Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bangladesh Genocide: একাত্তরে বাংলাদেশের গণহত্যাকে আন্তজার্তিক স্বীকৃতি দিতে ঢাকায় ডাচ টিম

    Bangladesh Genocide: একাত্তরে বাংলাদেশের গণহত্যাকে আন্তজার্তিক স্বীকৃতি দিতে ঢাকায় ডাচ টিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে পৃথক হওয়ার দাবিতে উত্তাল হয়েছিল সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান অধুনা বাংলাদেশ। এই সময় ‘অপারেশন সার্চলাইট’-র নামে সারা বাংলাদেশ জুড়ে গণহত্যা (Bangladesh Genocide) চালিয়েছিল পাকিস্তানি সেনা। মধ্যযুগীয় এই বর্বরতাকে লুকিয়ে রাখতে চেষ্টার কসুর করেনি পাকিস্তান। তবে গত বছরে পূর্ব পাকিস্তানের ওপর হওয়া নরসংহারকে স্বীকৃতি দেয় আমেরিকার ‘লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন’ সংস্থা। আন্তর্জাতিকভাবে এই গণহত্যার স্বীকৃতি যে খুব তাড়াতাড়ি মিলবে এবার সেই দাবি করলেন নেদারল্যান্ডের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মানবাধিকার কর্মী হ্যারি ফান বোমাল। ইতিমধ্যে ঢাকাতে চলে এসেছে বোমালের নেতৃত্বাধীন ইউরোপের মানবাধিকার প্রতিনিধি দল। ২০ মে থেকে শুরু হয়েছে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহের কাজ, চলবে ২৬ মে পর্যন্ত।

    বাংলাদেশ জেনোসাইড (Bangladesh Genocide) শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ঢাকায়

    বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন চলছে ঢাকাতে। সেখানে অংশ নিয়েছে নেদারল্যান্ডের প্রাক্তন মন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন একটি মানবাধিকার দল। প্রাক্তন ডাচ মন্ত্রী বোমাল ছাড়াও ওই দলে রয়েছেন, রাজনীতি বিশেষজ্ঞ ক্রিস ব্ল্যাকবার্ন, ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ ফোরামের ব্রিটেনের চেয়ারম্যান আনসার আহমেদ, নেদারল্যান্ডের চেয়ারম্যান বিকাশ চৌধুরি বড়ুয়া প্রভৃতি।

    সাংবাদিক সম্মেলনে কী বললেন প্রাক্তন ডাচ মন্ত্রী বোমাল

    ঢাকাতে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে বোমাল বলেন, ‘‘আমেরিকার গণহত্যার স্বীকৃতি মিলেছিল ১০০ বছর পরে। আমি মনে করি, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা হবে না। কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের নরসংহার (Bangladesh Genocide) আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবে। সেটা ১০ বছরের মধ্যেই পাবে।’’

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ফের কালী মন্দিরে আগুন, পুড়ে ছাই প্রতিমা, দুষ্কৃতীরা অধরা

    ব্রিটেনের সংসদেও নিন্দা প্রস্তাব আনা হয়েছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে

    ১৯৭১-এর গণহত্যা বিষয়ক আলোচনা ব্রিটেনের পার্লামেন্ট হয়েছে। সে দেশের সাংসদ পিটার শোরে এই নিন্দা প্রস্তাব এনেছিলেন। পাকিস্তানের এই মধ্যযুগীয় বর্বরতার (Bangladesh Genocide) বিরুদ্ধে পরবর্তীকালে ব্রিটেনের ২৩৩ জন এমপি এই গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চেয়ে প্রস্তাব পেশ করে।

    ১৯৭১ এর ইতিহাস

    পাকিস্তান থেকে পৃথক হওয়ার দাবিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে শুরু হয় আন্দোলন। আন্দোলনকে কড়া হাতে দমন করতে অপারেশন সার্চলাইটের নামে নরসংহার (Bangladesh Genocide) শুরু করে পাকিস্তানি সৈন্যরা। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় বাংলাদেশের রাজাকাররাও। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ১ কোটিরও বেশি সে দেশের সংখ্যালঘু হিন্দু তখন সীমান্ত পেরিয়ে ভারত এসে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিল। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সব থেকে বেশি অবদান হিন্দুদের ছিল বলে মনে করেন গবেষকদের একাংশ। এনিয়ে বহু গবেষণামূলক লেখাও রয়েছে। গবেষক কালিদাস বৈদ্য সেসময় মুজিবর রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাঁর লেখায় মুক্তিযুদ্ধে হিন্দুদের ভূমিকা এবং ভারতের সহযোগিতার বিস্তৃত বিবরণ রয়েছে। কালিদাস বৈদ্যর লেখা বই থেকে জানা যায়, উদ্বাস্তু হিন্দুদের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছিল ভারত সরকার। তৈরি হয়েছিল মুজিব বাহিনী।

    ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ এর নামে ঢাকার বিখ্যাত রমনা কালী মন্দিরকে ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দেয় পাকিস্তানি সৈন্যরা। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, পাকিস্তানি সৈন্য এবং রাজাকাররা মনে করতে থাকে পূর্ব পাকিস্তান হিন্দু শূন্য হলেই, বিদ্রোহ দমন করা যাবে। তাই দমন পীড়ন হিন্দুদের ওপর সব থেকে বেশি হয়েছিল। সে দেশের সরকারি পরিসংখ্যান বলছে ৩০ লক্ষ নিরীহ বাংলাদেশি মানুষকে সেদিন হত্যা (Bangladesh Genocide) করেছিল পাকিস্তান। বাদ যায়নি ছোট শিশু থেকে মহিলা কেউই। দু’লক্ষের ওপর মহিলাকে গণধর্ষণ করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে নামে ভারত। শেষপর্যন্ত আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় পাকিস্তান। গঠন হয় নতুন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় সুষমার প্রিয় বিষয় ভূগোল, কী হতে চান আবু সামা?

    HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় সুষমার প্রিয় বিষয় ভূগোল, কী হতে চান আবু সামা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান (HS Rank) অধিকার করেছেন আবু সামা। চাকুলিয়ার রামকৃষ্ণপুর প্রমোদ দাশগুপ্ত মেমোরিয়াল হাই স্কুলের ছাত্র তিনি। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫। এদিন তাঁর ফলাফলে খুশি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে সকলে। যুগ্মভাবে দ্বিতীয় বাঁকুড়ার সুষমা খান। বাঁকুড়া বঙ্গ বিদ্যালয়ের ছাত্রী তিনি। তাঁর এই ফলাফলে উচ্ছ্বসিত পরিবারের সদস্যরা। খুশির আবহ পরিবারে।

    কী বললেন আবু সামা (HS Rank)?

    পরীক্ষার ফলাফল টিভিতে লাইভ দেখার সময়ই জানতে পেরেছিলেন, তিনি দ্বিতীয় স্থান (HS Rank) অধিকার করেছেন। স্বভাবতই এই খবরে বেজায় খুশি। কৃতী এই ছাত্র বললেন, এটা আসলে কঠিন পরিশ্রমেরই ফল। এরকম একটা ফল যে হবে, তা তাঁর আশাতেই ছিল। তবে তিনি ভেবেছিলেন, প্রথম হবেন। একটু ভুলের জন্য সেটা হাতছাড়া হয়েছে। তাঁর জীবনের লক্ষ্য কী, ভবিষ্যতে তিনি কী হতে চান, সেই বিষয়ে এদিন তিনি কিছু জানাতে চাননি। তাঁর ধারণা, সেটা বললেই হয়তো সমালোচনা শুরু হয়ে যাবে। তিনি সেটা চান না। তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাবা-মা এবং স্কুলের শিক্ষকদের প্রতি। রামকৃষ্ণপুর হাই স্কুলের শিক্ষক সঞ্জয় সিনহা বলেন, আমাদের রাজ্যের মধ্যে সে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। তাই আমরা খুবই গর্বিত। ভবিষ্যতে যেন এভাবেই পড়াশোনা চালিয়ে যায়, বড় মানুষ হয় এবং আমাদের নাম উজ্জ্বল করে, এটাই প্রার্থনা। এক কথায় আমরা খুবই আনন্দিত।

    কী বললেন সুষমা খান (HS Rank)?

    বাঁকুড়া শহরের চাঁদমারিডাঙার বাসিন্দা সুষমা খান। ৪৯৫ নম্বর পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় রাজ্যে যুগ্নভাবে দ্বিতীয় স্থান (HS Rank) অর্জন করেছেন। বাঁকুড়া মিশন গার্লস স্কুল থেকে ৬৯৪ পেয়ে মাধ্যমিকে চতুর্থ হয়েছিলেন। আর উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৯৫ পেয়ে রাজ্যে দ্বিতীয় হলেন। তবে একটুর জন্য প্রথম হতে না পারায় খানিক আক্ষেপ রয়ে গেলেও এই ফলাফলে তিনি খুশি। তাঁর প্রিয় বিষয় ভুগোল। শহরের বঙ্গ বিদ্যালয়ের ছাত্রী সুষমা ভূগোল নিয়ে পড়াশোনা করে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সফল হতে চান। সুষমার বাবা এবং মাও চান মেয়ে নিজের ইচ্ছে মতো পড়াশোনা করুক। সুষমার বাবা লবকুমার মণ্ডল রাজ্য সরকারের পরিসংখ্যান বিভাগের কর্মী। পুরুলিয়ায় কর্মরত। মা উমা সামলান সংসার। দুই মেয়ের মধ্যে সুষমা ছোট। তাঁর পড়ার পাশাপাশি গানেও প্রতিভা রয়েছে। তাঁর দিদি প্রিয়মা খান প্রাণিবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করছেন। এই জেনারেশনের মেয়ে হয়েও এখনও সোশ্যাল মিডিয়াতে কোনও অ্যাকাউন্ট নেই সুষমার। তাই সোশ্যাল মিডিয়াতে সময় নষ্ট না করে তিনি এখনও প্রতিদিন নিয়ম করে ডায়েরি লেখেন। এটা তাঁর বরাবরের অভ্যাস। তিনি বলেন, এই ফলাফলে ভালো তো নিশ্চয়ই লাগছে। তবে এতটা ভালো ফল হবে, আশা করিনি। ছোট থেকে যে সমস্ত স্কুলে পড়েছি এবং টিউশনের স্যারেরা আমাকে অনেকটাই সাহায্য করেছেন। এর সঙ্গে আমার মা-বাবার সাপোর্ট তো আছেই। আরও আছে আমার দিদি ভাই। এমন একটি আনন্দের দিনে তা উদযাপন করা নিয়ে তেমন কোনও পরিকল্পনা তাঁর নেই। এখন শুধু তার চিন্তা ভবিষ্যতের যেসব পরীক্ষাগুলি আছে, সেগুলি ভালোভাবে দেওয়া। পড়াশোনার বাইরে রবীন্দ্র সংগীত তাঁর পছন্দের জিনিস। নিজেও ভালো গাইতে পারেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে।” মঙ্গলবারই তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং আপ (AAP) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Aravind Kejriwal) বৈঠককে এই ভাষায়ই কটাক্ষ করেছিলেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার ঠিক পরের দিনই ওই বৈঠককে নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) ট্যুইট-বোমা

    বৈঠকের একটি ছবি প্রকাশ করে ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদিজির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র তৈরি করতে পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় নবান্নকে গতকাল অনৈতিকভাবে ব্যবহার করলেন আঞ্চলিক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সব থেকে উদ্বেগের বিষয় হল এই বৈঠকে হাজির ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী।”

    শুভেন্দুর প্রশ্ন একাধিক

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “সমালোচক অথবা নিন্দুকরা হয়তো পাল্টা প্রশ্ন করবেন, দু তিন জন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য সচিবালয়ে বৈঠক করলে ভুলটা কোথায়? তাঁদের কাছে আমার প্রশ্ন, এটা যদি মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠক হয়, তাহলে তার আলোচ্যসূচি কোথায়? সেখানে কি দিল্লি ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে কোনও সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে? যেমন, দিল্লি সরকার পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে তাদের আবগারি নীতি প্রণয়নে সাহায্য করবে? বা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষা দফতর দিল্লি সরকারের শিক্ষা দফতরকে কীভাবে সৎ ও স্বচ্ছভাবে শিক্ষক নিয়োগ করতে হয়, তার প্রশিক্ষণ দেবে, ইত্যাদি…”

    কেন্দ্রে বিজেপি বিরোধী শক্তিকে একত্রিত করতে কোমর কষে নেমেছেন আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। মঙ্গলবার বিকেলে নবান্নে তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠক শেষে মমতা বলেন, “আর তো ৬ মাস, তার আগেও হতে পারে, কোনও মিরাকেল হতে পারে।” কেজরিওয়াল বলেন, “দিদি বলেছেন, রাজ্যসভায় সমর্থন করবেন।” মমতা-কেজরির এই বৈঠক হয় ঘণ্টাখানেক। বৈঠকে আপ নেতা তথা পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানও উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন দিল্লির তিন মন্ত্রী আপের সঞ্জয় সিংহ, রাঘব চাড্ডা এবং আতিশি। বৈঠকের পর নবান্নে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকও করেন মমতা-কেজরি।

    আরও পড়ুুন: “কোভিডের চেয়েও মারাত্মক অতিমারির জন্য প্রস্তুত থাকুন”, সাবধানবাণী হু কর্তার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • TMC: হাইকোর্টের নির্দেশে ভেঙে ফেলা হল তৃণমূল ভবন

    TMC: হাইকোর্টের নির্দেশে ভেঙে ফেলা হল তৃণমূল ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশ মত বুধবার ভেঙে ফেলা হল বড়ঞার বিতর্কিত তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) কার্যালয়। সরকারি জায়গায় ঘর নির্মাণ এবং অবৈধভাবে জায়গা দখলের অভিযোগ ছিল বলে কোর্টের নির্দেশে জানা গেছে। কোর্টের নির্দেশে খুশি নন তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা। 

    কেন তৃণমূল (TMC) ভবন ভেঙে ফেলা হল?

    উল্লেখ্য ২০২১ সালে বড়ঞা ব্লকের আফ্রিকা মোড়ে নির্মিত করা হয়েছিল এই তৃণমূলের (TMC) ভবনটি। তারপরে স্থানীয় বাসিন্দা শফিউর রহমান আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। উনি কোর্টে জানান, তৃণমূলের ভবনটি সরকারি জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে। তাঁর দাবি ছিল, জায়গাটা বেআইনিভাবে জবরদস্তি দখল করে নেওয়া হয়েছিল। আর এই অভিযোগে তদন্তে নেমে, দফায় দফায় তদন্তের পর, অবশেষে হাইকোর্টের নির্দেশ মতো বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে ফেলা হল তৃণমূলের ভবনটিকে। ভবনটি ভাঙতে যাতে কোনরকম বিশৃঙ্খলার ঘটনা না ঘটে, সেই কারণে বড়ঞা থানার পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই এলাকাকে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল। মুর্শিদাবাদ কান্দি মহকুমা শাসক, ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে বুধবার ভেঙে ফেলা হল বড়ঞার তৃণমূলের ভবনটিকে।

    তৃণমূল (TMC) সমর্থকদের বক্তব্য

    এলাকায় তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রবিন কুমার ঘোষ বলেন, এই ভবন তৃণমূলের কার্যালয় ছিল না। তবে তৃণমূল কর্মীদের মাঝে মাঝে মিটিং হতো। তিনি আরও বলেন, বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা মাঝে মাঝে আসতেন, কিন্তু ভবনটি তাঁর অফিস কখনই ছিল না। ফলে ভবন সংক্রান্ত বিষয়ে তৃণমূল (TMC) নেতার বক্তব্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন। এলাকার স্থানীয় জ্যোৎস্না খাতুন বলেন, পুলিশ ভাঙছে ৪৫ দাগের বিল্ডিং, কিন্তু আমি জানি ভাঙার কথা ৪৩, ৪৪ দাগের উপর নির্মিত বিল্ডিং। এটা ঠিক হচ্ছে না। উনি জানান, এরপর আমি আইনের সাহায্য নেবো। কোর্টের নির্দেশ পালন করায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে শাসক দলের নেতাদের মধ্যে অসন্তোষের ছাপ দেখা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cow Smuggling: গরুপাচার মামলায় ২ শুল্ক অফিসারকে জেরা সিবিআইয়ের, তলব আরও ২ জনকে

    Cow Smuggling: গরুপাচার মামলায় ২ শুল্ক অফিসারকে জেরা সিবিআইয়ের, তলব আরও ২ জনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফ-এর পর গরু পাচার (Cow Smuggling) মামলায় এবার সিবিআই রেডারে শুল্ক দফতর। সূত্রের খবর, গত তিনদিনে শুল্ক দফতরের ২ জন আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আগামী সপ্তাহে আরও ২ কাস্টমস অফিসারকে তলব করা হয়েছে। গরু পাচার মামলায় তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল বর্তমানে তিহাড় জেলে বন্দি রয়েছেন। সঙ্গে রয়েছেন মেয়ে সুকন্যা এবং তাঁর দেহরক্ষী সায়গল। সেই তদন্তের সূত্র ধরে কয়েকজন শুল্ক দফতরের আধিকারিকের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ হয় সিবিআই-এর। তাই এই জেরা বলে জানা গেছে। এর আগে একই অভিযোগে বিএসএফের কয়েকজনকে জেরাও করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, মোটা টাকার বিনিময়ে কয়েকজন শুল্ক দফতরের আধিকারিক গরু পাচারে (Cow Smuggling) সাহায্য করতেন।

    মুর্শিদাবাদের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাস্টমস অফিসাররা সিবিআইয়ের রেডারে

    সূত্রের খবর, ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় যে সমস্ত কাস্টমস অফিসার কর্মরত ছিলেন, বিশেষত মুর্শিদাবাদ জেলায়, মূলত তাঁদেরকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সিবিআই-র তদন্তে জানা গেছে এই সীমান্ত পথেই বাংলাদেশে বেশিরভাগ গরু পাচার হতো। তদন্তকারীদের দাবি, গরু পাচারের মোটা অঙ্কের টাকা কার কাছে পৌঁছেছে, কাস্টমসের আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তা জানার চেষ্টা করছে সিবিআই। তদন্তকারীরা মনে করছেন, মোটা টাকার বিনিময়ে গরু পাচারে শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আর সেটাই জেরা করে বার করে আনার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: এবার ‘চোর চোর’ স্লোগান শুনতে হল অভিষেককেও

    কীভাবে চলত গরু পাচার?

    চার্জশিটে ইতিমধ্যে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছে ইডি যে কীভাবে চলতো এই গরু পাচার! তাদের চার্জশিট অনুযায়ী, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের মধ্যস্থতায় এবং বিএসএফের একাংশের যোগসাজশে বীরভূম থেকে মুর্শিদাবাদ হয়ে বাংলাদেশে পাচার হতো গরু। ২০১৫ সাল থেকে কাস্টমসের নিলাম করা গরু কিনে নিতেন এনামুল হক। লালগোলা, ডোমকল, জঙ্গিপুরের মতো জায়গায় কাস্টম অফিসে গরু কেনা হতো। বীরভূম থেকে লরিতে করে প্রথমে গরু পাঠানো হতো ওমরপুরের সোনার বাংলা অফিসে। এই অফিসের মালিক ছিলেন এনামুল হক। ট্রাক চালকের সঙ্গে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ রাখত সোনার বাংলা অফিসের কর্মীরা এবং কোথায় গরুগুলিকে নামাতে হবে তা জানিয়ে দেওয়া হতো। টাকার বিনিময়ে বিএসএফের একাংশকে ম্যানেজ করত এনামুল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম শুভ্রাংশুর কী কী বিষয় ছিল জানেন? শুনলে অবাকই হবেন

    HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম শুভ্রাংশুর কী কী বিষয় ছিল জানেন? শুনলে অবাকই হবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ কয়েক বছর পর নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থান (HS Rank) এল। কিন্তু তার থেকেও বোধহয় উল্লেখযোগ্য খবর হল, যে ছাত্রের হাত ধরে উজ্জ্বল হল বিদ্যালয়ের মুখ, সেই ছাত্রের সাবজেক্ট কম্বিনেশন। পদার্থবিদ্যা-রসায়ন-অঙ্কের সেই চিরাচরিত পথ ছেড়ে শুভ্রাংশু বেছে নিয়েছিলেন এক অদ্ভুত কম্বিনেশন। আর তাতেই বাজিমাত করলেন তিনি। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ এবং নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ছাত্রের সাবজেক্ট কম্বিনেশন ছিল অর্থনীতি, সংখ্যাতত্ত্ব এবং কম্পিউটার সায়েন্স।

    কোন বিষয়ে কত নম্বর?

    শুভ্রাংশুর প্রথম ভাষা (HS Rank) বাংলায় প্রাপ্ত নম্বর ৯০। গ্রেড পার্সেনটাইল ৯৯.৩৫। দ্বিতীয় ভাষা ইংলিশে পেয়েছেন ৯৮। গ্রেড পার্সেনটাইল ৯৯.৯২। অর্থনীতিতে পেয়েছেন ১০০, গ্রেড পার্সেনটাইলও ১০০। অঙ্ক এবং স্ট্যাটিসটিকসে একই নম্বর। কম্পিউটার সায়েন্সের নম্বর ৯৮, গ্রেড পার্সেনটাইল ৯৯.৭৬। তিনি মোট ৪৯৬ নম্বর পেয়ে মেধা তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। ওভারঅল পার্সেনটাইল ১০০।

    কেমন ছিল তাঁর পড়াশোনার ধরন?

    অর্থনীতি তাঁর প্রিয় বিষয়। তাই এই বিষয়কে আঁকড়ে ধরেই ভবিষ্যৎ জীবনের স্বপ্ন দেখা শুরু করে দিয়েছেন শুভ্রাংশু। মেধা তালিকায় শীর্ষে (HS Rank) থাকার খবরে যে তিনি এবং তাঁর বাবা-মা খুবই খুশি, সে কথা প্রকাশ করার পাশাপাশি শুভ্রাংশ জানিয়েছেন, প্রথম স্থানটি দখল করতে পারবেন, তা তিনি কখনও ভাবেননি। বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি যেমন বাঁধা ছকের বাইরে পা রেখেছেন, তেমনি পড়াশোনার ক্ষেত্রেও তিনি খুবই সহজ কথার মানুষ। তাঁর মতে, বইতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মুখ দিয়ে পড়ে থাকার দরকার পড়ে না। পড়া হল মনের জিনিস। মন ভালো থাকলে তবেই পড়ায় মন বসে। নরেন্দ্রপুরের মতো আবাসিক স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। ফলে প্রাইভেট টিউশনির কোনও প্রশ্নই ছিল না। শিক্ষকদের সাহায্য এবং সহযোগিতাই যে তাঁকে শিখরে পৌঁছে দিয়েছে, সেকথাও তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন।

    কী বললেন মিশনের প্রধান শিক্ষক?

    নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বামী ইস্টেশানন্দ বললেন, এটা খুবই আনন্দের খবর। আমরা অনেকদিন ধরেই আশা করছিলাম। ২০১৫ সালের পর বোধহয় আবার উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থান (HS Rank) এল। প্রত্যাশিতই ছিল, ছেলেটি ভালো ফল করবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থানে সে আসবে, সেটা আমরা বুঝতে পারিনি। একইসঙ্গে আমাদের ন-জন ছাত্র প্রথম দশটি স্থানে রয়েছে। সারা বছর ধরেই ছেলেরা প্রচুর পরিশ্রম করেছে। আমাদের আবাসিক বিদ্যালয়। শিক্ষকরাও তাদের যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। তারই ফল আমরা পেয়েছি। ইকনমিক্স, স্ট্যাটিসটিক্স, কম্পিউটার সায়েন্স এবং ম্যাথমেটিক্স- প্রথম স্থান পাওয়া শুভ্রাংশু থেকে শুরু করে আরও কয়েকজনের সাবজেক্ট কম্বিনেশন ছিল এরকমই। তাঁর মতে, এটি রয়্যাল কম্বিনেশন। প্রত্যেকটি বিষয়েই ভালো নম্বর তোলা যায়। তবে তিনি বলেন, নিয়মানুবর্তিতাই আমাদের ছাত্রদের ভালো ফল করার অন্যতম কারণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Save Girl Child: লাদাখে পৌঁছে সেভ গার্ল চাইল্ডের যাত্রা, নেপথ্যে বঙ্গের  শিক্ষিকারা

    Save Girl Child: লাদাখে পৌঁছে সেভ গার্ল চাইল্ডের যাত্রা, নেপথ্যে বঙ্গের শিক্ষিকারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেভ গার্ল চাইল্ড (Save Girl Child ) বার্তা নিয়ে সারা ভারতের উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রায় দশ হাজার কিলোমিটারের বেশি গাড়ি চালিয়ে বিশেষ যাত্রা করবেন বর্ধমানের মেয়েরা। গত ৭ মে হেমাতপুর এলাকা থেকে পাড়ি দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লকের রাজারপুর এলাকার বাসিন্দা শিক্ষিকা সুতপা দাস এবং তাঁর সঙ্গীরা। অবশেষে পৌঁছেছেন তাঁরা লাদাখে। প্রচার অভিযান নিয়ে উচ্ছ্বসিত তাঁরা সকলে।

    কেন সেভ গার্ল চাইল্ড (Save Girl Child ) যাত্রা?

    গত সোমবারে লাদাখে পৌঁছে সেভ গার্ল চাইল্ডের (Save Girl Child ) বিশেষ বার্তা জনসমক্ষে তুলে ধরে প্রচার চালালেন সুতপা দাস এবং তাঁর সঙ্গীরা। তাঁর সাথে এই ট্রিপে উপস্থিত ছিলেন তপতী দেবনাথ ভৌমিক এবং ঝর্ণা মালাকার নামে আরো দুজন মহিলা। লাদাখ হয়ে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত গাড়ি চালিয়ে সেভ গার্ল চাইল্ড বিষয়ের উপর বিভিন্ন জায়গায় তাঁরা প্রচার চালাবেন বলে জানা গেছে। যাত্রায় বিশেষভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে ভারতের জাতীয় পতাকা। এছাড়াও সঙ্গে রয়েছে সেভ দ্যা আর্থ, সেভ দ্যা ফিউচার জেনারেশন, সেভ দ্যা ফিউচার মাদারস-এর বিশেষ পোস্টার। ৪০ দিনের বিশেষ যাত্রায় ১৩ টি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাঁরা প্রচার চালাবেন। তাঁদের প্রচারের বিষয়, সমাজে নাবালিকাদের বিবাহ বন্ধ করা, ছেলেদের মতন মেয়েদের সমান মর্যাদা প্রদান করা এবং শিশু ও বালিকাদের সমস্ত রকম সামাজিক রক্ষা সুনিশ্চিত করা। এই বিষয় গুলি নিয়ে তাঁরা যাত্রা পথে সারা ভারতে প্রচার চালাবেন বলে জানা গেছে।

    যাত্রা পথে শিক্ষিকার বক্তব্য

    সেভ গার্ল চাইল্ড (Save Girl Child) যাত্রায় কাশ্মীরে পৌঁছে সুতপা দাস বলেন, বর্তমান সময়ে ভারতের অনেক জায়গায় নাবালিকা মেয়েদের উপর নানান রকম অত্যাচারের কথা আমরা শুনতে পাই। এই নির্যাতন যাতে বন্ধ হয় সেই জন্যই আমাদের বিশেষ যাত্রা। আমরা এখন উত্তর ভারতে রয়েছি, এরপর এই যাত্রা দক্ষিণ ভারতের দিকে করব। ভারতের জন্য সেভ গার্ড চাইল্ড একান্ত প্রয়োজন। মেয়েরা বড় হলেই শুধু বিয়ে নয়, সমাজে কিছু করে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ দিতে হবে। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই সমাজে মেয়েদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা এই যাত্রায় বিশেষভাবে বলতে চাই, বাড়ির ছেলে-মেয়েদের প্রতি সমান মনোভাবের পরিচয় দিতে হবে সকলকে। তাঁদেরকে জীবনে দাঁড়ানোর সঠিক রাস্তা দেখাতে হবে। সমাজের প্রতি এই দায়িত্ব আমাদের সকলের। তাঁদের এই অভিনব প্রচারে সমাজে বিশেষ বার্তা যাবে বলে মনে করছেন সমাজকর্মীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WHO: “কোভিডের চেয়েও মারাত্মক অতিমারির জন্য প্রস্তুত থাকুন”, সাবধানবাণী হু কর্তার

    WHO: “কোভিডের চেয়েও মারাত্মক অতিমারির জন্য প্রস্তুত থাকুন”, সাবধানবাণী হু কর্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ফের অতিমারির আশঙ্কা। করোনার (Covid) চেয়েও মারাত্মক এই অতিমারি হানা দিতে পারে পৃথিবীতে। তাই এখন থেকেই অতিমারির জন্য প্রস্তুত হতে হবে বিশ্ববাসীকে। এমনই সাবধানবাণী শোনালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) প্রধান ট্রেডস অ্যাডামন গেব্রিয়েসাস। মঙ্গলবার ৭৬তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সমাবেশে যোগ দেন হু-র প্রধান।

    মারাত্মক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা

    তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে কোভিডের প্রকোপ শেষ হয়ে গিয়েছে বলে মনে হলেও তা নয়। কোভিডের আরও একটি ভ্যারিয়েন্টের হানা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়ে গিয়েছে। যা রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বাড়িয়ে দেবে। এছাড়াও কোভিডের থেকে আরও মারাত্মক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।” গেব্রিয়েসাস বলেন, “কোভিড নিয়ে এখনই নিশ্চিন্ত হবেন না। কোভিড অতিমারি একমাত্র আশঙ্কার কারণ নয়। সব রকম পরিস্থিতির জন্য আমাদের তৈরি থাকতে হবে। খুব শীঘ্রই পরবর্তী অতিমারি হানা দিতে চলেছে। তখন আমাদের সকলকে সম্মিলিতভাবে সেই অতিমারির মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।”

    কোভিডে মৃত্যুর খতিয়ান

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) এই কর্তা বলেন, “কোভিড ১৯ মহামারির জন্য প্রস্তুত ছিল না গোটা বিশ্ব। গত তিন বছরে কোভিড ১৯ এ প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু আমরা জানি, এই সংখ্যাটা আরও কয়েকগুণ বেশি, অন্তত ২ কোটি। এই মহামারি আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় গুরুতর ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে এবং গুরুতর অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যার সৃষ্টি করেছে। কোভিড ১৯ আমাদের বিশ্বকে বদলে দিয়েছে এবং অবশ্যই আমাদেরও বদলাতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: ২০২৩ উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত, পাশের হার ৮৯.২৫ শতাংশ

    গেব্রিয়েসাস বলেন, “কোভিডের আর একটি রূপভেদ উদ্ভূত হওয়ার হুমকি থেকেই গিয়েছে। যা গুরুতর রোগ এবং মৃত্যুর তরঙ্গ সৃষ্টি করতে পারে। এমনকী, কোভিডের থেকে আরও মারাত্মক সম্ভাবনা সহ আরও অন্য কোনও রোগজীবাণু উদ্ভূত হওয়ার হুমকিও রয়েছে। আমরা এটা না দেখার ভান করে থাকতে পারি না। যে যে পরিবর্তন করতে হবে, তা যদি আমরা না করি, তাহলে কে করবে? আমরা যদি সেই পরিবর্তনগুলি না করি, তাহলে আর কখন করব? তাই আমাদের অবশ্যই সমষ্টিগতভাবে এর জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।” তিনি (WHO) বলেন, “কোভিড ১৯ এর সমাপ্তি কোনও খারাপ স্বপ্নের শেষ নয়। যে ঘুম ভেঙে গেলেই তার শেষ হয়ে যাবে। আমরা আগের মতো উদাসীন হয়ে চলতে পারি না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • WB HS Result 2023: উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত, ৪৯৬ পেয়ে প্রথম শুভ্রাংশু সর্দার

    WB HS Result 2023: উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত, ৪৯৬ পেয়ে প্রথম শুভ্রাংশু সর্দার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল (WB HS Result 2023)। নির্ধারিত সময়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে ফল প্রকাশ করলেন সংসদ সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। এ বছর ১৪ মার্চ পরীক্ষা শুরু হয়, শেষ হয় ২৭ মার্চ। পরীক্ষা শেষ হবার ৫৭ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ করল উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। 

    এবারের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় (WB HS Result 2023) মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৮ লক্ষ ৫২ হাজার ৪৪৪ জন। পাশ করেছেন ৭ লক্ষ ৩৭ হাজার ৮০৭ জন। পাশের হার ৮৯.২৫ শতাংশ। এ বছর ছাত্রীদের তুলনায় বেশি ছাত্র পাশ করেছেন। ছাত্রদের পাশের হার ৯১.৮৬ শতাংশ। ছাত্রীদের পাশের হার ৮৭.২৬ শতাংশ। পাশের হারে এক নম্বরে পূর্ব মেদিনীপুর। মাধ্যমিকেও পাশের হারে সবার আগে ছিল এই জেলাই।

    সংসদ প্রকাশিত মেধা তালিকা অনুযায়ী, এ বছর উচ্চ মাধ্যমিকে (WB HS Result 2023) প্রথম হয়েছেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের ছাত্র শুভ্রাংশু সর্দার। ৪৯৬ নম্বর পেয়েছেন শুভ্রাংশু। তাঁর প্রাপ্ত নম্বরের হার ৯৯.২ শতাংশ। ৪৯৫ নম্বর পেয়ে যুগ্ম দ্বিতীয় বাঁকুড়ার বঙ্গ বিদ্যালয়ের সুষমা পাল এবং উত্তর দিনাজপুরের আবু সানা। ৪৯৪ নম্বর পেয়ে যুগ্ম তৃতীয় স্থানে রয়েছেন তমলুকের চন্দ্রবিন্দু মাইতি, বালুরঘাটের অনুসূয়া সাহা, আলিপুরদুয়ারের পিয়ালি দাস।

    ২০২৪ সালের উচ্চ মাধ্যমিকের দিন ও সময় এদিন ঘোষণা করেন সংসদ সভাপতি। জানান, আগামী বছর পরীক্ষা হবে ১৬ ফেব্রুয়ারি। পরীক্ষা শেষ হবে ২৯ ফেব্রুয়ারি। তবে, পরীক্ষার সময় বদলেছে। তিনি জানান, পরীক্ষা শুরু হবে দুপুর ১২টা থেকে, চলবে বিকেল ৩টে পর্যন্ত।

    কোন ওয়েবসাইটে দেখা যাবে রেজাল্ট?

    অনলাইনে ফল দেখার জন্য বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট রয়েছে। সংসদের নিজস্ব দু’টি ওয়েবসাইট রয়েছে। এগুলি হল, www.wbchse.wb.gov.inwww.wbresults.nic.in। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা এই দুই ওয়েবসাইটে গিয়ে ফল দেখতে পারবেন। এছাড়া, www.wbchse.nic.in, www.exametc.com, www.results.shiksha.comwww.indiaresults.com-এই ওয়েবসাইটগুলিতেও রেজাল্ট দেখতে পারবেন। পুরো ফলাফল পিডিএফ আকারে ডাউনলোডও করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। ওয়েবসাইটগুলিতে নিজেদের রোল নম্বর দিলেই রেজাল্ট জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। কোন বিষয়ে কত নম্বর পেয়েছেন, তাও জানা যাবে। 

    আরও পড়ুন: আগামী শুক্রবার প্রকাশিত হবে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার ফল

    কীভাবে দেখতে হবে?

    প্রথমে ওয়েবসাইটের হোম পেজে West Bengal HS Result 2023- লিঙ্ক থাকবে। তাতে ক্লিক করলে খুলে যাবে নতুন পেজ। নির্দিষ্ট জায়গায় রোল নম্বর-সহ যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। তারপর Submit অপশনে ক্লিক করলেই দেখা যাবে মার্কশিট। ফল দেখার পাশাপাশি মার্কশিট ডাউনলোডও করতে পারবেন ছাত্র-ছাত্রীরা।

    এসএমএস-এও জানা যাবে ফল

    ওয়েবসাইট ছাড়া এসএমএস ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও দেখা যাবে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল (WB HS Result 2023)। এসএমএস-এও ফল জানতে হলে পড়ুয়াদের কয়েকটি পদ্ধতি মানতে হবে। মোবাইল ফোনের মেসেজ সেন্টারে গিয়ে নতুন এসএমএস তৈরি করতে হবে। তাতে প্রথমে WB12 লিখে তার পর একটা স্পেস দিয়ে লিখতে হবে রোল নম্বর। এই এসএমএস পাঠাতে হবে ৫৬৭৬৭৫০ বা ৫৮৮৮৮ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share