিয়ে বুক করছেন পর্যটকরা। কিন্তু তাঁরা এসে দেখছেন, তাঁদের নামে কোনও বুকিংই হয়নি। দার্জিলিংয়ের হোটেল এবং হোম স্টে নিয়ে এভাবে সাইবার ক্রাইম চলছে। এখনও পর্যন্ত সরাসরি নির্দিষ্ট করে কোনও অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। তবে বিভিন্ন সূত্র মারফত পাওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশের নিজস্ব তদন্তে এমন ঘটনা ধরা পড়েছে। 

    (Darjeeling) তাহলে সমাধানের পথ? 

    এই প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) পুলিশ সুপারের আবেদন, গুগল সার্চ করে নয়, দার্জিলিং পুলিশের ওয়েবসাইটে গিয়ে সেখান থেকে হোটেলের নাম, নম্বর, ওয়েবসাইট, ই-মেল আইডি নিয়ে অনলাইনে হোটেল, হোম স্টে বুক করলে প্রতারিত হতে হবে না। তিনি বলেন, আমরা, দার্জিলিং পুলিশের তরফে এখানে যত হোম স্টে, হোটেল রয়েছে, তার একটি তালিকা তৈরি করেছি। সেখানে প্রতিটি হোটেল, হোম স্টে-র ফোন নম্বর, ওয়েবসাইট, ই মেইল আইডি পাওয়া যাবে। ভিডিও করে এই তালিকা আমাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। www.darjeelingpolice.org এই ওয়েবসাইটে গিয়ে সার্চ করলেই দার্জিলিংয়ের হোটেল এবং হোম স্টে-র  নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে।

    হোটেল ও হোম স্টে মালিকদেরও (Darjeeling) সচেতন হওয়ার আবেদন পুলিশের

    এই উদ্যোগে দার্জিলিংয়ের হোটেল এবং হোম স্টে মালিকদেরও সহযোগিতা চেয়েছেন দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেক হোটেল এবং হোম স্টে মালিকদের এ ব্যাপারে সচেতন করেছি। তাঁদের আবেদন জানিয়েছে, তাঁরাও যেন নিয়মিত গুগল সার্চ করে দেখেন, তাঁদের হোম স্টে, হোটেলের ছবি ও নাম দিয়ে কেউ প্রতারণা করছে কি না। যদি এরকম ঘটনা নজরে আসে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে জানালে আমরা সাইবার ক্রাইমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রাজ্যে বিজেপির বিকল্প নেই, দেখিয়ে দিল সাগরদিঘি, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: রাজ্যে বিজেপির বিকল্প নেই, দেখিয়ে দিল সাগরদিঘি, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ রাজ্যে বিজেপির বিকল্প নেই। সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় সেটাই আরও একবার প্রমাণিত হল। সোমবার সকালে দলীয় কর্মসূচিতে এনজেপি স্টেশনে এসে একথা বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “আমি সাগরদিঘির উপ নির্বাচনের আগেই বলেছিলাম, বাইরন বিশ্বাস যদি জয়ী হন, তাহলে কতদিন কংগ্রেসে থাকবেন, সেটা অধীরদাও জানেন না। সেটাই বাস্তবায়িত হল। বাইরন বিশ্বাস এখন মীরজাফর বিশ্বাস। আসলে কংগ্রেস, সিপিএম এবং তৃণমূল দিল্লিতে একসঙ্গে চা খায়। হাতে হাত রেখে চলে। তাদের একটাই উদ্দেশ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপিকে উৎখাত করা। কাজেই বাইরনের কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যাওয়াটা স্বাভাবিক ঘটনা। তাতে আর একবার মানুষ বুঝল, এরাজ্যে বিজেপি ছাড়া তৃণমূলের বিকল্প কেউ নেই।”

    অভিষেককে নিয়ে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    কিছুদিন আগেই সিবিআই দফতরে দিনভর জেরা করা হয়েছিল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফের অভিষেককে ইডি তলব করেছে। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) এদিন বলেন, “ইডি অভিষেককে তলব করেছে ভালো কথা। কিন্তু, বারবার গিয়ে ফিরে এলেই মুশকিল। আমরা চাইছি, বারবার যাওয়ার কষ্ট বন্ধ হোক। একেবারেই তিনি চলে যান।” তৃণমূলের যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচি নিয়েও এদিন কটাক্ষ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, “প্রকৃত তৃণমূলীদের মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের কথা যদি অভিষেক বলে থাকেন, তাহলে তাঁরই তৃণমূলে স্থান হবে না। কারণ তিনি প্রকৃত তৃণমূল নন। ২০১১ সালের আগে তিনি তৃণমূলে ছিলেন না। যাঁরা পরিশ্রম করে তৃণমূলকে রাজ্যে ক্ষমতায় এনেছেন, তাঁদের মাথার ওপর পা রেখে তিনি তৃণমূলে এসেছেন।”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যে স্বপ্ন দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তা স্বপ্নই থেকে যাবে বলে জানান সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “গতবারও কলকাতার ব্রিগেডে ২২-২৩ টা দল নিয়ে হাত তুলে কীর্তন করে ছবিও তুলেছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। এবারও স্বপ্ন পূরণ হবে না। কারণ, মানুষ ঠিক করে নিয়েছেন এবারও নরেন্দ্র মোদিকে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী করবেন। বিজেপি অনেক বেশি আসন নিয়ে ফের ক্ষমতায় আসবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • STF: পঞ্চায়েত ভোটের আগে মুঙ্গের থেকে দেদার অস্ত্র ঢুকছে রাজ্যে! এসটিএফের জালে ৩

    STF: পঞ্চায়েত ভোটের আগে মুঙ্গের থেকে দেদার অস্ত্র ঢুকছে রাজ্যে! এসটিএফের জালে ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগে এগরার খাদিকুলে ভানু বাগের বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ১১ জনের মৃত্যুর পর পুলিশ-প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। রাজ্য জুড়ে শুরু হয় তল্লাশি। জেলায় জেলায় বস্তা বস্তা তাজা বোমা উদ্ধার হয়। এখনও বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শাসক দলের নেতাকর্মীরা বোমা মজুত রাখার ঘটনায় জড়িত রয়েছেন, এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা বিরোধীদের আনা সেই অভিযোগ প্রমাণিত করেছে। বোমা তৈরির পাশাপাশি পঞ্চায়ত ভোটের আগে এবার মুঙ্গের থেকে রাজ্যে দেদার অস্ত্রও ঢুকছে। সোমবার কাটোয়া রেল স্টেশনে বেঙ্গল এসটিএফ (STF)-এর জালে তিনজন ধরা পড়ার ঘটনা সেকথাই প্রমাণ করছে।

    ধৃতদের কাছ থেকে কত অস্ত্র উদ্ধার করল এসটিএফ (STF)?

    গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার রাত ১১টা নাগাদ কাটোয়া রেল স্টেশনে জিআরপিকে সঙ্গে নিয়ে এসটিএফ অভিযান চালায়। তিন ব্যক্তিকে আটক করে এসটিএফ (STF)। এই তিনজন কাটোয়া স্টেশনের টিকিট কাউন্টারের কাছে দাঁড়িয়েছিল। আগ্নেয়াস্ত্র সহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। তিনজনের মধ্যে একজনের বাড়ি বিহারের মুঙ্গেরে ও বাকি দুজনের বাড়ি মুর্শিদাবাদে। ধৃতদের নাম কাউসার সেখ, শ্রীলাল মণ্ডল এবং সুদীপ খান। কাউসারের বাড়ি মুর্শিদাবাদের নওদায়। সুদীপের বাড়ি মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায়। আর শ্রীলালের বাড়ি বিহারের মুঙ্গেরে। এদের কাছ থেকে তিনটি পিস্তল, ছটি ম্যাগাজিন ও ১৪ রাউন্ড গুলি বাজেয়াপ্ত করে এসটিএফ। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পর মঙ্গলবার সকালে তিনজনের মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয় কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। তবে, স্টেশনের টিকিট কাউন্টারের কাছে কেন তারা অপেক্ষা করছিল, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে, তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। হরিহরপাড়া এবং নওদা এলাকার যে দুজনকে ধরা হয়েছে, তাদের নামে আগে কোনও থানায় মামলা রয়েছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে তাও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NJP: গুয়াহাটি থেকে এনজেপি স্টেশনে বন্দে ভারত পৌঁছতেই সেলফি তোলার হিড়িক

    NJP: গুয়াহাটি থেকে এনজেপি স্টেশনে বন্দে ভারত পৌঁছতেই সেলফি তোলার হিড়িক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে এনজেপি (NJP) স্টেশনে পৌঁছালো গুয়াহাটি-এনজিপি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এদিন এনজিপিতে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। বন্দে ভারত এক্সপ্রেস দেখতে স্থানীয় মানুষ স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ভিড় জমিয়েছিলেন। স্টেশনে অন্য ট্রেন ধরতে আসা যাত্রীরাও চলে আসেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস দেখতে। সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন সেই যাত্রীরা। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত রায়, দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিধায়ক আনন্দময় বর্মন ও শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত রায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে গোটা ভারতবর্ষ যোগাযোগ ব্যবস্থা সহ সামগ্রিক উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। উত্তরবঙ্গও তার শরিক। আমরা জানি কোনও অঞ্চলের উন্নয়ন করতে গেলে তার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে হয়। সেই মতো আমরা রেলের মধ্য দিয়ে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তাই উত্তরবঙ্গ দুটো বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন পেল। এনজেপি (NJP)- গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার ফলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে অসমের যোগাযোগ সহজ হল। এতে এই দুই অঞ্চলের পর্যটনের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

    কী বললেন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জন সংযোগ আধিকারিক?

    এদিন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের ঐতিহাসিক দিন হয়ে থাকল। বাংলার তৃতীয় এবং অসমের প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের এদিন বেলা ১২টায় গুয়াহাটি থেকে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বেলা ১২টায় গুয়াহাটি থেকে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এদিন রাত ৭ টা ১৫ মিনিটে এনজেপিতে (NJP) পৌঁছায়। উদ্বোধনী যাত্রায় কিছু বাড়তি স্টপেজ দেওয়ায় এনজেপিতে নির্ধারিত সময়ের থেকে এক ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছায়। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে বলেন, বুধবার এনজেপি থেকে এই ট্রেনটি যাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করবে। মঙ্গলবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি সব দিন এই এনজেপি-গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চলবে। এনজেপি থেকে প্রতিদিন সকাল ৬টা ১০মিনিটে ট্রেনটি ছাড়বে এবং গুয়াহাটিতে পৌঁছাবে প্রতিদিন সকাল ১১ টা ৪০ মিনিটে। আবার গুয়াহাটি থেকে সেদিন  বিকাল সাড়ে চারটায় ছেড়ে রাত দশটায় এনজেপিতে এসে পৌঁছবে। কামাখ্যা, নিউ বঙ্গাইগাও, কোকরাঝাড়, নিউ আলিপুরদুয়ার ও নিউ কোচবিহারে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস থামবে। মোট ৪১১ কিলোমিটার পথ চলবে পাঁচ ঘণ্টা ৩০ মিনিটে। এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাঁচটি এসি চেয়ার সহ মোট আটটি কোচ থাকবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    PM Modi: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    ২০১৪ সালের ২৬ মে প্রথমবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয়বারের জন্য তিনি জিতে আসেন ২০১৯ সালে। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ক্ষমতায় আসার পরপরই দারিদ্রতা দূরীকরণে একাধিক প্রকল্পের বাস্তবায়ন দেখা গেছে দেশজুড়ে। একসময় ‘গরিবি হঠাও’ স্লোগানকে সামনে রেখে নির্বাচনে বাজিমাত করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। কিন্তু কংগ্রেসের জমানায় সেই স্লোগান নিছকই ফাঁকা আওয়াজ ছিল। তাই তো রাজীব গান্ধীকে পর্যন্ত বলতে হয়েছিল, ‘‘আমি ১ টাকা পাঠালে মানুষের কাছে পৌঁছায় ১৫ পয়সা।’’ অর্থাৎ কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারের দুর্নীতির কথা তখন তাদের প্রধানমন্ত্রীকেও স্বীকার করতে হয়েছিল।

    চিত্র বদলাতে থাকে ২০১৪ সাল থেকে। অনেকেই মনে করেন, আজ দারিদ্রতা দূরীকরণের একাধিক কর্মসূচির বাস্তবায়নের সাক্ষী ভারতবাসী। ২০২৩ সালে ৯ বছর সম্পূর্ণ করল মোদি সরকার (PM Modi)। বিগত ৯ বছরে একাধিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হয়েছে দারিদ্র দূরীকরণের জন্য। যেমন মুদ্রা যোজনা, স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া এসবই সারা দেশে বেকারদের মধ্যে কর্মসংস্থানের স্রোত তৈরি করতে পেরেছে, এমনটাই বলছেন অর্থনীতিকরা। জানা গিয়েছে, এখনও অবধি মুদ্রা যোজনার আওতায় ৪০ কোটি টাকারও বেশি ঋণ দেওয়া হয়েছে পিছিয়ে পড়া তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি এবং ওবিসি উদ্যোক্তাদের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণিকে তুলে আনার জন্য এটি মোদি সরকারের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে বিপদ সঙ্কুল নর্দমা এবং সেফটি ট্যাংকগুলি পরিষ্কারের ক্ষেত্রেও বিজ্ঞানকে কাজে লাগানো হয়েছে, যাতে মানুষের জীবনের ঝুঁকি কমে এবং সাফাই কর্মীরা মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারেন। জনজাতি সমাজকে সম্মান জানাতে নভেম্বরের ১৫ তারিখ ভগবান বীরসা মুন্ডার জয়ন্তীকে জনজাতি গৌরব দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে মোদি (PM Modi) সরকার। ‘ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ডিং’-এর একটি সাম্প্রতিক প্রকাশিত রিপোর্ট বলছে, মোদি সরকার দেশের চরম দারিদ্রতাকে মেটাতে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি ‘মাল্টি ডাইমেনশনাল প্রভার্টি ইনডেক্স’ যা প্রকাশ করে ‘ইউনাইটেড নেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম’ তাদের মতে, মোদি সরকার দারিদ্রতা দূরীকরণের দশটি ধাপই পার করতে সক্ষম হয়েছে। মোদি সরকারের অন্যতম নীতি হল ‘অন্ত্যোদয়’, যার অর্থ সমাজের সব থেকে পিছনে থাকা ব্যক্তিটির কাছে যতক্ষণ না পর্যন্ত উন্নয়ন পৌঁছাতে পারছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বিকাশকে সম্পূর্ণ বলা যাবে না।

    একনজরে দেখে নেওয়া যাক গত ৯ বছরে দারিদ্রতা দূরীকরণে মোদি সরকারের কিছু সাফল্য

    ১) ৮০ কোটি মানুষ করোনার সময় থেকে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার মাধ্যমে বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী পাচ্ছেন।

    ২) ১১.৮৮ কোটি মানুষের ঘরে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানীয় জলের ব্যবস্থা করেছে মোদি সরকার।

    ৩) প্রায় ৪ কোটি গরিব মানুষকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে বাড়ি করে দেওয়া হয়েছে।

    ৪) ১১.৭২ কোটি মানুষের গৃহে স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মাধ্যমে শৌচালয় স্থাপন করা গেছে।

    ৫) ৩৪.৪৫ লক্ষ ফুটপাথ ব্যবসায়ীকে ঋণ দেওয়া সম্ভব হয়েছে PM SVANidhi যোজনার মাধ্যমে।

    ৬) ৩৯.৬৫ কোটি টাকার ঋণ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মুদ্রা যোজনার মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে।

    ৭) পিছিয়ে পড়া জনজাতি সমাজের জাতীয় কমিশনগুলিকে সাংবিধানিক মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

    ৮) লকডাউনের সময় ২০ কোটি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছানো হয়েছে।

    ৯) ৭,৩৫১ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে তফশিলি জাতি এবং তফশিলি উপজাতি সমাজের মানুষকে, স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া প্রকল্পের মাধ্যমে।

    ১০) কেন্দ্রীয় সরকারের বর্তমানে ৬০ শতাংশ মন্ত্রীই হলেন তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি এবং ওবিসি সমাজভুক্ত।

    ১১) দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে একলব্য আবাসিক বিদ্যালয় আগের চেয়ে পাঁচগুণ স্থাপন করা হয়েছে সারা দেশে।

    ১২) ৪৮.২৭ কোটি ভারতীয়র জনধন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।

    ১৩) ২৯.৭৫ কোটি মানুষকে প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বিমা যোজনার আওতায় আনা হয়েছে।

    ১৪) ১৩.৫৩ কোটি মানুষকে প্রধানমন্ত্রী জীবনজ্যোতি বিমার আওতায় আনা হয়েছে।

    ১৫) ৩৭ কোটি মানুষকে আয়ুষ্মান ভারত যোজনার মাধ্যমে স্বাস্থ্য সুরক্ষার অধিকার দেওয়া হয়েছে।

    ১৬) ২.৮৬ কোটি মানুষের বাড়িতে সৌভাগ্য যোজনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ পৌঁছানো হয়েছে।

    ১৭) ৯.৬ কোটি মানুষকে উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে এলপিজি গ্যাস কানেকশন দেওয়া হয়েছে।

    ১৮) ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিদের জন্য ‘দ্য ট্রান্সজেন্ডার পার্সন অ্যাক্ট ২০১৯’ পাশ করা হয়েছে।

    ১৯) ড্রাগের ছায়া থেকে সমাজকে বাঁচাতে, নেশামুক্ত ভারত অভিযান করা হয়েছে।

    ২০) ২৮.৮৫ কোটি অসংগঠিত শ্রমিকদের পোর্টালের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে।

    ২১) প্রধানমন্ত্রীর শ্রমযোগী মানধন পেনশন যোজনার মাধ্যমে অসংগঠিত ক্ষেত্রে ৪৯ .২৯ লক্ষ শ্রমিকের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। যাঁরা তাঁদের ৬০ বছর বয়স হলে তিন হাজার টাকা করে পেনশন পাবেন।

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mango: নবাবের দেশে একই গাছে ১৩০ রকমের আম! তাক লাগালেন জিয়াগঞ্জের গবেষক চাষি

    Mango: নবাবের দেশে একই গাছে ১৩০ রকমের আম! তাক লাগালেন জিয়াগঞ্জের গবেষক চাষি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের আমের সুখ্যাতি শুধু দেশ নয়, দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও। ঐতিহাসিক এই মুর্শিদাবাদে নবাবদের ইতিহাস থেকে জানা যায়, তাঁরা বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি ইউরোপ এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে নানা প্রজাতির গাছ এনে নিজস্ব আমবাগানে লাগাতেন। তাঁদের বাগানে কমপক্ষে ২০০র বেশি প্রজাতির আম (Mango) ছিল। কিন্তু আজ অধিকাংশ আমবাগান কেটে বসতি গড়ে উঠছে। হরেক রকম আমের নাম থাকলেও এখন অধিকাংশই আমাদের কাছে দুর্লভ হয়ে উঠেছে। এখন আমরা আর নতুন প্রজন্মকে সব ধরনের আম দেখাতে পারি না। এরই মধ্যে আশার আলো দেখিয়েছেন জিয়াগঞ্জের আমডাওড়ার একজন আম গবেষক এবং চাষি কুশল ঘোষ।

    কীভাবে সম্ভব হল এই কাজ (Mango)?

    হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন প্রজাতির আম আর দেখতে না পেয়ে তাঁর মন ভারাক্রান্ত হয়ে উঠেছিল। তখনই তিনি চিন্তাভাবনা করেছিলেন, বাগানে নানা ধরনের আমের ফলন করবেন। কথা অনুযায়ী শুরু করে দেন কাজ। তিনি গ্রাফটিং-এর সাহায্যে ১৫০ থেকে ২০০ প্রজাতির আমের ফলন করে নবাবি আমলের বিভিন্ন প্রজাতির আমের (Mango) অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছেন। কুশলবাবু তাঁর আমবাগানে শঙ্করায়ন পদ্ধতির সাহায্যে শ্যাম ভোগ, বেল চম্পা, ল্যাম্বো, বিভী প্রভৃতি প্রজাতির আম উৎপন্ন করছেন। তিনি বলেন, উদ্যান পালন আধিকারিকের কাছ থেকে ২০০০ সালে গ্রাফটিং-এর মাধ্যমে হাতে-কলমে আম গাছে বিভিন্ন প্রজাতির আমের ফলনের শিক্ষা তিনি লাভ করেন। তারপর সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন প্রজাতির আমের কলম বসানোর কাজ শুরু করেন। এসব কাজ শুরু করার ২-৩ বছরের পর থেকেই ভালো আম পাওয়া শুরু হয়। খুব স্বাভাবিক কারণে বিভিন্ন রকমের আম দেখে কুশলবাবুর উৎসাহ আরও বাড়তে থাকে এবং গাছের প্রজাতির সংখ্যাও বেড়ে যায়।

    কী বললেন তাঁর সঙ্গী?

    কুশলবাবুর সব সময়কার সঙ্গী প্রতাপ সিংহ বলেন, এখানকার গাছে (Mango) কোহিতুর, আলফানসো, ফজলি, গোলাপখাস, সারেঙ্গা, বিল্লি, বিরা এরকম ১৬৫ প্রজাতির আম তাঁর এই বাগানে ফলার রেকর্ড রয়েছে। তিনি বলেন, বিগত বছরে ১০০র বেশি প্রজাতির আম হলেও চলতি বছরে সংখ্যা একটু কমেছে। কুশলবাবু জানান, শঙ্করায়নের মাধ্যমে বঙ্গবাসীকে তিনি নানা রকমের আম উপহার দেবেন। ভবিষ্যতেও তিনি যতদিন থাকবেন, মুর্শিদাবাদ থেকে যতই আমগাছ কেটে ফেলে দেওয়া হোক না কেন, তিনি জেলাবাসীকে একটি গাছের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির আমের ফলন সংক্রান্ত শিক্ষা দিয়ে যাবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arpita Accuses Partha: ‘‘নিয়োগ দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড পার্থ, টাকাও ওঁর’’! আদালতে বিস্ফোরক অর্পিতা

    Arpita Accuses Partha: ‘‘নিয়োগ দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড পার্থ, টাকাও ওঁর’’! আদালতে বিস্ফোরক অর্পিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ১০ মাস পর প্রকাশ্যে এলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের (Teacher Recruitment Scam) অন্যতম অভিযুক্ত অর্পিতা এদিন সশরীরে হাজিরা দেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-র বিশেষ আদালতে। জামিনের আবেদন করেন। আর সেখানেই তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। দাবি করলেন, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড পার্থ চট্টোপাধ্যায়-ই (Arpita Accuses Partha)।

    কী দাবি করেছেন অর্পিতা?

    এদিন অর্পিতার জামিনের শুনানি ছিল আদালতে। আদালতে প্রায় ২ ঘণ্টা সওয়াল করেন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার, দিল্লি থেকে এসেছেন অর্পিতার হয়ে সওয়াল করতে। আইনজীবী মারফৎ অর্পিতা জানান, তাঁর ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা পুরোটাই পার্থর (Arpita Accuses Partha)। এদিন অর্পিতা (Arpita Mukherjee) দাবি করেন, নিয়োগ দুর্নীতির মাথা পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এও স্বীকার করেন, তাঁর ফ্ল্যাট থেকে যে বিপুল পরিমাণ নগদ উদ্ধার হয়েছে, সেই টাকাও পার্থ চট্টোপাধ্যায়েরই। অর্পিতা বলেন, ‘‘আমার বাড়ি থেকে টাকা-গয়না উদ্ধার হয়েছে। আমি পরিস্থিতির শিকার। মাস্টারমাইন্ড হলেন পার্থ।’’ 

    আরও পড়ুন: “বাংলায় মস্তানিরাজ খতম করব আমরা”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    অর্পিতার আরও দাবি, তিনি নিজে পরিস্থিতির শিকার, তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। এদিন আদালতে অর্পিতা (Arpita Mukherjee) বলেন, “বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট অনন্ত টেক্সফ্যাবের রেজিস্টারর্ড অফিস ছিল। আমার সঙ্গে অনন্ত টেক্সফ্যাবের কোনও সম্পর্ক নেই। আমাকে ব্যবহার করা হয়েছিল অনন্ত টেক্সফ্যাবের শেয়ার ট্রান্সফার করার জন্য। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রীর মৃত্যুর পর মেয়ে বিদেশে থাকায় এটা করা হয়। ওই সংস্থার সব ক্ষমতা পার্থর হাতেই ছিল। এই সব সংস্থার সব কাজও হত পার্থর বাড়িতে।” অর্পিতার দাবি, তাঁকে দিয়ে জোর করে বিভিন্ন নথিতে সই করিয়ে নিতেন পার্থ (Arpita Accuses Partha)।

    অর্পিতার ‘পরিস্থিতির শিকার’ দাবি মানতে নারাজ ইডি

    যদিও, অর্পিতার নিজেকে ‘পরিস্থিতির শিকার’ বলে দাবি করা মানতে নারাজ ইডি। তাদের পাল্টা দাবি, অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee) বিলাসবহুল জীবন যাপন করতে এই দুর্নীতির সঙ্গে নিজেকে জড়িয়েছেন। নিয়োগ দুর্নীতিতে অর্পিতারও ভূমিকা রয়েছে। পার্থর ৩১টি এলআইসি পলিসির নমিনি ছিলেন অর্পিতা। প্রত্যেকটিতে তাঁর সই রয়েছে। তাঁকে দিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় যে জোর করে সই করিয়ে নিয়েছেন এই মর্মে কোনও অভিযোগ কখনও দায়ের করেননি তিনি (Arpita Accuses Partha)। 

    এদিন বিচারক দু-পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর অর্পিতার জামিনের রায়দান আপাতত স্থগিত রাখেন। বুধবার, ৩১ মে এবিষয়ে রায় জানাবেন বলে বিচারক জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “বিস্ফোরণে পুড়লে বা মৃত্যু হলে তবেই সরকারি চাকরি মিলবে?” প্রশ্ন সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “বিস্ফোরণে পুড়লে বা মৃত্যু হলে তবেই সরকারি চাকরি মিলবে?” প্রশ্ন সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোমা বিস্ফোরণে পুড়ে গেলে তবেই কী সরকারি চাকরি মিলবে? প্রশ্ন তুললেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। খাদিকুল গ্রামে বিস্ফোরণে মৃতদের পরিবারকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়। নিহতদের পরিবারের কয়েকজনকে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্রও তুলে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গেই কটাক্ষ করেন সুকান্ত।

    মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ সুকান্তর

    রাজ্যে বিরোধীরা বারবারই অভিযোগ করে যে, বাংলায় এখন আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। বারুদের স্তুপের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে গোটা পশ্চিম বাংলা। সম্প্রতি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুলে ভয়াবহ বিস্ফোরণে এগারো জনের মৃত্যুর পর সরব হয় বিজেপি। খাদিকুল গ্রামে বিস্ফোরণে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শনিবার দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিহতদের পরিবারের হাতে আর্থিক ক্ষতিপূরণ তুলে দেওয়ার পাশাপাশি পরিবার পিছু একজনকে সরকারি হোম গার্ডের চাকরির নিয়োগপত্রও এদিন তুলে দেন মমতা। এ প্রসঙ্গেই সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘নয় বোমা বিস্ফোরণে মৃত্যু হবে, না হলে বগটুইয়ের মতো পুড়ে মরতে হবে। তাহলেই মিলবে সরকারি চাকরি আর ক্ষতিপূরণ। যোগ্যরা তো পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পাবেন না’।

    আরও পড়ুন: মমতার নির্দেশকে থোড়াই কেয়ার! নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনে হাজির শিশির-দিব্যেন্দু

    নতুন সংসদ ভবন নিয়ে সুকান্ত

    নতুন সংসদ ভবন উদ্বোধন নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষেরও এদিন জবাব দিলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এটা দেশের কাছে এক গর্বের মুহূর্ত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধন করেছেন রবিবার। বিরোধীরা এটা নিয়ে শুধু শুধু অপপ্রচার করছেন বলেও দাবি করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, ‘বিরোধীরা হাস্যকর কথা বলছে। বিহারে বিধানসভা উদ্বোধন করেছিলেন নীতীশ কুমার। লোকসভায় সর্বোচ্চ নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তিনি নতুন সংসদ ভবন উদ্বোধন করেছেন এটাই স্বাভাবিক। যাঁরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন না, আজ তাঁরাই রাষ্ট্রপতি কেন উদ্বোধন করলেন না প্রশ্ন তুলছেন।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেককে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে দলের এক নেতা, বিস্ফোরক অপরূপা

    Abhishek Banerjee: অভিষেককে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে দলের এক নেতা, বিস্ফোরক অপরূপা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন দলের মধ্যেই এক সিনিয়র তৃণমূল নেতা এবং পুলিশ। পুরুলিয়ার ঘটনার কথা একটি চক্রান্ত মাত্র, এই বলে, নিজের ট্যুইটারে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন আরামবাগ লোকসভার সাংসদ অপরূপা পোদ্দার। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তৃণমূলের আদি-নব্য দ্বন্দ্বের কথা প্রকাশ্যে এসেছে বলে তীব্র চাঞ্চল্য।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সম্পর্কে কী বলেছেন অপরূপা?

    সাংসদ অপরূপা পোদ্দার বলেন, “আমি খুব গভীর ভাবে জানি, বিজেপিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) শুধু অধিকারী পরিবারের চরম শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু আমাদের দলের মধ্যে অনেক শত্রুরাও আছে যারা অভিষেককে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে বিজেপির সাথে মিলিত ভাবে। একটি মেয়েকে দিয়ে অভিষেকের বিরুদ্ধে তথ্য পাঠানো হচ্ছে দিল্লিতে।” তিনি আরও দাবি করেন, এই কাজটি আমাদের দলের নেতা, এক বিজেপির নেতা এবং পুলিশের মাধ্যমে করা হচ্ছে। পুরুলিয়ার ঘটনা একটি চক্রান্ত, আমি জানি। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমার কিছু যায় আসে না, আমাকে দিদি দুবার সাংসদ করেছেন, এর জন্য দিদির কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আমার টিকিট যদি সিনিয়র নেতা কাটতে চায়, কেটে দেবেন। আমি চাকরি করব দিদির কালীঘাটে, কিন্তু দলের সাথে কখনো গদ্দারি করব না। পরে অবশ্য অপরূপা পোদ্দারের কাছে ট্যুইটারের বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যা বলার ট্যুইটারে বলেছি, বিষয়টা দলের অভ্যন্তরের বিষয়। যা বলার, দলের মিটিং এ বলব।

    তৃণমূল মুখপাত্রের বক্তব্য

    সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের (Abhishek Banerjee) বিষয়ে রাজ্য তৃণমূলের মুখাপত্র কুণাল ঘোষকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি একটা ট্যুইট হয়েছে। এরপর এই বিষয়ে আর কিছু বলতে চান নি তিনি। কিন্তু তৃণমূল দলের অন্দরে কী আদি-নব্য দ্বন্দ্ব? এই নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিজেপি।

    বিজেপির বক্তব্য

    অপরূপা পোদ্দারের ট্যুইটার মন্তব্যের বিষয়ে বিজেপি বিধায়ক এবং রাজ্য সম্পাদক বিমান ঘোষ বলেন, বিষয়টি তৃণমূলের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) আদি-নব্য গোষ্ঠী কোন্দলের বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই না। তৃণমূল দল হল চোরেদের দল। কে কত চুরি করতে পারবে সেই নিয়ে লড়াই করছে আদি-নব্য তৃণমূল নেতা নেত্রীরা। আপাতত রাজনৈতিক মহল, তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের কথা যে প্রকাশ্যে এসেছে, সে কথাই বলছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share